Tag: bjp

bjp

  • Singur: তৃণমূলের সমবায়ে কোটি কোটি টাকা তছরুপ! গ্ৰেফতার ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ার

    Singur: তৃণমূলের সমবায়ে কোটি কোটি টাকা তছরুপ! গ্ৰেফতার ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিঙ্গুরের খাসেরচক চকগোবিন্দ সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেডে অর্থ তছরুপের ঘটনায় সংস্থার ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ারকে গ্ৰেফতার করেছে পুলিশ। ডেপুটি রেজিস্ট্রার অফ কো-অপারেটিভ সোসাইটির (DRCS) পক্ষ থেকে করা লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সমবায়ের (Singur) ম্যানেজার সুখেন্দু দাস ও ক্যাশিয়ার কৌশিক অধিকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হুগলি জেলা গ্ৰামীণ পুলিশ সুপার আমন দীপ। ধৃতদের বিরুদ্ধে সমবায়ের প্রায় ২ কোটি ২৯ লক্ষ টাকা তছরুপের অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও তৃণমুলের মধ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

    কীভাবে ক্ষোভ পরিণত হল বিক্ষোভে?

    উল্লেখ্য, সিঙ্গুরের ওই সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেডে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকরা তাঁদের জমানো টাকা না পেয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছিলেন। তার পরেই সমবায়ে কোটি টাকা তছরুপের ঘটনা সামনে আসে। তৃণমুল পরিচালিত সমবায়ের (Singur) পরিচালন সমিতির সেক্রেটারি অশোককুমার দাস ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ারের বিরুদ্ধে অর্থ তছরুপের অভিযোগ তোলেন। তারপর সমবায়ের ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ার অর্থ তছরুপের জন্য একে অপরের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোপালনগর এলাকায় ক্রমেই মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। গরিব মানুষের অর্থ ফিরিয়ে দেবার দাবিতে সমবায় চত্বরে পোস্টার লাগায় বাম কৃষক সংগঠন। পাশাপাশি কয়েকদিন আগে হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় সমবায় এলাকায় গিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে তাঁদের হয়রানির কথা শোনেন।

    কীভাবে অবশেষে গ্রেফতার?

    ডেপুটি  রেজিস্ট্রার অফ কো অপারেটিভ সোসাইটি গত ১৬ ই জুন সিঙ্গুর থানায় সমবায়ের ওই দুর্নীতি নিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে পুলিশ সমবায়ের ম্যানেজার সুখেন্দু দাস ও ক্যাশিয়ার কৌশিক অধিকারীকে গ্রেফতার করে ২৭ শে জুন চুঁচুড়া স্পেশাল আদালতে পাঠায়। পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত চার দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। বর্তমানে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই ঘটনায় আর কে কে যুক্ত আছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এ বিষয়ে হুগলি জেলা গ্রামীণ পুলিশ সুপার আমন দীপ জানান, ডিআরসিএস থেকে একটা অভিযোগ করা হয় সমবায়ের (Singur) ম্যানেজার ও ক্যাশিয়ার প্রায় ২ কোটি ২৯ লক্ষ টাকার একটা গরমিল করেছেন। তার প্রেক্ষিতে থানায় আইপিসি ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় একটি কেস শুরু করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। কিভাবে তারা এত টাকা গরমিল করল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনায় আর কেউ যুক্ত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    ভোট সামনে বলেই গ্রেফতার? প্রশ্ন বিজেপির

    অন্যদিকে সমবায়ের এই ঘটনা নিয়ে সরাসরি রাজ্যের শাসক দলকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি রাজ্যের গেরুয়া শিবির। সিঙ্গুরের বিজেপি নেতা মধুসূদন দাস বলেন, এত বড় ঘটনায় শুধু ম্যানেজার আর ক্যাশিয়ার জড়িত, এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। তৃণমূল পরিচালিত বোর্ড। একটা সিস্টেমে কাজ হয় সমবায়ে। বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কোনও কিছু পাশ হয় না। ভোট এসে গেছে বলে এদের গ্রেফতার করে দেখানো হচ্ছে, আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে আছি। তাহলে এতদিন অ্যারেস্ট করা হয়নি কেন? এই ঘটনায় আরও যারা পিছনে আছে, সেই  সমস্ত রাঘববোয়ালদের সামনে আনতে হবে। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের (Singur) টাকা ফেরত দিতে হবে।

    কী বলছে তৃণমূল?

    বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে সিঙ্গুর (Singur) ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির সভাপতি গোবিন্দ ধারা বলেন, পরিচালন সমিতিকে অন্ধকারে রেখেই এইসব তছরুপ করা হয়েছে। এর সাথে বোর্ড কোনও ভাবে যুক্ত নয়। তদন্তে আইনি পথে যদি বোর্ডের কেউ জড়িত প্রমাণ হয়, তখন সে সাজা পাবে। দল কোনও অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবে না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘রাজ্যের পুলিশ তৃণমূলের পার্টি ক্যাডারের থেকেও অধম’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘রাজ্যের পুলিশ তৃণমূলের পার্টি ক্যাডারের থেকেও অধম’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পুলিশ তৃণমূলের পার্টি ক্যাডারের থেকেও অধম। বৃহস্পতিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ঝাড়গ্রামের সাঁকরাইলে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই মন্তব্য করেন। এদিন তিনি জেলা পরিষদের ১১ নম্বর আসনের বিজেপি প্রার্থী শুভঙ্কর মাহাতোর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন।এই ক্যান্সার আক্রান্ত শুভঙ্করবাবুকে দুদিন আগে থানার ওসি মারধর করেন। আক্রান্ত পরিবারের পাশে থাকার তিনি বার্তা দেন।

    দলীয় প্রার্থীকে হামলা প্রসঙ্গে কী বললেন শুভেন্দু(Suvendu Adhikari)?

    আক্রান্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার পর শুভেন্দু বলেন, বিষয়টি খুবই নিন্দনীয়। দেশ জুড়ে নিন্দার ঝড় বইছে। দলীয় প্রার্থী দুরারোগ্য ক্যান্সার রোগী। এই ওসি যেভাবে একজন জেলা পরিষদের প্রার্থীকে আক্রমণ করেছে, তাতে প্রমাণিত হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পুলিশ নিরপেক্ষ নয়। তারা পার্টির ক্যাডারের থেকেও অধম। শুভঙ্কর মাহাতোকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিতে এখানে চাপ দেওয়া হয়েছিল। সাঁকরাইল ব্লকের ২০১৮ সালে বিজেপি পঞ্চায়েত সমিতি এবং অধিকাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করেছিল। এখানে বিজেপির জনসমর্থন অনেক বেশি। কিন্তু, এই একজন দলদাস ওসিকে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইপো যে গুন্ডামি করাচ্ছে,  সেটা এখানে আমরা দেখেছি। এই তোলামূলের ওসি, মমতা পুলিশ দুটো মিথ্যে মামলা করেছে। আমি জেলা সভাপতিকে দায়িত্ব দিয়ে যাচ্ছি মামলার কপিগুলো তুলবে এবং বিজেপি প্রার্থীর স্ত্রী হাইকোর্টে রিট পিটিশন করবে। মমতা পুলিশের বিরুদ্ধে যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেওয়া হবে। শুভঙ্কর মাহাতো একজন কুড়মি সমাজের মানুষ। তার উপর পুলিশের এই হামলা চালানোর ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। অভিযুক্ত ওসিকে শুধু সাসপেন্ড নয় যাতে গ্রেফতার করা হয় তারজন্য যা যা  করা দরকার তা করা হবে।

    জঙ্গলমহলে পুলিশি অত্যাচার নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    তপসিয়ায় শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, পুলিশ দিয়ে অত্যাচার করছে। মিথ্যা মামলা করছে। এভাবে জঙ্গলমহলকে দমিয়ে রাখা যায় না। জঙ্গলমহল প্রতিবাদী মানুষের জায়গা।  জঙ্গলমহলে যত অত্যাচার হবে তত প্রতিরোধ হবে। নয়াগ্রামে বিজেপির সভায় শুভেন্দু অধিকারি বলেন,‘সিপিএমের তিনতলা পাকা বাড়ি। তার সঙ্গে কম্পিটেশন করে চোর তৃণমূলও তিনতলা পার্টি অফিস বানিয়েছে। ছাদ থেকে পতাকা নাড়াচ্ছেন। নয়াগ্রামের আইসি দাঁড়িয়েছেন। পুলিশের আসকারায় এসব হচ্ছে। জঙ্গলমহলে পুলিশিরাজ চলবে না।’

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু ?

