Tag: bjp

bjp

  • Bankura: দৈহিক এবং মানসিক সুস্থতার জন্য চাই যোগাভ্যাস, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার

    Bankura: দৈহিক এবং মানসিক সুস্থতার জন্য চাই যোগাভ্যাস, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্যরক্ষায় যোগাভ্যাস জরুরি’। বুধবার বাঁকুড়া (Bankura) স্টেশন সংলগ্ন মাঠে বিশ্ব যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের একথা বললেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডাঃ সুভাষ সরকার। পাশাপাশি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দিঘার সমুদ্র সৈকতে প্রাক্তন সেনা কর্মীদের নিয়ে যোগাভ্যাসের মধ্যে দিয়ে যোগ দিবস পালন করলেন। এছাড়াও বিজেপির সাংসদ, বিধায়করা রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করলেন। ২১ শে জুন বিশ্ব যোগ দিবস। শরীরী চর্চার মধ্যে দিয়ে কীভাবের সুস্থ এবং রোগমুক্ত থাকা যায়, সেই কথা মনে রেখেই বিশ্ব যোগ দিবস পালন করা হল এই দিনটিতে।

    কী বললেন ডাঃ সুভাষ সরকার

    যোগ দিবসের দিন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং বাঁকুড়ার (Bankura) সাংসদ ডাঃ সুভাষ সরকার বলেন, এবছর বিশ্ব যোগ দিবসের থিম ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিউ ইয়র্কে, রাষ্ট্রসংঘের কার্যালয় থেকে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে তিনি জানান। প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে যোগ দিবস নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভারতে এই যোগ দিবসকে, গত ৯ বছর ধরে, বিশ্ব যোগ দিবস হিসাবে পালন করা হচ্ছে। দেশের মানুষ যেমন এই যোগ দিবসে যোগদান করছেন, তেমনি বিদেশের মানুষও যোগ দিবসে, যোগের প্রয়োজনীয়তাকে গ্রহণ করছেন। তিনি আরও বলেন, যোগ আজকে ভারত থেকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে এই যোগ সাধনার মাধ্যমেই। ভারতীয় সংস্কৃতি কতটা পরিবেশ বান্ধব এবং প্রকৃতির অনুকুল, সেটা অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে এই যোগ দিবসে ভেবে দেখা দরকার বলে মনে করেন তিনি। বিশ্ববাসীর শারীরিক সুস্থতা এবং মঙ্গল কামনায় এই যোগের ভূমিকা অত্যন্ত উপযোগী বলে মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডাক্তার সুভাষ সরকার। দৈহিক সুস্থতা এবং মানসিক সুস্থতার জন্য প্রত্যেক দিন স্বল্প সময়ের জন্য যোগ অভ্যাস করা একান্ত প্রয়োজন। বিশ্ব যোগ দিবস ধীরে ধীরে সারা বিশ্বে এক সামজিক আন্দোলনের রূপ নিতে চলেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    যোগ দিবসে বিশেষ উপস্থিতি

    এই অনুষ্ঠানে বাঁকুড়া (Bankura) রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পাদক স্বামী কৃত্তিবাসানন্দ মহারাজ যোগ দিবস পালনের সমাপনী ভাষণ দেন। মহারাজ বলেন, এই যোগ দিবসে যাঁরা যাঁরা অংশ গ্রহণ করেছেন, তাঁদের অনেক অভিন্দন জানাই। যোগের প্রয়োজনীয়তাকে সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য যাঁরা নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন, তাঁদের ভূমিকাকে বিশেষ ভাবে সাধুবাদ জানান মহারাজ। এছাড়াও সমাজের বিভিন্ন বর্গের মানুষের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের দৃশ্য চোখে পড়ে অনুষ্ঠানে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bardhaman: নবজোয়ারে দু’হাজার পুলিশ, আর নির্বাচনে মাত্র ২২০০ আধা সেনা? কটাক্ষ অগ্নিমিত্রার

    Bardhaman: নবজোয়ারে দু’হাজার পুলিশ, আর নির্বাচনে মাত্র ২২০০ আধা সেনা? কটাক্ষ অগ্নিমিত্রার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলায় জেলায় এক কোম্পানি আধা সেনা দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট কি সম্ভব? এই প্রশ্নের উত্তরে আসানসোলের (Bardhaman) বিজেপি বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পল কটাক্ষের সুরে বলেন, তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচিতে যুবরাজের নিরাপত্তার জন্য মোতায়ন দু’হাজার রাজ্য পুলিশ। অন্যদিকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যের মানুষের নিরাপত্তার জন্য মাত্র ২২০০ আধা সেনা। সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছেলেখেলা করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! 

    কী বললেন বিধায়িকা?

