Tag: bjp

bjp

  • Malda: ‘গনি খান চৌধুরী ঈশ্বর নন’, তৃণমূল প্রার্থীর মন্তব্যে অস্বস্তিতে দল

    Malda: ‘গনি খান চৌধুরী ঈশ্বর নন’, তৃণমূল প্রার্থীর মন্তব্যে অস্বস্তিতে দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার (Malda) তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শাহনাওয়াজ আলি রাইহান এবার গনি খান চৌধুরি সম্পর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন। তিনি বলেন, “গনি খান ঈশ্বর নন, মনে আছেন ঠিক আছে, তাঁকে দেবত্বের আসনে না বসালে অপমান হবে এমন কোনও ব্যাপার নেই।” মালদা দক্ষিণ কেন্দ্রে কংগ্রেস নেতা গনি খানের নামে আগের বারের তৃণমূল প্রার্থী মৌসন নুর জয়ী হয়েছিলেন। এই বিদায়ী সাংসদের পরিবারের নেতার নামে এই মন্তব্য, তৃণমূলের অন্দরে ফাটল নয় তো? রাজনৈতিক মহলে এই নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়েছে। যদিও মৌসুম নুর এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেননি। গনি খান আবগে ধাক্কা দিলেন না তো তৃণমূল প্রার্থী?

    ঠিক কী বললেন তৃণমূল প্রার্থী (Malda)?

    মালদা (Malda) দক্ষিণ লোকসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শাহনাওয়াজ আলি রাইহান বলেন, “আমার কাছে গনি খান চৌধুরী ঈশ্বর নন। মালদায় আসলেই মাথা ঠেকাতে হবে। তিনি আমার মনে রয়েছেন। কিন্তু তাঁকে দেবত্ব বানিয়ে কেন তুমি মাজারে গেলে না, অপমান করলে, এই রকম যুক্তি মানি না।”

    তৃণমূলে কী ফাটল?

    বিগত নির্বাচনগুলিতে কংগ্রেস নেতা গনি খানের মৃত্যুর পর তাঁর নামেই পরিবারের সদস্যরা নির্বাচনে লড়াই করেছেন। গতবারের বিদায়ী লোকসভার (Malda) প্রার্থী ছিলেন এই পরিবারের সদস্যা মৌসম নূর বেনজির। যদিও তিনি মূলত কংগ্রেসের নেত্রী হলেও পরে দল বদল করে তৃণমূলে যোগদান করে নির্বাচনে লড়াই করে ছিলেন। এই বারে তাঁকে দলের তরফ থেকে টিকিট না দেওয়ায় এখনও নির্বাচনী প্রচারে দেখা মেলেনি। যদিও শারীরিক অসুস্থতার কথা বললেও দলের বিরুদ্ধে যে অভিমান করেছেন সে কথা রাজনীতির অনেক বিশ্লেষক মনে করেছেন। কিন্তু এই আবহে তৃণমূল প্রার্থীর মুখে গনি খান সম্পর্কে মন্তব্যে দলের অন্দরের ফাটল আরও চওড়া হল না তো? প্রশ্ন এখানেই।

    কংগ্রেসের বক্তব্য

    মালদা (Malda) দক্ষিণ লোকসভার কংগ্রেস প্রার্থী ঈশা খান চৌধুরী বলেছেন, “তৃণমূল প্রার্থী মালদা সম্বন্ধে বেশি কিছু জানেন না। গনি খান একজন মানুষ। ভগবান নয়। কিন্তু সবাই ওঁকে শ্রদ্ধা করেন, ভালবাসেন। উনি মালদা জেলার জন্য অনেক কিছু করেছেন। চাকরি দিয়েছেন।”

    বিজেপির বক্তব্য

    জেলার বিজেপির নেতারা বলেছেন, “গনি খান মালদার (Malda) জন্য অনেক কাজ করেছেন। আমরা বিজেপি কর্মীরাও একই কথা বলব। তবে তাঁর উত্তরসুরীরা কোনও কাজ করেননি। রূপকার গনি খানকে মিথ করেছে কংগ্রেস। কাজের কাজ কিছু করেনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: বিজেডির সঙ্গে জোট নয়, লোকসভা নির্বাচনে ওড়িশায় একাই লড়বে বিজেপি

