Tag: China

China

  • India China Relations: নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি ঘটাতে চায় বেজিং, জানালেন চিনের নয়া বিদেশমন্ত্রী

    India China Relations: নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি ঘটাতে চায় বেজিং, জানালেন চিনের নয়া বিদেশমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি ঘটানো আমাদের অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে। সোমবার একথা জানালেন চিনের (China) নয়া বিদেশমন্ত্রী কুইন গং (c)। সোমবার আমেরিকার এক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, আমাদের জাতীয় স্বার্থ এটা নির্দেশ করে যে নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি ঘটাতে চায় বেজিং (India China Relations)।

    চিনের বিদেশমন্ত্রী…

    ২০১৩ সাল থেকে চিনের বিদেশমন্ত্রী ছিলেন ওয়াং ই। ৩০ ডিসেম্বর অবসর নিয়েছেন তিনি। বিদেশমন্ত্রীর পদে ওয়াং ছিলেন ৯ বছর ৯ মাস। তিনি অবসর নেওয়ার পর ওই পদে বসানো হয় কুইন গংকে। এর আগে কুইন গং ছিলেন আমেরিকার চিনা রাষ্ট্রদূত পদে। বিদেশমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েই কুইন গং ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি ঘটাতে আগ্রহী হলেন। চিনের নয়া বিদেশমন্ত্রী বলেন, চিনের দৃষ্টিতে উন্নয়ন মানে শান্তির জন্য একটি মজবুত শক্তি হয়ে ওঠা। আমরা স্থিতাবস্থা ভাঙতে চাই না।

    আরও পড়ুুন: ‘ভারত প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক চায়, কিন্তু…’, চিন, পাকিস্তানকে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    প্রসঙ্গত, গলওয়ানে চিন-ভারত সংঘর্ষের পর থেকেই সীমান্তে সেনা মোতায়েন করে রেখেছে চিন। সীমান্ত থেকে সেনা প্রত্যাহার নিয়ে ভারত-চিনের (India China Relations) মধ্যে একাধিকবার হয়েছে সেনা কমান্ডার বৈঠক। তার পরেও মেটেনি সমস্যা। কেবল লাদাখ সীমান্তেই নয়, সিকিম এবং অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তেও বাহিনী মোতায়েন করে রেখেছে চিন। এহেন পরিস্থিতিতে অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াংয়ে নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে লালফৌজ। শুরু হয় চিন-ভারত সেনা সংঘর্ষ। দু পক্ষের কয়েকজন জখম হন। চিনা সেনাদের মেরে তাড়িয়ে দেয় বলে দাবি ভারতের বিদেশমন্ত্রকের। এই আবহে চিনের নয়া বিদেশমন্ত্রীর এহেন বার্তা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই দাবি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    চিনের নয়া বিদেশমন্ত্রী বলেন, দু পক্ষের সম্মতির ভিত্তিতে আলোচনার মাধ্যমেই নয়াদিল্লি-বেজিং সম্পর্কে  (India China Relations) স্থিতাবস্থা ফিরতে পারে। তিনি বলেন, সীমান্ত সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে সদিচ্ছা রয়েছে দু পক্ষেরই। এদিন তাইওয়ান প্রসঙ্গও টানেন কুইন গং। তিনি বলেন, তাইওয়ানের  বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপের জন্যই পরিস্থিতি নতুন করে ঘোরালো হয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গে কুুইন গং বলেন, প্রতিটি রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বকে সম্মান করার পক্ষে বেজিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • WHO Chief: চিনে করোনার নয়া ঢেউ ব্যাপক ক্ষতি করতে পারে বিশ্বের! উদ্বেগ প্রকাশ হু-র

    WHO Chief: চিনে করোনার নয়া ঢেউ ব্যাপক ক্ষতি করতে পারে বিশ্বের! উদ্বেগ প্রকাশ হু-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার (Covid 19) ভয়াবহ স্মৃতি এখনও কাটিয়ে ওঠেনি বিশ্ব। বর্তমানে ফের কয়েকটি দেশে চোখ রাঙাচ্ছে মারণ এই ভাইরাস। তবে একমাত্র চিন (China) ছাড়া এখনও করোনায় মৃত্যুর তেমন কোনও খবর মেলেনি কোথাও। করোনা অতিমারি পরিস্থিতিতে মার খেয়েছিল বিশ্ব বাণিজ্য। ধাক্কা খেয়েছিল জাতীয় অর্থনীতির বৃদ্ধি। ব্যাহত হচ্ছিল স্বাস্থ্য পরিষেবা। এসবই এখন অতীত। গোটা বিশ্বের ছবিটা যখন এই রকম, তখন করোনার ভ্যারিয়েন্টের ধাক্কায় কুপোকাত হওয়ার জোগাড় ভারতের প্রতিবেশী দেশ চিনের। সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে প্রকাশ, চিনের এই নয়া ভ্যারিয়েন্ট যদি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, মারণ এই ভাইরাসের মুখে লাগাম পরানো না যায়, তাহলে তামাম বিশ্বে ফের একবার নেমে আসবে করোনার করাল গ্রাস।

