Tag: Coal Smuggling scam

Coal Smuggling scam

  • Coal Scam ED Raid: কে এই মনজিৎ জিট্টা ও তাঁর ‘অতি-প্রভাবশালী’ পার্টনার? কয়লাকাণ্ডে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি

    Coal Scam ED Raid: কে এই মনজিৎ জিট্টা ও তাঁর ‘অতি-প্রভাবশালী’ পার্টনার? কয়লাকাণ্ডে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচারকাণ্ডের তদন্তে বড় সাফল্য পেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জে একটি সংস্থার দফতরে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত তল্লাশি চালান তাঁরা। সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় দেড় কোটি নগদ টাকা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কয়লা পাচারের টাকা এই সংস্থার মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়া হতো। এই প্রেক্ষিতে শাসক দল ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। খোঁজ চালানো হচ্ছে আরেক ব্যবসায়ীর, যিনি এই মুহূর্তে পলাতক বলে জানা গিয়েছে। ইডি সূত্রের খবর, ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে কলকাতার অতি-প্রভাবশালী এক রাজনৈতিক পরিবারের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। তাঁর ব্যবসায়িক পার্টনারও অতি প্রভাবশালী।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    কয়লা পাচারকাণ্ডে ঠিক কীভাবে টাকা হস্তান্তর হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চালাচ্ছে ইডি। সেই প্রেক্ষিতে, মঙ্গলবার দিল্লি থেকে ৩ সদস্যের একটি দল আসে কলকাতায়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দিল্লির আধিকারিকেরাও ছিলেন ওই দলটিতে। মোট ১০ থেকে ১২ জন আধিকারিক তল্লাশি অভিযান চালান। সূত্র মারফত পাওয়া খবরের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় বালিগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর বাড়ি ও লাগোয়া অফিসে হানা দেয় ইডি। রাতভর তল্লাশি চালানো হয়। ব্যাগের মধ্যে বান্ডিল বান্ডিল নোট রাখা ছিল বলে খবর। ইডি-র আধিকারিক সূত্রে খবর, ১ কোটি ৪০ লক্ষ নগদ টাকা পাওয়া গিয়েছে ওই দফতর থেকে। সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে কিছু ডিজিটাল তথ্যও। এত টাকার উৎস সম্পর্কে যথাযথ উত্তর দিতে না পারায় গ্রেফতার করা হয়েছে ওই সংস্থার কর্ণধার ব্যবসায়ী বিক্রম শিখারিয়াকে।

    ইডি কী জানাচ্ছে? 

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন সাক্ষীর বয়ান, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি ঘেঁটে খোঁজ পাওয়ার পর বুধবারেই বালিগঞ্জের দফতরে হানা দেওয়া হয়। তদন্তকারীদের দাবি, এই ব্যবসায়ীর সঙ্গে তৃণমূলের দক্ষিণ কলকাতার এক নেতা এবং তাঁর ভাইয়ের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। তাদের মতে, এক্ষেত্রে কয়লা পাচারের টাকা ধৃত ব্যবসায়ীর কোম্পানিতে ঢুকেছে। 

    জানা গিয়েছে, গজরাজ গ্রুপের মালিক এই বিক্রম শিখারিয়া। মোট তিরিশটি কোম্পানি এই গ্রুপের অন্তর্গত। ধৃতের নির্মাণ ব্যবসার পাশাপাশি আরও একাধিক ব্যবসা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রয়েছে ফুড চেন ও একটি ধাবা। ইডির সন্দেহ, এই কোম্পানিগুলিতে কয়লা পাচারের টাকা ঘুর পথে এসেছে। ইডির সন্দেহ, কয়লা পাচারের টাকা বিক্রম শিখারিয়ার মাধ্যমে সাদা করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, কয়লা কাণ্ডে যে কালো টাকা বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছেছিল সেই টাকাই গিয়েছিল এই ব্যবসায়ীর বাড়িতে। 

    নজরে আরেক ব্যবসায়ী…

    ধৃত শিখারিয়ার পাশাপাশি আরও এক ব্যবসায়ী মনজিত্‍ সিং জিট্টার খোঁজও চালাচ্ছে ইডি। বর্তমানে, তিনি পলাতক বলে উঠে এসেছে। ইডি সূত্রে খবর, এই জিট্টার এক অতি প্রভাবশালী ব্যবসায়িক পার্টনার রয়েছেন। সেই পার্টনার থাকেন কালীঘাটে। কে সেই পার্টনার? কালীঘাটের কোথায় থাকেন তিনি? এখন এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ব্যস্ত ইডি। তবে, অবশ্যই জিট্টাকে হাতে পেতে চাইছে তদন্তকারী দল। সূত্রের খবর, জিট্টার খোঁজ চারদিকে চালানো হচ্ছে। ইডির দাবি, জিট্টাকে হাতে পেলেই অনেক প্রশ্নের উত্তর মিলবে। অনেক জট ছাড়বে। অনেক রহস্যের সমাধান হবে।

  • ED Raids: শহরজুড়ে অভিযান ইডি-র!  কয়লা পাচার এবং অবৈধ খনন সংক্রান্ত নথির খোঁজেই কি তল্লাশি?

