Tag: bjp

bjp

  • Lok Sabha Election 2024: রাজ্যের ৪২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা মমতার, কী বলল কংগ্রেস?

    Lok Sabha Election 2024: রাজ্যের ৪২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা মমতার, কী বলল কংগ্রেস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ইন্ডি’ জোটের পিন্ডি চটকাচ্ছে! রবিবার দুপুরের পর এমনই জল্পনা ভাসছে বাংলার রাজনীতির আকাশে। এদিন একতরফাভাবে রাজ্যের ৪২টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে তৃণমূল।

    কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া

    ‘ইন্ডি’ জোটে (Lok Sabha Election 2024) থাকলেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছিলেন, এ রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে কোনও জোট করবে না তাঁর দল। সব ক’টি আসনেই এককভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল। রবিবার রাজ্যের ৪২ জন প্রার্থীকে নিয়ে ব্রিগেডের মঞ্চে হেঁটেওছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের এহেন আচরণে বেজায় চটেছে কংগ্রেস। এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ লিখেছেন, “জাতীয় কংগ্রেস বারবার করে সম্মানজনকভাবে আসন সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছিল তৃণমূলকে। আমরা চেয়েছিলাম আলাপ আলোচনার মাধ্যমে রফা হোক। একতরফা ঘোষণা করা হয়েছে, যা উচিত ছিল না। আমরা চেয়েছিলাম গোটা দেশের মতো বাংলায়ও জোটবদ্ধভাবে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ুক ‘ইন্ডিয়া’।”

    ইন্ডির দফারফা!

    বিজেপিকে পরাস্ত করতে জোট বেঁধেছে ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইন্ডি’। এই জোটের অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। মাসখানেক (Lok Sabha Election 2024) আগে ‘ইন্ডি’ জোট ছেড়ে তিনি ফিরে গিয়েছেন এনডিএ শিবিরে। এই ‘ইন্ডি’ জোটেই রয়েছে তৃণমূলও। রয়েছে সিপিএমও। সিপিএমের সঙ্গে জোটে যাবে না বলে আগেই জানিয়েছিল তৃণমূল। তার ওপর এ রাজ্যে কংগ্রেসকে মাত্র চারটি আসন ছাড়তে রাজি হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। যা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন বাংলার কংগ্রেস নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুুন: “বারাকপুরে টিকিট দেওয়া হবে বলে এনেছিল”, পার্থকে তৃণমূল প্রার্থী করতেই তোপ অর্জুনের

    তার পর এদিন বাংলার প্রতিটি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে মমতা বুঝিয়ে দিলেন, বাংলায় তিনি ‘একলা চলো নীতি’তেই বিশ্বাসী। রাজনৈতিক মহলের মতে, বাংলার মতো পরিস্থিতি যদি ‘ইন্ডি’ জোটের বাকি শরিকগুলির রাজ্যেও হয়, তাহলে নির্বাচনের ঢের আগেই ভেঙে খান খান হয়ে যাবে জোট। যার জেরে আক্ষরিক অর্থেই ফাঁকা মাঠে গোল দিয়ে (Lok Sabha Election 2024) বেরিয়ে যাবে বিজেপি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: এনডিএ পেতে পারে ৩৫৮-৩৯৮ আসন, ইন্ডি জোট ১১০-১৩০, বলছে টাইমস-নাও সমীক্ষা

    Lok Sabha Election 2024: এনডিএ পেতে পারে ৩৫৮-৩৯৮ আসন, ইন্ডি জোট ১১০-১৩০, বলছে টাইমস-নাও সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বারের জন্য মোদি সরকারের ক্ষমতায় আসা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা, এমনই তথ্য উঠে এল ‘টাইমস নাও-ইটিজি রিসার্চ’- এর যৌথ সমীক্ষায় (Opinion Poll)। ওই সমীক্ষা অনুযায়ী, ফের একবার নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। সমীক্ষা মোতাবেক এনডিএ জোট পেতে চলেছে ৩৫৮ থেকে ৩৯৮টি আসন। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এনডিএ জোটকে ৪০০ আসনের (Lok Sabha Election 2024) লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন। ‘টাইমস নাও-ইটিজি রিসার্চ’- এর (Times Now-ETG Research Survey) যৌথ সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে সেই লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছতে সক্ষম হবে গেরুয়া শিবির।

    ইন্ডি জোট কত আসন পাবে (Opinion Poll)? 