    বিজেপি নেত্রী (Bardhaman) বলেন, রাজ্যে এই নির্বাচনের সময় নতুন জুটি তৈরি হয়েছে রাজীব সিনহা ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! এই জুটি রাজ্যের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে বাজারে নেমেছে। গণতন্ত্রকে হত্যা ও মানুষ খুনের খেলায় মত্ত এই জুটিকে আটকাতে বাংলার মানুষ সর্বত্র নামছেন। তিনি আরও বলেন, রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোট ২২ কোম্পানি আধা সেনা দিয়ে করলে অবশ্যই রক্তগঙ্গা বইবে, যদি না অতিরিক্ত আধা সেনা আসে। এই বিষয়ে আমরা আদালতের দারস্থ হব।

    প্রশাসনকে নিয়ে কী বললেন?

    দেগঙ্গায় আইএসএফ এবং তৃণমূলের ফের খণ্ডযুদ্ধ নিয়ে বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদিকা অগ্নিমিত্রা পল বলেন, ১২ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বলে কিছুই নেই! বিজেপির বুকের পাটা আছে বলেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে এককভাবে মনোনয়ন জমা করছে। অন্যদিকে তৃণমূল নির্বাচনে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে নেমেছে। পুলিশ-প্রশাসন এবং তৃণমূল প্রার্থীরা একত্রিত হয়েছে বলেই মনোনয়ন জমা করতে পেরেছে। দুদিনের মধ্যেই তৃণমূল ১০০% জায়গায় তাদের প্রার্থীর মনোনয়ন জমা করতে পেরেছে। তা না হলে দু-মিনিট করে সময়ে কীভাবে তৃণমূল প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা করতে পারে! অন্যদিকে এই পুলিশ পশ্চিম বর্ধমানে (Bardhaman) বিরোধীদের মনোনয়ন জমা করার কাজে বাধা দিতে সব রকম চেষ্টা চালিয়ে গেছে।

    তৃণমূল বিধায়কের দল ছাড়া নিয়ে কী বললেন?

    হুগলির বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূল ছাড়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। এ নিয়ে বিজেপি বিধায়িকা বলেন, তিনি দলে থাকবেন, না বেরিয়ে যাবেন, তা তৃণমূলের একান্ত নিজস্ব ব্যাপার। কিন্তু যাঁরা তৃণমূলের প্রথম দিন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে লড়াই করে এসেছেন, তাঁদের জায়গা বর্তমানে মঞ্চের নিচে। কেবল মাত্র যুবরাজের জায়গা মঞ্চের উপরে। বর্তমানে যুবরাজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের সুপার মুখ্যমন্ত্রী, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও উপরে।

    বুধবার বর্ধমানের (Bardhaman) বিজেপি সদর কার্যালয়ে রাঢ়বঙ্গের দলীয় বৈঠকে যোগ দিতে আসেন বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পল। সেই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, বীরভূমের দুবরাজপুরের বিজেপি বিধায়ক অনুপ সাহা। এছাড়াও আসানসোল, বীরভূম ও বর্ধমান সদর জেলার সভাপতি  এবং  অন্যান্য নেতৃত্বরা বৈঠকে ছিলেন বলে জানা গেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Bardhaman: বিজেপির প্রার্থীকে প্রচার না করার জন্য হুমকি, অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    Paschim Bardhaman: বিজেপির প্রার্থীকে প্রচার না করার জন্য হুমকি, অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রথমে মনোনয়নপত্র তোলা, তারপর মনোনয়নপত্র জমা করা এবং এরপরই মনোনয়ন প্রত্যাহার। বিরোধীরা শাসক দলের দুষ্কৃতীদের হাতে বার বার আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই ধরনের বহু খবর সংবাদ মাধ্যমে শিরোনাম হয়েছে। এবার নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থীদের ভোটের প্রচারকে ঘিরে শাসক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলল বিজেপি। তাদের প্রচার করতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠল পূর্ব বর্ধমানে (Paschim Bardhaman)। কাঁকসার মাধবমাঠ এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায়। বুধবার সকাল থেকেই এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে।

    কী ঘটেছে?

    কাঁকসা (Paschim Bardhaman) গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ৬৫ নম্বর বুথে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন ছোটন বাগদী। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তাঁকে ভয় দেখাত। গতকাল গভীর রাতে তাঁর বাড়িতে তৃণমূল আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী চড়াও হয় এবং তাঁকে নানা ভাবে হুমকি দিয়ে বলে, তিনি যেন এলাকায় কোনও রকম ভোটের প্রচার না করেন। এমনকী ভোটের প্রচারে বের হলে তাঁকে দেখে নেওয়া হবে বলে হুমকি দেয় দুষ্কৃতীরা। তবে তিনি জানান, অন্ধকারে কাউকে চিনতে পারেননি। এই ঘটনার পরই কাঁকসা থানায় ফোন করতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ছোটন বাগদী অবশ্য তাঁর দলের উচ্চ নেতৃত্বকে বিষয়টি জানিয়েছেন। বুধবার তিনি পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানা গেছে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    যদিও তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাঁকসা (Paschim Bardhaman) ব্লকের তৃণমূলের সহ-সভাপতি হিরন্ময় ব্যানার্জি। তাঁর দাবি, এই এলাকায় একশো শতাংশ বিরোধীরা মনোনয়ন জমা করেছেন। কেন্দ্রীয় সরকার এই রাজ্যের একশো দিনের কাজের টাকা বন্ধ করে দিয়েছে। সেই সঙ্গে দুই কোটি বেকারের চাকরি দিতে পারেনি কেন্দ্র! আর তাই বিজেপি প্রচার করতে গেলে তাঁদের প্রত্যাখ্যান করছে মানুষ। কার্যত প্রচারের আলোয় আসার জন্যই তৃণমূলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছে বিজেপি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: তৃণমূল বিধায়কের স্বামীকে মারধরের অভিযোগ দলেরই মহিলা কর্মীদের বিরুদ্ধে

