Tag: bjp

bjp

  • Karnataka: কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে ইনচার্জ ধর্মেন্দ্র, কো-ইনচার্জ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য

    Karnataka: কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে ইনচার্জ ধর্মেন্দ্র, কো-ইনচার্জ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় কর্নাটক (Karnataka) নির্বাচন। আস্তিন গুটিয়ে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছে বিজেপি (BJP)। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যকে আসন্ন কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনের কো-ইনচার্জ করল বিজেপি। শনিবার তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় এই নতুন দায়িত্ব। এর ঠিক একদিন আগে ইনচার্জ হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছিল আর এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের। এদিনই কো-ইনচার্জ করা হয়েছিল তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতি কে আন্নামালাইকে। শনিবার তাঁর পাশাপাশি কো-ইনচার্জ করা হল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে।

    ভোটের বাদ্যি…

    চলতি বছরের এপ্রিল-মে মাস নাগাদ হতে পারে কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচন। সেই নির্বাচনে যাতে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারে দল, সেজন্য চেষ্টার কসুর করছে না গেরুয়া শিবির। বিজেপির তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আসন্ন কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে দলের জাতীয় সভাপতি জগত প্রকাশ নাড্ডা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইনচার্জ করেছেন। ওই নির্বাচনের জন্য কো-ইনচার্জের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য এবং তামিলনাড়ু বিজেপির সভাপতি কে আন্নামালাইকে। এই নিয়োগ এখন থেকেই কার্যকর হচ্ছে। কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচন যে আপাতত বিজেপির পাখির চোখ, তার ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই।

    আরও পড়ুুন: ‘পাঁচ বছরের মধ্যেই সব পঞ্চায়েতে মিল্ক ডেয়ারি ও ফিশারি সোসাইটি গড়ে উঠবে’, বললেন শাহ

    চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে কর্নাটক (Karnataka) গিয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সে যাত্রায় হুবলিতে তিনি রোডশো করেন। প্রধানমন্ত্রীর ওই রোডশো দেখতে উপচে পড়েছিল ভিড়। তাঁর পরে পরেই কর্নাটক গিয়েছিলেন জেপি নাড্ডা। নির্বাচন উপলক্ষে দলের প্রস্তুতি কেমন, তা দেখতেই তিনি গিয়েছিলেন কর্নাটক সফরে। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, ফেব্রুয়ারি মাসের ১১ তারিখে কর্নাটক সফরে যাবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি যাবেন দক্ষিণ কান্নাডা জেলার পুত্তুরে। সেখানে একটি কো-অপারেটিভ কনভেনশনে যোগ দেবেন তিনি। কর্নাটকের পদ্ম শিবিরের আশা, শাহ কর্নাটক সফরে এলেই চাঙা হয়ে উঠবে দল। মিটবে দলীয় অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলিও। যার জেরে দক্ষিণের এই রাজ্যে দল ফের ক্ষমতায় আসবে বলেও আশাবাদী তারা।

    প্রসঙ্গত, এর আগের এক জনসভায় কর্নাটককে (Karnataka) দক্ষিণের গেটওয়ে বলে সম্বোধন করেছিলেন শাহ। দক্ষিণের এই রাজ্যেই কেবল ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। দলীয় সংগঠন চাঙা করতে বিএস ইয়েদুরাপ্পাকে সরিয়ে বাসবরাজ বোম্বাইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল দলের রাশ, ২০১৮ সালে। এই বিধানসভার আসন সংখ্যা ২২৪।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।     

  • Captain Amrinder Singh: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে সাসপেন্ড কংগ্রেস সাংসদ প্রীনীত কৌর, তিনি কে জানেন?

