Tag: bjp

bjp

  • Bengal BJP: পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পর্যবেক্ষক নিযুক্ত মঙ্গল পাণ্ডে, জানেন কে তিনি?

    Bengal BJP: পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পর্যবেক্ষক নিযুক্ত মঙ্গল পাণ্ডে, জানেন কে তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাখির চোখ ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে (2024 Lok sabha Elections)। আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে কেন্দ্রে ক্ষমতায় ফিরতে চাইছেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) সহ বিভিন্ন রাজ্যের রশি তুলে দেওয়া হল দক্ষ সংগঠকদের হাতে। শুক্রবার বৈঠকে বসেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেখানে বিভিন্ন রাজ্যের পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়। বাংলার দায়িত্ব বর্তাল মঙ্গল পাণ্ডের হাতে। বিহারের প্রাক্তন মন্ত্রী কাঁধে তুলে দেওয়া হল দায়িত্ব। 

    কে এই মঙ্গল পাণ্ডে? জানা গিয়েছে, বিহারের প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মঙ্গল পাণ্ডে বাংলার সংগঠনের দেখভাল করবেন। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে তাঁকে। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা তাঁকে নিয়োগ করেন। মঙ্গল পাণ্ডেকে সাহায্য করবেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য এবং নেত্রী আশা লাখরা। এরাজ্যে সহ-পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করবেন তাঁরা।

    নীতীশ কুমার যখন বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার চালাচ্ছিলেন, তখন মঙ্গল পাণ্ডে পালন করেছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব। দুঁদে রাজনীতিকের পাশাপাশি তিনি দক্ষ সংগঠকও। সেই কারণেই তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বাংলার দায়িত্ব। একুশের ভোটে বাংলায় আশাব্যঞ্জক ফল হয়নি বিজেপির। তাই রাজ্য বিজেপির তরফে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে একাধিকবার স্থায়ী পর্যবেক্ষকের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। রাজ্য বিজেপির সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই মঙ্গল পাণ্ডেকে দেওয়া হল বাংলার দায়িত্ব। 

    আরও পড়ুন : লক্ষ্য ২০২৪, মেগা বৈঠকে বিজেপি, কী আলোচনা হল জানেন?

    গতমাসেই রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত নেতা নিযুক্ত হন বহু-যুদ্ধের ঘোড়া সুনীল বনসল। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও, ওড়িশা ও তেলঙ্গানার দায়িত্বে রয়েছেন সুনীল। ওড়িশা ও তেলঙ্গানায় বিধানসভা ভোট আসন্ন। দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গের নেতৃত্বের কাছে, এই দুই বিরোধী-শাসিত রাজ্যে জয়ী হতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব। ফলত, সুনীলের ওপর গুরুদায়িত্ব রয়েছে। সব দিক বিচার করে, পশ্চিমবঙ্গকে গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষক হিসেবে মঙ্গলকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। জানা গিয়েছে, সুনীলের অধীনে থাকবেন মঙ্গল পাণ্ডে, অমিত মালব্য ও আশা লখরা।

    বাংলার পাশাপাশি বিজেপি নজর দিয়েছে বিহারের দিকেও। বিহারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিনোদ টাওডেকে। বিহারের সহ পর্যবেক্ষক থাকছেন হরিশ দ্বিবেদী। দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্রকেও। উত্তর পূর্বের আটটি রাজ্যের কোঅর্ডিনেটর করা হয়েছে তাঁকে। দলের জাতীয় সম্পাদক ঋতুরাজ সিনহাকে দেওয়া হয়েছে জয়েন্ট কো-অর্ডিনেটরের দায়িত্ব। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পাঞ্জাব ও ছত্তিশগড়ের। ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবকে দেওয়া হয়েছে হরিয়ানার দায়িত্ব। কেরলের ভার দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকরের হাতে। 

    গুজরাট এবং ত্রিপুরায় সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। আরও কয়েকটি রাজ্যেও রয়েছে নির্বাচন। লোকসভা নির্বাচনের আগে সেই রাজ্যগুলির কুর্সি দখলই এই মুহূর্তে পাখির চোখ গেরুয়া নেতৃত্বের। এই বিধানসভা নির্বাচনের পর্ব মিটতে মিটতে বাজবে লোকসভা ভোটের বাদ্যি। রাজনৈতিক মহলের মতে, সেই কারণেই অগোছাল বিরোধীদের একজোট হওয়ার আগেই ঘর গুছিয়ে ফেলল বিজেপি। সেই কারণেই রদবদল হল পদ্মশিবিরে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     
  • Suvendu Adhikari: “চোরেদের রানি কে?”, নবান্ন অভিযানের আগে আলিপুরদুয়ারের সভায় প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “চোরেদের রানি কে?”, নবান্ন অভিযানের আগে আলিপুরদুয়ারের সভায় প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্ন অভিযানের আগে ফের তৃণমূল (TMC) নেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) নিশানা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। আলিপুরদুয়ারে বিজেপির নবান্ন অভিযানের প্রস্তুতি সভায় তিনি প্রশ্ন তোলেন, চোরেদের রানি কে? শুক্রবার আলিপুরদুয়ারের সভায় যাওয়ার পথে তিনি ফের বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই পড়ে যাবে রাজ্যের তৃণমূল সরকার।

