Tag: Chief Minister

Chief Minister

  • Suvendu Adhikari: বড় শিল্পের খরা কি কাটতে চলেছে? আদানি-শুভেন্দু বৈঠকের পর আশায় বুক বাঁধছে বাংলা

    Suvendu Adhikari: বড় শিল্পের খরা কি কাটতে চলেছে? আদানি-শুভেন্দু বৈঠকের পর আশায় বুক বাঁধছে বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিনের শিল্পখরা কাটিয়ে পশ্চিমবঙ্গ কি ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে? রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল বিভিন্ন মহলে। এবার সেই জল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করল নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আদানি গোষ্ঠীর শীর্ষ কর্তা করণ আদানির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক।

    নবান্নে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

    বুধবার রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দফতর নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন করণ আদানি। তিনি ভারতের বৃহত্তম বন্দর ও লজিস্টিক্স সংস্থা ‘আদানি পোর্টস অ্যান্ড স্পেশাল ইকোনমিক জোন’ (APSEZ)-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং আদানি গোষ্ঠীর পরিকাঠামো ও বন্দর ব্যবসার অন্যতম প্রধান মুখ। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে রাজ্যের পরিকাঠামো উন্নয়ন, বিদ্যুৎ ক্ষেত্র, লজিস্টিক্স হাব নির্মাণ, গ্রিনফিল্ড সড়ক প্রকল্প এবং সম্ভাব্য বৃহৎ বিনিয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    শিল্পবান্ধব বার্তা দিতে চায় নতুন সরকার

    রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকেই নতুন প্রশাসন শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে। দ্রুত অনুমোদন ব্যবস্থা, সিঙ্গল-উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বচ্ছ নীতির উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শিল্প বিনিয়োগের সুযোগ এবং বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখাই ছিল এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে সড়ক ও লজিস্টিক্স নেটওয়ার্ক উন্নয়নে আদানি গোষ্ঠী আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ পশ্চিমবঙ্গ?

    ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে পশ্চিমবঙ্গের কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। উত্তর-পূর্ব ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে রাজ্যটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। এই অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে বৃহৎ লজিস্টিক্স ও ট্রান্সপোর্ট নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ব্যাপারে আদানি গোষ্ঠী আগ্রহী বলে সূত্রের খবর। যদিও সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ বা নির্দিষ্ট প্রকল্প সম্পর্কে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।

    তাজপুর বন্দরের তিক্ত অভিজ্ঞতা

    তবে এই সম্ভাবনার আলোচনার পাশাপাশি উঠে আসছে অতীতের কিছু ব্যর্থতার কথাও। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তাজপুরে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের দায়িত্ব পেয়েছিল আদানি গোষ্ঠী। সেই প্রকল্পকে ঘিরে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। মনে করা হয়েছিল, বন্দরটি চালু হলে বিপুল কর্মসংস্থান এবং শিল্পোন্নয়নের পথ খুলবে। কিন্তু জমি অধিগ্রহণ, প্রশাসনিক জটিলতা এবং নীতিগত সমস্যার কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি। শেষ পর্যন্ত টেন্ডার বাতিল হয়ে যায় এবং আদানি গোষ্ঠী তাদের বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রত্যাহার করে নেয়। সেই ঘটনা রাজ্যের শিল্পবান্ধব ভাবমূর্তির উপরও প্রভাব ফেলেছিল।

    বদলেছে পরিস্থিতি?

    অর্থনৈতিক ও শিল্পমহলের একাংশের মতে, বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। নতুন সরকারের অধীনে শিল্প ও বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। সেই কারণেই অতীতের তিক্ততা ভুলে আদানি গোষ্ঠী আবারও পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বলে মনে করা হচ্ছে। করণ আদানির এই সফর ও বৈঠক সেই বার্তাই দিচ্ছে বলে মত পর্যবেক্ষকদের।

    কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিতে বড় প্রভাবের সম্ভাবনা

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্দর, বিদ্যুৎ, সড়ক এবং লজিস্টিক্সের মতো কোর সেক্টরে বৃহৎ বিনিয়োগ এলে রাজ্যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে। এর ফলে বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি রাজ্যের সামগ্রিক অর্থনীতিও গতি পেতে পারে। শিল্পায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিকেই বর্তমানে অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছে রাজ্য সরকার।

    অন্য শিল্পগোষ্ঠীর কাছেও ইতিবাচক বার্তা

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আদানি গোষ্ঠীর মতো বৃহৎ কর্পোরেট সংস্থা যদি পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখায়, তবে তা দেশের অন্যান্য শিল্পপতিদের কাছেও ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেবে। অতীতে বিভিন্ন কারণে বাংলায় বিনিয়োগ থেকে দূরে থাকা বহু সংস্থাও নতুন করে রাজ্যের দিকে নজর দিতে পারে। এর ফলে বৃহত্তর শিল্পায়নের পথ আরও প্রশস্ত হতে পারে।

    এখন নজর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিকে

    শুভেন্দু অধিকারী ও করণ আদানির বৈঠককে অনেকেই নতুন শিল্প-সম্ভাবনার সূচনা হিসেবে দেখছেন। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রকল্প, বিনিয়োগের অঙ্ক বা সময়সীমা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। তাই এখন শিল্পমহল ও সাধারণ মানুষের নজর আগামী দিনের দিকে। এই বৈঠক কি সত্যিই পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক মানচিত্রে বড় পরিবর্তনের সূচনা করবে, নাকি তা কেবল সম্ভাবনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে— সেই উত্তরই সময় দেবে।