    চিনের উহান প্রদেশে…

    তিন বছর আগে চিনের উহান প্রদেশে প্রথম খোঁজ মিলেছিল করোনা ভাইরাসের। তার পর তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিশ্বে। মৃত্যু হয় লক্ষ লক্ষ মানুষের। সম্প্রতি চিনে যে হারে করোনায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে, তাতে আতঙ্কিত গোটা বিশ্ব। ২০১৯ সালে যেমন করোনার খবর লুকিয়ে রেখেছিল চিন, এবারও তারা তেমনই করছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই হাজার হাজার করোনা সংক্রমিতের মৃত্যু হচ্ছে চিনে। অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া স্থলে লাশের স্তূপ। হাসপাতালগুলিতে করোনা সংক্রমিতের দীর্ঘ লাইন। তার পরেও তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে শি জিনপিংয়ের দেশের বিরুদ্ধে। দেশে করোনায় ফি দিন কতজনের মৃত্যু হচ্ছে, তা জানতে চেয়েছেন চিনা নাগরিকদের সিংহভাগ অংশ। যদিও চিন সরকারের দাবি, করোনায় এখনও কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

    আরও পড়ুন: ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি, মমতার ‘গোঁসা’য় তাল কাটল বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে

    জানা গিয়েছে, সাংহাই এবং বেজিংয়ে দ্রুত ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। বেজিংয়ের এক চিকিৎসক হাওয়ার্ড বার্নেস্টাইন বলেন, হাসপাতালগুলির ওপর থেকে নীচ পর্যন্ত সর্বত্র সংক্রমিতের ভিড়। সত্যি করে বলতে কী, এত বড় চ্যালেঞ্জ সামলানোর জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম না। এদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার ডিরেক্টর জেনারেল (WHO Chief) টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইয়েসুস বৃহস্পতিবার বলেন, চিনের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ব সংস্থা উদ্বেগে রয়েছে। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, চিনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আমরা উদ্বেগে রয়েছি। করোনা সংক্রমণে যাঁদের ঝুঁকি বেশি  চিনকে তাঁদের কোভিড ১৯টি টিকাকরণের ওপর জোর দিতে উৎসাহিত করছি। ক্লিনিক্যাল কেয়ার এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থা মজবুত রাখতে চিনকে আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত বলেও জানিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • World Health Organization: করোনা সংক্রান্ত প্রকৃত তথ্য দিন, চিনকে বলল হু-র প্রতিনিধি দল

    World Health Organization: করোনা সংক্রান্ত প্রকৃত তথ্য দিন, চিনকে বলল হু-র প্রতিনিধি দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনায় (Covid 19) মৃত্যু নিয়ে তথ্য গোপন করার অভিযোগ উঠেছে চিন (China) সরকারের বিরুদ্ধে। প্রতিদিন কত সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন, তাও জানানো হচ্ছে না বেজিংয়ের তরফে। এমতাবস্থায় চিনের কাছে কোভিডের প্রকৃত তথ্য চাইল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization), সংক্ষেপে হু (WHO)। শুক্রবার শি জিনপিংয়ের সরকারের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেন হু-র প্রতিনিধিরা। জানতে চান চিনের বর্তমান কোভিড পরিস্থিতি সম্পর্কে। হু-র প্রতিনিধিরা চিনকে তথ্য প্রকাশের অনুরোধ করেছে। যাতে সেই তথ্য জেনে কোভিড মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে পারে বিশ্বের অন্যান্য দেশ।

    হু-র প্রতিনিধি দল…

    এদিন চিনা আধিকারিকদের সঙ্গে হু-র প্রতিনিধি দলের বৈঠকে উঠে আসে নানা বিষয়। ওই প্রতিনিধি দল চিনা আধিকারিকদের কাছে জানতে চান জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের ডেটা সম্পর্কে, হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা কত, আইসিইউতেই বা রয়েছেন কতজন, দৈনিক মৃত্যুর হার কত, কত মানুষের টিকাকরণ হয়েছে, বিশেষত ষাটোর্ধ্বদের। এদিন হু-র প্রতিনিধি দলের তরফে টিকাকরণের ওপর জোর দেওয়া হয়। যাঁদের ঝুঁকি বেশি, তাঁদের দ্রুত বুস্টার ডোজ দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘ভারত প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক চায়, কিন্তু…’, চিন, পাকিস্তানকে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    চিনে ফের হানা দিয়েছে কোভিড। মারণ ভাইরাসের থাবায় প্রতিদিন মৃত্যু হচ্ছে হাজার হাজার মানুষের। অন্ত্যেষ্টিস্থলগুলিতে লাশের পাহাড়। হাসপাতালে হাসপাতালে করোনা সংক্রমিতের দীর্ঘ লাইন। অভিযোগ, মৃত কিংবা সংক্রমিতের কোনও তথ্য প্রকাশ্যে আসতে দিচ্ছে না চিন সরকার। আনুষ্ঠানিকভাবে তারা যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করছে, তাতে মৃত কিংবা সংক্রমিতের সংখ্যা দেখানো হচ্ছে অনেক কম করে।

