Tag: Chief Minister

Chief Minister

  • Kalyani: মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার, কল্যাণীতে চাঞ্চল্য

    Kalyani: মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার, কল্যাণীতে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকা এক পুলিশ কর্মীর রেল লাইনের ধার থেকে ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। বুধবার রাতে মদনপুর- কল্যাণী (Kalyani) স্টেশনের মাঝে রেল লাইনে ধার থেকে ক্ষতবিক্ষত মৃত উদ্ধার হয় ওই পুলিশ কর্মীর। পুলিশ জানিয়েছে মৃতের নাম ইসরাফিল সাহাজি। তার বয়স ৩০ বছর। তাঁর বাড়ি মদনপুর এলাকায়। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় মোতায়েন ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalyani)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইসরাফিল বুধবারই ডিউটি শেষ করে মদনপুরের বাড়িতে ফেরেন। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে বিকেলের দিকে বাড়ি থেকে তিনি হাঁটতে বের হন। স্থানীয় লোকজন তাকে বিকেলে এলাকায় শেষবার দেখেছে। সন্ধ্যার পর থেকে আর তার সঙ্গে কোনওভাবে যোগাযোগ করা যায়নি। তার পরিচিত সকলের সঙ্গে পরিবারের লোকজন যোগাযোগ করে। কিন্তু, কোথাও তাঁর হদিশ পাওয়া যায়নি। এরপরই রাতে থানার যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন পরিবারের লোকজন। তার আগে জিআরপি-র কাছে থাকা আসা ফোন পেয়ে ভেঙে পড়েন পরিবারের লোকজন।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    পরিবারের এক সদস্য বলেন, বাড়ি আসলে সাধারণত বিকেলে হাঁটতে বের হতেন। তবে, সন্ধ্যার আগেই বাড়ি ফিরে আসতেন। কিন্তু, এদিন তা হয়নি। তাই, তাঁকে ফোন করতেই আর তাঁর সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা যায়নি। রাত বাড়তেই তিনি বাড়ি না ফেরায় আমরা চারিদিকে তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাই। কিন্তু, কোথাও তার হদিশ পাইনি। পরে, জিআরপি-র পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়। তারা কল্যাণী (Kalyani) -মদনপুর স্টেশনে রেল লাইনের ধার থেকে একটি মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানায়। জানা গিয়েছে, ইসরাফিলের পকেটে পরিচয়পত্র রাখা ছিল। তা দেখেই জিআরপি তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরিবারে লোকজন গিয়ে দেহ সনাক্ত করেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকা পুলিশ কর্মীর এভাবে মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। পরিবারের লোকজন এই ঘটনার তদন্ত দাবি করেছেন। মৃতদেহ ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত  শুরু করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: কোচবিহারে এসে রাজবংশীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে, দাবি উঠল ধিক্কার মিছিলে

    Cooch Behar: কোচবিহারে এসে রাজবংশীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে, দাবি উঠল ধিক্কার মিছিলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৮ অগাস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজবংশীদের নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেছিলেন। রাজবংশী জনজাতিকে তাঁর পায়ের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তারই প্রতিবাদে কোচবিহারে (Cooch Behar) ভারতীয় জনতা পার্টির জেলা সংযুক্ত মোর্চার পক্ষ থেকে ধিক্কার মিছিল বের করা হয়। মিছিল ঘিরে জেলা সরগরম।

    মিছিলের মূল দাবি কী (Cooch Behar)?

    এই মিছিল কোচবিহারের (Cooch Behar) রাজপথ পরিক্রমা করে। মুখ্যমন্ত্রীর করা কুরুচিকর মন্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র ধিক্কার জানানো হয় এবং সেই সঙ্গে মিছিলে দাবি ওঠে, মুখ্যমন্ত্রীকে অবিলম্বে কোচবিহারে এসে সাধারণ মানুষের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। রাজবংশী সমাজের উপর অত্যাচার মানবো না বলে মিছিলে বিশেষ স্লোগান ওঠে। সমাজের কোনও বর্গের মানুষকে কোনও মানুষেরই অপমান করার অধিকার নেই। এমনই মন্তব্য করেন মিছিলকারীরা।

