Tag: China

China

  • Asian games 2023: মুখ পুড়েছে চিনের! অরুণাচল প্রদেশের তিন ক্রীড়াবিদকে ভিসা দিল না বেজিং, ক্ষোভ ভারতের

    Asian games 2023: মুখ পুড়েছে চিনের! অরুণাচল প্রদেশের তিন ক্রীড়াবিদকে ভিসা দিল না বেজিং, ক্ষোভ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশে মুখ পুড়েছে চিনের! ড্রাগনের দেশের আগ্রাসন রুখে দিয়েছিলেন ভারতীয় সেনা। মেরে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল লাল ফৌজকে। তার জেরে অরুণাচল প্রদেশের ক্রীড়াবিদদের ভিসা দিল না চিন। এশিয়ান গেমসের (Asian games 2023) আগে যার জেরে দেশ-বিদেশে সমালোচনার মুখে পড়েছে শি জিনপিংয়ের দেশ।

    তিন ক্রীড়াবিদকে ভিসা নয়

    অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার পরেও সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে মানচিত্রের নয়া সংস্করণ প্রকাশ করে বেজিং। তার পরেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হয় ভারতের তরফে। তার জেরে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের ক্রীড়াবিদদের ভিসা (Asian games 2023) দেয়নি চিন।

    আরও পড়ুুন: লোকসভা নির্বাচনের আগে ‘রামধাক্কা’! তৃণমূলকে নিরাশ করে এনডিএ শিবিরে ভিড়ল কুমারস্বামীর দল

    ভারতের তিন উশু খেলোয়াড় হলেন নিম্যান ওয়াংশু, ওনিলু টেগা এবং মেপাং লামগু। ঘটনাচক্রে তিনজনেই অরুণাচল প্রদেশের বাসিন্দা। এই তিনজনকে ভিসা দেয়নি চিন। যার জেরে উশু খেলোয়াড় ও স্টাফ সহ মোট সাতজন রওনা দিলেন হংকংয়ের উদ্দেশে। ভিসা নিয়ে এই টালবাহানার জেরে অনেক দেরিতে হ্যাংঝৌ পৌঁছায় ভারতীয় উশু টিম। ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে এখানেই শুরু হবে এশিয়ান গেমস।

    কড়া প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির

    জানা গিয়েছে, যে তিন উশু খেলোয়াড়কে চিন ভিসা দেয়নি, তাঁদের প্রত্যেককেই ছাড়পত্র দিয়েছিলেন এশিয়ান গেমসের আয়োজকরা। দেশের তিন খেলোয়াড়কে চিন ভিসা না দেওয়ায় বেজায় চটেছে নয়াদিল্লি (Asian games 2023)। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, ভারতীয় নাগরিকদের বাসস্থান বিচার করে বৈষম্যমূলক আচরণ একেবারে মেনে নেওয়া হবে না। অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অখণ্ড অংশ ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। বেছে বেছে কয়েকজন ভারতীয় ক্রীড়াবিদকে আটকে দেওয়া হয়েছে।

    এহেন আচরণের জন্য দিল্লি ও বেজিংয়ে চিনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ করা হয়েছে। এশিয়ান গেমসের আদর্শেরও বিরোধিতা হয়েছে এই কাজে। চিনের এহেন আচরণের প্রতিবাদ জানাতে চিন সফর বাতিল করেছেন ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। এর পাশাপাশি বেজিংকে কড়া বার্তা দিয়ে (Asian games 2023) বলা হয়েছে, দেশের স্বার্থ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার রয়েছে ভারতের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Asian Games 2023: এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে ফেভারিট টিম-ইন্ডিয়া! সোনা জয়ই লক্ষ্য নীরজ, মীরাবাঈদের

    Asian Games 2023: এশিয়ান গেমসে ক্রিকেটে ফেভারিট টিম-ইন্ডিয়া! সোনা জয়ই লক্ষ্য নীরজ, মীরাবাঈদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গিয়েছে ২০২৩ এশিয়ান গেমস (Asian Games 2023)। চিনের ঝাংঝাউয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯তম এশিয়ান গেমসের আসর বসেছে।  এই টুর্নামেন্টে মোট ৪০টি ভিন্ন খেলাধুলোর আয়োজন করা হচ্ছে। আগামী ৮ অক্টোবর এশিয়ান গেমস শেষ হবে। ১০০ পদকের লক্ষ্য চিন পাড়ি দিয়েছে ভারতের বিভিন্ন অ্যাথলিট। গত বার এসেছিল ৭০টা পদক। তারপর বদলে গিয়েছে অনেক কিছু। টোকিও গেমসে ভারত দারুণ পারফর্ম করেছিল। এশিয়াডে তাই স্বপ্ন উজ্জ্বল হচ্ছে। 