    চিনের তরফে হু-র (World Health Organization) আধিকারিকদের জানানো হয়েছে, কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তারা কীভাবে পদক্ষেপ করছে, ভবিষ্যতে এ বিষয়ে চিনের পরিকল্পনা কী। কোভিড রুখতে চিকাকরণ, স্বাস্থ্যবিধি এবং ভাইরাসের প্রজাতি নিয়ে গবেষণার ওপর জোর দিচ্ছে বেজিং।

    চিনে কোভিডের বাড়বাড়ন্তের কারণে ইতিমধ্যেই দক্ষিণ কোরিয়া সহ অনেক দেশই চিন থেকে আসা যাত্রীদের ওপর নানা বিধিনিষেধ জারি করেছে। চিন থেকে আসা যাত্রীদের অবাধ যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আমেরিকা, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো একাধিক দেশও। এদিকে, চিনে করোনায় সংক্রমিত হয়ে দৈনিক ৯ হাজারের বেশি মানুষ মারা যাচ্ছেন বলে দাবি করেছে ব্রিটেনের হেল্থ অ্যানালিটিকস সংস্থা এয়ারফিনিটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • India Covid: চিন সহ ৬ দেশ থেকে ভারতে এলে বাধ্যতামূলক আরটি-পিসিআর টেস্ট, জানুন বিস্তারিত

    India Covid: চিন সহ ৬ দেশ থেকে ভারতে এলে বাধ্যতামূলক আরটি-পিসিআর টেস্ট, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফের শুরু করোনার দাপট। সব চেয়ে ভয়ঙ্কর অবস্থা চিনের (China)। সে দেশে প্রতিদিন করোনায় মৃত্যু হচ্ছে হাজার হাজার মানুষের। অন্ত্যেষ্টিস্থলে জমছে লাশের পাহাড়। যদিও সরকারের দাবি, করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। যাঁরা মারা যাচ্ছেন, তাঁরা অন্য কোনও কারণে। তবে চিন সরকারের কথা বিশ্বাস করছেন না সে দেশের সিংহভাগ নাগরিকই। কেবল চিন নয়, ভারতেও (India Covid) হদিশ মিলেছে ওমিক্রনের নয়া ভ্যারিয়েন্ট বিএফ.৭ (BF.7) সংক্রমিতের। তার জেরে দেশে জারি হয়েছে চূড়ান্ত সতর্কতা।

    ভিন দেশ থেকে এলে…

    বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের জন্য শুরু হয়েছে ফের কড়াকড়ি। চিন সহ ছটি দেশ থেকে ভারতে (India) আসার আগে জমা দিতে হবে করোনার আরটি-পিসিআর পরীক্ষার (RT-PCR Test) রিপোর্ট। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই চালু হচ্ছে এই নিয়ম। ওই রিপোর্ট নেগেটিভ হলে তবেই মিলবে ভারতে প্রবেশের ছাড়পত্র। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য জানান, চিন, হংকং, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর এবং থাইল্যান্ড থেকে ভারতে আসতে গেলে জমা দিতে হবে করোনার আরটি-পিসিআর পরীক্ষার রিপোর্ট।

    আরও পড়ুন: নতুন বছরের আগেই ‘কল্পতরু’ মোদি, রাজ্যে আনছেন ৭,৮০০ কোটি টাকার প্রকল্প

    করোনা অতিমারি পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক উড়ান চালু হওয়ার পর ভিন দেশ থেকে আসা যাত্রীদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল আরটি-পিসিআর  পরীক্ষা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর নভেম্বর থেকে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের জন্য আরটি-পিসিআর পরীক্ষার নিয়ম শিথিল করে কেন্দ্র। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার বাড়বাড়ন্তের জেরে ফের লাগু হচ্ছে ওই নিয়ম।

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, চিন সহ ওই ছয় দেশ থেকে ভারতে (India Covid) আসার আগে এয়ার সুবিধা পোর্টালে গিয়ে আরটি-পিসিআর পরীক্ষার রিপোর্ট আপলোড করতে হবে। এর পাশাপাশি বিমান বন্দরে দূরত্ববিধি বজায় রাখা, মাস্ক ব্যবহার করার নিয়মও আগের মতোই বলবৎ করা হয়েছে। চলছে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের করোনা পরীক্ষাও। বিদেশ থেকে ভারতে ফেরা করোনা সংক্রমিতদের রাখা হয়েছে কোয়ারেন্টিনে। জোর দেওয়া হচ্ছে কনটাক্ট ট্রেসিংয়ের ওপরও। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভারতে (India Covid) নতুন করে ২৬৮ জন করোনা সংক্রমিতের খোঁজ মিলেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর, সব মিলিয়ে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৩ হাজার ৫৫২।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • China: বিলম্বিত বোধোদয়! ভারতের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী চিন!