    বিজেপির বক্তব্য

    কোচবিহার (Cooch Behar) জেলা এসসি মোর্চার সভাপতি হরিহর দাস বলেন, এই মিছিল কোনও সাধারণ মিছিল নয়। এই মিছিল একটি জাতির মিছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ইচ্ছা করে রাজবংশী সমাজের মানুষকে আঘাত করছেন। শুধু মুখ্যমন্ত্রী নন, তাঁর দলের দুষ্কৃতীরা আমাদের হাঁটু ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। উত্তরবঙ্গের মানুষ বিজেপিকে সমর্থন করায় উত্তরবঙ্গকে উন্নয়নের বাইরে রেখে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আজ আমরা রাস্তায় নেমে সমগ্র রাজবংশী সমাজের পক্ষে লড়াই করছি। এই লড়াই এখন সাধারণ মানুষের লড়াই। কোচবিহারে এসে আন্তরিক ভাবে ক্ষমা চাইতে হবে।  

    কোচবিহার জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদিকা মিনতি দাস ঈশ্বর বলেন, রাজনৈতিক ভাবে রাজবংশী সমাজের মানুষ আক্রান্ত হল। এই মুখ্যমন্ত্রীর আমলে রাজবংশী সমাজের মানুষ সবথেকে বেশি অবহেলিত এবং অত্যাচারিত। মুখ্যমন্ত্রী কার্যত কৌশল করে রাজবংশী সমাজের মানুষকে অপমান এবং বঞ্চনা করছেন। তাই মুখ্যমন্ত্রীকে অবিলম্বে কোচবিহারে এসে রাজবংশী সমাজের মানুষের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। বিজেপির এই নেত্রী আরও বলেন, কোচবিহার থেকে কলকাতা সর্বত্র রাজবংশী সমাজের মানুষ সোচ্চার হবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি মিললেও এখনও বাড়ি জোটেনি গঙ্গার ভাঙনে ঘরছাড়াদের

    Murshidabad: মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি মিললেও এখনও বাড়ি জোটেনি গঙ্গার ভাঙনে ঘরছাড়াদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গার ভাঙনের কবলে পড়ে ঘরছাড়া হয়েছেন সামসেরগঞ্জের (Murshidabad) বিভিন্ন এলাকার বহু মানুষ। তাঁদের মধ্যে অনেকে ঘর পেলেও যোগ্য কিছু ব্যক্তিরা এখনও পাননি ঘর। যদিও বেশ কিছুদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী মুর্শিদাবাদে এসে গঙ্গার ভাঙনে তলিয়ের যাওয়া গৃহহীনদের বাড়ি করে দেওয়ার প্রতশ্রুতি দিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু এরপর প্রশাসনের কোনও উদ্যোগ দেখা যায়নি। এখনও গৃহহীনদের বাসস্থান বলতে কোনও স্কুল বাড়ি বা ত্রিপল টাঙিয়ে চলছে, কোনও রকমের দিনপাত। এর মধ্যে এবার শুরু হয়েছে বর্ষা। বাড়ছে গঙ্গার জলস্তর। আবারও ভয়াবহ ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন এলাকাবাসী। কী বলছেন তাঁরা শুনে নেওয়া যাক-

    স্থানীয়দের বক্তব্য (Murshidabad)?

    স্থানীয় (Murshidabad) নূর মহম্মদ মল্লিক বলেন, আমাদের প্রায় ৯০ শতাংশ জমি জলের তলায় চলে গেছে। বৃষ্টির জলে নদীর জলের স্তর বৃদ্ধির ফলে ভাঙন দেখা যাচ্ছে। ৮৬ টির বেশি পরিবারের কোনও বাড়ি বর্তমানে নেই। সরকার কিছু মানুষকে জমির পাট্টা দিলেও মাত্র ১৫ জন তা পেয়েছেন। বেশিরভাগ মানুষ এখনও কিছুই পাননি। এই বর্ষাকালে আমরা কীভাবে দিনপাত করবো সেই প্রশ্নই করছেন এই গৃহহীন।

    অন্যের বাড়িতে ভাড়া থাকছেন

    সামসেরগঞ্জের দুর্গাপুরের গৃহহীন (Murshidabad) এক মহিলা বলেন যে বাড়ি নদীতে তলিয়ে গেলে কিছুদিন ভাড়ার বাড়িতে ছিলাম। বিড়ি বেঁধে কোনরকমে সংসার চলে। কিন্তু নিজে খাবো কী, আর ভাড়া দেবো কী? এই অসহায়তার জন্য এখন নদীর পাশেই এক আত্মীয়ের বাড়িতে এসে থাকছি। কিন্তু এই বাড়িটাও যে কোনও সময়ে তলিয়ে যেতে পারে। তাই সন্তানদের নিয়ে খুব কষ্ট এবং আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। তিনি আরও বলেন, প্রশাসন থেকে এখনও কোনও সহযোগিতা আমরা পাইনি।