    Lok Sabha Election 2024: বিজেডির সঙ্গে জোট নয়, লোকসভা নির্বাচনে ওড়িশায় একাই লড়বে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Election 2024) ওড়িশায় একাই লড়বে বিজেপি। শুক্রবার রাজ্যের বিজেপি সভাপতি মনমোহন শ্যামল জানিয়ে দেন আগামী লোকসভা ও ওড়িশা বিধানসভা নির্বাচনে বিজেডির সঙ্গে কোনও আসন সমঝোতা নয়। সবকটি আসনে প্রার্তী দেবে বিজেপি। একাই লড়াই করে জয়ের অঙ্গীকার করেছেন তিনি। দেড় দশক পরে সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়কের দল বিজেডির সঙ্গে আসন রফা নিয়ে বিজেপি দফায় দফায় আলোচনা চালালেও তা ফলপ্রসূ হয়নি।

    কী ভাবছে বিজেপি

    নবীন পট্টনায়কের বিজু জনতা দল বা বিজেডির সঙ্গে বিজেপির জোট হবে কি না, তা নিয়ে দীর্ঘ জল্পনায় অবশেষে ইতি পড়ল শুক্রবার। এদিন ওড়িশার বিজেপি সভাপতি মনমোহন শ্যামল এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘‘আমরা একক ভাবে রাজ্যের ২১টি লোকসভা এবং ১৪৭টি বিধানসভা কেন্দ্রে লড়ব এবং জিতব।’’ একইসঙ্গে রাজ্যের বিজেপি সভাপতি দাবি করেন, ওড়িশার সর্বত্র মোদি সরকারের জনকল্যাণ প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘ওড়িশার গরিব ভাই বোনেরা মোদী সরকারের বহু জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আমরা এটা নিয়ে চিন্তিত।’ উল্লেখ্য, ১৩ মে থেকে ওড়িশায় লোকসভা ভোট। একইসঙ্গে ২১ আসনের লোকসভা ভোটের পাশাপাশি ১৪৭ আসনের বিধানসভাতেও ভোট হবে। চার দফায় ভোট এখানে। মে মাসে ১৩ তারিখে প্রথম ভোট হবে। মে মাসের ২০ এবং ২৫ তারিখ এবং ১ জুন এই রাজ্যে ভোট হবে। 

    আরও পড়ুন: লোকসভা নির্বাচনে চতুর্থ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, নেই বাংলার কোনও আসন

    কেন একা লড়ার সিদ্ধান্ত

    বিজেডির একটি সূত্র জানাচ্ছে, বিহারের মতোই ওড়িশায় বেশি সংখ্যক লোকসভা আসনে (Lok Sabha Election 2024) লড়তে চেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু নবীন রাজি হননি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেডিইউ প্রধান নীতীশ কুমারের পথে হাঁটতে। ওই সূত্রের দাবি, লোকসভার বেশি আসনের বিনিময়ে বিজেপি বিধানসভায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন ছাড়ার প্রস্তাবেও মত দেয়নি বিজেডি। আসন সমঝোতা সংক্রান্ত আলোচনায় লোকসভায় বিজেপিকে আটটি এবং বিধানসভায় ৩০টির বেশি আসন ছাড়তে রাজি না হওয়ায় বিজেডির সঙ্গে আলোচনা বন্ধ করে দেয় বিজেপি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: “ধরা পড়েছে মাফলার, এবার যাবে হাওয়াই চটি”, বলাগড়ের সভায় স্পষ্ট ইঙ্গিত শুভেন্দুর

    Hooghly: “ধরা পড়েছে মাফলার, এবার যাবে হাওয়াই চটি”, বলাগড়ের সভায় স্পষ্ট ইঙ্গিত শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। আজ হুগলির (Hooghly) বলাগড়ে বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের প্রচারের জন্য বিজয় সংকল্প সভা হয়। এই সভায় যোগদান করেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “ধরা পড়েছে মাফলার, এবার যাবে হাওয়াই চটি।” কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গ্রেফতার হওয়ার কথা বলে মমতাকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি এবং ভবিষ্যতে কী হতে চলেছে, তাঁর স্পষ্ট ইঙ্গিত দেন।

    সভা থেকে কী বললেন (Hooghly)?

