Tag: BSF

BSF

  • BSF: ভোটের মুখে সীমান্তে প্রায় ৫ কোটি টাকা সোনা বাজেয়াপ্ত করল বিএসএফ, গ্রেফতার ৪

    BSF: ভোটের মুখে সীমান্তে প্রায় ৫ কোটি টাকা সোনা বাজেয়াপ্ত করল বিএসএফ, গ্রেফতার ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে সীমান্তে বিপুল পরিমাণ সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বিএসএফের (BSF) জালে ধরা পড়ল সোনা চোরাচালান চক্র। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ৪ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা মূল্যের ৭ কেজি ওজনের সোনা নিয়ে তিন মহিলা পাচারকারী সহ সোনা সংগ্রহ করতে আসা মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    ২০টি সোনার বিস্কুট এবং ৮ পিস সোনার ইট উদ্ধার (BSF)

    দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের অধীনে নদিয়া জেলার সীমান্ত এলাকায় মোতায়েন জওয়ানরা বর্ডার ফাঁড়ি গেদে ৩২ ব্যাটালিয়ন গোয়েন্দাদের কাছ থেকে গোপন খবরের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অভিযান চালায়। বিএসএফ একটি সোনা চোরাচালান চক্রের হদিশ পায়। তাদের কাছ থেকে ২০টি সোনার বিস্কুট এবং ৮ পিস সোনার ইট সহ সোনা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত তিন নারী চোরাকারবারীকে গ্রেফতার করেছে। এই সোনার চালান সংগ্রহ করতে আসা মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে বিএসএফ (BSF)। এই সোনা ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করে কলকাতায় আনার পরিকল্পনা ছিল চোরাকারবারি চক্রের। উদ্ধার করা সোনার মোট ওজন ৭ কেজি।

    আরও পড়ুন: কার্টুনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে প্রাণ নাশের হুমকি! তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মালব্য

    ময়ূরহাট হল্ট রেলওয়ে স্টেশনে গ্রেফতার

    বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৮ মার্চ সীমান্ত ফাঁড়ির গেদে সৈন্যরা বিএসএফ-এর (BSF) গোয়েন্দা বিভাগ থেকে খবর পায় যে গেদে-শিয়ালদা লোকাল ট্রেনে সোনার চালান করা হচ্ছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে, বর্ডার ফাঁড়ির গেদে কর্মীরা একটি বিশেষ অভিযানে শিয়ালদাগামী ট্রেনে উঠে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করে এবং ৩ মহিলা পাচারকারী সোনার চালান নিয়ে ময়ূরহাট হল্ট রেলওয়ে স্টেশনে নামে। যখন তারা ডিলারকে দিতে যাচ্ছিল, তখন জওয়ানরা সোনার চালান সংগ্রহ করতে আসা ডিলার সহ তিন জন নারী চোরাকারবারীকে আটক করে এবং তাদের কাছ থেকে ৭ কেজি সোনার বিস্কুট এবং বিভিন্ন আকারের সোনার ইট উদ্ধার করে। গ্রেফতার হওয়া চোরাকারবারিরা নাম অপূর্ণা বিশ্বাস,আশিমা মুহুরী, মিতালী পাল, এদের প্রত্যেকের বাড়ি নদিয়া জেলার গেদে মাঝের পোদা এলাকায় এবং গ্রেফতারকৃত ব্যবসায়ী সৌমেন বিশ্বাস নদিয়ার চাঁদপুর সীমান্তবর্তী এলাকায় বাড়ি।

    পাচারকারীদের বক্তব্য?

    জিজ্ঞাসাবাদে চোরাকারবারীদের বক্তব্য, একই গ্রামের এক অজ্ঞাত ব্যক্তির জন্য আমরা কাজ করতাম। সোনা পাচার করার জন্য আমরা প্রত্যেকে ১০০০ টাকা পেতাম। কিন্তু, সোনার চালান নিয়ে ময়ূরহাট রেলস্টেশনে পৌঁছলে বিএসএফ সোনাসহ আমাদের আটক করে। সোনার চালান সহ গ্রেফতার হওয়া সকল চোরাকারবারীকে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কলকাতা জোনাল ইউনিটের রাজস্ব গোয়েন্দা দফতরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ৩৬ কোটি বরাদ্দ কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের জন্য, ভার্চুয়াল শিলান্যাস করলেন মোদি