    নদীর পাড়ে ভাঙা বাড়িতে থাকছেন, যে কোনও সময় তলিয়ে যেতে পারে

    স্থানীয় (Murshidabad) মিন্টু শেখ বলেন, আমরা দুই বছর ধরে ঘর ছাড়া। নদীর ধারে একেটি ভাঙা বাড়িতে ত্রিপল টাঙ্গিয়ে কোনও রকম ভাবে থাকছি। আমার আর্থিক অবস্থা ভীষণ খারাপ, সামর্থ নেই যে অন্য জায়গায় বাড়ি করে থাকব। রাতের অন্ধকারে ঠিক করে ঘুমাতে পারি না কারণ, কখন ভেঙে যায় বাড়ি! জানিনা। নিজের জায়গা সম্পত্তি সবই ছিল কিন্তু নদীর ভাঙনে সব তলিয়ে গেছে। এই অবস্থায় সরকার আমাদের পাশে না দাঁড়ালে আমরা কোথায় যাবো! আপাতত মাথা গোঁজার মতন একটা আশ্রয় ভীষণ জরুরী। প্রশাসন এখন কবে উদ্যোগী হন তাই এখন দেখার। 

          

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: ‘‘একবারের জন্যও হিংসা বন্ধের আবেদন করেননি মুখ্যমন্ত্রী’’! তোপ দিলীপের

    Purba Bardhaman: ‘‘একবারের জন্যও হিংসা বন্ধের আবেদন করেননি মুখ্যমন্ত্রী’’! তোপ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে পঞ্চায়েতগুলিতে টিএমসি রয়েছে। শুধুই দুর্নীতি হয়েছে এত বছর ধরে। কিন্তু প্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য-কারও বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর হয়নি। ঠিক এই ভাবেই পূর্ব বর্ধমানে (Purba Bardhaman) গিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

    কী বললেন দিলীপ ঘোষ (Purba Bardhaman)?

    নির্বাচনী প্রচারে (Purba Bardhaman) এসে দিলীপ ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান না দুর্নীতি বন্ধ হোক। তিনি দুর্নীতি করাচ্ছেন এবং তিনিই দায়িত্ব নিয়ে হিংসা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। একবারের জন্য রাজনৈতিক হিংসা বন্ধের কথা বলেননি। তিনি মাথার ওপর বসে বসে সমস্ত দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন। আজ সায়নী ঘোষের ইডিতে হাজিরা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চুরি করার পর অনেকেই এমন কথা বলেন! এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, যাদের ইডি ডেকেছে, এখন কোথায় আছে খোঁজ নিয়ে দেখুন। এক অনুষ্ঠানে তৃণমূল নেত্রী শশী পাঁজা এদিন বলেছেন, বিজেপি চক্রান্ত করে সিবিআইকে লেলিয়ে দিচ্ছে। উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেন, যেখানে বিজেপি রাজ্যে রয়েছে, সেখানে দুর্নীতি সব থেকে কম হয়েছে। আর যেখানে বিজেপি নেই, সেখানে দুর্নীতি সব থেকে বেশি হচ্ছে।

    মনোনয়ন নিয়ে কী বললেন?

    দিলীপ ঘোষ বলেন, আমাদের প্রার্থীদের ইচ্ছে করে বিডিও অফিস থেকে নাম বাতিল করা হয়েছে। উলুবেড়িয়া প্রসঙ্গে বলেন, বিরোধীদের মনোনয়ন বাতিল নিয়ে হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। তৃণমূলের দুর্নীতি পঞ্চায়েত নির্বাচনেও হয়েছে। অধিকাংশ বিরোধীদের মনোনয়ন বাতিলে বিডিও-এসপিরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। বান্ডিল করে বিডিও অফিস থেকে মনোনয়নপত্র তুলে, বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পূরণ করে আবার বিডিও অফিসে জমা করেছে তৃণমূলের নেতারা। বিডিও সাহেবরা ভালো করে নজরই দেননি। কারণ তৃণমূলের মনোনয়ন ছিল বলে কথা। সৌদি আরব থেকেও পঞ্চায়েতে মনোনয়ন হয়েছে। ঠিক এই ভাবেই পূর্ব বর্ধমানে (Purba Bardhaman) এসে তৃণমূল সরকারের প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন দিলীপ ঘোষ।

    বাহিনী প্রসঙ্গে কী বললেন?

