মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারের কৈমারী (Kaimari in Coochbehar) সীমান্তে বিএসএফের (BSF) গুলিতে মৃত্যু হল দুই বাংলাদেশী পাচারকারীর। বুধবার রাত সাড়ে সাতটা নাগাদ বিএসএফের তরফে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, গতকাল গভীর রাতে সংশ্লিষ্ট সীমান্তে ১৫ থেকে ২০ জনের ভারত ও বাংলাদেশী যৌথ একটি পাচারকারী দল সীমান্তে গরু পাচার করছিল। সেই সময় বিএসএফের ৭৫ নম্বর ব্যাটেলিয়নের জওয়ানরা তাদের বাধা দিলে পাল্টা পাচারকারীরা আক্রমণের চেষ্টা করে। এরপর পাচারকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে বিএসএফ জওয়ান দুটি স্ট্যান্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এরপরেও বাংলাদেশী পাচারকারীরা ভারতীয় পাচারকারীদের সহযোগিতায় বিএসএফদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এর পাশপাশি ধারালো অস্ত্র, আগ্নেয়াস্ত্র এবং বাঁশের লাঠি নিয়ে কর্তব্যরত বিএসএফ জওয়ানকে ঘিরে ফেলে।
Tag: BSF
BSF
-

BSF: বিএসএফের গুলিতে খতম দুই বাংলাদেশি পাচারকারী
জীবনের ঝুঁকিতে আত্মরক্ষায় বিএসএফ জওয়ানরা পাচারকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। সেই ঘটনায় দুজন বাংলাদেশী গুলিতে প্রথমে আহত হন এবং তাদের পাচারকারীরা বাংলাদেশে নিয়ে যায় সেখানেই তাদের মৃত্যু হয়। এমনটাই বিএসএফ সূত্রে খবর। এবং বাকি পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরে বাংলাদেশের সীমান্তের ভেতরেই ওই দুজন মারা গেছেন বলেও জানতে পেরেছেন বিএসএফ জওয়ানরা।এই ঘটনায় এক বিএসএফ জওয়ানও আহত হয়েছেন বলে বিএসএফ ৭৫ নম্বর ব্যাটেলিয়ান সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সংশ্লিষ্ট এলাকায়। এই ঘটনার পরে বিএসএফের তরফে জানানো হয়েছে সীমান্তে পাচারকারীদের পাচার রুখতে আগামী দিনে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বিএসএফ। পাচারকারীরা বেশিরভাগ সময়েই সঙ্ঘবদ্ধ হয়। সংখ্যাতেও অনেক বেশি থাকে। অন্যদিকে সীমান্ত রক্ষী মোতায়েন করা হয় বেশ কিছুটা দূরে দূরে, একেকজন করে। তাই সঙ্ঘবদ্ধ আক্রমণের শিকারও হন বিএসএফ সদস্যরা। এধরণের ঘটনায় বিএসএফ সদস্যরাও আহত হন এবং মৃত্যুও হয়েছে অনেকের। -

Pakistan Drone: ভারত-পাক সীমান্তে ফের ড্রোন হানা, গুলি করে নামাল বিএসএফ
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাক আন্তর্জাতিক সীমান্তে বেড়েছে ড্রোনের (Pakistan Drone) উৎপাত। কিছুদিন আগেই এক পাকিস্তানি ড্রোনকে গুলি করে নামানো হয়েছিল। এরপর আবার ফের একই ঘটনা। রবিবার রাতের অন্ধকারে পাঞ্জাবের অমৃতসর অঞ্চলে ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তে একটি কোয়াড-কপ্টার ড্রোনকে গুলি মেরে মাটিতে নামায় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)। এই সীমান্তে গত তিনদিনে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার এমন ঘটনা ঘটল।
