Tag: bjp

bjp

  • Amit Shah: “সিএএ দেশের আইন, বাংলায় লাগু করবই”, ধর্মতলার সভা থেকে শাহি-বার্তা

    Amit Shah: “সিএএ দেশের আইন, বাংলায় লাগু করবই”, ধর্মতলার সভা থেকে শাহি-বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিএএ (CAA) আইন হয়ে গিয়েছে, প্রণয়নও হয়ে যাবে।” বুধবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে বিজেপির ভরা সভায় কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “এত অনুপ্রবেশ কোনও রাজ্যে হলে সেখানে উন্নয়ন হতে পারে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের জন্য সিএএ-র বিরোধিতা করছেন।” এর পরেই শাহ বলেন, “আমি বলছি, সিএএ আইন হয়ে গিয়েছে, প্রণয়নও হয়ে যাবে। সিএএ লাগু হবেই, কেউ আটকাতে পারবে না।”  

    সিএএ-র পথে অন্তরায় তৃণমূল!

    রাজ্যে সিএএ চালুর পথে যে তৃণমূল সরকারই অন্তরায়, এদিন তাও জানিয়েছেন অমিত শাহ। তিনি জানান, ২০২৬ সালে বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এ রাজ্যে সিএএ চালু হবে। কারণ কেন্দ্রীয় সরকার সিএএ চালু করতে চাইলেও, তৃণমূল সরকার তা করতে দিচ্ছে না।ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে এদিন তিল ধারণের জায়গা ছিল না। প্রত্যাশিতভাবেই সেই সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে আগাগোড়া নিশানা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার কার্ড দিচ্ছেন মমতা!

    তিনি বলেন, “দেশে সব চেয়ে বেশি রাজনৈতিক হিংসা হয় বাংলায়। বাংলার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার অনুপ্রবেশ রুখতে পারেনি। যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনুপ্রবেশ রুখতে পার্লামেন্ট চলতে দেননি, সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার কার্ড করে দিচ্ছেন। বাংলায় অনুপ্রবেশকারীদের আধার কার্ড করে দেওয়া হচ্ছে। তাও আবার রীতিমতো সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দিয়ে (Amit Shah)।”

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে সংসদে পাশ হয় সিএএ। সিএএ-তে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় উৎপীড়নের জেরে ভারতে চলে আসা সেইসব দেশের ছ’টি ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষকে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এতে মুসলমানদের প্রতি বৈষম্য হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে।

    এদিনের সভায় শাহ বলেন, “অসমে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর সেখানে অনুপ্রবেশ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এ রাজ্যেও বিজেপি এলে অনুপ্রবেশ বন্ধ হয়ে যাবে। বিজেপি সিএএ লাগু করবেই।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রতিবেশী রাজ্য (বাংলাদেশ) থেকে যে হিন্দু ভাইয়েরা এসেছেন, এদেশের ওপর আমাদের যতটা অধিকার রয়েছে, তাঁদেরও ততটাই অধিকার রয়েছে।” প্রসঙ্গত, গত মার্চ মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি শান্তনু ঠাকুর বলেছিলেন, “সিএএ একটি জটিল অবস্থায় রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে আটকে রয়েছে। আদালত রায় না দিলে সরকার এটা কার্যকর করতে পারে (Amit Shah) না।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘ছাব্বিশে দিদিকে উৎখাত করতে হলে চব্বিশে মোদিকে ফের আনতে হবে’’, ধর্মতলায় অমিত শাহ

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Amit Shah: ‘‘কলকাতার ‘প্রতিবাদ সভা’য় যোগ দেওয়ার অপেক্ষায়…’’, ট্যুইট-বার্তায় অমিত শাহ

    Amit Shah: ‘‘কলকাতার ‘প্রতিবাদ সভা’য় যোগ দেওয়ার অপেক্ষায়…’’, ট্যুইট-বার্তায় অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন’ বছর পর কলকাতার ওয়াই চ্যানেলে বিজেপির সভায় যোগ দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এর আগে শাহ যখন এখানে সভা করেছিলেন, তখন তিনি ছিলেন বিজেপির জাতীয় সভাপতি। আর আজ, বুধবার যখন সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন, তখন তাঁর পরিচয়, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। দীর্ঘ এই ন’ বছরের ব্যবধানে গঙ্গা দিয়েছে গড়িয়েছে কিউসেক কিউসেক জল।

