Tag: congress

congress

  • Sonia Gandhi: হাসপাতালে করোনা সংক্রমিত সোনিয়া, অবস্থা স্থিতিশীল, জানাল কংগ্রেস

    Sonia Gandhi: হাসপাতালে করোনা সংক্রমিত সোনিয়া, অবস্থা স্থিতিশীল, জানাল কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Covid) সংক্রমিত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি কংগ্রেস (Congress) সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। ২ জুন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রীর করোনা সংক্রমিত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে। রাখা হয়েছিল হোম আইসোলেসনে। পরে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় রবিবার তাঁকে ভর্তি করা হয় দিল্লির (Delhi) গঙ্গারাম হাসপাতালে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, কংগ্রেস হাইকমান্ডের অবস্থা স্থিতিশীল।

    রাহুল গান্ধী বিদেশে থাকাকালীন সময়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন সোনিয়া। নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষায় জানা যায় তিনি করোনা সংক্রমিত। এর পরেই হোম আইসোলেশনে রাখা হয় গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির সর্বময় কর্ত্রীকে। পরে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজওয়ালা জানান, করোনা সংক্রমিত কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধিকে দিল্লির গঙ্গারাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। পর্যবেক্ষণের জন্য হাসপাতালে রাখা হয়েছে তাঁকে। যাঁরা ওঁর শারীরিক সুস্থতা কামনা করেছেন, তাঁদের আমরা ধন্যবাদ জানাই।

    আরও পড়ুন : ইডি দফতরে হাজিরার আগেই করোনা পজিটিভ সোনিয়া

    এদিকে, সোনিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে ট্যুইট করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে দুদিন আগেই মমতার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন সোনিয়া। কথা বলার সময় সোনিয়া কাশছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দেন। ১৫ জুন দিল্লির কনস্টিটিউশন হলে বিজেপি বিরোধী দলগুলির নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসবেন মমতা। সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে সোনিয়াকেও। সেই বৈঠকের আগেই তাঁকে ভর্তি হতে হল হাসপাতালে।

    আরও পড়ুন : সোনিয়া, রাহুলকে সমন ইডি-র! ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বিপাকে কংগ্রেস

    প্রসঙ্গত, ১ জুন ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় রাহুল ও সোনিয়াকে তলব করেছিল ইডি। ৮ জুন ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল সোনিয়ার। করোনা সংক্রমিত হয়ে পড়ায় তিনি আপাতত হাজিরা দিতে পারছেন না। তবে সোমবার ইডি দফতরে গিয়ে হাজিরা দিয়েছেন রাহুল গান্ধী। পায়ে হেঁটে গিয়ে ইডি দফতরে যান তিনি। তার আগে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন কংগ্রেস কর্মীরা।

     

     

  • Rajya Sabha Polls: শিয়রে রাজ্যসভা ভোট, বিধায়কদের ‘লুকিয়ে’ রাখছে আতঙ্কিত কংগ্রেস?

    Rajya Sabha Polls: শিয়রে রাজ্যসভা ভোট, বিধায়কদের ‘লুকিয়ে’ রাখছে আতঙ্কিত কংগ্রেস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসে (Congress) ফিরল রিসর্ট সংস্কৃতি! বিধায়করা যাতে দল ভেঙে বিজেপিতে (BJP)  গিয়ে না ভিড়ে যান, তার জন্য তাঁদের বিভিন্ন হোটেলে ‘লুকিয়ে’ রেখেছিলেন রাজস্থান কংগ্রেস। প্রায় সেই একই ছবির রিমেক হতে চলেছে এবারও। সৌজন্যে রাজ্যসভা নির্বাচন (Rajya Sabha Polls)।

    একের পর এক রাজ্যে ক্ষমতা হারাতে হারাতে প্রায় প্রান্তিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি। দেশের মাত্র দুটি রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে সোনিয়া (Sonia) গান্ধীর দল। এই দুই রাজ্য হল রাজস্থান ও ছত্তিশগড়। ১০ জুন রাজ্যসভা নির্বাচন। দেশের ১৫টি রাজ্যের ৫৭টি আসনে হবে এই নির্বাচন। ইতিমধ্যেই ২২ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। কংগ্রেস ১০।

    আরও পড়ুন :রাজ্যসভা নির্বাচনে ২২ আসনে প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির, দেখুন তালিকা

    এই প্রার্থীরাও যে গেরুয়া-কূলে গিয়ে তরী ভেড়াবেন না, তা কে বলতে পারে? গেরুয়া খাতায় নাম লেখাতে পারেন বিধায়করাও। অতএব, ‘বন্দি’ করো বিধায়কদের! কংগ্রেস সূত্রে খবর, হরিয়ানার কংগ্রেস বিধায়কদের ছত্তীশগড়ের রায়পুরের একটি হোটেলে রাখা হতে পারে। আর ছত্তীশগড়ের বিধায়কদের রাখা হতে পারে রাজস্থানের উদয়পুরের এক হোটেলে।

    রাজ্যসভায় ক্রমেই শক্তিহীন হতে চলেছে কংগ্রেস। এমতাবস্থায় কংগ্রেসকে মাত দিতে তৈরি বিজেপি। হরিয়ানা, রাজস্থান, কর্নাটক ও মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসকে একটিও বাড়তি আসন ছাড়তে রাজি নন পদ্ম নেতৃত্ব। তাই এই চার রাজ্যের রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রয়োজনীয় ‘ভোট’ জোগাড়ের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে চার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর হাতে।