    অন্যদিকে এই সমীক্ষা অনুযায়ী ইন্ডি জোট ৫৪৩টি আসনের মধ্যে পেতে চলেছে ১১০ থেকে ১৩০ আসন। যেখানে জগনমোহন রেড্ডির ‘ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টি’ পেতে পারে ২১ থেকে ২২ আসন। নবীন পট্টনায়কের ‘বিজু জনতা দল’ পেতে পারে (Lok Sabha Election 2024) ১০ থেকে ১১ আসন এবং অন্যান্যরা ১১ থেকে ১৫ আসন জিততে পারে। প্রসঙ্গত ‘ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টি’ বা ‘বিজু জনতা দল’- এই দুটি রাজনৈতিক দল এনডিএ বা ইন্ডি কোনও জোটের মধ্যেই নেই। তবে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে দুই দলই বিজেপি সরকারের পাশে থাকে।

    ২০১৯ সালে করা নিজেদের রেকর্ডই ভাঙবে বিজেপি (Lok Sabha Election 2024)!

    সমীক্ষায় (Opinion Poll) যে তথ্য উঠে এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি, ২০১৯ সালে তাদের নিজেদের রেকর্ডকেই ভাঙতে চলেছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) বিজেপি একাই পেয়েছিল ৩০৩ আসন। ‘টাইমস নাও’ এবং ‘ইটিজি রিসার্চ’-এর সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পেতে পারে ৩৩৩ থেকে ৩৬৩ আসন।

    ভয়ঙ্কর ভরাডুবি কংগ্রেসের 

    শতাব্দী প্রাচীন কংগ্রেস দলকে এবারও আটকে যেতে হবে ৫০-এর নীচে। এমনটাই দেখা যাচ্ছে ওই সমীক্ষায়। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে কংগ্রেস পেয়েছিল ৪৪ আসন। ২০১৯ সালে রাহুল গান্ধী নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস পায় ৫২ আসন। এবারে ভয়ঙ্কর বিপর্যয় হতে চলেছে কংগ্রেসের। এমনটাই উঠে এসেছে ওই সমীক্ষায় (Opinion Poll) এবং দেখা যাচ্ছে ২৮ থেকে ৪৮ আসনে জিততে পারে শতাব্দী প্রাচীন এই দল (Lok Sabha Election 2024)। তামিলনাড়ুতে ডিএমকে পেতে পারে ২৪ থেকে ২৮ আসন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস জিততে পারে ১৭ থেকে ২১ আসন এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি ৫ থেকে ৭ আসন জিততে পারে।

    ইন্ডি জোটের আভ্যন্তরীণ বিবাদ

    ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) নির্ঘণ্ট এখনও প্রকাশ করেনি জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু মনে করা হচ্ছে ভোট হবে এপ্রিল এবং মে মাসে বেশ কয়েক দফায়। বিজেপি বিরোধী অধিকাংশ রাজনৈতিক দল এক ছাতার তলায় আসার জন্য গত বছর থেকে প্রয়াস চালিয়েছে এবং তৈরি করেছে ইন্ডি জোট। এই জোটের মূল কারিগর ছিলেন বিহারের জেডিইউ নেতা তথা মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। সম্প্রতি তিনিও ফিরেছেন এনডিএ জোটে। অন্যদিকে, রাজ্যে রাজ্যে ইন্ডি জোট শরিকদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিবাদ চলছেই। পশ্চিমবঙ্গে কোনওরকম জোট না করার কথা ইতিমধ্যে জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে একই ছবি দেখা দিয়েছে পাঞ্জাবে আম আদমি পার্টির ক্ষেত্রেও।

    কেন ৩৭০ আসনের (Lok Sabha Election 2024) লক্ষ্যমাত্রা বাঁধলেন মোদি

    গতমাসের ১৭ এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে বসে বিজেপি জাতীয় সম্মেলন। সেখানেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লোকসভা ভোটের প্রচারে সুর বেঁধে দেন। বিজেপিকে টার্গেট দেন ৩৭০ আসনের (Lok Sabha Election 2024)। প্রসঙ্গত, ৩৭০ সংখ্যা বাছার কারণ সংবিধানের বাতিল হওয়া ধারা ৩৭০-এর জন্যই। ২০১৯ সালে ৫ অগাস্ট জম্মু-কাশ্মীর থেকে এই ধারা তুলে দেয় বিজেপি সরকার। ৩৭০ ধারা বাতিলের দাবিতেই আন্দোলন করতে গিয়ে কাশ্মীরে গ্রেফতার হয়ে মৃত্যু বরণ করে বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতেই প্রধানমন্ত্রী ৩৭০ আসনের টার্গেট বেঁধে দিয়েছেন। এমনটাই জানা গিয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mohammad Shami: লোকসভা নির্বাচনে বসিরহাটে বিজেপির প্রার্থী মহম্মদ শামি? রাজ্য রাজনীতিতে নয়া জল্পনা

