Tag: bjp

bjp

  • Amit Shah: ‘‘১৫-২০ দিন অপেক্ষা করুন, দেখুন কী হয়’’, বাংলার বিজেপি সাংসদদের কেন বললেন শাহ?

    Amit Shah: ‘‘১৫-২০ দিন অপেক্ষা করুন, দেখুন কী হয়’’, বাংলার বিজেপি সাংসদদের কেন বললেন শাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এপ্রিলেই লাগু হতে পারে সিএএ (CAA)। মঙ্গলবার রাতে বাংলার বিজেপি (BJP) সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit shah)। সেখানেই এই আশ্বাস মিলেছে বলে বিজেপি সূত্রে খবর। এর পাশাপাশি আসন্ন পঞ্চায়েত ভোট ও আগামী বছর লোকসভা নির্বাচনে যাতে এ রাজ্যে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করা যায়, সেজন্য সংগঠন মজবুত করার নির্দেশও দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করার কথা ছিল বাংলার পদ্ম সাংসদদের। বিশেষ কারণবশতঃ প্রধানমন্ত্রী সময় দিতে না পারায় রাত ৯টায় শাহের সঙ্গে বৈঠক করেন তাঁরা। ওই বৈঠকেই সিএএ-র পাশাপাশি নির্বাচন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বিজেপি সূত্রের খবর, বুথ স্তর থেকে সংগঠন সাজানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সাংসদদের। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই যাতে বাংলায় দল শক্ত হাতে হাল ধরতে পারে, সেই নির্দেশও দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    শাহি (Amit shah) দরবার…

    এদিন শাহি (Amit shah) বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলার ১৭ জন সাংসদ। তাঁদের মধ্যে ছিলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী তথা বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরও। সিএএর দাবি জানান তিনি। তাঁর সুরেই সুর মেলান আরও কয়েকজন সাংসদ। সূত্রের খবর, তখনই শাহ তাঁদের বলেন, আরও ১৫-২০ দিন অপেক্ষা করুন, দেখুন তারপর কী হয়। এদিন রাজ্যের নানা দুর্নীতির কথা শাহি দরবারে তুলে ধরেন সাংসদদের কেউ কেউ। সূত্রের খবর, তাতে বিশেষ আমল দেননি অমিত শাহ। তবে বাংলার উন্নয়নের জন্য কী কী প্রয়োজন, তা জানতে চান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। উপস্থিত সাংসদরা সকলেই উন্নয়ন করতে আশু কী প্রয়োজন, তা জানান তাঁকে। কেউ কেউ লিখিত আকারেও উন্নয়নের কথা জানান। চা বাগান এলাকা, আদিবাসী, জনজাতি ও মতুয়া সম্প্রদায় নিয়েও আলোচনা হয় এদিনের বৈঠকে।

    আরও পড়ুুন: ‘লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে’, বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে বললেন মোদি

    সাংসদদের বক্তব্য শোনার পর বৈঠকে অনিবার্যভাবেই চলে আসে ভোটের প্রসঙ্গ। তখনই শাহ (Amit shah) বিজেপি সাংসদদের সংগঠন মজবুত করার ওপর জোর দেন বলে সূত্রের খবর। তিনি জানান, ২০২৪ আসতে সময় বেশি নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে টক্কর দিতে গেলে সংগঠন মজবুত করতেই হবে। বাংলায় সংগঠন তৈরি যে বিশেষ জরুরি, তা বুঝেছেন রাজ্য নেতৃত্বও। কারণ এখনও রাজ্যের সব বুথে কমিটি গঠন করা হয়নি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই যাতে ওই কমিটি গঠন করা সম্ভব হয়, সে ব্যাপারে কোমর কষে নেমে পড়েছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • BJP Parliamentary Party: ‘লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে’, বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে বললেন মোদি

    BJP Parliamentary Party: ‘লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে’, বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় নেতাদের কঠিন লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকার বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সোমবার নয়া দিল্লির পার্লামেন্ট কমপ্লেক্সে বিজেপির সংসদীয় দলের (BJP Parliamentary Party) সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই বৈঠকে তিনি এই বার্তা দেন বলে সূত্রের খবর। ত্রিপুরা (Tripura), মেঘালয় ও নাগাল্যান্ড বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। তাই প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান সাংসদরা। এর পরেই প্রধানমন্ত্রী চলে যান ‘কাজের কথা’য়। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী সাংসদদের বলেন, বিজেপি যেভাবে একের পর এক রাজ্যে জিতছে তাতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। এর ফলে বিজেপির ওপর বিরোধী দলগুলির আক্রমণ আরও বাড়বে। সেই জন্যই দলীয় নেতাদের কঠিন লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকার বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ…