    চলতি মাসের ১৩ তারিখে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে বিজেপি। এরই প্রস্তুতি সভা চলছে। আলিপুরদুয়ারের সভায় যোগ দিয়ে শুভেন্দু বলেন, আমি পরিবর্তন যাত্রায় এসেছিলাম। আলিপুরদুয়ারের সভা থেকে ফালাকাটা পর্যন্ত গিয়েছিলাম। তৃণমূলের লোকেরা ফালাকাটার সব লাইট অফ করে দিয়েছিল। কিন্তু মানুষ মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে আলিপুরদুয়ার থেকে ফালাকাটা পর্যন্ত গিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছিল, যে এবারে পিসিমনিকে আলিপুরদুয়ার থেকে খালি হাতে ফিরতে হবে। পরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারেও এসেছি। এর পরেই তিনি বলেন, আজ কেন এসেছি জানেন তো? বলে দর্শকদের তাঁর সঙ্গে গলা মিলিয়ে বলতে বলেন, চোরেদের জেলে ভরো, ১৩ সেপ্টেম্বর নবান্ন চলো। এর পরেই তিনি প্রশ্ন তোলেন, চোরেদের রানি কে?

    আরও পড়ুন : চিকিৎসা ভাতা বন্ধ করে দেওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু অধিকারী

    বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দলীয় কর্মী সম্মেলনে তৃণমূল নেত্রী বলেছিলেন অনুব্রত মণ্ডলকে বীরের মতো ফেরাতে হবে। এদিন আলিপুরদুয়ার যাওয়ার পথে শিলিগুড়িতে মমতার মন্তব্যের জবাব দেন শুভেন্দু। বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাকে বীর বলছেন, তার সঙ্গে দেখা করতে দিল্লির তিহার জেলে যেতে হবে। শনিবার দু দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে আসছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন সে প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, কাল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আসছেন টাকা তুলতে। শুভেন্দু বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস দলটা একটা সম্পূর্ণ প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। দলটা পরিবারবাদ, তোষণ ও দুর্নীতির ওপর চলছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, দুর্নীতিগ্রস্ত একটা দল দুর্নীতিবাজদের সম্মান করবে, এটাই তো স্বাভাবিক। এখন আত্মবিশ্বাস না দেখালে তো পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন দিতে পারবে না। তিনি বলেন, কাল যারা দেখা করতে গিয়েছিল, পঞ্চায়েত প্রধানরা, তারা সব চোর। আর ভাইপো সহ ডাকাতরা বসেছিল মঞ্চে। শুভেন্দু বলেন, আত্মবিশ্বাস বজায় রাখার জন্য ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে পঞ্চায়েত ভোট করবে রাজ্য সরকার। এদিন কাওয়াখালি এলাকায় পোড়াঝাড় কাওয়াখালি ভূমি রক্ষা কমিটির আন্দোলনকারীদের সঙ্গে তাঁদের ধর্না মঞ্চে গিয়ে দেখা করেন শুভেন্দু। আশ্বাস দেন পাশে থাকার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • BJP Attacks Nitish: বিজেপি বিরোধী জোট সুযোগ সন্ধানীদের, নীতীশকে নিশানা গেরুয়া শিবিরের

    BJP Attacks Nitish: বিজেপি বিরোধী জোট সুযোগ সন্ধানীদের, নীতীশকে নিশানা গেরুয়া শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে উদ্যোগী হয়েছেন বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। তাকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। বুধবার গেরুয়া শিবিরের তরফে বিষয়টিকে সুযোগ সন্ধানীদের জোট (Opportunistic Alliance) বলে নিশানা করা হয়েছে। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে দেশ। তাই বিরোধীদের উদ্যোগ দানা বাঁধবে না বলেই মনে করে গেরুয়া শিবির।