    শাহি-বার্তা

    তবে ন’ বছর আগের মতোই এবারও শাহের অস্ত্র হতে চলেছে তৃণমূলের দুর্নীতি। কলকাতার এই সভায় যোগ দিতে তিনি যে মুখিয়ে রয়েছেন, এদিন এক্স হ্যান্ডেলে তা জানিয়েছেন শাহ স্বয়ং। তিনি লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে বিজেপি এখন বাংলার মানুষের প্রথম পছন্দের রাজনৈতিক দল। আগামী নির্বাচনে বিজেপির জয় এবং মমতা দিদির তৃণমূলের পরাজয় নিশ্চিত। আজ কলকাতায় প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখার দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছি।”

    শাহের তুণীরে কোন শর? 

    জানা গিয়েছে, এদিন বেলা ২টো নাগাদ ভাষণ দেবেন অমিত শাহ। লোকসভা নির্বাচনের আগে তাঁর এই সফর নিঃসন্দেহে বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে রাজ্য বিজেপিকে। ন’ বছর আগে যখন এই ধর্মতলায় শাহি সমাবেশ হয়েছিল, তখন এ রাজ্যে বিজেপির পায়ের নীচের মাটি তেমন শক্ত ছিল না। আর আজ, ন’ বছর পরে এ রাজ্যে বিজেপির বুনিয়াদ যথেষ্ট মজবুত। কেলেঙ্কারির পঙ্কিল আবর্তে ঘুরছেন তৃণমূলের অনেক নেতাই। এহেন আবহে রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। তাই তাঁর তুণীরে কোন শর রাখা আছে, তা জানতে মুখিয়ে বঙ্গ বিজেপিও।

    এদিকে, বেলা ১২টা বাজতেই ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে সভা শুরু হয়েছে বিজেপির। ইতিমধ্যেই সভায় হাজির হয়েছেন কয়েক লক্ষ মানুষ। হাওড়া ও শিয়ালদহ থেকেও সভাস্থলের দিকে আসছে ‘বঞ্চিত’ জনতার মিছিল। অন্যান্যবার বিজেপির সমাবেশে আসার পথে কর্মী-সমর্থকদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এবার এখনও তেমন কোনও অভিযোগ ওঠেনি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “জেলা থেকে ট্রেনে-বাসে করে কলকাতায় আসছেন আমাদের কর্মী-সমর্থকরা। বাধা দিলে পরিণাম ভাল হবে না। আজ তৃণমূল কর্মীরা বাধা দিলে আমাদের কর্মীরাও উচিত শিক্ষা দেবে। আজ এই কলকাতা থেকে ট্রেলার শুরু। তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক দেবেন অমিত শাহ (Amit Shah)।”

    সবে ট্রেলর! পিকচার আভি ভি বাকি হ্যায়?

    আরও পড়ুুন: হাওড়া-শিয়ালদায় খাওয়া-দাওয়া সেরে ‘শাহি’ সমাবেশের পথে জনতা, রাজপথে ‘গৈরিক সুনামি’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

     

  • BJP Rally: হাওড়া-শিয়ালদায় খাওয়া-দাওয়া সেরে ‘শাহি’ সমাবেশের পথে জনতা, রাজপথে ‘গৈরিক সুনামি’

    BJP Rally: হাওড়া-শিয়ালদায় খাওয়া-দাওয়া সেরে ‘শাহি’ সমাবেশের পথে জনতা, রাজপথে ‘গৈরিক সুনামি’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার গেরুয়া সুনামি দেখবে কলকাতা। মঙ্গলবার কথাগুলি বলেছিলেন বিজেপি নেতারা। বুধবার আক্ষরিক অর্থেই গেরুয়া সুনামি (BJP Rally) দেখতে চলেছেন রাজ্যবাসী। বিস্তর কাঠখড় পোড়ানোর পরে আদালতের নির্দেশে ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে হচ্ছে বিজেপির সভা। লোকসভা নির্বাচনের আগে এই ‘ওয়ার্মআপ’ জনসভায় উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    ‘কলকাতা চলো’