    দুশো আসনের রাজস্থান বিধানসভায় কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ১০৮। বিজেপির ৭১। এই রাজ্যে রাজ্যসভার একটি আসন জিততে হলে কোনও প্রার্থীকে ৪১ জনের ‘ভোট’ পেতে হবে। সেই হিসেবে কংগ্রেসের দুই প্রার্থীর জেতার পরে বাড়তি ভোট থাকছে ২৬টি। আবার বিজেপির প্রথম প্রার্থীকে জেতানোর পরে হাতে থাকছে ৩০টি ভোট। বিজেপির এক নেতার কথায়, তৃতীয় প্রার্থীকে জেতাতে কংগ্রেসের প্রয়োজন ১৫টি ভোট। আর পদ্ম শিবিরের দ্বিতীয় প্রার্থীকে জেতাতে দরকার ১১টি ভোট। স্বভাবতই এগিয়ে বিজেপি।

    আরও পড়ুন : আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, শক্তি খোয়াবে কংগ্রেস?

    হরিয়ানাতেও কংগ্রেসকে মাত দিতে সক্রিয় বিজেপি নেতৃত্ব। হরিয়ানা বিধানসভার আসন সংখ্যা ৯০। সেরাজ্যে ভোট হবে রাজ্যসভার দুটি আসনে। একজন প্রার্থীকে জেতাতে প্রয়োজন ৩১টি ভোট। সেখানে কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যাও ৩১। এঁদের অনেকেই সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক দলীয় বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন। এতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। তাঁদের আশঙ্কা বিজেপি ভাঙিয়ে নিতে পারে ওই বিধায়কদের। তাই ঝুঁকি না নিয়ে দলীয় বিধায়কদের রায়পুর কিংবা রাজস্থানে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাত শিবির।

    দল বাঁচাতে আর উপায়ই বা কি!

     

  • Rajya sabha election: আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, শক্তি খোয়াবে কংগ্রেস?

    Rajya sabha election: আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, শক্তি খোয়াবে কংগ্রেস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জারি হয়েছে রাজ্যসভা নির্বাচনের (Rajya sabha election) বিজ্ঞপ্তি। ১৫টি রাজ্যের ৫৭টি আসনে হবে নির্বাচন। ভোট ১০ জুন। রাজ্যসভার এই নির্বাচনে শক্তিবৃদ্ধি হবে কেন্দ্রের ক্ষমতাশীন দল বিজেপির (bjp)। আর শক্তিহীন হয়ে পড়বে কংগ্রেস (congress)। আগামী লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha elections 2024) আগে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির পক্ষে যা অশনি সংকেত। রাজ্যসভায় শক্তি বৃদ্ধি হলে জুন-জুলাই মাসে রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও অ্যাডভান্টেজ পাবে গেরুয়া শিবির।

    পশ্চিমবঙ্গ, তেলঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা, দিল্লি, পাঞ্জাব এবং তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যগুলি শাসন করে বিভিন্ন আঞ্চলিক দল। এই পাঁচটি রাজ্যের মধ্যে শেষ তিনটি রাজ্যে রয়েছে জোট সরকার। রাজ্যসভার নির্বাচনে সব চেয়ে বেশি লাভবান হবে আম আদমি পার্টি (Aam Aadmi Party)। দিল্লি ও পাঞ্জাবের ক্ষমতায় রয়েছে তারা। তারা জয়ী হবে পাঁচটি আসনে। স্বভাবতই শক্তিবৃদ্ধি হবে আঞ্চলিক দলগুলির।

    আরও পড়ুন : লক্ষ্য চব্বিশের নির্বাচন, বুথ-স্তরে নীল-নকশা তৈরির পথে বিজেপি, গঠিত বিশেষ কমিটি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) প্রথম মেয়াদে রাজ্যসভায় শক্তিশালী ছিল কংগ্রেস। শক্তিক্ষয় হওয়ায় এবার এক ধাক্কায় তাদের আসন সংখ্যা কমবে বেশ খানিকটা। আর ২০১২ সালে রাজ্যসভায় বিজেপির সদস্য সংখ্যা ছিল ৪৭। বর্তমানে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছে তারা। সংখ্যাতত্ত্বের জেরে জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ সহ বিভিন্ন হার্ডল বিজেপি পেরিয়েছে অনায়াসে।

    আরও পড়ুন : লক্ষ্য ২০২৪ নির্বাচন, “এক পরিবার এক টিকিট” নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের

    যাঁরা রাজ্যসভা থেকে অবসর নিচ্ছেন, তাঁদের সংখ্যা ৫৯। এর মধ্যে ২৫ জন গেরুয়া শিবিরের। এই ৫৯ জনের মধ্যে এনডিএ-র (NDA) আসন ৩১টি। আসন্ন নির্বাচনে তারা হারাতে পারে ৭ থেকে ৯টি আসন।

    অন্ধ্রপ্রদেশে চারটি আসনের মধ্যে বিজেপি হারাবে তিনটি আসন। চারটি আসনেই জয়লাভ করবে ওয়াইএসআরসিপি (YSR Congress)। দুটি আসনে জিতবে তেলঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি (TRS)। বিজেডি ধরে রাখবে তিনটি আসনই। আসন বাড়বে আরজেডির। এক থেকে রাজ্যসভায় তারা বেড়ে হবে দুই।

    অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস আরও সংকুচিত হতে পারে। চোদ্দ ও উনিশের লোকসভা নির্বাচনে পর্যুদস্ত হওয়ার পর তারা হেরেছে একের পর এক রাজ্যে। যার জেরে রাজ্যসভায় তাদের ব্যাপক শক্তিক্ষয় হবে। কংগ্রেস অন্ধ্রপ্রদেশে একটিও আসন পাবে না। রাজস্থানে পাবে দুটি, আগে ছিল চারটি। ঝাড়খণ্ড এবং ছত্তিশগড়েও একটি করে আসন হারাবে তারা। এখন থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে রাজ্যসভার ৬৫টি আসনে নির্বাচন হবে। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষীণতর হবে কংগ্রেস।

    উদয়পুরের চিন্তন শিবিরে (Chintan Shivir) কংগ্রেস পাশ করা প্রস্তাব অনুযায়ী, তরুণদের ৫০ শতাংশ আসনে মনোনয়ন দেবে কংগ্রেস। সেই কারণেও বেশ কিছু বর্ষীয়ান নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে না বলেই কংগ্রেস সূত্রে খবর। পি চিদাম্বরম, কপিল সিবাল, জয়রাম রমেশ এবং অম্বিকা সোনির মতো বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতাদের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। মেয়াদ শেষ হতে চলেছে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি সহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরও। এঁরা প্রত্যেকেই রাজ্যসভা থেকে অবসর নেবেন। রাজ্যসভায় ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে এঁদের প্রায় প্রত্যেকেরই।

    কংগ্রেসকে হারিয়ে একের পর এক রাজ্যের রশি হাতে নিয়েছে বিজেপি। কংগ্রেসের অস্তিত্ব রয়েছে কেবল রাজস্থান ও ছত্তিশগড়ে। মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডে জোট সরকারে শামিল হয়েছে তারা। ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল থেকে রাজ্যসভায় কংগ্রেসের হয়ে গলা ফাটানোর এবার আর কেউ থাকবে না।

     

  • Rajyasabha Election: রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রথম ১৬ জনের তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা পেলেন জায়গা?

    Rajyasabha Election: রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রথম ১৬ জনের তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা পেলেন জায়গা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভা নির্বাচনের প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। প্রথম কিস্তিতে ১৬ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে কেন্দ্রের শাসক দল। রবিবার ওই তালিকা প্রকাশিত হয়। এদিন ১০টি কেন্দ্রে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিরোধী দল কংগ্রেসও।

    ১০ জুন রাজ্যসভার নির্বাচন। দেশের ১৫টি রাজ্যের ৫৭টি আসনে নির্বাচন হবে ওই দিন। এদিন ১৬ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। এতে নাম রয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ ও কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের। নির্মলা প্রার্থী হয়েছেন কর্নাটক থেকে। আর পীযূষ মনোনীত হয়েছেন মহারাষ্ট্র থেকে। অর্থ মন্ত্রকের পাশাপাশি কর্পোরেট বিভাগ সামলান নির্মলা। পীযূষ রাজ্যসভায় বিজেপি দলনেতা। গ্রাহক পরিষেবা এবং বস্ত্র মন্ত্রকের দায়িত্বও তাঁর ওপর।

    আরও পড়ুন : আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, শক্তি খোয়াবে কংগ্রেস?

    এবার রাজ্যসভায় সব চেয়ে বেশি আসন উত্তর প্রদেশে। সেখানে ভোট হবে ১১টি আসনে। গেরুয়া শিবিরের মনোনীত প্রার্থী হলেন লক্ষ্মীকান্ত বাজপেয়ী, রাধামোহন আগরওয়াল, সুরেন্দ্র নিষাদ, দর্শনা সিংহ, সঙ্গীতা যাদব। মহারাষ্ট্রে পীযূষের পাশাপাশি অনিল দেশমুখ বোন্দের নামও মনোনীত হয়েছে। গোরক্ষপুর বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন রাধামোহন। পরে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। সেই কারণেই তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পদ্ম-শিবির। রাজস্থান থেকে মনোনীত হয়েছেন ঘনশ্যাম তিওয়ারি। তবে তামিলনাড়ুর ৬টি আসনে সোমবার বিকেল পর্যন্তও কাউকে মনোনীত করেনি পদ্মশিবির।

    এই রাজ্যগুলি ছাড়াও বিহারের পাঁচটি, কর্নাটক, রাজস্থান এবং অন্ধ্রপ্রদেশের তিনটি করে আসনেও নির্বাচন হবে ওই তারিখে। মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা এবং পঞ্জাবের দুটি করে আসনেও নির্বাচন হবে। একটি করে আসনে নির্বাচন হবে ঝাড়খণ্ড, হরিয়ানা, ছত্তিশগড়, তেলঙ্গানা এবং উত্তরাখণ্ডে। হরিয়ানা থেকে মনোনীত হয়েছেন প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণলাল পানওয়ার, মধ্যপ্রদেশ থেকে কবিতা পতিদার। তারকা-রাজনীতিবিদ যজ্ঞেশ মনোনীত হয়েছেন কর্নাটক থেকে।  