    ED Raids: শহরজুড়ে অভিযান ইডি-র! কয়লা পাচার এবং অবৈধ খনন সংক্রান্ত নথির খোঁজেই কি তল্লাশি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সকাল থেকেই শহরের নানা প্রান্তে তল্লাশি অভিযানে নেমেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। সল্টলেকের ( Saltlake ) দুই জায়গায় দুই ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চলছে। ইডি (ED) সূত্রে খবর, তাদের ৪টি দল শহরে তল্লাশি অভিযানে বেরিয়েছে। দুটি টিম গিয়েছে সল্টলেকে। বাকি ২টি টিমের গন্তব্য কলকাতার আরও ২টি জায়গায়। ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গ মিলিয়ে এদিন ১২টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

    আরও পড়ুন: কয়লা-পাচারকাণ্ডে এবার পুরুলিয়ার তৃণমূল নেতা সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব ইডির

    ইডি  সূত্রে খবর, সেনার জমি জবরদখলের অভিযোগে ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গে তল্লাশি অভিযানে নেমেছে তদন্তকারীরা। তবে, এর সঙ্গে কয়লা পাচার এবং অবৈধ খননেরও যোগ থাকতে পারে। তল্লাশি চলছে কলকাতার এক ব্যবসায়ী অমিত আগরওয়ালের বাড়ি ও অফিসে। মনে করা হচ্ছে, কয়লা পাচার ও অবৈধ খনন সংক্রান্ত বিশেষ কিছু নথির জন্যই সল্টলেকে ঝাড়খণ্ডের ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি শুরু করেছে তদন্তকারীরা।  জানা গিয়েছে, গত এক বছরে তিন বার অমিতের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। শুক্রবার সকালে ইডির ৫ আধিকারিক সল্টলেকের এইচ বি ব্লকে অমিতের বাড়িতে যান।

    আরও পড়ুন: টানা ২ দিন দিল্লিতে ইডি জেরার মুখে সুকন্যা, কলকাতায় সিবিআইয়ের সামনে কেরিম

    প্রসঙ্গত, বিগত বেশ কয়েকমাস ধরেই শহরে ইডির অভিযান অব্যাহত। অনলাইন গেমিং অ্যাপের মাধ্যমে প্রতারণা-কাণ্ড কিংবা এসএসসি দুর্নীতি, শহরে  ম্যারাথন তল্লাশি অভিযান শুরু করেছেন ইডি আধিকারিকেরা। গত ১০ সেপ্টেম্বর একটি মোবাইল গেমিং অ্যাপের মাধ্যমে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগের তদন্তে নেমে গার্ডেনরিচের শাহি আস্তাবল গলি, পার্ক স্ট্রিট, মোমিনপুরের বন্দর এলাকা, নিউটাউন-সহ শহরের ছ’টি জায়গায় অভিযান শুরু করেছিল ইডি। এদিন সিজিও কমপ্লেক্স থেকে তিনটি গাড়ি বেরিয়ে শহরের আলাদা আলাদা জায়গায় তল্লাশিতে বেরোয়। এইচ বি ১৬৫-এ হাতে নোটিস নিয়ে ঢোকে ইডির একটি টিম। ইডির দ্বিতীয় টিম সেক্টর ফাইভে সেই ব্যবসায়ীর অফিসে তল্লাশি চাল্লাচ্ছে বলে খবর। সূত্রের খবর, অফিসটি মূলত মোটর পার্টস এর। তবে কোন মামলায় ইডি এই অভিযান তা এখনও স্পষ্ট জানা যায়নি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Coal Smuggling Scam: কয়লা পাচার কেলেঙ্কারিতে লালার সহযোগীদের বিরুদ্ধে জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা

    Coal Smuggling Scam: কয়লা পাচার কেলেঙ্কারিতে লালার সহযোগীদের বিরুদ্ধে জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার কেলেঙ্কারিতে (Coal Smuggling Scam) জারি গ্রেফতারি পরোয়ানা। মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি (Anup Maji) ওরফে লালার ১৫ জন সহযোগীর নামে জারি হয়েছে ওই পরোয়ানা। মঙ্গলবার আসানসোলের (Asansole) বিশেষ সিবিআই আদালত (CBI Court) এই পরোয়ানা জারি করে। কয়লা পাচার কেলেঙ্কারিতে যে ৪১ জনের নামে চার্জশিট পেশ করা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে এঁরাও রয়েছেন। এদিকে, কয়লা পাচার কেলেঙ্কারিতে ধৃত বিকাশ মিশ্র ও চারজন বর্তমান এবং প্রাক্তন ইসিএল আধিকারিককে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আসানসোলের সিবিআই আদালত।

    বছর দুয়েক আগে কয়লাপাচারকাণ্ডে তদন্ত শুরু করে সিবিআই। এই মামলায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে উঠে এসেছে লালার নাম। লালা সহ একাধিক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই। সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করেছে আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডিও। সুপ্রিম কোর্টে লালা জামিন পেলেও, তাঁর সঙ্গী গুরুপদ মাজি এখন তিহাড় জেলে বন্দি। এই মামলায় রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককেও ইতিমধ্যেই জেরা করেছে সিবিআই।

