Tag: CBSE

CBSE

  • Exam Reform Task Force: প্রশ্নফাঁস রুখতে মোদির বড় সিদ্ধান্ত, নন্দন নিলেকানির নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের টাস্ক ফোর্স, প্যানেলে আর কারা?

    Exam Reform Task Force: প্রশ্নফাঁস রুখতে মোদির বড় সিদ্ধান্ত, নন্দন নিলেকানির নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের টাস্ক ফোর্স, প্যানেলে আর কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশ্নফাঁস রুখে দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছয় সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্ক ফোর্স গঠনের ঘোষণা করেছেন। এই কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং আধার প্রকল্পের অন্যতম রূপকার নন্দন নিলেকানিকে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, পরীক্ষায় জালিয়াতি ও প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে সরকার ইতিমধ্যেই ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন এবং কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ করেছে। তবে শুধুমাত্র শাস্তি নয়, গোটা পরীক্ষা ব্যবস্থাকেই আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন, যাতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা ফেরানো যায়।

    নন্দন নিলেকানির নেতৃত্বে প্রযুক্তিনির্ভর সংস্কারের রূপরেখা

    ১৯৫৫ সালের ২ জুন কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে জন্ম নন্দন নিলেকানির। পরিবারের আদি বাড়ি কর্নাটকের সিরসিতে। বেঙ্গালুরুর বিশপ কটন বয়েজ স্কুল এবং ধারওয়াড়ের সেন্ট জোসেফস্ হাই স্কুলে পড়াশোনার পর তিনি আইআইটি বম্বে থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বি.টেক সম্পন্ন করেন। ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নিলেকানি আধার ডিজিটাল পরিচয় প্রকল্পের অন্যতম স্থপতি হিসেবে পরিচিত। এবার তাঁর নেতৃত্বে টাস্ক ফোর্স পরীক্ষা ব্যবস্থায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, পরীক্ষার্থীদের ডিজিটাল যাচাই এবং ফল প্রকাশের পুরো প্রক্রিয়াকে আরও নিরাপদ ও দক্ষ করার সুপারিশ করবে।

    মহাকাশ প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা নিয়ে এস সোমনাথ

    ১৯৬৩ সালে কেরলের আলাপ্পুঝা জেলার থুরাভুরে জন্ম এস সোমনাথের। তিনি কোল্লামের টিকেএম কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বি.টেক এবং বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স (আইআইএসসি) থেকে অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এম.টেক সম্পন্ন করেন। পরে আইআইটি মাদ্রাজ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ইসরোর চেয়ারম্যান ও মহাকাশ দফতরের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। প্রায় চার দশকের অভিজ্ঞ এই মহাকাশ বিজ্ঞানী বৃহৎ প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা ও জটিল প্রকল্প পরিচালনায় বিশেষ দক্ষ।

    নিরাপত্তা কাঠামো শক্তিশালী করবেন তপন কুমার ডেকা

    অসমের বরপেটা জেলার সারথেবাড়িতে ১৯৬৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি জন্ম তপন কুমার ডেকার। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৮ ব্যাচের আইপিএস কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। হিমাচল প্রদেশ ক্যাডারের এই আইপিএস অফিসার ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (আইবি) ডিরেক্টর ছিলেন। সন্ত্রাসবাদ দমন, ২৬/১১ মুম্বই হামলার তদন্ত, ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জম্মু-কাশ্মীর ও উত্তর-পূর্ব ভারতের নিরাপত্তা অভিযানে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পরীক্ষা ব্যবস্থার নিরাপত্তা জোরদারে তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে বলে মনে করছে কেন্দ্র।

    আইআইটি মাদ্রাজের পরিচালক ভি কামাকোটির প্রযুক্তিগত পরামর্শ

    চেন্নাইয়ে ১৯৬৮ সালে জন্ম ভি কামাকোটির। তিনি শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে বিই এবং আইআইটি মাদ্রাজ থেকে এমএস (রিসার্চ) ও পিএইচডি সম্পন্ন করেন। ২০২২ সাল থেকে আইআইটি মাদ্রাজের পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। কম্পিউটার আর্কিটেকচার, তথ্য নিরাপত্তা এবং ভিএলএসআই ডিজাইনের বিশেষজ্ঞ কামাকোটি জাতীয় স্তরের মাইক্রোপ্রসেসর উন্নয়ন এবং সাইবার নিরাপত্তা প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া তিনি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজরি বোর্ডের সদস্য এবং বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের গঠিত এআই টাস্ক ফোর্সেরও চেয়ারম্যান ছিলেন।

    শিক্ষা নীতির অভিজ্ঞতা নিয়ে অনিতা কারওয়াল

    দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের লেডি শ্রীরাম কলেজ থেকে অর্থনীতিতে পড়াশোনা শেষে ১৯৮৮ ব্যাচের আইএএস কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন অনিতা কারওয়াল। গুজরাত ক্যাডারের এই আইএএস অফিসারের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ৩৬ বছরেরও বেশি। ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি সিবিএসই-র চেয়ারম্যান ছিলেন। পরে স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা দফতরের সচিব হিসেবে জাতীয় শিক্ষা নীতি (এনইপি) ২০২০ এবং ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

    প্রশাসনিক দক্ষতা নিয়ে অমৃত লাল মীনা

    ১৯৬৫ সালে রাজস্থানে জন্ম অমৃত লাল মীনার। ১৯৮৯ ব্যাচের বিহার ক্যাডারের আইএএস কর্মকর্তা হিসেবে দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। বিহারে প্রায় ২৫ বছর এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরে ১১ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ২০২৪-২৫ সালে বিহারের মুখ্যসচিব এবং ২০২২-২৪ সালে কেন্দ্রীয় কয়লা মন্ত্রকের সচিব ছিলেন। প্রশাসন, সমন্বয় এবং বৃহৎ পরিসরের লজিস্টিক ব্যবস্থাপনায় তাঁর অভিজ্ঞতা পরীক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে কাজে লাগবে।

    কী করবে এই টাস্ক ফোর্স?