    সাংবাদিক সম্মেলনে দিলীপ ঘোষ (Purba Bardhaman) আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত এগারো বছরে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন যে আজ সরকারি কর্মচারীরা বলেছেন, সেন্ট্রাল ফোর্স ছাড়া ভোট করতে যাবেন না। তাই তৃণমূলের তৈরি করা শাসন কাঠামো এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে আমাদের জনমত গড়ে তুলতে হবে। তৃণমূলকে হারানোর জন্যই বিজেপি লড়ছে। তিনি আরও বলেন, নবজোয়ারের নামে স্কুল-কলেজ বন্ধ করে রাজনীতি করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকাল-বিকেল কেন্দ্রীয় বাহিনীকে গালিগালাজ করেন, আবার বিপদে পড়লে সেই বাহিনীর কাছে গিয়েই আশ্রয় নিতে হয় তাঁকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Paschim Medinipur: মুখ্যমন্ত্রীর চোট কি রাজনৈতিক! সুস্থতা কামনা করেও তীব্র কটাক্ষ দিলীপের

    Paschim Medinipur: মুখ্যমন্ত্রীর চোট কি রাজনৈতিক! সুস্থতা কামনা করেও তীব্র কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাত সকালে খড়্গপুরে (Paschim Medinipur) চা চক্রে যোগ দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। একাধিক ইস্যু নিয়ে রাজ্য সরকারকে তোপ দাগলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী এবং শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন দিলীপ ঘোষ।

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কী বললেন?

    মুখ্যমন্ত্রী পায়ে চোট পেয়েছেন। আশা করি মুখ্যমন্ত্রীর চোট তাড়াতাড়ি ভালো হয়ে উঠবে। তবে এটা মুখ্যমন্ত্রীর কি আসল চোট, নাকি রাজনৈতিক চোট? বুঝতে পারছি না! ভোট এলে অনেকেরই চোট লেগে যায়। সব সময় সেনাকে গালাগাল দেন আর সংকটের সময় সেনার কাছেই যেতে হয়, কটাক্ষ দিলীপের।

    শ্রীনু নাইডু হত্যা কেসে মন্তব্য (Paschim Medinipur)

    শ্রীনু নাইডু হত্যা মামলা খড়্গপুরকে (Paschim Medinipur) নাড়িয়ে দিয়েছিল। দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূল আমাকেও ওই মামলায় ঢোকানোর চক্রান্ত করেছিল। একটা এত বড় হত্যা হয়ে গেল, সেখানে কেউ সাজা পেল না, সবাই ছাড়া পেয়ে গেল? প্রশ্ন তুললেন দিলীপ ঘোষ। এভাবে দোষীরা সাজা না পেলে খড়্গপুরে আবারও হিংসা বাড়বে। পঞ্চায়েত ভোটে জেতার জন্যই কি খালাস করে দেওয়া হল মাফিয়াদের? প্রশ্ন তুললেন দিলীপ ঘোষ।

    আরও কী বললেন

    প্রধানমন্ত্রীর মুখে রাজ্যের শাসক শিবিরের দুর্নীতির কথা উঠে এসেছে। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের (Paschim Medinipur) দাবি, এই রাজ্যে ঐতিহাসিক দুর্নীতি রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী যদি এক গলা গঙ্গা জলে দাঁড়িয়ে বলেন বিজেপি চোর তাহলেও কেউ বিশ্বাস করবে না। কারণ তাঁর ডানদিক বামদিক সবদিকেই চোরেরা ভর্তি। সারা দেশ জুড়ে যখন বিজেপির এবং মোদিজীর সমর্থন বাড়ছে, তখন সব চোরেরা একজোট হয়েছেন। হাম সব চোর এক-এই স্লোগান দিয়ে পাটনায় একজোট হয়েছে। এভাবেই তীব্র কটাক্ষ করেন দিলীপ ঘোষ। 

    সারা রাজ্য জুড়ে বোমাবাজি হচ্ছে। এখনও প্রচুর জায়গায় বোমা-বন্দুক লুকিয়ে রাখা হয়েছে। পুলিশের এগুলো খুঁজে বার করা উচিত। বোমা-বন্দুক উদ্ধার না হলে পঞ্চায়েত ভোট রক্তাক্ত হবে, অনেক জীবনহানি হবে। অনেক জায়গায় আবার সিভিক পুলিশ দিয়ে বোমা রেখে আসা হচ্ছে লোককে ভয় দেখানোর জন্য। সেন্ট্রাল ফোর্স দিয়ে সমস্ত বোমা উদ্ধার করা উচিত। মাফিয়াদের সাথে তৃণমূলের এগ্রিমেন্ট হয়েছে পঞ্চায়েত ভোটে। নির্বাচনে মাফিয়ারা সাহায্য করবে তৃণমূলকে, ঠিক এভাবেই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। 

