Tag: cbi

cbi

  • CBI: আরজি করের ‘দুর্নীতি’তে সিবিআই রেডারে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ২ জন, কীভাবে চলত চক্র?

    CBI: আরজি করের ‘দুর্নীতি’তে সিবিআই রেডারে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ২ জন, কীভাবে চলত চক্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের আর্থিক অনিয়মে মা তারা ট্রেডার্স নামে একটি সংস্থার নাম বার বার উঠে আসছে। মূলত, আরজি করে আর্থিক টেন্ডার দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের (CBI) এফআইআরে উঠে এসেছে ৪ জন অভিযুক্তের নাম। তাঁরা হলেন— সন্দীপ ঘোষ, মা তারা ট্রেডার্সের মালিক, ঈশান ক্যাফের মালিক, ও খামা লৌহার মালিক। আরজি করের দুর্নীতিতে নাম থাকা মা তারা ট্রেডার্সের তরফে যে লেনদেন হয়েছে, বা এই সংস্থা থেকে একাধিক সামগ্রী যে আরজি করে গিয়েছে, সেই সমস্ত নথি ইতিমধ্যেই এসেছে প্রকাশ্য। প্রত্যেকটি কাগজেই উল্লেখ রয়েছে মা তারা ট্রেডার্সের নাম এবং তারা কত টাকার জিনিস কিনেছে, সেই সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য। অভিযোগ, স্বাস্থ্যভবন থেকে যে সব জিনিস বিনামূল্যে সরকারি হাসপাতাল পায়, সেই জিনিসগুলি আরজি কর হাসপাতাল মা তারা ট্রেডার্স-এর থেকে কিনত এতদিন।

    খাবারের প্যাকেট, মাইকও সরবরাহ করত মা তারা ট্রেডার্স! (CBI)

    আরজি করের (RG Kar Incident) প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলির বিস্ফোরক অভিযোগের ভিত্তিতেই ‘মা তারা ট্রেডার্সের’ কর্ণধার বিপ্লব সিংয়ের বাড়িতে রবিবার হানা দেয় সিবিআই (CBI)। ইউজি স্কিল ল্যাব নির্মাণে সরকারি তহবিলের কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে এই সংস্থার বিরুদ্ধে। ২০২১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বিপ্লব সিংকে বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ করে ভিস্কা সলিউশন (VISKA SOLUTION) নামে একটি সংস্থা। প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের কাছে লিখিতভাবে বিষয়টি জানানোও হয়। ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইউজি স্কিল ল্যাব তৈরি করতে খরচ ৬১ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা। আর সেই ল্যাবেই আরজি করে তৈরি করতে ২ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকার বরাত পেয়েছিল ‘মা তারা ট্রেডার্স’। কিন্তু, মা তারা ট্রেডার্স কীভাবে এত টাকার বরাত পেল? খাবারের প্যাকেট থেকে শুরু করে ইউজিসি ল্যাব-সব কিছুরই বরাত পেত মা তারা ট্রেডার্স। কী কারণে সব কিছুর বরাত পেত একটি সংস্থা? একটা সংস্থা, যে ভেন্ডার নিজেকে স্কিল ল্যাব বিশেষজ্ঞ হিসেবে দাবি করছে, সে কীভাবে খাবারের প্যাকেট সরবরাহ করছে, ওয়াটার পুলিং সিস্টেম, ওয়াটার পিউরিফায়ার সিস্টেম সরবরাহ করছে। এমনকী, সাউন্ড সিস্টেম, মাইক পর্যন্তও এই মা তারা ট্রেডার্স সরবরাহ করত। কিন্তু, এও কীভাবে সম্ভব? উত্তর খুঁজতে রবিবার সেই মা তারা ট্রেডার্সের কর্ণধারের বাড়িতে তল্লাশি চালান সিবিআই তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, জন্মাষ্টমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

    কীভাবে বেনিয়ম?

    নিয়ম অনুযায়ী, যে কোনও টেন্ডারের প্রক্রিয়ায় সংস্থা বাছাইয়ে ক্ষেত্রে  আগে টেকনিক্যাল বিড খোলা হয়, তারপর ফিনান্সিয়াল বিড খোলা হয়। এক্ষেত্রে পুরোটাই উল্টে হয়েছে। আগে ফিনান্সিয়্যাল বিড খুলেই ‘মা তারা ট্রেডার্স’কে বরাত দিয়ে দেওয়া হয়। ফিনান্সিয়াল বিডের পর খোলা হয় ‘টেকনিক্যাল বিড’। এই নিয়ে বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু, সেই অভিযোগের কোনও নিষ্পত্তি হয়নি। 

    কে এই সুমন হাজরা?

    বিপ্লব সিং-এর মতো এই দুর্নীতি-চক্রের আরও এক মোহরা হলেন সুমন হাজরা। এমনটাই সন্দেহ তদন্তকারীদের। তিনি একদিকে ডেভলপার, হোটেল মালিক। অন্যদিকে ওষুধের ব্যবসাও চালান। সিবিআই সূত্রে খবর, বিপ্লবের পাশাপাশি এই সুমনও অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন সন্দীপের। হাওড়া পুকুরতলায় রয়েছে তাঁর ওষুধের দোকান। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক জিনিসপত্র রিসাইকেল করে বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, সন্দীপ ঘোষ কোথাও কোনও অনুষ্ঠান করলে তাঁর হোটেল বুকিং থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু দেখভালও করতেন এই সুমন হাজরা। সূত্রের খবর, আরজি কর হাসপাতালে দুজন ভেন্ডর ছিল। সুমন হাজরা এবং বিপ্লব সিং। ইনজেকশনের সিরিঞ্জ থেকে বিভিন্ন ওষুধ সরবরাহ করতেন এই দু’জন। এই দুজনের মারফৎ আরজি কর দুর্নীতিচক্রের শিকড়ে পৌঁছনোর চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: সন্দীপের বাড়ি থেকে বড় ব্যাগ নিজামে নিয়ে গিয়েছে সিবিআই, কী আছে তাতে?

