Tag: CV Ananda Bose

CV Ananda Bose

  • CV Ananda Bose: ‘‘সব শয়তান এখানে এসে গিয়েছে’’, আজ চোপড়া যাচ্ছেন উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: ‘‘সব শয়তান এখানে এসে গিয়েছে’’, আজ চোপড়া যাচ্ছেন উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কিত রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। মঙ্গলবার সকালে দিল্লি থেকে সরাসরি চোপড়া আসছেন তিনি। সকাল ১০টায় বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামবেন রাজ্যপাল ৷ রাজভবন সূত্রে খবর, চোপড়ার (Chopra) নির্যাতিতা মহিলার সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গেও কথা বলবেন বোস। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাংলায় কীভাবে প্রতিদিন এত হিংসার ঘটনা ঘটছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাজ্যপাল। এ বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

    বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত (CV Ananda Bose)

    দিল্লি থেকে এক ভিডিয়ো বার্তায় রাজ্যের সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। ভিডিয়ো বার্তায় রাজ্যপাল বলেছেন, “বাংলার রাস্তায় রক্তস্নান চলছে। বাংলার গ্রাম-গঞ্জে রাস্তায় মরণ নাচন চলছে। এখানে কি আদৌ কোনও পুলিশমন্ত্রী আছেন? এই অশান্তি থামানো কি তাঁর দায়িত্ব নয়? নরক শূন্য হয়ে গিয়েছে, সব শয়তানরা এখানে এসে গিয়েছে। জঙ্গলও এর থেকে ভালো। জঙ্গলে কোনও প্রাণী শুধুমাত্র রোমাঞ্চিত হওয়ার জন্য কাউকে মারে না। শুধুমাত্র এখানেই রোমাঞ্চের জন্য মারা হচ্ছে মানুষকে। এটা চলতে পারে না। সরকারকে এর জবাবদিহি করতে হবে।” 

    আরও পড়ুন: পিছিয়ে পড়ছে চিন-ভিয়েতনাম! মোবাইল রফতানির ক্ষেত্রে এগোচ্ছে ভারত

    দিনভর কোথায় কোথায় রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)

    রাজভবন সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে দিল্লি থেকে বাগডোগরার উদ্দেশে রওনা হবেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। বাগডোগরা থেকে সড়ক পথে চোপড়া (Chopra) পৌঁছবেন তিনি। এখান থেকে কোচবিহারের দিনহাটাতেও যেতে পারেন রাজ্যপাল। দিনভর এই কর্মসূচি সেরে দিল্লিতে ফিরে রাজ্যপাল রিপোর্ট জমা দিতে পারেন বলে অনুমান। শুধু এই ঘটনা নয় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বেড়ে ওঠা হিংসা নিয়েও কথা বলবেন রাজ্যপাল। গত কয়েকদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শিশু চোর কিংবা মোবাইল ফোন চোর সন্দেহে যে গণপিটুনির ঘটনা ঘটছে সে সমস্ত বিষয়েও ‘অ্যাকশন’ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যপাল। তিনি জানান, সব বিষয় খতিয়ে দেখে তারপর দিল্লিতে কথা বলবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “আর্থিক ভাঙনের মুখে বাংলা”, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর জানালেন সিভি আনন্দ বোস

    CV Ananda Bose: “আর্থিক ভাঙনের মুখে বাংলা”, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর জানালেন সিভি আনন্দ বোস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) বলেছেন, “আর্থিক ভাঙনের মুখে বাংলা।” শনিবার দিল্লিতে নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে বৈঠক করছেন বোস। এরপর নিজের এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “রাজ্য মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক ডেকে অবিলম্বে শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক রাজ্য সরকার।” এরপর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে (Financial Collapse) ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। অপর দিকে বরানগর ও ভগবানগোলার দুই তৃণমূল বিধায়কের শপথ বাক্য পাঠ করানো নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সংঘাত চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।

    রাজভবন সূত্রে খবর (CV Ananda Bose)

    রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মাল সীতারামনের সঙ্গে বৈঠক করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের মধ্যে কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলছে। এবার সেই কাজ সঠিক সময়ে বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা অথবা আর্থিক (Financial Collapse) হিসেব কতটা স্বচ্ছ রাখা হচ্ছে, একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর তার উপর নজরদারি রাখার প্রস্তাব দিয়ে এসেছেন রাজ্যপাল।