    ক্রিকেটে কাপ জয়ের দাবিদার ভারত

    এশিয়ান ক্রিকেটে (Asian Games 2023) অন্যতম শক্তিশালী দেশ ভারত। মেয়েদের ক্রিকেটে সবচেয়ে সফল। এশিয়ার একমাত্র দল হিসেবে গত তিনটি আইসিসি টুর্নামেন্টেই সেমিফাইনাল, ফাইনাল অবধি পৌঁছেছে ভারত। এখনও অবধি মেয়েদের এশিয়া কাপে এক বার ছাড়া বাকি সব সংস্করণেই চ্যাম্পিয়ন টিম ইন্ডিয়া। এশিয়া কাপে সাতবারের চ্যাম্পিয়নদের সামনে এশিয়ান গেমস। সোনার পদকের দৌড়ে সকলের থেকে এগিয়ে ভারত। এশিয়ান গেমসে ভারত সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে। বৃহস্পতিবার প্রথম ম্যাচ। আসল লড়াই সেমিফাইনাল থেকেই। 

    ছেলেদের ক্রিকেটেও ফেভারিট ভারত। সদ্য এশিয়া কাপ জিতেছে রোহিত শর্মার নেতৃত্বে। এই টুর্নামেন্টে ভারতীয় পুরুষ ক্রিকেট দলকে নেতৃত্ব দেবেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। আইপিএল এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে যাঁরা ভালো পারফরম্যান্স করেছেন, তাঁদেরই এই দলে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এশিয়ান গেমসে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যেই নামবে ভারত।

    সোনার লক্ষ্যের সোনার ছেলে নীরজ

    আরও একটা সোনা নিয়ে ২০২৩ সালটা শেষ করতে চান ভারতের জ্যাভলিন সুপারস্টার নীরজ চোপড়া (Neeraj Chopra)। বছর পাঁচেক আগে জাকার্তায় হওয়া এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2023) সোনা জিতেছিলেন নীরজ। জাকার্তা এশিয়ান গেমসে ৮৮.০৬ মিটার থ্রো করে জাতীয় রেকর্ড গড়েছিলেন। ঠিক জাকার্তার মতোই এ বারও নীরজ চান তাঁর বর্শায় আটকে যাক সোনা। ভারত থেকে ৬৮ জনের অ্যাথলেটিক্স স্কোয়াড পাঠানো হয়েছে চিনে। তার মধ্যে রয়েছেন ৩৫ জন পুরুষ ও ৩৩ জন মহিলা। এশিয়ান গেমসে নীরজের ফের মোকাবিলা হবে পাকিস্তানের আর্শাদ নাদিমের সঙ্গে। 

    আরও পড়ুন: এএফসি কাপে দুরন্ত শুরু মোহনবাগানের! ওড়িশাকে ৪-০ গোলে হারাল সবুজ-মেরুন

    পদক চাই-ই মীরাবাঈ-এর

    অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন, কমনওয়েলথ গেমসেও জিতেছেন সোনা। কিন্তু এশিয়ান গেমসে (Asian Games 2023) পদক নেই মীরাবাঈ চানুর (Mirabai Chanu)। এবার ট্রফি ক্যাবিনেটে এশিয়ান গেমসের পদক রাখতে চান মণিপুরের অ্যাথলিট। ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ অক্টোবর ইভেন্ট। সেখানেই পোডিয়ামে উঠে সোনার পদক গলায় ঝোলাতে চান মীরা। ১৯৫১ সালে প্রথম শুরু হয়েছিল এশিয়ান গেমস। সে বার দিল্লিতে বসেছিল গেমসের আসর। সেই সময় থেকে ধরলে ৭২ বছরের ইতিহাসে কোনও ভারতীয় কখনও সোনা জেতেননি। সে দিক থেকে ধরলে ওয়েটলিফ্টিংয়ে আজও রয়ে গিয়েছে ব্যাপক শূন্যতা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Chinese Dress Code: তালিবানি ফতোয়া চিনেও! পোশাকবিধি চালু হচ্ছে ড্রাগনের দেশে?

