Tag: cbi

cbi

  • Kanthi: কাঁথি থানার আইসি অমলেন্দু বিশ্বাসকে তলব সিবিআইয়ের! কী জানতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা?

    Kanthi: কাঁথি থানার আইসি অমলেন্দু বিশ্বাসকে তলব সিবিআইয়ের! কী জানতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার উল্টো হাওয়া বইতে শুরু করল কাঁথি পুরসভার টেন্ডার দুর্নীতি মামলায়। কাঁথি থানার আইসি অমলেন্দু বিশ্বাসকে তলব করল সিবিআই। তাঁকে নিজাম প্যালেসে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। তবে ঠিক কী কারণে তাঁকে তলব করা হয়েছে, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, কাঁথি পুরসভার ঠিকাদার রামচন্দ্র পান্ডার বয়ানের ভিত্তিতেই অমলেন্দু বিশ্বাসকে ডেকে পাঠিয়েছে সিবিআই।

    মিথ্যা অভিযোগ

    রামচন্দ্রবাবু রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। বিজেপি নেতাকে ফাঁসানোর জন্য পুলিশ রাম পান্ডাকে গ্রেফতার করে জোর জবরদস্তি মিথ্যে বয়ান লিপিবদ্ধ করতে চেয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে জামিন পান ওই ঠিকাদার। পরে তিনি সাংবাদিকদের সামনে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করেন পুলিশের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, ‘শুভেন্দু অধিকারীর নাম বলার জন্য আমার উপর প্রবল চাপি তৈরি করা হয়। কলকাতা থেকে অফিসাররা এসে টেবিলের উপর রিভলবার রেখে জেরা করেন। বলা হয়, আমি যদি শুভেন্দুবাবুর নাম না বলি তাহলে তিন বছর জেলে ভরে রেখে দেবে।’ এখানেই থামেননি কাঁথির ঠিকাদার রামচন্দ্র পাণ্ডা। তিনি বলেছেন, ‘জেলের ভিতরে আমাকে জল দেওয়া হয়নি। ভয় দেখানো হয়েছিল আমার স্ত্রীকে গ্রেফতার করার। ওরা আগে থেকে একটা বয়ান লিখে এনেছিল। সেখানে জোর করে সই করাতে চাইছিল আমাকে। কিন্তু আমি কোনওভাবেই রাজি হইনি।’ এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়। তাই মনে করা হচ্ছে, রাম পান্ডার অভিযোগের ভিত্তিতেই কাঁথি থানার আইসিকে তলব করেছে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: আরও একমাস জেল হেফাজতে মানিক, আদালতে আত্মসমর্পণ স্ত্রী-পুত্রের

    কে এই অমলেন্দু

    এর আগে, ২০২০ সালে মালদার ইংরেজবাজার থানার আইসি থাকাকালীন ঘুষ নিয়ে বাংলাদেশিকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে ক্লোজ করা হয়েছিল এই অমলেন্দু বিশ্বাসকে। ঘটনায় প্রকাশ, মালদা শহরের নেতাজি সুভাস রোড সংলগ্ন একটি ট্রাস্ট বোর্ডের মালিকানায় এক বাংলাদেশির নাম জড়িয়ে পড়ে। সেই ব্যক্তির কাছ থেকে ভারতীয় নাগরিকত্বের পরিচয়পত্রও উদ্ধার হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একই সঙ্গে ভারত ও বাংলাদেশের ভোটার কার্ড ও অন্যান্য নথি উদ্ধার হয় ওই বাংলাদেশির কাছ থেকে। এমনকী ট্রাস্টের মালিকানাও না কি ছিল ওই ব্যক্তির নামেই। অভিযোগ, ট্রাস্টের অধীনস্থ জমি বিক্রি করে ভারতীয় টাকা সে বাংলাদেশেও নিয়ে গিয়েছিল। ওই ঘটনায় ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। কিছুদিন পুলিশি হেফাজতে থাকার পরেই জামিনে ছাড়া পেয়ে যায় ওই ব্যক্তি। ঘটনায় পুলিশি গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। তদন্তে জানা যায়, ওই বাংলাদেশির কাছ থেকে মোটা টাকা (সূত্রের খবর ১ কোটি ৩০ লক্ষ) ঘুষ নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। ঘটনায় নাম জড়ায় থানার আইসি অমলেন্দু বিশ্বাসেরও। যার জেরে কর্তব্যে গাফিলতির কারণে অমলেন্দুকে সেই সময় ক্লোজ করা হয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • TET Scam: প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতিতে নয়া রহস্য! টেট প্রার্থীকে কে ফোন করেছিল জানাল সিবিআই

