Tag: Bollywood

Bollywood

  • Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টে এনআইএ-র রিপোর্ট পেশ, রাজ্যের ভূমিকায় অসন্তোষ শীর্ষ আদালতের

    Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টে এনআইএ-র রিপোর্ট পেশ, রাজ্যের ভূমিকায় অসন্তোষ শীর্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা (Malda) মোথাবাড়িতে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের ঘেরাও ও হেনস্থার ঘটনায় তদন্তপ্রক্রিয়া কতদূর এগোল, সেই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) জমা দিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। ২০২৬ সালের এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে শীর্ষ আদালত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “যদি রাজ্যের বিচার বিভাগীয় অফিসাররাই নিরাপদ না থাকেন, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। বিচার ব্যবস্থার ওপর এই ধরনের আক্রমণ কোনওভাবেই সহ্য করা হবে না।”

    ২২ জন  বুথ লেভেল অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদ (Supreme Court)

    মোথাবাড়ি (Malda) অঞ্চলের ২২ জন  বুথ লেভেল অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসাররা। তাঁদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে বলে অনুমান। বিচারকদের উপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমস্ত তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখেই এই রিপোর্ট তৈরি করছেন তদন্তকারীরা। ভোটার তালিকায় নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনার জেরে মোথাবাড়ির বিডিও অফিসে দীর্ঘ ৮ ঘণ্টা আটকে রাখা হয়েছিল সাতজন বিচারবিভাগীয় (Supreme Court) আধিকারিককে। শুধু তাই নয় সেই সঙ্গে শারীরিক ভাবে হেনস্থাও করা হয়। তাঁদের মধ্যে নারী আধিকারিকরাও ছিলেন। ভিড়ের তান্ডবে তাঁদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। এই খবরটি সুপ্রিম কোর্টের নজরে আসে। সেই সময় গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। দুষ্কৃতীদের একটা বড় অংশ স্থানীয় আইএসএফ, এমআইএম এবং তৃণমূলকর্মী বলে সামাজিক মাধ্যমে একাধিক পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে।

    এনআইএ তদন্তের নির্দেশ

    এনআইএ-র আইজি সোনিয়া সিং (Sonia Singh IG NIA) ইতিমধ্যেই ২৫ পাতার একটি বিস্তারিত রিপোর্ট নিয়ে রাজধানী পৌঁছে গিয়েছেন। আজ, সোমবার সেই রিপোর্ট জমা পড়তে চলেছে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। হামলার আগে-পরে ঠিক কী ঘটেছিল, প্রশাসনের ভূমিকা কী ছিল—সবটাই এখন সর্বোচ্চ আদালত তদন্ত করে দেখছে। মোথাবাড়ির ঘটনার দিন রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে যারপরনাই অসন্তুষ্ট ছিল শীর্ষ আদালত। রাজ্যের মুখ্য সচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি ও জেলার এসপি, ডিএম-দের শো’কজ করা হয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করতে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন। প্রশ্ন উঠছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এসআইআর (SIR)-এর কাজ করছেন যাঁরা, সেই বিচারকদের ঘিরে এরকম বিক্ষোভ হল কী করে? পরিস্থিতি কেন নিয়ন্ত্রণ করা গেল না? পুলিশ প্রশাসন কী করছিল? এই সব দিক খতিয়ে দেখে সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এনআইএ-এর রিপোর্ট দেওয়ার কথা।সুপ্রিম কোর্ট এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয় এনআইএ-র হাতে। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ সূত্রে জানা গিয়েছে এটি কেবল একটি সাধারণ জনরোষ নয়, বরং বিচারব্যবস্থাকে ভয় দেখানোর একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হতে পারে।

    শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ

    এসআইআর ইস্যুতে শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন যে, আদালত নিযুক্ত আধিকারিকদের নিরাপত্তা দিতে রাজ্য প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। এই ঘটনাকে ‘সাংবিধানিক কাঠামোর ওপর আঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এনআইএ তাদের রিপোর্টে জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারীসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও রয়েছেন। ঘটনার পেছনে কোনো বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। যদিও সুপ্রিম কোর্ট আগেই ইঙ্গিত দিয়ে বলেছিল, প্রয়োজন পড়লে আদালত কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আরও সক্রিয় করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করবে।

    কালিয়াচক ২ নম্বর বিডিও অফিসে কী ঘটেছিল?

    ঘটনার দিন বুধবার সকাল থেকেই জমায়েত শুরু হয়েছিল কালিয়াচক (Malda) ২ নম্বর বিডিও অফিসে। প্রথম সারিতে ছিলেন মহিলারা। আচমকা একসময় বিডিও অফিসের ভিতরেও ঢুকে পড়ে দুষ্কৃতীরা। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের বের করে দেয়। কিন্তু তারপরেও তারা এলাকা ছাড়েননি! শেষে রাতে যখন বিচারকরা (Supreme Court) পুলিশের ঘেরাটোপে বেরোচ্ছেন, তখনও সেখানে দাঁড়িয়ে প্রচুর বিক্ষোভ দেখায় দুষ্কৃতীরা। সামাজিক মাধ্যমে সামনে আসা একাধিক ভিডিওতে এমন ছবি দেখা যায়।

    রাজ্য সরকারের অবস্থান

    অন্যদিকে, রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কালিয়াচককাণ্ড প্রসঙ্গে (Malda) জানানো হয়েছে যে তারা যথাসাধ্য পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছে এবং বর্তমানে তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করছে। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং অভিযুক্তদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না। মোথাবাড়ির ঘটনা নির্বাচন কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট এবং বিধানসভার নির্বাচন প্রক্রিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই ঘটনার পর থেকে এসআইআর, বিচারকদের হেনস্থার মতো ঘটনা আগামী বিধানসভার ভোটে  প্রভাব ফেলবে বলে মত প্রকাশ করেছেন ওয়াকিবহাল মহলের মানুষ। তবে তৃণমূল দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বিজেপির পক্ষে জনমত গঠন করবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

  • Dhurandhar-2: ১৮ দিনে ১০০০ কোটি! দুরন্ত গতিতে ছুটছে ‘ধুরন্ধর ২’, গড়ল বলিউডের নয়া রেকর্ড

    Dhurandhar-2: ১৮ দিনে ১০০০ কোটি! দুরন্ত গতিতে ছুটছে ‘ধুরন্ধর ২’, গড়ল বলিউডের নয়া রেকর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউড (Bollywood) বক্স অফিসে অপ্রতিরোধ্য গতিতে ছুটছে রণবীর সিং অভিনীত ‘ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ’ (Dhurandhar-2)। মুক্তির ১৮তম দিনেই ভারতীয় বক্স অফিসে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করল এই ছবি। আদিত্য ধর পরিচালিত এই স্পাই-অ্যাকশন থ্রিলারটি প্রথম বলিউড সিনেমা হিসেবে ভারতের বাজারে নিট (Net) ১০০০ কোটি টাকার কালেকশন ছাড়িয়ে গেছে।

    ঐতিহাসিক মাইলফলক (Dhurandhar-2)

    ভারতের বক্স অফিসে (Dhurandhar-2) সব সংস্করণ হিন্দি, তামিল, তেলুগু ইত্যাদি মিলিয়ে ১০০০ কোটি টাকার গণ্ডি পার করা প্রথম হিন্দি সিনেমা হল ‘ধুরন্ধর ২’ (Bollywood)। এর আগে কেবল ‘বাহুবলী ২’ এবং ‘পুষ্পা ২’ এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিল। কিন্তু, উভয় দক্ষিণী সিনেমা।

    রণবীর সিং-এর রেকর্ড

    এই সাফল্যের সঙ্গে রণবীর সিং বলিউডের প্রথম অভিনেতা হিসেবে ১০০০ কোটি টাকার ক্লাবে প্রবেশ করলেন। ছবিতে তার দ্বৈত চরিত্র জাসকিরাত এবং হামজা দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। মাত্র ৬ দিনে হিন্দি সংস্করণে ৫০০ কোটির মাইলফলক স্পর্শ করে ছবিটি (Dhurandhar-2) এর আগেই রেকর্ড গড়েছিল।

