Tag: Climate Change

Climate Change

  • Mission LiFE: পরিবেশ রক্ষায় নতুন প্রকল্প ভারত সরকারের, গুজরাটে ‘মিশন লাইফ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    Mission LiFE: পরিবেশ রক্ষায় নতুন প্রকল্প ভারত সরকারের, গুজরাটে ‘মিশন লাইফ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তনকে রোধ করতে এবারে পদক্ষেপ নিল ভারত সরকার। গোটা বিশ্ব জুড়ে ক্রমশ আবহাওয়া বদলাচ্ছে। ফলে এর প্রভাবে নাজেহাল বিশ্ববাসী। আর এর থেকেই রক্ষা পেতে আজ উদ্বোধন করা হল ‘মিশন লাইফ’ (Mission LiFE)। এই গ্রহের পরিবেশকে বাঁচাতে আন্তর্জাতিক পরিকল্পনায় মিশন লাইফের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রসংঘের (UN) মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে (Antonio Guterres) পাশে বসিয়ে গুজরাটের একতা নগরে ‘মিশন লাইফ’ (Mission LiFE) প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন তিনি। তিনদিনের সফরে বুধবার তিনি ভারতে এসেছেন ও আজ গুতেরেস গুজরাটে যান। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীও দুদিনের সফরে গিয়েছেন গুজরাট। আর তারপরেই এই প্রকল্পের সূচনা করলেন আজ। আজ এই প্রকল্পের উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতায় উঠে এসেছে পুরো বিশ্বকে জলবায়ু পরিবর্তনের হাত থেকে কীভাবে রক্ষা করা যায়। তিনি পুরো বিশ্ববাসীকে নতুন করে আশা দেখিয়েছেন যে, জীবনযাত্রায় সামান্য পরিবর্তন আনলেই জলবায়ু পরিবর্তনের মত সমস্যার সমাধান করা যায়।

    তিনি আজ বলেন, “ধরুন, অনেকেই এসির (AC) তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখেন। তাতে পরিবেশে কুপ্রভাব পড়ে। জিম বা কাছাকাছি কোথাও যেতে হলে সাইকেল ব্যবহার করুন। দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় সামান্য বদল আনতে পারলেই অনেকটা ঠেকানো যাবে আসন্ন বিপদ। এই যে হিমবাহ গলছে, নদী শুকিয়ে যাচ্ছে, এসবের বিরুদ্ধে আমাদের লড়তে হবে। আর ‘মিশন লাইফ’ সেই লড়াইয়ে অনেকটা সাহায্য করবে।” এছাড়াও তিনি দৈনন্দিন জীবনে পুনর্ব্যবহারযোগ্য সামগ্রীর ব্যবহার আরও বাড়িয়ে তোলার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।

    এছাড়াও এদিন গুজরাটে ‘মিশন লাইফ’ সূচনামঞ্চে উপস্থিত রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস (UN Secretary-General Antonio Guterres) পরিবেশ রক্ষায় (Mission LiFE) ভারতের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।

  • Artificial Photosynthesis: আর প্রয়োজন নেই সূর্যালোকের, অন্ধকারেই হবে সালোকসংশ্লেষ! দাবি গবেষণায়

    Artificial Photosynthesis: আর প্রয়োজন নেই সূর্যালোকের, অন্ধকারেই হবে সালোকসংশ্লেষ! দাবি গবেষণায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর প্রয়োজন হবে না প্রাকৃতিক সালোকসংশ্লেষ (Photosynthesis) প্রক্রিয়ার! কৃত্রিম সালোকসংশ্লেষ (artificial photosynthesis) প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই উৎপন্ন করা যাবে খাদ্য। সেই খাদ্যেই এবার পেট ভরাবে তামাম বিশ্ববাসী। সম্প্রতি এমনই তথ্য উঠে এসেছে একটি গবেষণায়। সেই গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে নেচারফুড (Nature Food) পত্রিকায়। প্রকাশিত গবেষণাপত্রে হইচই বিশ্বজুড়ে।

