Tag: congress

congress

  • Parliament Winter Session: আজ থেকে শুরু সংসদের শীতকালীন অধিবেশন, কোন কোন বিল পাশ হতে পারে?

    Parliament Winter Session: আজ থেকে শুরু সংসদের শীতকালীন অধিবেশন, কোন কোন বিল পাশ হতে পারে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, সোমবার ২৫ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন (Parliament Winter Session)। চলবে আগামী ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই অধিবেশনে ওয়াকফ সংশোধনী বিল সহ মোট ১৬টি বিল উপস্থাপনের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তবে, মোদি সরকার একদিকে যেমন গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ করাতে তৎপর হবে, সেই সময় বিরোধীরা মণিপুর, ওয়াকফ, আদানি ইস্যুতে বাধাসৃষ্টি করে সভার স্বাভাবিক কাজ ভণ্ডুল করার পরিকল্পনায় ব্যস্ত থাকবে। রবিবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সভাপতিত্বে হওয়া সর্বদল বৈঠকে বিরোধীরা তাদের নানা দাবির কথা জানিয়ে দিয়েছে। সংসদীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বিরোধীদের অনুরোধ করেছেন সব বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য সংসদ চলতে দেওয়া জরুরি। 

    আলোচনার জন্য সম্ভাব্য বিলগুলো

    এই অধিবেশনে (Parliament Winter Session) ওয়াকফ সংশোধনী বিল এবং বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা (সংশোধনী) বিলসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিল আলোচনা ও বিবেচনার জন্য আসতে পারে। লোকসভায় পেশ করা হবে ব্যাঙ্কিং আইন (সংশোধনী) বিল এবং রেলওয়ে আইন সংশোধনী বিল। এছাড়া, সরকারের “এক দেশ এক নির্বাচন” বিলটি এই অধিবেশনে পেশ করার সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যাঙ্কিং আইন সংশোধনী বিলটি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া আইন, ব্যাঙ্কিং প্রবিধান আইন, রাষ্ট্রীয় ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া আইন, এবং ব্যাঙ্কিং কোম্পানির আইন সংশোধন করবে। রাজ্যসভায় ২০২৪ সালের ভারতীয় বায়ুযান বিধেয়ক পেশ করা হবে, যা বিমান চলাচল, ডিজাইন, নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ, ব্যবহার, অপারেশন, বিক্রয়, রফতানি ও আমদানির নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মনিষেধ সংক্রান্ত বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করবে। সরকার যে বিতর্কিত ওয়াকফ বিল এই অধিবেশনেই পাশ করাতে আগ্রহী বিজেপির একাধিক সূত্র থেকে তার আভাস মিলেছে। ওয়াকফ ইস্যুতে সরকার পিছু হটবে না, শনিবারই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 

    আরও পড়ুন: দেশের যুব সমাজের প্রশংসা করলেন মোদি, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

     বিরোধীদের দাবি

    সর্বদলীয় বৈঠকে কংগ্রেস-সহ একাধিক বিরোধী দল আদানি কাণ্ডে যৌথ সংসদীয় কমিটি গঠনের দাবিতে সরব হয়েছে। তবে তৃণমূল আলাদা করে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেনি। সোমবার বেলা ১১’টায় অধিবেশন (Parliament Winter Session) শুরুর আগে রাজ্যসভা ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা যথাক্রমে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও রাহুল গান্ধীর চেম্বারে বিরোধীরা মিলিত হবেন। সেখানেই বিরোধীদের দাবি হিসাবে যৌথ সংসদীয় কমিটির দাবিতে সিলমোহর দেওয়ার কথা। রবিবারের সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন খাড়্গে, রাহুলও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maharashtra Assembly Elections: মাত্র ছ’মাসেই মহারাষ্ট্রে ঘুরে দাঁড়াল বিজেপি, কোন মন্ত্রবলে জানেন?

    Maharashtra Assembly Elections: মাত্র ছ’মাসেই মহারাষ্ট্রে ঘুরে দাঁড়াল বিজেপি, কোন মন্ত্রবলে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যবধান মাত্রই ছ’মাসের। এপ্রিলে লোকসভা নির্বাচনে যে রাজ্যে পদ্মের হাল (Mahayuti) মলিন হয়ে গিয়েছিল, মাত্র ছ’মাস পরেই সেই রাজ্যই পদ্মময়। মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে মহা বিকাশ অঘাড়ী জোটকে ধরাশায়ী করে জয়ডঙ্কা বাজাচ্ছে বিজেপি। এ রাজ্যে গেরুয়া শিবির বলে বলে গোল দিয়েছে বিরোধীদের। লোকসভা নির্বাচনের পর মহারাষ্ট্রের কুর্সি দখলের যে স্বপ্ন বিরোধীরা দেখেছিলেন, সেই স্বপ্নই বিধানসভা নির্বাচনে খড়কুটোর মতো ভেসে গেল আরব সাগরের জলে। প্রশ্ন হল, কোন মন্ত্রবলে বিজেপির এই ঘুরে দাঁড়ানো আর বিরোধীদের অধঃপতন? আসছি সেই আলোচনায়ই।

    নিশ্চুপে মেরামত করে চলেছে ভাঙা নৌকার হাল (Maharashtra Assembly Elections)