    Nadia: ৩৬ কোটি বরাদ্দ কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের জন্য, ভার্চুয়াল শিলান্যাস করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়া (Nadia) জেলায় কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের জন্য বিপুল পরিমাণ টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্রীয় সরকার। এই টাকায় নদিয়ার কৃষ্ণনগর শিমুলতলায় একটি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হবে। এদিন বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার ভার্চুয়াল শিলান্যাস করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএসএফের ডিআইজি সঞ্জয় কুমার সিংহ, বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারসহ একাধিক আধিকারিকরা।

    ৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্র (Nadia)

    নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগর শিমুলতলায় ওই কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে জেলায় কর্মরত কেন্দ্রীয় জওয়ানদের পরিবারের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করেন। শুধুমাত্র সামরিক বাহিনীর ছেলেমেয়েরা নয় সাধারণ পরিবারের ছেলে মেয়েরাও এখানে পড়াশোনা করার সুযোগ পেয়ে থাকে। এবার কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষা দফতরের তরফে ৩৬ কোটি টাকা অর্থ বরাদ্দ করা হয়। ঠিক হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের বরাদ্দ অর্থ দিয়ে প্রায় সাত একর জমির ওপর নতুন বিল্ডিং তৈরি করা হবে। এদিন উপস্থিত হয়ে বিএসএফের ডিআইজি সঞ্জয় কুমার সিংহ বলেন, বহুদিন ধরে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বহু ছেলেমেয়ে সেখানে পড়াশুনা করে। স্কুলে  পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজন ছিল। শিক্ষা দফতর বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করেছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে সেই প্রকল্পের শিলান্যাস করলেন। প্রায় দুই হাজার পরিবারের ছেলে মেয়েরা এই বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পাবে। নতুন করে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো তৈরির জন্য এই টাকা বরাদ্দ করার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

    বিজেপি সাংসদ কী বললেন?

    রানাঘাট কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, দিন দিন কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের শিক্ষার উন্নতি ঘটছে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করায় নতুন বিল্ডিং তৈরি করা হবে। এই স্কুলে প্রচুর সাধারণ ঘরের ছেলেমেয়েরা কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সুযোগ পাচ্ছে। নতুন করে টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এদিন তার সূচনা হল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: পাচারের আগেই সীমান্তের গ্রামে হানা দিয়ে উদ্ধার সাপের বিষ, বাজারমূল্য ১২ কোটি!

    BSF: পাচারের আগেই সীমান্তের গ্রামে হানা দিয়ে উদ্ধার সাপের বিষ, বাজারমূল্য ১২ কোটি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঁটাতার পার করে পাচারের আগে ফের সাপের বিষভর্তি জার উদ্ধার করল বিএসএফ (BSF)। উদ্ধার হওয়া সাপের বিষের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য ১২ কোটি বলে বিএসএফের তরফে জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতারও করেছে বন দফতর। এদিন হিলি থানার ভীমপুর বিওপির উত্তর জামালপুর এলাকায় কাঁটাতারের ওপারের ভারতীয় গ্রামে এদেশের নাগরিক মমিনুল মণ্ডলের বাড়ি থেকে সাপের বিষভর্তি জার উদ্ধার করেন বিএসএফের ৬১ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা। ধৃতের নাম তপন অধিকারী (৫০)। বাড়ি হিলির ত্রিমোহিনীতে। তবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মমিনুলের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। বিএসএফ সূত্রে খবর, ধৃত ব্যক্তি সাপের বিষ দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন। বিএসএফের তরফে উদ্ধার হওয়া সাপের বিষ ও আটক ব্যক্তিকে বালুরঘাট বন দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয়। প্রায় ছ’মাসের ব্যবধানে আবারও হিলিতে উদ্ধার হল সাপের বিষ। তবে এবার উদ্ধার হওয়া সাপের বিষ তরল প্রকৃতির ছিল।

    কোন প্রজাতির সাপের বিষ? (BSF)

