Tag: cbi

cbi

  • Tapas Mondal: ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন! ইডির হাতে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত তাপসের ডায়েরি

    Tapas Mondal: ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন! ইডির হাতে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত তাপসের ডায়েরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় তাপস ও কুন্তলকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে চায় সিবিআই। ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আপাতত সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন তাপস মণ্ডল, কুন্তল ঘোষ ও নীলাদ্রি ঘোষ। অভিযোগ, নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা তুলেছিলেন মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল।

    মুখোমুখি জেরা

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগে জেরায় তাপস দাবি করেছিলেন, কুন্তল ঘোষকে নাকি ১৯ কোটি ৪৩ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন তিনি। সোমবার আদালতে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, ‘তাপস-কুন্তল-নীলাদ্রি সবাই টাকা তুলেছেন। কার কাছ থেকে কত টাকা তুলেছেন এবং সেই টাকা কার কাছে দিয়েছেন? তা জানতে ধৃতদের হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন’। তদন্তকারীদের দাবি, কুন্তলকে  ১৯ কোটি ৪৩ লক্ষ ব্যক্তিগতভাবে ধার দেননি তাপস। অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি দেওয়ার জন্য ওই টাকা তুলেছিলেন। এখনও পর্যন্ত যা খবর, ২০১৪ সালে প্রাথমিক টেটের ৩২৫ জন প্রার্থীর কাছ থেকে ৩ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন তাপস!

    আরও পড়ুন: টাকা দিলেই মিলত সার্টিফিকেট! একাধিক বিএড কলেজ খুলে এভাবেই উপার্জন করতেন তাপস

    তাপসের ডায়েরি

    এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) সূত্রের খবর, তাপসের একটি ডায়েরি উদ্ধার করা হয়েছে। যাতে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের হিসাব রয়েছে। গোটা গোটা অক্ষরে লেখা একের পর এক নাম। রয়েছে নানান জায়গারও উল্লেখ। বেহালা থেকে পাঁশকুড়া, ‘হাই কোর্ট’ থেকে ‘আরবানা’। এই সব ব্যক্তির নাম আর স্থান রহস্যই এখন সমাধান করতে চাইছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। তাপস কার সঙ্গে, কবে, কোথায় টাকার লেনদেন করেছেন, তারই হিসাব রয়েছে এই ডায়েরিতে। সব চেয়ে বেশি বার লেখা হয়েছে ‘কুন্তল ঘোষ’-এর নাম। তবে কোথাও বিশদে কিছু বলা নেই।  ইডির দাবি, ডায়েরিতে যা লেখা রয়েছে, তা নিশ্চিত ভাবে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত। ডায়েরির পাতায় ‘নোট’ লিখে রাখার মতো করে নানা হিসেব রয়েছে। হিসেব রয়েছে ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯ থেকে ২০২১-২০২২ পর্যন্ত নানা সময়ের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Tapas Mondal: টাকা দিলেই মিলত সার্টিফিকেট! একাধিক বিএড কলেজ খুলে এভাবেই উপার্জন করতেন তাপস

    Tapas Mondal: টাকা দিলেই মিলত সার্টিফিকেট! একাধিক বিএড কলেজ খুলে এভাবেই উপার্জন করতেন তাপস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিক বিএড কলেজ (SSC Case) খুলে দুর্নীতি চক্র চালাতেন মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল (Tapas Mondal Background)। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত তাপসের বিএড কলেজে না এলেও মিলত সার্টিফিকেট।  মোটা টাকা দিলে বাড়িতে বসেই পাওয়া যেত শংসাপত্র। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মানিক-ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল (Tapas Mondal) গ্রেফতার (Arrest) হওয়ার পর প্রকাশ্যে আসছে তাঁর একের পর এক কুকীর্তি। সূত্রের খবর, বাম আমলেই চিটফান্ড কোম্পানি খুলেছিলেন তাপস। ওড়িশা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে কিছুদিন জেলও খাটেন। নিয়োগ-দুর্নীতি-কাণ্ডে ধৃত কুন্তল ঘোষ অভিযোগ করেছেন বিভিন্ন প্রভাবশালীর নাম নিয়ে তাঁর ছেলেকে অপহরণের হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিলেন তাপস।

