Tag: Chief Minister

Chief Minister

  • North 24 Parganas: মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, আরজি কর কাণ্ডে ফের মোমবাতি হাতে রাত দখলে মেয়েরা

    North 24 Parganas: মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, আরজি কর কাণ্ডে ফের মোমবাতি হাতে রাত দখলে মেয়েরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করের (RG Kar Incident) ঘটনা নিয়ে উত্তাল সারা রাজ্য। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিবাদের আগুন। মেয়েরা প্রতিবাদে সামিল হয়েছে। আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ এবং নিজেদের সুরক্ষার দাবিতে ১৪ অগাস্ট রাতে বাংলা জুড়ে পথে নেমেছিলেন মেয়েরা। উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মধ্যমগ্রামে ফের শুক্রবার রাতে হাতে মোমবাতি নিয়ে অবস্থান বিক্ষোভ সামিল হলেন মহিলারা। এদিন মধ্যমগ্রাম চৌমাথায় রাত দশটা থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন অসংখ্য মা-বোনেরা।

    মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি (North 24 Parganas)

    এদিন সন্ধ্যার পর থেকেই মধ্যমগ্রাম (North 24 Parganas) ট্র্যাফিক মোড়ে ভিড় জমতে শুরু করে। রাত ৯টা থেকে মধ্যমগ্রাম ও আশপাশের অঞ্চলের নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা প্রথমে তাঁদের প্রতিবাদী শিল্পকলার মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু করেন। রাত ১১টার মধ্যে গোটা এলাকা চলে যায় মেয়েদের দখলে। মোমবাতি, মোবাইলের টর্চ জ্বালিয়ে সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে গান, কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে সরব হয় হাজারো প্রতিবাদী কণ্ঠ। মানুষের ভিড়ে রোড কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। মধ্যমগ্রাম ট্র্যাফিক মোড়ে আয়োজিত কর্মসূচিতে মহিলাদের পাশাপাশি অসংখ্য যুবকের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। মিছিল থেকে একটাই দাবি ওঠে অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। পাশাপাশি তাঁরা আরও বলেন, একজনের পক্ষে কখনও এই কাজ করা সম্ভব নয়।

    আরও পড়ুন: ‘‘দুর্নীতির আতুঁড়ঘর আরজি কর, হিমশৈলের চূড়া সবে দেখা যাচ্ছে’’, তোপ বোসের

    সকল অভিযুক্তের ডিএনএ পরীক্ষার দাবি

    নিহত চিকিৎসকের (North 24 Parganas) হয়ে আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের সঙ্গে প্রথম কোর্টে যিনি মামলা করেছিলেন, সেই মহিলা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা ভট্টাচার্যকে এদিনের এই প্রতিবাদী সভায় দেখা যায়। তিনি বলেন, ‘‘আমরাই সিবিআই চেয়ে কোর্টে মামলা করেছিলাম। আদালতের নির্দেশে সিবিআই ঘটনার তদন্ত করছে। যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তারা যেন অবিলম্বে শাস্তি পায় এবং সব থেকে আগে চাইব যারা যারা এই ঘটনায় ধরা পড়ছে তাদের যেন ডিএনএ টেস্ট হয়। এই ঘটনাটি একদিনে হতে পারে না। আর এর সঙ্গে আরও অনেকে যুক্ত আছে। আইনগত দিক থেকে যতটা যা করার আমরা তা করব।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে অমান্য! শিলিগুড়ির ফুটপাথ দখল করছেন মেয়র! ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা

    Siliguri: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে অমান্য! শিলিগুড়ির ফুটপাথ দখল করছেন মেয়র! ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে শিলিগুড়িতে ফুটপাথ দখল করে দোকান বসানোর অভিযোগ উঠল খোদ শহরের মেয়র তৃণমূল নেতা গৌতম দেবের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্যজুড়ে ফুটপাথ দখলমুক্ত করার অভিযান শুরু হয়েছে। সেখানে শিলিগুড়ির (Siliguri) গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা স্টেশন ফিডার রোডে ফুটপাথ ফুড লেন তৈরির নিয়ে বিতর্কে মেয়র। এক্ষেত্রেও কাটমানির অভিযোগ, তৃণমূল নেতারা টাকার বিনিময়ে এই স্টল বিক্রি করছে বলে অভিযোগ বিজেপির।

    কেন বিতর্ক? (Siliguri)

    মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো শিলিগুড়িতেও (Siliguri) পুরসভা শহরের বেশ কিছু জায়গায় ফুটপাথ সরানো হয়েছে। এনিয়ে দীর্ঘদিন ব্যবসা করে আসা গরিব মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। একদিকে গরিব মানুষ বেকার করে দেওয়া, অন্যদিকে ফুটপাথে ফুডলেন বানানো নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে অমান্য করার অভিযোগে বিতর্কে জড়িয়েছেন শিলিগুড়ির মেয়র তৃণমূল নেতা গৌতম দেব।

    আরও পড়ুন: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

      স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও প্রতিবাদে সরব

    শিলিগুড়ি (Siliguri) শহরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তা স্টেশন ফিডার রোড। এই রাস্তাতেই রয়েছে দমকল কেন্দ্র, একাধিক স্কুল, শিলিগুড়ি থানা। এহেন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ফুটপাথে ফুডলেন তৈরি করতে ২২ টি স্টল বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিলিগুড়ি পুরসভা। সেই মতো ২২ টি চলমান স্টলও আনা হয়েছে। সেই স্টল বসাতে গিয়ে কার্যত বিক্ষোভ ও প্রতিরোধের মুখে পড়েন মেয়র। ব্যবসায়ীরা বলেন, আমরা ফুটপাথ ছেড়ে দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এখানে দোকান করে আসছি।  এখন সেখানে ২২ টি স্টল বসিয়ে ফুডলেন করা হলে আমাদের দোকান আড়ালে চলে যাবে। ব্যবসা মার খাবে। ফুডলেনের জন্য অযথা যানজটে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়বে। এর প্রতিবাদ জানাতে আমরা একদিন ওই এলাকার ব্যবসা বনধ রেখেছিলাম। তাতে সাময়িক পিছু হটলেও এখানে ফুডলেন করার সিদ্ধান্তে অনড় মেয়র। এবার ব্যবসায়ীরা আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছেন।

    ফুডলেনের নামে চলছে তৃণমূলের কাটমানির খেলা!

    শিলিগুড়ির (Siliguri) বিজেপির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, এই ফুড স্টল বসানোর উদ্যোগে শিলিগুড়ি পুরসভা মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ নিয়ে কার্যত দ্বিচারিতা করছে। একদিকে ফুটপাথ দখলমুক্ত করা হচ্ছে গরিব মানুষকে পথে বসিয়ে,আর একদিকে ফুডলেন তৈরির নামে ফুটপাথে স্টল বসানো হচ্ছে। ফুডলেন করতে হলে অন্য কোথাও ফাঁকা জায়গায় করা যেত। আসলে এই দোকান বসানোর পিছনে তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতাদের মোটা টাকার খেলা রয়েছে। গরিব মানুষকে পথে বসিয়ে  ফুটপাথ দখলমুক্ত করার চেয়ে সবার আগে বন্ধ করা উচিত জাতীয় সড়কের  ধারে বিভিন্ন জায়গায় নয়ানজুলি বুজিয়ে পেট্রল পাম্প, হোটেল তৈরি করা।  তৃণমূল নেতাদের মদতে এসব চলছে। 

      শিলিগুড়ির মেয়র কী বললেন?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা তথা শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, ফুডলেন করা নিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশে অনেকেই অনেক অভিযোগ করছেন। আমি রাজ্য সরকারকে জানিয়েই এই ফুডলেন তৈরি করছি। সব কাজ স্বচ্ছতার সঙ্গে হচ্ছে। ২২ টি স্টল সবার সামনে লটারির মাধ্যমে বন্টন করা হবে। কাটমানির কোনও প্রশ্ন নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ধুঁকছে বড়ঞা গ্রামীণ হাসপাতাল, মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন রোগীরা

    Murshidabad: ধুঁকছে বড়ঞা গ্রামীণ হাসপাতাল, মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন রোগীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর পরই রাজ্যে হাসপাতালের শ্রী ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এরপরই রাজ্যজুড়ে হাসপাতালের ভিতরে-বাইরে বাহারি রং করা হয়েছে। কিন্তু, হাসপাতালে পরিষেবা সেই আগের মতো কঙ্কালসার। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বড়ঞা গ্রামীণ হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে তিতি বিরক্ত স্থানীয় বাসিন্দারা। আর বেহাল চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য স্বাস্থ্য দফতরকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তাঁরা।

    রোগীর পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য? (Murshidabad)