    আরও পড়ুন : কয়লা পাচার কাণ্ডে ফের ইডির তলব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে

    এদিকে, এদিনই কয়লা পাচার মামলায় সিবিআই আদালতে তোলা হয় ইসিএলের প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার সুভাষ মুখোপাধ্যায়, সুশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিজিৎ মল্লিক, তন্ময় দাস, সুভাষ চন্দ্র মৈত্র, মুকেশ কুমারকে। আর আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে তোলা হয় ইসিএলের নিরাপত্তা আধিকারিক দেবাশিস মুখোপাধ্যায় ও রিঙ্কু বেহারাকে। সিবিআই আদালতে তোলা হয় অভিযুক্ত বিনয় মিশ্রের ভাই বিকাশকেও।

    এদিন সিবিআইয়ের আইনজীবী আদালতে বলেন, ধৃতদের জামিন দিলে তদন্তে বিঘ্ন ঘটতে পারে। তাই তাঁদের ফের জেল হেফাজত দেওয়া হোক। যদিও অভিযুক্তদের আইনজীবীরা বলেন, বাকি যাঁদের নামে চার্জশিট রয়েছে, তাঁদের এখনও পর্যন্ত ধরা যায়নি। কিংবা তাঁদের শমন পাঠানো হয়েছে কিনা, তা স্পষ্ট নয়। তাই ধৃত ইসিএল আধিকারিকদের আটকে না রেখে তাঁদের জামিন দেওয়া হোক। তাঁরা তদন্তে সহযোগিতা করবেন। দু পক্ষের সওয়াল জবাব শুনে ধৃতদের ফের ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Coal Smuggling Case: এবার কয়লাপাচার মামলায় ইডি দফতরে হাজিরা আইপিএস সেলভা মুরুগানের

    Coal Smuggling Case: এবার কয়লাপাচার মামলায় ইডি দফতরে হাজিরা আইপিএস সেলভা মুরুগানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের কিছুদিন আগেই কয়লাপাচার কেলেঙ্কারি (Coal Smuggling Scam) নিয়ে উত্তাল হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। তদন্ত করতে ময়দানে নামে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। এই মামলায় গ্রেফতারও করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে। ৮ আইপিএস কর্তাকে (IPS Officers) তলব করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ইতিমধ্যেই ইডির দিল্লির হেড কোয়ার্টারে হাজিরা দিয়েছেন আইপিএস শ্যাম সিং ও কোটেশ্বর রাও। এবার হাজিরা দিলেন আইপিএস সেলভা মুরুগান (Selva Murugan)।

    আরও পড়ুন: কয়লাপাচার মামলায় কোটেশ্বর রাও- এর পর এবার শ্যাম সিং- কে জিজ্ঞাসাবাদ ইডির

    বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় ইডি দফতরে পৌঁছেছেন সেলভা মুরুগান। বর্তমানে তিনি পুরুলিয়ার এসপি। এই নিয়ে পরপর দু দফায় ওই জেলার পুলিশ সুপার পদে রয়েছেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচনের আগেও ওই একই পদে ছিলেন সেলভা মুরুগান। ভোটের সময় তাঁকে অন্য দায়িত্ব দেওয়া হলেও, ফের একই পদে নিযুক্ত হন ২০১০ সালের ব্যাচের ওই আইপিএস। 

    ইডি গোয়েন্দাদের দাবি, কয়লাপাচারের মূল হোতা লালার অফিস থেকে পাওয়া ডায়েরীতে এই পুলিশ কর্তার নামের উল্লেখ ছিল। এই বিষয়ে তিনি কিছু জানতেন কিনা, বা জানলেও এই অপরাধের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিয়েছেন কিনা, আইপিএসকে মূলত এই প্রশ্নই করবেন গোয়েন্দা আধিকারিকরা বলে ইডি সূত্রের খবর। 

    আরও পড়ুন: জ্ঞানবন্ত না গেলেও দিল্লির ইডি দফতরে আজ যাচ্ছেন আর এক আইপিএস কোটেশ্বর রাও

    রাজ্যের পশ্চিমের জেলা গুলির সঙ্গে কয়লাপাচারের যোগ পেয়েছে ইডি। লালার লোকজন কী ভাবে পুলিশ ও প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে কয়লাপাচার করত মূলত সেই রহস্যই উন্মোচন করতে চায় ইডি। তাই ওই সব জেলার গুরুত্বপূর্ণ পদে যাঁরা ছিলেন বা আছেন, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন গোয়েন্দারা।   

    ইডি সূত্রে খবর, সরাসরি পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে অনেক পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধেই। লরি করে কয়লা পাচার হত পুলিশের চোখের সামনেই এমন অভিযোগও রয়েছে। কোনও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। পুলিশ চাইলেই পাচার আটকাতে পারতেন বলে মনে করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। ইডির দাবি, ওই পুলিশ আধিকারিকদের কাছে টোকেন নম্বর দেওয়া থাকত, আর তা দেখে ছেড়ে দেওয়া হত কয়লার গাড়ি। অভিযোগগুলিতে কতটা সত্যতা আছে এখন তাই খতিয়ে দেখতে চায় ইডি। 