    বলাগড়ে (Hooghly) বিজেপির সভা থেকে শুভেন্দু তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “সবেমাত্র ভোর হয়েছে। অনেকে জেলে রয়েছেন। সন্ধ্যা এখনও বাকি। এসএসসি মামলায় গ্রেফতার অয়ন শীলের কাছ থেকে যে সব তথ্য পাওয়া গিয়েছে, তা ডাউনলোড করা হয়েছে। পুর নিয়োগ, ফায়ার ব্রিগেড সার্ভিস, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে কীভাবে দুর্নীতি করা হয়েছে, তার তথ্য উদ্ধার হয়েছে। আমরা সারা দেশে ৫৪৩ সিটে লড়াই করছি। তৃণমূল লড়াই করছে বাংলায় ৪২, অসমে ১, মেঘালয়ে ১ এবং উত্তরপ্রদেশে ১ টি আসনে। সরকার গঠনে লাগবে ২৭২। ফলে তৃণমূলকে ভোট দেওয়া মানে ভোট নষ্ট করা, এটা আপনারা জেনে রাখুন। তোলামূল আগে জাতীয় দল ছিল। কিন্তু ত্রিপুরা-নাগাল্যান্ডে হারের পর আঞ্চলিক দলে পরিণত হয়েছে। বাংলার মেয়েকে প্রধানমন্ত্রী চাই, এই কথা প্রথমে বললেও এখন আর বলে না। গরুর গাড়িতে হেডলাইট এবং স্যান্ডো গেঞ্জিতে যেদিন বুক পকেট লাগবে, সেই দিন পিসি প্রধানমন্ত্রী হবেন।”

    আর কী বললেন?

    হুগলির (Hooghly) সভা থেকে মমতাকে আক্রমণ করে শুভেন্দু বলেন, “যতই করো কান্নাকাটি, ধরা পড়েছে মাফলার, এবার যাবে হাওয়াই চটি। হাওয়াই চটির অবস্থা কী হতে পারে সকলেই দেখতে পারবেন।” আবার সিপিএমকে আক্রমণ করে তিনি আরও বলেন, “এদের কোথাও অস্তিত্ব নেই। কেবলমাত্র ভোট কাটার জন্য দাঁড়িয়েছে। তৃণমূলকে সুবিধা দিতে সিপিএম কাজ করছে। ২০২১ সালের লোকসভা নির্বাচনে বলাগড়, তেলেনিপাড়া, চন্দননগর, আদি সপ্তগ্রামে আমাদের ভোট কেটে তৃণমূলকে জয়ী করে সুযোগ করে দিয়েছে। চোর ভাইপোর সঙ্গে মীনাক্ষী-শতরূপের জ্যাঠামশাই সীতারাম ইয়েচুরি পাটনা, দিল্লি, বেঙ্গালুরুতে কাটলেট খেয়েছেন। তাঁরা ইটিং মিটিং সেটিং করেন মাত্র। সিপিএমকে ভোট দিয়ে ভোট নষ্ট করবেন না। দেশটা যাতে ইউক্রেন না হয়, তাই শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রী দরকার। তাই মোদি সরকার আরও একবার দরকার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: লোকসভা নির্বাচনে চতুর্থ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, নেই বাংলার কোনও আসন

    Lok Sabha Election 2024: লোকসভা নির্বাচনে চতুর্থ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, নেই বাংলার কোনও আসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনকে (Lok Sabha Election 2024) সামনে রেখে চতুর্থ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। তামিলনাড়ুর ১৪ এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরির একমাত্র লোকসভা আসনের প্রার্থীর নাম রয়েছে এই তালিকায়। তবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় তালিকার মতো চতুর্থতেও ঠাঁই হয়নি পশ্চিমবঙ্গের কোনও প্রার্থীর। দলীয় সূত্রে খবর, ভোটের দিন ও হাতে কত সময় রয়েছে তা দেখেই প্রার্থী ঘোষণা করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী আগে তামিলনাড়ুর প্রার্থী ঘোষণা করা হল।

    কবে বাংলার প্রার্থী তালিকা

    গত ২ মার্চ বিজেপির প্রথম প্রার্থিতালিকায় ঘোষিত ১৯৫ জন প্রার্থীর মধ্যে রাজ্যের ২০ জন ঠাঁই পেয়েছিলেন। কিন্তু ১৩ মার্চ ৭২ জন প্রার্থীর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের কারও নাম ঘোষিত হয়নি। একই ভাবে বৃহস্পতিবার ঘোষিত ৩৯ জনের তৃতীয় তালিকাতেও বাংলার কেউ ছিলেন না। শুক্রবার, ২২ মার্চেও বাংলার কোনও আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। নাম ঘোষণার পরে আসানসোল কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী পবন সিং নিজেই নাম তুলে নেন। যদিও, পরে তিনি জানান যে, লড়াই করবেন। তবে, কোন আসন থেকে, তা খোলসা করেননি। ফলে বাংলার ২৩টি লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারে গেরুয়া শিবির। শনিবার সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেই বৈঠকেই সম্ভবত ২৩টি আসনের নাম চূড়ান্ত করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। তার পরই রাজ্যের বাকি আসনগুলির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারে বিজেপি। 

