Tag: CV Ananda Bose

CV Ananda Bose

  • CV Ananda Bose: “সিএএ দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পক্ষে ভালো পদক্ষেপ”, বললেন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: “সিএএ দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পক্ষে ভালো পদক্ষেপ”, বললেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিএএ দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পক্ষে ভালো পদক্ষেপ।” সোমবার দেশজুড়ে সিএএ (CAA) চালু হওয়ার পর এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। তিনি বলেন, “সংসদে পাশ হয়ে গিয়েছিল। বিধি তৈরির পর এখন কার্যকর হচ্ছে। এটা স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। সরকারের খুব ভালো পদক্ষেপ। দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও আইন-শৃঙ্খলার জন্য খুবই জরুরি।”

    কী বললেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)?

    রাজ্যপাল বলেন, “আইন পাশ হয়েছে। বিধিও তৈরি হয়ে গিয়েছে। প্রত্যেক সরকারের আইন মেনে কাজ করা উচিত। সিএএ (CAA) কী তা না জেনেই অনেক মন্তব্য করা হচ্ছে। আমার মনে হয়, আগে সিএএ কী তা পড়ুন, ভালো করে বুঝুন, তারপর কথা বলুন। আগে বুঝুন, তারপর বলুন। রাজ্যপালের নিশানায় যে তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তা বুঝতে অসুবিধে হওয়ার কথা নয়। কারণ সিএএ নিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতে (CV Ananda Bose) তিনিই সব চেয়ে বেশি সুর চড়িয়েছিলেন।

    ‘আইনের শাসন বনাম শাসকের আইন’

    এদিনও সিএএ (CAA) নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ক্যা (সিএএ) দেখিয়ে এনআরসি নিয়ে এসে এখানকার কারও নাগরিকত্ব বাতিল করা হলে আমরা চুপ করে বসে থাকব না। নো এনআরসি। এনআরসি মানতেই পারি না। আর ক্যা-এর নাম করে কাউকে ডিটেনশন ক্যাম্পে রেখে দেবে, এই চালাকিও আমরা করতে দেব না।” রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, “সিএএ বিধি এখন তৈরি করা হয়েছে। তাতে প্রমাণ হয়, কেন্দ্রে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার রয়েছে। আইনের বাইরে গিয়ে কোনও কাজ করা উচিত নয়।” এর পরেই তিনি বলেন, “এটা শাসকের আইনের বদলে আইনের শাসন।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘পাক হিন্দুরা খোলা হাওয়ায় শ্বাস নিতে পারবে’’, পাক হিন্দু ক্রিকেটারের মুখে সিএএ বন্দনা

    সিএএ (CAA) কী?

    ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে আসা ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দিতে এই আইন চালু করেছে ভারত সরকার। এই আইনের বলে হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, পার্সি এবং খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী যাঁরা ধর্মীয় অত্যাচারের কারণে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দিতেই এই নয়া আইন।

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই আইন লাগু হওয়ায় সব চেয়ে বেশি উপকৃত হবেন মতুয়ারা। বাংলায় প্রায় ৭০টি আসনে মতুয়া ভোটই জয় পরাজয় নির্ণায়ক শক্তি। গোটা দেশে মতুয়ারা ফ্যাক্টর প্রায় ১৭০টি আসনে। সিএএ (CAA) লাগু হওয়ায় এই আসনের সিংহভাগই যে এবার গেরুয়া ঝুলিতে যাবে, তা বলাই বাহুল্য।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “স্বাধীনতার পর বাংলা আর এগোয়নি”, কৃষ্ণনগরে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “স্বাধীনতার পর বাংলা আর এগোয়নি”, কৃষ্ণনগরে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “স্বাধীনতার পর বাংলা আর সে রকম এগোয়নি। অনেক সম্ভাবনা থাকলেও, বাংলা পিছিয়ে পড়তে থাকে।” শনিবার কৃষ্ণনগরের জনসভায় এক গুচ্ছ কর্মসূচির উদ্বোধন করে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “রেল পশ্চিমবঙ্গের গৌরবের একটি অধ্যায়। অথচ সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও পিছিয়ে পড়তে থাকে বাংলা। গত দশ বছরে আমরা ওই ব্যবধান মেটানোর জন্য রেলের আধুনিকীকরণে বেশি করে জোর দিয়েছি। এখন বাংলায় রেলের জন্য আগের চেয়ে দ্বিগুণ অর্থ খরচ হচ্ছে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আরামবাগে সাত হাজার কোটি টাকার বিকাশ যোজনার প্রকল্পের শিলান্যাস ও সূচনা করেছি, আজও ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস ও সূচনা করছি। এর ফলে রোজগারের নতুন পথ খুলবে। বাংলার যুবক-যুবতীদের সহায়তা করবে। রাজ্যকে বিকশিত ভারতের অংশ করার জন্য আমরা কাজ করে চলেছি।” তিনি বলেন, “পূর্ব ভারতের জন্য পশ্চিমবঙ্গ আমাদের দেশের কয়েকটি রাজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য আকাশপথ থেকে সড়কপথ, রেলপথের আধুনিকীরণের কাজ করছে আমাদের সরকার। আজ ফরাক্কা থেকে রায়গঞ্জ পর্যন্ত জাতীয় সড়কের উদ্বোধন হল। দু হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এখন অর্ধেক সময়ে যাতায়াত করতে পারবেন দুটি জায়গার মানুষ।”