    একাধিক বেসরকারি বিএড কলেজ

    পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার আদি বাসিন্দা তাপস মণ্ডল। পাঁশকুড়ায় রাসবিহারী কলেজ অফ এডুকেশন নামে একটি বিএড কলেজ স্থাপন করেন তিনি। এখন সেই কলেজের দেখভাল করছেন তাপস মণ্ডলের আত্মীয় প্রভাকর জানা। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, তাপস মণ্ডলই প্রথম রাজ্যে একাধিক বেসরকারি বিএড কলেজ তৈরি করেছেন। পাঁশকুড়া থানা এলাকার পাতাদা গ্রামে তাপসের ভাই একটি বিএড কলেজ দেখভাল করেন। যেটির নাম মিনার্ভা অ্যাকাডেমি। তাপস মণ্ডলের ভাই বিভাস মণ্ডল এই কলেজটির দায়িত্বে রয়েছেন। তাপস গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই তাঁর আত্মীয়েরা গা ঢাকা দিয়েছেন। গ্রামের বাড়ি তালাবন্ধ। তাপস মণ্ডলের স্ত্রী সন্ধ্যা রাণী মণ্ডল সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলেন, ”মা কালীর দিব্বি খেয়ে বলছি আমি কিচ্ছু জানি না।” তাঁর কথা অনুযায়ী, তাপস মণ্ডলের কোনও কাজ, কোনও ব্যবসা সংক্রান্ত কোনও তথ্যই তাঁর কাছে নেই।

    আরও পড়ুন: কালিয়াচক ধর্মান্তরের ঘটনায় সিবিআইকে রিপোর্ট পেশ করতে নির্দেশ বিচারপতি রাজশেখর মান্থার

    চিটফান্ড সংস্থা

    সূত্রের খবর, আটের দশকে পাঁশকুড়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে তাপস তৈরি করেছিলেন, চিটফাণ্ড সংস্থা ‘মিনার্ভা ফিনান্স কোম্পানি’। অভিযোগ, ব্য়াঙ্কের থেকে বেশি হারে সুদের টোপ দিয়ে, বাজার থেকে তাপস তুলেছিলেন কোটি কোটি টাকা। অভিযোগ, অবিভক্ত মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি এমনকী ওড়িশা পর্যন্ত প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিলেন তাপস। তৈরি করেছিলেন, সাত জনের বোর্ড অফ ডিরেক্টরস। সোসাইটির রেজিস্ট্রেশনও করিয়েছিলেন। কিন্তু আমানতকারীদের প্রাপ্য় টাকা ফেরত না দেওয়ায় তাপসকে গ্রেফতার করেছিল ওড়িশা পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Recruitment Scam: পনির ছাড়াই, বাটার মশালা! নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে ফের সিবিআইকে তোপ আদালতের

    Recruitment Scam: পনির ছাড়াই, বাটার মশালা! নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে ফের সিবিআইকে তোপ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই তদন্তের আসল জায়গাতেই বড় ফাঁক রয়ে গিয়েছে, অভিমত আদালতের।  নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সোমবার আদালতে হাজির করা হয়েছিল কুন্তল ঘোষ, নীলাদ্রি ঘোষ, আব্দুল খালেক, তাপস মণ্ডল, শাহিদ ইমাম, শেখ আলি ইমাম এবং কৌশিক ঘোষকে।  তাঁদের হেফাজতে চেয়ে  কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আদালতে গেলে সিবিআইয়ের তদন্তের ধরন নিয়েই প্রশ্ন তোলেন বিচারক। তিনি বলেন, ‘‘সিবিআই পনির বাটার মসালা বানাবে ভাবছে অথচ পনিরই নেই তাদের কাছে!’’ 

    সওয়াল-জবাব

    সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে এদিন সরাসরিই প্রশ্ন তোলেন নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত আব্দুল খালেকের আইনজীবী। তিনি বলেন, তাঁর মক্কেলকে তিন দিন হেফাজতে নিয়ে রাখলেও সিবিআই নতুন কিছু দেখাতে পারেনি। বাড়ি থেকে একটি মোবাইল এবং ল্যাপটপই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে শুধু। কিন্তু সরাসরি যোগের কোনও তথ্যই দেখাতে পারেনি সিবিআই। এর জবাবে আত্মপক্ষ সমর্থনে তদন্তকারী অফিসার পাল্টা যুক্তি দেখাতে গেলে সেই যুক্তি খারিজ করে দেয় আদালত।

    খালেকের অভিযোগ প্রসঙ্গে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, ‘‘একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগ দুর্নীতিতে খালেকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। বেশ কয়েক জন চাকরিপ্রার্থীর হয়ে সুপারিশপত্র পাঠিয়েছিলেন খালেক।’’এসএসসির সুপারিশ সংক্রান্ত বিষয়ের দায়িত্বে ছিল উপদেষ্টা কমিটি। সেই কমিটির প্রধান ছিলেন শান্তিপ্রসাদ সিনহা। সিবিআই তাদের হেফাজতের দাবিতে বলতে চেয়েছিল, শান্তিপ্রসাদের সঙ্গেই খালেকের যোগাযোগ ছিল। যা শুনে বিচারক বলেন, ‘‘এসপি সিনহাকে টাকা দেওয়ার কথা বলছেন, কিন্তু তাঁকেই তো এই মামলায় আপনারা হেফাজতে নেননি। পনির বাটার মসালা বানাবেন ভাবছেন, পনিরই নেই আপনার কাছে…!’’

