Tag: bjp

bjp

  • BJP: কোচবিহারে বুথে বোমাবাজি, বিজেপির পোলিং এজেন্ট খুন, মালদায় খুন তৃণমূল কর্মী

    BJP: কোচবিহারে বুথে বোমাবাজি, বিজেপির পোলিং এজেন্ট খুন, মালদায় খুন তৃণমূল কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দিনই অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল কোচবিহার। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের ছোড়া বোমার আঘাতে মৃত্যু হল বিজেপির (BJP) এক পোলিং এজেন্টের। শনিবার সাত সকালে ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার কোতোয়ালি থানার ফলিমারি ৪/৩৮ নম্বর বুথে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম মাধব বিশ্বাস। তৃণমূলের হামলায় প্রিসাইডিং অফিসার জখম হন।  বুথে থাকা এক পুলিশ কর্মীও গুরুতর জখম হন। সকাল থেকে গণ্ডগোলের জেরে এই বুথে ভোটগ্রহণ বন্ধ রাখা হয়। অন্যদিকে, ভোট শুরু হওয়ার আগেই এদিন সকালে মালদার মানিকচকে গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বোমার আঘাতে এক তৃণমূল কর্মীর মৃত্যু হয়। জখম হন আরও একজন। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ওই তৃণমূল কর্মীর নাম শেখ মালেক (৪০)। তিনি ওই এলাকার তৃণমূল অঞ্চল সভাপতির ঘনিষ্ঠ বলে জানা গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    শনিবার ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগেই কোচবিহারের ফলিমারি বুথে বিজেপির (BJP) পোলিং এজেন্ট মাধব বিশ্বাস যান। সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল না। পুলিশ কর্মী মোতায়েন ছিল। আচমকাই তৃণমূল আশ্রিত দৃষ্কৃতীরা বুথে হামলা চালায়। বুথের মধ্যেই চলে বোমাবাজি। বিজেপির পোলিং এজেন্ট বাধা দিতে গেলে তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। তাঁকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়া হয়। তৃণমূলের হামলায় প্রিসাইডিং অফিসার সুমন রায় জখম হন। তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    বিজেপি কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক নিখিলরঞ্জন দে বলেন, কোনও বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই। সিভিক ভলান্টিয়ার দিয়ে ভোট হচ্ছে। তৃণমূলের হামলায় আমাদের কর্মীর প্রাণ গেল। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব। অন্যদিকে, এদিন সকালে মালদার মানিকচকে ভোট শুরুর আগেই ব্যাপক সংঘর্ষ ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটে কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে। অভিযোগ কংগ্রেসের ছোড়া বোমার আঘাতে মৃত্যু হয় তৃণমূল কর্মী শেখ মালেকের। ঘটনার পর পই এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: নদিয়ায় বিজেপি প্রার্থীর দেওরকে অপরহরণ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    BJP: নদিয়ায় বিজেপি প্রার্থীর দেওরকে অপরহরণ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) প্রার্থীর দেওরকে অপহরণ। আর অপহরণের অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার ধুবুলিয়া থানার পন্ডিতপুর এলাকায়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নদিয়ার ধুবুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পন্ডিতপুর এলাকার বিজেপি (BJP) প্রার্থীর নাম সঙ্গীতা মণ্ডল। তাঁর দেওর অষ্টম মণ্ডল এলাকার দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সক্রিয় কর্মী। এবছর তাঁর বউদি বিজেপির প্রার্থী হয়ে পঞ্চায়েতে লড়াই করছেন। এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করতেই তৃণমূল অপহরণ করেছে। জানা গিয়েছে, গত পাঁচ জুলাই রেশন তুলে অষ্টমবাবু সন্ধ্যা নাগাদ দলীয় প্রচারে বের হয়েছিলেন। তারপরে আর তিনি বাড়ি ফেরেনি। এরপরে ই পরিবারের পক্ষ থেকে ধুবুলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও এখনও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি ওই বিজেপি কর্মীর। তাই চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

    কী বললেন স্থানীয় বিজেপি (BJP) কর্মীরা?

