Tag: Coal Smuggling scam

Coal Smuggling scam

  • CBI: কয়লা, গরুপাচার, এসএসসি দুর্নীতির তদন্তরত অফিসারকে কেন সরিয়ে দিল সিবিআই?

    CBI: কয়লা, গরুপাচার, এসএসসি দুর্নীতির তদন্তরত অফিসারকে কেন সরিয়ে দিল সিবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা (Coal smuggling case), গরু পাচার (Cattle smuggling case) এবং এসএসসি দুর্নীতির (SSC recruitment scam) তদন্তরত যুগ্ম-অধিকর্তা পঙ্কজ শ্রীবাস্তবকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিল সিবিআই (CBI)। তাঁর পরিবর্তে নতুন অফিসারকে সোমবারই বসানো হয়েছে। ১৯৯৫ ব্যাচের হিমাচল প্রদেশ ক্যাডারের আইপিএস এন বেনুগোপাল গতকালই কলকাতা জোনের যুগ্ম-অধিকর্তার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এদিনই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পত্নী রুজিরাকে জেরার নোটিস পাঠিয়েছে সিবিআই।

    পঙ্কজ শ্রীবাস্তবকে কেন এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সরিয়ে দেওয়া হল তা নিয়ে তদন্তকারী সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সব মহলে কৌতুহল তৈরি হয়েছে। এনিয়ে অবশ্য ওই যুগ্ম-অধিকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কিছু বলতে অস্বীকার করেন। সিবিআই সূত্রের খবর, বছর দুই আগেই তাঁকে দিল্লি সদর দফতরে প্রশিক্ষণ বিভাগে বদলি করা হয়েছিল। সেইসঙ্গে কলকাতা জোনের অতিরিক্ত চার্জ ছিল তাঁর কাছে। ইদানীং কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আটটি নতুন মামলা সিবিআইয়ের হাতে এসেছে। তার মধ্যে এসএসসি দুর্নীতির জাল এতটাই ছড়িয়েছে যে কলকাতায় একজন পূর্ণ সময়ের যুগ্ম-অধিকর্তার প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। সেই কারণেই এমন পদক্ষেপ বলে অনেকে মনে করছেন।

    আরও পড়ুন: কয়লাকাণ্ডে অভিষেক-পত্নীকে তলব সিবিআইয়ের, আগামীকাল জেরা কলকাতাতেই?

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ভোট পরবর্তী হিংসার প্রায় ৬০টি মামলা, গরু পাচার, কয়লা পাচার, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মামলার চাপ সামলাতে আরও কয়েকজন অফিসারকে পাঠানো হতে পারে। শুধু এসএসসি দুর্নীতি তদন্ত করতেই যে সংখ্যক অফিসার প্রয়োজন তা কলকাতা জোনের নেই বলে তৃণমূলস্তরের তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন। সংস্থা সূত্রের খবর, এখন থেকে পঙ্কজ শ্রীবাস্তব দিল্লি থেকেই সিবিআইয়ের প্রশিক্ষণ দেখার পাশাপাশি কলকাতার চিটফান্ডের সমস্ত মামলা দেখভাল করবেন। সারদা, রোজভ্যালিসহ চিটফান্ডের সব মামলা এখনও তাঁর হাতেই থাকছে। ২০১৯ সালে সারদা চিটফান্ডের তদন্তের সূত্রেই কলকাতার তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়েছিল সিবিআই। তার নেতৃত্বে ছিলেন পঙ্কজ। নারদা মামলায় চার মন্ত্রীকে গ্রেফতারের নেপথ্যেও ছিলেন তিনি। তাঁর বদলিতে সিবিআইয়ের তদন্তের গতি প্রকৃতি এখন কোনদিকে যায় তা জানতে কৌতুহল তৈরি হয়েছে।

    আরও পড়ুন: কেন গ্রেফতার অনুব্রতর দেহরক্ষী, এত সম্পত্তি হল কীভাবে?

    তদন্তকারী সংস্থার খবর রাখেন এমন অনেকেই জানাচ্ছেন, গত একবছরে সিবিআই বেশ কয়েকটি স্পর্শকাতর মামলা হাতে পেলেও কোনও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারেনি। অনেকেরই মনে প্রশ্ন, কেন অনুব্রত মণ্ডলকে এখনও ছেড়ে রেখেছে সিবিআই! কেন এসএসসি মামলায় হাইকোর্টের রায় আসার পরেও ঢিমেতালে চলছে তদন্তকারী সংস্থা! কেন কয়লা পাচার ও গরু পাচারের আসল মাথাদের ছোঁয়া হচ্ছে না? নতুন পূর্ণ সময়ের যুগ্ম-অধিকর্তার কাঁধে এখন সেই ভার। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একাংশে দাবি, গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত সব শেষ, এবার সম্ভবত ‘অ্যাকশন’ শুরু হবে। 

  • Coal Smuggling: কয়লাকাণ্ডে অভিষেক-পত্নীকে তলব সিবিআইয়ের, আগামীকাল জেরা কলকাতাতেই?