    ইতিমধ্যেই সভাস্থলের দিকে আসতে শুরু করেছেন বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। এদিন সকাল থেকেই শিয়ালদা স্টেশনে ঠায় বসে রয়েছেন বিজেপি নেতা শঙ্কর ঘোষ। হাওড়া ও শিয়ালদা দুই এলাকাতেই সভায় আগত লোকজনের জন্য ব্যবস্থা হয়েছে খাওয়া-দাওয়ার। বিজেপি কর্মীদের দুপুরের মেনুতে থাকছে, ভাত , সবজি দিয়ে ডাল এবং চাটনি। খাওয়া-দাওয়া সেরেই কর্মী-সমর্থকরা রওনা দেবেন ধর্মতলার দিকে। যাঁরা ভায়া হাওড়া স্টেশন হয়ে সভাস্থলের দিকে আসবেন, তাঁরা খাওয়া-দাওয়া করবেন হাওড়া স্টেশন লাগোয়া রেল মিউজিয়াম সংলগ্ন মাঠে। সেখানেই পাতা হয়েছে চেয়ার-টেবিল। খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে শিয়ালদা স্টেশনেও। অন্যদিকে, হাইকোর্ট থেকে সভাস্থলের দিকে রওনা দেবেন বিজেপি লিগ্যাল সেলের সদস্যরা।

    ধর্মতলামুখী ‘বঞ্চিত’ জনতা

    বিজেপি (BJP Rally) নেতাদের দাবি, যেহেতু কলকাতা হাইকোর্টে মুখ পুড়েছে শাসক দলের, তাই সভাস্থলের দিকে আসা লোকজনকে বাধা দেবে না তৃণমূল। দলের বিধায়ক শঙ্কর বলেন, “আদালতে থাপ্পড় খেয়েছে সরকার। তাই বিজেপি কর্মীদের সভায় আসতে বাধা দিতে গেলে অন্তত দু’বার ভাববে তৃণমূল কংগ্রেস।” ধর্মতলার এই ‘শাহি’ সমাবেশে বঞ্চিতদের হাজির করতে চেষ্টার কসুর করেননি বিজেপি নেতারা। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যেমন সভা করেছেন দক্ষিণবঙ্গে, তেমনি কলকাতায় কর্মসূচি পালন করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তার ফলও মিলতে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুুন: আজ বিজেপির সভায় প্রথম বক্তা তফশিলি মুখ চন্দনা বাউড়ি, শেষে ভাষণ দেবেন অমিত শাহ

    কোন পথে আসছে মিছিল?

    ইতিমধ্যেই দক্ষিণবঙ্গ থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। মঙ্গলবার রাতেই অনেকে চলে এসেছেন সভাস্থলে। বিজেপি সূত্রে খবর, যাঁরা ভায়া হাওড়া স্টেশন হয়ে যাবেন, তাঁরা হাওড়া ব্রিজ ধরে পোদ্দার কোর্টের পাশ দিয়ে টি বোর্ড, বেঙ্কিক স্ট্রিট, গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউ দিয়ে পৌঁছবেন সভাস্থলে। আর যাঁরা শিয়ালদহ স্টেশনে নামবেন, তাঁরা মৌলালি, হিন্দ সিনেমার সামনে দিয়ে ধরবেন এসএন ব্যানার্জি রোড। সেখান থেকে পৌঁছবেন সভাস্থলে।

    শাহি-মঞ্চের পাশে রাখা ‘ড্রপবক্স’

    এদিকে, শাহি সমাবেশে অমিত শাহের মঞ্চের পাশে রাখা হয়েছে ‘ড্রপবক্স’। কেন্দ্রীয় নানা প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিতরা তাঁদের অভিযোগপত্র জমা দেবেন এই অভিযোগ বাক্সে। প্রসঙ্গত, সমাজের প্রায় সর্বস্তরের মানুষের জন্য নানাবিধ প্রকল্পের ব্যবস্থা করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। অভিযোগ, সেই সব প্রকল্পের কণামাত্র সুবিধাও পাননি পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল-বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির কর্মী-সমর্থকরা। তাঁরাও যাতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পান, তাই বঞ্চিতদের নিয়ে সভার আয়োজন করেছে বিজেপি। যে সভার মধ্যমণি খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (BJP Rally)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

     

