Tag: BSF

BSF

  • Bangladesh Crisis: অশান্ত বাংলাদেশ, অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা প্রবল! জল-স্থল সীমান্তে সতর্ক বিএসএফ

    Bangladesh Crisis: অশান্ত বাংলাদেশ, অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা প্রবল! জল-স্থল সীমান্তে সতর্ক বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। চারিদিকে শুধুই হাহাকার আর কান্নার রোল। অন্যদিকে, একদলের উন্মত্ত উল্লাস। সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার সীমাহীন। সোনার বাংলা ভূলুণ্ঠিত। শুধু সংখ্যালঘুরাই নয়, আক্রান্ত হচ্ছেন আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীরাও। প্রাণভয়ে অনেকে পালিয়ে আসছেন সীমান্তপারে। বাংলাদেশের এই চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষিতে তাই ভারতীয় সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নিল বিএসএফ। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে জলসীমানা অনেকটা। তাই কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে জলসীমায়। বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর ডাঙাতেও হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। বিএসএফের (BSF) পক্ষ থেকে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। কাঁটাতার ঘেরা সীমান্তে রাত-টহলের জন্য নাইট ভিশন ক্যামেরার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। বেড়েছে জওয়ানের সংখ্যাও।

    সুন্দরবনে জলসীমায় কড়া পাহাড়া

    বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) বর্তমান পরিস্থিতিতে সুন্দরবনের ভারত-বাংলাদেশ জলসীমানায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুন্দরবনের নদী ও সমুদ্রে হাই অ্যলার্ট জারি করা হয়েছে। এখন বাংলাদেশ ও ভারতের জলসীমানায় ২৪ ঘণ্টা টহল দিচ্ছে জলে-স্থলে চলতে পারা ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর হোভারক্রাফ্ট। এদিন বেলায় ফ্রেজারগঞ্জ ঘাঁটিতে পৌঁছে গিয়েছে বিশেষ এই হোভারক্রাফ্ট। উপকূলরক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা হোভারক্রাফ্টে চেপে বঙ্গোপসাগরে ভারত-বাংলাদেশ জলসীমানায় টহলদারি শুরু করেছেন। অনেক সময়ে বাংলাদেশ থেকে জলদস্যু বা মৎস্যজীবীরা জলসীমানা পেরিয়ে চলে আসে এ পারে‌। ট্রলারে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ আটকাতে এই হোভারক্রাফ্ট অনেকটাই কাজে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। উপকূলরক্ষী বাহিনীর পাশাপাশি সুন্দরবনের উপকূল এলাকার প্রতিটি থানাই জলপথে পেট্রোলিং চালাচ্ছে। এ দিন সকাল থেকে ফ্রেজারগঞ্জ উপকূল থানার স্পিডবোট এবং এফআইবি বোট নদী এবং সমুদ্রে টহল দিয়েছে।

    গ্রামবাসীদের দল

    সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ রুখতে এবার একজোট হলেন গ্রামবাসীরাও। গ্রামে গ্রামে টিম করে সচেতনতা প্রচার চালাচ্ছে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স। জেল ভাঙা জামাত জঙ্গিরা যে কোনও সময় সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকতে পারে, এমন প্রচারও চালাচ্ছে বিএসএফ (BSF)। মূলত বাংলাদেশের এই পরিস্থিতির মধ্যে যাতে কোনও ভাবে অনুপ্রবেশ না ঘটে সেই বিষয়ে গুরুত্ব দিতেই, নদিয়া,  জলপাইগুড়ি, কোচবিহারের সীমান্তবর্তী এলাকায় গ্রামবাসীদের সঙ্গে বৈঠক করে বিএসএফ। গেদে ৩২ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের উদ্যোগে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে নদিয়ায় বৈঠকে বসেন পঞ্চায়েত প্রধান সদস্য-সহ অন্যান্য প্রতিনিধিরা। কোনও অপরিচিত মানুষ দেখলে গ্রামবাসীদের কী কর্তব্য সেটাও বুঝিয়ে দিয়েছে সেনা-আধিকারিকরা।

    গ্রামবাসীদের করণীয়

    বুধবার সীমান্তবর্তী একাধিক গ্রামে গিয়ে অনুপ্রবেশ (Bangladesh Crisis) রুখতে গ্রামবাসীদের কী করণীয় তা বুঝিয়ে বলেন বিএসএফ (BSF) আধিকারিকরা। গ্রামবাসীদের তাঁরা বলেন, ‘‘অচেনা কাউকে গ্রামে দেখলে বিএসএফ বা পুলিশকে জানাবেন। রাতে খুব দরকার না হলে বাড়ির বাইরে বেরোবেন না। আর বেরোলেও সীমান্তের কাটাতারের দিকে যাবেন না।’’ তবে বাংলাদেশের পরিস্থিতির কোনও প্রভাব সীমান্তের এপারে পড়ার সম্ভাবনা দেখছেন না গ্রামগুলির বাসিন্দারা। তাঁরা জানিয়েছেন, বিএসএফ ও পুলিশের পাহারায় নিরাপদে রয়েছেন তাঁরা।