    মুরুগান ছাড়াও আইপিএস জ্ঞানবন্ত সিং, রাজীব মিশ্র, সুকেশকুমার জৈন, শ্যাম সিং, কোটেশ্বর রাও, তথাগত বসু ও ভাস্কর মুখোপাধ্যায়কে তলব করা হয়েছে। জ্ঞানবন্ত সিং হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন। হাজিরার জন্যে ইডির কাছে সময় চেয়ে নিয়েছেন তিনি। শ্যাম সিং ও কোটেশ্বর রাও ইতিমধ্যে হাজিরা দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • IPS Koteswar Rao: জ্ঞানবন্ত না গেলেও দিল্লির ইডি দফতরে আজ যাচ্ছেন আর এক আইপিএস কোটেশ্বর রাও

    IPS Koteswar Rao: জ্ঞানবন্ত না গেলেও দিল্লির ইডি দফতরে আজ যাচ্ছেন আর এক আইপিএস কোটেশ্বর রাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  জ্ঞানবন্ত সিংহ (IPS Gyanwant Singh) হাজির হননি, কিন্তু মঙ্গলবার দিল্লিতে ইডির দফতরে হাজিরা দিতে গেলেন আইপিএস অফিসার কোটেশ্বর রাও (IPS Koteswar Rao)। কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal smuggling case) আয়কর তল্লাশিতে (Income Tax raid) মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি (Anoop Majhi) ওরফে লালার বাড়ি থেকে এমন কিছু নথিপত্র পাওয়া গিয়েছে, যেখানে কোটেশ্বরের যোগসূত্র মিলেছে। লালার ডায়েরিতেও কোটেশ্বরের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের তথ্য মিলেছে বলে ইডি দাবি করেছে। সেই প্রেক্ষিতেই আগেও একদফা ডেকে পাঠানো হয়েছিল পশ্চিমাঞ্চলে কাজ করা আট জন আইপিএসকে (ED summons 8 IPS) । এবারও সেই সূত্রেই ফের ডাক দিয়েছে ইডি (ED)।

     জ্ঞানবন্ত না গেলেও এদিন অবশ্য কোটেশ্বর হাজির হচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। বাকি অফিসাররা এখনও লিখিতভাবে কিছু জানাননি। ফলে তাঁরাও হাজির হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। জ্ঞানবন্ত ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে গত সোমবার ইডির হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁকে ফের ডাকা হতে পারে বলে তদন্তকারী সংস্থাসূ্ত্রের দাবি। 

    আরও পড়ুন: বালি-পাথরের ‘নবগ্রহ’ ইডি-সিবিআইয়ের নজরে, কেষ্টর পর কে কে? 

    এছাড়াও তালিকায় রয়েছেন, রাজীব মিশ্র , সুকেশ জৈন, শ্যাম সিং, এস সেলভামুরগান, তথাগত বসু, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়। জ্ঞানবন্ত সিংকে ডাকা হয়েছিল ২২ অগাস্ট, কোটেশ্বর রাওকে ডাকা হয়েছে ২৩ অগাস্ট, শ্যাম সিংকে ডাকা হয়েছে ২৪ অগাস্ট। এছাড়াও এস সেলভামুরুগান, রাজীব মিশ্র, সুকেশ জৈন, তথাগত বসু এবং ভাস্কর মুখোপাধ্যায়কে যথাক্রমে ২৫, ২৬, ২৯, ৩০, ৩১ অগাস্ট তলব করেছে ইডি। দিল্লির ইডি দফতরে তলব করা হয়েছে তাঁদের ৷ কয়লাপাচার কাণ্ডে ইতিমধ্যেই আইপিএস জ্ঞানবন্ত সিংকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন ইডি আধিকারিকরা ৷ দিল্লিতে দুবার ও কলকাতায় একবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে ৷ রেকর্ড করা হয়েছে তাঁর বয়ানও৷ এস সিলভা মুরুগানকেও এর আগে একবার তলব করেছে কেন্দ্রীয় এই গোয়েন্দা সংস্থা।

    আরও পড়ুন: জুলাই মাসে রাশিয়া ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম কয়লা সরবরাহকারী, বলছে রিপোর্ট 

    ইডি আধিকারিকদের দাবি, কয়লাপাচার কাণ্ডে অন্যান্যদের জেরা করে এই ৮ আইপিএস অফিসারদের নাম উঠে এসেছে ৷ আসানসোল-রানিগঞ্জ, পুরুলিয়া, বাঁকুড়াসহ একাধিক জায়গায় কর্মরত থাকা কালীন এই পুলিশ আধিকারিকদের কাছে কয়লাপাচার সংক্রান্ত কোনও তথ্য ছিল কিনা তা জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে চাইবেন ইডি আধিকারিকরা। যদি জানা থাকে তাহলে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল ? কোনও প্রভাবশালীর নাম তাঁরা জানতেন কি না? ইডির আরও প্রশ্ন থাকবে, জানা থাকলে এবিষয়ে তাঁরা কোনও ব্যবস্থা নিয়েছিলেন কি না? এবিষয়ে কোনও ব্যক্তিকে আজ অবধি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে কি না সে বিষয়েও এই আট আধিকারিকের কাছে জানতে চাইবে ইডি। 