    আরও পড়ুন: কালিয়াচক ধর্মান্তরের ঘটনায় সিবিআইকে রিপোর্ট পেশ করতে নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার

    আদালতে এদিন সিবিআই (CBI) দাবি করে, আলি ইমাম ৬ কোটি ৭ লক্ষ টাকা, শাহিদ ইমাম ১ কোটি ৪ লক্ষ এবং কৌশিক ঘোষ ১ কোটি ৯ লক্ষ টাকা তুলেছে চাকরি দেওয়ার নাম করে।  আদালত সূত্রের খবর, শাহিদ ইমাম, আলি ইমাম এবং কৌশিক ঘোষ আদালতে গোপন জবানবন্দি দিতে চায়। এদিন আদালত তাপস, কুন্তল, নীলাদ্রিকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন। অন্য চারজনের ২ মার্চ পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই হেফাজতে তাপস-কুন্তল-নীলাদ্রি, শাহিদরা গেলেন জেলে

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই হেফাজতে তাপস-কুন্তল-নীলাদ্রি, শাহিদরা গেলেন জেলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই হেফাজতে কুন্তল ঘোষ, তাপস মণ্ডল, নীলাদ্রি ঘোষ। আলিপুর বিশেষ সিবিআই আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত তিন অভিযুক্ত। ওইদিন ফের আদালতে পেশ করা হবে তাঁদের। অন্যদিকে কৌশিক ঘোষ, শেখ আলি ইমাম, শেখ শাহিদ ইমাম ও আব্দুল খালেক – এই চার অভিযু্ক্তের আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ আদালতের। তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের ‘ঘনিষ্ঠ’ তাপস এবং নীলাদ্রিকে রবিবার রাতে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। কুন্তলকে আগেই গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এই প্রথম তাঁকে হেফাজতে নিল সিবিআই।

    তাপস, কুন্তল ও নীলাদ্রিকে হেফাজতে নিল সিবিআই

    এদিন আদালতে তোলার সময় আরও একবার নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন তাপস মণ্ডল। এদিকে আবার তাপসের গ্রেফতারিতে খুশি হয়েছেন বলেই দাবি কুন্তল ঘোষের। আদালতে হুগলির যুব তৃণমূল নেতা কুন্তলের আইনজীবী দাবি করেন, “ইডি’র হেফাজতে উনি আছেন। তাঁকে এই মামলায় হেফাজতে এখন তাহলে নেওয়ার কি দরকার সিবিআইয়ের?” অন্যদিকে তাপস মণ্ডলও গ্রেফতারির কারণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, “তদন্তের স্বার্থে পুলিশ হেফাজতের প্রয়োজন হয়। তবে আমি যদি তদন্তে সাহায্য করি তাহলে প্রয়োজনীয়তা কী হেফাজতে নেওয়ার?” আরেক ধৃত নীলাদ্রি ঘোষের আইনজীবীও একই প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “এই একই মামলায় তিনবার ডাকা হল। সিবিআই দাবি করছে তাপস মণ্ডল ও কুন্তল ঘোষের মাঝে মিডলম্যান হিসেবে কাজ করেছে নীলাদ্রি। উনি সাধারণ ব্যবসায়ী। তাঁদের পরিচিত। আমাদের চলার পথে অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ হয়, তাই বলে কি তিনি অপরাধ করবেন?” এরপর সবপক্ষের সওয়াল জবাব শোনার পর কুন্তল, তাপস ও নীলাদ্রির আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    বাকি ধৃতরা গেলেন জেলে

    এদিন তাপস-কুন্তল-নীলাদ্রি-শাহিদ ইমাম-সহ ৭ জনকে আদালতে পেশ করা হয়। টাকা কোথায় গেল, কার থেকে নেওয়া হল সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে অভিযুক্তদের হেফাজতে নিতে আবেদন জানিয়েছিল সিবিআই। এরপরই  ১ জন নন, ৩ জন গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করাতে চান, বলে আবেদন আইনজীবীর। শাহিদ ইমাম, আলি ইমাম,কৌশিক ঘোষ গোপন জবানবন্দি রেকর্ড করাতে চান, সূত্রের দাবি।

