Tag: bjp

bjp

  • Suvendu Adhikari: ‘২০৩১ সালের পরে হিন্দুদেরও পালানোর রাস্তা খুঁজতে হবে’, কীসের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: ‘২০৩১ সালের পরে হিন্দুদেরও পালানোর রাস্তা খুঁজতে হবে’, কীসের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিস্থিতি না বদল করতে পারলে ২০৩১ সালের পর পশ্চিমবঙ্গ থেকে পালানোর পথ খুঁজতে হবে হিন্দুদের। তখন আবাস যোজনায় তৈরি বাড়িগুলি দখল করে নেবে ‘ওরা’। বৃহস্পতিবার হাওড়ার রামরাজাতলায় মন্দির উদ্বোধনের বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের বক্তব্যে একথা বলতে শোনা গেল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari)। তিনি আরও বলেন, ‘‘যে ভাবে পাকিস্তান, আফগানিস্তানকে হিন্দুশূন্য করা হয়েছে একই পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ।’’

    ভাষণে উঠে আসে নিজের মায়ের কথাও বলেন বিরোধী দলনেতা 

    এদিনের বক্তব্যে নিজের মায়ের প্রসঙ্গও তোলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। জীবন বাঁচাতে তাঁকেও বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসতে হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, ‘‘আমার মা গায়ত্রী ভট্টাচার্য, তাঁর বাবা মাখনলাল ভট্টাচার্যের হাত ধরে বরিশাল থেকে এক কাপড়ে পালিয়ে এসেছিল হিন্দু হওয়ার কারণে। আর এখানে পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে, ২০৩১ সালের পরে আমাদেরও পালানোর রাস্তা খুঁজতে হবে। জায়গা খুঁজতে হবে। ভাতা আসবে যাবে। আবাস হবে, আবাস ভাঙবে-গড়বে। কিন্তু এই যে বাড়িগুলি তৈরি করে রেখে যাচ্ছেন না, সব দখল করবে ওরা।’’

    বাংলাদেশে চলছে হিন্দু শূন্য করার কাজ (Suvendu Adhikari) 

    এর পরই বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘দখল করেছে আফগানিস্তানে। সেখানে হিন্দু, শিখ ও জৈন পার্শিদের হাতে সব থেকে বেশি সম্পদ ছিল। একদম শূন্য করে দিয়েছে। পাকিস্তানে ১ শতাংশেরও কমে নামিয়ে দিয়েছে। লাহোর, ইসলামাবাদ থেকে শুরু করে সব বড় শহরে শিক্ষা, ব্যবসা, সম্পদ, অর্থ সব ছিল হিন্দু, শিখ, পার্শিদের হাতে। সেই একই ভাবে বাংলাদেশে শূন্য করার কাজ চলছে।’’

    মমতা (Mamata Banerjee) সরকারের বিরুদ্ধে তোষণের রাজনীতির অভিযোগ

    হাওড়ার সভা থেকে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তোষণের রাজনীতিরও অভিযোগ তোলেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। তাঁর বক্তব্য, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে যে সীমাহীন তোষণ, তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে এবং ডেমোগ্রাফি বদলে দিচ্ছে। সীমান্ত খোলা, রোহিঙ্গা মুসলমান ছেয়ে যাচ্ছে।’’ এরপরেই বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘একদিকে যখন বাংলাদেশি রোহিঙ্গাদের নিয়ে দিল্লি, অসম, ত্রিপুরা পুলিশ তৎপরতা দেখাচ্ছে, তখন বাংলায় তাদের অনুপ্রবেশকে স্বাগত জানাচ্ছেন তৃণমূল নেতারা’’ এদিনের সভায় শুভেন্দু ছাড়াও হাজির ছিলেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের বেলডাঙা শাখার প্রধান কার্তিক মহারাজ। সভায় বক্তব্য রাখেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: “নৈরাজ্যের স্পষ্ট প্রদর্শন”, আম আদমি পার্টিকে নিশানা বিজেপির

    BJP: “নৈরাজ্যের স্পষ্ট প্রদর্শন”, আম আদমি পার্টিকে নিশানা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নৈরাজ্যের স্পষ্ট প্রদর্শন।” ঠিক এই ভাষায়ই আপকে (AAP) আক্রমণ শানাল বিজেপি (BJP)। বুধবার মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে মোতায়েন থাকা দিল্লি পুলিশের কর্মীদের সঙ্গে আপ নেতাদের সংঘাত হয়। সেই সংঘাতকেই নৈরাজ্যের স্পষ্ট প্রদর্শন আখ্যা দিয়েছে বিজেপি।

    পদ্ম সাংসদের বাক্য-বাণ (BJP)

    পদ্ম সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, “দুর্নীতির স্মৃতিস্তম্ভের বাস্তবতা মানুষের সামনে আসছে। আজ যা ঘটছে এবং আপ সংসদ সদস্য সঞ্জয় সিং ও দিল্লির মন্ত্রী সৌরভ ভরদ্বাজ যেভাবে নিজেদের চরিত্র প্রদর্শন করছেন, তাঁরা যতই চেষ্টা করুন না কেন, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দুর্নীতির জাদুঘর, ‘শিশমহল’, বাঁচাতে পারবে না।” তিনি বলেন, “আজ তাঁরা যা করেছেন, তা সম্পূর্ণ অরাজকতার প্রকাশ।”