    কেন্দ্রের গঠিত এই বহুমুখী বিশেষজ্ঞ কমিটি দেশের সরকারি ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপ পর্যালোচনা করবে। প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, পরীক্ষা পরিচালনা, পরীক্ষার্থীদের পরিচয় যাচাই এবং ফল প্রকাশের প্রক্রিয়াকে আরও নির্ভরযোগ্য ও স্বচ্ছ করার সুপারিশ করবে এই টাস্ক ফোর্স। একই সঙ্গে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)-র কাঠামোগত সংস্কার এবং ভবিষ্যতে প্রশ্নফাঁসের মতো ঘটনা প্রতিরোধে প্রযুক্তিনির্ভর স্থায়ী সমাধানের রূপরেখাও তৈরি করবে কমিটি। কেন্দ্রের দাবি, এই টাস্ক ফোর্সের সুপারিশের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতে দেশের উচ্চঝুঁকির প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলিকে আরও নিরাপদ, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে একাধিক সংস্কার কার্যকর করা হবে।

  • CBSE: অন-স্ক্রিন মার্কিং সিস্টেম নিয়ে প্রবল বিতর্ক, সরানো হল সিবিএসইর চেয়ারম্যান-সচিবকে

    CBSE: অন-স্ক্রিন মার্কিং সিস্টেম নিয়ে প্রবল বিতর্ক, সরানো হল সিবিএসইর চেয়ারম্যান-সচিবকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন চালু হওয়া অন-স্ক্রিন মার্কিং সিস্টেম (On Screen Marking System) নিয়ে প্রবল বিতর্কের জেরে সরিয়ে দেওয়া হল সিবিএসই (CBSE)-এর চেয়ারম্যান রাহুল সিং এবং সচিব হিমাংশু গুপ্তকে। এই পদক্ষেপ এমন একটা সময়ে নেওয়া হল, যখন সিবিএসই পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রক্রিয়ায় রয়েছে এবং অন-স্ক্রিন মার্কিং সিস্টেমের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।

    তদন্তের জন্য কমিটি (CBSE)

    অন-স্ক্রিন মূল্যায়ন পরিষেবা ক্রয় প্রক্রিয়া তদন্তের জন্য একটি কমিটিও গড়া হয়েছে। এক সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটির নেতৃত্ব দেবেন এসরাধা চৌহান। তিনি ক্যাপাসিটি বিল্ডিং কমিশনের চেয়ারপার্সন। কমিটিকে এক মাসের মধ্যে ডিপার্টমেন্ট অব পার্সোনেল অ্যান্ড ট্রেনিং (DoPT)-এর কাছে তাদের রিপোর্ট পেশ করতে হবে। অনিয়মগুলির মধ্যে ছিল উত্তরপত্রের অদলবদল, মূল্যায়নে ভুল, ত্রুটিপূর্ণ যাচাই এবং নম্বর বা গ্রেড বরাদ্দে গরমিল। যেসব শিক্ষার্থী তাদের উত্তরপত্রের স্ক্যান করা কপি চেয়েছিল, তারা দেখতে পায় যে আপলোড করা কপিগুলি তাদের নিজেদের উত্তরপত্র নয়। সিবিএসই আধিকারিকরা স্বীকার করেছেন, মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার সময় প্রায় ২০টি উত্তরপত্রের অমিলের ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে।

    প্রযুক্তিগত সমস্যা

    শিক্ষার্থী এবং সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরাও ওয়েবসাইটের বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সমস্যা ও দুর্বলতার কথা তুলে ধরেছেন। মূল্যায়ন পোর্টালে অর্থ দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা, ঝাপসা বা অনুপস্থিত পৃষ্ঠা দেখানোর মতো সমস্যাও দেখা গিয়েছে। অন-স্ক্রিন মার্কিং সিস্টেম (On Screen Marking System) পরিচালনাকারী পরিষেবা প্রদানকারী অনমার্ক (OnMark) পোর্টালকে ঘিরে সাইবার নিরাপত্তা উদ্বেগ মোকাবিলার জন্য সিবিএসই একটি নতুন পোর্টাল চালু করে। রবিবার বোর্ড জানায়, তারা বিভিন্ন সরকারি সংস্থা এবং আইআইটির সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের একটি টিমকে কাজে লাগিয়েছে, যাতে প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা যায়। পোর্টালটি চালু থাকবে ৬ জুন, ২০২৬ রাত ১২টা পর্যন্ত।

    চুক্তির শর্ত

    সিবিএসই (CBSE) ডিজিটাল স্ক্যানিং এবং অন-স্ক্রিন মূল্যায়ন ব্যবস্থার দায়িত্ব দিয়েছিল হায়দরাবাদ-ভিত্তিক সংস্থা Coempt Edu Teck-কে। তাদের কাজ ছিল, উত্তরপত্র স্ক্যান এবং ডিজিটাল মূল্যায়ন পরিচালনা করা। অন-স্ক্রিন মার্কিং সিস্টেম ব্যবস্থাকে ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশের পর টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। জানা গিয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী, পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানা আরোপ করা যেতে পারে এবং প্রয়োজনে চুক্তি বাতিলও করা যেতে পারে, যদিও, তাদের ব্ল্যাকলিস্ট করা যাবে না। চুক্তিতে এও বলা হয়েছিল, সিবিএসইর পক্ষ থেকে চিহ্নিত কোনও গুরুতর সমস্যা সমাধানে প্রতি ১৫ মিনিট দেরির জন্য ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে (On Screen Marking System)।

    সিকিউরিটি ডিপোজিট বাজেয়াপ্ত করার শর্ত

    সমস্যার মূল কারণ বিশ্লেষণ এবং সংশোধনমূলক কর্মপরিকল্পনা জমা দিতে প্রতি ৬০ মিনিট দেরির জন্যও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে।গুরুতর অনিয়মের ক্ষেত্রে সিবিএসই সিকিউরিটি ডিপোজিট বাজেয়াপ্ত এবং চুক্তি বাতিল করতে পারবে। মঙ্গলবার দুই শীর্ষ আধিকারিককে সরানোর সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে বিষয়টি লোকসভায় ওঠার পর। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতারা সিবিএসই এবং সরকারের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন। তাঁরা ঝাপসা উত্তরপত্র, মোবাইল ফোন দিয়ে স্ক্যানিং এবং শিক্ষার্থীদের তথ্য ফাঁসের মতো ঘটনাগুলির উল্লেখ করেন। মূল্যায়নে ত্রুটি এবং পুনর্মূল্যায়নের চড়া ফি নিয়ে জবাবদিহির জন্য সিবিএসই (CBSE) আধিকারিকদের এবং শিক্ষা সচিবকে তলব করেছিল শিক্ষা বিষয়ক স্থায়ী কমিটি।