     

  • Keralam CM Race: মুসলিম লিগের পছন্দ মেনে কেরলের নতুন মুখ্যমন্ত্রী ভিডি সতীশন, গণনার ১০ দিন পরে নাম ঘোষণা কংগ্রেসের

    Keralam CM Race: মুসলিম লিগের পছন্দ মেনে কেরলের নতুন মুখ্যমন্ত্রী ভিডি সতীশন, গণনার ১০ দিন পরে নাম ঘোষণা কংগ্রেসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ১০ দিনের জটিল রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর অবশেষে কেরলের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর (Keralam CM Race) নাম ঘোষণা করল কংগ্রেস। দক্ষিণের এই রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ভিডি সতীশনকে বেছে নিয়েছেন কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে সতীশনের নাম ঘোষণা করেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা কেরলের দায়িত্বপ্রাপ্ত দীপা দাশমুন্সি। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা রমেশ চেন্নিতালা ও কে সি ভেনুগোপাল-এর সঙ্গে কঠিন প্রতিযোগিতার পর শেষ পর্যন্ত সতীশনের পক্ষেই সিলমোহর দিল কংগ্রেস নেতৃত্ব। এই সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় শরিক দল ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (আইইউএমএল)।

    কেন বাছা হল সতীশনকে

    এদিন দীপা দাসমুন্সির সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেস নেতা অজয় মাকেন, মুকুল ওয়াসনিক এবং জয়রাম রমেশ। কেরলে ১০২টি আসনে জয়ী হয়েছে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন জোট ইউডিএফ। অথচ ভোটগণনার পর থেকে ১০ দিন কেটে গেলেও এই রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা স্থির করতে পারছিলেন না কংগ্রেস নেতৃত্ব। গত বিধানসভার বিরোধী দলনেতা সতীশন ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে ছিলেন কংগ্রেস সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল এবং বর্ষীয়ান নেতা রমেশ চেন্নিতালা। এর আগে কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছিল যে, কংগ্রেস পরিষদীয় দল মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বেণুগোপালের নাম প্রস্তাব করেছে। কিন্তু বিধায়কদের একাংশ আবার সতীশনকে মুখ্যমন্ত্রী করার দাবি জানান। এই অংশটির যুক্তি ছিল ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ইউডিএফ এবং কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয়ের পর দলকে জয়ের রাস্তায় ফিরিয়েছেন সতীশনই।

    মুসলিম লিগের দাবি মানা হল

    সতীশনকে বেছে নেওয়ার পিছনে কংগ্রেসের জোট নির্ভরতা অনেকাংশে দায়ী। কংগ্রেস সূত্রের খবর, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ইন্ডিয়ান মুসলিম লিগ (আইইউএমএল)-এর রাজ্য সভাপতি সাদিক আলি সাহেব-এর সঙ্গেও যোগাযোগ করে কংগ্রেস নেতৃত্ব। যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে মুসলিম লিগ প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেনি। ১৩ মে মালাপ্পুরমে বৈঠকে আইইউএমএল স্পষ্টভাবে সতীশনের পক্ষ নেয়। তাদের যুক্তি ছিল, ইউডিএফকে নিরঙ্কুশ জয়ের পথে নেতৃত্ব দিয়েছেন সতীশনই। ১৪০ আসনের বিধানসভায় ইউডিএফ পেয়েছে ১০২টি আসন। এর মধ্যে কংগ্রেসের ৬৩ এবং মুসলিম লিগের ২২টি আসন থাকায় জোট সরকার গঠনে আইইউএমএল-এর গুরুত্ব অনেকটাই বেড়ে যায়। রাজনৈতিক মহলের মতে, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-র ওয়েনাড় লোকসভা কেন্দ্রেও মুসলিম লিগের প্রভাব রয়েছে। ওয়েনাড়, কোঝিকোড় ও মালাপ্পুরম জেলার একাধিক বিধানসভা কেন্দ্র জুড়ে লিগের সাংগঠনিক শক্তি থাকায় কংগ্রেস নেতৃত্ব তাদের বিরাগভাজন হতে চায়নি। অন্যদিকে সতীশনের উত্থান ঘিরে আদর্শগত বিতর্কও তীব্র হয়েছে। বিজেপি ও সংঘ পরিবার ঘনিষ্ঠ মহলের অভিযোগ, তিনি ইসলামপন্থী সংগঠনগুলির প্রতি নরম মনোভাব পোষণ করেন।

  • Suvedu Adhikari: সমাজমাধ্যমে ‘মুখ্যমন্ত্রী’ জুড়ে নিলেন শুভেন্দু, এখনও ‘প্রাক্তন’ লিখলেন না মমতা! বদলে কী করলেন?