    আরও পড়ুন : জিটিএ নির্বাচন অবৈধ, রুখবই! সাফ জানালেন রাজু বিস্ত

    শাসক দলের পাশাপাশি এদিন প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বিরোধী দল কংগ্রেসও। ১০টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে তারা। এই তালিকায় নাম রয়েছে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি চিদম্বরম, জয়রাম রমেশ, অজয় মাকেন এবং দলের প্রধান মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা।

    চিদম্বরমকে মনোনীত করা হয়েছে তামিলনাড়ু থেকে। কর্নাটক থেকে মনোনীত হয়েছেন জয়রাম রমেশ। মাকেন মনোনীত হয়েছেন হরিয়ানা থেকে। আর সুরজেওয়ালাকে মনোনীত করা হয়েছে রাজস্থান থেকে। রাজস্থান থেকে মুকুল ওয়াসনিক এবং প্রমোদ তিওয়ারির নামও রয়েছে। মধ্যপ্রদেশে মনোনীত হয়েছেন বিবেক তানখা। রাজীব শুক্লা এবং রঞ্জিত রঞ্জন মনোনীত হয়েছেন ছত্তিশগড় থেকে। মহারাষ্ট্রে প্রার্থী হয়েছেন ইমরান প্রতাপগড়ি।

    প্রসঙ্গত, আগামী দু’মাসে রাজ্যসভায় যে ৫৫টি শূন্যপদ সৃষ্টি হবে, তার মধ্যে কংগ্রেসের রয়েছেন সাতজন। এঁরা হলেন চিদম্বরম, রমেশ, অম্বিকা সোনি, বিবেক তানখা, প্রদীপ টামটা, কপিল সিবাল এবং ছায়া ভার্মা। এর মধ্যে সিবাল অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে প্রার্থী হচ্ছেন রাজ্যসভায়।  

     

     

  • Hardik patel: “মোদির নেতৃত্বে একজন ছোট সৈনিক…”, বিজেপিতে হার্দিক প্যাটেল

    Hardik patel: “মোদির নেতৃত্বে একজন ছোট সৈনিক…”, বিজেপিতে হার্দিক প্যাটেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্বঘোষণা মতো পদ্ম শিবিরে নাম লেখালেন গুজরাতের (Gujarat) পতিদার আন্দোলনের অন্যতম মুখ হার্দিক প্যাটেল (Hardik Patel)। বৃহস্পতিবার সকালেই একটি ট্যুইট করেন তিনি। লেখেন, জীবনের নয়া অধ্যায় শুরু হচ্ছে আজ থেকে। নরেন্দ্র মোদির (Modi) নেতৃত্বে কাজ করব। এরপর গান্ধীনগরে হার্দিক আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেন বিজেপিতে (BJP)।

    এক সময় গুজরাত প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন হার্দিক। দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে মতান্তরের জেরে দিন কয়েক আগে কংগ্রেস ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন তিনি। এদিন যোগ দেন বিজেপিতে। রাজস্থানের উদয়পুরে কংগ্রেসের চিন্তন শিবির (Chintan Shivir) হয় দিন কয়েক আগে। সেই শিবিরে যোগ দেননি গুজরাতের পতিদার নেতা। ১৮ মে ছাড়েন কংগ্রেস (Congress)। তার ঢের আগে থেকেই হার্দিকের মুখে শোনা যাচ্ছিল বিজেপি-প্রশস্তি। বিভিন্ন সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসাও শোনা যায় হার্দিকের গলায়।

    আরও পড়ুন : কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন হার্দিক প্যাটেল!

    কংগ্রেস ছাড়ার পর হার্দিক বিজেপি নাকি অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) আম আদমি পার্টিতে (Aam Aadmi Party) যোগ দেবেন, তা নিয়ে ছড়িয়েছিল নানা জল্পনা। তিনি নিজেও প্রথমে জানিয়েছিলেন, এখনও এব্যাপারে তিনি কোনও সিদ্ধান্ত নেননি। তবে যা করবেন, তা ভেবেচিন্তে জনগণের স্বার্থেই করবেন বলেও জানিয়েছিলেন। দিনদুয়েক আগে হার্দিক জানিয়ে দেন, গেরুয়া শিবিরেই নাম লেখাচ্ছেন তিনি। সেই মতো এদিন যোগ দেন মোদি ব্রিগেডে। এদিন সকালে এক ট্যুইট বার্তায় হার্দিক লেখেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে একজন ছোট সৈনিক হিসেবে সমাজের স্বার্থে কাজ করতে চলেছেন।

    আরও পড়ুন : বৃহস্পতিবারই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন হার্দিক প্যাটেল? জোর জল্পনা

    চলতি বছরের শেষের দিকেই গুজরাত বিধানসভা নির্বাচন (2022 Gujarat Assembly polls)। তার আগে হার্দিক গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ায় আদতে বিজেপিই লাভবান হল বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। কেননা, গত বিধানসভা নির্বাচনে হার্দিকের প্রচার সভার পতিদার (Patidar) সম্প্রদায়ের লোকজনের ব্যাপক ভিড় হয়েছিল। হার্দিক গেরুয়া শিবিরে ভিড়ে যাওয়ায় তাঁর পতিদার ভোটের একটা বিরাট অংশ পদ্ম-ঝুলিতে পড়বে বলেই ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা। গুজরাতের ১২.৩ শতাংশ ভোট পতিদার সম্প্রদায়ের। এর একটা বড় অংশ গেরুয়া ঝুলিতে গেলেই কেল্লাফতে। ২০১৯ সালে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন হার্দিক। তার সুফল ঘরে তুলেছিল সোনিয়া গান্ধীর দল। এবার হার্দিক পদ্ম শিবিরে। তাই পাকা ফসল ঘরে তোলার অপেক্ষায় গুজরাত বিজেপি (Gujarat BJP)।

     

  • Sidhu Moosewala: তিন মাসেই পাঞ্জাবে আপ-সরকারের বিরুদ্ধে জমছে ক্ষোভ!