    এই হাসপাতালের ওপর বড়ঞাসহ (Murshidabad) আশপাশের লক্ষাধিক মানুষ নির্ভরশীল। মনোজ ঘোষ নামে এক রোগী বলেন, “শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। কিন্তু, হাসপাতালে রোগীদের অক্সিজেন দেওয়ার কোনও ব্যবস্থা নেই। ফলে, আমাদের মতো বহু রোগী এই হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। কিন্তু, কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। পরিষেবা না পেয়ে রোগীরা কান্দি হাসপাতালে চলে যাচ্ছেন।” সুকুমার ভল্লা নামে রোগীর পরিবারের লোকজন বলেন, “আমার বাবাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। বাবার রক্তের প্রয়োজন। কিন্তু, এই হাসপাতালে সেই ব্যবস্থা নেই। তাই, আমরা খুব দুশ্চিন্তাই রয়েছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সমস্ত বিষয়টি বলেছি। হাসপাতালে পরিষেবা নেই বলে তাঁরা জানিয়েছেন।” রোগী ও তাঁর পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, “এই হাসপাতালে মেলেনা অক্সিজেন, মেলেনা রক্ত, হয় না কোনও পরীক্ষা-নিরীক্ষা। হাসপাতালের ভর্তি হওয়ার পর অক্সিজেনের অভাবে হাঁসফাস অবস্থা হচ্ছে বয়স্ক রোগীদের। অথচ লোক দেখানো করে হাসপাতালের বিশাল বিল্ডিং রয়েছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত কোনও রোগী এই হাসপাতালে (Hospital) আসলে রক্ত, অক্সিজেনের অভাবেই মারা যাবে। মুখ্যমন্ত্রীর কোনও নজরই নেই।” অবিলম্বে পরিষেবা উন্নত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

    আরও পড়ুন: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

    হাসপাতালের বিএমওএইচ কী বললেন?

    হাসপাতালের (Hospital) বিএমওএইচ সৌমিক দাস বলেন, “আমাদের পরিকাঠামোর মধ্যে যতটা পারা যায়, চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তবে, যে ধরনের অভিযোগ করা হচ্ছে তা ঠিক নয়। আর অক্সিজেন অনেক সময় না থাকলে পরিষেবা দিতে একটু সমস্যা হতে পারে। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manik Saha: ‘পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-র আসন সংখ্যা গতবারের তুলনায় অনেক বাড়বে’, আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা

    Manik Saha: ‘পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-র আসন সংখ্যা গতবারের তুলনায় অনেক বাড়বে’, আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতবারের তুলনায় এই রাজ্যে বিজেপি অনেক বেশি আসন পাবে। বৃহস্পতিবার উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে এসে মন্তব্য করলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা (Manik Saha)। তিনি বলেন, মোদি দেশে যে লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে দিয়েছেন তার থেকে আরও বেশি ভালো ফল হলে আমরা অবাক হব না। তাই, এই রাজ্যের বহু মানুষ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। যারা ওই দলে রয়েছে, তারাও মনেপ্রাণে বিজেপিকে সমর্থন করছে।

    বাংলায় শান্তির পরিবেশ নেই (Manik Saha)

    মানিক সাহা (Manik Saha) বলেন, সন্দেশখালি হোক বা অন্য কিছু মানুষ সব বুঝতে পারছে। শান্তি সম্প্রীতি যদি না থাকে কোনও রাজ্যের উন্নতি হয় না। এই রাজ্যে সেই পরিবেশ নেই। তাই, দলে দলে মানুষ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। এদিন উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরে ঝটিকা সফরে আসেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। মালদায় ভারতীয় জনতা পার্টির মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করতে সড়কপথে মালদা যাওয়ার পথে তিনি ইসলামপুরে দাঁড়ান। ইসলামপুর শহরের জীবন মোড় এলাকায় এক বিজেপি কর্মী প্রবীর দাসের বাড়িতে দুপুরের মধ্যাহ্নভোজন করেন। মধ্যাহ্নভোজনের শেষে তিনি আবার মালদার  উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা বলেন, ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এখন বিশ্ববরেণ্য। তিনি সাধারণ মানুষের গ্যারান্টির কথা বলেন। তাই মানুষ বুঝতে পারছে যে বিজেপি ছাড়া উন্নয়ন কিছু হবে না। তিনি আরও বলেন,” মালদায় একটি মিটিং রয়েছে সেই মিটিংয়ে যাচ্ছি এবং আমাদের নিয়ম রয়েছে দলীয় কার্যকর্তার বাড়িতে আহার গ্রহণ করার। সেই মতো এদিন ইসলামপুরে মধ্যাহ্নভোজন করছি।”

