Tag: CAA

CAA

  • CAA: “সিএএ-তে ১০ হাজার মতুয়া আবেদন করেছেন”, বললেন শান্তনু ঠাকুর

    CAA: “সিএএ-তে ১০ হাজার মতুয়া আবেদন করেছেন”, বললেন শান্তনু ঠাকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে লাগু হয়েছে সিএএ (CAA)। লাগু হওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে ক্রমশই বাড়ছে তরজা। একদিকে যখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের প্রত্যেকটা সভা থেকে মন্তব্য করছেন সিএএ তে আবেদন করলে নাগরিকত্ব চলে যাবে। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে মতুয়ারা পাত্তা দিচ্ছে না। বরং, হাজার হাজার মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ সিএএ-তে আবেদন করছেন। এমনই দাবি বনগাঁর বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরের। ভোটের আগে বিজেপির কাছে এটা বাড়তি অক্সিজেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    ১০ হাজার মতুয়া আবেদন করেছে (CAA)

    এমনিতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্য সফরে এসে সিএএ (CAA) নিয়ে মুখ খোলেন। তিনি বলেছেন, সিএএ নাগরিক দেওয়ার আইন। নাগরিক কেড়ে নেওয়ার আইন নয়। তৃণমূল মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে।  এবার সিএএ নিয়ে বিজেপি প্রার্থী নতুন তথ্য দিলেন। সোমবার সকালে দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে গাইঘাটা বাজারে প্রচারে বেরিয়েছিলেন শান্তনু ঠাকুর। প্রচার শেষে তিনি বলেন, “সিএএ মানুষের অধিকার। যারা বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছেন তাঁরা বাংলাদেশের নাগরিক। তারা ভারতবর্ষে নাগরিক নয় তাদের অবশ্যই নাগরিকত্ব নিতে হবে। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল সরকার কি বলছে না বলছে তাতে কোনও যায় আসে না। আমরা মতুয়া মহা সংঘের কার্ড করিয়ে দিচ্ছিলাম, যাতে এই মানুষগুলোর কোনও অসুবিধা না হয়। এই মুহূর্তে আমাদের ৫ লক্ষ সদস্য আছে যারা কার্ড হোল্ডার। এদের আমরা সিএএ জন্য আবেদন করাচ্ছি। ইতিমধ্যেই দশ হাজার জন আবেদন করেছেন। এরপর যারা নতুন করে আসবে, তাদের জন্য আমরা শিবিরের আয়োজন করব। ফলে, মুখ্যমন্ত্রীর কথা যে কেউ বিশ্বাস করছে তা বোঝাই যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: শাহজাহানের জমি দখলের টাকা নিয়েছেন রাজ্যের আরও ২ মন্ত্রীও, বিস্ফোরক দাবি ইডির

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপি প্রার্থী শান্তনুর মন্তব্য নিয়ে পাল্টা কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস। তিনি বলেন, “শান্তুনু শুধু মিথ্যা কথা বলে। এই পাঁচ বছরে এই একটাই কাজ শিখেছে মিথ্যে কথা বলা। একজন মতুয়াও সিএএ -তে (CAA) আবেদন করেননি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “সিএএ নিয়ে মমতা ভুল বোঝাচ্ছে, আবেদন করলে নাম বাদ যাবে না”, আশ্বাস অমিত শাহের

    Amit Shah: “সিএএ নিয়ে মমতা ভুল বোঝাচ্ছে, আবেদন করলে নাম বাদ যাবে না”, আশ্বাস অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিএএ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবাইকে বিভ্রান্ত করছেন। বলছেন সিএএ-তে আবেদন জানালেই নাগরিকত্ব হারাবেন আপনি। তিনি সকলকে ভুল বোঝাচ্ছেন।” বুধবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের বংশিহারিতে সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে জনসভায় যোগ দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এই মন্তব্য করেন। তিনি তৃণমূলকে উদ্দেশ্য করে নজিরবিহীন ভাষায় আক্রমণ করেন।

    সিএএ নিয়ে মমতাকে তোপ (Amit Shah)

