Tag: China

China

  • China Covid: প্রতি সপ্তাহে সংক্রমিত সাড়ে ৬ কোটি! চিনে হু হু করে বাড়ছে করোনা

    China Covid: প্রতি সপ্তাহে সংক্রমিত সাড়ে ৬ কোটি! চিনে হু হু করে বাড়ছে করোনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের করোনার থাবা আঁতুড় ঘরে! চিনে আবারও হানা দিয়েছে করোনা (China Covid)। প্রতি সপ্তাহে চিনের প্রায় সাড়ে ৬ কোটি মানুষ করোনা সংক্রমিত হতে পারেন। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসে সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে। জানা গিয়েছে, চিনে নতুন করে সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করেছে কোভিডের নয়া ভ্যারিয়েন্ট এক্সবিবি। জুন মাসে সংক্রমণের মাত্রা আরও বাড়তে পারে।

    করোনার (Covid) আঁতুড় ঘর

    গোটা বিশ্বে করোনার মারণ ভাইরাস প্রথম ছড়িয়েছিল চিনের উহান প্রদেশ থেকেই (China Covid)। তার জেরে প্রায় ৭০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। রোগের বাড়বাড়ন্ত রুখতে প্রতিষেধক তৈরির তোড়জোড় চলতে থাকে। লকডাউন করেও পরিস্থিতির মোকাবিলা করার চেষ্টা করা হয়। গোটা বিশ্বের মধ্যে চিনেই সব চেয়ে বেশি মানুষ সংক্রমিত হয় করোনায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে চিন। মাস কয়েক এর বিরুদ্ধেই তীব্র প্রতিবাদে শামিল হন হাজার হাজার চিনা নাগরিক। জনগণের দাবির কাছে পিছু হটে সরকার। বেরিয়ে আসে জিরো টলারেন্স (Covid) নীতি থেকে।

    হুহু করে বাড়ছে সংক্রমণ

    প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, তারপর থেকেই হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ(China Covid)। প্রতিদিনই হাসপাতাল-নার্সিংহোমে লম্বা লাইন পড়ছে করোনা সংক্রমিত রোগীর। চিনের মহামারি বিশেষজ্ঞ ঝং নানশান জানান, এক্সবিবি ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সঙ্গে লড়াইয়ে পরীক্ষামূলকভাবে দুটি নতুন টিকা চালু করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই করোনার আরও তিন-চারটি টিকা সরকারি অনুদান পারে। তিনি জানান, গত বছরের শীতে কঠোর জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করেছিল চিন। সেই বিধিনিষেধ তুলে নিতেই বাড়ছে প্রাদুর্ভাব। হংকংয়ের স্কুল অফ পাবলিক হেল্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মহামারি বিশেষজ্ঞের কথায়, নিয়ন্ত্রণ করা গেলে সংক্রমণের সংখ্যা কম হবে। মৃত্যুর (Covid) সংখ্যাও কম হবে। তবে নিয়ন্ত্রণ না করলে সংক্রমণ আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে।

    আরও পড়ুুন: “৩০০-র বেশি আসনে জিতে ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন মোদি”, আত্মবিশ্বাসী শাহ

    ২০১৯ সালে প্রথম বিশ্ব চেনে করোনা ভাইরাসকে (China Covid)। বহু গবেষণার পর নির্ণয় করা যায় ভাইরাস। বের হয় প্রতিষেধকও। ততক্ষণে অবশ্য বিশ্বে মৃত্যু হয়েছে ৭০ লক্ষ মানুষের। বছর তিনেক পর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে বিশ্ব। তবে ফের হানার আশঙ্কা যায়নি। দু দিন আগেই এ ব্যাপারে বিশ্বকে সতর্ক করেছেন হু কর্তা। তাঁর আশঙ্কা, এবার হানা দিতে পারে ডিজিজ এক্স। যা করোনার চেয়েও আরও বেশি মারাত্মক হতে পারে। এমতাবস্থায় চিনে ফের চোখ রাঙাচ্ছে করোনা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: পাপুয়া নিউ গিনিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন গেলেন এই দ্বীপরাষ্ট্রে?

