Tag: cbi

cbi

  • Primary TET Scam: ২০১৪ সালে টেট উত্তীর্ণদের তথ্য চাইল সিবিআই, স্কুলে স্কুলে গেল নির্দেশ

    Primary TET Scam: ২০১৪ সালে টেট উত্তীর্ণদের তথ্য চাইল সিবিআই, স্কুলে স্কুলে গেল নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে (Primary Teachers Recruitment) দুর্নীতির (Primary TET Scam) অভিযোগের তদন্তে কোমর কষে নামল সিবিআই (CBI)। ওই দুর্নীতির ঘটনায় তথ্য তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। চলতি মাসের ১৬ তারিখে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের (Primary Education Board) তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়। তাতে বলা হয়, সিবিআইয়ের হাতে তথ্য তুলে দিতে হবে। সেই কারণে ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষায় যাঁরা কৃতকার্য হয়ে প্রাথমিক শিক্ষকের (Primary Teachers) চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের সমস্ত নথিপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন : প্রাথমিক টেট দুর্নীতি মামলায় সিবিআইকে ‘সিট’ গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের

    সোমবার রাজ্য শিক্ষা দফতর (West Bengal Education Department) থেকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদগুলিকে পাঠানো এক নির্দেশিকায় ১০টি তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে। এগুলি হল— নিয়োগপত্রের প্রতিলিপি, চাকরিতে যোগদানের নথি, ২০১৪ সালে টেট পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড, টেটে যোগ্যতা অর্জনের তথ্য, সর্বস্তরের পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড, রেজাল্ট ও সার্টিফিকেট, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রশিক্ষণের শংসাপত্র, জাতিগত শংসাপত্র (যদি থাকে), প্যারাটিচার এনগেজমেন্ট লেটার, আগে যদি কোনও কাজের অভিজ্ঞতা থাকে তার শংসাপত্র এবং ২০১৪ সালের টেট সংক্রান্ত যদি কোনও তথ্য থেকে থাকে, তাও।

    শিক্ষক নিয়োগে যে ‘ভুল’ হয়েছে, বিধানসভায় তা স্বীকারও করে নিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, শিক্ষায় যদি এক লক্ষ চাকরি হয়ে থাকে, তাহলে তাতে ১০০টি ক্ষেত্রে ভুল রয়েছে। তা আমরা শুধরে নেব। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যই প্রমাণ করে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীর এই ‘স্বীকারোক্তি’কে হাতিয়ার করে আক্রমণ শানিয়েছে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতি। সংগঠনের তরফে স্বপন মণ্ডল বলেন, শিক্ষক নিয়োগে যে দুর্নীতি হয়েছে, তা মুখ্যমন্ত্রী প্রকারান্তরে বিধানসভায় স্বীকার করে নিয়েছেন। প্রাথমিক বোর্ড থেকে যে তথ্য চাওয়া হয়েছে, তাতেও প্রমাণিত নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে। অর্থের বিনিময়ে চাকরি দেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ। অপরাধীদের শাস্তি চাই।

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি (BJP) বিধায়ক শুভেন্দু (Suvendu) অধিকারী বলেন, আমাদের দাবি, যাঁরা ঘুরপথে চাকরি পেয়েছেন তাঁদের নয়, যোগ্য ব্যক্তিদের চাকরি দিতে হবে। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশে শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই যে তদন্ত করছে, তাতে গতি এনে অপরাধীদের শাস্তি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

    এদিকে, প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগের মামলায় এবার পর্ষদ (West Bengal Board of Primary Education) সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে পদ থেকে সরানোর নির্দেশ দিল হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt)।

     

  • Saigal Hossain: সায়গলকে ঘিরে থাকতেন ১৪ ‘ভূত’, জানেন কি তাঁরা কারা?

    Saigal Hossain: সায়গলকে ঘিরে থাকতেন ১৪ ‘ভূত’, জানেন কি তাঁরা কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) দেহরক্ষী পুলিশ কনস্টেবল সায়গল হোসেনের (Saigal Hossain) সাম্রাজ্যে হানা দিয়ে কার্যত চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারীদের। সায়গলের নামি-বেনামি সম্পত্তির হিসাব কষে কয়েকশো কোটি টাকার হদিশ মিলেছে। তার মধ্যে ৬০টি জমির ডিড মিলেছে শুধু ডোমকলেই। সিবিআই (CBI) তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, সায়গলকে ঘিরে অন্তত ১৪ জনের সন্ধান মিলেছে, যাঁরা তোলাবাজির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই ১৪ জনের গ্যাং ধরা পড়লেই আরও কয়েকশো কোটি টাকার হদিশ মিলবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

    সিবিআই সূত্রের খবর, সায়গলের সাম্রাজ্য ছড়িয়ে রয়েছে বেশ কয়েকটি জেলায়। তাঁর সঙ্গতকারীদের মধ্যে ডোমকলের ব্রিজ মোড়ের বাসিন্দা এক ব্যক্তিকে নজরে রাখা হয়েছে। জমির কাগজ, সোনাদানা বা নগদের বিস্তারিত বিবরণ তাঁর কাছে আছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। ডোমকলের রসুলপুর, ডোমকল বিডিও মোড়, ডোমকলের ভাদুরিয়া পাড়ার আরও ছয় যুবকও রয়েছে তদন্তকারীদের নজরে।

    আরও পড়ুন: কেন গ্রেফতার অনুব্রতর দেহরক্ষী, এত সম্পত্তি হল কীভাবে?