     

  • CBSE: নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের তিনটি ভাষা পড়তে হবে, জানিয়ে দিল সিবিএসই

    CBSE: নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের তিনটি ভাষা পড়তে হবে, জানিয়ে দিল সিবিএসই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের তিনটি ভাষা পড়তে হবে বলে জানিয়ে দিল সিবিএসই (CBSE)। আগামী ১ জুলাই থেকেই চালু হবে ত্রি-ভাষা শিক্ষার পাঠ (Three Language Policy)। ন্যাশনাল এডুকেশন পলিশি (এনইপি) ২০২০ এবং ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক ফর স্কুল এডুকেশন ২০২৩-এর অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৫ মে সিবিএসইর তরফে জারি করা সার্কুলার অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের আর-১, আর-২ এবং আর-৩ নামে তিনটি ভাষা বেছে নিতে হবে। এর মধ্যে অন্তত দু’টি ভাষা অবশ্যই ভারতীয় মাতৃভাষা হতে হবে। তবে দশম শ্রেণিতে তৃতীয় ভাষা (R3)-এর আলাদা কোনও বোর্ড পরীক্ষা হবে না। এর মূল্যায়ন করা হবে স্কুলের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার মাধ্যমে।

    সিবিএসইর মূল লক্ষ্য (CBSE)

    সিবিএসই জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হল শিক্ষার্থীদের ওপর পরীক্ষার চাপ কমানো এবং পরীক্ষার পরিবর্তে শেখার ওপর জোর দেওয়া। তবে তৃতীয় ভাষায় প্রাপ্ত নম্বর বা পারফরম্যান্সের উল্লেখ থাকবে সিবিএসইর দেওয়া সার্টিফিকেটে। বোর্ড এও জানিয়েছে, তৃতীয় ভাষার নিয়মের কারণে কোনও শিক্ষার্থীকে দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষায় বসতে বাধা দেওয়া যাবে না। স্কুলগুলি সিবিএসইর বিষয় তালিকায় থাকা যে কোনও ভাষা পড়াতে পারবে। তবে শিক্ষার্থীরা বিদেশি ভাষাকে তৃতীয় ভাষা হিসেবে তখনই নিতে পারবে, যদি বাকি দু’টি ভাষা ভারতীয় হয়। বিদেশি ভাষা ঐচ্ছিক চতুর্থ ভাষা হিসেবেও নেওয়া যেতে পারে (CBSE)।

    নয়া ব্যবস্থা

    সিবিএসই জানিয়েছে, নতুন ব্যবস্থা কীভাবে চালু করা হবে। যেহেতু তৃতীয় ভাষার জন্য বিশেষ মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই এখনও প্রস্তুত নয়, তাই নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আপাতত নির্বাচিত আর-৩-এর ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠ্যবই ব্যবহার করবে। স্কুলগুলিকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে তারা এই পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে স্থানীয় ও রাজ্যস্তরের সাহিত্যিক উপকরণ যুক্ত করবে, যাতে শিক্ষার্থীরা ভাষা সম্পর্কে আরও ভালো ধারণা পায়। বোর্ড স্বীকার করেছে, কিছু স্কুলে যোগ্য ভাষা শিক্ষক নিয়োগে সমস্যা হতে পারে। এই সমস্যার সমাধানে সিবিএসই অস্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে, যেমন— বিভিন্ন স্কুলের মধ্যে শিক্ষক ভাগাভাগি করা, ভার্চুয়াল শিক্ষার সাহায্য নেওয়া, অথবা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও যোগ্য স্নাতকোত্তরদের নিয়োগ করা (CBSE)।

    সিবিএসই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের, বিদেশ থেকে ভারতে ফেরা শিক্ষার্থীদের এবং বিদেশে অবস্থিত স্কুলগুলির জন্য বিশেষ ছাড়ের (Three Language Policy) কথাও ঘোষণা করেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী আলাদাভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

     

  • CBSE: সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফল প্রকাশিত, পাশের হার ৮৫.২০%, ফের জয়জয়কার ছাত্রীদের

    CBSE: সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফল প্রকাশিত, পাশের হার ৮৫.২০%, ফের জয়জয়কার ছাত্রীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (CBSE) আজ বুধবার তাদের ২০২৬ সালের দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার (Class xii Results) ফলাফল ঘোষণা করেছে। এ বছর মোট পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৮৫.২০ শতাংশ। গত বছরের মতোই এবারও ফলাফল এবং সাফল্যের নিরিখে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা অনেকটা এগিয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে বোর্ড।

    পাসের হারের পরিসংখ্যান (CBSE)

    বোর্ড (CBSE) থেকে জানানো হয়েছে যে, এবছর ৮৭ শতাংশের বেশি ছাত্রী সফলভাবে পরীক্ষা উত্তীর্ণ হয়েছে, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৮৩ শতাংশের কাছাকাছি। লিঙ্গভিত্তিক এই ব্যবধান আবারও প্রমাণ করল যে বড় পরীক্ষায় ছাত্রীরা ধারাবাহিকভাবে ভালো ফল করছে।

    এই ফলাফলের (CBSE) ফলে যে যে বিষয়গুলি উঠে এসেছে তা হল–

    ১. ছাত্রীদের সাফল্য: ছাত্রীদের পাসের হার (Class xii Results) ছাত্রদের তুলনায় প্রায় ৪.২০ শতাংশ বেশি।

    ২. অঞ্চলের ভিত্তিতে সাফল্য: অঞ্চলভিত্তিক ফলাফলের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে তিরুবনন্তপুরম। এখানকার সাফল্যের হার সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে বিজয়ওয়াড়া এবং বেঙ্গালুরু।

    ৩. প্রতিষ্ঠানের পারফরম্যান্স: জওহর নবোদয় বিদ্যালয় (JNV) এবং কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়গুলো (KV) বরাবরের মতো এবারও ভালো ফলাফল অর্জন করেছে।