    ‘শিশমহল’-এর দাবির বিরোধিতা

    দিল্লির মন্ত্রী সৌরভ ভরদ্বাজ ও রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং বিজেপির ‘শিশমহল’-এর দাবির বিরোধিতা করতে মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের দিকে মিছিল করেছিলেন এদিন। পুলিশ কর্মীরা তাঁদের বাসভবনে প্রবেশ করতে বাধা দেন। ভরদ্বাজ বলেন, “আমরা এখানে এসেছি ‘তোমার বাড়ি, আমার বাড়ি’ বিতর্কে যবনিকা টানতে। আমরা বলেছিলাম যে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন এবং মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন উভয়ই মানুষকে দেখানো উচিত। তাই, আমরা এখানে এসেছি।” পুলিশ প্রবেশের অনুমতি না দেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে ধর্নায় বসেন ভরদ্বাজরা। পরে তাঁরা বাগানবাড়ির বাইরে মোতায়েন করা পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। ত্রিবেদী বলেন, “আজ আপ যা করেছে তা তাদের দায়িত্বজ্ঞানহীন, উন্মাদ এবং অরাজক আচরণের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।”

    আরও পড়ুন: ক্ষমতার চিটে গুড়ে পা আটকে ইউনূসের! তাই কি ক্ষুব্ধ খালেদার বিএনপি?

    দিল্লি বিজেপির (BJP) প্রধান বীরেন্দ্র সচদেবা সঞ্জয় ও সৌরভকে নিশানা করে বলেন, “আপ নেতারা নাটক করছেন। শিসমহল নির্মাণে হওয়া দুর্নীতি ও অনিয়ম থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা করছেন। কেন তাঁরা আগেই শিসমহল দেখানোর কথা ভাবেননি? এখন প্রশাসন যখন আদর্শ আচরণবিধি লাগু করেছে, তখন সেখানে যাওয়ার জন্য জোর দিচ্ছেন?” প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার সময় ৪০ কোটি টাকা খরচ করে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনটি সংস্কার করিয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাকে শিসমহল বলে কটাক্ষ করেছেন (AAP) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্বয়ং (BJP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত চিড়িয়াখানার জমি! শুভেন্দুর প্রতিবাদ মিছিলে সায় হাইকোর্টের

    Suvendu Adhikari: বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত চিড়িয়াখানার জমি! শুভেন্দুর প্রতিবাদ মিছিলে সায় হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীরর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার রবীন্দ্র সদন মেট্রো থেকে ন্যাশনাল লাইব্রেরি পর্যন্ত মিছিল করার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বুধবার বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের সিঙ্গল বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছে, আগামী ৯ জানুয়ারি দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টে পর্যন্ত মিছিল করা যাবে। তবে মিছিল নিয়ে হাইকোর্ট কিছু শর্তও আরোপ করেছে।

    প্রতিবাদ মিছিলের অনুমতি 

    চিড়িয়াখানার জমি বেআইনিভাবে বেসরকারি কাজে ব্যবহার করার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার মিছিলের ডাক দিয়েছে বিজেপি। সেই প্রেক্ষিতেই রবীন্দ্র সদন মেট্রো থেকে ন্যাশনাল লাইব্রেরি পর্যন্ত মিছিলের অনুমতি চেয়েছিল তারা। তবে আবারও পুলিশের বিরুদ্ধে অনুমতি না দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তাই আদালতের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ, রবীন্দ্র সদন থেকে পিটিএস, আলিপুর চিড়িয়াখানা হয়ে ন্যাশনাল লাইব্রেরি পর্যন্ত মিছিল করা যাবে। তবে মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের শালীনতা বজায় রাখতে হবে। হাজার সমর্থক মিছিলে অংশগ্রহণ করতে পারবে। বেলা ১২টা থেকে শুরু করে বিকেল তিনটের মধ্যে শেষ করতে হবে মিছিল ৷ সব রকম নিয়মশৃঙ্খলা মেনে মিছিল করতে হবে বলে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। 

    আরও পড়ুন: অপরাধ, তিনি হিন্দু! বাংলাদেশে যুবককে কুপিয়ে খুন, চুপ শান্তিতে নোবেল জয়ী ইউনূস

    কেন প্রতিবাদ মিছিল 

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ঘোষণা করেন, আলিপুর চিড়িয়াখানার উল্টোদিকে চিড়িয়াখানার জমিতে পিপিপি মডেলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে বরাত দেওয়া হচ্ছে, যেখানে বহুতল নির্মাণ করে একটা ফ্লোরে থাকবে সরকারি জিনিসপত্র বিক্রির স্টল আর অন্যগুলোতে বেসরকারি ব্যবসায়ীরা তাঁদের ব্যবসা করতে পারবেন। এই কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) এবার এর বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pranab Mukherjee: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রণব-কন্যার, ঘোর বিপাকে কংগ্রেস