    Sidhu Moosewala: তিন মাসেই পাঞ্জাবে আপ-সরকারের বিরুদ্ধে জমছে ক্ষোভ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্রুত জনপ্রিয়তা কমছে পঞ্জাবের আম আদমি পার্টি (Aam Aadmi Party) সরকারের। কংগ্রেসকে হারিয়ে তিন মাসেরও কম সময়ে পঞ্জাবের (Punjab) ক্ষমতায় এসেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) দল। তার পরেই নানা কারণে দলের বিরুদ্ধে ধূমায়িত হচ্ছে ক্ষোভের আগুন। পঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওয়ালা (Sidhu Moosewala) খুনের পর যা বিশাল আকার ধারণ করেছে।

    দিনকয়েক আগে খুন হন সিধু। তদন্তে নেমে পুলিশ উত্তরাখণ্ড থেকে গ্রেফতার করে মনপ্রীত সিং নামে একজনকে। মাদক পাচারকারী মনপ্রীতের বিরুদ্ধে অস্ত্র পাচার, খুনের চেষ্টার অভিযোগ, গোষ্ঠী সংঘর্ষের অভিযোগ রয়েছে।

    আরও পড়ুন :আইনের ফাঁসে আরেক আপ নেতা! হাওয়ালাকাণ্ডে গ্রেফতার দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    মনপ্রীতকে গ্রেফতার করা হলেও জনতার ক্ষোভের আঁচ নেভেনি একটুও। তার কারণ ভগবান মানের (Bhagwan Mann)  সরকার। মাস তিনেক আগে কংগ্রেসকে ক্ষমতাচ্যুত করে পঞ্জাবের কুর্সিতে বসে আম আদমি পার্টি। বিপুল জনাদেশ নিয়ে দিল্লির বাইরে প্রথম পঞ্জাবে পা রাখে তারা। সরকার হয় ভগবান মানের নেতৃত্বে।

    কুর্সিতে বসেই ভিআইপিদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেন মান। তাঁর যুক্তি ছিল, এতে লাভ হবে দু’দিক থেকে। এক, ভিআইপিদের নিরাপত্তায় অকারণে টাকা খরচ করতে হবে না। দুই, ওই পুলিশ কর্মীদের লাগানো যাবে প্রশাসনিক কাজে। ভিআইপি নয়, পুলিশ সেবা করবে আম আদমির। সেই মতো সিধু সহ ৪২৪ জন ভিআইপির নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে মান সরকার। সিদ্ধান্তের ২৪-ঘণ্টার মধ্যেই খুন হন সিধু। তার পরেই ক্ষোভের আগুন জ্বলতে থাকে পঞ্জাবজুড়ে। সরকারের ওপর ব্যাপক ক্ষোভ উগরে দিয়েছে তরুণরা। সাধারণ মানুষেরও বক্তব্য, পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হয়েছে মান সরকার।

    পঞ্জাবে বিশেষত তরুণ সমাজের কাছে সিধুর জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। তাই আপ বিধায়ক, কর্মী এবং সরকারি কর্মীরা যাতে সিধুর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ না দেন, সে ব্যাপারে তাঁদের সতর্ক করে দিয়েছেন গোয়েন্দারা। কারণ তাঁরা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিলে পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।

    আরও পড়ুন : সংসদের বাদল অধিবেশনেই পেশ হচ্ছে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিল?

    এদিকে সিধু খুনে এনআইএ (NIA) কিংবা সিবিআই (CBI) তদন্ত দাবি করেছে কংগ্রেস। বুধবার পঞ্জাব কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধিদল রাজ্যপাল বনোয়ারিলাল পুরোহিতের সঙ্গে দেখা করে এই দাবি জানায়।প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন পঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি অমরিন্দর সিং রাজা ওয়ারিং। মান যে সরকার চালাতে ব্যর্থ, এদিন তা দাবি করেছেন কংগ্রেসের প্রতিনিধি দলের সদস্যরাও। তাঁরা বলেন, ভগবন্ত মান কেবল অযোগ্যই নন, পঞ্জাবে কি ঘটছে, সে সম্পর্কে তাঁর কোনও ধারণাই নেই। তিনি কাজ করছেন দিল্লির নির্দেশে।

     

     

  • Congress Chintan Shivir: বিশেষ পরিস্থিতিতে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে, চিন্তন শিবিরে বার্তা সোনিয়ার

    Congress Chintan Shivir: বিশেষ পরিস্থিতিতে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে, চিন্তন শিবিরে বার্তা সোনিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশেষ পরিস্থিতিতে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে। শুক্রবার রাজস্থানের উদয়পুরে চিন্তন শিবিরে (Chintan Shivir) একথা বললেন কংগ্রেস (Congress) সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia)। কংগ্রেস কর্মীদের ঋণ মেটানের আহ্বানও জানান তিনি।