    মাওবাদী তকমা দিয়ে সাধারণ মানুষের উপর পুলিশি অত্যাচারের বামফ্রন্টের আমলের সেই দিন ফিরিয়ে আনতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ, তাঁর সঙ্গে মানুষ নেই। কর্মসংস্থান দিতে পারেননি। মানুষের পেটে ভাত, হাতে কাজ দিতে পারেননি। ৫০০ টাকা দিয়ে কারো সংসার চলে না। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এর থেকে অনেক বেশি মহিলারা টাকা পান। সেই জায়গায় ভোটের জেতার জন্য অত্যাচার একমাত্র রাস্তা। একটা পানীয় জলের কাছে আড়াইশো মহিলা বালতি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। জল দিতে পারেনি, গ্রাম দখল করা ছাড়া বিকল্প কিছু নেই। জঙ্গলমহলের ছেলেরা ওড়িশা এবং ঝাড়খন্ডে গিয়ে  কাজ করে। মুখ্যমন্ত্রী কাজ দিতে পারেনি। জঙ্গলমহলের কোনও বাড়িতে পুরুষ মানুষ থাকে না। পুরো পঞ্চায়েত চুরি করেছে। শৌচালয়ের টাকা মেরেছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার এত হকদার একটাও প্রকৃত লোক পায়নি।

    পঞ্চায়েতে  ক্ষমতায় আসলে বিজেপির পদক্ষেপ নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    বিরোধী দলনেতা বলেন, জঙ্গলমহলে আমাদের পঞ্চায়েত সদস্যদের জয়ী করুন। মানুষের পঞ্চায়েত হবে। গ্রাম সংসদের সভায় বসে উপভোক্তা কারা হবেন তা ঠিক করা হবে। সে যদি তৃণমূল, সিপিএমের লোক পাওয়ার যোগ্য হয়, তবে তিনিও পাবেন। পঞ্চায়েতে কোনও রাজনীতি হবে না। আমরা সেটা নিশ্চিত করব। গতবারে মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছিল। এসপিকে দিয়ে ফলাফল বদলে দেওয়া হয়েছে। ভাঙা গড়ার খেলা করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar : ‘‘পশ্চিমবঙ্গকে এই রাহু থেকে উদ্ধার করুন’’! প্রভু জগন্নাথের কাছে প্রার্থনা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar : ‘‘পশ্চিমবঙ্গকে এই রাহু থেকে উদ্ধার করুন’’! প্রভু জগন্নাথের কাছে প্রার্থনা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার উল্টোরথ থেকেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে নামল বিজেপি। এদিন বরানগরের নোয়াপাড়ায় রথযাত্রার অনুষ্ঠানে এসে পরোক্ষে তৃণমূল কংগ্রেসকে ‘রাহু’ বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিন মহামণ্ডলেশ্বর আশ্রমের উল্টো রথ যাত্রায় অংশ নেন তিনি। 

    তৃণমূলকে আক্রমণ

    উল্টো রথের দিন নিজের হাতে আরতি করা থেকে নিষ্ঠা ভরে জগন্নাথ দেবের আরাধনা করেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রাজ্যে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে সাংবিদকরদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘পঞ্চায়েত নির্বাচনের নামে প্রহসন হচ্ছে। বিরোধীদের আটকানো হচ্ছে, কোথাও কোথাও শোনা যাচ্ছে ফেক ব্যালট পেপার তৈরি করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মাইক্রোস্কোপ দিয়েও খুঁজে পাচ্ছি না। আপনারা দেখলে আমাদের জানাবেন। এই পরিস্থিতির মধ্যে ভোট হচ্ছে। ভোট হবে না ঘোঁট হবে সেটা ভোটের দিন বোঝা যাবে।’

    রাহু-মুক্তির প্রার্থনা

    শীতলকুচিতে ফের হিংসার ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে যাবেন সেখানেই গুলি চলবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওখানে গিয়ে ইনস্টিগেট করে এসেছেন ভায়োলেন্স। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাওয়া মানেই ওখানে অশান্তি হবে।’ সব শেষে জগন্নাথের কাছে কি প্রার্থনা করলেন সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রভু জগন্নাথ পশ্চিমবঙ্গকে এই রাহু থেকে উদ্ধার করুন, মুক্তি দিন।’

    আরও পড়ুন: অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় গবেষণা সংস্থা

    প্রধানমন্ত্রীর কথা প্রসঙ্গে

    রাজ্যে দুর্নীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আক্রমণ, প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কোনও মিথ্যে কথা বলেননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এত বড় বড় কথা বলছেন। কই বিজেপি-র তো কোনও মন্ত্রী জেলে নেই। তার প্রাক্তন মন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রী, শিল্প মন্ত্রী জেলে। অথচ মুখ্যমন্ত্রীর লজ্জা লাগে না, লজ্জা পান না। পার্থ নামটা মুখে একবারও আনেন না। তার নামটা নিয়ে এসে বলুন, পার্থ খুব ভালো ছেলে ছিল।’

