Tag: China

China

  • China US Conflict: ন্যান্সির তাইওয়ান সফরের জের, আমেরিকার সঙ্গে কথা বন্ধ চিনের

    China US Conflict: ন্যান্সির তাইওয়ান সফরের জের, আমেরিকার সঙ্গে কথা বন্ধ চিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাইওয়ান (Taiwan) সফর করেছেন মার্কিন কংগ্রেসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি (Nancy Pelosi)। তার পরেই চিনের (China) সঙ্গে আমেরিকার (America) সম্পর্ক দাঁড়িয়েছে আক্ষরিক অর্থেই তলানিতে। ঘটনার জেরে তাইওয়ানের গা ঘেঁষে সামরিক মহড়া (Military Drill ) চালায় চিন। এবার আমেরিকার সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, মাদক বিরোধী প্রচেষ্টা, সামরিক আলোচনা সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা স্থগিত করার কথা ঘোষণা করল চিন। পেলোসির তাইওয়ান সফর আমেরিকা ও চিন দু দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ওপরও প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা আন্তর্জাতিক মহলের।   

    মঙ্গলবার রাতে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দলের সদস্যরা আসেন এশিয়া সফরে। সেই সূত্রেই তাঁরা আসেন তাইওয়ানে। ন্যান্সির সফরসূচিতে তাইওয়ানের নাম ছিল না। তবে তিনি যে তাইওয়ান যেতে পারেন, তা একপ্রকার ঠিকই ছিল। তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা হয় চিনা প্রেসিডেন্টের। তখনই জিন পিং তাঁকে এই বলে সতর্ক করে দেন যে, যাঁরা আগুন নিয়ে খেলবেন, তাঁরা ধ্বংস হয়ে যাবেন। চুপ করে থাকেননি বাইডেনও। তিনিও জানিয়ে দেন, তাইওয়ান নিয়ে আমেরিকার নীতিতে কোনও পরিবর্তন হয়নি।

    তাইওয়ান সফর সেরে ন্যান্সি যান জাপানে। তার আগেই সামরিক মহড়া শুরু করে দেয় চিন। তাইওয়ান প্রণালী বন্ধ করে সামরির মহড়া চালাতে শুরু করেছে শি জিন পিংয়ের সরকার। চিনের সাবমেরিন তাইওয়ানের জলসীমায় প্রবেশ করেছে বলে জানানো হয়েছে তাইওয়ানের তরফে। চিনের শতাধিক যুদ্ধ বিমান তাইওয়ানের আকাশসীমায় সামরিক মহড়া চালায়। জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, সামরিক মহড়ায় চিন মোট নটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে। এর মধ্যে চারটি গিয়েছে তাইওয়ানের ওপর দিয়ে। চিন চারদিনের সামরিক মহড়ার কথা ঘোষণা করেছে। এই মহড়াগুলি চলবে তাইওয়ানের নির্দিষ্ট ছটি জোনে। পেলোসির তাইপেই সফরের প্রতিক্রিয়ায় এই মহড়া বলেই জানিয়ে শি জিন পিংয়ের দেশ। চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবার দুপুর পর্যন্ত এই সামরিক মহড়া চলবে। প্রসঙ্গত, চিনের দাবি, তাইওয়ান তাদের। যদিও তাইপেই মনে করে তাইওয়ান স্বাধীন রাষ্ট্র। তাইওয়ানকে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্বের মাত্র ১৩টি দেশ।

    আরও পড়ুন : তাইওয়ানে পা রাখলেন ন্যান্সি, সমরসজ্জা শুরু চিন আমেরিকার?

     

  • India-US-China:  চড়ছে উত্তেজনার পারদ! চিন সীমান্তে ভারত আমেরিকা সেনা মহড়া

    India-US-China: চড়ছে উত্তেজনার পারদ! চিন সীমান্তে ভারত আমেরিকা সেনা মহড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন সীমান্তের কাছে উত্তরাখণ্ডের আউলিতে যৌথ সামরিক মহড়ার আয়োজন করেছে ভারত ও আমেরিকা। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে ভারতের এই পার্বত্য অঞ্চলে ১৮ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সামরিক মহড়া চলবে বলে জানা গিয়েছে। লাদাখ ও অরুণাচলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে চিনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয়। দুই বছর আউলিতে ইন্দো-চিন সীমান্তে ভারত সেনা মোতায়েন করছে। সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর ঘিরে চিন ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে, ভারতের সঙ্গে গত দুই বছর ধরে চাপা উত্তেজনা চলছে চিনের। এই পরিস্থিতিতে উত্তরাখণ্ডে চিন সীমান্তের কাছে ভারত ও আমেরিকার যৌথ মহড়া যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।