    China: বিলম্বিত বোধোদয়! ভারতের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী চিন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়দিনে বড় বার্তা দিল চিন (China)! রবিবার ২৫ ডিসেম্বর শি জিনপিংয়ের দেশের বিদেশমন্ত্রী (Chinese Foreign Minister) ওয়াং ই বলেন, ভারতের (India) সঙ্গে কাজ করতে রাজি চিন। দুই দেশের সম্পর্কও উন্নত করতে চাই। চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র ওয়েবসাইট থেকেই জানা গিয়েছে ভারতের প্রতি নতুন করে তাঁর এই আগ্রহের কথা। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে ভারত-চিন সম্পর্ক নিয়ে কথা বলছিলেন চিনা বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, চিন এবং ভারত কূটনৈতিক মহলে কথা চালিয়ে যাচ্ছে। মিলিটারি টু মিলিটারি চ্যানেলেও কথা চলছে। তিনি বলেন, দুই দেশই সীমান্তে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার পক্ষে। এর পরেই ওয়াং ই বলেন, আমরা ভারতের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। ভারত চিন সম্পর্কের উন্নতিতেও আগ্রহী।

    তাওয়াংকাণ্ড…

    ডিসেম্বর মাসের ৯ তারিখে অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াংয়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করে ভারতে অনুপ্রবেশ করে চিনা সেনা। প্রতিরোধ গড়ে তোলে ভারতীয় ফৌজ। দু পক্ষে সংঘর্ষ হয়। কেউ মারা না গেলেও, ভারত ও চিন দু পক্ষেরই কয়েকজন সেনা জখম হন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, লাল ফৌজকে মেরে তাড়িয়ে দেয় ভারত। এই আবহে বড়দিনের দিন চিনা বিদেশমন্ত্রীর এই বক্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    তাওয়াংয়ে ভারত, চিন (China) দুই দেশের সেনা সংঘর্ষের পরে বিবৃতি জারি করে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক। তাতে বলা হয়, ভারত, চিন সেনা কমান্ডার স্তরে ১৭ দফা বৈঠক হয়েছে। চিনের দিকে চুশুল মল্ডো বর্ডার মিটিং পয়েন্টে ২০ ডিসেম্বর ওই বৈঠকগুলি হয়েছে। ওয়েস্টার্ন সেক্টরে নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব বজায় রাখতে সহমত হয়েছে দুই দেশ।

    আরও পড়ুন: চিন সমেত পাঁচটি দেশ থেকে ফিরলে করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, দুই দেশই রাজি হয়েছে নিবিড় যোগাযোগ রেখে চলতে। মিলিটারি স্তরে কথা চালানোর পক্ষেও সহমত হয়েছে দুই দেশ। আলোচনা চলবে কূটনৈতিক স্তরেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

  • Covid in China: দৈনিক সংক্রমণ প্রায় ১০ লক্ষ, মৃতের সংখ্যা ৫ হাজারের কাছে! চিনে ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতি

    Covid in China: দৈনিক সংক্রমণ প্রায় ১০ লক্ষ, মৃতের সংখ্যা ৫ হাজারের কাছে! চিনে ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে চিনের করোনা পরিস্থিতি। সম্প্রতি এক তথ্যে দাবি করা হয়েছে, চিনে এই মুহূর্তে দৈনিক সংক্রমণ প্রায় ১০ লক্ষ। দৈনিক মৃত্যুসংখ্যাও নাকি ঘোরাফেরা করছে ৫ হাজারের আশেপাশে।  জরুরি বিভাগে মৃতপ্রায় রোগীদের বাঁচাতে কঠোর পরিশ্রম করছেন সে দেশের চিকিৎসকরা। চিনের মর্গগুলিতে মৃতদেহ উপচে পড়ছে। রীতিমতো লাইন দিয়ে শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হচ্ছে।অতিমারি-বিশেষজ্ঞ এরিক ফাইল-ডিংয়ের মতে চিনে জ্বরের ওষুধ প্রায় অমিল। তিনি জানিয়েছেন, দোকানে জ্বরের ওষুধ বাড়ন্ত হওয়ায় সরাসরি ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থার গুদামে গিয়ে ওষুধ কিনে আনছেন সে দেশের অনেক নাগরিক। কোভিড পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অ্যান্টিজেন টেস্ট কিটও অমিল চিনে। 

