Tag: bjp

bjp

  • Suvendu Adhikari: জাতীয় দলের তকমা বাঁচাতে শাহকে চারবার ফোন করেছিলেন মমতা! দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: জাতীয় দলের তকমা বাঁচাতে শাহকে চারবার ফোন করেছিলেন মমতা! দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ডবল ইঞ্জিন সরকার হলে এক মাসের মধ্যে সিঙ্গুরে (Singur) টাটাকে (TATA) এনে শিল্প হবে। মঙ্গলবার সিঙ্গুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে এ কথা বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কৃষকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের দাবিতে এবং সিঙ্গুরে শিল্প গড়ে তোলার দাবিতে আয়োজন করা হয়েছিল ওই সভার। তৃণমূল নেত্রীকে নিশানা করে শুভেন্দু বলেন, এরকম স্ট্রং অপজিশন গত ১২ বছরে দেখেনি মমতা সরকার। এর আগে সিপিএমের অপজিশন লিডার সূর্যকান্ত মিশ্র ছিলেন, সেটিং করে নিয়েছিলেন। কংগ্রেস ছিল তাকেও সেটিং করা গিয়েছিল। কিন্তু বিজেপিকে করা যায়নি। তিনি বলেন, দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় যদি কেজরিওয়ালকে জিজ্ঞাসা করা যায়, তাঁর অফিসের সবাইকে জেরা করা যায়, তাহলে যথেষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও মমতা ব্যানার্জির ওপর কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না সিবিআই?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন…

    এদিন সভা হয়েছে সিঙ্গুর বিধানসভার অন্তর্গত বড়া হাওয়াখানা ময়দানে। সন্ধ্যা ৫টা নাগাদ শুভেন্দু যখন জনসভায় পৌঁছন তখন মাঠে উপচে পড়া ভিড়। এদিনের মঞ্চে ছিলেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল, বিধায়ক বিমান ঘোষ, খগেন মুর্মুর মতো বিজেপির হেভিওয়েট নেতানেত্রীরা। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, কৃষি জমি ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশে মমতা সিঙ্গুর আন্দোলন করেননি। তিনি সব থেকে বড় সর্বনাশ করে গিয়েছেন টাটার কারখানা ধ্বংস করে। সিপিএমের জমি নীতির বিরোধিতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৮৯৪ সালের ব্রিটিশদের জমি আইন বস্তাপচা ছিল। আমরা কিন্তু শিল্পের পক্ষে। শুভেন্দু বলেন, ১৬ দিন এখানে বসে ড্রামা করে টাটাকে তাড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বিজেপি যদি রাজ্যে ক্ষমতায় আসে তাহলে টাটাকে ফুলের মালা পরিয়ে রাজ্যে আনা হবে।

    আরও পড়ুুন: গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল নেতা জীবন কৃষ্ণের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ!

    তিনি বলেন, ১০০ দিনের প্রকল্পে দুর্নীতি ধরা পড়েছে। জলজীবন প্রকল্পকে নিজেদের নামে করতে চায় তৃণমূল সরকার। তিনি বলেন, এখন তৃণমূলের দুয়ারে সিবিআই চলছে। শুভেন্দু বলেন, সর্বভারতীয় তকমা সরতেই মরিয়া তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অমিত শাহকে ফোন করেছিলেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জাতীয় তকমা ফিরিয়ে দেওয়ার আর্জি নিয়ে চারবার ফোন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু অমিত শাহজি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তা সম্ভব নয়। নির্বাচন কমিশন যা করেছে, নিয়ম মেনেই করেছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অমিত শাহকে গুন্ডা বলেছেন। ওদিকে তাঁকে চারবার ফোন করে পা ধরেছেন। বলছেন, ২০২৪ পর্যন্ত আমার রাষ্ট্রীয় তকমাটা রাখা যাবে না? জবাবে অমিত শাহজি স্পষ্ট বলেছেন, আপনি তো ভোট পাননি। সেই নিয়মে আপনি আর সর্বভারতীয় নন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
  • Sukanta Majumdar: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি সুকান্তর! কেন বললেন এই কথা?

    Sukanta Majumdar: মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি সুকান্তর! কেন বললেন এই কথা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার শিবপুরে ও হুগলির রিষড়ায় রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে যে অশান্তি হয়েছিল তা পূর্বপরিকল্পিত। এমনকি বিজেপির বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনাও হয়েছে। রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে অশান্তি বাড়ানোর লক্ষ্যে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। সম্প্রতি নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এমনই মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পাল্টা জবাব দিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তাঁর দাবি, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে এর প্রমাণ দিতে হবে। না হলে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেবে বিজেপি। 