    উত্তরবঙ্গে সতর্কতা

    উত্তরবঙ্গের ফুলবাড়ি সীমান্তে সরদারপাড়া, ধদাগছ, লক্ষ্মীস্থান, নারায়ণজোতসহ প্রায় ১২টি সীমান্তবর্তী গ্রাম রয়েছে। সেখান থেকে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করছে বিএসএফ (BSF)। এব্যাপারে গ্রামবাসীদের সতর্ক করেছেন বিএসএফ আধিকারিকরা। বুধবার গ্রামে গ্রামে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। বিএসএফের নর্থবেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের আইজি সুর্যকান্ত শর্মা বলেন, “সম্প্রতি বাংলাদেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। অনুপ্রবেশ, অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকাতেও গ্রামবাসীদের সতর্ক করা হচ্ছে যাতে কোনও সন্দেহজনক কাওকে বা অপরিচিত কাউকে দেখলে সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বা পুলিশকে জানানো হয়।” দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে কোচবিহার পর্যন্ত উত্তরের পাঁচ জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের প্রায় চার হাজার কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে ৯৩৬ কিলোমিটার নর্থবেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের অধীনে। সীমান্তে নজরদারির জন্য চারটি সেক্টরে মোট ১৮টি বিএসএফ ব্যাটেলিয়ন মোতায়েন করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, ভারতের উদ্বেগের একাধিক কারণ

    সীমান্তের কাছেই সেনা

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গে ১০৯ কিলোমিটার খোলা সীমান্ত রয়েছে। সেই ফাঁকা সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দাদের অনেকে। বিএসএফের তরফে ফাঁকা সীমান্তে জওয়ানদের নজরদারি দ্বিগুণ করা হয়েছে। চ্যাংরাবান্ধা এবং ফুলবাড়ির মতো সীমান্ত থেকে এক দেড় কিলোমিটার দূরে রাখা হয়েছে সেনাবাহিনীকে। সীমান্ত পরিস্থিতির অবনতি হলে তড়িঘড়ি যাতে সেনাকে কাজে লাগানো যেতে পারে, সেজন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে বিএসএফের উত্তরবঙ্গের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক (পিআরও) অমিত ত্যাগী জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘নিয়ম মেনে অনেকেই ওপার বাংলা থেকে ভারতে আসছেন। অনিয়মে কাউকেই ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রয়োজনে সেনাবাহিনীকেও নামানো হবে। তবে কাঁটাতারহীন কিছু এলাকায় জওয়ানদের তরফেই অস্থায়ী বেড়া দেওয়া রয়েছে।’’

    সতর্ক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

    সোমবার বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে চূড়ান্ত নৈরাজ্য শুরু হয়েছে সীমান্তের ওপারে। বিদায়ী শাসকদল আওয়ামি লিগ নেতা ও হিন্দুসহ অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর পাশবিক অত্যাচার চলছে সীমান্তের ওপারে। এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সতর্কতা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সীমান্ত পাহারায় মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি বিএসএফ জওয়ান। তবে তাতেও জল – জঙ্গলে ভরা সীমান্তে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। টহলদারির পাশাপাশি সীমান্তে নজরদারির জন্য ড্রোন ওড়াচ্ছে বিএসএফ (BSF)। অনুপ্রবেশ রুখতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত সেনা জওয়ান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: নিরাপত্তায় মোড়া বাংলা-সীমান্ত, নাইট গগলসে নজরদারি, পরিদর্শনে বিএসএফ ডিজি

    Bangladesh Crisis: নিরাপত্তায় মোড়া বাংলা-সীমান্ত, নাইট গগলসে নজরদারি, পরিদর্শনে বিএসএফ ডিজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে সোমবার থেকেই সীমান্তে নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। রাতেই বেশ কয়েকটি সীমান্তে লাগানো হয় নাইট ভিশন ক্যামেরা। মঙ্গলবার বিএসএফের ডিজি দলজিত সিং চৌধুরী পেট্রাপোল সীমান্তের নিরাপত্তার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে সীমানা রয়েছে এমন অন্য রাজ্যেও বুধবার পরিদর্শন করবেন বিএসএফের (BSF) ডিজি। 

    কোনওভাবেই অনুপ্রবেশ যাতে না হয় সেদিকে সতর্ক (Bangladesh Crisis) থাকছে বিএসএফ

    সোমবার শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়ার পরপরই কলকাতায় এসে হাজির হয়েছিলেন দলজিত সিং। বিমান থেকে নামা মাত্রই বিএসএফের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। জানা গিয়েছে, এই বেঠকে বেশ কিছু প্রয়োজনীয় নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। এরপর মঙ্গলবার সকালেই ডিজি হাজির হলেন ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। এখানেও বিএসএফের (BSF) দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন দলজিত, তারপর ঘুরে দেখেন সীমান্ত। প্রসঙ্গত, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের এমন রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে চিন্তিত রয়েছে ভারতও। এই সময়ে যাতে কোনওভাবেই অনুপ্রবেশ না হয় সেদিকে সতর্ক থাকছে বিএসএফ।

    কাঁটাতারহীন সীমান্ত (Bangladesh Crisis) নিয়েই বেশি চিন্তিত বিএসএফ

    সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার (Bangladesh Crisis) করতে নাইট ভিশন ক্যামেরা নিয়ে সোমবারে রাতভর পাহারা দিয়েছে বিএসএফ। অশান্তির আগুনে এখনও জ্বলছে বাংলাদেশ। থানা এবং কারাগারগুলিতেও চলছে হামলা। সেখানকার একাধিক বন্দিকে এভাবেই মুক্ত করে দিচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। জানা গিয়েছে যে সমস্ত এলাকাতে কাঁটাতারের সীমান্ত নেই, সেই এলাকাগুলিতেই নাইট ভিশন ক্যামেরা লাগানো হয়েছে, যেমন দক্ষিণবঙ্গের ঘোজাডাঙ্গা, পেট্রাপোল ইত্যাদি। এর পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের হিলি, ফুলবাড়ি চ্যাংড়াবান্ধায় বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে বিএসএফ। সূত্রের খবর, দক্ষিণবঙ্গে ভারত-বাংলাদেশ ৫৩৮ কিলোমিটার অংশ জুড়ে নেই কোনও কাঁটাতার। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের ৩৭৫ কিমি অংশে কাঁটাতার নেই, কাঁটাতারহীন এই অংশ নিয়েই চিন্তিত বিএসএফ।

    ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট খোলা হয়েছে 

    তবে এরই মাঝে মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট খোলা হয়েছে বলে খবর মিলেছে। সকাল থেকেই দু’দেশের বাসিন্দাদের মধ্যে যাতায়াত শুরু হয়েছে। ভারত থেকে ২০০-এর বেশি পণ্যবাহী ট্রাক বাংলাদেশে গিয়েছিল, সেই ট্রাকগুলিকে ফিরিয়ে আনার জন্য চালকেরা বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) গিয়েছেন। তবে পেট্রাপোল সীমান্তে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আমদানি-রফতানি প্রক্রিয়া ও যাত্রী যাতায়াত বন্ধ রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sheikh Hasina: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, দেশ ছেড়েছেন হাসিনা, সীমান্তে নজরদারি বাড়াল ভারত

    Sheikh Hasina: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, দেশ ছেড়েছেন হাসিনা, সীমান্তে নজরদারি বাড়াল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়েছেন বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। বাংলাদেশ এখন অগ্নিগর্ভ। সারা দেশের আন্দোলন এখন হিংসাত্মক এবং সাম্প্রদায়িক রূপ নিয়েছে। ঢাকার গণভবনে চলছে ব্যাপক লুটপাট। একাধিক জায়গায় ভাঙা হয়েছে শেখ মজিবুর রহমানের মূর্তি, হামলা করা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাড়িতেও। আওয়ামী লিগের অবশ্য দাবি, সবটাই জামাত-এ-ইসলামির ইন্ধনে হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান ঘোষণা করেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করে দেশ চালানো হবে। তাই এই আবহে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। ভারতের পূর্বাঞ্চলের সীমান্তে ইতিমধ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। কলকাতা থেকে এডিজি ইস্টার্ন কমান্ড বাহিনীকে সবরকম প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সীমান্তে। বিএসএফের ডিজি ইতিমধ্যে কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছেন।

    হাসিনার সুরক্ষার দায়িত্ব নেবে বিএসএফ (Sheikh Hasina)

    সূত্রের খরব, শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) ভারতের আগরতলায় অবতরণ করে সেখান থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন বলে খবর। ভারতে শেখ হাসিনা পদার্পণ করা পর্যন্ত তাঁর যাবতীয় নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার দায়িত্ব নেয় বিএসএফ। ভারতীয় সেনা সবটা দেখলেও মূল পরিচালনার কাজ করবে বিএসএফ। হাসিনা এবং তাঁর পরিজনরা যাতে ভারতে সুরক্ষিত ভাবে প্রবেশ করতে পারেন, সেই দিকে নজর রাখা হয়েছে। একই ভাবে আন্দোলনকারীরা যাতে ভারতে প্রবেশ করে অশান্তি না করতে পারে, সেই দিকেও খেয়াল রাখছে বিএসএফ।

    আরও পড়ুনঃ নেতার পর এবার সাংবাদিক! অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে হিন্দু নিধন হয়েই চলছে

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সম্পূর্ণ দখল নিয়েছে বিএসএফ

    উল্লেখ্য, শেখ হাসিনার বিষয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক এখনও কোনও সরকারি বিবৃতি প্রকাশ করেনি। কারণ বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি (Sheikh Hasina) একটি আভ্যন্তরীণ বিষয়। তাই আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এই বিষয়ে ভারত মন্তব্য করেনি। কিন্তু সে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তীব্র সঙ্কটে। যার প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশের সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গ, অসম এবং ত্রিপুরায়। এই জন্য সীমান্তে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে বিএসএফ। জারি করা হয়েছে চূড়ান্ত সতর্কতা। এদিকে, বাংলাদেশের এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে দিল্লির নর্থ ব্লক এবং সাউথ ব্লকে চরম তৎপরতা দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, বিদেশমন্ত্রক, প্রতিরক্ষামন্ত্রক, প্রধানমন্ত্রীর দফতর সবগুলিই এই এলাকায়। তবে কী ধরনের তৎপরতা রয়েছে তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট হয়নি। সীমান্তে যদি বাংলাদেশিরা প্রবেশ করতে চায় তাহলে কী ব্যবস্থা গ্রহণ হতে পারে, তা ভারত সরকারের সিদ্ধান্তের পরই জানা যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Infiltration: মাত্র ৫ হাজার টাকায় ভারত-বাংলাদেশে সীমান্তে মুসলমান অনুপ্রবেশ! কীভাবে হয় জানেন 