    শীতেই কোভিডের তিনটে ঢেউ 

    গণবিক্ষোভের মুখে শূন্য কোভিড নীতি থেকে সরে এসেছিল চিন। কিন্তু তারপরই সে দেশে করোনা সংক্রমণের রেখচিত্র ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকে। কোভিডের যে উপরূপটি চিনের এই নয়া বিপর্যয়ের কারণ হয়ে উঠেছে, সেটি হল বিএফ.৭। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন এই উপরূপটির আগের উপরূপগুলির তুলনায় অনেক বেশি সংক্রামক। অতিমারি বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৯ সালে সূচনা ঘটলেও, এই মুহূর্তে কার্যত কোভিড বিস্ফোরণ ঘটেছে চিনে। পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হওয়ার দিকে এগোচ্ছে। অতিমারির চলতি ঢেউয়ের আঘাতে দৈনিক সংক্রমণ ৩৭ লক্ষে গিয়ে ঠেকতে পারে জানুয়ারি নাগাদই। লন্ডনের এয়ারফিনিটি লিমিটেড নামক গবেষণা সংস্থার দাবি, মার্চ নাগাদ চিনে দৈনিক সংক্রমণ ৪২ লক্ষে গিয়ে ঠেকতে পারে। 

    আরও পড়ুন: করোনা পরীক্ষা ছাড়া তাজমহলে প্রবেশ নয়, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    তথ্য আড়াল না করার আবেদন

    ভাইরাস বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, এই শীতে তিনটি কোভিড-ঢেউ আছড়ে পড়তে চলেছে চিনে। যদিও চিনা সরকারি তথ্য এই সব কিছুই স্বীকার করেনি। এই আবহে চিনের স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচনা হচ্ছে বেজিংয়ের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফেও চিনকে আবেদন করা হয়েছে যাতে তারা তথ্য গোপন না করে। হু-এর প্রধান টেড্রস অ্যাডানম গেব্রিয়েসাস বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন চিনের কোভিড পরিস্থিতির কথা জানতে পেরে তিনি নিজেও উদ্বিগ্ন। সঠিক প্রতিষেধক ব্যবহার করার জন্য তিনি চিন প্রশাসনকে অনুরোধ জানিয়েছেন। এর পাশাপাশি তিনি চিন প্রশাসনের কাছে কোভিড সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য প্রকাশ্যে আনার অনুরোধ জানিয়েছেন। 

    একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, চিনের মোট জনসংখ্যার ৮৫ শতাংশ যদি চতুর্থ বুস্টার টিকা নেন, তবেই সংক্রমণের গতিরোধ করা সম্ভব। তাতে ৩ থেকে ৫৯ বছর বয়সি ৯৫ শতাংশ জনসংখ্যা লাভবান হবেন। তাই ৩ থেকে ৫৯ এবং ১৮ থেকে ৫৯ বছর বয়সিদের মধ্যে বুস্টার টিকার হার যদি ৯৫ শতাংশ থাকে, তবেই প্রতি ১০ লক্ষে সামগ্রিক মৃত্যুহার ২৪৯ এবং ৩০৫-এ বেঁধে রাখা যাবে বলে দাবি করা হয়েছে সমীক্ষায়।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Covid 19: তিন মাসে চিনে তিন সংক্রমণ ঢেউয়ের আশঙ্কা! কেন জানেন?   

    Covid 19: তিন মাসে চিনে তিন সংক্রমণ ঢেউয়ের আশঙ্কা! কেন জানেন?   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন মাসে চিনে (China) তিন সংক্রমণ ঢেউয়ের আশঙ্কা! অন্তত বিশেষজ্ঞদের ভবিষ্যদ্বাণী তাই। তাঁদের মতে, নতুন মিউটেটেড করোনা (Covid 19) স্ট্রেনের আঁতুড়ঘর হয়ে উঠেছে চিন। এমনিতেই এই মুহূর্তে সংক্রমণের শীর্ষে শি জিনপিংয়ের দেশ। নিত্যদিন প্রাণঘাতী করোনায় মৃত্যু হচ্ছে হাজার হাজার মানুষের। দেশের শ্মশানঘাটগুলিতে লাশের স্তূপ। দেহ দাহ করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন শ্মশানবন্ধুরা। যদিও চিনের দাবি, দেশে করোনায় মৃত্যুর হার শূন্য। তার কারণ, চিন সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, শুধুমাত্র নিউমোনিয়া ও শ্বাসপ্রশ্বাস জনিত সমস্যায় মৃত্যুকে কোভিডে প্রাণহানি বলে গণ্য করা হবে।

