Tag: China

China

  • India’s Economic Growth: এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অর্থনীতি টানছে ভারত-চিন! রিপোর্ট আইএমএফের

    India’s Economic Growth: এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অর্থনীতি টানছে ভারত-চিন! রিপোর্ট আইএমএফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের উন্নয়ন (India’s Economic Growth) দ্রুত গতিতে বাড়ছে, এমনটাই জানাল ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফাণ্ড। প্রসঙ্গত, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক সংকটে আর্থিক ঋণ দেয় এই সংস্থা। আইএমএফের মতে, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের এই উন্নয়নে (India’s Economic Growth) সর্বাধিক ভূমিকা রয়েছে ভারত ও চিনের। আন্তর্জাতিক এই সংগঠনটির সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, ২০২২ সালে এই অঞ্চলে উন্নয়নের বৃদ্ধি ছিল ৩.৮ শতাংশ, চলতি বছরে তা হয়েছে ৪.৬ শতাংশ। বিশ্বের সার্বিক উন্নয়নে ৭০ শতাংশ ভূমিকা এই অঞ্চলের রয়েছে বলে জানিয়েছে এই সংস্থা। মোদি জমানায় ভারত যে ক্রমশ বিশ্বের মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নিচ্ছে, তা আইএমএফের এই রিপোর্টেই বোঝা যাচ্ছে, এমনটাই বলছেন অর্থনীতিবিদদের একাংশ। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সাল থেকে কেন্দ্রে রয়েছে মোদি সরকার। দেশের অর্থনৈতিক বিকাশের (India’s Economic Growth) জন্য একাধিক নীতি গ্রহণ করেছে এই সরকার। জোর দেওয়া হয়েছে কর্মসংস্থান এবং দারিদ্র-দূরীকরণের বিভিন্ন প্রকল্পে। তারই ফল পাওয়া যাচ্ছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।

    রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে দেওলিয়া হয়ে যাওয়া সিলিকন ভ্যালি ব্যাঙ্কের প্রসঙ্গও

    রিপোর্টে বলা হচ্ছে, এশিয়া মহাদেশে উন্নয়ন প্রত্যাশা মতোই বাড়ছে, এবং এক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে ভারত ও চিন। রিপোর্টে উঠে এসেছে, বিশ্বের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাঙ্কের দেওলিয়া হওয়ার প্রসঙ্গও। চলতি বছরের মার্চ মাসে দেওয়ালিয়া হয়ে যায় সিলিকন ভ্যালি ব্যাঙ্ক। আমানতকারীরা নিজেদের গচ্ছিত অর্থ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন। বিশ্বের বিভিন্ন স্টার্ট-আপ প্রজেক্টগুলোতে ঋণও দিত এই সংস্থা।  মার্চের ১০ তারিখে সিলিকন ভ্যালি দেওলিয়া হয়ে যাওয়ার পরে বেশ কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাঙ্কও বন্ধ হয়ে যায়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল রিপাবলিক ব্যাঙ্ক। করোনা পরবর্তী সময়ে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দাকে এর জন্য দায়ী করছেন অনেক অর্থনীতিবিদ।  

     

    পর্ব ১: গলায় সিসিটিভি-র তার পেঁচিয়ে, পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন করা হয়েছিল অভিজিৎ সরকারকে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Manoj Pande: সাইবার যুদ্ধে চিন-পাকিস্তানের মোকাবিলা করতে নতুন ইউনিট গঠন ভারতীয় সেনার

    Manoj Pande: সাইবার যুদ্ধে চিন-পাকিস্তানের মোকাবিলা করতে নতুন ইউনিট গঠন ভারতীয় সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাহিনীর একটি নয়া ইউনিট খুলতে চলেছে ভারতীয় সেনা (Indian Army)। মোদি জমানায় ভারতকে হাতে মারতে না পেরে সাইবার ওয়ারফেয়ারে টক্কর দিতে চাইছে চিন (China) ও পাকিস্তান (Pakistan)। এমতাবস্থায় এই দুই শত্রু দেশের মোকাবিলা করতে প্রয়োজন ছিল নয়া ইউনিটের। সেই ইউনিটই খুলতে চলেছে ভারতীয় সেনা। চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হয় আর্মি কমান্ডারর্স কনফারেন্স। উপস্থিত ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে (Manoj Pande)। সেই কনফারন্সেই সিদ্ধান্ত হয়েছে নয়া ইউনিট খোলার ব্যাপারে।

    কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের প্রয়োজন…

    সরকারি সূত্রে খবর, কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক যাতে ভেঙে না পড়ে, সেজন্য ভারতীয় সেনায় কমান্ড সাইবার অপারেশনস অ্যান্ড সাপোর্ট উইংস খোলা হচ্ছে। ওই সূত্র জানায়, বর্তমানে সেনায় সাইবার স্পেশ দিন দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। যুদ্ধক্ষেত্রেও এর প্রয়োজন রয়েছে। স্পেশালিস্ট ইউনিটের ওপর আলোকপাত এবং প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে ওই সূত্র জানিয়েছে, আমাদের শত্রু দেশগুলি সাইবার ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নতি করেছে। তাদের সঙ্গে পাল্লা দিতে গেলে এই ইউনিট খোলা খুবই প্রয়োজন। ভারতীয় সেনা দ্রুত নেট নির্ভর হয়ে পড়ছে। সেই কারণেই সব ক্ষেত্রেই আমাদের কমিউনিকেশন সিস্টেমের ব্যাপক উন্নতি ঘটাতে হবে। এই সূত্রই জানিয়েছে, এই নয়া ইউনিট ভারতীয় সেনার সাইবার সিকিউরিটি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।

    আরও পড়ুুন: রামনবমী কাণ্ডে তদন্তভার এনআইএ-র হাতে যেতেই মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দু-সুকান্তর

    এই কনফারেন্সে ভারতীয় সেনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে (Manoj Pande) দেখা হয়। অপারেশনাল প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখা হয়। অগ্নিপথ প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কেও আলোচনা হয় এই কনফারেন্সে। কয়েকটি ক্ষেত্রে সমন্বয় সাধনের প্রয়োজন রয়েছে বলেও চিহ্নিত করেছেন সেনার শীর্ষ কর্তারা। সে সম্পর্কেও আলোচনা হয়। বাহিনীর কল্যাণ সাধনেও বেশ কিছু ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কমান্ড সাইবার অপারেশসন অ্যান্ড সাপোর্ট উইংস নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বাহিনীর পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বাহিনীর জওয়ানদের কল্যাণেও নানা (Manoj Pande) আলোচনা হয়। যেসব সন্তান বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন তাঁদের সেনা জওয়ান বাবা যদি শহিদ হন, তবে তাঁদের প্রাপ্য দ্বিগুণ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তও হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India China Meet: রাজনাথের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী, সম্পর্কের বরফ গলবে কি?

    India China Meet: রাজনাথের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী, সম্পর্কের বরফ গলবে কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গলতে পারে ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বরফ। পূর্ব লাদাখের গলওয়ানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছিল দুই দেশের সেনার। দু পক্ষেরই বেশ কয়েকজন সেনার মৃত্যু হয়েছিল। তারপর এই প্রথম ভারত সফরে আসছেন চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি সাংফু। বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহের (Rajnath Singh) সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তিনি (India China Meet)। লাদাখের পাশাপাশি ডোকলাম ও অরুণাচল সীমান্ত নিয়েও দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর আলোচনা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

    ভারত-চিন বৈঠকের (India China Meet) লক্ষ্য…

    চলতি সপ্তাহের শেষেই ভারতে হবে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনভুক্ত দেশগুলির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। সেই বৈঠকের আগেই মুখোমুখি হতে চলেছেন রাজনাথ এবং সাংফু। রাজনাথের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই সোইগুরও। পূর্ব লাদাখে চিনা অনুপ্রবেশ এবং ঘাঁটি গেড়ে বসে থাকার ঘটনার পর কেটে গিয়েছে তিন বছর। সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশের একটি গ্রামের নামও বদলে দিয়েছে চিন। এসবের পরেও প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্কের বরফ গলানোর চেষ্টা করেছে ভারত। তার পরেও পরিস্থিতি যথা পূর্বং, তথা পরং। এমতাবস্থায় ফের হচ্ছে দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। লক্ষ্য সেই সম্পর্কের বরফ গলানো।