    Panchayat Vote: তৃণমূল বিধায়কের স্বামীকে মারধরের অভিযোগ দলেরই মহিলা কর্মীদের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমন্ডিতে তৃণমূল বিধায়কের স্বামীকে হেনস্থার অভিযোগ দলেরই মহিলা কর্মীদের বিরুদ্ধে। তৃণমূলের এই গোষ্ঠীকোন্দলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলা জুড়ে। অস্বস্তিতে শাসক দল। এদিন রীতিমতো কলার ধরে মাটিতে বসানো হয় বিধায়কের স্বামীকে। বিদ্রোহী মহিলা কর্মীদের অভিযোগ, দলের প্রার্থীপদ (Panchayat Vote) বিলি নিয়ে অনিয়ম করেছেন বিধায়কের স্বামী।

    ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ…

    ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি থানার ৩ নং উদয়পুর অঞ্চলে। কুশমন্ডি বিধানসভার বিধায়ক রেখা রায়ের স্বামী নকুল রায়। অভিযোগ, নকুল রায়ের অঙ্গুলিহেলনে এলাকার দলীয় যোগ্য কর্মীরা প্রার্থী হতে পারেননি। টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের টিকিট পাইয়ে দিয়েছেন বিধায়কের স্বামী। আর এই অভিযোগে দলেরই মহিলারা বিধায়কের স্বামীকে হাতের নাগালে পেয়ে তার উপর চড়াও হন। জামার কলার ধরে বসিয়ে আটকে রাখেন ও বিক্ষোভ দেখান। ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। ঘটনার সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। খবর পেয়ে কুশমন্ডি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

    কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, ‘‘এরকম একটা খবর আমাদের কাছে এসেছে। আমরা দলীয় পর্যায়ে নির্দেশ দিয়েছি প্রকৃত ঘটনা জানার জন্য। দলের উচ্চপদস্থ যাঁরা আছেন, তাঁরা যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটাই চূড়ান্ত। কলকাতাতেও এই খবর দেওয়া হয়েছে। তারা যা সিদ্ধান্ত জানাবে, আমরা সেই অনুযায়ী কাজ করব। দলের ওপরে তো কেউ নয়।’’

    কী বলছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    এই বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘কুশমন্ডির বিধায়কের স্বামীকে মারধর করা হয়েছে বলে শুনেছি। এটা নতুন কিছু নয়। তৃণমূলে তো টাকা দিয়েই টিকিট হয়। বিশেষ করে ভাইপো জমানা শুরু হতেই তৃণমূলে টাকা ছাড়া টিকিট হয় না। টাকা ছাড়া টিকিট কেন, টাকা ছাড়া কিছুই হয় না।’’

    কী বলছেন বিদ্রোহী মহিলারা? 

    বিদ্রোহী মহিলাদের বক্তব্য, তাঁদের অন্ধকারে রেখে টাকার বিনিময়ে প্রার্থীপদ বিলি করেছেন অসীম রায়। এদিন এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘‘আমাকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়। আমি ব্যানার ছাপিয়ে ফেলি। পরে শুনি আমি বাদ গিয়েছি। আসলে টাকার বিনিময়ে প্রার্থীপদ বিক্রি হয়। ’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Panchayat Vote: বিজেপির দেওয়াল লিখন মোছার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    Panchayat Vote: বিজেপির দেওয়াল লিখন মোছার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বিজেপির দেওয়াল লিখন মুছে দেওয়ার অভিযোগ উঠল শাসক দলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার রায়দিঘিতে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব এনিয়ে আন্দোলন শুরু করেছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Vote) ঘোষণা থেকেই চলছে বিতর্ক। বিজেপির অভিযোগ, শাসকদলকে সুবিধা পাইয়ে দিতে কোনওরকম সর্বদলীয় বৈঠক না করেই রাজীব সিনহা ভোট ঘোষণা করেছেন। অন্যদিকে পঞ্চায়েতের মনোনয়ন ঘিরে অশান্তি ছড়ায় সারা রাজ্য জুড়ে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ আনে বিরোধীরা। ভাঙড়, ক্যানিং সহ একাধিক জায়গা অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। এখনও পর্যন্ত সন্ত্রাসের বলি ৯ জন।

    ঠিক কী ঘটনা?