    রাজ্যপাল সংবিধানের কাস্টডিয়ান

    রাজ্যপালকে বারবার আক্রমণ করছে তৃণমূল। সে প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘ভালো কাজ যিনি করবেন তাঁকেই তৃণমূল আক্রমণ করবে। রাজ্যপাল যেখানে যেতে চান সেখানে যাবেন। রাজ্যপালের পদক্ষেপ সংবিধানসম্মত, উনি সংবিধানের কাস্টডিয়ান। সংবিধান আমাদের সকলকে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে অংশগ্রহণ করার অধিকার দিয়েছে। সেই অধিকার রক্ষা করার জন্য কারোর যদি প্রাণ যায়, কেউ যদি আহত হন, তাঁকে দেখতে রাজ্যপাল যেতে পারেন। তিনি উচিত কাজই করছেন বলে আমাদের মনে হয়।’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েত ভোটে পর্যবেক্ষক চেয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন

    Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েত ভোটে পর্যবেক্ষক চেয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election 2023) বাকি আর মাত্র নয়দিন। তবু মামলা যেন মিটছে না। এবার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তরফে পর্যবেক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত খারিজ করেছিলেন বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। সোমবার শুনানির সম্ভবনা রয়েছে। 

    কেন পর্যবেক্ষক প্রয়োজন

    অতীতের ভোটে হিংসার কথা বিবেচনা করে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন স্বতঃপ্রণোদিতভাবে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করতে চেয়েছিল। দাবি জানিয়ে চিঠিও দেওয়া হয়েছিল সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে। তাদের বক্তব্য ছিল, এর আগের ভোটগুলিতে বাংলায় ভয়ঙ্কর ছবি দেখা গিয়েছিল। তার জন্য়ই পর্যবেক্ষকের প্রয়োজন। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। মামলায় দাবি করা হয়, একটি বিধিবদ্ধ সংস্থার ওপর আরেকটি বিধিবদ্ধ সংস্থা এভাবে নজরদারি করতে পারে না। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তরফে পর্যবেক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত খারিজ করেন বিচারপতি ভট্টাচার্য। 

    আরও পড়ুন: ‘৩ মাসের মধ্যে বিদায় দেব চোরেদের সরকারকে’, ভোটপ্রচারে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    এর আগে ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের পর রাজ্যে ব্যাপক হিংসা ছড়ায়। ফল প্রকাশের দিনই কলকাতার বেলেঘাটায় বিজেপি কর্মী অভিজিত সরকারকে শাসকদলের লোকজন বাড়ি থেকে টেনে এনে খুন করে বলে অভিযোগ। সেই খুনের সিবিআই তদন্ত এখনও চলছে। সেই সময় রাজ্যে আরও বেশ কয়েকটি হিংসার ঘটনা ঘটে। বিজেপি তা নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়। হাইকোর্ট হয়ে সেই জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। আদালতের নির্দেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন হিংসার তদন্তে প্রতিনিধিদল পাঠায় রাজ্যে। তা নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ করে রাজ্য সরকার। এবার পঞ্চায়েত ভোটেই (Panchayat Election 2023) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন পর্যবেক্ষক পাঠাতে চেয়েছে। বিরোধিতা করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্য সরকার। এবার আদালতের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ কমিশন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

  • Calcutta High Court: ‘গ্রেফতার করা হতে পারে’! রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টে বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র 

    Calcutta High Court: ‘গ্রেফতার করা হতে পারে’! রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টে বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election 2023) মুখে তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে এই আশঙ্কায় হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টে মামলা করলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ। সোনামুখী থানার আইসির বিরুদ্ধে বেলাগাম মন্তব্য করা এবং থানার সামনে বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগে বিষ্ণুপুরের সাংসদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু হয়। সেই মামলায় গ্রেফতারি এড়াতেই আদালতের দ্বারস্থ হলেন সৌমিত্র (Soumitra Khan)।

