Tag: cbi

cbi

  • TMC on Anubrata: গ্রেফতার হতে না হতেই কেষ্টকে ঝেড়ে ফেলল তৃণমূল!

    TMC on Anubrata: গ্রেফতার হতে না হতেই কেষ্টকে ঝেড়ে ফেলল তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) গ্রেফতার (Arrest) করেছে সিবিআই (CBI)। সহযোগী সায়গল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গরুপাচার এবং বালিপাচার মামলায় উঠে এসেছে এই তৃণমূল নেতার নাম। এরপরে একাধিকবার সিবিআই তাঁকে তলব করলেও, হাজিরা দেননি অনুব্রত। বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি জিজ্ঞাসাবাদে সহযোগিতা করছেন না, এই অভিযোগেই অনুব্রতকে গ্রেফতার করে সিবিআই। 

    প্রথমে পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee), এ বার অনুব্রত মণ্ডল, একের পর এক হেভি ওয়েট নেতার গ্রেফতারিতে বেশ অস্বস্থিতে রাজ্যের শাসক দল। যদিও অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ছোট থেকে বড় সব তৃণমূল নেতাই এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে অস্বীকার করেছেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো এ ক্ষেত্রেও বলা হয়েছে, “বিষয়টির ওপর নজর রাখছে দল৷ সঠিক সময়েই এই নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেবে তৃণমূল কংগ্রেস।”

    আরও পড়ুন: বন্যেরা বনে সুন্দর, চোরেরা জেলে, অনুব্রতর গ্রেফতারিতে প্রতিক্রিয়া সুকান্তর

    এর মাঝেই মুখ খুললেন তৃণমূলের প্রথম সারির কিছু নেতা। আর বিপদ বুঝে তৃণমূল যে অনুব্রতকে ইতিমধ্যেই ঝেড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে, নেতাদের প্রতিক্রিয়াতে তা স্পষ্ট। পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায় (Sovandeb Chatterjee) অনুব্রত প্রসঙ্গে বলেন, “অন্যায় করলে গ্রেফতার করা হবে। যদি বলেন অন্যায় করেননি, তাহলে তাঁকেই তা প্রমাণ করতে হবে।”      

    তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায় (Saugata Roy) বলেন, “পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিষয়ে যেমন আমরা লজ্জিত। অনুব্রতর বিষয়ে আমরা সেটা এখনই কিছু বলতে রাজি নই। এই বিষয়ে আরও তথ্য সামনে এলে বোঝা যাবে।” 

    এ দিকে, অনুব্রত মণ্ডলের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে বিজেপি ত্যাগী ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং (Arjun Singh) জানিয়েছেন, একটা জায়গা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস আগেই তাঁদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। কোনও দুর্নীতি বা অস্বচ্ছতার সঙ্গে যুক্ত কোনও নেতার পাশে দাঁড়াবে না দল। অনুব্রত মণ্ডল যদি দোষী হন আইন আইনের পথে চলবে। দল তাতে হস্তক্ষেপ করবে না।

    আরও পড়ুন: অনুব্রত একজন মাফিয়া, মমতার প্রশ্রয়ে ওর বাড়বাড়ন্ত, বললেন শুভেন্দু  

    এ বিষয়ে তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ শান্তনু সেন (Santanu Sen) বলেন, “কোনও ধরনের দুর্নীতি, কোনও ধরনের অন্যায়ের সঙ্গে তৃণমূল আপোষ করে না। দল সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।”  

    প্রসঙ্গত সম্প্রতি পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দল থেকে বহিষ্কারের পর নতুন করে জেলা সভাপতিদের নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। গরুপাচার মামলায় নাম জড়ানোর পরেও জেলা সভাপতিদের তালিকা থেকে সরানো হয়নি অনুব্রত মণ্ডলের নাম। তাই অনুব্রতর গ্রেফতারিতে যে যথেষ্ট অস্বস্থিতে দল, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। অনুব্রতর বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য। 

  • Amit Malviya on Anubrata: অনুব্রতর মতো দুষ্কৃতীদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন মমতা, তোপ অমিত মালব্যর

    Amit Malviya on Anubrata: অনুব্রতর মতো দুষ্কৃতীদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন মমতা, তোপ অমিত মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সাত সকালে সিবিআই (CBI) জালে অনুব্রত মণ্ডল ( Anubrata Mondal)। এদিন সকালে সিবিআইয়ের একটি দল ঘিরে ফেলে তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি। পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। তার পরেই অনুব্রত ও তাঁর দল তৃণমূলকে তোপ দেগেছেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। অনুব্রতকে প্রশ্রয় দেওয়ার জন্য তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) কাঠগড়ায় তুলেছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য (Amit Malviya)।