    Infiltration: মাত্র ৫ হাজার টাকায় ভারত-বাংলাদেশে সীমান্তে মুসলমান অনুপ্রবেশ! কীভাবে হয় জানেন 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে কোনও মুসলিম ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ (Infiltration) করতে পারে মাত্র ৫ হাজার টাকার  বিনিময়ে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের (India-Bangladesh border) পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলা হল চোরা পথের প্রধান প্রবেশ দ্বার, এই তথ্য স্বীকার করেছে খোদ এক অনুপ্রবেশকারী। এই ব্যক্তি বেঙ্গালুরু থেকে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে। ধৃতের নাম মহম্মদ হাফিজুল। বাংলাদেশি মুসলমান অনুপ্রবেশকারীদের মুক্তাঞ্চল যে পশ্চিমবঙ্গ, তা বারবার সংসদ এবং বিধানসভায় বিজেপির সাংসদ-বিধায়করা প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছেন। তাহলে এই রাজ্যের তৃণমূল শাসক কী কিরছে? অবশ্য লোকসভার ভোটের আগে হাবড়ার এক তৃণমূল নেত্রী অনুপ্রবেশকারীদের প্রকাশ্যে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। ফলে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত এলাকাগুলি কতটা সুরক্ষিত, তা নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন।

    অনুপ্রবেশকারী যুবকের বক্তব্য (Infiltration)

    অনুপ্রবেশকারী (Infiltration) মুসলমান যুবক মহম্মদ হাফিজুল পুলিশের কাছে ধরা পড়ে অনর্গল হিন্দিতে বলছে, “বাংলাদেশের খুলনায় আমার বাড়ি। টাকা দিলে ওপার থেকে এপারে (India-Bangladesh border) আসা যায়। জনপ্রতি ভারতীয় টাকায় ৫ হাজার দিলে পশ্চিমবঙ্গে খুব সহজেই ঢোকা যায়। পুলিশ, বিএসএফ কেউ ধরেও না, কিছু জিজ্ঞেসাও করে না। তবে আমি চোর নই।”

    অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় পশ্চিমবঙ্গ

    বাংলাদেশ থেকে মুসলিম অনুপ্রবেশকারীরা (Infiltration) দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গ হয়ে সারা ভারতে যাচ্ছে। এই বিষয় নিয়ে অনেক বার রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ করতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি। সীমান্তের বিএসএফ এবং পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বার বার প্রশ্ন উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে এজেন্টরা সক্রিয় রয়েছে। তাদের চোরাকারবার এবং অনুপ্রবেশ করানো নিত্যদিনের ব্যবসা। একই সঙ্গে শুধু সীমান্তে অনুপ্রবেশ করানো নয়, তাদের আশ্রয় দিয়ে প্রয়োজনীয় ভোটার কার্ড, আধার কার্ডও টাকার বিনিময়ে করে দেওয়া হয়। আর এই কাজে সাহায্য করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের অনুপ্রেবশকারীদের অধিকাংশের জাল প্রমাণপত্রের সূত্র সন্ধানে এই রাজ্যের নাম বার বার উঠে আসে। এমন দৃষ্টান্ত ছিল ২০১৪ সালের খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডের মাস্টার মাইন্ড। ওই অভিযুক্তিও অনুপ্রবেশকারী ছিল। এইরকম অবৈধ পাচারচক্র একই ভাবে অসম, ত্রিপুরা প্রদেশের সীমান্ত বরাবরও সক্রিয় বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: জমা জলে প্লাবিত কলকাতা বিমানবন্দর! আগামী ১২ ঘণ্টায় আরও ভারী বৃষ্টির ইঙ্গিত

    সীমান্ত কতটা সুরক্ষিত?

    সম্প্রতি সংসদে ঝাড়খণ্ডের সাংসদ নিশিকান্ত দুবে, পশ্চিমবঙ্গের মালদা, মুর্শিদাবাদ, বিহারের পূর্ণিয়া, কিষানগঞ্জ এবং ঝাড়খণ্ডের পাকুর সহ একাধিক অঞ্চলে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী (Infiltration) মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে আঞ্চলিক জনবিন্যাস ও ভারসাম্য বিঘ্নিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছিলেন। তিনি অবিলম্বে কেন্দ্রীয় সরকারকে পূর্ব ও উত্তরপূর্বের সীমান্ত এলাকায় সুরক্ষা এবং জনবিন্যাস বদলে যাওয়া নিয়ে সমীক্ষা করে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেছেন। একই ভাবে রাজ্যের মুর্শিদবাদের বিজেপি বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার অত্যন্ত আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশি মুসলমান অনুপ্রবেশ নিয়ে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Union Home Ministry: কেন্দ্রের ঘোষণা, সেনা-গোয়েন্দাদের তথ্য দিলে মিলবে ৩ হাজার, আগে ছিল ৫০ টাকা

    Union Home Ministry: কেন্দ্রের ঘোষণা, সেনা-গোয়েন্দাদের তথ্য দিলে মিলবে ৩ হাজার, আগে ছিল ৫০ টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধা সামরিক বাহিনী, সেনাবাহিনী ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার কার্যক্ষেত্রগুলিতে তথ্যদাতাদের (Informers) পুরস্কারের আর্থিক মূল্য অনেকটাই বাড়াল কেন্দ্র সরকার (Union Home Ministry)। স্থানীয়রা এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরকারের কাছে পৌঁছে দিতে আরও উৎসাহিত হবেন বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। একবারের জন্য তথ্য দিলেই মিলবে ৩ হাজার টাকা, আগে যা ছিল ৫০ টাকা। কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (সিএপিএফ), অসম রাইফেলস, ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডস (এনএসজি), ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি), ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) এবং ন্যাশনাল পুলিশ একাডেমি (এনপিএ)-এর আধিকারিকদের তথ্যদাতাদের পুরস্কার মূল্য বাড়ানোর (Union Home Ministry) ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।

    জুন মাসেই এই মর্মে একটি আদেশনামা জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার (Union Home Ministry)

