Tag: BSF

BSF

  • BSF: সীমান্তে এক জার সাপের বিষ উদ্ধার বিএসএফ-এর, বাজারমূল্য জানলে চমকে উঠবেন!

    BSF: সীমান্তে এক জার সাপের বিষ উদ্ধার বিএসএফ-এর, বাজারমূল্য জানলে চমকে উঠবেন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে সন্দেহজনক একজার ভর্তি সাপের বিষ উদ্ধার করল ১৩৭ ব্যাটেলিয়ান বিএসএফ (BSF)। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলির গয়েশপুর বিওপি-র পাহানপাড়া সীমান্তে উদ্ধার হওয়া সাপের বিষের আন্তর্জাতিক বাজার মূল্য প্রায় ১৩ কোটি টাকা। বিএসএফ (BSF) অভিযান চালিয়ে সাপের বিষের জার উদ্ধার করলেও পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। তারা বাংলাদেশ সীমান্তে গা ঢাকা দিয়েছে বলে বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    বিএসএফের (BSF) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, একটি বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ সীমান্তের ভারতীয় গ্রাম পাহানপাড়া এলাকায় গোপনে অপেক্ষা করতে থাকে বিএসএফ দল। বাংলাদেশ থেকে দুই পাচারকারী সীমান্তের দিকে এগিয়ে আসে। তারা ভারতীয় ভূখন্ডে আসতেই বিএসএফ (BSF) তাদের পিছনে ধাওয়া করে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তারা বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে ছুটে পালাতে থাকে। তাদের আটকাতে এক রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে বিএসএফ (BSF)। কিন্তু ওই দুই পাচারকারী ততক্ষণে বাংলাদেশ সীমান্তে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এমনিতেই বিএসএফের (BSF) কাছে সাপের বিষ পাচার হওয়ার খবর ছিল। কিন্তু, দুই পাচারকারী পালানোর সময় তাদের হাতে কোনও জিনিস ছিল না। ফলে, পাচারকারীদের ফেলে যাওয়া সামগ্রীর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে বিএসএফ। অনেক খোঁজাখুঁজির পর উদ্ধার হয় একটি জার। যেখানে লেখা রয়েছে, কোবরা এসপি, ড্রাগন কোম্পানি, মেড ইন ফ্রান্স।  কোড নম্বর ৬০৯৭। সেই জারের মধ্যে তরল দ্রব্য কোবরা সাপের বিষ বলে মনে করছে বিএসএফ (BSF) ।   

    বিএসএফের (BSF) কী বক্তব্য ?

    ১৩৭ ব্যাটেলিয়ানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পাচারকারীদের খোঁজে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। পরে, গুলি চালানো হলেও হতাহতের কোনও খবর নেই। উদ্ধার হওয়া সাপের বিষের জারটি সোমবার দুপুরে বালুরঘাট রেঞ্জের বনবিভাগের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন বনবিভাগের আধিকারিক?

    বালুরঘাট বনবিভাগের রেঞ্জ অফিসার সুকান্ত ওঝা বলেন, যে জায়গা থেকে এই জার উদ্ধার হয়েছে, সেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করব। প্রাথমিকভাবে সাপের বিষ বলেই মনে হচ্ছে। তবে, এই বিষয়ে আরও নিশ্চিত হতে আমরা মুম্বই ল্যাবরেটরিতে এই জার পাঠাব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: ক্লাবগুলি নজরদারি চালাবে বিএসএফের কাজে! মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে জোর বিতর্ক

    BSF: ক্লাবগুলি নজরদারি চালাবে বিএসএফের কাজে! মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে জোর বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিএসএফ-এর (BSF) বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গিয়েছিল। সেই আবহে এবার তিনি বিএসএফ-এর (BSF) গতিবিধির ওপর নজরদারির ‘দায়িত্ব’ দিলেন স্থানীয় ক্লাবগুলিকে। যা নিয়ে চরমে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বরাবরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ক্লাব প্রীতি’র বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিরোধীরা। ক্লাবদের টাকা দেওয়া নিয়ে মামলা গড়িয়েছে হাইকোর্টে। প্রশ্ন উঠেছে, যে সরকার নিজের কর্মীদের ডিএ দিতে পারে না, সেই সরকার কেন ক্লাবগুলির পিছনে এত খরচ করছে? রাজনৈতিক স্বার্থে তাদের ব্যবহার করতেই কি সরকারি টাকায় এই উদ্যোগ? আর এরই মধ্যে এবার বিএসএফ-এর ওপর নজরদারির ‘দায়িত্ব’ পেল ক্লাবগুলি।

