Tag: China

China

  • Covid 19: ফের বাড়তে পারে করোনা! পজিটিভ নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করার নির্দেশ কেন্দ্রের

    Covid 19: ফের বাড়তে পারে করোনা! পজিটিভ নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করার নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের চোখ রাঙাচ্ছে মারণ ভাইরাস করোনা (Covid 19)। নিত্যদিন সংক্রমণ বাড়ছে চিন (China), জাপান (Japan), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কোরিয়া এবং ব্রাজিলে। সেই কারণে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিটি রাজ্যকে করোনা পজিটিভ নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করার নির্দেশ দিয়েছে।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বক্তব্য…

    এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানায়, হঠাৎ করেই জাপান আমেরিকা, কোরিয়া, ব্রাজিল, চিনে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়া যথেষ্ঠ উদ্বেগের। চিনের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে ভারত (India)। পজিটিভ নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করতে হবে। এতে করোনার প্রজাতি ট্র্যাক করা সম্ভব। এতে বোঝা যাবে ভারতে করোনার নতুন কোনও প্রজাতি এসেছে কী না। যদি জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ে নয়া কোনও প্রজাতি ধরা পড়ে, তবে শীঘ্রই পদক্ষেপ করা সম্ভব হবে।

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ, অ্যাডিশনাল চিফ সেক্রেটারি এবং প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্বাস্থ্য সচিবদের চিঠি লিখে জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে করোনার (Covid 19) যে প্রজাতি রয়েছে, তার স্বভাববিধির ওপর নজর রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজেশ ভূষণ চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, ভারত ফাইফ ফোল্ড স্ট্র্যাটেজি মেনে করোনার মোকাবিলা করে এসেছে। এই ফাইভ ফোল্ড স্ট্র্যাটেজি হল, টেস্ট, ট্র্যাক, ট্রিট, ভ্যাক্সিনেশন এবং কোভিডবিধি মেনে চলা।  

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ২৬ মার্চ প্রথম করোনা (Covid 19) সংক্রমিতের খোঁজ মেলে এ রাজ্যে। এর পর তিন বছর ধরে দাপিয়ে বেড়িয়েছে করোনা। শেষমেশ রবিবার দৈনিক সংক্রমণ পৌঁছে যায় শূন্যে। তার পর আটচল্লিশ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই চলে এল কেন্দ্রের সতর্কবার্তা।

    আরও পড়ুন: ‘ডাকাতকে বাঁচাতে সরকার যা করছে, তাতে বিপদ বাড়ছে’ অনুব্রত প্রসঙ্গে শুভেন্দু

    এদিকে, চিনের করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হলেও, এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই ভারতে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের একটি প্যানেলই এ কথা জানিয়েছে। তারা এও জানিয়েছে, চিনের কোভিড পরিস্থিতির ওপর সর্বদা নজর রাখা হচ্ছে। কোভিড ওয়ার্কিং গ্রুপের চেয়ারম্যান এনকে অরোরা সংবাদ সংস্থাকে জানান, দেশে বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে করোনা পরিস্থিতি। এদিকে, আজ, বুধবার পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনশুখ মাণ্ডব্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • S Jaishankar: রাহুলের ‘পিটাই’ শব্দের তীব্র প্রতিবাদ জয়শঙ্করের, কংগ্রেস সাংসদকে কী বললেন জানেন?

    S Jaishankar: রাহুলের ‘পিটাই’ শব্দের তীব্র প্রতিবাদ জয়শঙ্করের, কংগ্রেস সাংসদকে কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন (China) আমাদের জমি কেড়ে নিয়েছে। আমাদের সেনাদের প্রহার করছে। অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) তাওয়াংয়ে ভারতীয় সেনা ও চিনা ফৌজের হাতাহাতি প্রসঙ্গে কথাগুলি বলেছিলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। সোমবার লোকসভায় কংগ্রেস সাংসদের ওই বক্তব্যের জবাব দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তাঁর মতে, সেনা জওয়ানদের সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে রাহুলের ‘পিটাই’ (প্রহার) শব্দটি ব্যবহার করা উচিত হয়নি। জয়শঙ্কর বলেন, রাজনৈতিক সমালোচনা নিয়ে আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু আমাদের জওয়ানদের অশ্রদ্ধা করা উচিত নয়। তিনি বলেন, লোকে বলে, আমার নিজের উপলদ্ধি আরও গভীর হওয়া উচিত। যিনি এই পরামর্শ দিয়েছেন, তাঁর প্রতি আমার মনে শ্রদ্ধা ছাড়া কিছু নেই। এর পরেই জয়শঙ্কর বলেন, জওয়ানদের সম্পর্কে পিটাই শব্দটি ব্যবহার করা ঠিক হয়নি।

