Tag: cpm

cpm

  • Panchayat Election: একই পরিবারে ৩ প্রার্থী, নেই রাজনৈতিক হিংসা! অন্য নজির পূর্ব মেদিনীপুরে

    Panchayat Election: একই পরিবারে ৩ প্রার্থী, নেই রাজনৈতিক হিংসা! অন্য নজির পূর্ব মেদিনীপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন আর হাতে গোনা কয়েকটা দিন বাকি। প্রতিটি রাজনৈতিক দল রীতিমতো কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে ভোটপ্রচারে। তবে পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট ব্লকের কোলা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের আশুরালী গ্রামে ভোটপ্রচার (Panchayat Election) একটু অন্য রকম। এই গ্রামে প্রার্থীদের মধ্যে নেই ভোট নিয়ে হিংসা, বিবাদ কিংবা প্রার্থীদের মধ্যে ভোটপ্রচার নিয়ে টক্কর। এই আসনটি ওবিসিদের জন্য সংরক্ষিত হওয়ায় গ্রামের একটি পরিবারেরই তিনজন প্রার্থী নির্বাচনের ময়দানে নামতে বাধ্য হন। তৃণমূল, বিজেপি এবং সিপিআইএম প্রার্থী নির্বাচিত হয় আশুরালী গ্রামের পাল পরিবার থেকেই। এক কথায়, পরিবারের কাকা ও দুই ভাইপো লড়ছেন আশুরালী গ্রাম থেকে। কাকা সন্ন্যাসী পাল লড়ছেন সিপিআইএম থেকে, ভাইপো শান্তনু পাল তৃণমূল কংগ্রেস থেকে এবং অপর ভাইপো উত্তম পাল লড়ছেন বিজেপি থেকে।

    তিনজনেরই রাজনীতিতে (Panchayat Election) হাতেখড়ি

    পেশায় তিনজনেরই ছোটখাট ব্যবসা। কাকা সন্ন্যাসী পালের দোকান রয়েছে কোলাঘাটে খড়িচক মোড়ে, তৃণমূল প্রার্থী (Panchayat Election) শান্তনু পালের ফুলের ব্যবসা এবং বিজেপি প্রার্থী উত্তম পালের বাড়ির সামনে ছোটখাট একটি দোকান। তিনজনই রাজনীতিতে সক্রিয় নন। বলা যেতে পারে, রাজনীতিতে হাতেখড়ি। ভোট যেহেতু সামনে, তাই প্রাথমিক ভোটপ্রচার হিসেবে তিনপক্ষই দেওয়াল লিখন শুরু করেছে। গত নির্বাচনে এই বুথটি বামেদের দখলে ছিল। তাই এবারেও জেতার ব্যপারে আশাবাদী পরিবারের কাকু অর্থাৎ সিপিআইএম প্রার্থী সন্ন্যাসী পাল। পাশাপাশি তৃণমূল প্রার্থী শান্তনু পালের দাবি, দিদির উন্নয়নের জোয়ারে জয় মিলবে তাঁর। অন্যদিকে অপর ভাইপো বিজেপি প্রার্থী উত্তম পালের দাবি, রাজ্য সরকারের দুর্নীতি, বেকারত্বই তাঁদের জয় এনে দেবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে।

    সবাই চান শান্তিতে নির্বাচন (Panchayat Election) সম্পন্ন হোক

    তিন প্রার্থীই বাড়ি বাড়ি প্রচার শুরু করেছেন ব্যবসার ফাঁকে। তবে তিন প্রার্থীই একই বাড়িতে বসবাস। নেই রাজনৈতিক বিদ্বেষ বা হিংসা। তিন প্রার্থীরই একটাই বক্তব্য, শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হোক পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election)। রাজনীতির ময়দানে যেই জিতুক, কোনওভাবেই হিংসার রেশ পরিবার বা গ্রামের মানুষের মধ্যে যাতে না পড়ে, সেই আবেদনই করছেন তিন দলেরই প্রার্থী। তবে ভোটের পর ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে এলাকার মানুষ। কে শেষ হাসি হাসবে, তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়েকটা দিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: মনোনয়ন না তুললে শ্লীলতাহানি করে প্রাণে মারার হুমকি, অভিযুক্ত সেই তৃণমূল!

    Hooghly: মনোনয়ন না তুললে শ্লীলতাহানি করে প্রাণে মারার হুমকি, অভিযুক্ত সেই তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরামবাগের (Hooghly) তিরোল অঞ্চলে খোদ আরামবাগের প্রাক্তন সাংসদ তথা সিপিএম নেতা শক্তিমোহন মালিকের গ্রামে চলল শাসক দলের ব্যাপক অত্যাচার। সিপিএম প্রার্থীকে প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মহিলা প্রার্থীর শ্লীলতাহানি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তাঁর চুলের মুঠি ধরে করা হয়েছে ব্যাপক মারধর। মনোনয়ন প্রত্যাহার না করা হলে একঘরে করে রাখা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

    কীভাবে দেওয়া হল হুমকি?