    চলতি বছরের জুন মাসেই এই মর্মে একটি আদেশনামা জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার এবং সেখানে বলা হয়েছে যে এতদিন পর্যন্ত তথ্যদাতাদের (Informers) পুরস্কার দেওয়া হত একবারের জন্য ৫০ টাকা এবং এক বছরের জন্য ৫০০ টাকা। এই সীমা বাড়িয়ে একবার যাঁরা তথ্য দেবেন তাঁদের জন্য পুরস্কার মূল্য করা হয়েছে ৩,০০০ টাকা এবং বার্ষিক এই পরিমাণ করা হয়েছে ৩০ হাজার টাকা। প্রসঙ্গত, এই আদেশনামা সংশোধিত হয়েছিল শেষবারের মতো ২০০২ সালে, অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় ২২ বছর আগে।

    দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখন্ডতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তথ্যদাতারা

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালেই কেন্দ্রীয় সরকার পাঞ্জাব, পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমের আন্তর্জাতিক সীমানার (Union Home Ministry) ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত নিজেদের আওতায় নেয়। আগে এই সীমা ছিল ১৫ কিমি। এই বৃত্তের মধ্যে বিএসএফ যে কোনও ব্যক্তিকে তল্লাশি চালাতে পারবে অথবা গ্রেফতারও করতে পারবে। প্রসঙ্গত, পুলিশের কাছ থেকে এই ক্ষমতা নিয়ে নেয় বিএসএফ। দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তথ্যদাতারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখন্ডতা বজায় রাখতে তাঁরা সেনাবাহিনী সমেত গোয়েন্দাদের সাহায্য করেন। ২২ বছর পরে তাঁদের পুরস্কার মূল্য বাড়া, অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSF Chief: জঙ্গি অনুপ্রবেশের জের! বিএসএফের প্রধান এবং উপপ্রধানকে অপসারণ করল কেন্দ্র

    BSF Chief: জঙ্গি অনুপ্রবেশের জের! বিএসএফের প্রধান এবং উপপ্রধানকে অপসারণ করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএসএফ-এর ডিরেক্টর জেনারেল (BSF Chief) নিতীন আগরওয়াল এবং তাঁর ডেপুটি স্পেশাল ডিজি (পশ্চিম) ওয়াই বি খুরানিয়াকে শুক্রবার পদ থেকে অপসারণ করল কেন্দ্র। পদস্থ এই দুই অফিসারকে অবিলম্বে তাদের রাজ্য ক্যাডারে ফেরত পাঠানোর নির্দেশও জারি করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। জম্মু ও কাশ্মীরের আন্তর্জাতিক সীমানা (Border Security Force) পেরিয়ে বার বার জঙ্গি অনুপ্রবেশ এবং উপত্যকায় অশান্তির কারণে এই পদক্ষেপ হতে পারে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। আবার অনেকের অনুমান বাহিনীর মধ্যে বোঝাপড়া ঘটাতে ব্যর্থ এই দুই অফিসার। সামনেই স্বাধীনতা দিবস। দেশের নিরাপত্তা জোরদার করতে তাই এই পদক্ষেপ করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    কেন অপসারণ (Border Security Force) 

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের খবর, বিএসএফ প্রধানের (BSF Chief) বিরুদ্ধে সমন্বয়ের অভাব সহ গুরুতর বিষয়ে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে ক্রমাগত অনুপ্রবেশ এবং একের পর এক জঙ্গি হামলার জেরে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ। মন্ত্রকের এক অফিসারের কথায়,”বাহিনীর মধ্যে নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের অভাবের কারণেই ওই দুই অফিসারকে পদ খোয়াতে হল।” বিএসএফের প্রায় ২.৬৫ লাখ কর্মী রয়েছেন যাঁরা পশ্চিমে পাকিস্তান এবং পূর্বে বাংলাদেশের সীমান্ত পাহারা দেয়। কিন্তু সাম্প্রতিক অতীতে সীমান্তে (Border Security Force) একের পর এক জঙ্গি হামলার জেরে বাহিনীর কার্যকারিতা নিয়ে উঠছিল প্রশ্ন। এবার বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র।  

    আরও পড়ুন: বিপর্যস্ত ওয়েনাড়ে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে রাহুল গান্ধী

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা

    বিএসএফের ডিজির (BSF Chief) পদে ছিলেন নীতিন আগরওয়াল। তিনি গত বছরের জুন মাসে ওই পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন। সময়ের আগেই তাঁকে অপসারিত করে রাজ্য স্তরের ক্যাডারে ফেরত পাঠানো হল। অন্য দিকে, স্পেশাল ডিজি (পশ্চিম) পদে এত দিন ছিলেন ওয়াইবি খুরানিয়া। তাঁকেও রাজ্যে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ১৯৮৯ সালের কেরল ক্যাডারের আধিকারিক ছিলেন নীতিন। খুরানিয়া ছিলেন ১৯৯০ সালের ওড়িশা ক্যাডারে। দু’জনকেই সময় শেষ হওয়ার আগেই পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। শুক্রবার পৃথক ভাবে দু’টি বিজ্ঞপ্তিতে সেই নির্দেশিকা দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। দ্রুত এই নির্দেশ কার্যকর করতেও বলা হয়েছে। তবে ওই দুই পদের দায়িত্বে কাদের আনা হচ্ছে তা এখনও স্পষ্ট করেনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir: উপত্যকায় জঙ্গি হামলায় উদ্বিগ্ন কেন্দ্র, আরও ২০০০ জওয়ান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

