Tag: CV Ananda Bose

CV Ananda Bose

  • Gourbanga University: উপাচার্যের চেম্বার সিল করার নির্দেশ, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কঠোর রাজ্যপাল

    Gourbanga University: উপাচার্যের চেম্বার সিল করার নির্দেশ, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কঠোর রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের চেম্বার ‘সিল’ করে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজভবনের তরফে শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার বিশ্বজিৎ দাসকে এই মর্মে মেল পাঠানো হয়। উপাচার্য যাতে আর বিশ্ববিদ্যালয়ে না ঢুকতে পারেন, তা নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজ্যপালের দফতর থেকে রেজিস্ট্রারকে মেইল মারফৎ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ৷ 

    রাজভবনের নির্দেশ

    শুক্রবার উপাচার্য রজতকিশোর দে-এর গৌরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ৷ রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ দাসকে মেল করে বলা হয়েছে, গত ৩১ মার্চ রাজ্যপাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য রজতকিশোর দেকে তাঁর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছেন ৷ এবার উপাচার্যের চেম্বার সিল করে দিতে হবে ৷ কোনও পরিস্থিতিতেই রজতবাবু যাতে তাঁর ঘরে ঢুকতে না পারেন তার জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে ৷ প্রয়োজনে পুলিশের সাহায্য নিয়ে অপসারিত উপাচার্য রজতকিশোর দে-কে আটকাতে হবে বলেও কড়া নির্দেশ দিয়েছে রাজভবন।

    আরও পড়ুন: “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এনআইএ-র উপর হামলা হয়েছে”, ভূপতিনগরের ঘটনায় সরব সুকান্ত-শুভেন্দু

    কী বললেন রেজিস্ট্রার

    গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যকরী উপাচার্য হিসাবে গত অগাস্ট মাসে দায়িত্ব পান রজতকিশোর দে। রাজ্যপাল তথা আচার্য সিভি আনন্দ বোসই তাঁকে এই দায়িত্ব দিয়ে নিয়ে যান গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে। ন’ মাসের মাথায় সেই আচার্যই পদ থেকে সরিয়ে দিলেন রজতকিশোর দে-কে। এদিকে আচার্যের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে রাজ্য। রজতকিশোর দে-কে উপাচার্য হিসাবেই কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় শিক্ষা দফতরের তরফে। এ প্রসঙ্গে রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ দাস বলেন, “আমি যখন সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা নাগাদ অফিস থেকে বেরচ্ছি তখন নিজের মেইল দেখি৷ সেই সময় রাজ্যপালের দফতর থেকে আসা মেইলটি নজরে পড়ে৷ সেই মেইলে অধ্যাপক রজতকিশোর দে’র চেম্বার সিল করতে বলা হয়েছে ৷ তাতে কোনও অসুবিধে হলে পুলিশ প্রশাসনের সাহায্য নিতেও বলা হয়েছে৷ তবে এ নিয়ে আমি নিজে কোনও পদক্ষেপ করতে পারব না৷ আমার সেই অধিকার নেই৷ উপাচার্য এখন ছুটিতে৷ বিষয়টি কয়েকজন ইসি সদস্যকে জানিয়েছি৷ উচ্চশিক্ষা দফতরকেও জানাব৷ ইসির নির্দেশমতো আমাকে কাজ করতে হবে৷”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ব্রাত্যকে অপসারণের সুপারিশের পর এবার বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ বোসের

    CV Ananda Bose: ব্রাত্যকে অপসারণের সুপারিশের পর এবার বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বনাম রাজ্যপালের সংঘাতে (Nabanna Raj Bhawan Conflict) নতুন মাত্রা। এবার বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে দুর্নীতি ও হিংসার অভিযোগ তুলে সরাসরি বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। গতকাল, বৃহস্পতিবার, ‘রাজ্যপালের রিপোর্ট কার্ড’ নামে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানেই রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর সুপারিশ করা হয়। জবাব হিসেবে রাজ্যের তরফে ৯-পাতার চিঠি পাঠানো হয় রাজভবনে। সেখানে রাজ্যপালের ভূমিকা ও আইনি ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। এর পরই, শুক্রবার, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের অভিযোগ নিয়ে বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিল রাজভবন। 

    এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

    সূত্রের খবর, রাজনৈতিক (CV Ananda Bose) উদ্দেশ্যে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে এমনই অভিযোগ করা হয়েছে রাজভবনের তরফে। আরও জানানো হয়েছে যে, এই যাবতীয় অভিযোগগুলির সত্যাসত্য খতিয়ে দেখতে একটি বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি। জানা গিয়েছে, কমিটির নেতৃত্ব দেবেন সুপ্রিম কোর্ট কিংবা কলকাতা হাইকোর্টের কোনও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: ফের রাজ্য বনাম রাজ্যপাল! শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্যকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর সুপারিশ বোসের

    কী নিয়ে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত?

    ঠিক কী কারণে এই পদক্ষেপ? দিন কয়েক আগে মালদার গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী উপাচার্যকে অপসৃত করেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই, তাঁকে পুনর্বহাল করে রাজ্য। রাজ্য-রাজ্যপালের সাম্প্রতিকতম সংঘাতের (Nabanna Raj Bhawan Conflict) সূত্রপাত সেখান থেকেই। এর পর  শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ওয়েবকুপার একটি কনভেনশনে উপস্থিত ছিলেন। ব্রাত্য বসুর সেই পদক্ষেপ নির্বাচনী আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘনের সামিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেই প্রেক্ষিতে, শিক্ষামন্ত্রীকে রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। একইসঙ্গে, রিপোর্ট কার্ড পেশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্ত্ব শাসনে হস্তক্ষেপ করার কোনও এক্তিয়ার রাজ্য সরকারের নেই বলে মনে করিয়ে দেওয়া আচার্য তথা রাজ্যপালের তরফে। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, উপাচার্য নিয়োগ বা পুনর্বহালের ক্ষমতাই নেই রাজ্যের। রাজভবনের বিবৃতিতে সুপ্রিম কোর্ট এবং হাই কোর্টের আদেশের কথা উল্লেখ করে আচার্যের ক্ষমতা ‘স্মরণ’ করানো হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ক্ষতিপূরণের আর্জি, রাজ্যপালের পা জড়িয়ে ধরলেন ঝড়ে সর্বহারা এক মহিলা

    CV Ananda Bose: ক্ষতিপূরণের আর্জি, রাজ্যপালের পা জড়িয়ে ধরলেন ঝড়ে সর্বহারা এক মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝড়ে বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। তিনি কোলকাতা থেকে বিমানে বাগডোগরায় আসেন। সেখান থেকে সড়কপথে সোজা জলপাইগুড়ির সেন পাড়ায় মৃত অনিমা বর্মনের বাড়িতে যান। সেখানে তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তারপর তিনি চলে আসেন ময়নাগুড়ির ঝড় বিধ্বস্ত এলাকা বার্ণিশে। সেখানে প্রশাসনের তরফে  করা ত্রাণ শিবিরে যান। সেখানে ত্রাণ শিবিরে থাকা ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের কি প্রয়োজন, কী কী সমস্যা রয়েছে সেই কথা জিজ্ঞাসা করেন তিনি।

    ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বললেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)

