Tag: crime news

crime news

  • Chhota Rajan: হোটেল মালিককে খুনের মামলায় অবশেষে দোষী সাব্যস্ত মাফিয়া ছোটা রাজন

    Chhota Rajan: হোটেল মালিককে খুনের মামলায় অবশেষে দোষী সাব্যস্ত মাফিয়া ছোটা রাজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০১ সালে মুম্বাইয়ে ব্যবসায়ী জয়া শেট্টি খুনের মামলায় বৃহস্পতিবার গ্যাংস্টার ছোটা রাজন (Chhota Rajan) ওরফে রাজেন্দ্র সদাশিব নিকালজিকে ‘দোষী’ ঘোষণা করল আদালত। অর্থাৎ প্রায় আড়াই দশকের পুরনো খুনের মামলায় ছোটা রাজনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে মুম্বইয়ের (Mumbai) আদালত। তবে এই মামলায় তার কী শাস্তি হতে চলেছে তা অবশ্য এখনও যায়নি। জানা গিয়েছে, আগামিকাল অর্থাৎ শুক্রবার এই মামলায় সাজা ঘোষণা করবে আদালত। 

    কে এই জয়া শেট্টি? 

    জয়া শেট্টি ছিলেন সেন্ট্রাল মুম্বইয়ের (Mumbai) গোল্ডেন ক্রাউন হোটেলের মালিক। ২০০১ সালে ৪ মে নিজের হোটেলের মধ্যে ঢুকে তাঁকে গুলি করে খুন করে দুই দুষ্কৃতী। তদন্তে জানা যায়, ছোটা রাজনকে (Chhota Rajan) টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে খুন করা হয়। পুলিশ জানতে পারে, মাফিয়াদের তরফে হুমকি মেলার পর পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল জয়াকে। তবে খুন হওয়ার ২ মাস আগে তাঁর নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছিল। সেই মামলার তদন্তে নেমে মুম্বই পুলিশ জানতে পারে এই হত্যা মামলায় সরাসরি যোগ রয়েছে রাজনের। 
    যদিও এর আগে এই মামলার শুনানিতে রাজনের (Chhota Rajan) এক সহযোগীকে বেকসুর খালাস করেছিল আদালত। তদন্তে জানা যায়, রাজনের নির্দেশে ৩ জনকে সঙ্গে নিয়ে জয়া শেট্টিকে খুন করে সমীর অশোক মালিক। এই মামলায় অজয় মোহিতে, প্রমোদ ধোন্ডে এবং রাহুল পানসারেকে আগেই দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত। আর এবার দোষী সাব্যস্ত হল ছোটা রাজন।

    আরও পড়ুন: জুনের শুরুতেই ভিজবে রাজ্য! উত্তরবঙ্গে জারি কমলা সতর্কতা, দক্ষিণে কী পূর্বাভাস?

    জেলে বন্দি রাজনকে আবারও খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করল বিচারপতি 

    প্রসঙ্গত, কয়েক মাস আগেই নেটফ্লিক্সে একটি ওয়েব সিরিজ মুক্তি পেয়েছিল যার বিরুদ্ধে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজন। হনসল মেহতা পরিচালিত ‘স্কুপ’ সিরিজ সাংবাদিক জ্যোতির্ময় দে খুনের ঘটনা নিয়ে তৈরি। সিরিজে তার ছবি এবং গলার স্বর ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিল ছোটা রাজন। এই খুনের মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ছিলেন আরেক সাংবাদিক জিগনা ভোরা। ২০১৮ সালে তিনি বেকসুর খালাস পান তবে, ছোটা রাজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। আর এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার তিহাড় জেলে বন্দি রাজনকে (Chhota Rajan) আবারও একটি খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করল বিচারপতি এ এম পাতিল।  

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA News: কাঁথি থেকে ধৃত বেঙ্গালুরুর বিস্ফোরণে জড়িত দুই সন্দেহভাজন! কীভাবে খোঁজ পেল এনআইএ?

    NIA News: কাঁথি থেকে ধৃত বেঙ্গালুরুর বিস্ফোরণে জড়িত দুই সন্দেহভাজন! কীভাবে খোঁজ পেল এনআইএ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণকাণ্ডে বাংলা থেকে গ্রেফতার দুই সন্দেহভাজন। মুসাভির হুসেন শাহিব ও সহযোগী আবদুল মথিন তাহাকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ (NIA News)। এরা দুজনেই বেঙ্গালুরু ক্যাফেতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের  মাস্টারমাইন্ড বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। কলকাতার উপকণ্ঠেই গা ঢাকা দিয়ে ছিল এই দুই অভিযুক্ত। কাঁথি থেকে এনআইএ-র জালে ধরা পড়ে তারা।