Punjab | BSF troops of 22 battalion thwarted a drone intrusion attempt at around 9.15pm by shooting down an Octa-copter (8 propellers) in BOP (Border out post) Rania in Amritsar. Drone is approx 12 kg in weight. A consignment was also recovered. Further details shall follow: BSF pic.twitter.com/UdUctCDfun
— ANI (@ANI) October 16, 2022
ড্রোনের (Pakistan Drone) মাধ্যমেই ‘কনসাইনমেন্ট’ পাকিস্তান থেকে ভারতে পাচার করা হচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে বিএসএফ-এর নজরে পড়তেই গুলি করে নামানো হয় ড্রোনটিকে। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, রাত ৯টা ১৫ মিনিট নাগাদ বিএসএফের ২২ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের নজরে পড়ে এটি। ১২ কেজি ওজনের কোয়াড-কপ্টার ড্রোনটিকে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের অমৃতসর সেক্টরের রানিয়া বর্ডার পোস্টের কাছে দেখতে পাওয়া যায়। আরও জানা গিয়েছে, ওই ড্রোনে ২ কেজির সামগ্রী সহ একটি সবুজ রং-এর প্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছে। প্যাকেটগুলির ভিতরে মাদকজাত দ্রব্য রয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়েছে। বিএসএফ-এর এক সিনিয়র অফিসার সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, সীমান্তরক্ষীদের গুলিতে দুটি প্রপেলার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কনসাইমেন্টও উদ্ধার করা হয়েছে। তল্লাশি অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে।
আরও পড়ুন: হিন্দিতে ডাক্তারি পড়তে পারা দেশে ইতিবাচক বদল আনবে, আত্মবিশ্বাসী প্রধানমন্ত্রী
প্রসঙ্গত, এর আগে ১৩ অক্টোবরের মাঝরাতেও সীমান্তরক্ষীরা পাঞ্জাবের গুরদাসপুরে গুলি করে নামায় একটি পাকিস্তানি ড্রোন (Pakistan Drone)। ওই ড্রোনটিও গতকালের উদ্ধার হওয়া ড্রোনের মতোই কোয়াড-কপ্টার ছিল। সূত্রের খবর অনুযায়ী, গত ৯ মাসে মোট ১৯১ টি ড্রোন পাশের দেশ পাকিস্তান থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের সময় নজরে এসেছে নিরাপত্তা বাহিনীর। এর মধ্যে ১৭১ টি ড্রোন ভারত-পাক সীমান্ত দিয়েই প্রবেশ করতে দেখা গিয়েছে। জম্মু সেক্টরে অনুপ্রবেশ ঘটেছে ২০টি ড্রোনের। গত ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যেসব ড্রোনকে গুলি করে মাটিতে নামানো হয়েছে, সেগুলো সাধারণত পাঞ্জাবের অমৃতসর, ফিরোজপুর এবং আবোহার অঞ্চলে দেখা গিয়েছিল। বিএসএফ-এর আধিকারিকরা এএনআইকে জানিয়েছেন যে, পাকিস্তান থেকে জম্মু ও পাঞ্জাবের আন্তর্জাতিক সীমান্তে অস্ত্র, বিস্ফোরক এবং মাদক পরিবহনের জন্য পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও এইসন ড্রোন থেকে বিভিন্ন AK সিরিজের অ্যাসল্ট রাইফেল, পিস্তল, MP4 কার্বাইন, কার্বাইন ম্যাগাজিন, বিস্ফোরক গ্রেনেড এবং সেইসঙ্গে মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে নিরাপত্তা বাহিনী।
ফলে ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায় ক্রমেই বেড়েছে ড্রোনের অনুপ্রবেশ, আর এই ঘটনা বেশ উদ্বেগজনক। এই অনুপ্রবেশের ঘটনাগুলির তদন্তে নেমেছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিং এজেন্সি।