    ক্ষতিগ্রস্তদের কথা মন দিয়ে শোনেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। তাদের সমস্ত রকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। প্রশাসনের তরফে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। ত্রাণ শিবির থেকে বেড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়িতে যান। বেশ কয়েকটি বাড়িতে যান তাদের সঙ্গে কথা বলেন। প্রশাসনের তরফে কেউ এসেছিল কিনা জিজ্ঞাসা করতে রাজ্যপালের কাছে তাঁরা অভিযোগ করেন। তখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে কেউ আসেনি। ঝড়ে মৃত এক ব্যক্তির আত্মীয়ের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁকে কাছে পেয়ে তার পা জড়িয়ে ধরেন দীপিকা রায় নামে এক মহিলা। তাঁর কাছে আর্তি জানান, তাঁরা যাতে তাদের ক্ষতিপূরণ পান। ঝড়ে তাদের ঘরের টিনের চাল উড়িয়ে গেছে। ঘড়ের আসবাবপত্র সব কিছু ভেঙ্গে নষ্ট হয়ে গেছে। রাজ্যপাল তাদের কথা শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। এরপরেই তিনি চলে যান রাজারহাট এলাকায় মৃত এক ব্যক্তির বাড়িতে। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ সময় তাদের সঙ্গে কথা বলেন। গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন।

    কী বললেন রাজ্যপাল?

    এরপর তিনি জলপাইগুড়ি হাসপাতালে চলে যান আহতদের দেখতে। সেখানে আহতদের দেখে তাদের সঙ্গে কথা বলেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা আহতদের কী অবস্থা রয়েছে সেই কথা জানতে চান। তাদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। পরিদর্শন সেরে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, দূর্গতদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যার কথা শুনেছি। পরিস্থিতি আপাতত কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রশাসনের তরফ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: ভোটের মুখে ফের উত্তপ্ত দিনহাটা! পার্টি অফিসে ভাঙচুর, টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ বিজেপির

    Cooch Behar: ভোটের মুখে ফের উত্তপ্ত দিনহাটা! পার্টি অফিসে ভাঙচুর, টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে ফের উত্তপ্ত কোচবিহারের দিনহাটা (Cooch Behar)। বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর এবং দলীয় পতাকা ও ফেস্টুন ছেঁড়ার অভিযোগে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল শুক্রবার। তৃণমূল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় বসে অবস্থান-বিক্ষোভ করল বিজেপি। সেই সঙ্গে প্রশাসনকে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে টায়ার জ্বালিয়ে নিজেদের ক্ষোভকে প্রকাশ করলেন বিজপি কর্মীরা। ঘটনাটি ঘটেছে দিনহাটা ব্লকের শালামারা এলাকায়। উল্লেখ্যে, রাজ্যপাল গত বুধবার কোচবিহারে গিয়ে একাধিক এলাকায় রাজনৈতিক হিংসা কবলিত মানুষের সঙ্গে দেখা করেছেন। তাঁদের অভাব-অভিযোগ শুনেছেন। গুন্ডা এবং দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন। একই সঙ্গে রাজ্যে নির্বাচন অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ করার আবেদন জানিয়েছেন।

    ঘটনা ঘটে রাত সাড়ে এগারোটায় (Cooch Behar)

    গতকাল, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে এগারোটায় শালমারা (Cooch Behar) বাজার সংলগ্ন বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে হামলার চালানোর ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে আজ সকাল থেকে পথ অবরোধ করেন বিজেপির কর্মীরা। সেই সঙ্গে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে বিজেপিকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে স্থানীয় বিজেপি কর্মী তরণীকান্ত বর্মণ বলেন, “অপরাধীদের শাস্তি না হলে আমরা অবস্থান থেকে যাবো না।” পাল্টা তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

    উত্তপ্ত দিনহাটা

    জানা গিয়েছে, কোচবিহার লোকসভার বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক গতকাল নিজের মনোনয়ন জমা করেছেন জেলা শাসকের দফতরে। কিন্তু গত মঙ্গলবার রাতে রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহের আশ্রিত তৃণমূল দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে নিশীথের উপর। ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল। নির্বাচনে হিংসার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন তিনি। রাজ্যের ডিজির কাছে এই বিষয়ে রিপোর্ট তলব করেছেন। কিন্তু এই আবহের মধ্যেই দিনহাটা ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিজেপি প্রার্থী নিশীথের সমর্থনে লাগানো পোস্টার, ফ্লেক্স, পতাকা তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ছিঁড়ে দেয়। ফলে প্রতিবাদে আজ বিক্ষোভ করলে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনায় ইতিমধ্যে পুলিশ তদন্তে নেমেছে বলে জানা গিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “লোকসভা ভোটে কোনও ভাবেই হিংসা বরদাস্ত নয়”, দিনহাটাকাণ্ডে কড়া বার্তা রাজ্যপালের  