    এদিন সওয়াল-জবাবের পর কৌশিক ঘোষ, শেখ আলি ইমাম, শেখ শাহিদ ইমাম ও আব্দুল খালেক – এই চার অভিযু্ক্তের আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আলিপুর বিশেষ সিবিআই আদালত। এদিন আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালতে মামলার শুনানিতে ধৃত আব্দুল খালেকের আইনজীবী তাঁর জামিনের আবেদন করেছেন৷ সেখানে তিনি সওয়ালে জানান, ল্যাপটপ, মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েথে তাঁর মক্কেলের৷ এমনকী তাঁর হৃদযন্ত্র ও কিডনির সমস্যা রয়েছে৷ তাঁর বিরুদ্ধে সরাসরি যুক্ত থাকার কোনও প্রমাণ নেই বলে আদালতে জানিয়েছেন আব্দুল খালেকের আইনজীবী৷ এই সব যুক্তিতে আইনজীবী এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া আব্দুল খালেকের জামিনের আবেদন করেছে৷ কিন্তু কোনও কিছু কাজে দেয়নি তাঁকে জেল হেফাজতেরই নির্দেশ দেন বিচারক।

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের জালে আরও ২, কে কে জানেন?

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের জালে আরও ২, কে কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় গ্রেফতার তাপস মণ্ডল (Tapas Mandal)। রবিবার দুপুরে তাঁকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই (CBI)। তাপস প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি তথা তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ। এদিন দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছিল সিবিআই। টানা ঘণ্টা তিনেক জেরা করা হয় তাপসকে। তার পরেই করা হয় গ্রেফতার। যদিও তাঁকে কেন গ্রেফতার করা হয়েছে, তা তিনি জানেন না বলেই দাবি করেছেন তাপস। তাপস ছাড়াও এদিন সিবিআইয়ের জালে পড়েছেন আরও এক অভিযুক্ত নীলাদ্রি ঘোষ। সোমবার দুজনকেই তোলা হবে আদালতে।

    নিয়োগ দুর্নীতি…

    নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) মামলায় তদন্তে নেমে গ্রেফতার করা হয় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে। তাঁকে জেরা করে জানা যায় তাপসের নাম। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাত পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাঠোর রোডের দেবীপুরের বাসিন্দা তাপস। বছর কুড়ি ধরে ওই এলাকায় রয়েছেন তিনি। স্ত্রী, দুই ছেলে ও পুত্রবধূকে নিয়ে সংসার তাঁর। ইডির চার্জশিটে নাম ছিল তাপসের। সম্প্রতি নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হন হুগলির যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। তিনি সরাসরি অভিযোগের আঙুল তোলেন তাপসের দিকে। কুন্তল ও তাপসকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করলে বহু অজানা তথ্যের সন্ধান মিলবে বলে তদন্তকারীরা মনে করেন। সেই কারণেই রবিবার তাঁকে ডেকে পাঠায় সিবিআই। এদিন তাঁকে জেরাও করা হয়। পরে করা হয় গ্রেফতার।

    আরও পড়ুুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভার জন্য খরচ কোটি কোটি টাকা, উৎস কী’, প্রশ্ন শুভেন্দুর

    এর আগে তাপস সিবিআইকে জানিয়েছিলেন, তাঁর অফিস থেকে টাকা নিয়ে এজেন্টরা পৌঁছে দিতেন কুন্তলের কাছে। কুন্তলের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চাকরি প্রার্থীদের ওএমআর শিটের কপিও উদ্ধার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাপসকে জেরা করেই নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত আর্থিক লেনদেনের (Recruitment Scam) মামলায় বৃহত্তর চক্রের সন্ধান পায় সিবিআই এবং ইডি। তাপসকে জেরা করে জানা যায় নীলাদ্রির নাম। কুন্তলের কাছ থেকে দু দফায় তিনি ৬ লক্ষ টাকা পেয়েছিলেন বলেও সিবিআইকে জানিয়েছিলেন নীলাদ্রি। বছরখানেক আগে দুজন চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকে দু লক্ষ টাকা নিয়ে গোপাল দলপতিকে দিয়েছিলেন বলেও তদন্তকারীদের জানিয়েছিলেন তাপস। এদিন তাপস এবং নীলাদ্রি দুজনকেই গ্রেফতার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Manish Sisodia: দিল্লির আবগারি দুর্নীতিতে হাজিরা এড়িয়ে সময় চেয়েছিলেন মণীশ সিসোদিয়া, আবেদন মঞ্জুর সিবিআইয়ের