    Mohammad Shami: লোকসভা নির্বাচনে বসিরহাটে বিজেপির প্রার্থী মহম্মদ শামি? রাজ্য রাজনীতিতে নয়া জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাইশ গজের সঙ্গেই কি এবার রাজনীতির ময়দানে নামতে চলেছেন মহম্মদ শামি (Mohammad Shami)।  কয়েক মাস আগে দেশের মাটিতে বিশ্বকাপে অবিশ্বাস্য বোলিং করে সবার মন জেতেন শামি। সেই সময়ই শামিকে কাছে টেনে নেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এবার লোকসভা নির্বাচনের আগে ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে তাঁকে ভোটে দাঁড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। গুঞ্জন, সেই প্রস্তাবে হয়তো সাড়া দেবেন ভারতের তারকা পেসার।

    শামিকে প্রস্তাব

    সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, শামি (Mohammad Shami) বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্র থেকে পদ্ম প্রতীকে ভোটে দাঁড়াতে পারেন। এখানে তৃণমূলের গতবারের জয়ী প্রার্থী হলেন নুসরত জাহান। সেক্ষেত্রে তৃণমূল যদি আবার নুসরত জাহানকে প্রার্থী করে, আর বিজেপি-র সঙ্গে শামির কথা চূড়ান্ত হয়, তাহলে বসিরহাটে শামি বনাম নুসরত ম্যাচ দেখা যেতে পারে। শামি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও পর্যন্ত কোনও পার্টি জয়েন করেননি। উত্তরপ্রদেশে বাড়ি হলেও, রঞ্জি ট্রফিতে বাংলার হয়েই খেলেন মহম্মদ শামি। তাই ভারতীয় ক্রিকেটারকে পশ্চিমবঙ্গ থেকেই প্রার্থী করা হতে পারে। প্রসঙ্গত, কয়েকমাস আগে মহম্মদ শামি উত্তরাখণ্ডে এক বিজেপি নেতার বাড়ির অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন। তখনই কথা হয় বলে অনুমান।

    আরও পড়ুন: পুতিন বিরোধী স্বর তোলাই ভুল! বিশ্বখ্যাত দাবাড়ু গ্যারি কাসপারভকে ‘জঙ্গি’ তকমা রাশিয়ার

    অনেকে আবার এখনই শামির (Mohammad Shami) বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন। এর প্রধান দুটি কারণ ৩৩ বছরের শামি-র মধ্যে এখনও বেশ কিছুটা ক্রিকেট বাকি আছে। চোট সারিয়ে শামি-র এখনও অনেক দেশের জার্সিতে ও আইপিএলে ভাল স্পেল উপহার দেওয়ার আছে। এমন সময় রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ঝুঁকিটা হয়তো শামি নেবেন না। বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এ প্রসঙ্গে বলেছেন, অনেকেই বিজেপিতে যোগ দিতে চাইছেন। আগামী কয়েক দিন বেশ কয়েকটি বড় নাম তাদের দলে যোগ দিচ্ছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ছ’সাল বাদে এনডিএ জোটে ফিরছেন চন্দ্রবাবু, নেপথ্যে কোন অঙ্ক?

    Lok Sabha Election 2024: ছ’সাল বাদে এনডিএ জোটে ফিরছেন চন্দ্রবাবু, নেপথ্যে কোন অঙ্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএতে ফিরতে চলেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা (Lok Sabha Election 2024) তেলুগু দেশম পার্টি সুপ্রিমো চন্দ্রবাবু নায়ডু। ছ’বছর আগে তিনি ছেড়েছিলেন এনডিএ জোট। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দিল্লিতে চন্দ্রবাবু বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে। সেখানেই জোটের বিষয়টি চূড়ান্ত হয় বলে খবর।

    পদ্ম-সঙ্গ ছাড়লেন চন্দ্রবাবু (Lok Sabha Election 2024)

    ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) বিজেপির সঙ্গে জোটে ছিলেন চন্দ্রবাবু। সেবারই কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ। অন্ধ্রপ্রদেশের বিশেষ মর্যাদার দাবি তুলে ২০১৮ সালে এনডিএ ছেড়ে দেন টিডিপি সুপ্রিমো। উনিশের লোকসভা ও অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে একাই লড়েছিল চন্দ্রবাবুর দল। জগন্মোহন রেড্ডির দল ওয়াইএসআর কংগ্রেসের কাছে গোহারা হেরে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার খোয়ান টিডিপি সুপ্রিমো।