    Suvedu Adhikari: সমাজমাধ্যমে ‘মুখ্যমন্ত্রী’ জুড়ে নিলেন শুভেন্দু, এখনও ‘প্রাক্তন’ লিখলেন না মমতা! বদলে কী করলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাজমাধ্যমে শনিবার নিজের পরিচয় বদলালেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvedu Adhikari)। নামের সঙ্গে জুড়লেন ‘মুখ্যমন্ত্রী’ পরিচয়। তবে ভাঙলেন কিন্তু মচকালেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম পেজ বা এক্স হ্যান্ডলে নিজের নামের পাশে এতদিন ‘প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী’ লেখেননি মমতা। শুধু উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ। আজ থেকে সমাজমাধ্যমে মমতার নতুন পরিচয়— ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপার্সন এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী (পঞ্চদশ, ষোড়শ এবং সপ্তদশ বিধানসভা)’।

    সমাজমাধ্যমে পরিচয় বদল

    অন্য দিকে, শনিবার শপথ নেওয়ার পরে শুভেন্দুর সমাজমাধ্যম-পরিচয় হয়েছে ‘পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী’। গত ৪ মে বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের পরাজয়ের পরেও প্রথা মেনে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেননি মমতা। সাংবিধানিক বিধি অনুযায়ী ৭ মে পর্যন্ত তাঁর সরকারের মেয়াদ ছিল। সেই রাতে পশ্চিমবঙ্গের সপ্তদশ বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করেন রাজ্যপাল আরএন রবি। অর্থাৎ, বিধানসভার অস্তিত্বও আর নেই। কিন্তু সমাজমাধ্যমে তিনি নিজের পরিচয় পরিবর্তন করেননি। শনিবার সকাল পর্যন্ত সেখানে নিজেকে ‘পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী’ বলে পরিচিত করছেন তিনি। তাঁর ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম পেজ বা এক্স হ্যান্ডল খুললেই সেই পরিচয় দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু বেলা গড়াতেই তা বদলে গেল। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল বলছে ২৯৪ (ভোট হয়েছে ২৯৩ আসনে) আসনের মধ্যে ২০৭টি আসন বিজেপি জিতে নিয়েছে। শাসকদল তৃণমূল পেয়েছে ৮০টি আসন। নিজের কেন্দ্র ভবানীপুর থেকে শুভেন্দুর কাছে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন মমতা।

    কলকাতা পুলিশের সোশ্যাল মিডিয়াতে পরিবর্তন

    কলকাতা পুলিশের সোশ্যাল মিডিয়াতেও বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটানো হল। ‘আনফলো’ করা হয়েছে সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee)। অন্যদিকে ‘ফলো’র তালিকায় যুক্ত হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের এক্স অ্যাকাউন্ট। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর অফিস অর্থাৎ পিএমও এবং অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককেও সংযুক্ত করা হয়েছে ‘ফলো’র তালিকায়। আগে থেকেই কলকাতা পুলিশের এক্স হ্যান্ডেলে ফলো’র তালিকায় ছিলেন বিদায়ী বিরোধী দলনেতা তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল এবার ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে তাই শুধু নয়, তিনি নিজেও ভবানীপুরে হেরে গিয়েছেন। ফলে এই মুহূর্তে তিনি লোকসভা এবং বিধানসভার সদস্য নন। তার বিরোধী দলনেতা হওয়ারও কোনও সুযোগ নেই। তিনি এখন শুধুই তৃণমূলের চেয়ারপারসন।

    কেন ফলো করা হতো না প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে

    বলাই বাহুল্য কলকাতা পুলিশের এই সিদ্ধান্তের পেছনে নির্বাচনী ফলাফল একটি কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মহলে বিতর্ক আছে। কোনও কোনও মহলের বক্তব্য, সরকারি প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে পুলিশের কাজের স্বার্থেই সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে ফলোর তালিকায় রাজনৈতিক প্রশাসনিক এবং সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নাম ফলো’র তালিকায় থাকা বাঞ্ছনীয়। সেই কারণেই প্রশ্ন উঠেছে এতদিন কলকাতা পুলিশের সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মের ফলো’র তালিকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, পিএমও, হোম মিনিস্ট্রি সহ গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও মন্ত্রকের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল কেন ফলো করা হতো না?

  • Manipur CM: রাষ্ট্রপতি শাসনের অবসান, নয়া মুখ্যমন্ত্রী পেল মণিপুর

    Manipur CM: রাষ্ট্রপতি শাসনের অবসান, নয়া মুখ্যমন্ত্রী পেল মণিপুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরখানেক ধরে রাষ্ট্রপতি শাসনে থাকার পর শেষমেশ মুখ্যমন্ত্রী পেল মণিপুর (Manipur CM)। মঙ্গলবার বিজেপি (BJP) বিধায়ক যুমনাম খেমচন্দ সিংকে বিজেপি বিধানসভা দলের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বিজেপি নেতৃত্ব মণিপুরের বিজেপি বিধায়কদের পাশাপাশি জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ)-র শরিক দলগুলির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেয়।

    মণিপুরে শপথ নয়া মুখ্যমন্ত্রীর (Manipur CM)

    এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির মণিপুরের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক তরুণ চুঘ এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা সম্বিত পাত্র। আজ, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ শপথ নেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। লোকভবনে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল অজয় ভাল্লা। জানা গিয়েছে, বিজেপি নেত্রী নেমচা কিপগেন এবং নাগা পিপলস ফ্রন্ট (এনপিএফ)-এর নেতা লোসি ডিখো উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে গোবিন্দাস কন্থৌজামকে। মণিপুর বিধানসভায় মোট সদস্য সংখ্যা ৬০ জন। এর মধ্যে বিজেপির রয়েছেন ৩৭ জন বিধায়ক। ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ছিল ৩২। পরবর্তী কালে জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর পাঁচজন বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দেন। এছাড়াও বিধানসভায় রয়েছেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ৬ বিধায়ক, নাগা পিপলস ফ্রন্টের ৫ বিধায়ক, কংগ্রেসের ৫ জন, কুকি পিপলস অ্যালায়েন্সের ২ জন, জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর ১ জন এবং ৩ নির্দল বিধায়ক।