    গরু পাচার মামলায় নাম জড়িয়েছে অনুব্রতর। তদন্তে নেমে বার দশেক তাঁকে তলব করে সিবিআই। এর মধ্যে মাত্র একবারই নিজাম প্যালেসে গিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হন বীরভূমের এই দাপুটে নেতা। নানা অছিলায় বাকি সময় তিনি এড়িয়েছেন সিবিআইয়ের জেরা। যদিও গরু পাচার মামলায় তাঁকেই জেরা করে সত্য উদ্ঘাটন করতে মরিয়া সিবিআই। বারবার সিবিআই নাগাল এড়ানোয় এদিন তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    সম্প্রতি সিবিআই এবং ইডি যৌথভাবে তল্লাশিতে নামে বীরভূমের বিভিন্ন জায়গায়। অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা কেরিম শেখ ও অনুব্রত ঘনিষ্ঠ পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বাড়িতেও হানা দেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। বাজেয়াপ্ত করেন প্রচুর নথি। তা থেকেই সিবিআইয়ের ধারণা, অনুব্রতকে জেরা করলেই খুলে যাবে পাচার-রহস্যের দ্বার। এটাও অনুব্রতকে গ্রেফতার করার অন্যতম একটি কারণ।   

    আরও পড়ুন : অনুব্রত একজন মাফিয়া, মমতার প্রশ্রয়ে ওর বাড়বাড়ন্ত, বললেন শুভেন্দু

    অনুব্রতকে প্রশ্রয় দেওয়ায় তৃণমূলের সর্বময় কর্ত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই সরাসরি দায়ী করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য। ট্যুইট বার্তায় অনুব্রতকে সরাসরি দুষ্কৃতী বলেও তোপ দাগেন তিনি। তিনি লিখেছেন, অনুব্রত মণ্ডলের মতো দুষ্কৃতীদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি তাঁদের নিরাপত্তা দেন, যাঁরা অপরাধ করে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় হোন বা অনুব্রত মণ্ডল এর দায় বর্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর। বিজেপির এই কেন্দ্রীয় নেতার প্রশ্ন, বীরভূমের স্থানীয় গুন্ডা অনুব্রত মণ্ডলকে তাঁর গাড়িতে বসিয়ে নিয়ে বাংলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী বার্তা দেন? তিনি বলেন, এই অনুব্রত মণ্ডলের নির্দেশেই চলত আনারুল হোসেনরা, রামপুরহাট গণহত্যাকাণ্ডে যে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে। অমিত বলেন, এই ছবিই প্রমাণ করে বাংলার রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নের সূত্রপাত একেবারে মাথা থেকে।

     

  • Sukanta on Anubrata: বন্যেরা বনে সুন্দর, চোরেরা জেলে, অনুব্রতর গ্রেফতারিতে প্রতিক্রিয়া সুকান্তর 

    Sukanta on Anubrata: বন্যেরা বনে সুন্দর, চোরেরা জেলে, অনুব্রতর গ্রেফতারিতে প্রতিক্রিয়া সুকান্তর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যেরা বনে সুন্দর, চোরেরা জেলে। খাঁচা তৈরি হয়েছে। অনেকদিন লুকোচুরি খেললেন। এখন উপযুক্ত জায়গায় পৌঁছে গিয়েছেন। তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) গ্রেফতারির খবর পেয়ে এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    গরু পাচারকাণ্ডে (Cattle Smuggling Case ) নাম জড়ানোয় বুধবার সাত সকালে সিবিআই গ্রেফতার করে অনুব্রতকে। তৃণমূল সুপ্রিমোর আশীর্বাদপুষ্ট অনুব্রত গ্রেফতার হওয়ায় হতাশ জেলা নেতৃত্ব। তবে শাসক শিবির যতটা মুষড়ে পড়েছে, ততটাই উৎফুল্ল পদ্ম শিবির। সুকান্ত বলেন, বিজেপি কর্মীরা গুড়, বাতাসা বিলি করবেন। প্রসঙ্গত, গত পঞ্চায়েত ভোটের আগে ঠিক এই কথাটাই বলেছিলেন অনুব্রত। ২০২৩ সালে ফের পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে অনুব্রতর গ্রেফতারি বিজেপিকে কতটা মাইলেজ দেবে, তা বলবে সময়। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে সুকান্ত বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে অক্সিজেন কতটা দেবে, তা সময়ই বলবে। তিনি বলেন, বিজেপি কটা আসন পাবে, সেটা বড় কথা নয়। চোরেদের ধরাটাই বড় কথা।

    আরও পড়ুন : অনুব্রত একজন মাফিয়া, মমতার প্রশ্রয়ে ওর বাড়বাড়ন্ত, বললেন শুভেন্দু

    পাচারকাণ্ডে যে কেবল অনুব্রত একাই নন, তাও জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, এর সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের নাম ক্রমেই প্রকাশ্যে আসবে। ট্যুইটবার্তায় সুকান্ত বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার গরু পাচারকাণ্ডে চোখ বন্ধ করে রেখেছিলেন। ধীরে ধীরে অপরাধীরা সবাই গ্রেফতার হবে। গ্রিন করিডরের মাধ্যমে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে পাচারের টাকা পৌঁছাত বলেও অভিযোগ সুকান্তর। অনুব্রতর এই গ্রেফতারি তাঁর স্বাস্থ্যোন্নতির কারক হবে বলেও মনে করেন সুকান্ত। বলেন, এতদিন অনুব্রত টেনশনে ছিলেন। এখন তিনি বিশ্রামের সময় পাবেন। ওঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হবে।