    সৌমিত্রের আশঙ্কা

    আদালতে সৌমিত্র জানিয়েছেন, সোনামুখী থানার আইসির বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগে সরব হওয়ার পর থেকে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রুজু করা হয়েছে। সেই মামলার সূত্র ধরেই পঞ্চায়েত ভোটের আবহে যে কোনও দিন তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে। প্রসঙ্গত, বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের মানিকবাজার এলাকায় দু’শোটিরও বেশি স্বনির্ভর গোষ্ঠী রয়েছে। সেই গোষ্ঠীর প্রায় তিন কোটি টাকা আর্থিক তছরূপের অভিযোগ উঠেছে সংঘের কোষাধ্যক্ষ সহ ব্যাঙ্কের দুটি সিএসপির বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগে গত এপ্রিল মাসে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সোনামুখী।ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামে বিজেপি। বিষ্ণুপুরের সাংসদের নেতৃত্বে ক্রমশ আন্দোলনের তেজ বাড়তে থাকে। সেই সময় একাধিক পথসভা থেকে অভিযুক্তদের পাশাপাশি সোনামুখী থানার আইসির বিরুদ্ধে সুর চড়ান সৌমিত্র।

    আরও পড়ুন: ১০ দিন ধরে বঙ্গ বিজেপির মেগা প্রচার! উল্টো রথেই পথে শুভেন্দু, সুকান্তরা

    বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে মামলা দায়েরের আবেদন জানান সৌমিত্র। বিচারপতি তাঁকে অনুমতি দিয়েছেন। আগামী শুক্রবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিষ্ণুপুর থেকে তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন সৌমিত্র। তার পর ২০১৯ সালে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। সে বছরও বিষ্ণুপুর থেকে জেতেন বিজেপির টিকিটে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে তাঁর নামে একটি মামলা ছিল। যার প্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে বাঁকুড়া জেলাতেই ঢুকতে পারেননি সৌমিত্র। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ১০ দিন ধরে বঙ্গ বিজেপির মেগা প্রচার! উল্টো রথেই পথে শুভেন্দু, সুকান্তরা

    Panchayat Election 2023: ১০ দিন ধরে বঙ্গ বিজেপির মেগা প্রচার! উল্টো রথেই পথে শুভেন্দু, সুকান্তরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023) উপলক্ষে মঙ্গলবার সংকল্প পত্র প্রকাশ করেছে বিজেপি। আজ, বুধবার উল্টো রথের দিন থেকেই প্রচারের উদ্দেশে পথে নামছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার ডাকে আজ পটাশপুরে জনসভা দিয়ে নিজের জেলায় কর্মসূচি শুরু করবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ২২ টি জেলাতেই পদযাত্রা করবেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা। থাকবেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, দলের সাধারণ সম্পাদক অগ্নিমিত্রা পাল,দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়।

    আজ কোথায়, কোথায় সভা

    এদিন, পটাশপুর দু’নম্বর ব্লকের মথুরাতে জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর দ্বিতীয় জনসভা রামনগরে। রামনগরের দু’নম্বর ব্লকের কানপয়রা হাটেও পঞ্চায়েত ভোটে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভায় বক্তব্য রাখবেন শুভেন্দু। বুধবার তৃতীয় কর্মসূচি পদযাত্রা। খেজুরির এক নম্বর ব্লকের হেঁড়িয়া থেকে পদযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তাঁর সঙ্গে থাকবেন দলের সাধারণ সম্পাদক অগ্নিমিত্রা পাল। বিজেপি সূত্রে খবর, এদিন হাওড়ায় পদযাত্রা করবেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুন: ‘ভোট এলেই কেন পায়ে আঘাত মুখ্যমন্ত্রীর?’ প্রশ্ন সুকান্তর

    গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার পদযাত্রা (Panchayat Election 2023) হওয়ার কথা ঝাড়গ্রামে। সেই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী। ওইদিনই হুগলিতে হবে আরও একটি পদযাত্রা। যেখানে হাঁটবেন শুভেন্দু অধিকারী ও লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। আবার বৃহস্পতিবারই নদিয়ায় কর্মসূচিতে থাকবেন সুকান্ত মজুমদার ও জগন্নাথ সরকার। ৩০ জুন, শুক্রবার দলের সর্ব ভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ পূর্ব বর্ধমানে যাবেন বলে সূত্রের খবর। তাঁর সঙ্গে থাকবেন বিজেপি নেতা তথা দলের সাংস্কৃতিক শাখার আহ্বায়ক রুদ্রনীল ঘোষ। ওই দিন শুভেন্দু, বাঁকুড়ার সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার, বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ ও পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিংহ মাহাতোকে নিয়ে বড় পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে বাঁকুড়ায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ‘ভোট এলেই কেন পায়ে আঘাত মুখ্যমন্ত্রীর?’ প্রশ্ন সুকান্তর