    PM Modi: পাপুয়া নিউ গিনিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন গেলেন এই দ্বীপরাষ্ট্রে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমেই শক্তি বাড়াচ্ছে চিন (China)। এমতাবস্থায় চিনকে মাত দিতে প্রশান্ত মহাসাগরের অন্যতম বড় দ্বীপ রাষ্ট্র পাপুয়া নিউ গিনি (Papua New Guinea) সফর সারলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর এই সফরে তৈরি হল ইতিহাস। এই প্রথম ভারতের কোনও প্রধানমন্ত্রী পা রাখলেন পাপুয়া নিউ গিনিতে। ২০১৬ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় অবশ্য গিয়েছিলেন ওই দ্বীপরাষ্ট্রে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলির মধ্যে সব চেয়ে জনবহুল পাপুয়া নিউ গিনি। খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ এই দ্বীপে খবরদারি করতে চায় শি জিনপিংয়ের দেশ। তা রুখতেই দ্বীপবাসীর মন জয় করতে সেখানে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) যোগ দেন সম্মেলনে

    পাপুয়া নিউ গিনিতে প্রচুর পরিমাণে সোনা ও তামার খনি রয়েছে। সেই সোনা ও তামার লোভেই এই দ্বীপরাষ্ট্রের ওপর শ্যেন দৃষ্টি দিয়েছে বেজিং। ড্রাগনের রক্তচক্ষু সম্পর্কে থেকে দ্বীপরাষ্ট্রকে অবগত করতে এবং প্রকৃত বন্ধু যে ভারতই, তা বোঝাতেই পাপুয়া নিউ গিনি সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। যদিও মূল লক্ষ্য ছিল, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রগুলির সহযোগিতা সম্মেলনে (FIPIC) যোগ দেওয়া। সে দেশের রাজধানী পোর্ট মোরেসবিতে আয়োজিত এই সম্মেলনে যোগ দেন প্রশান্ত মহাসাগরের আরও ১৪টি দ্বীপরাষ্ট্রের প্রধানরা। সম্মেলনের পর ওই দ্বীপরাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী জেমস মারাপের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। সেখানেই আলোচনা হয় দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের উন্নতি নিয়ে। সেখানে ভারতের তরফে সাহায্য, বন্ধুত্ব ও উন্নয়নের অংশীদারিত্বের হাত বাড়িয়ে দেন মোদি।

    আরও পড়ুুন: কালো টাকা হতো সাদা! ‘কালীঘাটের কাকু’-র সঙ্গে যোগ থাকা তিন সংস্থায় নজর ইডির

    চিনের শ্যেন দৃষ্টি

    পাপুয়া নিউ গিনিতে নয়া বেল্ট অ্যান্ড রোড কো-অপারেশন প্রকল্প চালু করতে যে বেজিং আগ্রহী, তা ঢের আগেই জানিয়েছিলেন চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। দ্বীপরাষ্ট্রটিতে কৃষি, মৎস্যচাষ, অর্থনীতি এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নেও আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন চিনা প্রেসিডেন্ট। এই উন্নয়নের নামেই চিন ঋণের ফাঁদে ফেলেছে দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কাকে। যার জেরে দেউলিয়া হতে হয়েছিল শ্রীলঙ্কাকে। ওই ঋণের ফাঁদে পা দিয়েই দেউলিয়া হওয়ার পথে ভারতের আর এক প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান। তাই পাপুয়া নিউ গিনিও যাতে চিনা ফাঁদে পা না দেয়, সেটাও রোখাও মোদির (PM Modi) এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে ধারণা ওয়াকবহাল মহলের।

    প্রশান্ত মহাসাগরে দাপিয়ে বেড়াতে হলে পাপুয়া নিউ গিনিতে প্রভাব বিস্তার করতে হবে। এটা করতে পারলেই কেল্লাফতে। প্রশান্ত মহাসাগর তো বটেই, দক্ষিণ চিন সাগরের কূটনীতিতেও অনেকটা এগিয়ে থাকা যাবে। সেই কারণেই মারাপের দেশে ঘাঁটি গাড়তে মরিয়া চিন। আর চিনের বাড়া ভাতে ছাই দিতে পাপুয়া নিউ গিনি সফর সারলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদির অটোগ্রাফ চেয়ে বসলেন বাইডেন! কেন জানেন?

    PM Modi: মোদির অটোগ্রাফ চেয়ে বসলেন বাইডেন! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে জনপ্রিয়তার নিরিখে সব চেয়ে বেশি এগিয়ে রয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এ কথা আগেই জানিয়েছিল একটি পত্রিকা। নানা কারণে চিনের (China) সঙ্গে ভারতের (India) দূরত্ব তৈরি হলেও, চিনা নাগরিকদের কাছেও মোদির জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। মোদির তুঙ্গ জনপ্রিয়তার প্রমাণ মিলল আবারও। শনিবার কোয়াড বৈঠক চলাকালীন মোদির অটোগ্রাফ চেয়ে বসলেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

    নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) তুঙ্গ জনপ্রিয়তা

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আপনার জন্য বড্ড সমস্যার মুখে পড়েছি। আগামী মাসেই ওয়াশিংটনে আপনার সঙ্গে নৈশাহারে যোগ দেব আমি। দেশসুদ্ধ লোক সেখানে আসতে চাইছে। আমাদের টিকিট ফুরিয়ে গিয়েছে। বাইডেন বলেন, এটা মোটেই হাসির কথা নয়। আপনি হয়তো ভাবছেন, আমি মজা করছি। আমার টিমকে জিজ্ঞাসা করুন। টিকিটের জন্য এত ফোন কল পেয়েছি যে বিশ্বাস করতে পারবেন না। কে না ফোন করেছে আমাকে! সিনেমার অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে শুরু করে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, সবাই। আপনি এতটাই জনপ্রিয়।

    নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) প্রশংসা

    এদিন কার্যত মোদির (PM Modi) প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতে দেখা যায় বাইডেনকে। মোদিকে মিস্টার প্রাইম মিনিস্টার সম্বোধন করে তিনি অটোগ্রাফের খাতা এগিয়ে দেন মোদির দিকে। পরে বলেন, গণতন্ত্র যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটা গোটা বিশ্বকে বুঝিয়ে দিয়েছেন আপনি। সব কিছুর ওপর আপনার উল্লেখযোগ্য প্রভাব রয়েছে। কোয়াডে আমরা যা করছি, তাতেও আপনি প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছেন। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগর এলাকায় সুস্পষ্ট প্রভাব রয়েছে আপনার। সব কিছুতেই একটা পার্থক্য এনেছেন আপনি। এর পরেই হাসি হাসি মুখে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবেনিজকে বলতে শোনা যায়, সিউনিতে যে কমিউনিটি সেন্টার রয়েছে, সেখানে ২০ হাজার মানুষের বসার জায়গা রয়েছে। সেই সংখ্যা ছাপিয়ে গিয়ে আমার কাছে অনুরোধ এসেছে। সকলের একটাই দাবি, প্রধানমন্ত্রী মোদিকে নিজের চোখে একবার দেখতে চাই।

    আরও পড়ুুন: থানায় কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ হতেই আত্মহত্যার চেষ্টা ভাইরাল হওয়া তৃণমূল নেতার

    দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) কুর্সিতে বসার পর ২০১৯ সালে গুজরাটের স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠান করেন মোদি। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেদিন যে বিপুল জনসমাগম দেখেছিলাম, তাতেই আপনার জনপ্রিয়তার একটা আন্দাজ হয়েছিল। সিডনিতে অনুষ্ঠান করতে গিয়ে সেটা বুঝতে পারছি। প্রসঙ্গত, আগামী মাসেই স্টেট ডিনারে মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G 20 Meeting: কাশ্মীরে বৈঠক, তাই জি২০-তে অংশ নেবে না চিন! কড়া জবাব ভারতের

    G 20 Meeting: কাশ্মীরে বৈঠক, তাই জি২০-তে অংশ নেবে না চিন! কড়া জবাব ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরে জি২০ সম্মেলনের (G 20 Meeting) বৈঠকে অংশ নেবে না চিন। কাশ্মীরের (Kashmir) জমি ‘বিতর্কিত’ এমনই অভিমত পড়শি দেশের। এ বিষয়ে নিজেদের আপত্তির কথা জানিয়েছিল তুরস্কও। আগামী ২২ মে থেকে ২৪ মে জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরে জি-২০ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে এবার মুখ খুলল ভারত। নয়াদিল্লি জানিয়ে দিল, নিজস্ব ভূখণ্ডে কোথায় তারা বৈঠক আয়োজন করবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দেশেরই প্রশাসন। অন্য দেশের ‘পরামর্শ’ যে, এ ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হবে না, তা-ও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

    কড়া মনোভাব ভারতের

    বিতর্কিত কাশ্মীরে (Kashmir) জি-২০ বৈঠকের (G 20 Meeting) আয়োজন কেন করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে চিন। এদিকে, তুরস্ক ও সৌদি আরবও জি-২০ বৈঠকে যোগ দেবে না বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবারই চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনলবিন বলেন, “যে কোনও বিতর্কিত এলাকায় জি-২০ বৈঠকের আয়োজনের তীব্র বিরোধিতা করছে চিন এবং আমরা এই ধরনের কোনও বৈঠকে যোগ দেব না”। অন্যদিকে, ভারতের তরফেও চিনের এই আপত্তির কড়া জবাব দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, ভারত নিজের জমিতে যে কোনও জায়গায় বৈঠক করতে পারে। চিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য সীমান্তে শান্তি ও স্থিতাবস্থা অত্যন্ত জরুরি, এই কথাও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে। চিনের এই অবস্থানের পিছনে পাকিস্তানের প্রভাব দেখছে নয়া দিল্লি। 