    কীভাবে গ্রেফতার

    গত ১ মার্চ বেঙ্গালুরুর (Bengaluru Blast) রামেশ্বরম ক্যাফেতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এনআইএ সূত্রের খবর, বিস্ফোরণের পর তারা বাংলায় এসে আত্মগোপন করেছিল। বেশ কয়েক দিন ধরে তাঁরা এই রাজ্যে পরিচয় গোপন করে থাকছিলেন। ২৮ দিন ধরে রাজ্য়ের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেরিয়েছে তারা। তারই মধ্যে ধৃত মুসাভির হুসেন শাহিব মহম্মদ জুনের শাহিব নামে ভুয়ো ড্রাইভিং লাইসেন্স বানিয়েছিল। আবদুল মাথিন আহমেদ তাহা বিগনেস ওরফে সুমিত নামে ভুয়ো আধার কার্ডও বানিয়েছিল।  দু-তিন দিন আগে অন্য় নাম ব্য়বহার করে নিউ দিঘার একটি হোটেলে ওঠে দুই সন্দেহভাজন। সূত্রের খবর, তাদের ধরতে রাজ্য় পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এনআইএ (NIA News)। পরিকল্পনা মতো বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হোটেলে হানা দিয়ে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। নিখোঁজ দুই সন্দেহভাজন জঙ্গির নামেই ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA)। তার পরিণাম পাওয়া গেল শুক্রবার। ধৃতের মধ্য়ে একজন রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড বলে কেন্দ্রীয় গোয়ন্দা সংস্থা সূত্রে দাবি। ধৃতদের কাছ থেকে প্রচুর ইলেকট্রনিক গেজেট, ল্য়াপটপ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘মায়ের শেষ যাত্রাতেও থাকতে দেয়নি, মেলেনি জামিন’ জরুরী অবস্থার কথা স্মরণ রাজনাথের

    কীভাবে খোঁজ মেলে

    বিস্ফোরণের (Bengaluru Blast) পরেই ওই ক্যাফের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছিল, এক যুবক ক্যাফের ভেতরে একটি ব্যাগ রেখে আসে, ঘন্টাখানেক পর তা থেকেই ঘটে বিস্ফোরণের ঘটনা। বিস্ফোরণ কাণ্ডে জড়িত মূল অভিযুক্ত মুজাম্মিল শরিফকে আগেই আটক করা হয়েছিল। খোঁজ চলছিল সন্দেহভাজন বাকি দুজনের। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা ওই দুজনকে আটক করে। শুক্রবার এনআইএ, পশ্চিমবঙ্গ, তেলঙ্গানা, কর্ণাটক ও কেরল পুলিশের যৌথ অভিযানে অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। এনআইএর সঙ্গে ছিল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের একটি দলও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyber Crime: পাকিস্তানি যোগ! ১০ দিনে ৫২জন সাইবার অপরাধীকে গ্রেফতার করল ঝাড়খণ্ড পুলিশ

    Cyber Crime: পাকিস্তানি যোগ! ১০ দিনে ৫২জন সাইবার অপরাধীকে গ্রেফতার করল ঝাড়খণ্ড পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ১০দিন ধরে পরপর অভিযান চালিয়ে সাইবার ক্রাইমে যুক্ত থাকার অভিযোগে ৫২ জনকে গ্রেফতার করেছে ঝাড়খণ্ড পুলিশ। গিরিডি, হাজারিবাগ, জামতারা অঞ্চলে এই অভিযানগুলো চালানো হয়েছিল। সীমান্তবর্তী ঝাড়খণ্ডের এই গ্রামগুলিতে অভিযান চালিয়ে আন্তর্জাতিক সাইবার চক্রেরও খোঁজ পেয়েছে পুলিশ। ওই সাইবার চক্রটি পাকিস্তান থেকে চালানো হয় বলেও অনুমান পুলিশের।

    কী বলছে পুলিশ

    ঝাড়খণ্ড পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাপের মাধ্যমে নগ্ন ভিডিয়ো কল করে প্রতারণার জাল বিস্তার করেছিল ওই দুষ্কৃতীরা। ব্যবহারকারীকে ভিডিয়ো কলের মাধ্যমে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হত। নগ্ন ভিডিয়ো কলের ছবি তুলে তা দেখিয়ে চলত লাগাতার ব্ল্যাকমেল। এ ছাড়া, সন্তানসম্ভবা মহিলাদেরও ঠকানো হত ভিন্ন কৌশলে। হাজারিবাগ পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবার অভিযান চালিয়ে বিহারের চম্পারণের বাসিন্দা সইফ রিয়াজ ওরফে শিবুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের ছাতরা ও হানতুরগঞ্জের অরবিন্দ কুমার, নীতীশ কুমার, রামান কৌশিককেও ধরেছে পুলিশ। এরা পাকিস্তানের একটি নম্বর থেকে নির্দেশ পেত সেইরকমই কাজ চলত।  

