Tag: central forces

central forces

  • Election Commission:  বাড়ছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা! ষষ্ঠ দফায় রাজ্যে মোতায়েন ৯১৯ কোম্পানি

    Election Commission: বাড়ছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা! ষষ্ঠ দফায় রাজ্যে মোতায়েন ৯১৯ কোম্পানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয় দফার ভোট থেকেই রাজ্যে লাফিয়ে বাড়ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা। ষষ্ঠ দফায় (Lok sabha vote Phase 6) গিয়ে রাজ্যে সেটাই দাঁড়াচ্ছে ৯১৯ কোম্পানিতে। আগামী শনিবার ২৫ মে ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণ রয়েছে রাজ্যে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বিষ্ণুপুর, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, কাঁথি, তমলুক, ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ রয়েছে এদিন। জঙ্গলমহলের জেলাগুলিতে এই দফাতেই হবে ভোটগ্রহন। ফলে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই দফার ভোট শাসক এবং বিরোধী উভয় দলের ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ। সেদিক থেকে কমিশনের (Election Commission) এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। 

    কোথায় কত কোম্পানি মোতায়েন? (Election Commission) 

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে ষষ্ঠ দফার ভোট নির্বিঘ্নে করাতে আগাম সতর্কতা নিচ্ছে তারা। ঝাড়গ্রামের জন্য ১৩৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হবে, এবং প্রতি বুথে ৮ জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জাওয়ান থাকবে। অন্যদিকে পুরুলিয়ায় থাকবে ১৩৭ কোম্পানি এবং ৫৪৬৪ জন রাজ্য পুলিশ মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুরের জন্য মোতায়েন থাকবে ২৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ৭১৪ জন রাজ্য পুলিশ।

    ভোটের দফার সঙ্গে সমানুপাতিক হারে বাড়ছে বাহিনীর সংখ্যা 

    উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ভোটে রাজ্যে মাত্র ৪৪১ কোম্পানি বাহিনী মোতায়ন করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে তা ছিল ৭১০ কোম্পানি। আর এবারের নির্বাচনে ষষ্ঠ দফায় (Lok sabha vote Phase 6) থাকবে ৯১৯ কোম্পানি। প্রসঙ্গত, রাজ্যে ভোটের দফা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সমানুপাতিক হারে বাহিনীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। অন্যদিকে যেহেতু দেশের একাধিক রাজ্যের ভোট পর্ব মিটে গিয়েছে তাই শেষ দফায় এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: লাইসেন্সের জন্য আরটিওতে দিতে হবেনা ড্রাইভিং টেস্ট! চালু হচ্ছে নতুন নিয়ম

    প্রসঙ্গত, আগামী ১ জুন সপ্তম তথা শেষ দফায় দমদম, বারাসত, বসিরহাট, জয়নগর, ডায়মন্ডহারবার, মথুরাপুর, যাদবপুর, কলকাতা উত্তর এবং কলকাতা দক্ষিণের মতো নজরকাড়া ৯টি আসনে ভোট। কমিশন (Election Commission) সূত্রের খবর, স্বভাবতই, শেষ দফার ভোটেও বাহিনীর সংখ্যা প্রয়োজনে বাড়বে বই কমবে না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattishgarh: ছত্তিসগড়ের বিজাপুরে খতম ১২ মাওবাদী, বাহিনীর প্রশংসা মুখ্যমন্ত্রীর

    Chhattishgarh: ছত্তিসগড়ের বিজাপুরে খতম ১২ মাওবাদী, বাহিনীর প্রশংসা মুখ্যমন্ত্রীর

    নিউজ ডেস্ক: ছত্তিসগড়ে (Chhattisgarh) টানা মাও দমন অভিযান অব্যাহত। এবার আধা সেনার গুলিতে ঝাঁঝরা হল ১২ জন মাওবাদী। এদের মধ্যে কয়েকজন মাও দলের উচ্চ পর্যায়ের নেতা। মাওবাদীদের সঙ্গে যুদ্ধে আধা সেনার কোন ক্ষতি হয়নি ।

    ছত্তিসগড়ে মাও দমনে বাহিনীর সাফল্য (Chattishgarh)