    আরও পড়ুুন: এবার মাথাভাঙাতেও অভিষেকের সভায় ব্যালট বক্স ছিনতাই! গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে মাথা ফাটল কর্মীর

    সাংহাই কো-অপারেশন কর্পোরেশনের সদস্য দেশগুলি হল ভারত (India China Meet), চিন, পাকিস্তান, রাশিয়া, কাজাকিস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান। এ বছর বৈঠক হবে নয়াদিল্লিতে। বৈঠকে পর্যবেক্ষক দেশ হিসেবে যোগ দেবে বেলারুস ও ইরান। সূত্রের খবর, সাংহাই কো-অপারেশন বৈঠকে যোগ দিতে যে সব দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা আসছেন, তাদের সকলের সঙ্গে আলাদাভাবে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন রাজনাথ। বিদেশমন্ত্রকের তরফে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাংহাই কো-অপারেশনের অধীনস্থ দেশগুলির প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধে মিলিত উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করবেন।

    জানা গিয়েছে, চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে পূর্ব লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা ও সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে কথা বলবেন রাজনাথ (India China Meet)। অরুণাচল প্রদেশেও চিনা সেনার সাম্প্রতিক অনুপ্রবেশের চেষ্টা নিয়েও কথা বলতে পারেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: সীমান্ত নিয়ে চিনকে কড়া হুঁশিয়ারি রাজনাথ সিংয়ের

    Rajnath Singh: সীমান্ত নিয়ে চিনকে কড়া হুঁশিয়ারি রাজনাথ সিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন সীমান্তে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে ভারতীয় সেনা, তারা যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। বুধবার ভারতীয় সেনার একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় এমনই মন্তব্য করলেন রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। শান্তি আলোচনার মধ্যে চিনের বিরুদ্ধে সীমান্তে উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগও আনেন তিনি। কয়েকদিন আগে অরুণাচল প্রদেশের বেশ কয়েকটি স্থানের নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম দেয় বেজিং। নতুন নামের স্থানগুলি তিব্বতে অংশ বলে দাবি করে শি জিনপিংয়ের দেশ। যদিও চিনের এই চেষ্টার তীব্র নিন্দা করে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। অরুণাচল ভারতের অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে বলে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছিল। আবার ডোকলাম নিয়েও বিবাদ কম নয়। এই আবহে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর (Rajnath Singh) এই হুঁশিয়ারি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী বললেন রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)?

    চিনের আগ্রাসন বারবার চললে, ভারত মুখ বুজে থাকবে না বলেও হঁশিয়ারি দেন। রাজনাথ (Rajnath Singh) বলেন, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে আগ্রহী ভারত। আর সেই লক্ষ্যে সীমান্তে শান্তি আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh)। প্রসঙ্গত, গালওয়ানে সেনা সংঘর্ষের পর সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে দুই দেশের সামরিক পর্যায়ে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এখনও পর্যন্ত ১৭টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। লাদাখ সীমান্তে বেশ কয়েকটি অঞ্চল থেকে দুই দেশের সেনা প্রত্যাহারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, এখনও বেশ কয়েকটি অঞ্চলের রফাসূত্র বের হয়নি।

    যুদ্ধ কখনও সমস্যা সমাধানের পথ নয় বলে মনে করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। সেনার প্রশংসা করে তিনি বলেন, দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় এবং প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও ভারতীয় জওয়ানরা দৃঢ়তার সঙ্গে তাঁদের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। সে কোনও আগ্রাসনের মোকাবিলায় সেনাদের হাতে সেরা অস্ত্র, সরঞ্জাম তুলে দেওয়াই কেন্দ্রের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছন প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balochistan: চিন-পাকিস্তানের ৬টি মোবাইল টাওয়ারে আগুন বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্টের