    এই বিষয়ে এলাকারই এক বিজেপি (BJP) কর্মী পরিমল মণ্ডল বলেন, ৫ জুলাই সন্ধ্যায় ঘোষপাড়ায় নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়েছিলেন। প্রচার শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যান। আমাদের ধারণা, এই এলাকায় বিজেপি শক্ত ঘাঁটি রয়েছে। তাই, দলীয় প্রার্থীর দেওরকে অপহরণ করে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে তৃণমূল।  

    কী বললেন নিখোঁজ বিজেপি (BJP) কর্মীর মা?

     নিখোঁজ বিজেপি (BJP) কর্মী অষ্টম মন্ডলের মা উরফি মণ্ডল বলেন, আমার ছেলে বিজেপি করে, সেই কারণে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছে। প্রশাসনকে একাধিকবার লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু, কোনও কাজ হয়নি। আমাদের দাবি, আমার ছেলেকে সুস্থ অবস্থায় প্রশাসন বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে আসুক।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কোনভাবেই জড়িত নয়। ওই এলাকায় বিজেপির কোন অস্তিত্ব নেই। সেটা বুঝতে পেরেই নির্বাচনের আগের দিন নাটক করছে বিজেপি। পুলিশ তদন্ত করে সত্য ঘটনা বেরিয়ে আসলেই বিজেপির চক্রান্ত ফাঁস হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: ‘‘তৃণমূলকে ভোট না দিলে বঞ্চিত থাকবে এলাকাবাসী’’, হুঁশিয়ারি রাজ্যের মন্ত্রীর

    Panchayat Vote: ‘‘তৃণমূলকে ভোট না দিলে বঞ্চিত থাকবে এলাকাবাসী’’, হুঁশিয়ারি রাজ্যের মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (Panchayat Vote) প্রচারে গিয়ে আবারও বিতর্কে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা উত্তরদিনাজপুরের হেমতাবাদের বিধায়ক সত্যজিৎ বর্মন। ‘‘আমার প্রার্থী না জিতলে আগামী পাঁচ বছর এই এলাকায় না হবে রাস্তা, না হবে লাইট, না হবে জলের ব্যবস্থা।’’ এমনই হুঁশিয়ারী দিতে শোনা গেল সত্যজিৎ বর্মনকে। যা রীতিমত ভাইরাল হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে।

    হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর… 

    নির্বাচনের দিন যতই এগিয়ে আসছে। ততই বাড়ছে উত্তেজনার পারদ। নিয়ম মতো বৃহস্পতিবারই ভোট প্রচারের শেষ দিন। আর এদিনই রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মনের প্রচারের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে স্যোশ্যাল মিডিয়ায়। ভিডিওটিতে রাজ্যের মন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মনকে বলতে শোনা যাচ্ছে যে, তৃণমূল প্রার্থীদের ভোট না দিলে তিনি এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ আটকে দেবেন। এলাকার রাস্তা, জল, আলো সব বন্ধ করে দেবেন।

    স্ত্রীর হারের আশঙ্কায় কী এমন হুঁশিয়ারি? প্রশ্ন বিরোধীদের

    উল্লেখ্য, রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মনের স্ত্রী এবারে উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদের ১৬ নম্বর আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী। নিজের স্ত্রীকে জেতাতে কার্যত এলাকায় এলাকায় হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মন, এমনটাই অভিযোগ বিরোধীদের। দিন কয়েক আগেও সরকারি পাইলট ও লালবাতির গাড়ি  ব্যবহার করে এলাকায় এলাকায় প্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছিল সত্যজিৎ বর্মনের বিরুদ্ধে। বিরোধীদের অভিযোগ জানাতে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ সেদিন দিয়েছিলেন সত্যজিৎ বর্মন। 

    কী বলছে বিজেপি?

    ভোটারদের (Panchayat Vote) হুমকি এবং প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলেছেন বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর ভাইরাল ভিডিও ক্লিপ জমা করে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাবেন বলে জানিয়েছেন বাসুদেব সরকার। তিনি বলেন, ‘‘হেমতাবাদের এমএলএ বিদ্যুৎ চোর। এখনও মামলা চলছে তাঁর নামে। পুরো খানদানি চোরকে তৃণমূল শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী বানিয়েছে।’’

    কী বলছে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব? 