    তিনি (BJP Parliamentary Party) বলেন, সময় যত গড়াবে বিজেপির ওপর রাজনৈতিক হামলা ততই বাড়বে। তাঁর কথায়, বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা যত উজ্জ্বল হবে, বিরোধীরা ততই আক্রমণাত্মক হয়ে উঠবে। সূত্রের খবর, অরাজনৈতিক অথচ সামাজিক বিভিন্ন ইস্যুতে জোর দিতে বলা হয়েছে বিজেপি সাংসদদের। পরিবেশ রক্ষার ওপর বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। দেশজুড়ে সংস্কৃত সংস্কৃতি পালন করতে হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। আগামী মাসের শেষ রবিবার সম্প্রচারিত হবে মন কি বাতের ১০০তম পর্ব। সে ব্যাপারেও ব্যাপক প্রচার করতে বলা হয়েছে। দলীয় সাংসদদের প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর নির্দেশও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: রামনবমী উপলক্ষে রাজ্যে ২১০০ শোভাযাত্রা হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের, অংশ নেবে বিজেপিও

    বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবস থেকে শুরু করে আম্বেদকর জয়ন্তী পর্যন্ত প্রত্যেক সাংসদকে নিজেদের এলাকায় সরকার ও দলের কাজকর্ম সম্পর্কে প্রচার চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশও দেন প্রধানমন্ত্রী। ১৫ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত সরকারের ৯ বছর পূর্ণ হলে সরকারের সব কাজ জনগণের কাছে পৌঁছানোয় জোর দিতেও বলেন তিনি। দলীয় শক্তি বাড়ানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে ওই বৈঠকে। 

    রাহুল গান্ধী ইস্যুতে একজোট হচ্ছেন বিরোধীরা। রাহুলের সাংসদ পদ খারিজের প্রতিবাদে সংসদে যেমন সোচ্চার হচ্ছেন কংগ্রেস সাংসদরা, তেমনি সোমবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে আয়োজিত বিরোধীদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রায় সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিই। রাজনৈতিক মহলের মতে, এমন আবহে প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠক (BJP Parliamentary Party) যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami: রামনবমী উপলক্ষে রাজ্যে ২১০০ শোভাযাত্রা হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের, অংশ নেবে বিজেপিও

    Ram Navami: রামনবমী উপলক্ষে রাজ্যে ২১০০ শোভাযাত্রা হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের, অংশ নেবে বিজেপিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩০ মার্চ রামনবমী (Ram Navami)। প্রতি বছরই রামনবমী উপলক্ষে শোভাযাত্রা বের করে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP), হিন্দু জাগরণ মঞ্চ। তবে এবার দোরগোড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayet Polls)। তাই ঘটা করেই রামনবমী পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিজেপির (BJP) তরফে অবশ্য রামনবমী পালন করা হবে না। তবে দলীয় কর্মীরা অংশ নেবেন রামনবমীর বিভিন্ন শোভাযাত্রায়। বিজেপির তরফে যে আলাদা করে কোনও শোভাযাত্রা কিংবা অনুষ্ঠান করা হবে না এবং দলীয় কর্মীরা যে অন্য সংগঠনের কর্মসূচিতে অংশ নেবেন, এক সপ্তাহ আগেই তা ঘোষণা করেছিল পদ্মশিবির।

    দক্ষিণবঙ্গে রামনবমী (Ram Navami)…

    জানা গিয়েছে, রামনবমী উপলক্ষে বাংলাজুড়ে প্রায় ২১০০ শোভাযাত্রার উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দক্ষিণবঙ্গের মিডিয়া ইনচার্জ সৌরিশ মুখোপাধ্যায় বলেন, ৩০ মার্চ রামনবমী উপলক্ষে দক্ষিণবঙ্গে ১৬০০-র বেশি শোভাযাত্রা হবে। ওই দিন থেকে হনুমান জয়ন্তী পর্যন্ত রাম মহোৎসবের কার্যক্রম চলবে। পরের বছর অযোধ্যায় রামমন্দিরে রামলালা আসবেন। সাধারণ মানুষের আবেগ আছে। এবার বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ৬০ বছর। রাম ও রাম রাজত্বের স্বপ্নের কথা বলা হবে বাংলার ঘরে ঘরে। পাশাপাশি থাকছে ক্যুইজ, যেমন খুশি সাজো কর্মসূচি। তিনি বলেন, প্রথাগতভাবে কোথাও কোথাও অস্ত্রমিছিলও (Ram Navami) হবে। ভোট রাজনীতির সঙ্গে যে এই অনুষ্ঠানের কোনও সম্পর্ক নেই, সে কথাও জানান সৌরিশ।

    দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও হবে রামনবমীর শোভাযাত্রা। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের উত্তরবঙ্গের সাংগঠনিক সম্পাদক অনুপকুমার মণ্ডল বলেন, উত্তরবঙ্গে রামনবমীতে ১১০টি শোভাযাত্রা হবে। শিলিগুড়িতে শোভাযাত্রায় অংশ নেবেন ৪ লক্ষ মানুষ। ঈশ্বরপুর ও নকশালবাড়িতেও হবে বড় শোভাযাত্রা। তিনি বলেন, শোভাযাত্রায় রামমন্দিরের ট্যাবলো, কাশী বিশ্বনাথ মন্দির, গো-মাতার ট্যাবলো থাকবে। তিনি জানান, উত্তরবঙ্গে অস্ত্র মিছিল হবে না। নিষেধ করা হয়েছে। দন্ড নিয়ে মিছিল হবে।

    আরও পড়ুুন: মোদি নন, আজ শাহি দরবারে বাংলার বিজেপি সাংসদরা, পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে হবে কথা?

    মাসখানেকের মধ্যেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তাই রাজ্যজুড়ে হবে রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রা। কারণ ২০১৮ সালের রামনবমীর শোভাযাত্রা হয়েছিল ঘটা করে। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, তার জেরেই উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির আসন ২ থেকে বেড়ে হয়েছিল ১৮।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদি নন, আজ শাহি দরবারে বাংলার বিজেপি সাংসদরা, পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে হবে কথা?

    PM Modi: মোদি নন, আজ শাহি দরবারে বাংলার বিজেপি সাংসদরা, পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে হবে কথা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল বাংলার বিজেপি (BJP) সাংসদদের। সেই মতো দিল্লি গিয়েছেন তাঁরা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নেতৃত্বে দিল্লি গিয়েছেন বিজেপি সাংসদরা। তবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এদিন বাংলার সাংসদদের ওই বৈঠক হচ্ছে না। তবে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক বাতিল হওয়ার পরেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বাংলার বিজেপি সাংসদদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মঙ্গলবার রাত ৯টায় শাহি সাক্ষাৎ হতে পারে বিজেপির বঙ্গ সাংসদদের। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, বিশেষ কারণেই মঙ্গলবার রাতে বাংলার সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারছেন না প্রধানমন্ত্রী।

    নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)…

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেছিলেন, বাংলার সাংসদরা বারবার বলছিলেন তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান। আমাদের প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার সময় দিয়েছেন। আমরা তাঁর সামনে জবকার্ডের দুর্নীতি, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, সড়ক যোজনার দুর্নীতির বিষয় সহ নানা বিষয় বিশদে তুলে ধরব।

    দোরগোড়ায় রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। বছর ঘুরলেই রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। তৃতীয়বার মোদির নেতৃত্বে সরকার গড়তে ইতিমধ্যেই নানা পরিকল্পনা করেছেন বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা। সেই মতো পদক্ষেপও করছেন তাঁরা। বিভিন্ন লোকসভার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের। মোদিকে (PM Modi) মুখ করে কেন্দ্রীয় সরকারের জনমুখী বিভিন্ন প্রকল্প নিয়েও জোর কদমে প্রচারে নামার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে। বুথস্তরের সংগঠন কীভাবে সাজাতে হবে, তারও দিশা দিয়েছেন পদ্ম শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এসব নিয়েই আলোচনা হওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে। তবে শাহের সঙ্গে বৈঠক হবে স্থির হওয়ায় এগুলো নিয়েই আলোচনা হতে পারে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের রণনীতি নিয়েও হতে পারে আলোচনা।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভাইপো গুঁতো দিচ্ছে, পিসি উপরে না উঠতে পারলে…’’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    প্রসঙ্গত, সোমবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে নানা বিষয়ে আলোচনা হয় দুজনের। রাজ্যের নিয়োগ দুর্নীতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসার আশঙ্কা নিয়েও আলোচনা হয় শাহ-শুভেন্দু বৈঠকে। এদিকে, ২৯ মার্চ বুধবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে ধর্নায় বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই দিনে পাল্টা ধর্নায় বসতে চলেছে রাজ্য বিজেপিও। শ্যামবাজার পাঁচ মাথার মোড়ে ধর্নায় বসবে পদ্ম শিবির। ধর্নায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা সুকান্ত ও শুভেন্দুর। তাই শাহের সঙ্গে বৈঠক শেষে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কলকাতায় ফিরে আসবেন বিজেপি সাংসদরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumder: ‘‘ভাইপো গুঁতো দিচ্ছে, পিসি উপরে না উঠতে পারলে…’’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    Sukanta Majumder: ‘‘ভাইপো গুঁতো দিচ্ছে, পিসি উপরে না উঠতে পারলে…’’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রতিদিন ধর্ষণ, নারী নির্যাতন বেড়ে চলেছে, আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder)।