    TET Scam: প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতিতে নয়া রহস্য! টেট প্রার্থীকে কে ফোন করেছিল জানাল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিকে চাকরি দেওয়ার জন্য পর্ষদ অফিস থেকে ফোন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক চাকরি প্রার্থী। প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতিতে কয়েক ঘণ্টায় সেই ফোন নম্বর রহস্য ভেদ করে ফেলল সিবিআই। রহস্যময় ফোন নম্বরের প্রসঙ্গে মুখ খুলল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ওই নম্বর পর্ষদের কারও নয়। জেলার কারও হতে পারে বলেই মত প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের। সিবিআইয়ের দাবি, ওই নম্বরটি সম্ভবত নদিয়া জেলা প্রাইমারি কাউন্সিলের। ওই ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিবিআই। কার নির্দেশে তিনি ফোন করে চাকরির কথা বলেন, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। 

    কী অভিযোগ

    শিল্পা চক্রবর্তী নামে এক টেট পরীক্ষার্থী বুধবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে দাবি করেন, ২০১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর তাঁর কাছে একটি ফোন এসেছিল। পর্ষদ অফিস থেকে ফোন করার কথা ফোনে বলা হয়েছিল। জানতে চাওয়া হয়েছিল, তিনি টেট পরীক্ষা দিয়েছেন কি না। ওই প্রার্থী অভিযোগে জানান, তাঁকে চাকরি হয়ে যাবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার জন্য পর্ষদের অফিসে গিয়ে পর্ষদ সভাপতির সঙ্গে দেখা করার কথা বলা হয়েছিল। কোন পর্ষদের অফিসে যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল, তা স্পষ্ট ছিল না ওই প্রার্থীর কাছে।

    আরও পড়ুন: ১৫০ অ্যাকাউন্টে সই একজনেরই! সিউড়ির ব্যাঙ্কে সিবিআই হানা, এখানেও কেষ্ট-যোগ?

    কী বলল সিবিআই

    বৃহস্পতিবারই সিবিআই-এর তরফে আদালতে জানানো হয়েছে, ফোন নম্বরটি কার, তা চিহ্নিত করা গিয়েছে। বৃহস্পতিবার আদালতে সিবিআই-এর আইনজীবী জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ওই নম্বরটি তৎকালীন নদিয়া জেলার প্রাথমিক শিক্ষা কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের। এ কথা শুনে বিচারপতি বলেন, ‘আপনারা তদন্ত চালিয়ে যান। যা পদক্ষেপ করার করুন।’ উল্লেখ্য, এই নদিয়ার নাকাশিপাড়ার বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য প্রাথমিকের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলে রয়েছেন।  প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতিতে বুধবার আরও ১৪০ জনকে চাকরি থেকে পাকাপাকিভাবে বরখাস্ত করেছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। অন্যদিকে, প্রাথমিক নিয়োগ মামলায় আরও একটি নতুন অভিযোগ সামনে এসেছে। একই দিনে, একই সময়ে বেশ কয়েকজন প্রার্থীর কাছে একটি বিশেষ এসএমএস এসেছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। এসএমএসে চাকরি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে সিবিআই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • ICICI Bank: প্রতারণার অভিযোগে স্বামী সহ সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের প্রাক্তন সিইও  

    ICICI Bank: প্রতারণার অভিযোগে স্বামী সহ সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের প্রাক্তন সিইও  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের (ICICI Bank) প্রাক্তন সিইও (CEO) ছন্দা কোছার (Chanda Kochhar)। তাঁর স্বামী দীপক কোছারকেও গ্রেফতার করেছে সিবিআই। দীপককে অবশ্য আগেই গ্রেফতার করেছিল আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। এই বেসরকারি ব্যাঙ্কের সিইও থাকার সময় ভিডিওকন গোষ্ঠীকে ৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ছন্দার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। প্রসঙ্গত, বেণুগোপাল ধুতের ভিডিওকন গোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠায় ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের সিইও এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে ইস্তফা দেন ছন্দা। সেই সঙ্গে ছিন্ন হয় বেসরকারি ওই ব্যাঙ্কের সঙ্গে ছন্দার তিন দশকেরও বেশি সময়ের যোগ।