    আরও পড়ুন: সোমবার রাতে আচমকাই দিল্লিতে মুকুল! বাড়ছে জল্পনা

    সুকান্তের ট্যুইট

    সোমবার ট্যুইট করে সুকান্তের (Sukanta Majumdar) হুঁশিয়ারি, ‘আমি পশ্চিবঙ্গের ব্যর্থ মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি। তিনি আজ তাঁর সাংবাদিক বৈঠকে নির্লজ্জ মিথ্যাচার করেছেন। তিনি যা বলেছেন, তার প্রমাণ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে দিতে হবে, না হলে বিজেপি তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করবে। আপনি যদি সূর্যের দিকে চেয়ে থুতু ফেলেন তবে তাতে আপনার মুখ পুড়বে।’ তাঁর ট্যুইটের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের অংশ জুড়ে দিয়েছেন সুকান্ত। যেখানে মুখ্যমন্ত্রী বলছেন,’হাওড়া-রিষড়ায় যে ঘটনা ঘটেছে তা পরিকল্পিত। দেশের ১০০টি জায়গায় যে অশান্তি হয়েছে তা পরিকল্পিত। বিজেপি নিজেদের মিটিং-এ বলেছে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাড়াও, জাতি দাঙ্গা বাড়াও। দরকার হলে উত্তরবঙ্গে, পাহাড়ে আন্দোলনকে পরোক্ষ সমর্থন করো। কারণ যে করেই হোক আমাকে জিততে হবে। এভাবে কি জেতা যায়? গণতন্ত্রে মানুষকে বিশ্বাস করতে হয়।’

    গরু পাচার থেকে নিয়োগ দুর্নীতিতে জেরবার রাজ্যের শাসক দল। সোমবারই নিয়োগ-কাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। প্রতিদিনই উঠে আসছে নতুন নতুন নাম। এ প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, আর কিছুদিন অপেক্ষা করুন মুখ্যমন্ত্রীর নামও হয়তো যুক্ত হবে। দক্ষিণ ২৪ পরগণার পাথরপ্রতিমায় বিজেপির সভায় যোগ দিয়ে সুকান্ত বলেন, “রাজ্যে একনায়কতন্ত্র, সরকারের অপশাসন, রাজনৈতিক হিংসায় জেরবার মানুষ। জনগন পরিবর্তন চায়। বিজেপি-ই বিকল্প পথ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘অহঙ্কারীকে ধ্বংস করার জন্য এক হাজার বার গুন্ডামি করব’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘অহঙ্কারীকে ধ্বংস করার জন্য এক হাজার বার গুন্ডামি করব’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বার্থে প্রয়োজনে ‘গুন্ডামি’ করতেও রাজি। সোমবার বাঁকুড়ার জনসভা থেকে জানিয়ে দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সরাসরি মমতার নাম না করে শুভেন্দু বলেন, ‘আপনার মতো অহঙ্কারীকে ধ্বংস করার জন্য যদি গুন্ডামি করতে হয় তবে একবার নয়, এক হাজার বার করব।’

    শুভেন্দু যা বললেন

    সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে নাম না করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) নিশানা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে নিয়োগ দুর্নীতি প্রসঙ্গে নাম না করে শুভেন্দুকে ‘ডাকু’ বলেছেন মমতা। এমন ইঙ্গিতও করেন যে, শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) ইশারাতেই চলছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ওন্দার সভায় তার পাল্টা দিলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “খুব বড় বড় কথা না! বলছেন অমিত শাহকে পশ্চিমবঙ্গে একটা গুণ্ডা পরামর্শ দেয়। সাহস থাকলে নামটা বলুন না।” অহঙ্কারী, দুর্নীতির মক্ষীরানি, চোরেদের সর্দারনী বলেও এদিন মমতাকে কটাক্ষ করেন তিনি। এর সঙ্গেই শুভেন্দু বলেন, পরিবারবাদ, কাটমানি, তোষণ যাঁর একমাত্র অ্যাজেন্ডা, তাঁকে যদি গণতান্ত্রিকভাবে ধ্বংস করতে হয়, ভোটের মাধ্যমে যদি উপড়ে ফেলতে হয় তাহলে যে কোনওরকম পথ অবলম্বন করতে প্রস্তুত তিনি।

    অভিষেককে কটাক্ষ

    তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেককেও সোমবারের সভা থেকে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। গত বুধবার ওন্দায় এসে অভিষেক বলেছিলেন, ২০১৯ সালের লোকসভা এবং ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে বিজেপিকে জিতিয়ে ‘পাপ’ করেছেন বাঁকুড়ার মানুষ। তাঁরা এ বার ‘প্রায়শ্চিত্ত’ করবেন। সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ‘‘বাঁকুড়ার মানুষ আপনার মতো চিকিৎসা করাতে আমেরিকায় যেতে পারেন না। কারণ, ওঁদের অত টাকা নেই। বাঁকুড়ার দরিদ্র মানুষ পান্তাভাত, মুড়ি, ছোলা, ডাল-ভাতে জীবন যাপন করেন। তাঁরা পাপী নন।’’