    Chinese Dress Code: তালিবানি ফতোয়া চিনেও! পোশাকবিধি চালু হচ্ছে ড্রাগনের দেশে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার তালিবানি ফতোয়া চিনেও! দেশবাসীর ভাবাবেগে আঘাত লাগে এমন কোনও পোশাক (Chinese Dress Code) পরা যাবে না সে দেশে। এমনই একটি আইনের খসড়া প্রস্তুত করেছেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। নয়া আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের ভাবাবেগে আঘাত লাগতে পারে এমন কোনও পোশাক পরা যাবে না। এমন কোনও চিহ্নও ব্যবহার করা যাবে না।

    জরিমানার বিধান

    আইন ভাঙলে ১৫ দিনের জেল বা ৫ হাজার ইয়েন (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৫৬ হাজার টাকা) জরিমানা গুণতে হবে। চিনের ভাবাবেগে আঘাত করে এমন কোনও কথাও বলা যাবে না। ওই ধরনের কোনও প্রতিবেদনও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। স্থানীয় হিরো এবং শহিদদের সম্পর্কেও কোনও কটু কথা বলা যাবে না। তাঁদের মূর্তি ভাঙলেও ভোগ করতে হবে কড়া সাজা। ২০১২ সালে চিনের কুর্সিতে বসেন জিনপিং। তারপর থেকে একের পর এক আদর্শ আরচণবিধি চালু করে চলেছেন তিনি। 

    ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ?

    তবে ঠিক কী ধরনের পোশাক (Chinese Dress Code) পরতে হবে, তা বলা হয়নি খসড়া আইনে। যেমন বলা হয়নি, কোন ধরনের পোশাক পরা যাবে না। চিনাদের একাংশের প্রশ্ন, তবে কী এবার থেকে পাশ্চাত্যের কোনও পোশাক পরা যাবে না?  তাঁদের মতে, চিনা নাগরিকদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে জিনপিংয়ের সরকার।

    চিনের ইউনিভার্সিটি অফ পলিটিক্যাল সায়েন্সের অধ্যাপক ঝাও হং বলেন, “শত্রুতা চরিতার্থ করতে সহজেই পুলিশ এই আইনের অপব্যবহার করতে পারে। গত বছর সুঝৌ প্রদেশে এক মহিলাকে আটক করা হয়। জাপানি পোশাক কিমোনো পরে রাস্তায় বেরিয়েছিলেন তিনি।” চিনা আইনজীবীদের একাংশও মনে করছেন, প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায় অনেক বিষয়ই স্পষ্ট নয়। এই প্রস্তাব আইনে পরিণত হলে নাগরিকদের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হতে পারে।

    আরও পড়ুুন: মোদির সঙ্গে সেলফি তুললেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী, ‘জি২০ সম্মেলন সফল’, জানালেন আলবানিজ

    ২০১৯ সালে চিন (Chinese Dress Code) দেশবাসীর জন্য আদর্শ আচরণ বিধি সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা জারি করে জিনপিংয়ের সরকার। তাতে বলা হয়েছিল, নাগরিকদের নম্র আচরণ করতে হবে। জিনপিং এবং তার দলের ওপর আস্থা রাখতে হবে। পায়ে ধুলো লাগিয়ে ঘুরে বেড়ানো চলবে না। পড়শি দেশ আফগানিস্তানে পোশাক ফতোয়া চালু হয়েছে বছর তিনেক আগে, তালিবান সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর। এবার কী সেই একই ফতোয়া চালু হতে চলেছে ড্রাগনের দেশে? প্রশ্ন চিনা নাগরিকদেরই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arunachal Tunnels: সেপ্টেম্বরেই জোড়া টানেলের উদ্বোধন করছে ভারত, কেন জানেন?

    Arunachal Tunnels: সেপ্টেম্বরেই জোড়া টানেলের উদ্বোধন করছে ভারত, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশকে নিয়ে অব্যাহত ভারত-চিন বিবাদ। অরুণাচল প্রদেশকে (Arunachal Tunnels) নিজের দেশের ভূখণ্ড দাবি করে নয়া মানচিত্র প্রকাশ করেছে ড্রাগনের দেশ। যদিও ভারত বরাবরই বলে আসছে, অরুণাচল প্রদেশ ভারতের ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

    বিশ্বের দীর্ঘতম যমজ টানেল

    অরুণাচল প্রদেশকে দক্ষিণ তিব্বতের অংশ বলে দাবি করে বেজিং যখন মানচিত্রের নয়া সংস্করণ প্রকাশ করছে, ঠিক তখনই অরুণাচল প্রদেশে টানেলের উদ্বোধন করতে চলেছে ভারত। চলতি মাসেই উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে এই টানেলের দ্বার। অরুণাচল প্রদেশের এই টানেলটির নাম সেলা টানেল। এটি বিশ্বের দীর্ঘতম যমজ টানেল। এই জোড়া ট্যানেল রয়েছে ১৩ হাজার ফিট উচ্চতায়। এই টানেলটি চালু হয়ে গেলে তাওয়াং অঞ্চলে দ্রুত সেনা এবং সমর সরঞ্জাম পাঠানো যাবে। সূত্রের খবর, চলতি মাসের শেষের দিকেই খুলে যাবে এই যমজ টানেল।