    তিরোল গ্রাম (Hooghly) পঞ্চায়েতের চণ্ডীবাটি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনা। এই এলাকা থেকে পঞ্চায়েত ভোটে লড়ছেন সিপিএমের মহিলা প্রার্থী নাসিমা বেগম। তাঁকেই চুলের মুঠি ধরে ব্যাপক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। কাঠগড়ায় শাসকদল তৃণমূল। এমনকী মনোনয়ন প্রত্যাহার না করলে, গ্রামের সমস্ত কিছু থেকে তাঁকে বঞ্চিত করে রাখারও হুমকি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নাসিমা বেগমের দেওরের ডান হাত মেরে ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। হুমকি দেওয়া হয়, মনোনয়ন প্রত্যাহার না করলে গ্যাস সিলিন্ডার দিয়ে পুড়িয়ে মেরে ফেলা হবে। প্রয়োজনে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়া হবে বাড়ি। এদিকে ঘটনার কথা জানতে পেরে তড়িঘড়ি তাঁদের প্রার্থীর বাড়িতে হাজির হন প্রাক্তন সাংসদ শক্তিমোহন মালিক এবং সিপিএম নেতা সুশান্ত মণ্ডল-সহ একাধিক নেতা-কর্মীরা। ঘটনার কথা জানিয়ে তাঁরা দ্বারস্থ হবেন থানার, এমনটাই জানা যাচ্ছে।

    সিপিএম প্রার্থীর বক্তব্য

    এই ঘটনায় নাসিমা বেগম বলেন, “আমরা ভাত খাচ্ছিলাম। তখনই একদল লোক এল। এসেই খুব খারাপ ভাষায় কথা বলতে থাকে। তারপর গোটা বাড়ি (Hooghly) তছনছ করতে থাকে। ব্যাপক মারধর করে আমাদের পরিবারের সকলকে। এমনকী মেরে ফেলার হুমকি পর্যন্ত দিয়ে যায়। গত পরশু দিন শাসিয়ে গিয়েছিল। এরপর আবার গতকাল এসে একই কাজ করে গিয়েছে।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    আরামবাগ (Hooghly) সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি স্বপন নন্দী বলেন, “আসলে মিডিয়াতে প্রচার চাইছে ওরা। ইচ্ছা করে তৃণমূলের নামের অপপ্রচার করছে। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। অন্যদিকে, মনোনয়ন তোলা নিয়ে যদি এত হুমকি হয়, তাহলে ভোটের দিন কী হবে! সেই আশঙ্কা করছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: গুলিবিদ্ধ হয়ে ৩ জনের মৃত্যুর পর থমথমে চোপড়া, গ্রেফতার ১৭

    Panchayat Election: গুলিবিদ্ধ হয়ে ৩ জনের মৃত্যুর পর থমথমে চোপড়া, গ্রেফতার ১৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া এলাকা। বাম-কংগ্রেসের ওপর হামলার ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের শুক্রবার ইসলামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। তার মধ্যে ৮ জনকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছে পুলিশ। তবে ধৃত ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই দাবি করেছেন, তাঁরা নির্দোষ। কেউ আবার জানিয়েছেন, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তখন পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে।

    শুক্রবার কেমন রয়েছে চোপড়া?

    বৃহস্পতিবার দুপুরে পায়ে হেঁটেই মনোনয়ন জমা দিতে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া বিডিও অফিসে যাচ্ছিলেন কাঁঠালবাড়ি এলাকার সিপিএম এবং কংগ্রেসের প্রার্থী ও দলীয় নেতাকর্মীরা। সেই সময় তাঁদের ওপর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সশস্ত্র হামলা চালায় বলে অভিযোগ। চলে এলোপাথাড়ি গুলি। ঘটনায় বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হন। তড়িঘড়ি তাঁদের উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মধ্যে একজনের অবস্থা সংকটজনক থাকায় তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় শিলিগুড়ির উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এই ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়। পঞ্চায়েত নির্বাচনকে (Panchayat Election) কেন্দ্র করে মনোনয়ন পর্বে এমন ভয়াবহ সন্ত্রাসে কার্যত কেঁপে ওঠে গোটা রাজ্য। শাসক দলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগে সরব হয় বিরোধীরা। গতকালের এই সন্ত্রাস ও গোলাগুলির ঘটনায় শুক্রবার সকাল থেকেই থমথমে চোপড়ার বিভিন্ন এলাকা। রাস্তাঘাটে লোকজন কম রয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। অন্যদিকে, শুক্রবার চোপড়া গাইসাল-২ পঞ্চায়েতের মালকাডাঙা এলাকায় নতুন করে গন্ডগোলের ঘটনা ঘটে। সাইকেলে ধাক্কাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস এবং তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তাতে পাঁচজন জখম হয়েছেন।

    কী বললেন বিরোধী দলের নেতারা?

    বিরোধী দলের নেতাদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনকে গ্রেফতারি দেখাতে পুলিশ আসল অপরাধীদের না ধরে নিরীহ মানুষকে ধরে নিয়ে গিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election) মনোনয়ন পেশ করতে পারেনি। সিপিএম নেতা বিদ্যুৎ তরফদার বলেন, আমাদের কেউই বৃহস্পতিবার মনোনয়ন জমা করতে পারেনি। শাসক দলের সন্ত্রাসের ভয়ে প্রাণ বাঁচাতে দলের প্রার্থী, নেতা ও কর্মীরা চা বাগানে আত্মগোপন করেছিলেন। অনেকের এখনও খোঁজ নেই। একই অভিযোগ কংগ্রেস নেতা অশোক রায়ের। বিজেপি নেতা সুবোধ সরকার বলেন, পুলিশ ঠুঁটো জগন্নাথ। পঞ্চায়েত বিরোধীশূন্য করতেই শাসক দলের দুষ্কৃতীরা বোমা-গুলি নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এই এলাকায় বিরোধীদের ফের মনোনয়ন জমা দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করুক প্রশাসন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: মনোনয়নে বাধা! তৃণমূলের হামলায় আক্রান্ত বিজেপি, প্রতিবাদে অবরোধ