    তৃণমূল জমানায় রাজনীতির অপরাধীকরণ হয়েছে বলেও মনে করেন বিজেপি নেতৃত্ব। সুকান্ত বলেন, রাজনীতির অপরাধীকরণ হলে এবং অপরাধীরা দাপাদাপি করলে এই ধরনের ঘটনাই ঘটে। অনুব্রতর মতো লোকজন রাজনীতি থাকলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বপ্ন সব চুরি হয়ে যাবে বলেও মনে করেন তিনি। এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। বলেন, মমতার প্রিয় তত্ত্ব হল ইউজ অ্যান্ড থ্রো। কিষেনজি থেকে শুরু করে সবাই জানে একথা। ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দাও। তৃণমূল রণে বনে জলে জঙ্গলে এবং অন্তরীক্ষেও সুযোগ পেলে চুরি করবে বলেও মনে করেন সুকান্ত।

     

  • Anubrata Mondal: অনুব্রতর বাড়িতে চিকিৎসক পাঠানোর নির্দেশ দিয়ছিলেন কে? এবার বিস্ফোরক দাবি সুপারের

    Anubrata Mondal: অনুব্রতর বাড়িতে চিকিৎসক পাঠানোর নির্দেশ দিয়ছিলেন কে? এবার বিস্ফোরক দাবি সুপারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেষ্ট-সিবিআই (CBI) লুকোচুরির ইতি হয়েছে। অবশেষে গ্রেফতার হয়েছেন বীরভূম  তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। অসুস্থতার বাহানা দিয়ে বার বার সিবিআই তলব এড়িয়ে গেছেন ওই দোর্দন্ড প্রতাপ নেতা। কিছুদিন আগেই এই নিয়ে মুখ খুলেছিলেন বোলপুর সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালের চিকিৎসক চন্দ্রনাথ অধিকারী (Chandranath Adhikari)। দাবি করেছিলেন হাসপাতালের সুপারের নির্দেশেই সাদা কাগজে অনুব্রতকে ‘বেড রেস্ট’ লিখে দিয়েছিলেন তিনি। এদিকে খাতায় কলমে সুপার তখন ছুটিতে। কী করে তিনি এমন নির্দেশ দেন তা নিয়ে বেশ জল ঘোলা হয়েছিল। এবার এই নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন অভিযুক্ত সুপার। সুপার বুদ্ধদেব মুর্মুর দাবি, বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা সিউড়ির বিধায়ক বিকাশ রায় চৌধুরী তাঁকে অনুব্রত মণ্ডলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার কথা বলেছিলেন।

    আরও পড়ুন: সিবিআই অনুব্রতকে নিয়ে যেতেই একে একে মুখ খুলছেন স্থানীয়রা, কী বলছেন তাঁরা?
     
    সংবাদমাধ্যমকে সুপার বলেন, “বিকাশ রায় চৌধুরী আমাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল খুব অসুস্থ তাঁর বাড়িতে মেডিক্যাল টিম পাঠান। আমি ছুটিতে ছিলাম। আমি তাই হাসপাতালের একজন চিকিৎসক যিনি সেদিন ডিউটিতে ছিলেন না তাঁকে আবেদন করি। তাঁকে বলি, আপনি কি একটু দেখে দিতে পারবেন? তিনি সেই সময় বলেছিলেন, হ্যাঁ আমার তো ডিউটি নেই। সুতরাং অনুব্রত মণ্ডলকে দেখে দিচ্ছি। সেই হিসেবেই তিনি গিয়েছিলেন।” তিনি আরও বলেন, “মিস্টার মণ্ডল জেড ক্যাটাগরি সুরক্ষা পান। সেদিক থেকে নিয়ম মোতাবেক তাঁর কোনও সমস্যা হলে বোলপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে তাঁকে মেডিক্যাল ট্রিটমেন্ট দিতে হবে। আর তার জন্য ভিআইপি কেবিন, রক্ত মজুত রাখতে হয়। যেহেতু ওই চিকিৎসক অফিসিয়ালি ভিজিট করেননি তাই তাঁকে সাদা কাগজে লেখার জন্য বলা হয়। তবে বিশ্রামের কথা লিখতে বলিনি।”

    আরও পড়ুন: এক এক করে আপনাদের হাতও ছাড়বেন মমতা, কার উদ্দেশ্যে বললেন মালব্য?