  • Suvendu Adhikari: মুলতুবি প্রস্তাব খারিজ, বিধানসভায় হট্টগোল, ওয়াকআউট বিজেপির

    Suvendu Adhikari: মুলতুবি প্রস্তাব খারিজ, বিধানসভায় হট্টগোল, ওয়াকআউট বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অধিবেশন চলছে। কেন অনুপস্থিত মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক? মঙ্গলবার বিধানসভায় প্রশ্ন করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বর্তমানে রয়েছেন প্রেসিডেন্সি জেলে। আচমকা রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে এসএসকেএমের আইসিইউতে। সোমবারই শুরু হয়েছে বিধানসভার অধিবেশন। এদিন মন্ত্রী কেন গরহাজির, প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কেন জেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধানসভায় তার জবাব দিতে হবে।”

    বিজেপির ওয়াকআউট

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হয়েছেন জ্যোতিপ্রিয়, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা মানিক ভট্টাচার্য এবং জীবনকৃষ্ণ সাহা। এদিন তাঁদের ছবি ও কাটআউট নিয়ে বিধানসভায় স্লোগান দিতে (Suvendu Adhikari) থাকেন বিজেপি বিধায়করা। এই সময়ই তৃণমূল বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল বলেন, “কেন্দ্র টাকা আটকে রেখে দিয়েছে। টাকা দিচ্ছে না।” এনিয়ে দুপক্ষে হট্টগোল বেঁধে যায়। হট্টগোল চলাকালীনই শুভেন্দুর নেতৃত্বে ওয়াকআউট করে বিজেপি।

    সাবিত্রীর বিতর্কিত মন্তব্য

    ঘটনার সূত্রপাত অবশ্য তার আগেই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র। বিধানসভার অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে এ নিয়ে মুলতুবি প্রস্তাব আনে বিজেপির পরিষদীয় দল। সেটি খারিজ করে দেন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, এই প্রস্তাব রাজ্যের বিষয় নয়। তাই এটি খারিজ করা হয়েছে। এরই প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা। বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “দেশের প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অপমান কীভাবে রাজ্যের বিষয় নয়? এসব নিয়েই প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয় তৃণমূল ও বিজেপি বিধায়কদের মধ্যে। পরে শুরু হয় হট্টগোল। শেষমেশ ওয়াকআউট করেন বিজেপি বিধায়করা।

    মালদার বিধায়ক সাবিত্রী অবশ্য বলেন, “ভারতের সংস্কৃতিকে মাথায় রেখেই যা বলার বলেছি। বিরোধী দলনেতা আমাকে ভুল উদ্ধৃত করে ট্যুইট করেছেন। আমি বলিনি, স্বাধীনতা আন্দোলনে গুজরাটিদের ভূমিকা ছিল না। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ (Suvendu Adhikari) সম্পর্কে জানেন না।”

    আরও পড়ুুন: ‘কোড’ নামের আড়ালেই চলত পুর নিয়োগ দুর্নীতি! ইডির নজরে ফের কোন মন্ত্রী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর তেজস চড়াকে কটাক্ষ! শান্তনু সেনের কথার তীব্র প্রতিবাদ বিজেপির

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর তেজস চড়াকে কটাক্ষ! শান্তনু সেনের কথার তীব্র প্রতিবাদ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যুদ্ধ বিমান সফর নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বিপাকে পড়লেন তৃণমূল কংগ্রস সাংসদ শান্তনু সেন। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা শান্তনুর মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তেজস বিমানে চড়া নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ। বেশ কয়েকটি উদাহরণ দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কার্যত ‘অপয়া’ বলেছিলেন শান্তনু। 

    কী বলেছিলেন শান্তনু

    দেশে তৈরি চতুর্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তেজসের নয়া সংস্করণে শনিবার সওয়ার হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ওড়ালেন তেজস যুদ্ধবিমান। তারপরই শান্তনু একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, “নরেন্দ্র মোদির সফরের পরই ইসরো ফেল করেছে। কঙ্গনা রানাউত মোদির সঙ্গে দেখা করার পরই তাঁর ছবি সুপার ফ্লপ হয়েছে। বিরাট কোহলি মোদির সঙ্গে হাত মেলানোর পর টানা তিন বছর কোনও সেঞ্চুরি করতে পারেননি। বিশ্বকাপে টানা ১০ ম্যাচ জয়ের পরে মোদি স্টেডিয়ামে যাওয়াতেই ভারত ফাইনালে হেরে যায়। আর সেই কারণে মোদি তেজসে সওয়ার হওয়ার পরই যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হতে পারে।’

    আরও পড়ুন: মানসিক সমস্যায় ভুগছেন কালীঘাটের ‘কাকু’! এসএসকেএম-এর রিপোর্ট মানতে নারাজ ইডি