    যুমনাম খেমচন্দ সিং

    এক বিধায়কের মৃত্যুতে বর্তমানে একটি আসন শূন্য রয়েছে (Manipur CM)। গত বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি জাতিগত হিংসার প্রেক্ষিতে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংয়ের পদত্যাগের পর থেকেই মণিপুরে জারি করা হয় রাষ্ট্রপতি শাসন। প্রশ্ন হল, কে এই যুমনাম খেমচন্দ সিং? মেইতেই সম্প্রদায়ের সদস্য যুমনাম খেমচন্দ সিং মণিপুরের সিঞ্জামেই বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক। ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি মণিপুর বিধানসভার স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি গ্রামীণ উন্নয়ন, পঞ্চায়েতি রাজ এবং শিক্ষা দফতরেরও মন্ত্রী ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি খেলাধুলোর সঙ্গেও যুক্ত খেমচন্দ সিং। মার্শাল আর্ট তায়কোয়ান্দোর প্রসারেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে তাঁর। ২০২৫ সালে তিনি প্রথম ভারতীয় হিসেবে (BJP) ঐতিহ্যবাহী তায়কোয়ান্দোয় পঞ্চম ড্যান ব্ল্যাক বেল্ট অর্জন করেন। দক্ষিণ কোরিয়ার সিওলে অবস্থিত গ্লোবাল ট্র্যাডিশনাল তায়কোয়ান্দো ফেডারেশন তাঁকে এই সম্মান দেয় (Manipur CM)।

     

     

  • Karnataka: নেতৃত্বের প্রশ্নে ফের অশান্তি শুরু কর্নাটক কংগ্রেসে

    Karnataka: নেতৃত্বের প্রশ্নে ফের অশান্তি শুরু কর্নাটক কংগ্রেসে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেতৃত্বের প্রশ্নে ফের অশান্তি শুরু হয়েছে কর্নাটক (Karnataka) কংগ্রেসে। মাত্র চার মাসের মধ্যে মাণ্ড্য জেলার এক প্রাক্তন সাংসদ ও তিনজন বর্তমান বিধায়ক-সহ দলের চার নেতাকে প্রকাশ্যে উপমুখ্যমন্ত্রী ডিকে শিবকুমারকে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন করার জন্য নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

    নোটিশে অভিযোগ (Karnataka)

    দলের শৃঙ্খলা কমিটির পাঠানো ওই নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে যে, তাঁরা দলকে বিব্রত করেছেন এবং কংগ্রেসের হাইকমান্ডের নির্দেশের বিরুদ্ধে গিয়েছেন। প্রসঙ্গত, গত জুলাই মাস থেকে প্রতি মাসেই অন্তত একজন বা দু’জন কংগ্রেস সাংসদ প্রকাশ্যে বলেছেন যে, সিদ্দারামাইয়ার বদলে শিবকুমারকে মুখ্যমন্ত্রী করা হোক, অথবা বছরের শেষের আগে তাঁকে সেই পদে উন্নীত করা হবে। এতে দলীয় ঐক্যে ফাটল চওড়া হয়েছে। যদিও সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমার নিজেরাই বারবার কোনও ক্ষমতা ভাগাভাগির চুক্তি থাকার কথা অস্বীকার করেছেন।

    শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখে

    জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় যাঁরা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখে পড়েছেন, তাঁরা হলেন কুনিগালের বিধায়ক এইচডি রঙ্গনাথ এবং মাণ্ড্যর প্রাক্তন সাংসদ এলআর শিবরাম গৌড়া। এর আগেও মাত্র কয়েক মাস আগে চন্নাগিরির বিধায়ক শিবগঙ্গা ভি বাসবরাজ এবং রামনগরার বিধায়ক ইকবাল হুসেনকে একই ধরনের মন্তব্য করার জন্য নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। ১ জুলাই শিবকুমারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও রামনগরার কংগ্রেস বিধায়ক ইকবাল হুসেন প্রকাশ্যে বলেছিলেন, সিদ্দারামাইয়া ইতিমধ্যেই পাঁচ বছর এবং আরও আড়াই বছর – মোট সাড়ে সাত বছর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যথেষ্ট সুযোগ পেয়েছেন। তিনি বলেন, “ডিকে শিবকুমার দলের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছেন এবং দলকে ১৪০টি আসন এনে দিয়েছেন। ২০২৮ সালে কংগ্রেসকে ফের ক্ষমতায় আনার জন্য তাঁকে একটা সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।” তিনি কবুল করেন, দলের হাইকমান্ড প্রকাশ্যে নেতৃত্ব পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা না করার নির্দেশ দিলেও তিনি এই মতামত কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক রণদীপ সিং সুরজেওয়ালাকে জানিয়েছেন (Karnataka)।