    CV Ananda Bose: “লোকসভা ভোটে কোনও ভাবেই হিংসা বরদাস্ত নয়”, দিনহাটাকাণ্ডে কড়া বার্তা রাজ্যপালের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিঠেকাণ্ডে নির্যাতিতার বাড়িতে গেলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। একমাস পর নির্যাতিতা নিজের বাড়িতে ফিরলেন বলে জানা গিয়েছে। রাজ্যপাল পুলিশকে নিরাপত্তার দায়িত্ব বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। অপর দিকে বুধবার সারা দিন দিনহাটায় পরিদর্শন করেন তিনি। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল বলেন, “লোকসভা ভোটে কোনও ভাবেই হিংসা বরদাস্ত নয়।”

    কী বলেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)?

    মঙ্গলবার রাতে বিজেপির লোকসভার প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিককে, উওর উত্তরবঙ্গে উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহের অনুগামীরা আক্রমণ করে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় এসডিপিও আহত হন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে রিপোর্ট চেয়েছেন রাজ্যপাল। এদিন দিনহাটায় রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) বলেন, “এই বাংলায় হিংসার কোনও জায়গা নেই। হিংসা শেষ করা পর্যন্ত সবাই ঐক্যবদ্ধ ভাবে লড়তে হবে। কোনও গুণ্ডামি বরদাস্ত করা হবে না। বাংলার সকল সাধারণ মানুষ স্বচ্ছ এবং অবাধ ভোট চান। আমি রাজ্যপাল হিসাবে সবার পাশে থাকবো।” একই সঙ্গে রাজভবনের তরফে যে পোর্টাল খোলা হয়েছে, সেখানেও জনসাধারণেরা নিজেদের অভিযোগ জানাতে পারবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

    পিঠে কাণ্ডে কী বললেন?

    কোচবিহারের দিনহাটার বুড়িরহাট গ্রামের এক মহিলা তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেছিলেন, রাত ১২ টায় পার্টি অফিসে নিয়ে গিয়ে পিঠে বানানোর ডাক পড়ত। আর এই ডাক উপেক্ষা করলে জুটত অত্যাচার। একই ভাবে সন্দেশখালিতে শেখ শাহজাহান-সিরাজেরা, এলাকার মহিলাদের পার্টি অফিসে নিয়ে গিয়ে যৌন শোষণ চালাতো। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছিল। এবার দিনহাটায় নির্যাতিত মহিলার বাড়িতে গিয়ে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, “সন্দেশখালির ঘটনা থেকে দুষ্কৃতীদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। কোনও ভাবে হিংসা, গুণ্ডামিকে বরদাস্ত করা হবে না।” একই ভাবে রাজ্যের ডিজি ও জেলার পুলিশ সুপারকে এই বিষয়ে তিনি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবার নির্দেশ দিয়েছেন। নির্যাতিতাকে বাড়িতে সবরকম সুরক্ষা এবং সাহায্যের আশ্বাস দেন রাজ্যপাল।   

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • AIIMS: খুশির খবর, কল্যাণীর বহু প্রতীক্ষিত এইমস-এর উদ্বোধন করলেন মোদি