    BJP: মনোনয়নে বাধা! তৃণমূলের হামলায় আক্রান্ত বিজেপি, প্রতিবাদে অবরোধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দ্বিতীয় দিন শনিবার আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল আসানসোলের বারাবনি ব্লকের বিডিও অফিস চত্বর। শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় অশান্তির ঘটনা ঘটে। বিডিও অফিসের কাছে দোমহানি বাজার এলাকায় ডিসিআর তোলায় বিজেপির (BJP) নেতা ও কর্মীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। হামলার ঘটনা দেখে এলাকার বাসিন্দারা রুখে দাঁড়ালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় বিজেপি (BJP) কর্মী স্বপন রায় এবং বিজেপির মণ্ডল সভাপতি প্রতীক গড়াই জখম হন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তৃণমূলীদের হামলায় সিপিএম কর্মীরাও আক্রান্ত হন।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি (BJP) নেতা?

    আক্রান্ত বিজেপির মণ্ডল সভাপতি প্রতীক গড়াই বলেন, হামলাকারীদের মধ্যে একজন বারাবনি থানার সিভিক ভলান্টিয়ার ছিলেন। বাকিদের বেশিভাগের মুখ কাপড় দিয়ে ঢাকা ছিল। প্রত্যেকের হাতে লাঠি ও বাঁশ ছিল। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা প্রথমে আমাদের বিডিও অফিসে ঢুকতে বাধা দিয়েছিল। কিছুটা জোর করে আমরা বিডিও অফিসের ভিতরে যাই। সেখানে একটা করে ডিসিআর কাটতে বলা হয়। ডিসিআর কাটার পর বাইরে আসতে পারছিলাম না। বারবার বলার পরে পুলিশের সাহায্য বাইরে বের হয়। তারপর চোমহানি বাজারে আমাদের উপর হামলা চালানো হয়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। মনোনয়নে বাধা এবং বিজেপি (BJP) কর্মীদের উপর হামলার প্রতিবাদে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব বারাবনির মাজিয়ারা মোড়ে রাস্তা অবরোধে সামিল হন।

    কী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    সিপিএমের বারাবনি এরিয়ার সম্পাদক তপন দাস বলেন,  দলের কর্মীরা ডিসিআর কাটতে গেলে আটকানো হয়। দলীয় কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়। হামলায় তিনজন কর্মী জখম হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘড়ুই বলেন, তৃণমূল আমাদের দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। তাই ওরা আমাদের মনোনয়নে বাধা দিয়েছে। আমাদের দাবি, দলের নেতা ও কর্মীদের মারধরের সঙ্গে যারা যুক্ত রয়েছে তাদের গ্রেফতার করতে হবে। আমরা পুলিশকে সময় দিলাম। সোমবার আমরা আবারও মনোনয়ন জমা দিতে যাব। পুলিশকে বলছি, সেদিন কিছু হলে আমরা আরও বড় আন্দোলন করব।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের বারাবনি ব্লকের সভাপতি অসতি সিং বলেন, বিরোধীরা ৩৫টি ডিসিআর কেটেছে। আমরা বাধা দিলে বা হামলা করলে এটা কি সম্ভব ছিল? আসলে বিজেপির (BJP) কোনও সংগঠন নেই। নিজেদের দুর্বলতা ঢাকতে ওরা এসব মিথ্যা অভিযোগ করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: ব্লকে কোনও ব্যবস্থাই নেই, মনোনয়ন জমা দিতে পারলেন না বিজেপি প্রার্থীরা

    Panchayat Election: ব্লকে কোনও ব্যবস্থাই নেই, মনোনয়ন জমা দিতে পারলেন না বিজেপি প্রার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বদলীয় বৈঠক না ডেকে এবং কোনও পরিকাঠামো তৈরি না করেই আচমকা পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) দিন ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের এই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, “নির্বাচন কমিশনার তৃণমূলের আঞ্চলিক শাখার মতো আচরণ করছেন।” পরিকাঠামো তৈরি না করে ভোট ঘোষণা করা হয়েছে বলে অন্য বিরোধীরাও অভিযোগ করেছে। এই অভিযোগ যে কথার কথা নয়, তা প্রমাণিত হয়ে গেল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার-১ ব্লকে। এদিন বিজেপি সহ বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে এসেও ফিরে গিয়েছেন। বলা ভালো, ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    আগামী ৮ ই জুলাই পঞ্চায়েত ভোট। বৃহস্পতিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নির্বাচনের (Panchayat Election) দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রার্থীদের ৯ ই জুন থেকে ১৫ই জুন পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা করার নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করা হয়। হাতে সময় কম বলে এদিন  বিজেপি, সিপিএম এবং আইএসএফের প্রার্থীরা ডায়মন্ডহারবার ১ নম্বর ব্লকে মনোনয়নপত্র জমা করতে যান। কিন্তু প্রশাসনের পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র জমা নেওয়ার কোনও ব্যবস্থা করে উঠতে পারেনি। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। বাধ্য হয়ে সকলেই মনোনয়নপত্র জমা না করে শূন্য হাতেই ফিরে যান।

    কী বললেন বিরোধী দলের প্রার্থীরা?