    আগেও এই পুলিশ কর্তাদের তলব করা হয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে যে শুধু নিষ্ক্রিয় থাকার অভিযোগ রয়েছে তাই নয়, সরাসরি পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগ, পুলিশের চোখের সামনে দিয়ে লরি করে কয়লা পাচার করা হত। তারপরও পুলিশের মুখ বন্ধ ছিল। মূলত আসানসোল, পুরুলিয়া এলাকাতেই চলত পাচার। 

    এঁদের মধ্যে কেউ তখন ছিলেন জেলার পুলিশ সুপার, কেউ ছিলেন আইসি। তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, এই পুলিশ কর্তারা ইচ্ছে করেই আটকাননি পাচার। ইডি সূত্রের খবর, ওই পুলিশ আধিকারিকদের কাছে থাকত বিশেষ টোকেন নম্বর, যা দেখে কয়লার গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হত। কার্যত পাচারে সুবিধা করে দেওয়া হত। এমনকি আর্থিক দিক থেকে লাভবানও হতেন এই পুলিশকর্তারা বলে অভিযোগ করেছে ইডি। আগেও একাধিক অফিসারকে এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

    উল্লেখ্য, কয়লাপাচার কাণ্ডে এর আগে দিল্লিতে তলব করা হয় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এবং তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। 

    এসএসসি দুর্নীতিতে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। পার্থ ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে ৫০ কোটিরও বেশি টাকা উদ্ধার হয়েছে। ওই টাকা এল কোথা থেকে তার তদন্তে নেমেছে ইডি। দশ বার নোটিস এড়ানোর পর আজ গরুপাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলকে তার বোলপুরের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। এবার ইডির নজরে রাজ্যের ৮ আইপিএস অফিসার। ফলে রাজ্য সরকার যে যথেষ্ট বিপাকে রয়েছে তা বলাই বাহুল্য। 
        

  • ED summons 8 IPS Officers: এবার কয়লা কাণ্ডেও সক্রিয় ইডি, তলব ৮ আইপিএস অফিসারকে 

    ED summons 8 IPS Officers: এবার কয়লা কাণ্ডেও সক্রিয় ইডি, তলব ৮ আইপিএস অফিসারকে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার কাণ্ডে আজই তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) গ্রেফতার করেছে সিবিআই (CBI)। এবার কয়লাপাচার কাণ্ডে (Coal Smuggling Scam) ৮ জন আইপিএসকে (8 IPS) তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। সূত্রের খবর রাজ্য পুলিশের এই ৮ আধিকারিককে ১৫ অগাস্টের পর তলব করেছে ইডি।

    আরও পড়ুন: বালি-পাথরের ‘নবগ্রহ’ ইডি-সিবিআইয়ের নজরে, কেষ্টর পর কে কে? 

    তালিকায় রয়েছেন, রাজীব মিশ্র ,সুকেশ জৈন, জ্ঞানবন্ত সিং,শ্যাম সিং, কোটেশ্বর রাও ,এস সেলভামুরগান, তথাগত বসু, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়। জ্ঞানবন্ত সিংকে ডাকা হয়েছে ২২ অগাস্ট, কোটেশ্বর রাওকে ডাকা হয়েছে ২৩ অগাস্ট, শ্যাম সিংকে ডাকা হয়েছে ২৪ অগাস্ট। এছাড়াও এস সেলভামুরগান, রাজীব মিশ্র, সুকেশ জৈন, তথাগত বসু এবং ভাস্কর মুখোপাধ্যায়কে যথাক্রমে ২৫, ২৬, ২৯, ৩০, ৩১ অগাস্ট তলব করেছে ইডি। 

    দিল্লির ইডি দফতরে তলব করা হয়েছে তাঁদের ৷ কয়লাপাচার কাণ্ডে ইতিমধ্যেই আইপিএস জ্ঞানবন্ত সিংকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন ইডি আধিকারিকরা ৷ দিল্লিতে দুবার ও কলকাতায় একবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে ৷ রেকর্ড করা হয়েছে তাঁর বয়ানও৷ এস সিলভা মুরগানকেও এর আগে একবার তলব করেছে কেন্দ্রীয় এই গোয়েন্দা সংস্থা।

    আরও পড়ুন: জুলাই মাসে রাশিয়া ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম কয়লা সরবরাহকারী, বলছে রিপোর্ট 

    ইডি আধিকারিকদের দাবি, কয়লাপাচার কাণ্ডে অন্যান্যদের জেরা করে এই ৮ আইপিএস অফিসারদের নাম উঠে এসেছে ৷ আসানসোল-রানিগঞ্জ, পুরুলিয়া, বাঁকুড়াসহ একাধিক জায়গায় কর্মরত থাকা কালীন এই পুলিশ আধিকারিকদের কাছে কয়লাপাচার সংক্রান্ত কোনও তথ্য ছিল কিনা তা জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে চাইবেন ইডি আধিকারিকরা। যদি জানা থাকে তাহলে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল ? কোনও প্রভাবশালীর নাম তাঁরা জানতেন কি না? ইডির আরও প্রশ্ন থাকবে, জানা থাকলে এবিষয়ে তাঁরা কোনও ব্যবস্থা নিয়েছিলেন কি না? এবিষয়ে কোনও ব্যক্তিকে আজ অবধি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে কি না সে বিষয়েও এই আট আধিকারিকের কাছে জানতে চাইবে ইডি। 