    সিবিআই দফতরে…

    জানা গিয়েছে, শুক্রবার সিবিআই দফতরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয় ছন্দা ও তাঁর স্বামী দীপককে। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় স্বামী-স্ত্রীকে। যদিও ভিডিওকনকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়মের যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছন্দা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের দাবি, ২০১২ সালে ভিডিওকন গোষ্ঠীকে ৩ হাজার ২৫০ কোটি টাকা ঋণ পাইয়ে দিতে বেসরকারি ওই ব্যাঙ্কের (ICICI Bank) নিয়ম ভেঙেছিলেন ছন্দা। অভিযোগ, এতে আদতে লাভবান হয়েছিলেন তাঁর স্বামী দীপক ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। যদিও পরে ওই ঋণ আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের অনুৎপাদক সম্পদে পরিণত হয়। এই মামলায় ছন্দার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনেছিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার এফআইআরের ভিত্তিতে ছন্দা, দীপক এবং বেণুগোপালের বিরুদ্ধে কালো টাকা লেনদেন প্রতিরোধ আইনে মামলা রুজু করে আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি।

    আরও পড়ুন: পাক-অধিকৃত কাশ্মীর আমাদের, ফের আমাদের হওয়া উচিত, দাবি আরএসএস নেতার

    অভিযোগ, ভিডিওকনকে ওই ঋণ পাইয়ে দিয়ে ঘুরপথে সংস্থার কাছ থেকে সুবিধা নিয়েছিলেন ছন্দা। অপব্যবহার করেছিলেন তাঁর পদের। ভিডিওকন গোষ্ঠীকে আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক (ICICI Bank) ওই বিপুল পরিমাণ ঋণ দেওয়ার কয়েক মাস পরেই সংস্থার প্রাক্তন চেয়ারম্যান বেণুগোপাল নিউ পাওয়ার রিনিউয়েবলস নামে এক সংস্থায় কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। এই সংস্থাটির মালিক ছন্দার স্বামী দীপক।

    আরও পড়ুন: মমতাকে প্রাক্তন করার দায়িত্ব তাঁর! রানাঘাটের সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতির জের! ১৬৯৮ জন শিক্ষাকর্মীর চাকরি যাওয়ার পথে

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতির জের! ১৬৯৮ জন শিক্ষাকর্মীর চাকরি যাওয়ার পথে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ হওয়া ১৬৯৮ জনকে এবার নোটিস ধরানোর প্রক্রিয়া শুরু করে দিল শিক্ষা দফতর। ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে ১৬৯৮ জন গ্রুপ-ডি কর্মীর নিয়োগ দুর্নীতির আভাস দিয়েছিল সিবিআই। এঁরা রাজ্যের বিভিন্ন হাই ও জুনিয়ার হাইস্কুলে কর্মরত। রাজ্য শিক্ষা দফতর এবার এই কর্মীদের বিষয়ে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের দফতরকে জানিয়ে দিল। ইতিমধ্যেই এই মামলায় বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু জানিয়েছিলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি করে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের একদিনও স্কুলে ঢুকতে দেব না৷ এই দুর্নীতির জেরে ছাত্রদের যে ক্ষতি হয়েছে, তা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি৷ 

    শিক্ষা দফতরের নির্দেশিকা

    শিক্ষা দফতরের কমিশনার শুভ্র চক্রবর্তী ২৩ ডিসেম্বর একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন। সেই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই তদন্তে চিহ্নিত ১৬৯৮ জন গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ হওয়া ব্যক্তিকে নোটিস ধরাতে হবে। সেই নোটিসের সঙ্গে আদালতের রায়টিও যুক্ত করে দিতে বলা হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে নিযুক্ত ১৬৯৮ জনের নিয়োগের ক্ষেত্রে বেনিয়ম ধরা পড়েছে বলেই অভিযোগ। নির্দেশিকাটির সঙ্গে ১৬৯৮ জনের নামের তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁরা কোন কোন স্কুলে কর্মরত রয়েছেন তা-ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকাটি পাঠানো হয়েছে বিভিন্ন জেলার ডিস্ট্রিক্ট ইন্সপেক্টর (ডিআই)-দের কাছে। তাঁদের চলতি সপ্তাহের মধ্যেই কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: একজনের নিয়োগপত্রে অন্যজনের চাকরি! মুর্শিদাবাদের স্কুলে ভুয়ো শিক্ষক