    বিজেপি সূত্রে খবর, লোকসভা নির্বাচনের পর হাতে যে ছ’মাস ছিল, সেই সময় নিজেকে গড়েপিটে নিয়েছে মহারাষ্ট্র বিজেপি। শত্রুর ঘরে (পড়ুন বিরোধী শিবিরে) যখন নিত্য বয়ে গিয়েছে অশান্তির চোরাস্রোত, তখন বিজেপি নিশ্চুপে মেরামত করে চলেছে ভাঙা নৌকার হাল। যারই সুফল গেরুয়া শিবির কুড়িয়েছে বিধানসভা নির্বাচনে। গত ছ’মাসে একের পর এক সাহসী এবং জনকল্যাণকর পদক্ষেপ নিয়েছেন গৈরিক নেতারা।

    জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপ

    নীতিগত সংশোধনের পদক্ষেপের পাশাপাশি কৃষক, নারী ও অনগ্রসর শ্রেণির জন্যও বিভিন্ন জনহিতকর কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে মহরাষ্ট্র সরকার। রাজনৈতিক মহলের মতে, মহাযুতি সরকারের এসব পদক্ষেপই ফলপ্রসূ হয়েছে। মহাযুতি সরকারের তিন শরিক— বিজেপি, শিবসেনা এবং ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি। লোকসভা নির্বাচনে বিপর্যয়ের পরে পরিস্থিতি পাল্টাতে সক্ষম হয়েছে এই জোট। মহারাষ্ট্রে লোকসভা আসন রয়েছে ৪৮টি। তার মধ্যে (Maharashtra Assembly Elections) বিজেপি পেয়েছিল মাত্র ১৭টি আসন (Mahayuti)। বাকি কেন্দ্রের রাশ গিয়েছে মহা বিকাশ অঘাড়ী (MVA) জোটের ঝুলিতে। শনিবার বিধানসভা নির্বাচনের ফল বের হওয়া শুরু হতেই চওড়া হতে থাকে বিজেপি নেতাদের মুখের হাসি। এদিন দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ১২৪টি আসনে জয় পেয়েছে পদ্ম শিবির। বিভিন্ন আসনে এগিয়ে রয়েছে মহাযুতি সরকারের জোট শরিকরা।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে জয় নিশ্চিত ‘মহাযুতি’ জোটের, ভোটারদের ধন্যবাদ একনাথ শিন্ডের

    দুয়ারে জনকল্যাণকর বিভিন্ন পরিষেবা

    মহারাষ্ট্রবাসীর দুয়ারে জনকল্যাণকর বিভিন্ন পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার সুফল যেমন বিজেপি কুড়িয়েছে, তেমনি আরএসএসের প্রচারও গৈরিক শিবিরের ঘরে তুলে দিয়েছে লাভের কড়ি। মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে আদাজল খেয়ে ময়দানে নেমে পড়েছিল আরএসএস। বিজেপি এবং রাজ্যের শাসক জোটের হয়ে ব্যাপক প্রচারও করেছে তারা। যার জেরে হতাশা কাটিয়ে উঠে বিজেপির পক্ষে ভোট দিয়েছেন ভোটারদের একটা বড় অংশ। বিজেপিও তাদের কঠোর হিন্দুত্ববাদী অবস্থান জোরালো করে তোলে। বিজেপির স্লোগানের মধ্যে ছিল ‘এক হো তো সেফ হো’, ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’ (ভাগ হলেই পতন)-এর মতো ঝাঁঝালো স্লোগান। এগুলোও ভোটারদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল। এসবই জুগিয়েছে বিজেপির পালে হাওয়া। বিজেপি এবং আরএসএসের যুগলবন্দির মোকাবিলা করতে পারেনি মহা বিকাশ অঘাড়ী জোট। যার জেরে মহারাষ্ট্রে পানি পায়নি এই মহাজোট।

    ওবিসি সম্প্রদায়

    মারাঠা আন্দোলন (Maharashtra Assembly Elections) ওবিসি সম্প্রদায়গুলিকে মেরুকরণ করবে বলে আশা করা হয়েছিল। বিজেপি তার জনসংযোগ পরিকল্পনার মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন ৩৫৩টি সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে নেমেছিল। মহারাষ্ট্র নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং রাজ্যের শীর্ষ নেতারা অঞ্চলভিত্তিকভাবে ওবিসি সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিজেপির সংযোগ স্থাপনের জন্য সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করেছিলেন। বিজেপি কেন্দ্রীয় ওবিসি তালিকায় সাতটি জাতি বা উপজাতিকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও রেখেছিল ওবিসি কমিশনের কাছে। ওবিসি সম্প্রদায়ের এই সূক্ষ্ম ব্যবস্থাপনা মহাযুতির পক্ষে মাঠ পর্যায়ে কার্যকর প্রমাণিত হয়। মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৮৮টি। এর মধ্যে ১৭৫টি আসনে নির্ণায়ক শক্তি ওবিসি সম্প্রদায়। তার একটা বড় অংশই এবার গিয়েছে গেরুয়া ঝুলিতে। যার জেরে আরব সাগরের তীরের লোনা মাটিতেও ফুটেছে পদ্ম।

    ‘কৃষি আমাদের ভিত্তি’

