Tag: cbi

cbi

  • RG Kar: ‘‘২৬ বছরের চাকরি জীবনে এমন অবহেলায় তৈরি সুরতহাল রিপোর্ট দেখিনি’’, দাবি সিবিআই কর্তার

    RG Kar: ‘‘২৬ বছরের চাকরি জীবনে এমন অবহেলায় তৈরি সুরতহাল রিপোর্ট দেখিনি’’, দাবি সিবিআই কর্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar) তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার ময়না তদন্ত করা নিয়ে প্রথম থেকেই বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে পরিবারের আপত্তির পরও একরকম জোর করেই তড়িঘড়ি ময়না তদন্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সূর্যাস্তের পর ময়না তদন্ত করা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এবার ময়না তদন্তের পাশাপাশি নির্যাতিতার সুরহতালের রিপোর্ট নিয়েও সিবিআই (CBI) আধিকারিকদের মনে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক সিবিআই কর্তা এমনও দাবি করেছেন, তিনি তাঁর কর্মজীবনে এমন ভুলে ভরা সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report) কখনই দেখেননি।

    কী কী প্রশ্ন উঠছে? (CBI)

    সিবিআই সূত্রকে উদ্ধৃত করে আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চিকিৎসক-পড়ুয়ার (RG Kar) খুন, ধর্ষণের ঘটনায় মাত্র ২০ মিনিটে সুরতহাল (ইনকোয়েস্ট) এবং ১ ঘণ্টা ১০ মিনিটে ময়না তদন্তের রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। ধর্ষণ ও খুনের তদন্তে এ দু’টিই সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ আদালত গ্রাহ্য তথ্য প্রমাণ। আর ওই দু’টো রিপোর্টেই পর পর ধোঁয়াশা সৃষ্টি করা হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। ময়না তদন্তের আগে একজন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট মৃতদেহ পর্যবেক্ষণ করে রিপোর্ট প্রস্তুত করেন। তাকেই সুরতহাল রিপোর্ট বলা হয়। তিনি মৃতদেহের নানা ক্ষতচিহ্ন খুঁটিয়ে পরীক্ষা করে যে রিপোর্ট দেন, তার ভিত্তিতে ময়না তদন্ত করা হয়। এই পরীক্ষায় সাধারণত ঘণ্টাখানেক সময় লাগে। মাত্র ২০ মিনিটে কী করে এই পরীক্ষা করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তদন্তকারীদের (CBI) সূত্রে দাবি, রিপোর্টে বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট লিখেছেন, তিনি বিকেল ৪টে ২০ মিনিট থেকে ৪টে ৪০ মিনিট পর্যন্ত মৃতদেহ পর্যবেক্ষণের রিপোর্ট (RG Kar) তৈরি করেছেন। দেহ উল্টে পর্যন্ত দেখা হয়নি। যে ভাবে দেহ শুইয়ে রাখা হয়েছিল, শুধুমাত্র তা ওপর-ওপর দেখে চটজলদি রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে বলেই রিপোর্ট পড়ে মনে হয়েছে তদন্তকারীদের।

    আরও পড়ুন: কলকাতাকে ‘পরম রুদ্র সুপার কম্পিউটার’ উপহার মোদির, সহজ হবে জটিল গবেষণা

    রিপোর্টে আঘাতের চিহ্ন কোথায় তা উল্লেখ নেই

    আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে সিবিআই (CBI) সূত্রকে উদ্ধৃত করে আরও বলা হয়েছে, মৃতার পেটের কোন কোন অংশে কী ধরনের আঘাত, তারও খুঁটিনাটি বলা নেই। রিপোর্টে মৃতদেহের গোপনাঙ্গে রক্তের কথা রয়েছে। কিন্তু, রক্তপাতের কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি। গোপনাঙ্গের পাশে একটি ভাঙা ‘হেয়ার ক্লিপ’ পাওয়া গিয়েছে, বলা হয়েছে। কিন্তু, তা কতটা দূরে, সেই তথ্য অস্পষ্ট বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা (RG Kar)। মৃতার পোশাকের বিষয়টিও স্পষ্টভাবে বলা নেই। সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির সময়ে দু’জন চিকিৎসককে সাক্ষী রাখা হয়েছিল। কিন্তু তাঁদের কোনও বক্তব্য রিপোর্টে নেই।  রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাঁ পায়ে একাধিক আঘাত হয়েছে। কিন্তু সেটা পায়ের পাতা, হাঁটু না গোড়ালি? তা বলা হয়নি। মুখের কোথায় কোথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে তা-ও লেখা নেই। মৃতার মুখের ভিতরে এবং চোখে রক্ত পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু কী ধরনের ক্ষত থেকে ওই রক্তপাত, তা উল্লেখ করা হয়নি। মৃতদেহের পিছনের অংশে কোনও আঘাত ছিল কি না তা-ও রিপোর্টে লেখা নেই বলে তদন্তকারীদের সূত্রে দাবি।

    অবহেলায় তৈরি সুরতহাল রিপোর্ট!

    আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিবিআইয়ের (CBI) এক কর্তা বলেন, “২৬ বছরের চাকরি জীবনে এমন অবহেলায় তৈরি সুরতহাল রিপোর্ট দেখিনি। ওই বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটকে একাধিক বার তলব করে এত দ্রুত সুরতহাল রিপোর্ট লেখা নিয়ে তাঁর বয়ান নথিবদ্ধ করা হয়েছে। বেশ কয়েকটি বিষয়ে খটকা রয়েছে বলে তদন্তকারীদের সূত্রে দাবি। সুপ্রিম কোর্টের মামলার শুনানিতে ওই সব বিষয়েই মুখবন্ধ খামে রিপোর্ট পেশ করা হবে।” তদন্তকারী সংস্থা (CBI) সূত্রে দাবি, বিভিন্ন রিপোর্টের বিশ্লেষণ করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, ঠান্ডা মাথায় সুকৌশলে ধাপে ধাপে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চেষ্টা হয়ে থাকতে পারে। তাঁদের দাবি, সুরতহাল রিপোর্টে তথ্যের খামতি ও সূর্যাস্তের পরে তাড়াহুড়োয় ময়না তদন্ত এখন তদন্তে অন্যতম প্রধান বাধা হয়ে উঠছে (RG Kar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: ক্রাইম সিনে ছিলেন, ‘উত্তরবঙ্গ লবি’-র অন্যতম মাথা সুশান্ত রায়কে পাঁচ ঘণ্টা জেরা সিবিআইয়ের

    CBI: ক্রাইম সিনে ছিলেন, ‘উত্তরবঙ্গ লবি’-র অন্যতম মাথা সুশান্ত রায়কে পাঁচ ঘণ্টা জেরা সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের মামলার তদন্তে এবার সিবিআইয়ের (CBI) স্ক্যানারে তথাকথিত ‘উত্তরবঙ্গ লবি’র অন্যতম মাথা চিকিৎসক সুশান্ত রায়। সূত্রের খবর, গত ৯ অগাস্ট ঘটনার দিন আরজি কর হাসপাতালের অকুস্থলে দেখা গিয়েছিল জলপাইগুড়ির ওই চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞকে। কেন তিনি সে দিন হঠাৎ আরজি করে পৌঁছলেন, কার কাছ থেকে তিনি ঘটনার খবর পেয়েছিলেন। অকুস্থল থেকে তথ্যপ্রমাণ লোপাট, হাসপাতালে থ্রেট সিন্ডিকেট চালানো, ষড়যন্ত্রের মতো একাধিক অভিযোগ আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তাররা তুলেছেন সুশান্ত রায়ের বিরুদ্ধে। সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন কি না, তা নিয়ে সুশান্তর সঙ্গে ঘণ্টা পাঁচেক কথা বলেন তদন্তকারীরা। সুশান্ত রায়কে সিবিআই জেরা করায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে (North Bengal Medical) আন্দোলনকারীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস।

    কে এই সুশান্ত?

    জুনিয়র ডাক্তারদের একাংশের বক্তব্য, ২০১১ সালের আগে জলপাইগুড়ির বাইরে সুশান্তর তেমন পরিচিতি ছিল না। ২০১৬ সাল থেকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের (North Bengal Medical)  প্রশাসনে সুশান্তর প্রভাব বাড়তে শুরু করে। কোভিডকালে তিনি উত্তরবঙ্গের করোনা প্রতিরোধ টিমের ওএসডি পদে নিযুক্ত হন সরকারিভাবে। এরপরই তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।

    আরও পড়ুন: পুজোর মুখে পর পর বন্ধ হচ্ছে জুটমিল! কর্মহীন কয়েক হাজার, হেলদোল নেই মমতা-সরকারের

    সুশান্ত রায়ের বিরুদ্ধে উঠছে নানা দুর্নীতির অভিযোগ! (CBI)

    উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের (North Bengal Medical) প্রধান করণিক উৎপল সরকার বলেন, ‘‘নিজের ছেলে সৌত্রিক রায়ের নাম থাকা একটি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত করে কোভিডকালে স্যানিটাইজার, মাস্ক, পিপিই সহ যাবতীয় জিনিস সেখান থেকে কিনে মোটা টাকা আত্মসাত করেছেন সুশান্ত রায়।’’ হাসপাতালের অধ্যাপক চিকিৎসক উৎপল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘কোভিড কালে ডাক্তার ও নার্সদের কোয়ারান্টাইনে থাকার জন্য হোটেল, খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে যাবতীয় খরচের ক্ষেত্রে সুশান্ত রায় ব্যাপক দুর্নীতি করেছেন।’’ উত্তরবঙ্গের আরও এক স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, ‘‘জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে কোয়ালিটি কন্ট্রোল এক কোটি টাকা ঠিক মতো ব্যবহার হয়নি। ব্লাড গ্রুপের একটি স্টিকার তৈরিতে খরচ দু’টাকা। সেখানে তিনি ৯০ টাকা করে বিল করেছিলেন। ভারপ্রাপ্ত এক আধিকারিক এর প্রতিবাদ করে ওই বিলে সই করেননি। প্রভাব খাটিয়ে সুশান্ত রায় তাঁকে কিছুদিনের মধ্য বদলি করে দেন। সেই চেয়ারে পছন্দের আধিকারিককে বসিয়েছে ওই বিল পাস করিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেন। তার পরপরই তিনি একই সঙ্গে দুটি দামি গাড়ি কেনেন। যার একটি নগদে কেনেন। এত টাকা তিনি কোথায় থেকে পেলেন? এনিয়েও তদন্ত (CBI) হওয়া দরকার।’’

    আরও পড়ুন: পুজোর মুখে পর পর বন্ধ হচ্ছে জুটমিল! কর্মহীন কয়েক হাজার, হেলদোল নেই মমতা-সরকারের

    সুশান্তর প্রশ্রয়ে সন্দীপের রমরমা!