    ত্রিপুরায় পাহাড়-সমতল আনন্দে আছে

    ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী (Manik Saha) বলেন, “ডেমোক্রেসি কাকে বলে সেটা ত্রিপুরায় না গেলে বুঝতে পারবেন না। সাধারণ মানুষ এখন শান্তিতে আছে। সাধারণ মানুষের অধিকার রয়েছে। ত্রিপুরায় যারা মথা আছে তারাও সরকারে এসে যোগদান করেছে। পাহাড়-সমতল এখন আনন্দে আছে। সন্দেশখালি হোক বা অন্য কিছুই মানুষ সব বুঝতে পারছেন, শান্তি সম্প্রীতি যদি না থাকে কোন রাজ্যের উন্নতি হয় না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Santiniketan: ‘মুখ্যমন্ত্রী কান দিয়ে দেখেন’, চিঠি দিয়ে কেন এই অভিযোগ করলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য?

    Santiniketan: ‘মুখ্যমন্ত্রী কান দিয়ে দেখেন’, চিঠি দিয়ে কেন এই অভিযোগ করলেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতনকে (Santiniketan) ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তকমা দিয়েছে ইউনেস্কো। ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের তকমা পাওয়ার পরই ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তকমা পাওয়ার পর সেই সংক্রান্ত একটি শ্বেত পাথরের ফলক বসিয়েছেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এরপর পূর্ত দফতরের কাছে থেকে উপাসনা গৃহের সামনের রাস্তা বিশ্বভারতীকে দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছিলেন বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এরপর গত ৩০ সেপ্টেম্বর আরও একবার চিঠি লেখেন। শুধু তাই নয় তিনি রাস্তায় নেমে রাস্তা দিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সকলের কাছে আবেদন পর্যন্ত রাখেন। উপাচার্য পর পর দুবার চিঠি দিলেও মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় এবার রাস্তা ফেরত চেয়ে তৃতীয়বার চিঠি লিখলেন উপাচার্য। সেখানে রাস্তা ফেরত চাওয়ার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণও করেছেন তিনি।

    চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীকে কী লিখেছেন উপাচার্য? (Santiniketan)

    চিঠিতে শান্তিনিকেতনের (Santiniketan) রাস্তা ফেরতের আবেদন জানাতে গিয়েই মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করলেন বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে  চিঠিতে লেখা হয়েছে,’নিজের চোখ দিয়ে বাস্তব না দেখে, ‘আপনি (মুখ্যমন্ত্রী) এখনও কান দিয়ে দেখেন।’ সেই সঙ্গে ফলক সরিয়ে নেওয়ার কথাও চিঠিতে জানিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, রাজ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে দুর্নীতির অভিযোগ এবং তৃণমূলের নেতা- মন্ত্রীদের গ্রেফতারি নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেছেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘আপনার মন্ত্রিসভার দুই মন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন। আপনার বিশ্বস্ত নেতারা (কেউ বীরভূম থেকে) জেলে রয়েছেন। কেউ তিহাড়েও রয়েছেন।

    উপাচার্যের চিঠি নিয়ে কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    বিশ্বভারতীর উপাচার্যের এই চিঠি নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ বলেছেন, চিঠির ভাষা কী আছে জানি না। বর্তমান উপাচার্য এমন ভাব দেখাচ্ছেন, যেন সবকিছু তাঁর নিজস্ব। আমরা চাই বিশ্বভারতী নিজের ঐতিহ্য নিয়ে চলুক। কিন্তু, তিনি যেভাবে চলছেন তাতে বিশ্বভারতী থেকে রবি ঠাকুরকে মুছতে চাইছেন। এটা নিয়েই আমাদের আপত্তি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalyani: মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার, কল্যাণীতে চাঞ্চল্য