    আরও পড়ুুন: কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী চন্দ্রনাথের বোলপুরের বাড়িতে ইডি হানা, বাড়ি ঘিরে রেখেছে বাহিনী

    কোন কোন আসনে প্রার্থী

    শুক্রবার প্রকাশিত প্রার্থী (Lok Sabha Election 2024) তালিকায় দুই রাজ্যের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। তালিকায় মোট ১৫টি নাম রয়েছে। যার মধ্যে একটি পুদুচেরির, বাকি ১৪টি নাম রয়েছে তামিলনাড়ুর। এই ১৫ জন প্রার্থীর মধ্যে দুজন মহিলা প্রার্থীর নামও রয়েছে। তামিলনাড়ুতে বিজেপির প্রার্থিতালিকায় রয়েছেন চিত্রতারকা শরথকুমারের স্ত্রী রাধিকা। পুদুচেরিতে শাসকদল এনআর কংগ্রেসের সঙ্গে জোটে রয়েছে বিজেপি। সেখানকার একমাত্র আসনটি ‘পদ্ম’কে ছেড়েছে মুখ্যমন্ত্রী এন রঙ্গস্বামীর দল। পুদুচেরিতে বিজেপি প্রার্থী করেছে প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা তথা জোট সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ নমশিবায়নকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Electoral Bonds: নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে ‘ডিয়ার লটারি’ থেকে ৫৪২ কোটি টাকা পেয়েছে তৃণমূল!

    Electoral Bonds: নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে ‘ডিয়ার লটারি’ থেকে ৫৪২ কোটি টাকা পেয়েছে তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী বন্ডের (Electoral Bonds) মাধ্যমে একটি সংস্থার থেকে সবচেয়ে বেশি চাঁদা পেয়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জানা যাচ্ছে, কোয়েম্বাটোরের ‘ফিউচার গেমিং অ্যান্ড হোটেল সার্ভিস প্রাইভেট লিমিটেড’ নামের এই সংস্থা ঘাসফুল শিবিরকে দিয়েছে ৫৪২ কোটি টাকা চাঁদা। এর পাশাপাশি ওই সংস্থা তামিলনাড়ুর শাসকদল ডিএমকে শিবিরকে দিয়েছে ৫০৩ কোটি টাকা চাঁদা। দেখা যাচ্ছে, ২০১৯ সালের ১২ এপ্রিল থেকে ২০২৪ সালের ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত এই চাঁদা দিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত ‘ফিউচার গেমিং অ্যান্ড হোটেল সার্ভিস প্রাইভেট লিমিটেড’- এই সংস্থার মালিক স্যান্টিয়াগো মার্টিন। তিনি দেশের লটারি ব্যবসার ‘মুকুটহীন সম্রাট’ নামেও পরিচিত। পশ্চিমবঙ্গ সমেত বেশ কয়েকটি রাজ্যে লটারির ব্যবসায় যুক্ত রয়েছেন তিনি। ‘ডিয়ার লটারি’র মালিক হলেন এই মার্টিন।

    লটারি কিং-এর ৪০ শতাংশ দান পেয়েছে তৃণমূল

    হিসাব বলছে, নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে মোট যা চাঁদা দিয়েছেন লটারি কিং মার্টিন, তার ৪০ শতাংশই পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রসঙ্গত, ৩০৩টি সাংসদ নিয়ে কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন দল নির্বাচনী বন্ডে (Electoral Bonds) প্রথম স্থানে রয়েছে। সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মাত্র ২২ আসন নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সারাদেশে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। স্টেট ব্যাঙ্কের প্রকাশিত তথ্য বলছে, ডিয়ার লটারির মালিকের কাছ থেকে সব থেকে কম চাঁদা পেয়েছে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি। তারা পেয়েছে ১০০ কোটি।