    প্রসঙ্গত বলা যায়, আগেই একধিকবার রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা নিয়ে রাজ্য সরকার নয়ছয় করেছে বলে অভিযোগে সরব হয়েছিল। কেন্দ্র থেকে বেশ কিছু প্রকল্পের কাজ কেমন চলছে, তা খতিয়ে দেখতে একাধিকবার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল এসেছে রাজ্যে। বেশ কিছু প্রকল্পের টাকা তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা দুর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ জমা পড়েছে। ইতিমধ্যে মিড-ডে-মিলে ব্যাপক ভাবে দুর্নীতি হওয়ায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেছিলেন। একশো দিনের কাজ, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, রেশন বণ্টন, জবকার্ডে ব্যাপক দুর্নীতির বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত করছে। ফলে এই মুহূর্তে রাজ্যপালের বক্তব্য রাজনীতির আঙিনায় ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে। দুর্নীতি নিয়ে শাসকদল তৃণমূল অত্যন্ত চাপের মুখে ফের একবার।

    আরও পড়ুন: স্কুল থেকেই পাচার মিড ডে মিলের চাল! গ্রেফতার ১, কাঠগড়ায় তৃণমূল বুথসভাপতি

    বৈঠকে কী বিষয় উঠে এসেছে?

    জানা গিয়েছে, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose), কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে রাজ্যের উন্নয়ন প্রকল্পের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন। একই সঙ্গে সংবিধানের ১৬৭ নম্বর ধারা নিয়ে আলোচনা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আবার রাজ্যসরকারের প্রশাসনের আর্থিক দিক এবং রাজ্যপালের নজরদারির বিষয় বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। উল্লেখ্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও করেছেন রাজ্যপাল সিবি আনন্দ বোস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বিগ্ন বোস, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বিগ্ন বোস, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফল ঘোষণা হওয়ার পর থেকে জেলায় জেলায় বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকদের ওপর সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ উঠেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। ভোট পরবর্তী এই হিংসার ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) । অবিলম্বে বাংলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবার মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশ মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন রাজ্যপাল।

    চিঠিতে কী রয়েছে? (CV Ananda Bose)

    রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, চিঠিতে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) লিখেছেন, ‘পুলিশকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে বলুন। ভোট মিটলেও জেলায় জেলায় হিংসার ঘটনা ঘটে চলেছে।’  পাশাপাশি চিঠিতে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজ্যপাল। ভোট পরবর্তী হিংসার যে সমস্ত ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে, সে বিষয়ে সরকার কী পদক্ষেপ করেছে, তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে চিঠিতে। ইতিমধ্যে ঘরছাড়া ইস্যুতে মামলা গড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্টেও। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আপাতত আরও পাঁচদিন রাজ্যে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যপালের ভোটের ফল ঘোষাণার পর রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে চিঠির প্রসঙ্গটি প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

    আরও পড়ুন: রানিগঞ্জে শিল্পপতির বাড়িতে ভোর থেকেই শুরু ইডির হানা, শোরগোল

    ডিজির দফতরের বাইরে ধর্নায় বসতে চান শুভেন্দু!