    এ প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি মুখপাত্র শমিক মজুমদার বলেন, ‘কিছু প্রার্থী যেমন উৎকোচ দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন, তেমনই কিছু প্রার্থী পরীক্ষায় পাশ করে চাকরি পেয়েছেন৷ তাঁদের কাছে পরীক্ষা দেওয়ার প্রমাণও আছে৷ সকল প্রার্থীর চাকরি বাতিল করা হলে, তা চূড়ান্ত অমানবিক হবে৷ পর্ষদ কি প্রতিদিন নতুন করে তাঁদের অবস্থান জানাবে? প্রতিদিন নতুন নতুন অধ্যাদেশ জারি করা হবে? একজনের পাপের ভার যেন সকলের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া না হয়৷ এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীকেও হস্তক্ষেপ করতে হবে৷’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Group D Recruitment Scam: গ্রুপ ডি-তে শূন্যপদ ছাড়াই নিয়োগ, চাঞ্চল্যকর তথ্য সিবিআই রিপোর্টে

    Group D Recruitment Scam: গ্রুপ ডি-তে শূন্যপদ ছাড়াই নিয়োগ, চাঞ্চল্যকর তথ্য সিবিআই রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনওরকম শূন্যপদ ছাড়াই গ্রুপ ডি পদে (Group D Recruitment Scam) নিয়োগ করা হয়েছে ১২৭১ জনকে। এমনই বিস্ফোরক দাবি করা হয়েছে সিবিআই রিপোর্টে। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুল সার্ভিস কমিশন  গ্রুপ ডি-তে ৩২১৬টি শূন্যপদের ঘোষণা করেছিল। কিন্তু পরে দেখা যায় ৪৪৮৭ পদে প্রার্থীর সুপারিশ করে এসএসসি। এর মধ্যে ৩৮৮০ জনের চাকরির সুপারিশ করা হয়েছিল প্যানেলের মেয়াদের সময়কালে। বাকি ৬০৭ জনকে নিয়োগ করা হয়েছিল প্যানেলের মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার পর। শূন্যপদের বাইরে কীভাবে ১২৭১ জনের চাকরি হল? তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। বুধবার সিবিআই রিপোর্টে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।

    কী অভিযোগ? 

    প্রসঙ্গত, অতিরিক্ত শূন্যপদের বিষয়ে সাধারণত সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্যসভা মন্ত্রিসভা। সেই সিদ্ধান্ত ছাড়া কীভাবে এতগুলি পদে নিয়োগ (Group D Recruitment Scam) করা হল তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এসএসসির চাকরি ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শূন্যপদ প্রযোজ্য কী না তা নিয়ে মামলা চলছে কলকাতা হাইকোর্টে। আর তার জেরেই বর্তমানে কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার অতিরিক্ত শূন্যপদে নিয়োগে স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

    দুদিন আগেই কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে গ্রুপ ডির (Group D Recruitment Scam) ১,৬৯৮ জনের তালিকা প্রকাশ করে এসএসসি। অভিযোগ, এই ১,৬৯৮ জনেরই অবৈধ নিয়োগ হয়েছে। সিবিআই তদন্তে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। তারপরই হাইকোর্ট ১,৬৯৮ জন চাকরি প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দেয়। এরপরই স্কুল শিক্ষা দফতর সেই নির্দেশ মেনে তালিকা প্রকাশ করে।

    আরও পড়ুন: ভুয়ো শংসাপত্র দিয়েও হয়েছে শিক্ষক নিয়োগ, হাইকোর্টে স্বীকার করলেন মহকুমা শাসকরা

    রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে (Group D Recruitment Scam) উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। চাকরি বাতিল হয়ে গিয়েছে অনেকের। নবম-দশমে প্রথমে ১৮৩ জন অযোগ্য শিক্ষকের তালিকা প্রকাশ করেছিল এসএসসি। এরপর আরও ৯৫২ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়। গ্রুপ-ডি এর ক্ষেত্রেও ১০০টি সাদা ওএমআর শিট প্রকাশ করেছে কমিশন। অনুমান করা হচ্ছে কয়েক হাজার স্কুল শিক্ষকের চাকরি যেতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  
      

  • Partha Chatterjee: এবার নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কর্মচারী এবং পরিচারককে তলব সিবিআই- এর

    Partha Chatterjee: এবার নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কর্মচারী এবং পরিচারককে তলব সিবিআই- এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার সিবিআই স্ক্যানারে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) কর্মচারী এবং পরিচারক। এবার তাঁদের নিজাম প্যালেসে তলব করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার মধ্যে তাঁদের হাজিরা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কী জানা গিয়েছে? 