    আরও পড়ুন: অভিবাদন প্রিয়তমা! যুদ্ধ ভুলে ভারতে হিন্দু রীতিতে বিয়ে ইউক্রেনীয়-রুশ যুগলের

    নয়াদিল্লির তরফে জানানো হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে সামরিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে এই যৌথ সামরিক মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে। বেশ কয়েক মাস আগেই এই যৌথ সামরিক মহড়ার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মূলত এই সামরিক মহড়ায় সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান চালানোর কৌশল রপ্ত করা হবে। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করতে ভারত ও আমেরিকার এটি ১৮ তম যৌথ সামরিক মহড়া। এর আগে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারাতে ভারত ও আমেরিকার একসঙ্গে সামরিক মহড়ায় অংশ নিয়েছিল। সূত্রের খবর, এবারে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের যৌথ সামরিক মহড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এত উচ্চতায় আগে আমেরিকার সঙ্গে ভারত সামরিক মহড়ায় অংশ নেয়নি। এই মহড়ার ফলে উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে যুদ্ধের কৌশল দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে আদানপ্রদান  করা যাবে। পাশাপাশি দুই দেশের সেনা এখানে বেশ কিছু নতুন প্রযুক্তির সামরিক কৌশল রপ্ত করবে।

    আরও পড়ুন: ফের রেপোরেট বাড়াল রিজার্ভ ব্যাংক, কত হল জানেন?

    মার্কিন কংগ্রেসের হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে চিন-আমেরিকার চাপা উত্তেজনা সকলের সামনে এসেছে। গত দুই বছর ধরে এলএসি-তে ভারত ও চিনের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের সেনারা নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ফলে ভারতের ২০ জন সেনা শহিদ হন। এরপর থেকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে পড়ে। দুই দেশের কূটনৈতিক ও সামরিক স্তরে একাধিক বৈঠক হয়। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও ফলপ্রসূ সমাধান পাওয়া যায়নি।

  • China Taiwan Conflict: তাইওয়ানের চারপাশে ১১টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল চিন, কেন জানেন?    

    China Taiwan Conflict: তাইওয়ানের চারপাশে ১১টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল চিন, কেন জানেন?    

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাইওয়ানে (Taiwan) মার্কিন কংগ্রেসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির (Naccy Pelosi) সফর ঘিরে ক্রমেই অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠছে পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার তাইওয়ানের চারপাশে অন্ততঃপক্ষে ১১টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে চিন (China)। চিনা ফৌজ পিপলস অফ লিবারেশন আর্মির (PLA) তরফে জানানো হয়েছে, সবকটি তাদের লক্ষ্যে আঘাত হেনেছে। জাপানও জানিয়েছে, পাঁচটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে তাদের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনে (EEZ)। ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত জাপান উপকূলীয় অঞ্চলের অন্তর্গত এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্রগুলি আছড়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রক।

    আরও পড়ুন : তাইওয়ানে পা রাখলেন ন্যান্সি, সমরসজ্জা শুরু চিন আমেরিকার?

    মঙ্গলবার রাতে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির (Nancy Pelosi) নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দলের সদস্যরা পা রাখেন তাইওয়ানে। ন্যান্সির সফরসূচিতে তাইওয়ানের নাম ছিল না। তবে তিনি যে তাইওয়ান যেতে পারেন, তা একপ্রকার নিশ্চিতই ছিল। তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা হয় চিনা প্রেসিডেন্টের। তখনই জিন পিং তাঁকে এই বলে সতর্ক করে দেন যে, যাঁরা আগুন নিয়ে খেলবেন, তাঁরা ধ্বংস হয়ে যাবেন। চুপ করে থাকেননি বাইডেনও। তিনিও জানিয়ে দেন, তাইওয়ান নিয়ে আমেরিকার নীতিতে কোনও পরিবর্তন হয়নি। তাইওয়ান সফর সেরে ন্যান্সি গিয়েছেন জাপানে। তার পরে পরেই তাইওয়ানের আকাশসীমায় ২৭টি যুদ্ধ বিমান পাঠিয়েছে চিন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তাইওয়ানের উত্তর, পূর্ব এবং দক্ষিণে সব মিলিয়ে তারা ১১টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে বলে জানিয়েছে চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। 