    Captain Amrinder Singh: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে সাসপেন্ড কংগ্রেস সাংসদ প্রীনীত কৌর, তিনি কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে সাসপেন্ড করা হল সাংসদ কংগ্রেসের (Congress) প্রীনীত কৌরকে। তিনি বিজেপি (BJP) নেতা অমরিন্দর সিংয়ের (Captain Amrinder Singh) স্ত্রী। পঞ্জাবের পাতিয়ালা থেকে কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ তুলেছিল পঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান। তারপরেই এই সিদ্ধান্ত নেয় কংগ্রেস হাইকমান্ড।

    সিদ্ধান্তের নেপথ্যে…

    জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে পঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অমরিন্দর সিং রাজা ওয়ারিং প্রীনীতের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে চিঠি লেখেন হাইকমান্ডকে। চিঠিতে প্রীনীতের বিরুদ্ধে বিজেপিকে সাহায্য করার অভিযোগ করা হয়। পাতিয়ালার সাংসদকে দল থেকে সাসপেন্ড করার জন্য দলের ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন কমিটির কাছে আবেদনও করা হয়েছিল। তার পরেই দলের তরফে প্রীনীতকে শোকজ করা হয়। দল বিরোধী কাজের জন্য কেন তাঁকে সাসপেন্ড করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় শোকজ নোটিশে। তিন দিনের মধ্যে তাঁকে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়। সেই সময়সীমার মধ্যে উপযুক্ত জবাব প্রীনীতের (Captain Amrinder Singh) তরফে না পেয়ে এদিন সাসপেন্ড করা হয় তাঁকে।

    একুশের নভেম্বরে কংগ্রেস ছাড়েন অমরিন্দর। তিনি কংগ্রেস ছাড়লেও, তাঁর স্ত্রী প্রীনীত ছিলেন সোনিয়া গান্ধীর দলেই। দল ছাড়ার সময় অমরিন্দর আক্রমণ শানান গান্ধী পরিবারকে। এর পর পঞ্জাব লোক কংগ্রেস নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন অমরিন্দর। ২০২২ সালে পঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জোট করে লড়লেও, ভরাডুবি হয় অমরিন্দরের দলের। তার পরেই বিজেপিতে যোগ দেন ক্যাপ্টেন। অবশ্য দল ছাড়েননি তাঁর স্ত্রী। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। পাতিয়ালা থেকে টিকিট পাবেন না ভেবে আগেভাগেই প্রীনীত বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছিলেন বলে অভিযোগ। তার জেরেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে কংগ্রেসের একটি সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুুন: ‘রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিমদের সঙ্গে বিজেপির কোনও বিরোধী নেই’, সাফ জানালেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Meghalaya: মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    Meghalaya: মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই মেঘালয়ে বিধানসভা নির্বাচন। প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। মোট ৬০টি আসনে  ৬জন মহিলা প্রার্থীও রয়েছেন। প্রার্থী তালিকায় রয়েছে একাধিক চমক। বিজেপির রাজ্য সভাপতি আর্নেস্ট মাউরি, তিনজন প্রাক্তন বিধায়ক এমএম ডাঙ্গো, ডি জিনডিয়াং ও এডমান্ড কে সাংমা রয়েছেন। প্রাক্তন আইপিএস মারিয়াহোম খারক্রাং দাঁড়াচ্ছেন উত্তর শিলং থেকে। 

    মোদিকে সামনে রেখেই প্রচার

    বিজেপির এই প্রার্থী তালিকায় অনুমোদন দিয়েছে দলের কেন্দ্রীয় ইলেকশন কমিটি। মেঘালয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি জানিয়েছেন, এবার বহু আসনে জিতবে দল। এদিন  প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে ট্যুইট করেছে মেঘালয় বিজেপি।

    ২০১৮ সালে বিজেপি ৪৭টি আসনে লড়াই করেছিল। সেবার মাত্র দুটি আসনে জিতেছিল বিজেপি। ৭টি আসনে বিজেপি ছিল দ্বিতীয়। ১২টি আসনে বিজেপি ছিল তৃতীয় স্থানে। বিজেপির ন্যাশানাল সেক্রেটারি ঋতুরাজ সিনহা জানিয়েছেন, এবার মেঘালয়ে ডবল ইঞ্জিন সরকার তৈরি হবে। তার জন্য এবার জোরদার লড়াই করতে হবে দলকে। 

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে স্বস্তি শুভেন্দুর! রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের শোকজ নোটিসের উপর স্থগিতাদেশ