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর (Partha Chatterjee) বাড়িতে যাঁরা থাকেন, রান্নাবান্না সহ অন্যান্য কাজকর্ম করেন তাঁদের থেকে পার্থর আগেকার গতিবিধির খোঁজ নেওয়া হবে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় নাকতলার বাড়িতে কার কার সঙ্গে দেখা করতেন সেই খোঁজও নেওয়া হবে। একটা সময়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিকাশ ভবনে যাওয়া বন্ধ করে দেন। নিজের বাসভবনকেই বানিয়ে ফেলেছিলেন শিক্ষা দফতর। তা নিয়ে বিস্তর সমালোচনাও হয়। সেই সময় কারা তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে বাড়িতে আসতেন এখন তাই জানতে চাইছেন গোয়েন্দারা।  

    পার্থ (Partha Chatterjee) আদালতে সওয়াল করতে গিয়ে বলেছেন, উপদেষ্টা কমিটির সঙ্গে তিনি কোনও বৈঠক করেননি। গোয়েন্দাদের সন্দেহ, পার্থর বাড়িতে গিয়ে শান্তিপ্রসাদ সিনহা, অশোক সরকাররা দেখা করতেন। সে ব্যাপারেই বাড়ির পরিচারকের প্রশ্ন করতে চান সিবিআই আধিকারিকরা।

    শিক্ষা দফতরের কোন কোন আধিকারিক পার্থর (Partha Chatterjee) বাড়িতে যেতেন তাও জানতে চাইছে সিবিআই। তাছাড়া অর্পিতা মুখোপাধ্যায় নিয়েও পার্থর বাড়ির কর্মচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই। তাঁদের বয়ানকে সাপ্লিমেন্টরি চার্জশিটে জুড়বে গোয়েন্দা সংস্থা।

    আরও পড়ুন: ৩০ তারিখ উদ্বোধন হচ্ছে জোকা মেট্রো, কবে থেকে পরিষেবা পাবেন যাত্রীরা?

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, পার্থ-ঘনিষ্ঠ এক সরকারি কর্মীর পার্থর (Partha Chatterjee) ব্যক্তিগত কার্যালয়েও নিয়মিত যাতায়াত ছিল। সেই কার্যালয়ে তিনি কেন যেতেন, আর কাদের যাওয়া আসা ছিল পার্থর ওই অফিসে, সেই সমস্ত তথ্যও জানতে চাইবে সিবিআই। এসএসসি দুর্নীতি তদন্তে মূল অভিযুক্ত রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর কার্যকলাপের হদিশ পেতেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে অনুমান।  

    উল্লেখ্য, এর আগেও পার্থ-ঘনিষ্ঠ, শিক্ষা দফতরের (Partha Chatterjee) এই কর্মী সিবিআই দফতরে এসেছেন। তখনও সিবিআই তাঁকে তলব করেনি। বৃহস্পতিবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে বেশ কিছু নথি সঙ্গে নিয়ে সিবিআই দফতরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Lalan Sheikh: লালন শেখের মৃত্যু মামলায় সিআইডির তদন্তে ‘অসন্তুষ্ট’ কলকাতা হাইকোর্ট, কেন জানেন?

    Lalan Sheikh: লালন শেখের মৃত্যু মামলায় সিআইডির তদন্তে ‘অসন্তুষ্ট’ কলকাতা হাইকোর্ট, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই (CBI) হেফাজতে রহস্যমৃত্যু হয়েছে বগটুইকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখের (Lalan Sheikh)। ওই ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি (CID)। সিআইডির তদন্তে অসন্তুষ্ট কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার এই মামলার তদন্তভার সিআইডির ডিজির হাতে দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। এদিন বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে শুনানি ছিল লালন শেখের মৃত্যু মামলার। সেই শুনানিতে তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়ে রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি।