    এদিন থেকে তিন দিনের চিন্তন শিবির শুরু হয়েছে কংগ্রেসের। উদ্বোধনী ভাষণ দেন সোনিয়া। সেখানেই জানান, বিশেষ পরিস্থিতিতে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে। বছর কয়েক ধরে একের পর এক নির্বাচনে গোহারা হেরেছে কংগ্রেস। হাতছাড়া হয়েছে একাধিক রাজ্যের রশি। এক সময় যে রাজ্যগুলির একচেটিয়া রাশ ছিল কংগ্রেসের হাতে, সেগুলিতে থাবা বসিয়েছে বিজেপি।

    পরপর দু-টার্মে কেন্দ্রের তখ্তে বসেছে বিজেপি (BJP)। প্রত্যাশিতভাবেই শতাব্দী প্রাচীন দলে শুরু হয়েছে ক্ষয় রোগ। ধরেছে ভাঙন। এমতাবস্থায় দলকে খাদ থেকে ডাঙায় টেনে তুলতে সচেষ্ট হয়েছে কংগ্রেস হাইকমান্ড। সেই প্রসঙ্গেই তিনি বলেছেন বিশেষ পরিস্থিতিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। সোনিয়া বলেন, দলের দৈনন্দিন কার্যকারিতায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। একটি বড়, সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন। চিন্তন শিবির সেই দিকেই একটি পদক্ষেপ।  

    আরও পড়ুন: উদয়পুরে আজ শুরু চিন্তন শিবির, ‘রাহুল ফেরাও’ ডাক দিতে চলেছে কংগ্রেস?

    দলকে বাঁচাতে হলে পার্টির সদস্যদের ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্খার ঊর্ধ্বে ওঠার মন্ত্রেও কংগ্রেস কর্মীদের দীক্ষিত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কংগ্রেসের অন্তর্বতীকালীন সভানেত্রী। কংগ্রেস কর্মীরা দলের কাছে ঋণী। সেই ঋণ শোধ করার ডাকও উদয়পুরের চিন্তন শিবিরে দিয়েছেন সোনিয়া। উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কংগ্রেস আমাদের সব কিছু দিয়েছে। এবার সেই ঋণ শোধ করতে হবে।

    ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের (2024 Loksabha election) কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই কাজ শুরু করতে হবে বলেও জানান কংগ্রেস সভানেত্রী। তিনি বলেন, দল জনগণের প্রত্যাশার প্রতি উদাসীন নয়। দেশের রাজনীতিতে দল যে ভূমিকা পালন করেছে, তা আবারও পূরণ করুন।  

    কংগ্রেসের এই চিন্তন শিবিরে অংশ নিয়েছেন ৪৩০ জন প্রতিনিধি। রাজনীতি, অর্থনীতি, সংগঠন, যুব ও কৃষক এই ছটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। এজন্য প্রতিনিধিদের ছটি দলে ভাগ করা হয়েছে। দল যে ফের ঘুরে দাঁড়াবে, এদিন সেই আশাও ব্যক্ত করেন সোনিয়া। বলেন, আমি আশা করি যে আমরা যখন এখান থেকে বের হব, আমরা নতুন আত্মবিশ্বাস, শক্তি এবং সংকল্পের সঙ্গে তা করব।

      আরও পড়ুন : করোনায় মৃত্যু নিয়ে রাহুলের বিপরীতে গিয়ে হু-র দাবি খারিজ কংগ্রেসের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

      

  • Hardik Patel: বৃহস্পতিবারই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন হার্দিক প্যাটেল? জোর জল্পনা

    Hardik Patel: বৃহস্পতিবারই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন হার্দিক প্যাটেল? জোর জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্ভাবনা ছিলই। সেই মতো বৃহস্পতিবারই সম্ভবত বিজেপিতে (BJP) যোগ দিচ্ছেন গুজরাতের (Gujarat) বছর আঠাশের পতিদার নেতা হার্দিক প্যাটেল (Hardik Patel)। সংবাদ সংস্থা সূত্রেই এ খবর মিলেছে। ওই দিন গান্ধীনগরে গুজরাতের বিজেপি সভাপতি সি আর প্যাটেলের (CR Patel) উপস্থিতিতে পদ্ম শিবিরে যোগ দেবেন তিনি।

    ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের (2019 Loksabha elections) ঠিক আগে কংগ্রেসে (Congress) যোগ দিয়েছিলেন হার্দিক। গতকয়েক সপ্তাহ ধরে তিনি লাগাতার আক্রমণ করেছিলেন কংগ্রেসকে। মন্তব্য করেছিলেন, “আমি যেন নাসবন্দি হওয়া বর!” হার্দিক যখন গুজরাত কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন, তখনও তাঁর মুখে বিজেপি-প্রশস্তি শোনা গিয়েছে। বলেছিলেন, “বিজেপির যে কিছু ভালো দিক রয়েছে, তা মানতেই হবে।”

    এর পরেই জল্পনা ছড়ায়, কংগ্রেস ছেড়ে পদ্মশিবিরেই যোগ দিচ্ছেন হার্দিক। এক বার শোনা যায়, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম-আদমি পার্টিতে যোগ দিচ্ছেন গুজরাতের এই পতিদার নেতা। ওই দুই জল্পনাই অস্বীকার করেছিলেন হার্দিক। তিনি বলেছিলেন, আমি এখন পর্যন্ত কোনও রাজনৈতিক দলে যোগদানের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিইনি, তা বিজেপি বা আপ যাই হোক না কেন। আমি যে সিদ্ধান্তই নেব, তা হবে জনগণের স্বার্থে।

    আরও পড়ুন : কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন হার্দিক প্যাটেল!