    ফলাফল দেখার পদ্ধতি

    শিক্ষার্থীরা সিবিএসই-র (CBSE) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট results.cbse.nic.in, cbseresults.nic.in অথবা cbse.gov.in-এ গিয়ে তাদের রোল নম্বর, স্কুল নম্বর এবং অ্যাডমিট কার্ড আইডি দিয়ে রেজাল্ট দেখতে পারবে। এছাড়া ‘ডিজি লকার’ (DigiLocker) অ্যাপ এবং ‘উমং’ (UMANG) প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও ডিজিটাল মার্কশিট ডাউনলোড করা যাবে।

    মেধা তালিকা প্রকাশ করা হয়নি

    অসুস্থ প্রতিযোগিতা এড়াতে সিবিএসই (CBSE) বোর্ড গত কয়েক বছরের মতো এবারও কোনও প্রাতিষ্ঠানিক মেধা তালিকা (Merit List) প্রকাশ করেনি। এমনকি প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিভাজনও (Divisions) উল্লেখ করা হয়নি। তবে বিষয়ভিত্তিক সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীদের বিশেষ প্রশংসাপত্র (Class xii Results) দেওয়া হবে।

    এই ফলাফলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী সফল শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং যারা প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল করতে পারেনি, তাদের ভেঙে না পড়ে আগামী দিনের জন্য পরিশ্রম করার পরামর্শ দিয়েছেন। উল্লেখ্য, এ বছর ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যে সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির (Class xii Results) পরীক্ষা দেশজুড়ে হাজার হাজার কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ফলাফল ঘোষণার পরেই এখন উচ্চশিক্ষার জন্য কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে।

  • NEP 2020: সিবিএসই-র বড় সিদ্ধান্ত; ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক, ৭ দিনের মধ্যে কার্যকরের নির্দেশ

    NEP 2020: সিবিএসই-র বড় সিদ্ধান্ত; ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক, ৭ দিনের মধ্যে কার্যকরের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তনের পথে কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (CBSE)। জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP 2020)-এর সুপারিশ মেনে এখন থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ‘তৃতীয় ভাষা’ (Third Language) শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দিয়েছে। বোর্ড স্পষ্ট জানিয়েছে, আগামী ৭ দিনের মধ্যেই সমস্ত অনুমোদিত স্কুলকে এই নিয়ম কার্যকর করতে হবে।

    ভাষা শিক্ষার বিস্তার (NEP 2020)

    এতদিন অনেক স্কুলে তৃতীয় ভাষা ঐচ্ছিক হিসেবে থাকলেও, নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী ষষ্ঠ শ্রেণি (NEP 2020) থেকে এটি আবশ্যিক বিষয় হিসেবে গণ্য হবে। এর উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে বহুভাষিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা।

    ৭ দিনের সময়সীমা

    সিবিএসই-র (NEP 2020) পক্ষ থেকে স্কুলগুলোকে অত্যন্ত অল্প সময় দেওয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এই শিক্ষাক্রম চালুর পরিকাঠামো তৈরি এবং শিক্ষার্থীদের (CBSE) ভাষা নির্বাচনের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ ও পরিকাঠামোর উপরেও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে যোগ্য ভাষা শিক্ষক নিশ্চিত করা এবং ক্লাসের সময়সূচী বা রুটিন পরিবর্তন করা স্কুলগুলোর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    জাতীয় শিক্ষানীতির প্রতিফলন

    কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন শিক্ষানীতিতে (NEP 2020) ভারতীয় ভাষাগুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সিবিএসই-র এই পদক্ষেপ সেই লক্ষ্য পূরণেরই একটি অংশ। বোর্ডের (CBSE) মতে, স্কুল স্তরে একাধিক ভাষা শিখলে শিক্ষার্থীদের বৌদ্ধিক বিকাশ ঘটে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সংস্কৃতি ও সাহিত্যের সঙ্গে তাদের মেলবন্ধন তৈরি হয়। বিশেষ করে ভারতীয় ধ্রুপদী ভাষা বা আধুনিক কোনো ভারতীয় ভাষাকে এই তালিকায় অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    স্কুল ও অভিভাবকদের প্রতিক্রিয়া

    হঠাৎ করে আসা এই নির্দেশে স্কুল কর্তৃপক্ষগুলোর (CBSE) মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অনেক স্কুলই মনে করছে, মাত্র ৭ দিনের মধ্যে নতুন ভাষা শিক্ষক নিয়োগ বা পাঠ্যক্রম গুছিয়ে নেওয়া কঠিন হবে। অন্যদিকে, শিক্ষাবিদদের একাংশ মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদী ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদের (NEP 2020) ভাষাগত জ্ঞান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। সিবিএসই-র এই কড়া নির্দেশের পর দেশের হাজার হাজার স্কুল এখন দ্রুততার সঙ্গে তাদের শিক্ষানীতি পরিবর্তনের প্রস্তুতি শুরু করেছে।

  • CBSE: সংশোধিত পাঠ্যক্রম প্রকাশ সিবিএসইর, নয়া পরিবর্তন কী হল জানেন?

    CBSE: সংশোধিত পাঠ্যক্রম প্রকাশ সিবিএসইর, নয়া পরিবর্তন কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য সংশোধিত পাঠ্যক্রম প্রকাশ করল সিবিএসই (CBSE) বোর্ড। জাতীয় নীতির লক্ষ্যের সঙ্গে স্কুল শিক্ষাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতেই চালু করা হচ্ছে এই ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে (Three Language Rule)।

    উল্লেখযোগ্য সংস্কার (CBSE)

    সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সংস্কারের মধ্যে রয়েছে ধাপে ধাপে একটি বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা চালু করা। ২০৩১ সালের মধ্যে দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার অংশ হয়ে উঠবে এটি। জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০ অনুযায়ী, বহুভাষিকতা ও সাংস্কৃতিক সংহতি বাড়াতে তিন-ভাষা সূত্র প্রয়োগ করা হবে। নতুন পাঠক্রম কাঠামোর অধীনে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বর্তমানে যে দুটি ভাষা শেখানো হয়, তার পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা পড়াও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এটি মাধ্যমিক স্তরে পূর্ণাঙ্গ তিন-ভাষা ব্যবস্থার দিকে ধাপে ধাপে রূপান্তরের সূচনা। বর্তমানে শিক্ষার্থীরা সাধারণত ইংরেজি ও একটি ভারতীয় ভাষা পড়ে। তৃতীয় ভাষা (R3) যুক্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাজীবনের শুরুতেই আরও বিস্তৃত ভাষাগত ভিত্তি লাভ করবে।