    Pranab Mukherjee: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রণব-কন্যার, ঘোর বিপাকে কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার কংগ্রেসের অস্বস্তি বাড়ালেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রয়াত প্রণব মুখোপাধ্যায়ের (Pranab Mukherjee) কন্যা শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায়। অস্বস্তির কারণ দিন কয়েক আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) ধন্যবাদ জানাতে গিয়েছিলেন প্রণব-কন্যা। সেই ছবি তিনি পোস্ট করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

    অস্বস্তিতে কংগ্রেস (Pranab Mukherjee)

    সেই ছবিই অস্বস্তিতে ফেলেছে সোনিয়া গান্ধীর দলকে। দিন কয়েক আগে মনমোহনের প্রতি বিজেপি সরকার সম্মান প্রদর্শন করছে না বলে তোপ দেগেছিল কংগ্রেস। সেই সময় বোমা ফাটিয়েছিলেন প্রণব-পুত্রী। শর্মিষ্ঠা বলেছিলেন, স্মৃতিসৌধের দাবি তোলা দূরের কথা, তাঁর বাবার মৃত্যুর পর কংগ্রেস কর্মসমিতি একটা শোকসভা পর্যন্ত করেনি। এ কথা মনে করিয়ে দিয়ে কংগ্রেস নেতৃত্বের অস্বস্তি বাড়িয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা। এবার আরও একবার গান্ধী পরিবারকে বিপাকে ফেললেন প্রণব-কন্যা।

    স্মৃতিসৌধের জন্য জমি

    ফেরা যাক খবরে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের প্রয়াণের পর তাঁর স্মৃতিসৌধের জন্য জমি দেওয়ার দাবি তুলেছিল কংগ্রেস। তা নিয়ে বেশ কয়েক দিন ধরে চাপানউতোর চলেছিল সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে। শেষমেশ ভারত সরকার স্মৃতিসৌধের জন্য জমি চিহ্নিত করার কথা ঘোষণা করে। তবে সেই জমি মনমোহনের জন্য নয়, প্রণবের (Pranab Mukherjee) স্মৃতিসৌধের জন্য। ১ জানুয়ারি শর্মিষ্ঠাকে চিঠি লিখে এ কথা জানিয়ে দেয় ভারত সরকারের আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রক। প্রণব-কন্যাকে জানিয়ে দেওয়া হয়, প্রণবের জন্য রাষ্ট্রীয় স্মৃতি কমপ্লেক্সের মধ্যেই স্মৃতিসৌধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার ছবি শর্মিষ্ঠা পোস্ট করেছেন এক্স হ্যান্ডেলে। জানিয়েছেন, ভারত সরকার তাঁর বাবার স্মৃতিসৌধ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাঁকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে গিয়েছিলেন।

    আরও পড়ুন: “আমি যার দিকে তাকাই, ধ্বংস হয়ে যায়,” কাকে বার্তা দিলেন শুভেন্দু?

    এক্স হ্যান্ডেলে শর্মিষ্ঠা লিখেছেন, “আমরা কোনও আর্জি না জানানো সত্ত্বেও বাবার জন্য স্মৃতিসৌধ তৈরি করা হচ্ছে। এটা আরও বেশি করে ভালো লেগেছে। প্রধানমন্ত্রীর এই অপ্রত্যাশিত কিন্তু প্রকৃতই সহৃদয় আরচণ আমাকে খুবই স্পর্শ করেছে।” শর্মিষ্ঠা লিখেছেন, “বাবা বলতেন, রাষ্ট্রীয় সম্মান চাইতে নেই। আপনা থেকেই পেতে হয়। বাবার স্মৃতিকে সম্মান জানানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ আমি। বাবা এখন যেখানে, তিনি প্রশংসা ও সমালোচনার বাইরে। এর কোনও প্রভাবই তাঁর ওপর পড়বে না। কিন্তু ওঁর মেয়ে হিসেবে আনন্দ প্রকাশের ভাষা নেই আমার কাছে (PM Modi)।” প্রণব-কন্যার এই পোস্টেই বেকায়দায় কংগ্রেস (Pranab Mukherjee)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: তাঁর ছবি ব্যবহার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো পোস্ট, পুলিশে নালিশ জানালেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: তাঁর ছবি ব্যবহার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো পোস্ট, পুলিশে নালিশ জানালেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাটের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) ছবি লাগিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো পোস্ট করার অভিযোগ। এই ঘটনা জানাজানি হতেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। বিষয়টি নজরে আসে খোদ বিজেপির রাজ্য সভাপতির। তিনি এই বিষয়ে পদক্ষেপ করার জন্য জেলা সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Sukanta Majumdar)