    বিজেপি নেতা কুণাল হালদার বলেন, “আমি পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী। আমার সঙ্গে বহু দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিতে এসেছেন। কিন্তু, মনোনয়ন জমা নেওয়ার কোনও ব্যবস্থাই নেই। ফলে, আমরা প্রস্তুতি নিয়েও প্রশাসনের গাফিলতির জন্য মনোনয়ন জমা দিতে পারলাম না।” সিপিএমের ডায়মন্ডহারবার ১ নম্বর এরিয়া কমিটির সম্পাদক দেবাশিস ঘোষ বলেন, “২০১৮ পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election) পুনরাবৃত্তি করতে চাইছে রাজ্যের শাসকদল। প্রশাসনও তাদের সঙ্গে যুক্ত। আমরা প্রশাসনের সর্বস্তরে অভিযোগ জানাব।”

    ব্লক প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    ডায়মন্ডহারবার ১ নম্বর ব্লকের বিডিও সুবীর দাস বলেন, “বৃহস্পতিবার নির্বাচনের (Panchayat Election) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সব কিছু ব্যবস্থা করতে একটু সময় দরকার। দ্রুততার সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মনোনয়নপত্র জমা করার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka Election 2023: কর্নাটকে হেরেও অক্ষত বিজেপির ভোটব্যাঙ্ক, মমতা বলে দিলেন ‘শেষের শুরু’?

    Karnataka Election 2023: কর্নাটকে হেরেও অক্ষত বিজেপির ভোটব্যাঙ্ক, মমতা বলে দিলেন ‘শেষের শুরু’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনের (Karnataka Election 2023) ফলাফলে কংগ্রেস যত না উল্লসিত, তার থেকেও বেশি লম্ফ-ঝম্ফ করতে দেখা যাচ্ছে বিরোধীদের। এ রাজ্যে অন্তত ছবিটা তেমনই। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো এই একটি রাজ্যের ফলাফলের ভিত্তিতে বিজেপির মতো সর্বভারতীয় দলের ‘শেষের শুরু’ দেখতে শুরু করে দিয়েছেন। যা তিনি তৃণমূল সর্বভারতীয় দলের তকমা হারানোতেও দেখতে পাননি, দেখতে পাননি ত্রিপুরায় দলের শোচনীয় ফলাফলেও! তিনি একইসঙ্গে ভবিষ্যদ্বাণীও করে দিয়েছেন, সামনে ছত্তিসগড়, রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার নির্বাচনেও বিজেপির নাকি এমনই হাল হবে। কেমন হাল? আসুন একবার চোখ বোলানো যাক, কর্নাটকে বিজেপির ফলাফল এবার ঠিক কেমন হয়েছে। মমতার আশামতো কতখানি তারা ‘নিশ্চিহ্ন’ হয়ে গেছে!

    কর্নাটকে হেরেও অক্ষত বিজেপির ভোটব্যাঙ্ক

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, কর্নাটকে ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে (Karnataka Election 2023) বিবাদমান মূল তিনটি দলের প্রাপ্ত আসন সংখ্যা হল: কংগ্রেস ১৩৫, বিজেপি ৬৬ এবং জনতা দল সেকুলার ১৯। ভোটপ্রাপ্তির হার শতাংশের হিসাবে হল এইরকম: কংগ্রেস ৪২.৮৮ শতাংশ, বিজেপি ৩৬ শতাংশ এবং জনতা দল সেকুলার ১৩.২৯ শতাংশ। এবার দেখা যাক, এর আগের বিধানসভা নির্বাচনে এই তিন মূল প্রতিপক্ষ কতগুলি করে আসন পেয়েছিল এবং ভোটপ্রাপ্তির হারই বা কেমন ছিল। ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আসন সংখ্যা ছিল এইরকম: বিজেপি ১০৪, কংগ্রেস ৮০ এবং জনতা দল সেকুলার ৩৭। ভোটপ্রাপ্তির হার এইরকম: বিজেপি ৩৬ শতাংশ, কংগ্রেস ৩৮ শতাংশ এবং জনতা দল সেকুলার ১৮ শতাংশ। ভোট বিশেষজ্ঞরা দুটি বিধানসভা নির্বাচনের ওই অঙ্কের হিসাবের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে বলছেন, বিজেপির আসন সংখ্যা মারাত্মকভাবে কমেছে, একথা ঠিক। কিন্তু এটাও ঠিক, তাদের ভোটপ্রাপ্তির হার এতটুকু কমেনি। ২০১৮ সালে যা ছিল ৩৬ শতাংশ, ২০২৩ সালে এসেও তা সেই ৩৬ শতাংশই রয়েছে। তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে, কংগ্রেস যে বিপুলভাবে এবং রেকর্ড সৃষ্টি করে জিতল, তা কীভাবে সম্ভব হল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটাও ওই ছোট্ট অঙ্কের হিসাব থেকেই পরিষ্কার। ২০১৮ সালের তুলনায় ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস যে পাঁচ শতাংশ ভোট বেশি পেয়েছে, তার পুরোটাই এসেছে জনতা দল সেকুলারের বদান্যতায়। ওই দলের ভোটপ্রাপ্তির হার ১৮ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ১৩ শতাংশ। পাশাপাশি কংগ্রেসের ভোটপ্রাপ্তির হার ৩৮ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে প্রায় ৪৩ শতাংশ। 
    লিঙ্গায়েত, ভোক্কালিগার সঙ্গে সংখ্যালঘু এবং দলিত ‘অহিন্দা’ সম্প্রদায়ের লড়াই, হিজাব নিষিদ্ধকরণ এবং সর্বোপরি বজরংবলী ইসু নাকি বিজেপিকে এই রাজ্যে ধরাশায়ী করে দিয়েছে। অনেকে আবার বলছেন, রাহুল গান্ধীর পদযাত্রাই গেরুয়া শিবিরের পায়ের তলার মাটি আলগা করে দিয়েছে। কারণ যাই হোক, কংগ্রেস যে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ওই রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরেছে, এ নিয়ে কোনও সংশয়ের অবকাশ নেই। কিন্তু তাই বলে বিজেপি শেষ হয়ে গেল, পরিসংখ্যান কিন্তু সে কথা বলছে না। সংখ্যাতত্ত্বের হিসাবে পরিষ্কার, বিজেপির ভোটব্যাঙ্কে এতটুকুও চিড় ধরেনি। ফলে ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন নিয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো যাঁরা বলে বেড়াচ্ছেন বিজেপির শেষের দিন শুরু, তারা কিন্তু তা করছেন বাস্তবের মাটিতে দাঁড়িয়ে নয়, বরং পুরোপুরি অবিবেচকের মতোই, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