    বিরোধীদের তোলা অভিযোগকে আমল দিতে নারাজ জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর প্রচারে হুমকি দেওয়া বক্তব্য ভাইরাল হওয়া প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র সন্দীপ বিশ্বাস বলেন, ‘‘সত্যজিৎ বাবুর দুটি সত্ত্বা রয়েছে। প্রশাসনিক সত্ত্বা নয় তিনি যে বক্তব্য রেখেছেন সেটি তার রাজনৈতিক সত্ত্বা। আর এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলার সময় এমন কথা বহু রাজনৈতিক নেতানেত্রী বলে থাকেন। বিরোধীরা গোটা বিষয়টি নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পঞ্চায়েত ভোটের আগে দল ছাড়লেন বীরভূম তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক

    TMC: পঞ্চায়েত ভোটের আগে দল ছাড়লেন বীরভূম তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনী প্রচার শেষ হতে না হতেই দলত্যাগ করলেন বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সাধারণ সম্পাদক অতনু চট্টোপাধ্যায়। বুধবার এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে নিজের সিদ্ধান্তের কথাই জানালেন তিনি। পঞ্চায়েত ভোটের আগে উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গ দল ছাড়ার হিড়িক দেখা গিয়েছে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে। সেই তালিকায় নব সংযোজন অতনু।

    আরও পড়ুন: “নন্দীগ্রামে আর একটা ১৪ মার্চ ঘটাতে চায় মমতা ব্যানার্জি”, আশঙ্কা শুভেন্দুর

    কী বললেন অতনু?

    অতনু জানিয়েছেন, যতদিন পর্যন্ত বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ছিলেন ততদিন পর্যন্ত দলে সম্মান ছিল। কিন্তু তিনি যেহেতু জেলে রয়েছেন তার পর থেকে দলের বাকি সদস্যদের আর সেভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। এমনকি সম্মানও দেওয়া হয় না। তাছাড়া দলে থেকে কাজ করতে পারছেন না বলেও অভিযোগ জানিয়েছেন অতনু চট্টোপাধ্যায়। অতনুর আরও দাবি, তৃণমূলে যোগদান করার সময় তিনি জানিয়েছিলেন যে দলে থেকে তিনি কাজ করতে চান। অথচ দলের উচ্চ নেতৃত্ব আশ্বাস দিলেও সেই সুযোগ তিনি পাননি বলে বুধবার অভিযোগ করেন। রাজনৈতিক জীবন থেকে সরে আসার কোন ইচ্ছেই ছিল না। কিন্তু নেহাত বাধ্য হয়ে দল ছাড়তে হচ্ছে বলে জানান অতনু চট্টোপাধ্যায়। বুধবার ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে দল ছাড়া কথা ঘোষণা করলেও গত ২৫ মে ২০২৩ তারিখে দল ছাড়ার কথা উচ্চ নেতৃত্বকে জানিয়েছিলেন বলে জানান তিনি। বেশ কয়েকদিন ধরেই দলীয় কর্মসূচিগুলোতে গরহাজির থাকছিলেন অতনু।

    আরও পড়ুন: ‘তৃণমূল সমাজবিরোধীদের ভোটে দাঁড় করাচ্ছে’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    কী বললেন বিজেপির জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা?

    এবিষয়ে বিজেপির বীরভূম জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, ‘‘তৃণমূল (TMC) দল এবার আসতে আসতে সবাই ত্যাগ করবে। যেভাবে নিয়োগ দুর্নীতি, গরু চুরিতে নাম জড়াচ্ছে একের পর এক নেতার তাতে দলে আর কেউ থাকতে চাইছেন না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘তৃণমূল সমাজবিরোধীদের ভোটে দাঁড় করাচ্ছে’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘তৃণমূল সমাজবিরোধীদের ভোটে দাঁড় করাচ্ছে’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সমাজবিরোধীদের ভোটে দাঁড় করাচ্ছে। এসব মানুষ যদি সাধারণ মানুষের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে তাহলে গণতন্ত্র বলে কিছু থাকবে না। দক্ষিণ দিনাজপুরে দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বদলা নয়, বদল চাই। আদতে কোনও বদল হয়নি, পরিবর্তন হয়নি। বোমা, গুলির ভোট এখনও রয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটে আরও কত মানুষের প্রাণ যাবে সেটাই আমাদের চিন্তা।  

    দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে শেষ প্রচারে ঝ়ড় তুললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    পঞ্চায়েত ভোট হাতে গোনা আর ৪৮ ঘন্টা বাকী। আর তার আগেই তপনের বাদ সনকৈর এলাকায়  বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচারে আসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপনের বাদ সনকৈর এলাকার স্থানীয় বিজেপি প্রার্থীদের নিয়ে একটি পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথসভায় উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পথসভার শেষে সুকান্ত মজুমদার প্রার্থীদেরকে নিয়ে একটি মিছিল করেন। এদিন সভায় সুকান্ত মজুমদার ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্বরা। পাশাপাশি এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের ঠেঙ্গাপাড়া এলাকায় বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে একটি র‍্যালি করেন।

    দণ্ডিকাণ্ড নিয়ে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    প্রচারের শেষ দিনে তপনের বাদ সনকৈর  গ্রামে এসে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, দণ্ডি কাণ্ডের নির্যাতিতাদের টাকা ও ভোটে প্রার্থী করার লোভ দেখিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ওদের মুখ বন্ধ করে দিয়েছে। অপমানিত হয়েও ওরা কোর্টের সামনে চুপ করে থাকল, বিচার চাইল না। যদি বিচার চাইতো বিজেপি দাঁড়িয়ে থেকে মূল অভিযুক্ত সাজার ব্যবস্থা করত। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বাঁচাতে পারতো না। কিন্তু, যে অত্যাচারিত হয়েছে তিনি  অভিযোগ দিলেন না কেন, তাঁকে টাকার লোভ দেখানো হল, তাঁকে পঞ্চায়েতের আসনের লোভ দেখানো হলো। আসনের লোভে তিনি বিক্রি হয়ে গেলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Bjp: গোপন করেছেন খুনের মামলা? তৃণমূল নেতার মনোনয়ন বাতিলের দাবি

    Bjp: গোপন করেছেন খুনের মামলা? তৃণমূল নেতার মনোনয়ন বাতিলের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুরের তৃণমূল জেলা সভাপতি মৃণাল সরকারের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে রাজ্যপাল এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি পাঠাল বিজেপি (Bjp)। তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরের ৪ (চার) নং জেলা পরিষদ আসনে প্রার্থী হয়েছেন। ওই আসনের বিজেপি প্রার্থী প্রদীপ সরকার। মৃণাল সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁর বিরুদ্ধে থাকা একটি খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি হলফনামায় উল্লেখ করেননি তিনি। এই অভিযোগ তুলেই তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। যদিও ভোটের মাত্র দুদিন আগে এই অভিযোগের পরিণতি কী হবে, সে ব্যাপারে বিজেপি সন্দিহান। 

    বিজেপির (Bjp) অভিযোগ ঠিক কী?

    প্রদীপ সরকারের অভিযোগ, সাতটি ক্রিমিন্যাল কেসের আসামি মৃণাল সরকার কী করে একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজের নামে মনোনয়ন জমা করতে পারেন। ক্রিমিন্যাল কোনও কেসের আসামি হলে নির্বাচন কমিশনের  নিয়ম অনুযায়ী তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন না। বিজেপির (Bjp) অভিযোগ, মৃণাল সরকার তথ্য গোপন করেছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিক প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন। ভোটের ঠিক দুই দিন আগে এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপান উতোর শুরু হয়েছে গঙ্গারামপুরে।

    কী জবাব দিলেন তৃণমূল প্রার্থী?