    বিরোধী মুখ কে? 

    আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাহুল গান্ধী না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে হবেন প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থীর মুখ, এই নিয়ে চরম দ্বন্দ্বে তৃণমূল! এ প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumder) বলেন, ‘ভাইপো গুঁতো দিচ্ছে, পিসি উপরে না উঠতে পারলে ভাইপোর হিল্লে হচ্ছে না, তাঁর চেয়ারে বসা হবে না।’ গত লোকসভা নির্বাচনে মমতাকেই প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে তুলে ধরেছিল তৃণমূল। কিন্তু এবারের বিরোধী  জোটে তৃণমূলের অবস্থান ঠিক কী হবে?

    সুকান্তর কটাক্ষ 

    এ প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumder) বলেন, “তৃণমূল কনফিউজড তারা বুঝতে পারছে না কী করবে। মমতা না রাহুল এর মধ্যে আটকে রয়েছে। তৃণমূলের ধরি মাছ না ছুঁই পানির মতো অবস্থা। তারা কখনও বিরোধীদের বৈঠকে যাচ্ছে, কখনও যাচ্ছে না। কখনও কংগ্রেসের গলা জড়িয়ে ধরছে কখনও সম-দূরত্ব বজায় রাখছে। ” এরপরই কটাক্ষের সুরে সুকান্ত জানান, “যতই আলাদা দেখান না কেন আসলে পর্দার পিছনে সবই এক। অধীর-মমতা কবে হাত ধরবেন, একসাথে আয় তবে সহচরী গাইবেন, বিজেপি দেখার জন্য মুখিয়ে আছে।”

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের মঞ্চে দলীয় নেতার সঙ্গে হাজির বিডিও! কোথায় জানেন?

    রাজ্যে নারী নির্যাতন

    এদিন সুকান্ত (Sukanta Majumder) আরও দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ নারী নির্যাতনের হাব হয়ে গিয়েছে। কখনও নাবালিকার অর্ধনগ্ন দেহ তো কখনও শিশু কন্যাকে ধর্ষণ করে খুন, প্রতিনিয়ত এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রীও তা-ও রাজ্যে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে এটা লজ্জার। এটা কখনও কেউ মেনে নেবে না। সেই জায়গায় থেকে সকলকে সমবেতভাবে এগিয়ে আসতে হবে, যাতে এমন ঘটনা না ঘটে। রাজ্যে যেভাবে নারীদের উপর অত্যাচার হচ্ছে তাতে একটা আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে। রাজ্য সরকার এ বিষয়ে উদাসীন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
     

  • TMC: তৃণমূলের মঞ্চে দলীয় নেতার সঙ্গে হাজির বিডিও! কোথায় জানেন?