    বেসরকারি লোন দানকারী সংস্থার বিজ্ঞাপনে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) ছবি দেওয়া রয়েছে। সেখানে বড় বড় হরফে লেখা রয়েছে সুদ ছাড়াই ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত লোন দেওয়া হচ্ছে মা, বোনেদের। আর এই ছবি সোমবার সকাল থেকে বিভিন্ন সমাজমাধ্যমে দেখা মিলতেই নড়েচড়ে বসেছে বিজেপির আইটি সেল। সুকান্ত মজুমদারের অ্যাসিস্ট্যান্ট পার্সোনাল সেক্রেটারি বিষয়টি প্রথমে নজরে আনেন। আর তারপরই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সুকান্তবাবু। রাজনৈতিক কাজে এই মুহূর্তে জেলার বাইরে রয়েছেন তিনি। সেখান থেকেই জেলা পুলিশ সুপারের কাছে তিনি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর নাম ও ছবি অনুমতি ছাড়াই কেন ওই ঋণদানকারী সংস্থা ব্যবহার করছে তা জানতে চান। পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানান তিনি।

    আরও পড়ুন: বন্দি বিনিময় দুই দেশের, ভারতের ৯৫ জন, বাংলাদেশের ৯০ মৎস্যজীবী ফিরছেন ঘরে

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কী বললেন?

    এই বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন,“আমি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারি যে আমার ছবি অবৈধভাবে ব্যবহার করে একটি অ্যাপে ঋণ দেওয়ার একটি প্রকল্পের প্রচার করা হচ্ছিল। আমি দেখেছি ওই অ্যাপগুলোতে শুধু আমি নই, দেশের বহু মুখ্যমন্ত্রী ও বিভিন্ন মন্ত্রীদের ছবি নিয়ে তারা এইরকম অপপ্রচার করছে। তারা কম সুদে লোন দেবার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। আমি এই বিষয়ে নিয়ে অভিযোগ করেছি। আমি আশা করছি পুলিশ এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: “মত্ত অবস্থায় গাড়ি আটকে গালিগালাজ, মারধর করেছেন বাবুল”, আদালতে যাচ্ছেন অভিজিৎ

    Abhijit Ganguly: “মত্ত অবস্থায় গাড়ি আটকে গালিগালাজ, মারধর করেছেন বাবুল”, আদালতে যাচ্ছেন অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার রাতেই দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে রাজ্যের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র (Babul Supriyo) অভব্য আচরণ দেখে হতবাক পথ চলতি সাধারণ মানুষ। গাড়ির গতি বেশি থাকার অভিযোগ তুলে বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Ganguly) সঙ্গে আচমকাই বিবাদে জড়িয়ে পড়েন রাজ্যের মন্ত্রী বাবুল। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এবার ওই ঘটনায় বাবুলের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন তমলুকের বিজেপি সাংসদ তথা কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Abhijit Ganguly)

    শুক্রবার রাতে ঘড়িতে তখন রাত ন’টা। এমন সময় বিজেপি সাংসদ (Abhijit Ganguly) এবং রাজ্যের মন্ত্রীর এই ঝামেলার জেরে দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে (বিদ্যাসাগর সেতু) ব্যাপক যানজট তৈরি হয়েছিল। দুটি গাড়িই হাওড়ার দিকে যাচ্ছিল। অভিজিৎবাবু হর্ন বাজানোয় মাঝ রাস্তায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে দাদাগিরি দেখাতে শুরু করেন বাবুল। গাড়ি আটকে নিজের ক্ষমতা জাহির করতে থাকেন বলে বিজেপি সাংসদের অভিযোগ। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে অভিজিৎবাবুকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করছেন বাবুল সুপ্রিয়। যদিও অভিজিৎবাবু গাড়ি থেকে নামেননি। আর বাবুল সুপ্রিয় জানিয়ে দেন ক্ষমা না চাইলে তিনি তাঁর গাড়ি যেতে দেবেন না।

    আরও পড়ুন: ৪ বছরের মধ্যে ৫০ হাজার কোটির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি লক্ষ্য ভারতের, জানালেন রাজনাথ

    বাবুলের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ?

    বাবুলের বিরুদ্ধে বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) বলেন, “বাবুল মত্ত অবস্থায় আমার গাড়ি থামিয়ে হামলার চেষ্টা করেন। তর্কাতর্কির সময় গাড়ির জানলা দিয়ে হাত ঢুকিয়ে দেন বাবুল। তাতে আমার মোবাইল পড়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমনকী ‘চাকরি খেয়েছেন’ বলেও বাবুল আমাকে কটু মন্তব্য করেছেন। আমার গাড়ি ভাঙচুর করারও চেষ্টা করা হয়। শুধু তাই নয়, আমাকে ‘বুড়ো ভাম’-এর মতো অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজও করা হয়।” অন্যদিকে, বাবুল সুপ্রিয়র অভিযোগ তমলুকের সাংসদ ট্রাফিক নিয়ম ভেঙে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি ছোটাচ্ছিলেন। তারই প্রতিবাদ জানাতে তিনি বিজেপি সাংসদের গাড়ির ওপর চড়াও হন। যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বক্তব্য, তাঁর গাড়ির চালক যদি কোনও ভুল করত তাহলে পুলিশ ধরত। কেস দিতেই পারত। কিন্তু এমন কিছুই হয়নি। তাঁর দাবি, গাড়ির সামনে  ‘এমপি তমলুক’ লেখাটি দেখতে পেয়েই বাবুল ইচ্ছাকৃত এসব করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: দিল্লি নির্বাচনে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কেজরিওয়ালের বিপক্ষে পরবেশ ভার্মা