    সিবিআইয়ের তলব পেয়ে বুধবার বেলা দেড়টা নাগাদ সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন সুশান্ত। সংবাদমাধ্যমকে এড়াতে সিজিও কমপ্লেক্সের পিছনের গেট দিয়ে ঢোকেন তিনি। স্বাস্থ্য মহলের অভিযোগ, সুশান্তর প্রশ্রয়েই আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের রমরমা। আরজি করের ঘটনা সামনে আসার পরে নিখোঁজ পোস্টারও পড়েছিল সুশান্তর নামে। এর আগে আরজি করের ক্রাইম সিনে থাকা ‘উত্তরবঙ্গ লবি’র (North Bengal Medical) ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত বিতর্কিত চিকিৎসক অভীক দে, বিরূপাক্ষ বিশ্বাসকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। পিছনের গেট দিয়ে ঢোকায় এ দিন অবশ্য সিজিওতে ঢোকার সময়ে সুশান্তের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বেরোনোর সময়েও তিনি সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে যান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: সিজিওতে অপূর্ব-মর্গ কর্মীকে মুখোমুখি জেরায় পরস্পর বিরোধী তথ্য পেল সিবিআই

    RG Kar Incident: সিজিওতে অপূর্ব-মর্গ কর্মীকে মুখোমুখি জেরায় পরস্পর বিরোধী তথ্য পেল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালের ঘটনায় যেসব বিষয় নিয়ে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠেছে তার অন্যতম হল ময়নাতদন্ত (Post mortem) প্রক্রিয়া। অপেক্ষাকৃত কম আলোয় ও কম সময়ে নির্যাতিতার ময়নাতদন্ত করা হয়েছিল বলে খবর। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এটা কি ইচ্ছাকৃত? নাকি অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি। এই আবহের মধ্যেই বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআই (CBI) দফতরে ফের হাজিরা দিলেন নির্যাতিতার ময়নাতদন্তকারী দলে থাকা অন্যতম চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাস। সেই সঙ্গে আরজি কর (RG Kar Incident) মর্গের এক কর্মীকেও সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়। তাঁদের দু’জনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআই আধিকারিকরা। এ নিয়ে পর পর তিনদিন হাজিরা দিলেন অপূর্ব বিশ্বাস। তার আগেও একবার হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণাবর্তের জেরে আজও বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়, জানাল হাওয়া অফিস

    নির্যাতিতার আগে ৭টি ময়না তদন্ত সূর্যাস্তের আগে (CBI)

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, সেদিন আরজি করের (RG Kar Incident) মর্গে সাতটি ময়নাতদন্তই হয়েছিল সূর্যাস্তের আগে। শুধুমাত্র নির্যাতিতার সূর্যাস্তের পরে। স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি নিয়ে সিবিআই (CBI) আধিকারিকদের খটকা লাগছে। সূত্রের খবর, এক চিকিৎসক সূর্যাস্তের পর তাড়াহুড়ো করে ময়নাতদন্ত করার ব্যাপারে আপত্তি তুললেও তা শোনা হয়নি। ময়নাতদন্তের (RG Kar Incident) পুরোটাই ভিডিওগ্রাফি করা হলেও সেই ছবি বেশ আবছা রয়েছে। তাতে মনে হচ্ছে, সেখানে আলো প্রয়োজনের তুলনায় কম ছিল। এই বিষয়গুলি নিয়ে বিগত কয়েকদিন ধরে লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদ করা – হয়েছে ময়নাতদন্তকারী অন্যতম চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাসকে। কিন্তু এই প্রশ্নের জবাবে তিনি নীরব থেকেছেন বলে খবর।

    দুই ডোমকেও জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের

    এর আগে, ময়নাতদন্তের সময় উপস্থিত দু’জন ডোমও জিজ্ঞাসাবাদে যা জানিয়েছিলেন, তাতে সিবিআই (CBI) নিশ্চিত যে, সেদিন গাফিলতি হয়েছিল (RG Kar Incident)। জানা গিয়েছে, এদিন আরজি করের মর্গের ‘ক্লার্ক’ পর্যায়ের এক কর্মীকেও এ দিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তদন্তকারীদের বক্তব্য, ময়নাতদন্তের পরের পর্যবেক্ষণ লেখায় ওই কর্মীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ওই দিন ময়নাতদন্ত কী ভাবে হয়েছিল, তা নিয়ে ওই কর্মীকে অপূর্বের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাতে পরস্পর বিরোধী তথ্য উঠে এসেছে এবং অপূর্বের আগের বয়ানের সঙ্গে এ দিন ওই ক্লার্কের বয়ানের পার্থক্য রয়েছে বলে (RG Kar Incident) তদন্তকারীদের সূত্রের দাবি। কী লুকোনোর চেষ্টা হয়েছিল? কে সত্যি বলছেন বা কে মিথ্যা বলছেন? সবটাই জানার চেষ্টা করছে সিবিআই (CBI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: তথ্য প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ রয়েছে  চিকিৎসক সুশান্ত রায়ের বিরুদ্ধে, তলব করল সিবিআই