    জানা যাচ্ছে, দুবরাজপুরের দুই ব্যক্তি, সিউড়ির হাটজানবাজারের এক যুব তৃণমূল নেতা, ইলামবাজারের দুই তৃণমূল নেতা, রানিনগর শেখ পাড়া এবং ইসলামপুরের নাজিরপুরের দুই যুবকও ছিলেন সায়গল সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রক। তদন্তকারীদের দাবি, এই ১৪ জন তৃণমূল নেতা ও ব্যবসায়ীর মাধ্যমেই সায়গল অপারেট করত। গ্রেফতারির পর এঁদের অনেকেই এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছেন। তবে আজ না হয় কাল গরু, কয়লা, পাথর, বালির সাম্রাজ্যে হানা দেওয়া হলেই এরা ধরা পড়বেন বলে জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

    এদের মধ্যে দু-এক জন ইতিমধ্যেই তদন্তে সহযোগিতাও করছেন। সেই কারণেই সায়গলের ৬০টির বেশি জমির ডিড, ছটি বাড়ি-ফ্ল্যাট, পেট্রল পাম্প, রিসর্ট, ডাম্পার, অজস্র মোটরবাইক, চারচাকা, সোনা, নগদ উদ্ধার হয়েছে। দ্রুত আরও সম্পত্তি উদ্ধার হতে চলেছে বলে তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন।

    আরও পড়ুন: ফের সাতদিনের সিবিআই হেফাজতে অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন

    তাঁদের অনেকের প্রশ্ন, যদি অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষী এক পুলিশ কনস্টেবলের কাছ থেকেই এত টাকা-সম্পত্তি উদ্ধার হয়, তা হলে আরও বড় চাঁইরা ধরা পড়লে কী পরিমাণ সম্পত্তি পাওয়া যাবে। গরুপাচার (Cattle smuggling) চক্রে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ গ্রেফতারি সামনের দিনে হতে চলেছে বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।

  • SSC Scam: তিনি ‘অজ্ঞ’, সব জানেন শিক্ষাসচিব, সিবিআইকে জানিয়ে এলেন পার্থ

    SSC Scam: তিনি ‘অজ্ঞ’, সব জানেন শিক্ষাসচিব, সিবিআইকে জানিয়ে এলেন পার্থ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মজার কাণ্ড সিবিআই (CBI) দফতরে। হেসেই লুটোপুটি তদন্তকারীরা। এমনও হতে পারে? কিন্তু এমনই হয়েছে। 

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) নির্দেশে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Recruitment Scam) তদন্তে নেমে দুদফায় জেরা করা হয় শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee)। পার্থবাবু তদন্তকারীদের জানিয়ে এসেছেন, তিনি অজ্ঞ, এসএসসি চাকরি কীভাবে হয়েছে তা কিছুই জানেন না। কারণ এসএসসি স্বশাসিত সংস্থা, মন্ত্রীকে কিছু জানানোর প্রশ্নই ওঠে না। তবে এখানেই শেষ হচ্ছে না হাসির কারণ। তদন্তকারীরা দলিল-দস্তাবেজ খুলে বসতেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী জানিয়ে দেন, তিনি নন, সব জানেন স্কুল শিক্ষাসচিব (State education secretary)। এত কাণ্ড যে হয়েছে তা তাঁর জানাই ছিল না।

    পার্থবাবুর মুখে একথা শুনে মুচকি হাসি দেখা যায় তদন্তকারীদের মুখে। আপাতত দুদফায় জেরা করা হয়েছে তাঁকে। তার মাঝেই সিবিআইয়ের হাতে এসেছে আরও তথ্য। সে সব সামনে রেখে ফের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে জেরা করা হবে বলে তদন্তের গতি-প্রকৃতির খবর যাঁরা রাখছেন, তাঁদের একাংশ জানাচ্ছেন। শিক্ষামহলের একাংশ অবশ্য এও দাবি করছেন, এসএসসি দুর্নীতির যাবতীয় দায় শিক্ষাসচিবের উপর চাপিয়ে দিয়ে পার্থবাবু আসলে শিক্ষা দফতরের বর্তমান হর্তা-কর্তাদের দিকেই ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: এসএসসি মামলায় মধ্যশিক্ষা পর্ষদের অফিস, শান্তিপ্রসাদের বাড়িতে সিবিআই