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে মেঘালয়ে বিজেপির প্রচারের ট্যাগ লাইন এম পাওয়ার মেঘালয়। এম মানে মোদি পাওয়ারড মেঘালয়। কিছুদিন আগেই, গত ডিসেম্বর মাসে মেঘালয় সফরে এসেছিলেন মোদি। তখনই এই রাজ্যের জন্য একগুচ্ছ পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ এগোচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারত কীভাবে নিজের জায়গা তৈরি করছে সেকথাও এবার প্রচারে তুলে আনা হচ্ছে। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট হবে মেঘালয়ে। আগামী ২ মার্চ মেঘালয় ভোটের ফলাফল বের হবে। উল্লেখ্য, মেঘালয়ে বর্তমানে বিজেপির জোট সরকার রয়েছে। অন্যদিকে প্রধান বিরোধী দল তৃণমূল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিমদের সঙ্গে বিজেপির কোনও বিরোধ নেই’, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিমদের সঙ্গে বিজেপির কোনও বিরোধ নেই’, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিমদের সঙ্গে বিজেপির (BJP) কোনও বিরোধ নেই। সাফ জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আইএসএফ (ISF) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির গ্রেফতারি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নওশাদ ভাইয়ের দম আছে। অর্জুন সিংয়ের দলবদল প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, অর্জুন সিংকে আনুগত্য বদল করতে বলা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, ঠিক করো জেলে থাকবে নাকি বাইরে থাকবে। যাদের দম নেই, তারা সারেন্ডার করেছে। এর পরেই তিনি বলেন, নওশাদ ভাইয়ের দম আছে, তাই সারেন্ডার করেনি। একজন জন-প্রতিনিধির সঙ্গে যে ধরনের আচরণ করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।

    শুভেন্দু বলেন…

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, যাঁরা বিধায়ক, সাংসদ, তাঁরা মানুষের ভোটে জেতা প্রতিনিধি। তাঁদের সঙ্গে সাধারণ চোর-ডাকাতদের মতো করে আচরণ করা উচিত নয়। বিধানসভার অধিবেশন চলাকালীন নিজেরা না বলে তাঁরা যে নওশাদকে সুযোগ করে দেন, এদিন সেকথাও স্মরণ করিয়ে দেন শুভেন্দু। বলেন, বিধানসভায় বিরোধী শিবিরে একমাত্র অ-বিজেপি বিধায়ক উনি। আমরা পাঁচ মিনিট নিজেরা না বলে আইএসএফের একমাত্র বিধায়ককে দিয়ে দিই। শুভেন্দু বলেন, নওশাদের দল আইএসএফের সঙ্গে বিজেপির এজেন্ডা এক নয়, অনেক বিষয়ে ভিন্ন মত রয়েছে। কিন্তু বহুদলীয় গণতন্ত্রে সব রাজনৈতিক দলেরই মিটিং মিছিল করার অধিকার রয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘১০ লাখ চাকরির কথা বলা হয়েছিল, এবার কী হবে?’, আদানিকাণ্ডে রাজ্যকে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    এদিন বিজেপির তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তীও বলেন, বিজেপি কবে সংখ্যালঘু বিরোধী ছিল? একটা ন্যারেটিভ তৈরি করা হয়েছিল। বিজেপি মানেই সংখ্যালঘু বিরোধী, এ রকম ইমেজ তৈরি করা হয়েছিল। এটা বলে মার্কেটে ছাড়া হয়েছিল। এই সমস্ত ভুল কথা। মিঠুন বলেন, বিজেপি মুসলিমদের বিরোধী নয়। আমরা এখন পর্যন্ত হিন্দুস্তানি মুসলিমদের জন্য চিন্তিত। পশ্চিমবঙ্গের মুসলমান ভাইবোনেরা ভাল থাকুক, আমরা এটা চাই।

    প্রসঙ্গত, প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে গত ২১ জানুয়ারি ধর্মতলায় আইএসএফের কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তাল হয়ে উঠেছিল কলকাতা। রাস্তা অবরোধকে কেন্দ্র করে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন আইএসএফ নেতা-কর্মীরা। পরে পুলিশকে লক্ষ্য করে করে পাথর ছোড়া হয়। এর পরেই গ্রেফতার করা হয় নওশাদকে। আদালতে পেশ করা হলে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তারপর ফের আদালতে পেশ করা হলে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নওশাদকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: নাম করে অভিযোগ করলেই মানহানির মামলা করব! মমতাকে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি

    Suvendu Adhikari: নাম করে অভিযোগ করলেই মানহানির মামলা করব! মমতাকে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম উল্লেখ করে কোনও মন্তব্য করা হলেই মানহানির মামলা করবেন বলে জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। চলতি বছরের মে মাসেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে রাজ্যে চলছে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ। এই আবহে বুধবার বীরভূমে এক সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠান থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Mamata Banerjee) বলেছেন, ‘কেউ কেউ সরকারে থেকে সবথেকে বেশি চুরি করেছে, সবথেকে বেশি গদ্দারি করেছে। তাঁদের মুখে এখন আবার কালো টাকার গল্প শুনি। শুনলেও হাসি পায়।’ যদিও এদিন সরাসরি কারও নাম উল্লেখ করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

    মমতা যা বলেছিলেন

    মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য প্রসঙ্গে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) প্রশ্ন করা হলে তিনি জানতে চান তাঁর নাম উল্লেখ করা হয়েছে কি না। জানিয়ে দেন, যদি তাঁর নাম উল্লেখ করে কোনও মন্তব্য করা হয়, তাহলে তিনি মানহানির মামলা করবেন। শুভেন্দুর সংযোজন, ‘ওনাকে প্রমাণ করতে হবে। উনি আমার বিরুদ্ধে ৩৪টি মামলা করেছেন।’ বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতে একটি সভায় উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

    আরও পড়ুন: সাগরদিঘি বিধানসভার উপনির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াই! বিজেপির প্রার্থী দিলীপ সাহা

    শুভেন্দুর পাল্টা

    পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে জেলা সফর শুরু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। অন্যদিকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে জনসভা করছেন বিজেপির নেতা মন্ত্রীরা। বীরভূমের ওই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি তো খুশি কয়েকটা ডাকাত গদ্দার আমার দল থেকে বিদায় নিয়েছে। পুরুলিয়ার ছেলেমেয়ের চাকরির কোটাটাই তো কেটে দিয়েছিল।’ প্রকাশ্যে মুখ্যমন্ত্রীর করা এই মন্তব্য প্রসঙ্গে শিশির পুত্র শুভেন্দু ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এদিন সভামঞ্চ থেকে মালদার গাজোলে মমতার সেই মন্তব্য নিয়ে শুভেন্দুর পাল্টা চ্যালেঞ্জ, ‘কাকে বলছেন? নাম ধরে বলুন। আমি যদি ডাকাত বা গদ্দার হই, বিধানসভায় ডেকেছিলেন কেন?’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Mithun Chakraborty: শুক্রবার ত্রিপুরায় মেগা-শো বিজেপির, কারা কারা থাকবেন প্রচারে, জানেন?

    Mithun Chakraborty: শুক্রবার ত্রিপুরায় মেগা-শো বিজেপির, কারা কারা থাকবেন প্রচারে, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরা (Tripura) বিধানসভা নির্বাচন। উত্তর পূর্বের এই রাজ্যের রাশ ধরে রাখতে জোর কদমে প্রচার শুরু করছে বিজেপি (BJP)। আজ, বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। আগামিকাল, শুক্রবার ত্রিপুরায় মেগা শো করবে বিজেপি (Mithun Chakraborty)। জানা গিয়েছে, এদিন ত্রিপুরায় বিজয় সংকল্প জনসভার কর্মসূচি পালন করবে বিজেপি। এই পর্বে ত্রিপুরায় প্রচারে নামবেন এক ঝাঁক বিজেপি নেতা।