    RG Kar Case: তথ্য প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ রয়েছে চিকিৎসক সুশান্ত রায়ের বিরুদ্ধে, তলব করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতির প্রসঙ্গে সন্দীপ (Sandeep Ghosh) ঘনিষ্ঠ উত্তরবঙ্গ লবির ডাক্তার শুশান্ত রায়কে তলব করল সিবিআইয়ের স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ। উল্লেখ্য ৯ অগাস্ট ঘটনার দিন যে মেডিক্যাল টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল, তাঁদের মধ্যে তিনিও ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে শিলিগুড়িতে থ্রেট কালচার (RG Kar Case) এবং অভয়ার হত্যা মামলায় তথ্য লোপাটের অভিযোগ রয়েছে।

    আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে হত্যার ঘটনার পর থেকেই ন্যায় বিচারের দাবিতে কলকাতা সহ গোটাদেশ গর্জে উঠেছিল। একদিকে যেমন তিলোত্তমার ন্যায় বিচারের দাবিতে জুনিয়র ডাক্তাররা সরব হয়েছেন, তেমনি ভাবে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ (Sandeep Ghosh) এবং তাঁর অনুগামীদের থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক হয়েছেন। নাম উঠে এসেছে বিরূপাক্ষ, অভীকের মতো ডাক্তারদেরও। এবার আরও ১২ জন ডাক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করল হাসপাতালের বিশেষ তদন্ত কমিটি। এদিন সবাইকে আরজি কর প্লাটিনাম জুবলি বিল্ডিংয়ে জেরা করার জন্য ডাকা হয়।

    মোট ৫৯ জনের তালিকা তৈরি হয়েছে (RG Kar Case)

    জানা গিয়েছে, এই থ্রেট কালচারের সন্দীপ ঘোষ (Sandeep Ghosh) ঘনিষ্ঠ ১২ জন ডাক্তারের নামের মধ্যে রয়েছেন, আশিস পাণ্ডে, সৌরভ পাল, সফিকুল হোসেন সহ আরও অনেকে। অভয়ার হত্যাকাণ্ডের পর আরজি কর ইস্যুতে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। জানা যায়, সন্দীপ ঘনিষ্ঠ এক শ্রেণীর ডাক্তাররা জুনিয়রদের উপর আধিপত্য দেখাতেন। পরীক্ষায় কে পাশ করবে, কে ফলে করবে তাঁরাই সিদ্ধান্ত নিতেন। গবেষণাপত্রের বিষয় টাকার বিনিয়ে দেওয়া হতো। নির্ধারিত সময়ের বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত ডিউটি করানো হতো। নানা বাহানায় পড়ুয়াদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হতো। ইতিমধ্যে পড়ুয়াদের বয়ানের ভিত্তিতে মোট ৫৯ জনের তালিকা তৈরি করেছে তদন্তকমিটি। গত শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে জেরা করার পালা। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির দাবি করেছে জুনিয়র ডাক্তাররা (RG Kar Case)।

    আরও পড়ুনঃ আরজি কর দুর্নীতি মামলায় আলমারি ভেঙে গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ফাইল উদ্ধার করল সিবিআই

    জুতো মারো তালে তালে

    অপরদিকে আরজি করের (RG Kar Case) সুপার সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায় বলেন, “প্রত্যেক অভিযোগ আমরা খতিয়ে দেখছি। এখন তাঁদের সকলকে নিয়ে জেরা চলছে। দোষ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। হাসপাতালে এই ধরনের কালচারকে বরদাস্ত করা হবে না।” একই ভাবে যখন অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল সেই সময় ঘরের বাইরে স্লোগান দেওয়া হয়। জুনিয়র ডাক্তারদের বক্তব্য ছিল, “থ্রেট কালচারের গালে গালে, জুতো মারো তালে তালে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: ময়নাতদন্তের মধ্যেই কি আসল রহস্য লুকিয়ে? ফের সিজিও-তে জিজ্ঞাসাবাদ অপূর্ব বিশ্বাসকে

    RG Kar Case: ময়নাতদন্তের মধ্যেই কি আসল রহস্য লুকিয়ে? ফের সিজিও-তে জিজ্ঞাসাবাদ অপূর্ব বিশ্বাসকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Case) মামলায় বুধবার ফের সিজিও-তে হাজিরা দিলেন অভয়ার ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাস। একই সঙ্গে এদিন হাজিরা দিলেন হাসপাতালের দুই ডোমও। ধর্ষণ এবং খুনের কিনারা করে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিবিআই। ময়নাতদন্তের মধ্যেই কি আসল খুনের তথ্য লুকিয়ে রয়েছে? তদন্তকারী অফিসাররা সব তথ্য খতিয়ে দেখছেন।

    ময়নাতদন্তে ৩ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড ছিল (RG Kar Case)

    গত ৯ অগাস্ট আরজি কর (RG Kar Case) হাসপাতালে চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় আপামর বাঙালি সমাজের মনকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। অভয়ার ময়নাতদন্তের ৩ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ডে ছিলেন এই অপূর্ব বিশ্বাস। আগেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বাকি দুই সদস্য রীনা দাস এবং মলি বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। একই সঙ্গে মর্গের সহকারী ডোমদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মর্গের মর্গ অ্যাসিস্ট্যান্ট বলেন, “আমি ময়নাতদন্তের সময় ছিলাম না। আমার টেবিল ওয়ার্ক। আমি পেপারস ওয়ার্ক করি।” অপর দিকে রবিবার সিজিও থেকে বের হয়ে অপূর্ব বলেছিলেন, “মৃতার দেহে ময়নাতদন্তের জন্য বিভিন্ন ভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছিল।” একই ভাবে মৃতার কাকু বলেন, “এক ব্যক্তি দ্রুত ময়নাতদন্তের জন্য প্রেসার দিচ্ছিলেন। তাড়াতাড়ি না করলে রক্তগঙ্গা বইয়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।” এরপর থেকে ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ আরজি কর দুর্নীতি মামলায় আলমারি ভেঙে গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ফাইল উদ্ধার করল সিবিআই

    ময়নাতদন্তের দিনে কী কী ঘটেছিল?