    নবান্নে বৈঠকে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    সূত্র জানাচ্ছে, বুধবার রাজ্য স্তরের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী প্রস্তাব দেন, পুলিশকে যেমন গোয়েন্দা-তথ্য সংগ্রহে তৎপর হতে হবে, তেমনই সীমান্তবর্তী এলাকার ক্লাবগুলির মাধ্যমে বিএসএফের (BSF) বাড়াবাড়ির উপরে নজরদারি চালানো প্রয়োজন। কালিয়াচকের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ওই প্রশাসনিক বৈঠকে আলোচনার ফাঁকে প্রসঙ্গক্রমে বিএসএফের বিরুদ্ধেও অভিযোগ ওঠে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, মমতা প্রশাসনিক কর্তাদের উদ্দেশে (বিশেষ করে পুলিশকর্তাদের) জানান, গ্রামে গ্রামে ঢুকে অত্যাচার চালাচ্ছে বিএসএফ। পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই প্রবণতা বাড়তে পারে।

    মুখ্যমন্ত্রীর সাধের কর্মতীর্থ প্রকল্প এবার কি বিএসএফের (BSF) ওপর নজরদারি চালাবে?

    মুখ্যমন্ত্রীর সাধের প্রকল্প ‘কর্মতীর্থ’। দোকান-সহ নানান ব্যবসা করার জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল। সেগুলি থেকেই এবার নাকি বিএসএফের ওপর নজরদারি চালাবে ক্লাবগুলি। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর পরিকল্পনা সেরকমই। সেই সব অব্যবহৃত পরিকাঠামো স্থানীয় ক্লাবের হাতে গেলে সেগুলো আর কতটা কর্ম-তীর্থ থাকবে, অকর্মস্থল বা অসামাজিক কাজের আখড়া হয়ে উঠবে কি না, সেই প্রশ্ন, সংশয় ও বিতর্ক জোরদার হয়েছে। একইভাবে শুধু বিতর্ক নয়, রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়ে গিয়েছে বিএসএফ (BSF) বা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গতিবিধির উপরে নজরদারির গুরু দায়িত্ব বেসরকারি ক্লাবগুলির হাতে ছাড়ার উদ্যোগকে ঘিরে। অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা কর্মতীর্থগুলি নিয়ে বুধবার আলোচনা হয়েছিল নবান্নের প্রশাসনিক বৈঠকে। প্রশাসনিক সূত্র জানাচ্ছে, প্রায় প্রতিটি জেলায় বিপুল খরচ করে সরকার কর্মতীর্থ তৈরি করলেও সেগুলির বেশির ভাগের প্রতি সাধারণ মানুষের কোনও আগ্রহই নেই। কারণ, দোকান-ব্যবসা করার জন্য নির্ধারিত এই পরিকাঠামোগুলি লাভজনক জায়গায় গড়ে ওঠেনি বলেই অভিযোগ। দীর্ঘ কাল ধরে পড়ে থাকা কর্মতীর্থগুলির পরিচালনার ভার সেই জন্যই এলাকার বিভিন্ন ক্লাবের হাতে তুলে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: ভারতের আকাশে ফের পাক ড্রোন, গুলি করে নামাল বিএসএফ, উদ্ধার চিনের তৈরি অস্ত্র

    BSF: ভারতের আকাশে ফের পাক ড্রোন, গুলি করে নামাল বিএসএফ, উদ্ধার চিনের তৈরি অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার পাকিস্তানি ড্রোনের সাহায্যে অস্ত্র, মাদক দ্রব্য পাচার করা হচ্ছিল ভারতে। তবে ব্যর্থ প্রচেষ্টা। বুধবার মধ্যরাতে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পাকিস্তানি ড্রোনের সাহায্যে পাচার করা হচ্ছিল একাধিক চিনের তৈরি অস্ত্র। কিন্তু সেই অস্ত্র পাচারের আগেই দুষ্কৃতীদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করল বিএসএফ (Border Security Force)। জওয়ানদের তৎপরতায় উদ্ধার হল একাধিক মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র। বিএসএফ (BSF) সূত্রের খবর, চিনের তৈরি পিস্তল, একাধিক ম্যাগাজিন সহ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৪৭ টি লাইভ রাউন্ড। ঘটনাটি ঘটেছে পাঞ্জাবের গুরদাসপুরের উনচা টাকালা গ্রামে।

    পাকিস্তানি দুষ্কৃতিদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ

    বিএসএফ সূত্রে খবর, গতকাল পাঞ্জাবের গুরদাসপুরের উনচা টাকালা গ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছিল একটি বিএসএফ দল। অন্ধকার কুয়াশাচ্ছন্ন রাতে পাকিস্তানের দিক থেকে আসা একটি ড্রোনের শব্দ শুনতে পান জওয়ানরা। তারপর তাঁরা সেই ড্রোনের দিকে গুলি চালায়। গুলি চালানোর সময়, কিছু পড়ে যাওয়ারও শব্দ পেয়েছিলেন তাঁরা।