    বিশ্বজুড়ে আয়

    বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে সিনেমাটি ইতিমধ্যেই ১৫০০ কোটি টাকার বেশি আয় করেছে। উত্তর আমেরিকায় এটি সর্বোচ্চ আয়কারী ভারতীয় চলচ্চিত্র (Bollywood) হিসেবে ‘বাহুবলী ২’-এর (Dhurandhar-2) রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে (আড়াই কোটি ডলারের বেশি)।এই মাইলফলকের মাধ্যমে রণবীর সিং ভারতে ১,০০০ কোটি টাকার নেট গ্রসার সিনেমার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করা প্রথম হিন্দি চলচ্চিত্র তারকা হয়েছেন। জসকিরাত এবং হামজা হিসেবে তাঁর দ্বৈত ভূমিকা ব্যাপকভাবে দর্শক মহলে সাড়া ফেলে দিয়েছে।

    টিকিট বিক্রিতে রেকর্ড

    অনলাইন টিকিট বুকিং প্ল্যাটফর্ম ‘বুক মাই শো’-তে (BookMyShow) ১.৫ কোটির (Dhurandhar-2) বেশি টিকিট বিক্রি হওয়া প্রথম বলিউড ছবি এটি। হিন্দি সংস্করণের পাশাপাশি তেলুগু, তামিল এবং কন্নড় সংস্করণের আয়ও এই বিশাল মাইলফলক ছুঁতে সাহায্য করেছে। ১৮তম দিনেও সিনেমাটি বক্স অফিসে (Bollywood) দাপট বজায় রেখেছে। রণবীর সিং ছাড়াও এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অর্জুন রামপাল, সঞ্জয় দত্ত, আর মাধবন এবং সারা অর্জুন।

  • Arijit Singh: একই ধাঁচের গানে ক্লান্ত! আর প্লে-ব্যাক নয়, গানের ভেলা এবার মনের স্রোতে ভাসাতে চান অরিজিৎ

    Arijit Singh: একই ধাঁচের গানে ক্লান্ত! আর প্লে-ব্যাক নয়, গানের ভেলা এবার মনের স্রোতে ভাসাতে চান অরিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ক্ষণে গোরাচাঁদ ক্ষণে কালা’ থেকে ‘গেহরা হুয়া’! কখনও ‘বোঝে না সে বোঝে না’ আবার কখনও ‘কেশারিয়া’-বলিউড থেকে টলিউড! হিন্দি, বাংলা, তামিল, তেলুগু সাম্প্রতিক বহু ছবির গানেই তিনি রয়েছেন। বয়স মাত্র ৩৮, এখনও ৪০ পেরোয়নি! সামনে বিস্তীর্ণ সোনালি অধ্যায়! এ হেন সময়ে হঠাতই ঘোষণা প্লেব্যাক করবেন না অরিজিৎ (Arijit Singh)। মঙ্গলবার রাতে সমাজমাধ্যমে নিজেই এই ঘোষণা করে দিলেন অরিজিৎ সিং। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে সঙ্গীতমহল যেমন স্বাগত জানিয়েছে, তেমনই হতবাক তাঁর অগণিত ভক্তরা। নিজের বার্তায় অরিজিৎ লেখেন, “নতুন বছরের শুভেচ্ছা সকলকে। শ্রোতা হিসেবে এত বছর ধরে আমায় যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। তবে আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি, এ বার থেকে আমি আর প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে কোনও কাজ করব না।” এই মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়।

    কেন এই অবসর?

    অনুরাগীদের এই একটাই প্রশ্ন, কেন গায়ক হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত নিলেন। তারই উত্তরে কমেন্টে অরিজিৎ লেখেন, “এর একটা কারণ আছে। নতুন কোনও গায়ক উঠে এসে আমাকে সত্যিকারের অনুপ্রেরণা দেবে, এই অপেক্ষায় আমি রইলাম।” অরিজিতের (Arijit Singh) গান ভালবাসেন না, এমন শ্রোতা খুঁজে পাওয়া সত্যিই কঠিন। তাঁর কণ্ঠের আবেশ মুহূর্তের মধ্যেই শ্রোতাকে টেনে নিয়ে যায় এক অন্য অনুভবের জগতে। ঠিক সেই গায়কই মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান, তিনি আর প্লেব্যাক গায়ক হিসেবে কাজ করবেন না। ‘মার্ডার ২’ ছবিতে গাওয়া তাঁর ‘ফির মহব্বত’ গানটিই ছিল বলিউডে প্রথম গান। ‘আশিকি ২’ ছবির ‘তুম হি হো’ গানটি অরিজিৎ সিংয়ের জীবনের মোড় বদলে দিয়েছিল। তারপর থেকে গায়ককে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। হিন্দি, বাংলা, তামিল, তেলুগু, মারাঠি এবং কন্নড় ভাষায় গান গেয়েছেন। ৩০০ টিরও বেশি ছবিতে কণ্ঠ দিয়েছেন। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং ফিল্মফেয়ার সহ অসংখ্য সম্মান। স্পটিফাই, ইউটিউব এবং অন্যান্য সঙ্গীত প্ল্যাটফর্মে বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক শ্রোতা ভারতীয় শিল্পীদের মধ্যে একজন তিনি।

    কাজ করবেন, ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের জন্য

    ১৯৮৭ সালের ২৫ এপ্রিল মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন অরিজিৎ সিং (Arijit Singh)। মাত্র ১৮ বছর বয়সে, ২০০৫ সালে, তিনি অংশ নেন জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘ফেম গুরুকুল’-এ। গুরু রাজেন্দ্র প্রসাদ হাজারির অনুপ্রেরণায় সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। প্রতিযোগিতায় জয়ী না হলেও, এই মঞ্চই তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এখান থেকেই সংগীতজগতের দরজা ধীরে ধীরে খুলে যেতে শুরু করে। ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য দীর্ঘ সময় ধরে লড়াই করতে হয়েছিল তাঁকে। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যান যে প্রায় সব সিনেমার গানে তাঁর কণ্ঠ শোনা যেত। কিন্তু আর না, এবার থেকে প্লে-ব্যাক নয়। তবে গান চালিয়ে যাবেন। কাজ করবেন। ভারতের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের জন্য। অরিজিৎ বলেন,“ঈশ্বর আমার প্রতি সত্যিই সদয়। আমি সঙ্গীতের একজন ভক্ত। ভবিষ্যতে আরও শিখব এবং একজন ছোট শিল্পী হিসেবে নিজে আরও কাজ করব। আপনাদের সকলের সমর্থনের জন্য আবারও ধন্যবাদ। কিছু প্রতিশ্রুতি দেওয়া আছে সেগুলো শেষ করতে হবে। সেগুলি শেষ করব। স্পষ্ট করে বলতে চাই, যে আমি সঙ্গীত তৈরি করা বন্ধ করব না।”