    Jammu and Kashmir: উপত্যকায় জঙ্গি হামলায় উদ্বিগ্ন কেন্দ্র, আরও ২০০০ জওয়ান মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) বেশ কিছুদিন ধরে কোনও না কোনও জঙ্গি হামলার ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে। পাশাপাশি সীমান্ত টপকে জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ ক্রমাগত ঘটে চলেছে। উপত্যকার পরিস্থিতি দিল্লির উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সীমান্তকে সুরক্ষিত করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একাধিক বড় পদক্ষেপ করেছে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরে বিএসএফ (BSF)-এর দুই হাজারের বেশি জওয়ান মোতায়েন করা হবে।

    ওড়িশা থেকে বিএসএফ নিয়ে যাওয়া হবে (Jammu and Kashmir)

    বিগত বেশ কিছুদিন জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) একাধিক জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটে চলেছে। তাদের লক্ষ্যে থাকছে সেনাছাউনি বা সেনা কনভয়। ইতিমধ্যে জম্মুতে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইতে বেশ কিছু সেনাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের কপালে নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার বিষয়ে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। এই অবস্থায় কীভাবে জঙ্গি দমন করা যায় এবং নিরাপত্তাকে আরও জোরদার করা যায়, তা নিয়ে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে মূলত ওড়িশা থেকে বিএসএফ (BSF) কর্মীদের জম্মু-কাশ্মীরে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রাথমিক ভাবে রিয়াসি, কিশতওয়ার, কাঠুয়া জেলায় বিএসএফের দুটি ব্যাটালিয়ন পাঠানো হবে। এরপর কয়েক দিনের মধ্যেই জম্মুতে দুই হাজার সেনার ব্যাটালিয়ন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই ভাবে সৈন্যদের সাম্বা এবং জম্মু-পাঞ্জাব সীমান্তেও রাখা হবে। ভারতের পশ্চিম প্রান্তে জম্মু, পাঞ্জাব, রাজস্থান এবং গুজরাট বরাবর ২২৮৯ কিলোমিটারের বেশি আন্তর্জাতিক সীমান্ত পাহারা দেয় বিএসএফ। জম্মুর সীমান্ত প্রায় ৪৮৫ কিলোমিটার, যার বেশিরভাগ অংশ ঘন বন এবং পাহাড়ি ভূখণ্ড দ্বারা বিভক্ত। এই আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় প্রায় এক ডজন বিএসএফ ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করা রয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ মহরমের মিছিল থেকে ছড়ায় হিংসা, উত্তরপ্রদেশে গণপিটুনিতে মৃত তেজরাম

    প্যারা স্পেশাল ফোর্সের ৫০০ কমান্ডো মোতায়েন

    মাত্র কয়েকদিন আগেই জম্মুর (Jammu and Kashmir) পাহাড়ি অঞ্চলে ৪০ থেকে ৫০ জন জঙ্গি লুকিয়ে থাকার খবর পাওয়া গিয়েছিল। তবে এই অনুপ্রবেশকারী জঙ্গিরা এলাকায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বলে জানা গিয়েছে। তাদের সঙ্গে আধুনিক অস্ত্রও ছিল। এই লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের খতম করতে জম্মুতে প্যারা স্পেশাল ফোর্সের ৫০০ কমান্ডোকে মোতায়েন করা হয়েছে। শুধু জঙ্গিই লক্ষ্য নয়, যে সব এলাকায় এই জঙ্গি কার্যকলাপে প্রত্যক্ষ মদত দেওয়া হয়, সেই সব জায়গায়ও বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। ফলে এই বার পরিস্থিতিকে আরও নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশি মাত্রায় বিএসএফ জওয়ান মোতায়েন করতে চলেছে কেন্দ্র।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে দেড় হাজারের বেশি পড়ুয়া ফিরলেন দেশে

    Bangladesh Protest: পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে দেড় হাজারের বেশি পড়ুয়া ফিরলেন দেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনে সারা বাংলাদেশ (Bangladesh Protest) এখন অগ্নিগর্ভ। সেই দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ভারতীয় পড়ুয়ারা দেশে ফিরে আসছেন। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশ পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত দিয়ে ভারতে ফিরে আসছেন। আবার একই ভাবে নেপাল, ভুটান এবং মলদ্বীপের পড়ুয়ারাও সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে এসে তারপর নিজের দেশে ফিরছেন। পড়ুয়াদের নিরাপদে নিজের দেশে ফিরতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় সীমান্ত সুরক্ষা বল অর্থাৎ বিএসএফ (BSF)।

    দক্ষিণবঙ্গ সীমান্ত দিয়ে ১২০৮ জন পড়ুয়া ঢুকেছে (Bangladesh Protest)