    বাঙ্কার ও সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে চিন

    কিছুদিন আগেই উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে ভারত জানতে পেরেছে, সীমান্তে (Arunachal Tunnels) প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার অদূরে বাঙ্কার ও সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে চিন। সমর বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এলাকায় আগেভাগেই অস্ত্র ও যুদ্ধের রসদ মজুত করে রাখার পরিকল্পনা করেছে বেজিং। যুদ্ধ শুরু হলে বেজিং যাতে কোনওভাবেই বাড়তি সুবিধা না পায়, তাই দ্রুত টানেলের দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়ে মজবুত পরিকাঠামো গড়ে তুলতে চাইছে নয়াদিল্লি। ২০১৯ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে এই টানেলের (Arunachal Tunnels) শিলান্যাস করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ব্যয় ধরা হয়েছে ৭০০ কোটি টাকা। বালিপাড়া চারদুয়ার তাওয়াং সড়কের ওপরই গড়ে উঠছে এই টানেল।

    আরও পড়ুুন: ‘‘কেন্দ্রে ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি’’, সাক্ষাৎকারে বললেন প্রধানমন্ত্রী, কারণ কী জানেন?

    আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্ট হল উত্তরপূ্র্বের নচিপুর টানেল। এই টানেলের সাহায্যে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সঙ্গে সারা দেশের অনায়াস যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাইছে ভারত। এক আধিকারিকের মতে, পাঁচশো মিটার দীর্ঘ এই টানেল রয়েছে ৫ হাজার ৭০০ ফিট উচ্চতায়। পশ্চিম কেমাংয়ের বিসিটি সড়কের ওপর গড়ে উঠেছে এই টানেল। আগামী সপ্তাহেই উদ্বোধন হবে এই টানেলের।

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দেশের মানচিত্রের একটি নয়া সংস্করণ প্রকাশ করেছে চিন। সেখানে অরুণাচল প্রদেশ ও পূর্ব লাদাখকে চিনের অংশ হিসেবে দাবি করেছে বেজিং। যার কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে ভারত। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এহেন আবহে জোড়া টানেল উদ্বোধন করে ড্রাগনের দেশকে মুখের মতো দিতে চাইছে মোদির ভারত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Birbhum: চিনের যুব সমাজের চরিত্র গঠনে বিবেকানন্দের পাঠ, রামকৃষ্ণ মিশনে প্রস্তাব কনসাল জেনারেলের

    Birbhum: চিনের যুব সমাজের চরিত্র গঠনে বিবেকানন্দের পাঠ, রামকৃষ্ণ মিশনে প্রস্তাব কনসাল জেনারেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে যুব সমাজের চরিত্র গঠনের জন্য বিবেকানন্দ পড়ানোর আবেদন জানালো চিন সরকার। চিন সরকার আরও বলল, মার্ক্স-লেলিন নয় চাই বিবেকানন্দের নৈতিকতা। রামকৃষ্ণ মিশনের কাছে সম্প্রতি চিনের কনসাল জেনারেল এমনই প্রস্তাব দিয়েছেন। এই কথাই বোলপুরে (Birbhum) জানালেন রামকৃষ্ণ মিশনের পক্ষ থেকে। ভারতীয় জীবনবোধে বিবেকানন্দের প্রভাব কি পড়বে এবার কম্যুনিস্ট পার্টি অফ চায়নাতেও? বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমে আসতেই তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    রামকৃষ্ণ মিশনের পক্ষ থেকে কী বলা হয়েছে (Birbhum)?

    বিবেকানন্দের ভাবধারায় চীনের যুবসমাজকে গড়ে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। রামকৃষ্ণ মিশনের সাধারণ সম্পাদক সুবিরানন্দ মহারাজ আজ বোলপুরে একথা জানিয়েছেন একটি অনুষ্ঠানে। চিনে সবথেকে বেশি দার্শনিক হিসাবে মান্যতা পেয়েছেন বিবেকানন্দ। বিবেকানন্দের দেখানো পথ, এখন পৃথিবীকে মুক্তির পথ দেখাবে। চীনের কনসাল জেনারেল সম্পর্কে মহারাজ আরও বলেন যে চিন এই দেশকে চা দিয়েছে কিন্তু ভারতবর্ষ বিশ্বকে স্বামী বিবেকানন্দকে দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, চিনের কনসাল জেনারেল বলেছেন, সমাজ তৈরির জন্য মার্ক্স-লেলিনকে দরকার হয় না, বিবেকানন্দ হলেন অন্যতম সমাজ চিন্তাবিদ। বিবেকানন্দের আদর্শ এবং নৈতিক মূল্যবোধ বর্তমান প্রজন্মের কাছে একান্ত প্রয়োজন। তাই চিনের মহাবিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবেকানন্দের বাণীকে কীভাবে পৌঁছানো যায়, সেই বিষয়ে কাজ করতে হবে। চিনের আগ্রহকে মিশনের পক্ষ থেকে ইতিবাচক বিষয় হিসাবে দেখা হচ্ছে বলে মহারাজ জানিয়েছেন।