    বিজেপির সঙ্গ ছেড়ে কংগ্রেস এবং লালু প্রসাদ যাদবের আরজেডির সঙ্গে জোট গড়ে সরকার গড়েন জেডিইউ সুপ্রিমো নীতীশ কুমার। তার পরেই তিনি উদ্যোগী হয়েছেন বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে। বিহারে গিয়ে নীতীশের সঙ্গে দেখা করেছেন কেসিআর। দিন কয়েক আগে দিল্লি এসে নীতীশ দেখা করেছেন বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে।

    নীতীশ যখন বিরোধী দলগুলিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে চলেছেন, তখন বিহার ঘুরে এসে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, খরায় জর্জরিত বিহার। খুন জখমের ঘটনা সেখানে প্রতিদিনের ঘটনা। বিহারের কুর্সিতে নীতীশ রয়েছেন দীর্ঘ দিন। কখনও বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে, কখনও বা অন্য কোনও দলের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে। সেই তিনিই ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে বিজেপি বিরোধী একাধিক রাজনৈতিক দলের কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা সেরেছেন। নীতীশের দাবি, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিজেপিকে যেনতেন প্রকারে ক্ষমতা থেকে সরাতে হবে।

    আরও পড়ুন : লক্ষ্য ২০২৪, মেগা বৈঠকে বিজেপি, কী আলোচনা হল জানেন?

    রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, উনি (নীতীশ) বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে একজোট করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে দেশ এই সুযোগ সন্ধানী জোটকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। এবং এদের আর কেউ বিশ্বাস করবে না। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের পর দেশে স্থায়ী সরকার এসেছে। মোদির নেতৃত্বে আশা-আকাঙ্খা পূরণ হয়েছে জনতার। সমাজে উন্নয়নযজ্ঞ চলছে। তিনি বলেন, মোদি বিশ্বে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। ব্রিটেনকে পিছনে ফেলে দেশকে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত করেছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রিত্বের দৌড়ে নীতীশ সবার শেষে বলেও মন্তব্য করেন রবিশঙ্কর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • AAP Bus Scam: বাস দুর্নীতিতে আপ সরকারের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নরের

    AAP Bus Scam: বাস দুর্নীতিতে আপ সরকারের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে জেরবার অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকার। এবার বাস কেনায় দুর্নীতির (CBI Investigation for Bus Scam) অভিযোগে দিল্লির বিরোধী দল বিজেপির অভিযোগের ভিত্তিতে শাসক দল আমি আদমি পার্টির (AAP) বিরুদ্ধে সিবিআই (CBI) তদন্তের নির্দেশ দিলেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয় কুমার সাক্সেনা (Delhi Lieutenant Governor Vinai Kumar Saxena)। জানা গিয়েছে, গত মাসেই আপের বিরুদ্ধে বাস দুর্নীতির অভিযোগে নতুন করে সরব হয় গেরুয়া শিবির (BJP)। এরপরে মুখ্যসচিব নরেশ কুমার লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে ওই সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করেন। সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে হাজারটি বাস কেনা ও তার রক্ষনাবেক্ষনের টেন্ডারে দুর্নীতির অভিযোগে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন তিনি। যদিও বিজেপির বিরুদ্ধে পাল্টা সুর চড়িয়েছে আম আদমি পার্টি। আপের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সবটাই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: আপের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করতে চলেছেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর, কেন জানেন?        
     
    দিল্লি ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন (Delhi Transport Corporation) সম্প্রতি হাজারটি লো ফ্লোর বাস কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। টেন্ডার দেওয়া হয় একটি সংস্থাকে। অভিযোগ, নিয়মের তোয়াক্কা না করেই দিল্লির পরিবহণ মন্ত্রীকে টেন্ডার কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়। গত জুন মাসে এই নিয়ে উত্তাল হয় বিরোধী দল। দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কাছে নতুন করে অভিযোগ জমা পড়ে। দিল্লির মুখ্যসচিব রিপোর্ট জমা দিলে দেখা যায়, সেই রিপোর্টে তিনি বেনিয়মের কথাই উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি টেন্ডারেও ত্রুটি রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। পরে ওই বাস কেনা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।  
     
    এদিকে বাস কেনার বেনিয়মের অভিযোগ উড়িয়ে আম আদমি পার্টির মুখপাত্র সৌরভ ভরদ্বাজ বলেন, “যে বাসের কথা বলা হচ্ছে তা কেনার প্রক্রিয়া আগেই স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। গত দেড় বছরে এই মামলায় সিবিআই কিছুই বেনিয়ম খুঁজে পায়নি।” পাশাপাশি দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নরের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে আপের পক্ষ থেকে বলা হয়, “নিজের ওপর ওঠা অভিযোগগুলি থেকে দৃষ্টি সরাতে এখন বাসের প্রসঙ্গ টানছেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর।” 