    ভোট পরবর্তী হিংসা আক্রান্তদের নিয়ে কয়েকদিন আগে রাজভবন অভিযান করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পুলিশি বাধায় তিনি যেতে পারেননি। পরে, আদালতের অনুমতি নিয়ে ফের আক্রান্তদের সঙ্গে করে রাজভবনে যান বিরোধী দলনেতা। তাঁদের সঙ্গে দেখা করার পর রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) জানিয়েছিলেন, মোট ১,০২৫টি অভিযোগ পেয়েছেন তিনি। এই হিংসার শেষ দেখে ছাড়বেন। জানা গিয়েছে, রাজভবনের সামনে ধর্নায় বসার জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চান শুভেন্দু। কিন্তু অভিযোগ, পুলিশ অনুমতি দেয়নি। কারণ, রাজভবনের সামনে ১৪৪ ধারা জারি থাকে। এরপর ধর্নার অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থও হয়েছেন শুভেন্দু। আদালত যদিও এ ক্ষেত্রে শুভেন্দুদের কর্মসূচির জন্য বিকল্প জায়গার নাম জানাতে বলেছিল। শুক্রবার রাজভবনের বিকল্প হিসাবে রাজ্য পুলিশের ডিজির দফতরের বাইরে ধর্নায় বসতে চান বলে আদালতে জানিয়েছেন শুভেন্দু।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    রাজ্যপালের চিঠি প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর পরিবর্তে এ ব্যাপারে রাজ্যপালের উচিত রাষ্ট্রপতিকে চিঠি লিখে বাংলার মানুষের জন্য নিরাপত্তা চাওয়া।” বিজেপি নেতা সজল ঘোষের কথায়, “বাংলায় সরকার বদল না হলে এই ধরনের সন্ত্রাসের পরিবেশ কখনও বন্ধ হবে না। অন্যদিকে, তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “বিজেপির গুডবুকে থাকার জন্য রাজ্যপাল এগুলো করছেন। আসলে কুৎসা করেও ভোটে জিততে না পেরে বিরোধীরা সন্ত্রাসের মিথ্যে কান্না কাঁদছে। আর তাতে পূর্ণ মদত জোগাচ্ছেন রাজ্যপাল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: রাজভবনের সুরক্ষায় আর প্রয়োজন নেই কলকাতা পুলিশের! অবিলম্বে খালি করার নির্দেশ বোসের

    CV Ananda Bose: রাজভবনের সুরক্ষায় আর প্রয়োজন নেই কলকাতা পুলিশের! অবিলম্বে খালি করার নির্দেশ বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লালবাজারের নিরাপত্তায় সুরক্ষিত নন রাজ্যপাল। অবিলম্বে রাজভবন খালি করুন। সোমবার সকালে রাজভবনে মোতায়েন কলকাতা পুলিশের কর্মীদের এমনটাই নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। ইতিমধ্যেই রাজভবন চত্বরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সরানোর নির্দেশ দিয়ে নবান্নে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যপাল। এ প্রসঙ্গে রাজভবনের (Raj Bhavan) ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক জানিয়েছেন, রাজ্যপাল রাজভবনের ভিতরে মোতায়েন পুলিশ কর্মীদের অবিলম্বে প্রাঙ্গন খালি করার নির্দেশ দিয়েছেন।  

    কী জানিয়েছেন রাজ্যপাল? (CV Ananda Bose)

    চিঠিতে রাজ্যপাল জানিয়েছেন যে, রাজভবনের (Raj Bhavan) নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ কর্মীরা তাঁর নির্দেশনা মানছে না। ফলে রাজভবন চত্বরে থাকা কলকাতা পুলিশের নিরাপত্তায় তিনি একেবারেই সুরক্ষিত বোধ করছেন না। তাই অবিলম্বে রাজভবনের (Raj Bhavan) নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীদের সরিয়ে ফেলা হোক। যদিও রাজ্যপালের এই চিঠির প্রেক্ষিতে নবান্নের তরফে এখনও কোনও বক্তব্য মেলেনি।

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

    আগে কী ঘটেছিল?  

    গত বৃহস্পতিবার রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসায় ‘আক্রান্তদের’ নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কিন্তু সে সময় তাঁকে রাজভবনের ভিতরে ঢুকতে দেয়নি কর্তব্যরত কলকাতা পুলিশ। রাজভবনের বাইরে ১৪৪ ধারা জারি থাকার কারণ দেখিয়ে শুভেন্দু সহ শো দুয়েক লোককে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ফলে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) অনুমতি থাকা সত্ত্বেও রাজভবনে প্রবেশ করতে না পেরে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন বিরোধী দলনেতা। শুনানিতে বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, রাজ্যপাল কি গৃহবন্দী নাকি। তাঁর অনুমতি সত্ত্বেও কেন দেখা করার অনুমতি দেওয়া হল না। আর বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই এবার রাজভবন (Raj Bhavan) চত্বর থেকে লালবাজারের নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়ার জন্যে নবান্নকে চিঠি পাঠালেন রাজ্যপাল।