    রাহুল উবাচ…

    প্রসঙ্গত, গত ৯ ও ১১ ডিসেম্বর অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং জেলায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর চিন ও ভারতীয় সেনার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছিল। দু পক্ষেরই বেশ কয়েকজন সেনা অল্পবিস্তর জখম হয়েছিলেন। এই প্রসঙ্গেই রাজস্থানের জয়পুরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে কংগ্রসে সাংসদ রাহুল গান্ধী বলেন, চিন আমাদের জমি কেড়ে নিয়েছে। আমাদের সেনাদের প্রহার করছে। চিনের হুমকি স্পষ্ট। কিন্তু, সরকার এটা গোপন করে যাচ্ছে, অবজ্ঞা করছে। লাদাখ ও অরুণাচলে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে চিন। আর সরকার ঘুমিয়ে আছে।

    আরও পড়ুন: ফের একবার প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি হতে পারেন মমতা, কেন জানেন?

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, আমরা যদি চিনা হুমকি অস্বীকারই করে থাকি, তাহলে সেনা জওয়ানরা নিয়ন্ত্রণরেখায় কী করছেন? রাহুল গান্ধী বলেছেন বলে তাঁরা সেখানে যাননি। সেনা জওয়ানরা ওখানে গিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন বলে। তিনি বলেন, আমরা চিনকে একতরফাভাবে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার পরিবর্তন করতে দেব না। তিনি বলেন, আমাদের সেনারা সমুদ্রস্পৃষ্ঠ থেকে ১৩ হাজার ফুট ওপরে ইয়াংসি সীমান্তে পাহারা দিচ্ছেন। সেই সেনাদের সম্মান করা উচিত এবং তাঁদের প্রশংসা করা উচিত। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর এই প্রথম মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় চিনা ও ভারতীয় সেনার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Tawang: তাওয়াংয়ের ওপর শ্যেন দৃষ্টি চিনের! কারণ কি জানেন?

    Tawang: তাওয়াংয়ের ওপর শ্যেন দৃষ্টি চিনের! কারণ কি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) তাওয়াংয়ের (Tawang) ওপর শ্যেন দৃষ্টি চিনের। এর প্রধান কারণ, তাওয়াং জায়গাটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর। শুধু তাই নয়, ধর্মীয় গুরুত্বের জন্যও তাওয়াংয়ের বিশেষ কদর রয়েছে চিনে (China)। সেই কারণেই দীর্ঘদিন ধরে তাওয়াংকেই পাখির চোখ করেছে ড্রাগনের দেশ।

    তাওয়াং…

    সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত তাওয়াং। জায়গাটি ১৯৬২ সালে ভারত-চিন সংঘর্ষের সঙ্গে যুক্ত। সেই কারণে ভারত এবং চিন দুই দেশের কাছেই তাওয়াংয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। ৬২-র যুদ্ধে তাওয়াং দখল করার পর ম্যাকমোহন লাইনের ভিতরে পড়ে যাওয়ায় চিন এটি খালি করেছিল। পরে চিন ম্যাকমোহন লাইন মানতে অস্বীকার করে। তাই ফের তাওয়াং দখল করতে চাইছে চিন। তাওয়াং নিজের কবজায় নিয়ে এসে ড্রাগনের দেশ চাইছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার পাশাপাশি তিব্বতকে পর্যবেক্ষণ করতে। এই তাওয়াংয়ের সঙ্গে তিব্বতের ধর্মীয় নেতা বতর্মান দালাই লামার একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। ১৯৫৯ সালে তিব্বত ছেড়ে যাওয়ার পর এখানে কিছু দিন কাটিয়েছিলেন দালাই।

    চিন থেকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারতের জন্য দুটি পয়েন্ট সব চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একটি তাওয়াং (Tawang), অন্যটি চাম্বা উপত্যকা। তাওয়াং রয়েছে চিন-ভুটান সংযোগস্থলে। আর চাম্বার অবস্থান নেপাল-তিব্বত সীমান্তে। তাওয়াং দখল করতে পারলে চিন দাবি করবে, অরুণাচল প্রদেশ তাদেরই অংশ।  