    দিনকয়েক আগে ফের একবার মোদি-ঘনিষ্ঠ আম্বানি-আদানিস্তুতিও শোনা গিয়েছিল হার্দিকের মুখে। এর পর থেকেই তাঁর গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়। শেষমেশ সেটাই সত্যি হতে চলেছে বৃহস্পতিবার। হার্দিক নিজের মুখে স্বীকারও করেছেন একথা।

    হার্দিক দল ছাড়ার পরে পরেই তাঁকে ‘সুবিধাবাদী’ বলে কটাক্ষ করেছিল কংগ্রেস। সোনিয়ার দলের দাবি, গত ছ’বছর ধরেই বিজেপির সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রেখে গিয়েছিলেন তরুণ পতিদার নেতা। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অভিযোগগুলি থেকে মুক্তি পেতেই দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিজেপি-সঙ্গ করছেন বলে দাবি হাত শিবিরের।

    চলতি বছরের শেষেই গুজরাত বিধানসভা নির্বাচন (2022 Gujarat Assembly Election)। তার আগে দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির পদ্ম শিবিরে যোগদান যে কংগ্রেসকে বেশ খানিকটা বেকায়দায় ফেলল, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। রাজস্থানের উদয়পুরে তিনদিন ব্যাপী চিন্তন শিবির হয় কংগ্রেসের। সেখানে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দেন গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। সেই শিবির শেষ হওয়ার তিন দিনের মধ্যেই হাত শিবির ছেড়ে দিয়েছিলেন হার্দিক। এবার চড়ছেন পদ্ম-পানসিতে। 

    আরও পড়ুন : হিজাব পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে বাধা, মুখ্যমন্ত্রী বললেন, পড়াশোনায় মন দাও

  • Congress Chintan Shivir: “এক পরিবার, এক টিকিট” নীতির ভাবনা কংগ্রেসে, ছাড় পাবে গান্ধী-পরিবার?

    Congress Chintan Shivir: “এক পরিবার, এক টিকিট” নীতির ভাবনা কংগ্রেসে, ছাড় পাবে গান্ধী-পরিবার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে (2024 Loksabha election) বিজেপির (BJP) বিজয়রথ কীভাবে থামানো যাবে, সেই নিয়ে আলোচনা-বিশ্লেষণ করতে ১৩ মে থেকে রাজস্থানের উদয়পুরে বসছে কংগ্রেসের (congress) চিন্তন শিবির (chintan shivir)।

    কংগ্রেসের বিরুদ্ধে পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অতীতে, পরিবার-তন্ত্রকে ইস্যু করে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি। বিরোধীদের এই অস্ত্রেই বিভিন্ন নির্বাচনে ঘায়েল হয়েছে কংগ্রেস। শুধু বিরোধী নয়, দলের অভ্যন্তরেও এই নিয়ে অনেক অপ্রিয় প্রশ্ন উঠেছে। দলের অন্দরে ও বাইরে উভয়ক্ষেত্রেই একাধিকবার, এই পরিবারতন্ত্রের জন্য বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে হাত-শিবিরকে। 

    আগামী লোকসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরকে টেক্কা দিতে এবার আগে থেকে কোমর বেঁধে নামতে চলেছে শতাব্দী-প্রাচীন দলটি। এবার তাই পরিবারতন্ত্রে ইতি টানতে চাইছে কংগ্রেস। সূত্রের খবর, বিরোধীদের জবাব দিতে এবার এক পরিবার এক টিকিট নীতি (one family, one ticket) চালু করতে পারেন কংগ্রেস হাইকমান্ড। 

    সম্প্রতি, ভোটকূশলী প্রশান্ত কিশোর কংগ্রেসকে চাঙা করার একগুচ্ছ খসড়া পেশ করেন হাইকমান্ডের কাছে। ওই খসড়ায়ই ছিল এক পরিবার, এক টিকিট নীতি লাগু করার কথা। পিকে কংগ্রেসে যোগ দেননি। তবে তাঁর প্রস্তাব নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে আলোচনা। 

    সূত্রের খবর, দলের মধ্যেই প্রস্তাব উঠেছে, দলকে জেতাতে অবিলম্বে চালু হোক এক পরিবার এক টিকিট নীতি।  ইতিমধ্যেই দলের শীর্ষস্তরে এই নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা ও পর্যালোচনা হয়েছে। আসন্ন চিন্তন শিবিরেই প্রস্তাবে পড়তে পারে হাইকমান্ডের শিলমোহর। 

    আরও পড়ুন : কাঠমান্ডুর নাইটক্লাবে রাহুল গান্ধীর ভিডিও ভাইরাল, নিন্দায় সরব বিজেপি