    CBI: সন্দীপের বাড়ি থেকে বড় ব্যাগ নিজামে নিয়ে গিয়েছে সিবিআই, কী আছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের (RG Kar Incident) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে প্রায় ১৩ ঘণ্টার ম্যারাথন তল্লাশি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, সন্দীপ ঘোষকে কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই (CBI)। তারপর শুরু হয় তল্লাশি। ঠিক কী খুঁজতে তাঁরা সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে গিয়েছিল তা স্পষ্ট নয়। তবে, তল্লাশি শেষে একটা বড় ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে যায় সিবিআই দল। সূত্রের খবর, তাতে বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ফাইল রয়েছে।

    সিবিআই তল্লাশিতে কী মিলল? (CBI)

    আরজি করের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার তো বটেই, আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও তদন্ত করছে সিবিআই (CBI)। সেই তদন্তেই রবিবার সাত সকালে কলকাতা শহর এবং হাওড়ার একাধিক জায়গায় ১৫টি দলে ভাগ হয়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছিল সিবিআই। রবিবার সকাল ৭টার কিছু আগে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে গিয়েছিল সিবিআইয়ের একটি দল। দরজা না খোলায় ৭৫ মিনিট বাইরে অপেক্ষা করেন সিবিআই কর্তারা। পরে, তাঁরা সন্দীপের বাড়িতে ঢুকতে পারেন। তবে, প্রথমে যে কজন সিবিআই আধিকারিক তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন, পরে আরও বেশ কয়েকজন তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন। সূত্রের খবর, এদিন সন্দীপের তিনতলা বাড়ির প্রতিটি ঘরের আনাচে কানাচে তল্লাশি চলেছে। এদিন তল্লাশির পাশাপাশি আরও এক দফায় সন্দীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। গোটা প্রক্রিয়ারই ভিডিও রেকর্ড হয়েছে। রাত ৯টা নাগাদ সন্দীপ ঘোষের বাড়ি থেকে তল্লাশি শেষ করে নিজাম প্যালেসে এসে পৌঁছয় সিবিআইয়ের টিম। আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষের বাড়ি থেকে বেশকিছু নথি ও ফাইল বাজেয়াপ্ত করেছেন তদন্তকারীরা। এছাড়া একটি বড় ব্যাগও নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, ৫ থেকে ৬টি হলুদ রঙের ফাইল নিজামে আনা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, জন্মাষ্টমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

    চোর ডাক্তার স্লোগান

    সন্দীপ ঘোষের বাড়ির সামনে ‘চোর ডাক্তার’ স্লোগান দেন প্রতিবেশীরা। এলাকারই এক বাসিন্দা বলেন, “আমরা তো ওনাকে কখনও দেখিইনি। গত সাতদিনে একটা জিনিস দেখলাম, আমাদের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নেই। কিন্তু পুলিশ রীতিমতো ওনাকে প্রোটেকশন দিচ্ছেন। বাড়ির সামনে চেয়ার পেতে বসে পুলিশ। কড়া শাস্তি দরকার ওনার।”

    সিবিআই আধিকারিক কী বললেন?

    সন্দীপ ঘোষের বাড়ির পাশাপাশি, আরজি করে এমএসভিপির দফতরে হানা দেয় সিবিআই। সাড়ে ৯ ঘণ্টা এমএসভিপি-র ঘরে ছিলেন তদন্তকারী অফিসাররা। বেরিয়ে তাঁরা হিন্দিতে জানালেন, “বহুত কুছ এভিডেন্স হ্যায়।” জানা গিয়েছে, এমএসভিপির ঘর থেকে উপাধক্ষ্যের কম্পিউটার বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সন্দীপ ঘোষ যে কম্পিউটার ব্যবহার করতেন সেটি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। অ্যাকাউন্টস ডিপার্টমেন্ট থেকেও মিলেছে অনেক নথি বলে সিবিআই সূত্রে খবর। এখানেই শেষ নয়, ফরেন্সিক মেডিসিনের বিভাগীয় প্রধান প্রদীপ চক্রবর্তীকেও তলব করা হয়েছিল। ফলে এই সকল নথিই যে তদন্তে অগ্রগতি আনতে সাহায্য করবে তা হয়ত হাবেভাবে বুঝিয়ে দিলেন আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: হাইকোর্টের নির্দেশ, আরজি কর দুর্নীতিকাণ্ডের সব নথি সিবিআইকে হস্তান্তর করল সিট

    RG Kar Case: হাইকোর্টের নির্দেশ, আরজি কর দুর্নীতিকাণ্ডের সব নথি সিবিআইকে হস্তান্তর করল সিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারেই আরজি কর হাসপাতালের (RG Kar Case) আর্থিক দুর্নীতি মামলার সমস্ত নথিপত্র সিবিআইয়ের (CBI) হাতে তুলে দিল রাজ্যের গঠিত সিট। উল্লেখ্য, হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় আগেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত জানিয়েছিল, শনিবার সকাল ১০টার মধ্যে এই নথি হস্তান্তর করতে হবে। সময় পেরনোর আগেই নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের অফিসে গিয়ে সব কিছু তুলে দেয় রাজ্য সরকারের গঠিত সিট।

    রাজ্যের উপর আস্থা নেই হাইকোর্টের (RG Kar Case)!