    বিএসএফ এক বিবৃতিতে বলেছে, এলাকাটির প্রাথমিক তদন্তের সময়, টাকালা গ্রামের এক চাষজমিতে কাঠের ফ্রেম দিয়ে প্যাকেজ করা একটি সন্দেহজনক প্যাকেট উদ্ধার করেছে তাঁরা। সেই প্যাকেট থেকেই উদ্ধার করা হয় ৪টি চিনের তৈরি পিস্তল, ৮টি ম্যাগাজিন এবং ৪৭ রাউন্ড গুলি।

    বিএসএফ-এর বড় সাফল্য

    সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে বলা হয়েছে, পাঞ্জাবের ভারত-পাকিস্তানের সীমান্তের ৩,৩২৩ কিলোমিটার জুড়ে এখনও তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক মাস থেকে ভারত-পাক সীমান্তে পাকিস্তানি ড্রোনের উৎপাত বেড়েই চলেছে। এর আগেও গত বছরের অক্টোবরে, বিএসএফ পাঞ্জাবের গুরদাসপুর সেক্টরে আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর পাকিস্তানের দিক থেকে ভারতে প্রবেশকারী একটি ড্রোনকে দেখে গুলি চালিয়েছিল। তার আগে সেপ্টেম্বরেও, গুরদাসপুরের সীমান্তের কাছে পাকিস্তান থেকে আসা একটি ড্রোনের অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করেছিল। ফলে বারবার পাকিস্তানি ড্রোন এ দেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হলেও প্রত্যেকবারই বিএসএফ-এর জওয়ানরা দুষ্কৃতিদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করতে সক্ষম হয়েছে। এবারও তাই ঘটল। ফলে এটি এক বড় সাফল্য বিএসএফ-এর।

     
  • Yaba: বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে বিএসএফ অভিযানে বাজেয়াপ্ত ১.৭০ কোটি মূল্যের ইয়াবা ট্যাবলেট

    Yaba: বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে বিএসএফ অভিযানে বাজেয়াপ্ত ১.৭০ কোটি মূল্যের ইয়াবা ট্যাবলেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাচারচক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ফের বড়সড় সাফল্য পেল কাস্টমস এবং বিএসএফ-এর যৌথ বাহিনী। বিএসএফ এবং কাস্টমসের যৌথ অভিযানে ১৭ হাজার নিষিদ্ধ নেশাদ্রব্য ইয়াবা (Yaba) ট্যাবলেট বাজেয়াপ্ত হল। বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষা দক্ষিণ অসমের কাছাড় জেলার অন্তর্গত কাটিগড়ার হিলাড়ায় অভিযান চালিয়ে ১.৭ কোটি টাকার ইয়াবা ট্যাবলেট সমেত এক পাচারকারী জিয়াউর রহমানকে হাতেনাতে আটক করেছে নিরাপত্তারক্ষী বাহিনী।

    আরও পড়ুন: ‘‘গণতন্ত্র বিপন্ন’’! দার্জিলিং পুরসভায় দল ক্ষমতায় আসার দিনেই তৃণমূল ছাড়লেন বিনয়

    কী জানা গেল?

    বিএসএফ-এর কাছাড়-মিজোরাম ফ্রন্টিয়ারের জনসংযোগ আধিকারিক জানিয়েছেন, গোয়েন্দাসূত্রে খবর পাওয়ার পরেই মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে বিএসএফ-এর ফিল্ড ইন্টেলিজেন্স ইউনিট শিলচরের ১ নম্বর ব্যাটালিয়ন এবং করিমগঞ্জ কাস্টমস ডিভিশনের যৌথ অভিযানে কাটিগড়ার হরিনগর (Yaba) বর্ডার আউট পোস্ট থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের হিলাড়া রেলগেট সংলগ্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। মধ্যরাতে প্রায় ১:২০ মিনিটে মেঘালয়গামী এমএল ০৫ পি ৮৬৫৪ নম্বরের একটি অলটো গাড়ি আটক করে বিএসএফ। তাতে তল্লাশি চালিয়ে মোট ৮৯ প্যাকেটে মোড়া ১৭,০০০ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়েছে। ট্যাবলেটগুলি গাড়ির বিভিন্ন গোপন খোপে রেখে পাচার করা হচ্ছিল।    

    জানা গিয়েছে, কালো রঙের ২১টি প্যাকেট এবং নীল রঙের ৬৮টি প্যাকেট থেকে এগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে গাড়িকে বাজেয়াপ্ত করে বিপুল পরিমাণের ইয়াবা ট্যাবলেট পাচারকারী গাড়ির চালককে আটক করে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়। 