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ময়নাতদন্তের (RG Kar Case) দিনে কী কী ঘটেছিল? কারা কারা উপস্থিত ছিল? বিষয় সম্পর্কে জানতে চাওয়া হবে। ঘটনার দিন থেকেই মানুষ, এই খুনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। একজন যোগ্য ডাক্তারকে কর্মস্থলে কেন নির্মমভাবে খুন হতে হলো? এই খুন ছিল অত্যন্ত পাশবিক। শরীরের একাধিক জায়গায় মিলেছে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন। শরীর ছিল অর্ধনগ্ন অবস্থায়। তবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন কোনও একজন মাত্র ব্যক্তির দ্বারা এই ভাবে পাশবিক নির্যাতন করা সম্ভব হয়নি। ধর্ষণ এবং খুনে আরও একাধিক ব্যক্তির উপস্থিতি ছিল বলে অনুমান করা হয়েছে। তাই গোটা বিষয়কে খতিয়ে দেখতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপর দিকে বুধবার ফের শিয়ালদা আদালতে, ধৃত প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এবং টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে তোলা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: আরজি কর দুর্নীতি মামলায় আলমারি ভেঙে গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ফাইল উদ্ধার করল সিবিআই

    RG Kar Case: আরজি কর দুর্নীতি মামলায় আলমারি ভেঙে গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ফাইল উদ্ধার করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডে (RG Kar Case) রাজ্য রাজনীতি ব্যাপক ভাবে উত্তাল। কোটি কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির (Corruption Case) তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইতিমধ্যে এই কেলেঙ্কারির অভিযোগে জেলে রয়েছেন ওই হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। তদন্তে নেমে মঙ্গলবার, সিবিআই হাসপাতালের আলমারি ভেঙে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করেছে। মনে করা হচ্ছে দুর্নীতি মামলায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে। ঘটনায় হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    নথি নিয়ে যাওয়া হয়েছে সিজিও-তে(RG Kar Case)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, সিবিআই-এর দুর্নীতিদমন (Corruption Case) শাখার গোয়েন্দারা হাসপাতালে (RG Kar Case) গিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং ফাইল উদ্ধার করেছে। সেগুলিকে পরে সিজিও-তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ২০২১ সাল থেকে সন্দীপ ঘোষ আরজি কর হাসপাতালের অধ্যক্ষ পদে ছিলেন। এই উদ্ধার হওয়া নথি সন্দীপ ঘোষের সময়কালের বলে জানা গিয়েছে। দুর্নীতি বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমে আগেই অভিযোগ তুলেছিলেন ওই হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আক্তার আলি। ২০২৩ সালে একাধিকবার অভিযোগ করলেও কোনও রকম তদন্তের ইঙ্গিত মেলেনি। গত ৯ অগাস্ট চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার পরেই দুর্নীতির বিষয়ে ওই হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স এবং কর্মচারীরা একাধিক বিষয়ে আন্দোলনে নামেন। এরপর সন্দীপ ঘোষের একাধিক কুকর্মের বিষয় প্রকাশ্যে আসে। পুলিশ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ধর্ষণ ও খুনের মামলায় ধৃত সঞ্জয় রায়। প্রাক্তন অধ্যক্ষ এবং শাসকদল তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিলেন এই  অভিযুক্ত।

    আরও পড়ুনঃ সকাল থেকেই আকাশের মুখভার! দফায় দফায় বৃষ্টি, ৯ জেলায় জারি হলুদ সতর্কতা

    মৃতদেহ পাচার করতেন সন্দীপ?

    সন্দীপ ঘোষের (RG Kar Case) বিরুদ্ধে আক্তার আলি আরও বলেছিলেন, “আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ অত্যন্ত দুর্নীতিগ্রস্থ ব্যক্তি। তিনি টেন্ডার দুর্নীতি কাণ্ডে অভিযুক্ত। মৃতদেহ পাচার, স্বাস্থ্য খাতে খরচ, সিসিটিভি, রেস্টরুমের জন্য টাকার ঠিকঠাক ব্যবহার করেননি। ডাক্তারি পড়ুয়াদের টাকার বিনিময়ে পাশ-ফেল করানো, টাকা নিয়ে পছন্দের বিষয়ে গবেষণা করানোর কাজ-সহ একাধিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এই সন্দীপ ঘোষ। অত্যন্ত প্রভাবশলী ব্যক্তি। থ্রেট কালচারের মধ্যমণি ছিলেন।” আর্থিক দুর্নীতি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করেছে ইডিও। অপর দিকে চিকিৎসক তরুণীকে খুনের মামলায়ও তাঁকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার দুই সহপাঠীকেও জিজ্ঞাসাবাদ