    সলতে পাকানোর কাজ শুরু 

    ২০২২ সালে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আন্দামান ও নিকোবরের রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ারের পুরসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে লড়াই করে চন্দ্রবাবুর টিডিপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, চন্দ্রবাবুর বিজেপি জোটে যাওয়ার সলতে পাকানোর কাজটি শুরু হয়ে গিয়েছিল সেই সময় থেকেই। ২০২৩ সালের মে মাসের ‘মন কি বাতে’ টিডিপি প্রতিষ্ঠাতা এনটি রামা রাওয়ের নাম নেন প্রধানমন্ত্রী। এই এনটি রামা রাও চন্দ্রবাবুর প্রয়াত শ্বশুর। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন তিনি।

    এনটি রামা রাওয়ের হাত ধরেই এক সময় অন্ধ্রপ্রদেশে পা রেখেছিল বিজেপি। ১৯৮৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশে একটি আসনও জেতে বিজেপি। মন কি বাতে প্রধানমন্ত্রী এনটি রামা রাওয়ের নাম নিতেই সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, অন্ধ্রপ্রদেশের রাজনৈতিক অঙ্ক মাথায় রেখেই ফের বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ শিবিরে ফিরতে চলেছে চন্দ্রবাবুর দল। সম্প্রতি জগন্মোহনের সরকারের বিরুদ্ধে উঠেছে একাধিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ। চন্দ্রবাবুর দলের আশা, বিজেপির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারলে দুর্নীতিগুলিকে হাতিয়ার করে জোরালো আক্রমণ শানানো যাবে রাজ্যের শাসক দলকে। যার জেরে প্রশস্ত হতে পারে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পথ (Lok Sabha Election 2024)।

    আরও পড়ুুন: “আরও ১০ বছরও প্রধানমন্ত্রী থাকবেন মোদি”, সাফ জানালেন শাহ

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Lok Sabha Election 2024: ত্রিপুরায় কিস্তিমাত! বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারে যোগ তিপ্রা মথার

    Lok Sabha Election 2024: ত্রিপুরায় কিস্তিমাত! বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকারে যোগ তিপ্রা মথার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) প্রাক্কালে ত্রিপুরায় কিস্তিমাত বিজেপির! রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল শরিক হল বিজেপি-আইপিএফটি জোট সরকারের। মন্ত্রী হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিধায়ক অনিমেষ দেববর্মণ। মন্ত্রগুপ্তির পাঠ পড়লেন তিপ্রা মথারই বিধায়ক বৃষকেতু দেববর্মণও। বৃহস্পতিবার রাজভবনে আয়োজিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, তিপ্র মথা সুপ্রিমো প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মণ প্রমুখ।

    তিপ্রাল্যান্ডের দাবি (Lok Sabha Election 2024)

    ত্রিপুরার জনজাতি অধ্যুষিত অংশকে আলাদা (Lok Sabha Election 2024) তিপ্রাল্যান্ড বলে ঘোষণার দাবি জানিয়ে ২০২১ সালে আত্মপ্রকাশ করে তিপ্রা মথা। দলের প্রধান হন ত্রিপুরা রাজপরিবারের সদস্য প্রদ্যোত। ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনের আগে মথা জনজাতিদের সমস্যার সাংবিধানিক সমাধানের দাবি জানায় প্রদ্যোতের দল। দাবিপূরণ না হলে কোনও দলের সঙ্গেই হাত মেলাবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন তিপ্রা মথার প্রধান।

    জোট সরকারের নেতৃত্ব দেয় বিজেপি

    তেইশের বিধানসভা নির্বাচনে ৬০ আসন বিশিষ্ট ত্রিপুরা বিধানসভায় ৩২টি আসনে জয়ী হয় বিজেপি। জোটসঙ্গী আইপিএফটি জেতে একটি আসন। তিপ্রা মথার ১৩ জন প্রার্থী জয়ী হন। ওই নির্বাচনে সিপিএম পেয়েছিল ১১টি আসন, কংগ্রেস ৩টি। প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা পায় তিপ্রা মথা। বিরোধী দলনেতা হন অনিমেষ। ত্রিপুরায় দুটি লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে। ইতিমধ্যেই পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির। পূর্ব ত্রিপুরা আসনে অবশ্য এখনও কারও নাম ঘোষণা করেনি বিজেপি।

    আরও পড়ুুন: ‘বাঘের’ চোখে জল! কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের প্রশ্নবাণে কেঁদে ফেললেন শাহজাহান