    BJP: দিল্লি নির্বাচনে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কেজরিওয়ালের বিপক্ষে পরবেশ ভার্মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি (BJP)। ৭০টির মধ্যে ২৯টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে গেরুয়া শিবির। আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) বিরুদ্ধেও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে গেরুয়া শিবিরের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন পরবেশ শাহিব সিং ভার্মা। প্রসঙ্গত, তিনি বিজেপির প্রাক্তন সাংসদও বটে। নতুন দিল্লি আসন থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সেই আসনেই দাঁড় করানো হয়েছে পরবেশ শাহিব সিং ভার্মাকে।

    কী বললেন কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে বিজেপি (BJP) প্রার্থী? 

    প্রাথী তালিকায় নাম ঘোষণার পরে নিজের দলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পরবেশ শাহিব সিং। নিজের বিবৃতিতে তিনি জানান, সমগ্র দিল্লি যখন করোনায় আক্রান্ত ছিল, তখন তাদের প্রয়োজন ছিল অক্সিজেনের। কিন্তু অরবিন্দ কেজিরওয়াল তখন সেই প্রয়োজন মেটাননি। তিনি আরও জানিয়েছেন, দিল্লিতে যমুনা নদীকে পরিষ্কার করতে হবে। এর পাশাপাশি দিল্লির দূষণকে রোধ করতে হবে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই সমস্ত কাজই সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    কেজরিওয়ালের স্ত্রীর বিরুদ্ধে টিকিট পেয়েছেন বিজেপি (BJP) সাংসদ রমেশ বিদুড়ি 

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দিল্লি সরকারের পরিবহণ মন্ত্রী কৈলাস গেহলট আম আদমি পার্টি থেকে ইস্তফা দেন, এরপরে তিনি বিজেপি যোগদান করেন। তাঁকেও বিজেপি প্রার্থী করেছে। দিল্লির বিজওয়াসন আসন থেকে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অন্যদিকে, দক্ষিণ দিল্লির বিজেপি (BJP) সাংসদ রমেশ বিদুড়িকেও বিজেপি প্রার্থী করেছে এবং তিনি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অতসীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কালকাজি আসন থেকে। এদিকে, কালকাজি আসন থেকে কংগ্রেস প্রার্থী করেছে তাদের দলের নেত্রী অলকা লাম্বাকে। প্রসঙ্গত গতকালই জানা যায়, দিল্লি বিজেপির প্রধান বীরেন্দ্র সচদেব কোনও আসন থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: ময়নায় বিজেপি নেতা খুনে অভিযুক্তকে পুণে থেকে গ্রেফতার করল এনআইএ

    NIA: ময়নায় বিজেপি নেতা খুনে অভিযুক্তকে পুণে থেকে গ্রেফতার করল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নায় বিজেপি নেতা বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে খুনের ঘটনায় এবার মহারাষ্ট্র থেকে গ্রেফতার করা হল এক অভিযুক্তকে। জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম মোহন মণ্ডল। তাকে পুণে থেকে গ্রেফতার করে এনআইএ (NIA)। পলাতক মোহনের বিরুদ্ধে আগেই জামিন অযোগ্য গ্রেফতার পরোয়ানা জারি হয়েছিল। এর আগে এই মামলায় নবকুমার মণ্ডল ও শুভেন্দু ভৌমিক নামে দুই তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। এদিন মহারাষ্ট্রের আদালত থেকে ট্রানজিস্ট রিমান্ডে ধৃতকে এরাজ্যে নিয়ে আসা হচ্ছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?(NIA)

    ২০২৩ সালের পয়লা মে ময়নার বাকচায় খুন হন বিজেপির বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়া। জানা গিয়েছে, ভর সন্ধেয় বাড়ি ফেরার পথে স্ত্রীর সামনেই প্রথমে মারধর করা হয়েছিল বিজেপির (BJP) বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে। এরপর তাঁকে মোটরবাইকে চাপিয়ে জোর করে তুলে নিয়ে যায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা, দাবি পরিবারের। ওই দিনই গভীর রাতে বাড়ি থেকে বেশ কিছুটা দূরে বিজেপি নেতার দেহ উদ্ধার হয়। মাথায় ভারী কিছু দিয়ে মেরে খুন করা হয়েছিল তাঁকে, প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের। রাতে থানার সামনে ময়নার বিধায়ক অশোক দিন্দার নেতৃত্বে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। বিজয়ের স্ত্রী লক্ষ্মীরানি ভুঁইয়া তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মনোরঞ্জন হাজরা, তৎকালীন পঞ্চায়েত প্রধান সুখলাল মণ্ডল-সহ মোট ৩৪ জনের বিরুদ্ধে ময়না থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযুক্তদের মধ্যে সাত জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পরে আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় এনআইএ-র হাতে। বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হলেও পালিয়ে যায় কয়েকজন। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে গোড়ামহলে অভিযান চালিয়ে ১০ জন তৃণমূল নেতার বাড়ি সিল করে দেয় এনআইএ। কয়েকদিন আগেও এনআইএ এর হাতে ধরা পড়েছিল দুই অভিযুক্ত। তাঁদের জেরা করেই অভিযুক্ত মোহন মণ্ডলের সম্পর্কে তথ্য জানতে পারেন তদন্তকারীরা। এরপরই পুণের উদ্দেশে রওনা দেয় এনআইএর (NIA) দল।