    মহারাষ্ট্রের জনসংখ্যার ৬৫ শতাংশই কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই লোকসভা নির্বাচনে পরাস্ত হওয়ার পর কৃষকদের ভোট পদ্ম-ঝুলিতে টানতে একাধিক পদক্ষেপ করে মহারাষ্ট্রের মহাযুতি সরকার। এর মধ্যে ছিল রাজ্য বাজেটে সরকার ৭.৫ হর্সপাওয়ার পর্যন্ত কৃষি পাম্প ব্যবহারকারী কৃষকদের জন্য বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘোষণা। নির্বাচনী ইশতেহারে, মহাযুতি ফসল ঋণ মকুবের প্রতিশ্রুতিও দেয় সরকার। ‘ভাবান্তর যোজনা’র মাধ্যমে এমএসপি এবং প্রকৃত ক্রয়মূল্যের পার্থক্য পরিশোধ করার প্রতিশ্রুতিও দেয় সরকার। এছাড়াও গুচ্ছ জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি হাতে নেয় সরকার। বিধানসভা নির্বাচনে এসবই ডিভিডেন্ট দিয়েছে বিজেপিকে। তার জেরেই আরব সাগরের তীর হয়েছে (Mahayuti) পদ্মময়। মহারাষ্ট্রের কুর্সির রং হয়েছে গেরুয়া (Maharashtra Assembly Elections)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Cash For Vote: রাহুল, খাড়্গে-সহ কংগ্রেসের তিন নেতাকে মানহানির নোটিশ পাঠাল বিজেপি

    Cash For Vote: রাহুল, খাড়্গে-সহ কংগ্রেসের তিন নেতাকে মানহানির নোটিশ পাঠাল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের তিন নেতার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা ঠুকে দেওয়ার (Cash For Vote) হুমকি দিলেন বিজেপির (BJP) জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের মুখপাত্র সুপ্রিয়া শ্রীনেটকে মানহানির নোটিশ পাঠিয়েছেন তিনি। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা তাওড়ের বিরুদ্ধে ভোটারদের টাকা বিলি করার অভিযোগ তুলেছেন।

    ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি (Cash For Vote)

    আইনি নোটিশে তাঁদের নিঃশর্তে তাওড়ের কাছে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করে দেওয়ানি মানহানির মামলা এবং ফৌজদারি মানহানির মামলা করবেন। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তাওড়ে বলেন, “কংগ্রেস নেতারা আমাকে ও আমার দলের মানহানির জন্য নির্বাচনের আগে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।”

    কী বলেছিলেন খাড়্গেরা?

    তিনি বলেন, “মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে, ১৯ নভেম্বর, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং দলের মুখপাত্র সুপ্রিয়া বলেছিলেন যে বিনোদ তাওড়েকে ভোটারদের মধ্যে ৫ কোটি টাকা বিলি করার সময় হাতে-নাতে ধরা হয়েছে। তাঁরা কেবল (Cash For Vote) আমাকে ও আমার দলের মানহানি করতে চেয়েছিল।”

    বিজেপির এই নেতা বলেন, “আমি অত্যন্ত আঘাত পেয়েছি। আমি একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। গত ৪০ বছর ধরে রাজনীতিতে আছি। আমি কখনওই এমন কিছু করিনি। কংগ্রেস নেতারা আমাকে, আমার দল ও আমার নেতাদের মানহানি করতে চেয়েছিলেন। তাই তাঁরা ইচ্ছাকৃতভাবে সংবাদমাধ্যম ও জনগণের কাছে এই মিথ্যা কথা বলেছিলেন। তাই আমি তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতের নোটিশ পাঠিয়েছি যে তারা যেন প্রকাশ্যে ক্ষমা চান, অন্যথায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুন: নিজ্জর খুনের ঘটনা জানতেন না মোদি-জয়শঙ্কর-ডোভাল, দিল্লির চাপে ‘ঢোঁক গিলল’ ট্রুডো সরকার

    তাওড়ের বিরুদ্ধে টাকা বিলির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। পদ্ম-সাংসদ সম্বিত পাত্র বলেন, “এগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। আমাদের সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে স্পষ্টভাবে রাহুলকে চ্যালেঞ্জ করেছেন যে তিনি এসে (BJP) সিসিটিভির ফুটেজ দেখুন, নিজেই দেখুন এবং বলুন কোথায় অর্থ রয়েছে (Cash For Vote), কে বিতরণ করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh Waqf Board: শুক্রবারের ‘খুতবা’ দিতে হলে আগাম অনুমতি নিতে হবে, ছত্তিশগড়ের মসজিদগুলিকে নির্দেশ

    Chhattisgarh Waqf Board: শুক্রবারের ‘খুতবা’ দিতে হলে আগাম অনুমতি নিতে হবে, ছত্তিশগড়ের মসজিদগুলিকে নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নজিরবিহীন নির্দেশ ছত্তিশগড় ওয়াকফ বোর্ডের (Chhattisgarh Waqf Board)! তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, শুক্রবার নমাজ আদায়ের সময় দেওয়া সমস্ত ধর্মীয় বক্তব্যের আগাম অনুমোদন করাতে হবে (BJP)। রাজনৈতিক অশান্তি এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত বলেও জানিয়ে দিয়েছে ওয়াকফ বোর্ড। বোর্ডের চেয়ারম্যান সলিম রাজ একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলেন, “মসজিদে দেওয়া ভাষণ হওয়া উচিত কেবল ইসলামি শিক্ষার ওপর ভিত্তি করে। বক্তৃতায় রাজনৈতিক বিষয় এড়িয়ে চলা উচিত।”