    আরও পড়ুন: সোমবার রাতে আচমকাই দিল্লিতে মুকুল! বাড়ছে জল্পনা

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, ‘তৃণমূল একটা মডেল তৈরি করেছে। সেই মডেলে কারা আছেন? পার্থ-অর্পিতা, অনুব্রত-সায়গল, কুন্তল-শান্তনু!” এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘তৃণমূল এখন কোথায় আছে জানেন? দুটো জায়গায় আছে। পাঁচিলের উপরে আর পচা পুকুরে!’ বিরোধী দলনেতার কথায়, ‘তোলামূলের জীবন ভিতরে চলে গেছেন। কিন্তু তিনি পাঁচিল টপকে পালাতে চেষ্টা করেছিলেন, পারেননি। মোবাইল ছুড়ে ফেলেছিলেন পুকুরে। পাঁকের তলা থেকে তা বের করা হয়েছে! এই হল এখন তৃণমূলের অবস্থা।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Health Card: স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে মিলছে না পরিষেবা! নতুন কার্ড করতেও অনীহা, কোথায় জানেন?

    Health Card: স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে মিলছে না পরিষেবা! নতুন কার্ড করতেও অনীহা, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্যসাথী কার্ড (Health Card) ফিরিয়ে দিচ্ছে নার্সিংহোম। এই প্রকল্প চালু হওয়ার পর থেকেই এমনই অভিযোগ। স্বাস্থ্যসাথী (Health Card) কার্ড নার্সিংহোমগুলি না নেওয়ার কারণেই কী সাধারণ মানুষ আর এই কার্ড করতে চাইছেন না? সদ্য সমাপ্ত ১০ দিনের দুয়ারে সরকার শিবিরে দার্জিলিং জেলায় স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের জন্য আবেদন কম পড়ায় এই প্রশ্ন জোরালো হয়ে উঠেছে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে মানুষ আর প্রতারিত হতে চাইছেন না বলেই কী আর নতুন করে কেউ আবেদন করছেন না?

    কী বলছেন স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের (Health Card) উপভোক্তারা?

    সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের (Health Card)  সুবিধা পাচ্ছেন না গরিব মানুষ। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে চিকিৎসার সুবিধা না পাওয়ারও অনেক অভিযোগ রয়েছে। মেডিক্যাল মোড়ের বাসিন্দা বিজয় ছেত্রীর পা ভেঙেছিল। সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁর পায়ে অস্ত্রোপচার হয়। তার মা মীনা ছেত্রী বলেন, আমরা গরিব। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নেয়নি। ধারদেনা করে ৩৩ হাজার টাকা দিয়ে বাইরে থেকে প্লেট, স্ক্রু কিনে দেওয়ার পর আমার ছেলের অস্ত্রোপচার হয়। বাগডোগরার আমির ওরাওঁয়েরও একই অভিযোগ। তিনি বলেন, আমার বাবার স্পাইনালকর্ডে অস্ত্রোপচার হয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে না নেওয়ায় বাইরে থেকে ৫৮ হাজার টাকার প্লেট, স্ক্রু সহ বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনে দিতে হয়েছে আমাকে। কার্ডে কোনও পরিষেবা মেলেনি।

    খোদ সরকারি হাসপাতালেও কেন মিলছে না এই কার্ডের (Health Card) সুবিধা ?

    উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক বলেন, যে ওষুধের দোকান এবং এজেন্সির মাধ্যমে আমরা স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সুবিধা গরিব মানুষকে দিতাম তাদের প্রচুর টাকা বকেয়া পড়ে রয়েছে। তাই, সেই এজেন্সি এবং ফার্মাসি আমাদের আর ওষুধ দিচ্ছে না। এ কারণেই স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সুবিধা আমরা দিতে পারছি না। নার্সিংহোমগুলিরও একই বক্তব্য।

    টক টু মেয়র ফোন ইন অনুষ্ঠানেও স্বাস্থ্যসাথী কার্ড (Health Card)  নিয়ে কী অভিযোগ করা হল মেয়রকে?

    প্রতি শনিবার টক টু মেয়র ফোন ইন অনুষ্ঠান হয়। আর সেই অনুষ্ঠানে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবকেও স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে এমন অভিযোগ প্রায়শই শুনতে হচ্ছে। ১৫ এপ্রিল শিলিগুড়ি পুরসভার ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের গৃহবধূ পায়েল দে মেয়র গৌতম দেবকে ফোনে জানান, মাটিগাড়ার একটি নার্সিংহোমে তাঁর স্বামীর হৃদরোগের ব্যয়বহুল চিকিৎসা চলছে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিচ্ছে না নার্সিংহোম।

    কী বললেন জেলাশাসক?

    দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক এস পন্নমবালম বলেন, পয়লা এপ্রিল থেকে দার্জিলিং জেলায় ১০ দিনের দুয়ারে সরকার শিবিরে প্রথম ন’দিনে মোট প্রায় ৬৫ হাজারের কিছু বেশি আবেদন জমা পড়েছে। তারমধ্যে মাত্র ১০ হাজারের কিছু বেশি স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের আবেদন জমা পড়েছে। গতবারের তুলনায় এই সংখ্যাটা অনেকটাই কম।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তথা মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির বিধায়ক আনন্দময় বর্মন বলেন, রাজনৈতিক কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প এরাজ্য গ্রহণ করেনি। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প চালু করলেও রাজ্য সরকারের চরম আর্থিক সঙ্কটের কারণে সেই টাকা দিতে পারছেন না। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড (Health Card) নিয়ে মানুষ চিকিৎসা করাতে গিয়ে প্রতারিত হচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী টাকার জন্য কেন্দ্রের কাছে দরবার করেন, ধর্নায় বসেন। তাহলে গরিব মানুষকে আয়ুষ্মান ভারত কার্ডে বিনামূল্যে চিকিৎসার সুযোগ থেকে কেন বঞ্চিত করছেন? মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন সাধারণ ও গরিব মানুষকে কেন্দ্রর প্রাপ্য সুবিধা থেকে আর বঞ্চিত করবেন না। আয়ুষ্মান ভারত কার্ডে গরিব মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসার সুযোগ নিতে দিন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব

    তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা (সমতল) সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ বলেন, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড (Health Card) নার্সিংহোম ফিরিয়ে দিচ্ছে এমন অভিযোগ আমরা পেয়েছি। শিলিগুড়ি শহর সহ জেলার বেশকিছু নার্সিংহোম স্বাস্থ্য সাথীর কার্ড গ্রহণ করছে না। আমাদের সঙ্গে যেসব মানুষ যোগাযোগ করেন তাদের সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নিই। কিন্তু, তারজন্য এবারের স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে আবেদনপত্র কম জমা পড়েছে এটা ঠিক নয়। আসলে সকলেরই প্রায় স্বাস্থ্যসাথী কার্ড (Health Card) হয়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ‘‘তিনশোর বেশি আসন পেয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন মোদি-ই’’, দক্ষিণেশ্বরে পুজো দিয়ে অমিত শাহ

    Amit Shah: ‘‘তিনশোর বেশি আসন পেয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন মোদি-ই’’, দক্ষিণেশ্বরে পুজো দিয়ে অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সন্ধ্যায় দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে এসে পুজো দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন সঙ্গে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সহ একাধিক দলীয় নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আসবেন বলে গোটা মন্দির চত্বর নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে দেওয়া হয়েছিল। এদিন গাড়ি থেকে নেমেই তিনি সোজা মন্দিরে চলে যান। মন্দিরে গিয়ে তিনি ধূপ আরতি করেন। ফলাদি দিয়ে পুজো করেন। মায়ের একটি শাড়ি তাঁর হাতে তুলে দেয় মন্দির কমিটি। আর মন্দির কর্তৃপক্ষের নতুন বছরের একটি ক্যালেন্ডার উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)।

    পুজো দিয়ে বেরিয়ে ক বললেন অমিত শাহ (Amit Shah)?

    মন্দিরে পুজো দিয়ে বেরিয়ে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, আমি দক্ষিণেশ্বরে মাতৃ দর্শনে এসেছি। এর আগে বীরভূমে গিয়েছিলাম। যে ধরনের উচ্ছ্বাস এবং আনন্দ আমি বীরভূমের মানুষের মধ্যে দেখেছি, তাতে কোনও আশঙ্কা নেই, ভারতীয় জনতা পার্টি ২০২৪ সালে ৩৫টির বেশি আসন নিয়ে বঙ্গে জয়লাভ করবে। আমি আজ মায়ের পায়ে এই প্রার্থনা করে এসেছি, বাংলা সুখ সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক এবং জনগন শান্তিতে থাকুক। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক হোক। রাজ্যের সব জায়গায় ধর্মীয় উৎসব মানুষ যেন শান্তিপূর্ণভাবে করতে পারে। কাউকে যেন কোনও সন্ত্রাস বা হিংসার মুখোমুখি না হতে হয়। আমি আশাবাদী বাংলার জনতা আগামী দিনে উনিশের থেকেও ভালো আসন নিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টির পাশে থাকবে এবং বিজেপি আরও ভালো ফল করবে পশ্চিমবঙ্গে। বাংলার মানুষের আশীর্বাদ নিয়েই নরেন্দ্র মোদি ৩০০ এর বেশি আসন নিয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন।

    সফরসূচি বদলের কারণ কী?