    আরও পড়ুন: “কর্মীদের মধ্যে অতি-উৎসাহ তৈরি হয়েছে’’, ডিএ মামলা ছাড়লেন বিচারপতিরা! পিছল শুনানি

    এদিকে, তাওয়াংয়ে ভারত-চিন সংঘর্ষ পূর্ব পরিকল্পিত বলেই মনে করছেন কেউ কেউ। কারণ উপগ্রহ চিত্রে দেখা যাচ্ছে, তাওয়াং সীমান্তের কাছে গ্রাম তৈরি করে ফেলেছে চিন। এর পাশাপাশি একটি রাস্তাও তৈরি করেছে চিনা সেনাবাহিনী। প্রসঙ্গত, ৯ ডিসেম্বর তাওয়াংয়ের (Tawang) ইয়াঙ্গাটসে অঞ্চলে সংঘর্ষ হয় ভারত ও চিন সেনার। ওই এলাকায় থাকা ভারতীয় সেনা বাহিনীর ছাউনি সরাতে আসে প্রায় ৩০০ চিনা সেনা। তাদের হাতে ছিল কাঁটাযুক্ত লোহার লাঠি। ভারত বাধা দিলে শুরু হয় সংঘর্ষ। বেশ কিছুক্ষণ পরে পিছু হঠে চিনা সেনা। জানা গিয়েছে, পক্ষকাল ধরে এই হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিল চিন সেনা। এ ব্যাপারে ভারত প্রথমেই সতর্ক হয়ে যাওয়ায় দ্রুত বদলে যায় পরিস্থিতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • BJP: ‘এটা রাহুলের প্রপিতামহ নেহরুর ভারত নয়’, কেন একথা বললেন বিজেপি নেতা?

    BJP: ‘এটা রাহুলের প্রপিতামহ নেহরুর ভারত নয়’, কেন একথা বললেন বিজেপি নেতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এটা রাহুলের প্রপিতামহ নেহরুর (Nehru) ভারত (India) নয়, যিনি ৩৭ হাজার ২৪২ কিলোমিটার হারিয়েছিলেন চিনের (China) কাছে। এই ভাষায়ই কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) আক্রমণ শানালেন বিজেপির (BJP) মুখপাত্র রাজ্যবর্ধন রাঠোর। তাওয়াংয়ে ভারত-চিন সংঘাত নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই কেন্দ্রকে নিশানা করেছে বিরোধী দলগুলি। এ নিয়ে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেছেন রাহুল গান্ধীও। তাঁর দাবি, চিন যখন যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে, তখনও কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও উদ্বেগ নেই। সরকার বিষয়টিতে গুরুত্বই দিচ্ছে না। রাহুলের এহেন মন্তব্যেরই পাল্টা দিল বিজেপি।

    রাহুলকে নিশানা…

    বর্তমানে ভারত জোড় যাত্রা কর্মসূচি পালন করছেন রাহুল গান্ধী। এদিন তাঁকেই নিশানা করেন বিজেপির মুখপাত্র রাজ্যবর্ধন রাঠোর। তিনি বলেন, রাহুল গান্ধী চিনের এতটাই কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছেন যে তিনি বুঝে যাচ্ছেন, চিন এবার কী করবে। রাহুলকে মুখের মতো জবাব দিতে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর প্রসঙ্গ টানেন বিজেপির মুখপাত্র। ১৯৬২-র ভারত-চিন যুদ্ধের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ভারত জোড় যাত্রা চলাকালীন রাহুল গান্ধী দেশের নিরাপত্তা ও সীমান্ত নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করেছেন, যাতে দেশের সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে যায়। এর পরেই তিনি বলেন, এটা রাহুলের প্রপিতামহ নেহরুর ভারত নয়, যিনি ৩৭ হাজার ২৪২ কিলোমিটার হারিয়েছিলেন চিনের কাছে। চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে কংগ্রেসের চুক্তি হয়েছে বলেও দাবি করেন রাঠোর। তিনি বলেন, সোনিয়া গান্ধীর নেতৃত্বাধীন রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন চলে চিনের টাকায়। তার পরেই চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে কংগ্রেসের চুক্তির হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিজেপির (BJP) মুখপাত্র।