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    শান্তনুর এই মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিজেপি। দলের জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস এদিন সমন্ত সীমা লঙ্ঘন করেছে। তৃণমূল মোদির ওপর ঘৃণা বর্ষণ করার জন্য ভারতীয় সেনা বাহিনীর সদস্যদের মৃত্যু কামনা করছে। কারণ মোদি তেজস যুদ্ধ বিমানের জন্য এই বিমান ক্র্যাশ করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তৃণমূল। সেনা বাহিনীকেও ছেড়ে কথা বলে না তৃণমূল কংগ্রেস। পুলওয়ামা হামলা, সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পরেও তৃণমূল প্রশ্ন তুলেছে। পুলওয়ামাকে ফেক বলেও বর্ণনা করেছিল তৃণমূল। এই দলের সাংসদ এরকম মন্তব্য করতেই পারে। এর জবাব চায় বিজেপি।” তৃণমূল সূত্রে খবর,  শান্তনুর এই মন্তব্যকে অসংবেদনশীল বলা হয়েছে। দলের তরফে তাঁকে জানানো হয়েছে, তিনি যেন মিডিয়ায় আর কোনও মন্তব্য না করেন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ধর্মতলার সভায় আসছেন শাহ, লাখো মানুষের জমায়েতের প্রস্তুতি বিজেপির

    Amit Shah: ধর্মতলার সভায় আসছেন শাহ, লাখো মানুষের জমায়েতের প্রস্তুতি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৯ নভেম্বর ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে সভা করবে বিজেপি। ফি বছর এই এলাকায়ই একুশে জুলাই সমাবেশ করে তৃণমূল। পুলিশ অনুমতি না দিলেও, দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তার পরেই জোর কদমে শুরু হয়েছে সভার প্রস্তুতি। ধর্মতলার এই সভায় যোগ দেওয়ার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah)। বুধবার দুপুরেই নামবেন কলকাতা বিমানবন্দরে। সভা সেরে উড়ে যাবেন দিল্লিতে।

    শাহের রুটম্যাপ

    গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, এদিন সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ দিল্লির ৬এ কৃষ্ণ মেনন মার্গ থেকে বেরোবেন শাহ। ১১টা নাগাদ চড়বেন বায়ুসেনার বিমানে। অবতরণ করবেন ১টা ১৫ মিনিটে। পথেই সারবেন মধ্যাহ্নভোজ। বিমানবন্দর থেকে কপ্টারে চড়ে শাহ যাবেন রেসকোর্সে। সেখান থেকে পৌনে ২টো নাগাদ ধর্মতলায় সভামঞ্চে পৌঁছবেন তিনি। সভা শেষে ৩টে নাগাদ ভায়া রেসকোর্স হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পৌঁছবেন কলকাতা বিমানবন্দরে। সেখান থেকে রওনা দেবেন দিল্লির উদ্দেশে। জানা গিয়েছে, সভা শুরু হবে বেলা ১২টা থেকে। রাজনৈতিক নাটক, গান, আবৃত্তি, রাজ্য নেতৃত্বের বক্তব্য শেষে শুরু হবে শাহের (Amit Shah) ভাষণ।

    লাখো মানুষের সমাবেশ 

    প্রথমে সভা নিয়ে আদালতের অনুমতি এবং পরে শাহের সম্মতি মেলায় আদাজল খেয়ে নেমে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি। ইতিমধ্যেই জেলা সফর শুরু করে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার বাঁকুড়ার কোতুলপুরে সভা করেন তিনি। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ থেকেও যাতে দলীয় কর্মী-সমর্থকরা ধর্মতলার এই সমাবেশে যোগ দিতে পারেন, সেজন্য ট্রেনও বুক করা হচ্ছে। বঙ্গ বিজেপির এক নেতার কথায়, লাখো মানুষের সমাবেশ করা হবে। দলের নিচুতলার নেতা-কর্মীরা যেভাবে উজ্জীবিত তাতে সমাবেশে ব্যাপক ভিড় হবে।