    এদিন সিএএ ইস্যুতে মমতাকে তুলোধনা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) । তিনি বলেন, “আমি বলছি, বাংলার শরণার্থীরা নির্ভয়ে আবেদন করুন। বাংলার শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেবে কেন্দ্র। মমতা সিএএ নিয়ে ভুল বোঝাচ্ছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। বরং, আবেদন করলে শরনার্থীরা এদেশের নাগরিক হয়ে যাবেন। এই দেশের নাগরিকের যা অধিকার, সেই অধিকার আপনিও পেয়ে যাবেন। আর সেটা নিয়ে মমতা রাজনীতি করছে। আর এসব চলবে না। আসলে অনুপ্রবেশকারীরাই মমতার ভোটব্যাঙ্ক। তুষ্টিকরণ করা এই তৃণমূল দল কিচ্ছু করতে পারবে না। কেন্দ্রের স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প আটকে রেখেছেন মমতা। উন্নয়ন করতে পারে একমাত্র বিজেপি।” এরপর তিনি বলেন, “হাতজোড় করে বাংলার জনতাকে বলতে চাই, মমতা দিদি বাংলার লোকেদের বোকা বানাচ্ছেন। আমি বলতে চাই, ভয় না পেয়ে যত শরণার্থী এসেছেন, তাঁরা যেন নাগরিকত্বের আবেদন করেন। কারও নাম বাদ যাবে না।”

    আরও পড়ুন: “রাজ্যে চালু হবে সংগ্রামী ভাতা”, ঘোষণা শুভেন্দুর, কারা পাবেন?

    ৩০ আসন পেলেই বন্ধ হবে অনুপ্রবেশ

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এদিন বলেন, বিজেপি অসমে অনুপ্রবেশ খতম করেছে। বাংলায় লোকসভা ভোটে ৩০ আসন পেলে এখানে সীমান্ত টপকে কোনও ‘পরিন্দা’ও ঢুকতে পারবে না। ২০১৪-য় দু’টি আসন দিয়েছিলেন, ২০১৯-এ দিলেন ১৮টি আসন। ২০২৪ সালে ১৮ থেকে বাড়িয়ে ৩০ করতে হবে। যাতে বিজেপির ৩৭০ আসন নিশ্চিত হয়। কী ভাবে ভোট দেবেন, বলে দিলেন তিনি। তিনি বলেন, “স্নান করে, শিবের পুজো করে ১৯ তারিখে পদ্ম প্রতীকে বোতাম টিপতে হবে। মমতা দিদিকে জবাব দিতে হবে। বাংলায় ৩০ আসন পার করবে বিজেপি। সোনার বাংলা দুর্নীতিতে ভরে গেছে। বাংলায় কাটমানি সংস্কৃতি। অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে। বাংলায় কাটমানি করতে দেওয়া হবে না, গরু পাচার করতে দেওয়া হবে না। বাংলায় বিজেপি সরকার গড়তে হবে। বাংলা থেকে তৃণমূলের অপশাসন ঘটান।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Santanu Thakur: হুডখোলা জিপে রাজকীয় প্রচারে শান্তনু ঠাকুর, শঙ্খধ্বনি ও ফুলের মালায় বরণ

    Santanu Thakur: হুডখোলা জিপে রাজকীয় প্রচারে শান্তনু ঠাকুর, শঙ্খধ্বনি ও ফুলের মালায় বরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বনগাঁয় (bangaon) হুডখোলা জিপে ভোট প্রচার বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরের(Santanu thakur)। সঙ্গে রয়েছেন জেলা সভাপতি দেবদাস মন্ডল। লোকসভা ভোটের(lok sabha election 2024) বাকি আর কয়েকটি দিন। শাসক হোক বা বিরোধী সব রাজনৈতিক দলগুলিরই প্রস্তুতি একেবারে তুঙ্গে। কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ। রোজই চলছে ভোট প্রচার। এবারের লোকসভা ভোটে, পশ্চিমবঙ্গের ওপর বিশেষ নজর রেখেছে বিজেপি। তাই ভোট প্রচারে ও কোনও অংশে পিছিয়ে নেই বিজেপি প্রার্থীরা। এবার জনসংযোগ বাড়াতে ভোট প্রচারে(election campaign) বেরিয়ে পড়েছেন শান্তনু ঠাকুরও। 