    জনসংযোগ আধিকারিক আরও জানান ট্যাবলেট প্রতি ন্যূনতম ১ হাজার টাকার হিসেবে বাজেয়াপ্তকৃত ১৭ হাজার ইয়াবা (Yaba)  ট্যাবলেটের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য কম করেও ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা। এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া ৭ হাজার টাকা মূল্যের রেডমি অ্যানড্রয়েড মোবাইল ফোনের হ্যান্ডসেট, মাদকবাহী অলটো কারের মূল্য ২ লক্ষ টাকা ধার্য করেছে বিএসএফ। বাজেয়াপ্তকৃত সব সামগ্রীর সর্বমোট বাজারমূল্য আনুমানিক ১ কোটি ৭২ লক্ষ ৭ হাজার টাকা হবে বলে জানিয়েছেন বিএসএফ আধিকারিক।

    পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য বাজেয়াপ্তকৃত ইয়াবা (Yaba) ট্যাবলেট সহ ধৃত পাচারকারীকে করিমগঞ্জ কাস্টম ডিভিশনের আধিকারিকদের কাছে সঁপে দেওয়া হয়েছে বলে জানান বিএসএফ-এর জনসংযোগ আধিকারিক ইনস্পেক্টর ঝিম্মি এইচ রাঙ্গাটে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Bhairon Singh Rathore: মারা গেলেন ১৯৭১-এ পাক যুদ্ধের সৈনিক ভৈরোঁ সিং রাঠোর! শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    Bhairon Singh Rathore: মারা গেলেন ১৯৭১-এ পাক যুদ্ধের সৈনিক ভৈরোঁ সিং রাঠোর! শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন ১৯৭১ সালে পাকিস্তান যুদ্ধের সৈনিক ভৈরোঁ সিং রাঠোর। জে পি দত্তর বিখ্যাত ছবি বর্ডারে সুনীল শেট্টির চরিত্রটি তৈরি হয়েছিল তাঁকে নিয়েই। রাজস্থানের প্রাক্তন সেনা ভৈরোঁ সিং রাঠোরের (Bhairon Singh Rathore) অনুকরণে তৈরি হয়েছিল এই চরিত্র। ভারতীয় সীমান্তরক্ষা বাহিনীর এই কিংবদন্তি সেনা ভৈরোঁ সিং রাঠোর ছিলেন দেশের গর্ব। ১৯৭১ সালে ভারত-পাক যুদ্ধে (1971 India-Pakistan war) অনন্য বীরত্বের নজির রেখেছিলেন তিনি। লোঙ্গেওয়ালা পোস্টে তাঁরই নেতৃত্বে মাত্র ১২০ জন সেনা মিলে রুখে দিয়েছিলেন পাক সেনার ট্যাঙ্ক বাহিনীকে! দু’হাজার সদস্যের সেই বাহিনীর তুলনায় ভারতীয় সেনার আয়তন ছিল নিতান্তই কম। কিন্তু কম ছিল না সাহস এবং শক্তি। তারই ফলস্বরূপ এসেছিল জয়। ১৯৭২ সালে সেনা পদকও পেয়েছিলেন ভৈরোঁ সিং রাঠোর। জীবনের তোয়াক্কা না করে নিজের মার্তৃভূমিকে বাঁচানোর জন্য লড়েছিলেন BSF-এর নায়েক ভৈরোঁ সিং।

    সোমবার জয়পুরের AIIMS-এ প্রয়াত হন ৮১ বছরের ভৈরোঁ সিং রাঠোর। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের এই নায়কের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শ্রদ্ধা জানিয়েছে তাঁর চরিত্রকে পর্দায় ফুটিয়ে তোলা অভিনেতা সুনীল শেট্টিও। পরিবার সূত্রে জানানো হয়েছে ১৪ ডিসেম্বর যোধপুরের অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে ভর্তি করা হয় তাঁকে। ICU-তে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। প্রয়াত নায়েক ভৈরোঁ সিংয়ের ছেলে জানিয়েছেন, বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁর বাবা অসুস্থ ছিলেন। তাঁর পায়ে পক্ষাঘাতের লক্ষণ দেখা গিয়েছিল। সম্ভবত ব্রেন স্ট্রোক হয়েছিল তাঁর।

    আরও পড়ুন:নকাশ্মীরে সেনা অভিযানে খতম পণ্ডিত হত্যায় মূল অভিযুক্ত সহ ৩ লস্কর জঙ্গি