    একই ধাঁচের কাজ করতে করতে তিনি ক্লান্ত

    ‘তুম হি হো… বস তুম হি হো…’, এই গান শুনে থমকে গিয়েছিল গোটা দেশ। কত প্রেমিকের রাত জাগার ওষুধ এই গান। কত অপূর্ণ প্রেম মানে খুঁজে পেয়েছে তাঁর গানে। কিন্তু সবকিছুতে তিনি দাঁড়ি টানলেন। স্বেচ্ছায় প্লে-ব্যাক সঙ্গীতের দুনিয়া থেকে সরে দাঁড়ালেন। যা করতে সাহস লাগে। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে অকপট স্বীকারোক্তি দিলেন গায়ক। তাঁর প্লে-ব্যাক ছাড়ার কারণ কোনো বিতর্ক নয়, বরং তাঁর নিজের ‘একঘেয়েমি’। অরিজিৎ নিজের ব্যক্তিগত এক্স হ্য়ান্ডেল-এ জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত তিনি হুট করে নেননি। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি প্লে-ব্যাক থেকে বিরতি নেওয়ার কথা ভাবছিলেন। তাঁর এই চরম সিদ্ধান্তের নেপথ্যে থাকা প্রধান কারণ তিনি হাঁফিয়ে উঠেছেন। অরিজিৎ বলেন, তিনি খুব দ্রুত একঘেয়েমিতে ভোগেন। একই ধরনের গান বা একই ধাঁচের কাজ করতে করতে তিনি ক্লান্ত। তিনি জানিয়েছেন, একঘেয়েমি কাটানোর জন্যই তিনি মঞ্চে পারফর্ম করার সময় নিজের পুরোনো গানের অ্যারেঞ্জমেন্ট বা সুর বদলে দেন। তাঁর কথায়, ‘আমি বোর হয়ে গিয়েছি। বেঁচে থাকার জন্য আমাকে অন্য ধরনের সঙ্গীত নিয়ে কাজ করতে হবে’।

    মুর্শিদাবাদ থেকে মুম্বই কঠিন যাত্রা

    জিয়াগঞ্জের সেই সাধারণ ছেলেটি যেমন করে নিজের স্বপ্ন ছুতে পেরেছে। তেমন করেই আজও তিনি শিখতে চান, নিজের মতো করে আরও কিছু করতে চান। সংগীতকে নিজের মতো করে ভালবাসতে চান। মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে আজও অরিজিৎ সিংকে (Arijit Singh) দেখা যায় স্কুটি চেপে সাধারণ মানুষের মতোই ঘুরে বেড়াতে। তারকা খ্যাতি, বিশ্বমঞ্চের সাফল্য কিছুই তাঁকে শিকড় থেকে আলাদা করতে পারেনি। তবে এই জিয়াগঞ্জ থেকে মুম্বই পর্যন্ত যাত্রাটা তাঁর মোটেই সহজ ছিল না। ছিল কঠোর পরিশ্রম আর নিরন্তর সংগ্রাম। মুম্বইয়ে দীর্ঘদিন ভাড়া বাড়িতে থেকে লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন অরিজিৎ। গায়ক হিসেবে পরিচিত হওয়ার অনেক আগেই তিনি কাজ করতেন মিউজিক প্রোগ্রামার হিসেবে। দিনের পর দিন স্টুডিওতে কাটিয়েছেন, গান বানানোর খুঁটিনাটি শিখেছেন, তৈরি করেছেন নিজের স্টুডিও। কাজের ফাঁকে ফাঁকে শিখতে থেকেছেন সংগীতের নানা দিক। শঙ্কর-এহসান-লয়, মিঠুন, প্রীতম, বিশাল-শেখরের মতো তাবড় সংগীত পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করে নিজের দক্ষতাকে আরও শাণিত করেছেন। ছুঁয়েছেন সাফল্যের শিখর।

    সাহসী ঘোষণা খুব কম শিল্পীই পারেন

    কেরিয়ারের মধ্যগগনে থেকে এমন সাহসী ঘোষণা খুব কম শিল্পীই করতে পারেন। অরিজিৎ জানিয়েছেন, অবশেষে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য যথেষ্ট সাহস সঞ্চয় করেছেন। বাণিজ্যিক গণ্ডি পেরিয়ে তিনি এখন স্বতন্ত্র মিউজিক (Independent Music) এবং নতুন সৃজনশীল কাজে মনোনিবেশ করতে চান। অরিজিতের এই স্বীকারোক্তি বুঝিয়ে দিল, তিনি কেবল একজন গায়ক নন, তিনি একজন খাঁটি শিল্পী। জনপ্রিয়তার মোহে অন্ধ না হয়ে তিনি বেছে নিলেন সঙ্গীতের সেই পথ, যা তাঁকে নতুন করে বাঁচার আনন্দ দেবে। গান বাঁচতে শেখায়, ভালবাসাতে শেখায়, জীবনের রসদ জোগায়। তাই হয়তো ‘গানের ভেলায় বেলা অবেলায় প্রাণের আশা’-ই মনের স্রোতে ভাসাতে চান অরিজিৎ।

  • Dhurandhar: ৮৩১ কোটিতে ইতিহাস গড়ল ‘ধুরন্ধর’, ভারতের সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী হিন্দি ছবি

    Dhurandhar: ৮৩১ কোটিতে ইতিহাস গড়ল ‘ধুরন্ধর’, ভারতের সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী হিন্দি ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বক্স অফিসে ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে ‘ধুরন্ধর’ হিন্দি চলচ্চিত্র শিল্পে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্থাপন করল। রণবীর সিং অভিনীত ‘ধুরন্ধর’ একের পর এক রেকর্ড ভেঙে চলেছে বক্স অফিসে। একটি ভাষায় নির্মিত ভারতীয় ছবির মধ্যে সর্বোচ্চ আয় করা ছবির তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে এই স্পাই থ্রিলার, টপকে গিয়েছে আল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা ২’-কেও। ৩৩তম দিনের শেষে ছবিটি ভারতে নেট আয় করেছে ৮৩১.৪০ কোটি টাকা, যা একে সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী হিন্দি চলচ্চিত্রে পরিণত করেছে।

    এক ভাষায় সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করা ভারতীয় ছবি

    বুধবার নিজেদের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম পেজে একটি বিশেষ নোট শেয়ার করে ‘ধুরন্ধর’-এর নির্মাতা আদিত্য ধর এবং জিও স্টুডিওসকে অভিনন্দন জানায় যশ রাজ ফিল্মস। পোস্টে লেখা হয়, “ধুরন্ধর শুধুমাত্র একটি ছবি নয়… এটি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে এক মাইলস্টোন, যা চিরদিন মনে রাখা হবে। এক ভাষায় সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করা ভারতীয় ছবি হিসেবে ইতিহাস গড়ার জন্য আদিত্য ধর এবং জিও স্টুডিওসকে অভিনন্দন।” উত্তর আমেরিকায় বক্স অফিসে ইতিমধ্যে ইতিহাস গড়েছে ‘ধুরন্ধর’। গত সপ্তাহে ছবিটি শাহরুখ খানের ‘পাঠান’-কে টপকে উত্তর আমেরিকায় সর্বোচ্চ আয় করা বলিউড ছবির তকমা দখল করেছে। স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, চতুর্থ মঙ্গলবারের শেষে উত্তর আমেরিকায় ‘ধুরন্ধর’-এর আয় পৌঁছেছে ১৭.৫০ মিলিয়ন ডলারে, যেখানে ‘পাঠান’-এর মোট আয় ছিল ১৭.৪৯ মিলিয়ন ডলার।

    বিশ্বজুড়ে ছবিটির মোট আয় পেরিয়েছে ১২০০ কোটি টাকা

    নির্মাতাদের দাবি অনুযায়ী, এক ভাষায় মুক্তিপ্রাপ্ত ভারতীয় ছবির মধ্যে সর্বোচ্চ আয়কারী হিসেবেও ‘ধুরন্ধর’ এখন শীর্ষে। ছবিটি হিন্দি ভাষায় আয় করেছে ৮৩১ কোটি টাকারও বেশি, যা ‘পুষ্পা ২’-এর হিন্দি কালেকশনকে ছাপিয়ে গিয়েছে। যদিও ‘পুষ্পা ২’ অন্যান্য ভাষা অর্থাৎ তেলুগু, তামিল, মালয়ালম ও কন্নড় মিলিয়ে আরও প্রায় ৪০০ কোটি টাকার বেশি আয় করেছিল। আদিত্য ধরের এই স্পাই-অ্যাকশন থ্রিলারটি একটি দুই পর্বের সিরিজের প্রথম ছবি। ‘ধুরন্ধর’-এ রণবীর সিংকে দেখা গেছে হামজা চরিত্রে – এক ভারতীয় গুপ্তচর, যিনি পাকিস্তানের লিয়ারির অপরাধজগত ও রাজনৈতিক আন্ডারওয়ার্ল্ডে অনুপ্রবেশ করেন এক গোপন সন্ত্রাস দমন অভিযানের অংশ হিসেবে। ছবির গল্পে বাস্তব ইতিহাসের ছায়াও স্পষ্ট। ১৯৯৯ সালের আইসি-৮১৪ বিমান হাইজ্যাক, ২০০১ সালের সংসদ হামলা এবং ২০০৮ সালের মুম্বই জঙ্গি হামলার মতো ঘটনাগুলি গল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর মুক্তি পাওয়া ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন সারা অর্জুন, অর্জুন রামপাল, রাকেশ বেদি এবং সঞ্জয় দত্ত। স্যাকনিল্কের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ছবিটির মোট আয় পেরিয়েছে ১২০০ কোটি টাকা। আর এই বছরের মার্চ মাসেই মুক্তি পাওয়ার কথা ‘ধুরন্ধর’-এর সিক্যুয়েলের।