    আরও পড়ুন : চিনা হুমকি, তাইওয়ানে মহড়া শুরু যুদ্ধের

    স্বায়ত্তশাসিত তাইওয়ানের ওপর বেশ কয়েক দশক ধরেই নজর চিনের। তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বলেই মনে করে তারা। প্রয়োজনে জোরপূর্বক তাইওয়ানের দখল নিতেও তারা প্রস্তুত বলে আগে একাধিকবার জানিয়েছে চিন। এরই পাল্টা হিসেবে তাইওয়ানের পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা। পঁচিশ বছর পরে মঙ্গলবার তাইওয়ান সফরে আসেন কোনও পদস্থ মার্কিন কর্তা। তার পর থেকেই তাইওয়ানের বিরুদ্ধে সামরিক সক্রিয়তা বাড়িয়েছে চিন।

    এদিকে, জাপানের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনে ক্ষেপণাস্ত্র হানার প্রভাব পড়েছে জাপান এবং চিনের কূটনৈতিক সম্পর্কে। বাতিল করে দেওয়া হয়েছে আগে থেকে স্থির করা দু দেশের বিদেশ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক।

     

  • China Taiwan Conflict: তাইওয়ানকে শাস্তি দিতেই কি হুঁশিয়ারি চিনের?  

    China Taiwan Conflict: তাইওয়ানকে শাস্তি দিতেই কি হুঁশিয়ারি চিনের?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার তাইওয়ানকে (Taiwan) উচিত শিক্ষা দিতে পারে চিন (China)। মঙ্গলবার রাতে তাইওয়ানে পা রাখেন মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভসের স্পিকার ন্যান্সি পোলেসির (Nancy Pelosi) নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। তার পরেই কুড়িটিওর বেশি যুদ্ধ বিমান (Fighter Jet) উড়ে যায় তাইওয়ান (Taiwan) এয়ার ডিফেন্স জোনের দিকে।

    মার্কিন সরকারের তরফে ন্যান্সির যে সফরসূচি প্রকাশ করা হয়, তাতে তাইওয়ানের নাম ছিল না। তবে তিনি যে তাইওয়ান যেতে পারেন, তা একপ্রকার নিশ্চিতই ছিল। তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনে কথা হয় চিনা প্রেসিডেন্টের। তখনই জিন পিং তাঁকে কার্যত হুঁশিয়ারি দেন এই বলে যে, যাঁরা আগুন নিয়ে খেলবেন, তাঁরা ধ্বংস হয়ে যাবেন। পাল্টা বাইডেনও জানিয়ে দেন, তাইওয়ান নিয়ে আমেরিকার নীতিতে কোনও পরিবর্তন হয়নি। এহেন আবহে তাওয়ানে পা রাখেন ন্যান্সি। তার পরেই উড়ে যায় চিনা যুদ্ধ বিমান।

    এদিকে, পেলোসির সফরের তীব্র বিরোধিতা করেছে শি জিনপিংয়ের সরকার। বেজিংয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে চিনের বিদেশ দফতর। তাদের সতর্ক করে জানিয়েছে, এজন্য মূল্য চোকাতে হবে ওয়াশিংটনকে। তাইওয়ানকে ব্যবহার করে চিনের সার্বভৌমত্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আঘাত করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ বেজিংয়ের। চিনের বিদেশ মন্ত্রক বেজিংয়ের মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পেলোসির তাইওয়ান সফর আমেরিকা ও চিনের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে। কারণ তাইওয়ান চিনকে তাদের ভূখণ্ড বলে মনে করে।

    আরও পড়ুন : তাইওয়ানে পা রাখলেন ন্যান্সি, সমরসজ্জা শুরু চিন আমেরিকার?

    এদিকে, চিনের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা তাইওয়ানকে হুঁশিয়ারি দিতেই। অন্যদিকে, ইতিমধ্যেই বিকল্প আকাশপথের সন্ধানে ইতিমধ্যেই তাইওয়ান জাপান এবং ফিলিপিন্সের কথা বলতে শুরু করেছে। চিনের তরফে তাইওয়ান থেকে ফল এবং মৎস্যজাত খাদ্যসামগ্রী আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে। কূটনৈতিক ব্যবস্থা নেওয়ার শপথও নিয়েছে ড্রাগনের দেশ।