    ত্রিপুরায় খাতাই খুলতে পারেনি তৃণমূল!

    এবার দেখে নেওয়া যেতে পারে, যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির এই ফলাফল (Karnataka Election 2023) নিয়ে উল্লসিত, তাঁর দল তৃণমূল ত্রিপুরায় কী ফল করেছে। তৃণমূল চেয়েছিল উত্তর-পূর্ব ভারতে সম্প্রসারণ ঘটাতে। তার জন্য দলের তাবড় নেতারা ত্রিপুরায় গিয়ে পড়ে থেকেছেন, দলের হয়ে লাগাতার প্রচার করেছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের ফলে দেখা গেল, সব চেষ্টাই জলে গিয়েছে। সেখানে তৃণমূলের প্রাপ্তি শূন্য। একমাত্র মুখ রক্ষা করেছে মেঘালয়। অর্থাৎ সাম্প্রতিক ভোটের ফলে পরিষ্কার, তৃণমূল এখনও কুয়োর ব্যাঙ হয়েই রয়ে গিয়েছে, সাগরে ঘুরে বেড়ানোর স্বাদ তার মেটেনি। কর্নাটকের কথাই ধরা যাক। সেখানে কি তৃণমূল কংগ্রেসের একজন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যও আছেন? প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে তাঁদের এত উল্লাস কীজন্য? আর সিপিএম? কর্নাটকে এই দলটি তো নোটার চেয়েও কম ভোট পেয়েছে। তারপরেও কংগ্রেসের জয়ে তারা বাংলায় বিজয় মিছিল বের করে দিয়েছে। এসব দেখে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আড়ালে হাসাহাসিই করছেন।

    বেঙ্গালুরু শহরাঞ্চলে এখনও দাপট বিজেপিরই

    ভোটের (Karnataka Election 2023) ফলাফল পর্যালোচনা করে আরও একটি জিনিস পরিষ্কাের, কর্নাটকে শহরাঞ্চলের মানুষ এখনও বিজেপির প্রতি তাদের আস্থা বজায় রেখেছে। আর সেই কারণেই খোদ বেঙ্গালুরু শহরে বিজেপির ভোট বেড়েছে প্রায় ৬ শতাংশ। সেখানে জনতা দল সেকুলারের ভোট কমেছে প্রায় ৮ শতাংশ। যদিও উল্টো ঘটনাই ঘটেছে দক্ষিণ কর্নাটকে। সেখানেও জনতা দল সেকুলারের ভোট কমেছে প্রায় ৮ শতাংশ। কিন্তু তার পুরোটাই গিয়েছে কংগ্রেসের ঝুলিতে। আরও লক্ষণীয় বিষয় হল, যে উপকূল এলাকায় বিজেপির লড়াই ছিল মূলত হিজাব এবং হালাল ইসুতে, সেখানে তাদের ভোটব্যাঙ্ক কার্যত অক্ষুন্ন রয়েছে এবং ভোটপ্রাপ্তির হার প্রায় ৪৭ শতাংশ।

    বরাবরই পরিবর্তনের পক্ষে কর্নাটক

    দক্ষিণের এই রাজ্যের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গকে অনেকেই এক আসনে বসাচ্ছেন। ইতিহাস কিন্তু সে কথা বলছে না। এই রাজ্য আগাগোড়া পরিবর্তনপন্থী। মনে রাখতে হবে, দক্ষিণের এই রাজ্য আসলে কংগ্রেসেরই মূল ঘাঁটি। ১৯৮৩ সালে প্রথম জনতা পার্টি সেই একাধিপত্যে আঘাত হেনেছিল এবং কংগ্রেসকে সরিয়ে ক্ষমতার মসনদে বসেছিলেন রামকৃষ্ণ হেগড়ে। ২০০৪ এবং ২০১৮ বাদ দিলে এই রাজ্যে সরকার বদল হয়েছে বারবার। বিজেপির পথ চলা শুরু হয় ১৯৯১ সালে, মাত্র ৪ টি আসন দিয়ে। ১৯৯৪ সালে এটাই এক ধাক্কায় দশগুণ বেড়ে হয় ৪০। এরপর আর বিজেপিকে ফিরে তাকাতে হয়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ভোটের এই ফল দেখে বলছেন, ভারতের বৃহৎ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা যে এখনও অক্ষুন্ন রয়েছে, তা এ থেকেই পরিষ্কার। রিগিং, ছাপ্পা, বুথ দখল এসব কিছুই শোনা যায়নি এই রাজ্যের ভোটে।
    ধরা যাক, ভোট-পরবর্তী হিংসার কথাও। ২০২১ সালের ২ মে ফলাফলে যখনই পরিষ্কার হয়ে গেল বাংলায় ফের ক্ষমতায় আসছে তৃণমূল, তখন বিরোধী বিশেষত বিজেপি সমর্থকদের ওপর যে আক্রমণ নেমে এসেছিল, তার ভুরি ভুরি উদাহরণ এখনও আমাদের চোখের সামনে। এখনো বহু মানুষ ঘরছাড়া, নিজের সামান্য দোকানটুকুও খুলতে পারছেন না। কিন্তু দক্ষিণের ওই রাজ্য বিজেপির মতো একটি সর্বভারতীয় এবং বৃহৎ দলের কাছে যে বিপর্যয় (Karnataka Election 2023) ডেকে আনল, তার কোনও বিরূপ প্রভাব সমাজে কিন্তু পড়েনি। রাজ্য চলেছে তার স্বাভাবিক ছন্দে। এই পরাজয়কে মেনে নিয়েই এগিয়ে চলেছে বিজেপি। নেই কোনও আক্রোশ, নেই কোনও হামলাবাজির ঘটনা। 