-

Pakistani Drone: চোরাচালানের ছক! পাঞ্জাব সীমান্তে পাক ড্রোন গুলি করে নামাল বিএসএফ, উদ্ধার প্রচুর মাদক
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঞ্জাব (Punjab) সীমান্তে একটি পাকিস্তানি ড্রোন গুলি করে নামাল সীমান্তরক্ষী বাহিনী (BSF)। সোমবার ভোরে সীমানা পেরিয়ে ভারতে ঢুকে পড়ে ড্রোনটি। সঙ্গে সঙ্গে বিএসএফ জওয়ানরা গুলি চালিয়ে সেটিকে নামিয়ে আনেন। ড্রোনটি থেকে প্রায় ১০ কিলোগ্রাম হেরোইন (Heroin) উদ্ধার হয়।
বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন অমৃতসরের সীমান্তবর্তী ভারোপাল গ্রামে একটি পাকিস্তানি ড্রোন দেখতে পান নিরাপত্তারক্ষীরা। সঙ্গে সঙ্গে বিএসএফ জওয়ানরা গুলি চালিয়ে সেটিকে নামিয়ে আনেন। ড্রোনটি থেকে প্রায় ১০ কিলোগ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। ওই মাদকের মূল্য ভারতীয় বাজারে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা বলে মনে করা হচ্ছে।
বিএসএফের তরফে একটি ট্যুইটে জানানো হয়েছে, “পাকিস্তান থেকে ড্রোনের মাধ্যমে মাদক পাচার করার আরও একটি প্রচেষ্টা ভেস্তে দিয়েছে বিএসএফ। পাকিস্তান থেকে আসা ড্রোনটিকে গুলি করে নামিয়ে আনেন জওয়ানরা। সেই ড্রোন থেকে ন’টি প্যাকেটে মোড়া ১০ কেজি হেরোইন পাওয়া গিয়েছে।”
রবিবার পাঞ্জাবের তরন তারান থেকে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে একটি শক্তিশালী আইইডি উদ্ধার করা হয়। নিরাপত্তা বাহিনী মনে করছে, পাকিস্তান থেকে ড্রোনের মাধ্যমে ওই বোমাটি ভারতে পাচার করা হয়েছিল।
মূলত অস্ত্রশস্ত্র ও মাদক দ্রব্য ছড়াতেই সীমান্তরেখা পেরিয়ে এই ড্রোনগুলিকে ভারতে পাঠায় পাকিস্তান। নাশকতার কোনও ছকও থাকতে পারে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হয়। অতিমারীর সময় থেকেই সীমান্তে পাক হামলার ঘটনা বেড়েছে। কিন্তু ভারতীয় সেনার একের পর এক প্রত্যাঘাতে নাকাল হতে হচ্ছে পাকিস্তানকে। তাই এখন ড্রোনের মাধ্যমে সীমান্ত পেরিয়ে অস্ত্র পৌঁছে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে পাকিস্তান।
-

Amit Shah in Bengal: “প্রশাসনের সাহায্য ছাড়া সীমান্ত সুরক্ষা সম্ভব নয়”, বঙ্গ সফরে রাজ্যকে ‘শাহি’ তোপ
মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ স্থানীয় প্রশাসনের সাহায্য ছাড়া সীমান্ত সুরক্ষা সম্ভব নয়। দু দিনের রাজ্য সফরে এসে বললেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, অনুপ্রবেশ (Infiltration)-চোরাচালান (Smuggling) (বন্ধ করে সীমান্ত দুর্ভেদ্য (Border Security) করা বিএসএফের দায়িত্ব। কিন্তু সেটা কখনই সম্ভব নয় যদি না স্থানীয় প্রশাসন পাশে থাকে। নাম না করেই ইঙ্গিত স্পষ্ট। বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রথমবার রাজ্যে এসেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের তোপ রাজ্য সরকারকে। অমিত শাহের আশ্বাস, এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, এ রাজ্যেও বিএসএফ (BSF) প্রয়োজনীয় সাহায্য পাবে। মানুষের চাপের কারণেই বাধ্য হয়ে প্রয়োজনীয় সাহায্য করবে প্রশাসন।