    বিএসএফের ৬১ নম্বর ব্যাটালিয়নের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে, হিলির উত্তর জামালপুরে কাঁটাতারের ওপারে এক ভারতীয়র বাড়িতে রাখা রয়েছে সাপের বিষ। যে কোনও সময় তা কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে ঢুকবে। সেই খবর পেয়ে এদিন মমিনুল মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেন বিএসএফ জওয়ানরা। সেই খবর পেয়ে পালিয়ে যান বাড়ির মালিক। তবে ধরা পড়ে যান সাপের বিষ দেখভাল করার দায়িত্বে থাকা তপন অধিকারী। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বাড়ির খড়ির মাচার নীচে লুকিয়ে রাখা সাপের বিষের জার উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান বন দফতরের আধিকারিকরা।বিএসএফের তরফে জানানো হয়েছে, ২৮ সেমি উচ্চতাবিশিষ্ট জারটি ফ্রান্সে নির্মিত। সেখান থেকে চোরাপথে বাংলাদেশ হয়ে ভারতে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। যার ওজন ২ কেজি ৩৫০ গ্রাম। ওই সাপের বিষভর্তি জারের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য ১২ কোটি টাকা। তবে ওই জারে কোন প্রজাতির সাপের বিষ রয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেননি বিএসএফ (BSF) কর্তারা।

    কী বললেন বন দফতরের রেঞ্জার?

    বালুরঘাট বন দফতরের রেঞ্জার সুকান্ত ওঝা বলেন, ‘বিএসএফের (BSF) ৬১ নম্বর ব্যাটালিয়নের তরফে সাপের বিষভর্তি একটি জার আমাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত এক ব্যক্তিকেও আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে বিএসএফ। ধৃত ব্যক্তি ও সাপের বিষ বালুরঘাট জেলা আদালতে তোলা হবে। আদালতের নির্দেশ পেলে সাপের বিষের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য মুম্বইয়ে পাঠানো হবে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ এদিকে তপন অধিকারীর দাবি, তিনি সাপের বিষ পাচারের সঙ্গে যুক্ত নন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ECI: লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে সিআরপিএফের নিয়ন্ত্রণে, সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    ECI: লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে সিআরপিএফের নিয়ন্ত্রণে, সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে গোনা আর মাত্র ক’টা দিন। তারপরেই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের বাজনা বেজে যাবে। ইতিমধ্যেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI) বেশ কিছু নজরকাড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে উল্লেখযোগ্যভাবে নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার আগেই নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, প্রত্যেক বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যদিও ২০১৯ এবং ২০২১ সালে এই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হলেও তাকে সম্পূর্ণভাবে মনিটর করেছে বিএসএফ। কিন্তু এবার আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সব কিছুই মনিটর করবে সিআরপিএফ। শাসক থেকে বিরোধী, সকলেই বিএসএফের দিকে বিভিন্ন সময়ে আঙুল তুলেছে। আর সব কিছু পর্যালোচনা করেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর, জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বা রিটার্নিং অফিসার থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনী যেখানে যেখানে মোতায়েন হবে, তার সব কিছুই মনিটার করবে একমাত্র সিআরপিএফ।

    যোগাযোগ রক্ষার কাজও করবে সিআরপিএফ (ECI)

    পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী সংক্রান্ত সব বিষয়ে কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার কাজ করবে সিআরপিএফ। নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার আগে থেকেই সব দিকের সব কাজ আগে থাকতেই শেষ করে রাখতে চাইছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধি এবং অতি সক্রিয়তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন করেছিল রাজ্যের শাসক দল। অন্যদিকে রাজ্যের শাসক তথা বিরোধী তর্জার মাঝেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI) জানিয়ে দিয়েছে, আসন্ন ২০২৪’ এর লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মোতায়েন করা থেকে শুরু করে সব কিছুই এবার মনিটর করবে সিআরপিএফ।

    আশায় বুক বাঁধছে মানুষ (ECI)

    এখন দেখার বিষয় একটাই, সম্প্রতি রাজ্যের শেষ হওয়া পঞ্চায়েত ভোটে মানুষের মধ্যে যে ছবি এখনও ঢুকে রয়েছে, সেই আতঙ্ককে দূর করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিজস্ব যে ভূমিকা তা যথাযথ ভাবে পালন করে আদপে সিআরপিএফ কতটা সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারে এবং আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ECI) গরিমাকে ধরে রাখতে কতটা তৎপর হতে পারে। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের যে ভূমিকা এখন থেকেই সাধারণ মানুষ দেখছে, তাতে আশায় বুক বাঁধছে মানুষ, হয়তো বা এবার রাজ্যে অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং রক্তপাতহীন লোকসভা নির্বাচন সম্পন্ন হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • BSF: মাটির নীচে সোনার বিস্কুট-কাশির সিরাপ, অভিনব পাচার ভেস্তে দিল বিএসএফ