    আরও পড়ুন: ২০২৪-লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে অনেক বেশি আসন চান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    রাঠোর বলেন, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন একাধিকবার দখলদারির চেষ্টা করেছিল চিন। তিনি জানান, নরেন্দ্র মোদির আমলে সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে তিনগুণ। প্রসঙ্গত, অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াংয়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা এলাকায় হাতাহাতি হয় চিনা ফৌজের সঙ্গে ভারতীয় সেনার। এই প্রসঙ্গেই রাহুল বলেছিলেন, লাদাখের কাছে আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে চিন। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার ঘুমিয়ে রয়েছে। এর পরেই রাহুলকে একহাত নেয় বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • S Jaishankar: ‘‘আপনার মন্ত্রীকে প্রশ্ন করুন সন্ত্রাস কবে বন্ধ হবে?’’, পাক সাংবাদিককে জবাব জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: ‘‘আপনার মন্ত্রীকে প্রশ্ন করুন সন্ত্রাস কবে বন্ধ হবে?’’, পাক সাংবাদিককে জবাব জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসের ‘এপিসেন্টার’ এখনও সক্রিয়। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) ফের একবার প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানকে (Pakistan) বেআব্রু করলেন ভারতের (India) বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। সন্ত্রাস নিয়ে পাকিস্তান ও চিনের দ্বিচারিতা নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বিতর্কে অংশ নিয়ে বুধবার তিনি বলেছিলেন, যে দেশ ওসামা বিন লাদেন এবং প্রতিবেশী দেশের সংসদে হামলাকারীদের আশ্রয় দেয়, অন্যদের উপদেশ দেওয়ার বিশ্বাসযোগ্যতাই নেই তাদের। মানুষকে বিভ্রান্ত না করে ভালো প্রতিবেশী হওয়ার চেষ্টা করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন জয়শঙ্কর।

    জয়শঙ্কর বলেন…

    বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে হিলারি ক্লিনটনের মন্তব্যকে উদ্ধৃত করে জয়শঙ্কর বলেন, এক দশক আগে হিলারি ক্লিনটন তাঁর পাকিস্তান সফর চলাকালীন বলেছিলেন, যদি তুমি নিজের বাগানে সাপ রাখ, তাহলে সেই সাপ শুধুমাত্র আপনার প্রতিবেশীদেরই কামড়াবে, এই আশা করতে পারেন না। তিনি বলেন, পাকিস্তান পরামর্শ নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যর্থ। সেই কারণেই গোটা বিশ্ব পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের এপিসেন্টার বলে মনে করে।

    ইসলামাবাদকে নিশানা করে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, পাকিস্তানের মন্ত্রীরা রয়েছেন, তারা বলতে পারবেন পাকিস্তান কতদিন সন্ত্রাসবাদের প্রশিক্ষণ চালু রাখার পরিকল্পনা করছে। তিনি বলেন, বিশ্ব বোকা নয়, তারা ক্রমাগত সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত দেশ ও সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে সরব হচ্ছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, আমার পরামর্শ হল, নিজেদের কার্যকলাপ শোধরান ও একজন ভাল প্রতিবেশী হওয়ার চেষ্টা করুন।

    আরও পড়ুন: ‘লাদেনকে আশ্রয় দেওয়ার কথা মনে আছে?’, কাশ্মীর ইস্যু তোলায় পাকিস্তানকে জবাব জয়শঙ্করের

    চিন ও পাকিস্তান যেভাবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃত সন্ত্রাসবাদীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির ক্ষেত্রে বাধা দিচ্ছে, এদিন সে প্রসঙ্গও টানেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)। দুই প্রতিবেশী দেশের নাম না করেই তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ কোনও সীমান্ত, নাগরিকত্ব বা জাতি মানে না। সন্ত্রাসবাদের বিপদ যে দিন দিন বাড়ছে, এদিন তারও উল্লেখ করেন জয়শঙ্কর। বলেন, সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকি বা হুমকি বর্তমানে আরও গুরুতর হয়ে উঠেছে। আমরা দেখেছি আল কায়দা, দয়েশ, বোকো হারাম ও আল সাবাব সহ সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলি কীভাবে নিজেদের সংগঠন বৃদ্ধি করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • AIIMS cyber attack: এইমস সাইবার হামলায় চিনা যোগ? কী বলছেন তদন্তকারীরা