    প্রায় তিন বছরের বেশি সময় ধরে আর্থিক দুর্নীতির মামলা চলছিল আরজি করে (RG Kar Case)। তা নিয়ে গত সোমবার রাজ্য সরকার একটি সিট গঠন করেছিল। এই সিটের নেতৃত্বে ছিলেন আইপিএস প্রণব কুমার। এক সপ্তাহও যেতে পারল না, ঠিক তার মধ্যেই মামলা চলে গেল সিবিআইয়ের (CBI) হাতে। হাইকোর্টের নির্দেশে, মহিলা চিকিৎসক খুনের তদন্তও এখন করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রাজ্য পুলিশের সিটের উপর আর কোনও আস্থা যে নেই তা আরও একবার প্রমাণিত হল। যদিও আর্থিক দুর্নীতি তদন্ত মামলায় হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেছিলেন প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। কিন্তু এই আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।

    আরও পড়ুনঃ আরজি কর ইস্যুতে রাজ্যজুড়ে বিজেপির থানা ঘেরাও, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, উত্তেজনা

    দুর্নীতিগ্রস্ত সন্দীপ ঘোষ

    শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ একক বেঞ্চে বলেন, “একাধিক সংস্থা তদন্ত করলে বিষয়টি আরও জটিল ও সময়সাপেক্ষ হতে পারে। তাই আর্থিক দুর্নীতি মামলায় তদন্তভার সিবিআইকেই দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ আদালত।” ইতিমধ্যে আরজি কর (RG Kar Case) হাসপাতালে ২০২১ সাল থেকে একাধিক আর্থিক দুর্নীতির বিষয়ে অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। মৃতদেহ লোপাট থেকে টেন্ডার বিতরণ, ভর্তিতে দুর্নীতি সহ একাধিক বিষয়ে আর্থিক লেনদেনে নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে। সব দুর্নীতির মাথায় যে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষই রয়েছেন, সেই দাবিও করেছে গেরুয়া শিবির।

    আরও অভিযোগ ছিল যে, সন্দীপ ঘোষ অসামজিক কাজে প্রত্যক্ষ মদত দিতেন এবং হাসপাতালকে দুর্নীতির আঁতুড়ঘরে পরিণত করেছিলেন। সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে এই হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি আরও বলেন, “প্রথম দিন থেকেই ওঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এক সময় ছাত্ররা ওঁর বিরুদ্ধে অনশন আন্দোলন করেছিল। টাকা নিয়ে ছাত্রদের পাশ করানোর কাজে যুক্ত ছিলেন তিনি। তবে আবার টাকা না দিলে মিথ্যা কেসে ফাঁসিয়ে দেওয়ার কুচক্রান্ত করতেন। জেলবন্দি করা উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি করের করিডরে দাঁড়িয়ে সঞ্জয়! সেই অভিশপ্ত ভোরের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে

    RG Kar Incident: আরজি করের করিডরে দাঁড়িয়ে সঞ্জয়! সেই অভিশপ্ত ভোরের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। বিচার চেয়ে লাগাতার আন্দোলন করছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এই আবহের মধ্যে ৯ অগাস্ট আরজি করের অভিশপ্ত ভোরের সিসিটিভি ফুটেজ (CCTV Footage) প্রকাশ্যে এসেছে। সেই ফুটেজ নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    সিসি ফুটেজে কী দেখা যাচ্ছে?

    প্রকাশ্যে আসা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ভোর ৪টে ৩ মিনিট নাগাদ অভিযুক্ত সঞ্জয়কে চারতলার সিঁড়ি দিয়ে আসতে এবং যেতে দেখা গিয়েছে। তার গায়ে টিশার্ট এবং জিন্স রয়েছে। হাতে ঝুলছে হেলমেট। তার মানে বাইকে চেপে এসেছিল মূর্তিমান। গলায় হেডফোন। নির্লিপ্ত মুখে আরজি কর হাসপাতালের (RG Kar Incident) করিডরে প্রবেশ করছে সিভিক ভলান্টিয়ার। তবে, কি কলকাতা পুলিশ লেখা সেই বাইক? পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতার দেহের কাছ থেকে উদ্ধার করে সংগ্রহ করা হয়েছিল হেডফোনের ছেঁড়া অংশ। সেই সূত্র ধরে কলকাতা পুলিশের ফোর্থ ব্যাটেলিয়নের ব্যারাক থেকে সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তদন্তকারীরা মনে করছেন, ফুটেজে ধৃতের গলায় যে হেডফোন ঝুলছে, তারই ছেঁড়া অংশ মিলেছিল ঘটনাস্থলে। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ (CCTV Footage) পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে ৮ অগাস্ট রাতে একাধিক বার সঞ্জয় হাসপাতালে ঢুকেছিল এবং বেরিয়েছিল। তার মধ্যে রাত ৮টা নাগাদ সে চেতলার এক যৌনপল্লিতে গিয়েছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অতীতেও মহিলাদের সঙ্গে অভব্য ব্যবহার করার ‘রেকর্ড’ রয়েছে ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের।