    RG Kar: আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার দুই সহপাঠীকেও জিজ্ঞাসাবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার বিকেলে সিজিও কমপ্লেক্সে গেলেন আরজি কর (RG Kar) মেডিক্যাল কলেজে নির্যাতিতার দুই সহপাঠী। তাঁদের বয়ান রেকর্ড করা হয়। সিবিআই সূত্রের খবর, তাঁদের সঙ্গে তদন্তকারীরা আগেও কথা বলেছেন। দুই পিজিটিকে সঙ্গে নিয়ে আসেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সুপার সপ্তর্ষি চট্টোপাধ্যায়। তিনি বেরিয়ে বলেন, “আমাকে কিছু নথি জমা দিতে বলা হয়েছিল। সে সব নথিতে আমি সই করলাম। দুই পিজিটিকে কেন আসতে বলা হয়েছিল, সেই নিয়ে কিছু বলতে পারব না। কারণ, তদন্ত চলছে।” একইসঙ্গে এদিন হাসপাতালের প্রাক্তন সুপার সঞ্জয় বশিষ্ঠকেও সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠানো হয়েছিল।

    ঘটনার পর থেকে বেপাত্তা ছিলেন দুই পিজিটি! (RG Kar)

    নির্যাতিতার (RG Kar) ওপর নৃশংসতার তদন্তে নেমে সিবিআই-এর হাতে উঠে আসছে একের পর এক নাম। আর তার সঙ্গে ঘটনার মোড় ঘুরছে নিত্যনতুন। এবার নির্যাতিতাকে ধর্ষণ করে খুনকাণ্ডে তলব করা হয়েছিল আরজি করের ২ পিজিটি-কে। ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা ছিলেন এই দুই পিজিটি। মঙ্গলবার তাঁদের সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদও  করা হয়। এদিন হাসপাতাল সুপারের গাড়িতে ওই দুই মহিলা পিজিটি সিজিও-তে যান। কেন তাঁরা ঘটনার পর থেকে কার্যত দু’মাস বেপাত্তা ছিলেন, সেই তথ্যই জানতে চান তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই সিবিআই আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে পিজিটি জুনিয়র চিকিৎসকদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

    আরও পড়ুন: কেষ্টর বাড়ি ফেরার দিনেই মমতার বীরভূম সফর! ‘‘বড় মিলন উৎসব’’, কটাক্ষ দিলীপের

    নির্যাতিতার সঙ্গে ঝগড়া

    এবার এই দুই মহিলা পিজিটি-কে সিবিআই (CBI) দফতরে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, ঘটনার পর থেকেই এই দুই মহিলা পিজিটির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সূত্রের খবর, সিবিআই আগে জিজ্ঞাসাবাদ করে এমন কিছু জানতে পেরেছিলেন, যার সঙ্গে এই দুই মহিলা পিজিটি-র নিশ্চিত যোগ রয়েছে। আরজি কর সূত্রে জানা যাচ্ছে, একজন মহিলা পিজিটির সঙ্গে নির্যাতিতার (RG Kar) ঝগড়া হয়েছিল। আর ঝগড়া এমন পর্যায়ে পৌঁছয়, যে ডাক পাওয়া মহিলা পিজিটি বলেছিলেন, তিনি চেস্ট মেডিসিন ছেড়ে দেবেন। তিনি মূলত দক্ষিণ ভারতের বাসিন্দা। ঘটনার পর তিনি বাড়ি চলে গিয়েছিলেন। আরও এক মহিলা পিজিটিও বেপাত্তা ছিলেন। এতদিন ধরে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছিল না। আন্দোলন থিতু হওয়ার পর তাঁরা হাসপাতালে ফিরে আসেন।

    ফের সিজিওতে চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাস

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আরজি কর (RG Kar) হাসপাতালে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এই মামলায় প্রতিদিনই সিজিও দফতরে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। মঙ্গলবার দুপুরে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসে পৌঁছন চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাস। তিনি নির্যাতিতার দেহের ময়নাতদন্ত করেছিলেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা ছিলেন সিজিওতে। যদিও কী কারণে তাঁকে তলব করা হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়। সিবিআই দফতর থেকে বার হওয়ার পর কোনও মন্তব্য করতে চাননি চিকিৎসক। এর আগেও দু’বার তাঁকে তলব করা হয়েছিল সিবিআই দফতরে। রবিবার সিজিও কমপ্লেক্সে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতর থেকে বের হয়ে তিনি দাবি করেছিলেন, মৃতার দেহের দ্রুত ময়নাতদন্ত করার জন্য বিভিন্ন ভাবে চাপ দেওয়া হয়েছিল। মৃতার কাকা পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তির তরফে এই চাপ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেছিলেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: আরজি করকাণ্ডে সিবিআই খুলবে সিএফএসএল রিপোর্ট, নার্কো টেস্ট নিয়ে কী জানাল আদালত?

    CBI: আরজি করকাণ্ডে সিবিআই খুলবে সিএফএসএল রিপোর্ট, নার্কো টেস্ট নিয়ে কী জানাল আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের ঘটনাস্থলের নমুনা সংক্রান্ত সিএফএসএল রিপোর্ট সিবিআইয়ের (CBI) হাতে এল। সেই রিপোর্ট খোলার অনুমতি দিল আদালত। অন্যদিকে, সন্দীপ ঘোষের নার্কো অ্যানালাসিস টেস্টের অনুমোদন নেওয়ার দিন পিছিয়ে গেল। কারণ, সিবিআই শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে। সোমবার আলিপুর কোর্টে ছিল সন্দীপ ঘোষের দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার শুনানি। অন্যদিকে, শিয়ালদা কোর্টে ছিল নির্যাতিতার-মামলার শুনানি। সিএফএসএল রিপোর্ট আসার বিষয়টি আদালতে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