    গিরিডিতে অভিযান

     ঝাড়খণ্ডের গিরিডিতেও কয়েক জন সাইবার অপরাধীর খোঁজ পায় পুলিশ। পরিকল্পনা করে ফাঁদ পেতে তাঁদের কাছে পৌঁছে যায়। কিন্তু পুলিশ দেখেই পালানোর ফন্দি আঁটে ওই দুষ্কৃতীরা। নানা কৌশলে গ্রামের রাস্তা দিয়ে তারা ছুটছিল। পিছনে ধাওয়া করে রুদ্ধশ্বাসে ছুটছিলেন পুলিশ আধিকারিকেরাও। তবে তাঁরা কেউ পুলিশের পোশাকে ছিলেন না। সাদা পোশাকে দুষ্কৃতীদের ধরতে গিয়েছিলেন তাঁরা। ছ’জনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে নগদ ৮,২৯,৬০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। সঙ্গে ছিল ১২টি মোবাইল ফোন, ২১টি এটিএম কার্ড, ১৮টি সিম কার্ড, ১২টি ব্যাঙ্কের পাসবই, ছয়টি চেকবই, চারটি প্যান কার্ড এবং দু’টি আধার কার্ড। জামতারা অঞ্চলেও অভিযান চালিয় ৩০ জন অপরাধীকে ধরা হয়েছে বলে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murder Case in Maharashtra: খুনের কৌশলে পুলিশই অবাক! ২০ দিনে রহস্যমৃত্যু একই পরিবারের ৫ জনের

    Murder Case in Maharashtra: খুনের কৌশলে পুলিশই অবাক! ২০ দিনে রহস্যমৃত্যু একই পরিবারের ৫ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ২০ দিনের মধ্যে পরপর মৃত্যু হয় একই পরিবারের ৫ জনের। মৃত্যুর ধরনও এক। প্রথমে অসুস্থ হয়ে পড়া। তারপর বিষক্রিয়ায় ধীরে ধীরে বিকল হতে থাকে শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ। অবশেষে মৃত্যু। ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের গাড়ছিরোলিতে। চিকিৎসকেরাই প্রথম লক্ষ্য করেন, মৃতদের সকলেরই অসুস্থতার উপসর্গ এক ছিল। এরপরই সন্দেহ হয়, নিশ্চয়ই বিষক্রিয়া হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে চারটি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়। তদন্ত শুরু করে পুলিশ। শেষে দেখা গেল একের পর এক মৃত্যুর ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে সেই পরিবারেরই দুই মহিলার ষড়যন্ত্র। তারা পরিকল্পনামাফিক পর পর খুন করে গেছে। এরকম ঠান্ডা মাথায় পর পর নিজের পরিবারের সদস্যদেরই খুন করার নজির বিশেষ নেই। বুধবার ওই দুই মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    কী ঘটেছিল

    গত ২০ সেপ্টেম্বর শঙ্কর কামভারে ও তাঁর স্ত্রী বিজয়া হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন। ধারণা করা হয়, খাদ্যে বিষক্রিয়া থেকে তাঁর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দ্রুত তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। শুরু হয় বুকে ব্যথা, মানে হৃদপিণ্ডের সমস্যা। তাঁদের প্রথমে স্থানীয় আহেরি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে নাগপুরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৬ দিনের মাথায় মারা যান শঙ্কর। পরদিন বিজয়ার মৃত্যু হয়। পরিবারের এই শোকের মধ্যে দেখা যায়, তাঁদের ছেলেমেয়ে কোমল দাহাগাওকর, আনন্দ ও রোশন কামভারে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদেরও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রতিদিন একটু একটু করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। ৮ অক্টোবর মারা যান কোমল। আনন্দ মারা যান ১৫ তারিখ। পরদিন মৃত্যু হয় রোশনের।

    আরও পড়ুন: দুর্নীতির তদন্তে আলিপুরদুয়ারে ক্যাম্প করবে সিবিআই, রাজ্যকে ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিল আদালত

    কীভাবে হত্যা

    তদন্তে জানা যায়, সংঘমিত্রা তাঁর স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ির উপরে তিতিবিরক্ত হয়ে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে, রোজা সম্পত্তি নিয়ে অশান্তির জেরে রেগেছিলেন। দুইজন মিলে ফন্দি আঁটেন পরিবারের সদস্যদের খুন করার। পরিকল্পনামাফিক তাঁরা পরিবারের সদস্যদের খাবারের মধ্যে আর্সেনিক মিশিয়ে দেন। পুলিশ জানিয়েছে জেরায় দুজনেই খুনের কথা স্বীকার করেছে। দুই গৃহবধূ এতটা গভীর ষড়যন্ত্র করে খুন করতে পারে জেনে পুলিশই হতভম্ব। পুলিশ জানিয়েছে, সঙ্ঘমিত্রা প্রথমে বিষ নিয়ে অনলাইনে সার্চ করেছিল। তার পর তেলঙ্গনা থেকে আর্সেনিক কিনে আনে, যাতে ধরা না পড়ে। জল ও খাবারের সঙ্গে সে একে একে শ্বশুর, শাশুরি ও স্বামীকে বিষ খাইয়ে দেয়। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: ইম্ফলে জ্বলল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়ি, হিংসার পথেই মণিপুর