    আগেও এই পুলিশ কর্তাদের তলব করা হয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে যে শুধু নিষ্ক্রিয় থাকার অভিযোগ রয়েছে তাই নয়, সরাসরি পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগ, পুলিশের চোখের সামনে দিয়ে লরি করে কয়লা পাচার করা হত। তারপরও পুলিশের মুখ বন্ধ ছিল। মূলত আসানসোল, পুরুলিয়া এলাকাতেই চলত পাচার। 

    এঁদের মধ্যে কেউ তখন ছিলেন জেলার পুলিশ সুপার, কেউ ছিলেন আইসি। তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, এই পুলিশ কর্তারা ইচ্ছে করেই আটকাননি পাচার। ইডি সূত্রের খবর, ওই পুলিশ আধিকারিকদের কাছে থাকত বিশেষ টোকেন নম্বর, যা দেখে কয়লার গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হত। কার্যত পাচারে সুবিধা করে দেওয়া হত। এমনকি আর্থিক দিক থেকে লাভবানও হতেন এই পুলিশকর্তারা বলে অভিযোগ করেছে ইডি। আগেও একাধিক অফিসারকে এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

    উল্লেখ্য, কয়লাপাচার কাণ্ডে এর আগে দিল্লিতে তলব করা হয় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এবং তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। 

    এসএসসি দুর্নীতিতে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। পার্থ ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে ৫০ কোটিরও বেশি টাকা উদ্ধার হয়েছে। ওই টাকা এল কোথা থেকে তার তদন্তে নেমেছে ইডি। দশ বার নোটিস এড়ানোর পর আজ গরুপাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলকে তার বোলপুরের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। এবার ইডির নজরে রাজ্যের ৮ আইপিএস অফিসার। ফলে রাজ্য সরকার যে যথেষ্ট বিপাকে রয়েছে তা বলাই বাহুল্য। 
        
     

  • ED_CBI: পশ্চিমবঙ্গে ইডি-সিবিআই কী করছে, জানেন কি?

    ED_CBI: পশ্চিমবঙ্গে ইডি-সিবিআই কী করছে, জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির অভিযোগ। কখনও কয়লা কেলেঙ্কারি, কখনও বা গরু পাচার মামলা (Cattle Smuggling Case)। দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের (ssc scam) মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগেও। আদালতের নির্দেশে বাংলার এই সব মামলার তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই (CBI), ইডি (ED)।

    একনজরে দেখে নেওয়া যাক কেঁচো খুঁড়তে ইডি-সিবিআই এ রাজ্যে কোন কোন কেউটের সন্ধান করছে।

    ১) কয়লা কেলেঙ্কারিতে ৪ জন ব্যবসায়ীকে তলব করা হয়েছে।

    ২) অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ের নামে মিলেছে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ।

    ৩) অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষীরও ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে।

    আরও পড়ুন : এসএসসি কাণ্ডে গ্রেফতার পার্থ চট্টোপাধ্যায়, আজই তোলা হবে আদালতে

    ৪) অনুব্রত মণ্ডলকে জেরা করা হয়েছে।   

    ৫) কয়লা কেলেঙ্কারিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরাকে জেরা করা হয়েছে।  

    ৬) প্রাক্তন যুব তৃণমূল নেতা বিনয় মিশ্রের বিরুদ্ধে জারি করা হয়েছে লুকআউট নোটিশ।

    ৭) কয়লাকাণ্ডে পূর্বতন ও বর্তমান মিলিয়ে ইস্টার্ন কোলফিল্ডসের চার ম্যানেজারকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই।   

    ৮) বীরভূমকাণ্ডে তৃণমূলের ব্লক প্রেসিডেন্ট আনারুল হোসেনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে।

    ৯) কয়লাকাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে জনৈক গুরুপদ মাজিকে।  

    ১০) গরু পাচারকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত এনামূল হককে গ্রেফতার করা হয়েছে দিল্লি থেকে।

    ১১) ১৮৪ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে এক ব্যবসায়ীকে।

    ১২) কলকাতা হাইকোর্ট থেকে সাতটি মামলার তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে সিবিআইয়ের হাতে। এগুলি হল, বীরভূম হিংসা, ভাদু শেখে হত্যা, এসএসসি দুর্নীতি, তপন কান্দু হত্যাকাণ্ড এবং হাঁসখালি ধর্ষণকাণ্ড।

    ১৩) নির্বাচনোত্তর হিংসায় তারক সাহু হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে ৯ জনকে।

    ১৪) নারদকাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূলের ৪ হেভিওয়েটকে।

    ১৫) মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এক ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত হয়েছে ২০ কোটি টাকা।

     

     

  • Coal Smuggling: কোলে ২ বছরের ছেলে, ইডি-র তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির রুজিরা