  • Dharmendra: ৮৯ বছর বয়সে প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র, ‘এক যুগের সমাপ্তি’ বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Dharmendra: ৮৯ বছর বয়সে প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র, ‘এক যুগের সমাপ্তি’ বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন শোলে-র বীরু। সোমবার, ৮৯ বছর বয়সে মুম্বইতে নিজের বাড়িতে প্রয়াত হলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র (Dharmendra)। প্রয়াত অভিনেতা (Bollywood) এই মাসের শুরুতেই ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। বলিউডের হি-ম্যান হিসেবে খ্যাত ধর্মেন্দ্র ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে এক অসাধারণ সিনেমার সম্ভার রেখে গিয়েছেন দর্শক মহলে। পর্দায় তাঁর শেষ অভিনীত সিনেমা হল ‘ইক্কিস’। আগামী ২৫ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে এই চলচ্চিত্র। ধর্মেন্দ্রর দুই স্ত্রী প্রকাশ কৌর এবং হেমা মালিনী। সব মিলিয়ে ছয় সন্তান তাঁর। ছেলে মেয়েদের মধ্যে হলেন, অভিনেতা সানি দেওল, ববি দেওল, অভিনেত্রী এষা দেওল, অহনা দেওল, অজিতা এবং বিজেতা। আগামী মাসের ৮ তারিখ হবে তাঁর ৯০ তম জন্মদিন। কিন্তু তাঁর আগেই চলে যাওয়ায় ভক্ত মহলে তীব্র শোকের ছায়া।

    সিনেমায় ছয় দশক কাজ করেছেন (Dharmendra)

    ধর্মেন্দ্র কৃষ্ণ দেওলের (Dharmendra) জন্ম ৮ ডিসেম্বর পঞ্জাবের লুধিয়ানার একটি গ্রামে। বলিউড চলচ্চিত্র (Bollywood) জগতে প্রবেশের আগেই তিনি ১৯৫৪ সালে ১৯ বছর বয়সে প্রকাশ কৌরকে বিবাহ করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে অভিনেত্রী হেমা মালিনীকেও আবার বিয়ে করেন। চলচ্চিত্র জগতে তিনি ১৯৬০ সালে ‘দিল ভি তেরা হাম ভি তেরে’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে নিজের কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। অ্যাকশেন, রোমান্টিক এবং হাস্যকর চরিত্রের ভূমিকায় সমানভাবে প্রতিভার প্রমাণ রেখে গিয়েছেন এই অভিনেতা। ২০১২ সালে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ সম্মান পদ্মভূষণে ভূষিত হয়েছেন তিনি।

    ছয় দশকে তাঁর কর্মজীবনে ‘শোলে’, ‘ইয়াদোঁ কি বরাত’, ‘মেঘেরা’-সহ অসংখ্য হিট সিনেমায় কাজ করেছেন। এছাড়াও ‘প্রতিজ্ঞা’, ‘চুপকে চুপকে’, ‘নৌকার বিবি কা’, ‘ফুল অর পাথর’, ‘সত্যকাম’, ‘অ্যায় মিলান কি বেলা’, ‘দিল নে ফির ইয়াদ কিয়া’, ‘আয়ে দিন বাহার কে’, ‘আঁখেঁ’, ‘আয়া সাওয়ান ঘুম কেউজু’, ‘মিস্টার জুম’, ‘ধরম বীর’, ‘আজাদ’, ‘গজব’, ‘লোহা’, ‘হুকুমত’ এবং ‘আপনে’-র মতো সিনামায় কাজ করেছেন। পুত্র সানি দেওল অভিনীত এবং তাঁর প্রযোজনায় নির্মিত ‘ঘায়েল’ সিনেমা জাতীয় পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছে। সেই সঙ্গে ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছে ধর্মেন্দ্রর ‘ফুল অর পাথর’, ‘মেরা গাঁও মেরা দেশ’, ‘ইয়াদোঁ কি বারাত’ এবং  ‘রেশম কি ডোরি’ সিনেমা।

    সামাজিক মধ্যেম বেশ সক্রিয় ছিলেন

    গত ১৫ দিন ধরেই গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ছিলেন ধর্মেন্দ্র (Dharmendra)। মাঝে ছাড়া পেয়ে বাড়িতেও পৌঁছে ছিলেন। কিন্তু শ্বাসকষ্ঠের কারণেই মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। ৮৯ বছর বয়সেও, ধর্মেন্দ্র সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয় ছিলেন। প্রায়শই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং জৈব জীবনযাত্রার প্রচারমূলক ভিডিও শেয়ার করতেন। তাঁর অনেক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ট্র্যাক্টর চালানো, কৃষি খামারের যত্ন নেওয়া এবং তাঁর ভক্তদের সহজ জীবনযাপনের নানা কথা বিনিময় করতেন। একই ভাবে কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত নানাবিধ টিপস দেওয়ার ছবিও বিনিময় করতে দেখা গিয়েছে। তিনি শেষবার ২০২৪ সালে শাহিদ কাপুর এবং কৃতি শ্যানন অভিনীত রোম্যান্টিক কমেডি ‘তেরি বাতোঁ মে অ্যাইসা উলঝা জিয়া’ সিনেমায় কাজ করেছেন। তাঁর চলে যাওয়া চলচ্চিত্র জগতে এক অপূরণীয় ক্ষতি।

    ধর্মেন্দ্রর শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের বিশিষ্ট অভিনেতা এবং অভিনেত্রীরা। তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন স্ত্রী হেমা মালিনী, মেয়ে ঈষা দেওল, অমিতাভ বচ্চন, অভিষেক বচ্চন, আমির খান সহ আরও অনেকে। চিত্র পারিচালক করণ জোহর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “একটা যুগের অবসান হল।

    শোক প্রকাশ মোদির

    তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, “ধর্মেন্দ্রজির (Dharmendra) মৃত্যু ভারতীয় চলচ্চিত্রের একটি যুগের সমাপ্তি ঘটিয়েছে। তিনি ছিলেন একজন আইকনিক চলচ্চিত্র জগতের ব্যক্তিত্ব। একজন অসাধারণ অভিনেতা, তাঁর অভিনীত প্রতিটি চরিত্রে মনোমুগ্ধকর মনোভাব এবং গভীরতাকে তুলে ধরেছিলেন। তিনি যেভাবে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তা অসংখ্য মানুষের হৃদয়ে দাগ রেখেগিয়েছেন। তাঁর সরলতা, নম্রতা এবং উষ্ণতার জন্য সমানভাবে প্রশংসিত হয়েছিলেন। এই দুঃখের মুহূর্তে পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং অসংখ্য ভক্তদের পাশে দাঁড়িয়ে শোক প্রকাশ করছি। ওম শান্তি।”

  • Asrani: পঞ্চভূতে বিলীন বলিউড কমেডির অন্যতম লেজেন্ড আসরানি, শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীরও

    Asrani: পঞ্চভূতে বিলীন বলিউড কমেডির অন্যতম লেজেন্ড আসরানি, শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলিতে নিভল জীবন-প্রদীপ! কমেডির অন্যতম লেজেন্ডকে (Comedy Legend) হারাল বলিউড। চুরাশি বছর বয়সে পঞ্চভূতে বিলীন হয়ে গেলেন গোবর্ধন আসরানি, স্নেহভরে যাঁকে সবাই আসরানি (Asrani) বলেই ডাকতেন। হিন্দি সিনেমায় পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ছিলেন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। হাস্যরস, চমৎকার সংলাপ-প্রয়োগ ও নিখুঁত কমিক টাইমিংয়ের এক অমূল্য উত্তরাধিকার রেখে গিয়েছেন তিনি। আসরানির ম্যানেজার বাবু ভাই থিবা জানান, জুহুর আরোগ্য নিধি হাসপাতালে সোমবার বিকেল ৩টা নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা। এদিনই সন্ধ্যায় সান্তাক্রুজ শ্মশানে শেষকৃত্য হয় তাঁর।

    মধ্যবিত্ত সিন্ধি পরিবারে জন্ম (Asrani)

    ১৯৪০ সালের ১ জানুয়ারি রাজস্থানের জয়পুরে জন্ম হয় আসরানির। বেড়ে ওঠেন এক মধ্যবিত্ত সিন্ধি পরিবারে। তাঁর বাবা কার্পেট ব্যবসা করতেন। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই ব্যবসায় তেমন আগ্রহ ছিল না গোবর্ধনের। বরং অভিনয় ও শিল্পকলায় ছিল তাঁর গভীর আগ্রহ। সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের পাঠ চুকিয়ে আসরানি ভর্তি হন রাজস্থান কলেজে। সেখান থেকেই হন স্নাতক। পড়াশোনার পাশাপাশি জীবিকা নির্বাহের জন্য জয়পুরে ভয়েস আর্টিস্ট হিসেবেও কাজ করতেন তিনি। কলেজ জীবনেই অভিনয়ের প্রতি আসরানির আকর্ষণ গভীর হতে থাকে। ১৯৬০ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত তিনি ‘সাহিত্য কলভাই ঠাক্কার’-এর অধীনে প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৬৪ সালে তিনি পুণের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ায় ভর্তি হন। এই সিদ্ধান্তই বদলে দেয় তাঁর জীবনের গতিপথ।

    ‘হরে কাঁচ কি চুড়িয়ান’

    ১৯৬৭ সালে ‘হরে কাচ কি চুড়িয়ান’ ছবির মাধ্যমে রুপোলি পর্দার জগতে আত্মপ্রকাশ করেন আসরানি। এই ছবিতে তিনি অভিনেতা বিশ্বজিতের বন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। আসরানি বেশ কিছু গুজরাটি চলচ্চিত্রেও প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। প্রথম ছবিতেই দর্শকদের মন জয় করে নেন তিনি। এরপর শুরু হয় এমন এক অভিনয়জীবন, যার সমকক্ষ বলিউডের ইতিহাসে খুব কমই রয়েছে। ৩৫০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন আসরানি (Comedy Legend)। রুপোলি পর্দায় কখনও তিনি ছিলেন নায়ক, কখনও আবার অভিনয় করেছেন পার্শ্বচরিত্রে। নানান চরিত্রেই তিনি ছিলেন স্বচ্ছন্দ। হাস্যরসাত্মক অভিনয়ই দর্শকদের হৃদয়ে পাকা আসন করে দেয় আসরানিকে (Asrani)। সাত থেকে নয়ের দশক পর্যন্ত আসরানি ছিলেন বড় পর্দার এক পরিচিত মুখ। রাজেশ খান্নার সঙ্গে তাঁর জুটি বলিউডের অন্যতম সফল জুটি হিসেবে বিবেচিত হয়। ১৯৭২ থেকে ১৯৯১ সালের মধ্যে তাঁরা এক সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন ২৫টিরও বেশি ছবিতে। আসরানির অসংখ্য স্মরণীয় অভিনয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ‘চুপকে চুপকে,’ ‘ছোটি সি বাত,’ ‘বাওয়ার্চি,’ ‘কোশিশ’ এবং ‘মেরে নিজের।’ এই ছবিগুলি আজও প্রথম মুক্তির মতোই উপভোগ্য।

    ‘ইংরেজোঁ কে জমানে কা জেলর’

    তবে যদি এমন একটি চরিত্র থাকে যা আসরানিকে অমর করে রেখেছে, তা হল রমেশ সিপ্পির শোলে’ ছবির অদ্ভুত জেলরের চরিত্র। তার চোখ, সামরিক টুপি, এবং অতিরঞ্জিত ইংরেজি উচ্চারণ “হাম ইংরেজোঁ কে জমানে কা জেলর হ্যায়ঁ!” – এই সংলাপটি ছবির চেয়েও দীর্ঘজীবী হয়ে উঠেছিল। এক সময় লোকের মুখে মুখে ফিরত আসরানির এই সংলাপ। আসরানি কখনও একটিমাত্র ধারায় নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। ‘চলা মুরারী হিরো বননে’ ছবির লেখক, পরিচালক এবং অভিনেতাও ছিলেন তিনি। ছবিটি তাঁর রসবোধ ও হৃদয়গ্রাহী উপস্থাপনার জন্য সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেছিল। পরে তিনি পরিচালনা করেছিলেন ‘সালাম মেমসাব’। গুজরাটি সিনেমায়ও প্রশংসিত হয়েছিল তাঁর অভিনয়। কুড়িয়েছিলেন দর্শকদের ভালোবাসা (Asrani)। দশকের পর দশক ধরে আসরানি হিন্দি সিনেমার সোনালি যুগ থেকে নতুন সহস্রাব্দ পর্যন্ত অবিচলভাবে কাজ করে গিয়েছেন। ২০০০ সাল-উত্তর তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে ছিলেন তিনি। ‘হেরা ফেরি,’ ‘ভাবাগ ভাগ,’ ‘ধামাল,’ ‘ওয়েলকাম,’ এবং ‘ভুল ভুলাইয়া’র মতো ছবির মাধ্যমে আসরানি প্রমাণ করে দেন তাঁর কমেডির টাইমিং আগের মতোই ধারালো (Comedy Legend)।

    বহু সম্মান পেয়েছেন আসরানি

    আসরানির কাজ তাঁকে বহু সম্মান এনে দিয়েছে। এর মধ্যে দুটি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ কৌতুক অভিনেতার পুরস্কার অন্যতম। আসরানি দর্শকদের এমনভাবে হাসাতে পারতেন, যেখানে কোনও বিদ্বেষ বা তাচ্ছিল্য ছিল না, যা খুব কম অভিনেতাই করতে পেরেছেন। আসরানি এমন এক প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করেছেন, যাঁরা সহজেই শিল্প ও বিনোদনের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে পারতেন এবং যাঁদের সৃষ্টি করা চরিত্রগুলি আজও স্মরণীয় হয়ে রয়েছে (Asrani)।

    শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    আসরানির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “শ্রদ্ধেয় গোবর্ধন আসরানিজির মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। তিনি ছিলেন এক প্রতিভাবান বিনোদনশিল্পী এবং সত্যিকারের বহুমুখী শিল্পী, যিনি প্রজন্মের পর প্রজন্ম দর্শকদের আনন্দ দিয়েছেন।” তিনি আরও লিখেছেন, “তাঁর অবিস্মরণীয় অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি অসংখ্য মানুষের জীবনে আনন্দ ও হাসি এনেছেন (Comedy Legend)। ভারতীয় সিনেমায় তাঁর অবদান চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় থাকবে। তাঁর পরিবার ও ভক্তদের প্রতি আমার সমবেদনা। ওম শান্তি (Asrani)।”