    কী বলছেন ওয়াকফ বোর্ড প্রধান? (Chhattisgarh Waqf Board)

    গত মাসেই ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েছেন সলিম। তিনি রাজ্যে বিজেপি-র সংখ্যালঘু শাখার প্রধানও। হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। সলিম বলেন, “ধর্মীয় স্থানগুলোকে রাজনৈতিক আড্ডায় পরিণত করা উচিত নয়। রাজনীতি রাজনীতিবিদদের জন্য, আর খুতবা (ধর্মীয় বক্তব্য) শুধুমাত্র ইসলাম ও আল্লাহ্-র বার্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত।”

    সরকার বিরোধী বক্তব্য

    জানা গিয়েছে, বোর্ড ৩ হাজার ৮০০টি মসজিদে এই নির্দেশ কার্যকর করার পরিকল্পনা করেছে। এটি শুরু হবে এই শুক্রবার থেকেই। সলিম জানান, এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে কিছু মসজিদে সরকার-বিরোধী বক্তব্যের অভিযোগ পাওয়ার পরে। এই অভিযোগ এসেছে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি থেকে। সলিমের এই নির্দেশের কড়া সমালোচনা করেছে বিরোধী দলগুলি। এআইএমআইএমের পাশাপাশি কংগ্রেসও রয়েছে সমালোচকদের মধ্যে। এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি সলিমের এই সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক বলে অভিহিত করেছেন।

    তাঁর দাবি, এটি (Chhattisgarh Waqf Board) সংবিধানের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করে, যা ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেয়। তিনি বলেন, “ওয়াকফ বোর্ডের খুতবার আগে (Chhattisgarh Waqf Board) অনুমোদন নেওয়ার আইনি কোনও ক্ষমতা নেই। থাকলেও এটি অসাংবিধানিক হবে।” সমালোচনা করেছে কংগ্রেসও। তাদের বক্তব্য, এটি বাকস্বাধীনতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ। দলের মুখপাত্র সুশীল আনন্দ শুক্লা বলেন, “ওয়াকফ বোর্ড সম্পত্তি পরিচালনা করে। কিন্তু মসজিদে প্রদত্ত খুতবার বিষয়বস্তু নির্ধারণের কোনও ক্ষমতা তাদের নেই।”

    আরও পড়ুন: ‘‘এক দশকে দেশের ২৫ কোটি মানুষের দারিদ্রতা দূর করা গিয়েছে’’, জি২০ সম্মেলনে বললেন মোদি

    বিজেপির মুখপাত্র তৌকির রাজার বক্তব্য, ধর্মীয় স্থানে অবাধ রাজনৈতিক বক্তব্য উত্তেজনা বাড়াতে পারে। কাশ্মীরের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “সেখানে ফতোয়া হিংসকে উৎসাহিত করেছে, যার ফলে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ওপর আক্রমণ হয়েছে।” তিনি বলেন, “আমরা নিশ্চিত করছি যে (BJP) মসজিদগুলি যেন রাষ্ট্রবিরোধী বা বিতর্কিত কার্যক্রমে ব্যবহৃত না হয় (Chhattisgarh Waqf Board)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Karnataka Lokayukta: কমিশন মামলায় কর্নাটকের পূর্বতন বিজেপি সরকারকে ক্লিনচিট দিল লোকায়ুক্ত

    Karnataka Lokayukta: কমিশন মামলায় কর্নাটকের পূর্বতন বিজেপি সরকারকে ক্লিনচিট দিল লোকায়ুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকের পূর্বতন বিজেপি সরকারকে ক্লিনচিট দিল লোকায়ুক্ত (Karnataka Lokayukta)। রবিবার, ১৮ নভেম্বর রাজ্যের ঠিকাদারদের অ্যাসোসিয়েশনের প্রয়াত সভাপতি ডি. কেম্পান্না এবং সহ-সভাপতি আর অম্বিকাপথীর দায়ের করা ৪০ শতাংশ কমিশন (BJP) মামলায় আগের বাসবরাজ বোম্মাই সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ খারিজ করে দিল লোকায়ুক্ত। গত বছরই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ডি. কেম্পান্না এবং আর অম্বিকাপথী।

    কী বলছে বিজেপি? (Karnataka Lokayukta)

    সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি নেতা আর অশোক বলেন, “অভিযোগকারীরা কখনওই ৪০ শতাংশ কমিশনের কোনও প্রমাণ দিতে পারেননি। অথচ  ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে এই অস্ত্রই প্রয়োগ করা হয়েছিল।” তিনি বলেন, “লোকায়ুক্ত কখনওই ঠিকাদারদের দেওয়া ৪০ শতাংশ কমিশনের কোনও প্রমাণ পায়নি। কেম্পান্না এবং অম্বিকাপথী কংগ্রেস পার্টির হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছিলেন এবং মামলা দায়ের করেছিলেন। কিন্তু লোকায়ুক্ত মামলাটি খারিজ করে দিয়েছে। কারণ অভিযোগ প্রমাণ করার জন্য কোনও প্রমাণ দেওয়া হয়নি।” অশোক আরও বলেন (Karnataka Lokayukta), “বর্তমান কংগ্রেস সরকার বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা দাবি এবং ভোটারদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে কর্নাটকে ক্ষমতায় এসেছে।” তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী, “শাসক কংগ্রেস ভবিষ্যতে পরাজিত হবে এবং তাদের নেতারা বাড়িতে থাকতে বাধ্য হবেন।”