    শান্তনুর ভোট প্রচার

    ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী(BJP candidate) শান্তনু ঠাকুর (Santanu thakur), এদিন বনগাঁ মতিগঞ্জ থেকে একটি বাইক মিছিলের মাধ্যমে প্রচার শুরু করেন বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। মাথায় পাগড়ি পরে জিপের সামনের সিটে বসেন শান্তনু। অন্যদিকে স্টিয়ারিং হাতে গাড়ি চালাচ্ছেন বনগাঁ জেলার বিজেপি সভাপতি দেবদাস মন্ডল (Debashis Mondal)। আর গাড়ির পিছনে কয়েশো বাইক নিয়ে কর্মী সমর্থকরা। মতিগঞ্জ থেকে বাগদা পর্যন্ত এই প্রচার মিছিল হবে।

    শঙ্খ বাজিয়ে বরণ শান্তনু ঠাকুরকে

    এদিন বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরের প্রচারে আসার খবর পেয়ে বনগাঁ পাইকপাড়ায় মহিলারা তাঁকে স্বাগত জানাতে হাতে ফুলের থালা ও মালি নিয়ে দাড়িয়েছিলেন। এরপর পাইকপাড়ায় শান্তনুর মিছিল পৌছাতেই শঙ্খ বাজিয়ে পুষ্প বৃষ্টি শুরু হয়ে। মহিলারা মালা পড়িয়ে বরন করেন শান্তনুকে। এদিন প্রচারের(election campaign) সময় শান্তনু ঠাকুর বলেন, “জেতার ব্যাপারে ২০০ শতাংশ আশাবাদী।”

    বনগাঁয় ২০ মে পঞ্চম দফার ভোট

    প্রসঙ্গত, কোচবিহারে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী গতকালই বলেছেন, বাংলার সব পরিবারের নাগরিকত্ব মোদির গ্যারান্টি! কিন্তু সিএএ (CAA) নিয়ে উলটো সুর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরের গলায়।  
    উল্লেখ্য, এবারের লোকসভা ভোটে বনগাঁ কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস (Biswajit das), অর্থাৎ বিশ্বজিৎ দাসের প্রতিপক্ষ হয়েই এবারের লোকসভা নির্বাচনে লড়াইয়ে নামবেন বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। শান্তনু ঠাকুরের পাশাপাশি প্রচারের ময়দানে পিছিয়ে নেই কিন্তু বিশ্বজিৎ দাসও। ভোটের শেষ মুহূর্তে প্রচার চালাচ্ছেন তিনিও। বনগাঁয় ২০ মে পঞ্চম দফার ভোট। আর ৪ জুন ভোটের ফল (election result) প্রকাশের পরেই জানা যাবে জিত কার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CAA: পাক হিন্দু উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব প্রদানে সাহায্য করছে ‘সীমাজন কল্যাণ সমিতি’, মরুরাজ্যে শুরু শিবির

    CAA: পাক হিন্দু উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব প্রদানে সাহায্য করছে ‘সীমাজন কল্যাণ সমিতি’, মরুরাজ্যে শুরু শিবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত মার্চ মাসেই লাগু হয়েছে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (২০১৯)। এই আইনের বলে, পাকিস্তান বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় ভাবে (CAA) অত্যাচারিত হয়ে আসা ৬ সম্প্রদায়কে নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। নাগরিকত্ব আইন লাগু হওয়ার পর থেকেই রাজস্থানে ক্যাম্প বসাতে শুরু করে ‘সীমাজন কল্যাণ সমিতি’। নাগরিকত্বের আবেদন করতে উদ্বাস্তুদের সাহায্য করছে সঙ্ঘের ভাবধারাবাহী এই সংগঠন। বর্তমানে এই সমিতি মরুরাজ্যে পাকিস্তান সীমান্তে ৩০০-র থেকে বেশি ক্যাম্প (CAA) চালাচ্ছে।

    যোধপুর জয়সলমীরে চলছে ক্যাম্প

    যে ক্যাম্পগুলি তৈরি করা হয়েছে যোধপুর, জয়সলমীর প্রভৃতি জায়গায়। প্রত্যেক ব্যক্তিকে নাগরিক আইন সংক্রান্ত বিভিন্ন রকমের তথ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। তাঁদেরকে সাহায্য করা হচ্ছে নাগরিকত্ব পোর্টালে (CAA) নথি আপলোড করার কাজে। যা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক চালু করেছে। বিক্রম সিং রাজ পুরোহিত একজন আইনজীবী সংবাদমাধ্যমের সামনে ব্যাখা করেছেন, উদ্বাস্তুদের স্বার্থে কীভাবে দিনের পর দিন কাজ করে চলেছে এই সমিতি।