    সেদিনের কাহিনী

    ১৯৭১ সালে রাজস্থান সীমান্তে মরুভূমি দিয়ে পাকিস্তান ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে। চোখে-চোখ রেখে লড়াই করে ভারতীয় সেনা। জয়শলমেরে থর মরুভূমির মাঝে লোঙ্গেওয়ালা পোস্টে ডিউটিতে ছিলেন নায়েক ভৈরোঁ সিং। সঙ্গে ছিলেন আরও ছয় থেকে সাত জন BSF জওয়ান। পরে তাঁদের সঙ্গে যোগ দেয় সেনার ২৩ পঞ্জাব রেজিমেন্টের ১২০ জন। তবে এই ছোট্ট বাহিনীই ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর রুখে দেয় পাকিস্তানের সেনা ব্রিগেডকে। ধংস করে দেয় পাক সেনার ট্যাঙ্ক রেজিমেন্ট। দেশের পূর্ব এবং পশ্চিম দুই সীমান্তে পাক বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ চলেছিল সেই সময়। শেষপর্যন্ত হার মানতে বাধ্য হয় পাকিস্তান। ১৩ দিনের যুদ্ধের শেষে প্রায় ৯৩ হাজার সেনা নিয়ে ভারতের কাছে আত্মসমর্পণ করে পাক বাহিনী। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kashmir Encounter: কাশ্মীরে সেনা অভিযানে খতম পণ্ডিত হত্যায় মূল অভিযুক্ত সহ ৩ লস্কর জঙ্গি

    Kashmir Encounter: কাশ্মীরে সেনা অভিযানে খতম পণ্ডিত হত্যায় মূল অভিযুক্ত সহ ৩ লস্কর জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু কাশ্মীরের সোপিয়ানে (Shopian) নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত তিন লস্কর ই তৈবা (Lashkar-e-Taiba) জঙ্গি।  নিহত জঙ্গিদের মধ্যে এক জন অক্টোবরে কাশ্মীরি পণ্ডিত খুনে অভিযুক্ত ছিল বলে জানিয়েছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। অন্য এক জঙ্গির বিরুদ্ধে ছিল নেপালি নাগরিককে খুনের অভিযোগ।

    দুপক্ষের গুলির লড়াই

    সোপিয়ানের মুঞ্জ মার্গ এলাকায় কয়েকজন জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে এই খবর পেয়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী। সেনাকে দেখেই গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা।  শুরু হয় গুলির লড়াই। জম্মু কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ-জওয়ানরা যৌথ ভাবে এই অভিযান চালায়। মঙ্গলবার ভোররাতে এই অভিযানে নিহত তিন জঙ্গির মধ্যে দু’জনকে চিহ্নিত করা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন কাশ্মীর পুলিশের এডিজিপি বিজয় কুমার। গোটা এলাকা নিরাপত্তারক্ষীরা মুড়ে রেখেছে। আরও জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে কি না তা জানতে চলছে তল্লাশি। উদ্ধার করা হয়েছে একে-৪৭ রাইফেল সহ কয়েকটি অস্ত্র। উদ্ধার হয়েছে দুটি পিস্তলও।

    আরও পড়ুন: আজ না হয় কাল, জম্মু ও কাশ্মীর ফের রাজ্যের তকমা পাবে! ইঙ্গিত কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর

    সেনার সাফল্য

    গত ১৫ অক্টোবর সোপিয়ানে জঙ্গিদের গুলিতে খুন হয়ে যান কাশ্মীরি পণ্ডিত পূর্ণ কৃষ্ণন ভাট। দক্ষিণ কাশ্মীরের সোপিয়ানের চৌধুরী গুন্ড এলাকার ওই বাসিন্দা বাড়ি থেকে বের হবার পরেই তাঁর উপর হামলা চালায় জঙ্গিরা। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে সেই ঘটনায় যুক্ত ছিল মঙ্গলবারের এনকাউন্টারে নিহত লস্কর জঙ্গি লাতিফ লোন (Lateef Lone)। অন্যজন অনন্তনাগের উমের নাজির নেপালের তিল বাহদুর থাপার খুনে অভিযুক্ত। এর আগে নভেম্বরেও লস্কর ই তৈবার বিরুদ্ধে বড় সাফল্য পায় কাশ্মীর পুলিশ। অবন্তীপোরায় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে এনকাউন্টারে নিহত হয় লস্কর (Lashkar-e-Taiba) কমান্ডার মুখতার আহমেদ ভাট সহ তিন জঙ্গি। এদের বিরুদ্ধেও পুলিশ কর্মীকে হত্যা, পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর হামলার অভিযোগ ছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Amit Shah: শুধু বিএসএফ নয়! সীমান্ত নিরাপত্তায় রাজ্যেরও দায়িত্ব রয়েছে, বললেন অমিত শাহ

    Amit Shah: শুধু বিএসএফ নয়! সীমান্ত নিরাপত্তায় রাজ্যেরও দায়িত্ব রয়েছে, বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু বিএসএফ নয়, সীমান্ত নিরাপত্তায় রাজ্যেরও দায়িত্ব রয়েছে। পূর্বাঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে এই বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও উপস্থিত ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, বিহাররে উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাবদ এবং ওড়িশার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠকে আন্তর্দেশীয় সীমান্ত ছাড়াও আন্তর্রাজ্য সীমান্ত নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    কী বললেন অমিত