    Kalyani: মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার, কল্যাণীতে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকা এক পুলিশ কর্মীর রেল লাইনের ধার থেকে ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। বুধবার রাতে মদনপুর- কল্যাণী (Kalyani) স্টেশনের মাঝে রেল লাইনে ধার থেকে ক্ষতবিক্ষত মৃত উদ্ধার হয় ওই পুলিশ কর্মীর। পুলিশ জানিয়েছে মৃতের নাম ইসরাফিল সাহাজি। তার বয়স ৩০ বছর। তাঁর বাড়ি মদনপুর এলাকায়। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় মোতায়েন ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalyani)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইসরাফিল বুধবারই ডিউটি শেষ করে মদনপুরের বাড়িতে ফেরেন। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে বিকেলের দিকে বাড়ি থেকে তিনি হাঁটতে বের হন। স্থানীয় লোকজন তাকে বিকেলে এলাকায় শেষবার দেখেছে। সন্ধ্যার পর থেকে আর তার সঙ্গে কোনওভাবে যোগাযোগ করা যায়নি। তার পরিচিত সকলের সঙ্গে পরিবারের লোকজন যোগাযোগ করে। কিন্তু, কোথাও তাঁর হদিশ পাওয়া যায়নি। এরপরই রাতে থানার যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন পরিবারের লোকজন। তার আগে জিআরপি-র কাছে থাকা আসা ফোন পেয়ে ভেঙে পড়েন পরিবারের লোকজন।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    পরিবারের এক সদস্য বলেন, বাড়ি আসলে সাধারণত বিকেলে হাঁটতে বের হতেন। তবে, সন্ধ্যার আগেই বাড়ি ফিরে আসতেন। কিন্তু, এদিন তা হয়নি। তাই, তাঁকে ফোন করতেই আর তাঁর সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা যায়নি। রাত বাড়তেই তিনি বাড়ি না ফেরায় আমরা চারিদিকে তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাই। কিন্তু, কোথাও তার হদিশ পাইনি। পরে, জিআরপি-র পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়। তারা কল্যাণী (Kalyani) -মদনপুর স্টেশনে রেল লাইনের ধার থেকে একটি মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানায়। জানা গিয়েছে, ইসরাফিলের পকেটে পরিচয়পত্র রাখা ছিল। তা দেখেই জিআরপি তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরিবারে লোকজন গিয়ে দেহ সনাক্ত করেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকা পুলিশ কর্মীর এভাবে মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। পরিবারের লোকজন এই ঘটনার তদন্ত দাবি করেছেন। মৃতদেহ ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত  শুরু করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: কোচবিহারে এসে রাজবংশীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে, দাবি উঠল ধিক্কার মিছিলে

    Cooch Behar: কোচবিহারে এসে রাজবংশীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে, দাবি উঠল ধিক্কার মিছিলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৮ অগাস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজবংশীদের নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেছিলেন। রাজবংশী জনজাতিকে তাঁর পায়ের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তারই প্রতিবাদে কোচবিহারে (Cooch Behar) ভারতীয় জনতা পার্টির জেলা সংযুক্ত মোর্চার পক্ষ থেকে ধিক্কার মিছিল বের করা হয়। মিছিল ঘিরে জেলা সরগরম।

    মিছিলের মূল দাবি কী (Cooch Behar)?

    এই মিছিল কোচবিহারের (Cooch Behar) রাজপথ পরিক্রমা করে। মুখ্যমন্ত্রীর করা কুরুচিকর মন্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র ধিক্কার জানানো হয় এবং সেই সঙ্গে মিছিলে দাবি ওঠে, মুখ্যমন্ত্রীকে অবিলম্বে কোচবিহারে এসে সাধারণ মানুষের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। রাজবংশী সমাজের উপর অত্যাচার মানবো না বলে মিছিলে বিশেষ স্লোগান ওঠে। সমাজের কোনও বর্গের মানুষকে কোনও মানুষেরই অপমান করার অধিকার নেই। এমনই মন্তব্য করেন মিছিলকারীরা।

    বিজেপির বক্তব্য

    কোচবিহার (Cooch Behar) জেলা এসসি মোর্চার সভাপতি হরিহর দাস বলেন, এই মিছিল কোনও সাধারণ মিছিল নয়। এই মিছিল একটি জাতির মিছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ইচ্ছা করে রাজবংশী সমাজের মানুষকে আঘাত করছেন। শুধু মুখ্যমন্ত্রী নন, তাঁর দলের দুষ্কৃতীরা আমাদের হাঁটু ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। উত্তরবঙ্গের মানুষ বিজেপিকে সমর্থন করায় উত্তরবঙ্গকে উন্নয়নের বাইরে রেখে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আজ আমরা রাস্তায় নেমে সমগ্র রাজবংশী সমাজের পক্ষে লড়াই করছি। এই লড়াই এখন সাধারণ মানুষের লড়াই। কোচবিহারে এসে আন্তরিক ভাবে ক্ষমা চাইতে হবে।  