    আরও পড়ুন: জি৭-এর মঞ্চ থেকেই চিন, পাকিস্তানকে কড়া বার্তা মোদির

    কাশ্মীরে জি২০ বৈঠকের শেষ পর্বের প্রস্তুতি

    জি২০ গোষ্ঠীভুক্ত (G 20 Meeting) দেশগুলির পর্যটন সংক্রান্ত বৈঠকটি এ বার আয়োজিত হবে কাশ্মীরে। ২২ থেকে ২৪ মে পর্যন্ত উপত্যকার এই বৈঠকে বিভিন্ন দেশের প্রায় ৬০ জন প্রতিনিধির যোগ দেওয়ার কথা। এই বৈঠকের জন্য কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরকে। সেনা বাহিনী থেকে শুরু করে মেরিন কম্যান্ডো ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডও মোতায়েন করা হয়েছে। ডাল লেক সংলগ্ন শের-ই-কাশ্মীর কনভেনশন সেন্টারে এই বৈঠক হওয়ার কথা। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্য়াহারের পর এই প্রথম উপত্যকায় এত বড় মাপের কোনও আন্তর্জাতিক বৈঠক হতে চলেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Navy: ভারত মহাসাগরে ডুবে যাওয়া জাহাজ খুঁজতে ভারতীয় নৌসেনার সাহায্য নিল চিন!

    Indian Navy: ভারত মহাসাগরে ডুবে যাওয়া জাহাজ খুঁজতে ভারতীয় নৌসেনার সাহায্য নিল চিন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন বারবার সীমান্ত চুক্তি লঙ্ঘন করলেও, বেজিং-কে মানবিক সহায়তা দিতে পিছপা হল না ভারত। বুধবারই, ভারত মহাসাগরে বড় ধরনের দুর্ঘটনার কবলে পড়ে চিনের একটি মাছ ধরার জাহাজ। জাহাজটিতে ৩৯ জন নাবিক ছিলেন বলে জানা গেছে। ‘লু পেং ইউয়ান ইউ ০২৮’ নামে ওই জাহাজে শুধু চিনা নয়, ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপিন্সের নাগরিকরাও ছিলেন। ডুবে যাওয়া জাহাজটির যাত্রীদর উদ্ধারের জন্য ভারত, অস্ট্রেলিয়া-সহ বেশ কয়েকটি দেশের সহায়তা চেয়েছিল বেজিং। সময় ব্যয় না করে দ্রুত সাহায্যের হাত বাড়াল ভারত (Indian Navy)।

    অনুসন্ধানে ভারতীয় নৌসেনা 

    ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy) জানিয়েছে, ভারত থেকে প্রায় ৯০০ নটিক্যাল মাইল দূরে এয়ার মেরিটাইম রিকনস্যান্স ইকুইমেন্ট মোতায়েন করেছে। খারাপ আবহাওয়ার মধ্যেই পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। ইতিমধ্যে নিখোঁজদের মধ্যে ২ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। এই অভিযানে মোতায়েন করা হয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনীর পি৮আই এয়ারক্রাফ্ট। ইতিমধ্যে জাহাজের একাধিক সমাগ্রি চিহ্নিত করা হয়েছে। খারাপ আবহাওয়া সত্ত্বেও সেখানে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় বাহিনী (Indian Navy)।

    বৃহস্পতিবার (১৮ মে), ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও পি৮আই বিমান ওই অঞ্চলে একাধিকবার এবং ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়েছে। বেশ কিছু বস্তুর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, যেগুলি সম্ভবত ডুবে যাওয়া জাহাজটির অংশ ছিল। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসাবে, কাছাকাছি থাকা পিপলস লিবারেশন আর্মির নৌবাহিনীর জাহাজগুলির অনুরোধে, ভারতীয় বিমান থেকে ঘটনাস্থলে এসএআর (SAR) যন্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে। সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশ্বাসযোগ্য এবং দায়িত্বশীল অংশীদার হিসাবে ভারতের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এর জন্য ভারতীয় নৌসেনা ওই এলাকার অন্যান্য ইউনিটগুলির সঙ্গে হাত মিলয়ে স্পেসিফিক অ্যাবসর্পশন রেট প্রচেষ্টাকে সমন্বিত করেছে এবং চিনা নৌবাহিনীর রণতরীগুলিকে ওই স্থানে আসতে সাহায্য করেছে।”