    Balochistan: চিন-পাকিস্তানের ৬টি মোবাইল টাওয়ারে আগুন বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন (China) এবং পাকিস্তানের (Pakistan) বিভিন্ন কোম্পানির ৬টি মোবাইল টাওয়ারে আগুন লাগিয়ে দিল বালুচিস্তান (Balochistan) লিবারেশন ফ্রন্ট। টাওয়ারগুলি ছিল বালুচিস্তান প্রদেশের কেচা জেলার তহশিল দস্ত এলাকায়। বুধবার এমনই দাবি করেছে বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট। বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট পাকিস্তানি মোবাইল কোম্পানি ইউফোন এবং চিনা কোম্পানি জংয়ের মোবাইল টাওয়ারে হামলাও চালিয়েছে। এই টাওয়ারগুলি রয়েছে কেচা জেলার দস্ত ক্যাম্বেল, জান মহম্মদ বাজার, প্রিন্ট বাজার এবং জরিনবাগ এলাকায়। বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্টের দাবি, ওই টাওয়ারগুলির সমস্ত মেশিনারি জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। চিন পাকিস্তান ইকনোমিক করিডরে থাকা ইউফোনের একটি টাওয়ার এবং সাংগাই বাজার এলাকায় জং কোম্পানির একটি মোবাইল টাওয়ারও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্টের।

    বালুচিস্তান (Balochistan)…

    বালুচিস্তানের (Balochistan) বিভিন্ন এলাকায় যৌথভাবে মোবাইল নেটওয়ার্ক তৈরি করতে চাইছে চিন ও পাকিস্তান। গোয়েন্দা ও সৈন্যদের স্বার্থেই এটা করতে চাইছে দুই প্রতিবেশী দেশ। বালুচিস্তানের বাসিন্দাদের ওপর নজরদারি চালানোর জন্যও ওই টাওয়ারগুলি ব্যবহার করা হয়। চিন পাকিস্তান ইকনোমিক করিডর রক্ষা করা ও মোবাইল টাওয়ারগুলি বসানোর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। বালুচিস্তান ও বালুচদের উন্নতি প্রকল্পেই এই টাওয়ারগুলি বসানো হয়েছিল। প্রশাসন এও প্রচার করেছিল, এলাকায় লুঠতরাজ রুখতে এবং বালুচবাসীর সম্পদ রক্ষার স্বার্থেই বসানো হয়েছিল টাওয়ার।

    আরও পড়ুুন: জনসংখ্যার নিরিখে চিনকে টপকে গেল ভারত, বলছে রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট

    ২০২১ সালের জুন মাসেও বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট দাবি করেছিল, এলাকায় মোবাইল টাওয়ার বসাতে যাওয়ায় মার্গেটস চোখবি ওয়াধা কোম্পানি মোবাইল টাওয়ারে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল তাদের যোদ্ধারা। ধরে নিয়ে গিয়েছিল ওই মোবাইল কোম্পানির ৬ জন সদস্যকেও। বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্টের মুখপাত্র আজাদ বালুচ জানিয়েছিলেন তাঁরা যাঁদের ধরে নিয়ে গিয়েছিলেন, তাঁরা হলেন গুল শাহ খান, আবদুল আদি এবং কোয়েট্টার বাসিন্দা মেহরাজ, জোব কুইলা সইফুল্লা, কোয়েট্টারই মহম্মদ ইউসুফ, গুজরাটের আমানত আলি এবং কুইলা সফিউল্লার রহমতউল্লা। বালুচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট এও জানিয়েছিল দখলিকৃত বালুচিস্তানে (Balochistan) চিন এবং পাকিস্তানের কোনও কোম্পানি যেন মোবাইল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা না করে। তা সত্ত্বেও পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে মোবাইল টাওয়ার বসাচ্ছে চিন। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, তারই প্রতিশোধ নিতে এদিন জ্বালিয়ে দেওয়া হল ৬টি মোবাইল টাওয়ার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Population: জনসংখ্যার নিরিখে চিনকে টপকে গেল ভারত, বলছে রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট

    Population: জনসংখ্যার নিরিখে চিনকে টপকে গেল ভারত, বলছে রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনসংখ্যার (Population) নিরিখে চিনকে (China) ছাপিয়ে গেল ভারত (India)। ভারতই হচ্ছে বর্তমানে বিশ্বের সব চেয়ে জনবহুল দেশ। রাষ্ট্রসংঘের পপুলেশন ফান্ড সংগঠন (UNFPA)-র রিপোর্টেই এ খবর জানা গিয়েছে। প্রতি বছর রিপোর্ট পেশ করে ইউএনএফপিএ। এবারও করেছে। নাম দেওয়া হয়েছে, স্টেট অফ ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিপোর্ট, ২০২৩। বুধবার প্রকাশিত এই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, বর্তমানে ভারতের জনসংখ্যা ১৪২ কোটি ৮৬ লাখ। আর চিনের জনসংখ্যা ১৪২ কোটি ৫৭ লক্ষ। অর্থাৎ চিনের চেয়ে ভারতের জনসংখ্যা বেশি ২৯ লক্ষ।

    জনসংখ্যার (Population) বর্তমান ছবি…

    রাষ্ট্রসংঘের তরফে জানানো হয়েছে, গত বছর চিনের জনসংখ্যা ছিল সব চেয়ে বেশি। পরে ক্রমশ সে দেশে কমতে থাকে জনসংখ্যার গ্রাফ। লাফিয়ে বাড়তে থাকে ভারতের জনসংখ্যা। তার জেরে চলতি বছর চিনকে ছাপিয়ে গেল ভারত। জানা গিয়েছে, ভারতের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১৯৮০ সাল থেকে নিম্নমুখী। ইউএনএফপিএ-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতের জনসংখ্যার (Population) ২৫ শতাংশ ০ থেকে ১৪ বছর বয়সের মধ্যে, জনসংখ্যার ১৮ শতাংশ ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী, ১০ থেকে ২৪ বছর বয়সী মানুষের সংখ্যা ২৬ শতাংশ, ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী মানুষের সংখ্যা ৬৮ শতাংশ। দেশের জনসংখ্যার মাত্র ৭ শতাংশ ৬৫ বছরের ওপরে। উল্টো ছবি চিনে। সে দেশে ০ থেকে ১৪ বছর বয়সীর সংখ্যা ১৭ শতাংশ, ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী নাগরিকের সংখ্যা ১২ শতাংশ, ১০ থেকে ২৪ বছর বয়সী নাগরিকের সংখ্যা ১৮ শতাংশ, ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী মানুষের সংখ্যা ৬৯ শতাংশ এবং ৬৫ বছর বয়সী নাগরিকের সংখ্যা ১৪ শতাংশ।

    আরও পড়ুুন: পাখির চোখ কর্নাটক বিধানসভার ভোট, তারকা প্রচারকের তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    চিনাদের গড় আয়ু ভারতের চেয়ে অনেকটাই বেশি। চিনে মহিলারা গড়ে বাঁচেন ৮২ বছর, পুরুষরা বাঁচেন ৭৬ বছর। আর ভারতের মহিলারা বাঁচেন গড়ে ৭৪ বছর, পুরুষরা বাঁচেন ৭১ বছর। অর্থনীতিবিদদের মতে, ভারতীয় নাগরিকদের একটা বৃহত্তম অংশ তরুণ হওয়ায় তা হবে ভারতীয় অর্থনীতির উন্নতির কারক। আর চিনের সিংহভাগ মানুষ বৃদ্ধ হওয়ায়, তা দেশীয় অর্থনীতির পক্ষে বোঝা স্বরূপ। প্রসঙ্গত, ১৯৫০ সালে প্রথম জনসংখ্যা (Population) সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছিল রাষ্ট্রসংঘ। তার পর এই প্রথম চিনকে টপকে গেল ভারত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     
  • Amit Shah: ‘ভারতের সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার ক্ষমতা কারও নেই’, চিনকে হুঁশিয়ারি শাহের

    Amit Shah: ‘ভারতের সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার ক্ষমতা কারও নেই’, চিনকে হুঁশিয়ারি শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) সরকারের অধীনে ভারতের (India) দিকে চোখ তুলে তাকানোর ক্ষমতা কারও নেই। সোমবার অরুণাচল প্রদেশে চিনা সীমান্তের কাছে দাঁড়িয়ে এ কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ভাইব্রেন্ট ভিলেজ প্রকল্পের সূচনা করতে দু দিনের সফরে শাহ এসেছেন অরুণাচল প্রদেশে। অরুণাচল প্রদেশের চিন সীমান্তবর্তী গ্রাম কিবিথুতে এক সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে শাহ বলেন, আজ আমরা গর্ব করে বলতে পারি যে, আমাদের দিকে খারাপ দৃষ্টি দেওয়ার ক্ষমতা কারও নেই। ভারতের সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার ক্ষমতা কারও নেই। তিনি বলেন, কেউ আমাদের এক ইঞ্চি জমিও নিতে পারবে না।