    AIIMS cyber attack: এইমস সাইবার হামলায় চিনা যোগ? কী বলছেন তদন্তকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে হামলায় (AIIMS cyber attack) রয়েছে চিনা যোগ। বুধবার এমনটাই নিশ্চিত করলেন সরকারি আধিকারিকরা। সরকারি আধিকারিক আরও জানান, হ্যাক হওয়া পাঁচটি সার্ভারের তথ্য পুনরুদ্ধার করেছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এক আধিকারিক বলেন, “এইমস-এর ওপর হওয়া সাইবার হামলার নেপথ্যে ছিল চিন। এফআইআর-এ এই সংক্রান্ত পূর্ণ তথ্য রয়েছে। তাতে বলা হয়েছে যে এই হামলা চিন থেকে করা হয়। এইমস-এর ১০০টি সার্ভারের মধ্যে ৫টি সার্ভারে হ্যাক করেছিল হ্যাকাররা। আরও ক্ষতি হতে পারত এই হ্যাকের কারণে। কিন্তু সেই ক্ষতি আটকানো সম্ভব হয়েছে। হামলার শিকার হওয়া ৫টি সার্ভারের তথ্য পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।”

    তথ্য পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়েছে 

    প্রসঙ্গত, গত ২৩ নভেম্বর সাইবার হামলার (AIIMS cyber attack) বিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছিল দিল্লি এইমস। সাইবার হামলার খবর প্রকাশ্যে আসতেই সার্ভারের নিরাপত্তায় নিযুক্ত দুই কর্মীকে সাসপেন্ড করেছিলএইমস কর্তৃপক্ষ। সেই হামলার প্রায় তিন সপ্তাহ পর তথ্য পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। একটি বিবৃতিতে এইমস কর্তৃপক্ষ জানায়, সার্ভারে ই-হাসপাতালের তথ্য পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। নতুন করে পরিষেবা চালু করার আগে নেটওয়ার্ককে স্যানিটাইজ করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগছে। কারণ তথ্যের পরিমাণ অনেক। পাশাপাশি হাসপাতালের সার্ভারের সংখ্যাও অনেক। পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্যও সাইবার নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা হচ্ছে।    
     
    এইমস-এর (AIIMS cyber attack) বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আপাতত আউটডোর, ইনডোর, ল্যাব পরিষেবা ম্যানুয়াল মোডে চলছে।” ডিসেম্বরের শুরুতে, দিল্লি পুলিশের তদন্তকারী দল এইমসে সাইবার হামলার তদন্ত শুরু করে। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, সেন্ট্রাল ফরেনসিক ল্যাবের একটি দলকে সাইবার হামলার উৎস সনাক্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সংক্রামিত সার্ভার পরীক্ষা করেই সিএফএসএল জানায়, এই হামলা চিন থেকে চালানো হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: ছাপরা বিষমদ কাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯

    প্রসঙ্গত, নভেম্বরের শেষে সাইবার হানা হয় দিল্লি এইমসে (AIIMS cyber attack)। হ্যাকাররা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে প্রায় ২০০ কোটি টাকা দাবি করে। সাইবার হামলায় একপ্রকার থমকে যায় হাসপাতালের অনলাইন পরিষেবা। জরুরি, বহির্বিভাগ এবং ল্যাবরেটরি ম্যানুয়ালি পরিচালনা করা হয়। সপ্তাহে খানেকের বেশি সার্ভার ডাউন ছিল।

    ঘটনার পর আশঙ্কা করা হচ্ছিল ৩-৪ কোটি রোগীর তথ্য ফাঁস হতে পারে (AIIMS cyber attack)। এইমসের সার্ভারে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, আমলা, বিচারক-সহ বহু ভিআইপির রোগীর তথ্য রয়েছে। তা উদ্ধারেই তদন্তকারী সংস্থার সুপারিশে হাসপাতালের কম্পিউটারে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। গত ২৫ নভেম্বর দিল্লি পুলিশে সাইবার সন্ত্রাসের মামলা নথিভুক্ত হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Indian Airforce: যুদ্ধবিমানের তৎপরতা পরীক্ষা করতে উত্তর-পূর্বে সামরিক মহড়া বায়ুসেনার

    Indian Airforce: যুদ্ধবিমানের তৎপরতা পরীক্ষা করতে উত্তর-পূর্বে সামরিক মহড়া বায়ুসেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) তাওয়াংয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল ভারত (India) ও চিনের (China) সেনারা। ওই ঘটনার রেশ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই যুদ্ধবিমানের তৎপরতা পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Airforce)। বৃহস্পতিবার থেকে উত্তর-পূর্বে শুরু হচ্ছে সামরিক মহড়া (Training Exercise)। চলবে দুদিন ধরে। বায়ুসেনা সূত্রেই এ খবর মিলেছে।