    জানা গিয়েছে, রায়দিঘি বিধানসভার খাঁড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বামুনের চক ১২৭ নং বুথের বিজেপি প্রার্থী বিভাস কাঞ্জির সমর্থনে দেওয়াল লেখেন দলের কর্মীরা। অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে সেই দেওয়াল লিখন মুছে দেয় শাসক দল। এরই প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল থেকে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা।

    আরও পড়ুন: শাসকদলের সন্ত্রাসে এক মাসের বাচ্চাকে কোলে নিয়ে ঘরছাড়া বিজেপি দম্পতি

    কী বলছেন বিজেপি প্রার্থী বিভাস কাঞ্জি?

    এই ঘটনায় বিভাস কাঞ্জি বলেন, ‘‘আমাদের দেওয়াল লিখনে কাদা লেপে দিয়ে যায় তৃণমূল। আমরা প্রশাসনকে পুরো বিষয়টা জানিয়েছি। ওই দেওয়ালে আমরা তৃণমূলের একাধিক দুর্নীতির কথা তুলে ধরেছিলাম। স্বাভাবিকভাবেই তা পছন্দ হয়নি শাসক দলের। তাই রাতের অন্ধকারে ওরা মুছে দেয় ওই দেওয়াল। শাসকদল এখানে সন্ত্রাস করে আমাদের দাবিয়ে রাখতে চাইছে। ’’    

    কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব?

    অভিযোগ অস্বীকার করে শাসকদলের বক্তব্য, তৃণমূল কংগ্রেসের উন্নয়নের জেরে কোনও ইস্যু পাচ্ছে না। বিরোধীরা তাই নিজেরাই দেওয়ালে কাদা লাগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর দোষ চাপাতে চাইছে।

    আরও পড়ুন: বিজেপি প্রার্থীকে বাড়ি বয়ে হুমকি! সুকান্তর তাড়ায় চম্পট দিল শাসক দল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: শাসকদলের সন্ত্রাসে এক মাসের বাচ্চাকে কোলে নিয়ে ঘরছাড়া বিজেপি দম্পতি

    Panchayat Vote: শাসকদলের সন্ত্রাসে এক মাসের বাচ্চাকে কোলে নিয়ে ঘরছাড়া বিজেপি দম্পতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট-পরবর্তী হিংসার ছবি যেন ফিরে এসেছে পঞ্চায়েতের (Panchayat Vote) প্রাক্কালে। তৃণমূল আছে সন্ত্রাসেই! এবার এক মাসের বাচ্চাকে কোলে নিয়ে ঘরছাড়া এক দম্পতি বিজেপি প্রার্থী। বর্তমানে তাঁরা আশ্রয় নিয়েছেন আসানসোলের এক গোপন ডেরায়। সালানপুর ব্লকের দেন্দুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রার্থী সুভাষ কিসকু ও সুনীতা কিসকু। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার জন্য হুমকি দিচ্ছে ও বাড়ি বয়ে শাসিয়ে গেছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণা থেকেই চলছে বিতর্ক। বিজেপির অভিযোগ, শাসকদলকে সুবিধা পাইয়ে দিতে কোনওরকম সর্বদলীয় বৈঠক না করেই রাজীব সিনহা ভোট ঘোষণা করেছেন। অন্যদিকে পঞ্চায়েতের মনোনয়ন ঘিরে অশান্তি ছড়ায় সারা রাজ্য জুড়ে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ আনে বিরোধীরা। ভাঙড়, ক্যানিং সহ একাধিক জায়গা অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। এখনও পর্যন্ত সন্ত্রাসের বলি ৯ জন।

    আরও পড়ুন: বিজেপি প্রার্থীকে বাড়ি বয়ে হুমকি! সুকান্তর তাড়ায় চম্পট দিল শাসক দল

    কী বলছেন আক্রান্ত দম্পতি?

    আসানসোলের ওই গোপন আস্তানা থেকে বিজেপি প্রার্থী সুভাষ কিসকু বলেন, ‘‘প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করতে ক্রমাগত হুমকি দিচ্ছে শাসকদল। আমরা আতঙ্কিত। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হবে শুনছি। এতে কিছুটা আশাবাদী।’’ অন্যদিকে একমাসের বাচ্চাকে কোলে শুইয়ে সুনীতা কিসকু বলেন, ‘‘তৃণমূল ভয় দেখাচ্ছে। ভোটে দাঁড়ালে এর ফল ভালো হবে না। তাই আমরা ঘরছাড়া।’’ আসানসোলের বিজেপি নেতৃত্বের মতে, ‘‘শাসকদলের এই সন্ত্রাস নতুন কিছু নয়। পঞ্চায়েতে মনোনয়নের সময় ৭২ বছর বয়সী বৃদ্ধকেও রাস্তায় ফেলে মেরেছে তৃণমূল।’’

    কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব?