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন…

    ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চিন। তাদের বক্তব্য, সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ করছে ভারত। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগে যে কেউ ভারতীয় ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশ ও জবরদখল করতে পারত। এখন ভারতীয় সূচ্যগ্র ভূখণ্ডও কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না। ১৯৬২ সালে চিনা ফৌজের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে অরুণাচল প্রদেশবাসীর অনমনীয় মনোভাবের প্রশংসা করে শাহ বলেন, এই মনোভাবই সে দিন হামলাকারীদের পিছু হঠতে বাধ্য করেছিল। ওই যুদ্ধে কিবিথুতে চিনা হামলায় শহিদ ভারতীয় জওয়ানদের শ্রদ্ধা প্রদর্শনও করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ২ মে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন, খেজুরির সভায় জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ((Amit Shah)) অরুণাচল প্রদেশ সফরের আগেই বিবৃতি জারি করে চিনা বিদেশ মন্ত্রক বলেছিল, এই পদক্ষেপ (শাহের সফর) দ্বিপাক্ষিক শান্তি প্রক্রিয়ার পরিপন্থী। আমাদের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না। চিনা হুমকি উপেক্ষা করেই এদিন চিন সীমান্তে সভা করেন শাহ। তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদি সরকারের আমলে ভাবনায় বদল এসেছে। কেন্দ্র এখন সীমান্তবর্তী অঞ্চলের উন্নয়নকে সব চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে চায়। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলি আর এখন শেষ গ্রাম নয়, প্রথম গ্রাম। এটাই ভাবনার বদল।

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার অরুণাচল প্রদেশের ১১টি এলাকার নাম বদলে দেয়। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচটি পর্বতশৃঙ্গ, দুটি মালভূমি অঞ্চল, দুটি আবাসিক এলাকা এবং দুটি নদী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, ২০১৪ সালের আগে পুরো উত্তর-পূর্বাঞ্চল উপদ্রুত এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু গত ৯ বছরে প্রধানমন্ত্রীর লুক ইস্ট নীতির কারণে উত্তর-পূর্ব ভারতও দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Pakistan:  চিন ও সৌদি আরবের কাছে বিপুল দেনা! আগামী ৩ বছরে ঋণ শোধ করতে হবে পাকিস্তানকে

    Pakistan: চিন ও সৌদি আরবের কাছে বিপুল দেনা! আগামী ৩ বছরে ঋণ শোধ করতে হবে পাকিস্তানকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার পর পাকিস্তান (Pakistan)। চিনা ঋণের ফাঁদে হাবুডুবু খাচ্ছে ইসলামাবাদ। সাম্প্রতিক সময় দক্ষিণ এশিয় দেশ পাকিস্তান, বিশ্বের অন্যতম অস্থির একটি দেশ। দেশের অভ্যন্তরে বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তির অস্তিত্ব, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য সংকট এবং অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে পাকিস্তান। ‘ইউনাইটেড স্টেটস ইনস্টিটিউট অফ পিস’(USIP) সম্প্রতি এক রিপোর্টে দাবি করেছে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে ৭৭.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ পাকিস্তানকে পরিশোধ করতে হবে চিন এবং সৌদি আরবকে।

    তলানিতে পাকিস্তানি রুপির দর

    ডলারের সাপেক্ষে তলানিতে ঠেকেছে পাকিস্তানি (Pakistan) রুপির দর। এরই মধ্যে তাদের জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে পাকিস্তানি রুপিতে প্রায় দু’হাজার ২০০ কোটির ঋণ শোধ করতে হবে ইসলামাবাদকে। চিন এবং সৌদি আরবের থেকে ক্রমাগত ঋণ নিয়েছে পাক সরকার। বৃহস্পতিবার মার্কিন একটি সংস্থার প্রকাশিত ওই রিপোর্টে পাকিস্তানকে সতর্ক করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, আকাশছোঁয়া মুদ্রাস্ফীতি, রাজনৈতিক সংঘাত এবং ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাসবাদের কারণে পাকিস্তান আর্থিক ভাবে জর্জরিত।

    আরও পড়ুুন: ভরা বাজারে গুলি করে খুন তৃণমূল নেতাকে, শিথিল হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর রাশ?