    আরও পড়ুন: ৪ বছরের মধ্যে ৫০ হাজার কোটির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি লক্ষ্য ভারতের, জানালেন রাজনাথ

    ভোট পরবর্তী হিংসা

    গতবছর লোকসভা ভোটের পাঁচদিন আগে কাঁথির ভূপতিনগরে বিজেপি নেতাদের বাড়িতে চড়াও হয়ে মারধরের ঘটনার অভিযোগ উঠেছিল। সেবার বিজেপি নেতাদের মারধরের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আহত হয়েছিলেন অর্জুননগরের বিজেপি বুথ সভাপতি অবনী দে-সহ ৩ নেতা। তারও আগে ২০২১-এর ২ মে বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার দিন, খুন হয়েছিলেন, কাঁকুড়গাছির বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার। পরিবারের অভিযোগ ছিল, শ্বাসরোধ করে, মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করে খুন করা হয়েছিল বিজেপি কর্মী অভিজিৎকে। হাইকোর্টের নির্দেশে এরপর তদন্তভার গিয়েছিল সিবিআইয়ের হাতে। একুশ থেকে পঁচিশের মাঝে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ক্রমশই বেড়ে চলেছে বলেই চাপানউতোর রাজনৈতিক মহলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: চলতি বছর বিজয়া দশমীতে শতবর্ষে পা দেবে আরএসএস, তুঙ্গে প্রস্তুতি

    RSS: চলতি বছর বিজয়া দশমীতে শতবর্ষে পা দেবে আরএসএস, তুঙ্গে প্রস্তুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর শতবর্ষে (Centenary Year) পদার্পণ করবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)। এ বছর তাদের সংগঠনের নেটওয়ার্ক আরও প্রসারিত করতে প্রস্তুত তারা। বিজয়া দশমীর দিন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আরএসএস। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ডঃ কেশব বালিরাম হেডগেওয়ার। আরএসএসের প্রথম শাখা খোলা হয়েছিল নাগপুরে, একদল যুবককে সঙ্গে নিয়ে।

    আরএসএসের প্রভাব (RSS)

    গত ৯৯ বছরে দেশজুড়ে আরএসএস তাদের প্রভাব ব্যাপকভাবে বিস্তার করেছে। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে আরএসএস কর্তাদের একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর জানা গিয়েছিল দেশের প্রতিটি কোণায় পৌঁছে গিয়েছে আরএসএস। জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশের ৪৫ হাজার ৪১১টি জায়গায় পরিচালিত হচ্ছে ৭২ হাজার ৩৫৪টি শাখা। গত এক বছরে ৩ হাজার ৬২৬টি নতুন জায়গায় ৬ হাজার ৬৪৫টি নতুন শাখা যোগ হয়েছে। শতবর্ষপূর্তি উদযাপনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই তৈরি হয়েছে এই শাখাগুলি। আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবকরা প্রতি সপ্তাহে এক ঘণ্টার জন্য কোনও একটি জায়গায় একত্রিত হন। একে বলে সাপ্তাহিক শাখা। বর্তমানে এমন শাখার সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৬৯টি। ২০২৪ সালে সাপ্তাহিক শাখার সংখ্যা বেড়েছে ৩ হাজার ১৪৭টি। 

    ‘সংঘ মণ্ডলী’

    এখনও দেশের এমন কিছু এলাকা রয়েছে যেখানে আরএসএস (RSS) মনে করে আরও সক্রিয়ভাবে পৌঁছানো প্রয়োজন। যেসব জায়গায় প্রতিদিনের শাখা এখনও চালু হয়নি, সেখানে মাসিক মিলন মেলার আয়োজন করা হয়। এভাবেই প্রতিদিনের শাখা চালুর জন্য মাটি প্রস্তুত করার কাজ শুরু হয়েছে। বর্তমানে, এমন মাসিক সভা হয় ১১ হাজার ৩৮২টি জায়গায়। ২০২৪ সালে এমন ৭৫০টি নতুন জায়গা যোগ হয়েছে যেখানে এই মাসিক সভা হয়। আরএসএসের পরিভাষায় এই মাসিক সভার দলগুলোকে বলা হয় ‘সংঘ মণ্ডলী’ (Centenary Year)। ২০২৪ সালে আরএসএস সরাসরি ১ লাখ ১৩ হাজার ১০৫টি জায়গায় তার কাজকর্ম বিস্তার করেছে। এর সঙ্গে আরএসএস-প্রাণিত প্রায় ৩৬টি সংস্থার কার্যক্রম যোগ করলে দেখা যাবে আরএসএস স্বয়ংসেবকদের বিপুল প্রচার দিন দিন অতুলনীয় হয়ে উঠছে।