    চারটি রেল প্রকল্পের উদ্বোধন

    কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট কলেজের মাঠে এদিন প্রধানমন্ত্রী চারটি রেল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। রেলওয়ে, পেট্রোলিয়াম সহ বেশ কিছু প্রকল্পও ছিল। ১৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন তিনি। আজিমগঞ্জ-মুর্শিদাবাদ রেল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বাজারসৌ-আজিমগঞ্জ ডবল রেল লাইনের উদ্বোধনও করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: শিবরাত্রি কেন পালন করা হয়? মহাদেবের মাথায় জল ঢালার কারণ জানেন?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বলেন, “১১ হাজার ৩৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে রঘুনাথপুর এসটিপিপি ফেজ, ২১ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে মেজিয়া থার্মাল পাওয়ার স্টেশন তৈরি হয়েছে। আজিমগঞ্জ থেকে মুর্শিদাবাদ পর্যন্ত নয়া রেললাইনের সূচনা হয়েছে। রামপুরহাট থেকে মুরারই পর্যন্ত ২৯.৪৮ কিলোমিটার থার্ড রেল পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গবাসী।

    প্রসঙ্গত, শুক্রবারই আরামবাগে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সিলিন্ডারে এলপিজি বটলিং প্ল্যান্ট, কলকাতা বন্দরের নতুন কয়েকটি প্রকল্প, কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের আধুনিকীকরণের প্রকল্প এবং রাজ্যের তিনটি রেল প্রকল্পের সূচনাও করেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     
  • Sheikh Shahjahan: “এবার নতুন সূর্যোদয় দেখবে সন্দেশখালি”, শাহজাহানের গ্রেফতারিতে প্রতিক্রিয়া বোসের

    Sheikh Shahjahan: “এবার নতুন সূর্যোদয় দেখবে সন্দেশখালি”, শাহজাহানের গ্রেফতারিতে প্রতিক্রিয়া বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। ৫৫ দিন পরে তাঁর নাগাল পেল পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে মিনাখাঁ থেকে গ্রেফতার করা হয় শাহজাহানকে। তারপরেই প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এদিন কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছে তিনি বলেন, “আশা করি, এবার নতুন সূর্যোদয় দেখবে সন্দেশখালি।”

    বেপাত্তা ছিলেন শাহজাহান

    সন্দেশখালিতে শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে জখম হন ইডির দুই আধিকারিক। জখম হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ানও। অভিযোগ, শাহজাহানের অনুগামীদের ছোড়া ইটের ঘায়ে জখম হয়েছিলেন ওই চারজন। ঘটনার পরে পরেই বেপাত্তা হয়ে যান তৃণমূলের এই নেতা। তাঁর গ্রেফতারি নিয়ে মাঝে মধ্যেই সরব হয়েছেন রাজ্যপাল। শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতার করতে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে একাধিকবার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদেরও একই বার্তা পৌঁছে দিয়েছিলেন তিনি।

    রাজ্যপালের প্রতিক্রিয়া 

    মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে ফের চিঠি দেন রাজ্যপাল। সেই চিঠিতে শাহজাহানকে ৭২-ঘণ্টার মধ্যে হয় গ্রেফতার নয়তো কেন গ্রেফতার করা হয়নি সেই রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই গ্রেফতার হয়েছেন শাহজাহান। রাজ্যপাল বলেন, “এটাই হল গণতন্ত্র। অন্ধকারের পর আলো। এটা প্রত্যেকের জন্য একটি শিক্ষা। আমি খুশি।” তিনি বলেন, “আমি আপনাদের বলেছিলাম সুড়ঙ্গের শেষে আলো থাকবে। আমরা অপেক্ষা করেছিলাম কিন্তু তা করা হয়েছে। এখন আসুন, আশা করি, আইনের শাসনের একটি নতুন ভোর ফিরে আসবে বাংলায়।”