    যথারীতি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসক দল। তৃণমূলের সালানপুরের ব্লক সহ সভাপতি ভোলা সিং বলেন, ‘‘এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এমন কোনও ঘটনা ঘটেনি।’’

     

    আরও পড়ুন: ‘র’-এর প্রধান পদে অভিজ্ঞ আইপিএস অফিসার রবি সিনহা, জানেন কে তিনি?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Panchayat Vote: বিজেপি প্রার্থীকে বাড়ি বয়ে হুমকি! সুকান্তর তাড়ায় চম্পট দিল শাসক দল

    Panchayat Vote: বিজেপি প্রার্থীকে বাড়ি বয়ে হুমকি! সুকান্তর তাড়ায় চম্পট দিল শাসক দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরে বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে হুমকি দিতে আসে তৃণমূল আশ্রিত একদল দুষ্কৃতী। খবর পেয়েই ছুটে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ধাওয়া করেন দুষ্কৃতীদের। চম্পট দেয় তারা। স্থানীয় গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বহিরাগতরা পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণা হতেই এলাকায় অস্ত্র হাতে দাপাচ্ছে। বিরোধী প্রার্থীদের বাড়ি বয়ে খুনের হুমকি দিচ্ছে। এদিন বিডিও অফিসেও যান সুকান্ত। অভিযোগ, শাসক দলের কর্মীরা ১৪৪ ধারা ভেঙে জোর করে তুলে এনে কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করায়।

    কোথায় ঘটল এমন ঘটনা?

    জানা গিয়েছে, গঙ্গারামপুর ব্লকের সুকদেবপুর অঞ্চলে বিজেপি প্রার্থী (Panchayat Vote) হয়েছেন রূপালী রায়। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা মতো এদিনই মনোনয়ন তোলার শেষ দিন। এদিন রূপালী রায়ের বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী মনোনয়ন তোলার জন্য হুমকি দিতে আসে। তারা নম্বরহীন গাড়ি ও বাইকে এসেছিল বলে জানা গিয়েছে। এই খবর পেয়েই এলাকায় ছুটে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সহ দলের লোকজন। তাঁদের দেখে পালিয়ে যায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। খবর পেয়ে ছুটে আসে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘সুকদেবপুর অঞ্চলে দিনে রাতে দুষ্কৃতীরা এসে হামলা চালাচ্ছে। আমরা খবর পেয়ে আসি। এসে দেখি কিছু দুষ্কৃতী হাতে লাঠি নিয়ে আছে। পাশাপাশি তারা একটি চারচাকা গাড়ি ও দুটি মোটর বাইক নিয়ে আসে। যার মধ্যে একটির নাম্বার নেই। দুষ্কৃতীরা আমাদের প্রার্থীর স্বামীকে খুন করার হুমকি দেয় ও মনোনয়ন তুলে নেবার জন্য জোর করে। আমরা ওদেরকে ধরার জন্য ধাওয়া করি। ওরা আমাদের দেখে পালিয়ে যায়। পুলিশ সময়মতো আসেনি। আমরা পুলিশকে বলছি এই গাড়িটিকে চেক করতে।’’ অন্যদিকে বিডিও অফিসে বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করাতে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এনিয়ে সুকান্ত বলেন, ‘‘তৃণমূলের হার্মাদরা আমাদের প্রার্থীদের গ্রামে গ্রামে গিয়ে হুমকি দিচ্ছে। তারা নিজেই আমাদের প্রার্থীদের গাড়ি করে তুলে নিয়ে এসে ১৪৪ ধারা অমান্য করে বিডিও অফিসে ঢুকে মনোনোয়ন প্রত্যাহার করাচ্ছে। আমরা এর প্রতিবাদ করেছি। হাতেনাতে ধরেছিলাম এক তৃণমূল নেতাকে। সেই নেতা ক্যামেরার সামনে বলেছে, আমি তৃণমূলের যুব সভাপতি, আমি ১৪৪ ধারার মধ্যে ঢুকতে পারি। আমরা আজ বিডিওকে বলেছি, যদি এর উপযুক্ত ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তবে বৃহত্তর আন্দোলন করব।’’

    কী বলছেন বিজেপি প্রার্থী রূপালী রায়?