    প্রচারে বিজেপি…

    শুক্রবার কুমারঘাট এবং অমরপুর বিধানসভা কেন্দ্রে জনসভা করে প্রচারের সূচনা করবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এদিনই তিনি আগরতলায় এসে পৌঁছবেন বলে বিজেপি সূত্রে খবর। গেরুয়া শিবির সূত্রে আরও খবর, একুশের বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে যেভাবে এক ঝাঁক কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব প্রচার করেছিলেন, তেমনি ত্রিপুরায়ও হবে। এখানে সভা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, স্মৃতি ইরানি, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ প্রমুখ। একের বেশি জনসভা করার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও (PM Modi)। তবে তিনি কবে সভা করবেন, কোথায়ইবা করবেন, তা জানা যায়নি। ৬ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরায় সভা করার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। পরের দিন আসবেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, প্রতিমা ভৌমিক, বিপ্লব দেব এবং রাজীব ভট্টাচার্যেরও বিজেপির হয়ে প্রচার করার কথা।

    আরও পড়ুুন: ‘আরএসএস ডানপন্থীও নয়, বামপন্থীও নয়, জাতীয়তাবাদী’, সাফ জানালেন দত্তাত্রেয়

    এদিকে বঙ্গ বিজেপির এক ঝাঁক নেতাও শুক্রবার কার্যত চষে বেড়াবেন ত্রিপুরা। এদিন সভা করবেন দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী, লকেট চ্যাটার্জি, শান্তনু ঠাকুর ও মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। মিঠুন সভা করবেন তিনটি। লকেটেরও এদিন তিনটি সভা করার কথা। দুটি করে সভা করবেন দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী এবং শান্তনু ঠাকুর। রাজ্য বিজেপির এক নেতা বলেন, আজ (বৃহস্পতিবার) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। বিক্ষুব্ধ যে দু একজন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, তাঁরাও তা প্রত্যাহার করে নেবেন। প্রসঙ্গত, গত বিধানসভা নির্বাচনে বামেদের হঠিয়ে ত্রিপুরার ক্ষমতায় আসে বিজেপি। তার পর থেকে রাজ্যে কার্যত শুরু হয়েছে উন্নয়ন যজ্ঞ। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সেই কারণে ত্রিপুরায় এবারও ফিরছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Sagardighi By Election: সাগরদিঘি বিধানসভার উপনির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াই! বিজেপির প্রার্থী দিলীপ সাহা

    Sagardighi By Election: সাগরদিঘি বিধানসভার উপনির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াই! বিজেপির প্রার্থী দিলীপ সাহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাগরদিঘি (Sagardighi) বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন দিলীপ সাহা। চলতি মাসের ২৭ তারিখ উপনির্বাচন হবে সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে। ৭ ফেব্রুয়ারি এই কেন্দ্রে প্রার্থী পদে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ইতিমধ্যেই এই আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে তৃণমূল (Trinamool Congress)। এবার প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি। 

    কেন উপনির্বাচন

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সাগরদিঘি থেকে জিতেছিলেন সুব্রত সাহা। তৃণমূলের এই প্রার্থী সেখান থেকে জিতে রাজ্যের মন্ত্রীও হয়েছিলেন। কিন্তু ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান সুব্রত সাহা। এবার এই আসনের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন তিনি সাগরদিঘি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি পদে রয়েছেন। দেবাশিসকে হারানোর জন্য রাজ্যে ক্রমবর্ধমান দুর্নীতি এই কেন্দ্রে পদ্ম প্রতীকে দাঁড়ানো দিলীপের মূল হাতিয়ার। 

    আরও পড়ুন: চলতি মাসের ১৫ তারিখ পেশ হতে পারে রাজ্য বাজেট, জানালেন চন্দ্রিমা

    দিলীপ সাহার পরিচয়

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে (BJP) যোগদান করেন দিলীপ। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নবগ্রাম কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। তবে হারতে হয়েছিল বামেদের কাছে। রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসার কাজেও যুক্ত তিনি। রয়েছে একটি রাইস মিল।

    আরও পড়ুন: পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে ২০১৭-এর টেটের ওএমআর শিট! কার নির্দেশে এমন কাজ, রিপোর্ট চাইলেন বিচারপতি