    কারণ আদালতে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির আসা ইস্তক বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন। তা হল, তাঁর আমলে এসব কিছু হয়নি। এমনকি আদালতে দাঁড়িয়ে সরকার বেনিয়মের প্যানেল বাতিল পর্যন্ত করতে উদ্যত হয়েছিল। যা এক প্রকার নিয়োগে দুর্নীতি মেনে নেওয়ারই সামিল। এর অর্থ বর্তমান শিক্ষা দফতরের কর্তারা দুর্নীতির দায় পুরনো মন্ত্রী-আমলাদের উপরই চাপিয়ে দিতে চাইছেন বলে বোকাসোকা মানুষেরাও বুঝতে পারছেন। 

    সেই কারণেই কি সিবিআইয়ের সামনে গিয়ে নিজের দায় ঝেরে ফেলে শিক্ষাসচিব মনীশ জৈনের (Manish Jain) সরকারি দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে এসেছেন প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী? তদন্তকারীদের একাংশ সূত্রে পাওয়া গিয়েছে, নিয়োগ যে একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া সে কথাও ঠারেঠোরে বোঝাতে চেয়েছেন পার্থবাবু। অর্থাৎ, শিক্ষামন্ত্রী বদলানোর সঙ্গেই দায় কেউ বয়ে নিয়ে যান না, সেই পদে যাঁরাই বসে থাকেন তাঁদেরও সমান দায়ভার থেকে যায়। বিকাশ ভবনে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর কানেও এ কথা পৌঁছেছে। তিনি ‘কাগজপত্র’ সামলাতে বিশেষ সতর্কতাও নিয়েছেন। ঘনিষ্ঠ মহলে নাকি জানিয়েছেন, লক্ষ লক্ষ বেকার ছেলেমেয়েদের চাকরি নিয়ে দুর্নীতি হয়ে থাকলে তা সমর্থনযোগ্য নয়।

    আরও পড়ুন: কয়লা, গরুপাচার, এসএসসি দুর্নীতির তদন্তরত অফিসারকে কেন সরিয়ে দিল সিবিআই?

    তবে শুধু পার্থবাবু নন, নিয়োগ সংক্রান্ত তদারক কমিটির সদস্যরাও সিবিআইয়ের ‘বন্ধু’ হওয়ার চেষ্টাই করছেন বলে শোনা যাচ্ছে। তদন্তকারীদের সামনে তাঁদের সকলের আকুতি, সহযোগিতা করছি, কিন্তু আমাদের যেন বেশি টানাটানি না করা হয়। সরকারের আইনজীবীরা বার বার সিবিআইয়ের তলব পাওয়া অফিসারদের পাখি পড়া করে পাঠাচ্ছেন, কোনও প্রশ্নেরই যেন জবাব দেবেন না। সূত্রের খবর, কিন্তু তদন্তের শুরুতে তাঁরা সেই চেষ্টা করলেও কাগজপত্র সামনে আনতেই তাঁদের ব্যবহার হয়ে যাচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাধ্য ছাত্রের মতো।

    যদিও সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে আদালত থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যেও নানা প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে। আদৌ কি কিছু হবে? এসএসসি দুর্নীতির তদন্তরত এক কর্তার কথায়, ‘রাজ্য পুলিশের দারোগাদের তদন্ত শুরু হয় অভিযুক্তকে গ্রেফতারি দিয়ে। তার পর নথি সংগ্রহ শুরু হয়। সিবিআই তদন্তের ধারা সম্পূর্ণ বিপরীত। এখানে তদন্ত শেষ করে গ্রেফতারি হয়। রাজ্যের লক্ষ লক্ষ প্রতারিত পরীক্ষার্থীকে বিচার দেওয়ার ভার দিয়েছে আদালত। সেই কাজ নিখুঁতভাবে করতে একটু সময় লাগবে।’

    (স্কুল শিক্ষা সচিব মনীশ জৈন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে তদন্তকারী কমিটির সামনে কী বলেছেন তা মাধ্যম আগামীকাল জানাবে।) 

     

  • Rhea Chakraborty: বলিউড মাদক মামলায় এনসিবির খসড়া চার্জশিটে উঠল রিয়া, সৌভিকের নাম

    Rhea Chakraborty: বলিউড মাদক মামলায় এনসিবির খসড়া চার্জশিটে উঠল রিয়া, সৌভিকের নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  সুশান্ত সিং রাজপুতের (Sushant Singh Rajput)  মৃত্যুর দুবছর কেটে গেলেও বলিউড (Bollywood)  মাদক মামলায় (Drug Case) এখনই রেহাই পেলেন না প্রয়াত অভিনেতার প্রাক্তন বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী (Rhea Chakraborty) ও তাঁর ভাই শৌভিক চক্রবর্তী (Showik Chakraborty)। বুধবার মুম্বইয়ের (Mumbai) আদালতে (Court) রিয়া, শৌভিকের বিরুদ্ধে এই মামলার খসড়া চার্জ দাখিল  করেছে এনসিবি (NCB)।  প্রসঙ্গত, মাদক কেনাবেচার অভিযোগে রিয়ার ভাই-সহ একাধিক বলিউডের ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে তাঁদের জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: ঠিক কী অবস্থায় দাঁড়িয়ে সুশান্তের মৃত্যু তদন্ত?