    আরও পড়ুন: চার দিনের ত্রিদেশীয় সফর প্রধানমন্ত্রী মোদির! আজ যাত্রা শুরু

    সাহায্যের হাত অস্ট্রেলিয়ার

    চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম তরফে জানানো হয়েছে যে দুর্ঘটনাগ্রস্থ জাহাজের নিখোঁজ নাবিকদের মধ্যে ১৭ জন চিনের নাগরিক। এছাড়া ইন্দোনেশিয়ার ১৭ জন এবং ফিলিপিন্সের ৫ জন নাগরিক রয়েছেন। এদিনই নিখোঁজ ক্রু সদস্যদের দুই জনের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। তবে মৃতদেহগুলি কোন দেশের নাগরিকদের, সেই সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। এদিকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকেও অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে। ক্যানবেরায় নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত জিয়াও কিয়ান এদিন জানিয়েছেন, পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী পার্থ থেকে ৫,০০০ কিলোমিটার পশ্চিমে জাহাজটি ডুবে গিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে তিনটি বিমান এবং চারটি জাহাজ পাঠানো হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G-20: কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক কেন? প্রশ্ন তোলায় ভারতের নিশানায় রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক  

    G-20: কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক কেন? প্রশ্ন তোলায় ভারতের নিশানায় রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর জি২০ (G20) বৈঠকের আয়োজক দেশ ভারত। গত সেপ্টেম্বরে এই দায়িত্ব পাওয়ার পরে পরেই ভারতের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল, দেশের নানা প্রান্তের সঙ্গে সঙ্গে জি২০-র বৈঠক হবে জম্মু-কাশ্মীরেও। জম্মু-কাশ্মীর (Jammu-Kashmir) যে ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, সেই বার্তা পৌঁছে দিতেই গোটা দেশের সঙ্গে সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরেও আয়োজন করা হয়েছে জি২০ বৈঠকের। চিন এবং পাকিস্তানের পর এবার এনিয়ে সমালোচনা করলেন রাষ্ট্রসংঘের সংখ্যালঘু বিষয়ক বিভাগের বিশেষ প্রতিবেদক কানাডার ফার্নান্ড ডি ভারেনেস। তিনি বলেন, জম্মু-কাশ্মীরে ভারত সরকার যা করে চলেছে, তা আন্তর্জাতিক অনুমোদনের জন্যই সেখানে জি২০ বৈঠক করতে চাইছে।

    জি২০ (G20) নিয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য…

    কাশ্মীরে ভারতীয় সেনার মানবাধিকার লঙ্ঘন সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ওই বিশেষ প্রতিবেদক। তার পরেই জেনেভার ভারতীয় মিশনের তরফে তাঁর ওই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করে বিবৃতি দেওয়া হয়। তাতে বলা হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের সংখ্যালঘু বিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করেছেন। ২২-২৪ মে শ্রীনগরে হওয়ার কথা জি২০-র (G20) পর্যটন সংক্রান্ত কার্যকরী গোষ্ঠীর বৈঠক। তার প্রস্তুতিও শেষের পথে। বৈঠক চলাকালীন ভূস্বর্গে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে বা নিরাপত্তা লঙ্ঘিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে উঠেপড়ে লেগেছে কেন্দ্র। গত কয়েকদিন ধরে দফায় দফায় চলছে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযান। ২৭০ কিলোমিটার ব্যাপী জম্মু-কাশ্মীরের জাতীয় সড়কে নিরাপত্তাও খতিয়ে দেখেছে সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনী।

    আরও পড়ুুন: ‘চাকরিহারাদের তো নেকড়ের সামনে ফেলে দেওয়া হয়নি’! বললেন বিচারপতি তালুকদার

    জম্মুর সেনার হোয়াইট নাইট কর্পসের তরফে এক ট্যুইট-বার্তায় জানানো হয়েছে, ভারতীয় সেনা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলি যৌথভাবে নিরাপত্তা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য পরীক্ষা নিরীক্ষা করছে। জি২০ বৈঠকের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক আধিকারিক বলেন, “সমগ্র কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটি নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। শ্রীনগর ও গুলমার্গের চারপাশে বিশেষভাবে নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কারণ প্রতিনিধিরা এই জায়গাগুলি (G20) দিয়েই যাবেন।“ যৌথবাহিনীর পাশাপাশি তল্লাশি চালাচ্ছে এনআইএ-ও। জাতীয় তদন্তকারী এই সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত করতে কাশ্মীর উপত্যকায় যেসব সক্রিয় সন্ত্রাসী সংগঠন ও তাদের শাখা সংগঠন রয়েছে, তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।“ প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের মার্চে কাশ্মীরে হয়েছিল আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলন। তাতে অংশ নিয়েছিলেন বিশ্বের ৩৬টি দেশের প্রতিনিধি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • UNSC: রাষ্ট্রসংঘে জইশ জঙ্গিনেতাকে কালো তালিকাভুক্ত করতে ভারতকে বাধা চিনের