    তৃতীয় ভাষার পাঠ্যপুস্তক

    সিবিএসই আধিকরিকদের মতে, তৃতীয় ভাষার পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষাসামগ্রী জাতীয় শিক্ষা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিষদ (NCERT)-এর সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করা হচ্ছে। এই উপকরণগুলি শীঘ্রই সিবিএসইর অ্যাকাডেমিক পোর্টালে উপলব্ধ হবে। যদিও মধ্যম স্তরে তৃতীয় ভাষা চালু হয়েছে, তবে এটি অবিলম্বে বোর্ড পরীক্ষায় প্রভাব ফেলবে না। বর্তমান ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ২০৩১ সালে দশম শ্রেণিতে পৌঁছলে নীতিটি পুরোপুরি কার্যকর হবে (CBSE)। প্রসঙ্গত, ত্রি-ভাষা সূত্রের ব্যাখ্যা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ রয়েছে। বাস্তবে, অনেক শিক্ষার্থী ইংরেজি পড়ে। তবে এনইপি ২০২০ অনুযায়ী ইংরেজিকে প্রায়ই বিদেশি ভাষা হিসেবে বিবেচনা করা হয় (Three Language Rule)। তাই প্রশ্ন উঠছে, ইংরেজির পাশাপাশি কি শিক্ষার্থীদের আরও দুটি ভারতীয় ভাষা শিখতে হবে? এতে পড়াশোনার চাপ বাড়তে পারে।

    দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষাকে উৎসাহিত করতেও একাধিক পরিবর্তন

    বিদেশে অবস্থিত সিবিএসই-সংযুক্ত স্কুলগুলির বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনা করে বোর্ড কিছুটা শিথিলতা দিয়েছে। ভারতের বাইরে অবস্থিত স্কুলগুলিতে দুটি ভারতীয় ভাষা পড়ানো বাধ্যতামূলক নয়। তারা একটি ভারতীয় ভাষাকে বাধ্যতামূলক রেখে অন্যান্য ভাষা আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক প্রাসঙ্গিকতার প্রেক্ষিতে নির্বাচন করতে পারবে (CBSE)। ভাষা সংস্কারের পাশাপাশি সিবিএসই সামগ্রিক ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে একাধিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। নবম ও দশম শ্রেণিতে শিল্প শিক্ষা, বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং শারীরিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আপাতত শিল্প ও শারীরিক শিক্ষা স্কুলের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে, বোর্ড পরীক্ষার অংশ হবে না। তবে ২০২৭–২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে বৃত্তিমূলক শিক্ষা বাধ্যতামূলক বিষয় হিসেবে চালু হবে।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

    নয়া পাঠ্যক্রমের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল নবম ও দশম শ্রেণিতে কম্পিউটেশনাল থিংকিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বাধ্যতামূলক করা। শুরুতে এগুলি মডিউল আকারে থাকবে এবং অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন হবে। তবে ২০২৯ সালের মধ্যে এগুলি পূর্ণাঙ্গ বোর্ড পরীক্ষার বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে (Three Language Rule)। সিবিএসই নবম শ্রেণিতে গণিত ও বিজ্ঞানের জন্য দুই-স্তরের ব্যবস্থা চালু করেছে। শিক্ষার্থীরা তাদের দক্ষতা ও আগ্রহ অনুযায়ী স্ট্যান্ডার্ড বা অ্যাডভান্সড স্তর বেছে নিতে পারবে। অ্যাডভান্সড স্তরের শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত এক ঘণ্টার ২৫ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে, যেখানে সাধারণ সিলেবাসের বাইরে প্রশ্ন থাকবে। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তবেই ফল অন্তর্ভুক্ত হবে মার্কশিটে।

    সিবিএসইর অ্যাকাডেমিক ডিরেক্টরের বক্তব্য

    সিবিএসইর অ্যাকাডেমিক ডিরেক্টর প্রজ্ঞা সিংয়ের মতে, এনসিইআরটির সঙ্গে যৌথভাবে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক তৈরি করা হচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য একরূপ ও উচ্চমানের শিক্ষাসামগ্রী নিশ্চিত করবে (CBSE)। বিদেশে পরিচালিত সিবিএসই-সংযুক্ত স্কুলগুলির জন্য নমনীয়তা রাখা হয়েছে। যেখানে দেশের ভেতরের স্কুলগুলিকে দুটি ভারতীয় ভাষা পড়াতে হয়, সেখানে আন্তর্জাতিক স্কুলগুলিতে একটি ভারতীয় ভাষাই বাধ্যতামূলক থাকবে। গত বছরের সিবিএসই সার্কুলারের নির্দেশনাও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছিল প্রস্তুতিমূলক স্তর থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অন্তত একটি ভারতীয় ভাষাকে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

    ভাষাগত বৈচিত্র্য

    ভাষাগত বৈচিত্র্য বাড়াতে সিবিএসই ভাষার তালিকাও সম্প্রসারণ করেছে (Three Language Rule)। নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এখন ডোগরি, মৈথিলি, কোকনি ও সাঁওতালি ভাষা পড়ার সুযোগ পাবে। এর ফলে ভারতীয় সংবিধানের অষ্টম তফশিলে অন্তর্ভুক্ত ২২টি ভাষাই এখন এই বোর্ডের আওতায় এসেছে। এই সংস্কারগুলি সিবিএসইর মূল্যায়ন পদ্ধতিতে ধীরে ধীরে কিন্তু ব্যাপক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন, মডিউলার বিষয় এবং উন্নত স্তরের বিকল্প চালুর মাধ্যমে বোর্ড একমাত্রিক পদ্ধতি থেকে সরে এসে আরও নমনীয় ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে (CBSE)।

     

  • CBSE Results: প্রকাশিত সিবিএসই দ্বাদশের ফল, পাশের হারে এগিয়ে মেয়েরা, কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট?