    অনুষ্ঠানে উজ্জ্বল উপস্থিতি

    আজ বোলপুরে (Birbhum) রামকৃষ্ণ মঠের একটি সাধু নিবাসের উদ্বোধন করে মিশনের সাধারণ সম্পাদক সুবিরানন্দ মহারাজ বক্তব্য রাখেন। চিনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলিতে কিভাবে বিবেকানন্দের ভাবধারা পৌঁছে দেওয়া যায়, সে নিয়ে চিন্তা ভাবনা শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি। রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্যের সংসদ তহবিলের ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে একটি সাধু নিবাস নির্মাণ করা হয়েছে। আজকের অনুষ্ঠানে প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য, রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ, জেলা শাসক বিধান রায় সবাই রামকৃষ্ণ মিশনের সেবামূলক বিভিন্ন কাজের কথা তুলে ধরেন এবং সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Vladimir Putin: নিরাপদ নয় ভারত! তাই কি জি-২০ বৈঠকে না আসলেও পুতিন যাচ্ছেন চিন সফরে?

    Vladimir Putin: নিরাপদ নয় ভারত! তাই কি জি-২০ বৈঠকে না আসলেও পুতিন যাচ্ছেন চিন সফরে?

    মাধ্যম বাংলা নিউজ: অগাস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ব্রিকস সম্মেলনে সশরীরে যোগ দেননি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। সেপ্টেম্বরে ভারতে রয়েছে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানেও তিনি যে সশরীরে উপস্থিত থাকবেন না, দিন দুয়েক আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফোন করে তা জানিয়ে দিয়েছেন পুতিন।

    চিন সফরে পুতিন

    তবে অক্টোবরে চিন সফরে আসছেন তিনি। বেজিংয়ে আয়োজিত ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ফোরামে’র বৈঠকে যোগ দিতে পুতিন রাজি হয়েছেন বলে সূত্রের খবর। পুতিন যদি চিন সফরে আসেন, তাহলে তা হবে তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেফতারি পরওয়ানা জারির পর প্রথম বিদেশ সফর। ইতিমধ্যেই পুতিনের এই সফরের যাবতীয় প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে মস্কো। ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্টকেই কাঠগড়ায় তোলে বিশ্বের একটা বড় অংশ।

    গ্রেফতারির খাঁড়ার ভয়

    যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে চলতি বছরের মার্চ মাসে পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরওয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। নিয়ম অনুযায়ী, যে ১২৩টি দেশ এই আদালতের সদস্য, তার যে কোনও একটিতে পা রাখলেই গ্রেফতার করা হবে পুতিনকে (Vladimir Putin)। এই আদালতের সদস্য দেশগুলির মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই কারণেই পুতিন পা মাড়াননি ব্রিকস সম্মলনের পথে। তবে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদস্য দেশগুলির মধ্যে যেমন ভারত নেই, তেমনি নেই চিনও। প্রশ্ন, হল, তাহলে কেন ভারত সফরে না এসেও চিনে যাচ্ছেন পুতিন? আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, চিন কমিউনিস্ট শাসিত দেশ। ভারতের চেয়ে পুতিন সেখানে অনেক বেশি নিরাপদ বলে মনে করছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের কাছের লোকজন। সেই কারণেই জি-২০-র বৈঠকে না গিয়ে চিনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ফোরামে’র বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছেন পুতিন।

    আরও পড়ুুন: আকসাই চিনে বাঙ্কার, সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে চিন, যুদ্ধের প্রস্তুতি লালফৌজের?

    রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি নিকোলাই পাত্রুশেভ জানান, পুতিনকে (Vladimir Putin) ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ফোরামে’র বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে চিন। সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, “শীর্ষস্তর সহ বিভিন্ন স্তরে রুশ-চিন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সময়সূচি তৈরি করা হচ্ছে। আমরা সময় মতো এ বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করব।” ক্রমেই গাঢ় হচ্ছে ইন্দো-মার্কিন সম্পর্ক। সেই সময় একাসনে বসতে চলেছে রাশিয়া এবং চিন।

    তবে কি বদলাচ্ছে বিশ্বরাজনীতি?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Aksai Chin: আকসাই চিনে বাঙ্কার, সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে চিন, যুদ্ধের প্রস্তুতি লালফৌজের?