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: চুরি করে লালুপ্রসাদও ছাড় পাননি, মুখ্যমন্ত্রী এবং ভাইপো তো চুনোপুঁটি! তোপ সুকান্তর

    BJP: চুরি করে লালুপ্রসাদও ছাড় পাননি, মুখ্যমন্ত্রী এবং ভাইপো তো চুনোপুঁটি! তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯ জুন আরামবাগে বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দলের সোশ্যাল মিডিয়ার বিশেষ বৈঠকে যোগ দিলেন। আর তার পরই সংবাদ মাধ্যমে তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ করেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইলে তৃণমূলের নেতাদের এত ভয় কীসের? এই প্রশ্নও তোলেন সুকান্ত।

    আরামবাগে এসে কী বললেন সুকান্ত (BJP)?

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ইডি ডাকলে যাব না। সামনে পঞ্চায়েত ভোট, অযথা সময় নষ্ট করব না। সুকান্ত মজুদারের কাছে (BJP) অভিষেকের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইডিতে এত ভয় কীসের? তদন্ত থেকে কেন পালাতে চাইছেন? সুকান্ত আরও বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত দল যদি সরকারে থাকে, তাহলে তার মানে এই নয় যে আপনি চুরি করবেন। সংবিধান কখনই চুরি করার অধিকার দেয় না। তিনি আরও বলেন, আমিও সাংসদ, কিন্তু আমিও চুরি করতে পারি না। চুরি করলে ভারতবর্ষের আইন শাস্তি দেবেই। আইনের হাত থেকে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবও ছাড় পাননি, চুরি করলে শাস্তি পেতেই হবে। মুখ্যমন্ত্রী এবং ভাইপো লালুপ্রসাদের সামনে তো চুনোপুঁটি, তাই শাস্তি পেতেই হবে। ভারতীয় আইনে দোষীরা শাস্তি পাবেই।

    পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য

    সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ বলছে যে, পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী না দিলে ভোট করাতে তারা যাবে না। প্রতিক্রিয়া স্বরূপ সুকান্ত মজুমদার (BJP) সাংবাদিকদের বলেন, যাঁরা ভোটে যাবেন, তাঁদের সুরক্ষার দায়িত্ব রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। তিনি আরও বলেন, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে উত্তর দিনাজপুরে পোলিং অফিসার রাজকুমার রায় নামের এক শিক্ষককে ভোট নিতে গিয়ে খুন হতে হয়েছিল। ওই শিক্ষকের দেহ পাওয়া গিয়েছিল রেল লাইনের ধারে। তাই ভোট কর্মীদের নিরাপত্তার দায়িত্ব রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। এক দফার ভোট, কেবল মাত্র পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ দ্বারা সম্ভব নয়। পশ্চিমবঙ্গে যে পরিমাণে স্পর্শকাতর পঞ্চায়েত বুথ রয়েছে, তাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী বা অন্য রাজ্যের পুলিশ প্রয়োজন। সুকান্ত মজুমদার বলেন, আমরা দেখেছি বিধানসভা ভোটের সময় শুধুমাত্র ভোট কেন্দ্রকে রক্ষা করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে গুলি চালাতে হয়েছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী নিজে উস্কানি দিয়ে এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়ে ছিলেন বলে অভিযোগ সুকান্তর। আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করতে গিয়ে যদি বাহিনী গুলি চালায়, তাহলে তা ভালোই হবে জানিয়েছেন এই বিজেপি নেতা। কার্যত এইভাবেই বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার তৃণমূল সরকার এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

  • Sukanta Majumdar: “মুখ্যমন্ত্রী লাশের ওপর দাঁড়িয়ে রাজনীতি করেন”, কেন বললেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: “মুখ্যমন্ত্রী লাশের ওপর দাঁড়িয়ে রাজনীতি করেন”, কেন বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালেশ্বরে ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত এবং জখমদের বেশিরভাগই পরিযায়ী শ্রমিক। এরাজ্যে কাজ না পেয়ে করমণ্ডল এক্সপ্রেস ধরে ভিন রাজ্যে শয়ে শয়ে রাজমিস্ত্রি কাজে যাচ্ছিলেন। পাশাপাশি এই তালিকায় রয়েছে ভেলোরে চিকিৎসা করতে যাওয়া বহু পরিবার। রবিবার সন্ধ্যায় পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ির কুকাই এলাকায় দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন,” বাংলায় কাজ নেই। তাই বাধ্য হয়ে এই রাজ্য থেকে শয়ে শয়ে ছেলেমেয়েকে কেরলে রাজমিস্ত্রির কাজে যেতে হচ্ছে। আর মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, এগিয়ে বাংলা! লজ্জা করে না একথা বলতে? আমি করমণ্ডল এক্সপ্রেসের অনেক যাত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁরা বলেছেন, চিকিৎসার জন্য তাঁরা ভেলোরে যাচ্ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্য কার্ডে এরাজ্যে ভালো চিকিৎসা মেলে না। এই রাজ্যে বেকারদের হাতে কাজ নেই। অসুস্থ মানুষদের ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। তাই, মানুষ বাধ্য হয়ে ভিন রাজ্যে যাচ্ছেন।”