     মরু রাজ্যে ৪০০-রও বেশি বিভিন্ন স্থানে রয়েছেন উদ্বাস্তুরা

    প্রসঙ্গত, পাকিস্তান থেকে ধর্মীয়ভাবে অত্যাচারিত হয়ে আসা শরণার্থীরা রাজস্থানে ৪০০-রও বেশি বিভিন্ন স্থানে এসে বসতি স্থাপন করে। মনে করা হচ্ছে, দু’লাখেরও বেশি পাকিস্তানি হিন্দু, বিভিন্ন সময়ে এসেছেন মরু রাজ্যে উদ্বাস্তু হয়ে। এটা উল্লেখ করা প্রয়োজন, প্রত্যেক উদ্বাস্তু (CAA) ভারতে আইনি ভাবেই প্রবেশ করেছেন। হয় তাঁরা পর্যটক ভিসার মাধ্যমে এসেছেন অথবা তীর্থযাত্রী হয়ে। এঁরা প্রত্যেকেই ভারতের নাগরিক হওয়ার যোগ্য।

    ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাস হয় সংসদে

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাস হয় সংসদে। তারপর থেকে করোনা মহামারী চলতে থাকায় লাগু করা যায়নি আইন। অবশেষে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে (CAA) তা লাগু করা হয়। এই আইন অনুযায়ী হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসিক এবং খ্রিস্টান এই ছয় সম্প্রদায়ের অত্যাচারিত মানুষদেরকে নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। যাঁরা পাকিস্তান বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে অত্যাচারিত হয়ে এসেছেন ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: মোদির প্রশংসায় প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ ডালুবাবু, পাল্টা তৃণমূলকে তুলোধনা

    Malda: মোদির প্রশংসায় প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ ডালুবাবু, পাল্টা তৃণমূলকে তুলোধনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদির প্রশংসায় কংগ্রেসের ডালুবাবু। তৃণমূলকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তিনি। এবার অবশ্য লোকসভা ভোটের প্রার্থী হননি তিনি। মালদা (Malda) দক্ষিণের প্রার্থী হয়েছেন তাঁর ছেলে ইশা খান চৌধুরি। তাহলে দলের টিকিট না পেয়ে কি আবু হাসেম খান চৌধুরি ওরফে ডালুবাবু নতুন জল্পনার ইঙ্গিত দিলেন? প্রশ্ন উঠছে। আজ প্রধানমন্ত্রী ভূয়সী প্রশংসা করলেন তিনি। সিএএ নিয়ে ভুল বোঝানো হচ্ছে বলে বিরোধীদের আক্রমণ করলেন তিনি। তবে নিজের শারীরিক অসুস্থতার কারণে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী হননি বলে জানান।

    ঠিক কী বললেন ডালুবাবু (Malda)?

    মালদায় (Malda) কংগ্রেসের চার বারের সাংসদ ছিলেন আবু হাসেম খান চৌধরি। তিনি বলেন, “কাজের মানুষ এবং ভালো মানুষ হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই একটা প্রতীক ছিলেন। এখন ওঁর সামনে লোকেরা চুরি করছে। তৃণমূলের অবস্থা খুব খারাপ। চুরির বোঝায় এখন শেষের প্রহর গুনছে। শেষ আশা একটাই ভোটাররা যদি ক্ষমা করে। তবে তা সম্ভব নয়। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললে সকলেই বলবেন ওঁর সময় শেষের পথে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে সবথেকে বেশি লড়াই করছে বিজেপি। প্রত্যেক সপ্তাহে তৃণমূল নেতাদের মধ্যে দুর্নীতিগ্রস্থ নেতাদের ধরপাকড় চলছে। নেতারা জেলে বন্দি। কেউ রেহাই পাচ্ছে না।”

    আরও পড়ুনঃ “গোপাল ভাঁড়কে খুন করেছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র”, দাবি মন্ত্রীর, মামলার হুমকি রানিমার

    সিএএ নিয়ে কী বললেন?