    আরও পড়ুুন: প্রকাশ্যে এলোপাথাড়ি কোপ, পাল্টা চলল গুলি, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    প্রসঙ্গত, ধর্মতলায় বিজেপির এই সভা নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। পুলিশের কাছে দু বার আবেদন করেও অনুমতি মেলেনি সভার। এর পরেই আদালতের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। আদালত সভার অনুমতি দেওয়ার পর শুরু হয়েছে সভার প্রস্তুতি। বিজেপি সূত্রে খবর, মঞ্চ হবে ত্রিস্তরীয়। একটি মঞ্চে দলীয় নেতৃত্বের পাশাপাশি নিহত কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের বসার ব্যবস্থা থাকবে। অন্য একটি মঞ্চ থেকে ভাষণ দেবেন সভার মধ্যমণি অমিত শাহ (Amit Shah)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বাংলাদেশিদের ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে বিতর্কের জের, নির্বাচন কমিশনে বিজেপি

    BJP: বাংলাদেশিদের ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে বিতর্কের জের, নির্বাচন কমিশনে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকায় বাংলাদেশিদের নাম তোলার নিদান দিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করেছিলেন তৃণমূলের বারাসত সাংগঠনিক জেলার চেয়ারপার্সন রত্না বিশ্বাস। এর প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল বিজেপি (BJP)। শনিবারই এই মর্মে কমিশনে ডেপুটেশন দিয়েছে বিজেপির এক প্রতিনিধি দল। এই দলে ছিলেন শিশির বাজোরিয়া, অভিজিৎ দাস ও প্রতাপ রায়।

    তৃণমূলকে নিশানা বিজেপির

    এর পাশাপাশি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও সুর চড়িয়েছে পদ্মশিবির। নিশানা করেছে রত্নাকেও। তাঁরা বলছেন, “বাংলার ভোটারদের ওপর আস্থা নেই তৃণমূল কংগ্রেসের। তাই বাংলাদেশিদের ভোটার লিস্টে তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা করছে তারা। গতকাল বারাসতের এক তৃণমূল নেত্রী রত্না বিশ্বাস বাংলাদেশি ভোটারদের তালিকাভুক্ত করার কথা বলেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি ‘জাকিরদা’ বলে একজনের নামও উল্লেখ করেন। যিনি অনেককে ভোটার করে দিয়েছেন। এভাবে নাগরিকত্ব আইনের সঙ্গে খেলা করা হচ্ছে।”

    দেশ-বিরোধী কাজ!

    একজন ভোটারের নাম তিন-চার জায়গায় তোলা হচ্ছে বলেও অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। তৃণমূল নেত্রীর এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। ঘটনার প্রেক্ষিতে (BJP) রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ওই নেত্রী দেশ বিরোধী কথা বলছেন। তৃণমূলের ওই নেত্রীর বিরুদ্ধে এনআইএ তদন্ত হওয়া উচিত।” রত্নার মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও।

    আরও পড়ুুন: থানায় সটান হাজির শুভেন্দু, পুলিশের বিরুদ্ধে অপহরণের মামলার হুমকি

    প্রসঙ্গত, তৃণমূল নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদারের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কুমড়া পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সভানেত্রী রত্না বলেছিলেন, “বাংলাদেশ থেকে যাঁরা এসেছেন, তাঁরা জাকিরদার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। তিনি ভোটার তালিকায় নাম তোলার ব্যাপারে সহযোগিতা করে দেবেন। জাকিরদার নির্বাচনী এলাকায় অনেক বাংলাদেশি এসে বসবাস করেন। জাকিরদার বাংলাদেশ লিঙ্কটা ভাল রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে যেসব মানুষ এসেছেন, তাঁরা ভোটার তালিকায় নাম তুলতে কোনও সমস্যায় পড়লে জাকিরদার অফিসে এসে যোগাযোগ করবেন। আমরা চাই না একটি ভোটও বাইরে পড়ুক।” রত্নার এহেন মন্তব্যের জেরে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক শোলগোল হয়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তৃণমূল নেত্রীর এহেন (BJP) মন্তব্যে আদতে মান্যতা পেল বিরোধীদের অভিযোগ। বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করছিলেন, তৃণমূলের জয় আদতে বাংলাদেশিদের কল্যাণেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: মিড ডে মিল দুর্নীতিতেও এবার সিবিআই তদন্ত! কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: মিড ডে মিল দুর্নীতিতেও এবার সিবিআই তদন্ত! কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে মিড ডে মিল দুর্নীতির (Mid Day Meal Scam) তদন্তে সিবিআইয়ের সুপারিশ করেছে কেন্দ্র। এমনই দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সিবিআই তদন্তের কথা জানান বলে সোশ্যাল সাইটে লিখেছেন শুভেন্দু। ইতিমধ্যেই  রাজ্যে মিড ডে মিলে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তদন্তের দাবিতে কেন্দ্রকে চিঠি দেন শুভেন্দু।