    CBSE Results: প্রকাশিত সিবিএসই দ্বাদশের ফল, পাশের হারে এগিয়ে মেয়েরা, কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল সিবিএসই (Central Board of Secondary Education) দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফল। চলতি বছর, পাশের হার ৮৮.৩৯ শতাংশ , যা গত বছরের তুলনায় ০.৪১% বেশি। ২০২৪-এ ছিল ৮৭.৯৮ শতাংশ। পরীক্ষা শেষের ৩৯ দিনের মাথায় ফল ঘোষণা করল বোর্ড (CBSE) । এ বার পাশের হারে ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে মেয়েরা। মেয়েদের পাশের হার ৯১.৬৪ শতাংশ, ছেলেদের পাশের হার ৮৫.৭০ শতাংশ।

    জোন ভিত্তিক পাশের হার

    পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সান্যম ভরদ্বাজ বলেন, চলতি বছর মোট ১৭,০৪,৩৬৭ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষার জন্য নাম নথিভুক্ত করেছিলেন। এর পর মোট ১৬,৯২,৭৯৪ জন পরীক্ষা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে পাশ করেছেন ১৪,৯৬,৩০৭ জন। পাশের হারের নিরিখে দেশের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে বিজয়ওয়াড়া। পাশের হার ৯৯.৬০ শতাংশ। যেখানে তিরুবনন্তপুরম ৯৯.৩২% পাসের হার নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে চেন্নাই। সেখানে পাসের হার ৯৭.৩৯%। জওহর নবোদয় বিদ্যালয় (JNVs) ৯৯.২৯% পাসের হার নিয়ে শীর্ষে রয়েছে, এরপর কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় (KVs) ৯৯.০৫% এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে কেন্দ্রীয় তিব্বতি স্কুল (STSS) যেখানে পাসের হার ৯৮.৯৬%। অঞ্চল-ভিত্তিক ফলাফলের নিরিখে পূর্ব ভারত বেশ কিছুটা পিছিয়ে আছে। দক্ষিণ ভারত এগিয়ে কয়েক কদম।

    কীভাবে দেখবেন ফলাফল

    পরীক্ষার্থীরা বোর্ডের (CBSE) ওয়েবসাইট cbseresults.nic.in এবং results.cbse.nic.in -এ গিয়ে তাঁদের রেজাল্ট দেখতে পারবেন। এ ছাড়াও ফল দেখা যাবে ডিজিলকার এবং উমং অ্যাপের মাধ্যমে। পরীক্ষার্থীদের প্রথমে সিবিএসই-র ওয়েবসাইট cbseresults.nic.in বা results.cbse.nic.in-এ যেতে হবে। এর পর ‘হোমপেজ’ থেকে রেজাল্ট লেখা লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে। সেখানে নিজেদের রোল নম্বর, স্কুল নম্বর এবং অ্যাডমিট কার্ড আইডি লিখে ক্লিক করলে রেজাল্ট দেখতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। এর পর সেটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট আউট নিয়ে রাখতে হবে তাঁদের। ডিজিলকার থেকেও জানা যাবে রেজাল্ট। তাদের ওয়েবসাইট results.digilocker.gov.in। এই প্রথমবার সিবিএসই পরীক্ষার্থীদের জন্য আনল ৬ সংখ্যার অ্যাক্সেস কোড। এর মাধ্যমে চালু করা যাবে পড়ুয়াদের ডিজিলকার অ্যাকাউন্ট। এই অ্যাকাউন্ট অ্যাক্টিভেট হওয়ার পর ওখানে একটি সেকশন দেখতে পাওয়া যাবে, নাম ‘ইস্যুড ডকুমেন্টস’। সেখানে গিয়ে ক্লিক করলে অ্যাকাডেমিক রেকর্ডের ডিজিটাল ভার্সন দেখতে পাবেন পড়ুয়ারা।

  • CBSE: দশম ও দ্বাদশের জন্য নতুন সিলেবাস প্রকাশ করল সিবিএসই, জেনে নিন কী কী বদল

    CBSE: দশম ও দ্বাদশের জন্য নতুন সিলেবাস প্রকাশ করল সিবিএসই, জেনে নিন কী কী বদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিএসই (CBSE) সম্প্রতি দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের সিলেবাস প্রকাশ করল। এই সদ্য প্রকাশিত পাঠ্যক্রমে বিস্তারিতভাবে শিক্ষাবর্ষের সম্পূর্ণ কার্যক্রম (CBSE Syllabus) উল্লিখিত রয়েছে। ২০২৬ সালের সিবিএসই বোর্ড পরীক্ষার জন্য কী কী জরুরি, কী কী বদল আসছে নিয়মে তা সবই বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এখানে। পরীক্ষা পদ্ধতিতে আমূল বদল আনছে সিবিএসই। এবার থেকে দশম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীরা বছরে দু’বার বোর্ড পরীক্ষা (CBSE) দিতে পারবেন। একটি হবে ফেব্রুয়ারি মাসে এবং আরেকটি হবে এপ্রিলে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই নিয়ম চালু হতে চলেছে।

    বিস্তারিত জানবেন কোথা থেকে

    সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির (৯, ১০, ১১ এবং ১২) পাঠ্যক্রম ঘোষণা করেছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষকরা বোর্ডের একাডেমিক ওয়েবসাইট cbseacademic.nic.in থেকে সিবিএসই নবম, দশম, একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যক্রম দেখে নিতে পারেন। ২০২৬ সালের সিবিএসই বোর্ড পরীক্ষার জন্য কী কী জরুরি, কী কী বদল আসছে নিয়মে তা সবই বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এখানে। ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক (NCF) ২০২৩-এর সুপারিশ অনুসারে স্কুলগুলিকে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষার চাহিদা পূরণের জন্য প্রাসঙ্গিক এবং নমনীয় শিক্ষা পদ্ধতি বাস্তবায়নের পরামর্শ দিয়েছে বোর্ড। এতে আরও বলা হয়েছে যে স্কুলগুলিকে শিক্ষাকে আরও আকর্ষক এবং অর্থবহ করার জন্য প্রোজেক্ট-ভিত্তিক শিক্ষা, রিসার্চ-চালিত পদ্ধতি এবং প্রযুক্তি-সক্ষম শিক্ষার উপর জোর দেওয়া উচিত।