    রাজনীতির কারবারিদের একাংশের মতে, পূর্ব ত্রিপুরা আসনটি জনজাতিদের জন্য সংরক্ষিত। এই আসনটি তিপ্রা মথাকে ছেড়ে দিতে পারে বিজেপি। অন্য অংশের মতে, রাজ্যের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দেওয়া হয়েছে তিপ্রা মথার দুই বিধায়ককে। তার বিনিময়ে পূর্ব ত্রিপুরা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীকে সমর্থন করতে পারে তিপ্রা মথা। পদ্ম চিহ্নে রাজবাড়িরই কাউকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে অসমর্থিত সূত্রে খবর।

    তিপ্রা ল্যান্ড আন্দোলনের কী হবে?  এ প্রশ্নের উত্তরে তিপ্র মথার তরফে নয়া মন্ত্রী বৃষকেতু বলেন, “বৃহত্তর তিপ্রা ল্যান্ড আমাদের পার্টির অ্যাজেন্ডা। এখন কেউ জিজ্ঞাসা করতে পারে, এটি কখন হবে? দেখুন, পাঁচশো বছরের সংগ্রামের পর তৈরি হল রাম মন্দির। আমাদের আন্দোলন তো শুরু হয়েছে মাত্র তিন বছর আগে (Lok Sabha Election 2024)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: নবীনের বিজেডির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছে মোদি-শাহের বিজেপি!

    Lok Sabha Election 2024: নবীনের বিজেডির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছে মোদি-শাহের বিজেপি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীরা অগোছালো। সেই সুযোগে ক্রমেই পক্ষ বিস্তার করছে বিজেপি। বিহারে নীতীশ কুমার ফিরে এসেছেন এনডিএ জোটে। এবার পড়শি রাজ্য ওড়িশায় নবীন পট্টনায়েকের বিজু জনতা দলের সঙ্গে জোট গড়তে চলেছে বিজেপি (Lok Sabha Election 2024)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বিরোধীদের সাফ করতেই সমমনস্ক দলগুলির সঙ্গে জোট গড়ছে বিজেপি।

    উনিশের নির্বাচনের ফল

    ওড়িশায় লোকসভা কেন্দ্র রয়েছে ২১টি। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে এর মধ্যে ১২টি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিল বিজেপি। ৮টি আসন গিয়েছিল কংগ্রেসের ঝুলিতে। মঙ্গলবারই ইন্ডিয়া টিভি-সিএনএক্সের প্রাক নির্বাচনী সমীক্ষায় জানা যায়, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে ওড়িশায় বিজেপির সঙ্গে বিজেডির জোর টক্কর হবে (Lok Sabha Election 2024)। রাজ্যের শাসক দল বিজেডি পেতে পারে ১১টি আসন। বিজেপির ঝুলিতে যেতে পারে ১০টি আসন। মঙ্গলবার ওড়িশায় ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছিলেন, “বিজেপি চেষ্টা করছে ওড়িশাকে বিকশিত ভারত ও আত্মনির্ভর ভারতের গেটওয়ে বানানোর।”

    ওড়িশায় কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    জয়পুর জেলার চণ্ডীকোলে এলাকার ওই জনসভায় তিনি এও বলেছিলেন, “গত ১০ বছরে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ওড়িশায় প্রচুর বিনিয়োগ করেছে। আমরা ওড়িশাকে উন্নত ভারতের প্রবেশদ্বার বানানোর চেষ্টা করছি।” প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, গত ১০ বছরে ওড়িশায় কেবল পেট্রোকেমিক্যাল ক্ষেত্রে লগ্নি করা হয়েছে দু’লাখ কোটি টাকার মতো। ওড়িশা দ্রুত পলিয়েস্টার ইন্ডাস্ট্রির বড় কেন্দ্রে পরিণত হতে চলেছে। তিনি বলেছিলেন, “বেশি লগ্নি আসা মানে ওড়িশার যুবকদের আরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হওয়া।” ভিড়ে ভিড়াক্কার জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “এই বিশাল জনসভাই বলে দিচ্ছে পূর্ব ভারতের মুড। এটা স্পষ্ট জানান দিচ্ছে, ‘আব কি বার, ৪০০ পার’ সঙ্কল্প। এই সভাই বলে দিচ্ছে, ভারত বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকার তিন নম্বরে উঠে আসবে।”

    আরও পড়ুুন: শাহজাহানকে হেফাজতে নিয়ে সন্দেশখালি, বসিরহাটে গিয়ে নথি সংগ্রহ করল সিবিআই

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই যে ‘আব কি বার ৪০০ পার’ সঙ্কল্প, এটা কৃষক, তরুণ, মহিলা এবং দরিদ্রদের জীবন বদলে দেবে। এক্ষেত্রে পূর্ব ভারত এবং বিশেষত ওড়িশা বিরাট ভূমিকা পালন করবে।” এই জনসভায় প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসের পাশাপাশি ইন্ডিয়া ব্লককে নিশানা করলেও, রাজ্যের শাসক দল বিজেডি সম্পর্কে একটি কথাও বলেননি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাজ্যের শাসক দল সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর এই নীরবতাই জানান দিচ্ছে লোকসভা নির্বাচনে গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছে বিজেপি এবং বিজেডি (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly Joins BJP: বিজেপিতে যোগ অভিজিতের, কী বললেন হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি?