    কী বলেছিলেন বিজেপির মুখপাত্র?

    বিজেপির মতো একটি সর্বভারতীয় দল এই ফলকে যে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবেই দেখছে, তা দলের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের কথাতেও পরিষ্কার। কর্নাটকের পরাজয় (Karnataka Election 2023) নিয়ে তিনি বলেছিলেন, “একটা সর্বভারতীয় দলের কাছে এটা টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ছিল। তাতে হেরেছে। আর লোকসভা নির্বাচন একদিনের ম্যাচ নয়, পাঁচদিনের টেস্ট। তৃণমূল দল তো রাজনীতিকে খেলা মনে করে। ওরা খেলুক। ২০২৪ পর্যন্ত দলটা থাকবে কিনা, সেটাই সন্দেহ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CPM: দিনের বেলায় সিপিএমের কার্যালয়ে আগুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    CPM: দিনের বেলায় সিপিএমের কার্যালয়ে আগুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার দুপুরে সিপিএমের (CPM) দলীয় কার্যালয়ে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। আগুন নেভানোর চেষ্টা হয়। পরে, দমকল এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিন দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বরানগরের বনরিণি এলাকায়। ইতিমধ্যেই দলের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    দলীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বনরিণি পার্টি অফিসে সিপিএম (CPM) কর্মীরা লেনিনের জন্মদিন পালন করেন। সেখানে একাধিক কর্মী, সমর্থক হাজির ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পরই কার্যালয়ে স্থানীয় লোকজন আগুন দেখতে পান। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, ওই পার্টি অফিসে জানলা খোলা ছিল। দরজা বাইরে থেকে লাগানো ছিল। আচমকাই পার্টি (CPM) অফিসের ভিতর থেকে আগুন দেখে আমরা ছুটে যাই। সঙ্গে সঙ্গে আগুন নেভানোর উদ্যোগ নিই। দমকলের দুটি ইঞ্জিন এসে ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

    কী বললেন সিপিএম (CPM) নেতৃত্ব?

     সিপিএম (CPM) নেতা স্বপন মজুমদার বলেন, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এসে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। কয়েকদিন আগে আমাকে দেওয়াল লিখতে তারা বাধা দেয়। আমরা এই ঘটনার তদন্ত দাবি করছি। আর দলীয় কার্যালয়ে যে বা যারা আগুন লাগিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর তথা পুরসভার চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিক বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কোনওভাবেই জড়িত নই। আসলে ওই পার্টি অফিসটির কিছু অংশ ভাঙা রয়েছে। দিনের বেলায় কী করে আগুন লাগল তা পুলিশ তদন্ত করে দেখুক। তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায় বলেন, ১২ বছর ধরে আমি বিধায়ক রয়েছি। এই ধরনের ঘটনা ঘটেনি। আর ওই এলাকায় এদিন দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বলে শুনেছি। তবে, দলের বা সিপিএমের কেউ কিছু জানাইনি। তবে, কোনও কিছু হলে সিপিএম (CPM) সবার পিছনে তৃণমূল রয়েছে অভিযোগ করে। এক্ষেত্রেও সেই অভিযোগ করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Forest Minister: মিছিল করলে বিরোধীদের ঠ্যাং ভেঙে দেওয়ার নিদান দিলেন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক

    Forest Minister: মিছিল করলে বিরোধীদের ঠ্যাং ভেঙে দেওয়ার নিদান দিলেন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীরা মিছিল করলে ঠ্যাং ভেঙে দেওয়ার নিদান দিলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী (Forest Minister) জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। বারাসতে দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বনমন্ত্রী (Forest Minister) বলেন, “সিপিএম, কংগ্রেস, বিজেপি যেই এবার থেকে মিছিল করতে আসুক, আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে রাখবেন। কোথাও মারব না! মারতে হবে ঠ্যাংয়ের গোড়ালি দুটোতে! মেরে পায়ের গোড়ালি ভেঙে দিতে হবে। যাতে বিরোধীরা জব্দ হয়ে যায়”। দুদিন আগে বারাসত জেলা পরিষদের সামনে বিভিন্ন ইস্যুতে সিপিএমের কর্মসূচি ছিল। সেখানে পুলিশের সঙ্গে সিপিএম কর্মীদের ধস্তাধস্তি হয়। ১০ জন পুলিশ কর্মী জখম হন। এই গন্ডগোলের ঘটনা নিয়ে সিপিএমকে দায়ী করে প্রকাশ্যে তাদের ক্ষমা চাওয়ার নিদানও দিয়েছেন রাজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী।

    চিরকুট প্রসঙ্গে কী বললেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Forest Minister)?