    সরকারি আইনজীবী অতুল সারপান্ডে (Atul Sarpande) জানান, আগের  চার্জশিটে যেসব অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যা বলা হয়েছে তার প্রায় সবকটি এক থাকবে। রিয়া ও তাঁর ভাই মাদক সেবন ও অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতকে মাদক সরবরাহ করার জন্যে তাঁদের বিরুদ্ধে অনেকদিন ধরেই মামলা চলছিল। আবারও রিয়া ও তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে খসড়া চার্জ পেশ করেছে। ১৪ জুন, ২০২০- মুম্বইয়ের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয় অভিনেতা সুশান্ত সিংহ রাজপুতের দেহ। সিবিআই (CBI) সেই মামলার তদন্ত করছে। এর সঙ্গে এনসিবি (NCB) এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরও (ED) তদন্ত  করেছে। এরপর এনসিবি, মাদক যোগে সুশান্তের বান্ধবী রিয়াকে গ্রেফতার করলেও মুম্বই হাই কোর্টের নির্দেশে প্রায় এক মাস পর ছাড়া পেয়ে যান তিনি।

    আরও পড়ুন: আরিয়ানের বিরুদ্ধে ভুয়ো মামলা! প্রাক্তন এনসিবি কর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ কেন্দ্রের

    অতুল সারপান্ডে আদালতের কাছে সকল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠনের কথা বললেও তা করা সম্ভব হয়নি। কারণ অভিযুক্তদের অনেকেই অভিযোগ সরিয়ে নেওয়ার আবেদন করেছে আদালতে। খবরসূত্রে জানা যায়, আদালত থেকে জানানো হয়েছে যে, এই আবেদন খারিজের বিষয়টি শেষ না হওয়া পর্যন্ত চার্জশিট গঠন করা যাবে না। বুধবার, রিয়া ও তাঁর ভাইসহ সমস্ত অভিযুক্তরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ বিচারক ভিজি রঘুবংশী (V G Raghuwanshi) এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১২ জুলাই ধার্য করেছেন।

     

  • Biggest-ever loan fraud: দেশে সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতি! অভিযুক্ত ওয়াধওয়ান ভাতৃদ্বয়

    Biggest-ever loan fraud: দেশে সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতি! অভিযুক্ত ওয়াধওয়ান ভাতৃদ্বয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার দেশে বড়সড় ব্যাঙ্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা সামনে এল। জানা গিয়েছে, এই কেলেঙ্কারিতে ১৭টি ব্যাঙ্ক থেকে প্রায় ৩৪ হাজার ৬১৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই (CBI) দেওয়ান হাউজিং ফাইন্যান্স লিমিটেডের (DHFL) প্রাক্তন চেয়ারম্যান কপিল ওয়াধওয়ান  (Kapil Wadhawan ), পরিচালক ধীরাজ ওয়াধওয়ান (Dheeraj Wadhawan) এবং ছয়টি রিয়েলটি সেক্টর (সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছে। এটিই এখন পর্যন্ত সিবিআইয়ের নথিভুক্ত সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতির (biggest-ever loan fraud) মামলা। এর আগে, এবিজি শিপইয়ার্ডে (ABG Shipyard loan fraud) ২৩ হাজার কোটি টাকার মামলাটি ছিল সবচেয়ে বড় জালিয়াতির মামলা।

    আরও পড়ুন: কোলে ২ বছরের ছেলে, ইডি-র তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির রুজিরা

    তাদের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার ( UBI) নেতৃত্বাধীন ১৭টি ব্যাঙ্কের কনসোর্টিয়ামকে (consortium) ৩৪ হাজার ৬১৫ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর, চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কাছ থেকে পাওয়া একটি অভিযোগের ভিত্তিতে সিবিআই পদক্ষেপ নেয়। ওই মামলায় ওয়াধওয়ান ভাইরা স্ক্যানারে রয়েছেন। মামলা দায়েরের পর সিবিআই-এর ৫০ জনেরও বেশি অফিসারের একটি দল সারা দেশের  ১১টি জায়গায় তল্লাশি চালায়। ওই জায়গাগুলি অভিযুক্তদের সঙ্গে জড়িত। তাই ওখানে তল্লাশি চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলবে বলে আশাবাদী সিবিআইের অফিসারেরা। ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার অভিযোগ, সংস্থাটি ২০১০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে বিভিন্ন ব্যবস্থায় ব্যাঙ্কগুলির একটি কনসোর্টিয়ামের কাছ থেকে ৪২,৮৭১ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল। কিন্তু ২০১৯ সালের মে মাস থেকে ঋণ খেলাপি হতে শুরু করে। 