    দশম শ্রেণির সিলেবাসে কী কী বদল

    গ্রেডিং সিস্টেম: ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য সিবিএসই-র দশম শ্রেণির পাঠ্যক্রমে উল্লেখ করা হয়েছে ৯ পয়েন্ট গ্রেডিং সিস্টেমের কথা। এর মাধ্যমে নম্বরকে সহজেই গ্রেডে রূপান্তর করা হবে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য বোর্ড পরীক্ষা হবে ৮০ নম্বরের, এর সঙ্গে বাধ্যতামূলক বিষয়ও রয়েছে। আর এর সঙ্গে ২০ নম্বর থাকবে শিক্ষার্থীদের আভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের জন্য। এতে পাশ করতে গেলে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিটি বিষয়ে ন্যূনতম ৩৩ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।

    স্কিল-বেসড বিষয়: পড়ুয়ারা তিনটি স্কিল-বেসড বিষয়ের ক্ষেত্রে যে কোনও একটি বেছে নিতে পারবেন– কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, ইনফরমেশন টেকনোলজি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। এছাড়া নবম ও দশম শ্রেণির জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের ইংরেজি অথবা হিন্দি যে কোনও একটি ভাষা বেছে নিতে হবে।

    কোর বিষয়: সিবিএসই জানিয়েছে, যদি কোনও ছাত্র-ছাত্রী একটি কোনও কোর বিষয়ে অকৃতকার্য হয়, যেমন গণিত, বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান কিংবা ভাষার কোনও পেপারে, কিন্তু কোনও স্কিল বিষয়ে বা ঐচ্ছিক বিষয়ে পাশ করে থাকেন, তাহলে যে বিষয়ে ফেল করেছে পড়ুয়া তার বদলে রেজাল্ট গণনার সময় পাশ করা বিষয়গুলি বিকল্প হিসেবে কাজ করবে।

    দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাস

    ২০২৬ সালে যারা দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা দেবেন, তাদেরকেও ৯ পয়েন্টের গ্রেডিং সিস্টেমে মূল্যায়ন করা হবে। এছাড়া চারটি নতুন স্কিল ইলেক্টিভ বিষয় যুক্ত হয়েছে পাঠ্যক্রমে। এর মধ্যে রয়েছে ল্যান্ড ট্রান্সপোর্টেশন অ্যাসোসিয়েট, ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড হার্ডওয়্যার, ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি ট্রেনার, ডিজাইন থিঙ্কিং, ইনোভেশন। তবে ইনফরমেটিক্স প্র্যাক্টিসেস, কম্পিউটার সায়েন্স এবং ইনফরমেশন টেকনোলজি এই তিনটি বিষয়ের ক্ষেত্রে যে কোনও একটি বিষয় বেছে নেবেন শিক্ষার্থীরা। দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাসে ৭টি প্রধান শিখন ক্ষেত্র রয়েছে- ভাষা, কলাবিদ্যা, গণিত, বিজ্ঞান, স্কিল বিষয়, জেনারেল স্টাডিজ, স্বাস্থ্য ও শারীরশিক্ষা।

    নতুন পরীক্ষা পদ্ধতি

    সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন এবার থেকে দশম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পরীক্ষা পদ্ধতিতে আমল বদল এনেছে। ছাত্র-ছাত্রীরা এবার থেকে দু’বার বোর্ড পরীক্ষা (CBSE) দিতে পারবেন। যার মধ্যে একটি হবে ফেব্রুয়ারি মাসে আর অপরটি হবে এপ্রিলে। এই নিয়ম চালু হতে চলেছে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকেই। তবে, সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা বছর একবার করেই আয়োজিত হবে। ২০২৬ সালে সিবিএসইর দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি তারিখ থেকে। বোর্ড অনুমান করছে ২০২৬ সালে মোট ২০ লক্ষ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষা দিতে চলেছে।

    কেন এই পরিকল্পনা

    ন্যাশনাল এডুকেশন পলিসি (NEP) ২০২০-র সুপারিশ মেনে, বছরে দু’বার বোর্ড পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। এর ফলে প্রথমবার পরীক্ষায় আশানুরূপ ফল না হলে, দ্বিতীয়বার সেই বিষয়ে আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়ে ফের পরীক্ষায় বসা যাবে। প্রথম পরীক্ষার পরই হাতে মার্কশিট পাওয়া যাবে না। ডিজি লকার থেকে প্রাপ্ত নম্বর ব্যবহার করে পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ থাকবে। তবে চূড়ান্ত রেজাল্ট দ্বিতীয় পরীক্ষার পর প্রকাশিত হবে। যদি কোনও শিক্ষার্থী প্রথম পরীক্ষার পর রেজাল্ট দেখে সন্তুষ্ট থাকেন, তবে তার দ্বিতীয় পরীক্ষায় বসার প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ, চাইলে দ্বিতীয় পরীক্ষার জন্য ‘অপ্ট-আউট’ করার সুযোগও থাকছে। পড়ুয়াদের উপর চাপ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন,  শুধুমাত্র পরীক্ষার নম্বরের উপরে নির্ভরশীল না থেকে এখন পড়ুয়ারা নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারবে।

     

     

     

     

  • CBSE: দশম শ্রেণিতে বছরে দু’বার পরীক্ষা! নিয়মে বদল আনছে সিবিএসই, কেন জানেন?