    আরও পড়ুন: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    ফাঁসি দিলে দিন (RG Kar Incident)

    তদন্তকারীদের দাবি, এতবড় ঘটনার হওয়ার পরও সঞ্জয়ের মধ্যে অনুশোচনার লেশমাত্র ছিল না। এমনকী অভিযুক্ত একেবারে ভাবলেশহীন। রীতিমতো সে বলে দিচ্ছে, ফাঁসি দিলে দিন। এদিকে অভিযুক্তের পেশার বিষয়টি কার্যত এড়িয়ে গিয়েছিলেন পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। তবে, সূত্রের খবর, ওই যুবক কলকাতা পুলিশের আওতাধীন সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজ করত। আরজিকরে তার অবাধ যাতায়াত। যখন খুশি বের হত, যখন খুশি ঢুকত। কিন্তু অত রাতে আরজি করের (RG Kar Incident) সেমিনার হলে ঢুকে পড়ল, কেউ কিছু বলল না? তবে কি আরজি কর চালাচ্ছে এরাই? প্রশ্ন সাধারণ মানুষের। শুক্রবার ভোরে আরজিকরে ঢুকেছিল ওই অভিযুক্ত। সে ভেতরে ৩০-৩৫ মিনিট ছিল। পরে বেরিয়ে আসে।

    বিভ্রান্ত করছে ধৃত সিভিক

    হেফাজতে থাকাকালীন বার বার বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। সিবিআই (CBI) সূত্রে খবর, আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) প্রবেশের কারণ, সময় নিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে ধৃত। সেমিনার হলের প্রবেশের কারণ নিয়েও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছে সে। যদিও সিবিআইয়ের হাতে ঘটনার রাতের সিসিটিভি ফুটেজ (CCTV Footage) রয়েছে। তাতে অভিযুক্তকে চারতলায় আসতে এবং যেতে দেখা গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, বিভ্রান্তি কাটিয়ে সঠিক তথ্য উদ্ধার করতেই পলিগ্রাফ করতে চাইছেন তদন্তকারীরা। এদিকে ধৃতের সম্পর্কে তার প্রতিবেশীদের দাবি, সঞ্জয় এলাকায় সে নিজেকে কলকাতা পুলিশের কর্মচারী বলত। এও বলত যে, ও সব কিছু করতে পারে। মহিলাদের ওপর অত্যাচার করাটা তার কাছে কোনও ব্যাপার নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kolkata High Court: আরও বিপাকে সন্দীপ ঘোষ! আরজি করে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তও সিবিআইকে দিল হাইকোর্ট

    Kolkata High Court: আরও বিপাকে সন্দীপ ঘোষ! আরজি করে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তও সিবিআইকে দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও চাপ বাড়ল আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের (Sandip Ghosh)। তাঁর আমলে আরজি করের (RG Kar Incident) যাবতীয় আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত ভার সিবিআইকে (CBI) দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Kolkata High Court)। এবার ডেপুটি সুপার আখতার আলির মামলায় সিবিআই তদন্ত করবে। শুক্রবার বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ রাজ্যের তরফে গঠন করা বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট-এর তদন্তের বিষয়টি খারিজ করে দেন (RG Kar-CBI Probe)। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে সিবিআইয়ের হাতে নথি হস্তান্তর করতে বলা হয়েছে সিটকে। তিন সপ্তাহ পরে তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট আদালতের কাছে জমা দিতে হবে সিবিআইকে।

    ইডি তদন্তের আর্জি নিয়ে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ (CBI)

    আরজি করকাণ্ড নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। বারবার সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে তৃণমূল সরকারকে। এই সময়, আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি আরও একবার আরজি কর হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হন। টালা থানায় আগেই অভিযোগ জানিয়েছিলেন তিনি। দু’দিন আগে এই সমস্ত অভিযোগকে সামনে রেখেই কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) দ্বারস্থ হন আখতার আলি। প্রাক্তন অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আর্থিক দুর্নীতির পাশাপাশি মৃতদেহ এবং বায়ো মেডিক্যাল বর্জ্য পাচার, তোলাবাজির অভিযোগ আনেন আখতার। সেই মামলারই শুনানি ছিল শুক্রবার। ইডি তদন্তের আর্জির প্রেক্ষিতে বিচারপতি ভরদ্বাজের পর্যবেক্ষণ, একাধিক সংস্থা তদন্ত করলে বিষয়টি জটিল এবং সময়সাপেক্ষ হতে পারে। তাই মূল ঘটনার সঙ্গে ওই হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতির তদন্তও সিবিআই (RG Kar-CBI Probe) করবে। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে আরজি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ, চার চিকিৎসক-পড়ুয়া কি সত্যি বলছেন? আজ হবে পলিগ্রাফ টেস্ট

    আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার কী বললেন?

    সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলির অভিযোগ, ইএনটি কর্মশালায় বেআইনিভাবে মৃতদেহের ব্যবহার করেছিলেন সন্দীপ ঘোষ। যা মানবাধিকার লঙ্ঘনের সামিল। এছাড়াও বায়োমেডিক্যাল বর্জ্য পাচার, ল্যাব পরিকাঠামোয় আর্থিক দুর্নীতি, বাজারমূল্যের বেশি দামে অক্সিজেনযন্ত্র কেনার মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে (RG Kar-CBI Probe)। কর্মী নিয়োগে দুর্নীতি, ইউজি-পিজি কাউন্সেলিংয়ে বেনিয়মের মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠে। এই মামলায় সিট (SIT) গঠন করে তদন্তভার ন্যস্ত করেছিল রাজ্য। এই সিট নিয়ে বৃহস্পতিবারের শুনানিতেই প্রশ্ন ওঠে। আদালত (Kolkata High Court) জানতে চায়, কেন ১৬ অগাস্ট সিট গঠন হল? কেন ২০২৩ সালের অভিযোগের পরে তা গঠন হল না?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: ‘বিকৃত পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত’, ‘পশুর মতো প্রবৃত্তি’! সঞ্জয় সম্পর্কে আর কী জানাল সিবিআই?

    CBI: ‘বিকৃত পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত’, ‘পশুর মতো প্রবৃত্তি’! সঞ্জয় সম্পর্কে আর কী জানাল সিবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Incident) ‘অভয়া’কে ধর্ষণ ও খুনের মামলার তদন্তে সিবিআই-এর হাতে এল চাঞ্চল্যকর সিসিটিভি ফুটেজ। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় ঘটনার সময় উপস্থিত ছিল তার প্রমাণ মিলিছে। এমনকী, ‘অভয়া’র ওপর সে দীর্ঘদিন ধরে নজরদারি চালাচ্ছিল বলেও সিবিআই (CBI) কর্তাদের জেরার মুখে সে স্বীকার করেছে। তার আচরণ দেখে সিবিআই কর্তারা হতবাক হয়ে গিয়েছেন। ঘটনার দিন সে রাতে যৌনপল্লিতেও গিয়েছিল। মদও খেয়েছিল। এমনটাই দাবি সিবিআইয়ের।

    সিসি টিভি ফুটেজে কী মিলল? (CBI)

    সিবিআই সূত্রে খবর, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, অপরাধের কয়েক ঘণ্টা আগে ‘অভয়া’র খুব কাছেই ছিল অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়। অপরাধের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ৩৩ বছরের অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার, খুব কাছ থেকে নজর রাখছিল নির্যাতিতার ওপর। সিসিটিভি ফুটেজে ‘অভয়া’র দিকে ভয়ঙ্কর নজরে তাকিয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে অভিযুক্তকে। হামলার আগে, ৮ অগাস্ট মেডিসিন ওয়ার্ডে ৩১ বছর বয়সি ‘অভয়া’র ওপর শিকারী পশুর মতো নজর রেখেছিল সে। সিসিটিভি ফুটেজে সিবিআইয়ের (CBI) কাছে তার এই দাবি সত্যি বলে প্রমাণিত হয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, ধৃতকে সে দিন রাতে ১১টা নাগাদ হাসপাতালে ঢুকতে দেখা গিয়েছিল। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে তাকে দেখা যায় ভোর ৪টে নাগাদ। হেডফোনের সূত্র ধরে এবং সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ, চার চিকিৎসক-পড়ুয়া কি সত্যি বলছেন? আজ হবে পলিগ্রাফ টেস্ট

    সিবিআই কর্তারা কী বললেন?

    সিবিআই-এর (CBI) জেরার মুখে নিজের অপরাধ স্বীকারও করে নিয়েছে ধৃত অভিযুক্ত। অভিযুক্তের মানসিক বিশ্লেষণ সংক্রান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সেন্ট্রাল ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের রিপোর্ট অনুযায়ী, অভিযুক্তর মানসিক বিকৃতি রয়েছে, ‘পশুর মতো প্রবৃত্তি’ রয়েছে। সে গভীর ভাবে পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত। সিবিআইয়ের দাবি, সে শুধু পর্নোগ্রাফি নয়, ‘বিকৃত’ পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত। তার মানসিক বিকৃতিও রয়েছে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা। সে যে সমস্ত ভিডিও দেখত, তাতে নারী-পুরুষের স্বাভাবিক মিলনের চেয়ে বিকৃতি প্রাধান্য পেত। ওই ধরনের ভিডিও দেখতেই সে অভ্যস্ত ছিল। এক সিবিআই কর্তার কথায়, ‘‘লোকটির কোনও অনুতাপ নেই। গোটা ঘটনার কথা প্রতি মুহূর্তের বর্ণনা সে আমাদের জানিয়েছে। ওর কোনও অনুতাপ রয়েছে বলে মনে হয় না। ঘটনার সময়ে ঘটনাস্থলে যে অভিযুক্ত উপস্থিত ছিল, তার একাধিক প্রমাণ মিলেছে।’’ তবে ধৃতের সঙ্গে আরও কেউ সেখানে ছিলেন কি না, গণধর্ষণ হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে খোলসা করেননি ওই কর্তা। অভিযুক্তের ডিএনএ নমুনার পরীক্ষা করা হয়েছে। তার রিপোর্ট প্রসঙ্গেও উত্তর মেলেনি।