    আরও পড়ুুন: সাদা পোশাক, সাদা স্নিকার্স পরে আদালতে শাহজাহান, ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ

    শাহজাহানকে নিয়ে গত পঞ্চান্ন দিন ধরে চর্চা হয়েছে চায়ের দোকানেও। শাহজাহান গ্রেফতার হতেই তাঁর বিরুদ্ধে সোচ্চার হন স্থানীয় মহিলারা। তাঁদের অভিযোগ, এলাকার সুন্দরী মেয়েদের তৃণমূল পার্টি অফিস কিংবা এলাকার বাগানবাড়িতে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করা হত। নানা অছিলায় দখল করা হত গরিবের চাষের জমি। শাহজাহান বাহিনীর কথা মতো না চললেই নানাভাবে হেনস্থা করা হত বলেও অভিযোগ। পলাতক শাহজাহানকে গ্রেফতার করার দাবিতে পথে নামেন স্থানীয় মহিলারাও।

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এর পরেই চাপে পড়ে যায় তৃণমূল। লোকসভা নির্বাচনের আগে সন্দেশখালির জনমত ঘুরে যেতে পারে ভেবে শঙ্কিত হয়ে পড়েন তৃণমূলের ভোট ম্যানেজাররা। তৃণমূলের অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে ধরিয়ে দেওয়া হয় শাহজাহানকে। সেই কারণেই মিনাখাঁয় লুকিয়ে থাকলেও, শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে পুলিশের সময় লাগল ৫৫ দিন (Sheikh Shahjahan)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ৫৫৪টি অমৃত ভারত রেল স্টেশনের শিলান্যাস করলেন মোদি, ব্যান্ডেলে রাজ্যপাল

    Hooghly: ৫৫৪টি অমৃত ভারত রেল স্টেশনের শিলান্যাস করলেন মোদি, ব্যান্ডেলে রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোটা দেশজুড়ে ৫৫৪টি রেল স্টেশন এবং ১৫৮৫টি রোড ওভারব্রিজ বা আন্ডারপাশের পুনর্বিকাশ-এর জন্য ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন। প্রধানমন্ত্রীর ‘অমৃত ভারত’ (Amrit Bharat Rail Station) প্রকল্পের অধীনেই স্টেশনগুলি তৈরি হবে। পুনর্বিকাশ কর্মসূচির মধ্যে এই রাজ্যে মোট ৪৫টি স্টেশন রয়েছে। তার মধ্যে হুগলির (Hooghly) ব্যান্ডেল জংশনের জন্য সবচেয়ে বেশি মোট ৩০৭ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে জানা গিয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সোমবার ব্যান্ডেলে যান রাজ্যের রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস।

    পূর্ব রেলের ২৮টি স্টেশনের সার্বিক উন্নয়ন (Amrit Bharat Rail Station)

    অমৃত ভারত স্টেশন (Amrit Bharat Rail Station) প্রকল্পে গোটা দেশে ১২৭৫টি স্টেশন আধুনিকীকরণরের পরিকল্পনা নিয়েছে রেলমন্ত্রক। সোমবার ৫৫০টি অমৃত ভারত স্টেশন নির্মাণ ভিস্তিপ্রস্তর স্থাপন ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পূর্ব রেলের ২৮টি স্টেশনের সার্বিক উন্নয়ন হবে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পে। তার মধ্যে হাওড়া মেইন শাখার ব্যান্ডেল-সহ ৮টি স্টেশন এই প্রকল্পের আওতায়। এদিন ব্যান্ডেল শরৎচন্দ্র রেলওয়ে ইনস্টিটিউট-এ রেলের তরফে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন ডিজিটাল মাধ্যমে দেখানো হয়। পূর্ব রেলের ২৮টি স্টেশন অমৃত ভারত প্রকল্পে উন্নয়নে বরাদ্দ করা হয়েছে মোট ৭০৪ কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রীর শিলান্যাস অনুষ্ঠান শুরুর আগে ব্যান্ডেল স্টেশনে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    বাংলায় আর কোন কোন স্টেশন তালিকায় (Hooghly) 