    ভারতের বিএসএফ সূত্রে বলা হয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার পেট্রাপোল, ঘোজাডাঙা, নদিয়ার গেদে এবং মালদার মহদিপুর বর্ডারে বিশেষ হেল্প লাইন খোলা হয়েছে। গত ১৮ জুলাই থেকে রবিবার বিকেল পর্যন্ত এই চারটি সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফ সহযোগিতা করে প্রায় ১২০৮ জন পড়ুয়াকে বাংলাদেশ (Bangladesh Protest) থেকে ভারতে ঢুকতে সহযোগিতা করা হয়েছে। তার মধ্যে ১০৪৫ জন ভারতীয়, ১৫২ জন নেপালি, ৮ জন ভুটানি এবং ৭ জন বাংলাদেশি নাগরিক। একই ভাবে উত্তরবঙ্গের হিলি, চ্যাংরাবান্ধা, ফুলবাড়ি দিয়ে অনেকই প্রবেশ করেছেন। কোচবিহারের চ্যাংরাবান্ধা দিয়ে রবিবার ৪৪১ জন পড়ুয়া দেশে ফিরেছেন। তাঁদের মধ্যে ২৪৩ জন ভারতীয়, ১৭৩ জন নেপাল, ২৫ জন ভুটান এবং একজন মলদ্বীপের ছাত্র। আবার শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি সীমান্ত দিয়ে ১৪ জন পড়ুয়া দেশে ফিরেছেন। এই দলে উত্তর প্রদেশের ১ জন, নেপালের ১০ জন এবং ভুটানের ৩ জন পড়ুয়া রয়েছেন। একই ভাবে অশান্ত বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় পড়ুয়াদের দেশে ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছে ভারত সরকার। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, “ভুটান এবং নেপালের অনুরোধ এই দুটি দেশের পড়ুয়াদেরও ভারতে আসতে সাহায্য করা হচ্ছে।”

    বিএসএফ আধিকারিকের বক্তব্য

    বিএসএফের (BSF) দক্ষিণবঙ্গের সীমান্তের ডিআইজি এ কে আর্য বলেছেন, “বাংলাদেশ (Bangladesh Protest) থেকে পড়ুয়াদের নিরাপদে ভারতে ফেরাতে আমরা অত্যন্ত সচেতন। বিজিপির সঙ্গে আমরা সবসময় যোগাযোগ রেখে চলেছি। রাতের বেলাতেও যাতে নিরাপদে ফিরতে পারেন সেই দিকে নজর রাখা হয়েছে। বর্ডারে বিশেষ হেল্প ডেস্ক সহ, মেডিক্যাল সুবিধার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ উৎসবের মেজাজে মদ-মাংস খেয়ে শহিদ দিবস উদযাপন তৃণমূল কর্মীদের

    পড়ুয়াদের বক্তব্য

    ঢাকা থেকে ২০জনের একটি ভারতীয় পড়ুয়াদের দল দেশে ফিরেছেন। এই দলের মধ্যে গুজরাট এবং কাশ্মীরের বাসিন্দা রয়েছেন। তাঁরা সকলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়া। এক ছাত্র ফাইজা বলেছেন, “বাংলাদেশে (Bangladesh Protest) কার্ফু চলছে। তাই দেশে ফিরে এলাম। নিজেদের অত্যন্ত সুরক্ষিত মনে করছি।” একই ভাবে রংপুর কমিউনিটি মেডিক্যাল কলেজ সহ বগুড়া, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জায়গার ভারতীয় ডাক্তারি পড়ুয়ারা দেশে ফিরছেন। ত্রিপুরা সীমান্ত দিয়েও অনেক পড়ুয়াকে ভারতে ফেরাতে সক্রিয় ভাবে কাজ করছে সীমান্ত সুরক্ষা বল।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Tensions: অশান্ত বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরায় আরও পড়ুয়া, মানবিক সাহায্য সরকারের

    Bangladesh Tensions: অশান্ত বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরায় আরও পড়ুয়া, মানবিক সাহায্য সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাত্র বিক্ষোভের জেরে অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh Tensions)। দেশজুড়ে (Indian Students) জারি করা হয়েছে কারফিউ। অশান্তির আঁচ থেকে বাঁচতে প্রায় প্রতিদিনই ভারতে ফিরছেন সে দেশে পড়তে যাওয়া ছাত্রছাত্রীরা। শনিবারও ত্রিপুরায় ফিরলেন বাংলাদেশে পড়তে যাওয়া ভারতীয় ছাত্রছাত্রীরা। এই দফায় ফিরলেন ৩৭৯জন।

    কী বলছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী? (Bangladesh Tensions)

    এনিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। লিখেছেন, “অনেক ভারতীয় পড়ুয়া ত্রিপুরা হয়ে বাংলাদেশ থেকে ফিরছেন দেশে। তাঁদের পরিবহণ এবং থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও করেছে ত্রিপুরা সরকার। অন্যান্য প্রয়োজনীয় সাহায্যও করা হচ্ছে সরকারের তরফে। মানবিক দিক থেকেই এটা করা হচ্ছে।” প্রতি বছর ভারত থেকে বহু ছাত্রছাত্রী বাংলাদেশে পড়তে যান। সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে ছাত্র বিরোধী আন্দোলনের জেরে অশান্ত হয়ে উঠেছে ভারতের পড়শি এই দেশ। বিক্ষোভ সামাল দিতে দেশজুড়ে কারফিউ জারি করেছে শেখ হাসিনা সরকার।

    পড়ুয়াদের বক্তব্য

    খালি করে দেওয়া হয়েছে সে দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল। বাধ্য হয়ে দেশে ফিরছেন ভারতীয় পড়ুয়ারা। ত্রিপুরা তো বটেই, কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা এবং অন্যান্য রাজ্য থেকে পড়তে যাওয়া ছাত্রছাত্রীরাও ফিরছেন আগরতলা ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট (ICP) হয়ে। ভারতে ফিরতে যাওয়া পড়ুয়াদের স্বাগত জানাচ্ছে বিএসএফ। আখুরা ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট পার হয়ে বাংলাদেশ থেকে ফিরতে হয় ভারতে। বাংলাদেশের (Bangladesh Tensions) এই আখুরার সঙ্গেই যোগ রয়েছে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলার।