    এই বিষয়ে বিজেপির প্রার্থী রুপালি রায় বলেন, ‘‘তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাকে এসে ভয় দেখাচ্ছে আমাকে প্রার্থী হতে দেবে না। ভোট হবার পর আমাদের বাড়িতে থাকতে দেবে না বলছে। মনোনয়ন তোলার জন্য তারা জোর করছে।’’ অন্যদিকে, বিজেপি প্রার্থীর স্বামী রতন রায় বলেন, ‘‘আমার স্ত্রী বিজেপির প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছে, একারণে দিনে-রাতে তৃণমূলের কর্মীরা আমাদের এসে  হুমকি দিচ্ছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Purba Medinipur: সিপিএমের পথেই তৃণমূল! বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে সাদা থান পাঠিয়ে হুমকি

    Purba Medinipur: সিপিএমের পথেই তৃণমূল! বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে সাদা থান পাঠিয়ে হুমকি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাম আমলে বিরোধী প্রার্থীর বাড়িতে সাদা থান পাঠিয়ে যেভাবে প্রাণনাশের হুমিক দেওয়া হত, ঠিক তেমনই ঘটনার প্রতিফলন এবার পুর্ব মেদিনীপুরে। অভিযোগের তীর এবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সমানে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন নীলিমা দত্ত। কাঁথি (Purba Medinipur) ১ নম্বর ব্লক এলাকার সাবাজপুট গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৯৬ বুথের বিজেপির মনোনীত প্রার্থী তিনি। সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে তিনি দেখেন, বাড়ির উঠানে একটা সাদা থান এবং সঙ্গে মিষ্টি, ফল, ফুলের মালা। সেই সঙ্গে রয়েছে একটি ছোট্ট চিরকূট। তাতে লেখা রয়েছে, ‘স্বামীর ভালো চাইলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়া’… । যদিও তৃণমূলের তরফ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

    বিজেপি প্রার্থীর প্রতিক্রিয়া

    বিজেপির প্রার্থী নীলিমা দত্ত বলেন, আমরা রাতে খাওয়াদাওয়া শেষ করে ঘুমিয়ে পড়ি। ভোরবেলা আমার শ্বশুরমশাই বাইরে বের হলে দেখেন, কারা যেন বাড়ির (Purba Medinipur) উঠানে এই সাদা থান এবং একটি চিরকূট রেখে গেছে। তিনি খুব স্পষ্ট বলেন, তৃণমূলের হার্মাদরাই এই কাজ করেছে! আগে সিপিএমের লোকেরা এই কাজ করত, এখন তৃণমূল করছে। গণতন্ত্র বলে কিছু নেই রাজ্যে। মানুষ নিজের পছন্দ এবং মতামত প্রকাশ করলেই এভাবে বিরোধীদের বাড়িতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই থান এবং চিরকূটের মাধ্যমে তাঁকে বিধবা করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন নীলিমা দেবী। তিনি আরও বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনও প্রশ্ন নেই, লড়াই করব। তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি এবং সামাজিক বঞ্চনার বিরুদ্ধে মানুষের মধ্যে জনমত তৈরি করার চেষ্টা করব।

    কতটা সুরক্ষিত পঞ্চায়েত নির্বাচন?

    কলকাতা হাইকোর্ট নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের যে নির্দেশ দিয়েছিল, তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা করলে সুপ্রিম কোর্টও রাজ্য নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্য সরকারের আবেদন খারিজ করে দেয়। বাহিনী দিয়েই ভোট করাতে হবে বলে নির্দেশ বহাল রাখা হয়। পাশাপাশি রাজ্যপাল রাজভবনে ‘পিস রুম’ খুলে মানুষের অভিযোগ জানানোর বিশেষ ব্যবস্থা করেছেন। অপর দিকে হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা আগামী দশ দিনের মধ্যে রাজ্যের কাছে হলফনামা চেয়েছেন। মিনাখাঁ, ভাঙড়ে যে সব বিরোধীরা মনোনয়ন করতে পারেননি, তাঁদের সুরক্ষা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় রাজ্য পুলিশের কী ভূমিকা ছিল? যে কোনও রকম হিংসা ঠেকাতে কী ব্যবস্থা নিয়েছিল প্রশাসন? হিংসার আগে-পরে কী কী ঘটেছে? কত জন গ্রেফতার হয়েছে! সেইসব কথাও জানতে চেয়েছেন বিচারপতি। সব মিলিয়ে নির্বাচনে মনোনয়ন জমা, মনোনয়ন প্রত্যাহার এবং নির্বাচনের দিনে বিরোধী রাজনৈতিক দল কতটা সুরক্ষিত! তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন সাধারণ ভোটাররা। ৮ই জুলাই নির্বাচনের দিন কাঁথিতে (Purba Medinipur) কেমন নিরাপত্তা বলয় থাকে, তাই এখন দেখার।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Bardhaman: মনোনয়ন তুলে নিতে হুমকি, আক্রান্ত বিজেপির জেলা পরিষদের প্রার্থী

    Paschim Bardhaman: মনোনয়ন তুলে নিতে হুমকি, আক্রান্ত বিজেপির জেলা পরিষদের প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের শুরু থেকেই শাসক দলের দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্যে বিরোধী দলের নেতা-কর্মী এবং প্রার্থীদের আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ উঠছে সর্বত্র। মনোনয়ন জমার পর এবার মনোনয়ন প্রত‍্যাহারের চাপ দিয়ে প্রার্থীর বাড়িতে হামলা চালালো দুষ্কৃতীরা। আক্রান্ত হলেন পশ্চিম বর্ধমানের (Paschim Bardhaman) এক বিজেপি প্রার্থী। অভিযোগ‍ের তীর শাসক দলের বিরুদ্ধে।

    পশ্চিম বর্ধমানের (Paschim Bardhaman) কোথায় ঘটল এমন ঘটনা?