    বিশেষ সূত্রে খবর, এদিন অমিত শাহ বৈঠকে বলেন, “সীমান্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব যতটা বিএসএফের, ঠিক ততটা রাজ্যেরও রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে ভাবছে। আগের সরকারের খামতি ছিল। আমরা তা অনেকটা পূরণ করেছি। আরও উন্নয়নের জন্য এগোচ্ছি।” পশ্চিমবঙ্গ-সহ পূর্ব ভারতের চার রাজ্য বিহার, ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড এই কাউন্সিলের সদস্য। মূলত প্রতিবেশী রাজ্যগুলির মধ্যে আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও পরিকাঠামোগত ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগ আলোচনা ও সমাধানের পথ খুঁজতেই সদস্য রাজ্যগুলিতে ঘুরে ঘুরে এই কাউন্সিলের বৈঠক বসে প্রতি বছর। 

    আরও পড়ুন: নবান্নে বৈঠকে মমতা-শাহ, কারণ কি জানেন?

    সূত্রের খবর, এদিনের বৈঠকে সীমান্ত নিরপত্তায় পরিকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অর্থ দাবির পাশাপাশি ১০০ দিনের কাজে রাজ্যের পাওনা টাকার কথাও মনে করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। এর সঙ্গে সীমান্ত রক্ষার নামে বিএসএফের অতিসক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সকাল ১১টা থেকে বিকাল তিনটে পর্যন্ত চলে এই বৈঠক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা, কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রধানরা এই বৈঠকে ছিলেন। সদস্য রাজ্যগুলির সচিব পর্যায়ের প্রতিনিধিরাও অংশ নিয়েছিলেন। নবান্নে শনিবার ইস্টার্ন জোনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠকের পরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একান্তে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর শহরে আরও কয়েকটি কাজ সেরে বিকেলেই দিল্লি উড়ে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BSF: পাক হানাদারি রুখতে বিএসএফ-এর হাতে এল দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিশেষ ড্রোন

    BSF: পাক হানাদারি রুখতে বিএসএফ-এর হাতে এল দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিশেষ ড্রোন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ড্রোন তৈরির ইতিহাসে নয়া সংযোজন। বিগত কয়েক মাস ধরেই ভারত-পাক সীমান্তে শুরু হয়েছে শত্রুপক্ষের ড্রোনের উৎপাত। আর এবারে প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা ড্রোনকে ধ্বংস করতেই দেশীয় প্রযুক্তিতে ড্রোন তৈরী করা হচ্ছে। সীমান্তরক্ষীদের ব্যবহারের জন্য ভারতে তৈরি হয়েছে এই দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অত্যাধুনিক ড্রোন। এদিন বিএসএফ (BSF) থেকে জানানো হয়েছে যে, দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে যেসব ড্রোন তৈরি করা হচ্ছে, তা অন্যান্য ড্রোনের তুলনায় অনেক গুণ ভালো ও শক্তিশালী।

    দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ড্রোন

    বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF) থেকে বলা হয়েছে, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করা ড্রোনগুলি অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং মাদক বহনকারী ড্রোনগুলিকে ধ্বংস করতে সফল হয়েছে। চলতি বছরে এই বিশেষ ড্রোন প্রায় ১৬ টির মত অনুপ্রবেশকারী ড্রোনকে ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।

    বিএসএফ-এর (BSF) ডিরেক্টর জেনারেল পঙ্কজ সিং বলেন, “ড্রোন একটি বড় চ্যালেঞ্জ৷ যদিও আমরা সীমান্তে একটি অ্যান্টি-ড্রোন সেট আপ করেছি, তবে আমাদের এমন কোনও সেটআপ নেই যা পুরো পশ্চিমাঞ্চলকে কভার করে৷ আমরা অনেক ভারতীয় সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করছি৷ আগামী দিনে, আমরা এই নতুন প্রযুক্তিটি আরও অনেক এলাকায় ব্যবহার করতে পারি।”

    তিনি আরও বলেছেন, এমন ড্রোনও তৈরি করা হচ্ছে যা কাঁদানে গ্যাসের শেলও ফেলতে পারে। তিনি বলেন, “টেকানপুরে, আমাদের টিয়ার-গ্যাস ইউনিট এই ধরণের ড্রোন তৈরি করেছে যেগুলি পাঁচটির মতো শেলও বহন করতে পারে, এবং শেলগুলিকে সুনির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে পারে৷ কিন্তু এখন পর্যন্ত, এই প্রযুক্তিটি শুধুমাত্র তৈরি করা হয়েছে এবং কোনও সেনাবাহিনীদের দেওয়া হয়নি।