    অভিষেককে নিয়ে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, “তৃণমূলের চোরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তাতেও দিদির (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) রাগ। কারণ, ভাইপোকে (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) কেন বার বার সিবিআই ডাকছে। চোরকে পুলিশ ডাকবে না তো কাকে ডাকবে? এবার আর শুধু ডাকবে না, তাঁকে আদর আপ্যায়ণ করে রাখার ব্যবস্থা করা হবে।”

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)?

    ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেল কর্তৃপক্ষকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিলেন। কবজ ব্যবস্থা, সিগন্যালিং ব্যবস্থা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “রেলমন্ত্রী থাকার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু শিলান্যাস করে গিয়েছেন। তাঁর প্রিয় জায়গা ফুরফুরা পর্যন্ত রেললাইন পৌঁছে দেবেন বলেছিলেন। সেটা তিনি করতে পেরেছেন? রেলের গাফিলতি ছিল কি না সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে, তিনি যে সব অভিযোগ করছেন তা একেবারেই ভিত্তিহীন। আসলে লাশের ওপর দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী রাজনীতি করতে ভালোবাসেন। এখন এই ট্রেন দুর্ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তাই, এখন লাশের ওপর দাঁড়িয়ে তিনি রাজনীতি করছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী হলেন ‘লেডি কিম’! কেন এই তুলনা টানলেন শুভেন্দু অধিকারী?

    Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী হলেন ‘লেডি কিম’! কেন এই তুলনা টানলেন শুভেন্দু অধিকারী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার নন্দীগ্রামের সোনাচূড়াতে শহিদ মিনারে ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে আসেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সংসদ ভবনের উদ্বোধন নিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে সংসদ ভবনের উদ্বোধনের মাধ্যমে ভারতের ইতিহাসে নব পালক সংযোজিত হল। এই রাজ্যে আক্রান্তদের পাশে নেই রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করে তাঁকে উত্তর কোরিয়ার কিমের সঙ্গে তুলনা করেন শুভেন্দু।  

    নন্দীগ্রামে কী বললেন (Suvendu Adhikari) শুভেন্দু অধিকারী?

    সোনাচূড়াতে শহিদ মিনারে মন কি বাত অনুষ্ঠানে এসে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, আজ ভারতীয় হিসাবে আমরা গর্বিত। আত্মনির্ভর ভারত এবং আধুনিক ভারতের আরেকটি প্রয়াস হচ্ছে মোদিজির মাধ্যমে। নতুন সংসদ ভবনের বিষয়ে বলেন, ভারত মাতার নব রূপ সংযোজিত হল। আমি প্রাক্তন সাংসদ হিসাবে নতুন সংসদ ভবন উদ্ভোধন হওয়ায় ভীষণ ভাবে গর্ব অনুভব করছি।

    সরব রাজ্য সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে

    রাজ্যের তৃণমূল সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আবার গতকাল শনিবার এগরাতে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, এগরা বিস্ফোরণের ১১ দিন পরে মুখ্যমন্ত্রী ভানু বাগের শ্রাদ্ধে খেতে এসেছিলেন। পাশাপাশি কুড়মি আন্দোলনে রাজেশ মাহাতর গ্রেফতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা আইনি বিষয়, তদন্ত সাপেক্ষ ব্যাপার। যদি কোনও আইনি সাহয্যের দরকার হয়, আমি রাজেশ মাহাতকে আইনি লড়াইতে সাহায্য করব। সব কিছু সমস্যা তৈরি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিকে জনজাতি সমাজ এবং অপরদিকে কুড়মিদের উস্কে দিচ্ছেন। রাজ্যে অস্থিরতার বাতাবরণ তৈরি করা হচ্ছে। সবটাই হচ্ছে প্রশাসনের ব্যর্থতার বলে তীব্র সমালোচনা করেন বিরোধী দলনেতা।