    বিচারপতি জানতে চান…

    এদিন বিচারপতি জানতে চান, লালনের স্ত্রী, যিনি গুরুতর অভিযোগ করেছেন, তাঁর বয়ান নেওয়া হয়েছে কি? রাজ্যের তরফে জানানো হয়, ওঁর মানসিক অবস্থা ভাল নেই, তাই জবানবন্দি নেওয়া হয়নি। এ কথা শুনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি। গত দু দিন ধরে হাইকোর্টে যাচ্ছেন লালনের স্ত্রী। সে প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বিচারপতি বলেন, মানসিক অবস্থা খারাপ হলে আদালতে আসছেন কীভাবে?  লালনের রহস্য মৃত্যুর পর এফআইআর দায়ের করেন তাঁর স্ত্রী। এফআইআরে সিবিআই আধিকারিকদের ফোন নম্বরেরও উল্লেখ করেছিলেন তিনি। কীভাবে সিবিআই আধিকারিকদের ফোন নম্বর পাওয়া গেল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি। তিনি বলেন, এই বিষয়েও তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। লালনের স্ত্রী দাবি করেছিলেন তিনি ফোনে হুমকি পেয়েছিলেন। এদিন বিচারপতি জানতে চান, সেই কল রেকর্ড গোয়েন্দারা চেয়েছেন কি না। সেই রেকর্ড চাওয়া হয়নি শুনে বিরক্তি প্রকাশ করেন বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: সমবায় সমিতির নির্বাচন ঘিরে ধুন্ধুমার নন্দীগ্রামে, মাথা ফাটল ভোটারের

    রামপুরহাটে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় লালন শেখের। তার পরেই সিবিআইয়ের সাত আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন তাঁর স্ত্রী। সেই মামলারই শুনানি হচ্ছিল এদিন। সিবিআইয়ের আইনজীবী ডি পি সিং বলেন, এফআইআর দেখে স্পষ্ট যে এটা রাজ্য করিয়েছে। তিনি জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বলছে লালন শেখ আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের জন্য দেহ নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজ রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা অফিসাররা করেছেন বলে দাবি সিবিআইয়ের। কেন্দ্রীয় এই গোয়েন্দা সংস্থা জানায়, যাঁরা ওই সিবিআই ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন, তাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে। সিআইডির বড় আধিকারিককে এই তদন্তের দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি। রাজ্য সেই সময় জানায়, দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে ডিআইজি সিআইডিকে। তার পরেই আদালতের নির্দেশে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় ডিআইজির হাতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: “আপনার মক্কেল এত ভিআইপি যে…”, কেষ্টর জামিন মামলায় বললেন বিচারপতি

    Anubrata Mondal: “আপনার মক্কেল এত ভিআইপি যে…”, কেষ্টর জামিন মামলায় বললেন বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় এখনই জামিন মিলল না অনুব্রতের (Anubrata Mondal)। বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ঠাঁই হয়েছে এখন দুবরাজপুর থানায়। শিবঠাকুরের দায়ের করা অভিযোগের পরে তাঁকে বর্তমানে রাখা হয়েছে দুবরাজপুরে। আজ, গরু পাচার মামলায় হাইকোর্টে অনুব্রতের জামিনের মামলা ছিল। আর সেই মামলার শুনানিতেই শিবঠাকুরের দায়ের করা অভিযোগের কেস ডায়েরি চায় কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, অনুব্রতের বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশে যে মামলা হয়েছে, তার কেস ডায়েরি জমা দিতে হবে। এছাড়াও এদিন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী অনুব্রতকে কটাক্ষ করে ‘ভিআইপি’ তকমা দিয়েছেন।

    কী ঘটেছে হাইকোর্টে?

    আজ হাইকোর্টে অনুব্রতের (Anubrata Mondal) জামিন মামলা ছিল। কিন্তু এই মামলার শুনানিতে জামিন তো দূরের কথা, বিচারপতি কেষ্টর বিরুদ্ধে নতুন মামলার কেস ডায়েরি চেয়ে বসলেন। একই সঙ্গে আসানসোল বিশেষ আদালতের বিচারকের হুমকি পাওয়ায় যে অভিযোগ উঠেছিল, সে কথা ফের মনে করিয়ে দিলেন বিচারপতি। সে বিষয়ে রাজ্য কী তদন্ত করেছে, সেটাও জানতে চায় আদালত। ফলে আজ শুনানি শেষে জামিনের মামলা আরও পিছিয়ে গেল। পরবর্তী শুনানি হবে ৩ জানুয়ারি।