    বারাবনি (Paschim Bardhaman) বিধানসভার সালানপুর ব্লকের আছড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত হরিষাডি গ্রামের বাসিন্দা চিন্ময় তিওয়ারি ও তাঁর স্ত্রী সিঙ্কু তিওয়ারি। তাঁরা যথাক্রমে বিজেপির পক্ষ থেকে জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী হয়েছেন। অন‍্যদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে সঞ্জয় সুকুলের স্ত্রী নবনীতা সুকুল পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী হয়েছেন। বিজেপি প্রার্থীদের নাম প্রত‍্যাহারে চাপ দিতে সোমবার রাতে চিন্ময় তিওয়ারিকে ফোন করা হয়। এরপর বচসার সৃষ্টি হওয়ায়, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা চিন্ময়ের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে মারধর করে। আর তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর কাকা সজল তিওয়ারিও আক্রান্ত হন বলে জানা গেছে।

    প্রশাসন এবং সংবাদ মাধ্যমের কাছে অভিযোগ

    মনোনয়ন প্রত্যহার এবং অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী ইতিমধ‍্যে রূপনারায়ণপুর (Paschim Bardhaman) ফাঁড়িতে অভিযোগ জানিয়েছেন। পাশাপাশি সংবাদ মাধ‍্যমকে তিনি জানিয়েছেন, এইভাবেই এই রাজ্যে বিরোধীরা বারবার রাজনৈতিক ভাবে হিংসার শিকার হচ্ছেন। তিনি বলেন, তাঁর ওপর তৃণমূলের দুষ্কৃতী হরেরাম তিওয়ারি, সঞ্জয় সুকুল ও পল্লব তিওয়ারিরা হামলা চালিয়েছে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    সালানপুর ব্লকের (Paschim Bardhaman) তৃণমূলের সহ সভাপতি ভোলা সিং বলেন, দোকান ও ব‍্যবসা সংক্রান্ত একটি পারিবারিক বিবাদকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। যদিও ঘটনার সাথে কোনও রাজনীতির সংযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, চেষ্টা করবেন উভয় পক্ষের সাথে একযোগে বৈঠক করে সমস‍্যার সমাধান করতে। অন‍্যদিকে সঞ্জয় সুকুল দাবি করেছেন, তাঁর স্ত্রী নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন বলেই তাঁকে ভিত্তিহীন অভিযোগে বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Durgapur: তারুণ্যের জোশ, দুর্নীতিমুক্ত পঞ্চায়েত গড়তে বিজেপির প্রার্থী বৃদ্ধা উমারানী!

    Durgapur: তারুণ্যের জোশ, দুর্নীতিমুক্ত পঞ্চায়েত গড়তে বিজেপির প্রার্থী বৃদ্ধা উমারানী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির অন্ধ ভক্ত। স্বামীও এক সময় সক্রিয় কর্মী ছিলেন। অভিযোগ, বিজেপি করায় জোটেনি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ি। তবুও থেমে থাকেননি। ৮৫ বছর বয়সে পঞ্চায়েতে বিজেপির প্রার্থী হয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন কাঁকসার আমলাজোড়ার (Durgapur) উমারানী। এই বয়সে প্রার্থী হয়ে যেমন দলের যুব কর্মীদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন, তেমনই পঞ্চায়েত ভোটে নতুন চমক বিজেপির।

    কে এই উমারানী মিশ্র (Durgapur)?

    বয়স ৮৫। বয়সের ভারে শ্রবণশক্তি কমেছে। পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসা ব্লকের আমলাজোড়া পঞ্চায়েতের ধোবাঘাট গ্রামের বাসিন্দা। দুই ছেলের মধ্যে বছর কয়েক আগে এক ছেলে মারা গেছেন। স্বামীরও মৃত্যু হয়েছে। অনটনের সংসার। বার্ধ্যকভাতা যেটুকু পান, তাতে কোনওভাবে সংসার চলে। স্বামী কুবীর মিশ্র বামফ্রন্টের দোর্দণ্ড প্রতাপের সময় সক্রিয় বিজেপি কর্মী ছিলেন। দীর্ঘ ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিজেপির অন্ধ ভক্ত উমারানী। বছর কুড়ি আগে আমলাজোড়ার বিহারপুর গ্রাম থেকে (Durgapur) বিজেপির হয়ে প্রথম প্রার্থী হয়েছিলেন। ৮৫ বছর বয়সেও সাহস ও ইচ্ছাশক্তি প্রবল এবং সক্রিয় বিজেপি কর্মী। নরেন্দ্র মোদির অন্ধ ভক্ত। বিজেপি করার অপরাধে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়িটুকুও জোটেনি বলে অভিযোগ উমাদেবীর। সম্প্রতি রাজ্য ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচনে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব উমাদেবীকে প্রার্থী করে চমক দিয়েছে।

    কী বলছেন ৮৫ বছরের এই প্রার্থী (Durgapur)?