    যদিও রবিবার বিরোধী দলনেতা একশোর বেশি ঘরছাড়াকে নিয়ে রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) সঙ্গে দেখা করেন। সেই সময় রাজ্যপাল শুভেন্দু অধিকারীকে বলেন, পশ্চিমবঙ্গকে তিনি হিংসা মুক্ত করবেন। তিনি এর শেষ দেখে ছাড়বেন বলেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু এসবের মাঝেই এবার বিচারপতির ওই মন্তব্যের পর সোমবার সকালে রাজ্যপাল এই নির্দেশ দেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “মুখ্যমন্ত্রীর জন্য রাজভবনের দরজা বন্ধ, বলেছেন রাজ্যপাল”, দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মুখ্যমন্ত্রীর জন্য রাজভবনের দরজা বন্ধ, বলেছেন রাজ্যপাল”, দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘নির্বাচনোত্তর হিংসায় আক্রান্তদের জন্য রাজভবনের দরজা খোলা থাকলেও, রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রীর জন্য সেই দরজা বন্ধ।’ অন্তত রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস তাঁকে একথা জানিয়েছেন বলেই দাবি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। নির্বাচনোত্তর হিংসায় আক্রান্তদের নিয়ে রবিবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যান শুভেন্দু।

    কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    রাজভবন থেকে বেরিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “রাজ্যপাল বলেছেন এবার তিনি পশ্চিমবঙ্গের ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তদের বাঁচানোর জন্য কঠিন পদক্ষেপ করবেন।” তিনি বলেন, “রাজ্যপাল বলেছেন, রাজভবনের দরজা ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তদের জন্য সব সময় খোলা রয়েছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রীর জন্য তা বন্ধ।” ঘাটাল-সহ রাজ্যের বিভিন্ন লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচনোত্তর হিংসায় আক্রান্ত হয়েছেন শাসক দলের বহু কর্মী-সমর্থক। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের ফল বেরনোর পর থেকে এমনতর অভিযোগ করে আসছেন বিরোধীরা। এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের আক্রান্ত বিজেপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ১১৫জনকে নিয়ে রাজভবনে যান। দেখা করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে।

    বিজেপি নেতার দাবি

    রাজ্যপালের সঙ্গে আক্রান্তদের নিয়ে শুভেন্দুর দেখা করার সময় উপস্থিত ছিলেন এক বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, “রাজ্যপাল আমাদের সঙ্গে কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামের পরিবেশ সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। পুলিশ ও শাসকদল কীভাবে রাতের অন্ধকারে ঢুকে বাড়ির মহিলা ও বাচ্চাদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে, তা শুনেই রাজ্যপাল আক্রান্তদের জন্য রাজভবনের দরজা খুলে দেওয়ার কথা বলেছেন। মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হওয়ায়ই রাজ্যপাল তাঁর জন্য রাজভবনের দরজা বন্ধ করার কথাও বলেছেন।”

    আরও পড়ুন: “হিংসা শিক্ষার বিষয় হতে পারে না”, সাফ জানালেন এনসিইআরটি কর্তা

    এদিন ১০-১২ মিনিট ধরে রাজ্যপালকে সামগ্রিক পরিস্থিতির কথা জানান শুভেন্দু। অভিযোগের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় নথি, ভিডিও ফুটেজ, স্টিল ছবিও তুলে দেন রাজ্যপালের হাতে। এর পরেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “বিচারব্যবস্থা বেঁচে আছে বলেই কেষ্ট মণ্ডল, হেমন্ত সোরেন, কেজরিওয়ালের মতো ডাকাতরা জেলের ভিতরে রয়েছেন। বিচারব্যবস্থা বেঁচে আছে বলেই, আমি লড়াই করে আবার আজ আক্রান্তদের নিয়ে রাজভবনে এসে দেখা করলাম সাংবিধানিক প্রধানের সঙ্গে (Suvendu Adhikari)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • CV Ananda Bose: এফআইআর করার অধিকার নেই পুলিশের, রাজভবনের কর্মীদের চুপ থাকার নির্দেশ রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: এফআইআর করার অধিকার নেই পুলিশের, রাজভবনের কর্মীদের চুপ থাকার নির্দেশ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগের তদন্ত নিয়ে কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে এবার কড়াবার্তা রাজভবনের। সংবিধানের ৩৬১ ধারা তুলে ধরে বিবৃতি জারি করেছে রাজভবন। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) প্রশ্ন তুলে ধরলেন পুলিশের বিরুদ্ধে। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, “পুলিশ কীভাবে তথ্যানুসন্ধান করছে?” ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে ফের শোরগোল পড়েছে।

    কী বললেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)?

    রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) এদিন নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট  করের বলেন, “সংবিধানের ধারা ৩৬১ নম্বরকে অমান্য করছে পুলিশ। রাজভবনের কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ রাজভাবনের সিসিটিভি ফুটেজ চেয়ে আবেদনের কথা বলেছে। একই ভাবে রাজভাবনের সমস্ত স্থায়ী এবং অস্থায়ী কর্মীদের পুলিশের সঙ্গে বার্তালাপের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।” তাঁর স্পষ্ট নির্দেশ, “মুখোমুখি, ফোনে কিংবা কেউ যেন পুলিশের সঙ্গে কোনও রকম কথা না বলেন। সকলের কাছে এই বার্তা দিতে রাজভবনের সিনিয়র আধিকারিক এস কে পট্টনায়ককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” একই সঙ্গে একটি বিবৃতি দিয়ে রাজভবন থেকে বলা হয়, “সংবিধানের ৩৬১ (২) ও ৩৬১ (৩) নম্বর ধারায় বিশেষ রক্ষা কবজ পান রাজ্যপাল। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে পুলিশের তদন্ত করার কোনও এক্তিয়ার নেই। পুলিশের তদন্তের বিরুদ্ধে আদলতও কোনও ব্যবস্থা নিতে পারে না। পুলিশ রাজ্যপালের বিরুদ্ধে কোনও রকম এফআইআর দায়ের করতে পারবে না।”

    ঘটনা কী ঘটেছিল?

    গত বৃহস্পতিবার রাজভবনের এক অস্থায়ী মহিলা কর্মী হেয়ার স্ট্রীট থানায় রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মহিলা কর্মী নিজে অস্থায়ী কর্মী হিসাবে কাজ করতেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “চাকরি যাহেতু অস্থায়ী, তাই স্থায়ীর জন্য আমি আবেদন করি। কিন্তু রাজ্যপাল দুই বার অশালীন আচরণ করেছেন।” এরপর থেকেই তৃণমূল রাজ্যপালকে নিশানা করে ময়দানে নেমে পড়েছে। ইতিমধ্যে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশ আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে। তাই ওঁই মহিলার অভিযোগকে ক্ষতিয়ে দেখছে পুলিশ। সূত্রের খবর, পুলিশ রাজভবনের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতে চায় এবং রাজভবনের ওসির কাছে এই মর্মে একটি চিঠিও দেয় লালবাজার। আর এরপরই রাজভবন থেকে পাল্টা পুলিশকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ এলাকায় পানীয় জলের অভাব! প্রচারে বেরিয়ে ক্ষোভের মুখে তৃণমূল প্রার্থী প্রতিমা      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Poll 2024: ভোটের দিন সকালেই কমিশনে জমা পড়ল ৩৮৩টি অভিযোগ, কী বললেন রাজ্যপাল

    Lok Sabha Poll 2024: ভোটের দিন সকালেই কমিশনে জমা পড়ল ৩৮৩টি অভিযোগ, কী বললেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) প্রথম দফায় রাজ্যে তিন জেলায় ভোট গ্রহণ হচ্ছে। সকাল পেরিয়ে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রমেই নানা জায়গা থেকে অভিযোগের পাহাড় জমা পড়েছে। সকালে নির্বাচন কমিশনের অফিসে ৩৮৩টি অভিযোগ জমা পড়েছে। কমিশন জানিয়েছে, সব মিলিয়ে ১৯৫টি অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয়েছে এখনও। রাজভবনের পিস রুমেও আসছে একের পর এক অভিযোগ। সূত্রের খবর, কমিশনের দিল্লির অফিস থেকে এ ব্যাপারে রাজ্য এবং জেলা নির্বাচনী দফতরের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। 

    রাজভবনের পিসরুমে অভিযোগ

    শুক্রবার সকাল ১০.৩০ মিনিট নাগাদ কলকাতার রাজভবনের পক্ষ থেকে পিস রুম খোলা হয়েছে ৷ লোকসভা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যদি কোনও অভিযোগ থাকে সাধারণ মানুষের, তাহলে তাঁরা ফোন করে সরাসরি সেই অভিযোগ জানাতে পারবেন রাজভবনে। রাজ্যপাল এদিন নিজে পিস রুমে ছিলেন। তাঁর সামনেই বেশ কিছু অভিযোগ আসে। রাজ্যপাল বলেন,’রাজনৈতিক অশান্তির অভিযোগ আসছে, পুলিশের বিরুদ্ধেও আসছে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ।’ রাজভবনের পিস রুমে সকাল থেকে এখনও পর্যন্ত ১৮৭টি অভিযোগ এসেছে ই-মেলের মাধ্যমে। কোচবিহার থেকে ভুয়ো ভোটের অভিযোগও এসেছে রাজভবনে৷