    কী বলেছেন শুভেন্দু

    ২০০৮ সালে চালু হয়েছিল ‘পিএম পোষণ’ বা ‘পিএম পোষণ শক্তি নির্মাণ’ প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় সরকারি এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় চলা স্কুলগুলির প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের একবেলা করে রান্না করা খাবার (Mid Day Meal Scam) দেওয়া হয়। শুক্রবার শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী সিবিআই হেড কোয়ার্টারে অনুরোধ করেছেন পিএম পোষণ ফান্ডের অপব্যবহার হয়েছে।’ গত ৫ জানুয়ারি শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দিয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধানকে।  সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত জানুয়ারিতেই রাজ্যে আসে কেন্দ্রের প্রতিনিধিদল। মোট ২৬টি বিষয়ের ওপর মিড ডে মিলের মান যাচাই করেন তাঁরা। এর পর দিল্লি ফিরে রিপোর্ট দেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা।

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) দাবি, সেই রিপোর্টে রাজ্যে মিড ডে মিলে দুর্নীতির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক। তার পরই পশ্চিমবঙ্গে মিড ডে মিল দুর্নীতিতে (Mid Day Meal Scam) সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে তারা। এদিন শুভেন্দু বলেন, ‘তৃণমূলের শুধু গরিব মানুষের মুখের গ্রাস চুরি করেনি। তারা শিশুদের খাবারও চুরি করেছে। কেন্দ্রের এই নির্দেশে আমাদের একটা সাফল্য। স্বচ্ছভাবে তদন্ত করে দ্রুত সত্য প্রকাশ্যে আনা হবে বলে আশা করছি। অপরাধীদের শাস্তি চাই।’ এ প্রসঙ্গে সিবিআই তদন্ত হলে গ্রেফতার হতে পারেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। শুক্রবার কৃষ্ণনগরের জনসভায় এই দাবি করেন শুভেন্দু।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “রাষ্ট্রবিরোধী কথা বলেছেন মমতা, ইউএপিএ হওয়া উচিত”, আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “রাষ্ট্রবিরোধী কথা বলেছেন মমতা, ইউএপিএ হওয়া উচিত”, আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মন্তব্য করেছেন, তার প্রেক্ষিতে এফআইআর করব। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম যে থানার আওতায়, সেই হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর করব। উনি রাষ্ট্রবিরোধী কথা বলেছেন, এর বিরুদ্ধে ইউএপিএ হওয়া উচিত।” বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    শুভেন্দুর ইউএপিএ- হুঁশিয়ারি 

    এদিন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দেন মমতা। সেখানেই তিনি বলেন, “আমাদের চারজনকে জেলে ঢুকিয়েছে, আমি আটজনকে ঢোকাব। যাদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ রয়েছে, তাদের প্রত্যেককে জেলে ঢোকাব।” মুখ্যমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই ইউএপিএ- হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু। নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে গ্রেফতার হয়ে গারদে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

    ‘পার্থ-মানিক-বালু জেলে’

    গরু পাচার মামলায় নাম জড়িয়ে যাওয়ায় দিল্লির জেলে বন্দি রয়েছেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। এদিনের বৈঠকে তাঁদের পাশেও দাঁড়ান তৃণমূল নেত্রী। মমতা বলেন, “আমি শুনেছি যারা সব চেয়ে বেশি গরু আর কয়লার টাকা খায়, বিএসএফ যারা সীমান্ত পাহারা দেয়, তারা। কয়লা কাদের নিয়ন্ত্রণে? সিআইএসএফ থাকে ওখানে। গরু আসে ইউপি, এমপি, রাজস্থান থেকে। তখন টাকা খায় না। তখন কি লজেন্স খাও? যা বলছি শুনে রাখুন, এলাকায় গিয়ে প্রচার করবেন। আজ আমাদের অনেকে জেলে। তাই নিয়ে খুব হাসছেন? পার্থ-মানিক-বালু জেলে। যখন আপনারা থাকবেন না, তখন কোথায় থাকবেন? সেলে না কোলে?  