    শুক্রবার দুপুরে ছত্রিশগড় (Chhattisgarh) রাজ্যের বিজাপুর জেলার গঙ্গলুরে মাও অধ্যুষিত এলাকায় অভিযান চালায় বাহিনী। অভিযানে ১২ জন মাওবাদীর (Maoist News) মৃত্যুর খবর সরকারিভাবে নিশ্চিত করেছেন ছত্রিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণুদেব সাঁই (Vishnudev Saai) । সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বিষ্ণুদেব সাঁই বলেন, “বিজাপুর জেলার গঙ্গলুর এলাকায় পিড়িয়া থানা এলাকায় বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদীদের গুলি বিনিময় হয়েছে। সেনাবাহিনী এই অভিযানে সাফল্য পেয়েছে। ১২ জন মাওবাদীর দেহ পাওয়া গিয়েছে। বাহিনীর কারও ক্ষতি হয়নি। জঙ্গলে চিরুনি তল্লাশি চলছে। অভিযানের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক বাহিনীর সদস্যকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমরা সরকারের আসার পরেই এই মাওবাদ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কড়া হাতে পদক্ষেপ নিয়ে চলেছি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ছত্রিশগড়ের মানুষকে এই মাওবাদ সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে বদ্ধপরিকর।”

    চলতি বছর শতাধিক মাওবাদী খতম 

    প্রসঙ্গত চলতি এপ্রিল মাসে পুলিশ এবং আধা সেনার যৌথ অভিযানে ছত্রিশগড়ের (Chhattisgarh) বস্তরে ২৯ জন মাওবাদীকে নিকেশ করা হয়েছিল। সরকারি সূত্রের দাবি চলতি বছর প্রথম সাড়ে চার মাসে সারা দেশে শতাধিক মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে এই ঘটনাকে মাওবাদ দমন অভিযানে বড় সাফল্য মনে করছে আধা সামরিক বাহিনী। বর্তমানে মোদি জামানায় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে সশস্ত্র মাও দলে ভর্তি খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। তারপর এক ধাক্কায় শতাধিক মাওবাদিনি নিকেশ ওই জঙ্গি দলের জন্য বিশাল বড় ধাক্কা। ছত্রিশগড়ের (Chhattisgarh) যে কটি এলাকায় রয়েছে মাও সমস্যা রয়েছে তাঁর মধ্যে বিজাপুর অন্যতম। গত কয়েকদিন ধরে এই এলাকায় মাওবাদী কার্যকলাপ সম্পর্কে খবর পাচ্ছিল বাহিনী। এর পরেই তাদের নিকেশ করতে অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়।

    “নয়া সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে রুপির বাণিজ্য চুক্তি”, বললেন শাহ

    মোদি জমানায় মাও দমনে সাফল্য

    মাওবাদ সমস্যার জেরে ছত্রিশগড়ের (Chhattisgarh) গ্রামের সাধারণ মানুষ বিশেষ করে তফসিলি জাতি এবং তফসিলি জনজাতির মানুষরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। একসময় দুদিক থেকে চাপ আসত তাঁদের উপর। মাওবাদীদের সাহায্য না করলে কিংবা পুলিশকে খবর দিলে মাওবাদীরা গ্রামবাসীদের উপর অত্যাচার করত। আবার মাওবাদীদের সাহায্য করলে পুলিশ তাদের উপর অত্যাচার করতে বলে অভিযোগ উঠত। এর জেরে জন্ম নেয় সাওলয়া জুড়ুম। পরে তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নানা সমস্যা তৈরি হয়। সেসব অবশ্য মোদি জমানায় অতীত।

    কমছে মাও অধ্যুষিত এলাকা

    এখন মাওবাদীরা গ্রামে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ কম পাচ্ছে। জঙ্গলেই লুকিয়ে থাকতে হচ্ছে তাঁদের। কিন্তু জঙ্গলে থেকেও রেহাই নেই। টানা পুলিশ এবং আধা সামরিক বাহিনী তাদের খুঁজে বেড়াচ্ছে। এবং যেখানেই পাচ্ছে নিকেশ করছে। মোদি জামানায় রেড ডিস্ট্রিক্ট (Red District) অর্থাৎ মাও অধ্যুষিত অঞ্চলের পরিধি কমছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ইডির ওপর হামলায় বাড়ির পাশ থেকেই ফোনে নির্দেশ দিচ্ছিলেন শাহজাহান, দাবি সিবিআই-এর