    তবে সূত্রের খবর, এই নীতি-রূপায়ণের ক্ষেত্রে একটি ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে! আর সেই ব্যতিক্রমের নাম গান্ধী পরিবার। অর্থাৎ, এক পরিবার এক টিকিট নীতি বাকি সকলের জন্য কার্যকর হলেও, গান্ধী পরিবারের ক্ষেত্রে নয়। অর্থাৎ, গান্ধী পরিবারকে এই নিয়মের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে বলেই খবর।

    সূত্রের খবর, আলোচনার সময়, গান্ধী পরিবারের ক্ষেত্রে এই নিয়ম মানা সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে। স্বাস্থ্যের কারণে হয়তো এবার আর রায়বেরিলি থেকে ভোটে লড়বেন না সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। তবে আমেঠি থেকে রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)  লড়বেন বলেই খবর। এক পরিবার এক নীতি লাগু হলে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরার টিকিট পাওয়ার কথা নয়। যদিও প্রিয়ঙ্কাও লড়বেন বলে এখনও পর্যন্ত খবর।

    পরপর দু’দফায় দিল্লির তখতে বসেছে বিজেপি সরকার। দীর্ঘদিন ক্ষমতা থেকে দূরে শতাব্দী প্রাচীন দল কংগ্রেস। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষয় শুরু হয়েছে দলে। যার ফলশ্রুতিতে একের পর এক রাজ্যে ধরাশায়ী হচ্ছে দল। এমতাবস্থায় দলকে চাঙা করার একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে ওই চিন্তন শিবিরে। তার মধ্যেই একটি হতে চলেছে, এক পরিবার এক টিকিট নীতি।

    কংগ্রেসের একটি সূত্রের খবর, বিজেপি যাতে ফের পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ করতে না পারে, সেই জন্যই এই নীতি চালু করার ভাবনা। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, যদি গান্ধী পরিবারকে এই নীতি থেকে “ফ্রি পাস” দেওয়া হয়, তাহলে কংগ্রেসের দ্বিচারিতা আরও প্রকট হবে। সেক্ষেত্রে, নির্বাচনের আগে, বিজেপির হাতে নতুন অস্ত্র উঠে আসবে। 

    শুধু তাই নয়। দলের কংগ্রেসেরই অন্দরে এই নিয়ে আরও অসন্তোষ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ, ইতিমধ্য়েই, দলের একাংশ রাহুলের নেতৃত্ব নিয়ে খুশি নয়। অনেকেই মনে করেন, পুনরুজ্জীবনের জন্য গান্ধী পরিবারের ছায়া থেকে বেরিয়ে আসতে হবে কংগ্রেসকে। কিন্তু, তা আখেরে কতটা হয়, তা আসন্ন চিন্তন শিবিরেই বোঝা যাবে। 

  • Rahul Gandhi: কাঠমান্ডুর নাইটক্লাবে রাহুল গান্ধীর ভিডিও ভাইরাল, নিন্দায় সরব বিজেপি

    Rahul Gandhi: কাঠমান্ডুর নাইটক্লাবে রাহুল গান্ধীর ভিডিও ভাইরাল, নিন্দায় সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের চর্চায় রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। রাতারাতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হল রাহুল গান্ধীর প্রতিবেশী দেশের নাইট ক্লাবে (Night Club) পার্টি করার ভিডিও। ভিডিওয় ক্লাবের আলো আধারিতে হঠাৎই মুখ ভেসে ওঠে কংগ্রেস সাংসদের। নেপালের (Nepal) রাজধানী কাঠমান্ডুর (Kathmandu) একটি নাইট ক্লাবে বন্ধুর সঙ্গে দেখা গিয়েছে কংগ্রেসের (Congress) প্রাক্তন সভাপতিকে। মঙ্গলবার ভিডিওটি নেটমাধ্যমে ভাইরাল (viral video) হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।     

    বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য (Amit Malviya) প্রথম টুইটারে ভিডিওটি শেয়ার করেন। টুইটে তিনি লেখেন, “গোটা মুম্বই যখন অবরুদ্ধ তখন  রাহুল গান্ধী ছিলেন নাইট ক্লাবে। তাঁর দলে যখন একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটছে, তখন তাঁকে উল্লাসে মাততে দেখা গেল।” 

    [tw]


    [/tw]

    যদিও এখনও পর্যন্ত ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করা যায় নি। তবে সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে, ভিডিওটি কাঠমান্ডুর একটি নাইট ক্লাবের। সোমবার এক সাংবাদিক বন্ধু সুমনিমা দাসের বিয়েতে গিয়েছিলেন গান্ধী পরিবারের এই সদস্য। বিয়ের অনুষ্ঠান হচ্ছিল ম্যারিয়ট (Mariott) হোটেলে।  

    এদিন রাহুল (Rahul) গান্ধীর ভিডিও সামনে আসতেই আক্রমণ শানায় ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) জার্মানি, ডেনমার্ক, ফ্রান্স সফরকেও রেয়াত করেনি হাত শিবির। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়, “দেশে যখন একটা সঙ্কটময় পরিস্থিতি চলছে, তখন সাহেব বিদেশ ভ্রমণে ব্যস্ত।” এরপরই রাহুল গান্ধীর নাইট ক্লাবের ভিডিও প্রকাশ্যে এলে কংগ্রেসকে (Congress) খোঁচা মারতে এক মূহূর্তও দেরি করেনি বিজেপি।

     

     

LinkedIn
Share