    আরও পড়ুন: অসংসদীয় আচরণ, সাসপেন্ড করা হল রাজ্যসভার আরও ৩ সাংসদকে

    সিবিআই ইতিমধ্যেই এই বাসগুলি কেনা এবং বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত চুক্তিগুলি নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে তদন্ত চালাচ্ছে। তার মধ্যেই লেফটেন্যান্ট গভর্নর নতুন অভিযোগগুলিকেও যুক্ত করার জন্য সিবিআই-কে অনুমোদন দিয়েছেন। নিজের সাফাইয়ে আপ জানিয়েছে, ‘‘বাস কখনও কেনাই হয়নি, দরপত্রও বাতিল করা হয়েছিল।  
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Suvendu Adhikari: অকৃতজ্ঞ! মিথ্যা মামলা সাজাচ্ছে বুয়া-ভাতিজার সরকার, ট্যুইট-বাণ শুভেন্দুর 

    Suvendu Adhikari: অকৃতজ্ঞ! মিথ্যা মামলা সাজাচ্ছে বুয়া-ভাতিজার সরকার, ট্যুইট-বাণ শুভেন্দুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর নিরলস চেষ্টায় পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে (Nandigram) পায়ের নীচে মাটি পেয়েছে তৃণমূল (TMC)। অথচ এতটুকুও কৃতজ্ঞতা বোধ নেই। তার পরেও তাঁর বিরুদ্ধে নানা মিথ্যা মামলা সাজাচ্ছে রাজ্যের বুয়া ভাতিজার সরকার। অন্তত এমনই অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্য সরকারের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি (CID) অযথা বিরোধীদের হেনস্থা করছে বলেও অভিযোগ শুভেন্দুর। 
    বাম আমলে নন্দীগ্রামে হয় ভূমি আন্দোলন। সেই সময় প্রবল পরাক্রান্ত বামেদের একাই রুখে দিয়েছিলেন তৎকালীন তৃণমূল নেতা শুভেন্দু অধিকারী। পরে নন্দীগ্রামে যান তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও নন্দীগ্রামে ঢুকতে পারেননি তিনি। শেষমেশ সহায় হন শুভেন্দু। তাঁরই নির্দেশে এক দলীয় কর্মীর বাইকে সওয়ার হয়ে নন্দীগ্রামে ঢোকেন মমতা। বাকিটা তো ইতিহাস। পরে দলনেত্রীর সঙ্গে মনান্তরের জেরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু। তার পর থেকেই জোড়াফুল শিবিরের তরফে নানাভাবে এই পদ্ম নেতাকে হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুন : চিকিৎসা ভাতা বন্ধ করে দেওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু অধিকারী

    তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা রুজু করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর। ট্যুইট বার্তায় শুভেন্দু বলেন, আমার নিরলস পরিশ্রমে যে জেলায় পা রাখার জায়গা পেয়েছিল তৃণমূল, প্রথম তৃণমূলের পতাকা উত্তোলন করতে পেরেছিল আমার জন্য, সেখানেই আমার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যে মামলা করছে বুয়া-ভাতিজা সরকার। তিনি বলেন, ২০১৫ অগাস্ট থেকে ২০২০ নভেম্বর পর্যন্ত মুর্শিদাবাদে আমার নিরাপত্তা রক্ষায় যেসব রক্ষীকে নিয়োগ করা হয়েছিল, ২০২২ এর সেপ্টেম্বর মাসে সিআইডি চেষ্টা করছে তাঁদের দিয়ে আমার নামে মিথ্যে বিবৃতি দেওয়াতে। যাতে করে আরও বেশি করে মিথ্যে মামলা সাজানো যায় আমার বিরুদ্ধে।