    Sandeshkhali: ইডির ওপর হামলায় বাড়ির পাশ থেকেই ফোনে নির্দেশ দিচ্ছিলেন শাহজাহান, দাবি সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডির ওপর হামলার সময় বাড়ির কাছ থেকেই নির্দেশ দিচ্ছিলেন শেখ শাহজাহান। ফোনে এভাবে নির্দেশ দিয়েই রেশন-দুর্নীতি মামলায় তদন্তকারী ইডি অফিসারদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটানো হয়। পরিকল্পিত এই ছকের পিছনে ছিলেন এই তৃণমূল নেতাই। ঠিক এমনটাই আদালতে দাবি করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। বৃহস্পতিবার তাঁকে হাজির করা হয়েছিল বসিরহাট মহকুমা আদালতে। আদালত চত্বরকে কড়া নিরাপত্তা বলয়ে ঘিরে রাখা হয়েছিল।

    সিবিআই-এর বক্তব্য (Sandeshkhali)

    ছ’দিনের সিবিআই হেফাজতের মেয়াদ শেষ হতেই আদালতে ফের তোলা হয় শাহজাহানকে। সিবিআইয়ের আইনজীবী জানিয়েছেন, “সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শেখ শাহজাহানের নির্দেশেই গত ৫ জানুয়ারি ইডি আধিকারিকদের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। তিনি নিজেই বাড়ির পাশের লোকজনকে একত্রিত হতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।” একই সঙ্গে সুকমল সর্দার এবং মেহবুর মোল্লাকে এদিন হাজির করা হয়েছিল। তাঁদের ১২ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপর দিকে শাহজাহান ঘনিষ্ঠ অজিত মাইতিকে ৫ দিনের জন্য হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। সন্দেশখালি থানার পুলিশ ৭৬ নম্বর মামলায় তাঁকে ৭ দিনের জন্য হেফাজত চেয়ে আবেদন করেছিল। উল্লেখ্য গত ২৫ ফেব্রুয়ারি অজিতকে দুর্নীতি এবং জমি দখলের অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করে। তাঁকে মারধর করতে উদ্যত হয় এলাকাবাসী। এরপর একটি বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন তিনি। টানা ছয় ঘণ্টা আটকে থাকার পর পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে গ্রেফতার করে।

    ৫ জানুয়ারি হামলা হয়েছিল

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সরবেড়িয়ার বাড়িতে তল্লাশি করতে গেলে তিন ইডির অফিসার সহ কেন্দ্রীয় জওয়ানদের উপর আক্রমণ করা হয়। এরপর থেকেই তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান পলাতক। সেই সঙ্গে তাঁর অনুগামীদের অত্যাচারের ঘটনায় এলাকার মানুষ ব্যাপক আন্দোলন করেন। চাপে পড়ে শিবু-উত্তমের মতো ঘনিষ্ঠ নেতাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক তোলপাড় হয়। হামলার ঘটনার ৫৬ দিনের মাথায় শাহজাহানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই-এর কাছে তদন্তভার যায়।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Central Forces West Bengal: রাজ্যে আসছে ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, সন্দেশখালিতে কত জানেন?

    Central Forces West Bengal: রাজ্যে আসছে ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, সন্দেশখালিতে কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট-বাজারে বিশেষ নজর দুই চব্বিশ পরগনা জেলায়। এই দুই জেলায় ঠিক কবে বিঘ্নহীন নির্বাচন হয়েছে, তা মনে করতে পারছেন না এলাকার প্রবীণরাও। লোকসভা নির্বাচন যাতে নির্বিঘ্নে করানো যায়, তাই এই দুই জেলায় বেশি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন (Central Forces West Bengal) করা হচ্ছে বলে খবর। লোকসভা নির্বাচনে সব মিলিয়ে রাজ্যে আসছে ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই বাহিনীর কত, কোথায় মোতায়েন করা হবে, তা জানিয়ে দল নির্বাচন কমিশন।

    সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    জানা গিয়েছে, সব চেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। সন্দেশখালি পড়ে এই জেলায়ই। মার্চের প্রথমেই রাজ্যে আসছে ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বাকিটা আসবে পরে। কমিশন সূত্রে খবর, প্রথম দফায় কলকাতায় আসছে সাত কোম্পানি বাহিনী। সন্দেশখালি যে পুলিশ জেলার মধ্যে পড়ে, সেই বসিরহাট পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হবে তিন কোম্পানি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে মোতায়েন করা হবে পাঁচ কোম্পানি বাহিনী। ভোটারদের আস্থা বাড়াতে স্পর্শকাতর এলাকায় রুটমার্চ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    কত কোম্পানি চেয়েছে কমিশন?