    প্রসঙ্গত, গত ২৫ বছরে এই প্রথম আমেরিকার কোনও পদস্থ আধিকারিক পা রাখলেন তাইওয়ানে। পেলোসি বলেন, তারা অযথা হইচই করছে, এর কারণ সম্ভবত আমি স্পিকার। আমি জানি না এটি কারণ না অজুহাত। যখন আমাদের দেশ থেকে কোনও পুরুষ প্রতিনিধি আসেন তখন তাঁরা কিছুই বলেন না।

    আরও পড়ুন : চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরে তৃতীয় দেশের অন্তর্ভুক্তি! কড়া সমালোচনা ভারতের

  • S-400 at China Border: এলএসি-তে উড়ছে চিনা যুদ্ধবিমান! জবাবে দ্বিতীয় এস-৪০০ স্কোয়াড্রন মোতায়েন ভারতের

    S-400 at China Border: এলএসি-তে উড়ছে চিনা যুদ্ধবিমান! জবাবে দ্বিতীয় এস-৪০০ স্কোয়াড্রন মোতায়েন ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী দু-তিন মাসের মধ্যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার (LAC) কাছে চিন সীমান্ত বরাবর এস-৪০০ (S-400) ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেমের দ্বিতীয় স্কোয়াড্রন বসাতে চলেছে ভারত (India)। এই বিশাল ক্ষমতাসম্পন্ন মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম লাদাখ (Ladakh) সেক্টরে ভারতীয় সেনাকে (Indian Army) আলাদা মনোবল জোগাবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। 

    ভারত-চিন সীমান্তে (India China Border) মাঝেমধ্যেই নো-ফ্লাই জোনে যুদ্ধবিমান এবং ড্রোন উড়িয়ে ভারতকে চাপে রাখার চেষ্টা করে চলেছে চিন, এই মিশাইল বসানো হলে তার যোগ্য জবাব দেওয়া যাবে বলে ধারণা প্রতিরক্ষামন্ত্রকের। চিনের বাড়বাড়ন্তও অনেকটা রোখা যাবে বলে অনুমান। ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের (Russia-Ukraine War) পর থেকে রুশ অস্ত্র কেনার ব্যাপারে আমেরিকা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কিন্তু চিনকে আটকাতে এই মিসাইল সিস্টেমটি কেনার ব্যাপারে ভারতকে আলাদা করে ছাড়পত্র দেয় আমেরিকা। মার্কিন ক্যাটসা আইন (CAATSA) অনুসারে, যদি কোনও দেশ রাশিয়া থেকে নিরাপত্তা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র কেনে, তাহলে সেই দেশের উপরে নিষেধাজ্ঞা চাপানো হবে। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে চিনের আগ্রাসন ঠেকাতে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে ভারতকে (India)। সেই কথা মাথায় রেখেই আমেরিকার সংসদে আইন সংশোধন করে ভারতকে এই বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: চিন সীমান্তে রাস্তা নির্মাণে গত পাঁচ বছরে ব্যয় প্রায় সাড়ে ১৫ হাজার কোটি টাকা

    শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান ও লম্বা পাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যুদ্ধ চালাতে  ‘এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ’ (S-400 Triumf) -এর বিকল্প নেই। চিনের সঙ্গে সীমান্তে প্রতিনিয়ত সমস্যা লেগে রয়েছে এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) এই ক্ষেপণাস্ত্র হাতে পাচ্ছে। এর ফলে কিছুটা হলেও সুবিধা পাবে ভারত। লাদাখ (Ladakh) ও অরুণাচলকে (Arunachal Pradesh) নিশানায় রেখে আগেভাগেই চিন অধিকৃত তিব্বতে দুটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রন মোতায়েন করেছে বেজিং। এ বার ভারতের পালা। রাশিয়া থেকে পাঁচটি স্কোয়াড্রন ভারতে আসছে। খরচ পড়ছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। ৪০০ কিলোমিটার দূর থেকেও বিমান বা ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংস করতে সক্ষম এস- ৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা। 

  • Sco Summit: এসসিও-র সম্মেলনে মুখোমুখি হবেন মোদি-শি জিনপিং, আলোচনা হবে সীমান্ত নিয়ে?