    বাসবরাজের ভবিষ্যদ্বাণী

    বাসবরাজ এবারই প্রথম বিধায়ক হয়েছেন। অগাস্ট মাসে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে ডিসেম্বরের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তর হতে যাচ্ছে এবং শিবকুমার মুখ্যমন্ত্রী হবেন। তাঁর এই মন্তব্য শিবকুমার সঙ্গে সঙ্গেই খারিজ করে দেন। যাঁরা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে এই ধরনের মন্তব্য করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, রঙ্গনাথ শিবকুমারকে তাঁর রাজনৈতিক গুরু বলে উল্লেখ করেন এবং ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের জয়ের কৃতিত্ব দেন তাঁকেই। তিনি শিবকুমারকে উদীয়মান তারকা এবং সারা ভারতের নেতা বলেও অভিহিত করেন। তিনি বলেন, একদিন তিনি মুখ্যমন্ত্রী হবেন। তিনি এই পদে বসার যোগ্য।

    কোন্দল ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা

    সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমার দুজনেই এই অভ্যন্তরীণ কোন্দল ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। সংবাদমাধ্যমে কথা বলতে গিয়ে শিবকুমার বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর পদ ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনার কোনও প্রয়োজন নেই। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এবং আমি একসঙ্গে কাজ করছি। আমরা হাইকমান্ডের নির্দেশ মেনে চলছি।” তিনি আরও জানান, তিনি কর্নাটক প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির কার্যনির্বাহী সভাপতি জিসি চন্দ্রশেখরকে এই বিষয়ে মন্তব্য করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “বিজেপি যা বলছে, তার প্রতি আমাদের কোনও প্রতিক্রিয়া জানানোর প্রয়োজন নেই (Karnataka)।” মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াও বারবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে তিনি তাঁর পাঁচ বছরের মেয়াদ সম্পূর্ণ করবেন। মাঝপথে পদত্যাগের কোনও প্রশ্নই নেই। দশেরা উদ্‌যাপনের সময়ও তিনি ফের বলেছিলেন, “কংগ্রেস সরকার ব্যক্তিগত অনুমানের ভিত্তিতে নয়, বরং দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালিত হবে।”

    দলীয় দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    এই প্রথম নয় যে কর্নাটক কংগ্রেসের দলীয় দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এসেছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, জাতিগত সমীক্ষা রিপোর্টকে ঘিরে দলটির মধ্যে বড় ধরনের বিভাজন তৈরি হয়েছিল। ওই সমীক্ষায় কর্নাটকের জাতি অনুযায়ী প্রকৃত জনসংখ্যার তথ্য প্রকাশ পায়, যা লিঙ্গায়ত, ভোক্কালিগা এবং কিছু মুসলিম গোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। তারা আশঙ্কা করেছিল, এই তথ্য রাজ্যের সংরক্ষণ রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে (Karnataka)।

    সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমারের ঘনিষ্ঠ বেশ কয়েকজন কংগ্রেস নেতা প্রকাশ্যে এই সমীক্ষার ফল এবং এর রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে তর্কেও জড়িয়ে পড়েছিলেন। এই ঘটনাটি দেখিয়ে দিয়েছিল যে জাতি, সম্প্রদায় ও নেতৃত্বের আকাঙ্ক্ষার ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে কংগ্রেস কতটা বিভক্ত। এখন মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে সর্বশেষ অভ্যন্তরীণ বিবাদের প্রেক্ষিতে দলটি আবারও ঐক্য ও শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে, যখন দলটি সরকারে একটি স্থিতিশীল ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করছে, সেই সময় (Karnataka)।

  • Woman Chief Minister: এবার দিল্লিতে ফের মহিলা মুখ্যমন্ত্রী! কে কে রয়েছেন দৌড়ে?

    Woman Chief Minister: এবার দিল্লিতে ফের মহিলা মুখ্যমন্ত্রী! কে কে রয়েছেন দৌড়ে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৭ বছর পরে হয়েছে দিল্লি বিজয়। সেই সময় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী (Woman Chief Minister) ছিলেন প্রয়াত বিজেপি নেত্রী সুষমা স্বরাজ। তার পর দিল্লিতে (Delhi) কায়েম হয় কংগ্রেস ও আপের রাজত্ব। এবার ফের পালাবদল ঘটেছে। দিল্লির রাশ ফের এসেছে পদ্ম-পার্টির হাতে। এবারও কি তাহলে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী পেতে চলেছেন দিল্লিবাসী? চলছে নানা গুঞ্জন।

    মহিলা মুখ্যমন্ত্রী! (Woman Chief Minister)

    এক পক্ষের মতে, আরএসএসের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে এমন কাউকে বেছে নেওয়া হবে মুখ্যমন্ত্রী পদে। তবে বিজেপিরই অন্য এক অংশের মতে, এবার কোনও মহিলার মাথায় উঠতে পারে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রিত্বের তাজ। অসমর্থিত সূত্রের খবর, সামাজিকভাবে প্রতিনিধিত্বশীল পটভূমি থেকে একজনকে উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হতে পারে। দিল্লির এই নয়া মন্ত্রিসভায় মহিলা এবং দলিতদের জোরালো উপস্থিতিও দেখা যেতে পারে।

    মোদি দেশে ফিরলেই ঘোষণা!