    ঠিক ছিল বাংলা নববর্ষের দিন দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দেবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সেই মতো বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কাছে খবরও ছিল। প্রস্তুতিও চলছিল জোরকদমে। কিন্তু, আচমকাই তার সফরসূচির কিছুটা বদল ঘটে। ঠিক হয়,  সিউড়ি-র সভা শেষ করে শুক্রবার বিকেলের পর তিনি দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিতে আসবেন। সেই মতো এদিন দুপুর থেকেই মন্দির জুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। এমনিতেই পয়লা বৈশাখের দিন দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়। সাধারণ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন তাই নিজের সফরসূচির একটু পরিবর্তন করেছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর কলকাতায় ফিরে গিয়ে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে তিনি সাংগঠনিক বৈঠক করেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘বিচারপতি মৌচাকে ঢিল মেরেছেন, বাংলার মানুষ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পাশেই’’, মন্তব্য সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘বিচারপতি মৌচাকে ঢিল মেরেছেন, বাংলার মানুষ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পাশেই’’, মন্তব্য সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিচারপতি মৌচাকে ঢিল মেরেছেন। তৃণমূল উচ্চতর আদালতে যেতে পারে। কিন্তু এভাবে বিচারপতির বিরুদ্ধে মন্তব্য করে আদালত অবমাননা করা হয়েছে।’ শুক্রবার বীরভুম যাওয়ার আগে অন্ডাল বিমানবন্দরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে এসে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    প্রসঙ্গত, রাজ্যে শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের একের পর এক রায়দানে কার্যত বিপাকে পড়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। ইতিমধ্যে তৃণমূল মুখপাত্র তাঁর সমালোচনা করে অভিজিৎবাবুকে রাজনৈতিক মঞ্চে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন। আর তার প্রেক্ষিতে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। শুক্রবার বীরভুমে সভা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রন্ত্রী অমিত শাহর। এদিন দুপুর নাগাদ দিল্লি থেকে বিমানে অন্ডালের কাজি নজরুল বিমানবন্দরে নামেন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে অন্ডাল বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ একাধিক বিজেপি নেতা। 

    সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুকান্তবাবু কী জানালেন?

    এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুকান্তবাবু (Sukanta Majumdar) বলেন, “মৌচাকে ঢিল মেরেছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।” তিনি আরও বলেন, “রাজ্যের শিক্ষক দুর্নীতি সহ একাধিক মামলায় যেভাবে পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং অভিজিৎবাবু যেরকম সৎভাবে জীবনযাপন করেন, তাতে ওনার ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ওনার পাশে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আছে। তৃণমূল উচ্চতর আদালতে যেতে পারে। এভাবে একজন বিচারপতির বিরুদ্ধে মন্তব্য করে আদালতকে অনমাননা করেছে তারা।” দুর্নীতি মামলায় কুন্তল ঘোষের মুখোমুখি বসিয়ে তৃণমূলের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলি। সেই প্রসঙ্গে সুকান্তবাবু বলেন, “দুর্নীতি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম আসাটা স্বাভাবিক। কারণ তিনিও দুর্নীতিতে অভিযুক্ত। দুর্নীতির আর্থিক লেনদেনের তথ্যপ্রমাণ তদন্তকারীদের কাছে আছে। তাই চোখে চোখে কথা বলো মুখে কিছু বলো না। আসলে, অভিজিৎবাবু মৌচাকে ঢিল মেরেছেন।” কেন্দ্রীয় বঞ্চনা প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন,’পুরোনো মদ, নতুন বোতল। আগে সিপিএম বলতো, এখন একই কথা তৃণমূল বলে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Amit Shah: ২৫-এ পালাবদলের ইঙ্গিত! ‘লোকসভা ভোটে ৩৫টি আসন দিন’, বঙ্গবাসীকে আহ্বান অমিত শাহের

    Amit Shah: ২৫-এ পালাবদলের ইঙ্গিত! ‘লোকসভা ভোটে ৩৫টি আসন দিন’, বঙ্গবাসীকে আহ্বান অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে (LokSabha Election 2024) বাংলায় বিজেপির টার্গেট ঠিক করে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। শুক্রবার প্রচণ্ড গরমের মধ্যে সিউড়ির বেনীমাধব হাই স্কুলের মাঠে সভা করেন অমিত শাহ। এদিন তিনি বলেন, ‘বিধানসভায় বিজেপিকে ৭৭টি আসন জিতিয়ে দায়িত্ব বাড়িয়েছে বাংলা। ২০২৪-এ নরেন্দ্র মোদিকেই ফের প্রধানমন্ত্রী করতে হবে। ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে ৩৫টিরও বেশি আসনে জেতান।’ অমিতের দাবি, লোকসভায় ৩৫এর বেশি আসন বঙ্গবাসী দিলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের পতনের জন্য ২০২৫ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না তাঁদের।

    পাখির চোখ লোকসভা নির্বাচন

    দিল্লির বিজেপি নেতৃত্বের পাখির চোখ ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন৷ এ দিন বীরভূমের সিউড়ির জনসভা থেকে তা স্পষ্ট করে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)৷ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী রাজ্যবাসীর কাছে আগামী লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে বিজেপি-কে ৩৫টি আসনে জেতানোর অনুরোধ করেছেন৷ একইসঙ্গে শাহের হুঁশিয়ারি, বাংলা থেকে বিজেপি যদি ২০২৪-এ ৩৫টি বা তার বেশি আসনে জয়ী হয়, তাহলে ২০২৬ পর্যন্ত বর্তমান তৃণমূল সরকারই থাকবে না৷ অমিত শাহ বলেন, ‘আপনারা ৭৭ আসনের সঙ্গে ৩৮ শতাংশ ভোট দিয়েছেন৷ তার জন্য আপনাদের আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই৷ ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে ৩৫টি আসনে বিজেপি-কে জিতিয়ে নরেন্দ্র মোদিকে ফের প্রধানমন্ত্রী করুন৷ ২৪-এ ৩৫টি আসন বিজেপি পেলেই আর ২৫-এর প্রয়োজন হবে না৷ তার আগেই দিদির রাজত্বের অবসান হবে৷’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবে বিজেপির থেকেই। আর ২০২৪ সাল থেকে এর ট্রেলার শুরু করতে হবে।’