    আর কার কাছে চাঁদা পেয়েছে তৃণমূল

    স্টেট ব্যাঙ্কের প্রকাশিত তথ্য বলছে, মার্টিনের সংস্থার পরেই তৃণমূলকে সবথেকে বেশি চাঁদা দিয়েছে হলদিয়া এনার্জি-নামের সংস্থা। এই সংস্থা তৃণমূলকে ২৮১ কোটি টাকা চাঁদা দিয়েছে। স্টেট ব্যাঙ্ক থেকে যে তথ্য মিলেছে তাতে দেখা যাচ্ছে, বেদান্ত গ্রুপ নামের একটি সংস্থার কাছ থেকেও তৃণমূল অনুদান (Electoral Bonds) পেয়েছে। এর পাশাপাশি বায়োকন গ্রুপের প্রধান কিরণ মজুমদার শ’-এর থেকেও অনুদান পেয়েছে ঘাসফুল শিবির। এছাড়া তৃণমূলকে অনুদান দিয়েছে ন্যাটকো ফার্মা, রুংটা প্রাইভেট লিমিটেডের মতো সংস্থাগুলিও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ফের দিল্লিতে তলব সুকান্ত-শুভেন্দুকে, কেন জানেন?

    Lok Sabha Election 2024: ফের দিল্লিতে তলব সুকান্ত-শুভেন্দুকে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। ঘোষণা হয়ে গিয়েছে নির্ঘণ্ট। নির্বাচন হবে সাত দফায়। ইতি মধ্যেই তিন দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। তবে বাকি রয়ে গিয়েছে বাংলার ২৩টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা। এই ২৩টি আসনের মধ্যে রয়েছে জলপাইগুড়িও। যে আসনে নির্বাচন হবে ১৯ এপ্রিল, প্রথম দফায়।

    দিল্লিতে তলব সুকান্ত-শুভেন্দুকে (Lok Sabha Election 2024)

    এমতাবস্থায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ফের দিল্লিতে তলব করলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। বাংলার বকেয়া প্রার্থিতালিকা নিয়ে শনিবার আবারও বৈঠকে বসতে পারেন পদ্ম নেতৃত্ব। বাংলার প্রার্থিতালিকা নিয়ে গত সপ্তাহেই দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছিল সুকান্ত ও শুভেন্দুকে। সেখানেই আলোচনার পর গেরুয়া নেতৃত্ব জানিয়েছিলেন, এবার প্রার্থী নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ফেলা হবে।

    তৃতীয় দফার প্রার্থিতালিকা

    বৃহস্পতিবার তৃতীয় দফার প্রার্থিতালিকা (Lok Sabha Election 2024) প্রকাশ করেছে বিজেপি। তবে তাতে বাংলার কোনও আসনের নামগন্ধও নেই। এদিন যে ৯টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে, সেগুলির সবই তামিলনাড়ুর। জানা গিয়েছে, বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিটির বৈঠক এখনও হয়নি। শুক্র বা শনিবার সেই বৈঠক হওয়ার কথা। তার আগেই তলব করা হল বঙ্গ বিজেপির দুই শীর্ষ নেতৃত্বকে।

    কেন এই অবস্থা? জানা গিয়েছে, লোকসভার কয়েকটি কেন্দ্রে প্রার্থী দেওয়া নিয়ে ভাবনাচিন্তা করতে হচ্ছে পদ্ম নেতৃত্বকে। কারণ খোদ প্রধানমন্ত্রী বাংলা সফরে এসে নির্দেশ দিয়েছেন বাংলার ৪২টি আসনেই এবার পদ্ম ফোটাতে হবে। সেই কারণেই বিজেপি নেতৃত্ব চাইছেন মেদিনীপুর, বর্ধমান-দুর্গাপুর, জলপাইগুড়ি, বারাসত, দক্ষিণ কলকাতা, ডায়মন্ড হারবারের (এখানে তৃণমূলের প্রার্থী দলের সাধারণ সম্পাদক তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) মতো আসনে হেভিওয়েট কোনও প্রার্থী দিতে চাইছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। যাতে করে এই আসনগুলিতে বিজেপির জয় নিশ্চিত হয়।

    আরও পড়ুুন: “বাংলায়ও আমরা এই দৃশ্য দেখতে পারি”, কাকে খোঁচা দিলেন সুকান্ত?

    উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং এবং রায়গঞ্জ কেন্দ্রেও এখনও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি বিজেপি। অথচ জলপাইগুড়ির মতো এই আসন দুটির রশিও রয়েছে বিজেপির হাতে। তাই প্রতিটি আসনে প্রার্থী দিতে গিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করছেন (Lok Sabha Election 2024) গেরুয়া নেতৃত্ব। সূত্রের খবর, সেই কারণেই বাংলায় বিলম্ব হচ্ছে প্রার্থী ঘোষণা করতে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “বাংলাতেও আমরা এই দৃশ্য দেখতে পারি”, কাকে খোঁচা দিলেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: “বাংলাতেও আমরা এই দৃশ্য দেখতে পারি”, কাকে খোঁচা দিলেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলাতেও আমরা এই দৃশ্য দেখতে পারি।” দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল গ্রেফতার হয়েছেন ইডির হাতে। সেই প্রেক্ষিতেই বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি অধ্যাপক নেতা সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “সেই সমস্ত মুখ্যমন্ত্রী যাঁদের নাম দুর্নীতিতে বার বার জড়িয়েছে, তাঁদের বলব, দুর্নীতি থেকে সরে থাকুন। তাঁরাও পদে থাকা অবস্থায় গ্রেফতার হতে পারেন।” এর পরেই সুকান্ত বলেন, “পশ্চিমবঙ্গেও আমরা এই ছবি দেখতে পারি।”

    কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে দুর্নীতির নজির নেই বলেও দাবি করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। বলেন, “আমি বলব, তৃণমূলের ভাগ্য ভাল যে এত দিন পরেও মুখ্যমন্ত্রী ও ভাইপো জেলের বাইরে রয়েছেন… ভালো জ্যোতিষী দেখান মনে হচ্ছে। না হলে এত দিনে জেলে থাকার কথা ছিল।” এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতির মুখে উঠে এসেছে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সরেনের প্রসঙ্গও। সুকান্ত বলেন, “হেমন্ত সোরেন হোন বা মণীশ সিসোদিয়া (দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী) দু’জনেই তো জামিন পাওয়ার জন্য বার বার চেষ্টা করছেন। পাচ্ছেন না কেন? কারণ ইডি বার বার আদালতকে বুঝিয়ে দিচ্ছে যে তাঁদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ ইডি এনেছে, তার সত্যতার স্বপক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। সত্যতার প্রমাণ রয়েছে বলেই তো আদালত জামিন দিচ্ছে না।”

    “দুর্নীতি থেকে দূরে থাকুন”

    সুকান্ত বলেন, “বোঝাই যাচ্ছিল যে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দিকে যাচ্ছিল ইডি। এই ঘটনা চোখ খুলে দিল যে কর্মরত অবস্থায়ও মুখ্যমন্ত্রীদের গ্রেফতার করা যায়।” এর পরেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “আমি সেই সব মুখ্যমন্ত্রীদের বলব যে দুর্নীতি থেকে দূরে থাকুন। আর সাবধানে থাকুন। যাঁদের নাম দুর্নীতিতে জড়িয়ে রয়েছে তাঁরাও গ্রেফতার হতে পারেন।” প্রসঙ্গত, আবগারি নীতি মামলায় ৯ বার সমন পাঠানো হয়েছিল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। কোনওবারই সাড়া দেননি তিনি।

    আরও পড়ুুন: আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল

    গ্রেফতারি এড়াতে বৃহস্পতিবার কেজরিওয়াল দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। এর পরেই তাঁর দিল্লির বাসভবনে হানা দেয় ইডি। তল্লাশির পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদও করা হয় কেজরিওয়ালকে। ততক্ষণে কেজরির তরফে দ্রুত শুনানির আর্জি করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। মধ্যরাতে শুনানি সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত। তার পরেই গ্রেফতার করা (Sukanta Majumdar) হয় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    Lok Sabha Election 2024: তৃতীয় দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীবারে তৃতীয় দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করল (Lok Sabha Election 2024) বিজেপি। এবারের তালিকায় অবশ্য পশ্চিমবঙ্গের ২৩টি লোকসভা কেন্দ্রে কারা প্রার্থী হবেন, তাঁদের নাম নেই। এদিন মাত্র ৯টি লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলির সবই তামিলনাড়ুর।

    প্রার্থিতালিকা প্রকাশ (Lok Sabha Election 2024)

    এই তালিকায় নাম রয়েছে তেলঙ্গনার প্রাক্তন রাজ্যপাল তামিলিসাই সৌন্দরারাজনেরও। মঙ্গলবারই রাজ্যপাল পদে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। পরে যোগ দেন বিজেপিতে। পদ্ম প্রতীকে তিনি লড়বেন চেন্নাই দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্র থেকে (Lok Sabha Election 2024)। ২০১৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর তেলঙ্গনার রাজ্যপাল নিযুক্ত করা হয়েছিল তামিলিসাইকে। একুশের ১৬ ফেব্রুয়ারি পুদুচেরির রাজ্যপালের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। রাজ্যপালের পদে ইস্তফা দিয়ে ফের সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরলেন তিনি। 

    কোন আসনে কারা প্রার্থী?