    আরও পড়ুন: উত্তরপত্র ফাঁকা, তবু প্রাপ্ত নম্বর ৫৩! এসএসসি-এর বিকৃত ওএমআর শিট প্রকাশ হতেই চক্ষু চড়কগাছ

    এদিন বিচারপতি প্রশ্ন করেন, কেন অনুব্রত (Anubrata Mondal) মামলায় সব নথি সিবিআইয়ের তদন্তকারীদের হাতে জমা করা হয়নি। এই মর্মে তিনি অনুব্রত মণ্ডলকে শুক্রবার ৫টা পর্যন্ত সময় দিয়েছেন। এর মধ্যে মামলা সংক্রান্ত সমস্ত নথি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সির হাতে জমা করতে বলেছেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী।

    বিচারপতি কেষ্টর আইনজীবীকে কী বললেন?

    অনুব্রতর (Anubrata Mondal) হয়ে আদালতে লড়েছেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। তিনি এদিন আদালতকে জানান, নতুন মামলায় রাজ্য পুলিশ কেষ্টকে গ্রেফতার করেছে। তাঁকে বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। রাজ্য আগামী শুনানিতে কেস ডাইরি হাজির করবে বলে জানানো হয়। এরপরই কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মজা করে বলেন, “আপনার মক্কেল এত ভিআইপি, যে কেন্দ্র ও রাজ্য উভয় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করতে চায়। ভিআইপিদের ক্ষেত্রে এটা হয়। সবাই নজরে রাখে।” এছাড়াও বিচারপতি এদিন জানতে চান, আর নতুন করে কোনও মামলা অনুব্রতর বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে কি না, কোনও মামলা পেন্ডিং রয়েছে কি না, তাও জানতে চাওয়া হয়। ফলে এই সব সওয়াল-জবাবের পর নতুন মামলার কেস ডায়েরি চাওয়া হয় ও জামিন মামলা পিছিয়ে যায়।

  • SSC Scam: নিজাম প্যালেসে এসএসসির ২ প্রাক্তন চেয়ারম্যান-সহ ৬ জনকে তলব সিবিআই- এর

    SSC Scam: নিজাম প্যালেসে এসএসসির ২ প্রাক্তন চেয়ারম্যান-সহ ৬ জনকে তলব সিবিআই- এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) সংস্থার ২ প্রাক্তন চেয়ারম্যান-সহ ৬ জনকে নিজাম প্যালেসে তলব করল সিবিআই। মুখোমুখি বসিয়ে করা হয় জেরা। সোমবার গোয়েন্দা সংস্থার তলব পেয়ে সকালে নিজাম প্যালেসে যান এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান চিত্তরঞ্জন মণ্ডল ও প্রদীপকুমার সুর। এছাড়াও এসএসসির আরও ৪ আধিকারিককেও তলব করেছে সিবিআই। তারাও আজ নিজাম প্যালেসে যান।    

    হাইকোর্টের ভর্ৎসনার পর শনিবারই এসএসসির (SSC Scam) প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্যকে হেফাজতে নিয়েছে সিবিআই। গোয়েন্দাদের দাবি, গ্রুপ সি নিয়োগ দুর্নীতিতেও সুবীরেশের হাত রয়েছে। কিন্তু এখনও এ বিষয়ে মুখ খোলেননি সুবীরেশ। কোনও প্রশ্নের উত্তর দিতে নারাজ তিনি। এই পরিস্থিতিতে সুবীরেশের মুখ খোলাতে চেয়ারম্যানদের মুখোমুখি বসিয়ে তাকে জেরা করেন গোয়েন্দারা। তাঁর অধীনে যে চার আধিকারিক কাজ করতেন তাঁদেরও মুখোমুখি বসানো হয়। সোমবার দুপুরে সিবিআই দফতরে পৌঁছন চিত্তরঞ্জনবাবু। 

    সংবাদমাধ্যমকে চিত্তরঞ্জনবাবু জানান, তাঁকে বেশ কিছু প্রশ্ন করা হয়েছে। এদিন দুপুরে সুবীরেশকে (SSC Scam) মেডিক্যাল পরীক্ষা করাতে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যান সিবিআই গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, সেখান থেকে ফেরার পর তাঁকে প্রদীপ সুরের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হয়।