    BSF: মাটির নীচে সোনার বিস্কুট-কাশির সিরাপ, অভিনব পাচার ভেস্তে দিল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএসএফের (BSF)  চোখে ধুলো দিতে এখন পাচার সামগ্রী পুঁতে রাখা হচ্ছে বাড়ির উঠোনে! পরে পরিস্থিতি ঠান্ডা হলে, সীমান্তে নজরদারি শিথিল হলেই সুযোগ বুঝে তা বার করে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে গন্তব্যে। অভিনব কায়দায় পাচার করার ছক কষেছে পাচারকারীরা। তদন্তে নেমে বিএসএফের কাছে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য হাতে এসেছে।

    পাচারকারীদের পাচারের নতুন কী কৌশল? (BSF)  

    বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক দিন আগে নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জে বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে গৃহস্থের বাড়ির উঠোন খুঁড়ে মিলেছিল ১৫ কেজি মতো অবৈধ সোনা। মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি সীমান্তেও একই ঘটনা ঘটেছে সম্প্রতি। কাঁটাতারের বেড়া থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে একটি বাড়ির মাটি খুঁড়ে উদ্ধার হয় প্রচুর পরিমাণ নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ। এই দু’টি ঘটনার সূত্র ধরে নতুন পাচার কৌশলের খোঁজ পেলেন সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর তদন্তকারীরা। বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্র মারফত খবর পেয়ে নদিয়ায় কৃষ্ণগঞ্জ থানার বিজয়পুর গ্রামে একটি বাড়িতে হানা দেয় ৩২ নম্বর ব্যাটেলিয়ান-সহ কলকাতার রাজস্ব গোয়েন্দা দফতরের আধিকারিকেরা। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে তাঁরা ১০৬টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করেন। ওই ঘটনায় যাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, বিস্কুটগুলি পাচারের উদ্দেশ্যে ওই বাড়িতে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। উদ্ধার হওয়া সোনার বিস্কুটগুলির ওজন ১৪.২৯৬ কেজি। জেরায় ধৃতেরা জানিয়েছেন, সোনার বিস্কুটগুলি বাংলাদেশের নাস্তিপুর গ্রামের বাসিন্দা মাসুদ ও নাসির নামের দুই চোরাচালানকারীর কাছ থেকে তাঁরা সংগ্রহ করেছিলেন। সেগুলি বিজয়পুর এলাকা সংলগ্ন গেদে গ্রামের বাসিন্দা সন্তোষ হালদারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল তাঁদের। সীমান্তে বিএসএফের অতি তৎপরতা থাকায় নজরদারি এড়াতে কিছু দিনের জন্য পাচারকারীর বাড়িতেই পুঁতে রাখা হয়েছিল সোনার বিস্কুটগুলি। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্য একটি ঘটনায় মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি থানা এলাকার পরাশপুর সীমান্তে একটি বাড়ির উঠোনের নীচে কাশির সিরাপ রাখা ছিল। একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের ডিআইজি কী বললেন? (BSF)

    দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের ডিআইজি একে আর্য বলেন, কৌশল বদলে বেশ কিছু ক্ষেত্রে সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলির উঠোন থেকে পাচার সামগ্রী মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয়েছে। উঠোন থেকে পাচার সামগ্রী মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রথমে বেগ পেতে হলেও ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে নতুন তথ্য হাতে এসেছে। পাচারকারীদের নতুন কৌশল ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: তৃণমূল নেতার বাড়িতে লুকিয়ে শাহজাহান! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: তৃণমূল নেতার বাড়িতে লুকিয়ে শাহজাহান! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান কোথায় আত্মগোপন করে রয়েছেন, তা নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন বলে যে-কথা শোনা যাচ্ছিল ইডির একটি সূত্রে, রবিবার তা উড়িয়ে দিয়ে শুভেন্দুর দাবি, মোটেও বাংলাদেশে পালিয়ে যাননি শাহজাহান। তিনি সন্দেশখালিতেই আস্তানা গেড়েছেন।