    কোচবিহার জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদিকা মিনতি দাস ঈশ্বর বলেন, রাজনৈতিক ভাবে রাজবংশী সমাজের মানুষ আক্রান্ত হল। এই মুখ্যমন্ত্রীর আমলে রাজবংশী সমাজের মানুষ সবথেকে বেশি অবহেলিত এবং অত্যাচারিত। মুখ্যমন্ত্রী কার্যত কৌশল করে রাজবংশী সমাজের মানুষকে অপমান এবং বঞ্চনা করছেন। তাই মুখ্যমন্ত্রীকে অবিলম্বে কোচবিহারে এসে রাজবংশী সমাজের মানুষের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। বিজেপির এই নেত্রী আরও বলেন, কোচবিহার থেকে কলকাতা সর্বত্র রাজবংশী সমাজের মানুষ সোচ্চার হবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি মিললেও এখনও বাড়ি জোটেনি গঙ্গার ভাঙনে ঘরছাড়াদের

    Murshidabad: মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি মিললেও এখনও বাড়ি জোটেনি গঙ্গার ভাঙনে ঘরছাড়াদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গার ভাঙনের কবলে পড়ে ঘরছাড়া হয়েছেন সামসেরগঞ্জের (Murshidabad) বিভিন্ন এলাকার বহু মানুষ। তাঁদের মধ্যে অনেকে ঘর পেলেও যোগ্য কিছু ব্যক্তিরা এখনও পাননি ঘর। যদিও বেশ কিছুদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী মুর্শিদাবাদে এসে গঙ্গার ভাঙনে তলিয়ের যাওয়া গৃহহীনদের বাড়ি করে দেওয়ার প্রতশ্রুতি দিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু এরপর প্রশাসনের কোনও উদ্যোগ দেখা যায়নি। এখনও গৃহহীনদের বাসস্থান বলতে কোনও স্কুল বাড়ি বা ত্রিপল টাঙিয়ে চলছে, কোনও রকমের দিনপাত। এর মধ্যে এবার শুরু হয়েছে বর্ষা। বাড়ছে গঙ্গার জলস্তর। আবারও ভয়াবহ ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন এলাকাবাসী। কী বলছেন তাঁরা শুনে নেওয়া যাক-

    স্থানীয়দের বক্তব্য (Murshidabad)?

    স্থানীয় (Murshidabad) নূর মহম্মদ মল্লিক বলেন, আমাদের প্রায় ৯০ শতাংশ জমি জলের তলায় চলে গেছে। বৃষ্টির জলে নদীর জলের স্তর বৃদ্ধির ফলে ভাঙন দেখা যাচ্ছে। ৮৬ টির বেশি পরিবারের কোনও বাড়ি বর্তমানে নেই। সরকার কিছু মানুষকে জমির পাট্টা দিলেও মাত্র ১৫ জন তা পেয়েছেন। বেশিরভাগ মানুষ এখনও কিছুই পাননি। এই বর্ষাকালে আমরা কীভাবে দিনপাত করবো সেই প্রশ্নই করছেন এই গৃহহীন।

    অন্যের বাড়িতে ভাড়া থাকছেন

    সামসেরগঞ্জের দুর্গাপুরের গৃহহীন (Murshidabad) এক মহিলা বলেন যে বাড়ি নদীতে তলিয়ে গেলে কিছুদিন ভাড়ার বাড়িতে ছিলাম। বিড়ি বেঁধে কোনরকমে সংসার চলে। কিন্তু নিজে খাবো কী, আর ভাড়া দেবো কী? এই অসহায়তার জন্য এখন নদীর পাশেই এক আত্মীয়ের বাড়িতে এসে থাকছি। কিন্তু এই বাড়িটাও যে কোনও সময়ে তলিয়ে যেতে পারে। তাই সন্তানদের নিয়ে খুব কষ্ট এবং আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। তিনি আরও বলেন, প্রশাসন থেকে এখনও কোনও সহযোগিতা আমরা পাইনি।