    নীলগিরি আসনে প্রার্থী করা হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এল মুরুগনকে। কোয়েম্বাটোর কেন্দ্রে লড়বেন বিজেপির তামিলনাড়ু রাজ্য সভাপতি কে আন্নামালাই। তামিলসাই, আন্নামালাই ও এল মুরুগনের পাশাপাশি বিশিষ্ট নেতা পন রাধাকৃষ্ণাণ এবং এসি শানমুগমও পদ্ম চিহ্নে লড়ছেন। কন্যাকুমারি কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রাধাকৃষ্ণাণ। ভেলোরে বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন আর শানমুগম। এ নিয়ে মোট তিন দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। প্রথম দফার প্রার্থিতালিকায় নাম ছিল ১৯৫ জনের। এর মধ্যে ছিল পশ্চিমবঙ্গের ২০টি কেন্দ্রের প্রার্থীর নামও। পরে একজনের প্রার্থিপদ প্রত্যাহার করা হয়। তাই বাকি রয়েছে ২৩টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা। উল্লেখ্য যে, এ রাজ্যে লোকসভার আসন রয়েছে ৪২টি। দ্বিতীয় দফায় বিজেপি প্রকাশ করেছিল ৭২ জনের নাম। আর এদিন তৃতীয় দফায় প্রকাশ করা হল ৯ জনের নাম।

    আরও পড়ুুন: নয়া ভারতের রূপকার, ‘শান্তির দূত’ মোদিকে আগাম আমন্ত্রণ রাশিয়া, ইউক্রেনের

    তামিলনাড়ুতে লোকসভার আসন রয়েছে ৩৯টি। এর মধ্যে ২০টিতে প্রার্থী দেবে বিজেপি। বাকি ১৯টি আসনে লড়বে এনডিএ-র শরিকরা। সম্প্রতি দিল্লিতে তলব করা হয়েছিল বিজেপির বাংলার সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। সোমবার বৈঠকে বসে বিজেপির জাতীয় নির্বাচন কমিটি। সেখানেই বাংলার বাকি আসনের প্রার্থীদের নাম ঠিক হয় বলে সূত্রের খবর। তবে সেই প্রার্থিতালিকা কেন এদিন প্রকাশ করা হল না, তা নিয়ে ছড়িয়েছে জল্পনা (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: নিশীথ প্রামাণিকের উপর তৃণমূলের হামলা, ডিজির কাছে রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: নিশীথ প্রামাণিকের উপর তৃণমূলের হামলা, ডিজির কাছে রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গের কোচবিহারে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের উপর রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহের অনুগামীরা আচমকা আক্রমণ করলে দুই মন্ত্রীর মধ্যে বচসার জেরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এই ঘটনায় বিজেপির অভিযোগ, কোনও রকম প্ররোচনা ছাড়াই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে তাঁদের উপর। পাল্টা তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপির উপর দায় ঠেলেছে। এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। এবার এই ঘটনায় সত্যানুসন্ধানে নেমেছেন রাজ্যের রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। ঘটনার সত্যতা জানতে রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন তিনি।

    কী বলেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)

    মঙ্গলবারের ঘটনার এক দিন পর বুধবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) বাগডোগরা থেকে সড়কপথে কোচবিহারে পৌঁছান রাজ্যপাল। দিনহাটা চৌপতি এলাকা যান রাজ্যপাল। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি তৃণমূল পরিচালিত দিনহাটা পুরসভার চেয়ারম্য়ানের সঙ্গে কথা বলেন। পরে, সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল বলেন, “আমি নির্বাচন কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপ করব না। রাজ্য পুলিশের DG-র কাছে রিপোর্ট চেয়েছি। এক্ষেত্রে আমার স্পষ্ট মতামত হল, নির্বাচন চলাকালীন কোনও রকম হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। পঞ্চায়েত ভোটে হিংসার ঘটনা ঘটেছে, এর পুনরাবৃত্তি হবে না, এটা একটা অঙ্গীকার।’’ এর আগে, এদিন বেলায় কলকাতা থেকে রওনা দেওয়ার সময়ও রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল। রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ যে ভালো নেই সেই নিয়ে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল। সামনেই লোকসভার ভোট। তাই রাজ্যে সন্ত্রাস মুক্ত নির্বাচনের জন্য এখন থেকেই রাজ্যপাল সক্রিয় বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    নির্বাচন প্রসঙ্গে কী বললেন?