    লোকায়ুক্তের বক্তব্য

    লোকায়ুক্তও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, অভিযোগের স্বপক্ষে কোনও মুখ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া বলেন, “ক্লিন চিট দেওয়া মানে কোনও অন্যায় হয়নি, এমন নয়।” তিনি বলেন, “বিজেপি দাবি করেছে যে তারা ক্লিন চিট পেয়েছে, তবে এর অর্থ এই নয় যে কোনও ভুল হয়নি। আদালতে একটি মামলা খারিজ হওয়ার দুটি উপায় রয়েছে। একটি উপায় হল পেশ হওয়া প্রমাণ অপরাধ প্রমাণ করতে সক্ষম নয়। আমি নিজে নির্দেশটি পড়িনি, তবে আমি এটি খতিয়ে দেখব।”

    আরও পড়ুন: পিএম-কিষানের টাকায় অর্থ সংগ্রহ! ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করার জঙ্গি-ছক ফাঁস

    প্রসঙ্গত, গত বছরই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন এই বলে যে, যদি তাদের কাছে ওই মামলায় বিজেপির বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ থাকে, তবে তারা আদালতে যেতে পারে। শাহের এই মন্তব্যের আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন, বিজেপি হল ভারতের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দল। দুর্নীতির ওই টাকা অন্যান্য দলের বিধায়কদের কিনে নিতে ব্যবহার করা (BJP) হয়েছে। তার প্রেক্ষিতেই কংগ্রেসকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন শাহ (Karnataka Lokayukta)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Rajnath Singh: কংগ্রেস দেয়নি মর্যাদা, আম্বেদকরকে যোগ্য সম্মান দিয়েছেন মোদি, মহারাষ্ট্রে বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: কংগ্রেস দেয়নি মর্যাদা, আম্বেদকরকে যোগ্য সম্মান দিয়েছেন মোদি, মহারাষ্ট্রে বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরের পর বছর ধরে দেশ শাসন করলেও বাবাসাহেব আম্বেদকরকে সম্মান জানায়নি কংগ্রেস (Congress), মহারাষ্ট্রে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে এমনটাই জানালেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। প্রসঙ্গত, শনিবারে রাজনাথ সিং মুম্বই, পালঘর, পুনে প্রভৃতি জায়গায় নির্বাচনী জনসভা করেন এবং সেখানেই তিনি জানান, আম্বেদকরকে যোগ্য সম্মান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধেও তোপ দাগেন রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, ‘‘রাহুল গান্ধী জাতভিত্তিক জনগণনা করতে চাইছেন। তিনি লাল মলাটের একটি বই নিয়ে ঘুরছেন সারা দেশ এবং দাবি করছেন সেটা নাকি সংবিধান। তিনি বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন জনগণের মধ্যে।’’

    কংগ্রেস (Congress) জোটের নেতাদের কাছে মহারাষ্ট্র হল এটিএম 

    রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) আরও বলেন, ‘‘কংগ্রেস জোটের নেতারা নিজেদের মধ্যে লড়াই করতে ব্যস্ত। ইন্ডি জোটের কাছে মুম্বই সমেত গোটা মহারাষ্ট্র হল একটা এটিএম-এর মতো। তারা এখানে থেকে শুধু টাকা তুলতে চায়।’’ বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে পালঘরে রাজনাথ সিং বলেন, ‘‘যে ধরনের জনসমর্থন বিজেপি পাচ্ছে মহারাষ্ট্র এবং ঝাড়খণ্ডে, তাতে এটা পরিষ্কার যে এই দুই রাজ্যে এনডিএ সরকার তৈরি হতে চলেছে এবং বহু রাজনৈতিক বিশ্লেষক এই মতকে সমর্থন করেছেন।’’

    দারিদ্রতা দূরীকরণ করতে পারেনি কংগ্রেস

    রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) এদিন আরও বলেন, ‘‘কংগ্রেস সরকার প্রতিবারই স্লোগান দেয় যে তারা ক্ষমতায় এলে দারিদ্রতা দূরীকরণ করবে। কিন্তু কেন্দ্রে এবং বিভিন্ন রাজ্যে তারা পঞ্চাশ বছরের বেশি সময় ক্ষমতায় ছিল। তার পরেও তারা দেশ থেকে দারিদ্র দূরীকরণ করতে পারেনি। কিন্তু ২০১৪ সালের পর প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্রতা সীমা থেকে বেরিয়ে এসেছেন।’’