    Sco Summit: এসসিও-র সম্মেলনে মুখোমুখি হবেন মোদি-শি জিনপিং, আলোচনা হবে সীমান্ত নিয়ে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী সেপ্টেম্বর মাসে উজবেকিস্তানের সমরখন্দে অনুষ্ঠিত হবে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের, সংক্ষেপে এসসিও-র (SCO) বার্ষিক সম্মেলন। এই সম্মেলনে মুখোমুখি হবেন ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও চিনের (China) প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping)। সম্মেলনের ফাঁকে দুই দেশের রাষ্ট্রনেতা আলাদা করে কোনও বৈঠক করেন কি না, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।

    চিন, পাকিস্তান, রাশিয়া, ভারত, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান এবং কাজাখস্তান এই আটটি দেশ সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের পূর্ণ সদস্য। চলতি বছরের প্রথম দিনে তিন বছরের মেয়াদে এই আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর নয়া সেক্রেটারি নির্বাচিত হয়েছেন ঝাং মিং। তিনি জানান, সংগঠনের সম্ভাবনা ও কর্তৃত্ব বৃদ্ধির পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি  স্থিতিশীলতা সুনিশ্চিত করা, দারিদ্র হ্রাস এবং খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা।

    আরও পড়ুন : তাসখন্দে মুখোমুখি জয়শঙ্কর-ওয়াং ই! চলতি মাসের শেষে ফের বৈঠক চিন ও ভারতের

    এদিকে, শুক্রবারই তিন দিনের পাকিস্তান সফরে আসছেন সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের সেক্রেটারি জেনারেল ঝাং মিং। সমরখন্দে এসসিও-র বার্ষিক সম্মেলনে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে আমন্ত্রণ জানাবেন তিনি। চলত বছরের ১৫ ও ১৬ সেপ্টম্বর বার্ষিক এই সম্মেলন হওয়ার কথা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এই সম্মেলনে যোগ দেবেন। সেখানেই মুখোমুখি হবেন মোদি এবং জিনপিং। ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর ব্রাসিলিয়ায় হয় একাদশতম ব্রিকস সম্মেলন। সেখানেই মুখোমুখি হয়েছিলেন এই দুই রাষ্ট্রপ্রধান।

    চলতি মাসের ১৭ জুলাই ভারত ও চিন এই দুই দেশের সেনার কমান্ডারস্তরের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। সেনা পর্যায়ের ওই বৈঠকগুলির পরেও পূর্ব লাদাখ সীমান্তে দুই দেশের বিবাদ সম্পূর্ণ মেটেনি। স্থায়ী সমাধান খোঁজার লক্ষ্যেই দীর্ঘ বিরতির পর ফের মুখোমুখি হয়েছিল প্রতিবেশী এই দুই দেশ। ২০২০ সালের মে মাসে দুই দেশের বিবাদ শুরু হওয়ার পর থেকে শান্তি বজায় রাখার উদ্দেশ্যে নয়াদিল্লি-বেজিং বৈঠক হয়েছে একাধিকবার। তার পরেও সমস্যা মেটেনি। তাই হয় ১৬তম বৈঠকটি। 

    আরও পড়ুন : শিলিগুড়ি করিডরের কাছে চিন! ডোকলাম সীমান্তে গ্রাম বানাচ্ছে বেজিং

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে গলওয়ানে ভারত এবং চিন সেনার সংঘর্ষের পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্ক গিয়ে ঠেকেছে তলানিতে। তার পর থেকে উত্তেজনা কমাতে চলছে দুই দেশের সেনা পর্যায়ের বৈঠক। তবে এসসিওতে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের দেখা হওয়ার কথা। এদিকে, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর আগামী সপ্তাহে যাচ্ছেন সমরখন্দে। ২৯ তারিখ সেখানে রয়েছে বিদেশ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক।

    এসসিও সম্মেলনে ভারত ও চিন দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান মুখোমুখি হবেন বলেই সূত্রের খবর। কারণ জিনপিং অল পাওয়ারফুল সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের চেয়ারম্যান। সেখানে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সমস্যা নিয়ে তাঁদের মধ্যে কী আলোচনা হয়, সেটাই দেখার।

     

  • Indo china Border Talk: ভারত-চিনের দ্বিপাক্ষিক আলাপ আলোচনা চলবে, বিবৃতি দিয়ে জানাল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক 

    Indo china Border Talk: ভারত-চিনের দ্বিপাক্ষিক আলাপ আলোচনা চলবে, বিবৃতি দিয়ে জানাল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত (India) চিনের (China) দ্বিপাক্ষিক আলাপ আলোচনা চলবে। মিলিটারি এবং কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চলবে বলেও জানানো হয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের (Defence Ministry) তরফে। রবিবারই হয়েছে ভারত ও চিনের কোর কমান্ডার স্তরের ১৬তম বৈঠক। বৈঠক হয়েছে চুশুল (Chushul) সীমান্তে। পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সংঘাত এড়াতেই হয়েছে আলোচনা।