    কর্মবিরতি চলবে

    মঙ্গলবারের পর বৃহস্পতিবারও চিকিৎসকদের কর্মবিরতিতে ইতি টেনে কাজে ফেরার আবেদন করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত আরও আশ্বাস দিয়েছে, আন্দোলন করার জন্য তাদের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিকূল ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। সুপ্রিম কোর্টের এই আবেদনের পর, দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস-এর ডাক্তাররা তাদের ১১ দিনের ধর্মঘট শেষ করেছেন এবং আবার কাজ শুরু করেছেন। রেসিডেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, আদালতের আশ্বাসে তারা কাজে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে, কর্মবিরতির পথ থেকে এখনই সরছে না পশ্চিমবঙ্গের জুনিয়র চিকিৎসকদের সংগঠন, জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্ট। তারা জানিয়েছে, তদন্তের (CBI) গতিপ্রকৃতি ইতিবাচক না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি জারি থাকবে তাদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সুপ্রিম অনুরোধেও অটল, কর্মবিরতি চলবে, জানিয়ে দিলেন চিকিৎসকরা

    RG Kar Incident: সুপ্রিম অনুরোধেও অটল, কর্মবিরতি চলবে, জানিয়ে দিলেন চিকিৎসকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মামলার (RG Kar Incident) শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন চিকিৎসকরা যেন কাজে ফেরেন। সেইমতো কর্মবিরতি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে একাধিক চিকিৎসক সংগঠন। তবে কর্মবিরতির পথ থেকে সরছে না জুনিয়র ডক্টর্স ফ্রন্ট। বাংলার এই চিকিৎসক সংগঠন তদন্তের অগ্রগতি জানা না পর্যন্ত ‘সিজওয়ার্ক’-জারি থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছে। জানা গিয়েছে, আজ শুক্রবার, সিবিআই দফতরে গিয়ে তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইবেন চিকিৎসকরা। এরপরই কর্মবিরতি নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    কী বলছেন চিকিৎসকরা

    বাংলার জুনিয়র ডাক্তাররা নিজেদের অবস্থানে অনড়। এখনই কর্মবিরতি প্রত্যাহার করছেন না তাঁরা। বৃহস্পতিবার রাতে জেনারেল বডি বৈঠক হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতালেই কর্মবিরতি চলবে। আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) ৩১ বছর বয়সি তরুণী ট্রেনি চিকিৎসকের খুনের সঙ্গে জড়িত সবাইকে গ্রেফতার করলে তবেই কর্মবিরতি উঠবে। তাঁদের কথায়, সিবিআইয়ের তদন্তের গতিপ্রকৃতি এখন‌ও স্পষ্ট নয়। জিজ্ঞাসাবাদের তালিকা দীর্ঘ হলেও নতুন করে কোন‌ও গ্রেফতার নেই। সন্দীপ ঘোষের ভূমিকাও স্পষ্ট নেই। তদন্তের গতিপ্রকৃতি ইতিবাচক না হ‌ওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি জারি থাকবে। তদন্তের গতিধারা নিয়ে কথা বলতেই শুক্রবার সিবিআই দফতরে যাবেন চিকিৎসকরা।

    আরও পড়ুন: বিমানে নয়, ১০-ঘণ্টা ট্রেনে চেপে ইউক্রেন যাচ্ছেন মোদি, জানেন এর বিশেষত্ব?

    সুপ্রিম-আর্জি

    সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে চিকিৎসকদের কাছে আর্জি জানানো হয়েছিল যাতে কর্মবিরতি তুলে নেওয়া হয়। এই আবহে দিল্লির এইমস-এ চিকিৎসকরা কর্মবিরতি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বাকি দেশেও আন্দোলনরত চিকিৎসকরা (RG Kar Incident) সেই পথেই হাঁটছেন। বৃহস্পতিবার শীর্ষ আদালতের (Supreme Court) অনুরোধে কর্মবিরতি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় ফেডারেশন অব অল ইন্ডিয়া মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। দেশের সব হাসপাতালের রেসিডেন্স ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন বা আরডিএ-ও সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এদিন আরডিএ জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, তাদের উপর ভরসা রাখতে, কাজে ফিরতে। সেই ভরসাতেই কাজে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসকদের টানা ৩৬ ঘণ্টা ডিউটি নিয়ে এদিন শীর্ষ আদালত উদ্বেগ প্রকাশ করে। চিকিৎসকদের উপযুক্ত নিরাপত্তা প্রদানের কথাও বলা হয়। একইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট আহ্বান জানায়, চিকিৎসক সংগঠনগুলি যেন তাদের কর্মবিরতি তুলে নেয়। চিকিৎসায় ফেরে। সেই ডাকেই সারা দিয়েছে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেছে একাধিক সংগঠন। ব্যতিক্রম পশ্চিমবঙ্গের জুনিয়র চিকিৎসক সংগঠন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: সন্দীপ, চার চিকিৎসক-পড়ুয়া কি সত্যি বলছেন? আজ হবে পলিগ্রাফ টেস্ট