    Manish Sisodia: দিল্লির আবগারি দুর্নীতিতে হাজিরা এড়িয়ে সময় চেয়েছিলেন মণীশ সিসোদিয়া, আবেদন মঞ্জুর সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও বিপাকে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী তথা আপ নেতা মণীশ সিসোদিয়া। দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় ফের একবার দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকে তলব করেছে সিবিআই। আজ, রবিবারই সিবিআইয়ের সদর দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু জেরার তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন সিসোদিয়া। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে সিসোদিয়ার দাবি মেনে নেয় সিবিআই। কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে জানানো হয়, আগামীতে ফের তলবের নয়া তারিখ জারি করা হবে।

    সময় চেয়েছিলেন আপ নেতা

    দিল্লির আবগারি নীতি নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে চাপানউতোর চলছে রাজধানীর রাজনীতিতে। দিল্লির উপরাজ্যপাল বিকে সাক্সেনার নির্দেশে সিবিআই রাজ্যের আম আদমি সরকারের আবগারি নীতি নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে। পরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও একই মামলায় তদন্ত শুরু করেছে। এই দুর্নীতির তদন্তে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। সিবিআই ও ইডির দাবি, এই দুর্নীতির শিকড় অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর আগেও একাধিকবার দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী তথা অর্থমন্ত্রী মণীশের বাড়ি ও অফিসে হানা দেয় সিবিআই, জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। আজ আবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল।

    মণীশ সিসোদিয়া কী বলেন?

    শনিবারই মণীশ সিসোদিয়া নিজে ট্যুইট করে জানান, আবগারি দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই ফের একবার তাঁকে তলব করেছে। রবিবার তাঁকে সিবিআইয়ের সদর দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। তিনি ট্যুইটে লেখেন, “সিবিআই আগামিকাল আমায় আবার ডেকেছে। আমার বিরুদ্ধে সিবিআই, ইডির সমস্ত ক্ষমতা ব্যবস্থা করেছে। আমার বাড়ি তল্লাশি করেছে, ব্যাঙ্কের লকার তল্লাশি করেছে, কিন্তু আমার বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণই মেলেনি। আমি দিল্লির শিশুদের জন্য সুশিক্ষার ব্যবস্থা করেছি শুধু। ওরা আমাকে থামাতে চায়। আমি সর্বদাই তদন্তে সহযোগিতা করেছি এবং আগামী দিনেও তা করব।”

    তবে এদিন সকালে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান, দিল্লি সরকারের অর্থমন্ত্রী তিনি। বর্তমানে তিনি আসন্ন ২০২৩-২৪ সালের রাজ্য বাজেট প্রস্তুতির কাজে ব্যস্ত। তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার আস্থা দিতেই তিনি বলেন, “এটা দিল্লির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়। যদি সিবিআই এক সপ্তাহের সময় দেয় হাজিরার জন্য, তবে ভাল হয়। ফেব্রুয়ারির শেষের মধ্যেই আমি সিবিআই দফতরে হাজিরা দেব।”

    মণীশের আবেদন মঞ্জুর সিবিআইয়ের

    আজ, রবিবার সকাল ৮ টা ৪৫ মিনিট নাগাদ সিবিআইয়ের কাছে একটি চিঠি আসে। মণীশ সিসোদিয়ার তরফেই এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। আর এই চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে যে, হাজিরার জন্য এক সপ্তাহ চান তিনি। শেষপর্যন্ত তাঁর আবেদন মঞ্জুর করে তাঁকে কিছু সময় দিয়ে দেয় সিবিআই।

    আপ নেতা তথা দিল্লির অর্থমন্ত্রীকে কটাক্ষ বিজেপির

    দিল্লি বিজেপির মুখপাত্র হরিশ খুরানা এক বিবৃতি জারি করে মণীশ সিসোদিয়াকে কটাক্ষ করেছেন। সিসোদিয়ার অনুরোধকে একটি “অজুহাত” বলে অভিহিত করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, তাঁকে দেখে বোঝা যাচ্ছে যে তিনি ‘ভীত’। বাজেট একটি অজুহাত, আসল উদ্দেশ্য হল, এর থেকে পালানো। গতকাল পর্যন্ত তিনি দাবি করছিলেন যে কোনও কেলেঙ্কারি নেই, কিন্তু আজ তাঁকে দেখে মনে হচ্ছে, তিনি ভয় পাচ্ছেন।