    শেখ শাহজাহান নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    রবিবার নন্দীগ্রামের ভাঙাবেড়িয়ায় শহিদ দিবস কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার পর শাহজাহান প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘সন্দেশখালিতেই রয়েছেন শাহজাহান। গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হাজি সিদ্দিক জাহান মোল্লার বাড়িতে লুকিয়ে রয়েছেন। লুকআউট নোটিশ জারি থাকায় ঢুকতে পারেননি বাংলাদেশে। কেন্দ্রীয় এজেন্সি বাংলাদেশ সরকারকে সতর্ক করেছে। একইসঙ্গে রাজ্যে সন্দেশখালির ঘটনার সূত্রে ৩৫৫ ধারা জারি করার আওয়াজও তুললেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, ‘৩৫৫ ধারা জারি হলেই সব টাইট হয়ে যাবে।’

    ঠিক কী হয়েছিল সন্দেশখালিতে?

    ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে শাহজাহানের বাড়িতে রেশন-দুর্নীতি মামলার সূত্রে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে বেনজির হামলার শিকার হন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির আধিকারিকরা। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিন ইডি আধিকারিক। তারপর থেকেই তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। তবে শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎই শেখ শাহজাহানের একটি অডিও টেপ সামনে আসে। সেখানে সিবিআই বা ইডিকে যাতে সন্দেশখালি তথা তাঁর অনুগামীরা ভয় না পান, সেই হুঙ্কার দিয়েছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে শেখ শাহজাহান সন্দেশখালির এক তৃণমূল নেতার বাড়িতেই লুকিয়ে রয়েছেন বলে বিস্ফোরক দাবি করলেন শুভেন্দু। ঘটনা হল, শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করেছে ইডি। সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের পাশাপাশি প্রত্যেকটি বিমানবন্দরকে এ-ব্যাপারে প্রয়োজনীয় বার্তা দেওয়া হয়েছে। কোনওমতেই যাতে তৃণমূল নেতা পালাতে না পারেন।

    ৩৫৫ ধারার দাবি তুললেন শুভেন্দু

    এদিকে রবিবার নন্দীগ্রামে শহিদ দিবসের কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরব হন শুভেন্দু। সন্দেশখালির বেনজির ঘটনার কথা তুলে ধরে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘আমি রাজ্যপালকে বলব, রাজ্যের ৩০ থেকে ৪০টি থানাকে চিহ্নিত করে ৩৫৫ ধারা প্রয়োগ করুন। তাহলেই সব টাইট হয়ে যাবে।’ সন্দেশখালিতে ঘটনার সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে শুভেন্দু বলেন, ‘পুলিশ তৃণমূলের দলদাসে পরিণত হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল নেতাদের বাঁচাতে তারা সদা তৎপর।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে মৌমাছি চাষের উদ্যোগ নিল বিএসএফ

    BSF: অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে মৌমাছি চাষের উদ্যোগ নিল বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে মৌমাছি চাষের উদ্যোগ নিল বিএসএফ (BSF)। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে পাচার, অপরাধ ও চোরাচালান ঠেকাতে মৌমাছিকে পাহারাদার হিসেবে ব্যবহার করবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী। এ কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে মৌমাছির চাক বসাচ্ছে বিএসএফ।

    কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে? (BSF)

    বিএসএফের (BSF) সঙ্গে সীমান্ত পাহারায় মৌমাছিও থাকবে। এতে যেমন সীমান্ত সুরক্ষার কাজ হবে, তেমনি স্থানীয়দের জীবিকার সংস্থান হবে। প্রাথমিকভাবে পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলায় বিএসএফের ৩২ ব্যাটালিয়ন এই উদ্যোগ নিয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে মানুষের মৃত্যুর সংবাদ প্রায়ই পাওয়া যায়। এই নিয়ে সংশ্লিষ্ট সরকার ও সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ ও ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় বিএসএফকে। ধারণা করা হচ্ছে, এমন বদনাম থেকে রেহাই পেতে বিকল্প পথ হিসেবে এ ধরনের পরিকল্পনা বেছে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষামূলকভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে মৌমাছিদের বাহিনী। বিএসএফের এই প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করতে হাত বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্দেশনায় ‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রামের’ আওতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় মৌমাছি পালন এবং মধুর গুণগত মান পরীক্ষাকে একটি পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে নিয়েছে ভারত সরকার। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর অর্থনৈতিক বিকাশ ও সার্বিক উন্নয়নে এই প্রকল্পকে কৌশলগতভাবে ব্যবহারের সুযোগ হিসেবে দেখছে বিএসএফ।

    কী বললেন বিএসএফের কর্তা?