    সংক্রমণ ঠেকাতে…

    তিন বছর আগের এক ডিসেম্বরে চিনের উহান শহরে প্রথম মেলে করোনা ভাইরাসের খোঁজ। সেখান থেকে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিশ্বে। সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন সহ নানা পন্থা অবলম্বন করে চিন সরকার। করা হয় জিরো কোভিড নীতি গ্রহণ। চিন সরকার সাফ জানিয়ে দেয়, দেশ কোভিড (Covid 19) শূন্য না হওয়া পর্যন্ত কোভিডবিধি শিথিল করা হবে না। সেই লক্ষ্যে নিভৃতবাস শিবির, লকডাউন, মাস্ক পরা, দূরত্ববিধি সবই বজায় ছিল চিনে। তবে কম ছিল টিকাকরণের হার। যেটুকু টিকাকরণ হয়েছে, তাতেও কম শক্তিশালী দেশীয় কোভিড ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কারণে চিনাদের শরীরে কোভিড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়নি। তাঁদের উপযুক্ত টিকাকরণও হয়নি।

    আরও পড়ুন:ফের বাড়তে পারে করোনা! পজিটিভ নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করার নির্দেশ কেন্দ্রের

    চিন সরকার জিরো কোভিড নীতি গ্রহণ করায় দেশে শুরু হয় সরকার বিরোধী আন্দোলন। উরুমছিতে কোয়রান্টিন থাকা একটি বাড়িতে আগুন লেগেছিল কিছু দিন আগে। সরকারি নিষেধাজ্ঞার জেরে বাড়ি থেকে বেরতে না পেরে মৃত্যু হয় ওই বাড়ির ১০ জন বাসিন্দার। ঘটনার জেরে ব্যাপক বিক্ষোভ হয় সে দেশে। প্রবল বিক্ষোভের জেরে কোভিড নীতি শিথিল করতে বাধ্য হয় শি জিনপিংয়ের সরকার। আচমকা এই শিথিলতার জেরে ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণের গ্রাফ। সংক্রমণ বিশেষজ্ঞদের দাবি, চলতি শীতেই করোনার (Covid 19) তিনটি ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে ড্রাগনের দেশে। চাইনিজ সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন এর প্রধান সংক্রমণ বিশেষজ্ঞ উ জুনইউ বলেন, তিন মাসে তিনটি ঢেউ এসে পড়বে। প্রথম ঢেউটি এখন থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি অবধি চলবে। দ্বিতীয় ঢেউটি আসবে ঠিক তার পরেই। তাঁর অনুমান, তৃতীয় ঢেউটি আসবে ফেব্রুয়ারির শেষে, চলবে মার্চের মাঝামাঝি পর্যন্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Covid 19 Update: ফের করোনা-ঢেউয়ের ভ্রুকুটি! রাজ্যে কোভিড নজরদারিতে বিশেষ কমিটি

    Covid 19 Update: ফের করোনা-ঢেউয়ের ভ্রুকুটি! রাজ্যে কোভিড নজরদারিতে বিশেষ কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার নবান্ন সভাঘরে গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি বৈঠকে চিনের সাম্প্রতিক করোনা পরিস্থিতির কথা শুনে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণনস্বরূপ নিগমকে এ নিয়ে নজরদারি চালানোর নির্দেশ দিলেন তিনি। চিনের বর্তমান পরিস্থিতির কথা শুনে বৈঠকে মমতা বলেন, ‘‘আমাদের স্বাস্থ্য দফতরকে একটু খবর রাখতে বলব। চিনে যে ভাবে ছড়াচ্ছে… যাঁরা এই রোগটি সম্পর্কে বোঝেন, তাঁদের নিয়ে একটি টিম গঠন করুন।’’ মুখ্যমন্ত্রীই জানিয়ে দেন, ওই দলে কারা কারা থাকবেন। তিনি বলেন, ‘‘ওই টিমটাকে নেতৃত্ব দেবেন স্বাস্থ্যসচিব। থাকবেন ডিএম, ডিএইচএসও।’’

    রাজ্যে করোনা নজরদারিতে নতুন কমিটি

    চিনে করোনা সংক্রমণ নিয়ে সতর্ক কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকও। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের তরফে রাজ্যগুলিকে সতর্ক থাকার কথা বলা হয়েছে। এ রাজ্যেও পরিস্থিতির উপর নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার এ নিয়ে তিনি একটি কমিটি গড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশ মতো নজরদারি কমিটিও গঠন করেছে স্বাস্থ্য দফতর। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মেনেই ওই কমিটির মাথায় রাখা হয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিবকে। এ ছাড়াও ওই কমিটিতে করোনা চিকিৎসার অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন কোভিড বিশেষজ্ঞদের রাখা হবে। 

    আরও পড়ুন: ‘ভিড়ে মাস্ক পরুন, বুস্টার ডোজ নিন’, চিনে করোনার বাড়বাড়ন্তর পরই পরামর্শ কেন্দ্রের