    Coal Smuggling: কয়লাকাণ্ডে অভিষেক-পত্নীকে তলব সিবিআইয়ের, আগামীকাল জেরা কলকাতাতেই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির (ED) পর এবার সিবিআই (CBI)। দিল্লির পর এবার কলকাতা।

    কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal smuggling scam) তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishekl Banerjee) স্ত্রী রুজিরা (Rujira) বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরার জন্য নোটিস দিল সিবিআই। মঙ্গলবারই, অর্থাৎ ১৪ জুন তাঁকে কলকাতাতেই জেরা করতে চান তদন্তকারীরা। আগে কয়লা পাচারের বেআইনি অর্থের উপভোক্তা হিসাবে তাঁকে দিল্লিতে কয়েকবার তলব করেছে ইডি। কিন্তু অভিষেক-পত্নী জেরার মুখোমুখি হননি। আদালতে গিয়ে কলকাতার বদলে কেন তাঁকে দিল্লি ডাকা হচ্ছে সেই প্রশ্ন তুলে বিহিত চেয়েছিলেন। এখন কলকাতায় সিবিআইয়ের ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি তদন্তে যোগ দেবেন নাকি ফের আদালতের দ্বারস্থ হবেন তা কিছু সময়ের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের খবর, কয়লা পাচারের বেআইনি অর্থ অনেকের কাছেই নিয়মিত পৌঁছেছে। এমনকি বিদেশেও গিয়েছে সেই টাকা। অভিযোগ, ব্যাংককের কোনও একটি অ্যাকাউন্টে মোটা টাকা জমা হয়েছে। সেই টাকা ব্যবহার করে কেনা হয়েছে সোনাও। এসবের সঙ্গে রুজিরার কোনও যোগসূত্র আছে কিনা, সিবিআই তা জানতে চায়।

    আরও পড়ুন: চেকপোস্টে আটকে কয়লা, “ভাইপো ভ্যাটে”র অপেক্ষায়? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    তদন্তের মধ্যেই দেশ ছেড়ে যাতে কেউ চলে যেতে না পারেন, সে জন্য এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) বা ইডি আগেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর বোন মেনকা গম্ভীরের নামে লুক আউট সার্কুলার (Lookout circular) জারি করেছিল। এরপরই চিকিৎসার জন্য দুবাই যেতে চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন অভিষেক। সেই আবেদন মঞ্জুরও হয়। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, সস্ত্রীক দুবাই গিয়ে অন্য একটি দেশেও গিয়ে থাকতে পারেন তাঁরা। তবে ইতিমধ্যেই আদালতের নির্দেশ মেনে কলকাতা ফিরে এসেছেন অভিষেক ও রুজিরা। তারপরই রুজিরাকে ১৪ জুন হাজিরা দেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছে সিবিআই। 

    কেন সিবিআই রুজিরাকে জেরা করতে চায়?

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একাংশ জানাচ্ছে, অনুপ মাজি (Anup Mahji) ওরফে লালার বিভিন্ন ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়ে এমন কিছু নথি পাওয়া গিয়েছে যাতে কয়লা পাচারের বেআইনি টাকা কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে পৌঁছেছে বলে সিবিআইয়ের কাছে প্রমাণ এসেছে। তদন্তে গ্রেফতার হওয়া অনেকেই নিজেদের বয়ানেও প্রভাবশালীদের নাম বলেছেন। সেই সূত্রেই রুজিরাকে তলব করা হয়েছে। 

    সিবিআই জেনেছে, রুজিরা নারুলা (বন্দ্যোপাধ্যায়) তাইল্যান্ডের নাগরিক। তবে তাঁর ওভারসিজ সিটিজেন অব ইন্ডিয়া বা ওসিআই (OCI) কার্ড রয়েছে। তিনি কলকাতায় ভোট দেওয়ার অধিকারী নন। তবে কোনও সংস্থা খুলে ব্যবসা করতে পারেন। সে সব তথ্য সত্যি নাকি তিনি ভোটাধিকার থাকা ভারতীয় নাগরিক ইত্যাদি যাচাই করার জন্যই রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা। ব্যাংককের যে অ্যাকাউন্টগুলিতে লালার হিসাবরক্ষক টাকা পাঠাতেন তার সঙ্গে রুজিরার কোনও যোগ আছে কি, তাও জানা প্রয়োজন সিবিআইয়ের।
     
    তবে দিল্লির বদলে কলকাতায় আদৌ রুজিরা সিবিআইয়ের সামনে বসতে রাজি হবেন কিনা সেটাই এখন দেখার। না হলে ফের কলকাতা হাইকোর্টে (Kolkata Highcourt) এক দফা আইনি লড়াই চলতে পারে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুন: অভিষেক-জায়া রুজিরার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি দিল্লির আদালতের

LinkedIn
Share