    বাংলায় আতঙ্কের পরিবেশ

    সিউড়ির জনসভায় শাহের (Amit Shah) প্রশ্ন, ‘বাংলায় রামনবমীর শোভাযাত্রা কেন বেরোবে না? তৃণমূলের তোষণের রাজনীতির জন্যই অশান্তি হয়েছে।’ এদিন রাজ্য়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা করে তৃণমূলকে নিশানা করেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, ‘বীরভূমে এনআইএ ৮০ হাজারের বেশি ডিটোনেটর বাজেয়াপ্ত করেছে। এনআইএ এত বিস্ফোরক উদ্ধার না করলে প্রচুর মানুষের প্রাণ যেত।’ শাহের দাবি, ‘দিদির শাসনে বাংলা বোমা বিস্ফোরণের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। যে বীরভূম স্বাধীনতা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে তাতে আতঙ্কের কেন্দ্রে পরিণত করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোদিজি সারা দেশে জাতপাতের রাজনীতি আর পরিবারতন্ত্রকে বিলুপ্ত করে দিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মানুষের জন্য কাজ করেন না। বাংলার জনতার কল্যাণ ওঁর লক্ষ্য নয়। ওঁর একমাত্র লক্ষ্য হল ভাইপোকে মুখ্যমন্ত্রী বানানো। বাংলার মানুষের জন্য ওঁর কোনও চিন্তা নেই। মোদিজি যে প্রকল্পগুলি পাঠাচ্ছেন সেগুলো নিচু তলায় পৌঁছতে দেন না’।

    আরও পড়ুন: ‘আপনার উপস্থিতি অনুপ্রাণিত করে, মনোবল বাড়ায়’, শাহকে স্বাগত জানিয়ে ট্যুইট শুভেন্দুর

    সমাধান বিজেপি

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফের মনে করালেন, ‘তৃণমূলের একের পর এক নেতা এখন জেলের গরাদের পিছনে। দিদির দাদাগিরির জন্যেই একের পর এক তৃণমূল নেতা জেলে।’ সঙ্গে সংযোজন, ‘দিদি-ভাইপোর জুটিকে হারানোর এখন একটাই রাস্তা। বিজেপি।’ শাহের কথায়, ‘চাকরি চুরি হচ্ছে, মোদিজি জেলে পাঠালেই বলে অত্যাচার হচ্ছে। যারা দুর্নীতিগ্রস্ত, তাদের তো জেলে পাঠাতেই হবে। এর পাশাপাশি নিয়োগ দুর্নীতি নিয়েও অমিত শাহ (Amit Shah) সরাসরি প্রশ্ন ছু়ড়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে৷ বীরভূমে কেন এখনও গরু পাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডলকে তৃণমূলের জেলা সভাপতি পদে রাখা হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী৷ এদিনের সভা থেকে বগটুইয়ে নিহতদের শ্রদ্ধা জানান অমিত শাহ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘ডিএ দিতে পারছেন না, ৪৪০ কোটির অডিটোরিয়াম করছেন’! মমতাকে নিশানা দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘ডিএ দিতে পারছেন না, ৪৪০ কোটির অডিটোরিয়াম করছেন’! মমতাকে নিশানা দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠা ঠা রোদেও বকেয়া ডিএ (DA) ও কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতার দাবিতে চলছে ধর্না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আপাতত তিন শতাংশের বেশি ডিএ দিতে পারবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। তার পরেও চলছে আন্দোলন। ওই একই দাবিতে গোটা দেশের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে আন্দোলনকারীরা দুদিন ধরে ধর্না দিয়েছেন দিল্লির যন্তরমন্তরেও। তার পরেও অনড় অবস্থানে রয়েছে তৃণমূল (TMC) পরিচালিত রাজ্য সরকার। অর্থের অভাবের যুক্তিতে যেখানে বকেয়া ডিএ দেওয়া যাচ্ছে না, বৃহস্পতিবার সেখানেই ঘটা করে উদ্বোধন করা হল বিশ্বমানের অডিটোরিয়ামের। শাঁখের আকৃতির এই অডিটোরিয়াম তৈরিতে খরচ হয়েছে ৪৪০ কোটি টাকা। নাম দেওয়া হয়েছে ধনধান্য।

    দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন…

    মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং উদ্বোধন করেছেন এই অডিটোরিয়ামের। তারই প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের সমালোচনায় মুখর হয়েছে বিজেপি (BJP)। দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ডিএ দিতে পারছেন না, অথচ ৪৪০ কোটি টাকা ব্যয় করে অডিটোরিয়ামের উদ্বোধন করছেন। উনি সারাদিন টাকা টাকা করেন কেন? সকাল হলেই টাকা, রাত হলেই টাকা। বিজেপির প্রাক্তন এই রাজ্য সভাপতি বলেন, স্বাভাবিকভাবেই লোকের মনে প্রশ্ন উঠছে। ডিএর জন্য ধর্না চলছে আর এত কোটি টাকার বিল্ডিং তৈরির কী মানে হয়? তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে তো কম অডিটোরিয়াম নেই। এত অডিটোরিয়াম থাকা সত্ত্বেও উনি প্যান্ডেল বেঁধে প্রশাসনিক বৈঠক করেন, তো কী হবে অডিটোরিয়াম তৈরি করে?

    আরও পড়ুুন: ‘দুর্নীতির মাথা ধরতে না পারলে কী করতে হবে, জানি’, সিবিআইকে বিচারপতি

    বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি বলেন, আমাদের অডিটোরিয়াম দেওয়া হয় না। কীসের জন্য এত টাকা ব্যয় করে এই অডিটোরিয়াম তৈরি করা হয়েছে? এদিন সকালে আন্দামান যাচ্ছেন দিলীপ। তার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে তিনি মুখোমুখি হন সংবাদ মাধ্যমের। সেখানেই অডিটোরিয়ামের উদ্বোধন প্রসঙ্গে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন তিনি। কেবল অডিটোরিয়ামই নয়, মিড-ডে মিলে দুর্নীতির অভিযোগেও সরব হন দিলীপ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, মিড-ডে মিলে ১০০ কোটি টাকার দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন বিজেপি দফতর থেকে এই রিপোর্ট লেখা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব এখন বেনিফাশিয়ারিতে কত ছাত্রছাত্রীর নাম রয়েছে, আর কতজন এর সুবিধা পাচ্ছে, সেই তথ্যটা পাঠিয়ে দিন কেন্দ্রের কাছে, তাহলেই সব স্পষ্ট হয়ে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
     
  • Amit Shah: অনুব্রতর গড়ে অমিত শাহের সভা, সাজো সাজো রব সিউড়িতে

    Amit Shah: অনুব্রতর গড়ে অমিত শাহের সভা, সাজো সাজো রব সিউড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাটআউট, পোস্টার আর গেরুয়া পতাকায় ছয়লাপ অনুব্রত মণ্ডলের খাসতালুক বীরভূমের জেলা সদর শহর সিউড়ি। সাজো সাজো রব। সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। শাসক থেকে বিরোধী, সকলেই প্রচারের ময়দানে নেমে পড়েছে। এরই মাঝে বাংলায় আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। শুক্রবার সিউড়ির বেণীমাধব স্কুলের মাঠে একটি জনসভা করবেন শাহ। তার আগে বুধবার সন্ধ্যায় সিউড়িতে বেণীমাধব স্কুলের মাঠ পরিদর্শন করেছেন রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। অমিত শাহের সভার প্রস্তুতি দেখে খুশি সুকান্ত। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমস্ত রকম সহযোগিতা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। 

    সিউড়িতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ দুর্গাপুর এয়ারপোর্টে পৌঁছবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে সিউড়ি যাবেন তিনি। শহরের দুটি জায়গায় হেলিপ্যাড তৈরি করা হয়েছে। সিউড়ির মাটিতে পা দিয়ে তিনি সোজা সার্কিট হাউস চলে যাবেন। এরপর দুপুর আড়াইটে নাগাদ বেণীমাধব স্কুলের মাঠে জনসভা করবেন। বিকেল ৪ টে নাগাদ সিউড়ি থেকে ফের দুর্গাপুর হয়ে সাড়ে ৫ টা নাগাদ দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছবেন। এরপর সন্ধ্যায় দলের নেতাদের সঙ্গে দফায়-দফায় বৈঠক করবেন শাহ। পরদিন শনিবার সকাল ১০টা নাগাদ দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরে পুজো দেবেন তিনি। 

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভা নিয়ে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    অমিত শাহের (Amit Shah) সভার প্রস্তুতি কেমন হয়েছে, বুধবার বীরভূমে এসে তা ঘুরে দেখেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, প্রচণ্ড গরম এড়াতে জার্মান হ্যাঙার শেড করা হয়েছে। পাশাপাশি সভায় আসা কর্মীদের জন্য ৫০ হাজার জলের পাউচ রাখা হয়েছে। আর জেলা সফরের ফাঁকে শুক্রবার তিনি জাতীয় সড়কের ধারে দলীয় কার্যালয়েরও উদ্বোধন করবেন। 

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) কী বলেন, সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন কর্মীরা