    Aksai Chin: আকসাই চিনে বাঙ্কার, সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে চিন, যুদ্ধের প্রস্তুতি লালফৌজের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আকসাই চিনে (Aksai Chin) সক্রিয়তা চিনা সেনার। সম্প্রতি চিনা মানচিত্রের যে সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে তাতে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও আকসাই চিনকে সে দেশের বলে দাবি করেছে বেজিং। এবার জানা গেল কেবল দাবিই নয়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার (এলএসি) প্রায় সত্তর কিলোমিটার দূরে ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার নির্মাণ করছে চিন। বাঙ্কারের পাশাপাশি এই এলাকায় সুড়ঙ্গও তৈরি করছে চিনা ফৌজ। ভবিষ্যতে যুদ্ধের পরিস্থিতির মোকাবিলায় এই বাঙ্কার ও সুড়ঙ্গ কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করেছে শি জিনপিংয়ের সরকার।

    বাঙ্কার ও সুড়ঙ্গ

    ২০২৩ সালের ১৮ অগাস্ট উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে এই বাঙ্কার ও সুড়ঙ্গের কথা জানতে পেরেছে নয়াদিল্লি। মাস কয়েক আগে প্যাংগং হ্রদের উত্তর ও দক্ষিণ পাড় জুড়ে সেতু নির্মাণ করছিল চিনা ফৌজ। উপগ্রহ মারফত সে খবরও পেয়েছিল (Aksai Chin) ভারত। তারই রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগে সীমান্তে ফের তৎপরতা চিনা সেনার। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এলাকায় স্থায়ীভাবে সেনা মোতায়েন করার কথা ভেবেই বাঙ্কার ও সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে বেজিং।

    চিনা আগ্রাসন 

    উপগ্রহ চিত্র বিশেষজ্ঞ ডেমিয়েন সাইমন বলেন, “আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে মাটির নীচে সুড়ঙ্গ তৈরি করে ভারতীয় সেনাকে প্রতিহত করতে চাইছে চিন। আকসাই চিনে ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ারবেস থাকায় এ দেশের সেনাবাহিনী যে সুবিধাগুলি পায়, তা রুখতেই চিনের এই পদক্ষেপ।” উত্তর লাদাখের দেপসাং উপত্যকা থেকে প্রায় সত্তর কিলোমিটার পূর্বে আকসাই চিনে নদীর পাড় বরাবর সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে লাল ফৌজ। ম্যাক্সার স্যাটেলাইট চিত্রেও ধরা পড়েছে চিনের এই খননকাজ। উপগ্রহ চিত্রে স্পষ্ট, নদীর দুই পাড়েই পাথর কেটে চিন (Aksai Chin) অন্তত ১১টি সুড়ঙ্গ তৈরি করেছে। এই সুড়ঙ্গ ও বাঙ্কারেই যুদ্ধাস্ত্র মজুত করার পরিকল্পনা করেছেন চিনা সমর কর্তারা।

    আরও পড়ুুন: জানেন কোন ২১ জন বিধায়ক পশ্চিমবঙ্গকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করতে চেয়েছিলেন?

    বছর তিনেক আগেও ডেমচক, ডেপসাং, গালওয়ান, গোগরা উষ্ণ প্রস্রবণের পাশাপাশি ফিঙ্গার এরিয়া ৮ এলাকায় অনুপ্রবেশ করেছিল লাল ফৌজ। জুন মাসে গাওয়াল উপত্যকায় রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর নতুন করে শুরু হয় দ্বিপাক্ষিক শান্তি আলোচনা। এহেন আবহে হ্রদের দক্ষিণে হেলমেট টপ থেকে রেচিন লা বেশ কিছু উঁচু এলাকায় দখল নেয় ভারতীয় সেনার মাউন্টেন স্ট্রাইক কোর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India China: মোদি-শি পার্শ্ববৈঠক, আর্জি জানিয়েছিল চিন-ই, দাবি ভারতের

    India China: মোদি-শি পার্শ্ববৈঠক, আর্জি জানিয়েছিল চিন-ই, দাবি ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ অফ্রিকার জোহানেসবার্গে হয়ে গেল ব্রিকস (BRICS) সম্মেলন। এই সম্মেলনের ফাঁকে পার্শ্ববৈঠক হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের (India China)। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের এহেন বৈঠক নিয়ে শুরু হয়েছে চাপানউতোর। চিনের দাবি, ভারতের সঙ্গে বৈঠক করতে অনুরোধ করেছে নয়াদিল্লি। যদিও চিনের দাবি নস্যাৎ করে দিয়ে ভারতের পাল্টা দাবি, পার্শ্ববৈঠক করতে তদ্বির করেছিল চিন-ই।