    বাংলার যে গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশনগুলি অমৃত ভারতের (Amrit Bharat Rail Station) আওতায় আসবে তা হল, চন্দননগর, ডানকুনি, নৈহাটি, গেদে, বনগাঁ, বালুরঘাট, সহ একাধিক স্টেশন। সবকটি স্টেশনকে আধুনিকতার মোড়কে মুড়ে ফেলা হবে। হুগলির (Hooghly) চন্দননগর স্টেশনের আধুনিকীকরণের খরচ হবে ১৮ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা। ডানকুনি স্টেশন নতুন করে সাজাতে খরচ হবে ১৫ কোটি ৬ লক্ষ টাকা। আবার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় নদিয়ার গেদে স্টেশনকে সাজিয়ে তোলা হবে। এই স্টেশনের জন্য খরচ হবে ১৮ কোটি ৫ লক্ষ টাকা। একই ভাবে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বনগাঁ স্টেশনের জন্য সাজিয়ে তুলতে খরচ করা হবে মোট ২৮ কোটি টাকা। আবার দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট স্টেশন সাজাতে খরচ হবে ২৪ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা। স্টেশনে থাকবে চলমান সিড়ি থেকে শুরু করে ফুড কোর্ট, স্টেশন চত্বরে ঢোকা বেরনোর জন্য আলাদা যাতায়াতের পথ-সহ বিভিন্ন ব্যবস্থা রাখা হবে। এর পাশাপাশি উন্নতমানের পার্কিং-এর ব্যবস্থাও থাকবে।

    কী বললেন রাজ্যপাল

    অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সোমবার সকালেই কলকাতা থেকে ‘স্পেশাল ট্রেন’-এ ব্যান্ডেলে (Hooghly) যান রাজ্যপাল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব রেলের জিএম মিলিন্দ কে দেওস্কর। অমৃত ভারত স্টেশন (Amrit Bharat Rail Station) প্রকল্পে সেজে উঠবে ব্যান্ডেল স্টেশন। রাজ্যপাল আগে কলকাতা থেকে দার্জিলিংয়ের রাজভবনে অতিথিদের নিয়ে যাতায়াতের জন্য ‘শান্তি এবং সম্প্রীতি’ ট্রেন চালু করার আবেদন করেছিলেন। ব্যান্ডেলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যপাল বলেন, ‘‘প্রতি বছর দার্জিলিংয়ে চা উৎসব হয়। সেই উপলক্ষে সেখানে শিশু, যুবক, মহিলা খেলোয়াড় থেকে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ কলকাতার রাজভবন থেকে দার্জিলিং রাজভবনের অতিথি হন। তাঁদের জন্য প্রতি বছর একটি বিশেষ ট্রেন দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি রেল কর্তৃপক্ষকে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: রাজ্যপালের কনভয়ে অন্য গাড়ি, নেপথ্যে হাত তৃণমূলের শাহজাহানের!

    CV Ananda Bose: রাজ্যপালের কনভয়ে অন্য গাড়ি, নেপথ্যে হাত তৃণমূলের শাহজাহানের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের (CV Ananda Bose) কনভয়ে ঢুকে পড়ল অন্য একটি গাড়ি। দিল্লির এই ঘটনার পরেই কড়া নিরাপত্তায় রাজ্যপালকে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে গন্তব্যে। বাংলার রাজ্যপালের কনভয়ে কীভাবে অন্য গাড়ি ঢুকে পড়ল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। রাজভবনের অনুমান, এই ঘটনায় পলাতক তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখ ও তার দলবলের হাত থাকতে পারে। ঘটনাটিকে নাশকতার ঘটনা হিসেবেই সন্দেহ করছে রাজভবন।

    কনভয়ে ঢোকার চেষ্টা অন্য গাড়ির

    সোমবারই সন্দেশখালি গিয়েছিলেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। ফিরে ধরেন দিল্লির উড়ান। জানা গিয়েছে, দিল্লিতে একটি বৈঠক সেরে পুসা এলাকায় কেন্দ্রীয় সরকারের গেস্ট হাউসে (দিল্লি গেলে এখানেই থাকেন রাজ্যপাল) ফিরছিলেন রাজ্যপাল। সেই সময় একটি গাড়ি বারবার তাঁর কনভয়ে ঢোকার চেষ্টা করে। ঘটনাটি নজরে পড়তেই গাড়িটিকে আটকানোর চেষ্টা করেন রাজ্যপালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআরপিএফের জওয়ানরা। অভিযোগ, সেই বাধা এড়িয়ে গাড়িটি কনভয়ে ঢুকে ধাক্কা মারে। গাড়িটিকে আটক করা হয়েছে বলে রাজভবন সূত্রে খবর। গ্রেফতার করা হয়েছে চালককে।