    AIIMS: খুশির খবর, কল্যাণীর বহু প্রতীক্ষিত এইমস-এর উদ্বোধন করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে চালু হল নদিয়ার কল্যাণী এইমস (AIIMS) হাসপাতাল। পূর্ব ভারতের লক্ষ লক্ষ মানুষের চিকিৎসা পরিষেবার অন্যতম প্রতিষ্ঠান হতে চলেছে এই হাসপাতাল। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুজরাটের রাজকোট থেকে পশ্চিমবঙ্গের কল্যাণী সহ দেশের মোট পাঁচটি অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স (এইমস) হাসপাতাল জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করলেন। কল্যাণী এইমস হাসপাতালে আজ থেকেই শুরু হয়ে গেল ইনডোর পরিষেবা। প্রধানমন্ত্রী এদিন কল্যাণী ছাড়াও রাজকোট, মঙ্গলাগিরি, ভাতিন্ডা এবং রাইবেরেলি এইমস হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কী বললেন? (AIIMS)

     কল্যাণী এইমস (AIIMS) হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ ও জলপথ পরিবহণ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার, জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক, সংখ্যালঘু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জন বার্লা প্রমুখ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল তাঁর ভাষণে স্বাস্থ্য এবং আয়ুষ মন্ত্রকের সাফল্যের কথা তুলে ধরে বলেন, এ পর্যন্ত সারা দেশ জুড়ে ২৩টি এইমস হাসপাতাল গড়ে তোলা হয়েছে। এই হাসপাতাল থেকে দেশের কোটি কোটি মানুষ পরিষেবা পাচ্ছেন। নতুন পাঁচটি হাসপাতাল থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ পরিষেবা পাবেন।

    রোগীর পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস কেন্দ্রীয় সরকারের আত্মনির্ভর ভারত, আয়ুষ্মান ভারত, দীক্ষিত ভারতের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করেন। ১৭৫৪ কোটি টাকা খরচ করে ১৭৯.৮২ একর জমির ওপর ৯৬০ শয্যার কল্যাণী এইমস (AIIMS) হাসপাতাল গড়ে উঠেছে। ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি থেকে এই হাসপাতালে আউটডোর পরিষেবা চালু হয়। বর্তমানে ৪৫০টি শয্যার পরিষেবা চালু হচ্ছে। চিকিৎসার পাশাপাশি এখানে মেডিক্যাল ও নার্সিং পড়ানোর ব্যবস্থা রয়েছে। জানা গিয়েছে, আউটডোর বিভাগে পূর্ব ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার মানুষ এই হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসেন। রোগীর পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, ইনডোর পরিষেবা চালু হওয়ার ফলে আর বাইরে যেতে হবে না। কল্যাণীর এই হাসপাতাল থেরে মিলবে উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ‘গুন্ডারাজ চলছে’, কড়া বার্তা রাজ্যপালের, রিপোর্ট তলব তফসিলি কমিশনের

    Sandeshkhali: ‘গুন্ডারাজ চলছে’, কড়া বার্তা রাজ্যপালের, রিপোর্ট তলব তফসিলি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইতিমধ্যেই অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা। ঘটনার প্রতিবাদে সরব রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। শনিবারই শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে মিছিল করে রাজভবনে গিয়েছিল বিজেপি। সন্দেশখালি ঘটনা নিয়ে রাজ্যপালের পদক্ষেপ দাবি করেন তিনি। এর পরই রাজ্যের থেকে সন্দেশখালির পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্ট তলব করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এরইমধ্যে আবার শাহজাহান-উত্তম-শিবুদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ডিজিপি এবং মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট তলব করল জাতীয় তফসিলি কমিশন। সবমিলিয়ে সন্দেশখালি এখন রাজ্য রাজনীতিতে হটকেক ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    গুন্ডাগিরি বন্ধ করতে হবে (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ে ভিডিওবার্তায় রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেন, “সভ্য সমাজে কতটা কুৎসিত ঘটনা ঘটতে পারে তা সন্দেশখালিতে দেখা যাচ্ছে। মহিলাদের হেনস্থা এবং নিগ্রহ করা হচ্ছে। গুন্ডারাজ চলছে সেখানে। নির্বাচিত সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। কার্যকরী পদক্ষেপ করতে হবে। কেউ আইনকে নিজের হাতে নিতে পারে না। গুন্ডাগিরি সেখানে বন্ধ করতে হবে। তা বন্ধ করতে সরকারকে দায়িত্ব নিতে হবে। আমাকে সরকারের থেকে রিপোর্ট পেতে দিন। এবিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”এ বিষয়ে রিপোর্টের পাশাপাশি দ্রুত ব্যবস্থা নিতেও রাজ্য সরকারকে আর্জি জানিয়েছেন তিনি।