    ব্যতিক্রম চিন

    ব্রিকসে যে দেশগুলি রয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে চিন এবং ভারতও (India China)। গত কয়েক বছরে প্রতিবেশী এই দুই দেশের সম্পর্ক গিয়ে ঠেকেছে তলানিতে। বুধবার চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে ল্যান্ড করে ভারতের চন্দ্রযান-৩। ভারতের এই সাফল্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। ব্যতিক্রম চিন। ব্রিকস সম্মলনের প্রথম দিন মঞ্চে চিনা প্রেসিডেন্ট ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টের দু পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছিল।

    করমর্দন দুই রাষ্ট্রপ্রধানের 

    পরের দিন মুখোমুখি হতেই করমর্দন করেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। বৃহস্পতিবার ভারতের বিদেশ সচিব বলেছিলেন, ব্রিকস সম্মেলনের মাঝে কথা হয়েছে মোদি ও শিয়ের মধ্যে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ব্রিকসভুক্ত দেশগুলির বাকি রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গেও কথা বলেন। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় যে পরিস্থিতি বিদ্যমান, শিয়ের সঙ্গে কথোপকথনে সেই প্রসঙ্গও উঠেছিল। এদিকে, চিনের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা (India China) হয়েছে, শি বলেছেন চিন-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি দু দেশের নাগরিকদের স্বার্থকেই চরিতার্থ করবে। এবং তা শান্তি, স্থিতিশীলতা, উন্নয়নের জন্যও সহায়ক হবে।

    আরও পড়ুুন: গ্রিসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    চিনের দাবি উড়িয়ে দিয়েছে ভারত। বেজিংয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ করেছে নয়াদিল্লি। নয়াদিল্লির পাল্টা দাবি, চিনের তরফে দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠকের আবেদন আগেই করা হয়েছিল। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, চিনের সেই আবেদন মেনেই বৈঠক হয়েছে মোদি-শি-য়ের। প্রসঙ্গত, ব্রিকসের (India China) সদস্য দেশগুলি হল, ভারত, চিন, রাশিয়া, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার সম্মেলন হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে। সম্মেলন শুরু হয়েছিল ২২ অগাস্ট, শেষ হয় ২৪ তারিখে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • China Bangladesh: শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানের পর এবার ড্রাগনের থাবা বাংলাদেশে, হাঁড়ির হাল হবে হাসিনার দেশেরও!

    China Bangladesh: শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানের পর এবার ড্রাগনের থাবা বাংলাদেশে, হাঁড়ির হাল হবে হাসিনার দেশেরও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: থাবা মেরেছিল দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কায়। দেউলিয়া করে ছেড়েছে। হাত দিয়েছিল পাকিস্তানে। সর্বস্বান্ত করেছে। চিনা ড্রাগন এবার হাত বাড়িয়েছে বাংলাদেশের (China Bangladesh) দিকে। এতেই অশনি সংকেত দেখছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের ধারণা, চিন এবার শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানের মতো হাঁড়ির হাল করে ছাড়বে শেখ হাসিনার দেশের। সূচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরনোর বদনাম রয়েছে চিনের।

    চিনা ঋণের ফাঁদ

    উন্নয়নের নামে কোনও একটি দেশকে প্রথমে ঋণ দেয় বেজিং। অংশ গ্রহণ করে বিভিন্ন প্রকল্পে। তার পর ধীরে ধীরে দেশটিকে ঋণের ফাঁদে জড়িয়ে ফেলে আষ্টেপৃষ্ঠে। যেমনটা হয়েছে শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তান সহ বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে। বেজিংয়ের শ্যেন দৃষ্টিতে এবার হাসিনার বাংলাদেশ। গত কয়েক বছরে চিন-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আবদ্ধ ছিল উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের মধ্যেই। এর মূল কারণ বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের ক্ষেত্রে চিনা আগ্রাসন। সম্প্রতি বাংলাদেশে (China Bangladesh) একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পে হাত দিয়েছে ড্রাগনের দেশ। তাতেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ঋণের ফাঁদে ফেলে চিন সর্বস্বান্ত করেছে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, জিম্বাবোয়ে, আঙ্গোলা, নাইজিরিয়া, সুদান, সার্বিয়া সহ বিভিন্ন দেশকে। তাই চিনের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে বাংলাদেশ ভুল করেছে বলেই এঁদের ধারণা।

    সঙ্কট একাধিক প্রকল্পে!