    আরও পড়ুন: ফের পাকিস্তানি ড্রোন গুলি করে নামাল বিএসএফ, মিলল মাদক

    বিএসএফ-এর (BSF) মতে যেসব ড্রোন সাধারণত ব্যবহার করা হয় তা চিনে তৈরি ও ব্যয়বহুলও। ফলে বিদেশী প্রযুক্তিতে তৈরি করা ড্রোনের থেকে দেশীয় প্রযুক্তির ড্রোন অনেক নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও এগুলো ভালোভাবে শত্রুপক্ষের ড্রোনগুলিকে নষ্ট করে দিতে সক্ষম। তাই তারা এখন থেকে দেশের তৈরি ড্রোন তৈরিতেই বেশি নজর দিয়েছে।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই ড্রোনগুলো ঘন কুয়াশাতেও যাতে কাজ করতে পারে ও ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস শনাক্ত করতে পারে, সেখানেই তৈরি করা হচ্ছে। ফলে এই ড্রোনগুলো দেশের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে কড়া নজর রাখার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে। ডিরেক্টর জেনারেল পঙ্কজ সিং জানিয়েছেন, সীমান্তে প্রায় ৫,৫০০ ক্যামেরা লাগাতে চলেছেন তাঁরা। আর এসবের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ৩০ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে।

    প্রসঙ্গত, কয়েক বছর ধরেই পাকিস্তান থেকে ড্রোনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করে অস্ত্রশস্ত্র, মাদক, জাল টাকা পাঠানো হচ্ছে ভারতে। আকাশপথে তার মোকাবিলা করার প্রযুক্তি এতদিন ভারতের অধরা থাকলেও এবারে অনুপ্রবেশকারী পাক ড্রোনগুলিকে ধ্বংস করে মাটিতে মিশিয়ে দিতে আসতে চলেছে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিশেষ ড্রোন।

  • BSF: ভারতে প্রবেশের চেষ্টা! বিএসএফের গুলিতে খতম এক পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারী

    BSF: ভারতে প্রবেশের চেষ্টা! বিএসএফের গুলিতে খতম এক পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে পাকিস্তানি ড্রোনের উৎপাত, অন্যদিকে পাকিস্তানিদের অনুপ্রবেশ দুই-ই বেড়ে চলেছে। এমনই এক ঘটনা ঘটল গতকাল গভীর রাতে। এক পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীকে গুলি করে হত্যা করল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) জওয়ানরা। সোমবার লাইন অফ কন্ট্রোল (এলওসি) পেরিয়ে রাজস্থান দিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশের অপরাধে তাকে গুলি করে হত্যা করে রাজস্থান বিএসএফ (BSF)।

    পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীকে নিকেশ বিএসএফ জওয়ানদের

    ঘটনাটি ঘটে রাজস্থানের গঙ্গানগর হারমুখ চেকপোস্টের কাছে। ১৪ এস নামক ওই গ্রাম দিয়ে এর আগেও অনেক পাকিস্তানি ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে বলে প্রশাসনের ধারণা। সূত্রের খবর, গতকাল টহলদারির সময় বিএসএফ জওয়ানরা দেখতে পান, ওই ব্যক্তি সীমান্তের ওপার থেকে নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) পেরিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে। জওয়ানরা বারবার তাকে সতর্ক করে ও সেখান থেকে সরে যেতে বলে। যদিও ওই পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারী তাতে কান দেয়নি। অনুপ্রবেশের চেষ্টা করতেই তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালান বিএসএফ জওয়ানরা। গুলিতে মৃত্যু হয় অনুপ্রবেশকারীর।

    আরও পড়ুন: পাক হানাদারি রুখতে বিএসএফ-এর হাতে এল দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিশেষ ড্রোন

    এক সিনিয়র বিএসএফ (BSF) কর্মকর্তা এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ও বলেছেন, “সোমবার হারমুখ চেকপোস্টের কাছে আন্তর্জাতিক সীমান্তে পাকিস্তান থেকে আসা এক অনুপ্রবেশকারীকে সতর্ক করে বিএসএফ জওয়ানরা। অনুপ্রবেশকারী সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে আসার জন্য এগোতে থাকে। তখনই তাকে গুলি করা হয় ও তল্লাশি অভিযানের সময় মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।” তিনি আরও জানিয়েছন, এলাকাটি ঘেরাও করা হয়েছে এবং তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। ওই ব্যক্তি কোন উদ্দেশ্য নিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছিল তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    তিনি (BSF) বলেন, “আমরা ঘটনাটি সম্পর্কে পাকিস্তান রেঞ্জারদের জানিয়েছি। তবে তারা অনুপ্রবেশকারীর পরিচয় যাচাই করতে ও তার মৃতদেহ গ্রহণ করতে অস্বীকার করছে।” আরও জানানো হয়েছে, শেষপর্যন্ত পাকিস্তান মৃতদেহের পরিচয় দিতে অস্বীকার করলে শবদেহ দাহ করে দেওয়া হবে।  

    সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ এবং মাদক চোরাচালনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। এই কাজে পাক ড্রোনেরও ব্যবহার করা হচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীর সীমান্ত দিয়ে যেমন জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ করাতে মরিয়া তেমনি রাজস্থান এবং পাঞ্জাব সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচার প্রতিনিয়ত করে চলেছে পাকিস্তান। ফলে অনুপ্রবেশ নিয়ে নতুন করে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। চলতি বছরে শীতের সময়েই আন্তর্জাতিক সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষীদের কড়া নজর রাখার কথা বলা হয়েছে। আর বাড়তি নজরের ফলেই গতকাল এই অনুপ্রবেশকারীকে খতম করতে সফল হল বিএসএফ (BSF)।

  • BSF: ফের পাকিস্তানি ড্রোন গুলি করে নামাল বিএসএফ, মিলল মাদক

    BSF: ফের পাকিস্তানি ড্রোন গুলি করে নামাল বিএসএফ, মিলল মাদক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের পাকিস্তানি (Pakistan) ড্রোনকে (Drone) গুলি করে নামাল বিএসএফ (BSF)। সোমবার রাতে সীমান্তে টহল দিচ্ছিল বিএসএফের একটি দল। আচমকাই কানে আসে শব্দ। শূন্য থেকে ভেসে আসা ওই শব্দের উৎস লক্ষ্য করেই গুলি চালায় বিএসএফ। তখনই দেখা যায় আকাশ থেকে খসে পড়েছে একটা অতিকায় ড্রোন। পাঞ্জাবের অমৃতসরের কাছে ভারত-পাক আন্তর্জাতিক সীমান্তের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। দিন দুই আগেও ওই এলাকায় একটি ড্রোনকে গুলি করে নামিয়েছিল বিএসএফ। আটচল্লিশ ঘণ্টা পরে ফের সেই একই ঘটনা। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, ওই ড্রোনের মাধ্যমেই পাচার করার চেষ্টা চলছিল মাদক।

    বিএসএফের বিবৃতি…

    ঘটনার পরে পরে বিএসএফের (BSF) তরফে জারি করা হয় বিবৃতি। তাতে বলা হয়, ২৮ নভেম্বর রাত ১০টা ৪৭ মিনিট নাগাদ সীমান্তে মোতায়েন বিএসএফ আধিকারিকরা অদ্ভুত আওয়াজ পেয়েছিলেন। তখনই খেয়াল করেন, পাকিস্তানের দিক থেকে একটি সন্দেহজনক ড্রোন ভারতীয় ভূখণ্ডের ভিতর অমৃতসর গ্রামীণ ডেলার ছহরপুর গ্রামের কাছে আসছে। নিয়ম অনুযায়ী, ড্রোনটিকে গুলি ছুঁড়ে আটকানোর চেষ্টা করা হয়। গুলি লেগেই সেটি মাটিতে আছড়ে পড়ে। সূত্রের খবর, পরে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় একটি হেক্সাকপ্টার উদ্ধার করে বিএসএফ। এর সঙ্গে সঙ্গে সাদা পলিথিনে মোড়া সন্দেহজনক কিছু বস্তুরও হদিশ মেলে ছহরপুর গ্রামের একটি খেতে।

    জম্মু-কাশ্মীরে রদ হয়েছে ৩৭০ ধারা। তার পর থেকেই আরও বেশি করে ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ করিয়ে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান। কাশ্মীরের বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিকে মদত দেওয়ার পাশাপাশি পাঞ্জাবের খালিস্তান জঙ্গিদেরও নানাভাবে সাহায্য করছে ভারতের এই প্রতিবেশী দেশটি। এসব কারণেই চিনের তৈরি ড্রোনের মাধ্যমে তারা কখনও অস্ত্র, কখনও বা মাদক পাচার করছে ভারতে। দিন কয়েক আগে একটি ড্রোনের মাধ্যমে পাঞ্জাবের মাটিতে অস্ত্র ফেলেছিল পাকিস্তান।

    আরও পড়ুন: ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা এক পাকিস্তানির! গুলি করে মারল বিএসএফ, ধৃত আরও ১

    প্রসঙ্গত, সপ্তাহখানেক আগে লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছিলেন, সীমান্তপারের সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে দুরন্ত ভূমিকা নিয়েছে ভারতীয় সেনা। তিনি এও বলেছিলেন, ওরা এখন পিস্তল গ্রেনেড এবং মাদক ঢুকিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করছে। আমরা তা সফল হতে দেব না। তিনি জানিয়েছিলেন, লঞ্চপ্যাডগুলিতে এই মুহূর্তে অন্তত ১৬০ জন সন্ত্রাসবাদী ঘাপটি মেরে বসে রয়েছে। এর মধ্যে ১৩০জন পিরপাঞ্জালের উত্তর দিকে লুকিয়ে, আর বাকি ৩০ জন দক্ষিণ দিকে। পুরো এলাকা ধরলে ৮২জন পাকিস্তানি ও ৫৩ জন স্থানীয় সন্ত্রাসবাদী স্রেফ সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share