    প্রসঙ্গ মহিলা সংরক্ষণ

    মহিলা সংরক্ষণ নিয়ে এদিন রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) বলেন, ‘‘জেলা পঞ্চায়েত, নগর পঞ্চায়েত, পুরসভায় মহিলা প্রতিনিধিত্বের জন্য মোদি সরকার ইতিমধ্যে বিল পাশ করেছে। এর ফলে মহিলারা ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ পাবেন। সংসদীয় কাজকর্মে আরও বেশি অংশগ্রহণ করতে পারবেন তাঁরা। রাজনাথ সিং আরও বলেন, ‘‘ভারতীয় সংবিধান কখনও ধর্মভিত্তিক সংরক্ষণের অনুমোদন দেয় না। বিজেপির রাজনীতির ভাবনাই হল মূল্যবোধ ও মানবতার রাজনীতি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘‘কংগ্রেস এবং তার জোট সঙ্গীরা পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছে’’, মহারাষ্ট্রে তোপ মোদির

    PM Modi: ‘‘কংগ্রেস এবং তার জোট সঙ্গীরা পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছে’’, মহারাষ্ট্রে তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে (Maharastra) নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বিরোধীদের তোপ দাগলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, ‘‘কংগ্রেস এবং তার জোট সঙ্গীরা পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছে।’’ মহারাষ্ট্রের নির্বাচনের লড়াইকে তিনি আখ্যা দেন সম্ভাজি মহারাজের বনাম ঔরঙ্গজেবের লড়াই হিসেবে। এদিন নিজের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেস এবং তার জোট সঙ্গীদের তুলোধনা করেন ৩৭০ ধারা ইস্যুতেও। তিনি বলেন, ‘‘ যে ধারা কাশ্মীরকে আলাদা সংবিধান তৈরি করার অধিকার দিয়েছিল, ফের আবার তা ফিরিয়ে আনতে চলেছে কংগ্রেস ও জোট সঙ্গীরা।

    ছত্রপতি সম্ভাজি নগরে সভা করেন প্রধানমন্ত্রী 

    এরপরই তিনি জনগণের উদ্দেশে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেন, ‘‘মহারাষ্ট্র কি কংগ্রেসকে সমর্থন করে? যারা পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছে।’’ তারপরেই জনগণের (PM Modi) উদ্দেশ্যে তিনি দুটির মধ্যে একটিকে বাছতে বলেন। তিনি বলেন, ‘‘একদিকে রয়েছে সম্ভাজি মহারাজের সমর্থকরা, অন্যদিকে রয়েছে ঔরঙ্গজেবের সমর্থকরা। জনগণকে ঠিক করতে হবে তারা কাকে বাছবে। এদিন বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী জনসভা করেন ছত্রপতি সম্ভাজি নগরে (Maharastra)। সেখানেই কংগ্রেসকে এক হাত নেন তিনি। প্রসঙ্গত, জম্মু-কাশ্মীর বিধানসভায় কংগ্রেস এবং ন্যাশনাল কনফারেন্স প্রস্তাব পেশ করেছে যাতে আর্টিকেল ৩৭০কে ফিরিয়ে আনা যায়। এ নিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, কংগ্রেস কখনও চায় না কাশ্মীর অখণ্ড ভারতের অংশ হোক।

    প্রত্যেক ভারতবাসী চায় জম্মু-কাশ্মীর শাসিত হোক বাবাসাহেব আম্বেদকরের সংবিধান থেকেই

    নিজের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘আমরা যখন কাশ্মীরকে ৩৭০ ধারা মুক্ত করেছিলাম তখন কংগ্রেস ও তার জোট সঙ্গীরা এর বিরোধিতা করেছিল, সংসদে দাঁড়িয়ে। শুধুমাত্র তাই নয়, তারা আদালতের দরজাতে কড়া নেড়েছিল।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘তারা ফের একবার সেই ৩৭০ ধারাকে ফিরিয়ে আনতে চাইছে। জম্মু-কাশ্মীরের জন্য আলাদা সংবিধান তারা চাইছে।’’ প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘প্রত্যেক ভারতবাসী চায় জম্মু-কাশ্মীর শাসিত হোক বাবাসাহেব আম্বেদকরের সংবিধান থেকেই।’’ প্রধানমন্ত্রী এদিন কংগ্রেসের উদ্দেশে আরও বলেন, ‘‘তারা জাতভিত্তিক জনগণনা চাইছে এবং তপশিলি জাতি, তপশিলি উপজাতি এবং ওবিসিদের মধ্যে বিভাজন আনার চেষ্টা করছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Wayanad: মদ, টাকা বিলিয়ে ওয়েনাড়ের ভোটারদের প্রলোভন! প্রিয়াঙ্কাকে তোপ বিজেপি প্রার্থী নব্যা হরিদাসের

    Wayanad: মদ, টাকা বিলিয়ে ওয়েনাড়ের ভোটারদের প্রলোভন! প্রিয়াঙ্কাকে তোপ বিজেপি প্রার্থী নব্যা হরিদাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মদ, টাকা বিলিয়ে ওয়েনাড়ের (Wayanad) ভোটারদের প্রলোভন! প্রিয়াঙ্কাকে তোপ বিজেপি প্রার্থী নব্যা হরিদাসের। পাল্টা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কংগ্রেস প্রার্থী। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ছে দেশ জুড়ে। উল্লেখ্য, কেরলের এই আসনে ২০২৪ সালের ভোটে জয়ী হয়েছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। এবার আসনে লড়বেন তাঁর বোন।