  • Pankaj Dheer: প্রয়াত জনপ্রিয় অভিনেতা পঙ্কজ ধীর, শোকের ছায়া বিনোদন দুনিয়ায়

    Pankaj Dheer: প্রয়াত জনপ্রিয় অভিনেতা পঙ্কজ ধীর, শোকের ছায়া বিনোদন দুনিয়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা পঙ্কজ ধীর (Pankaj Dheer)। বিনোদন দুনিয়ায় শোকের ছায়া। ১৫ সেপ্টেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর পুরনো বন্ধু ও সহকর্মী অমিত বহেল এই খবর জানিয়েছেন। বয়স হয়েছিল ৬৮। বি আর চোপড়ার ‘মহাভারত’-এর কর্ণ চরিত্রে তাঁর অভিনয় এখনও দর্শকমনে গেঁথে রয়েছে। সূত্রের খবর, দীর্ঘ দিন ধরেই ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন পঙ্কজ।

    কর্ণ চরিত্র আজও দর্শকের মনে

    ১৯৮৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মহাভারত’ ধারাবাহিকে পঙ্কজ ধীরের (Pankaj Dheer) কর্ণ চরিত্র আজও দর্শকের মনে অমর। তাঁর অভিনয়ে একদিকে ছিল বীরত্ব, অন্যদিকে করুণ মানবিক বোধ যা তাঁকে আলাদা মাত্রা এনে দেয়। দর্শকেরা তখন থেকেই তাঁকে চেনেন ‘কর্ণ’ নামে। তাঁর সংলাপ, দৃঢ় কণ্ঠস্বর ও চোখের অভিব্যক্তি আজও ভারতীয় টেলিভিশনের ইতিহাসে ক্লাসিক হিসেবে গণ্য হয়। পঙ্কজ ধীর শুধু টেলিভিশন নয়, বলিউডেরও পরিচিত মুখ ছিলেন। তিনি অভিনয় করেছেন বহু জনপ্রিয় ছবিতে। বর্ষীয়ান অভিনেতার ঝুলিতে রয়েছে ‘সৌগন্ধ’, ‘সনম বেওফা’, ‘বিজয়পথ’, ‘তীর্যা’, ‘সদাক ২’ সহ আরও অনেক হিট ছবি। ‘সিনে অ্যান্ড টিভি আর্টিস্টস্‌ অ্যাসোসিয়েশন’-এর তরফেও শোকপ্রকাশ করে জানানো হয়েছে তাঁর মৃত্যুর কথা।

    সমাজমাধ্যমে শোকবার্তা

    বি আর চোপড়ার ‘মহাভারত’ তাঁকে বিশেষ খ্যাতি এনে দিলেও অজস্র হিন্দি ছবিতে অভিনয় করেছেন পঙ্কজ। কাজ করেছেন হিন্দি ধারাবাহিক ও ওয়েব সিরিজেও। ‘সোলজার’, ‘জমিন’, ‘আন্দাজ’, ‘টারজান: দ্য ওয়ান্ডার কার’-এর মতো বহু ছবিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। তিনি দুটো ছবি পরিচালনাও করেছিলেন। প্রায় ৫৫ বছরের অভিনয়জীবন তাঁর। ২০২৪ সালেও ‘ধ্রুব তারা’ নামে এক ধারাবাহিকে অভিনয় করতেন তিনি। পঙ্কজ ধীরের ছেলে নিকিতিন ধীরও বলিউডের পরিচিত মুখ। যিনি ‘চেন্নাই এক্সপ্রেস’, ‘শের শাহ’ সহ বহু ছবিতে অভিনয় করেছেন। একইসঙ্গে নিকিতিনের স্ত্রী অভিনেত্রী ক্রাতিক সেঙ্গরও জনপ্রিয় টেলিভিশন তারকা। প্রিয়জনের এমন মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন পরিবার ও সহকর্মীরা। অভিনেতার মৃত্যুতে পুরো ইন্ডাস্ট্রিতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ‘মহাভারত’-এর যুধিষ্ঠির তথা গজেন্দ্র চৌহান, দুর্যোধন অর্থাৎ পুনিত ইসা সমাজমাধ্যমে শোকবার্তা জানিয়েছেন। তাঁদের কথায়, “পঙ্কজ ধীর শুধু একজন অসাধারণ অভিনেতা নন, ছিলেন এক মহৎ মানুষও।”

  • Operation Sindoor: সন্ত্রাসীদের সমর্থনে ব্যাটিং পাক-অভিনেতাদের! বলিউডের তিন খান কেন নেই সেনার পাশে?

    Operation Sindoor: সন্ত্রাসীদের সমর্থনে ব্যাটিং পাক-অভিনেতাদের! বলিউডের তিন খান কেন নেই সেনার পাশে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী হামলায় ২৫ জন হিন্দু পর্যটককে বেছে বেছে খুন করা হয়। হত্যা করার আগে তাঁদের নাম জিজ্ঞাসা করা হয়। ধর্ম নিশ্চিত করা হয়। নিম্নাঙ্গের পোশাক পর্যন্ত খুলে দেওয়া হয়েছিল ধর্ম নিশ্চিত করতে। নৃশংসভাবে এই হত্যালীলা চালানোর পরেও হামলা নিয়ে টুঁ শব্দটি করেননি (Operation Sindoor) বলিউডের তিন খান। তিন খানের কাছ থেকে কোনও রকমের প্রতিবাদ না আসায় বিতর্ক দানা বেঁধেছে। হিন্দু পুরুষদের যেভাবে হত্যা করা হয়েছিল পহেলগাঁওয়ে, তারপরে গর্জে উঠেছিল গোটা দেশ। সারা দেশ সহানুভূতি জানিয়েছিল। সমবেদনা জানিয়েছিল। সেই ভুক্তভোগী পরিবারগুলিকে কোনওরকমের সমবেদনা জানায়নি কিন্তু তবু এত কিছুর মাঝেও আশ্চর্যজনকভাবে চুপ থেকেছে বলিউডে (Bollywood) তিন খান। অতীতের যে কোন ইস্যুতে যাঁরা আওয়াজ তুলেছেন। গলা ফাটিয়েছেন, তাঁদের এই নীরবতাতে অনেক প্রশ্নই সামনে আসছে।

    ১৯৪৮ সালে ভারত-পাক যুদ্ধে অর্থ সংগ্রহ করে পাকিস্তান

    তবে ১৯৪৮ সালে যখন ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ বাঁধে, তখন রাজ কাপুর, আইএস জোহর, গীতা বালি, নার্গিস, কামিনী কৌশলের মতো অনেক বড় অভিনেতারা ভারতকে শক্তিশালী করার জন্য তারা অর্থ সংগ্রহ নেমেছিলেন। ১৯৬২ ও ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের কিশোর কুমার, সুনীল দত্ত, নার্গিস, লতা মঙ্গেশকর, ওয়াহিদা রেহমান এনারাও (Bollywood) ভারতের সৈন্যদলের মনোবল বাড়িয়ে ছিলেন এবং তাঁরা সেই সময় অর্থ সংগ্রহ করেছিলেন সেনার জন্য।

    ১৯৭১ সালের যুদ্ধেও অর্থ সংগ্রহ করে বলিউড

    একই চিত্র সামনে এসেছিল ১৯৭১ সালের যুদ্ধেও। এই সময়ে কিশোর কুমার, শাম্মি কাপুর, লতা মঙ্গেশকর, ওয়াহিদা রহমান, কল্যাণজি-আনন্দজি, নার্গিসের মতো অভিনেতারা বাংলাদেশের জন্য ত্রাণ কমিটি গঠন করেছিলেন। ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধে বলিউডের তারকাদের (Operation Sindoor) মধ্যে এতটাই ক্ষোভ ছিল যে নানা পাটেকার সৈন্যদের সমর্থন করতে সরাসরি গিয়েছিলেন সেখানে।