    UNSC: রাষ্ট্রসংঘে জইশ জঙ্গিনেতাকে কালো তালিকাভুক্ত করতে ভারতকে বাধা চিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের পথে ফের বাধা হয়ে দাঁড়াল চিন। সম্প্রতি, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) পাকিস্তানের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের শীর্ষ নেতা আব্দুল রউফ আজহারকে কালো তালিকাভুক্ত করার প্রস্তাব রেখেছিল ভারত। কিন্তু, সেই প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছে চিন। 

    জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের ভাই রউফের জন্ম পাকিস্তানে ১৯৭৪ সালে। ১৯৯৯ সালে কান্দাহারে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের বিমান অপহরণ কাণ্ড সহ ভারতে একাধিক নাশকতামূলক ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে রউফ জড়িত। কোথাও হামলার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করা তো কোথাও জঙ্গি হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া। ২০০১ সালে পার্লামেন্টে হামলা ও ২০১৬ সালে পাঠানকোট বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলার সময়ও রউফ প্রত্যক্ষভাবে জড়িত বলে তদন্তে উঠে এসেছিল। 

    আরও পড়ুন: চলতি মাসেই কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক, বানচাল করতেই কি লাগাতার জঙ্গি হামলা?

    জানা গিয়েছে, পরিষদের (UNSC) ১২৬৭ আইএসআইএল এবং আল কায়দা নিষেধাজ্ঞা তালিকায় আব্দুল রউফের নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিল নয়াদিল্লি। কিন্তু, সেই প্রস্তাবে আপত্তি তোলে বেজিং। ২০১০ সালে রউফকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে, গত বছরের অগাস্ট মাসে রউফকে ‘বিশ্ব সন্ত্রাসবাদী’ ঘোষণা করার যৌথ প্রস্তাব রেখেছিল ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ওই প্রস্তাব কার্যকর হলে বিশ্বব্যাপী রউফের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হত। তার বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ হত। কিন্তু, তখনও সেই প্রস্তাবেও ‘ভেটো’ দিয়েছিল পরিষদের অন্যতম স্থায়ী সদস্য চিন। 

    পাকিস্তানের ‘সব-ঋতুর বন্ধু’ বলে পরিচিত চিন। গত বছর একইভাবে নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) তোলা হাফিজ সঈদ, লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি শাহিদ মাহমুদ এবং সাজিদ মিরকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবও আটকে দিয়েছিল বেজিং। একইভাবে, গত বছরই লস্করের ডেপুটি প্রধান আব্দুল রেহমান মাক্কিকে কালো তালিকাভুক্ত করার জন্য ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ প্রস্তাবেও আপত্তি জানিয়েছিল চিন। যদিও, গত জানুয়ারি মাসে হাফিজের ভাই মাক্কির ওপর থেকে চিন আপত্তি তুলে নেওয়ায় তাকে ‘বিশ্ব সন্ত্রাসবাদী’ ঘোষণা করা হয়।

  • India: ফের বিশ্ব জুড়ে মন্দার অশনি সংকেত! ভারতেও কি প্রভাব পড়বে?

    India: ফের বিশ্ব জুড়ে মন্দার অশনি সংকেত! ভারতেও কি প্রভাব পড়বে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শোনা যাচ্ছে মন্দার (Recession) পদধ্বনি! সম্প্রতি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ওয়ার্ল্ড অফ স্ট্যাটিসটিকস। সেখানেই মিলেছে মন্দার অশনি সংকেত। ইতিমধ্যেই গোটা বিশ্বে একবার ধাক্কা দিয়েছে মন্দা। বহু কোম্পানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কর্মী ছাঁটাই করে মন্দার মোকাবিলা করার চেষ্টা করছেন বহু কোম্পানির মালিক। এমতাবস্থায় ফের ভয়ঙ্কর আশঙ্কার কথা শোনাল ওই রিপোর্ট। ওয়ার্ল্ড অফ স্ট্যাটিসটিকসের রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, মন্দার সব চেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে ব্রিটেনে (Britain)। এখানে মন্দা হতে পারে ৭৫ শতাংশ।

    ভারতের (India) আশঙ্কা কত?

    ভারতীয় (India) বংশোদ্ভূত প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনকের দেশের পরেই জায়গা হয়েছে নিউজিল্যান্ডের। এখানে মন্দার প্রভাব হতে পারে ৭০ শতাংশ। তিন নম্বরে রয়েছে জো বাইডেনের আমেরিকা। এখানে মন্দার প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা ৬৫ শতাংশ। ইউরোপের আর এক দেশ ফ্রান্সেও মন্দার আশঙ্কা রয়েছে। তবে তা ব্রিটেনের মতো নয়। এখানে মন্দার প্রভাব পড়তে পারে ৫০ শতাংশ। ৬০ শতাংশ মন্দার প্রভাব পড়তে পারে কানাডা, ইতালি এবং জার্মানিতে। মন্দার অশনি সংকেত দেখা দিতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকায়ও। এখানে মন্দার প্রভাব ৪৫ শতাংশ।