    অপর দিকে বিজেপির প্রার্থী নব্যা হরিদাস। তিনি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। কেরলের কোঝিকোড পুরসভার ২ বারের কাউন্সিলর ছিলেন। সেই সঙ্গে বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের পদের দায়িত্বও পালন করেছিলেন।

    কংগ্রেস নির্বাচনে হার বুঝতে পেরে ভয় পেয়ে গিয়েছে (Wayanad)

    মঙ্গলবার এই নির্বাচনকে (Wayanad) ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপি প্রার্থী সকাল থেকেই বুথ পরিদর্শন করছিলেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “কংগ্রেস ভোটারদের প্রলোভন দিচ্ছে। টাকা, মদ উপহার বিলি করে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। আসলে কংগ্রেস নির্বাচনে হার বুঝতে পেরে ভয় পেয়ে গিয়েছে। এখানে এমন একজন জনপ্রতিনিধি প্রয়োজন, যিনি এলাকার মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করবেন, এখানকার স্থানীয় সমস্যার কথা প্রতিদিন শুনবেন এবং সংসদে গিয়ে বক্তব্যকে তুলে ধরতে পারবেন।”

    আরও পড়ুনঃ ফের কেলেঙ্কারি, সরকারি তালিকায় নাম নেই, অথচ রিষড়ার সংস্থা থেকে ৬০ লক্ষ টাকার ওষুধ আরজি করে

    কী বললেন প্রিয়াঙ্কা?

    অন্যদিকে ভোটদানের পর্ব শুরুর আগেই সামজিক মাধ্যমে সকলকে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের কথা জানিয়ে ওয়েনাড়ের (Wayanad) কংগ্রেস প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, “আমার প্রিয় ভাই-বোনেরা, আপনারা নির্ভয়ে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন। আজ আপনাদের মতপ্রকাশের দিন। নিজেরা নিজেদের পছন্দের প্রার্থীদের বেছে নিন। সংবিধান আপনাদের যে অধিকার দিয়েছে তা প্রয়োগ করুন। চলুন আমরা একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: “রাজাকারদের লাগানো আগুনেই মৃত্যু হয়েছিল মা-বোনের”, খাড়্গেকে মনে করিয়ে দিলেন যোগী

    Yogi Adityanath: “রাজাকারদের লাগানো আগুনেই মৃত্যু হয়েছিল মা-বোনের”, খাড়্গেকে মনে করিয়ে দিলেন যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমি একজন যোগী।  আমার কাছে দেশ সবার আগে। কিন্তু মল্লিকার্জুন খাড়্গের (Mallikarjun Kharge) কাছে তুষ্টিকরণের রাজনীতি সবার আগে।” মঙ্গলবার এই ভাষায়ই কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)।

    কী বললেন যোগী? (Yogi Adityanath)

    তিনি বলেন, “ভোটের জন্য খাড়্গে তাঁর পরিবারের আত্মত্যাগের কথা ভুলে গিয়েছেন।” খাড়্গের শৈশবের দুঃখজনক ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে এনে যোগী বলেন, “১৯৪৮ সালে হায়দরাবাদের নিজামের রজাকাররা তাঁর গ্রাম পুড়িয়ে দিয়েছিল। যার ফলে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর মা ও বোনের।” সোমবার ভোটমুখী মহারাষ্ট্রের আচলপুরে এক জনসভায় বক্তব্য রাখছিলেন খাড়্গে। সেখানে তিনি বলেছিলেন, “বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে” (বিভাজিত হলে আমরা ধ্বংস হব)। কংগ্রেস সভাপতির এই স্লোগানেরই জবাব দেন যোগী। তিনি বলেন, “আমি একজন যোগী।  আমার কাছে দেশ সবার আগে। কিন্তু মল্লিকার্জুন খাড়গের কাছে তুষ্টিকরণের রাজনীতি সবার আগে।”

    স্মৃতির সরণী বেয়ে

    এরপর যোগী খাড়্গের শৈশবের মর্মান্তিক ঘটনার প্রসঙ্গে ফিরে যান। বলেন, “খাড়্গেজি, আমার ওপর রাগ করবেন না… যদি রাগ করতে চান, তাহলে হায়দরাবাদের নিজামের ওপর রাগ করুন। হায়দরাবাদের নিজামের রাজাকার বাহিনী আপনার গ্রাম পুড়িয়ে দিয়েছিল। হিন্দুদের নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল। আপনার সম্মানিত মা, বোন ও পরিবারের সদস্যদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল। দেশের সামনে এই সত্য প্রকাশ করুন যে যখনই তারা বিভক্ত হবে, তারা একই নির্মম উপায়ে বিভক্ত হবে।”

    আরও পড়ুন: জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ব্রাজিলে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, যাবেন নাইজিরিয়া, গায়নায়ও

    উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “খাড়্গে এই সত্যটি প্রকাশ্যে স্বীকার করতে চাইবেন না। কারণ তিনি মনে করেন এটি মুসলিম ভোটারদের প্রতি তাঁর আবেদন কার্যকর করতে নাও পারে।” মহা বিকাশ আগাড়ি (এমভিএ) জোটকেও নিশানা করেছেন যোগী (Yogi Adityanath)। তিনি বলেন, “এমভিএ মহারাষ্ট্রকে ‘লাভ জিহাদ’ ও ‘ল্যান্ড জিহাদের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে। তারা এমন একটি জোট যা জাতীয় ঐক্যকে দুর্বল করে।”