    পিএলএ সৈন্য…

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, ৯ ডিসেম্বর, ২০২২-এ পিএলএ সৈন্যরা সীমান্তে স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করে। ভারতীয় সেনাবাহিনী দৃঢ়তার সঙ্গে তার মোকাবিলা করে। দু পক্ষের মধ্যে হাতাহাতিও হয়। ভারতের জওয়ানরা চিনা সেনাদের বাধা দেয় এবং তাদের পোস্টে ফেরত পাঠায়। এই ঘটনায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর কোনও জওয়ান নিহত বা আহত হননি। এই ঘটনার পর স্থানীয় কমান্ডার ১১ ডিসেম্বর চিনের সেনা কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং ঘটনাটি নিয়ে আলোচনাও করেন। চিনকে সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে বলা হয়েছে ভারতের তরফে। এহেন আবহে উত্তরপূর্বে আয়োজন হয়েছে সামরিক মহড়ার।

    আরও পড়ুন: চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা, বললেন রাজনাথ

    সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহে ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Airforce) মহড়া হবে ইস্টার্ন সেক্টরে। সেখানে যুদ্ধবিমানগুলির ক্ষিপ্রতা পরীক্ষা করা হবে। জানা গিয়েছে, সামরিক এই মহড়ার পরিকল্পনা হয়েছে অনেক আগেই। ওই সূত্রেই আরও জানা গিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মাঝে মধ্যেই সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর উঁকিঝুঁকি মারছিল চিনা ড্রোন। তাদের ঠেকাতে দু তিনবার ভারতকে ওড়াতে হয়েছে যুদ্ধ বিমান। জানা গিয়েছে, চিনা ড্রোনের মোকাবিলায় ওড়ানো হয়েছে এসইউ ৩০ এমকেআই জেট। তাওয়াংয়ের ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা।

    এই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে ভারত ও চিনা সেনা। ২০২০ সালের ১৫ জুন গালওয়ানেও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল চিনা সেনা ও ভারতীয় বাহিনী। ওই সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনার মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের অক্টোবর মাসেও ওই একই এলাকায় ঢুকে পড়েছিল প্রচুর চিনা সেনা। সেই সময়ও দু পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Agni 5: অগ্নি-৫ এর পাল্লা বাড়িয়ে করা যেতে পারে ৭ হাজার কিমি!

    Agni 5: অগ্নি-৫ এর পাল্লা বাড়িয়ে করা যেতে পারে ৭ হাজার কিমি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সফল উৎক্ষেপণ হয়েছে অগ্নি-৫ ব্যালিস্টিক মিসাইলের। চিন ও পাকিস্তানের ঘুম উড়িয়ে বৃহস্পতিবার রাতের অন্ধকারে অগ্নি-৫-এর (Agni 5) পরীক্ষামূলক সফল উৎক্ষেপণ করেছে ভারত। এর ফলে ভারতীয় সেনার মুকুটে জুড়েছে আরও একটি পালক। ৫০০০ কিমি দূরে লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানতে পারে এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এই ক্ষেপণাস্ত্র পারমাণবিক অস্ত্র বহনেও সক্ষম। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সূত্র মারফত এমনটাই জানা গিয়েছে। এই সফল উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ভারত চিন ও পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিতে চাইছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।

    অগ্নি-৫ এর পাল্লা…

    এখন অগ্নি-৫ এর পাল্লা ৫ হাজার কিমি। জানা গিয়েছে, ভারত এর পাল্লা বাড়িয়ে ৭ হাজার কিমি করছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রকের এক সূত্র মারফত এ খবর জানা গিয়েছে। কেবল তাই নয়, অগ্নি-৫-এর ভারও লাঘব করা হচ্ছে। স্টিলের বদলে কাজে লাগানো হবে কম্পিজিট মেটিরিয়ালস। ফলে গতিবেগ হবে আরও বেশি।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর, অগ্নি-৫ (Agni 5) এর ওজন ২০ শতাংশ কমানো যেতে পারে। শুধু তাই নয়, সরকার চাইলে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়িয়ে ৭ হাজার কিমিও করা যেতে পারে। অগ্নি-৩-এর উদাহরণ দিয়ে ওই সূত্র জানিয়েছে, অগ্নি-৩ মিসাইলের ওজন ৪০ টনের কাছাকাছি। এটি আঘাত হানতে পারে ৩ হাজার কিমি দূরের কোনও লক্ষ্যবস্তুতে। কিন্তু অগ্নি-৪-এর ওজন ২০ টনের সামান্য বেশি। তাই এর পাল্লাও অগ্নি-৩-এর চেয়ে অনেক বেশি।