    সদ্য সমাপ্ত দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছে বিজেপি। ৭০ আসনের বিধানসভায় গেরুয়া পার্টি পেয়েছে ৪৮টি। বাকি ২২টি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। এবার দিল্লিতে একটি আসনও পায়নি কংগ্রেস। যেহেতু দুই তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় পেয়েছে বিজেপি, তাই সরকার গড়বে পদ্ম পার্টি। তবে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে কাকে বসানো হবে, তা জানা যাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিদেশ সফর সেরে ফিরলে।

    এক প্রবীণ বিজেপি নেতার ইঙ্গিত, বিজেপি যথেষ্ট সতর্কতার সঙ্গে সম্ভাব্য বিকল্পগুলি বিবেচনা করছে। এই বিবেচনা থেকেই বেছে নেওয়া হতে পারে পূর্বাঞ্চলীয় পটভূমির কোনও প্রার্থীকে। শিখ কিংবা কোনও জাঠ নেতাকেও বসানো হতে পারে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে। কোনও মহিলাকেও মনোনীত করা হতে পারে। বিজেপির ওই নেতার কথায়, এটাই হবে সব চেয়ে উপযুক্ত (Woman Chief Minister)।

    মুখ্যমন্ত্রিত্বের দৌড়ে যেসব মহিলা এগিয়ে রয়েছেন, তাঁরা হলেন রেখা গুপ্ত। শালিমার বাগের বিধায়ক তিনি। বিজেপির মহিলা ইউনিটের জাতীয় সহ সভাপতি তিনি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে তিনি হারিয়েছেন সাড়ে ২৯ হাজারেরও বেশি ভোটে। দৌড়ে রয়েছেন গ্রেটার কৈলাশের বিধায়ক শিখা রায়, ওয়াজিপুরের বিধায়ক (Delhi) পুনম শর্মা, নজফগড়ের বিধায়ক নীলম পেহলওয়ান, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি এবং প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুষমা স্বরাজের মেয়ে বাঁশুরি স্বরাজ (Woman Chief Minister)।

  • Delhi Chief Minister: আরএসএস ঘনিষ্ঠ কারও মাথায় উঠবে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রিত্বের তাজ?

    Delhi Chief Minister: আরএসএস ঘনিষ্ঠ কারও মাথায় উঠবে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রিত্বের তাজ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপ দুর্গে ধস নামিয়ে দিল্লি দখল করেছে বিজেপি। ৭০ আসনের এই বিধানসভায় বিজেপি একাই পেয়েছে ৪৮টি। বাকি ২২টিতে জয়ী হয়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। দিল্লি বিজয় হওয়ার পর বিজেপির অন্দরে যে প্রশ্নটি ঘুরপাক খাচ্ছে, তা হল কার মাথায় উঠবে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রিত্বের তাজ (Delhi Chief Minister)? ইতিমধ্যেই এ নিয়ে একপ্রস্ত আলোচনা হয়ে গিয়েছে পদ্ম পার্টির শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে। তার পরেই ফ্রান্স উড়ে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কানাঘুষোয়, শোনা যাচ্ছে তিনি দেশে ফিরলে, তবেই জানা যাবে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রিত্বের কুর্সিতে কে বসবেন।

    মসনদে আরএসএস ঘনিষ্ঠ কেউ (Delhi Chief Minister)

    তবে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের ওই রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পরে শোনা যাচ্ছে পদ্মময় দিল্লির মসনদে বসানো হতে পারে আরএসএস ঘনিষ্ঠ কাউকে। এর মধ্যে রয়েছেন উত্তম নগর থেকে জয়ী পবন শর্মা। পবন প্রাক্তন সংঘ প্রচারক। দিল্লি রাজ্য সংগঠনের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদকও তিনি। পবন ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রিত্বের দৌড়ে রয়েছেন আরও একজন। তিনি আদর্শ নগর কেন্দ্র থেকে জয়ী রাজকুমার ভাটিয়া। এবিভিপির সঙ্গে কাজ করেছেন। তিনি পাঞ্জাবি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। রোহিণী থেকে জয়ী জিতেন্দ্র মহাজন পাঞ্জাবি এবং বৈশ্য উভয় সম্প্রদায়েরই প্রতিনিধি। তবে তিনি সংঘ পরিবারের বাইরের। তাই তাঁর কপালে মুখ্যমন্ত্রিত্বের শিকে ছেঁড়ার সম্ভাবনা কম।

    মুখ্যমন্ত্রিত্বের দৌড়ে এগিয়ে কারা

    বিজেপি (Delhi Chief Minister) যদি আরএসএস ঘনিষ্ঠ কাউকে দিল্লির কুর্সিতে বসায়, তাহলে দৌড়ে এগিয়ে পবন এবং রাজকুমার। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিদেশ সফর থেকে ফিরে না আসা পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত হবে না বলেই জানা গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ফিরবেন ১৪ ফেব্রুয়ারি। তার পরেই চূড়ান্ত হতে পারে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর নাম। বিজেপির এক প্রবীণ নেতা বলেন, “আরএসএস বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেবে। যার মধ্যে একটি নির্দিষ্ট জাতি বা সম্প্রদায়ের ভোটারদের দ্বারা বিজেপিকে দেওয়া সমর্থন অন্যতম।” বিজেপির একটি সূত্রের খবর, বিজেপির দিল্লি বিজয় যাদের জন্য সম্ভব হয়েছে, তাদের মধ্যে মূলত রয়েছেন ব্রাহ্মণ, জাঠ এবং পাঞ্জাবি সম্প্রদায়ের ভোটার। তাই এই তিন সম্প্রদায়ের থেকেই কাউকে বেছে নেওয়া হবে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উপ-মুখ্যমন্ত্রী, দিল্লি বিধানসভার স্পিকার এবং মন্ত্রিসভার সাতজন মন্ত্রীর নামও চূড়ান্ত করা হতে পারে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলে (Delhi Chief Minister)।