    অডিট রিপোর্টে প্রকাশ করা হয়েছে যে ডিএইচএফএল প্রোমোটারদের সাথে সমতা রয়েছে এমন ৬৬ টি সংস্থাকে ২৯,১০০.৩৩ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৯ হাজার ৮৪৯ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া অর্থ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি জমি ও সম্পত্তিতে বিনিয়োগ করা হয়েছে।

  • Primary TET: প্রাথমিক টেট দুর্নীতি মামলায় সিবিআইকে ‘সিট’ গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Primary TET: প্রাথমিক টেট দুর্নীতি মামলায় সিবিআইকে ‘সিট’ গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ (TET) দুর্নীতি মামলায় সিবিআইকে এবার সিট গঠনের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। টেটে বেআইনি নিয়োগের পর্দা ফাঁস করতে হাইকোর্টের নির্দেশ, আদালতের নজরদারিতে পুরো ঘটনার তদন্ত চালাবে সিবিআই (CBI)। এর জন্য দক্ষ অফিসারদের নিয়ে একটা বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করতে হবে। কলকাতার একজন যুগ্ম অধিকর্তাকেও এই টিমে রাখতে হবে। কাদের নিয়ে সিবিআইয়ের বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হল, তার পুরো তালিকা আদালতে শুক্রবার জমা দিতে হবে। 

    আদালত জানিয়েছে, যতদিন না প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত শেষ হচ্ছে, ততদিন এই সিটের কোনও সদস্যকে অন্য কাজে নিযুক্ত করা যাবে না। করা যাবে না বদলিও। মোট ১২ থেকে ১৩ জনকে এই সিটে রাখতে হবে বলেও জানিয়েছে হাইকোর্ট। গোয়েন্দা তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangyopadhyay) বলেন, সিবিআইয়ের গতি শ্লথ। তারা দ্রুত কাজ করুক। সাধারণ মানুষ তদন্তের অপেক্ষায় আছে।

    আরও পড়ুন: চাকরি গেল ২৬৯ জনের! প্রাথমিক টেট দুর্নীতি মামলাও গেল সিবিআই-এর কাছে

    প্রাথমিক টেট মামলায় এদিনই রিপোর্ট জমা দেয় সিবিআই। তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী জানান, এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মামলা। গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত করছে সিবিআই। তখন বিচারপতি জানান, গত নভেম্বর থেকে আপনাদের কাজে কোনও গতি নেই কেন? আমি এই দুর্নীতির শেষ দেখতে চাই। সংবাদমাধ্যম দারুণ কাজ করছে। আমি সারদা , নারদ চাই না। তখন সিবিআই আইজীবী বলেন, ত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণভাবে এই মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। আমরা আমাদের কাজে প্রচণ্ড সিরিয়াস। মিডিয়া আমাদের গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই দুর্নীতির শিকড়ে যাব।

    এরপরই এজলাসে প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন বিশ্বাসকে (Upendra Biswas) ডাকেন বিচারপতি। উপেন বিশ্বাসের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরই চন্দন ওরফে রঞ্জনের নামে এফআইআর করে সিবিআই। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, উপেন বিশ্বাস আপনি সামনে আসুন। আপনি তো এক সময় জয়েন্ট ডিরেক্টর (CBI Joint Director) ছিলেন। আপনার পরামর্শ কী? সিবিআই কি তাদের কাজে ওয়াকিবহাল? আপনি মোবাইলে লাইভ করলেন। পুলিশে অভিযোগ করলেন না কেন?

    উপেন বিশ্বাস তখন বলেন, আমি সিবিআই-এর সঙ্গে সহযোগিতা করব। ওদের লোকসংখ্যা কম। সিবিআই অধিকর্তাকে অনেক বেশি দায়িত্ব নিতে হবে। এই দুর্নীতির কিংপিন একজন নয়। এই কেসে সিট গঠন করা হোক। সিট রিপোর্ট দিক। তারপর পরবর্তী নির্দেশ হবে।

    আরও পড়ুন: এসএসসি দুর্নীতিতে কোটি কোটি টাকার লেনদেন! গেছে কার পকেটে? তদন্তে ইডি

    বিচারপতি তখন বলেন, আপনি একসময় মন্ত্রী ছিলেন। তারপর আপনি সৎ রঞ্জন-এর পরিচয় দিচ্ছেন! উপেন বিশ্বাস তখন বলেন, আমি আমার বাবার নামে শপথ নিয়ে বলছি, রঞ্জন-ই চন্দন। যিনি সৎ পথে টাকা নিয়ে অযোগ্যদের চাকরি দেন। উপেন আরও বলেন, আপনি আমায় যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব।