    আরও পড়ুন: ‘‘জনজাতিদের জমি ও অধিকার রক্ষা করবে বিজেপি’’, ঝাড়খণ্ডে বললেন অমিত শাহ

    যাঁরা এই চেক পোস্ট দিয়ে ভারতে ফিরছেন, তাঁদের দেওয়া হচ্ছে গরম খাবার, পানীয় জল। তাঁদের বিশ্রামের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। আখুরা চেক পোস্ট দিয়ে ত্রিপুরায় আসা এক ভারতীয় ছাত্র বলেন, “কলেজের প্রিন্সিপাল এবং ভারতীয় হাই কমিশন আমাদের দেশে ফেরার অনুমতি দিয়েছে। আমরা নিরাপদেই ভারতে ফিরেছি।” বিএসএফের গোকুলনগর সেক্টর হেডকোয়ার্টারের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল রাজীব অগ্নহোত্রী বলেন, “বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেক ভারতীয় পড়ুয়া সে দেশ থেকে ভারতে ফিরছেন। এঁদের অনেকেই চলে এসেছেন, শীঘ্রই আসবেন আরও (Indian Students) কিছু। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ রেখে চলেছে বিএসএফ (Bangladesh Tensions)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir Clash: জঙ্গিদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পাকিস্তানের প্রাক্তন এসএসজি কমান্ডোরা!

    Jammu And Kashmir Clash: জঙ্গিদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে পাকিস্তানের প্রাক্তন এসএসজি কমান্ডোরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ভূস্বর্গে অশান্তি জিইয়ে রাখতে চাইছে পাকিস্তান (Pakistan)! গোয়েন্দা রিপোর্টেই জানা গিয়েছে, পাক সেনার প্রাক্তন অফিসারদের মদতেই জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir Clash) ঘটছে একের পর এক জঙ্গি হানার ঘটনা। পাকিস্তানের এলিট কমান্ডো বাহিনী স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপের প্রাক্তন আধিকারিকরাই জঙ্গিদের শেখাচ্ছেন দূরপাল্লার এম৪ কার্বাইনের মতো অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র কীভাবে চালাতে হয়, কীভাবেই বা ব্যবহার করতে হয় বিস্ফোরক। সেনার ওপর চিনা স্টিল কোর বুলেট ব্যবহার করে কীভাবে গেরিলা হানা চালানো যায়, সেই কৌশলও শেখানো হচ্ছে জঙ্গিদের।

    মার্কিন সেনার ফেলে যাওয়া অস্ত্র (Jammu And Kashmir Clash)

    জানা গিয়েছে, ২০২১ সালে আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় প্রচুর অস্ত্র ফেলে যায় মার্কিন সেনা। নেটো এবং আমেরিকার সেনাদের ফেলে যাওয়া সেই আগ্নেয়াস্ত্রই হাতফের হয়ে চলে আসছে জম্মু-কাশ্মীরের জঙ্গিদের কাছে। প্রমাণ হিসেবে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে চলতি জুলাই মাসেই জম্মু-কাশ্মীরের কাঠুয়ায় নিহত জঙ্গিদের কাছে মিলেছিল আমেরিকায় তৈরি এম৪ কার্বাইন। কেন্দ্রীয় একাধিক গোয়েন্দা সংস্থাও জানিয়েছিল, পুঞ্চ হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও রসদের জোগান দিয়েছিল পাক সেনা। তদন্তের পরে স্থানীয় প্রশাসনও জানিয়েছিল, ২০২১ সালে আমেরিকা যেসব বুলেট আফগানিস্তানে ফেলে গিয়েছিল, তারই কয়েকটা ব্যবহার করা হয়েছিল পুঞ্চ হামলার সময়।

    জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাকর্তারা!

    এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানান, ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে পালানোর সময় মার্কিন সেনার ফেলে যাওয়া বিপুল অস্ত্রভান্ডারই এখন রয়েছে তালিবানের হাতে। তালিবানের সাহায্য নিয়ে সেই অস্ত্র ব্যবহার করে উপত্যকায় (Jammu And Kashmir Clash) অশান্তি জিইয়ে রাখতে চাইছে পাক জঙ্গিরা। অত্যাধুনিক এই সব অস্ত্র ব্যবহার কীভাবে করা হবে, কোন কৌশলে বধ করা যাবে শত্রুপক্ষকে, এসবেরই প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন সেনাকর্তারা।

    আরও পড়ুন: “সনাতন ধর্ম বিশ্বাস করে মানব কল্যাণে”, বললেন মোহন ভাগবত

    বিএসএফ সূত্রে খবর, ২০২১ সাল থেকে উপত্যকায় বেড়েছে একে সিরিজের রাইফেল, আইইডি-সহ অত্যাধুনিক অস্ত্র উদ্ধারের পরিমাণ। এগুলির বেশিরভাগই আফগানিস্তানে ফেলে যাওয়া নেটো ও মার্কিন সেনার অস্ত্র। উপত্যকায় অশান্তি সৃষ্টি করতে পাক জঙ্গিদের পাশাপাশি তালিবানদের এই অস্ত্র সরবরাহকারীদের ভূমিকা উদ্বেগ বাড়িয়েছে কেন্দ্রের। ভূস্বর্গে শান্তি ফেরাতে এবং উপত্যকাবাসীকে সুরক্ষা (Pakistan) দিতে বেশ কিছু বৈঠক করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। বাড়ানো হয়েছে টহলদারিও (Jammu And Kashmir Clash)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share