    রিপোর্ট তলব জাতীয় তফসিলি কমিশনর চেয়ারম্যান

    এরইমধ্যে এবার সন্দেশখালি (Sandeshkhali) কেসে নড়েচড়ে বসল ন্যাশনাল কমিশন ফর সিডিউলড কাস্ট কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ডিজিপি এবং মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে বলে খবর। তিনদিনের মধ্যে তার জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। রিপোর্ট সন্তোষজনক না হলে কমিশনের ফুল বেঞ্চ সন্দেশখালি যাবে বলে জানান জাতীয় তফসিলি কমিশনের চেয়ারম্যান অরুণ হালদার। প্রসঙ্গত, এখনও খোঁজ মেলেনি শেখ শাহজাহানের। এদিকে তাঁর দুই শাগরেদ উত্তম সর্দার, শিবু হাজরাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা সন্দেশখালি। তৃণমূল মাথা থেকে হাত তুলতেই চাপে পড়ে অবশেষে পুলিশ গ্রেফতার করেছে উত্তমকে। শাসক নেতাদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন সন্দেশখালির মহিলারা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: বাংলার শত্রু ‘হিংসা আর দুর্নীতির’ বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিলেন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: বাংলার শত্রু ‘হিংসা আর দুর্নীতির’ বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিলেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহান এখনও বেপাত্তা। ২৪ দিন হতে চলল পুলিশ তাঁর টিকি পর্যন্ত ছুঁতে পারেনি। অথচ তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে সক্রিয়।২৬ জানুয়ারি কর্মীদের তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছেন। তারপরও পাঁচদিন হতে চলল শাহজাহানের কোনও হদিশ নেই পুলিশের কাছে। আর সেই শাহজাহান নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)।

    শাহজাহান নিয়ে কী বললেন রাজ্যপাল? (CV Ananda Bose)

    মহাত্মা গান্ধীর মহাপ্ৰয়াণ দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার বারাকপুর গান্ধীঘাটে এসে শেখ শাহজাহান ইস্যুতে ফের মুখ খুললেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। গান্ধীঘাটে প্রার্থনা সভায় অংশ নেবার পর এদিন রাজ্যপাল গান্ধীজীর স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন,  “আইন আইনের পথে চলছে। তাকে ধরতে অভিযান চলছে। নিয়ম মেনেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শীঘ্রই ধরা হবে। আপনারা ধৈর্যের সঙ্গে অপেক্ষা করুন।” একইসঙ্গে তিনি বার্তা দেন, বাংলার দুটি শত্রু রয়েছে-“হিংসা আর দুর্নীতি।” আর এর বিরুদ্ধে সকলকে একজোট হয়ে লড়াই করতে হবে। নাম না করলেও রাজ্যপাল এই দুটি শত্রুর জন্য বাংলার তৃণমূল সরকারই দায়ী তা স্পষ্ট করে দিলেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    নরেন্দ্রপুর স্কুলে তাণ্ডব নিয়ে কী বললেন রাজ্যপাল?