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের নয়া মোড়! সিবিআইয়ের জালে বাগদার ‘রঞ্জন’

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের নয়া মোড়! সিবিআইয়ের জালে বাগদার ‘রঞ্জন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) কাণ্ডে গ্রেফতার বাগদার ‘রঞ্জন’ চন্দন মণ্ডল (Chandan Mondal)। মাস কয়েক আগে তাঁর নাম প্রকাশ্যে এনেছিলেন প্রাক্তন সিবিআই (CBI) কর্তা উপেন বিশ্বাস। তিনি সৎ রঞ্জন নাম নিয়ে চন্দনের বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ আনেন। তার পরেই কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত শুরু করে চন্দনের বিরুদ্ধে। শুক্রবার নিজাম প্যালেসে ফের একপ্রস্ত জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় চন্দনকে। এদিনই তাঁকে তোলা হয় আদালতে। অভিযোগ পাওয়ার পর ২১ জানুয়ারি রঞ্জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বাগদার এই রঞ্জনের সঙ্গে যোগ ছিল প্রভাবশালীদের। তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখেই এই সিদ্ধান্তে আসে সিবিআই। মোটা টাকার বিনিময়ে বহু কর্মপ্রার্থীকে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে তিনি চাকরি দিতেন বলে অভিযোগ। চাকরি পাওয়ার জন্য কর্মপ্রার্থীরা ফি দিন তাঁর বাড়ির সামনে লাইনও দিতেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ চাকরি পেলেও, অনেকেই পাননি বলে অভিযোগ।

    সিবিআই…

    প্রাক্তন সিবিআই কর্তা তথা প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক উপেন বিশ্বাসের দাবি, বাগদার রঞ্জন চাকরি প্রার্থীদের (Recruitment Scam) কাছ থেকে বস্তা বস্তা টাকা নিতেন। সেই টাকা পাচার হয়ে যেত কলকাতায়। উপেন দাবি করেছিলেন, চাকরি বিক্রির অভিযোগের কথা তাঁর কানে এসেছে। রঞ্জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা নিয়ে চাকরির আশ্বাস দিতেন তিনি। চাকরি প্রার্থীদের তিনি বলতেন, উত্তরপত্রে কিছু লেখা যাবে না। শুধু নাম আর রোল নম্বর লিখতে হবে। উত্তর লিখলে চাকরি পাওয়া যাবে না। পরে আদালতে এ কথা জানান উপেনও। তদন্তকারী সূত্রে দাবি, রঞ্জনের দেওয়া তথ্যে মিডলম্যান প্রদীপ ও প্রসন্নর নামও উঠে এসেছে। বেআইনিভাবে নিয়োগপত্র পাওয়া ৩৫০জন গ্রুপ সি প্রার্থীও প্রদীপ ও প্রসন্নর নাম করেছেন।

    আরও পড়ুুন: রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য অখিল গিরির! তুমুল বিতর্কে মন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, প্রাইমারি টেট দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পাওয়া নিয়ে সিবিআইকে চন্দনের বিরুদ্ধে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালত বলেছিল, প্রয়োজনে বাগদার চন্দন মণ্ডলকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত করুক কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই মতো চন্দনকে সিবিআই দফতরে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর বাড়িতেও তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ওই সময় চন্দন বাড়িতে না থাকায় জেরা করা হয়েছিল তাঁর মেয়ে চৈতালি ও পরিবারের অন্য সদস্যদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: জামিন হল না কেষ্টর! ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ সিবিআই আদালতের

    Anubrata Mondal: জামিন হল না কেষ্টর! ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ সিবিআই আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ১৪ দিন জেলবন্দি হয়ে থাকতে হবে কেষ্টকে। বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে আরও ১৪ দিন জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত। সূত্রের খবর, এদিন জামিনের জন্য কোনও আবেদনই করা হয়নি। আগের জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষে শুক্রবার তাঁকে আবার আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। সেই শুনানিতেই এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। গরু পাচারের এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৩ মার্চ।