    সুপারের এই দাবিতে উত্তাল রাজনৈতিক মহল। বিকাশ রায় চৌধুরী নিজের সাফাই দিয়ে বলেন, ” আমি সিউড়িতে ছিলাম। অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি থেকে ফোন এসেছিল যে তিনি খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। আমি শুধু এই তথ্য সুপারকে দিয়েছিলাম। তারপর যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার তিনি নিয়েছেন। আমি কোনও নির্দেশ দিইনি।” 

    তাহলে দায় ঠিক কার? এ বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি কেউই। 

    এদিকে যখন বোলপুরের রাজনীতি এভাবে উথাল-পাথাল, তখন হঠাতই ছুটিতে গেলেন ডাঃ চন্দ্রনাথ অধিকারী। চিকিৎসকের এভাবে আকস্মিক ছুটি নেওয়াতে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে রাজনৈতিক মহল। অনেকেরই ধারণা, অনুব্রতর বিরুদ্ধে মুখ না খোলার জন্যে হুমকি দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। এ বিষয়ে চিকিৎসককে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, কোনও হুমকি দেওয়া হয়নি। মানসিক চাপ কাটাতে ছুটি নিয়েছেন তিনি। তদন্তে যাবতীয় সহযোগিতা করবেন বলেও আশ্বাস দিয়েছেন চিকিৎসক।  

    এই বয়ানের পরেও, চন্দ্রনাথ অধিকারীকে চাপ দেওয়া হচ্ছে, এই দাবিতে এখনও অনড় বিরোধীরা। 

     

  • Anubrata Mondal: দুর্দিনে পাশে নেই দল, তাই কি কেষ্টর চোখে জল?

    Anubrata Mondal: দুর্দিনে পাশে নেই দল, তাই কি কেষ্টর চোখে জল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআইয়ের (CBI) হাতে গ্রেফতার হওয়ার পরই এ যে অন্য অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। উধাও পরিচিত দাপট। দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতার চোখে জল। উধাও একসময়ে পুলিশকে বোমা মারার নিদান দেওয়া ‘বাহুবলী’ নেতার পরিচিত বচন। এখন নেতার মুখে কুলুপ। যাকে বলে ‘স্পিক্-টি নট’। হঠাৎ কী হল কেষ্টর?

    বৃহস্পতিবার সকালে গরুপাচার মামলায় বোলপুরের বাড়ি থেকে অনুব্রতকে গ্রেফতার করে সিবিআই। বোলপুরে তাঁর বাড়ির সামনে ‘গরুচোর’ বলে কটাক্ষ করেন অনেকেই। বীরভূমের এই ‘বেতাজ বাদশা’-কে যেখানে যেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেখানেই ‘চোর, চোর’ রব উঠেছে। তাঁকে যখন নিয়ে আসানসোল নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন রাস্তায় বিভিন্ন জায়গায় অনুব্রতর গাড়ি দেখে জনতা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। ওঠে ‘গরু চোর’ স্লোগান। এরপর অনুব্রতকে আদালতে পেশ করা হলে, সেখানেও জুতো হাতে বিক্ষোভ প্রদর্শন চলে। আসানসোল কোর্টের বাইরে বাম-বিজেপির একযোগে বিক্ষোভ। তাঁদের মুখেও ছিল ‘চোর, গরু চোর’ স্লোগান। 

    আরও পড়ুন: একসময় বেচতেন মাগুর, সেখান থেকে কীভাবে তৃণমূলের ‘মুগুর’ হয়ে উঠলেন কেষ্ট?

    এরপর ১০ দিন হেফাজতে নেওয়ার পর ওইদিন সন্ধ্যেবেলা অনুব্রতকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেয় সিবিআইয়ের কনভয়। মাঝে পালসিটের একটি পেট্রল পাম্পে থেমেছিল অনুব্রতের গাড়ি। সেখানেই কনভয়ের পিছনে থাকা সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় ধরা পড়েন কেষ্ট। সেই সময় তাঁকে দৃশ্যতই বিধ্বস্ত দেখাচ্ছিল। তাঁর চোখের কোণে জল দেখা যায়। বেশ কিছুটা ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা একের পর এক প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া হয়েছিল তাঁর দিকে। যদিও কোনও প্রশ্নেরই জবাব দেননি তিনি। গাড়ির মধ্যই চুপ করে বসেছিলেন। কেষ্ট পুরো সময়টা কিন্তু নির্লিপ্ত ছিলেন।

    এই কিছুদিন আগে পর্যন্ত বীরভূম দাপিয়ে বেড়াতেন তিনি। বলা হতো, রাজ্যের নয়, বীরভূমে অনুব্রতর শাসন চলে। এতটাই ছিল তাঁর প্রতাপ, প্রতিপত্তি ও প্রভাব। লোকে বলত, কেষ্টর দাপটে বাঘে-গরুতে একঘাটে জল খায়। আজ, গরুচুরির দায়ে সিবিআই হাজতে কেষ্ট। সিবিআই হাজিরা এড়াতে আগামী ১৫ অগাস্ট, স্বাধীনতা দিবসে বাড়িতে যজ্ঞের আয়োজন করেছিলেন কেষ্ট। কিন্তু, তাঁর আগেই সিবিআই হেফাজতে গেলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: বন্যেরা বনে সুন্দর, চোরেরা জেলে, অনুব্রতর গ্রেফতারিতে প্রতিক্রিয়া সুকান্তর