    লোকসভা নির্বাচন (Central Forces West Bengal) কভার করতে বাংলার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে ৯২০ কোম্পানি বাহিনী চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। যা দেশের সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের চেয়ে বেশি। প্রথম দফায় পৌঁছবে ১০০ কোম্পানি। মার্চের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই চলে আসবে আরও ৫০ কোম্পানিও।

    কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনায় মোট ২১ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এর মধ্যে বারাসতে তিন, বনগাঁয় তিন, ব্যারাকপুরে ছয়, বসিরহাটে পাঁচ, বিধাননগরে চার কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পুলিশ জেলায় তিন, ডায়মন্ড হারবারে তিন এবং বারুইপুরে তিন কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালির ‘হাঙর’ তৃণমূলের শেখ শাহজাহান গ্রেফতার

    সন্দেশখালিকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। তাঁর দুই শাগরেদও গ্রেফতার হয়েছেন। এর পরেই শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন এলাকার নির্যাতিতারা। তৃণমূলের এই নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই। নানা অছিলায় জমি কেড়ে নেওয়া, সুন্দরী মহিলাদের পার্টি অফিস কিংবা বাগান বাড়িতে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা সহ নানা অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিযোগের জেরে এমনিতেই বিব্রত রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। তার ওপর কমিশন প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় খুশি বিরোধীরা। তাঁদের আশা, এবার হয়তো ভয়মুক্ত পরিবেশে মতদান করতে পারবেন স্থানীয়রা (Central Forces West Bengal)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: “জীবনের সুরক্ষার দায়িত্ব কে নেবে?” কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে বিক্ষোভ ভোটকর্মীদের

    Murshidabad: “জীবনের সুরক্ষার দায়িত্ব কে নেবে?” কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে বিক্ষোভ ভোটকর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোটকর্মীদের ট্রেনিং সেন্টারে এসে বিক্ষোভ দেখাল মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। ট্রেনিংয়ে আসা ভোটকর্মীরা বলেন, ‘কাকদ্বীপ থেকে কোচবিহার, আর কেউ নয় রাজকুমার’। এরপর বিশেষ চিঠিও লেখা হয় কমিশনকে।

    কেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি?

    ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছিল এক দফায়। উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘির এক স্কুল শিক্ষক ছিলেন রাজকুমার রায়। বুথের প্রিসাইডিং অফিসার রাজকুমার রায় ভোট করতে গিয়ে আর বাড়ি ফিরে আসেননি। তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ পাওয়া গিয়েছিল রেল লাইনের ধারে। তাঁর মৃত্যুকে প্রশাসন সেই সময় আত্মহত্যা বললেও সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ এই ঘটনাকে রাজনৈতিক দুষ্কৃতীদের দ্বারা বিশেষ হত্যাকাণ্ড বলেই দাবি করেছে। রাজ্যে ইতিমধ্যেই মনোনয়ন জমা থেকে পরীক্ষা পর্যন্ত ভোটের আবহে রাজনৈতিক পরিস্থিতি খুব একটা সুস্থ নয় বলে মনে করছে যৌথমঞ্চ। দিকে দিকে বোমাবাজি, রাজনৈতিক সংঘর্ষ এবং মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হচ্ছে। তাই ভোটকর্মী হিসাবে, ভোট করাতে গেলে তাঁদের জীবনের সুরক্ষার দায়িত্ব কে নেবে? এই প্রশ্নে আজ বহরমপুরে (Murshidabad) পঞ্চায়েত নির্বাচনের ট্রেনিং সেন্টারে আসা সমস্ত ভোটকর্মী কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে স্লোগান শুরু করেন। তাঁরা স্পষ্ট দাবি রাখেন, হাইকোর্টের অর্ডার অনুযায়ী প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিতে হবে। যদি প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না পাওয়া যায়, তাহলে আমরা ভোট নিতে যাব না। এভাবেই সোচ্চার হন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের কর্মীরা।

    সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের বক্তব্য

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পক্ষে তাপস মণ্ডল বলেন, যদি রাজ্যের প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না দেওয়া হয়, তাহলে কেউ ভোট করতে যাবেন না। প্রত্যেক ভোট কর্মীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে। যৌথ মঞ্চের তরফ থেকে নির্বাচন কমিশনকে একটি চিঠিও দেওয়া হয়। যাতে বলা হয়, আমরা কেউ রাজকুমার হতে চাই না! আজ পর্যন্ত রাজকুমারের মৃত্যুর সঠিক তদন্ত হল না। আমরা সকলেই গণতন্ত্র প্রেমী, শান্তিপূর্ণ অবাধ নির্বাচন চাই। সাংবিধানিক ভাবে আমাদের অধিকার সুরক্ষিত করতে হবে বলে চিঠিতে স্পষ্ট করে বলা হয়। হিংসা মুক্ত নির্বাচন এবং রাজ্য সরকারের কাছে তাঁদের নিরাপত্তাকে সুনিশ্চিত করার দাবি রাখা হয় ওই চিঠিতে। যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, প্রত্যেক ভোট কর্মী এই চিঠি মেল করবেন কমিশনকে। কয়েক লক্ষ মেল যাবে কমিশনের কাছে। সেই সঙ্গে আরও জানানো হয়, আজ বিভিন্ন জেলার প্রতিটি ট্রেনিং সেন্টারে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ হবে। সেই সঙ্গে গণস্বাক্ষর এবং ডেপুটেশন দেওয়া হবে। পাশাপাশি কমিশন যে ভাবে বাহিনী না নেওয়ার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গেছে, তাতে সমাজের কাছে ভালো বার্তা যায়নি বলে মনে করে যৌথ মঞ্চ। বাহিনী না দিলে এরপর সংগ্রামী যৌথ মঞ্চও সুপ্রিম কোর্টে যাবে বলে জানানো হয়েছে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ভোট ঘোষণার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ শুরু জেলায় জেলায়

    Lok Sabha Election 2024: ভোট ঘোষণার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ শুরু জেলায় জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও সরকারিভাবে বাজেনি লোকসভার (Lok Sabha Election 2024) দামামা। কিন্তু, তার আগেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ। ইতিমধ্যেই বাহিনী পৌঁছে গিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গায়। আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে মোতায়েন করা হয়েছে বাহিনী। ইতিমধ্যে দুই কোম্পানি বর্ধমানের শক্তিগড় এবং দেওয়ানদিঘি থানা এলাকায় লক্ষ্য করা গিয়েছে। ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত মানুষের বাড়িতেও বাহিনী যাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

    বাহিনীর নজরে সন্দেশখালি (Lok Sabha Election 2024)

    লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা এখন কেবল মাত্র সময়ের অপেক্ষা। নির্বাচন কমিশন এখন থেকেই বিশেষ ভাবে তৎপর। কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্যের পরিস্থিতিকে খতিয়ে দেখতে বঙ্গে আসছে। তাই নির্বাচন কমিশন আসার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে জেলায় জেলায়। দুই ২৪ পরগনার মধ্যে সংবেদনশীল জায়গাগুলির মধ্যে বিশেষ করে সন্দেশখালি এবং তৎসংলগ্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বসিরহাট পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে বিশেষ বৈঠক করা হয়েছে। নির্বাচনে সিআরপিএফ রাজ্যে মোতায়েন বিষয়ে নোডাল সংস্থা স্থাপনা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    প্রথম দফায় ১০০ কোম্পানি আসবে

    সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম দফায় ১০০ কোম্পানি আসবে রাজ্যে। এরপরে আরও ৫০ কোম্পানির ফোর্স নামতে পারে রাজ্যে। যদিও এখন নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রাজ্যের প্রতি জেলায় ৫ কোম্পানি করে রাখতে চাইছে কমিশন। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনী পুলিশ সুপারের অধীনে কাজ করবে। কমিশনের বক্তব্য, “ভোটের আগে মূলত মানুষের মনকে সন্ত্রাসের ভয় থেকে মুক্ত করতে এই বাহিনীর মোতায়েন করা হবে।” একই সঙ্গে জলপাইগুড়ি এবং শিলিগুড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দল রুটমার্চ করেছে আজ। ভোটারদের কাছ থেকে জানতে চাওয়া হচ্ছে আগেরবার ভোট দিতে পেরেছিলেন কিনা। সবটা মিলিয়ে কমিশন, লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) আগে থেকেই এই রাজ্যের প্রেক্ষাপটে বেশ সাক্রিয় এবং তৎপর।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: রাজ্যে আরও ১০ দিন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী, জানাল হাইকোর্ট