    Manipur Violence: ইম্ফলে জ্বলল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়ি, হিংসার পথেই মণিপুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিংসা থামার নাম নেই মণিপুরে (Manipur Violence)। শুক্রবার ভোরে ফের নতুন করে আগুন জ্বলে উঠল মণিপুরে। সূত্রের খবর, এদিন ভোরে দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় ইম্ফলে অবস্থিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরকে রঞ্জন সিং-এর বাড়িতে। তাঁর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। তবে, ঘটনার সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাড়িতে ছিলেন না। তিনি এখন দিল্লিতে।

    ভস্মীভূত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়ি

    জানা গিয়েছে, বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী আরকে রঞ্জন সিংয়ের বাড়িতে শুক্রবার ভোর রাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। প্রায় ১০০০ জন মিলে মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা চালায় বলে জানা গিয়েছে। এই হামলার সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিজের বাড়িতে ছিলেন না বলে জানা গিয়েছে। তিনি নিরাপদ স্থানেই আছেন। প্রসঙ্গত, এর আগে মে মাসেও মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা চালানো হয়ছিল। তবে এবারে তাঁর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে পুরো ভস্মীভূত করে দেওয়া হল। বুধবার রাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী নেমচা কিপগেনের বাংলোতেও।

    আরও পড়ুন: অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে সৌরাষ্ট্রে আছড়ে পড়ল বিপর্যয়! ১লক্ষ মানুষকে স্থানান্তর

    হিংসা রুখতে ইম্ফলে (Manipur Violence) জারি করা হয়েছে কার্ফু। তবে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই এদিন ইম্ফলের কোংবায় প্রায় ১২০০ লোক মন্ত্রীর বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল। ঘটনার সময় মন্ত্রীর বাসভবনে নয়জন সিকিওরিটি এসকর্ট কর্মী, পাঁচজন সিকিওরিটি গার্ড এবং আটজন অতিরিক্ত গার্ড উপস্থিত ছিলেন। দায়িত্বে থাকা এক নিরাপত্তা কর্মী জানিয়েছেন, হামলার সময় জনতা চারদিক থেকে বাড়িটি লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা ছুড়ে মারে। তিনি বলেছেন, “অপ্রতিরোধ্য জনতাকে আমরা আটকাতে পারিনি। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। বিল্ডিংয়ের পিছনের বাই লেন, সামনের প্রবেশদ্বার – চারদিক থেকে ওরা পেট্রোল বোমা ছুড়েছে। তাই আমরা জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি।” 

    মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস

    যতই মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং মণিপুরে (Manipur Violence) দ্রুত শান্তি ফেরানোর আশ্বাস দিন না কেন, উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে হিংসা পর্ব মিটতেই চাইছে না। বৃহস্পতিবারই মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন যে রাজ্যে শান্তি ফেরাতে সরকার একাধিক স্তরে আলোচনা করছে। হিংসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, বিগত ৩ মে থেকে জাতিগত হিংসার সাক্ষী মণিপুর। মাঝে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত ছিল। তবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি অবস্থা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Haridevpur: হরিদেবপুর-কাণ্ডে নয়া মোড়! মা ও তাঁর প্রেমিককে ফাঁসাতে গল্প ফেঁদেছিল মেয়েই

    Haridevpur: হরিদেবপুর-কাণ্ডে নয়া মোড়! মা ও তাঁর প্রেমিককে ফাঁসাতে গল্প ফেঁদেছিল মেয়েই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়েকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগে মা ও তাঁর প্রেমিককে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। একদিন পরেই জানা গেল, মা ও তাঁর প্রেমিককে ফাঁসাতে গল্প ফেঁদেছিল মেয়েই। হরিদেবপুর-কাণ্ডে নয়া চমক। নাবালিকার বিরুদ্ধে মিথ্যে তথ্য দেওয়ার অভিযোগে তাকে হোমে পাঠিয়েছে পুলিশ (Police)।