    Panchayat Election 2023: ‘ভোট এলেই কেন পায়ে আঘাত মুখ্যমন্ত্রীর?’ প্রশ্ন সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে (Panchayat Election 2023) গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কপ্টার দুর্ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ‘ভোট এলেই কেন বারবার পায়ে আঘাত পান মুখ্যমন্ত্রী (CM Mamata Banerjee Injury)? বার বার পায়ে আঘাত মানেই শুভ লক্ষণ নয়,’ কটাক্ষ সুকান্তর। উল্লেখ্য, উত্তরবঙ্গ সফরের শেষদিনে কপ্টার দুর্যোগের মুখে পড়ায় পা এবং কোমরে চোট পান মুখ্যমন্ত্রী।

    সুকান্তের মত

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনের হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের সময়ও আঘাত পেয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। নির্দিষ্ট করে বললে, ২০২১ সালের ১০ মার্চ নন্দীগ্রামে আহত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার মঙ্গলবার, পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election 2023) প্রচার সেরে জলপাইগুড়ির ক্রান্তি থেকে বাগডোগরার উদ্দেশ্য়ে রওনা হন মুখ্যমন্ত্রী। ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই গাজোলডোবার কাছে পৌঁছে আকাশ কালো করে প্রবল ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। সেবক এয়ারবেসে কপ্টারটির জরুরি অবতরণ করানো হয়। জরুরি অবতরণের কারণে কোনও সিঁড়ির ব্যবস্থা ছিল না। কপ্টার থেকে নামতে গিয়ে কোমর ও পায়ে চোট পান মুখ্যমন্ত্রী। এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেও কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধী শিবির। সুকান্ত বলেন,  “প্রধানমন্ত্রী যা বলেছেন, তাতে মুখ্যমন্ত্রীর উচ্চ রক্তচাপ বাড়ার কথা ছিল।” 

    আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত ভোটের আগে সিপিএম-তৃণমূল সংঘর্ষ, চারদিন ধরে পুরুষশূন্য গ্রাম

    মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী সুস্থ ভাবে ফিরে এসেছেন, রাজ্যবাসী হিসেবে এটা আমাদের জন্য সুখবর।’’ তবে, দুর্ঘটনা নিয়ে আর বিশেষ কিছু বলতে চাননি তিনি। এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি শুধু বলেছেন, ‘‘আমি চিকিৎসার বিষয়ে কিছু বলব না। কে কোথায় কীভাবে চোট পেয়েছে, সেটা আমার বলার বিষয় নয়। এটা ডাক্তার বাবুরা দেখবেন। রাজ্যে বড় বড় হাসপাতাল রয়েছে, সেখানকার চিকিৎসকরা এই বিষয়ে বলবেন।’’ সূত্রের খবর, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করে খোঁজ নেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। কী হয়েছে বিশদে জানেন। তবে আপাতভাবে মুখ্যমন্ত্রী ঠিক আছেন দেখে, নিশ্চিত হন তিনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ‘‘ভোট নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে নবান্নের ১৪ তলা থেকে’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Panchayat Election 2023: ‘‘ভোট নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে নবান্নের ১৪ তলা থেকে’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতে ভোট প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে নবান্নের ১৪ তলা থেকে। ভোটের নামে প্রহসন হতে চলেছে রাজ্যে। নির্বাচনের ইস্তেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে শাসক দলকে তুলোধনা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার বিকেলে পঞ্চায়েত (Panchayat Election 2023) নির্বাচনের ইস্তাহার প্রকাশ করল বঙ্গ বিজেপি (Bengal BJP)। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ তিনজনই ছিলেন মঞ্চে। 

    শুভেন্দুর তোপ

    এদিনই রাজ্য বিজেপির মুখপত্র কমল বার্তা আবার নবরূপে প্রকাশিত হল। একইসঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) আগে বিজেপি ইস্তেহার ‘সংকল্পপত্র’ প্রকাশ করা হল। এদিনের অনুষ্ঠানে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে শুভেন্দু বলেছেন, এরকম ভোট কখনও দেখেনি রাজ্য। কোথাও কেউ মনোনয়ন দিতে পারছেন না। মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য ভয় দেখাচ্ছে পুলিশ।  নির্বাচন কমিশন শাসক দলের শাখা সংগঠনে পরিণত হয়েছে। শাসক দলের হয়ে কাজ করছে। সেকারণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনে আপত্তি জানিয়েছিল। রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেওয়ার পাশাপাশি প্রাক্তন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার মীরা পাণ্ডের প্রশংসা করেছেন শুভেন্দু।  তিনি বলেছেন মীরা পাণ্ডে বুঝেছিলেন যে ভোট লুঠ হতে পারে। সেকারণেই তিনি আগে থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছিলেন। 