    মালাদায় সিএএ নিয়ে ডালু বাবু বলেন, “সিএএ নিয়ে মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। মুসলমানদের ভুল বুঝিয়ে ভোট নেওয়ার রাজনীতি করছে তৃণমূল। মুসলমানেরা তৃণমূলকে বুঝে গিয়েছেন। এই আইনে ক্ষতি কী সেটা তৃণমূলকে বলতে হবে। এই তৃণমূলের শাসনে অবৈধ বাড়ি ভেঙে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। ববি হাকিম কী করছিলেন? পাল্টা বিজেপিতে অনেক ভালো ভালো মানুষ রয়েছেন। মোদি সাহেব অত্যন্ত ভালো মানুষ। তবে তাঁকে খারাপ করে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি খারাপ লোক নন। মোদিকে খারাপ দেখিয়ে ভোট পাওয়ার চেষ্টা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির শাসনে থাকা রাজ্যে কেউ অসুরক্ষিত নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে লিড দিলেই মিলবে আবাস যোজনার টাকা, বেফাঁস পার্থ ভৌমিক

    North 24 Parganas: পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে লিড দিলেই মিলবে আবাস যোজনার টাকা, বেফাঁস পার্থ ভৌমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ড সহ নানা কারণে জেলা তৃণমূল কিছুটা অস্বস্তিতে রয়েছে। পাশাপাশি সিএএ ইস্যুতে মতুয়ারা বিজেপির ওপর বেজায় খুশি। দলে দলে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন মতুয়ারা। এই পরিস্থিতিতে বেশ কিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছে শাসকদল। ভোটের আগে পালে হাওয়া টানতে এবার ভোটারদের লোভ দেখালেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক।

    কী বলেছেন জেলা তৃণমূল কোর কমিটির আহ্বায়ক? (North 24 Parganas)

    কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আবাস যোজনার রাজ্যের প্রাপ্য টাকা না দেওয়ার অভিযোগ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বারংবার করা হয়েছে। সেই বিষয় নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, যদি কেন্দ্রীয় সরকার আবাস যোজনার টাকা না দেয় তাহলে রাজ্য সরকার আবাস যোজনার টাকা প্রাপকদের দেবে। আবাস যোজনার টাকার বিষয়ে নৈহাটির এক দলীয় কর্মসূচিতে বলতে গিয়ে বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী পার্থ ভৌমিক বলেন, যে চারটে পঞ্চায়েত নৈহাটি বিধানসভার মধ্যে রয়েছে, তার মধ্যে যারা ভালো ফল করবে এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে জেতাবে সেই পঞ্চায়েতকে আবাস যোজনার টাকা ডিসেম্বর মাসের মধ্যে দিয়ে দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে টাকা বিলি! নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করে বিতর্কে তৃণমূল বিধায়ক

    কর্মীদের কী কড়া বার্তা দিলেন পার্থ?

    সম্প্রতি, উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বনগাঁ লোকসভার সাতটি বিধানসভা এলাকার ১৯২৭টি বুথের দলীয় প্রতিনিধিরা ওই কর্মিসভায় উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও ছিলেন বনগাঁ লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস, জেলা সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী, বনগাঁর পুরপ্রধান গোপাল শেঠ সহ দলীয় পদাধিকারী ও জনপ্রতিনিধিরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বনগাঁ লোকসভা আসনে ২০১৯ সাল থেকেই বিজেপি ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। সে বার বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর প্রায় ১ লক্ষ ৯ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতেছিলেন। এই লোকসভার সাতটি বিধানসভার মধ্যে একমাত্র স্বরূপনগর ছাড়া বাকিগুলিতে বিজেপি প্রার্থী এগিয়ে ছিলেন। ২০২১-এর বিধানসভা ভোটেও একই ফল হয়। তারপরে সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনা তৃণমূলের পক্ষে স্বস্তিদায়ক হয়নি। তাই স্বাভাবিক ভাবেই তৃণমূল নেতৃত্ব মনে করছেন, এ বারের লড়াই যথেষ্ট কঠিন। বনগাঁ শহরে নির্বাচনী কর্মিসভায় এসে পার্থ ভৌমিক দলীয় নেতা কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “পঞ্চায়েত বা পুর নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীরা নিজেদের এলাকায় যে ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন, লোকসভা ভোটে সেই সব এলাকায় জয়ের ব্যবধান কমে গেলে দল তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করবে।” এরপরই তিনি বলেন, “লোকসভা নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভোট কমলে ধরে নিতে হবে নিজের ভোটের সময় আপনি যে পরিশ্রম করেছিলেন, লোকসভা ভোটে তা করেননি। দল তখন নিশ্চিত ভাবেই আপনাদের বুঝে নেবে এবং কড়া পদক্ষেপও করবে।”