    আরও পড়ুন: ‘অগ্নি’ পরীক্ষার আগেই ভারত মহাসাগরে হাজির চিনের সেই ‘গুপ্তচর’ জাহাজ, কেন জানেন?

    বৃহস্পতিবার অগ্নি-৫-এর (Agni 5) সফল উৎক্ষেপণ করেছে ভারত। এই অগ্নি-৫ পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম। এর পাল্লা ৫ হাজার ৪০০ কিমি। যে সমস্ত সরঞ্জাম এতে ব্যবহার করা হয়েছে, তা অগ্নির আগের ভার্সানগুলোর তুলনায় বেশ কম। প্রসঙ্গত, গত বছর অক্টোবরে সারফেস-টু-সারফেস মিসাইল অগ্নি-৫-এর সফল উৎক্ষেপণ করেছে ওড়িশার এপিজে আবদুল কালাম দ্বীপ থেকে। ২০১৮ সালের জুন মাসে ভারত প্রথম অগ্নি-৫-এর সফল উৎক্ষেপণ করে। সেবারও উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল আবদুল কালাম দ্বীপ থেকে। উৎক্ষেপণ সফল হওয়ায় অগ্নির পাল্লায় চলে এল ভারতের দুই প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান ও চিন। স্বাভাবিকভাবেই বেশ খানিকটা চাপে পড়ে গেল ইসলামাবাদ ও বেজিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Tawang: তাওয়াংয়ে লাল ফৌজকে দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করেছে ভারত, জানালেন পূর্বাঞ্চলীয় সেনাপ্রধান

    Tawang: তাওয়াংয়ে লাল ফৌজকে দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করেছে ভারত, জানালেন পূর্বাঞ্চলীয় সেনাপ্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াংয়ে (Tawang) প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেছিল চিনা (China) সেনা পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA)। তাদের দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করেছে ভারতীয় সেনা। শুক্রবার এ কথা জানালেন সেনার ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাণাপ্রতাপ কলিতা। তিনি এও জানান, বুমলায় দুই দেশের প্রতিনিধিরা ফ্ল্যাগ মিটিংও করেছে। তার পরেই সমস্যার সমাধান হয়েছে।

    নেপথ্য কাহিনি…

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে ভারতীয় সেনা রুটিনমাফিক টহল দিচ্ছিল। টহলদারির সময়ে চিনা সেনার অন্তত ৩০০ জনের একটি দল প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা পার করার চেষ্টা করে। ভারতীয় ভূখণ্ডে পা রাখারও চেষ্টা করে চিনা সেনারা। তারা ভারতীয় সেনার টহলদারির কাজে বাধা দেয়। এলাকা দখল নিয়ে বাদানুবাদ শুরু করে লাল ফৌজ। যদিও পাল্টা প্রস্তুত ছিল ভারতীয় সেনাও। চিনের সমস্ত ছক ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। আর তা করতেই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে ভারত ও চিনের বাহিনী। শুধু তাই নয়, ধাক্কা দিয়ে সীমান্ত থেকে লাল ফৌজকে ভারতীয় সেনার জওয়ানরা বার করে দেয়। তার আগে বেশ কিছুক্ষণ ধরে ভারত এবং চিনের বাহিনীর মধ্যে হাতাহাতি হয়। জানা গিয়েছে, ভারতীয় জওয়ানদের আঘাত খুব একটা গুরুতর নয়। তাঁদের হাতে, পায়ে এবং পিঠে আঘাত লেগেছে। ঘুষির কারণেও মুখে আঘাত লেগেছে। সেনা সূত্রে খবর, ভারতীয় সেনার চেয়ে ঢের বেশি আঘাত পেয়েছে চিনের জওয়ানরা।

    আরও পড়ুন: ‘‘আপনার মন্ত্রীকে প্রশ্ন করুন সন্ত্রাস কবে বন্ধ হবে?’’, পাক সাংবাদিককে জবাব জয়শঙ্করের