    কাঁকসার আমলাজোড়া অঞ্চলের ২৭৬ নং গ্রাম সংসদে বিজেপি প্রার্থী উমারানী মিশ্র। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর ইতিমধ্যে প্রচারও (Durgapur) শুরু করেছেন। এই বয়সে কেন প্রার্থী হয়েছেন? প্রশ্ন করতেই উমাদেবীর সপাটে জবাব, “স্বামী একনিষ্ঠ বিজেপি কর্মী ছিলেন। আমি বিজেপি ও নরেন্দ্র মোদির অন্ধ ভক্ত। করোনা আবহে লকডাউনে বিনামূল্যে রেশন সামগ্রী দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। উজ্বালা যোজনায় গ্যাস। প্রত্যেকের পাকা বাড়ি তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। আয়ুষ্মান কার্ড, যেটা রাজ্যে চালু করতে দেয়নি তৃণমূল, তার জন্য আমাদের মতো গরিব মানুষকে চিকিৎসা করাতে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। কেন্দ্র সরকারের উন্নয়নমুলক কাজে আপ্লুত। তাই নরেন্দ্র মোদির অন্ধ ভক্ত। বিজেপিই একমাত্র গরিব মানুষের সাহারা। তাই এই বয়সে প্রার্থী হয়েছি।” তিনি আরও বলেন,” গ্রামের মানুষের চাপে বার্ধক্যভাতাটুকু চালু করেছে। বিজেপি করায় আমাকে  প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ি দেয়নি তৃণমূল সরকার। তাই রাজ্য থেকে দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল নামক জগদ্দল পাথরটাকে সরাতে প্রার্থী হয়েছি।” জেতার বিষয়ে উমাদেবী বলেন,” আমাদের মতো অসহায় বয়স্ক মানুষের জন্য কাজ করব। গ্রামের মানুষ খুব ভালোবাসে। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে, মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে আমি অবশ্যই জিতব।”

    কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব (Durgapur)?

    উমাদেবীর অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় Durgapur তৃণমূল নেতৃত্ব। আমলাজোড়া পঞ্চায়েত প্রধান চয়নিকা পাল বলেন, “উমাদেবীর দুই ছেলে। এক ছেলে মারা গেছেন। দুই ছেলের পরিবারের দুটি জব কার্ড। উমাদেবীর আলাদা কোনও জবকার্ড নেই। উমাদেবীর নাম এক বৌমা লক্ষ্মী মিশ্রর জবকার্ডে সংযুক্ত রয়েছে। দুটি পরিবারের দুটি জবকার্ডে আবাস যোজনায় বাড়ি পেয়েছে। জবকার্ড অনুযায়ী আবাস যোজনার বাড়ি দেওয়া হয়েছে।”

    কী বলছে বিজেপি (Durgapur)?

    প্রসঙ্গত, গত ২০১৯ সালের লোকসভা ও ২০২১ সালের বিধানসভার নিরিখে আমলাজোড়া অঞ্চলের ধোবাঘাট গ্রামে (Durgapur) বিজেপি অনেকটাই এগিয়ে। তাই স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বও উমাদেবীর জয়ের বিষয়ে অনেকটাই আশাবাদী। স্থানীয় বিজেপিকর্মী অসীম ঘড়ুই, প্রসেঞ্জিত বাগদী বলেন,” ঠাকুমা এবারে জিতবে। গ্রামের মানুষ তৃণমূলের অত্যাচার থেকে পরিত্রাণ চাইছে। দু হাত তুলে সমর্থন করছে বিজেপিকে।” উল্লেখ্য, বিজেপির প্রত্যেক নির্বাচনে প্রার্থী পদে চমক রাখে। গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়ার শালতোড়া আসনে রাজমিস্ত্রির পরিবার থেকে চন্দনা বাউরীকে প্রার্থী করে চমক দিয়েছিল। এছাড়াও আউশগ্রাম বিধানসভায় পরিচারিকা কলিতা মাজিকে প্রার্থী করে বড় চমক দিয়েছিল। চন্দনা বাউরী বিপুল ভোটে জয়ীও হয়েছেন। তবে কলিতা মাজি টক্কর দিয়ে কয়েক হাজার ভোটের ব্যাবধানে পরাজিত হয়েছেন। বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই বলেন,” উমারানী আমাদের গর্ব। বামফ্রন্টের দোর্দণ্ড প্রতাপের সম প্রার্থী হয়েছিলেন। এখন তৃণমূলের অত্যাচার থেকে গ্রামবাসীকে পরিত্রাণ দিতে প্রার্থী হয়েছেন। উমাদেবীর সাহসিকতা বিজেপির অনুপ্রেরণা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share