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা জেডপি ৪ নম্বর আসনের প্রার্থী মৃণাল সরকারের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ বিজেপি (Bjp) আনছে, তা মিথ্যা। যে মামলা তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে, সে সবই তিনি উল্লেখ করেছেন। এগুলো সবই মিথ্যা মামলায় তাঁকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। অনেকগুলিতে তিনি জামিন পেয়েছেন। যে অভিযোগ বিজেপি করছে তা রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্য। কারণ রাজনৈতিকভাবে লড়াই করার ক্ষমতা বিজেপির নেই। সেই কারণেই পুরনো বিভিন্ন কেসকে হাতিয়ার করে তারা তাঁর বদনাম করার চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপির প্রচারে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা, আক্রান্ত দলীয় প্রার্থী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: বিজেপির প্রচারে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা, আক্রান্ত দলীয় প্রার্থী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন বিজেপি (BJP) প্রার্থী সহ কর্মী সমর্থকদের উপর আচমকা হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যদিও বিজেপির তোলা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে তৃণমূল নেতৃত্ব। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার রানাঘাট থানার হবিবপুর বিনপাড়ার ঘটনা। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    কীভাবে হামলা চালানোর ঘটনা ঘটল?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি (BJP) প্রার্থী জ্যোতি বিন পাসি দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে এলাকায় প্রচার করছিলেন। সেই সময় তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা দল বেঁধে এসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বিজেপি প্রার্থীর পাশাপাশি বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কে বিজেপি প্রার্থী সহ কর্মী সমর্থকরা। বিজেপি প্রার্থী জ্যোতি বিন পাসি বলেন, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তৃণমূলের লোকজন হামলা চালায়। আমাদের প্রচারে বাধা দেওয়া হয়। আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) জেলা সহ সভানেত্রী পূর্ণিমা দত্ত বলেন, ঘটনার পরে পুলিশ প্রশাসনকে আমরা জানিয়েছি। কিন্তু, কোনও পদক্ষেপ নেয়নি পুলিশ প্রশাসন। উপরন্ত দলীয় প্রার্থী, কর্মী সমর্থকদের হয়রানি করা হয়। গত কয়েকদিন ধরেই তৃণমূল করছে। আসলে ওরা বিজেপিকে ভয় পেয়ে গিয়েছে। তাই, ভোটের আগে ওরা সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে তৃণমূল।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা নিরঞ্জন বিন বলেন, নির্দল ও বিজেপি (BJP) একত্রিত হয়ে তৃণমূলের নাম কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করছে। বিজেপির কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিই ছিল না, তাহলে তৃণমূল কী করে তাদের উপর হামলা করবে। সম্পূর্ণই দোষ চাপানো হচ্ছে তৃণমূলের উপর। আসলে তৃণমূল সব সময় মানুষের পাশে থাকে। সেটা বিজেপির কাছে আতঙ্কের। আর সেই জন্যই আমাদের দলের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • BJP: মহম্মদবাজারে বিজেপি কর্মী খুন, উদ্ধার গুলির খোল, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: মহম্মদবাজারে বিজেপি কর্মী খুন, উদ্ধার গুলির খোল, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের আগে বাকি আর মাত্র দু’দিন। তবু অশান্তি থামার লক্ষ্মণ নেই। বৃহস্পতিবার সকালেই মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বোমা বিস্ফোরণে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এবার অনুব্রতহীন বীরভূমে  প্রাণ গেল এক বিজেপি (BJP) কর্মীর। গলা টিপে খুন করে তাঁকে রাস্তায় ফেলে রেখে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই খুন করেছে বলে বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ। অন্যদিকে, জলপাইগুড়িতে বিজেপি জেলা সভাপতির গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চলানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সবমিলিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগেও উত্তপ্ত রাজ্যের একাধিক জেলা। এনিয়ে রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৬।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে, খুন হওয়া বিজেপি কর্মীর নাম দিলীপ মাহারা (৪৮)। তিনি মহম্মদবাজারের বি মণ্ডলের হিংলো গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপির (BJP) বুথ সহ-সভাপতি। যদিও এবার তাঁর স্ত্রী ছবি মাহারা পঞ্চায়েত নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হয়েছেন। বিজেপির ওই কর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। মহম্মদবাজারের সারেন্ডা গ্রামে রাস্তার উপর তাঁর দেহ ফেলে রাখা হয়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) কর্মীর পরিবারের লোকজন?