    কিমের সঙ্গে তুলনা মুখ্যমন্ত্রীকে

    সবার মুখ্যমন্ত্রী নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, উনি হলেন লেডি কিম। মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর ভাইপো অত্যন্ত ক্রূর, সব সময় প্রতিহিংসার রাজনীতি করছেন। এই ভাবেই সমালোচনা করলেন শুভেন্দু। মানুষের উপরে নানান ভাবে অত্যাচার করছেন বলে বিশেষ অভিযোগ তোলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এই রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর দল কিছু ভোট ব্যাঙ্কেরই কেবলমাত্র প্রতিনিধি। সবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হতে পারেননি। শুভেন্দু বলেন, বগটুই হত্যাকাণ্ডে সেখানকার মুসলমান মহিলাদের পুড়িয়ে মারার পর আমি গিয়েছি, তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আমি জানি তাঁরা আমাদের ভোট দেননি। আগামী দিনে দেবেন কি না তাও জানি না। কিন্তু আমি বিরোধী দলের নেতা হিসাবে মুখ্যমন্ত্রী আসার আগে ঘটনারস্থলে গিয়েছিলাম। একই ভাবে ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলারকে গুলি করে হত্যা করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। উল্লেখ্য, এখানেও মুখ্যমন্ত্রী যাননি, আমিই মৃত কাউন্সিলারের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছি। বিরোধী দলনেতা আরও বলেন, তিনি কেবল বিজেপির নেতা নন, এই রাজ্যে যত সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হবেন, তাঁদের সবাইকার নেতা শুভেন্দু। আক্রান্ত মানুষের পাশে থাকা বিরোধী দলের নেতাদের প্রধান কাজ। এবং এই কাজ করতে উনি রাজ্যবাসীর কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: মুখ্যমন্ত্রীর শিলান্যাস করা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ বন্ধ, কাটমানির অভিযোগ

    Purba Medinipur: মুখ্যমন্ত্রীর শিলান্যাস করা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ বন্ধ, কাটমানির অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭৬ কোটি টাকার নির্মীয়মান মহাত্মা গান্ধী বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে যায় উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের স্ট্যান্ডিং কমিটি। পূর্ব মেদিনীপুর (Purba Medinipur) মহিষাদল রাজ কলেজের একটা অংশে চলছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠনপাঠন। দীর্ঘদিন বন্ধ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের কাজ। নির্মাণের পুরো টাকা নয়ছয় হয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির।

    পূর্ব মেদিনীপুরে (Purba Medinipur) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিলান্যাসের পর কী হল!

    ২০১৮ সালে পূর্ব মেদিনীপুর (Purba Medinipur) জেলার জন্য মহাত্মা গান্ধী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিলান্যাস করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহিষাদলের বামুনিয়া মৌজায় জায়গা চিহ্নিত করে কাজও শুরু করে দেয় পূর্ত দপ্তর। কিন্তু প্রাচীর দেওয়ার কাজ সম্পূর্ণ হলেও অর্থের অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। নির্মাণ কাজ চলার মধ্যেই অবশ্য মহিষাদল রাজ কলেজের একাংশে বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠনপাঠন শুরু হয়। এমনকি এক উপাচার্য নিয়োগ হয়ে তাঁর মেয়াদ ফুরিয়ে গেলে, নিয়োগ হয়েছেন আরও এক উপাচার্য। কিন্তু এখনো নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের কাজ শুরু না হওয়ায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে মহিষাদল রাজ কলেজ ও মহাত্মাগান্ধী বিশ্ববিদ্যালয়, উভয় কর্তৃপক্ষকেই। বর্তমানে ক্লাস রুমের সঙ্কটে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বেশির ভাগ সময়েই কলেজের রুম অধিগ্রহণ করেই চলছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠনপাঠনের কাজ। এর মধ্যেই উচ্চশিক্ষা দপ্তরের স্ট্যান্ডিং কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ খতিয়ে দেখতে আসে মহিষাদলে। আর বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণ কাজ সময়ে সম্পূর্ণ কেন হচ্ছে না, এই প্রশ্ন নিয়েই কটাক্ষ বিজেপির।