    কমিশনে জমা পড়া অভিযোগ

    এখনও পর্যন্ত কমিশনে মোট অভিযোগ জমা পড়েছে ৩৮৩ টি। তারমধ্যে ১৯৫ টি অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলে কমিশনের দাবি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে কোচবিহারে, প্রায় ১৩২ টি। আলিপুরদুয়ার এ ৮৩ টি ও জলপাইগুড়ি তে ৫৯ টি।‌ এছাড়া কমিশনের সি-ভিজিল অ্যাপের মধ্যমে আলিপুরদুয়ার এ ৫০ টি, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি তে যথাক্রমে ১৫ ও ১৬ টি করে অভিযোগ জমা পড়েছে। পাশাপাশি সিএম‌এস (CMS) পোর্টালে আলিপুরদুয়ারে ২ টি, কোচবিহারে ২৫ টি ও জলপাইগুড়ি তে ১ টি অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানাল নির্বাচন কমিশন।

    অশান্ত কোচবিহার

    আজ সকাল থেকেই কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গা থেকে হিংসার ঘটনা সামনে এসেছে। কোচবিহার জেনকিন্স স্কুলের বুথে উত্তেজনা দেখা যায় সকাল সকাল। অভিযোগ, নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করে বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি ও তৃণমূলের পতাকা লাগানো হয়েছে। এই বিষয়ে প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি। পরে ছবি-পতাকা সরিয়ে দেয় তৃণমূল কংগ্রেস। কোচবিহারের শীতকুচিতেও একাধিক হিংসার ঘটনা ঘটে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি কর্মীকে হাঁসুয়ার কোপ মারারও অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপির পোলিং এজেন্টকে অপহরণের অভিযোগও উঠেছে। ২২১ নম্বর বুথের পোলিং এজেন্ট বিশ্বনাথ পালকে অপহরণের অভিযোগ ওঠে। তৃণমূলের বাইক বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে বিজেপি। এ বিষয়েও রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন।

    আরও পড়ুন: ভোট-হিংসা ঠেকাতে কমিশনকে বার্তা রাজ্যপালের, কালীঘাট মন্দিরে দিলেন পুজো

    নির্বাচন কমিশনের রিপোর্ট তলব

    কোথাও বুথ থেকে এজেন্টকে বের করে দেওয়া, কোথাও বা বুথের সামনেই বিজেপি-তৃণমূলের সংঘর্ষ, আবার কোথাও বুথের অদূরে বোমা উদ্ধার- সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা। এ বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন। এত ফোর্সের পরও কোচবিহারে কীভাবে একের পর এক বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা, তা জানতে চেয়েই রিপোর্ট চাইল কমিশন। ১০০ শতাংশ বুথে ওয়েবকাস্টিং এবং প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকার পরেও কেন ঘটনা ঘটেছে জানতে চাইল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার নীতেশ ব্যাস (Deputy Election Commissioner Nitesh Vyas) রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাবকে ফোন করে উদ্বিগ্নতার কথা প্রকাশ করেছেন। বুথের বাইরে কেন এরকম অশান্তি হচ্ছে। অবিলম্বে পদক্ষেপ করতে নির্দেশ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election 2024: ভোট-হিংসা ঠেকাতে কমিশনকে বার্তা রাজ্যপালের, কালীঘাট মন্দিরে দিলেন পুজো

    Lok Sabha Election 2024: ভোট-হিংসা ঠেকাতে কমিশনকে বার্তা রাজ্যপালের, কালীঘাট মন্দিরে দিলেন পুজো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) প্রথম দফায় ভোট চলছে উত্তরবঙ্গের তিন জেলায়। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে সেভাবে না হলেও কোচবিহারে সকাল থেকে বুথ দখল , ঝামেলার খবর মিলেছে। ভোটের দিন উত্তরের এই জেলায় সমস্যা হতে পারে ভেবেই সেখানে যেতে চেয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। কিন্তু কমিশন তাঁকে সেখানে যেতে বারণ করেছিলেন। তাই আর কোচবিহার যাননি রাজ্যপাল। শুক্রবার ভোটের দিন সকালে রাজ্যের মানুষের জন্য প্রার্থনা করতে কালীঘাট মন্দিরে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল বোস। সেখান থেকেই কড়া বার্তা দিলেন তিনি ৷

