Tag: China

China

  • Donald Trump: ‘পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করছে চিন-পাকিস্তান’! বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস ট্রাম্পের

    Donald Trump: ‘পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করছে চিন-পাকিস্তান’! বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোপনে পরমাণু যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে পাকিস্তান। তলায় তলায় পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষানিরীক্ষা চালাচ্ছে পাকিস্তান, চিন-সহ চার দেশ। রবিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ-কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে এমনই দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়াও তাদের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করছে। সম্প্রতি, ৩৩ বছরের স্থগিতাদেশের পর আমেরিকার সেনা বাহিনীকে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। এরপরেই তাঁর এই মন্তব্য চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে রাজনৈতিক মহলে।

    কী বললেন ট্রাম্প

    ট্রাম্প বলেন, “আমরা পরীক্ষা করছি, কারণ বাকিরাও পরীক্ষা করছে।” একই সঙ্গে ট্রাম্পের সংযোজন, “হঠাৎই উত্তর কোরিয়া পরীক্ষা করছে। পাকিস্তান পরীক্ষা করছে। তারা কিন্তু আপনাকে গিয়ে এই খবর দেয়নি। তারা গোপনে এই পরীক্ষা করছে, যাতে মানুষ জানতেও না পারে কী হচ্ছে।” তার পরেই ট্রাম্প দাবি করেন, রাশিয়া এবং চিনও একই ভাবে তাদের পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষানিরীক্ষা করছে। ওই দেশগুলিকে দুষে ট্রাম্পের বক্তব্য, মুক্ত সমাজে গোপনীয়তার সঙ্গে এই সব কাজ করা হচ্ছে। ট্রাম্প আরও জানিয়েছেন, ‘রাশিয়া এবং চিন পরীক্ষা করছে, কিন্তু তাঁরা এটা নিয়ে কথা বলে না। কিন্তু আমরা একটি উন্মুক্ত ব্যবস্থায় বিশ্বাসী। আমরা আলাদা। আমরা এটা নিয়ে কথা বলি। তাদের কাছে এমন কোনও সাংবাদিক নেই যারা এটা নিয়ে লিখবে।’ পাশাপাশি পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ করেছেন তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, মাটির গভীরে এই পরীক্ষা করছে সবাই। সেই কারণে মৃদু কম্পন ছাড়া কিছুই বুঝতে পারবেন না সাধারণ মানুষ। যদিও ট্রাম্পের দাবি খারিজ করে দিয়েছে চিন। চিনের বিদেশ মন্ত্রক সংবাদ সংস্থা এএফপি-কে জানিয়েছে, তারা একটি দায়িত্বশীল পরমাণু শক্তিধর দেশ। তাই আত্মরক্ষার প্রয়োজন ছাড়া তারা পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষানিরীক্ষা করে না।

    আধুনিক পদ্ধতিতে পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা

    সম্প্রতি নতুন করে পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষার রাস্তায় হাঁটা নিয়ে কথা চলছে ট্রাম্প প্রশাসনের অন্দরে। পুরোনো দিনের মতো বিস্ফোরণ না করে আধুনিক পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রিত ভাবে পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাশিয়া ও চিনের মতো প্রতিপক্ষ দেশগুলি পরমাণু পরীক্ষা করছে ধরে নিয়েই এই পদক্ষেপ করার কথা ভেবেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এই আবহেই আলতো করে অন্য দেশগুলিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর হুমকি, ‘অন্য যে কোনও দেশের তুলনায় আমেরিকার কাছে অনেক বেশি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে।’ ট্রাম্পের নতুন মন্তব্যে কূটনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে – বিশ্ব কি ফের পারমাণবিক প্রতিযোগিতার অন্ধকার অধ্যায়ে ফিরছে? আর সত্যিই যদি চিন-পাক গোপনে পরীক্ষা চালায়, তাহলে কি ভারতও পোখরান-৩-এর পথে হাঁটবে? প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মুহূর্তে পরিস্থিতি নজরে রাখা ছাড়া উপায় নেই। তবে একথা স্পষ্ট, বৈশ্বিক নিরাপত্তা মানচিত্রে উত্তাপ বাড়া যে এখন সময়ের অপেক্ষা, ট্রাম্পের মন্তব্য সেই ইঙ্গিতই দিল।

  • China: উঠে গেল স্থগিতাদেশ, ভারতে ভারী রেয়ার আর্থ ম্যাগনেট রফতানি শুরু করল চিন

    China: উঠে গেল স্থগিতাদেশ, ভারতে ভারী রেয়ার আর্থ ম্যাগনেট রফতানি শুরু করল চিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছ’মাসের স্থগিতাদেশের পর ফের ভারতে (India) ভারী রেয়ার আর্থ ম্যাগনেট রফতানি শুরু করেছে চিন (China)। এতে বৈদ্যুতিক যানবাহন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স খাতে কর্মরত ভারতীয় নির্মাতারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। কারণ এসব গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের ওপর তাঁদের ব্যাপকভাবে নির্ভর করতে হয়। তবে রফতানি আবারও শুরু হলেও কিছু শর্তও যুক্ত হয়েছে।