    আদালতে কী আবেদন জানাল সিবিআই? (CBI)

    সিএফএসএল রিপোর্ট খোলার জন্য আদালতে আবেদন করে সিবিআই। আদালত সেই অনুমতি দেয়। নিয়ম অনুযায়ী, সাক্ষীদের উপস্থিতিতে রিপোর্ট খোলাই নিয়ম। জানা গিয়েছে, টালা থানার তৎকালীন ওসি অভিজিৎ মণ্ডল ও সন্দীপ ঘোষের নার্কো টেস্টের অনুমতি নেওয়ার আবেদন জানানোর কথা ছিল সোমবার। কিন্তু, তা পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানায় সিবিআই। কেন্দ্রীয় সংস্থার (CBI) কথায় সিএফএসএল এক্সপার্ট অন্য মামলায় ব্যস্ত থাকবেন। তাই ২৫ সেপ্টেম্বর আদালতের অনুমতি নেওয়ার আবেদন জানালে ভালো হয়। সিবিআই-এর এই আর্জি মেনে নিয়েছে আদালত। অর্থাৎ সন্দীপের নার্কো আর অভিজিতের পলিগ্রাফ পরীক্ষা হবে কিনা তা ঠিক করা হবে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর। সিবিআই-এর আইনজীবী আদালতে জানান, ঘটনাস্থল থেকে নতুন বেশ কিছু নমুনা বাজেয়াপ্ত করেছে। সেগুলি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    আরও পড়ুন: বন্যা মোকাবিলায় কেন্দ্রের পদক্ষেপ তুলে ধরে রাজ্যকে পরামর্শ রাজ্যপালের

    সন্দীপরা প্রভাবশালী!

    সিবিআই (CBI) এদিন আদালতে জানায়, সন্দীপরা (Sandip Ghosh) প্রভাবশালী। ডিজিটাল ডেটা ক্লোন করতে দেওয়া হয়েছে। তাই তদন্তের স্বার্থে তাদের ১৪ দিনের জন্য জেল হেফাজতে পাঠানো হোক। ধৃত সন্দীপ ঘোষ-সহ চারজনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিল আলিপুর বিশেষ সিবিআই আদালত। আরজি করে চিকিৎসক হত্যা ও খুনের ঘটনা ঘটে গত ৯ অগাস্ট। সেই সময় আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন সন্দীপ ঘোষ আর টালা থানার ওসি ছিলেন অভিজিৎ মণ্ডল। পরবর্তীকালে দুজনকেই তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তবে, এই মামলায় এবার দুইজনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandip Ghosh:  ১৮টি ডিভাইসের ক্লোনিং, আরজি করকাণ্ডে নয়া তথ্য সিবিআইয়ের হাতে

    Sandip Ghosh: ১৮টি ডিভাইসের ক্লোনিং, আরজি করকাণ্ডে নয়া তথ্য সিবিআইয়ের হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির মামলায় ধৃত প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh)- সহ চারজনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। বিচারক সুজিত কুমার ঝা ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত জেলেই থাকবেন তাঁরা।

    ১৮টি ডিজিটাল ডিভাইসের ‘ক্লোনিং’ (Sandip Ghosh)

    সোমবার সন্দীপ-সহ (Sandip Ghosh) আরজি করে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ধৃত চার জনের শুনানি হয় আলিপুরে সিবিআই বিশেষ আদালতে। আদালতে সিবিআইয়ের (CBI) দাবি ছিল, আরজি করে দুর্নীতিতে অভিযুক্তেরা ‘অত্যন্ত প্রভাবশালী’। ফলে, তাঁরা অন্য সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন। সিবিআইয়ের এই যুক্তি শুনেই শেষমেশ অভিযুক্তদের আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। সন্দীপ ছাড়াও জেল হেফাজত হল সুমন হাজরা, বিপ্লব সিংহ এবং সন্দীপের নিরাপত্তারক্ষী আফসর আলির। আর্থিক দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের আরও দাবি, মোবাইল, ল্যাপটপ, হার্ড ডিস্ক, মেমরি কার্ড-সহ অন্তত ১৮টি ডিজিটাল ডিভাইসের ‘ক্লোনিং’ করা হয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখছে সিবিআই। ওই যন্ত্রগুলিতে থাকা নথি থেকে তদন্তে সহায়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে বলেও মনে করছে। এই মামলায় ধৃত সুমন ও বিপ্লবের বিরুদ্ধেও আর্থিক দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সন্দীপের ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে এই দু’জনের সংস্থাই হাসপাতালে বিভিন্ন জিনিস সরবরাহ করত। আফসর হাসপাতালের অ্যাডিশনাল সিকিউরিটির পদে কাজ করতেন। সন্দীপের নিরাপত্তা রক্ষীর দায়িত্বে থাকায় হাসপাতালে তাঁর বিরুদ্ধে ‘দাদাগিরি’রও অভিযোগ রয়েছে।

    আরও পড়ুন: তিরুপতির লাড্ডুর ঘি কীভাবে তৈরি হত? জানতে উচ্চপর্যায়ের সিট গঠন চন্দ্রবাবুর