    Panchayat Elections 2023: রাজ্যে আরও ১০ দিন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী, জানাল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Elections 2023) পর্ব মিটে গেলেও রাজ্যে এখনও বিক্ষিপ্ত ভাবে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটছে। এই অবস্থায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে (Central Forces) আরও ১০ দিন রেখে দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের নেতৃত্বে ডিভিশন বেঞ্চ।

    পর্যায় ভিত্তিক বাহিনী প্রত্যাহার 

    সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে কেন্দ্রের আইনজীবী জানান, বাহিনীর সময়সীমা বাড়ানোয় আপত্তি নেই কেন্দ্রের। বাহিনী থাকার সময় ১০ দিন বাড়ানো সম্ভব। হাইকোর্টে (Calcutta High Court) হলফনামা দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফেই বলা হয় যে এক সঙ্গে সব বাহিনী প্রত্যাহার না করে তারা দফায় দফায় তা প্রত্যাহারে আগ্রহী। এ ব্যাপারে রাজ্য সরকারের আইনজীবী আদালতে জানান, অবশিষ্ট ২৩৯ কোম্পানির বাহিনীর মধ্যে ১৩৯ কোম্পানি বাহিনী ইতিমধ্যে প্রত্যাহার করা হয়ে গিয়েছে। এরপর প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম তাঁর নির্দেশে বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকও যখন চাইছে তাহলে আরও ১০ দিন রাজ্যে বাহিনী রেখে দেওয়া হোক।

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে আজ এক বেলায় ৭৩টি পঞ্চায়েত ভোট মামলার শুনানি

    তবে এ ব্যাপারে রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বাহিনীর যথাযথ সমন্বয় প্রয়োজন, বলে জানায় আদালত। নইলে বাহিনী রেখে দেওয়ার কোনও অর্থ হয় না। যে সব জায়গায় এখনও অশান্তি রয়েছে, সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে লাগানো হোক। এর আগে হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর আরও ১০দিন পর্যন্ত থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আজই সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে। ইতিমধ্যে রাজ্য থেকে বাহিনী প্রত্যাহারের কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আদালতের নির্দেশ, এখন কোথায় বাহিনী যাবে, তা ঠিক করবে কমিশন ও রাজ্য। সোমবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাহিনী প্রত্যাহার করা হচ্ছে। বাহিনী প্রত্যাহারের জন্য প্রস্তুত স্পেশ্যাল ট্রেনও। যেমন খড়্গপুর থেকে রাজকোটের দিকে সোমবারই একটি স্পেশ্যাল ট্রেন রওনা দিচ্ছে। বিএসএফের ২০ কোম্পানি বাহিনী থাকবে তাতে। মেচেদা থেকে বেগুসরাই ও রাজকোটের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা সিআরপিএফের বড় বাহিনীর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: প্রতি বুথে অর্ধেক কেন্দ্রীয় বাহিনী, অর্ধেক রাজ্য পুলিশ! বড় নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    Panchayat Election 2023: প্রতি বুথে অর্ধেক কেন্দ্রীয় বাহিনী, অর্ধেক রাজ্য পুলিশ! বড় নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) রাজ্যের প্রতিটি বুথে সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। সশস্ত্র বাহিনীর অর্ধেক কেন্দ্রীয় বাহিনী ও অর্ধেক রাজ্যের বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চের। আইজি বিএসএফ এবং নোডাল অফিসারদের এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ভোট গণনা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজ্যে৷ তাই এমন বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ আদালতের।

    ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশে জানিয়েছে, পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) মোট ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। যার অর্থ, ৬৫ হাজার অ্যাকটিভ ফোর্স। এর সঙ্গে থাকছে রাজ্যের ৭০ হাজার সশস্ত্র পুলিশ। এই দুই বাহিনীকে ৫০:৫০ অনুপাতে ব্যবহার করতে হবে। কুইক রেসপন্স টিমেও কেবল রাজ্য পুলিশ রাখলে চলবে না।