    প্রসঙ্গত, সোমবার এক সমাবেশে খাড়্গে বলেন, “অনেক নেতা গেরুয়া পোশাক পরেন, মাথা মুড়িয়ে থাকেন। এমনকি কেউ কেউ মুখ্যমন্ত্রীও হয়ে যান। যদি আপনি সন্ন্যাসী (Mallikarjun Kharge) হন, তবে গেরুয়া পরুন, রাজনীতি থেকে দূরে থাকুন।” এদিন তারই জবাব দিলেন যোগী (Yogi Adityanath)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।   

  • PM Modi: “মহা বিকাশ আগাড়ি দুর্নীতির সব চেয়ে বড় খেলোয়াড়”, তোপ মোদির

    PM Modi: “মহা বিকাশ আগাড়ি দুর্নীতির সব চেয়ে বড় খেলোয়াড়”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মহা বিকাশ আগাড়ি (এমভিএ) দুর্নীতির সব চেয়ে বড় খেলোয়াড়।” ভোটমুখী মহারাষ্ট্রে ঠিক এই ভাষায়ই মহা বিকাশ আগাড়িকে (MVA) আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “এমভিএ উন্নয়ন প্রকল্পগুলিকে ঝুলিয়ে রাখা এবং বিলম্বিত করার বিষয়ে পিএইচডি করেছে।”

    এমভিএকে আক্রমণ মোদির (PM Modi)

    মঙ্গলবার চন্দ্রপুরের চিমুরে এক নির্বাচনী সমাবেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “মহারাষ্ট্রের দ্রুত উন্নয়ন আগাড়ি দলের ক্ষমতার বাইরে। এমভিএ শুধু কাজ থামানোর ওপর পিএইচডি করেছে। কাজগুলো আটকে রাখা, ঝুলিয়ে রাখা আর বিভ্রান্ত করা – এই কাজে তারা ওস্তাদ।” এদিন প্রধানমন্ত্রী নিশানা করেন কংগ্রেসকেও। তিনি বলেন, “এই দল ডবল পিএইচডি করেছে এবং উন্নয়নমূলক কাজগুলিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে এক্সপার্ট। এই কংগ্রেসিরা তো এতে বিশেষজ্ঞ, আড়াই বছরে তারা প্রতিটি উন্নয়নমূলক প্রকল্প থামানোর চেষ্টা করেছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “আগাড়ি দল হল দুর্নীতির সবচেয়ে বড় খেলোয়াড়।”

    মোদির প্রশ্নবাণ

    জনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন, “চিমুরের জনগণ কি এমভিএকে শহরের উন্নয়নে বাধা দিতে দেবে? আপনারা কি আবার এদের লুটপাটের লাইসেন্স দেবেন? লুট করতে দেবেন? রাজ্যের ভান্ডার ভরতে দেবেন? মহারাষ্ট্রের উন্নয়নে এমভিএ কি বাধা দেবে?” তিনি বলেন, “কীভাবে এই আগাড়ি দলগুলো উন্নয়নে বাধা দেয়, তার সব চেয়ে বড় সাক্ষী চন্দ্রপুরের জনগণ।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “মহাজোট সরকার কত দ্রুত গতিতে কাজ করে এবং এই আগাড়িরা কীভাবে কাজ বন্ধ করে দেয়, তা চন্দ্রপুরের মানুষের চেয়ে ভালো আর কে জানে? এখানে মানুষ দীর্ঘদিন ধরে রেল সংযোগের দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু কংগ্রেস এবং আগাড়িরা এই কাজ করতে দেয়নি।”

    আরও পড়ুন: একজন মাত্র বিজেপি বিধায়ক থাকলেও মুসলিম সংরক্ষণে ‘না’, কংগ্রেসকে হুঁশিয়ারি অমিত শাহের

    এদিন প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতায় উঠে এসেছে বিজেপির ইশতেহারের প্রসঙ্গও। তিনি জানান, এই ইশতেহারে মহারাষ্ট্রবাসীর জন্য প্রয়োজনীয় ২৫টি প্রতিশ্রুতি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিজেপির এই ইশতেহার আগামী পাঁচ বছরে মহারাষ্ট্রের জন্য ‘বিকাশের গ্যারান্টি’  হয়ে উঠবে।” তিনি বলেন, “মহাজোটের সঙ্গে কেন্দ্রে এনডিএ সরকার মানে মহারাষ্ট্রে ডাবল ইঞ্জিন সরকার, অর্থাৎ উন্নয়নের গতি হবে দ্বিগুণ।” তিনি বলেন, “আজ আমি মহারাষ্ট্র বিজেপিকে অভিনন্দন জানাতে চাই, যারা একটি চমৎকার ইশতেহার প্রকাশ করেছে। এতে আমাদের কন্যা ও বোনদের জন্য, কৃষকদের জন্য, দেশের যুব শক্তির জন্য এবং মহারাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য অনেক (MVA) চমৎকার সব সংকল্প গ্রহণ করা হয়েছে (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share