    RG Kar: সন্দীপ, চার চিকিৎসক-পড়ুয়া কি সত্যি বলছেন? আজ হবে পলিগ্রাফ টেস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের (RG Kar) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়। তাঁর ভূমিকা আতসকাচের তলায়। আদৌ সন্দীপ সিবিআইকে সত্যি কথা বলছেন তো? নাকি সুকৌশেলে তাদের বিভ্রান্ত করছেন একদা আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ? এসব জানতেই এবার সন্দীপের পলিগ্রাফ টেস্ট হবে। এমনই অনুমতি দিয়েছে শিয়ালদা আদালত। তবে সন্দীপের (Sandip Ghosh) পাশাপাশি ঘটনার রাতে নির্যাতিতার সঙ্গে যে চার চিকিৎসক ডিনার করেছিলেন সেমিনার রুমে (RG Kar), তাঁদেরও পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমতি দিয়েছে শিয়ালদা আদালত। জানা গিয়েছে, আজ, শুক্রবার তাঁদের পলিগ্রাফ টেস্ট করানো হবে।

    বৃহস্পতিবার শিয়ালদা আদালতে নিয়ে আসে সিবিআই 

    বৃহস্পতিবারই আরজি করের (RG Kar) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh) ও চার চিকিৎসককে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআইয়ের অ্যান্টি কোরাপশন ব্রাঞ্চ থেকে শিয়ালদা আদালতে নিয়ে আসে সিবিআই। রুদ্ধদ্বার আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে মুখোমুখি বসানো হয় ওই পাঁচজনকে। এরপরেই সিবিআই-এর তরফে তাঁদের পলিগ্রাফ টেস্টের জন্য আবেদন করা হয়। সন্ধ্যায় সেই আবেদন মঞ্জুর করে আদালত। প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় একমাত্র ধৃত সঞ্জয় রায়ের পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমতি আগেই পেয়েছে সিবিআই। তবে অভিযুক্তের টেস্ট এখনও করাতে পারেনি সিবিআই। এবার সন্দীপ ঘোষ এবং আরজি করের চার চিকিৎসক পড়ুয়ারও পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমতি পেল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    এই পলিগ্রাফ টেস্ট আসলে (RG Kar) কী?

    পলিগ্রাফ টেস্টের মাধ্যমে বোঝা যায় কোনও ব্যক্তি মিথ্যা বলছেন কি না। বিশেষজ্ঞদের মতে, কারও পলিগ্রাফ টেস্টের মাধ্যমে তাঁর শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি, নাড়ির স্পন্দন তথা গতি, রক্ত চাপ, শরীর থেকে কতটা ঘাম-ইত্যাদি পর্যবেক্ষণ করা হয়। সাধারণভাবে কেউ মিথ্যা কথা বললে তাঁর হৃৎস্পন্দন এবং রক্তচাপের পরিবর্তন ঘটে। প্রসঙ্গত, আরজি করে ছাত্রী খুনের ঘটনায় অধ্যক্ষর (Sandip Ghosh) বিরুদ্ধে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার অভিযোগ আগেই এনেছিলেন চিকিৎসক মহলের বড় অংশ এবং নির্যাতিতার পরিবার (RG Kar)। সূত্রের খবর, তদন্তে নেমে এ ব্যাপারে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে তদন্তকারীদের হাতে। এবার তদন্তের আরও অগ্রগতির প্রয়োজনেই পলিগ্রাফ টেস্ট হতে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: হাথরস কাণ্ডের দুঁদে মহিলা সিবিআই অফিসার সীমা এবার আরজি করের তদন্তে

    CBI: হাথরস কাণ্ডের দুঁদে মহিলা সিবিআই অফিসার সীমা এবার আরজি করের তদন্তে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাথরস কাণ্ডের কথা মনে আছে? ২০২০ সালে উত্তরপ্রদেশের হাথরসে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল। উচ্চবর্ণের চার ব্যক্তি দলিত তরুণীটিকে গণধর্ষণের পর একটি মাঠে ফেলে পালায়। পরে, নির্যাতিতার মৃত্যু হয়। সেই ঘটনায় মহিলা পদমর্যাদার এসপি নিযুক্ত করা হয়েছিল। সেই পদ্ধতিতেই আরজি করের ঘটনায় নিযুক্ত করা হল মহিলা এসপিকে। নাম সীমা পাহুজা। তিনি এর আগে হাথরস ধর্ষণকাণ্ডের তদন্ত করেছিলেন। ইতিমধ্যেই কলকাতায় চলে এসেছেন সীমা। এই মামলায় তিনজন তদন্তকারী আধিকারিক (CBI) নিযুক্ত করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে দুজন মহিলা। একজন কলকাতার অফিসার। 

    কে এই মহিলা আধিকারিক? (CBI)

    আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই (CBI)। সোমবার তাঁকে চতুর্থ বারের জন্য ডেকে পাঠানো হয় সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে। গত ৯ অগাস্ট চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার তদন্তে একের পর এক তথ্য উঠে আসছে। যদিও সিবিআইয়ের হাতে এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি। তার মধ্যেই জানা গেল, হাথরসের ঘটনায় সিবিআইয়ের তদন্তকারী দলের নেতৃত্ব দেওয়া তৎকালীন ডিএসপি সীমাকে আরজি করের ঘটনার তদন্তকারী দলে যুক্ত করা হয়েছে।