    Abhijit Ganguly Joins BJP: বিজেপিতে যোগ অভিজিতের, কী বললেন হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীবারে বিজেপিতে যোগ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly Joins BJP)। এদিন বিজেপির সল্টলেকের অফিসে পৌঁছান তিনি। শঙ্খধ্বনি ও পুষ্পবৃষ্টির মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয় প্রাক্তন বিচারপতিকে। জয় শ্রীরাম ধ্বনিও দেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    অভিজিতের বাড়িতে বিজেপির প্রতিনিধি দল (Abhijit Ganguly Joins BJP)

    এদিন বেলা ১১টা নাগাদ অভিজিতের সল্টেলেকের বাড়িতে পৌঁছান বিধায়ক বিজেপির অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর সঙ্গে গিয়েছিলেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষও। ১২টার কিছু পরে বাড়ি থেকে বের হন অভিজিৎ। বলেন, “আমি আজ বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছি। খুব ভালো লাগছে। সর্বভারতীয় দলে যোগ দিতে যাচ্ছি। আমায় যা দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা-ই করব।”

    কী বললেন অভিজিৎ?
    এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির এ রাজ্যের পর্যবেক্ষক মঙ্গল পাণ্ডে, রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী প্রমুখ। পদ্ম ঝান্ডা হাতে নিয়ে অভিজিৎ (Abhijit Ganguly Joins BJP) বলেন, “আমি সর্ব ভারতীয় দলে যোগ দিলাম। এমন একটি দল যার মাথায় রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহরা। আমি দলের শৃঙ্খলাবদ্ধ সৈনিক হিসেবে কাজ করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য, পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যের একটি দুর্নীতিগ্রস্ত দলকে বিদায় দেওয়া। যাতে ২০২৬ সালে তারা ক্ষমতায় আসতে না পারে। এই দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর লড়াই যাতে শুরু করা যায়, তার জন্যই বিজেপিতে যোগ দিয়েছি।”

    বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক মঙ্গল পাণ্ডে বলেন, “তাপস রায় বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। আজ যোগ দিলেন অভিজিৎ। আবারও শক্তি বৃদ্ধি হল বিজেপির। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে প্রাক্তন বিচারপতিকে স্বাগত জানাচ্ছি।” সুকান্ত বলেন, “আগামিদিনে বিজেপি তাঁকে (অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে) নির্বাচনে ও অন্যান্য জায়গায় ব্যবহার করবে।” শুভেন্দু বলেন, “আমি এটুকুই বলব যে, রাজ্যের রাজনীতিতে এ রকম একজনের প্রয়োজন ছিল। তিনি তাঁর যে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছিলেন, তখন তাঁকে আক্রমণ করা হয়েছে। তাঁর কাজ করার ক্ষমতা কেড়েও নেওয়া হয়েছিল। যোগদানের আগে তিনি অমিত শাহের আশীর্বাদ গ্রহণ করেছেন। রাজ্য থেকে এবার পরিবারবাদী ও তোষণকারী সরকারকে ফেলতে পারব (Abhijit Ganguly Joins BJP)।”

    আরও পড়ুুন: ‘মোদির সভায় যাবেন না’, বিদেশ থেকে হুমকি-ফোন কাশ্মীরবাসীকে

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Nadia: অনুব্রতর হাল দেখেও শিক্ষা হয়নি! নিমপাতা দিয়ে ভোট করানোর হুমকি দিলেন মহুয়া

    Nadia: অনুব্রতর হাল দেখেও শিক্ষা হয়নি! নিমপাতা দিয়ে ভোট করানোর হুমকি দিলেন মহুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডল এখন তিহার জেলে রয়েছে। কিন্তু, তাঁর বুলি এখনও আওড়াচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। এক সময় ভোটের আগে বীরভূমে ‘নকুলদানা’, ‘গুড়-বাতাসা’ আর ‘চড়াম চড়াম’-এর দাওয়াই দিয়েছিলেন কেষ্ট। সেই বুলি এবার শোনা গেল নদিয়ার (Nadia) প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্রের মুখে।

    নিমপাতা-র দাওয়াই দিলেন মহুয়া (Nadia)