    ১৭ জুলাইয়ের এই বৈঠকের আগে আরও ১৫ বার বৈঠকে বসেছে দুই দেশের সেনা। সেনা পর্যায়ের ওই বৈঠকগুলির পরেও পূর্ব লাদাখ সীমান্তে দুই দেশের বিবাদ সম্পূর্ণ মেটেনি। এবার স্থায়ী সমাধান খোঁজার লক্ষ্যেই দীর্ঘ বিরতির পর ফের মুখোমুখি হয়েছিল প্রতিবেশী এই দুই দেশ। ২০২০ সালের মে মাসে দুই দেশের বিবাদ শুরু হওয়ার পর থেকে শান্তি বজায় রাখার উদ্দেশ্যে নয়াদিল্লি-বেজিং বৈঠক হয়েছে একাধিকবার। তার পরেও সমস্যা মেটেনি। তাই হল ১৬তম বৈঠকটি। ২০২০ সালে গলওয়ানে ভারত এবং চিন সেনার সংঘর্ষের পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্ক গিয়ে ঠেকেছে তলানিতে। এর পর থেকেই দুই দেশের সীমান্ত বরাবর প্রচুর সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সম্প্রতি চিনা সামরিক বাহিনীর একটি যুদ্ধ বিমান ভারতীয় আকাশ সীমার খুব কাছে চলে এসেছিল। এরপরই এদিন ফের হল দুই দেশের এই সেনা কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক।

    আরও পড়ুন : মোদি-দলাই শুভেচ্ছা বিনিময়, ক্ষুব্ধ চিন, জবাব দিল ভারত

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ওয়েস্টার্ন সেক্টরে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সমস্যার সমাধান করতেই চলতি বছরের ১১ মার্চ দুই দেশের বৈঠক হয়েছিল। সেই আলোচনাও হয়েছিল ইতিবাচক। এবারও আলোচনা হয়েছে খোলামেলা পরিবেশে। দুই দেশই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর শান্তি বজায় রাখতে দ্বিপাক্ষিক আলাপ আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। ওয়েস্টার্ন সেক্টরে দু দেশই নিরাপত্তা বজায় রাখার ব্যাপারেও ঐক্যমত্যে পৌঁছেছে। বকেয়া সমস্যা সমাধানেও জারি থাকবে আলোচনা। সমস্যা সমাধানে দু দেশই দ্রুত গ্রহণযোগ্য প্রস্তাবও আনবে বাকি থাকা ইস্যুগুলি নিয়েও।

    আরও পড়ুন : সীমান্ত সমস্যা মেটাতে ১৬তম বৈঠকে ভারত, চিনের কমান্ডাররা

  • India China Talks:  সীমান্ত সমস্যা মেটাতে ১৬তম বৈঠকে ভারত, চিনের কমান্ডাররা

    India China Talks: সীমান্ত সমস্যা মেটাতে ১৬তম বৈঠকে ভারত, চিনের কমান্ডাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার হল ভারত (India) চিন (China) কমান্ডার স্তরের (Commander Level) ১৬তম বৈঠক। বৈঠক হয়েছে চুশুল (Chushul) সীমান্তে। সূত্রের খবর, পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সংঘাত এড়াতেই চলছে আলোচনা। ভারতের তরফে বৈঠকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ‘ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি’ কোর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ সেনগুপ্ত। প্রসঙ্গত, চলতি বছরেরই ১১ মার্চ ভারত-চিন কোর কমান্ডার স্তরের ১৫তম বৈঠকটি হয়েছিল।

    ১৭ জুলাইয়ের এই বৈঠকের আগে আরও ১৫ বার বৈঠকে বসেছে দুই দেশের সেনারা। সেনা পর্যায়ের ওই বৈঠকগুলির পরেও পূর্ব লাদাখ সীমান্তে দুই দেশের বিবাদ সম্পূর্ণ মেটেনি। এবার স্থায়ী সমাধান খোঁজার লক্ষ্যেই দীর্ঘ বিরতির পর এদিন ফের মুখোমুখি হয়েছে প্রতিবেশী এই দুই দেশ। ২০২০ সালের মে মাসে দুই দেশের বিবাদ শুরু হওয়ার পর থেকে শান্তি বজায় রাখার উদ্দেশ্যে নয়াদিল্লি ও বেজিংয়ের বৈঠক হয়েছে একাধিকবার। তার পরেও সমস্যা মেটেনি পুরোপুরি। এই আবহেই এদিন হয়েছে ফের বৈঠক। সূত্রের খবর, বৈঠকে দুই দেশই সীমান্ত এলাকায় দেশের অভ্যন্তরে স্থায়ী নিরাপত্তা বজায় রাখার ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। সমস্যা এড়াতে সেনার পাশাপাশি কূটনৈতিক স্তরেও চলবে আলাপ আলোচনা।   