    জামিনের আবেদন করলেন না অনুব্রতের আইনজীবী

    সূত্রের খবর, গতবারের মত এবারও অনুব্রতর আইনজীবী জামিনের আবেদন করেননি। এছাড়াও সিবিআই সূত্রে খবর, শুক্রবার অনুব্রতের বিরুদ্ধে বেশ কিছু নথি আদালতে জমা করা হয়েছে। সম্প্রতি হদিশ পাওয়া শতাধিক বেনামি ও ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথিও রয়েছে। তদন্তকারীদের সূত্রে দাবি, সেই সব অ্যাকাউন্ট থেকে অনুব্রত ও তাঁর ‘ঘনিষ্ঠ’দের চালকলের টাকার লেনদেন হয়েছে। সেই তথ্যই আদালতকে দেওয়া হয়েছে। ফলে শুনানির পর শাসকদলের নেতাকে আরও ১৪ দিন জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের নয়া মোড়! সিবিআইয়ের জালে বাগদার ‘রঞ্জন’

    অনুব্রতকে জেরা সিবিআইয়ের

    প্রসঙ্গত, গরু পাচার কাণ্ডে গ্রেফতারির পর আসানসোল সংশোধনাগারে রয়েছেন অনুব্রত। অনু্ব্রতর গ্রেফতারির পর তাঁর ঘনিষ্ঠ সায়গল হোসনকে তিহার জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। অনুব্রতকেও দিল্লি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে ইডি। ইতিমধ্যেই তাঁর মেয়েকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এর আগেই সিবিআই দাবি করেছিল, আগের ১৭৭ বাদে সম্প্রতি আরও ১১৫টি ভুয়ো অ্যাকাউন্টের হদিশ মিলেছে৷ ওই ভুয়ো অ্যাকাউন্টগুলি থেকে চারটি নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে নিয়মিত টাকা পাঠানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করে সিবিআই। আর এই অ্যাকাউন্টগুলোর মাধ্যমে গরু পাচারের টাকা লেনদেন হত বলে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের অনুমান। আবার গতকাল, বৃহস্পতিবার আসানসোল সংশোধনাগারে গিয়ে অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। কিন্তু সদুত্তর মেলেনি বলে দাবি সিবিআইয়ের।

    প্রসঙ্গত, এদিন অনুব্রতর পাশাপাশি তাঁর এককালের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকেও ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করানো হয়। গরু পাচারকাণ্ডে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের করা মামলায় বর্তমানে তিহার জেলে রয়েছেন সায়গল। 

  • Partha Chatterjee: ফের খারিজ হয়ে গেল পার্থর জামিনের আর্জি, হতাশ হয়ে পড়ছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী?  

    Partha Chatterjee: ফের খারিজ হয়ে গেল পার্থর জামিনের আর্জি, হতাশ হয়ে পড়ছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও খারিজ হয়ে গেল রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) জামিনের আর্জি। বৃহস্পতিবার আলিপুর সিবিআইয়ের (CBI) বিশেষ আদালতে শুনানি ছিল নিয়োগ দুর্নীতিতে অন্যতম অভিযুক্ত পার্থর। এদিনও জামিনের আবেদন করেন তিনি। যদিও জামিনের আবেদন খারিজ করে পার্থ সহ বাকিদের ২ মার্চ পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

    সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত…

    এদিন দুপুরে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হয় পার্থকে। সবুজ পাঞ্জাবি ও ধূসর জ্যাকেট পরিহিত পার্থকে বেশ বিধ্বস্ত লাগছিল। জামিন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর আদালত থেকে বেরনোর সময় এবারও প্রশ্নবাণে বিদ্ধ হন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী, প্রতিবারের মতো। রাজ্য সরকার যে ৩ শতাংশ ডিএ বাড়িয়েছে, এদিন সে খবর দেওয়া হয় রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে (Partha Chatterjee)। তার পরেই এক সাংবাদিক বলেন, অর্পিতা বলেছেন সব টাকা গয়না আপনার। একের পর এক খবর এবং প্রশ্ন শুনে প্রথমে একটু থমকে যান পার্থ। পরে উপস্থিত সাংবাদিকদের দিকে তাকিয়ে বলেন, আপনারা সবাই ভাল থাকুন।

    এর আগেও বিভিন্ন সময় সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন পার্থ। কখনও বলেছেন, আসল দুর্নীতি কে করেছে, তা প্রকাশ্যে আসবে। কখনও বলেছেন, তৃণমূলের ক্ষতি কেউ করতে পারবে না। দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছাও জানিয়েছিলেন। তবে এখন তো সেই অর্থে কোনও উৎসবই নেই। ভ্যালেন্টাইনস ডে-ও গত হয়েছে। তার পরেও কেন শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী? তাহলে কি পার্থ বোঝাতে চাইলেন, তিনি ভাল নেই?