    রাজ্যে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তোলপাড়। তৃণমূলের একের পর এক নেতা, মন্ত্রী জেলে যাচ্ছেন। এই অবস্থায় বামফ্রন্টের আমলে হওয়া নিয়োগ দুর্নীতি সামনে এনে শাসক দলের নেতারা সিপিএমকে পাল্টা চাপে ফেলতে চাইছেন। শাসক দলের একাধিক মন্ত্রী প্রকাশ্যে বলছেন, সিপিএমের আমলে চিরকুট দিয়ে বহু চাকরি হয়েছে। সেই ‘চিরকুট’-বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না। যত দিন যাচ্ছে ততই এই ইস্যুতে বিরোধী সিপিএমের উপর পাল্টা চাপ বাড়াচ্ছে শাসক শিবির। এবার সেই ‘চিরকুট’-অস্ত্রে আরও একবার শান দিলেন রাজ‍্যের বনমন্ত্রী (Forest Minister) জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। রীতিমতো দলীয় মঞ্চ থেকে ‘চিরকুট’-এ চাকরি পাওয়া সিপিএমের ৭১ জনের তালিকা তুলে ধরে নিশানা করলেন তিনি। জ্যোতিপ্রিয় (Forest Minister) বলেন, “চোরের মায়ের বড় গলা। চিরকুটে চাকরি পেয়েছে, সে আবার বড় বড় কথা বলছে। আমরা যদি আদালতে যাই। তখন সব টাকা সুদে আসলে মেটাতে হবে”। এখানেই থেমে থাকেননি রাজ‍্যের বনমন্ত্রী। কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেছেন, বাকি তালিকাও তৈরি করছি আমরা। সেই নামের তালিকা দিয়ে পরবর্তী সময়ে আলাদাভাবে একটি বই তৈরি করে জনসমক্ষে আনা হবে”। যদিও বনমন্ত্রীর (Forest Minister) এই ‘চিরকুট’ হুঁশিয়ারিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ সিপিএম নেতৃত্ব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: আদিবাসী মহিলাদের দণ্ডিকাটার নিদান! নেত্রীকে সরিয়ে দিল তৃণমূল, জেলা জুড়ে বিক্ষোভে বিজেপি

    BJP: আদিবাসী মহিলাদের দণ্ডিকাটার নিদান! নেত্রীকে সরিয়ে দিল তৃণমূল, জেলা জুড়ে বিক্ষোভে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বিজেপি (BJP) করার শাস্তি হিসেবে তিন আদিবাসী মহিলাকে দণ্ডি কাটার নিদান দিয়েছিলেন তৃণমূলের দক্ষিণ দিনাজপুর  জেলার মহিলা সভানেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তী। ৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় বালুরঘাট শহরে তৃণমূলের জেলা কার্যালয়ের আশপাশে থাকা লোকজন ও কয়েকজন তৃণমূল কর্মী এই অমানবিক ঘটনার সাক্ষী ছিলেন। আর দণ্ডি কাটার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ঘরে, বাইরে চাপে পড়ে যায় তৃণমূল নেতৃত্ব। খবর পৌঁছে যায় তৃণমূল সুপ্রিমোর কাছে। আর তড়িঘড়ি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নাম দিয়ে রবিবার বিকেলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রেস রিলিজ বের করা হয়। আর তাতে প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে সরিয়ে তাঁর ওই পদে স্নেহলতা হেমব্রম নামে এক আদিবাসীকে জেলা তৃণমূলের মহিলা সভানেত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। আদতে এই পদে একজন আদিবাসীকে নিয়ে এসে ওই অপকর্মের প্রায়শ্চিত করল তৃণমূল, এমনই মত রাজনৈতিক মহলের।

    দণ্ডিকাটার ঘটনা নিয়ে সরব আদিবাসী সমাজ?

    তপন ব্লকের গোফানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের শনকৌর গ্রামের তিন আদিবাসী মহিলার বাড়ি। বিজেপি করার জন্য শাস্তি হিসেবে তাঁদের দণ্ডি কাটার নিদান দিয়েছিল তৃণমূলের মাতব্বররা। এই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছে আদিবাসী সমাজ। ৮ টি আদিবাসী সংগঠনের যৌথ মঞ্চ রবিবার সকালে গ্রামে গিয়ে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গেও তাঁরা এদিন কথা বলেন। গ্রামবাসীরাও আদিবাসী সংগঠনের কাছে এই ঘটনার সুবিচার দাবি করেছেন। আদিবাসী যৌথ মঞ্চের সভাপতি সুনীল বাঘয়ার বলেন, আদিবাসী বলেই ওই ধরনের ঘটনা ঘটনো হয়েছিল। প্রশাসন কী করছে দেখব, তার পরই আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব। কারণ, এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না।

    গ্রামে সিপিএমের প্রতিনিধিরা গিয়ে কী করলেন?

    রবিবার আদিবাসী সংগঠনের পাশাপাশি সিপিএমের এক প্রতিনিধি দল গ্রামে যায়। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেন। সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য নন্দলাল হাঁসদা বলেন, আদিবাসী সমাজকে অপমানিত করা হয়েছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এই অমানবিক ঘটনার প্রতিবাদে আমরা মিছিল করব।

    দণ্ডি কাটার প্রতিবাদে কী করল বিজেপি (BJP)  ?