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, এটা ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে যে বিরোধী দলের নেতাদের হেনস্থা করতে সিআইডি কত নীচে নামতে পারে। শুভেন্দু লেখেন, চালিয়ে যাও। রাজ্যবাসীকে হেনস্থা করতে মূল্যবান সময় এবং সম্পদ নষ্ট কর। অথচ যেখানে তদন্ত করার কথা তোমাদের, সেখানে হাত গুটিয়ে বসে থাক। তৃণমূল নেত্রীকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, আমার বিরুদ্ধে আপনার এই অশুভ সাধনা চালিয়ে যান। তবে মনে রাখবেন, শাসকের আইনের ওপরে শেষতক রাজ করবে আইনের শাসনই। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Suvendu Adhikari: ‘সিআইডি রাজ্যের ফ্রন্টাল অর্গানাইজেশন…’, বাগুইআটিকাণ্ডে সিবিআই তদন্ত দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘সিআইডি রাজ্যের ফ্রন্টাল অর্গানাইজেশন…’, বাগুইআটিকাণ্ডে সিবিআই তদন্ত দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাগুইআটিতে দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে অপহরণ ও খুনের (Baguiati Twin Kidnapping and Murder) ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    মর্মান্তিক এই ঘটনায় বাগুইআটি থানার পুলিশের বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। এদিন বাগুইআটি থানার সামনে বিজেপির প্রতিবাদ বিক্ষোভে সামিল হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সেখানেই রাজ্যের পুলিশ ও পুলিশমন্ত্রীর উদ্দেশে তীব্র আক্রমণ শানান। বিক্ষোভে যোগ দিয়ে এক বিস্ফোরক দাবি করেন শুভেন্দু। বাগুইহাটির ওসি কল্লোল ঘোষ কে আক্রমণ করে ভাইপোর ‘পিএ’ বলে সম্বোধন করে শুভেন্দু দাবি করেন, কল্লোল ঘোষকে উত্তর ২৪ পরগনা যুব তৃণমূলের সভাপতি ২৫ লক্ষ টাকা দিয়ে এই থানায় নিয়ে এসেছিলেন। শুভেন্দু বলেন, বাগুইআটি থানার বিদায়ী ওসি কল্লোল ঘোষ একজন চোর – ডাকাত। বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোট লুঠ করতে মোটা টাকা দিয়ে তাঁকে বাগুইআটিতে এনেছেন উত্তর ২৪ পরগনা যুব তৃণমূলের সভাপতি দেবরাজ চক্রবর্তী।

    আরও পড়ুন: বাগুইআটিতে জোড়া খুন, নিহত দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী

    জোড়া খুনে সিবিআই তদন্তের দাবিও তোলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেন, ‘‘সিআইডি ওদের ফ্রন্টাল অর্গানাইজেশন। তাদের দিয়ে তদন্ত করিয়ে কোনও লাভ নেই।’’ রাজ্য সরকার অবিলম্বে সিবিআই তদন্তের অনুমতি না দিলে তাঁরা যে জনস্বার্থে কলকাতা হাইকোর্টে সিবিআই তদন্ত চেয়ে মামলা করবে, সেই হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। দুই পড়ুয়ার পরিবারকে আইনি সাহায্য দেওয়ারও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি৷  একইসঙ্গে বাগুইহাটির পুলিশের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে শুভেন্দু দাবি করেছেন, অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারদের শোকজ কিংবা সাসপেন্ড নয়, তাদের গ্রেফতার করতে হবে।’’ 

    এদিন সকাল থেকেই বাগুইআটি থানার বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছে বিজেপি-র (BJP) মহিলা মোর্চার কর্মীরা৷ আজ দুপুরেই সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী৷ আজ প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। একের পর এক বিস্ফোরক বক্তব্য রেখে গেছেন এদিন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) তীব্র কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী, যিনি পুলিশ মন্ত্রীও বটে, তিনি যখন মিডিয়াতে ঝড় ওঠে, বিরোধী দল বিশেষ করে বিজেপি দল প্রতিবাদে সোচ্চার হয়, তখন ইস্যুটাকে ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি অনেক রকম ছলাকলা করেন। কারণ আমরা জানি, মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যা কথা না বলে জলগ্রহণ করেন না। সারাদিন মিথ্যা কথা বলতে বলতে তাঁকে এগোতে হয়। এবং পশ্চিম বাংলায় তিনি গত বিধানসভায় জিতেছেন জেহাদিদের সমর্থনে আর পুলিশের সাহায্যে। এখন শুধুমাত্র পুলিশরা টিকে আছে। যে পুলিশের সাহায্যে চলে খেলা মেলা, রক্তদান, অস্ত্রদান  আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর তার ভাইপোর মিটিংয়ে গাড়ি ভর্তি করে লোক পাঠানো।“

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Yakub Memon: ইয়াকুবের কবর সৌন্দর্যায়ন, দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস শিন্ডের 

    Yakub Memon: ইয়াকুবের কবর সৌন্দর্যায়ন, দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস শিন্ডের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই হামলায় দোষী ইয়াকুব মেমনের (Yakub Memon) কবরের সৌন্দর্যায়ন (Grave Beautification) করা হয়েছে কার নির্দেশে তা জানতে বৃহস্পতিবারই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন মহারাষ্ট্রের (Maharasthra) উপমুখ্যমন্ত্রী বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবীশ। এবার ওই ঘটনায় কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী শিবসেনার (Shiv Sena) একনাথ শিন্ডেও (Eknath Shinde)। তিনি জানান, দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