    এই প্রেক্ষিতেই উপেন বিশ্বাস বলেন, রঞ্জন হচ্ছে মাঝের মাকড়শা। তাকে ধরেই ওপরে উঠতে হবে। তাহলে বৃহত্তর এই ষড়যন্ত্রের পেছনে যারা বড় মাথা আছে তাদের কাছে পৌঁছানো যাবে। এখানে দুর্নীতি হয়েছে সাজিয়ে গুছিয়ে। আমি যে ভিডিওটা আপলোড করেছি ওটা প্রথম পর্ব। পরে আরও তথ্য আছে। আমি দুর্নীতির শেষ দেখতে চাই।

    সব শুনে বিচারপতি সিবিআইকে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দেন। 

  • Drug Controller: ঘুষ নিয়ে ট্রায়াল মকুব! সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার ড্রাগ কন্ট্রোলার সহ ৫ 

    Drug Controller: ঘুষ নিয়ে ট্রায়াল মকুব! সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার ড্রাগ কন্ট্রোলার সহ ৫ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষ নিয়ে ইঞ্জেকশনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল মকুব করার গুরুতর অভিযোগে যুগ্ম ড্রাগ কন্ট্রোলার (Joint Drugs Controller) এস ইশ্বর রেড্ডিকে (S Eswara Reddy) গ্রেফতার করল সিবিআই (CBI)। দিল্লির (Delhi) এক বেসরকারি সংস্থাকে বেআইনিভাবে ইনসুলিন ইঞ্জেকশনের অনুমোদন পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। 

    তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, বায়োকন বায়োলজিকস (Biocon Biologics) নামে একটি সংস্থার থেকে এই কাজের জন্যে চার লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন তিনি। এছাড়াও ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে সংস্থার অ্যাসোসিয়েট ভাইস প্রেসিডেন্ট এল প্রবীণ কুমার সহ তিন জনকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। যদিও সেই ওষুধ কোম্পানি তাদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ খারিজ করেছে। 

    আরও পড়ুন: শেষ হল নেজাল ভ্যাকসিনের তৃতীয় ট্রায়াল, শীঘ্রই মিলবে ছাড়পত্র?

    দিল্লির ড্রাগ কন্ট্রোলারের হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত ছিলেন রেড্ডি। সেখান থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। একই অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে অ্যাসিস্ট্যান্ট ড্রাগ ইন্সপেক্টর অনিমেশ কুমারকে। আর গ্রেফতার করা হয়েছে দীনেশ দুয়া এবং গুলজিৎ চৌধুরীকে। অভিযোগ, ওষুধের অনুমোদন দেওয়ার জন্য একাধিক সংস্থার থেকে মোট ৯ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন রেড্ডি।

    আরও পড়ুন: শরীরের এই জায়গায় ব্যথা হলেই সাবধান হয়ে যান, হতে পারে করোনা   
     
    বহুদিন ধরেই রেড্ডির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল। তক্কে-তক্কে ছিল সিবিআই। অভিযুক্তকে হাতে নাতে ধরার জন্য ফাঁদ পেতেছিলেন সিবিআই অফিসাররা। অবশেষে এই ওষুধ কোম্পানির কাছ থেকে ৪ লক্ষ টাকা ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাথে ধরা পড়েন তিনি। দিল্লির ১১টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারী অফিসাররা। 

    সিবিআই আধিকারিকরা জানান, বায়োকন (Biocon) বায়োলজিকসের তিনটি ফাইল রেড্ডির টেবিলে বহুদিন ধরে আটকে পড়েছিল। ঘুষের টাকা পাওয়ার পরেই ফাইলগুলিকে ছাড়পত্র দেন রেড্ডি। শিল্পপতি কিরণ মজুমদার শ (Kiran Mazumdar Shaw)-এর প্রতিষ্ঠিত সংস্থা বায়োকন বায়োলজিকস। এই সংস্থার ওষুধকেই তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল (Clinical trial) ছাড়াই বেআইনিভাবে অনুমোদন দিয়েছিলেন রেড্ডি।

  • CBI Quizzes Rujira Banerjee: কয়লাকাণ্ডে রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, করা হল কোন প্রশ্ন?

    CBI Quizzes Rujira Banerjee: কয়লাকাণ্ডে রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, করা হল কোন প্রশ্ন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal Smuggling Scam) এবার তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Rujira Banerjee) জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের (CBI)। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ অভিষেকের কলকাতার বাড়ি শান্তিনিকেতনে হাজির হন কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এদিন সিবিআইয়ের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল যান রুজিরা বাড়িতে। এই চারজনের মধ্যে দুজন মহিলা। এদিকে, এদিনই প্রচারের কাজে ত্রিপুরা গিয়েছেন অভিষেক।  

    কয়লা, গরুপাচার, এসএসসি দুর্নীতির তদন্তরত অফিসারকে কেন সরিয়ে দিল সিবিআই?

    সিবিআই সূত্রে খবর, এদিন রুজিরাকে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন করা হয়। তার মধ্যে ছিল কয়লা পাচারের টাকা কোন কোন ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে গিয়েছিল? কোন কোন প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা এসেছিল? কারা লাভবান হয়েছেন?