    নির্মাণে বাজেট ও বিজেপির অভিযোগ

    মহাত্মা গান্ধী বিশ্ববিদ্যালয় (Purba Medinipur) তৈরিতে বাজেট ঠিক হয় প্রায় ১৭৬ কোটি টাকা। ইতিমধ্যেই প্রাচীর নির্মাণে খরচ হয়েছে ২৫ কোটি টাকা। তার মধ্যে ঠিকাদারকে দেওয়া হয়েছে ১১ কোটি টাকা। বাকি টাকা না দেওয়ায় কাজ বন্ধ রেখেছে ঠিকাদার, এমনটাই সূত্রে জানা যায়। বিজেপির অভিযোগ কলেজের ক্লাস রুম অধিগ্রহণ করে পড়াশোনার কাজ চলছে, এতে মহাবিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় দুই প্রতিষ্ঠানেরই পঠনপাঠনে ক্ষতি হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে যদি ১১ কোটি টাকা পেমেন্ট হয়, তাহলে বাকি টাকা কোথায় গেলো? বিধায়ক টাকা নয়ছয় করেছেন কী না? তৃণমূলের নেতারা কাটমানি নিয়েছেন কী না? ইত্যাদি প্রশ্নকে তুলছেন বিরোধী দলগুলি।

    তৃণমূল বিধায়কের বক্তব্য

    বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ নিয়ে তৃণমূলের বিধায়ক (Purba Medinipur) তিলক চক্রবর্তীর বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের কাজ শেষ করেছি। আরও কিছু টাকা পেলে আমরা বাকি কাজ করতে পারব। আর এই কাজের সবটাই স্ট্যান্ডিং কমিটির কাছে স্পষ্ট করে জানিয়েছি আমরা। তিনি আরও বলেন, বিজেপিকে কেন্দ্র সরকারের কাছে বলতে বলুন রাজ্যের প্রাপ্য ১ লক্ষ ১৫ হাজার কোটি টাকা, আর সেই টাকা আগে কেন্দ্র দিক, তারপর বলুন আঙ্গুল তুলতে। কাজ হচ্ছে কী না, সেই খতিয়ান আমরা দিয়ে দেব। মুখ্যমন্ত্রীর শিলান্যাসের পর এখন কবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ শেষ হবে, তা নিয়ে চিন্তিত এলাকার সাধারণ মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: বন দফতরে ২০০০ চাকরি বাতিলের নির্দেশ বহাল, স্থগিতাদেশ দিল না হাইকোর্ট

    Recruitment Scam: বন দফতরে ২০০০ চাকরি বাতিলের নির্দেশ বহাল, স্থগিতাদেশ দিল না হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন সহায়ক পদে দু’হাজার জনের চাকরি বাতিল এবং নতুন নিয়োগ (Recruitment Scam) প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ চেয়ে দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়েছিল চাকরিহারাদের একাংশ। সেই আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। প্রসঙ্গত, দুর্নীতির অভিযোগে গোটা প্যানেল বাতিল হওয়ার পর চাকরিহারাদের একাংশ দাবি করে, শুধুমাত্র অযোগ্যদের বহিষ্কার করা হোক। তার ভিত্তিতেই দায়ের হয় মামলা। কিন্তু মিলল না স্থগিতাদেশ।

    চলতি মাসেই পুরো প্যানেল বাতিল করেন বিচারপতি লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    গত ৩ মে বন সহায়ক পদে নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) অভিযোগ সামনে আসতেই দু-হাজার জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন বিচারপতি লপিতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পাশাপাশি তিনি জানিয়ে দেন, নতুন ভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে এবং তা দু মাসের মধ্যে করতে হবে। পাশাপাশি বিচারক আরও বলেন, ‘‘নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়াতে চাকরিহারারা অংশগ্রহণ করতে পারবে।’’ আদালতের এই নির্দেশ পেয়ে গত ১৯ মে নতুন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বন দফতর। এই সময় সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় চাকরিহারাদের একাংশ। বৃহস্পতিবার সেই মামলা হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চে ওঠে এবং দুই বিচারপতি নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়াতে স্থগিতাদেশ দিতে অস্বীকার করেন।

    আরও পড়ুন: বিজেপি কর্মীকে দলীয় কার্যালয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বনমন্ত্রী থাকাকালীন এই দুর্নীতির (Recruitment Scam) অভিযোগ

    ২০২০ সালে ২০০০ বন সহায়ক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল বন দফতর। তখন বনমন্ত্রী ছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে বেনিয়ম করে তৃণমূল নেতা ও মন্ত্রীদের সুপারিশের ভিত্তিতে এই নিয়োগ করেছেন তিনি। পরে বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগদান করলে একই অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রকাশ্য জনসভায় তিনি বলেন, বন দফতরের নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share