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর আবাস যোজনার বক্তব্যের বিষয় নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য বিজেপি মুখপাত্র শীলভদ্র দত্ত বলেন, আসলে পার্থ ভৌমিক বুঝতে পেরেছেন তৃণমূল কংগ্রেস জিতবে না। সেই কারণে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছেন। এভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি জানানো হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: সিএএ-তে স্থগিতাদেশ নয়, তিন সপ্তাহে কেন্দ্রের জবাব তলব সুপ্রিম কোর্টের

    CAA: সিএএ-তে স্থগিতাদেশ নয়, তিন সপ্তাহে কেন্দ্রের জবাব তলব সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা সিএএ-তে (CAA) স্থগিতাদেশ দিল না দেশের শীর্ষ আদালত। ৯ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। ওই দিন হলফনামার আকারে কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রসঙ্গত, সিএএ-র বিরোধিতা করে একাধিক মামলা দায়ের হয় দেশের শীর্ষ আদালতে। সেগুলিকে এক করে মঙ্গলবারই সিএএ নিয়ে শুনানি শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট (CAA)। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ এই মামলাগুলি শোনে। প্রধান বিচারপতি ছাড়া ওই বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি জেবি পরদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্র। কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা হাজির ছিলেন সরকার পক্ষের আইনজীবী হয়ে। সলিসিটর জেনারেল এদিন আদালতে বলেন, “সিএএ-তে কারও নাগরিকত্ব যাবে না।”

    মোট ২৩৭টি আবেদন জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্টে

    সিএএ (CAA) নিয়ে একাধিক মামলার মধ্যে সর্বশেষ মামলাটি দায়ের করে কেরলের বাম সরকার। রবিবার  সিএএ-র সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতে যায় তারা। সেসময় কেরল সরকার ঘোষণা করেছিল, রাজ্যে সিএএ কার্যকর করতে দেওয়া হবে না। অন্যদিকে এর আগে, শনিবার সিএএ-তে স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ‘অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন’ (মিম) দলের নেতা তথা হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। এর পাশাপাশি কংগ্রেসের তরফে জয়রাম রমেশ, তৃণমূলের ঘুষকাণ্ডে বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া মৈত্র, সিপিএমের যুব সংগঠনও এই ইস্যুতে দ্বারস্থ হয় সুপ্রিম কোর্টে। প্রসঙ্গত, মোট ২৩৭টি আবেদন জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্টে। এর মধ্যে ২০টি ক্ষেত্রেই সিএএ-র ওপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। কিন্তু শীর্ষ আদালত সিএএ-র ওপর স্থগিতাদেশ দিলনা এদিন।

    ৪ বছর পরে লাগু সিএএ

    ২০১৯ সালের ১১ ডিসেম্বর সিএএ (CAA) পাশ করে মোদি সরকার। কিন্তু মাঝখানে করোনা মহামারী চলে আসায়, আইন তখন কার্যকর করা যায় নি। চারবছর পরে ২০২৪ সালের ১১ মার্চ সিএএ লাগু করে সরকার। এই আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে এ দেশে আসা শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেবে ভারত। এই ৬ সম্প্রদায় হল, হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি এবং খ্রিস্টান।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: প্রার্থী ঘোষণা না হলেও লোকসভার প্রচার শুরু করে দিলেন ভোজপুরী তারকা দীনেশলাল

    Asansol: প্রার্থী ঘোষণা না হলেও লোকসভার প্রচার শুরু করে দিলেন ভোজপুরী তারকা দীনেশলাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোল (Asansol) লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়নি। কিন্তু তার আগেই বিজেপির প্রচারে নেমে গেলেন ভোজপুরী তারকা তথা সাংসদ দীনেশলাল যাদব। আজ শুক্রবার আসানসোল রামবন্ধুতলা থেকে গড়াই রোড হয়ে সুকান্ত ময়দান পর্যন্ত রোড-শো করেন তিনি। একই সঙ্গে ঘাগর বুড়ি মন্দিরে পুজো দেন ভোজপুরী তারকা। আসন্ন লোকসভা ভোটকে সামনে রেখে প্রচার অভিযানে এলাকার প্রচুর বিজেপি কর্মী-সমর্থক অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, তিনি বর্তমানে উত্তরপ্রদেশের আজমগড়ের সাংসদ। পবন সিং প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব স্বাধীনতা রয়েছে।” 

    কী বললেন দীনেশলাল (Asansol)?