    অনুব্রত সম্ভবত দুঃস্বপ্নেও ভাবেননি তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন কোনওদিনও তাঁকে এদিন দেখতে হবে। নিজের বাড়ির সামনে ‘চোর-চোর’ স্লোগান শুনতে হবে। তাই কি চোখে জল? তৃণমূলের অন্দরে খবর যে, বেশ কিছুদিন ধরেই কেষ্ট দিদিকে ফোনে ধরার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু, পারেননি। অনেকটা এসএসসি কাণ্ডে (SSC scam) ধৃত দলের আরেক হেভিওয়েট নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) মতো। তিনিও জানিয়েছিলেন, দিদিকে ফোন করে পাননি। তাঁর দুর্দিনে দল তাঁকে ঝেড়ে ফেলেছে, তা বুঝতে পেরে কেষ্টর এই আক্ষেপ? তাঁর চোখে জল? এত কিছু চেষ্টা করেও, শেষ রক্ষা হল না! কী ভাবছেন কেষ্ট?

  • ISRO Spy Case: ইসরো গুপ্তচর মামলায় প্রাক্তন আইবি আধিকারিককে কোচি বিমান বন্দরে আটকাল সিবিআই 

    ISRO Spy Case: ইসরো গুপ্তচর মামলায় প্রাক্তন আইবি আধিকারিককে কোচি বিমান বন্দরে আটকাল সিবিআই 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসরো গুপ্তচর মামলায় (ISRO Spy Case) কোচি আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে (Kochi international airport) এক প্রাক্তন আইবি আধিকারিককে (Former IB Officer) আটকাল বন্দর কর্তৃপক্ষ। শনিবার, ১৩ অগাস্ট স্ত্রীর সঙ্গে  লন্ডনে যাওয়ার কথা ছিল কেভি থমাসের (KV Thomas)। সেই মতো ব্যাগ চেক-ইন করাও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু লন্ডন যাওয়া আর হল না। কারণ তার আগেই বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায় তাঁর নামে ‘লুক আউট’ নোটিস জারি করেছে সিবিআই (CBI)। প্রায় চার দশক আইবিতে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব সামলেছেন কেভি থমাস। অ্যাসিসট্যান্ট ডিরেক্টর হিসেবে অবসর নিয়েছেন। এই ঘটনায় হতচকিত হয়ে যান ওই প্রাক্তন গোয়েন্দা আধিকারিক। বলেন, ওই নোটিস সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। আইনি সহয়তা নেবেন বলেও জানান তিনি। 

    তিনি বলেন, “আমি আদালতের কাছে অনুরোধ করব যাতে আমার ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয় এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টিতেও যাতে নজর দেওয়া হয়। আমরা আমাদের মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলাম। ও এখন লন্ডনে আছে। আমরা প্রতি টিকিটের জন্যে ৩ লক্ষ টাকা করে খরচ করেছি। ভারতের ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসের আগে এই উপহার পেলাম আমি।”

    ১৯৯৪ সালের ইসরো গুপ্তচর মামলায় তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন কেভি থমাস। এই মামলাতেই বিজ্ঞানী এস নাম্বিনারায়ণন (S Nambinarayanan) গ্রেফতার হন। ভারতের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অর্থের বিনিময়ে অন্য দেশে পাচার করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। ১৯৯৫ সালে সিবিআই এই মামলা থেকে মুক্তি দেয় বিজ্ঞানীকে। তারপর থেকে নাম্বিনারায়ণন, যারা তাঁকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতে লড়াই করতে থাকেন। গত বছর শীর্ষ আদালত তিন জনের একটি কমিটি গঠন করে। ইসরোর এই প্রাক্তন বিজ্ঞানীকে কারা ফাঁসিয়েছিলেন, কোন সরকারি আধিকারিকরা জড়িত আছেন, সেই বিষয়ে তদন্ত পরিচালনার জন্যে। কমিটিটি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ডিকে জৈনের নেতৃত্বে গঠিত হয়।   

    জাস্টিস ডিকে জৈনের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর শীর্ষ আদালত মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয়। ১৮ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে গোয়েন্দা সংস্থাটি। এর মধ্যে রয়েছেন কেরলেন দুজন উচ্চ পদস্থ পুলিশ কর্তা। ষড়যন্ত্র এবং প্রমাণ জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে এই পুলিশ কর্তাদের বিরুদ্ধে। ১৯৯৪ সালে কেভি থমাস আইবি আধিকারিকের পদে মালাপ্পুরমে কর্মরত ছিলেন। আর এই মামলায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন।  

  • Manish Sisodia: দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে সিবিআই হানা! স্বাগত ট্যুইট মণীশ, কেজরির

    Manish Sisodia: দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে সিবিআই হানা! স্বাগত ট্যুইট মণীশ, কেজরির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার বাড়িতে হানা দিল সিবিআই আধিকারিকরা। শুক্রবার সকালে জানা গিয়েছে, দিল্লির আবগারি নীতি নিয়ে যে দুর্নীতি ও বিতর্কের শুরু হয়েছে, সেই সংক্রান্ত তদন্তেই শুক্রবার সকালে দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে পৌঁছয় সিবিআই। 