    TMC: তৃণমূলের মঞ্চে দলীয় নেতার সঙ্গে হাজির বিডিও! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ রাজ্যের প্রশাসন দলদাস হয়ে গিয়েছে বলে বিরোধীরা বার বার অভিযোগ করে। এবার বিরোধীদের সেই অভিযোগের সত্যতা মিলল পূর্ব বর্ধমান জেলার কেতুগ্রাম-১ ব্লকে। এই ব্লকের তৃণমূলের (TMC) সভামঞ্চে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে এক আসনে বসে রয়েছেন কেতুগ্রাম-১ ব্লকের বিডিও পূর্ণেন্দু সান্যাল। যুব তৃণমূল ও তৃণমূল (TMC) ছাত্র পরিষদের ডাকে শহিদ মিনার চলো প্রস্তুতির সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিভিন্ন ব্লকে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক বছর আগে কেতুগ্রাম-১ নম্বর ব্লক অফিস চত্বরে পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে একটি সভা ঘর তৈরি করা হয়। এই সভাগৃহে শুধুমাত্র সরকারি অনুষ্ঠান হয়। আর সেখানেই দেখা গেল সরকারি অনুষ্ঠান না হয়ে, তৃণমূলের (TMC) রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আর ওই কর্মসূচিতে দেখা গেল খোদ কেতুগ্রাম -১ নম্বর ব্লকের বিডিও পূর্ণেন্দু সান্যালকে। রাজনৈতিক ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেতুগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শেখ শাহনওয়াজ, বর্ধমান জেলা যুব তৃণমূলের (TMC) সভাপতি রাজবিহারী হালদার। এই দুজনের পাশে বসে ছিলেন কেতুগ্রাম- ১ নম্বর ব্লকের বিডিও। তৃণমূলের (TMC) সেই সভামঞ্চে বিডিওর উপস্থিতিতে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কী বললেন বিডিও? TMC

    সভাগৃহে প্রচুর তৃণমূল (TMC)  কর্মী, সমর্থক হাজির ছিলেন। সভাগৃহের পিছনের দেওয়ালে বড় ফ্লেক্সে লেখা রয়েছে, শহিদ মিনার চলো। আর এই ফ্লেক্সের সামনেই বসে রয়েছেন বিধায়ক ও তৃণমূলের (TMC)  যুব বর্ধমানের নেতা রাজবিহারী হালদার এবং কেতুগ্রাম-১ নম্বর ব্লকের বিডিও। এই বিষয়টি জানাজানি হতেই বিডিও পূর্ণেন্দু সান্যালের সাফাই, আসলে ওই সভাগৃহে সবসময় সরকারি অনুষ্ঠান হয়। সভাতে প্রধান, উপ প্রধানরা ছিলেন। সরকারি প্রকল্প নিয়ে প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করার প্রয়োজন ছিল। সেই মিটিং করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু, আমার পিছনে একটি দলের ফ্লেক্স লাগানো রয়েছে তা আমি দেখিনি। এটা আমার ভুল হয়ে গিয়েছে। সরকারি সভাগৃহে রাজনৈতিক সভা হয় না, এখন প্রশ্ন তাহলে রাজনৈতিক সভা কি করে হল ওই সভাগৃহে? বিডিও এই বিষয়ে কিছু মন্তব্য করতে চাননি।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক? TMC

    তৃণমূল (TMC) বিধায়ক শেখ শাহনওয়াজ বলেন, সরকারি সভাগৃহে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি হয় না। কে বা কারা দলীয় ফ্লেক্স লাগিয়ে দিয়েছিল জানি না। আর বিডিও প্রধান, উপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করার সময় তৃণমূলের (TMC) দুজন নেতা সেখানে চলে আসে। আগামিদিনে ওই সভাগৃহে যাতে রাজনৈতিক অনুষ্ঠান না হয় তা দেখব।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব? TMC  

    বিজেপির জেলা নেতা কৃষ্ণ ঘোষ বলেন, প্রশাসন আর তৃণমূল (TMC) যে এক হয়ে গিয়েছে তা এই ঘটনা প্রমাণ করে। আসলে সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাই, প্রশাসনকে ব্যবহার করে কী করে নির্বাচনী বৈতরনী পার হবে তার রণকৌশল ঠিক করা হচ্ছে। আর সরকারি ভবনে রাজনৈতিক কর্মসূচি হওয়ার আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বারাকপুরে বিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বেধড়ক লাঠিচার্জ পুলিশের! কেন জানেন?

    BJP: বারাকপুরে বিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বেধড়ক লাঠিচার্জ পুলিশের! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ সোমবার নিয়োগ দুর্নীতিসহ একাধিক দাবিতে রাজ্যজুড়ে বিজেপির (BJP) বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। রাজ্যের অন্যান্য জেলার মতো এদিন বারাকপুর মহকুমা অফিসে সেই কর্মসূচি সফল করতে বিজেপির (BJP) বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সব থানা এলাকার কর্মীরা জমায়েত হয়েছিলেন। আর এই বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল ব্যারাকপুর মহকুমা অফিস চত্বর। জমায়েতকে ছত্রভঙ্গ করতে বিজেপি (BJP) কর্মীদের বেধড়ক লাঠিচার্জ করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের লাঠির আঘাতে চারজন বিজেপি (BJP) কর্মী জখম হন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মহকুমা অফিসের সামনে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। বিজেপি (BJP) কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরে, বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    কী নিয়ে গন্ডগোল? BJP