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবারই বৈঠকে বসতে পারে ওই কমিটি। কোভিড পরিস্থিতির বিষয়টি নজরে রেখে ভবিষ্যতে কী কী নির্দেশিকা জারি করা যেতে পারে, এই বৈঠকে তা নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। মাস্ক পরা, শারীরিক দূরত্ববিধি বজায় রাখার মতো নিয়মের উপর আবার জোর দেওয়া নিয়েও আলোচনা হতে পারে। পৌনে তিন বছর পর গত শনিবার রাজ্যে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা শূন্যে নেমে গিয়েছিল। এর পর মঙ্গলবারই রাজ্যে সাত জন করোনা আক্রান্তের হদিস মেলে। মৃত্যুও হয় এক জনের।

    কেন্দ্রের সতর্কতা

    কোভিডের চোখ রাঙানিতে উদ্বেগ বাড়ছে জাপান, কোরিয়া ও আমেরিকায়। বিপদের আঁচ পৌঁছে গিয়েছে ভারতেও। চিনে যে ওমিক্রন সাব ভ্যারিয়েন্ট তাণ্ডব চালাচ্ছে, সেই বিএফ.৭-র হদিশ মিলেছে এ দেশে। ওড়িশার একজন, আর গুজরাটে দু’জনের শরীরে পাওয়া গিয়েছে নয়া প্রজাতির ভাইরাস। স্রেফ রাজ্যগুলিকে সতর্ক করা নয়, এদিন করোনা পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। ফের কিছু কিছু বিধিনিষেধ জারি করা যায় কি না, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। জিনোম সিকোয়েন্সিয়ের উপর জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। রিপোর্ট পজিটিভ হলেই, নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Covid in China: চিনে আগামী এক সপ্তাহে শিখরে পৌঁছবে করোনা সংক্রমণ, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    Covid in China: চিনে আগামী এক সপ্তাহে শিখরে পৌঁছবে করোনা সংক্রমণ, দাবি বিশেষজ্ঞদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার (Covid in China) চোখ রাঙানি কমার লক্ষণই নেই। ফি বছর নতুন ঢেউ নিয়ে হাজির হচ্ছে এই মারণ ভাইরাস। করোনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ চিন। চিনে সংক্রমণ কমার কোনও নাম নেই। বরং দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রতিবেশী দেশে ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা। সরকারের দেওয়া পরিসংখ্যানের থেকে মৃত্যুর সংখ্যা অনেকটাই বেশি বলে অভিযোগ করেছে সে দেশের জনগণ। অভিযোগ, করোনার জেরে চিনে লাগাতার মানুষ মারা যাচ্ছে। তবে তা স্বীকার করতে রাজি নয় জিনপিং সরকার।

    আরও পড়ুন: উদয়পুর দরজি খুন নিয়ে চার্জশিট পেশ এনআইএ- র, পাক যোগ?

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? 

    এরই মধ্যে মহামারি বিশেষজ্ঞদের দাবিতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে চিনে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, চিনে আগামী ২ মাসে ৩ টি করোনার (Covid in China) ঢেউ আছড়ে পড়বে। যাতে বহু মানুষ মারা যেতে পারেন। আগামী এক সপ্তাহে করোনা সংক্রমণ শিখরে পৌঁছবে বলে দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছবে ৫ হাজারে। বিশেষজ্ঞদের আরও দাবি, এখন যে ঢেউ আছড়ে পড়েছে সেটি আসলে প্রথম। এরপর আরও ২টি ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। প্রাথমিকভাবে মহামারি বিশেষজ্ঞদের অনুমান, রাজধানী বেজিংয়ে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ করোনায় সংক্রমিত। লক্ষ লক্ষ মানুষ ঘরবন্দি। হাসপাতালগুলিতেও বাড়ছে করোনা আক্রান্তদের ভিড়।   

    সংক্রমণ এতটাই বেড়েছে যে, সোমবার রাজধানী বেজিংয়ে ২ জনের মৃত্যুও হয়েছে। যদিও করোনায় চিনে আরও বেশি সংখ্যক মানুষ মারা গিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। 

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, চিনের শহরগুলোতে করোনা সংক্রমণ বাড়ার মূল কারণ করোনা (Covid in China) ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। ওমিক্রনের দুটি উপ-ভ্যারিয়েন্ট, BA.5.2 এবং BF.7 দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। রাজধানী বেজিং BF.7-এর সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, BF.7 কে সবচেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসের আখ্যা দিয়েছে। 

    বিশেষজ্ঞদের আরও দাবি, ওমিক্রনের উপ-ভ্যারিয়েন্টই দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে, তবে তারা ডেল্টা রূপের মতো বিপজ্জনক নয়। নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হলে গলায় মারাত্মক সংক্রমণ, শরীরে ব্যথা, হালকা বা খুব বেশি জ্বর হতে পারে। ২২ ডিসেম্বর দেশজুড়ে আক্রান্ত (Covid in China) হয়েছেন প্রায় ৪ হাজার চিনবাসী।