    ভাল না থাকারই কথা। মাস সাতেক হল পার্থ রয়েছেন জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে। তদন্ত করছে সিবিআই। এদিন এ নিয়ে সিবিআইয়ের উদ্দেশে বিচারক বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) গ্রেফতার হয়েছেন অনেক মাস হল। এর পরেই বিচারক বলেন, যেটা হচ্ছে, সেটা ঠিক হচ্ছে না। সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিচারক বলেন, যাঁরা অভিযুক্ত, তাঁদেরও অধিকার থাকে। অনির্দিষ্টকাল ধরে তদন্ত চলছে, এরকম বলা যায় না।

    প্রসঙ্গত, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোয় জেল হেফাজতে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। এর আগে কখনও তাঁকে দেখা গিয়েছে কান্নায় ভেঙে পড়তে, কখনও আবার নীরব থেকেছেন এজলাসে। এদিনও ফের জামিনের জন্য কাতর আর্জি জানাতে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের বহিষ্কৃত মহাসচিবকে। আদালত থেকে জেলের কুঠুরিতে ফিরে যাওয়ার আগে করলেন শুভকামনাও।

     

  • Partha Chatterjee: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতে ফের প্রশ্নের মুখে সিবিআই, কেন জানেন?

    Partha Chatterjee: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতে ফের প্রশ্নের মুখে সিবিআই, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় আবারও প্রশ্নের মুখে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই (CBI)। বৃহস্পতিবার ফের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) সহ সাতজনকে পেশ করা হয় আদালতে। তার পরেই বিচারক সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসারকে ডেকে বলেন, যেটা হচ্ছে, সেটা ঠিক হচ্ছে না।

    সিবিআইয়ের তদন্ত…

    এদিন আলিপুরে জেলা দেওয়ানি ও দায়রা আদালতে শুনানি ছিল নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত পার্থের। তাঁর মামলার শুনানিতেই সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিচারক বলেন, যাঁরা অভিযুক্ত, তাঁদেরও কিছু অধিকার থাকে। অনির্দিষ্টকাল ধরে তদন্ত চলছে তো আর বলা যায় না। আর কতদিন সময় লাগবে? এই সময় পার্থর আইনজীবী বলে ওঠেন, এ তো তারিখ পে তারিখের মতো চলছে।

    আরও পড়ুুন: জেলে গিয়ে সিবিআই জেরা অনুব্রতকে! কী জানতে চাইছেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা?

    রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী (Partha Chatterjee) ছাড়াও সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে এদিন শুনানি ছিল অন্যান্য অভিযুক্ত যেমন সুবীরেশ ভট্টাচার্য, শান্তিপ্রসাদ সিনহাদের মামলারও। তখনই বিচারক তদন্তকারী অফিসারদের কাছে জানতে জান, চার্জশিটে লিখেছিলেন, বাকি অভিযুক্ত এবং প্রার্থীদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা দরকার। কিন্তু তাঁরা কোথায়? প্রায় দু মাস হয়ে গেল, আমি জয়েন করেছি। অনেক দিন তো হল। আমি জানি, এটা একটা বড় কাজ। প্রায় ৩৫০জন রয়েছেন। কিন্তু কারও স্টেটমেন্ট কি নেওয়া হয়েছে? কারও জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন? কোনও ব্যাঙ্কের স্টেটমেন্ট নিয়েছেন? এর পরেই তদন্তকারী অফিসারদের ডেকে বিচারক বলেন, যেটা হচ্ছে, সেটা ঠিক হচ্ছে না। অন্তত একটা ১৬৪ (জবানবন্দি রেকর্ড) করান। তিনি বলেন, তদন্তে অগ্রগতি না হলে এভাবে অভিযুক্তদের আটকে রাখা যায় না। এ ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক নির্দেশ রয়েছে।

    এই সময় সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এই দুর্নীতি করা হয়েছে। তাই সূত্র পেতে সময় লাগছে। তাছাড়া, অভিযুক্তরা গ্রেফতারির পরেও তদন্তে সহযোগিতা করছেন না। কীভাবে ওএমআর শিটে কারচুপি হবে, কোন ওএমআর শিট কার কাছে যাবে, সব ছিল পূর্ব পরিকল্পিত। সরকারি কৌঁসুলি বলেন, তদন্তে সরকারি কর্তাদের পাশাপাশি ব্যক্তি বিশেষের নামও উঠে এসেছে। প্রত্যেকেই ষড়যন্ত্রের অংশীদার। অপরাধের গুরুত্ব দেখে সবাইকে হেফাজতে নেওয়া দরকার। প্রমাণও রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
LinkedIn
Share