    এদিন সকাল আটটা নাগাদ সিবিআই আধিকারিকরা মণীশ সিসোদিয়ার  বাড়িতে গেলেই পুলিশি নিরাপত্তায় ঘিরে ফেলা হয় বাড়ি। সূত্রের খবর, দিল্লির আবগারি নীতিতে বেনিয়মের যে অভিযোগ তুলেছিলেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর, সেই তদন্তেই উপ-মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকেরা। মণীশ সিসোদিয়া নিজেই ট্যুইট করে সিবিআই আসার কথা জানিয়েছেন। তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার আশ্বাসও দেন তিনি।

    উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে সিবিআই হানার নিন্দা করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল। ট্যুইটবার্তায় তিনি বলেন, “যেদিন আমেরিকার সবথেকে বড় সংবাদপত্র নিউইয়র্ক টাইমসে দিল্লির শিক্ষা মডেলের প্রশংসা করা হয়েছে এবং মণীশ সিসোদিয়ার ছবি প্রথম পাতায় ছাপানো হয়েছে, সেইদিনই মণীশের বাড়িতে কেন্দ্র থেকে সিবিআই পাঠানো হল। সিবিআইকে স্বাগত। আমরা তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করব। এর আগেও অনেক পরীক্ষা, তল্লাশি চালানো হয়েছে, কিন্তু কিছুই পাওয়া যায়নি। এবারও কিছু পাওয়া যাবে না।”

    বাড়িতে সিবিআই আধিকারিকেরা আসতেই মণীশ সিসোদিয়া পরপর ট্যুইট করে লেখেন, “সিবিআই এসেছে। আমরা সৎ, লক্ষাধিক শিশুর ভবিষ্যৎ তৈরি করছি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এই দেশে যারাই ভাল কাজ করেন, তাদের এইভাবে হেনস্থা হতে হয়। দেশে শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নতির জন্য আমি যে কাজ করছি, তা কোনভাবেই আটকানো যাবে না।”

    আরও পড়ুন: অনুব্রতের চালকলে সিবিআই হানা! মিলল রাজ্য সরকারের স্টিকার লাগানো ৫টি গাড়ি

    সিবিআইকে স্বাগত জানিয়ে মণীশ  বলেন, তিনি চান সত্যিটা দ্রুত সামনে আসুক। তার জন্য সবরকম সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তিনি। দুর্নীতি দমনের লক্ষ্যে এদিন সারা দেশের সাতটি রাজ্যের ২০টি জায়গায় তল্লাশি চালায় সিবিআই। 

     

  • Suvendu Adhikari on TMC: তৃণমূল পার্টিটা আর ছ’মাসও টিকবে না, ডেডলাইন শুভেন্দুর 

    Suvendu Adhikari on TMC: তৃণমূল পার্টিটা আর ছ’মাসও টিকবে না, ডেডলাইন শুভেন্দুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল (TMC) পার্টিটা আর ছ মাসও টিকবে না। এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ‘আগামী ছ মাসের মধ্যে সামনে আসবে নতুন তৃণমূল’ লেখা পোস্টারে ছয়লাপ শহর। সেই প্রেক্ষিতেই একথা বলেন শুভেন্দু। পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘায় সংবাদ মাধ্যমকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, ইডি (ED) এবং সিবিআই (CBI) তাদের কাজ করছে। তৃণমূল পার্টিটা আর ছ মাসও টিকবে না। ডিসেম্বরই তাদের ডেডলাইন।

    কলকাতা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে টাঙানো হয়েছে একাধিক হোর্ডিং। যার কোনওটায় লেখা, ‘আগামী ছ মাসের মধ্যে সামনে আসবে নতুন তৃণমূল’। কোনওটায় আবার লেখা, ‘চলুন লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হোন’। কোনও কোনওটায় আবার লেখা হয়েছে, ‘ঠিক যেমন সাধারণ মানুষ চায়’। তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য এই হোর্ডিং টাঙানোর কথা অস্বীকার করেছে। তবে হোর্ডিং নিয়ে রাজ্যের শাসক দলকে বিঁধতে ছাড়েননি শুভেন্দু। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য, কয়লা থেকে গরু কোনও কিছু থেকে তোলাবাজি বাদ রাখেনি তৃণমূল কংগ্রেস। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জালে যখন একের পর এক নেতা মন্ত্রী বিভিন্ন দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছেন, তখন তা থেকে দলকে বাঁচাতেই নয়া তৃণমূলের কৌশল নিয়েছে ‘তোলামূল’ পার্টি। এর পরেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, ইডি যেভাবে তদন্তের গতি বড়িয়েছে, তাতে তৃণমূল দলটাই ডিসেম্বর মাসের মধ্যে বাংলা থেকে মুছে যাবে।

    আরও পড়ুন : “তৃণমূলের ১০০ জনের নাম তুলে দিয়েছি…”, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর শুভেন্দু