    রাজ্যপালের বার্তা

    শুক্রবার সকালে মন্দির চত্বর থেকেই রাজ্যপাল জানান, কোথাও হিংসা হলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে ৷ এদিন রাজ্যপাল বলেন, “বাংলার মানুষ শান্তি ও সম্প্রীতি চায় ৷ বাংলার মানুষের সেটাই প্রাপ্য। বিশেষ করে নির্বাচনের সময় রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। যে কোনও হিংসা এবং হিংসা ছড়ানো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত ৷ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ ৷ এটি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।” তিনি ইমেল বা টেলিফোনে পিস রুমের মাধ্যমে ভোটের দিন সর্বক্ষণ মানুষের সঙ্গে থাকবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

    শুক্রবার উত্তরবঙ্গে যেতে চেয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। নির্বাচনের সময়ে কোচবিহারেই সারাদিন থাকতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁকে বারণ করে দেয় নির্বাচন কমিশন। এরপর তৃণমূল অভিযোগ করেছিল, রাজ্যপাল আলিপুরদুয়ারও যেতে চাইছেন। অবশেষে নানা বিতর্কের পর উত্তরবঙ্গ সফরই বাতিল করেন বোস। শুক্রবার সকালে (Lok Sabha Election 2024) অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রার্থনা করে কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিলেন তিনি।  তাঁর কথায়, ভোট শান্তিপূর্ণ করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। সাধারণ মানুষের অধিকার রয়েছে নির্ভয়ে, নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার। তেমনটাই যেন হয়, কালীঘাট মন্দিরে এসে এই প্রার্থনা করেছেন তিনি, জানান রাজ্যপাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: রাজ্যপালের পায়ে ধরে সুবিচারের আর্জি জানালেন নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের লোকজন

    CV Ananda Bose: রাজ্যপালের পায়ে ধরে সুবিচারের আর্জি জানালেন নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের লোকজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে পশ্চিম মেদিনপুরের পিংলায় বাড়়ির কাছে ধান খেত থেকে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার হয়েছিল। তৃণমূলের লোকজন তাঁকে খুন করেছে বলে অভিযোগ করেছিলেন পরিবারের লোকজন। সোমবার নিহত সেই বিজেপি কর্মীর বাড়িতে যান রাজ্যপাল  সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। কথা বলেন পরিবারের লোকজনের সঙ্গে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত বিজেপি কর্মীর নাম শান্তনু ঘড়ুই। তিনি এলাকায় সক্রিয় বিজেপি কর্মী হিসেবে পরিচিত। ২৩ মার্চ, পিংলার বাড়বাসি গ্রামে বাড়ি থেকে ২০০ মিটার দূরে ধান খেত থেকে উদ্ধার হয় বিজেপি কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ। তৃণমূলের ভোট-সন্ত্রাসে খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ করে নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার। তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তোলে নিহতের পরিবার ও বিজেপি নেতৃত্ব। নিহতের বাড়িতে যান ঘাটাল লোকসভার বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়। হিরণের অভিযোগ, প্রথমে এফআইআর নিতে চায়নি পুলিশ। স্ট্রোকে মৃত্যু হয়েছে বলে লিখিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা হয়। ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দেবকেও নিশানা করেছেন হিরণ। সিবিআই তদন্তের দাবি জানান ঘাটাল লোকসভার বিজেপি প্রার্থী। সোমবার শালিমার থেকে ইস্ট কোস্ট এক্সপ্রেসে চড়ে পিংলায় নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে যান রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)।

    আরও পড়ুন: “চায়ে পে চর্চা” কর্মসূচিতে দিলীপ ঘোষকে বাধা, বিজেপি কর্মীকে মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) পায়ে ধরে সুবিচারের আর্জি

    এদিন দুপুরে ট্রেন থেকে নেমে সড়ক পথে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) পিংলায় নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে যান। রাজ্যপালকে সামনে পেয়ে পা জড়িয়ে ধরেন পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, নিহত বিজেপি কর্মীর মুখে রক্ত এবং পেটে ছেঁকার দাগ ছিল। বিজেপি করায়, বছর ৩২-এর ওই যুবককে হাত-পা বেঁধে মেরে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল তৃণমূলের লোকজন। তাঁরাই খুন করেছে। নিহত বিজেপি কর্মীর দেহ পুনুরায় কেন্দ্রীয় কোনও হাসপাতাল থেকে ময়না তদন্তের আর্জি জানান তাঁরা। এমনকী সিবিআই তদন্তের আর্জি জানান। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলে পাশে থাকার আশ্বাস দেন রাজ্যপাল।

    রাজ্যপাল কী বললেন?

    রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বললাম। তাঁরা কিছু আবেদন জানিয়েছেন, সেই বিষয়টি আমরা নিয়ম মেনে পদক্ষেপ গ্রহণ করব। সামনে নির্বাচন। আমরা চাই, বাংলায় এই ধরনের ঘটনা আর যাতে না হয়। আর আবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে গুন্ডামির”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রতিক্রিয়া রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে গুন্ডামির”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রতিক্রিয়া রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির পর এবার ভূপতিনগর। ইডির পরে এবার এনআইএ। আবারও (CV Ananda Bose) তদন্ত করতে গিয়ে আক্রান্ত সরকারি সংস্থার আধিকারিকরা। ঘটনাচক্রে, দুটি ক্ষেত্রেই কাঠগড়ায় তৃণমূল। সন্দেশখালিকাণ্ডে অবশ্য মূল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান গ্রেফতার হতেই তাকে ঝেড়ে ফেলতে বহিষ্কার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল। ভূপতিনগরে অবশ্য এখনও সেরকম কিছুই হয়নি। ভূপতিনগরের ঘটনার প্রেক্ষিতে কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। শনিবার তিনি বলেন, “এ ধরনের গুন্ডামি চলতে দেওয়া উচিত নয়…বিষয়টিকে শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে।”

    এনআইএর ওপর হামলা (CV Ananda Bose)

    ঘটনার সূত্রপাত এদিন কাকভোরে। ভূপতিনগরে বিস্ফোরণকাণ্ডে অভিযুক্ত বলাই মাইতি ও মনোব্রত জানা নামে দুই তৃণমূল নেতাকে আটক করতে গিয়েছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। অভিযোগ, সেই সময় গ্রামবাসীদের একাংশ এনআইএর আধিকারিকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। তাঁদের গাড়ি ভাঙচুরও করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনা প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে রাজ্যপাল বলেন, “এনআইএ অফিসারদের ওপর আক্রমণ একটি খুবই গুরুতর বিষয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে হুমকি দেওয়ার চেষ্টা মোটেই কোনও কৃতিত্বের বিযয় নয়।” তিনি (CV Ananda Bose) বলেন, “বিষয়টিকে লোহার মতো শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে। এটি একটি অত্যন্ত গুরুতর পরিস্থিতি। সম্পূর্ণ গুরুত্ব সহকারে এর মোকাবিলা করতে হবে।” রাজ্যপালের সাফ কথা, “এ ধরনের গুন্ডামি চলতে দেওয়া উচিত নয়। পেশি শক্তির আইনি ক্ষমতা প্রতিস্থাপন করা উচিত নয়।”

    এনআইএর দাবি

    প্রাথমিক তদন্তের পর এনআইএর দাবি, ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে এই দুই তৃণমূল নেতাই মূল চক্রী। এনআইএর তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বোমা তৈরির ষড়যন্ত্র করেছিলেন বলাই ও মনোব্রত। এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতেই ঘটানো হয়েছিল বিস্ফোরণ। সূত্রের খবর, এদিন এলাকার পাঁচটি জায়গায় হানা দিয়ে আটক করা হয় এই দুজনকে। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে নাড়ুয়াবিল্লার বাসিন্দা রাজকুমার মান্নার বাড়িতে বিস্ফোরণ হয়। ঘটনায় মৃত্যু হয় তিনজনের। ৩ ডিসেম্বর এফআইআর দায়ের করে রাজ্য পুলিশ। পরে এনআইএ তদন্তের দাবিতে মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। গত ৪ জুন তদন্তভার নেয় (CV Ananda Bose) এনআইএ।

    আরও পড়ুুন: হিন্দু-বিরোধী প্রচার করছে মুসলমান বনে যাওয়া বামুনের ছেলে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share