    ২০২৫ সালে নিশ্চুপ থেকেছে বলিউড

    এবার আমরা যদি ২০২৫ সালের দিকে তাকাই তাহলে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে পহেলগাঁওয়ে ২৬ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। আহত হন আরও অনেকেই। এমন সময় ভারতবর্ষের (Operation Sindoor) বলিউডের অভিনেতারা এনিয়ে কোনও বাক্য ব্যয় করেন নি। তাঁরা নিজেদের কাজেই মনোনিবেশ করেছেন। এরাই সেই বলিউড অভিনেতা, যাঁরা ২০১৮ সালে কাঠুয়া মামলায় গলায় প্ল্যাকার্ড লাগিয়ে ছবি তুলেছিলেন কিন্তু চুপ রয়েছেন পহেলগাঁওকাণ্ডে। বলিউড অভিনেতারা দেশের জন্য দুটি লাইন লিখতে পারেননি।

    পাকিস্তানের অভিনেতারা দেশের পাশেই

    অন্যদিকে পাকিস্তানের নামী অভিনেতারা, তাঁদের দেশের পক্ষেই দাঁড়িয়েছেন। এঁদের মধ্যে অনেক অভিনেতা আবার ভারতে কাজও করেছেন। যেমন ‘সনম তেরি কসম’- এই ছবির মাধ্যমে জনপ্রিয় হয়েছিলেন যাঁরা সেই ফাওয়াদ খান, হানিয়া আমির, মাহিরা খানরা ভারতকে কাপুরুষ বলেও তোপ দেগেছেন। সবথেকে আশ্চর্যজনক কথা হল, পাকিস্তানি এই অভিনেতাদের ভারতেও প্রচুর ভক্ত রয়েছেন। তার চেয়েও আশ্চর্যজনক কথা হল, বলিউডের অভিনেতারা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনও কথা বলেননি।

    ছবির প্রচারে জন্য ভারতের প্রশংসা করছে আমির খানের টিম!

    একইভাবে আমির খানও দীর্ঘদিন চুপ করে ছিলেন। কিন্তু তাঁর নতুন ছবি আসছে ‘সিতারে জামিন পর’। এই আবহে দিন কয়েক আগে তাঁর টিম ভারতের প্রশংসা করতে শুরু করে। একই পথে হেঁটেছেন তুষার কাপুরও। নিজের সিনেমার প্রচারের জন্য সাংবাদিক সম্মেলন করার সময় তাঁকে তুরস্কের বয়কট সম্পর্কে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়। তবে তা তিনি এড়িয়ে যান। তবে শুধু এটুকু বলেন যে ভারতের সঙ্গে তিনি আছেন।

    যুদ্ধ বিরতি নিয়ে পোস্ট, নেটিজেনদের ক্ষোভের মুখে পড়েন সলমন

    অন্যদিকে, ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা হতেই বলিউড অভিনেতা সলমন খান অভিনন্দন জানিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছিলেন। এনিয়ে নেটিজেনদের রোষের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। এরপরই তিনি টুইট ডিলিটও করেন। অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) নিয়ে মুখে কোনও কথা না বললেও যুদ্ধ বিরতিতে সরব হন সলমন। এক্স হ্যান্ডেলে সলমন খান লেখেন, ‘‘সংঘর্ষবিরতির জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ।’’ এরপরই এক্স ব্যবহারকারীদের একাংশ অভিনেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের দাবি, অপারেশন সিঁদুর নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন অভিনেতা। এখন সংঘর্ষ বিরতি নিয়ে হঠাৎ কেন প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন? ‘‘অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) নিয়ে একটাও টুইট নেই কেন?’’, ‘‘আপনি অপারেশন সিঁদুর নিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একটাও কথা বলেননি!’’, এমন অনেক মন্তব্য আসতে থাকে তাঁর পোস্টের কমেন্ট বক্সে।

  • Disha Salian Death: সুশান্ত সিং রাজপুতের প্রাক্তন ম্যানেজারের মৃত্যুর ঘটনায় উদ্ধব পুত্রের যোগ! দাবি দিশার বাবার

    Disha Salian Death: সুশান্ত সিং রাজপুতের প্রাক্তন ম্যানেজারের মৃত্যুর ঘটনায় উদ্ধব পুত্রের যোগ! দাবি দিশার বাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত (Sushant Singh Rajput) ও তাঁর প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ানের রহস্যময় মৃত্যুর (Disha Salian Death) বিষয়ে ফের আলোচনা তুঙ্গে। বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর কয়েকদিন আগেই রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ানের (Disha Salian)। তবে সময় যত এগিয়েছে, ততই এই তদন্ত ধামাচাপা পড়তে থাকে। তবে এবার ফের এই মামলা নিয়ে শুরু হচ্ছে তদন্ত। দিশার বাবা সম্প্রতি রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের ছেলে আদিত্য ঠাকরের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। তাঁর মতে এই মামলায় সরাসরি যোগ রয়েছে আদিত্যর। তাঁকে অবিলম্বে তলব করা উচিত। এই প্রসঙ্গে এবার দিশার বাবার হয়ে সমর্থন দেখালেন বিজেপি বিধায়ক তথা মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নিতিশ রানে।

    আদিত্য ঠাকরেকে আক্রমণ নিতিশের

    এদিন নিতিশ বলেন, “আমি প্রথম থেকেই দাবি করেছিলাম দিশা সালিয়ানের মৃত্যুর (Disha Salian Death) পিছনে আদিত্য ঠাকরে জড়িত রয়েছেন। ফলে এটা নিছকই আত্মহত্যার ঘটনা নয়। এর পিছনে বড় চক্রান্ত রয়েছে। আমি রাজ্য় সরকারের কাছে দাবি করছি, যাতে এই ঘটনায় প্রথম থেকে যাঁদের নাম জড়িয়ে রয়েছে তাঁদের আবারও জেরা করা হোক। ঘটনার দিন আদিত্য কোথায় ছিলেন, মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন খতিয়ে দেখা, আবাসনে নিরাপত্তারক্ষীদের আবারও জেরা করা হোক। তাহলেই আসল সত্যি বেরিয়ে আসবে।”

    দিশা ও সুশান্তের মৃত্যু

    ২০২০-র ১৪ জুন, মুম্বইয়ের বান্দ্রায় অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতকে (Sushant Singh Rajput) নিজের ফ্ল্যাটে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। কয়েক দিন আগে, ৮ জুন, অভিনেতার প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ানকে মৃত (Disha Salian Death) অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশ জানিয়েছিল, দিশা মালাডের একটা বহুতল থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন। রাজ্যের তৎকালীন বিরোধী দল অর্থাৎ বর্তমানের শাসক দল বিজেপি সেই সময় বারংবার এই ঘটনাকে খুন বলেই দাবি করে আসছিল। কিন্তু তৎকালীন শাসক দলের চাপে পুলিশ এই ঘটনা চাপা দিয়ে দেয়। পরবর্তীকালে বিজেপি ক্ষমতায় এলে আবারও এই মামলার তদন্ত শুরু করার কথা হয়। ঘটনার পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও আসল সত্যি সামনে আসেনি। সুশান্তের বাবা কে কে সিং বারবার দাবি করেন, তাঁর ছেলে আত্মহত্যা করতে পারে না। সুবিচারের আশায় এখনও দিন গুনছে দিশা ও সুশান্তের পরিবার।

  • Kesari Veer and Chhavaa: ‘কেশরী বীর’ থেকে ‘ছভা’, ভুলে যাওয়া হিন্দু যোদ্ধাদের পর্দায় ফেরাচ্ছে বলিউড

    Kesari Veer and Chhavaa: ‘কেশরী বীর’ থেকে ‘ছভা’, ভুলে যাওয়া হিন্দু যোদ্ধাদের পর্দায় ফেরাচ্ছে বলিউড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মারাঠি ভাষায় প্রকাশিত উপন্যাস থেকে মোঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের বিরুদ্ধে মারাঠি রাজা শিবাজি মহারাজের ছেলে সম্ভাজি মহারাজের বীরত্ব, তাঁর যুদ্ধের কাহিনি ও আত্মত্যাগ নিয়ে তৈরি “ছভা” বলিউডে পরিবর্তনের ধারা নিয়ে আসছে। এর পথ ধরে শীঘ্রই পর্দায় আসতে চলেছে আর একটি ছবি, “কেশরী বীর: লেজেন্ড অফ সোমনাথ” (Kesari Veer and Chhavaa)। এই দুই ছবিই বলিউডের ঐতিহ্যগত ইসলামিক প্রভাব থেকে এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে। এই সিনেমাগুলোর মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া হিন্দু বীরদের কাহিনি নতুন করে পর্দায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