[tw]
तस्करी और घुसपैठ से इस क्षेत्र को अभेद्य बनाना बीएसएफ का काम है।
हालांकि ये स्थानीय प्रशासन की मदद के बिना कठिन है।
लेकिन आप विश्वास रखिए कि वो मदद भी जल्द मिले, ऐसी राजनीतिक स्थिति का निर्माण भी यहां जल्द होने वाला है। जनता का ऐसा दबाव बनेगा की मदद करने को सब मजबूर होंगे। pic.twitter.com/v5JqViqN49
— BJP (@BJP4India) May 5, 2022
[/tw]বিএসএফের নজরদারির পরিধি ১৫ কিলোমিটার থেকে ৫০ কিলোমিটার করার কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে রাজ্য বিধানসভায় ইতিমধ্যেই বিল পাশ করেছে রাজ্য। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই সিদ্ধান্ত ভাল চোখে দেখছে না কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। কারণ দিল্লির দাবি, রাজ্যে অনুপ্রবেশ বাড়ছে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চোরাচালান। শাসকদলের (TMC) স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগও উঠছে নিয়মিত।
দক্ষিণবঙ্গের (South Bengal) সুন্দরবন (Sunderbans) অঞ্চলে নজরদারি জোরদার করতে ৬টি ভাসমান সীমান্তরক্ষা আউট-পোস্টের আনুষ্ঠানিক উদবোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয় ৬টি আউটপোস্ট। এর ফলে, সুন্দবনের দুর্গম খাঁড়ি এলাকাতে নজরদারি চালাতে সুবিধা হবে বিএসএফের। এরপর, হরিদাসপুর আউটপোস্টে ‘মৈত্রী সংগ্রহালয়’ একটি মিউজিয়ামের শিলান্যাস করেন অমিত শাহ। ভাসমান আউটপোস্ট ছাড়াও রাজ্যের সাহেবখালি থেকে বিহারের শামসেরনগর পর্যন্ত চিকিৎসার সুবিধা বাড়াতে ৬টা নতুন ভাসমান অ্যাম্বুলেন্সের উদবোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Home Minister) দু’দিনের রাজ্য সফরে দক্ষিণের সঙ্গে জুড়েছেন উত্তরবঙ্গকেও (North Bengal)। আজই সন্ধ্যায় শিলিগুড়িতে, রেলওয়ে ইনস্টিটিউট স্পোর্টস গ্রাউন্ডে জনসভা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। ৬ মে, শুক্রবার, সফরের দ্বিতীয়দিনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যাবেন উত্তরবঙ্গে। কোচবিহারের (Coochbehar) তিনবিঘায় বিএসএফের ঝিকড়াবাড়ি আউটপোস্ট পরিদর্শন করবেন অমিত শাহ।
-

insas rifle snatched: “বাংলা জেহাদিদের আঁতুড়ঘর”, বিএসএফের রাইফেল ছিনতাইকাণ্ডে ট্যুইট সুকান্তর
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তৃণমূলের রাজত্বে বাংলা হয়েছে জেহাদিদের (jihadi) আঁতুড়ঘর। রাজ্যটি জেহাদিদের প্রিয় জায়গা হয়ে উঠেছে।” এমনটাই মনে করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (sukanta majumder)। মঙ্গলবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার ঘোজাডাঙা স্থলবন্দরের কাছে বিএসএফের (BSF) কর্তব্যরত এক মহিলা কনস্টেবলের কাছ থেকে ইনস্যাস (Insas) রাইফেল ছিনতাই প্রসঙ্গে এমন ট্যুইট করেন সুকান্ত।