    আরও পড়ুন: লালন শেখ হত্যা মামলায় এবার মানবাধিকার কমিশন, নির্দেশ কেন্দ্রের

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে গত শনিবার সুবীরেশ ভট্টাচার্যকে (SSC Scam) সিবিআই হেফাজতে পাঠায় আলিপুর আদালত। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য  সুবীরেশ ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করেছিলেন তদন্তকারীরা। গ্রেফতারির পর থেকেই সুবীরেশ তদন্তে সহযোগিতা করছেন না বলে অভিযোগ করে এসেছেন সিবিআই আধিকারিকরা। সুবীরেশের নির্দেশেই নবম–দশম নিয়োগে সাদা খাতার নম্বর বাড়ানো হয়েছিল। সেই প্রমাণ ইতিমধ্যেই এসেছে গোয়েন্দাদের হাতে।

    ২০১৪- র জানুয়ারি থেকে ২০১৮- র জুলাই পর্যন্ত এসএসসির চেয়ারম্যান (SSC Scam) ছিলেন সুবীরেশ। তাঁর আগে, ২০১৩-র অক্টোবর থেকে ২০১৪-র জানুয়ারি পর্যন্ত চেয়ারম্যান ছিলেন প্রদীপকুমার শূর এবং ২০১১র জুন মাস থেকে ২০১৩-র অক্টোবর পর্যন্ত চেয়ারম্যান চিত্তরঞ্জন মণ্ডল। চিত্তরঞ্জন মণ্ডল সংবাদমাধ্যমের সামনে বলেন, “অনেক সুপারিশ চালককে দিয়ে নেতারা পাঠিয়েছে। প্যাডের পর প্যাড। প্রচুর সুপারিশ। বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রচন্ড চাপ ছিল।”  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Subiresh bhattacharya: পাঁচ দিনের সিবিআই হেফাজতে সুবীরেশ ভট্টাচার্য

    Subiresh bhattacharya: পাঁচ দিনের সিবিআই হেফাজতে সুবীরেশ ভট্টাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়, পাঁচ দিনের সিবিআই হেফাজতে পাঠানো হল স্কুল সার্ভিস কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্যকে (Subiresh Bhattacharya)। শনিবার এই নির্দেশ দিয়েছেন আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক। আদালতে এদিন সিবিআই জানায়,তদন্তের স্বার্থে সুবীরেশকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। তার পর এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত। আগামী ২২ ডিসেম্বর ফের আদালতে পেশ করা হবে তাঁকে। এর আগে নবম-দশম নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে ছিলেন সুবীরেশ।

    আদালতে সওয়াল-জবাব

    গত ১৯ সেপ্টেম্বর উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য তথা এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশকে (Subiresh Bhattacharya) গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। তাঁর বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তার তদন্ত করছে সিবিআই। এই নিয়ে সুবীরেশকে দ্বিতীয় দফায় নিজেদের হেফাজতে পেল সিবিআই। গত বৃহস্পতিবার এসএসসি মামলায় (SSC Scam) কলকাতা হাই কোর্টে অস্বস্তিতে পড়েন কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য। জামিনের আবেদন করা হলে কোনও নির্দেশ দেয়নি আদালত। নির্দেশ দেয়নি বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি অজয় কুমার গুপ্তর ডিভিশন বেঞ্চ। তারা জানতে চায়, তদন্ত কোন পর্যায়ে আছে? কতদিন লাগতে পারে? আর এই তদন্তের জন্য সুবীরেশ ভট্টাচার্যকে হেফাজতে রাখার প্রয়োজন আছে কি? 

    আরও পড়ুন: কেষ্টকে দিল্লিতে জেরা করতে পারবে কি ইডি? সোমবার রায়দান আদালতের

    শনিবার, সিবিআইয়ের আইনজীবী আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক অর্পণ চট্টোপাধ্যায়কে জানান, নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তের পরবর্তী ধাপে যাওয়ার ক্ষেত্রে সুবীরেশকে (Subiresh Bhattacharya) আরও জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর কাছে অনেক তথ্যপ্রমাণ আছে বলেও দাবি করেন সিবিআইয়ের আইনজীবী। সুবীরেশের আইনজীবী তমাল মুখোপাধ্যায় আদালতকে জানান, তিনি জেলেই রয়েছেন। দরকার পড়লে সিবিআই তাঁকে জেলে গিয়ে জেরা করে আসতে পারে বলেও প্রস্তাব দেন তিনি। প্রসঙ্গত, প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে রয়েছেন সুবীরেশ। কিন্তু সুবীরেশের আইনজীবীর এই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। বিচারক তাঁকে সিবিআইয়ের হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share