    দেশবাসীর পাশে আরএসএস

    প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বারংবার ভারতবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছে আরএসএস। বছরভর সংঘের স্বেচ্ছাসেবকরা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ত্রাণ দেওয়ার কাজে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। পশ্চিমবঙ্গে তারকেশ্বরী নদীর বন্যার সময় ত্রাণ শিবির খুলে ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দেওয়া হয়েছে আরএসএসের তরফে। ওড়িশার ভয়াবহ বন্যার সময় ৪ হাজার মানুষকে স্বাস্থ্য পরিষেবা, খাবার ও পানীয় জল দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কেরলের ওয়েনাড়ে বিধ্বংসী ভূমিধসের পর দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন আরএসএসের এক হাজার স্বেচ্ছাসেবক। তাঁদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন দেওয়া হয় আরএসএসের তরফে। গুজরাটের ভাদোদারা, জামনগর এবং দ্বারকা অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যার সময়ও দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন আরএসএসের স্বয়ংসেবকরা (Centenary Year)। এর পাশাপাশি সংঘ স্বয়ংসেবকরা বিভিন্ন দুর্যোগে প্রাণ হারানো ৬০০-এরও বেশি মানুষের শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা (RSS) পালন করেছেন। মৃতদের প্রত্যেকের ধর্মীয় রীতি-নীতি মেনেই শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছে।

    শতবর্ষ পূর্তি

    আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি হবে চলতি বছরের বিজয়া দশমীর দিন। তখনই শুরু হবে শতবর্ষপূর্তি উৎসব। এ বছরের প্রথম দশ মাস ধরে শতবর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি নেবেন আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবকরা। এই প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আরএসএস দুটি প্রধান ক্ষেত্রে মনোযোগ দিয়েছে। প্রথমত, সাংগঠনিক দিক। আরএসএস আরও বেশি করে পূর্ণ সময়ের কর্মী সংগ্রহের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে। এর লক্ষ্য হল দেশের প্রতিটি গ্রাম, শহর ও নগরে আরএসএসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা। আরএসএসের কাছে কোনও কিছু উদযাপন মানে চকচকে ইভেন্ট বা জাঁকজমকপূর্ণ সমাবেশের আয়োজন করা নয়। আরএসএস উদযাপন করে তার সংগঠন সম্প্রসারণের জন্য বড় লক্ষ্য গ্রহণ করে এবং বর্তমানে যে নেটওয়ার্ক রয়েছে, তাকে আরও শক্তিশালী করার মাধ্যমে। এর আগের কিছু সরসংঘচালকের শতবার্ষিকীও ঠিক এভাবেই উদযাপন করেছিল তারা। ২০২৫ সালে আরএসএসের আর একটি লক্ষ্য হল যুবসমাজকে (RSS) বেশি করে কাছে টানা। যাতে তারা কেবল তাদের সাংস্কৃতিক শিকড়ের সঙ্গেই যুক্ত হয় না, তারা যাতে সমাজের সেবাও করতে পারে, তার দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: মাও ‘দমনে’ বিরাট সাফল্য, আত্মসমর্পণ কিষেনজির ভাইবউ বিমলা-সহ ১১ মাওবাদীর

    সামাজিক রূপান্তর

    দ্বিতীয় যে ক্ষেত্রটিতে আরএসএস নতুন করে জোর দিচ্ছে, তা হল সামাজিক রূপান্তর। এই কাজের আদর্শ কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল ২০২৪ সালে। নাম দেওয়া হয়েছিল “পঞ্চ পরিবর্তন” উদ্যোগ – পাঁচটি রূপান্তরকারী ধারণার একটি সেট। আরএসএস কর্মীরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে এই ধারণাগুলি নিয়ে যোগাযোগ করবেন। এগুলি বাস্তবায়নের জন্যও কাজ করবেন তাঁরা। এই পাঁচটি ধারণার মূল ফোকাসের ক্ষেত্রগুলি হল- ব্যক্তিগত উন্নয়ন: “স্বরাজ” (স্বনির্ভরতা এবং আত্মসচেতনতা)-কে কেন্দ্র করে জীবনধারার প্রচার। সামাজিক সম্প্রীতি: সমাজে ঐক্যের সম্পর্ক গড়ে তোলা। পারিবারিক মূল্যবোধ: শক্তিশালী পারিবারিক বন্ধন ও ঐতিহ্যবাহী মূল্যবোধকে গুরুত্ব দেওয়া। পরিবেশ সংরক্ষণ: পরিবেশ রক্ষা ও সংরক্ষণের প্রচার। এবং নাগরিক দায়িত্ব: নাগরিক দায়িত্ববোধ ও সমাজে সক্রিয় অংশগ্রহণের প্রচার (RSS)।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও রাজনীতিবিদরা যখন আরএসএসের সঙ্গে বিজেপির সম্পর্ক এবং এর নির্বাচনী প্রভাব বিশ্লেষণ করতে ব্যস্ত থাকেন, তখন আরএসএস তার সাংগঠনিক সম্প্রসারণে মনোনিবেশ করে। আরএসএস নির্বাচনী রাজনীতির বিষয়ে খুব কমই চিন্তা করে। ২০২৫ সালেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে, যেমনটা রয়েছে গত ৯৯ বছর ধরে (Centenary Year)। এটাই আরএসএসের প্রকৃত শক্তি (RSS)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

      

     

  • Delhi Assembly Elections 2025: রাহুল গান্ধীকে ফের তোপ প্রণব-কন্যার, দিল্লি নির্বাচনের আগেই কি বিজেপিতে?