    আরও পড়ুুন: “দলকে হাইজ্যাক করেছেন ভাইপো, ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছেন মমতা”, তোপ সুকান্তর 

    এদিন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে সাংগঠনিক বৈঠকে একগুচ্ছ নির্দেশ দেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর মধ্যে ছিল একশো দিনের কাজের বকেয়া আদায়ে ফের আন্দোলনের কর্মসূচিও। এজন্য আবারও ‘দিল্লি চলো’ ডাক দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। এই প্রসঙ্গেই শুভেন্দু বলেন, “দিল্লি যান না। রাজঘাটে আবার যান। দৌড় করাব।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতার তোপ, “যারা বিরোধী, তাঁদের বাড়ি পোড়ানো হয়েছে। বেছে বেছে তৃণমূলকে যারা ভোট দেয় না, তাদের বাড়ি-ই পোড়ানো হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে ৩৫টি মামলা। যন্ত্রণার নাম শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।” বিরোধী দলনেতা জানান, ওঁর বক্তব্যের কপি নেব। দু’ এক দিনের মধ্যেই এফআইআর করব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Sukanta Majumdar: “দলকে হাইজ্যাক করেছেন ভাইপো, ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছেন মমতা”, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “দলকে হাইজ্যাক করেছেন ভাইপো, ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছেন মমতা”, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলকে হাইজ্যাক করেছেন। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছেন।” বৃহস্পতিবার এই ভাষায়ই তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। দলের রাশ কার হাতে থাকবে তা নিয়ে মমতা ও তাঁর ভাইপো অভিষেকের দড়ি টানাটানি চলছে বলেও দাবি করেন বালুরঘাটের সাংসদ।

    ‘ভাইপো হাফপোস্ট’

    বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ছিল তৃণমূলের সাংগঠনিক বৈঠক। এই বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো উপস্থিত থাকলেও, ছিলেন না দলের সাধারণ সম্পাদক। যদিও ভার্চুয়ালি বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। এ প্রসঙ্গেই সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “এখন দুজনের মধ্যে একটু টানাটানি চলছে। নতুনরা সামলাবে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো সৈনিকরা সামলাবেন, তা নিয়ে দল ও পরিবারের মধ্যে টানাটানি চলছে। মুখ্যমন্ত্রী চেষ্টা করছেন দলটাকে ফিরে পাওয়ার, কিন্তু ভাইপো তো দলটাকে হাইজ্যাক করে নিয়েছেন! এখন দল দুই ভাগে আড়াআড়িভাবে ভাগ হয়ে গিয়েছে। আগামিদিনে কে প্রার্থী হবেন, সেটা আইপ্যাক ঠিক করে দেবে।” তিনি বলেন, “এখানে আবার বৈঠক কীসের! ওই দলে তো একটাই পোস্ট, আর ভাইপো হাফপোস্ট। বাকি সব তো ল্যাম্প পোস্ট।”

    ‘পুলিশের বর্বরোচিত আচরণ’

    এদিকে, ২০২০ সালের ৪ অক্টোবর বিজেপির যুব মোর্চা আয়োজিত নবান্ন অভিযান কর্মসূচিতে যাঁরা জখম হয়েছিলেন, তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। সুকান্ত জানান, কমিশনের পক্ষ থেকে তদন্তের পর জানানো হয়েছে, ওই দিন একাধিক কর্মীর ওপর পুলিশ বর্বরোচিত আচরণ করেছিল।

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীকে করা ‘পনৌতি’ মন্তব্যে পদক্ষেপ, রাহুলকে নোটিশ নির্বাচন কমিশনের

    বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে বুধবার মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “শিল্পপতিদের গলা টিপে ধরা হচ্ছে।” এদিন তারও জবাব দিয়েছেন সুকান্ত। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “তিনি যদি তাঁর ভাইপোকে শিল্পপতি বলে মনে করেন, তাহলে তো চোর শিল্পপতির গলা টিপে ধরবেই কেন্দ্রীয় এজেন্সি। কেন্দ্রীয় এজেন্সির কাজ তারা করছে। ভারতের অন্য কোনও অঙ্গরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তো এ রকম কোনও কথা বলছেন না। কোথাও তো বিনিয়োগের অভাব নেই। কিন্তু এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এমনটা মনে হচ্ছে, কারণ তাঁর পরিবারের গলা টিপে ধরা হচ্ছে। তাঁর পরিবার যদি চুরি না করে, তাহলে তো তাঁর কোনও ভয় নেই (Sukanta Majumdar)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share