    এই কেন্দ্রে তৃণমূল ও বিজেপি ও কংগ্রেস প্রার্থী ঘোষণা করে দিলেও এখনও পর্যন্ত প্রার্থী ঘোষণা করেনি বামেরা। সেখানে বাম-কং জোট নিয়েও শুরু হয়ে গিয়েছে জোর চর্চা। কংগ্রেসের প্রতীকে এই কেন্দ্রে লড়ছেন ব্যারণ বিশ্বাস। সামশেরগঞ্জ থানার ধুলিয়ানের বাসিন্দা ব্যারণ এলাকায় বিশিষ্ট সমাজসেবী হিসাবেই পরিচিত। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ৮ ফেব্রুয়ারি হবে জমা পড়া মনোনয়নের স্ক্রুটিনি। ১০ ফেব্রুয়ারি প্রার্থীপদ বাতিলের শেষ দিন। ২ মার্চ বেরোবে নির্বাচনের ফল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Union Budget: আবাস যোজনায় বরাদ্দ বৃদ্ধি বাজেটে, কত বাড়ল জানেন?  

    Union Budget: আবাস যোজনায় বরাদ্দ বৃদ্ধি বাজেটে, কত বাড়ল জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবাস যোজনায় (PM Awas Yojana) কেন্দ্রের বরাদ্দ টাকায় খয়রাতি করছে তৃণমূল (TMC) পরিচালিত রাজ্য সরকার। এমন অভিযোগ উঠেছে। আবাস যোজনায় ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে। কেবল বাংলা নয়, দেশের আরও কয়েকটি রাজ্যেও একই অভিযোগ উঠেছে। তা সত্ত্বেও সকলের মাথার ওপর পাকা ছাদের ব্যবস্থা করতে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বরাদ্দ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।

    বরাদ্দ বৃদ্ধি…

    বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে আগের বছরের তুলনায় ৬৬ শতাংশ বেশি। ফলে এই প্রকল্পে বাজেট (Union Budget) বেড়ে হয়েছে ৭৯ হাজার কোটি টাকারও বেশি। সীতারামন জানান, গরিব মানুষের মানোন্নয়নে মোদি সরকার সব সময় প্রস্তুত। আগামী কয়েক বছরে যাতে দেশের পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবন উন্নত হয় সেই লক্ষ্যে কাজ করছে মোদি সরকার। সেই কারণেই প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় এই বরাদ্দ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২২-২৩ আর্থিক বর্ষে প্রধানমন্ত্রী অবাস যোজনায় বরাদ্দ হয়েছিল ৪৮ হাজার কোটি টাকা।

    প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (Union Budget) প্রকল্পে যাঁদের স্থায়ী বাড়ি নেই, তাঁদের বাড়ি দেওয়া হয়। আবাস প্রকল্পের অধীনে তালিকা তৈরি করার সময় এটি দেখা হয় যে সুবিধাভোগীর কোনও মোটরচালিত দুই বা তিন চাকার গাড়ি নেই। এ ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি মানদণ্ডও নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, কারও কাছে ৫০ হাজার কিংবা তার বেশি টাকার কিষান ক্রেডিট কার্ড থাকলে তিনি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে বাড়ি পাবেন না। পরিবারে একজন সরকারি কর্মচারি থাকলেও, সেই পরিবারও এই প্রকল্পে বাড়ি পাবেন না। একটি পরিবারের কোনও সদস্য যদি প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা আয় করেন, তাহলে তিনিও আবাসন প্রকল্পে বাড়ি পাবেন না।

    আরও পড়ুুন: ‘ঐতিহাসিক বাজেট’! অমৃতকালের প্রথম বাজেটের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী মোদি