    সম্প্রতি অভিষেক ও রুজিরাকে চিঠি দিয়েছিল সিবিআই। ওই চিঠিতে গোয়েন্দারা জানতে চান, তাঁরা কবে সিবিআইয়ের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন? সেই চিঠির উত্তর পেয়েই এদিন সটান শান্তিনিকেতনে হাজির হয় সিবিআই।

    সিবিআইয়ের এদিনের জেরার আগে দিল্লিতে ইডি-র জেরার মুখে পড়েছিলেন অভিষেক। সেবার তাঁকে মূলত কয়লা পাচারকাণ্ডের টাকাপয়সার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়।

    আরও পড়ুন : এবার কয়লা পাচারকাণ্ডে তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লাকে তলব সিবিআইয়ের

    কয়লাপাচার কাণ্ডে জেরা করতে অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীকে দিল্লিতে তলব করেছিল সিবিআই।এর পরেই দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। তিনি জানিয়েছিলেন, করোনা পরিস্থিতিতে সন্তানদের ছেড়ে দিল্লিতে গিয়ে সিবিআইয়ের মুখোমুখি হওয়া সম্ভব নয় রুজিরার পক্ষে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের সেই আর্জি খারিজ করে দেওয়া হয়। এর পর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীকে জেরা করা হোক কলকাতায়। সেই মতো এদিন তাঁর বাড়িতে হাজির হয় সিবিআই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিবিআই কর্তা বলেন, মামলার বিষয়ে আমরা কিছু নতুন তথ্য পেয়েছি। তার জন্য ফের রুজিরার বক্তব্য রেকর্ড করার প্রয়োজন রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, কয়লা পাচারকাণ্ডে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার জিজ্ঞাসাবাদ করা হল রুজিরাকে। এর আগে চলতি বছরের মার্চ মাসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিষেক-পত্নী।

     

     

  • CBI Summons Anubrata: ফের গরুপাচার মামলায় অনুব্রতকে তলব সিবিআইয়ের, হাজির হবেন কেষ্ট?

    CBI Summons Anubrata: ফের গরুপাচার মামলায় অনুব্রতকে তলব সিবিআইয়ের, হাজির হবেন কেষ্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার-কাণ্ডে (Cattle Smuggling) সোমবার অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) ফের তলব করল সিবিআই (CBI)।  বীরভূম তৃণমূল জেলা সভাপতিকে সকাল ১১টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে (Nizam Palace) হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    এর আগে, গরুপাচার মামলায় ৬ বার সিবিআইয়ের তলব পেয়েও হাজিরা এড়ান অনুব্রত মণ্ডল। শেষে ১৯ মে প্রথমবার এই মামলায় সিবিআইয়ের মুখোমুখি হন তিনি। সিবিআইয়ের দুর্নীতিদমন শাখা (Anti Corruption Branch) তাঁকে প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে। বুকে ব্যথা অনুভব করায় সেখান থেকে সরাসরি অনুব্রত চলে যান এসএসকেএম-এ (SSKM)। 

    অনুব্রত মণ্ডলের আয়করের নথি, সম্পত্তির খতিয়ান ও ব্যাংকের নথি চেয়ে পাঠায় তদন্তকারী সংস্থা। তা আইনজীবি মারফত জমাও দেন তিনি। সিবিআই সূত্রের খবর, অনুব্রত মণ্ডল যে নথি জমা দেন, তা খতিয়ে দেখা হয়। আয়কর দফতরের কাছেও নথি চেয়ে পাঠায় তারা। গরু পাচার কাণ্ডে ধৃত কেষ্টর দীর্ঘদিনের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করেছে সিবিআই। সূত্রের খবর, তাঁর কাছ থেকেই সিবিআই জানতে পারে কেরিম খান ও টুডু মণ্ডলের নাম। তদন্তকারী সংস্থা জানতে পারে, সায়গলের ব্যবসা দেখাশোনা করতেন কেরিম।

    আরও পড়ুন: অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ কেরিম খান, টুলু মণ্ডলের বাড়িতে যৌথ অভিযানে ইডি-সিবিআই

    এই তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার কয়লা ও গরুপাচার কাণ্ডে বুধবার বীরভূমের একাধিক জায়গা তল্লাশি চালায় সিবিআই ও ইডি-র যৌথ দল। অনুব্রত ঘনিষ্ঠ তৃণমূল (TMC) নেতা তথা বীরভূম জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ কেরিম খান, কেরিম খানের ছেলের ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জিয়াউল হক এবং কেষ্টর কাছের এক পাথর ব্যবসায়ী টুডু মণ্ডলের (Stone trader Tudu Mondal) বাড়িতে সকাল সকাল হানা দেয় সিবিআই। 