    মেয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, মায়ের ফোন ক্লোন করে ভুয়ো স্ক্রিনশট বানিয়ে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছিল মেয়ে। এর পর ১৬ বছরের ওই নাবালিকাকে গ্রেফতার করেছে হরিদেবপুর থানার পুলিশ। তদন্তকারীদের অনুমান, অসুস্থ পারিবারিক পরিবেশই কিশোরীকে এই ধরনের কাজ করার দিকে ঠেলে দিয়েছে।

    হরিদেবপুর থানার অন্তর্গত মতিলাল গুপ্ত রোডের বাড়িতে সোমবার ভোরে আগুন লেগেছিল। অভিযোগ ওঠে, মেয়েকে বদ্ধ ঘরে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করেছিলেন সোনালি চন্দ। হরিদেবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে মেয়ে। প্রথম অবস্থায় পুলিশ নাবালিকার অভিযোগের ভিত্তিতে নাবালিকার মা সোনালি চন্দ এবং তাঁর সঙ্গী প্রসূন মান্নাকে গ্রেফতার করে।

    মায়ের সিম ক্লোন করে মেয়ে

    পুলিশ জানতে পেরেছে সোনালি দেবীর ফোনের কন্ট্রোল তাঁর মেয়ে নিজের ফোনে নিয়েছিল। মায়ের সিম ক্লোন করে নিয়েছিল। বেশ কিছু এসএমএস নিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে গিয়েছিল ওই নাবালিকা। যেখান থেকে খুনের পরিকল্পনার কথা উঠে আসে। তা দেখেই পুলিশের সন্দেহ হয়। পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে সেই এসএমএস গুলোর প্রত্যেকটাই ফেক। ওই নাবালিকা নিজেই খুনের পরিকল্পনার গল্প বানাতে এসএমএস গুলো বানিয়েছিল বলে দাবি পুলিশের।

    আরও পড়ুন: অভিষেক যেতেই প্রশাসনিক পদ থেকে অপসৃত তৃণমূল নেত্রী, এত সময় লাগল?

    পুলিশের কাছে মিথ্যা অভিযোগ করা, বিভ্রান্ত করার অভিযোগে কিশোরীর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে তাকে পাঠানো হয় হোমে। আজ, বুধবার জুভেনাইল জাস্টিট বোর্ডের সামনে কিশোরীকে হাজির করবে পুলিশ। 

    অন্যদিকে রহস্য উন্মোচনের আগেই আদালতে পেশ করা হয় সোনালি ও তার বন্ধুকে। এরমধ্যে সমস্ত বিষয় স্পষ্ট হতেই আদালতে পুরো বিষয় জানায় হরিদেবপুর থানার পুলিশ। দুজনের একদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তবে পুলিশের অনুমান বাবা মায়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন, আলাদা থাকা সমস্ত কিছুর প্রভাব পড়ে থাকতে পারে কিশোরীর মনে। কিশোরীর বাবাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে পুলিশের তরফে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: ছোট মেয়ের প্রেমে বাধা! তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা, তাঁর স্বামী এবং বড় মেয়েকে খুন করল প্রেমিক

    Cooch Behar: ছোট মেয়ের প্রেমে বাধা! তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা, তাঁর স্বামী এবং বড় মেয়েকে খুন করল প্রেমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়ের সঙ্গে প্রতিবেশী যুবকের সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় সেই প্রেমিকের হাতে খুন হতে হল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা, তাঁর স্বামী এবং বড় মেয়েকে। আততায়ীদের হামলায় গুরুতর জখম হয়েছেন পঞ্চায়েত সদস্যার ছোট মেয়েও। শুক্রবার কোচবিহারের শীতলকুচির পশ্চিমপাড়ায় ঘটনাটি ঘটেছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত তিন যুবককে গ্রেফতার করেছে শীতলকুচি থানার পুলিশ।

    প্রেমে বাধা, তাই খুন

    শুক্রবার ভোর রাতে ওই তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে আর্তনাদ, গোঙানিতে ঘুম ভেঙেছিল প্রতিবেশীদের। স্থানীয় সূত্রে খবর, ভোর রাতে চিৎকার শুনে পঞ্চায়েত সদস্যা নীলিমা বর্মণের বাড়িতে ছুটে যান পড়শিরা। গিয়ে দেখেন, নীলিমা, তাঁর স্বামী বিমলকুমার বর্মণ (৬৮) এবং তাঁদের বড় মেয়ে রুনা বর্মণ (২৪) রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে রয়েছেন। তড়িঘড়ি তাঁদের মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে নীলিমা ও তাঁর স্বামীকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। পরে বড় মেয়েকে কোচবিহার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁরও মৃত্যু হয়। ছোট মেয়ে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

    আরও পড়ুন: প্রতিষ্ঠা দিবসেই যোগদান! বিজেপিতে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা এ কে অ্যান্টনির ছেলে অনিল অ্যান্টনি

    শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ এই ঘটনার পরই এলাকায় তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে ওই দম্পতির মেয়ে ইতি বর্মন প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিল পাশের গ্রামের যুবক বিভূতি রায়ের সঙ্গে। যা নিতে তীব্র আপত্তি ছিল তার বাবা-মা দুজনেরই। বেশ কিছুদিন ধরে পরিবারে এই নিয়ে অশান্তিও চলছিল। অভিযোগ,  শুক্রবার কাকভোরে বিভূতি হাতে একটি কাঠারি নিয়ে ঘরে ঢুকে পড়ে। অতর্কিতে হামলা চালাতে শুরু করে সে। প্রেমিকার মাকেই সবার আগে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপায়। এরপর কোপায় বাবাকে। বাধা দিতে গিয়ে আহত হয় প্রেমিকা ও তার দিদিও। একাধিকবার নৃশংসভাবে কোপানো হয়েছে বিমল বর্মন ও তাঁর স্ত্রী নিলীমাকে।

    ব্যক্তিগত আক্রোশ নাকি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র

     মাথাভাঙার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অমিত বর্মা বলেন, ‘‘প্রধান অভিযুক্ত বিভূতিভূষণ রায় এবং তাঁর সঙ্গীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রেমঘটিত সম্পর্কের কারণেই এই ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।’’এই ঘটনার প্রতিবাদে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শীতলকুচি বাজার এলাকায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়েরা। কেবলই কি ব্যক্তিগত আক্রোশ নাকি রয়েছে কোনও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রও? মৃত নিলীমা বর্মন শীতলকুচি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য। তাঁর স্বামী বিমল চন্দ্র বর্মন তৃণমূলের এসসিএসটি ওবিসি সেলের শীতলকুচি ব্লক সভাপতি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিবেশীদের বয়ান ও ধৃতদের জেরায় করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, ইতির সঙ্গে বিভূতিভূষণের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সে কথা বিভূতিভূষণ জেরায় স্বীকারও করে নিয়েছেন। প্রাথমিক ভাবে অনুমান, ‘প্রেমিকা’র পরিবার সেই সম্পর্কে বাধা হয়ে দাঁড়ানোর কারণেই এই খুন। তবে আর অন্য কোনও কারণ আছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tiljala Murder Case: তিলজলায় শিশুকন্যাকে যৌন নির্যাতন করে খুনের ঘটনায় উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় শিশুসুরক্ষা কমিশন

    Tiljala Murder Case: তিলজলায় শিশুকন্যাকে যৌন নির্যাতন করে খুনের ঘটনায় উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় শিশুসুরক্ষা কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিলজলায় (Tiljala murder case) সাত বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতন করে খুনের ঘটনায় উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় শিশুসুরক্ষা কমিশন। সোমবার রাতে কেন্দ্রীয় শিশুসুরক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রিয়ঙ্ক কানুনগো ট্যুইট করে একথা জানান। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, ‘‘কলকাতায় সাত বছরের শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় কমিশন উদ্বিগ্ন। ওই রাজ্যের ডিজিপি এবং মুখ্যসচিবের কাছে আমরা নোটিস পাঠাচ্ছি। আমাদের একটি প্রতিনিধি দল এই ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ জানবেন।’’

    কেন্দ্রীয় শিশুসুরক্ষা কমিশনের নোটিস

    মঙ্গলবার রাজ্যকে পাঠানো কমিশনের ওই নোটিসে বলা হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিলজলার (Tiljala murder case) ঘটনায় বিস্তারিত তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। শুধু রিপোর্ট তলবই নয় কলকাতায় টিম পাঠানোরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটস (NCPCR)। সূত্রের খবর, আগামী ৩১শে মার্চ কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রিয়ঙ্ক কানুনগো নিজেই আসছেন কলকাতা। মৃত শিশুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। কথা বলবেন রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গেও। তিলজলা ছাড়াও মালদায় স্কুলে শিশু নিগ্রহের ঘটনায় প্রতিনিধিদল পাঠানোরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনসিপিসিআর।

    অগ্নিগর্ভ এলাকা

    তিলজলায় (Tiljala murder case) শিশুমৃত্যুর ঘটনায় ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, ওই শিশুটি রবিবার সকালে আবাসনের নীচে আবর্জনা ফেলতে গিয়েছিল। সেই সময় তাকে দোতলার ফ্ল্যাটে টেনে নিয়ে যান প্রতিবেশী যুবক অলোক কুমার। শিশুর হাত, পা, মুখ বেঁধে তার উপর অত্যাচার চালানো হয়। তার পর শিশুটিকে খুন করেন অলোক। রবিবার সন্ধ্যায় ওই ফ্ল্যাট থেকে নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার করা হয়। এর পরেই এলাকা অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। 