    চিনের বক্তব্য (China)

    বেজিং সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই ম্যাগনেটগুলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফের রফতানি করা যাবে না, ব্যবহার করা যাবে না সামরিক কাজেও। চিন-ভারত সম্পর্কের এই ঝলক এমন একটা সময়ে প্রকাশ্যে এল, যখন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বৈঠকে বসে বাণিজ্য উত্তেজনা কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, হিতাচি, কন্টিনেন্টাল, জে উশিন এবং ডি ই ডায়মন্ডস এই চারটি ভারতীয় কোম্পানি চিনা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ম্যাগনেট আমদানির অনুমোদন পেয়েছে। এক প্রবীণ শিল্প আধিকারিক বলেন, “সরবরাহের (ম্যাগনেট) ক্ষেত্রে কিছুটা স্বস্তি দেখা যাচ্ছে। চারটি কোম্পানি রেয়ার আর্থ ম্যাগনেট আমদানির অনুমোদন পেয়েছে।” এদিকে, কলকাতা ও গুয়াংঝুর মধ্যে সরাসরি উড়ানও ফের চালু হয়েছে, যার জেরে আরও অনায়াস হবে ভারত-চিন বাণিজ্য।

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রের প্রতিক্রিয়া

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালও জানান, এই আমদানির জন্য লাইসেন্স দিয়েছে চিন। তিনি বলেন, “আমাদের দেখতে হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–চিন আলোচনার প্রভাব আমাদের ওপর কীভাবে পড়ে (China)।” প্রসঙ্গত, বিশ্বের মোট রেয়ার আর্থ ম্যাগনেট উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশেরই নিয়ন্ত্রণকারী চিন। গত ৪ এপ্রিল জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা বলে, মার্কিন শুল্ক হারের প্রতিক্রিয়ায় নতুন রফতানি নিষেধাজ্ঞা জারি করে চিন। এই পদক্ষেপের ফলে রফতানিকারীদের বিশেষ লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়।

    ২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষে ভারত (India) ৮৭০ টন রেয়ার আর্থ ম্যাগনেট আমদানি করেছে। এর মূল্য ছিল ৩০৬ কোটি টাকা। এর আগে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প ক্রিটিক্যাল রেয়ার আর্থ উপকরণ সরবরাহের জন্য চিনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এক বছরের একটি চুক্তির কথা ঘোষণা করেছিলেন (China)।

  • India China Talks: সীমান্ত-সম্পর্ক উন্নত করতে ফের বৈঠকে ভারত-চিন, কী আলোচনা হল?

    India China Talks: সীমান্ত-সম্পর্ক উন্নত করতে ফের বৈঠকে ভারত-চিন, কী আলোচনা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলাচ্ছে বৈশ্বিক রাজনীতি। পরিবর্তন হচ্ছে সম্পর্কের গাঁটছড়ারও। প্রত্যাশিতভাবেই গলছে ভারত-চিন সম্পর্কের বরফ (India China Talks)। চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বুধবার জানিয়েছে, চিন ও ভারতের সেনাবাহিনী দুই দেশের সীমান্তের (Border) পশ্চিম অংশের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রক এও জানিয়েছে, এই বৈঠকটি ২৫ অক্টোবর ভারতের দিকে মোলদো-চুশুল সীমান্ত বৈঠক পয়েন্টে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বৈঠকের শেষে উভয় পক্ষই রাজি হয়েছে যে তারা সামরিক ও কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ ও আলোচনা চালিয়ে যাবে।

    আলোচনা হয়েছে আগেও (India China Talks)

    এর আগে জুলাই মাসেও পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে দুই প্রতিবেশী দেশ আলোচনায় বসেছিল। চিন তাকে খোলামেলা আলোচনা বলে বর্ণনা করেছিল। এই বৈঠকটি ভারত-চিন সীমান্ত বিষয়ক পরামর্শ ও সমন্বয়ের কার্যকর প্রক্রিয়া কাঠামোর মধ্যেই হয়। সেই সময়ই চিনের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছিল যে উভয় পক্ষই চলতি বছরের শেষের দিকে পরবর্তী দফার আলোচনা করতে রাজি হয়েছে। জুলাই মাসের আলোচনার ফল সম্পর্কে ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছিল যে সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। এটি ধীরে ধীরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্বাভাবিকীকরণের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মন্ত্রক এও জানিয়েছিল যে, এই আলোচনা শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে কাজ করেছে।