    আরও পড়ুন : মোদি-দলাই শুভেচ্ছা বিনিময়, ক্ষুব্ধ চিন, জবাব দিল ভারত  

    ২০২০ সালে গালওয়ানে ভারত এবং চিন সেনার সংঘর্ষের পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। এর পর থেকেই দুই দেশের সীমান্ত বরাবর প্রচুর সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সম্প্রতি চিনা সামরিক বাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান ভারতীয় আকাশসীমার খুব কাছে চলে এসেছিল। এরপরই দুই দেশের এই সেনা কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন ভূরাজনৈতিক মহল। তামাম বিশ্বে ভূরাজনৈতিক চিত্র বদলে যাওয়ায় ভারতের পাশে দাঁড়াতে চিন যে আগ্রহী, সাম্প্রতিক অতীতে একাধিকবার তার ইঙ্গিত দিয়েছে বেজিং। ভারত যখন গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে, তখনও ভারতের সিদ্ধান্ত সমর্থন করেছিল ড্রাগনের দেশ। এই আবহে দুই দেশের সেনা পর্যায়ের বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    আরও পড়ুন : বন্দরের ফাঁদে ফেলেই শ্রীলঙ্কাকে ডোবাল চিন?

     

  • China Rocket Debris: ভারতে আছড়ে পড়তে চলেছে চিনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ! দাবি মার্কিন সংস্থার

    China Rocket Debris: ভারতে আছড়ে পড়তে চলেছে চিনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ! দাবি মার্কিন সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি উৎক্ষেপণ করা চিনের একটি রকেটের ধ্বংসাবশেষ আছড়ে পড়তে চলেছে পৃথিবীর বুকে। এই খবর সামনে আসতেই গত কয়েকদিন ধরেই জল্পনা শুরু হয়েছে। মার্কিন সংস্থা এরোস্পেস কর্প-এর অনুসারে, গত ২৪ জুলাই চিনের বৃহত্তম রকেট Long March 5 চিন থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। আর এই রকেট নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে ও এর কিছু অংশ ৩১ জুলাইয়ের দিকে পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    এরোস্পেস থেকে আশঙ্কা করা হয়েছে ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় রকেটের ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়তে পারে। এরোস্পেস কর্পোরেশনের বিশেষজ্ঞদের মতে, চিনা রকেটের মোট ২৫ টন মহাকাশ-আবর্জনা (Space debris) পৃথিবীতে পড়তে পারে। যদিও এটি যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ঢুকবে তখন রকেটের বাকি অংশও পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার আগেই জ্বলে যাবে, ফলে মাটিতে থাকা লোকজন ও সম্পদের তেমন ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই রকেটের সাহায্যেই তিয়ানগং স্পেস স্টেশন (Tiangong Space Station) নির্মাণের জন্য তিনটি মডিউলের দ্বিতীয়টি উৎক্ষেপণ করেছিল চিন।

    আরও পড়ুন: ২০২৩ সালেই মহাকাশে পাড়ি দেবে ইসরোর ‘গগনযান’, ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    এরোস্পেস কর্পোরোশনের সেন্টার ফর অরবিটাল অ্যান্ড রিএন্ট্রি ডেব্রিজ স্টাডিজ (Centre for Orbital and Reentry Debris Studies) থেকে জানা গিয়েছে যে, তারা রকেটটিকে ট্র্যাক করে আশঙ্কা করেছে যে, রকেটের ধ্বংসাবশেষ বা মহাকাশ-আবর্জনা ৩১ জুলাই ভোর সাড়ে তিনটের সময় পৃথিবীতে এসে পড়তে পারে। 