    কোনও পরিবারে ফ্রিজ, ল্যান্ডলাইন সংযোগ থাকলে কিংবা আড়াই একর বা তার বেশি কৃষি জমি থাকলে, তাহলেও, তিনিও ওই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন। জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত এই প্রকল্পে দেশের লক্ষাধিক মানুষ আবাসন পেয়েছেন। এই প্রকল্পে পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের বাড়ি তৈরির জন্য দেওয়া হয় এক লক্ষ ২০ হাজার টাকা, আর সমতল এলাকার বাসিন্দাদের দেওয়া হয় এক লক্ষ ৩০ হাজার টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: সত্যকে লুকোতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য! মিড ডে মিল নিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: সত্যকে লুকোতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য! মিড ডে মিল নিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিড ডে মিল প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে রাজ্যে রয়েছে ১১ সদস্যের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। রাজ্য সরকারের পরিকল্পনামতো কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল পূর্ব ঘোষিত স্কুলগুলিতে পরিদর্শনেও যাচ্ছেন। এবার তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর দাবি, অসত্যকে ঢেকে সাজিয়ে গুছিয়ে পরিবেশন করা হচ্ছে। দায়িত্বে থাকা সরকারি আধিকারিকরা কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে সেই সমস্ত স্কুলেই নিয়ে যাচ্ছে যাদের আগে থেকে সতর্ক করে রাখা হয়েছে। দুর্নীতি অনিয়ম লুকোতে মিড মিল স্টাফদেরও এতে সামিল করা হচ্ছে বলে দাবি শুভেন্দুর।

    শুভেন্দুর দাবি

    মঙ্গলবার এক ট্যুইট বার্তায় শুভেন্দু দাবি করেন, ‘মনে হচ্ছে সত্য অনুসন্ধানে, তাঁদের ওপর ভরসা করা হচ্ছে, যারা সত্যকে লুকোতে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে। রাঁধুনিদেরও এতে সামিল করা হয়েছে। তাদের বেতন ও ইনসেন্টিভ সময়ের আগেই দেওয়া হচ্ছে। এটা পশ্চিমবঙ্গ। যদি পড়ুয়াদেরও হুমকি দেওয়া হয়, অবাক হব না।’ শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ”কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের (Central Team) উচিত নিজেদের মতো যেমন খুশি তেমন স্কুল বেছে হানা দেওয়া। নইলে আসল ছবিটা ধরা পড়বে না। রাজ্য সরকারের আধিকারিকরা কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে বাছাই করা স্কুলে মিড ডে মিল প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে নিয়ে যাচ্ছে। আগে থেকে জানানো বলে রান্নার কর্মীদের অ্যাপ্রন, গ্লাভস ও টুপি পরে দেখা যাচ্ছে। আর রান্নাঘরও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। হাতেনাতে ধরতে আগাম খবর না দিয়ে যেতে হবে।”

    এই ট্যুইটের সঙ্গেই তিনি একটি হোয়াটস অ্যাপ মেসেজেরও স্ক্রিনশট দেন। যেখানে মিড-ডে-মিলের রাঁধুনীদের জন্য বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে দেখা যাচ্ছে। সোমবার থেকে রাজ্যের জেলায় জেলায় মিড ডে মিল প্রকল্পের অনুসন্ধান শুরু করেছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদল।

    আরও পড়ুন: মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা! ইডির দফতরে গিয়ে দাবি গোপাল দলপতির

    এদিনই কেন্দ্রীয় দলের অনুসন্ধানে একাধিক বিস্ফোরক তথ্য সামনে এসেছে। ৭ জন মিড ডে মিলের কর্মীকে ভাগ করে দেওয়া হয় ৫জনের বেতন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার রসকুঞ্জ প্রাণকৃষ্ণ হাইস্কুলে গিয়ে এমনই তথ্য় পেলেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা। প্রায় ১০-১২ বছর ধরে এভাবেই কম বেতন নিয়ে কাজ করে আসছেন কর্মীরা। মিড ডে মিলের রান্নাঘর পরিদর্শন করেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা। প্রধান শিক্ষকের অফিসে গিয়ে কথা বলেন তাঁরা। এদিকে রাজ্যে মিড মিলের খতিয়ান দেখার দিনেই  চন্দ্রকোণায় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে মিড ডে মিলের খিচুড়িতে আরশোলা মিলেছে, বলে খবর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Arup Chakraborty: এ কোন সংস্কৃতি! সুকান্ত-সুভাষকে কুরুচিকর আক্রমণ তৃণমূলের, তীব্র প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    Arup Chakraborty: এ কোন সংস্কৃতি! সুকান্ত-সুভাষকে কুরুচিকর আক্রমণ তৃণমূলের, তীব্র প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুকান্তবাবু শুনে রাখুন, তৃণমূল কর্মীরা যেদিন হাত তুলবে, সেদিন আপনাদের জায়গা হবে হাসপাতালে। প্রকাশ্য সভায় এই ভাষায়ই বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumder) হুমকি দিলেন বাঁকুড়ার তালডাংরার বিধায়ক তৃণমূলের (TMC) অরূপ চক্রবর্তী (Arup Chakraborty)। সোমবার নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন অরূপ। পরে যোগ দেন প্রকাশ্য সভায়। সেই সভা থেকেই হুমকি দেন রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির সুকান্ত মজুমদারকে। ঘটনায় সমালোচনার ঝড় বয়ে গিয়েছে রাজ্যজুড়ে। রাজনৈতিক মহলের মতে, হুমকি দিয়ে বিরোধীদের দমিয়ে রাখার বাম জমানার সেই ট্র্যাডিশন চলছে তৃণমূল জমানায়ও।