    গাছের পাতাকে বলা হয় রান্নাঘর। মূলের মাধ্যমে মাটি থেকে জল সংগ্রহ করে গাছ। পাতা দিয়ে শোষণ করে সূর্যালোক। তাকে কাজে লাগিয়ে গাছ তৈরি করে খাবার। বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় যাকে বলা হয়ে থাকে সালোকসংশ্লেষ। কাবর্ন ডাইঅক্সাইড (CO2) শোষণ করে গাছ বাতাসে অক্সিজেন (O2) ছাড়ে। সেই অক্সিজেন নিয়ে বেঁচে থাকে তামাম প্রাণীজগৎ।

    আরও পড়ুন : একবারও ছুঁতে পারেনি করোনা? অতিপ্রাকৃতিক ক্ষমতা নাকি নিপাট বিজ্ঞান?

    তবে, বিজ্ঞানীদের দাবি, এবার আর কেবল এই প্রাকৃতিক সালোকসংশ্লেষের ওপর নির্ভর করতে হবে না। কারণ প্রকাশিত গবেষণাপত্রে দাবি করা হয়েছে, কৃত্রিম সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই উৎপন্ন হবে মানুষের খাবার মায় অক্সিজেনও।

    কী এই কৃত্রিম সালোকসংশ্লেষ?

    কৃত্রিম সালোকসংশ্লেষণ সিস্টেম মূলত উৎসেচক-নির্ভর রিঅ্যাক্টরের মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাইঅক্সাইডের মাত্রা ভারসাম্য বজায় রাখে। এই উৎসেচক হাইড্রোজেন শক্তি এবং জৈব রাসায়নিক ট্রান্সডুসার দ্বারা চালিত হয়। হাইড্রোজেন বা হাইড্রোজেনযুক্ত যৌগ ব্যবহার করে হাইড্রোজেন শক্তি উৎপন্ন হয়। 

    ট্রান্সডুসার হল যেকোনও মেডিকেল আল্ট্রাসাউন্ড সিস্টেমের একটি অংশ। একটি ট্রান্সডুসার যে কোনও প্রাকৃতিক পরিমাণকে বৈদ্যুতিক সংকেতে এবং এর বিপরীতে রূপান্তর করতে সক্ষম। এর পাশাপাশি, কৃত্রিম সালোকসংশ্লেষণ ব্যবস্থার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলির মধ্যে রয়েছে পিভি প্যানেল যা সিস্টেমের বৈদ্যুতিক চাহিদা পূরণ করে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে সাহায্য করে, কার্বোহাইড্রেট আকারে শুষ্ক কৃষি, তরল জ্বালানি, রাসায়নিক ফিডস্টক এবং পলিমার যা ফাইবার তৈরি করে এবং ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল পদ্ধতির মাধ্যমে উৎপাদিত হাইড্রোজেন। 

    কৃত্রিম সালোকসংশ্লেষের প্রক্রিয়ায় গবেষকরা দ্বিস্তরীয় পদক্ষেপের মাধ্যমে কার্বন ডাইঅক্সাইড, বিদ্যুৎ ও জলের মিশ্রণের মাধ্যমে অ্যাসিটেট যৌগ তৈরি করেন। অ্যাসিটেট হল ভিনিগারের অন্যতম প্রধান উপাদান। আলোর অবর্তমানে খাদ্য-উৎপাদনকারী জীবগুলি তখন এই অ্যাসিটেটকে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে বেড়ে উঠতে পারে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। তাঁদের দাবি, এর মাধ্যমে অ্যাসিটেট সমৃদ্ধ ইলেক্ট্রোলাইজারের মাধ্যমে সরাসরি অন্ধকারে বহু খাদ্য-উৎপাদনকারী জীবের প্রসার ঘটতে পারে।

    বিশ্বজুড়ে বাড়ছে জনসংখ্যা। স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে খাদ্যের চাহিদাও। এই চাহিদা পূরণ করতে প্রয়োজন আরও খাবার উৎপাদনের। বিজ্ঞানীদের দাবি, এই কৃত্রিম সালোকসংশ্লেষের ফলে পৃথিবীজুড়ে একদিকে যেমন খাদ্যসংকট (Global Food Crisis) সমস্যার সমাধান হবে, কমবে দূষণও (Pollution)। 

     

LinkedIn
Share