    শনিবার নরেন্দ্রপুরের বলরামপুর মন্মথনাথ বিদ্যামন্দির স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকার ওপর চড়াও এবং ভাঙচুরের ঘটনায় শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙ্গুল উঠেছে। সেই ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তদের বেশিরভাগই এখনও গ্রেফতার করতে হয়নি। এপ্রসঙ্গে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, “আমরা বিষয়টির দিকে খেয়াল রাখব। তদন্তকারী কর্মকর্তারা তদন্ত করছেন, একটু সময় দিতে হবে, নিশ্চয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কিন্তু, পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে যথাযথ নিয়ম মেনেই বিষয়টিতে আমি হস্তক্ষেপ করবেন।” রাজ্যপাল ছাড়াও এদিন গান্ধীঘাটে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক, বারাকপুর কেন্দ্রের সাংসদ অর্জুন সিং, জেলাশাসক শরদ কুমার দ্বিবেদী, বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Anand Bose: ‘পুলিশকে কৃতকর্মের ফল ভুগতে হবে’, শাহজাহান ইস্যুতে কড়া বার্তা রাজ্যপালের

    CV Anand Bose: ‘পুলিশকে কৃতকর্মের ফল ভুগতে হবে’, শাহজাহান ইস্যুতে কড়া বার্তা রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে ফের একবার ক্ষোভপ্রকাশ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)। শুক্রবার তিনি সন্দেশখালিকাণ্ডে রাজ্য সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। রবিবার সিআরপিএফের আইজির সঙ্গে তাঁর বৈঠক সম্পন্ন হয় রাজভবনে। প্রসঙ্গত, শেখ শাহজাহানের ঘটনা নিয়ে ইডি কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)। সেই বৈঠকের পরই রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। রাজ্য পুলিশের প্রতি রাজ্যপালের হুঁশিয়ারি, “চোর-পুলিশ খেলা বন্ধ করুন। পুলিশকে কৃতকর্মের ফল ভুগতে হবে।”

    কেন গ্রেফতার হল না শেখ শাহজাহান

    এখানে সরকারের উদ্দেশে রাজভবন জানতে চায় যে কেন এখনও শেখ শাহজাহান গ্রেফতার হয়নি? তৃণমূলের এই দুষ্কৃতীনেতা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে চলে গিয়েছেন, নাকি অন্য কোনও দেশে চলে গিয়েছেন—সেই বিষয়েও সরকারের অবস্থানকে স্পষ্ট করতে বলেছেন তিনি। রবিবার আরও একবার রাজ্য-প্রশাসনকে রাজভবন মনে করিয়ে দিয়েছে যে, তারা আইন-শৃঙ্খলাজনিত ব্যাপারে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ। রাজ্যপাল বোসের (CV Anand Bose) কড়া বার্তা, “শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে না পারার ব্যর্থতা কোন পুলিশ অফিসারদের? তাঁদের শাস্তি দিন।”

    লুকিয়ে থেকে হুমকিবার্তা শাহজাহানের

    এদিকে, অজ্ঞাত ডেরা থেকে লুকিয়ে হুঙ্কার দিচ্ছেন শেখ শাহজাহান। শনিবার রাতেই এই হুমকি প্রকাশ্যে আসে। অডিওবার্তায় তিনি বলেছেন, ‘‘ইডি-সিবিআইকে নিয়ে ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ বুঝতে পারছে পুরোটাই চক্রান্ত। আমি শেখ শাহজাহান বলছি। দোষ করলে মাথা কেটে ফেলুন।’’ এখানেই উঠছে প্রশ্ন। তৃণমূল নেতা যদি সত্যিই নিরপরাধ হন, তবে ইডির তদন্ত মোকাবিলা করতে তাঁর এত ভয় কিসের? কেনই বা বাড়িতে তল্লাশি করতে ঢুকতে বাধা দেওয়া হল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে?