    এদিন ফোর্ট উইলিয়ামে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের ফাঁকে পূর্বাঞ্চলীয় জিওসি-ইন-সি কলিতা বলেন, আপনারা জানেন, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর আটটি অমীমাংসিত এলাকা রয়েছে। টহলদারির সময় এরকম একটি জায়গা দিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করে চিনা সেনা। তাদের দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়েছিলেন, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং (Tawang) সেক্টরে ঢোকার চেষ্টা করেছিল পিপলস লিবারেশন আর্মি। তারা স্থিতাবস্থা নষ্ট করার চেষ্টা করছিল। রাজনাথ সিং জানান, ভারতীয় সেনাদের তৎপরতায় দ্রুত তাদের ফেরত পাঠানো গিয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের ভূখণ্ড অটুট রাখতে আমাদের সেনারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এরকম কোনও চেষ্টা হলে, যে কোনও মূল্যে তা প্রতিরোধ করার চেষ্টাও করবে তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Tawang: ভারতীয় জওয়ানদের তাড়া খেয়ে স্লিপিং ব্যাগ ফেলেই পালিয়েছিল চিনা সেনারা!

    Tawang: ভারতীয় জওয়ানদের তাড়া খেয়ে স্লিপিং ব্যাগ ফেলেই পালিয়েছিল চিনা সেনারা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিসেম্বরের ৯ তারিখে অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াংয়ে (Tawang) সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল ভারত (India) ও চিনা (China) সেনা। চিনা সেনাদের (Chinese Soldiers) তাদের পোস্টে ফেরত পাঠান ভারতীয় সেনা জওয়ানরা। তার পরেই তাওয়াং সেক্টেরের ওই এলাকায় যান ভারতীয় সেনারা। উদ্ধার হয় স্লিপিং ব্যাগ (Sleeping Bags) এবং অন্যান্য সরঞ্জাম। জানা গিয়েছে, চিনা সেনারাই ওই স্লিপিং ব্যাগগুলি ব্যবহার করত। ভারতীয় জওয়ানদের কাছে তাড়া খেয়ে পালানোর সময় স্লিপিং ব্যাগগুলি সঙ্গে করে নিয়ে যেতে পারেনি তারা। সেই স্লিপিং ব্যাগগুলিই উদ্ধার করেছে ভারতীয় সেনা।

    তাওয়াং…

    অবস্থানগত কারণের জন্য তাওয়াংয়ের ওপর শ্যেন দৃষ্টি চিনের। সেই কারণেই বারে বারে তারা হামলা চালায় ওই এলাকায়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, ৯ ডিসেম্বর, ২০২২-এ শ’ তিনেক পিএলএ সৈন্য সীমান্তে স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করে। ভারতীয় সেনাবাহিনী দৃঢ়তার সঙ্গে তার মোকাবিলা করে। দু পক্ষের মধ্যে হাতাহাতিও হয়। ভারতের জওয়ানরা চিনা সেনাদের বাধা দেয় এবং তাদের পোস্টে ফেরত পাঠায়। এই ঘটনায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর কোনও জওয়ান নিহত বা আহত হননি। এই ঘটনার পর স্থানীয় কমান্ডার ১১ ডিসেম্বর চিনের সেনা কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং ঘটনাটি নিয়ে আলোচনাও করেন। চিনকে সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে বলা হয়েছে ভারতের তরফে।

    আরও পড়ুন: “এটা ১৯৬২ সাল নয়…যোগ্য জবাব দেবে বীর জওয়ানরা”, চিনকে কড়া বার্তা অরুণাচল মুখ্যমন্ত্রীর

    চিন ও ভারতীয় সেনার এই সংঘর্ষে দু পক্ষেরই বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষে ভারতের ছ জন সৈন্য জখম হয়েছেন। যদিও সংসদে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং জানান, ভারতের দিকে কোনও সৈন্যের জখম হওয়ার খবর নেই। সংঘর্ষের পর এলাকা ছেড়ে পালায় চিনা সেনা। তার পরেই উদ্ধার হয় স্লিপিং ব্যাগ এবং অন্যান্য সরঞ্জাম। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১৫ জুন গালওয়ানেও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল চিনা সেনা ও ভারতীয় বাহিনী। ওই সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনার মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের অক্টোবর মাসেও ওই একই এলাকায় ঢুকে পড়েছিল প্রচুর চিনা সেনা। সেই সময়ও দু পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share