    আরও পড়ুন: সন্তান পেতে তান্ত্রিকের নির্দেশে ‘শিশু-বলি’! নাবালিকা হত্যাকাণ্ডের জেরে ধুন্ধুমার তিলজলায়

    স্থানীয় সূত্রে খবর, শিশুকন্যা খুনে পুলিশ প্রথমে নিষ্ক্রিয় ছিল। তাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে তিলজলা (Tiljala murder case), পার্ক সার্কাস, বন্ডেল রোড, পিকনিক গার্ডেন এবং তপসিয়ার একাংশ। সকাল থেকে শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। থানায় সে খবরটি জানানোও হয়। তারপরও পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করেনি। অনেক পরে তল্লাশি শুরু করে। তিলজলাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে সোমবার পার্ক সার্কাসে রেল অবরোধ করা হয়। স্থানীয়েরা বিক্ষোভ দেখান এবং পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেন। সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া এবং পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তারপর রাতভর তল্লাশি চালিয়ে এলাকা থেকেই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tiljala Case: সন্তান পেতে তান্ত্রিকের নির্দেশে ‘শিশু-বলি’! নাবালিকা হত্যাকাণ্ডের জেরে ধুন্ধুমার তিলজলায়

    Tiljala Case: সন্তান পেতে তান্ত্রিকের নির্দেশে ‘শিশু-বলি’! নাবালিকা হত্যাকাণ্ডের জেরে ধুন্ধুমার তিলজলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গর্ভবতী স্ত্রীর গর্ভপাত ঠেকাতে তান্ত্রিকের নির্দেশে শিশু বলি দিয়েছিল তিলজলা-কাণ্ডে অভিযুক্ত অলোক কুমার। জেরায় পুলিশকে একথাই জানিয়েছে অলোক। তিলজলায় শিশুকে যৌন নির্যাতনের পর খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত অলোক কুমার সন্তানহীন। সন্তান লাভের আশাতেই সাত বছরের প্রতিবেশী শিশুকে খুন করেছে সে, দাবি পুলিশের। মাথায় হাতুড়ির আঘাত, সারা শরীর সুচলো অস্ত্রে ক্ষতবিক্ষত। শেষমেশ শ্বাসরোধ করে খুন। তিলজলাকাণ্ডে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের হাতে উঠে আসছে আরও বিস্ফোরক তথ্য।

    সন্তান লাভের আশা

    পুলিশ সূত্রে খবর, বিহারের এক তান্ত্রিক সন্তান লাভের জন্য অলোককে নরবলি দিতে বলেছিলেন। তার পর থেকেই নাকি তক্কে তক্কে ছিল বিহারের সমস্তিপুরের বাসিন্দা অলোক। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত সন্তানহীন। তার স্ত্রী বার বার চেষ্টা করেও মা হতে পারেননি। তিন বার তাঁর গর্ভপাত হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, এর পরেই সন্তান লাভের আশায় বিহারের এক তান্ত্রিকের পরামর্শ নেয় অলোক। ওই তান্ত্রিককে ধরতে বিহারে যেতে পারে কলকাতা পুলিশের একটি দল।  খুনের অভিযোগের পাশাপাশি অভিযুক্ত অলোক কুমারের বিরুদ্ধে পকসো আইনেও মামলা শুরু করেছে পুলিশ। 

    তান্ত্রিকের কাণ্ড!

    পুলিশ সূত্রে খবর অলোক জানিয়েছে, প্রথমে ওই নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন করে সে। তার পর মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে এবং শ্বাসরোধ করে শিশুটিকে খুনের চেষ্টা করে সে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে শিশুটিকে ধর্ষণও করে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে নাবালিকার ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে পুলিশ।  

    আরও পড়ুন: নবরাত্রিতে উপবাস রাখছেন? সুস্থ, সতেজ থাকতে কী করবেন আর কী করবেন না

    প্রসঙ্গত রবিবার সকালে তিলজলার ওই আবাসনের বাইরে ময়লা ফেলতে গেছিল সাত বছরের নাবালিকা। কিন্তু সে আর নিজের ফ্ল্যাটে ফেরেনি। এর পরেই শিশুটির খোঁজ শুরু করে বাবা-মা। কিন্তু শিশুটি বাড়ি না আসায় শেষে পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁরা। কিন্তু অভিযোগ, পুলিশ বিষয়টি শুনে কোনও তৎপরতাই দেখায়নি। এর পরেই ওই ফ্ল্যাটের সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আসে। সেখানে দেখা যায়, ময়লা ফেলার পরে আবাসনের মধ্যে প্রবেশ করেছিল ওই নাবালিকা। কিন্তু নিজের ফ্ল্যাটে ঢোকেনি। তখনই সন্দেহ হয়, আবাসনের মধ্যেই অন্য কোনও একটি ফ্ল্যাটে রয়েছে সে। ওই আবাসনে মোট ৩২ টি ফ্ল্যাট রয়েছে। প্রত্যেকটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। অলোকের ফ্ল্যাটটি বাইরে থেকে বন্ধ ছিল। সন্ধ্যায় সেখান থেকে শিশুর দেহ উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