    নদীর পাড়ে ভাঙা বাড়িতে থাকছেন, যে কোনও সময় তলিয়ে যেতে পারে

    স্থানীয় (Murshidabad) মিন্টু শেখ বলেন, আমরা দুই বছর ধরে ঘর ছাড়া। নদীর ধারে একেটি ভাঙা বাড়িতে ত্রিপল টাঙ্গিয়ে কোনও রকম ভাবে থাকছি। আমার আর্থিক অবস্থা ভীষণ খারাপ, সামর্থ নেই যে অন্য জায়গায় বাড়ি করে থাকব। রাতের অন্ধকারে ঠিক করে ঘুমাতে পারি না কারণ, কখন ভেঙে যায় বাড়ি! জানিনা। নিজের জায়গা সম্পত্তি সবই ছিল কিন্তু নদীর ভাঙনে সব তলিয়ে গেছে। এই অবস্থায় সরকার আমাদের পাশে না দাঁড়ালে আমরা কোথায় যাবো! আপাতত মাথা গোঁজার মতন একটা আশ্রয় ভীষণ জরুরী। প্রশাসন এখন কবে উদ্যোগী হন তাই এখন দেখার। 

          

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: ‘‘একবারের জন্যও হিংসা বন্ধের আবেদন করেননি মুখ্যমন্ত্রী’’! তোপ দিলীপের

    Purba Bardhaman: ‘‘একবারের জন্যও হিংসা বন্ধের আবেদন করেননি মুখ্যমন্ত্রী’’! তোপ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে পঞ্চায়েতগুলিতে টিএমসি রয়েছে। শুধুই দুর্নীতি হয়েছে এত বছর ধরে। কিন্তু প্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য-কারও বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর হয়নি। ঠিক এই ভাবেই পূর্ব বর্ধমানে (Purba Bardhaman) গিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

    কী বললেন দিলীপ ঘোষ (Purba Bardhaman)?

    নির্বাচনী প্রচারে (Purba Bardhaman) এসে দিলীপ ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান না দুর্নীতি বন্ধ হোক। তিনি দুর্নীতি করাচ্ছেন এবং তিনিই দায়িত্ব নিয়ে হিংসা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। একবারের জন্য রাজনৈতিক হিংসা বন্ধের কথা বলেননি। তিনি মাথার ওপর বসে বসে সমস্ত দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন। আজ সায়নী ঘোষের ইডিতে হাজিরা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চুরি করার পর অনেকেই এমন কথা বলেন! এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, যাদের ইডি ডেকেছে, এখন কোথায় আছে খোঁজ নিয়ে দেখুন। এক অনুষ্ঠানে তৃণমূল নেত্রী শশী পাঁজা এদিন বলেছেন, বিজেপি চক্রান্ত করে সিবিআইকে লেলিয়ে দিচ্ছে। উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেন, যেখানে বিজেপি রাজ্যে রয়েছে, সেখানে দুর্নীতি সব থেকে কম হয়েছে। আর যেখানে বিজেপি নেই, সেখানে দুর্নীতি সব থেকে বেশি হচ্ছে।

    মনোনয়ন নিয়ে কী বললেন?

    দিলীপ ঘোষ বলেন, আমাদের প্রার্থীদের ইচ্ছে করে বিডিও অফিস থেকে নাম বাতিল করা হয়েছে। উলুবেড়িয়া প্রসঙ্গে বলেন, বিরোধীদের মনোনয়ন বাতিল নিয়ে হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। তৃণমূলের দুর্নীতি পঞ্চায়েত নির্বাচনেও হয়েছে। অধিকাংশ বিরোধীদের মনোনয়ন বাতিলে বিডিও-এসপিরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। বান্ডিল করে বিডিও অফিস থেকে মনোনয়নপত্র তুলে, বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পূরণ করে আবার বিডিও অফিসে জমা করেছে তৃণমূলের নেতারা। বিডিও সাহেবরা ভালো করে নজরই দেননি। কারণ তৃণমূলের মনোনয়ন ছিল বলে কথা। সৌদি আরব থেকেও পঞ্চায়েতে মনোনয়ন হয়েছে। ঠিক এই ভাবেই পূর্ব বর্ধমানে (Purba Bardhaman) এসে তৃণমূল সরকারের প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন দিলীপ ঘোষ।

    বাহিনী প্রসঙ্গে কী বললেন?