    দণ্ডি কাটা ঘটনার প্রতিবাদে বালুরঘাট থানার সামনে এদিন বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। বালুরঘাট থানা সহ জেলার আটটি থানায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে বিজেপি (BJP)। বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, জোর করে তৃণমূল এই কাজ করেছে। আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এদিন সব থানায় বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে। সোমবার জেলা শাসকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। সেখানে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং সাংসদ দিলীপ ঘোষ থাকবেন।

    কী বললেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি?

    দলবদলুদের দণ্ডি কাটার শাস্তির নিদান নিয়ে জেলা জুড়়ে সবমহলে সমালোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃনাল সরকার বলেন, আমরা শনিবার ওই গ্রামে গিয়ে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। এই ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা জানিয়েছি। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত নেত্রীকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Scam: সরকারি ধান বিক্রিতে যুব তৃণমূল নেতার এমন দুর্নীতি! কোথায় জানেন?

    Scam: সরকারি ধান বিক্রিতে যুব তৃণমূল নেতার এমন দুর্নীতি! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পুকুর খনন না করেই ১০০ দিনের প্রকল্পে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উত্তর দিনাজপুরের তৃণমূলের এক মন্ত্রীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে। যদিও ইতিমধ্যেই আদালত টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এবার সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রিতে দুর্নীতিতে (Scam) নাম জড়াল যুব তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির আজিম রহমান খানের বিরুদ্ধে। তিনি গোঘাটের শ্যামবাজার অঞ্চলের যুব তৃণমূলের নেতা।  গোঘাট- ২ পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ সাহাবুদ্দিন খানের তিনি ঘনিষ্ঠ বলে এলাকায়  পরিচিত। সেই কারণে এলাকায় তাঁর দাপটও রয়েছে। অন্যের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ধান বিক্রির অভিযোগ। লক্ষ লক্ষ টাকা কারচুপির (Scam)  অভিযোগ রয়েছে। প্রায় একাধিক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই টাকা অ্যাকাউন্টে ঢোকার পরেই টাকা তুলে দিতে চাপ দিচ্ছে বলে ওই যুব তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। শুধুমাত্র শাসক দলের প্রভাব খাটিয়েই তিনি এধরনের দুর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ। প্রশ্ন হল, এলাকার  যাদের  সামান্য জমি  অথবা জমিই নেই, তাঁদের  বিঘার পর বিঘা জমি দেখিয়ে কিভাবে হাজার হাজার টাকা  অ্যাকাউন্টে ঢোকানো হল ? ইতিমধ্যেই অনেকেই প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। আরামবাগের মহকুমা শাসক সুভাশিনী -ই বলেন, ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    ঠিক কী অভিযোগ রয়েছে যুব তৃণমূলের নেতার বিরুদ্ধে? Scam

    সাধারন মানুষের কথা ভেবে রাজ্য সরকার সি পি সি – র মাধ্যমে সরকারি সহায়ক মূল্যে প্রতিটি ব্লক থেকে ধান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যুব তৃণমূলের দাপুটে নেতা হওয়ার সুবাদে এলাকার বহু সাধারণ মানুষের আধার কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট জমা নিয়েছে ওই নেতা। আর সেই অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে লক্ষ লক্ষ টাকা। অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার পর ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তুলে তৃণমূল নেতার কাছে টাকা পৌঁছে দিতে হয়েছে। এরকমভাবে গোঘাট এলাকায় ওই যুব তৃণমূল নেতা লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা সুলতান খাঁ বলেন, আমার দুকাঠা জমি রয়েছে। আমি সরকারের কাছে কোনও ধান বিক্রি করিনি। ওই তৃণমূল নেতা আমার কাছে থেকে আধার কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে যায়। দুদফায় আমার অ্যাকাউন্টে ৯০ হাজার টাকা ঢুকেছে। সব টাকা যুব তৃণমূল নেতাকে আমি দিয়ে দিয়েছি। অন্য এক বাসিন্দা বলেন, আমি কোনও ধান বিক্রি করিনি। আমার অ্যাকাউন্টে ৬০ হাজার টাকা ঢুকেছে। সব টাকা তৃণমূল নেতাকে দিয়ে দিয়েছি। যদিও বিরোধী দলের চক্রান্তে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে বলে দাবি অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা আজিম রহমান খানের। তিনি বলেন, আমি কোনও দুর্নীতি (Scam)  করিনি। আমি সামান্য আলু ব্যবসায়ী। কাউকে আলু বীজ দিয়েছি। সে আমাকে টাকা দিয়েছে। সেটা নিয়ে বিরোধীরা আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।

    বিজেপির রাজ্য সম্পাদক বিমান ঘোষ বলেন, গোটা রাজ্য জুড়েই দুর্নীতি (Scam) চলছে। এই দলে সবাই চোর। তাই, তৃণমূলের দুর্নীতি (Scam)  নিয়ে নতুন করে আমার কিছু বলার নেই। সিপিএম নেতা বাবলু রায় বলেন, শুধু ধান নয়, ১০০ দিনের কাজেও তৃণমূল নেতারা লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়েছে। সব জায়গায় দুর্নীতি (Scam)  করছে। আর এসব দুর্নীতির (Scam)  টাকা যাচ্ছে কালীঘাটে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share