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরসভায় নিয়োগ-দুর্নীতি, তহবিল তছরুপ পুর কর্মীদের বকেয়া বেতন, সীমাহীন প্রশাসনিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে বারাকপুর বিজেপি (BJP) সাংগঠনিক জেলার ডাকে বারাকপুর মহকুমা শাসকের দপ্তরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি (BJP) কর্মী, সমর্থকরা কর্মসূচিতে হাজির হন। শাসক দলের দুর্নীতি নিয়ে তাঁরা স্লোগান দিতে থাকেন। বিক্ষোভ কর্মসূচি চলাকালীন পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল বারাকপুর মহকুমা শাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে যান। মহকুমা অফিসের বাইরে থাকা বিজেপি (BJP) কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে আচমকা পুলিশের বচসা শুরু হয়। তারপরই বেধড়ক লাঠিচার্জ করে সমস্ত জমায়েতকে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারী বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, আমাদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চলছিল। সেখানে মদ্যপ অবস্থায় এক পুলিশ কর্মী দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁকে আমরা সরে যেতে বলেছিলাম। কারণ, বিক্ষোভের সামনের সারিতে মহিলারা ছিলেন। তাতে ওই পুলিশ কর্মী রেগে যান। শুরু হয় বাগবিতন্ডা। এরপরই সেখানে উপস্থিত সব পুলিশ কর্মীরা একজোট হয়ে তারা আমাদের আচমকা লাঠিচার্জ করে। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, মদ খেয়ে কোনও পুলিশ কর্মী ডিউটি করেননি। এই অভিযোগ ঠিক নয়।

    কী বললেন বিজেপির বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি? BJP

    বিজেপির (BJP) বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাজ্য সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ছিল। সেই বিক্ষোভকে ছত্রভঙ্গ করতে দলদাস পুলিশকে এরকম নির্মমভাবে লাঠিচার্জ করতে হল তা ভাবতে পারছি না। আমাদের কয়েকজন কর্মী জখম হয়েছে। পুলিশ যে ভাবে আমাদের কর্মীদের মেরেছে তা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে ছাপিয়ে গিয়েছে। এই ঘটনার আমি তীব্র নিন্দা করছি। বিষয়টি দলীয় নেতৃত্বকে জানাব। এই ধরনের নক্করজনক ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। প্রয়োজনে আমরা এই ঘটনার প্রতিবাদে আন্দোলনে নামব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘যাঁরা তাঁকে হারাতে চেয়েছিলেন, তাঁরা আজ সম্মান জানাচ্ছেন’! কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘যাঁরা তাঁকে হারাতে চেয়েছিলেন, তাঁরা আজ সম্মান জানাচ্ছেন’! কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম বার রাজ্যে পা রেখেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁকে নাগরিক সম্মান প্রদান করা হয়েছে। তৃণমূল শাসিত রাজ্য সরকারের এই সম্মান প্রদর্শন নিয়ে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দ্রৌপদীর বিরুদ্ধে যাঁরা ভোট দিয়েছিলেন, সেই তাঁরাই এখন তাঁকে সম্মান জানাতে উঠেপড়ে লেগেছেন। অথচ যে বিজেপি বিধায়করা দ্রৌপদীকে ভোট দিয়েছিলেন, তাঁরাই অনুষ্ঠানে ব্রাত্য।

    রাষ্ট্রপতিকে সম্মান

    সোমবার বেলা ১২টা নাগাদ কলকাতায় পৌঁছন রাষ্ট্রপতি। রেসকোর্সে রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান মুখ্যমন্ত্রী। দ্রৌপদী মুর্মুকে উত্তরীয় পরিয়ে, পুষ্পস্তবক দিয়ে বরণ করে নেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদা। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) দাবি করেন, রাষ্ট্রপতিকে সম্মান জানাতে রাজ্যের তরফে যে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, সেখানে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘সরকারের আমন্ত্রণপত্রে রাজ্যপাল এবং মুখ্যমন্ত্রীর নাম রাখা হয়েছে। আমায় কোনও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।’’ এর পরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তৃণমূলের অবস্থান কী ছিল, তা স্মরণ করিয়ে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) কটাক্ষ, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকেরা দ্রৌপদী মুর্মুকে ভোট দেননি। যাঁরা ভোট দেননি, তাঁরা আজ তাঁকে ধামসা-মাদল উপহার দিচ্ছেন, ফুল দিচ্ছেন, শাল পরাচ্ছেন। আর বিজেপির যে ৭০ জন বিধায়ক ভোট দিয়েছেন, তাঁরা আমন্ত্রণ পাননি।’’