    ১৯৯৩ সালে মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণে নিহত হন ২৫৭ জন। ওই ঘটনায় অন্যতম চক্রী ছিল ইয়াকুব। ঘটনার পরে পরেই গ্রেফতার করা হয় তাকে। দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ফাঁসির আদেশ দেয় আদালত। ২০১৫ সালে নাগপুর সেন্ট্রাল জেলে কার্যকর করা হয় ফাঁসির আদেশ। তার আগে দু দুবার রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছিল সে। দুবারই খারিজ হয়ে যায় তার প্রাণভিক্ষার আবেদন। এহেন কুখ্যাত ইয়াকুবের কবর সৌন্দর্যায়ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই অভিযোগের তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবীশ।

    দীর্ঘদিন ধরে অন্ধকারেই ঢাকা ছিল ইয়াকুবের কবর। মাস কয়েক আগে কবরস্থান সাজানো হয় এলইডি লাইট দিয়ে। কবর সাজানো হয়েছে গ্রানাইট পাথর ও মার্বেল দিয়েও। বিজেপির অভিযোগ, মহারাষ্ট্রের মহাবিকাশ আগাড়ি জোট সরকারের আমলেই করবের সৌন্দর্যায়ন করা হয়েছিল। ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ। শিবসেনা নেতা তথা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আম্বাদাস দাঁভের দাবি, বিজেপির অভিয়োগ ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, প্রশ্ন হল, কেন ফাঁসির পর দেহ হস্তান্তর করা হল তাঁর পরিবারকে? তাঁর দাবি, কবরের সৌন্দর্যায়ন করা হয়েছিল পাঁচ বছর আগে।

    আরও পড়ুন : ইয়াকুব মেমনের কবর সৌন্দর্যায়ন, তদন্তের নির্দেশ মহারাষ্ট্র সরকারের

    শিন্ডে বলেন, তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শুরুও হয়ে গিয়েছে। তিনি জানান দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিজেপির মহারাষ্ট্র রাজ্য সভাপতি চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে বলেন, উদ্ধব ঠাকরে সরকারের আমলেই হয়েছিল কবরের সৌন্দর্যায়ন। মুখ্যমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ সব ঘটনাই জানানো হত। তিনি বলেন, তাহলে উদ্ধব ঠাকরে বিষয়টি জানেন না, এটা হতে পারে না। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, জোটসঙ্গীদের খুশি রাখতে এবং ক্ষমতায় টিকে থাকতে এটা করেছিলেন ঠাকরে। আপোশ করেছিলেন হিন্দুত্ব অ্যাজেন্ডার সঙ্গে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • BJP Attacks Rahul: রাহুলের ভারত জোড়ো যাত্রাকে কটাক্ষ বিজেপির, কী বলল গেরুয়া শিবির?  

    BJP Attacks Rahul: রাহুলের ভারত জোড়ো যাত্রাকে কটাক্ষ বিজেপির, কী বলল গেরুয়া শিবির?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত জোড়ো যাত্রায় (Bharat Jodo Yatra) অংশ নিতে চলেছেন কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul gandhi)। তাঁকে কটাক্ষ করল গেরুয়া শিবির। বিজেপির  তামিলনাড়ু রাজ্য সভাপতি কে আন্নামালাই (K Annamalai) মঙ্গলবার নিশানা করেন রাহুলকে। তিনি বলেন, কেরলের কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী ভারত জোড়ার চেয়ে ভারত ছাড়োর (Bharat Chodo) জন্য অনেক বেশি বিখ্যাত। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন রাহুলের এই যাত্রা নিউ ইন্ডিয়া সম্পর্কে তাঁর চোখ খুলে দেবে। কারণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে দেশ। দেশ যাত্রায় সেই উন্নয়নের সুফলই দেখতে পাবেন কংগ্রেস নেতা।