    মৃতের পরিবারের অভিযোগ, বুধবার রাত থেকে দিলীপের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। এদিন সকালে গ্রামে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তাঁর দেহে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। গলায়ও দাগ রয়েছে। এছাড়া মৃতদেহের কিছু দূরে একটি গুলির খোলও পাওয়া গিয়েছে। দেহ আটকে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) মণ্ডল সভাপতি পিনাকি মণ্ডল বলেন, দিলীপবাবু আমাদের দলের স্থানীয় স্তরের নেতা। তিনি ভাল সংগঠক ছিলেন। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে খুন করেছে। আমরা এই খুনের ঘটনার কেন্দ্রীয় সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত দাবি করছি। একইসঙ্গে যে বা যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, এটা কোনও খুন নয়। স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। এটা নিয়ে বিজেপি (BJP) নোংরা রাজনীতি করছে। পুলিশ প্রশাসন ঘটনার তদন্তে করে দেখুক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shyama Prasad Mukherjee: ন্যাশনাল লাইব্রেরির ‘ভাষা ভবন’-এর নামকরণ হল শ্যামাপ্রসাদের নামে

    Shyama Prasad Mukherjee: ন্যাশনাল লাইব্রেরির ‘ভাষা ভবন’-এর নামকরণ হল শ্যামাপ্রসাদের নামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার ন্যাশনাল লাইব্রেরির ‘ভাষা ভবন’-এর নামকরণ এবার করা হল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad Mukherjee) নামে। ৬ জুলাই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিবস, ঠিক তার আগের দিন কেন্দ্রীয় সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের বড় অংশ। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক, ন্যাশনাল লাইব্রেরির ডিরেক্টরকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে এই মর্মে, সেখানে জানানো হয়েছে ভাষা ভবনের নাম এবার থেকে ড: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ভাষা ভবন করা হল। উল্লেখ্য, দেশভাগের সময় ওপার বাঙলা থেকে আগত হিন্দু শরণার্থীদের আশ্রয়দানে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। বিজেপির একাংশের দাবি, রাজনৈতিক চক্রান্তেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে বাংলার মানুষের কাছে দীর্ঘদিন ধরে সরিয়ে রাখা হয়েছিল, জানতে দেওয়া হয়নি তাঁর সুমহান অবদান।

    জাতীয় গ্রন্থাগারের পথচলা

    গবেষকরা জানাচ্ছেন, মীর জাফরের আমলে তৈরি হয়েছিল বেলভিডিয়ার গার্ডেন। বিশাল প্রাসাদোপম এই বিল্ডিং-এ এককালে থাকতেন বড়লাট ওয়ারেন হেস্টিংস সাহেব। ইতিহাসের বহু ঘটনার সাক্ষী রয়েছে জাতীয় গ্রন্থাগার। জানা যায়, বেলভিডিয়ার গার্ডেন ১৮৯১ সালে হয়ে ওঠে ইমপিরিয়াল লাইব্রেরি। ১৯১০ সালে আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের এর সভাপতি নিযুক্ত হন। জানা যায়, পরবর্তীকালে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় তাঁর পিতা আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের সংগ্রহে থাকা ৮০,০০০ দুর্মূল্য বই গ্রন্থাগারে দান করেন। ১৯৫৩ সালে এই ইমপিরিয়াল লাইব্রেরি হয়ে ওঠে জাতীয় গ্রন্থাগার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশাল আকার এই প্রাসাদে জাতীয় গ্রন্থাগারের বিভিন্ন বিভাগ ছড়িয়ে রয়েছে। তার মধ্যে একটি হল ভাষা ভবন। এবার থেকে সেই ভাষা ভবনের নতুন নামকরণ হল ড: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি (Shyama Prasad Mukherjee) ভাষা ভবন।

    ২০২০ সালে কলকাতা পোর্টের নামও হয় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামে

    প্রসঙ্গত, কলকাতা পোর্টের নামও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামে নামাঙ্কিত করা হয়েছে ২০২০ সালেই। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে তখন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কলকাতা পোর্টের নতুন নাম করা হয়েছিল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর। 

    সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ট্যুইট সুকান্তর

    কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ট্যুইট করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এই সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সুকান্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: ‘যুবরাজের’ রোড শো-এর ঠেলায় জনজীবন বিপর্যস্ত পাণ্ডুয়ায়

    Abhishek Banerjee: ‘যুবরাজের’ রোড শো-এর ঠেলায় জনজীবন বিপর্যস্ত পাণ্ডুয়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবজোয়ার কর্মসূচিতে পাণ্ডুয়াতে আসার কথা ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। কিন্তু তখন তা বাতিল হয়। এনিয়ে ক্ষোভ ছিল স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে এদিন তাই রোডশো করতে আসেন পাণ্ডুয়াতে। তবে তাঁর এই এক ঘন্টার রোড শো’র জেরে প্রায় ৫ ঘণ্টা জনজীবন বিপর্যস্ত হল পাণ্ডুয়াবাসীর। এদিন বিকেল সাড়ে তিনটায় চপারে কালনা থেকে পাণ্ডুয়া ধানকল মাঠে আসেন তিনি। এরপর বিকেলে এই মেগা রোড শো শুরু হয় পাণ্ডুয়া কল বাজার থেকে কাকলি সিনেমা তলা পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার। জিটি রোডের ওপর এই রোড শো’র জন্য কয়েক হাজার সিভিক ভলান্টিয়ার ও পুলিশ কর্মী দুপুর ১২ টা থেকেই ডিউটি ধরেন বিভিন্ন পজিশনে। এই কয়েক ঘণ্টায় পাণ্ডুয়ার বিভিন্ন এলাকাতে বিক্ষিপ্তভাবে লোডশেডিং হয়। যদিও বিদ্যুৎ দফতরের এক আধিকারিকের কথা অনুযায়ী লাইনে কাজ হওয়ার দরুন বিদ্যুৎ পরিষেবা মাঝে মধ্যে বিঘ্নিত হয়। 

    কী বলছেন বিরোধীরা?

    পাণ্ডুয়ার প্রাক্তন বিধায়ক সিপিএমের আমজাদ হোসেন বলেন, ‘‘অতীতে অনেক মুখ্যমন্ত্রী এসেছেন পাণ্ডুয়াতে কিন্তু এরকম অবস্থা দেখেনি পাণ্ডুয়ার মানুষ। একজন সামান্য সাংসদের জন্য পুলিশ যা করেছে রাস্তা আটকে, দোকান বন্ধ করে এর জবাব ভোটবাক্সে পড়বে।’’ প্রসঙ্গত, নবজোয়ার কর্মসূচির সময়ও যে এলাকার ওপর দিয়ে তৃণমূল সাংসদের কনভয় গিয়েছে, সেখানেই জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছিল। একজন সাংসদের নিরাপত্তায় প্রশাসন যেন অতি সক্রিয়, এমনটাই অভিযোগ বিরোধীদের। 

    কী বলছে তৃণমূল?

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এদিন অভিষেকের (Abhishek Banerjee) রোড শো’তে আশানুরূপ লোকও হয়নি। পাণ্ডুয়া ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সঞ্জয় ঘোষ অবশ্য সাফাই দেন, ‘‘প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য লোক কম হয়েছে, তবুও যা হয়েছে তাকে জনজোয়ার আখ্যা দেওয়া যেতেই পারে।’’ এদিন এই রোড শো তে অভিষেকের গাড়িতে স্থানীয় বিধায়ক রত্না দে নাগ, সপ্তগ্রামের বিধায়ক তপন দাশগুপ্ত, ধনেখালি ও চাপদানির বিধায়ক অসীমা পাত্র এবং অরিন্দম গুঁই এবং জেলার মন্ত্রী  স্নেহাশিস চক্রবর্তী হাজির  ছিলেন। যদিও কোনও স্থানীয় নেতা ওই গাড়িটিতে জায়গা পাননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share