    ভারত-চিন সম্পর্কের লেখচিত্র

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের অক্টোবরের পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সামরিক অচলাবস্থা শেষ হওয়ার পর থেকে ভারত ও চিনের সম্পর্কের লেখচিত্র ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী (India China Talks)। অগাস্ট মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন সম্মেলনের ফাঁকে চিনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ঐতিহাসিক পার্শ্ববৈঠক করেছিলেন। এটিই ছিল প্রধানমন্ত্রীর সাত বছর পর প্রথম চিন সফর। প্রধানমন্ত্রী এই বৈঠককে ফলপ্রসূ বলেই উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “উভয় পক্ষ সীমান্ত (Border) এলাকায় শান্তি বজায় রাখার গুরুত্বের বিষয়ে একমত হয়েছে এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অভিন্ন স্বার্থ ও সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে সহযোগিতার অঙ্গীকার করেছে।” উল্লেখ্য যে, ভারত-চিন সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমনের বিষয়ে সমঝোতা হলেও, উভয় পক্ষের সীমান্তরক্ষী বাহিনী এখনও পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়নি (India China Talks)।

  • China: শীর্ষ ৯ জেনারেলকে বরখাস্ত করল চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার, কেন জানেন?

    China: শীর্ষ ৯ জেনারেলকে বরখাস্ত করল চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের (China) ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি প্রকাশ্যে তাদের শীর্ষ ন’জন জেনারেলকে বরখাস্ত করেছে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কর্তা হে ওয়েইদংও রয়েছেন। ১৭ই অক্টোবর শুক্রবার প্রতিরক্ষামন্ত্রক (Party Session) ঘোষণা করেছে যে, দলীয় শৃঙ্খলার গুরুতর লঙ্ঘন এবং বিপুল অর্থের সঙ্গে জড়িত কর্মসংক্রান্ত অপরাধের কারণে ওই জেনারেলদের সেনাবাহিনী ও কমিউনিস্ট পার্টি—দু’টি থেকেই বহিষ্কার করা হয়েছে।

    জিনপিংয়ের দুর্নীতি বিরোধী অভিযান (China)

    গত ১২ বছর ধরে চিনের নেতা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং একটি ব্যাপক দুর্নীতি বিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছেন। এই অভিযানে স্থানীয় নেতা থেকে শুরু করে সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্তা-সহ সারা দেশের এক মিলিয়নেরও বেশি আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সরকারের দাবি, এই অভিযানের লক্ষ্য একটি আরও পরিচ্ছন্ন ও শক্তিশালী দল গঠন করা। তবে সমালোচকদের একাংশের মতে, এটি আসলে একটি রাজনৈতিক শুদ্ধি অভিযান, যার মাধ্যমে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তাঁর প্রতি পুরোপুরি অনুগত নন এমন ব্যক্তিদের সরিয়ে দিয়ে দল ও সেনাবাহিনীর ওপর নিজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করছেন।

    যাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে

    যাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে সব চেয়ে বড় নামটি হল হে ওয়েইদং। তিনি ছিলেন চিনের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি, কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। এটি পুরো সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা। তিনি একই সঙ্গে ২৪ সদস্যের পলিটব্যুরোর সদস্য ছিলেন, যা চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা। তাঁর বরখাস্ত হওয়ার ঘটনা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তিনি প্রথম কর্মরত পলিটব্যুরো সদস্য, যাঁকে এভাবে তদন্তের মুখোমুখি হতে হয়েছে (China)।

    অগাস্ট মাসের পর থেকে তাঁকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এটা আগেই তাঁর সমস্যায় পড়ার গুঞ্জন বাড়িয়ে তুলেছিল। বাকিরা হলেন, মিয়াও হুয়া, সামরিক বাহিনীর রাজনৈতিক কার্যক্রমের প্রধান, হে হংজুন, মিয়াও হুয়ার ডেপুটি, ওয়াং শিউবিন, সামরিক বাহিনীর যৌথ অভিযান কমান্ড সেন্টারের শীর্ষ পরিচালক, লিন শিয়াংইয়াং, পূর্ব থিয়েটার কমান্ডের কমান্ডার (Party Session), ছিন শুতং, সেনাবাহিনীর রাজনৈতিক প্রধান, ইউয়ান হুয়াঝি  নৌবাহিনীর রাজনৈতিক প্রধান, ওয়াং চুননিং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর কমান্ডার (China)। পার্টির অধিবেশনের আগে এঁদের বহিষ্কার করায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন জিনপিংয়ের বিরোধীরা।

LinkedIn
Share