বিএসএফ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার গভীর রাতে ১৫৩ ব্যাটেলিয়নের এক মহিলা কনস্টেবল পাহারা দিচ্ছিলেন ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে (India Bangladesh border) ঘোজাডাঙা স্থলবন্দরের কাছে। আচমকাই কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁর কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় ইনসাস অ্যাসল্ট রাইফেল (Assault rifle) ও ২০ রাউন্ড গুলি। বিএসএফের এক আধিকারিক জানান, প্রহরারত মহিলা কনস্টেবলকে মারধর করে দুষ্কৃতীরা তাঁর সঙ্গে থাকা রাইফেল ও গুলি ছিনিয়ে নিয়ে চম্পট দেয়।
এরপরই এলাকায় চিরুনি-তল্লাশি শুরু করে বিএসএফ। আটক করা হয় এক ডজনেরও বেশি সন্দেহভাজনকে। তবে বুধবার সন্ধে পর্যন্ত হদিশ মেলেনি খোয়া যাওয়া রাইফেলের। শেষমেশ বিএসএফের তরফে অভিযোগ দায়ের হয়েছে বসিরহাট থানায়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার জোবি টমাস কে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, তাদের একটি ইনসাস রাইফেল (insas rifle) চুরি গিয়েছে বলে আমরা বিএসএফের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। সেই অনুযায়ী, আমরা মামলা শুরু করেছি। তবে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। তদন্ত চলছে। আমরা সব দিক খতিয়ে দেখছি। পুলিশের একটি অংশের মতে, রাইফেলটি ছিনিয়ে নিয়ে দুষ্কৃতীরা বাংলাদেশে গা-ঢাকা দিতে পারে।
বিএসএফের এক মহিলা কনস্টেবলকে মারধর করে রাইফেল ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় যারপরনাই বিস্মিত বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে ট্যুইট করেন তিনি। লেখেন, “তৃণমূলের শাসনে পশ্চিমবঙ্গ জেহাদিদের আঁতুড়ঘরে পরিণত হয়েছে। ঘোজাডাঙার এই ঘটনাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল এ রাজ্য জিহাদিদের প্রিয় জায়গায় পরিণত হয়েছে।”
[tw]
Under TMC rule, West Bengal has become breeding grounds for Jihadis. This incident is another example of how the state has become Jihadi’s favourite place. https://t.co/ROKl9fdOhB
— Dr. Sukanta Majumdar (@DrSukantaBJP) May 12, 2022
[/tw]বিজেপির রাজ্য সভাপতির এই ট্যুইটের প্রেক্ষিতে তৃণমূলের তরফে অবশ্য কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
-

Cattle Smuggling Case: নিশুতি রাতে পাচার হত পাল পাল গরু, কীভাবে চলত অপারেশন?
মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষা সূয্যি ডোবার। তার পরেই অন্ধকার হয়ে যেত বীরভূম (Birbhum)-মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বিস্তীর্ণ অংশ। অন্ধকার ফুঁড়ে ছড়ি হাতে বের হত গরু পাচারকারীরা। নিশুতি রাতে কেবল শোনা যেত গরুর খুরের ঠক ঠক শব্দ। আর মাঝে মধ্যে পাচারকারীর হ্যাট, হ্যাট আওয়াজ। এভাবেই দিনের পর দিন পাচার হয়ে যেত পাল পাল গরু। দেশের সীমান্ত পেরিয়ে সেই গরু চলে যেত বিভুঁইয়ে, বাংলাদেশে (Bangladesh)। তারপর ভায়া কষাইখানা হয়ে সটান খানদানিদের টেবিলে টেবিলে। এই গরু পাচার চক্রেই নাম জড়িয়েছে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mandol)। বিএসএফের (BSF) এক শীর্ষ কর্তা সহ আরও কয়েকজনের।