  • Tirupati Temple:  তিরুপতি মন্দিরে হুড়োহুড়ি, পদপিষ্ট হয়ে মৃত অন্তত ৬, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    Tirupati Temple: তিরুপতি মন্দিরে হুড়োহুড়ি, পদপিষ্ট হয়ে মৃত অন্তত ৬, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি মন্দিরে (Tirupati Temple) পদপিষ্ট হয়ে মৃত অন্তত ৬। গুরুতর আহতের সংখ্যা ১৫। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। আহতদের উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু। বৃহস্পতিবার আহতদের সঙ্গে দেখা করতে তিরুপতি যাচ্ছেন তিনি। 

    বৈকুণ্ঠদ্বার দর্শনের সুযোগ (Tirupati Temple)

    বৈকুণ্ঠ একাদশীর দিন বৈকুণ্ঠদ্বার দর্শনের সুযোগ পান ভক্তরা। তিরুপতি মন্দিরের বৈকুণ্ঠদ্বার দর্শনের জন্য আগে থেকে টিকিট কাটতে হয়। বুধবার সকাল থেকে ওই টিকিট জোগাড় করতে ভিড় করেন প্রচুর মানুষ। সন্ধ্যায় বৈরাগী পট্টিতা পার্কে টিকিট বিলির আগে কাউন্টারের সামনে অন্ততপক্ষে সাড়ে চার হাজার মানুষ ভিড় করেছিলেন। কাউন্টার খুলতেই শুরু হয়ে যায় টিকিট পেতে হুড়োহুড়ি। ভিড়ের চোটে মাটিতে পড়ে যান অন্তত ৬০ জন। অনেকে উঠে দাঁড়াতে পারলেও, পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় অন্তত ছজনের। মৃতের সংখ্যা আরও বড়তে পারে বলেই খবর। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকাজ। আহতদের উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর রামনারায়ণ রুইয়া হাসপাতালে (Tirupati Temple)।

    আরও পড়ুন: ক্ষমতার চিটে গুড়ে পা আটকে ইউনূসের! তাই কি ক্ষুব্ধ খালেদার বিএনপি?

    শোক প্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    ঘটনায় শোক জ্ঞাপন করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, তিরুপতিতে পদদলিত হয়ে অনেক ভক্তের প্রাণহানির খবর শুনে আমি মর্মাহত। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির প্রতি আমার গভীর সমবেদনা জানাই এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।

    শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার রাতে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রীর অফিসের তরফে লেখা হয়েছে, ‘তিরুপতির (Tirupati Temple) ঘটনায় শোকাহত। নিহতদের পরিবারের পাশে আছি। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার সব রকম সাহায্যের জন্য প্রস্তুত (Andhra Pradesh)।’

    ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “তিরুপতির ঘটনায় গভীরভাবে শোকাহত। নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানাই। মৃতদের আত্মা শান্তি পাক। এই ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা ভেবেই আমি হতবাক। আহতরা যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন এই প্রার্থনা করছি।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Himachal Pradesh: মুখ্যমন্ত্রী সুখুর শিঙারা খেল কে? সিআইডি তদন্তের নির্দেশ হিমাচলে, কটাক্ষ বিজেপির

    Himachal Pradesh: মুখ্যমন্ত্রী সুখুর শিঙারা খেল কে? সিআইডি তদন্তের নির্দেশ হিমাচলে, কটাক্ষ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখুর  (Sukhvinder Singh Sukhu) জন্য আনা শিঙারা কে খেল? এটাই হিমাচলে (Himachal Pradesh) এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। এই প্রশ্নের উত্তরের সন্ধানে হিমাচল প্রদেশের প্রশাসন৷ এমনকী, গায়েব হয়ে যাওয়া শিঙারার রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি৷ ইতিমধ্যে রিপোর্টও জমা পড়েছে৷

    কী ঘটেছিল

    ঘটনার সূত্রপাত হয় ২১ অক্টোবর৷ সেদিন সিআইডি-র সদর দফতরে এক অনুষ্ঠানে যান মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু৷ তাঁর জলখাবারের জন্য এক নামকরা রেস্তোরাঁ থেকে শিঙাড়া (Samosa Controversy) ও কেক আনা হয়৷ কিন্তু অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সেই খাবার পৌঁছয়নি৷ বরং, ভুল করে সেই খাবার খেয়ে নেন তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা৷ ভিভিআইপি প্রোটোকল উপেক্ষা করে কী করে এই ঘটনা ঘটল? সেই প্রশ্নের উত্তর খুজতে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয় ৷ নির্দেশ পাওয়ার পর তদন্তও শুরু করে দেন সিআইডি কর্তারা৷ ইতিমধ্য়ে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা৷ ডেপুটি পুলিশ সুপার পদমর্যাদার এক আধিকারিককে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁর দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, সমন্বয়ের অভাবেই এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক তরজা শুরু হয় হিমাচলে৷