    সন্দেশখালির পঞ্চায়েত প্রধান থাকার সময় একসঙ্গে তিনজন বিজেপি কর্মীকে খুন করেছিলেন তিনি, এমনটাই অভিযোগ। ২০১৯ সালে বিজেপির ঝড়ের মধ্যে বসিরহাটে তৃণমূল প্রার্থী নুসরত জাহানকে সন্দেশখালি থেকে প্রচুর ভোটে লিড দিয়েছিলেন এই শাহজাহান। ইনাম পেয়েছিলেন দলের থেকে। মাথায় হাত ছিল জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। জুটেছিল জেলা পরিষদের টিকিট। ভোটে জিতে তাঁকে করা হয়েছিল উত্তর ২৪ পরগনার জেলা পরিষদের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ কর্মাধ্যক্ষ। বর্তমানেও ওই পদে রয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Gita: গীতা পাঠে আসছেন মোদি, শনিবার শুরু মঞ্চ বাঁধার কাজ, নজরুলগীতি দিয়ে সূচনা অনুষ্ঠানের

    Gita: গীতা পাঠে আসছেন মোদি, শনিবার শুরু মঞ্চ বাঁধার কাজ, নজরুলগীতি দিয়ে সূচনা অনুষ্ঠানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৪ ডিসেম্বর ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ’ (Gita) কর্মসূচি। শনিবারই ব্রিগেডে ভূমি পূজন করে মঞ্চ বাঁধার কাজ শুরু হবে। জানা গিয়েছে, দুটি পৃথক মঞ্চ বাঁধা হবে। একটিতে হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, অন্যটি হবে অতিথিদের বসার জন্য। অতিথিদের মঞ্চে দেখা যাবে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, দ্বারকা মঠের বর্তমান শংকরাচার্য স্বামী সদানন্দ সরস্বতী এবং রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে।  এর পাশাপাশি অনুষ্ঠান শুরুর আগে একটি শোভাযাত্রা হবে। শোভাযাত্রায় থাকবে কুরুক্ষেত্রর মাটি। মূল অনুষ্ঠান শুরু হচ্ছে নজরুলগীতির মাধ্যমে। সেসময় বেজে উঠবে ৬০ হাজার শঙ্খ।

    প্রধানমন্ত্রী কখন আসবেন?

    জানা গিয়েছে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে আসবেন বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ। পুরুষদের জন্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ধুতি পোশাক, মহিলারা পরবেন শাড়ি। গীতা পাঠের (Gita) কর্মসূচিতে আমন্ত্রিত রয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ও। বৃহস্পতিবার এবিষয়ে অন্যতম উদ্যোক্তা নির্গুণানন্দ ব্রহ্মচারী বলেন, ‘‘আমাদের কর্মসূচির সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। প্রধানমন্ত্রী নিজে থেকেই অনুষ্ঠানে আসতে চেয়েছিলেন। সকলের সঙ্গে গীতাপাঠ (Gita) করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। মুখ্যমন্ত্রী রাজি হলে তাঁকেও যথাযথ সম্মানে স্বাগত জানানো হবে।’’

    নজরুল গীতি দিয়ে শুরু হচ্ছে অনুষ্ঠান

    ২৪ ডিসেম্বর ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ’ (Gita) কর্মসূচি শুরু হবে কাজী নজরুল ইসলামের লেখা, ‘‘হে পার্থসারথি! বাজাও বাজাও পাঞ্চজন্য শঙ্খ, চিত্তের অবসাদ দূর কর কর দূর….’’ গানের মাধ্যমে। হঠাৎ এধরনের নজরুল গীতি দিয়ে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ’-এর আয়োজন কি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দিতেই? এমন প্রশ্ন শুনে আয়োজক কমিটির সভাপতি স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজ গত রবিবার ‘মাধ্যম’-কে বলেন, ‘‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ কর্মসূচি কখনও নির্দিষ্ট ধর্ম বা বর্ণের মধ্যে বেঁধে দেওয়া হয়নি। নেই কোনও রাজনৈতিক বাছবিচারও। ‘গীতা’ জীবন বোধ, তা যেমন মানুষের কী খাওয়া উচিত সেটাও বলে, তেমনি সুশৃঙ্খল জীবন গঠনের উপায়ও শেখায়। নজরুল ইসলামের এই গান আমাদের কাছে বর্তমানে সময়োপযোগী বলে মনে হয়েছে, তাই রাখা। এই গানের প্রতিটি কথা গীতাকে সরল ও সুন্দরভাবে ব্যাখা করেছে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share