    আরও পড়ুুন: ‘মন্ত্রিত্ব বাঁচাতেই প্রয়াত বাবাকে চোর বলছেন’, উদয়নকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    শুভেন্দুর ট্যুইট

    এই নিয়ে একটি ট্যুইটও করেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। ট্যুইট বার্তায় শুভেন্দু বলেন,  ‘‘যাঁরা জনজাতির এক প্রান্তিক মানবীকে হারাতে চেয়েছিলেন, যাঁরা তাঁর ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন, সেই তাঁরা আজ তাঁকে সম্মান জানাচ্ছেন। এটা দেখে ভাল লাগছে।’’ 

    দিল্লিতে শুভেন্দু

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এদিন দিল্লিতে ছিলেন। উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডার সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন শুভেন্দু। পঞ্চায়েত ভোটের আগে শুভেন্দুর দিল্লিযাত্রা নিয়ে তৈরি হয়েছে জল্পনা। এদিন দিল্লিতে এক সাংবাদিক বৈঠক করে  শুভেন্দু জানান, রাম নবমী সনাতনীদের বড় উৎসব। ওই দিন ছুটি দেয়নি রাজ্য সরকার। উল্টে ধর্নায় বসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দুর কথায়, ‘জঙ্গলরাজের চেয়েও খারাপ অবস্থা বাংলার। রাজনীতি করার জন্য উৎসবের দিন এই ধরনের আন্দোলন করে এজেন্সিকে ভয় দেখানো, বিচারব্যবস্থাকে চাপে রাখাই উদ্দেশ্য। দুর্নীতি থেকে বিভ্রান্ত করার জন্য অগণতান্ত্রিক ধর্নার আয়োজন করা হয়েছে। বিজেপি বিরোধিতা করবে।’  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Giriraj Singh: ‘সাভারকারের মতো হতে গেলে রাহুলকে অনেকবার জন্মাতে হবে’, বললেন গিরিরাজ

    Giriraj Singh: ‘সাভারকারের মতো হতে গেলে রাহুলকে অনেকবার জন্মাতে হবে’, বললেন গিরিরাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাভারকারের (Savarkar) মতো হতে গেলে তাঁকে অনেকগুলো জন্ম নিতে হবে। সোমবার এই ভাষায়ই কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) আক্রমণ শানালেন বিজেপি (BJP) নেতা গিরিরাজ সিংহ (Giriraj Singh)।  মোদি পদবি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের দায়ে দু বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। তার জেরে শুক্রবার খারিজ হয়েছে তাঁর সাংসদ পদ। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে শনিবার রাহুল বলেন, আমার নাম সাভারকার নয়, আমার নাম গান্ধী।

    গিরিরাজ সিংহ (Giriraj Singh) বলেন…

    তিনি বলেন, গান্ধীরা কারও কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে না। এর পরেই রাহুলকে নিশানা করেন গিরিরাজ। তিনি বলেন, তিনি (রাহুল) বলছেন যে তিনি গান্ধী, কিন্তু তাঁর স্পেশিফাই করা উচিত কোন গান্ধী তিনি? তাঁর দাদু যে গান্ধী ছিলেন? গিরিরাজ (Giriraj Singh) বলেন, তিনি যদি আদালতে গরহাজির না হতেন, ক্ষমা প্রার্থনা করতেন, তাহলে এটা ঘটত না। এর পরেই গিরিরাজ বলেন, সাভারকার জাতির জন্য প্রাণ বলি দিয়েছিলেন। তাই তাঁর (সাভারকার) সঙ্গে তাঁর (রাহুলের) তুলনা করা ভুল হবে। সাভারকারের মতো হতে গেলে রাহুলকে অনেকবার জন্ম নিতে হবে।