কিন্তু কীভাবে চালানো হত গোটা অপারেশন? আসুন জেনে নেওয়া যাক, সেই গল্পই। সিবিআই সূত্রে খবর, যেসব গরু পাচার হত, তার সিংহভাগই আসত পাঞ্জাব, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ এবং রাজস্থান থেকে। যেসব গরুর প্রজনন ক্ষমতা নেই, বয়সের কারণে বাতিল হয়ে যাওয়া বলদই মূলত ঝাড়খণ্ড সীমান্ত হয়ে পাচারকারীদের হাত ধরে পৌঁছাত বীরভূমে। এই বীরভূমের ইলামবাজারে বসে বিরাট গরুর হাট। হাট চালাত গরু ব্যবসায়ী আবদুল লতিফ। ব্যবসার খাতিরেই লতিফ সম্পর্ক রেখে চলত জেলার সর্বেসর্বা অনুব্রতর সঙ্গে। হাট থেকে ফের গরু চলে যেত পাচারকারীদের হাতে। ট্রাকে করে সেই গরু বীরভূমের ফুটিসাঁকো বা বাদশাহি রোড ধরে সটান চলে যেত মুর্শিদাবাদে।
সেখানেই গরু নিয়ে পাচারকারীরা অপেক্ষা করত সূয্যি ডোবার। কেবল সূর্য অস্ত গেলেই হবে না। পাচারকারীদের অপেক্ষা করতে হত বিএসএফ এবং কাস্টমসের একাংশের সবুজ সংকেতেরও। তারাই পাচারকারীদের জানিয়ে দিত, কোন দিন কখন লাইন খোলা হবে। নির্দিষ্ট দিনে এক কিংবা দু ঘণ্টার জন্য চোখে ঠুলি পরে বসে থাকত বিএসএফ। তার পর কখনও স্থলপথে কখনও বা জলপথে হাত বদল হয়ে যেত গরুর পাল। বাংলাদেশের পাচারকারীদের হাতে গরু তুলে দিতে পারলেই কেল্লাফতে। মিলবে মোটা অঙ্কের টাকা। পাঁচ হাজার টাকার গরুই হাত ফের হয়ে বিক্রি হয় আট থেকে দশগুণ বেশি দামে।
আরও পড়ুন : গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার অনুব্রত মণ্ডল! নিয়ে যাওয়া হতে পারে সিবিআই ক্যাম্প অফিসে
লাভের কড়ি মোটা হলেও, সে টাকার সবটা ভোগে লাগত না পাচারকারীদের। টাকার বখরা দিতে হত পুরো চ্যানেলে থাকা লোকজনকে। যেসব থানার ওপর দিয়ে আসত গরুর পাল, সেখানকার থানার কর্তা এবং শাসকদলের নেতাদের দিতে হত নজরানা। যিনি যেমন মাপের নেতা, তাঁর পকেটে ঢুকবে তেমন পরিমাণ টাকা। শুধু নেতাদের নজরানা দিলেই যে সব কিছু মসৃণ গতিতে চলবে, তা তো নয়! তাই বখরার একটা অংশ দিতে হত বিএসএফ কর্তাদের একাংশকেও। কারণ তাঁরাই ‘গোপন’ সীমান্ত নির্দিষ্ট সময়ে ‘ওপেন’ করে দেন। তাই গরু-পাচারের টাকার ভাগ পেতেন বিএসএফের কমান্ডান্ট পর্যায়ের আধিকারিক, ডিআইজি কিংবা আইজি স্তরের একাংশও। এঁদের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে বিএসএফ। গ্রেফতার হয়েছেন বিএসএফ কমান্ডান্ট সতীশ কুমার, জেডি ম্যাথু। গরু পাচার মামলায় ইতিমধ্যেই সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত। গ্রেফতার হয়েছে তার দেহরক্ষী সায়গল হোসেনও। গ্রেফতার হয়েছে মূল অভিযুক্ত এনামূল হক। তবে এখনও অধরা হাটের মালিক লতিফ।আরও পড়ুন : গ্রেফতার হতে না হতেই কেষ্টকে ঝেড়ে ফেলল তৃণমূল!
এখনও নিয়মিত বসে ইলামবাজারের হাট। বিক্রি হয় গরুও। তবে অনুব্রতরা গ্রেফতার হওয়ার পর ভয়ে সিঁটিয়ে গিয়েছে পাচারকারীরা। তাই বিক্রি কমেছে গরুর। কমেছে দামও। কাজলকালো চোখে জল নিয়ে নতুন মালিকের অপেক্ষায় হা পিত্যেশ করে দাঁড়িয়ে থাকে হাটের গরু।