    সংসদ থেকে বহিষ্কৃত মহুয়ার ওপরে আস্থা রেখে তাঁকে ফের প্রার্থী করা হবে নদিয়ায় (Nadia) এসে ঘোষণা করে গিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দল এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা না করলেও মহুয়াই ফের কৃষ্ণনগর কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন ধরে নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে জেলা তৃণমূল। মহুয়া বিভিন্ন এলাকায় কর্মিসভাও করছেন। প্রকাশ্যে আসা ওই অডিও ক্লিপে তাঁকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘যে করেই হোক বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ভোটটা এ বার করতে হবে। এ বার কিন্তু যেখানে মধু দিয়ে, যেখানে নিমপাতা দিয়ে ভোটটা করতে হবে। সিম্পল কথা। প্রশাসনিক ব্যাকআপ আপনারা হান্ড্রেট পারসেন্ট পাবেন। এই কথা আমি দিয়ে যাচ্ছি।’ আর, জেলা প্রশাসনের ‘ব্যাকআপ’ প্রসঙ্গে নদিয়ার জেলাশাসক এস অরুণ প্রসাদ কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির কিষাণ মোর্চার রাজ্য সভাপতি মহাদেব সরকার বলেন, “সংসদ থেকে বহিষ্কৃত হয়েও ওঁর শিক্ষা হয়নি। নিমপাতা বলতে উনি কী বোঝাতে চাইছেন সেটা সকলেই পরিষ্কার বুঝতে পারছে। আসলে জনমত বিপক্ষে রয়েছে বুঝতে পেরে এভাবে হুমকি দিচ্ছেন। উনি তো আসলে লেডি অনুব্রত!” তৃণমূলের কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলা চেয়ারম্যান রুকবানুর রহমানের দাবি, এমন কোনও অডিও ক্লিপের কথা আমাদের জানা নেই। যদি তেমন কিছু আমার কাছে আসে তা হলে বিষয়টি নিয়ে মহুয়ার সঙ্গে কথা বলব।”  সিপিএম নেতা সুমিত বিশ্বাস বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Modi In Kashmir: ‘মোদির সভায় যাবেন না’, বিদেশ থেকে হুমকি-ফোন কাশ্মীরবাসীকে

    Modi In Kashmir: ‘মোদির সভায় যাবেন না’, বিদেশ থেকে হুমকি-ফোন কাশ্মীরবাসীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মোদির সভায় যাবেন না।’ ঠিক এই ভাষায়ই হুমকি দেওয়া হচ্ছে কাশ্মীরবাসীকে। আন্তর্জাতিক একাধিক নম্বর থেকে কল করে দেওয়া হচ্ছে হুমকি। পাঁচ বছর পরে আজ, বৃহস্পতিবার জম্মু-কাশ্মীরে পা রাখছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi In Kashmir)। শ্রীনগরের বকসি স্টেডিয়ামে জনসভা করবেন তিনি। দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। তাই শ্রীনগরের জনসভায় তিনি কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে উপত্যকাবাসী।

    উপত্যকায় প্রধানমন্ত্রী

    ভূস্বর্গে রদ হয়েছে ৩৭০ ধারা। তার পর এই প্রথম জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সভা হওয়ার কথা ছিল শ্রীনগরের কনভেনশন সেন্টার হলে। পরে ঠিক হয়, জনসভা হবে শ্রীনগর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত বকসি স্টেডিয়ামে। প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভায়ই যোগ না দিতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে উপত্যকাবাসীকে।

    নেপথ্যে আইএসআই!

    জানা গিয়েছে, এই হুমকি ফোনের নেপথ্যে রয়েছে (Modi In Kashmir) পাকিস্তানের আইএসআই। তারাই বিভিন্ন ল্যান্ডলাইন ও মোবাইল ফোন থেকে হুমকি দিচ্ছে কাশ্মীরের বাসিন্দাদের। হুমকি ফোনে প্রধানমন্ত্রীর সভায় যেতে নিষেধ করা হচ্ছে। গেলে যে ফল ভালো হবে না, তাও শুনিয়ে দিচ্ছে ফোনের অন্য প্রান্তে থাকা মানুষ। সভায় গেলে তাঁদের পরিবারের ক্ষতি করার হুমকিও দিচ্ছে জঙ্গিরা। উপত্যকাবাসীকে এই হুমকি ফোন সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়েছে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা।

    বকসি স্টেডিয়ামে ‘বিকশিত ভারত, বিকশিত জম্মু-কাশ্মীর’ শীর্ষক সভায় বক্তৃতা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন ৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের। এক হাজার কর্মপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্রও তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এই সভাই বয়কট করতে হুমকি ফোন করছে দুর্বৃত্তরা।