    তবে এক্ষেত্রে চিন্তার কোনও কারণ নেই, জনবহুল স্থানে এটি ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা একেবারেই কম। এটি অনিয়ন্ত্রিতভাবে প্রবেশ করায় এটির ধ্বংসাবশেষের বেশি অংশ পৃথিবীর মাটিতে না পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরোস্পেস মঙ্গলবার জানিয়েছে, বিশ্বের জনসংখ্যার ৮৮ শতাংশেরও বেশি মানুষ মহাকাশ আবর্জনার সম্ভাব্য ধ্বংসাবশেষের নীচে বাস করে। তবে ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার এই ঘটনা নতুন নয়, এর আগেও অনেকবার এমন হয়েছে। তবে তাতে কোনও কিছু ক্ষতি হয়নি। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের মে মাসে আরেকটি লং মার্চ রকেটের টুকরো ভারত মহাসাগরে পড়েছিল। যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা (NASA)। 

     

     

  • Indian Army: ভারতীয় সেনার নয়া রণকৌশল, চিনকে কুপোকাত করতে মান্দারিন ভাষা শিক্ষা

    Indian Army: ভারতীয় সেনার নয়া রণকৌশল, চিনকে কুপোকাত করতে মান্দারিন ভাষা শিক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অধিকাংশ চিনা (China) নাগরিকের ভাষা মান্দারিন (Mandarin)। তাই সেই ভাষায় দক্ষ হয়ে উঠতে চাইছে ভারতীয় সেনা। সূত্রের দাবি, চিন সীমান্তের অবস্থা মাথায় রেখে ভারতীয় সেনা (Indian Army) অফিসারদের মান্দারিনে দক্ষ করে তোলা হচ্ছে। মোটের উপরে বাহিনীতে মান্দারিন জানা জওয়ান-অফিসারের সংখ্যা বাড়ানোই সেনার লক্ষ্য।     

    ইতিমধ্যেই ভারতীয় সেনার বিভিন্ন স্তরের কমিশনড অফিসাররা ইতিমধ্যেই মান্দারিন ভাষা ভাল রপ্ত করে ফেলেছেন। সেনার নর্দার্ন, ইস্টার্ন এবং সেন্ট্রাল কমান্ডের ভাষা-শিক্ষার স্কুলগুলিতে মান্দারিনের নানা রকম কোর্সের শিক্ষা চলছে। মান্দারিন লেখা পড়তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকি টেরিটোরিয়াল আর্মিতেও মান্দারিন জানা জওয়ান ও অফিসারদের নিয়োগের ক্ষেত্রে সম্প্রতি প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র জোগাড় করে ফেলেছে সেনা।

    আরও পড়ুন: ডিআরডিওর মুকুটে নয়া পালক! অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইলের সফল পরীক্ষা    

    সূত্রের মতে, ভবিষ্যতে দুদেশে মধ্যের সম্পর্কের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত। সেনা বাহিনীর দাবি, দুই দেশের বাহিনীর কোর কমান্ডার পর্যায়ে আলোচনা, ফ্ল্যাগ মিটিং, বর্ডার পার্সোনেল মিটিং বা যৌথ সামরিক মহড়ার ক্ষেত্রে ভাষাটি জানা থাকলে সুবিধা হবে। মতের আদান-প্রদান সহজ হবে। চিনের সেনা বাহিনী যখন তাদের কোনও সিদ্ধান্ত জানাবে, তখন ভারতীয় অফিসারদের পক্ষে তার অর্থ আরও ভাল করে বোঝা সম্ভব হবে। আবার ভারতের অফিসাররাও চিনকে তাঁদের বক্তব্য বুঝিয়ে বলতে পারবেন। সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যত রণকৌশল তৈরি আরও সহজ হবে।  

    আরও পড়ুন: ভয়াবহ ধসে মণিপুরে মৃত ৯ সেনা-সহ ১০ জন, চলছে উদ্ধারকাজ

    সেনা বাহিনীকে মান্দারিনে দক্ষ করে তুলতে ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রীয় রক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়, গুজরাট কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিব নাদার বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতাপত্র সাক্ষর করেছে ভারতীয় সেনা। সূত্রের খবর, মধ্যপ্রদেশের পচমঢ়ীতে সেনার ট্রেনিং স্কুল এবং দিল্লির স্কুল অব ফরেন ল্যাঙ্গোয়েজেস-এ চাকরি বাড়িয়ে তাদেরও এই প্রয়াসে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেনা। সেনারা মান্দারিন ভাষা রপ্ত করতে পারছেন কি না, দিল্লির লাঙ্গমা স্কুল অব ল্যাঙ্গোয়েজেসের মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তা পরীক্ষা করেও দেখা হচ্ছে।    

     

LinkedIn
Share