    ইউএসআইপি রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী তিন বছরে পাকিস্তান (Pakistan) নির্দিষ্ট টাকার অঙ্কটি চিন এবং সৌদিকে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে দেশের সরকারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত পদক্ষেপ করা হবে। পাকিস্তান যদিও আশাবাদী, চিন পুনরায় ঋণ পরিশোধের সময় বাড়াবে। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডার (IMF)-এর দ্বারস্থ হয়েছেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, দুর্নীতি ও আর্থিক ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনার কারণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে। পাকিস্তানের বৈদেশিক ঋণ এবং দায় ১৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা তার জিডিপির ৯৫ শতাংশ। মুদ্রাস্ফীতি প্রায় ৪৮ বছরের সর্বোচ্চ ২৭.৬ শতাংশতে পৌঁছেছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে খাদ্যের দাম ৪২.৯ শতাংশের বেশি বেড়েছে। যা গত বছর ১২.8 শতাংশ ছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IMF Chief: ২০২৩ সালে বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধির অর্ধেকই হবে ভারত ও চিনে, দাবি আইএমএফের

    IMF Chief: ২০২৩ সালে বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধির অর্ধেকই হবে ভারত ও চিনে, দাবি আইএমএফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৩ সালে বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধির অর্ধেকই হবে ভারত (India) ও চিনে (China)। একথা জানাল আইএমএফ (IMF)। বৃহস্পতিবার আইএমএফ প্রধান (IMF Chief) আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন এ বছর বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধি ৩ শতাংশের নিচে নেমে যাবে। আগামী কয়েক বছরও শ্লথ হতে পারে আর্থিক বৃদ্ধির গতি। এহেন আশঙ্কার মধ্যেই আশার আলো দেখাবে ভারত ও চিন। কারণ এ বছর বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধির অর্ধেকই হবে এই দুই দেশে। করোনা অতিমারির ধাক্কায় বেসামাল হয়ে গিয়েছিল বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির বৃদ্ধি। পরে তা ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে ফের অর্থনীতির আকাশে দেখা দিয়েছে অশনি সংকেত।

    আইএমএফ (IMF) প্রধান জানান…

    আইএমএফের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ক্রিস্টালিনা জর্জিভা (IMF Chief) বলেন, ২০২১ সালে অর্থনীতির পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছিল। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ফের সংশয় তৈরি করে। এর জেরে ২০২২ সালে বিশ্বের আর্থিক বৃদ্ধি প্রায় অর্ধেক হয়ে গিয়েছিল। ৬.১ শতাংশ থেকে ৩.৪ শতাংশে নেমে গিয়েছিল। আইএমএফের ম্যানেজিং ডিরেক্টর বলেন, দারিদ্র্য ও ক্ষুধা আরও বাড়তে পারে, একটি বিপজ্জনক প্রবণতা যা কোভিড সংকট দ্বারা শুরু হয়েছিল তা আবার দেখা দিতে পারে।

    আরও পড়ুুন: রাজু ঝা–কে খুনের পিছনে রয়েছে বড় মাথা, প্রাণহানির শঙ্কা লতিফেরও! চাঞ্চল্যকর দাবি অর্জুন সিং-এর

    গত বছরই বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। সেই কোভিড ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব এ বছরও চলবে। তাঁর মতে, আগামী পাঁচ বছর এই আর্থিক বৃদ্ধির গতি হ্রাস পাবে। তিনি বলেন, অর্থনীতিতে আশার আলো দেখা যাচ্ছে এশিয়া মহাদেশের দেশগুলিতে। আশা করা হচ্ছে, এর মধ্যে ভারত ও চিন চলতি বছর বিশ্ব আর্থিক বৃদ্ধির অর্ধেকটা করবে। কিন্তু অন্যান্য দেশের অবস্থা তুলনায় করুণ হবে।