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ থানার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় মৌমাছির ২০টি বাক্স স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয় গ্রামবাসীরা সেই মৌমাছির দেখভালের পাশাপাশি মধু সংগ্রহ করবেন। এতে আর্থিকভাবে লাভবান হবেন গ্রামবাসীরাই। এই বিষয়ে দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের বিএসএফের জনসংযোগ আধিকারিক ডিআইজি একে আর্য্য বলেন, এই প্রকল্প সফল হলে আগামী দিনে দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তজুড়ে কাঁটাতারে মৌমাছির বাক্স স্থাপন করা হবে। তবে, এই মুহূর্তে ২০০টি বাক্স স্থাপনের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। যার খরচ সরকার বহন করবে। এই প্রকল্পের আওতায় সীমান্তের বেড়ার কাছে কৌশলগতভাবে মৌমাছির বাক্স স্থাপন করা হয়েছে। সীমান্ত বেড়ার কাছে মৌমাছির বাক্সগুলি মাটির সামান্য উপরে রেখে, তার কাছাকাছি মৌমাছি-বান্ধব ফল ও ফুলের গাছ স্থাপন করা হয়। বাক্সগুলোকে প্রাকৃতিক ছায়া দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাতে মৌমাছিদের আকর্ষণের একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়। আর সীমান্তে যেখানে এই বাক্স লাগানো হয়েছে, সেখানে চোরাচালান সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Onion: ভারত-বাংলাদেশে সীমান্তে বস্তা-বস্তা পেঁয়াজের চোরাচালান, তৎপর বিএসএফ

    Onion: ভারত-বাংলাদেশে সীমান্তে বস্তা-বস্তা পেঁয়াজের চোরাচালান, তৎপর বিএসএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনা, গরু, মাদক নয় এবারে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাকারবারীদের পছন্দের জিনিস হল পেঁয়াজ (Onion)। সন্ধ্যে নামতেই সীমান্তে বস্তা-বস্তা পেঁয়াজ পারপার চলছে বলে অভিযোগ উঠছে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত লাগোয়া আড়ত থেকে বেশি পরিমাণে পেঁয়াজের বস্তা কেনার হিড়িক পড়ে গিয়েছে। বস্তা পিছু বাংলাদেশে পাচার করতে পারলেই নগদ ২৪০০ থেকে ২৫০০ টাকা লাভ। ফলে চোরাকারবারীদের রমরমা পেঁয়াজ পাচারে। পাশাপাশি পাচার ঠেকাতে তৎপর বিএসএফ।

    কেন পিঁয়াজের চোরাকারবার (Onion)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে পেঁয়াজের (Onion) দাম এখন অগ্নিমূল্য। কোথাও ১৫০ আবার কোথাও দাম ২০০ টাকা। ভারত থেকে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে পেঁয়াজের রফতানি বন্ধ করা হয়েছে। ফলে পাচারকারীদের কাছে উত্তম জিনিস হল পেঁয়াজ। সোনা, গরু, মাদক পাচার করতে গেলে যদি ধরা পড়ে সেই ক্ষেত্রে প্রচুর টাকা লোকাসান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অপরে পেঁয়াজ ধরা পড়লেও আর্থিক ক্ষতি কম। তাই পাচারকারীদের কাছে শীতের রাতে চোরা চালানের উত্তম জিনিস হল পেঁয়াজ। মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জের এক বাসিন্দা বলেন, “সবাইকে সব কিছু দিয়ে ম্যানেজ করতে পারলে বস্তা পিছু দশ হাজার টাকা অতিরিক্ত আয় হচ্ছে। অপর দিকে সোনা, গরু, মাদক পাচারের থেকে কম কিছু নয়।” আবার দিকে নদিয়ার আরও এক পাচারকারী বলেছেন, “বিএসএফ নতুন পাচার নিয়ে বেশ সতর্ক। আমাদেরও ফাঁক বুঝে কাজ করতে হচ্ছে।”