    গরুপাচার কাণ্ডে কেষ্ট এখন তিহাড় জেলে। এই জেলার সাংগঠনিক দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতে রেখেছেন। জানা গিয়েছে, চলতি বছরে বাংলায় মোট ১২টি সভা করতে পারেন অমিত শাহ (Amit Shah)। মূলত তৃণমূল সুপ্রিমোর দায়িত্বে থাকা বীরভূমকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি। তাই, চলতি বছরে শুক্রবার তাঁর প্রথম সভা হচ্ছে বীরভূমে। নিচুতলার কর্মীদের সামনে থেকে লড়াই করার সাহস জোগাতে বিজেপি নেতৃত্ব ময়দানে নেমেছে। মূলত শাহের (Amit Shah) সফরের মাধ্যমে দলীয় সংগঠন মজবুত করার দিকে ঝুঁকছে বিজেপি। বাংলায় প্রথম সভা করতে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী বলেন, সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন কর্মীরা। সিউড়িতে দলীয় কার্যালয় উদ্বোধন হওয়ার পর দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করারও কথা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: অনুব্রতর গড়ে কাজল-কেরিমকে কড়া বার্তা দিলেন সুকান্ত! কী বললেন?

    Sukanta Majumdar: অনুব্রতর গড়ে কাজল-কেরিমকে কড়া বার্তা দিলেন সুকান্ত! কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  “পঞ্চায়েত ভোটে কোন কর্মীর গায়ে যদি হাত পরে, সেই হাতের ব্যবস্থা হবে।”  বুধবার বীরভূমের লাভপুরের সভা থেকে হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মূলত অনুব্রতহীন প্রথম পঞ্চায়েত ভোট হতে চলেছে এই রাজ্যে। কেষ্টর জেলযাত্রার পর এখন কাজল শেখের ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়েছে। তাঁকে তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্য করা হয়েছে। কেরিম খানও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। এই সব নেতা পঞ্চায়েত ভোটে সন্ত্রাস করতে পারে। তাই, এদিনের সভা মঞ্চ থেকে তৃণমূলের দাপুটে নেতা কাজল শেখ ও জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কেরিম খানের নাম করে হুঁশিয়ারি দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) । তিনি বলেন,”যদি ইট মারেন পাথর কিন্তু খেতে হবে। পঞ্চায়েত ভোটে আমাদের কোন কর্মীর গায়ে যদি হাত পরে সেই হাতের ব্যবস্থা ভারতীয় জনতা পার্টি করবে, সুকান্ত মজুমদার করবে।  কাজল শেখ ও কেরিম খানই হোক, তার ব্যবস্থা করা হবে। ভয় পাবেন না।”

    মিড ডে মিলের দুর্নীতি নিয়ে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    মিড ডে মিলের দুর্নীতি নিয়েও বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) সরব হন। তিনি বলেন, ১০০ কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে। আর সেই টাকা তৃণমূল নেতাদের পকেটে ঢুকেছে। কেন্দ্রীয় সরকার পড়ুয়া পিছু ৬ টাকা করে বরাদ্দ করে। এই রাজ্যেও সেই টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। তাতে দেখা যাচ্ছে কয়েক কোটি পড়ুয়ার নাম বেশি করে দেখানো হয়েছে। রাজ্যের পাঠানো সেই ভুয়ো তালিকা পিছু পড়ুয়াদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে টাকা পাঠানো হয়েছে। কিন্তু, সেই টাকা স্কুলে যায়নি। তৃণমূল নেতাদের পকেটে ঢুকেছে। আর কেন্দ্রীয় টিম রাজ্যে আসার পরও এই দুর্নীতির বিষয়টি সামনে এসেছে।

    লাভপুর থানার ওসিকে কি বললেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)?

    এদিন লাভপুরে সতীর একান্ন পীঠের অন্যতম ফুল্লরাতলা মন্দিরের সামনে থেকে মিছিল করেন সুকান্ত মজুমদার। মিছিলে কর্মী সমর্থকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। পরে, লাভপুর বাসস্ট্যান্ডে সভায় তিনি বক্তব্য রাখেন। ব্যাঙ্গ করে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “আগে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্য লোকে শান্তিনিকেতন দেখতে আসতেন। এখন পর্যটক বেড়ে গিয়েছে। অপা দেখতে পর্যটকেরা আসে। তৃণমূল নেতাদের কচি কচি গার্লফ্রেন্ড। বুড়ো বুড়ো নেতা কচি কচি গার্লফ্রেন্ড। সেই নেতারা গার্লফ্রেন্ডদের জন্য বাগান বাড়ি বানিয়ে রেখেছে।”এরপরেই লাভপুর থানার ওসিকে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তিনি বলেন, “ওসি তৃণমূল নেতায় পরিণত হয়েছে। বালির টাকা খাচ্ছে। প্যান কার্ডের নম্বরটা যদি ইনকাম ট্যাক্সকে দিই, হিসাব দিতে পারবেন তো।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share