    আরও পড়ুুন: “বাংলার অরাজক পরিস্থিতি ঘোচানোর চেষ্টা করব”, পদ্ম-পতাকা নিয়ে বললেন তাপস

    বিজেপি নেতা ফৈয়জ আহমেদ বলেন, “স্থানীয়রা যে এমনতর ফোনকল পাচ্ছেন, তা আমি জানি। দলীয় কর্মীরাও আমায় জানিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের লোকজনকেও আন্তর্জাতিক নম্বর থেকে ফোন করা হচ্ছে যাতে তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর (Modi In Kashmir) সভায় না যান।” তিনি বলেন, “আমি আপনাদের বলতে চাই, শত্রু পক্ষ ক্ষেপে গিয়েছে। তারা সংসার চালাতে পারছে না, পরিবারের সদস্যদের জেলে পাঠাচ্ছে। পরিবারকে তারা খাবার এবং শিক্ষাও দিতে ব্যর্থ। হতাশায় ডুবে যাচ্ছে তারা। তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারতের যে চোখ ধাঁধানো উন্নয়ন হচ্ছে, তা মেনে নিতে পারছে না তারা। তাই দিচ্ছে হুমকি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Lok Sabha Election 2024: “বাংলার অরাজক পরিস্থিতি ঘোচানোর চেষ্টা করব”, পদ্ম-পতাকা নিয়ে বললেন তাপস

    Lok Sabha Election 2024: “বাংলার অরাজক পরিস্থিতি ঘোচানোর চেষ্টা করব”, পদ্ম-পতাকা নিয়ে বললেন তাপস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলার বুকে যে অরাজক পরিস্থিতি চলছে, তা ঘোচানোর চেষ্টা করব।” বুধ-সন্ধ্যায় বিজেপিতে যোগ দিয়ে কথাগুলি বললেন তৃণমূলের প্রাক্তনী তাপস রায়। এদিন সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বিজেপি দফতরে গিয়ে পদ্ম-শিবিরে যোগ দেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। উত্তরীয় পরিয়ে তাপসের হাতে তুলে দেওয়া হয় বিজেপির ঝান্ডা। 

    কী বললেন তাপস?

    পদ্ম আঁকা পতাকা হাতে নিয়ে তাপস বলেন, “আমি আজ থেকে মোদি পরিবারের সদস্য হলাম। যতদিন রাজনীতিতে থাকব, এই পরিবারের সদস্য হিসেবে আমার দায়িত্ব পালন করব। বাংলার বুকে যে অরাজক পরিস্থিতি চলছে, তা ঘোচানোর চেষ্টা করব। দলের প্রতি ১০০ শতাংশ সৎ থাকব।” সদ্যই তৃণমূলের সঙ্গে ২৩ বছরের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন পোড়খাওয়া এই রাজনীতিবিদ। এদিন (Lok Sabha Election 2024) যোগ দিলেন বিজেপিতে।

    ‘বাংলায় অরাজকতা চলছে’

    বলেন, “বাংলায় অরাজকতা চলছে। এই সরকার শেখ শাহজাহানদের সরকার, উত্তম সর্দারদের সরকার, শিবু হাজরাদের সরকার (সন্দেশখালির এই তিনজনের গায়ে লেগেছে নারী নির্যাতনের অভিযোগের কালি)। এই সরকার সংবিধান, আইনকানুনের কথা বলে। অথচ হাইকোর্টের নির্দেশ মানে না। বাংলা থেকে এই অমানবিক জলদস্যুদের সরিয়ে সকলে মিলে যাতে শান্তির বাংলা গড়তে পারি, তাই বিজেপিতে যোগ দিলাম।”

    বিজেপি নেতৃত্বের প্রতি তিনি যে একশো শতাংশ লয়্যাল থাকবেন, এদিন তাও জানিয়ে দেন তাপস। তাঁকে প্রদেশ বা জেলায় যে দায়িত্বই দেওয়া হবে, সেই দায়িত্বই তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবেন বলেও জানান তাপস। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা তথা এ রাজ্যের পর্যবেক্ষক মঙ্গল পাণ্ডে। তিনি বলেন, “বাংলায় বিজেপির হাত শক্ত হচ্ছে।” তাপসকে বিজেপিতে স্বাগত জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “উত্তর কলকাতায় আমাদের দলের সংগঠনে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের প্রয়োজন ছিল। আশা করছি, তাপস রায়ের যোগদান সেই প্রয়োজন অনেকটাই মেটাবে (Lok Sabha Election 2024)।”

    আরও পড়ুুন: মহিলাদের ‘লাখপতি দিদি’ বানানো তাঁর লক্ষ্য, বারাসতে ঘোষণা মোদির

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share