    সুরক্ষা কবচ কর্মসূচি…

    সোমবার বিকেলে নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন অরূপ (Arup Chakraborty)। তিনি বলেন, সুকান্তবাবুকে আমি বলি, আপনি অধ্যাপক, আপনি বাংলায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। আপনি আপনাদের কর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন। আপনি আগুনে ঘি ঢালছেন। এর পরেই তিনি বলেন, সুকান্তবাবু শুনে রাখুন, তৃণমূল কর্মীরা যেদিন হাত তুলবে, সেদিন আপনাদের জায়গা হবে হাসপাতালে।  

    এদিন সভা শেষে স্বপক্ষ সমর্থন করতে গিয়ে অরূপ বলেন, সুকান্তবাবুকে সংযত হওয়ার জন্য সতর্ক করা হল। আপনি নিজে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে ঘুরে বেড়িয়ে কর্মীদের লেলিয়ে দিচ্ছেন। বাংলায় অশান্তি হলে আপনাদের দেখা পাওয়া যাবে না। রাজ্য সরকারকেই তা সামলাতে হবে। অতি সম্প্রতি অরূপের (Arup Chakraborty) বিরুদ্ধে একাধিকবার প্ররোচনামূলক বক্তব্য রাখার অভিযোগ উঠেছে। গত সপ্তাহে আবাস যোজনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিডিওকে নিশানা করেন তিনি। তার আগেও একবার বিজেপির বিরুদ্ধে প্ররোচনামূলক বক্তব্য রাখতে শোনা গিয়েছিল তাঁকে। তার পরেও অবশ্য অরূপ রয়েছেন বহাল তবিয়তে। কোনও পদক্ষেপ করেনি তাঁর দল। ওই মঞ্চেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূলের ইন্দপুর ব্লক সভাপতি রেজাউল খাঁ নিশানা করেন  সাংসদ বিজেপির সুভাষ সরকারকে। তিনি বলেন, আপনি যদি কোথাও যান সেখানের জনগণ আপনার প্যান্ট খুলে নেবে।

    আরও পড়ুুন: ত্রিপুরা বিধানসভায় অর্ধেক আসনে লড়বে তৃণমূল, ‘পর্যটক’ বলে কটাক্ষ বিজেপির

    তৃণমূল নেতা অরূপের এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে বিজেপি। পদ্ম নেতা রাহুল সিনহা বলেন, পুলিশকে পকেটে পুরে এই ধরণের বক্তব্য রাখা সহজ। পনের মিনিটের জন্য পুলিশকে সরিয়ে দিন, তার পর বোঝা যাবে অরূপবাবুদের পাশে কটা লোক আছে। তিনি বলেন, এভাবে পঞ্চায়েত ভোটের আগে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে হিংসায় কার্যত উসকানি দিচ্ছেন তৃণমূলের নেতারা। দোরগোড়ার পঞ্চায়েত নির্বাচন। ওয়াকিবহালের মতে, সেই কারণেই বিরোধীদের চমকে, ধমকে এক তরফা ম্যাচ বের করতে চাইছে তৃণমূল। সেই কারণেই বিরোধীদের হুমকি দিচ্ছেন অরূপের (Arup Chakraborty) মতো পুলিশ পরিবৃত শাসক দলের নেতারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share