    সাংবাদিক সম্মেলনে দিলীপ ঘোষ (Purba Bardhaman) আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত এগারো বছরে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন যে আজ সরকারি কর্মচারীরা বলেছেন, সেন্ট্রাল ফোর্স ছাড়া ভোট করতে যাবেন না। তাই তৃণমূলের তৈরি করা শাসন কাঠামো এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে আমাদের জনমত গড়ে তুলতে হবে। তৃণমূলকে হারানোর জন্যই বিজেপি লড়ছে। তিনি আরও বলেন, নবজোয়ারের নামে স্কুল-কলেজ বন্ধ করে রাজনীতি করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকাল-বিকেল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে গালিগালাজ করেন, আবার বিপদে পড়লে সেই বাহিনীর কাছে গিয়েই আশ্রয় নিতে হয় তাঁকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Paschim Medinipur: মুখ্যমন্ত্রীর চোট কি রাজনৈতিক! সুস্থতা কামনা করেও তীব্র কটাক্ষ দিলীপের

    Paschim Medinipur: মুখ্যমন্ত্রীর চোট কি রাজনৈতিক! সুস্থতা কামনা করেও তীব্র কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাত সকালে খড়্গপুরে (Paschim Medinipur) চা চক্রে যোগ দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। একাধিক ইস্যু নিয়ে রাজ্য সরকারকে তোপ দাগলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী এবং শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন দিলীপ ঘোষ।

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কী বললেন?

    মুখ্যমন্ত্রী পায়ে চোট পেয়েছেন। আশা করি মুখ্যমন্ত্রীর চোট তাড়াতাড়ি ভালো হয়ে উঠবে। তবে এটা মুখ্যমন্ত্রীর কি আসল চোট, নাকি রাজনৈতিক চোট? বুঝতে পারছি না! ভোট এলে অনেকেরই চোট লেগে যায়। সব সময় সেনাকে গালাগাল দেন আর সংকটের সময় সেনার কাছেই যেতে হয়, কটাক্ষ দিলীপের।

    শ্রীনু নাইডু হত্যা কেসে মন্তব্য (Paschim Medinipur)

    শ্রীনু নাইডু হত্যা মামলা খড়্গপুরকে (Paschim Medinipur) নাড়িয়ে দিয়েছিল। দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূল আমাকেও ওই মামলায় ঢোকানোর চক্রান্ত করেছিল। একটা এত বড় হত্যা হয়ে গেল, সেখানে কেউ সাজা পেল না, সবাই ছাড়া পেয়ে গেল? প্রশ্ন তুললেন দিলীপ ঘোষ। এভাবে দোষীরা সাজা না পেলে খড়্গপুরে আবারও হিংসা বাড়বে। পঞ্চায়েত ভোটে জেতার জন্যই কি খালাস করে দেওয়া হল মাফিয়াদের? প্রশ্ন তুললেন দিলীপ ঘোষ।

    আরও কী বললেন

    প্রধানমন্ত্রীর মুখে রাজ্যের শাসক শিবিরের দুর্নীতির কথা উঠে এসেছে। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের (Paschim Medinipur) দাবি, এই রাজ্যে ঐতিহাসিক দুর্নীতি রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী যদি এক গলা গঙ্গা জলে দাঁড়িয়ে বলেন বিজেপি চোর তাহলেও কেউ বিশ্বাস করবে না। কারণ তাঁর ডানদিক বামদিক সবদিকেই চোরেরা ভর্তি। সারা দেশ জুড়ে যখন বিজেপির এবং মোদিজীর সমর্থন বাড়ছে, তখন সব চোরেরা একজোট হয়েছেন। হাম সব চোর এক-এই স্লোগান দিয়ে পাটনায় একজোট হয়েছে। এভাবেই তীব্র কটাক্ষ করেন দিলীপ ঘোষ। 

    সারা রাজ্য জুড়ে বোমাবাজি হচ্ছে। এখনও প্রচুর জায়গায় বোমা-বন্দুক লুকিয়ে রাখা হয়েছে। পুলিশের এগুলো খুঁজে বার করা উচিত। বোমা-বন্দুক উদ্ধার না হলে পঞ্চায়েত ভোট রক্তাক্ত হবে, অনেক জীবনহানি হবে। অনেক জায়গায় আবার সিভিক পুলিশ দিয়ে বোমা রেখে আসা হচ্ছে লোককে ভয় দেখানোর জন্য। সেন্ট্রাল ফোর্স দিয়ে সমস্ত বোমা উদ্ধার করা উচিত। মাফিয়াদের সাথে তৃণমূলের এগ্রিমেন্ট হয়েছে পঞ্চায়েত ভোটে। নির্বাচনে মাফিয়ারা সাহায্য করবে তৃণমূলকে, ঠিক এভাবেই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। 

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share