    পাশাপাশি, তল্লাশি চালানো হয় কেরিম খানের ডান হাত হিসাবে পরিচিত তৃণমূল নেতা তথা নানুরের আটকুলা গ্রামে চালের আড়তের মালিক মুক্তার শেখের বাড়িতেও। সূত্রের খবর, তল্লাশিতে কয়েক লক্ষ টাকা সহ একাধিক নথি পান তদন্তকারীরা। এমনকি প্রচুর নথি পেয়েছেন তাঁরা। আর এরপরেই সেগুলি খতিয়ে দেখা হয়। আর সেই সমস্ত তথ্যের ভিত্তিতেই অনুব্রত মন্ডলকে সিবিআই জেরা করতে চায় বলে জানা যাচ্ছে।

    এদিকে, আবারও জামিন নাকচ হল সায়গল হোসেনের। শুক্রবার শুনানির শেষে আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী সায়গলকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। আগামী ১৮ অগাস্ট আবার আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতে তোলা হবে বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষীকে। গত ৯ জুন তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। অভিযোগ, গরু পাচারের টাকা লগ্নির ক্ষেত্রে সায়গল মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছিলেন। 

    আরও পড়ুন: ঘনিষ্ঠতা! তিনি ভালোভাবে চেনেনই না অর্পিতাকে, পার্থর কথা শুনে অবাক ইডি

  • CBI Summons Bankers: গরুপাচার মামলায় বীরভূমের চার ব্যাংক আধিকারিককে তলব সিবিআইয়ের

    CBI Summons Bankers: গরুপাচার মামলায় বীরভূমের চার ব্যাংক আধিকারিককে তলব সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় (Cow Smuggling Case) নয়া মোড়। এবার সিবিআই (CBI)- তলব (Summons) করল বীরভূমের (Birbhum) চার রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক আধিকারিককে (Banker)। আজই কলকাতা এসে পৌঁছেছেন তাঁরা। নিজাম প্যালেসে ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে তাঁদের। এই আধকারিকদের নিজের সঙ্গে এই মামলা সংক্রান্ত বেশ কিছু নথি নিয়ে হাজির হতে বলেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। অবুব্রত ঘনিষ্ঠদের ১৭ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিটের নথি সিবিআই আধিকারিকদের হাতে এসেছে বলে খবর। এছাড়া কেষ্ট (Anubrata Mondal) আত্মীয়দের একাধিক ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট রয়েছে অনুমান করছে গোয়েন্দারা। আর এই বিষয়ে খোঁজ খবর নিতেই চার ব্যাংক আধিকারিককে ডেকে পাঠিয়েছে সিবিআই। 

    আরও পড়ুন: অনুব্রত, তাঁর ঘনিষ্ঠদের নথিভুক্ত সম্পত্তি ঠিক কত? জানলে চোখ কপালে উঠবে

    ইতিমধ্যেই গরুপাচার মামলায় যুক্ত থাকার অভিযোগে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। গ্রেফতার হয়েছেন তাঁর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন। ফের ১৮ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে তাঁকে। ১৫ সেপ্টেম্বর সিবিআই- এর বিশেষ আদালতে তোলা হবে। 

    সম্প্রতি গরুপাচার মামলা নিয়ে মুখ খুলেছেন, কেতুগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শেখ শাহনওয়াজ। তিনি বলেন, বীরভূমের পর মুর্শিদাবাদ, নদিয়া সব পেরিয়ে গরু পাচার হয় বিভিন্ন জায়গায়, সেই সব জেলার প্রশাসন-পুলিশ, সমস্ত রাজনৈতিক নেতা সমস্ত ব্যাপারগুলো হয়েই তো এগুলো হয়।” যখন গরুপাচার মামলা নিয়ে উত্তাল গোটা রাজ্য, তখনই এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করেন, তৃণমূল বিধায়ক। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে পর্যন্ত তাঁর বিধানসভা কেন্দ্র কেতুগ্রামের তৃণমূলের দায়িত্বে ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। আর সেই অনুব্রতকে নিয়েই মুখ খুলেছেন শেখ শাহনওয়াজ।

    আরও পড়ুন: গরু পাচারের টাকার খোঁজ পেতে সায়গলকে হেফাজতে নিতে চায় ইডি!

    অনুব্রত এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের মোট সম্পত্তির পরিমাণ জানতে চায় সিবিআই। দুর্নীতির গভীরতা ঠিক কতটা মূলত তা জানাই লক্ষ্য কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার। আর তা জানতেই একের পর এক তল্ব করছেন গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, ওই চার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কর্মীদের বেশ কিছু নির্দিষ্ট প্রশ্ন করবেন সিবিআই গোয়েন্দারা। অনুব্রত এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লেনদেন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হবে। তদন্তকারী আধিকারিকরা জানতে চাইতে পারেন, ওই অ্যাকাউন্টগুলিতে টাকা আসত কোথা থেকে, এবং যেত কোথায় তার বিস্তারিত নথি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share