    বিজেপির কটাক্ষ

    এ নিয়ে রাজ্যের শাসক দল কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে বিজেপি ৷ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বিজেপি বিধায়ক তথা মিডিয়া সেলের ইনচার্জ রণধীর শর্মা বলেছেন, “একাধিক সমস্যা জর্জরিত হিমাচলের মানুষ ৷ অথচ এই মুহূর্তে মুখ্যমন্ত্রীর শিঙাড়া কোথায় গেল, তা নিয়ে চিন্তিত রাজ্য়ের সরকার ৷ রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে এই সরকারের কোনও চিন্তা নেই ৷” মুখ্যমন্ত্রী সুখুর ‘অপূর্ণ রসনাতৃপ্তি’ নিয়ে কটাক্ষ করে বিজেপি বলেছে, এই সরকার রাজ্যের উন্নয়নের কথা না ভেবে শিঙাড়ায় মজে রয়েছে। শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করে সরকারি দল যে বিবৃতিই দিচ্ছে তাতে এখন পাল্টা মিম তৈরি হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Incident: ‘‘টাকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলছেন’’, মমতাকে তোপ নির্যাতিতার মায়ের

    RG Kar Incident: ‘‘টাকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলছেন’’, মমতাকে তোপ নির্যাতিতার মায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) ইস্যুতে দেশজুড়ে আন্দোলন চলছে। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। সোমবার সুপ্রিম শুনানির পর নবান্নে  সাংবাদিক সম্মেলন করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, আরজি করে নির্যাতিতার পরিবারকে টাকা দেওয়ার কোনও প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে পরিবার মিথ্যা কথা বলছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে পাল্টা নিশানা করলেন নির্যাতিতার মা। যা নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

    টাকা দেওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলছেন (RG Kar Incident)

    নির্যাতিতার মা (Sodepur) বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলছেন। মুখ্যমন্ত্রী বাড়িতে এসে আমাদের বলেছিলেন, আপনারা তো একটা টাকা পাবেন। মেয়ের স্মৃতির জন্য কিছু একটা তৈরি করে রাখবেন। আমি তখন বলেছিলাম, যখন আমার মেয়ে বিচার (RG Kar Incident) পাবে, তখন আপনার দফতরে গিয়ে সেই টাকা নিয়ে আসব। আর পুলিশের থেকে আমাদের কাছে টাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।’’ নির্যাতিতার মায়ের অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর লোকজন এই আন্দোলনকে গলা টিপে হত্যা করতে চাইছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমার মেয়েকে যেভাবে গলা টিপে মারা হয়েছে, প্রমাণ লোপাট করা হয়েছে, ঠিক সেই ভাবে মুখ্যমন্ত্রী আন্দোলনের গলা টিপে হত্যা করতে চেয়েছেন। কারণ, আন্দোলনটা থেমে গেলে তিনি নিজের জায়গায় ভালোভাবে টিকে থাকতে পারবেন।’’ অভয়ার মায়ের কথায়, ‘‘যতদিন না বিচার পাব, ততদিন আমরা পথে থাকব, আন্দোলনে থাকব।’’

    কাজে ফেরা নিয়ে সরব নির্যাতিতার মা?

    ডাক্তারদের আন্দোলন (RG Kar Incident) থেকে কাজে ফিরতে চেয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে আবেদন জানিয়েছেন তা নিয়ে নির্যাতিতার মা বলেন, ‘‘ডাক্তারেরা যদি নিজেদেরকে নিরাপদ না মনে করেন তাহলে তাহারা কীভাবে কাজে যোগ দেবেন?’’ ডাক্তারদের আন্দোলনে স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মমতা। তা নিয়ে মা বলেন, ‘‘হাসপাতালে অনেক ক্রিটিকাল রোগী মারা যান। আমার মেয়ে যখন হাসপাতালে রোগী দেখত, তখন ওর কাছেই জানতাম। কিন্তু, তার সঙ্গে আন্দোলনের কী সম্পর্ক?’’

    উৎসবে ফেরা নিয়ে কী বললেন নির্যাতিতার মা?

    রাজ্যের মানুষকে উৎসবে ফেরার যে আহ্বান মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন, তা নিয়ে নির্যাতিতার মা বলেন, ‘‘আমার কাছে অমানবিক মনে হচ্ছে, কারণ আমি তো মেয়ের মা। আমি তো সন্তান হারিয়েছি, তাই আমার অমানবিক মনে হচ্ছে। গোটা দেশের মানুষ যদি ভাবে উৎসবে ফিরবে তাহলে তারে ফিরতেই পারেন। কিন্তু তাঁরা আমার মেয়েকে (RG Kar Incident) নিজের পরিবারের সদস্য বলে মনে করছেন। তাঁরা যদি উৎসবে ফিরতে পারেন, আমার কিছু বলার নেই। আমার বাড়িতেও দুর্গাপুজো হত, মেয়ে ঘরে করত। কিন্তু আমার বাড়িতে আর কোনওদিন দুর্গাপুজোর আলো জ্বলবে না। আমার ঘরের বাতি নিভে গিয়েছে। আমি কি করে মানুষকে বলব উৎসবে ফিরতে?’’ মায়ের প্রশ্ন ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারে যদি এমন ঘটনা ঘটত তাহলে কি উনি একথা বলতে পারতেন?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share