    বিএসএফের বক্তব্য

    দক্ষিণবঙ্গের ফ্রন্টইয়ারের বিএসএফ ডিআইজি কে আর্য বলেন, “সীমান্তে যে কোনও পাচার আটকাতে আমরা অত্যন্ত তৎপর। বাংলাদেশে যেকোনও জিনিসের দাম বৃদ্ধি পেলে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাকারবারীরা সক্রিয় হয়ে যায়। এখন সেই দেশে পেঁয়াজের (Onion) দাম অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে, তাই চাহিদা মেটাতে পাচারকারীদের সক্রিয়তা বেড়ে গিয়েছে। এর ফলে পাচার আটকাতে আমাদেরও আরও সক্রিয় হয়ে থাকতে হচ্ছে।”

    সেই সঙ্গে ডিরেক্টর জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড (ডিজিএফটি) একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, “আগামী ৩১ শে মার্চ পর্যন্ত ভারত থেকে বাংলাদেশে কোনও পেঁয়াজ পাঠানো হবে না। অভ্যন্তরীণ বাজারের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতেই এই সিদ্ধান্ত।”

    ব্যবসায়ীদের বক্তব্য

    নদিয়ার করিমপুরের এক পাইকারি আড়তদার রমেশ মণ্ডল বলেন, “সন্ধ্যা হলেই পেঁয়াজের (Onion) বিক্রি ব্যাপক বেড়ে গিয়েছে। তবে কে কেন নিয়ে যাচ্ছে জানিনা। আমাদের বিক্রি ভালো হচ্ছে।” আবার ঢাকার এক ব্যবসায়ী আমিরুল কবিরাজ জানান, “ভারত থেকে পেঁয়াজে আসা বন্ধ হওয়ায় আমাদের এখানে দাম এখন অগ্নিমূল্য। যদিও চিনের পেঁয়াজ আসছে, তবে স্বাদে ভারতের পেঁয়াজের চাহিদা অনেক বেশি।” আবার মেহেরপুরের আরও এক ব্যবসায়ী বলেন, “ভারতের পেঁয়াজ বন্ধ হওয়ায় এখানে সঙ্কটে পড়েছেন মানুষ। খোলা বাজারে পেঁয়াজ নেই বললেই চলে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: নদিয়ার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে উদ্ধার ২ কোটির সোনার বিস্কুট, গ্রেফতার ৮

    Nadia: নদিয়ার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে উদ্ধার ২ কোটির সোনার বিস্কুট, গ্রেফতার ৮

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ২ কোটির সোনার বিস্কুট উদ্ধার করল সীমান্ত সুরক্ষ বাহিনী। একই সঙ্গে উদ্ধার একটি পিস্তল, ফেনসিডিল এবং গাঁজা। একেবারে হাতেনাতে ধরা হয়েছে পাঁচ মহিলা সহ মোট ৮ জনকে। এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এই ঘটনায়।

    নদিয়ার কোথায় উদ্ধার হয়েছে (Nadia)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। কিন্তু এই পাচারের গোপন খবর আগেই পেয়ে যান বিএসএফের অফিসারেরা। এরপর নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের পুলিশ এবং রাজস্ব গোয়েন্দা দফতরের কাছে খবর দেওয়া হয়। এরপর শুরু হয় সীমান্ত সংলগ্ন বিজয়পুর গ্রামে চলে যৌথ অভিযান। সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০ নভেম্বর এবং ১ ডিসেম্বর দুই দিন ধরে চলে অপারেশেন। অবশেষে উদ্ধার হয় গতকাল শনিবারে।

    সীমান্তে চলেলে যৌথ অভিযান

    গত কয়েক মাসে নদিয়ার (Nadia) ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়ে বড়সড় সাফল্য পেয়েছে বিএসএফ। গতকাল শনিবার বিজয়পুর গ্রামে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী এবং ডিআরআই যৌথ ভাবে অভিযান চালিয়ে ৩ কেজি ৫০০ গ্রাম সোনার বিস্কুট উদ্ধার করে। যার বাজার মূল্য প্রায় ২ কোটি ১৮ লাখ টাকা। এছাড়াও পুলিশের তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে একটি পিস্তল, তিনটি কার্তুজ, একটি ম্যাগাজিন, দুই কেজি গাঁজা এবং ৬৯ বোতল ফেনসিডিল।