    এদিকে, বাংলাদেশে চিনা বিনিয়োগ পড়েছে চ্যালেঞ্জের মুখে। বাংলাদেশে যৌথ উদ্যোগে পেরার পাওয়ার প্ল্যান্ট গড়ছে চিন। চিনা ঋণও গিয়েছে আটকে। কাঁচামালের অভাব এবং ডলার সঙ্কটের জেরেও দেখা দিয়েছে সমস্যা। বাংলাদেশ ভিত্তিক এক সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই সমস্যগুলি এখনই এড়ানো না গেলে কয়েক মাসের মধ্যেই তালা ঝুলবে পেয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টে। বাংলাদেশের (China Bangladesh) বার্ষিক রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণের ১৩.৫ শতাংশ লগ্নি চিনের, মার্কিন ডলারের অঙ্কে ৪৬৫.১৭ মিলিয়ন।

    আরও পড়ুুন: আগামী বছরও লালকেল্লায় ভাষণ দেবেন মোদি, প্রত্যয় ঝরে পড়ল প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠে

    একশো শতাংশ চিনা রফতানি কোম্পানি সাউথ চায়না ব্লিচিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড ঢাকা এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনে বিনিয়োগ করেছে ১৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই কোম্পানিতে কাজ করছেন সব মিলিয়ে ১০ হাজার কর্মী। হংকং ইকনোমিক অ্যান্ড ট্রেড অফিসের ডিরেক্টর শিয়াং ইউয়েন লি বলেন, “বর্তমানে বাংলাদেশে লিডিং ইনভেস্টর হল হংকং। আমরা ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে লগ্নি করেছি ১.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • India-China Border: রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য! গালওয়ান সংঘর্ষের পর পূর্ব লাদাখে ৬৮ হাজারের বেশি জওয়ান 

    India-China Border: রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য! গালওয়ান সংঘর্ষের পর পূর্ব লাদাখে ৬৮ হাজারের বেশি জওয়ান 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গালওয়ান সংর্ঘষের পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ্যে এল। সেনাবাহিনী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত-চিন (India-China Border) সেনা সংঘর্ষের পর যুদ্ধ প্রায় বেঁধে গিয়েছিল। ২০২০-র ১৫ জুন। গালওয়ান (Galwan) উপত্যকায় ভয়াবহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ভারত-চিন সেনা। জানা গেছে, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে তার সামাল দেওয়ার জন্য ওই ঘটনার পর রাতারাতি নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেওয়া হয় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর। ৬৮ হাজারের বেশি সেনা জওয়ান, প্রায় ৯০টি ট্যাঙ্ক এবং অন্যান্য অস্ত্রশস্ত্র রাতারাতি আকাশপথে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ভারতীয় বায়ুসেনার মাধ্যমে। তাঁদের পূর্ব লাদাখে মোতায়েন করা হয়। 

    ভারত-চিন বৈঠক

    ওই সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, খুব অল্প সময়ের মধ্যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ‘বিতর্কিত’ অংশে যুদ্ধাস্ত্র মজুত রাখা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থাকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। চিনের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ে এখনও স্থির ঐকমত্যে পৌঁছতে পারেনি নয়াদিল্লি। এই আবহে সেনার এই পদক্ষেপ ঘিরে জল্পনা তৈরি হয়েছে। প্রসঙ্গত, পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সোমবার বৈঠকে বসতে চলেছেন ভারত এবং চিনের শীর্ষ সেনা আধিকারিকেরা। সীমান্ত নিয়ে ১৯তম এই বৈঠকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে বলে সেনা সূত্রের খবর। ভারতের তরফে এই বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল রশিম বালি।

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসে ‘সেলফি’! ১০,০০০ টাকা পুরস্কার, বড় পরিকল্পনা কেন্দ্রের

    বায়ুসেনার নজরদারি 

    রিপোর্টকে উদ্ধৃত করে সূত্রের খবর, নজরদারি হিসেবে বায়ুসেনার সু-৩০ এমকেআই এবং জাগুয়ার যুদ্ধবিমানকে ব্যবহার করা হয়েছিল। নজরদারি চালানোর পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহের কাজ ছিল তাদের। রিপোর্ট অনুযায়ী, খুব অল্প সময়ের মধ্যে বাহিনী সহ অস্ত্রশস্ত্র পূর্ব লাদাখের নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর মজুত করা হয়েছিল। প্রতিবেশী দেশ আক্রমণ করলে যাতে উপযুক্ত জবাব দেওয়া যায়, তারজন্য সমস্ত ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। সংঘর্ষের পরেও নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর উত্তেজনা থাকায়, ভারতীয় বায়ুসেনা চিনা কার্যকলাপের উপর বাজপাখি নজরদারি রাখার জন্য প্রচুর পরিমাণে দূরবর্তী পাইলট বিমান (আরপিএ) মোতায়েন করে। প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে আরও জানা গেছে গেছে যে খুব অল্প সময়ের মধ্যে মোট ৯ হাজার টন ওজন বহন করেছিল বায়ুসেনার বিমানগুলি। নিয়ন্ত্রণরেখা থেকে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে লালফৌজের গতিবিধির উপর নজরদারি চালাতে মোতায়েন করা হয় মিগ এবং রাফাল যুদ্ধবিমান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share