    রাহুলকে নিশানা করেছেন বিজেপির আরও এক নেতা অনুরাগ ঠাকুরও। তিনি বলেন, রাহুল গান্ধী স্বপ্নেও সাভারকার হতে পারবেন না। ট্যুইট-বাণে অনুরাগ বলেন, বীর সাভারকার দেশপ্রেমিক। ফাঁসির আগে স্বয়ং ভগৎ সিং তাঁর বই থেকে নোট নিয়েছিলেন। সাভারকারের মতো স্বাধীনতা যোদ্ধাকে রাহুল অপমান করছেন। সাভারকারের দেশপ্রেম ও সাহসের কাছে মাথা নত করতেন বড় বড় নেতারাও। এমন কী কংগ্রেসও ১৯২৩ সালে কাঁকিনাড়া অধিবেশনে সাভারকারকে নিয়ে প্রস্তাব পাশ করে। ইন্দিরা গান্ধী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সাভারকারের নামে একটি স্ট্যাম্পও তৈরি করেছিলেন বলে মনে করিয়ে দেন অনুরাগ। স্বাধীনতা যুদ্ধে সাভারকারের অবদান মনে করিয়ে দিতে ইন্দিরা গান্ধী একটি চিঠি লিখেছিলেন বলেও জানান অনুরাগ।

    তিনি জানান, ইন্দিরা গান্ধী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ভারত সরকার সাভারকারের ওপর একটি ডকুমেন্টরিও করেছিল। অনুরাগ বলেন, সাভারকারকে শ্রদ্ধা জানাতে এত করেছিলেন রাহুলের ঠাকুমা। তাই সাভারকারকে অপমান করে রাহুল একই সঙ্গে তাঁর ঠাকুমাকেও অপমান করলেন।

    আরও পড়ুুন: শাহি দরবারে শুভেন্দু, পঞ্চায়েতের আগে কী আলোচনা হল দু’ জনের?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: শাহি দরবারে শুভেন্দু, পঞ্চায়েতের আগে কী আলোচনা হল দু’ জনের?

    Suvendu Adhikari: শাহি দরবারে শুভেন্দু, পঞ্চায়েতের আগে কী আলোচনা হল দু’ জনের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার শাহি দরবারে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন দিল্লিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অফিসে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শুভেন্দু। বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও উপরাষ্ট্রপতি তথা বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন রাজ্যের বাংলার সাংসদরা। তাঁদের নেতৃত্ব দেবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তার ঠিক আগের দিন শাহ-শুভেন্দু বৈঠক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। জানা গিয়েছে, এদিন সকালে শুভেন্দু প্রথমে দেখা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে। দুজনে প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে কথাবার্তা বলেন। পরে শুভেন্দু সাক্ষাৎ করে নাড্ডার সঙ্গে।

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ…

    গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, রাজ্যে ওঠা একের পর এক দুর্নীতি নিয়ে অভিযোগ জানাতেই বেশ কিছুদিন ধরে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে সময় চাইছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। অমিত শাহ সময় দিতেই রবিবার রাতে তড়িঘড়ি দিল্লির উড়ান ধরেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সোমবার সকালে সংসদ ভবনে পৌঁছে যান শুভেন্দু। রাহুল গান্ধীকাণ্ডের জেরে বিরোধীদের হইহট্টগোলের ফলে মুলতুবি হয়ে যায় সংসদের অধিবেশন। ওই সময়ই শুভেন্দু সাক্ষাৎ করেন শাহের সঙ্গে। সূত্রের খবর, ওই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেন্দুর ওই বৈঠকে পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে কীভাবে দলের কাজকর্ম চালানো যায়, কীভাবে রাজ্যজুড়ে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের কাছে দলীয় বার্তা পৌঁছে দেওয়া যায়, তাঁদের কীভাবে উজ্জ্বীবিত করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাজ্যের দুর্নীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয় তাঁদের মধ্যে। এদিন বৈঠকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফের একবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    আরও পড়ুুন: ‘মন্ত্রিত্ব বাঁচাতেই প্রয়াত বাবাকে চোর বলছেন’, উদয়নকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    এদিন সাংবাদিক সম্মেলনও করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। সেখানে নিশানা করেন রাজ্য সরকারকে। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। তা সে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনাই হোক কিংবা স্বচ্ছ ভারত মিশন, বুয়া ভাতিজার সরকার এই কাজ করছে। শুভেন্দু বলেন, রাজ্য সরকার জমি দিতে না পারায় কলকাতার কাছে আর একটি বিমানবন্দর তৈরি করা যায়নি। তিনি বলেন, বাংলার পরিস্থিতি জঙ্গলরাজের থেকেও খারাপ। দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে। ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার সময় ঋণ ছিল ২ লক্ষ কোটি টাকা। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ কোটি। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার আগে বাংলায় বেকার ছিল ১ কোটি। এখন তা বেড়ে হয়েছে ২ কোটিরও বেশি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share