    সীমান্তের সক্রিয় বিএসএফ

    ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাকারবার নিয়ে বারবার সংবাদ মাধ্যমে খবর উঠে এসেছে। কেন্দ্র সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সীমান্তবর্তী এলাকায় ইতিমধ্যে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকাকে বিএসএফের নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে রাজ্য সরকারের পুলিশ প্রশাসনকে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার উপদেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধিকে কটাক্ষ করে রাজ্যের ক্ষমতায় কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি তুলেছেন। কিন্তু রাজনৈতিক মহলের একাংশের কাছে নদিয়ার (Nadia) এই সাফল্য, সীমান্তে বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধিকেই ইতিবাচক বলে মনে করছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: অপরাধ ও পাচার রুখতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ-এর অস্ত্র মৌমাছি

    BSF: অপরাধ ও পাচার রুখতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ-এর অস্ত্র মৌমাছি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অপরাধ এবং যে কোনও ধরনের পাচার রুখতে বিএসএফের (BSF) অস্ত্র মৌমাছি। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে এবার তাই মৌমাছি প্রতিপালনের উদ্যোগ নিল বিএসএফ। বিএসএফ সূত্রে খবর, সীমান্তে মৌমাছি প্রতিপালনের মাধ্যমে অপরাধ যেমন কমবে, তেমনই স্থানীয়রা এখান থেকে রোজগারও পাবে। বিএসএফের ৩২তম ব্যাটেলিয়ান পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলায় এই উদ্যোগ নিয়েছে এবং এর ফলে সেখানকার স্থানীয় জনগণের মধ্যে ভালোই সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএসএফের শীর্ষ আধিকারিকরা। প্রসঙ্গত, ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটারের সীমানা রয়েছে, যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে ২,২১৭ কিলোমিটার। বিএসএফ-এর (BSF) এই প্রকল্পকে বাস্তবায়িত করতে হাত বাড়িয়েছে ভারত সরকারের আয়ুষ মন্ত্রকও।

    কেন্দ্রীয় সরকারের ‘ভাইব্রান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম’

    ৩২তম বিএসএফের ব্যাটেলিয়নের শীর্ষ আধিকারিক সুজিত কুমারের মস্তিষ্কপ্রসূত এই মৌমাছি প্রতিপালন বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের ‘ভাইব্রান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে বিভিন্ন ঔষধি গাছ লাগানো হচ্ছে। যার ফলে সেই গাছগুলিতে ফুল ধরলে মৌমাছিরা সহজেই আকৃষ্ট হবে। গত ২ নভেম্বর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মৌমাছি প্রতিপালনের জন্য কাঠের বাক্স বসানো হয় বিএসএফ-এর (BSF) তরফ থেকে। জানানো হয়েছে, এই মৌচাকগুলিতে স্থানীয় মানুষরা সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন এবং এক্ষেত্রে তাঁদের এপিকালচারের মাধ্যমে রোজগারও হবে।

    অপরাধপ্রবণ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত

    প্রসঙ্গত, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত যে কোনও ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে মাঝেমধ্যে খবরে শিরোনামে আসে। গরু, সোনা, রুপো সমেত নেশাদ্রব্য সহ একাধিক বস্তু পাচারের অভিযোগ পাওয়া যায় ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে। বিএসএফ জানাচ্ছে, যখনও কোনও অপরাধ ওখানে সংঘটিত করার জন্য কেউ প্রয়াস চালাবে, তখনই তাকে মৌমাছির আক্রমণের মুখে পড়তে হবে। যদিও এখনও পর্যন্ত কত সংখ্যায় মৌমাছি প্রতিপালন সেখানে করা হবে তা জানানো হয়নি। কাঠের বাক্সের মাধ্যমে এই মৌমাছি প্রতিপালন চলছে। আয়ুষ মন্ত্রকের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত সৎমূলী, তুলসী, একাঙ্গী, অশ্বগন্ধা, অ্যালোভেরা এই সমস্ত কিছু গাছও দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএসএফ। স্থানীয়দের সহায়তায় বিএসএফ (BSF) সেগুলিকে রোপনও করতে শুরু করেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share