    আরও পড়ুুন: “পাকিস্তান, বাংলাদেশে তিন তালাক নেই কেন?” মধ্যপ্রদেশের জনসভায় প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

    বিজেপির সংকল্পপত্র

    পঞ্চায়েত (Panchayat Election 2023) স্তরে রাজ্যে যে বিস্তর বেনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠে এসেছে, তা নিয়ে ফের একবার শাসক শিবিরকে বিঁধেছেন দিলীপ ঘোষও। মুখ্যমন্ত্রীর পঞ্চায়েতের নির্বাচনী প্রচার নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না সুকান্ত।  বিজেপির পঞ্চায়েতের সংকল্পপত্রে মোট ৯টি ইস্যুকে হাতিয়ার করে এবার গ্রাম বাংলায় প্রভাব বিস্তারের কথা বলা হয়েছে। প্রথম ইস্যু, দুর্নীতিমুক্ত পঞ্চায়েত গঠন। দ্বিতীয় ইস্যু, কৃষকদের উন্নয়ন নিশ্চিত করা। তৃতীয় ইস্যু, অসংগঠিত ক্ষেত্রের মানুষদের উন্নয়ন নিশ্চিত করা। এছাড়া স্বাস্থ্য, নারী কল্যাণ, আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা, গ্রামীণ পরিকাঠামো, সুশাসন ও সর্বোপরি রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের মতো ইস্যুগুলিকে তুলে ধরা হয়েছে বিজেপির সংকল্পপত্রে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বংশটাই চোর’’, ভোটপ্রচারে শুভেন্দুর নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বংশটাই চোর’’, ভোটপ্রচারে শুভেন্দুর নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির আরামবাগ মহকুমার পুরশুড়ার পশ্চিমপাড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে শাসক দল তৃণমূলকে একহাত নিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পাশাপাশি নাম করে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বংশকে চোর বলে তীব্র কটাক্ষ করেন।

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচার মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, ‘‘জেলাশাসককে কাজে লাগিয়ে আরামবাগ লোকসভা ভোটে কারচুপি করে জিতেছে তৃণমূল। চুরি করা ওদের অভ্যাস। গোটা পরিবারটাই চোর। ভাইপো চোর, ভাইপোর বউ চোর, ভাইপোর শালি চোর, ভাইপোর বাবা চোর, ভাইপোর মা চোর, গরু চোর, কয়লা চোর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বংশ চোর।’’ 

    শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লজ্জা নেই। ওনার পুলিশ রাজবংশী মৃত্যুঞ্জয় বর্মনকে মাঝ রাত্রে গুলি করে খুন করেছে। উনি একবারও শোক প্রকাশ করেননি। তাই ওনার লজ্জা থাকা উচিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী সম্পর্কে বলছেন, গুলি চললে সরকার ও পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। গুন্ডাদের মতো কথাবার্তা। জেন্ডার চেঞ্জ করে কি বলা যায়, গুন্ডিদের মতো কথাবার্তা।’’

    তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, যাকে ইচ্ছা চড়থাপ্পড় মেরে দেবেন। আমি বলছি, কেষ্টর মতো অবস্থা হবে। কেষ্টকে বলেছিল আমি (পড়ুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) আছি। যারা অপকর্ম করবে তাদের অবস্থা কেষ্টর মতো হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ভাইপো ছাড়া কারও জন্য নয়। আমি এই কথা বলে দিলাম।’’ 

    এদিন কংগ্রসে-সিপিএমকেও কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “ডোমজুড়ে গুলি-বোমার লড়াই। রাজ্য জুড়েই সন্ত্রাস, গুলি, বোমা চলছে। কংগ্রেস ও সিপিএমের নেতা রাহুল গান্ধী ও সীতারাম ইয়েচুরি যোগাযোগ করুক। পাটনায় শান্তি চুক্তি পড়েও কেন বোমা গুলি চলছে?’’