    এদিন দিঘায় সৈকত নগরে দিঘা তিরঙ্গা যাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নেন শুভেন্দু। সেখানেই তৃণমূলকে নিশানা করেন তিনি। এর আগে ১২ অগাস্ট নন্দীগ্রামে হর ঘর তিরঙ্গা বাইক কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়েছিলেন শুভেন্দু। পুলিশি বাধায় ওই কর্মসূচি আর পালন করা যায়নি। ওই ঘটনায়ও শুভেন্দু দুষছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি বলেছিলেন, হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচি কোনও রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় সমাবেশ কিংবা জন সমাবেশ নয়। আমরা শান্তিপূর্ণভাবেই ওই কর্মসূচি পালন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ নির্দেশ দেয় শুভেন্দু অধিকারিকে কোনও প্রচার করতে না দিতে।

    আরও পড়ুন : অনুব্রত একজন মাফিয়া, মমতার প্রশ্রয়ে ওর বাড়বাড়ন্ত, বললেন শুভেন্দু

     

  • Anubrata Mondal: অন্যদের গুড়-বাতাসা খাওয়াতেন! সিবিআই হেফাজতে কী খেলেন কেষ্ট?

    Anubrata Mondal: অন্যদের গুড়-বাতাসা খাওয়াতেন! সিবিআই হেফাজতে কী খেলেন কেষ্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোটের আগে তাঁর মুখে শোনা গিয়েছিল, ‘ভয়ঙ্কর খেলা হবে’ স্লোগান। কিন্তু সেই খেলার পরিণতি যে এতটা ভয়ঙ্কর হবে তা হয়ত ভাবতেই পারেননি কেষ্ট। তাই কী এখন চুপ করে গিয়েছেন তিনি। শুধুই সিবিআই আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলছেন। তিনি তো বুঝতেই পারেননি, যে বীরভূমে নিজের একছত্র আধিপত্য গড়ে তুলেছিলেন সেখান থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করবে সিবিআই। তাঁর গড় থেকেই আটক হবেন তিনি। বৃহস্পতিবার সারাদিন ধকল সামলে রাত ২.৪৫ মিনিটে দীর্ঘ সাড়ে সাত ঘণ্টা যাত্রার পর নিজাম প্যালেসে পৌঁছন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। ক্লান্ত কেষ্ট।

    সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, রাতে নিজাম প্যালেসে ঢুকে ‘ফ্রেশ’ হয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। ১৫ তলায় অফিসারদের একটি ঘরে রাখা হয়েছে অনুব্রতকে। ঘরে একটি ক্যাম্প খাটে গদি পেতে শুতে দেওয়া হয়। ঘুম ভাঙে সকাল নটার পর। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর চা বিস্কুট খান অনুব্রত। একদা সকলকে গুড়-বাতাসা খাওয়ানো বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতার এখন দিন শুরু হচ্ছে চা-বিস্কুট দিয়ে। বীরভূমকে বিরোধী-শূন্য করতে গিয়ে আজ তিনি নিজেই সিবিআই হেফাজতে। তিনি তো দূরের কথা তাঁর অনুগামীরাও এই দিন দেখতে হবে ভাবেননি।

    বৃহস্পতিবার গরু-পাচার কাণ্ডে বীরভূমে অনুব্রতের বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে তাঁকে হেফাজতে নেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারেরা। সিবিআই সূত্রে খবর, গতকাল রাতে নিজাম প্যালেসে আসার পর কিছু হাল্কা খাবার দেওয়া হয় তাঁকে। সময় মেনে ওষুধও দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: দুর্দিনে পাশে নেই দল, তাই কি কেষ্টর চোখে জল?

    শুক্রবার সকাল থেকেই জেরা শুরু করা হয়েছে অনুব্রতকে। অভিযোগ, বীরভূমকে পাচারের ট্রানজিট রুট হিসাবে ব্যবহার করেছেন অনুব্রত। সিবিআই জানতে চায়, কীভাবে গরু পাচারে মদত দিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল? বিনিময়ে কত টাকা নিয়েছেন? সিবিআই অনুব্রতর কাছে জানতে চাইতে পারে, ইলামবাজারের গরুহাটের কথা। শেখ লতিফের কথা উঠে এসেছে ইতিমধ্যেই। অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের মোবাইল ফোনে বার বার পাওয়া গিয়েছে এই শেখ লতিফ ও এনামুল হকের ফোন নম্বর। শেখ লতিফ ও এনামুল হকের সঙ্গে সায়গল হোসেনের যোগাযোগ কেমন, সেই বিষয়ে কতটা জানতেন অনুব্রত, তাই নিয়ে আজ অনুব্রতকে জেরা করতে পারে সিবিআই। এছাড়াও, অনুব্রত মণ্ডল সরাসরি শেখ লতিফ ও এনামুল হকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতেন কি না, কেন গরু পাচারের টাকা তাঁর নাম করে আসত এই সমস্ত বিষয়ে আজ জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে অনুব্রত মণ্ডল কি তদন্তে সহযোগিতা করবেন?