    একই ভাবে এদিন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) আরও বলেন, “আমি নির্বাচন কমিশনের কাজে কোনও রকম হস্তক্ষেপ করবনা।” সেই সঙ্গে তিনি রাজ্য প্রশাসনের ডিজিকে এই রাজনৈতিক আক্রমণের ঘটনায় রিপোর্ট চেয়েছেন। রাজ্যে কোনও রকম অশান্তি কাম্য নয় বলে জানান তিনি। একই ভাবে আগের বারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যে মনোনয়ন থেকে ভোট দেওয়া এবং ফলাফল ঘোষণা থেকে ভোট পরবর্তী সময় পর্যন্ত ব্যাপক সন্ত্রাসের কথা মনে করিয়ে দেন। কোনও ভাবেই যে হিংসাকে বরদাস্ত করবেন না সেই বিষয়ে স্পষ্ট করে দেন তিনি। রাজ্যে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন বিষয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছ তিনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ৩ বিজেপি কর্মীর খুনে অভিযুক্ত শাহজাহান, কেস ডায়েরি তলব হাইকোর্টের

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ৩ বিজেপি কর্মীর খুনে অভিযুক্ত শাহজাহান, কেস ডায়েরি তলব হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ৩ বিজেপি সমর্থককে পিটিয়ে মারার অভিযোগ রয়েছে শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বিরুদ্ধে। সেই মামলার শুনানিতে এবার ঘটনার কেস ডায়েরি তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আগামী শুক্রবার এই মামলার পরবর্তী শুনানিতে কেস ডায়েরি আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ততদিন নিম্ন আদালতের বিচারপ্রক্রিয়া স্থগিত থাকবে। ওই ঘটনার এফআইআর-এ নাম থাকলেও, চার্জশিট থেকে শেখ শাহজাহানের নাম বাদ দিয়েছিল রাজ্য পুলিশ। 

    কোন ঘটনার কেস ডায়েরি

    ২০১৯ সালে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ৩ বিজেপি কর্মী সুকান্ত মণ্ডল, তপন মণ্ডল ও প্রদীপ মণ্ডলকে পুলিশের উপস্থিতিতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে খুন করে শাহজাহানের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পরিবারের দাবি, ৩ নিহতের মধ্যে ২ জনের দেহ এখনও পাওয়া যায়নি। সেই ঘটনায় শাহজাহানসহ একাধিক দুষ্কৃতীর নামে এফআইআর দায়ের হয়। প্রাথমিকভাবে শাহজাহানকে অভিযুক্ত করা হলেও পরে পুলিশ আদালতে আবেদন করে তার নাম অভিযুক্তের তালিকা থেকে বাদ দেয়। কিন্তু স্থানীয়দের দাবি, ওই ঘটনার পর বেশ কিছুদিনের জন্য গায়েব হয়ে গিয়েছিল শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। পরে ফের তাকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যায়।

    আরও পড়ুন: রাত থেকেই ভিজছে শহর, আগামী তিন দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে

    হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    বিজেপির দাবি ছিল, অভিযোগপত্রে নাম থাকা সত্ত্বেও শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) নাম ছিল না চার্জশিটে। এই সংক্রান্ত এক মামলার শুনানির সময়ে কলকাতা হাইকোর্টে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছিল, গত ৪ বছরে ৪৩ টি এফআইআর হয়েছে, যার মধ্যে ৪২টি মামলায় চার্জশিট পেশ হয়েছিল। কিন্তু আদালত বিস্ময় প্রকাশ করেছিল যে, ৪২টি মামলার চার্জশিট দিতে কেন ৪ বছর সময় লেগেছে। নিহত তপন মণ্ডলের পরিবারের দাবি, ঘটনার দিন পুলিশের উপস্থিতিতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় তপনবাবুকে। এর পর সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শাহজাহানের লোকেরা তার ভেড়ির মাঝখানে নিয়ে গিয়ে তপনকে নৃশংসভাবে মারধর করে। এর পর একের পর এক গুলি করা হয় তপনবাবুকে। এমনকী তাঁর ২টি চোখেও গুলি করে দুষ্কৃতীরা। ঘটনার পর থেকে ঘরছাড়া নিহতদের পরিবার। হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তাঁরা। এবার সেই ঘটনারই কেস ডায়েরি চেয়ে পাঠাল কলকাতা হাইকোর্ট। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share