    আসানসোল (Asansol) লোকসভা কেন্দ্রে ইতিমধ্যে তৃণমূল প্রার্থী করেছে শত্রুঘ্ন সিন্‌হাকে। ২০১৪ সালে বিজেপির বাংলায় জেতা দুটি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে একটি ছিল আসানসোল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার প্রসঙ্গে ভোজপুরী তারকা তথা সাংসদ দীনেশলাল যাদব বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। তাঁর এই বয়সে মেডিটেশন যেমন করা উচিত, ঠিক আবার তেমনি জিম করা উচিত। তবে সেটা অবশ্য নিজের বয়সের দিকে নজর রেখে করতে হয়। সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত ছিল। আরোগ্য কামনা করি।”

    আরও একবার মোদি সরকার হবে

    ভোজপুরী গায়ক দীনেশলাল যাদব নিজের প্রচারের বিষয়ে আসানসোলে আরও (Asansol) বলেন, “পার্টির আমি একনিষ্ঠ সৈনিক, একদিনের কর্মকাণ্ড ছিল তাই এসেছি। দেশকে শক্তিশালী করতে মোদিজির নেতৃত্ব একান্ত প্রয়োজন। আসানসোলে রেলের তরফ থেকে জমি দেওয়া হয়েছে। সেই জমিতে চার লেনের রাস্তা হবে। দেখুন নির্বাচনে লড়াই করা, জয়-পরাজয় এক বিষয় এবং দেশের উন্নতি প্রসঙ্গে কাজ করা অন্য বিষয়। সারা বিশ্ব প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের দিকে নজর রেখেছে। ভারতের এবারের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ৪০০ আসন পাবে। আর একবার দেশে মোদির সরকার গঠন হবে। এই বাংলায় সিএএ লাগু হবেই। মমতা সরকারকে এই আইন কার্যকর করতে হবেই। এই আইন নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন, নাগরিকত্ব বাতিলের আইন নয়।”

    দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ

    উল্লেখ্য বিজেপির প্রচার কর্মসূচিতে শুক্রবার সকালে আসানসোলে (Asansol) আসেন এই বিজেপি তারকা দীনেশলাল যাদব। শুক্রবার দিনভর দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “নাগরিকত্ব গেলে আমি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেব”, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “নাগরিকত্ব গেলে আমি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেব”, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি দেশে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দফতর থেকে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে আগত নিপীড়িত হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, খ্রিষ্টান, শিখ, পারসি ধর্মের মানুষেরা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিএএ-এর বিরুদ্ধে নিজের বিভ্রান্তিকর মতকে প্রচার প্রসার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করছে বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই বার মমতাকে খোলা চ্যালেঞ্জ করে বলেন, “কারোর নাগরিকত্ব গেলে আমি ইস্তফা দেব।”

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    সিএএ নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপপ্রচার করছেন। সমাজে বিভ্রান্তি তৈরি করে আইনকে ভুল ব্যাখ্যা করছেন। এই নিয়ে তাঁকে তীব্র সমালোচনা করেছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ একই ভাবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “জাতীয় নিরপাত্তার বিষয় নিয়ে তৃণমূল নেত্রী রাজনীতি করছেন। আপনি তোষণের রাজনীতি করছেন। শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে না চাইলে আপনার পাশে কেউ থাকবে না। সিএএ চালু হওয়ার পর কারোর নাগরিকত্ব গেলে আমি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেবো। না হলে আপনি দেবেন তো? সিএএ লাগু হয়েছে কাউর নাগরিকত্ব যাবে না।”