    গণনা পর্যন্ত বাহিনী

    আদালতের আরও নির্দেশ, বিএসএফের আইজি পদ মর্যাদার অফিসার ফোর্স কো-অর্ডিনেটর হিসেবে কাজ করবেন। কোথায় কত ফোর্স পাঠাতে হবে, তা ঠিক করবেন তিনিই। আদালতের এই নির্দেশের জেরে বাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি আর পুরোপুরি রাজ্য নির্বাচন কমিশনের হাতে রইল না। প্রধান বিচারপতি বলেন, প্রথম নির্দেশেই আদালত জানিয়েছিল যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। তার মানে শুধু ভোটের দিন নয়, গোটা পঞ্চায়েত নির্বাচন চলাকালীন বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছিল।

    আরও পড়ুুন: ‘পঞ্চায়েত ভোটে স্পর্শকাতর বুথ ঠিক করেছেন ভাইপো,’ বিস্ফোরক অভিযোগ সুকান্তের

    প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে প্রথম থেকেই বিস্তর জল ঘোলা হয়েছিল। বিরোধীরা কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানালেও, রাজ্য নির্বাচন কমিশন রাজ্য পুলিশের ওপরই আস্থা রাখছিল। প্রয়োজনে ভিন রাজ্য থেকেও বাহিনী আনার চেষ্টা করছিল। এর পরেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিরোধীরা। নিয়মরক্ষার্থে তার পর ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে পাঠায় কমিশন। ফের আদালতে যান বিরোধীরা। এর পর আদালত জানিয়ে দেয় আরও ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। শেষমেশ রাজ্যে আসছে ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজনৈতিক মহলের মতে, প্রতিটি বুথে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন থাকলে আস্থা বাড়বে ভোটারদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: “২০১৩-র চেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট”, কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের

    Panchayat Election 2023: “২০১৩-র চেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট”, কড়া নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023) করতে হবে। এই মর্মে রায় দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন। মুখ পুড়েছে সেখানেও। রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন করানোর যে রায় হাইকোর্ট দিয়েছিল, তা বহাল রাখে দেশের শীর্ষ আদালতও।

    নামকাওয়াস্তে কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া

    আদালত অবমাননা এড়াতে রাজ্যের প্রতিটি জেলার জন্য এক কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জানায় রাজ্য। নামকাওয়াস্তে কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়ায় ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিরোধীরা। বুধবার সেই মামলায় আদালতের নির্দেশ, “২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে যে সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তার চেয়ে কম কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা চলবে না।” বিজেপির তরফে আদালতকে জানানো হয়েছিল, ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) রাজ্যে মোতায়েন করা হয়েছিল ৮২ হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    প্রধান বিচারপতির নির্দেশ

    এদিন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম বলেন, “এ বারের পঞ্চায়েত নির্বাচনের নিরাপত্তার জন্যও ওই সংখ্যক বা তার বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। কমিশন ২২টি জেলার জন্য যে ২২ কোম্পানি অর্থাৎ ২২০০ আধা সেনা মোতায়েনের কথা বলছে, তা করলে চলবে না।”

    স্পেশালাইজড ফোর্স

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের ৫ কোটি ৬৭ লক্ষ ভোটারের নিরাপত্তায় মাত্র ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। এছাড়া রাজ্যের ৬ জেলায় ১ কোম্পানি করে রাজ্যের স্পেশালাইজড ফোর্স মোতায়েনের সিদ্ধান্তও নিয়েছে কমিশন। রাজ্যের এই ৬টি জেলা হল বীরভূম, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুর। কমিশনের সিদ্ধান্ত, এই জেলাগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সঙ্গে থাকবে রাজ্যের স্পেশালাইজড ফোর্স। ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) নিরাপত্তায় মোতায়েন ছিল ৮২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। চলতি বছর নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরে রাজ্যে অশান্তি শুরু হওয়ার পরেও ২২টি জেলার জন্য মাত্র ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়ায় ওঠে প্রশ্ন।

    আরও পড়ুুন: বোমা ফেটে জখম ৫, রাজ্যের রিপোর্ট তলব জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের

    এদিন মামলার শুরুতেই প্রধান বিচারপতি কমিশনকে বলেন, “বলতে বাধ্য হচ্ছি এত কিছু পরে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ থাকছে। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করতে হচ্ছে। আপনারা দয়া করে হাইকোর্টের নির্দেশ পালন করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share