    আইএমএফের (IMF Chief) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১৯৯০ সালের পর থেকে বিশ্ব অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এটাই সর্বনিম্ন এবং গত দু দশকের গড় বৃদ্ধির ৩.৮ শতাংশের কম। আইএমএফ কর্তা বলেন, ঘুরে দাঁড়ানো শ্রম বাজার, ভোক্তা চাহিদা যথেষ্ঠ থাকা এবং চিনের উত্থান সত্ত্বেও আমরা আশা করছি এ বছর বিশ্ব অর্থনীতির বৃদ্ধি ৩ শতাংশের কম থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Space Economy: মহাকাশ অর্থনীতিতে চিনকে টেক্কা দিচ্ছে মোদির ভারত, জানেন কীভাবে?

    Space Economy: মহাকাশ অর্থনীতিতে চিনকে টেক্কা দিচ্ছে মোদির ভারত, জানেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশ অর্থনীতিতে (Space Economy) চিনকে (China) টেক্কা দিচ্ছে নরেন্দ্র মোদির ভারত (India)। মহাকাশের ক্রমবর্ধমান লাভজনক ব্যবসার দিকে ঝুঁকছে নয়াদিল্লি। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন নিউস্পেশ ইন্ডিয়া লিমিটেড গত মাসে ওয়ানওয়েব লিমিটেডের জন্য দেশের পূর্ব উপকূলের দ্বীপ থেকে তিন ডজন কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করছে। মহাকাশ থেকে সরবরাহ করা উচ্চ গতির ইন্টারনেটের চাহিদা কক্ষপথে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকে সমৃদ্ধ ব্যবসায় পরিণত করেছে। আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়াংয়ের মতে, ২০২৫ সালের মধ্যে মহাকাশ অর্থনীতি ২০২০ সালে ৪৪৭ বিলিয়ন থেকে ৬০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হতে চলেছে।

    মহাকাশ অর্থনীতি (Space Economy)…

    এতদিন রাশিয়া ও চিন সব চেয়ে বেশি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ (Space Economy) করত। ইউক্রেন যুদ্ধ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেজিংয়ের সম্পর্কের অবনতির জেরে তারা এখন বহু গ্রাহকের থেকে দূরে সরে গিয়েছে। গত বছর রাশিয়া তার ৩৬টি মহাকাশযান বন্ধ করে দেয়। যার জেরে এই অর্ডার ভারতকে দেয় ওয়ানওয়েব। একই সঙ্গে নানা সমস্যার কারণে ফ্রান্সের এরিয়ান স্পেস আপাতত নয়া রকেট লঞ্চ করতে পারছে না। ব্রিটিশ বিলিয়নিয়ার রিচার্ড ব্র্যানসনের সঙ্গে যুক্ত স্যাটেলাইট লঞ্চ কোম্পানি ভার্জিন অরবিট হোল্ডিংস ইনক গত সপ্তাহেই জানিয়েছিল, জানুয়ারিতে ব্যর্থতার পরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিচ্ছে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কার্যক্রম।

    আরও পড়ুুন: ‘কেস ডায়েরিতে রয়েছে প্রভাবশালীর নাম’, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে দাবি ইডির

    হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি এবং সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্ট জোনাথন ম্যাকডওয়েলের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দেশটির (ভারতের) সাফল্যের হার প্রায় ৭০ শতাংশ। যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, রাশিয়া বা চিনের ৯০ এর দশকের রকেটের সাফল্যের হারের তুলনায় খারাপ। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতেও ভারত ভাল করছে। দেশটি সাশ্রয়ী উৎক্ষেপণের জন্য একটি জনপ্রিয় পছন্দে পরিণত হয়েছে। ২০১৩ সালে ভারত (Space Economy) একই বছর নাসা প্রোবের মূল্যের দশ ভাগের এক ভাগে মঙ্গলে অরবিটার পাঠিয়েছিল। সব মিলিয়ে বর্তমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতের উন্নতির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
LinkedIn
Share