    বুধবার দক্ষিণ কন্যাকুমারিকা জেলা থেকে কংগ্রেসের এই যাত্রার সূচনা হওয়ার কথা। এজন্য ছাপানো হয়েছে লিফলেট, পোস্টার। তাতে লেখা হয়েছে মিলে কদম, জুড়ে বতন। যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, চলুন একসঙ্গে হাঁটা যাক দেশকে এক সুতোয় বাঁধতে। যাত্রা চলবে পাঁচ মাস ধরে। শেষ হবে কাশ্মীরে গিয়ে। ১২টা রাজ্যের ওপর দিয়ে যাবেন কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা। ট্যুইট বার্তায় একেই নিশানা করেন আন্নামালাই। তিনি লিখেছেন, রাহুল গান্ধী ভারত ছোড়র জন্য বিখ্যাত। সেই তিনিই আগামিকাল থেকে যাত্রা শুরু করতে চলেছেন। গত আট বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে নিউ ইন্ডিয়া গড়ে তুলেছেন, রাহুল অবশ্য তা চাক্ষুষ করবেন।

    আরও পড়ুন :মোদির ডাকে সাড়া দিয়ে প্রোফাইল পিকচার বদলালেন রাহুল গান্ধীও!

    আন্নামালাইয়ের দাবি, বিজেপি শাসিত রাজ্যে জ্বালানির দাম অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় কম। তিনি বলেন, আমি রাহুল গান্ধীকে অনুরোধ করব ইউপিএর অংশীদার বিশেষত ডিএমকে সরকারকে তিনি যেন ভোটের সময় দেওয়া জ্বালানির দাম কমানোর যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা রক্ষা করতে বলেন। এই বিজেপি নেতা বলেন, রাহুলের যাত্রায় যেসব যানবাহন যাবে, সেগুলি যেন কোনও বিজেপি শাসিত রাজ্য থেকে জ্বালানি ভরে নেয়। তাতে পয়সা বাঁচবে।

    মোদি জমানায় ভারতের যে প্রভূত উন্নতি হয়েছে, এদিন তা মনে করিয়ে দেন আন্নামালাই। বলেন, মোদির জমানায় উন্নতি চোখে পড়বে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। জনধন যোজনায় রাজকোষাগারে বেঁচেছে ২.২৩ লক্ষ কোটি টাকা। মোদির জমানা যে রাজীব গান্ধীর আমলের চেয়ে ভাল, তার উল্লেখ করে এই বিজেপি নেতা বলেন, ১৯৮৫ সালে রাজীব গান্ধী দাবি করেছিলেন প্রতি এক টাকা খরচ হলে উপভোক্তার হাতে গিয়ে পৌঁছায় মাত্র ১৫ পয়সা। এখন তা হয় না বলেই দাবি তাঁর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nitish Kumar: আমার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বাসনা নেই, রাহুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জানালেন নীতীশ

    Nitish Kumar: আমার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বাসনা নেই, রাহুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জানালেন নীতীশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) বিরোধী শিবিরকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে উদ্যোগী হলেন বিহারের (Bihar) মহাজোটের মুখ্যমন্ত্রী জনতা দল ইউনাইটেডের (JDU) নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। সোমবার দিল্লি উজিয়ে গিয়ে তিনি দেখা করলেন কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) সঙ্গে। সূত্রের খবর, ভিন্ন দুই রাজনৈতিক দলের এই দুই নেতার আলোচনায় দেশের বর্তমান রাজনীতির প্রসঙ্গ নিয়েই আলোচনা হয়েছে। বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলকে কীভাবে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসা যায় তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই ‘হুজুরে’র। কেবল কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী নন, এদিন নীতীশ দেখা করেছেন জনতা দল সেকুলার সুপ্রিমো এইচ ডি কুমারস্বামীর সঙ্গেও। কুমারস্বামীর বাসভবনে গিয়ে দেখা করেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী।

    এক সময় বিজেপির হাত ধরে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন নীতীশ। সম্প্রতি গেরুয়া সঙ্গ ছেড়ে কংগ্রেস এবং লালু প্রসাদ যাদবের আরজেডির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে মহাজোট গঠন করে সরকার গড়েন নীতীশ। এই মহাজোট সরকারেরও মুখ্যমন্ত্রী হন নীতীশ। উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয় লালু প্রসাদ যাদবের ছেলে তেজস্বীকে। তখনই জল্পনা ছড়ায় ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বিরোধী শিবিরের প্রধানমন্ত্রী পদে মুখ হতে পারেন নীতীশ। জল্পনা আরও জোরালো হয়, কারণ দিন কয়েক আগে তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর বিহারে এসে দেখা করেন নীতীশের সঙ্গে। এদিন নীতীশ স্বয়ং দেখা করলেন রাহুল এবং কুমারস্বামীর সঙ্গে।

    আরও পড়ুন :জেডি(ইউ) ছেড়ে বিজেপিতে পাঁচ বিধায়ক, নীতীশ কুমারকে কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরের

    জানা গিয়েছে, এদিন রাহুলের ঘণ্টাখানেক ধরে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন নীতীশ। তাঁর সঙ্গে রাহুলের বাসভবনে গিয়েছিলেন বিহারের জল সম্পদ মন্ত্রী তথা নীতীশের দলের নেতা সঞ্জয় কুমার ঝা। বৈঠক শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে নীতীশ বলেন, আঞ্চলিক দলগুলিকে দুর্বল করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আমি চেষ্টা করছি সাধারণ নির্বাচনের আগে বিরোধীদের এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে। প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরার কোনও ইচ্ছে আমার নেই। প্রসঙ্গত, এবারের দিল্লি সফরে নীতীশ দেখা করতে পারেন এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ার, আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল, সিপিএম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি, সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব এবং আইএনএলডি প্রধান ওম প্রকাশ চৌতালার সঙ্গে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Sonali Phogat Murder: বিজেপি নেত্রী সোনালি ফোগাট খুনে নয়া মোড়, এ কী বললেন তাঁর সহকারী?

    Sonali Phogat Murder: বিজেপি নেত্রী সোনালি ফোগাট খুনে নয়া মোড়, এ কী বললেন তাঁর সহকারী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনালি ফোগাট (Sonali Phogat) হত্যায় নয়া মোড়! বিজেপি (BJP) নেত্রী তথা অভিনেত্রী সোনালির সহকারী সুধীর সাঙ্গওয়ানই (Sudhir Sangwan) তাঁকে খুনের পরিকল্পনা করেছে বলে পুলিশি জেরার স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত। জানা গিয়েছে, ফোটেশ্যুটের নাম করে তিনি-ই গুরগাঁও থেকে বিজেপি নেত্রীকে নিয়ে এসেছিলেন গোয়ায় (Goa)। সেখানেই রহস্য মৃত্যু হয় সোনালির।

    মৃত্যুর দিন গোয়ার আঞ্জুনায় ‘কার্লিস’ নামে একটি রেস্তরাঁয় খেতে গিয়েছিলেন বিজেপি নেত্রী সোনালি। সেই সময়ই অস্বস্তি শুরু হয় তাঁর। সঙ্গে সঙ্গে দলের কর্মীরাই তাঁকে নিয়ে যান নিকটবর্তী হাসপাতালে। যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে সোনালির। যদিও তাঁর পরিবারের তরফে খারিজ করে দেওয়া হয় এই দাবি। তাঁদের দাবি, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে ওই বিজেপি নেত্রীকে। মৃতের ভাই রিঙ্কু ঢাকা আঙুল তোলেন তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী সুধীরের দিকেই। মৃতের পরিবারের তরফে অভিযোগ পেয়ে সুধীরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় তাঁর সহযোগী সুখবিন্দর সিং এবং রেস্তরাঁর এডউইন নানসকে।

    ওই ঘটনায় মাদক পাচারকারী দত্তাপ্রসাদ গাঁওকর এবং রামদাস মান্ড্রেকরকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। রেস্তরাঁয় থাকা সিসিটিভির ফুটেজেও দেখা গিয়েছে, সুধীর সোনালিকে মাদক মেশানো পানীয় খেতে জোরাজুরি করছেন। ঘটনার জেরে সুধীর এবং সুখবিন্দরের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগে মামলা রুজু করেছে গোয়া পুলিশ। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির প্রমোদ সাওয়ান্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশকে দ্রুত চার্জশিট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। গোয়া পুলিশও খুনের ঘটনায় সুধীরের জড়িত থাকার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জোগাড় করেছে। সূত্রের খবর, সোনালি ফোগাট হত্যায় অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে দোষী প্রমাণ করার ব্যাপার আত্মবিশ্বাসী পুলিশ।

    আরও পড়ুন : সোনালি ফোগাটের পোস্টমর্টেম রিপোর্টে ঘনীভূত রহস্য, গ্রেফতার দুই সহকারী

    এদিকে, শুক্রবার গোয়া পুলিশ তিনটি লাল রংয়ের ডায়েরি উদ্ধার করেছে সোনালির হরিয়ানার হিসারের বাড়ি থেকে। যা থেকে জানা গিয়েছে সুধীর সঙ্গে সোনালির লেনদেনের সম্পর্ক ছিল। মোটা অঙ্কের টাকা ধার দেওয়ার পাশাপাশি ভিন রাজ্যে ইনভেস্ট করার জন্যও সোনালি তাঁকে টাকা দিয়েছিলেন বলে জেনেছে পুলিশ। তা থেকে পুলিশের অনুমান, সোনালি খুনের নেপথ্যে থাকতে পারে অর্থনৈতিক কোনও বিষয়ও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

LinkedIn
Share