    Delhi Assembly Elections 2025: রাহুল গান্ধীকে ফের তোপ প্রণব-কন্যার, দিল্লি নির্বাচনের আগেই কি বিজেপিতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রণব-কন্যা শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায়ের কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীর উপর বিরাট রাগ। অবশ্য এই রাগের কারণ প্রণব কন্যার ধারণা প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিকে বঞ্চনা এবং অশ্রদ্ধাই করা হয়েছে দলের তরফ থেকে। দীর্ঘ দিনের বরিষ্ঠ কংগ্রেস নেতা ছিলেন প্রণববাবু। কন্যার অবশ্য দাবি বাবাকে দল যথার্থ সম্মান দেয়নি, কোনও রকম স্বীকৃতি দেয়নি। রাহুল গান্ধী এই প্রবীণ কংগ্রেস নেতাকে ‘সঙ্ঘী’ বলে আক্রমণ করেছিলেন, তাই এবার নাম করে মেয়ে রাহুল ঘনিষ্ঠ ভক্তদের তীব্র তোপ দেগেছেন। ফলে আসন্ন দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের (Delhi Assembly Elections 2025) আগে কি বিজেপিতে যোগদান করবেন শর্মিষ্ঠা? জল্পনা তুঙ্গে।

    শর্মিষ্ঠা কি বিজেপিতে যাবেন?

    সমানেই দিল্লিতে বিধানসভার নির্বাচন (Delhi Assembly Elections 2025)। ইতিমধ্যে শর্মিষ্ঠা কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে তীব্র তোপ দেগে চলেছেন। দিল্লি নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে কি তাহলে সরাসরি রাজনৈতিক লড়াইতে নামবেন? এই নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। তাহলে কি বিজেপিতে যোগদান করতে পারেন প্রণব-কন্যা শর্মিষ্ঠা। উল্লেখ্য, নাগপুরে আরএসএস-এর তৃতীয় বর্ষ সঙ্ঘ শিক্ষা বর্গের প্রধান অতিথি হয়েছিলেন প্রণববাবু। একই ভাবে সংসদে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে সংসদে আলিঙ্গন করেছিলেন রাহুল, কিন্তু কংগ্রেস নেতারা প্রণববাবুকে সঙ্ঘী তকমা দিয়েছিলেন। এরপর বাবার হয়ে সরাসরি কংগ্রেসকে তুলোধনা করেন শর্মিষ্ঠা।

    রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ

    শর্মিষ্ঠা নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “রাহুলের ভক্ত যারা একদিন আমার বাবাকে সঙ্ঘী বলতেন, আমি তাঁদের বলছি, কই আপনারা একবার প্রশ্ন করে দেখুন তো কেন তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে সংসদে জড়িয়ে ধরেছিলেন? ইনি সেই রাহুল গান্ধী যাঁর মা মোদিকে মওতকা সওদাগর বলেছিলেন। তাঁদের যুক্তি অনুসারে তো রাহুলকে তাঁর সহযোগী হিসেবে দেখা উচিত। এইসব দুষ্ট মূর্খ, দালালদের সঙ্গে নিয়ে কংগ্রেসকে পুনরুজ্জীবিত করে তোলার জন্য রাহুল গান্ধী আপনাকে শুভেচ্ছা জানাই। এখন আপনার ‘নফরত কি দুকানদারদের’ আমাকে গালমন্দ করার জন্য ছেড়ে দিন। আমাকে অভিশাপ দিন!”

    আরও পড়ুনঃ জয়েন্ট মাস্টার্স প্রোগ্রাম থেকে মুসলিম সংরক্ষণ বন্ধের কথা ভাবছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়

    কংগ্রেস-আপের বিরুদ্ধে সাড়া ফেলার সম্ভাবনা প্রবল

    দিল্লিতে প্রণব-কন্যা বেশ পরিচিত মুখ। সামনেই নির্বাচন (Delhi Assembly Elections 2025) সেই সঙ্গে বাবা প্রণব নামের পুঁজি ব্যাপক সারা ফেলেতে পারে। দীর্ঘদিন ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে কাজ করার আবেগ ও অনুভূতি জনমনে সাড়া ফেলতে পারে। উল্লেখ্য শর্মিষ্ঠা বাবার লেখা বই প্রধানমন্ত্রী মোদিকে দিতে গিয়েছিলেন গত ১৫ জানুয়ারি। তাই বিজেপিতে যোগদান করলে একদিকে কংগ্রেস এবং অপর দিকে আপের বিরুদ্ধে জনমত গড়তে ব্যাপক কাজ হবে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। শর্মিষ্ঠার কংগ্রেস সমালোচনা যে রাহুলদের জন্য ভালো বার্তা নয়, তা মনে করছে রাজনৈতিক মহল।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share