    আরও পড়ুন: সকালে গ্রেফতার, সন্ধ্যে হেফাজত, রাতেই নিজাম প্যালেস! বৃহস্পতিবার অনুব্রতর সারা দিন

    অন্যদিকে, জেরার সময় অনুব্রতর মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য আলিপুর কমান্ড হাসপাতালকে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে । দুপুরে বা বিকেলের পরে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য তাঁকে পাঠানো হতে পারে হাসপাতালে । পাঠানো হয়েছে কোর্টের নির্দেশনামার প্রতিলিপি। সিবিআই সূত্রে খবর, এদিন অনুব্রতর আইনজীবীকে তাঁর সঙ্গে ৩০ মিনিটের জন্য দেখা করতে দেওয়া হবে।

  • Suvendu on Anubrata: অনুব্রত একজন মাফিয়া, মমতার প্রশ্রয়ে ওর বাড়বাড়ন্ত, বললেন শুভেন্দু 

    Suvendu on Anubrata: অনুব্রত একজন মাফিয়া, মমতার প্রশ্রয়ে ওর বাড়বাড়ন্ত, বললেন শুভেন্দু 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তদন্তে অসহযোগীতার অভিযোগ তুলে গরুপাচার মামলায় দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে তাঁর বোলপুরের বাড়ি থেকে আজ সকালে গ্রেফতার করেছে সিবিআই (CBI)। বুধবার সিবিআইয়ের দশম হাজিরা এড়ানোর পর বৃহস্পতিবার সকালে অনুব্রতর বাড়িতে পৌঁছয় সিবিআই। দেড় ঘণ্টা ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি গোটা বাড়িতে তল্লাশি চালান সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। এর পর তাঁকে নিয়ে দুর্গাপুরের দিকে রওনা দিয়েছে কনভয়। সিবিআইয়ের দাবি, গরুপাচারকাণ্ডে অনুব্রতর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যে চার্জশিটে তাঁর নামের উল্লেখ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সিবিআইয়ে তদন্তে অসহযোগিতা করছেন তিনি। এমনকী বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর বাড়িতে সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা পৌঁছলে তাঁদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন অনুব্রত।

    আরও পড়ুন: একসময় বেচতেন মাগুর, সেখান থেকে কীভাবে তৃণমূলের ‘মুগুর’ হয়ে উঠলেন কেষ্ট? 

    এবার অনুব্রত কাণ্ডে প্রতিক্রিয়া দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সাংবাদিকদের মাধ্যমে তিনি বীরভূমের জেলা সভাপতিকে অনুরোধ করেন, “যাদের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, সেই নামগুলো দয়া করে বলে দিন।”   

    শুভেন্দু আরও বলেন, “অনুব্রত মণ্ডল একজন মাফিয়া। হাটে মাগুর মাছ বিক্রি করত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশ্রয়ে প্রশ্রয়ে সে আজকে ১,০০০ কোটি টাকার মালিক। এতো মমতা ব্যানার্জির সৃষ্টি।”   

    অনুব্রতর উদ্দেশ্যে অনুরোধের সুরে শুভেন্দু বলেন, “আমি আশা করব এই অনুব্রত মণ্ডলের মতো লোকেরা কাদের নির্দেশে গরু, কয়লা, বালি পাচার করেছে এবং বিরোধী দলের লোকেদের বিশেষ করে হিন্দুদের ওপরে পুরো বীরভূম জেলায় যে অত্যাচার করেছেন তাদের নাম বলে দিন।  নির্বাচন পরবর্তী সময়ে কয়েক হাজার লোককে ঘরছাড়া করা, মানুষকে খুন করা, কার ইন্ধনে হয়েছে? আশা করব, তিনি যার যার নির্দেশে করেছেন, আর মুড়ির টিনে করে যাদের কাছে টাকা পাঠিয়েছেন সেই নামগুলো দয়া করে বলে দেবেন।”

    আরও পড়ুন: গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার অনুব্রত মণ্ডল! নিয়ে যাওয়া হতে পারে সিবিআই ক্যাম্প অফিসে

    তৃণমূলের অন্যান্য নেতাদের দিকেও এদিন আক্রমণ শানান শুভেন্দু। কটাক্ষ করে বলেন, “যাদের শেষ দশ বছরের আইটি রিটার্নের ফাইল ঠিক আছে, তাদের তো ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। দেখবেন তৃণমূল নেতাদের আইটি রিটার্নের ফাইলের সঙ্গে সম্পত্তির কোনও মিল খুঁজে পাবেন না। এই দুর্নীতি শুরু হয়েছে নীচু স্তর থেকে। ১০০ দিনের কাজের সুপারভাইজার থেকে নির্মাণ সহায়ক, সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক।”

    জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নাম সরাসরি উল্লেখ করে বিজেপি নেতা বলেন,”নোট বন্দীর সময় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্ত্রী স্থানীয় ব্যাঙ্ক থেকে ৪ কোটি টাকা বদলেছেন। কোথা থেকে এল এই টাকা? মেদিনীপুরের এক প্রাক্তন বিধায়ক ১৫ কোটি টাকা বদলেছেন। এই টাকার উৎস কী? খোঁজ নিয়ে দেখবেন ২০১৬ সালের পর থেকে হঠাৎ বেড়েছে এই নেতাদের সম্পত্তি।”  

     

     

     

     

        

     

LinkedIn
Share