    বলিউডে নতুন গল্প বলার ধরন

    দীর্ঘদিন ধরে বলিউড, “দাউদউড” হিসেবে সমালোচিত হয়েছে তার হিন্দু-বিরোধী (Hindutva in Bollywood) মনোভাবের জন্য। সেই বলিউডই এখন বীর হিন্দু যোদ্ধাদের গল্প বলতে শুরু করেছে। “ছভা” এবং “কেশরী বীর” সিনেমাগুলোর মাধ্যমে, একেবারে নতুন ধরনের গল্প বলার এক প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলি-দুনিয়ায়। যদিও এই সিনেমাগুলি হিন্দুত্বের মূল আদর্শ অনুসরণ করে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়, তবে এগুলোর মাধ্যমে হিন্দু ইতিহাসের ভুলে যাওয়া বীরদের কাহিনি নতুন করে উন্মোচিত হওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই সিনেমাগুলি হিন্দু বীরত্বের কাহিনি তুলে ধরে, বলিউডের ঐতিহ্যগত দৃষ্টিভঙ্গির থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের গল্প বলছে। এই সিনেমাগুলোর মাধ্যমে বলিউডের সেই পুরনো ধারা ভাঙছে, যেখানে হিন্দু ইতিহাস প্রায়শই উপেক্ষিত বা বিকৃত করা হয়েছে।

    ইতিহাসে উপেক্ষিত চরিত্র

    সপ্তদশ শতকে বাবা শিবাজির পদাঙ্ক অনুসরণ করেই তরুণ সম্ভাজি মোঘলদের দাসত্ব স্বীকার না করে, মারাঠা স্বরাজের পক্ষে লড়াই করেছিলেন। দিল্লিতে তখন ঔরঙ্গজেবের রাজত্ব। সম্ভাজি সিংহাসনে বসেই বুরহানপুরে মোঘলদের সেনা ছাউনিতে আক্রমণ করে ধ্বংস করলে তৎকালীন মোঘল সম্রাট প্রতিশোধ নিতে শুরু করেন পালটা আক্রমণ করে। ওদের প্রতিটি আক্রমণ রুখে দেন সম্ভাজি তাঁর অনুগত সৈনিক এবং সেনাপতি হাম্বিররাওয়ের লড়াই কৌশলে। একেবারে যাকে বলে গেরিলা যুদ্ধ, প্রায় সেইরকম। জলে, স্থলে, অন্তরীক্ষে সম্ভাজির সেনারা (লক্ষ্মণ উতরেকরের নির্দেশে অ্যাকশন কোরিওগ্রাফার) আরও কতই না ভেলকি দেখিয়েছেন। তাঁরা মাটি ফুঁড়ে বেরিয়ে এসেছে। আখের ক্ষেতে ছদ্মবেশে আখ গাছ হয়েছে। চিত্রনাট্যে মহারাষ্ট্র ও সমগ্র মারাঠি জাতির প্রাণপুরুষ শিবাজি মহারাজ, উপস্থিত না থেকেও যেভাবে রয়েছেন, তা এক কথায় অনবদ্য। সংলাপে অনর্গলভাবে ওঁর নাম উচ্চারিত হয়েছে।

    মারাঠি মহানুভবতার পরিচয়

    সম্ভাজি ও ঔরঙ্গজেবের মধ্যে ফাইনাল যুদ্ধটি হয় পুণের কাছে ভীম নদীর পাড়ে তুলাপুর নামের একটি জায়গায়। যেখানে ঔরঙ্গজেব সম্ভাজি ও তাঁর অন্যতম অমাত্য কবি কালাশকে বন্দি করে নিয়ে যান। বন্দিদশায় কবির জিভ কেটে দেওয়া হয়। আর চোখ উপড়ে নেওয়া হয় সম্ভাজির। মৃত্যুর পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত মারাঠিরাজ একা লড়ে যান শতাধিক মোঘল সৈন্যের সঙ্গে। সে লড়াই সত্যি অসম্ভব এবং অমানসিক। হিন্দুত্বের জয়গান, মারাঠি মহানুভবতার পরিচয়, এই ছবি। এক সংলাপে সম্ভাজি বলেই ফেলেন “তুমি আমার সঙ্গে যোগ দিয়ে মারাঠি হয়ে যাও, তোমাকে সেজন্য ধর্ম ত্যাগ করতে হবে না। সুখে থাকবে!” বলিউড অতীতে সাধারণত ইসলামি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামী হিন্দু বীরদের গল্প বলতে পিছপা থেকেছে, বরং ওই সময়ের আক্রমণকারীদের মঙ্গলময় রূপে উপস্থাপন করত। সম্ভাজি মহারাজের এই কাহিনী বহুদিন ধরেই ইতিহাস থেকে উপেক্ষিত ছিল, যদিও তিনি ছিলেন এক মহান যোদ্ধা।

    সোমনাথ মন্দির রক্ষার লড়াই

    সুনীল শেঠি, সুরজ পাঞ্চোলি এবং বিবেক ওবেরয় অভিনীত ঐতিহাসিক বায়োপিক, কেশরী বীর: লেজেন্ড অফ সোমনাথের বহুল প্রতীক্ষিত টিজারও সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। এই ছবিটি হামিরজি গোহিলের বীরত্বপূর্ণ কাহিনী বর্ণনা করে, যিনি একজন নির্ভীক যোদ্ধা ছিলেন। পবিত্র সোমনাথ মন্দিরে পাহারা দিতেন তিনি। শক্তিশালী তুঘলক সাম্রাজ্যের হাত থেকে হিন্দু মন্দিরকে রক্ষা করেছিলেন হামিরজি। ছবিটি গোহিলের সাহস, ত্যাগ এবং দৃঢ় সংকল্প প্রদর্শন করে। ১৪০০ শতাব্দীতে আক্রমণকারীদের হাত থেকে সোমনাথ মন্দিরকে রক্ষা করার জন্য লড়াই করা এবং জীবন উৎসর্গ করা অজ্ঞাত পরিচয় যোদ্ধাদের এক অনুপ্রেরণামূলক গল্প নিয়ে তৈরি এই ছবি। হামিরজি গোহিলের মতো হিন্দু বীরের গল্পও এখন আলোচনায় আসছে। গোহিল রাজপুত বংশের এক বীর যোদ্ধা। তিনি সোমনাথ মন্দির রক্ষার জন্য আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লড়েছিলেন, তাঁর কাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই উপেক্ষিত ছিল।

    বলিউডে পরিবর্তন

    বহুদিন ধরে বলিউডকে তার হিন্দু-বিরোধী এবং প্রো-ইসলামিস্ট অবস্থানের জন্য সমালোচিত করা হয়েছে। তবে “ছভা” এবং “কেশরী বীর” (Kesari Veer and Chhavaa) সিনেমাগুলি সম্ভবত এই পরিবর্তনের শুরু, যা ভবিষ্যতে আরও নতুন গল্প নিয়ে আসবে। সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার এক বিশেষ প্রবণতা শুরু হয়েছে, যা কেবল আড়ালে রাখা বীরদের কাহিনী সামনে আনছে। তবে প্রশ্ন থেকেই যায়, কি বলিউড একটি বাস্তবিক সাংস্কৃতিক পরিবর্তন সাধন করছে, নাকি এটি কেবল হিন্দু অনুভূতির প্রতি বাজারের প্রতিক্রিয়া? যাই হোক, যে কথাগুলো এতদিন চাপা ছিল, সেগুলো এখন সিনেমার পর্দায় উঠে আসছে—এটা নিজেই একটি বড় পরিবর্তন।

LinkedIn
Share