    Coal Smuggling: কোলে ২ বছরের ছেলে, ইডি-র তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির রুজিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লাপাচারকাণ্ডে (Coal smuggling case) তলব পেয়ে শিশুসন্তানকে নিয়েই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate) সামনে হাজিরা দিলেন রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় (Rujira Banerjee)। বুধবার,  অভিষেকে-পত্নীকে তলব করেছিল ইডি (ED)। বৃহস্পতিবার সকাল সকাল ১১টা নাগাদ কোলে ২ বছরের শিশুকে নিয়ে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO Complex) হাজির হলেন তিনি।  

    কয়লাপাচার-কাণ্ডে এর আগে একাধিক বার অভিষেক (Abhishek Banerjee) এবং রুজিরাকে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। অভিষেক দু’বার হাজিরাও দিয়েছিলেন ইডি দফতরে গিয়ে। কিন্তু রুজিরা যাননি। তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁর দু’বছরের পুত্র সন্তানকে কলকাতায় রেখে দিল্লি যাওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। তদন্তকারী অফিসাররা যদি কলকাতায় ডাকেন তাহলে তাঁর হাজিরার মুখোমুখি হতে কোনও অসুবিধা নেই।

    কিন্তু, ইডি তাদের দাবিতে অনড় থাকায় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন রুজিরা। শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়, কলকাতায় এসে রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে ইডি। সেইমতো, অভিষেক-পত্নীকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দিল্লি থেকে কলকাতায় এসেছেন ইডি আধিকারিকরা। 

    আরও পড়ুন: কয়লাকাণ্ডে রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, করা হল কোন প্রশ্ন?

    কিছুদিন আগে, এই কয়লা পাচার কাণ্ড নিয়ে তাঁকে বাড়িতে গিয়ে জেরা করে এসেছিল সিবিআই (CBI)। তখনই এই টাকা লেনদেনের বিষয়টি উঠে আসে। তাই এবার রুজিরাকে জেরা করতে চায় ইডি। সূত্রের খবর, কয়লা পাচার কাণ্ডে বিদেশি লেনদেনের বিষয় নিয়ে তাঁকে জেরা করা হতে পারে। 

    ইডি সূত্রে খবর, কয়লা পাচারকাণ্ডে তদন্তের কেন্দ্রে রয়েছে ব্যাঙ্ককের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। ইডি-র দাবি, কয়লা পাচার কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি (Anup Majhi) ওরফে লালার টাকা বিভিন্ন হাত ঘুরে ব্যাংককের একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে গিয়েছে। সেখানে জমা পড়েছে কয়লা পাচারের টাকা।

    ইডি সূত্রে দাবি, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তারা জানতে পারে, বিদেশি ব্যাঙ্কে ওই অ্যাকাউন্টের মালিক রুজিরা নরুলা। ইডি-র দাবি, রুজিরা নরুলাই হলেন রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডি সূত্রে দাবি, প্রাথমিকভাবে ওই অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন রুজিরা।

    আরও পড়ুন: কয়লা, গরুপাচার, এসএসসি দুর্নীতির তদন্তরত অফিসারকে কেন সরিয়ে দিল সিবিআই?

     

  • Coal Smuggling: এবার কয়লা পাচারকাণ্ডে তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লাকে তলব সিবিআইয়ের

    Coal Smuggling: এবার কয়লা পাচারকাণ্ডে তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লাকে তলব সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal Smuggling) তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) বিধায়ক সওকত মোল্লাকে (Saokat Molla) তলব করল সিবিআই (CBI)। এই মর্মে, বিধায়কের কাছে বৃহস্পতিবারই হাজিরার নোটিস পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

    সূত্রের খবর, আগামীকাল, অর্থাৎ শুক্রবার সকাল ১১টায় কলকাতায় নিজাম প্যালেসে (NIzam Palace) সিবিআইয়ের আঞ্চলিক দফতরে ডেকে পাঠানো হয়েছে সওকতকে। জানা গিয়েছে, ক্যানিং পূর্বের বিধায়ককে তাঁর পাসপোর্ট, আধার কার্ড থেকে শুরু করে প্যান কার্ড ও ভোটার কার্ড নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। এছাড়া, তাঁর ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্টও, বিধায়কের নামে কোনও কোম্পানি থাকলে তারও সমস্ত নথিও আনতে বলা হয়েছে।

    সূত্রের খবর, কয়লা পাচারকাণ্ডে এর আগে যাদের জেরা করেছিল সিবিআই তাদের কাছ থেকে সওকত মোল্লার নাম মিলেছে। সেই সূত্রেই তার কোম্পানি জড়িত বলে জানতে পেরেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই তথ্যের সঙ্গে সওকত মোল্লার বক্তব্য মিলিয়ে দেখতে চাইছেন সিবিআই আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় ইডি আধিকারিকদের নিরাপত্তার ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    সাম্প্রতিককালে, বিভিন্ন মামলায় তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রীকে ডেকে পাঠিয়েছে সিবিআই। ইতিমধ্যেই এসএসসি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (SSC teachers recruitment scam) মামলায় তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের দুই মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) এবং পরেশ অধিকারীকে (Paresh Adhikary) তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। আবার, গরুপাচার মামলায় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অনুব্রত মণ্ডলকেও (Anubrata Mandal) জেরা করেছে সিবিআই। 

    দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ কয়লাপাচার কান্ডের তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই। এই তদন্তে নাম জড়িয়েছে একাধিক তৃণমূল হেভিওয়েটের। এবার তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক সওকত মোল্লাকে নিজাম প্যালেসে ডেকে পাঠাল সিবিআই। এর আগে, এই মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ও তাঁর স্ত্রী রুজিরাকে (Rujira) জিজ্ঞাসাবাদ করেছে আরেক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। ফের তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের করা হতে পারে।

    আরও পড়ুন: অভিষেক-জায়া রুজিরার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি দিল্লির আদালতের

     

  • Rujira Banerjee: রুজিরা নারুলাকে চেনেন না রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়, কয়লাপাচার তদন্তে গোলকধাঁধায় সিবিআই-ইডি

    Rujira Banerjee: রুজিরা নারুলাকে চেনেন না রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়, কয়লাপাচার তদন্তে গোলকধাঁধায় সিবিআই-ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লাপাচার (Coal smuggling) কাণ্ডের তদন্তে নেমে গোলকধাঁধায় সিবিআই-ইডি (CBI-ED)। কারণ তদন্তকারীদের প্রশ্নমালার মুখোমুখি হয়ে অনেকেরই স্মৃতিবিভ্রম হচ্ছে। অতীতের কিছুই আর মনে করতে পারছেনা তাঁরা। এমন ঘটনা ঘটেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) পত্নী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rujira Banerjee) ক্ষেত্রেও। অন্তত সিবিআই-ইডি তদন্তের খোঁজখবর রাখছেন এমন একাংশের দাবি তেমনই।  তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে যাঁরা জানেন তেমনই এক বিশেষ সূত্রের দাবি, রুজিরা নারুলাকে চিনতে পারছেন না রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়! সিবিআই এবং ইডির তদন্তকারীদের সামনে নিজের বক্তব্য জানাতে গিয়ে নাকি এমনই দাবি করেছেন অভিষেক-পত্নী। 

    বিষয়টি কেমন? 
    তদন্তকারী দল সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যাংককের একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লেনদেন নিয়েই কয়লা পাচার কাণ্ডে রুজিরার যোগসূত্র মিলেছে। কয়লাপাচারের মূলচক্রী অনুপ মাঝি ওরফে লালার বিভিন্ন ঠিকানায় তল্লাশির সময় তাইল্যান্ডের একটি ব্যাংকের কয়েকটি রসিদ পাওয়া যায়। তার একটিতে দেড় লক্ষ ভাট (তাই মুদ্রা) জমা পড়ার কথা জানা গিয়েছিল। গত বিধানসভা ভোটের আগে বর্তমান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বারুইপুরের এক জনসভায় সেই ব্যাংক রসিদের ছবি সর্বসমক্ষে খিয়েছিলেন। (সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ওই রসিদের ছবি মাধ্যমের কাছেও রয়েছে। তবে তার সত্যাসত্য যাচাই করেনি মাধ্যম। যদিও ব্যাংককের ওই ব্যাংক রসিদটি ভুয়ো এমন দাবিও কখনও করেননি কেউ।) 

    আরও পড়ুন: কোলে ২ বছরের ছেলে, ইডি-র তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির রুজিরা

    রুজিরা নারুলার নামেই সেই অর্থ জমা হয়েছিল বলে শুভেন্দুবাবু দাবি করেছিলেন। তদন্তকারীরা সেই ব্যাংকের যাবতীয় লেনদেন সংগ্রহ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। বিদেশ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের উদ্যোগে সরকারি ভাবে সে সব নথি এখন ইডি-সিবিআইয়ের হাতে এসেছে বলে তদন্তকারীদের একাংশের দাবি। ওই অ্যাকাউন্টটি এখনও রয়েছে নাকি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে তাও জানেন তদন্তকারীরা।

    আর এখান থেকেই রহস্যের শুরু। ইডি এবং সিবিআইয়ের প্রশ্নমালার মুখে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি জানিয়েছেন, তাঁর এমন কোনও অ্যাকাউন্টই নেই। ব্যাংককের ওই বিতর্কিত অ্যাকাউন্টটি কার, তা তিনি জানেন না। তদন্তকারীরা তাঁকে জানান, অ্যাকাউন্টটি রুজিরা নারুলার নামে রয়েছে। তাতে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তাঁর নামে ব্যাংককে কোনও অ্যাকাউন্ট নেই।

    আরও পড়ুন: কয়লাকাণ্ডে রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, করা হল কোন প্রশ্ন?

    তদন্তকারীদের একাংশ জানাচ্ছেন, অভিষেক পত্নীর পাসপোর্ট, ওসিআই কার্ড, ট্রাভেল ডকুমেন্ট থেকে স্পষ্ট রুজিরা নারুলাই হচ্ছেন রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরেও কেন তদন্তকারীদের প্রশ্নমালার মুখে ব্যাংককের অ্যাকাউন্টের কথা অস্বীকার করছেন রুজিরা? এই গোলকধাঁধার জবাব মিললেই কয়লাকাণ্ডের তদন্ত চূড়ান্ত স্তরে পৌঁছাতে পারে বলে তদন্তের গতি-প্রকৃতি জানা অনেকে জানাচ্ছেন।

     

LinkedIn
Share