    ওয়ার্ল্ড অফ স্ট্যাটিসটিকসের ওই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ায় মন্দার আশঙ্কা রয়েছে ৪০ শতাংশ। রাশিয়ায় ৩৭.৫ শতাংশ। রাশিয়ার নীচে রয়েছে এশিয়ার দেশ জাপান। উদীয়মান সূর্যের এই দেশে মন্দার আশঙ্কা ৩৫ শতাংশ। দক্ষিণ কোরিয়ায় মন্দার সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ। মেক্সিকোয় এই আশঙ্কা ২৭.৫ শতাংশ। স্পেনে মন্দার আশঙ্কা ২৫ শতাংশ। মন্দার কবলে পড়তে পারে সুইজারল্যান্ডও। এখানে মন্দার আশঙ্কা ২০ শতাংশ। ব্রাজিলে এই সম্ভাবনা ১৫ শতাংশ। এশিয়ার আর একটি দেশ চিনে মন্দার প্রভাব পড়তে পারে ১২.৫ শতাংশ।

    তবে এই তালিকায় নেই নরেন্দ্র মোদির ভারত (India)। ওয়ার্ল্ড অফ স্ট্যাটিসটিকসের রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, ভারতে মন্দার আশঙ্কা শূন্য। দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ায় মন্দার প্রভাব পড়তে পারে ২ শতাংশ। সৌদি আরবে এটাই হতে পারে ৫ শতাংশ। জানা গিয়েছে, চলতি বছর এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বিশ্বের প্রধান অঞ্চলগুলির মধ্যে সব চেয়ে বেশি গতিশীল হবে। এতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে চিন ও ভারত (India)। আইএমএফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ অঞ্চলের এই দুটি বৃহত্তম ও উদীয়মান অর্থনীতি চলতি বছরের বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির প্রায় অর্ধেক অবদান রাখবে। বাকি অর্ধেকের এক পঞ্চমাংশ হবে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Media Censorship: গরিবি ঢাকতে দারিদ্রের করুণ ছবি মুছছে চিনের কমিউনিস্ট সরকার!

    Media Censorship: গরিবি ঢাকতে দারিদ্রের করুণ ছবি মুছছে চিনের কমিউনিস্ট সরকার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরিবি হটানোর কোনও চেষ্টা নেই! যা আছে, তাহল গরিবি ঢাকার চেষ্টা। তামাম বিশ্বের সামনে চিনা (China) অর্থনীতির বেহাল দশার কথা তুলে ধরতে রাজি নয় সে দেশের কমিউনিস্ট সরকার। তাই দেশবাসীর করুণ অবস্থার ছবি তুলে ধরে যেসব ভিডিও পোস্ট করা হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়, তা মুছতে (Media Censorship) শুরু করেছে ‘গরিব দরদি’ সরকার। সম্প্রতি চিনে বাড়ছে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা। সেই গরিব মানুষদের দুঃসহ জীবনের ছবি সম্প্রতি ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভিডিওতে স্পষ্ট, কীভাবে বহু চিনা নাগরিক আধ পেটা কিংবা প্রতিদিন ভরপেট খেতে না পেয়ে দুঃসহ জীবন যাপন করছেন।

    ভাইরাল ভিডিওয় কাঁচি (Media Censorship)…

    ভাইরাল ভিডিও থেকে জানা যাচ্ছে, চিনের অতি সাধারণ মানুষ ফি মাসে মুদিখানার সামগ্রী কেনার জন্য খরচ করতে পারেন মাত্র ১০০ ইয়েন। মার্কিন ডলারে যার পরিমাণ দাঁড়ায় ভারতীয় ১৪ টাকার মতো। কেবল ওই ভিডিও নয়, চিনের বেহাল অর্থনীতির খবর প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদ সংস্থা দ্য নিউইয়র্ক টাইমসও। সেখানেও উঠে এসেছে অতি সাধারণ চিনা নাগরিকদের দুর্বিষহ জীবনের করুণ ছবি। এক চিনা নাগরিক বলেন, প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মুখ ধুয়ে ফেলি। দাঁত (Media Censorship) মাজি। কিন্তু বিশ্বাস করুন, আমার পেট মুখের চেয়ে বেশি পরিষ্কার। কারণ সেখানে ময়লা জমার মতো কিছুই যাচ্ছে না।

    আরও পড়ুুন: পুলিশ কর্তা ও এনআইএ-র অফিসে নাশকতার ছক জঙ্গিদের! সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা

    মার্কিন সংবাদপত্রের প্রতিবেদন মুছতে পারেনি চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার। তবে দেশ থেকে যেসব ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে বেআব্রু হয়ে গিয়েছে চিনের ভুখা অর্থনীতির ছবি, যে ছবি ভাইরাল হওয়ার পর মুখ পুড়েছে কমিউনিস্ট শাসিত এই দেশের। তার পরেই ভাইরাল হওয়া দারিদ্রের করুণ কাহিনি সম্বলিত ছবি ডিলিট করতে উঠেপড়ে লেগেছে সে দেশের সরকার।

    একুশ সালে দারিদ্রতার বিরুদ্ধে যুদ্ধের কথা ঘোষণা করেছিলেন (Media Censorship) চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তিনি বলেছিলেন, এখনও বহু মানুষ দারিদ্র সীমার নীচে বসবাস করছেন। তবে আমাদের দেশের আর্থিক শ্রীবৃদ্ধির কথা আগে ভাবতে হবে। সেটা যে নিছকই কথার কথা ছিল, তার জ্বলন্ত প্রমাণ দেশের অর্থনীতির করুণ ছবি। যে ছবি মোছার চেষ্টা করছে ড্রাগনের দেশের সরকার।

    ছবি না হয় মোছা গেল, দারিদ্র ঘুঁচবে কি?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India China: “ভারত-চিন সম্পর্ক স্বাভাবিক নয়,” কিনকে সাফ জানালেন জয়শঙ্কর

    India China: “ভারত-চিন সম্পর্ক স্বাভাবিক নয়,” কিনকে সাফ জানালেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-চিন (India China) সম্পর্ক স্বাভাবিক নয়। এটা স্বাভাবিক হবে না যতক্ষণ সীমান্তে শান্তি এবং স্বস্তি বিঘ্নিত হচ্ছে। চিনা বিদেশমন্ত্রীকে এ কথাই জানিয়ে দিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO Summit) সদস্য দেশগুলির বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হয় গোয়ায়। বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া ওই বৈঠক চলে দুদিন ধরে। এই বৈঠকের পাশাপাশি হয়েছে পার্শ্ববৈঠকও। বৃহস্পতিবার চিনের বিদেশমন্ত্রী কিন গ্যাংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। সেখানেই জয়শঙ্কর কিনকে সাফ জানিয়ে দেন, ডিসএনগেজমেন্ট প্রক্রিয়াকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমি এটা খুব স্পষ্ট করে দিয়েছি। জনসমক্ষেও বলেছি। ভারত-চিন সম্পর্ক স্বাভাবিক নয়। এটা স্বাভাবিক হবে না, যতক্ষণ সীমান্তে শান্তি ও স্বস্তি বিঘ্নিত হচ্ছে।

    ভারত-চিন (India China) সম্পর্ক নিয়ে বার্তা…

    এদিন পূর্ব লাদাখ সীমান্ত সমস্যা মিটিয়ে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর শান্তি ফিরিয়ে ভারত ও চিনের সম্পর্ক (India China) স্বাভাবিক করার বার্তা দিয়েছিলেন চিনের বিদেশমন্ত্রী। জয়শঙ্কর তারই জবাব দিলেন বলে দাবি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। তাজ এক্সোটিকা রিসর্টে বৈঠকে বসেন ভারত ও চিনের বিদেশমন্ত্রীরা। বৈঠক চলে আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে। বৈঠক শেষে ট্যুইটও করেন জয়শঙ্কর। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, কিছু পড়ে থাকা বিষয়ে সমাধান ও সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখা নিয়ে তিনি আলোচনা করেছেন কিনের সঙ্গে। জয়শঙ্কর বলেন, সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের মধ্যে খোলাখুলি আলোচনা হয়েছে। আমরা সেই বিচ্ছিন্ন প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

    আরও পড়ুুন: শনিবারের বারবেলায় ডিএ আন্দোলনকারীদের মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায়, প্রস্তুতি শুরু

    চিনের বিদেশমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ভারত-চিন সীমান্তের পরিস্থিতি স্থিতিশীল। তিনি বলেন, উভয় পক্ষের উচিত দুই দেশের নেতাদের দ্বারা উপনীত গুরুত্বপূর্ণ (India China) ঐকমত্য বাস্তবায়ন করা। তিনি আরও বলেছিলেন, প্রাসঙ্গিক চুক্তিগুলি কঠোরভাবে মেনে চলা, সীমান্ত পরিস্থিতি আরও শীতল ও সহজ করার জন্য জোর দেওয়া। যাতে সীমান্তে শান্তি বজায় থাকে। এর পরে পরেই জয়শঙ্কর বলেন, ইস্যু হল সীমান্ত এলাকায়, সীমানা বরাবর অস্বাভাবিক অবস্থান রয়েছে। আমরা এটা নিয়ে খুব খোলামেলা আলোচনা করেছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share