    নওশাদ সিদ্দিকি ও শওকতকে সাদা পায়রা ওড়ানোর পরামর্শ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    ভাঙড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নওশাদ সিদ্দিকি ও শওকত মোল্লাকে সাদা পতাকা ও সাদা পায়রা নিয়ে গ্ৰামে গ্ৰামে মিছিল করার পরামর্শ দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হুগলির জাঙ্গিপাড়ায় এক জনসভায় এসে নওশাদ সিদ্দিকি ও শওকত মোল্লার সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে একথা বললেন বিজেপি নেতা ।

    পঞ্চায়েতের মনোনয়ন পর্ব ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভাঙড়। আইএসএস ও শাসকদলের সংঘর্ষে মারা গেছে দু পক্ষেরই বেশ কয়েকজন কর্মী। শান্তির রফাসূত্র খুঁজতে ইতিমধ্যেই ভাঙড় পরিদর্শন করেছেন রাজ্যপাল। আইএসএফ প্রধান নওশাদ সিদ্দিকি ও তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা ভাঙড়ের সংঘর্ষ নিয়ে একাধিকবার পরস্পর বিরোধী অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ করেছেন। এই পরিস্থিতিতে সোমবার বিধানসভায় বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি ও বিধায়ক শওকত মোল্লা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে হাসিমুখে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন তৈরি করেছে।।

    এই প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন জাঙ্গিপাড়ার এক সভামঞ্চ থেকে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘এই উদ্যোগটা ভালো। তবে দুজনে যদি ভাঙড়ের গ্ৰামে গ্ৰামে গিয়ে  শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেন তাহলে ভালো হয়। ঠান্ডা ঘরে বসে, নিরাপদ জায়গায় বসে এটা করবেন না। কারণ দু পক্ষের লোকই মারা গেছে। সব গরীব মানুষ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: লোকসভা, বিধানসভার পর এবার লক্ষ্য জেলা পরিষদ দখল, আলিপুরদুয়ারে ঝাঁপাল বিজেপি

    BJP: লোকসভা, বিধানসভার পর এবার লক্ষ্য জেলা পরিষদ দখল, আলিপুরদুয়ারে ঝাঁপাল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত লোকসভা এবং বিধানসভার পর গেরুয়া শিবিরের কাছে এবার পাখির চোখ আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদ। আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের ১৮ টি আসনের মধ্যে সবকটিতেই এবার প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি (BJP)। ২০১৮ সালে একটিমাত্র আসনে জয়ী হয়েছিল বিজেপি প্রার্থী। তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে ছিল ১৭ টি আসন। যদিও গেরুয়া শিবিরের নেতাদের অভিযোগ, ২০১৮ সালে ভোট  লুট হয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা দেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপির (BJP) জেলা সভাপতি?

    বিজেপির (BJP) শক্ত ঘাঁটি আলিপুরদুয়ার জেলায় গত লোকসভা ভোটে বিজেপির সাংসদ জন বারলা জয়ী হয়ে পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জেলার পাঁচটি বিধানসভা আসনের সবকটিতে জয়ী হন বিজেপির প্রার্থীরা। জেলার বিধায়ক সব বিজেপির দখলে থাকলেও জেলার উন্নয়নের কাজে রাজ্য থেকে প্রশাসনের বিরুদ্ধে বারবার অসহযোগিতার অভিযোগ করেছেন বিজেপির সাংসদ ও বিধায়করা। গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে জেলা পরিষদ ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের মাধ্যমেই সরাসরি মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ থাকায়, এবারে গেরুয়া শিবির জেলা পরিষদকে টার্গেট করে ময়দানে নেমেছে। জেলা পরিষদ দখল হলেই অধিকাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি দখলে আসবে। বিজেপির এক বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল শাসক দলে নাম লেখালেও তাঁর সঙ্গে দলের কোনও অনুগামী, এমনকী কার্যকর্তারাও কেউ দল ছাড়েননি। বিজেপির জেলা সভাপতি ভূষণ মোদক বলেন, এবারে মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলে আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হবেন বিজেপি প্রার্থীরা। তাঁরাই বোর্ড গঠন করবেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    লোকসভা ও বিধানসভা ভোটেও পরপর ধাক্কা খেয়ে শাসকদল  ঘুরে দাঁড়াতে ভোট ময়দানে ঝাঁপিয়েছে। আলিপুরদুয়ারে নিচু তলার বিজেপির (BJP) কর্মী-সমর্থক থেকে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও বিজেপির প্রতি ঝোঁক একটা রয়ে গিয়েছে। ফলে, শাসক দলের উন্নয়নকে হাতিয়ার করে যতই প্রচার চালাক না কেন, শেষ পর্যন্ত মানুষের ভোট কার বাক্সে যায়, সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি প্রকাশ চিক বরাইক বলেন, বিজেপির সাংসদ-বিধায়কদের কার্যকলাপ দেখে বিরক্ত জেলার মানুষ। তাই ভোটে ওদেরকে মোক্ষম জবাব দেবেন ভোটাররা। জেলা পরিষদ তৃণমূলেরই দখল থাকবে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share