    চিন প্রশাসনের দাবি, টিকাকরণের জেরে চিনে (Covid in China) মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। তবে আগামী বছর সে দেশে ১০ লক্ষ করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হতে পারে বলে দাবি করেছেন আমেরিকার এক গবেষক। তাঁর দাবি, ২০২৩ সালে চিনে করোনা বিস্ফোরণ হতে পারে।

    চিন প্রশাসনের দেওয়া তথ্য (Covid in China) অনুসারে, এখনও পর্যন্ত ৬০ বছরের বেশি জনসংখ্যার ৮৭% সম্পূর্ণরূপে টিকা দেওয়া হয়েছে। তবে ৮০ বছরের বেশি বয়সী বয়স্কদের মধ্যে মাত্র ৬৬.৪ শতাংশ টিকা দেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Covid 19 in China: চতুর্দিকে লাশের পাহাড়, চিনের দাবি করোনায় মৃত্যু হয়নি কারও!

    Covid 19 in China: চতুর্দিকে লাশের পাহাড়, চিনের দাবি করোনায় মৃত্যু হয়নি কারও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের প্রকাশ্যে চিনের দ্বিচারিতা! মারণ ভাইরাস (Covid 19 in China) করোনার কবলে পড়ে প্রাণ হারাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। শ্মশানঘাটগুলি উপচে পড়ছে লাশের স্তূপে। তার পরেও শি জিনপিংয়ের দেশের দাবি, চিনে নতুন করে কারও মৃত্যু হয়নি করোনা সংক্রমিত হয়ে। চিন সরকার জানিয়েছে, প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনার (Corona) সংক্রমণের কারণে কেবলমাত্র যাঁরা শ্বাসকষ্টে মারা যাচ্ছেন, তাঁদেরই করোনায় মৃত্যু হয়েছে বলে ধরা হবে। নচেৎ নয়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এভাবে চিন (China) শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে চাইছে। তাদের মতে, চিন সরকারের ওই বক্তব্যেই স্পষ্ট, করোনার প্রভাবে যাঁদের মৃত্যু হবে, তাঁদের করোনায় মৃত্যু হয়েছে বলে ধরা হবে না। প্রসঙ্গত, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রকাশিত গাইডলাইন অনুযায়ী, যেখানে করোনা ভাইরাসের কারণে মৃত্যু (সেটা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যাই হোক না কেন) হয়েছে, সেখানেই করোনায় মৃত্যু হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে।

    চিনের দাবি…

    চিনের দাবি, ২০ ডিসেম্বর সে দেশে করোনার কারণে মৃত্যু হয়নি একজনেরও। মঙ্গলবার দেশে ৩ হাজার ১০১ জনে করোনা সংক্রমিতের খোঁজ মিলেছে। চিন সরকারের এহেন দাবির মুখে ঝামা ঘষে দিয়েছেন এক দেহ-সৎকার কর্মী। তাঁর দাবি, শ্মশানঘাটগুলিতে দেহ রাখার জায়গা নেই। অনবরত জ্বলছে চুল্লি। দেহ-সৎকার কর্মীদের কয়েকজন সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন শ্মশানঘাটে জমে রয়েছে লাশের পাহাড়। এ ছবিটা হুবহু এক চিনের উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমে। চিনের সোশ্যাল মিডিয়ায়ও ছড়িয়েছে, দেহ দাহ করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন সৎকার কর্মীরা।

    আরও পড়ুন:ফের বাড়তে পারে করোনা! পজিটিভ নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করার নির্দেশ কেন্দ্রের

    ন্যাশনাল হেল্থ কমিশনের দাবি, দেশে করোনায় (Covid 19 in China) নতুন করে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে সোমবার করোনা সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। হুয়ের পরামর্শদাতাদের মতে, চিন তড়িঘড়ি করে করোনা পরিস্থিত শেষ বলে ঘোষণা করেছে। এর জেরেই ঘনিয়েছে বিপদ। এরিক ফেইগেল ডিং নামে এক বিজ্ঞানী অবশ্য জানিয়েছেন, আগামী ৯০ দিনের মধ্যে চিনের ৬০ শতাংশ এবং গোটা বিশ্বের ১০ শতাংশ মানুষ করোনা সংক্রমিত হতে পারেন। তার জেরে মৃত্যু হতে পারে কয়েক মিলিয়ন মানুষের। এদিকে, চিনের বিপদে তাদের পাশে দাঁড়াতে রাজি আমেরিকা। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, চিন সহ গোটা বিশ্বকেই করোনার মোকাবিলা করতে সাহায্য করতে আমরা প্রস্তুত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share