    আরজি করে টেন্ডার দুর্নীতি

    প্রসঙ্গত, আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় গত ১৯ অগাস্ট সন্দীপ ঘোষ-সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। টেন্ডার দুর্নীতি থেকে সরকারি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ রয়েছে সন্দীপের (Sandip Ghosh) বিরুদ্ধে। আরজি কর হাসপাতালের ফুড স্টল, ক্যাফে, ক্যান্টিনের জায়গা টেন্ডার না ডেকেই বণ্টন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সরবরাহকারীদের কাজের বরাত দেওয়ার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে স্বজনপোষণের অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালের জৈব বর্জ্য বেআইনিভাবে বাইরে বিক্রি করাতেও  নাম জড়িয়েছে সন্দীপের। কলকাতা হাইকোর্টে এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা করেন হাসপাতালের প্রাক্তন অতিরিক্ত সুপার আখতার আলি। সেই মামলার তদন্ত ভার দেওয়া হয় সিবিআইকে। পরে, নির্যাতিতা খুনের ঘটনায়ও সন্দীপকে গ্রেফতার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar: ‘দ্রুত পোস্টমর্টেম না হলে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে’! চিকিৎসককে হুমকি প্রাক্তন কাউন্সিলরের

    RG Kar: ‘দ্রুত পোস্টমর্টেম না হলে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে’! চিকিৎসককে হুমকি প্রাক্তন কাউন্সিলরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘দ্রুত পোস্টমর্টেম না হলে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে!’’ আরজি করের ফরেন্সিক মেডিসিনের অধ্যাপক অপূর্ব বিশ্বাসকে ঠিক এই ভাষায় হুমকি দিয়েছিলেন স্থানীয় এক প্রাক্তন কাউন্সিলর। এমনই অভিযোগ ওই চিকিৎসকের। আরও জানান, নিজেকে নির্যাতিতার ‘কাকা’ পরিচয় দিয়ে ফোন করেন ওই কাউন্সিলর।

    পোস্টমর্টেম না হলে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে (RG Kar)

    আরজি করকাণ্ডে (RG Kar) ফের সিবিআই দফতরে তলব করা হয়েঠিল চিকিৎসক বিরূপাক্ষ বিশ্বাস, অভীক দে এবং সৌরভ পালকে। সেইসঙ্গে ডাকা হয়েছিল চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাসকেও। নির্যাতিতার ময়না তদন্ত যে-তিন চিকিৎসক করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে একজন হলেন তিনি। ফরেন্সিক মেডিসিনের অধ্যাপক অপূর্ববাবু নির্যাতিতার ময়না তদন্ত করা নিয়ে রীতিমতো বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন। জানালেন, তাঁর ওপর কীভাবে দ্রুত পোস্টমর্টেম করার জন্য চাপসৃষ্টি করা হয়েছিল। 

    সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাস বলেন, এক প্রাক্তন কাউন্সিলর সেদিন (৯ অগাস্ট) তড়িঘড়ি ময়নাতদন্ত করতে চাপ দিয়েছিলেন। নিজেকে নির্যাতিতার (RG Kar) কাকা পরিচয় দেওয়া ওই প্রাক্তন কাউন্সিলর সেখানে ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ওইদিন দ্রুত পোস্টমর্টেম না হলে রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে। তবে, তিনি রক্তের সম্পর্কের কেউ নন। বাইরের কেউ। বলেছিল ওই দিনই পোস্টমর্টেম করতে হবে। তিনি হলেন চিকিৎসকের বাড়ি যেখানে সেখানকার প্রাক্তন সিপিএম কাউন্সিলর। এনিয়ে অভিযুক্ত সেই কাউন্সিলর সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘‘এবার আমি এফআইআর করব। পুরো সাজিয়ে বলা হচ্ছে।’’ এদিকে গোটা ঘটনায় নানা প্রশ্ন উঠছে। সিপিএমের প্রাক্তন কাউন্সিলর বলে তিনি কোনও উল্লেখ করেননি। তবে ওখানকার প্রাক্তন কাউন্সিলর বলতে ওই সিপিএম কাউন্সিলর রয়েছেন। তবে, তাঁর কথাই ওই চিকিৎসক বলছেন কি না তা নিশ্চিত নয়। কারণ, ওই চিকিৎসক সরাসরি কারও নাম উল্লেখ করেননি।

    আরও পড়ুন: তিরুপতির লাড্ডুর ঘি কীভাবে তৈরি হত? জানতে উচ্চপর্যায়ের সিট গঠন চন্দ্রবাবুর

    হুমকি কেন মানলেন চিকিৎসকরা, উঠছে প্রশ্ন

    এমনিতেই নির্যাতিতার ময়না তদন্ত নিয়ে বহু প্রশ্ন উঠেছে। যে-বিষয়টি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোটও। এবার বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাস। কিন্তু, সেইসঙ্গে এই প্রশ্নও উঠছে যে, কেউ এমন হুমকি দিলেও সেই দাবি কেন মেনে নিয়েছিলেন ময়না তদন্তকারী চিকিৎসকরা। এদিকে রবিবার টালা থানার সাব ইনস্পেক্টর চিন্ময় বিশ্বাসকেও তলব করেছিল সিবিআই (CBI)। দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকেও। প্রসঙ্গত, আরজি করের (RG Kar) মহিলা চিকিৎসকের মৃতদেহ উদ্ধার থেকে তাঁর দেহ দাহ করা। গোটা প্রক্রিয়ায় একটা অস্বাভাবিক তাড়াহুড়ো করা হয়েছিল। এমনটাই দাবি করা হয়েছিল বিভিন্ন মহল থেকে। সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share