    CBSE: দশম শ্রেণিতে বছরে দু’বার পরীক্ষা! নিয়মে বদল আনছে সিবিএসই, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরীক্ষা পদ্ধতিতে বদল আনতে চলেছে সেন্ট্রাল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE)। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে সিবিএসইর দশম শ্রেণির পরীক্ষা বছরে দু’বার নেওয়ার সিন্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পড়ুয়াদের উপর চাপ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। শুধু ভারতে নয়, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সিবিএসইর ২৬০টি স্কুলেও এই নিয়ম চালু হবে। সম্প্রতি এনিয়ে শিক্ষা মন্ত্রকের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ছাড়াও এনসিইআরটি, কেভিএস ও এনভিএসের সদস্যরা ছিলেন। ওই বৈঠকে পরীক্ষা সংক্রান্ত একটি খসড়া তৈরি করা হয়েছে। আগামী সোমবার সেটি জনসমক্ষে আনা হবে।

    ছাত্র-মুখী নীতির কারণে এই বদল

    সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE) সম্প্রতি বছরে একাধিক বোর্ড পরীক্ষা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। খসড়া অনুযায়ী, একটি পরীক্ষা হবে নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে। দ্বিতীয়টি ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে। দুটো পরীক্ষার সেরা নম্বর ধরে চূড়ান্ত মূল্যায়ন করা হবে। আর এর মাধ্যমে পড়ুয়ারা আরও বেশি নম্বর তোলার সুযোগ পাবে। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-এর অনুসারে এই বদল আনা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে স্বাধীনতা এবং ছাত্র-মুখী নীতির কারণে এই বদল আনা হচ্ছে পরীক্ষা পদ্ধতিতে। আগামী সোমবার সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশনের আধিকারিক, শিক্ষামন্ত্রক, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, এনসিইআরটি-র নেতৃস্থানীয় আধিকারিক, কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় সংস্থান এবং নভোদয় বিদ্যালয় সমিতির আধিকারিকদের সঙ্গে একটি বৈঠক হবে যেখানে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষেই চালু নয়া নিয়ম

    এই বৈঠক সংক্রান্ত তথ্য এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশ্যে এনেছে সিবিএসই (CBSE)। যেখানে বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বিদেশি স্কুলে সিবিএসই নয়া পাঠক্রম শুরু করার পাশাপাশি একাধিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিবিএসই-র (CBSE Board Exams) পাশাপাশি এক্স হ্যান্ডেলে এই বিষয়ে বার্তা দেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি লেখেন, ‘সিবিএসই বোর্ডের পরীক্ষা বছরে দুবার করার জন্য নয়া রণনীতি তৈরি করছি আমরা। পড়ুয়াদের উপর যাতে বাড়তি চাপ না পড়ে সেদিকে নজর রেখেই এই পরিকল্পনা। আমাদের লক্ষ্য পড়ুয়ারা চাপ মুক্ত হয়ে শেখার দিকে বেশি মনযোগ করে।’ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ‘নয়া এই নীতি বোর্ডের পরীক্ষার ক্ষেত্রে এক বিরাট সংশোধন।’ এমনটা যে হতে পারে গত জানুয়ারি মাসেই সেই আভাস দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি বার্তা দিয়েছিলেন, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সিবিএসই পরীক্ষা বছরে দুবার করা হবে। পাশাপাশি জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP)-এর প্রস্তাব অনুযায়ী একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা সেমিস্টারে করার বিষয়েও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ‘সিবিএসই মূলত ফর্মেটিভ লার্নিংয়ের দিকে জোর দিচ্ছে। শুধুমাত্র পরীক্ষার নম্বরের উপরে নির্ভরশীল না থেকে এখন যেখানে পড়ুয়ারা নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারবে।

  • CBSE: ফেব্রুয়ারিতেই সিবিএসই-র দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা, প্রকাশিত দিনক্ষণ, রইল রুটিন

    CBSE: ফেব্রুয়ারিতেই সিবিএসই-র দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা, প্রকাশিত দিনক্ষণ, রইল রুটিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এগজামিনেশন (সিবিএসই)-এর ২০২৫ সালের দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার সময়সূচি। বোর্ডের (CBSE) ঘোষণা অনুযায়ী, দশম শ্রেণির পরীক্ষা শুরু হবে পরের বছর ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে। দ্বাদশ শ্রেণির ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। পরীক্ষার (Examination Date) সময়সূচিও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    কতদিন চলবে পরীক্ষা? (CBSE)

    বোর্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, দশম শ্রেণির পরীক্ষা হবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৮ মার্চ। বোর্ডের (CBSE) দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে চলবে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত। সিবিএসই কর্তৃপক্ষ প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি জানাচ্ছে, প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। দশম শ্রেণির পরীক্ষা শুরু হবে ইংরেজি দিয়ে। দ্বাদশের প্রথম পরীক্ষা শারীরশিক্ষার। সিবিএসই-র ওয়েবসাইটে গিয়ে পড়ুয়ারা পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ সূচি দেখতে পারবেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন। অন্যদিকে, প্র্যাক্টিকাল পরীক্ষা শুরু হচ্ছে নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই। ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দশম শ্রেণির প্র্যাক্টিকাল পরীক্ষা শুরু হবে। দ্বাদশ শ্রেণির প্র্যাক্টিকাল পরীক্ষা হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে। এবারের প্র্যাক্টিকাল পরীক্ষা স্কুলে হলেও, দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় বাইরে থেকে পরীক্ষক বা পরিদর্শক আসবেন। তবে দশম শ্রেণির পরীক্ষা স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উপস্থিতিতেই হবে।

    আরও পড়ুন: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

    মেধা তালিকা নেই

    বোর্ডের (CBSE) তরফে জানানো হয়েছে, এই প্রথম পরীক্ষার ৮৬ দিন আগেই দিনক্ষণ ঘোষণা করা হল। স্কুলগুলি সময়মতো পরীক্ষার্থীদের তথ্য জমা দেওয়ার কারণেই আগেভাগে দিনক্ষণ ঘোষণা করা সম্ভব হয়েছে। এতে পড়ুয়াদের প্রস্তুতি নিতেও সুবিধা হবে। সিবিএসই বোর্ড পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের মেধা তালিকা এবং বিভাগ অনুযায়ী নম্বর প্রকাশ করবে না। গত কয়েক বছর ধরে মেধা তালিকা ঘোষণা করছে না বোর্ড। শিক্ষার্থীদের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা’ এড়ানোর জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বছরও বোর্ড শিক্ষার্থীদের কোনও মেধাতালিকা ঘোষণা করবে না। ২০২৫-এ অংশগ্রহণকারী ছাত্রদের পরীক্ষায় পাশ করার জন্য ন্যূনতম ৩৩ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। প্রার্থীদের অবশ্যই প্রতিটি বিষয়ে পৃথকভাবে পাশ মার্কস পেতে হবে। সেইসঙ্গে সামগ্রিকভাবে ৩৩ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share