    সীমার প্রশংসা সিবিআইয়ের অন্দরে
    সিবিআই আধিকারিক সীমা এক সময় গাজিয়াবাদে কর্মরত ছিলেন, অ্যান্টি কোরাপশন ব্যুরোয়। হাথরস তো বটেই, বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তকারী অফিসার হিসেবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অন্দরে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। সিবিআই আধিকারিক হিসেবে তাঁর কাজের জন্য ২০১৪ সালের ১৫ অগাস্ট পুলিশ মেডেল পান সীমা। সাহসী এবং নির্ভীক অফিসার হিসেবে পরিচিতি রয়েছে তাঁর। হাথরস-কাণ্ডে সিবিআইয়ের ১৪ সদস্যের বিশেষ দলের নেতৃত্ব দেওয়া ছাড়াও হিমাচল প্রদেশের গুতি মামলার তদন্তের ভার ছিল তাঁর ওপর। সংশ্লিষ্ট মামলার সমাধান করেছিলেন তিনি। এবার তাঁকে আরজি কর (RG Kar Incident) কাণ্ডের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ সূত্রে খবর, আরজি করে যে সেমিনার হলে গোটা ঘটনাটা ঘটেছে, সেখানে যাবেন সীমা। নির্যাতিতার বাড়িতেও যাবেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ২২ অগাস্ট স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার ধর্না বিজেপির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: আরজি করকাণ্ডে সঞ্জয়ের পলিগ্রাফ টেস্ট করবে সিবিআই, এরপর কি সন্দীপ?

    CBI: আরজি করকাণ্ডে সঞ্জয়ের পলিগ্রাফ টেস্ট করবে সিবিআই, এরপর কি সন্দীপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালে চিকিৎসককে ধর্ষণকাণ্ডে ধৃতের পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমতি পেল সিবিআই (CBI)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ধৃত সঞ্জয় রায়ের পলিগ্রাফ টেস্ট করানোর অনুমতি এসে গিয়েছে। সোমবার সিবিআই-কে সেই অনুমতি দিল শিয়ালদা কোর্ট। কবে সেই টেস্ট হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, এদিন আদালতে তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে তথ্য তুলে ধরেছে সিবিআই। এটি মূলত একটি মানসিক পরীক্ষা। হার্ট রেট, রক্তচাপ পরীক্ষার মাধ্যমে অভিযুক্ত সত্যি বলছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হয়। যে টেস্টের মাধ্যমে বোঝা যায় যে, কেউ মিথ্যা বলছে কিনা। আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানার জন্য তাঁরও পলিগ্রাফ টেস্ট করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। তবে, গোটাটাই হবে দিল্লি থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার পর।

    পলিগ্রাফ টেস্ট নিয়ে বিশেষজ্ঞরা কী বললেন? (CBI) 

    বিশেষজ্ঞদের মতে, পলিগ্রাফ টেস্টের সময় যখন কোনও প্রশ্ন করা হয়, তখন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হার্টের পালস, রক্তচাপ, নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের মতো বিভিন্ন শারীরিক মানদণ্ড পরিমাপ করা হয়। যখন কেউ মিথ্যে কথা বলে, তখন সাধারণত সেইসব মাপদণ্ডের হেরফের হয়ে থাকে। সেটার মাধ্যমেই নির্ধারণ করা হয় যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মিথ্যে বলছে কিনা। যদিও সব সময় পলিগ্রাফ টেস্ট পুরোপুরি নির্ভুল হয় না বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এই বিষয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিক (CBI) বলেন, “কোনও ব্যক্তি যখন মিথ্যা কথা বলে, তখন তার মস্তিষ্ক থেকে পি ৩০০ নামে একটি বিশেষ সংকেত বের হয়। সেটা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ওই স্নায়বিক সংকেতের জন্যই তার হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ বেড়ে যায়। আর গোটা বিষয়টি আমাদের কাছে আরও স্পষ্ট হয়। সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হয় ן”‎

    আরও পড়ুন: ২২ অগাস্ট স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার ধর্না বিজেপির

    এই পলিগ্রাফ টেস্টের ঠিক কী নিয়ম?

    অভিযুক্তকে এই পরীক্ষায় মত দিতে হয়। অভিযুক্ত মত দিলে তদন্তকারী সংস্থা (CBI) আদালতকে জানাবে। আদালত অনুমতি দিলে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে হবে পলিগ্রাফি টেস্ট। অভিযুক্তর সামনে টেস্ট করার আগে সমস্ত আইনি দিক ব্যাখ্যা করা হবে। পলিগ্রাফ টেস্টেরই একটি প্রকারভেদ হল লাই ডিটেকশন (মিথ্যা কথা ধরার উপায়) বা ব্রেন ম্যাপিং টেস্ট। মূলত পলিগ্রাফ টেস্টের সময়, অভিযুক্তর রক্তচাপের পরিবর্তন, পালস রেটের পরিবর্তন, ত্বকের উপরিভাগে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে কি না, এইসব সূক্ষ্ম বিষয়ের ওপর নির্ভর করে বুঝতে হয় যে অভিযুক্ত সঠিক বলছে কি না।

    সন্দীপকে ম্যারাথন জেরা সিবিআইয়ের

    ইতিমধ্যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI)। সূত্রের খবর, সন্দীপের থেকে জানতে চাওয়া হয় যে কেন তরুণী চিকিৎসকের বাবা-মা’কে হাসপাতালে তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়ে রাখা হয়েছিল? আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষকে আরও একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে। সূত্রের খবর, তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর খবর শোনার পরে তাঁর প্রথম প্রতিক্রিয়া কী ছিল, কার সঙ্গে প্রথম যোগাযোগ করেছিলেন, সেমিনার হলের (যেখান থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল) কাছে আচমকা কেন সংস্কারের কাজ শুরু হল, সেই প্রশ্নও করেছে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share