    উদ্বাস্তু মতুয়াদের নাগরিকত্ব নিয়ে অপপ্রচার

    নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিরোধিতা করেছেন বলে মমতাকে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। মমতা হাবড়ার সভা থেকে বলেন, “সিএএ-এর সঙ্গে এনআরসি যুক্ত। আপনারা আবেদন করলেই নাগরিকত্ব বাতিল হয়ে যাবে। এটা এনআরসির সঙ্গে সম্পর্কিত। আপনাদের ডিটেনশেন ক্যাম্পে নিয়ে যাবে। এই আবেদন করতে গেলে বারবার ভাববেন।” উল্লেখ্য মুখ্যমন্ত্রী নিজে কেন্দ্রের ইউপিএ সরকারের আমলে সংসদে রাজ্যের অনুপ্রবেশ সমস্যা নিয়ে পার্লামেন্টে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সিপিএম বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের ভোটে রাজ্যে সরকার গড়ে, এই অভিযোগে সরব হয়েছিলেন। ক্ষমতায় আসার আগে উদ্বাস্তু মতুয়া নাগরিকদের নাগরিকত্ব নিয়ে কথা বললেও, মা মাটির সরকার গঠনের পর নাগরিকত্ব নিয়ে একবারে উল্টো মেরুতে অবস্থান করছেন বলে রাজনীতির একাংশের মানুষ মনে করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: দেড় বছর অপেক্ষা নয়, তার আগেই বিধানসভার ভোট, জনসভায় জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: দেড় বছর অপেক্ষা নয়, তার আগেই বিধানসভার ভোট, জনসভায় জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরো পরিবারটাই দুর্নীতিতে যুক্ত। এবার লোকসভায় যে আসন সংখ্যা বিজেপি পেতে চলেছে আর দেড় বছর অপেক্ষা করতে হবে না, তার আগেই বিধানসভা ভোট হবে। বুধবার নদিয়ার রানাঘাটে প্রকাশ্য জনসভা থেকে রাজ্য সরকারকে এভাবেই কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    মুখ্যমন্ত্রীর ভাই বাবুনকে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    নদিয়ার দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে এদিন রানাঘাটে একটি জনসভার আয়োজন করা হয়। সেখানেই প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বক্তব্য দিতে গিয়ে  রাজ্য সরকারকে কড়া আক্রমণ করেন। এরপরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারে এখন ভাগাভাগি নিয়ে ঝামেলা বেধেছে। ভাইপো বেশি পাবে, না ভাই বেশি পাবে তা সামলাতেই ব্যস্ত পিসি। পুরো পরিবারটাই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত।  ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর হরিশ চ্যাটার্জী স্ট্রিট এবং কালীঘাট সম্পূর্ণ দখল করে নিয়েছে মমতার পরিবার। শুধু তাই নয়। ক্রীড়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় মমতার পরিবার জোর করে দখল নিয়েছে। আর এই সম্পূর্ণটাই হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দৌলতে। মুখ্যমন্ত্রীর ভাই বাবুনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, বিজেপি সম্পর্কে আর একটাও কুকথা বলেন তাহলে গত দুইদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে তিনি কী কী আলোচনা করেছেন তা সম্পূর্ণ ফাঁস করে দেব।

    আরও পড়ুন: সিএএ-র প্রতিবাদে শিলিগুড়িতে মহামিছিলের ডাক দিয়েও পিছিয়ে এলেন মুখ্যমন্ত্রী!

    সিএএ নিয়ে রাজ্যকে তোপ

    সিএএ নিয়েও রাজ্য সরকারকে কড়া আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, ২০১৯ সালে ঠাকুরবাড়িতে এসে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কথা দিয়েছিলেন তার ক্ষমতা শেষ হওয়ার আগেই তিনি সিএএ লাগু করে যাবেন। আর সেই কথা তিনি রেখেছেন। মতুয়া ঠাকুরবাড়ির দীর্ঘদিনের লড়াই আজ সফল হয়েছে। দেশের সকল সাধারণ মানুষ বুঝতে পেরেছে এটা নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আইন নয়, নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন। রাজ্য সরকার যতই চক্রান্ত করুক কোনও কাজ হবে না। পাশাপাশি লোকসভা নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, আগামী লোকসভা নির্বাচনে আমরা যে সংখ্যক আসন পেতে চলেছি তাতে করে আর দেড় বছর বিধানসভা ভোটের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। তার আগেই বিধানসভা ভোট হবে। শুধু সবাইকে বলবো, তৃণমূলের মতো খারাপ ব্যবহার করবেন না। মাথা ঠান্ডা রাখবেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share