    তিলজলার ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা তিলজলা থানায় বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের অভিযোগ, রবিবার সকাল থেকে শিশুটিকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে থানায় অভিযোগ জানালেও পুলিশ পাত্তা দেয়নি। আরও আগে পদক্ষেপ করলে হয়তো শিশুটিকে বাঁচানো যেত, দাবি প্রতিবেশীদের। রবিবার রাতে তিলজলা থানায় ঢিল ছোড়ে উত্তেজিত জনতা। বিক্ষোভ সামলাতে লাঠিচার্জও করে পুলিশ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajasthan Crime: রাজস্থানে শ্রদ্ধা কাণ্ডের ছায়া! কাকিমাকে খুন করে ১০ টুকরো করলেন যুবক

    Rajasthan Crime: রাজস্থানে শ্রদ্ধা কাণ্ডের ছায়া! কাকিমাকে খুন করে ১০ টুকরো করলেন যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শ্রদ্ধা ওয়াকারকাণ্ডের ছায়া! ঘটনাস্থল এবার দিল্লি (Delhi) নয়, রাজস্থান (Rajasthan Crime)। অভিযোগ, কাকিমাকে কেটে ১০ টুকরো করলেন এক যুবক। পরে দেহাংশগুলিকে ছুড়ে দেন হাইওয়ের (Highway) পাশে। তদন্তে নেমে বছর বত্রিশের অভিযুক্ত যুবক অনুজ শর্মাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    ঘটনার নেপথ্যে…

    পুলিশ সূত্রে খবর, বাবা ও বোনের সঙ্গে জয়পুরের বিদ্যাধর নগরে থাকতেন অনুজ। করোনার সময় স্বামী মারা যাওয়ায় তাঁর কাকিমাও অনুজদের সঙ্গে  থাকতে শুরু করেন। ১১ ডিসেম্বর বাড়িতে ছিলেন অনুজ এবং তাঁর কাকিমা। সেই সময় দিল্লিতে এক বন্ধুর বাড়িতে যাবেন বলে কাকিমাকে বলেন অনুজ। কাকিমা তাঁকে যেতে নিষেধ করেন। এনিয়ে কাকিমার সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন অনুজ। এর পর রান্নাঘরে চা করতে চলে যান বছর চৌষট্টির ওই প্রৌঢ়া। অভিযোগ, সেই সময় আচমকাই রান্না ঘরে গিয়ে হাতুড়ি দিয়ে অনুজ সজোরে তাঁর মাথায় আঘাত করেন। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। এর পর দেহ লোপাট করতে মার্বেল পাথর কাটার মেশিন দিয়ে দেহটিকে ১০ টুকরো করেন অনুজ। পরে দেহাংশগুলি সুটকেসে ভরে জয়পুর-শিখর হাইওয়ের পাশে ফাঁকা জায়গায় ফেলে আসেন।

    আরও পড়ুন: “অনার কিলিং- এর নামে প্রতিবছর এ দেশে শয়ে শয়ে মানুষ খুন হয়”, উদ্বেগ প্রকাশ প্রধান বিচারপতির

    জানা গিয়েছে, বাড়ি ফিরে অনুজ জানান কাকিমা কোথায় তা তিনি জানেন না। বাবা ও বোনের সঙ্গে গিয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরিও করেন তিনি। তদন্তে নেমে সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ। দেখা যায়, ১১ ডিসেম্বর একটি বড় সুটকেস ও কম্বল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন অনুজ। শুরু হয় পুলিশি জেরা। টানা জেরায় ভেঙে পড়েন অনুজ। কবুল করেন খুনের কথা। অনুজ অত্যন্ত শিক্ষিত ও বুদ্ধিমান বলেই দাবি পুলিশের। তবে তাঁর মানসিক সমস্যা রয়েছে বলেও মনে করা হচ্ছে। কাকিমাকে খুনের কথা স্বীকার করলেও, তাঁকে অনুশোচনা করতে দেখা যায়নি। অনুজের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে খুন ও প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ। প্রসঙ্গত, দিল্লিতে প্রেমিকা তথা লিভ ইন পার্টনার শ্রদ্ধা ওয়ালকারকে খুন করে দেহ ৩৫ টুকরো করে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দিয়েছিল তাঁর প্রেমিক আফতাব পুনাওয়ালা। ওই ঘটনার বেশ কয়েক মাস পরে গ্রেফতার করা হয় আফতাবকে। পুলিশি জেরায় খুনের কথা কবুল করে সে-ও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share