    সন্দেশখালিতে রাজ্যপাল 

    প্রসঙ্গত, এদিন সন্দেশখালিতে গিয়ে রাজ্যপাল কথা বলেন স্থানীয় মহিলাদের সঙ্গে। রাজ্যপালের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁরা। এর পরেই কড়া বার্তা দেন রাজ্যপাল। বলেন, “বাড়িতে ঢুকে মহিলাদের ওপর অত্যাচার করছে গুন্ডারা। রবীন্দ্রনাথের বাংলায় এমন হতে পারে না। আমার ক্ষমতায় যা সম্ভব, করব।” তিনি বলেন, “এখানে প্রত্যেকেই আমার বোন। তাঁদের সম্মান রক্ষার্থে যা করার, আমি তা-ই করব। আজ যে ছবি দেখলাম, তা আমাকে মর্মাহত করেছে। আজ যা দেখলাম, আগে কখনও দেখিনি। আজ যা শুনলাম, আগে শুনিনি। আইন আইনের পথে না চললে মানুষ বিপন্ন বোধ করেন।”

    আরও পড়ুুন: “ভারত-সংযুক্ত আরব আমিরশাহি দোস্তি জিন্দাবাদ”, প্রবাসীর সুর প্রধানমন্ত্রীর মুখে

    প্রসঙ্গত, শনিবারই রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালকে সন্দেশখালি যাওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যপাল ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সন্দেশখালি না গেলে তিনি ধর্নায় বসবেন বলেও জানিয়েছিলেন। সেই সময়সীমা পেরনোর আগেই সন্দেশখালিতে যান রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। তার পরে পরেই ঘটে দিল্লিকাণ্ড।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

      

  • CV Ananda Bose:  ‘শাহজাহান বাহিনীর হাত থেকে বাঁচান’, রাজ্যপালকে পায়ে হাত দিয়ে আর্জি মহিলাদের

    CV Ananda Bose: ‘শাহজাহান বাহিনীর হাত থেকে বাঁচান’, রাজ্যপালকে পায়ে হাত দিয়ে আর্জি মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালিতে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সেখানে যাচ্ছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। এদিকে, প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ সর্দারের গ্রেফতারির জেরে সোমবারই এলাকায় বনধ ডেকেছে বামেরা। সোমবার মিনাখাঁর বাসন্তী হাইওয়েতে বামনপুকুর এলাকায় রাজ্যপালকে যেতে বাধা দেওয়া হয়। মহিলাদের হাতে পোস্টার দিয়ে তৃণমূলীরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। পদে পদে বাধা পেয়ে অবশেষে সন্দেশখালি পৌঁছান রাজ্যপাল।

    রাজ্যপালকে (CV Ananda Bose) কী বললেন আতঙ্কিত মহিলারা?

    সন্দেশখালির মাটিতে রাজ্যপাল পা রাখতেই ফুল ছড়িয়ে, শঙ্খ বাজিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয় রাজ্যপালকে। এদিন রাজ্যপাল পৌঁছনোর আগেই দেখা যায় রাস্তায় প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন মহিলারা। কোনও প্ল্যাকার্ডে কেন্দ্রীয় পুলিশের দাবি জানানো হয়েছে। কোথাও রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে রয়েছে অভিযোগ। রাজ্যপালের হাতে রাখিও পরিয়ে দেন অনেক মহিলা। একের পর এক মহিলা এসে তাঁর কাছে অত্যাচারের অভিযোগ জানাতে থাকেন। অনেক মহিলা তাঁর পায়ে পড়লেন। রাজ্যপালের সামনে অনেকে আবার হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে থাকেন। শাহজাহান বাহিনী নিয়ে মুখ খোলেন। তাঁর বাহিনীর অত্যাচারের কথা তাঁরা বলেন। শেখ শাহজাহান এবং তাঁর সহযোগীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান তাঁরা। গ্রেফতার না করা হলে রাজ্যপাল চলে গেলে, তাঁদের উপর আরও অত্যাচার নেমে আসবে বলে আশঙ্কা জানিয়েছেন তাঁরা। এক মহিলা রাজ্যপালের সামনে বলেন, ‘আমাদের মায়েদের শান্তির জন্য আপনারা কী চাইছেন জানি না। শাহজাহান বাহিনীর হাত থেকে আমাদের বাঁচান। কিন্তু, শেখ শাহজাহান, শিবু হাজরাদের না ধরলে আপনারা চলে গেলে আমাদের যে অবস্থা হবে তা আরও ভয়ঙ্কর হবে। আমরা এরপর মুখ তুলে তাকাতে পারব না। ১৩ বছর ধরে যা অত্যাচার হচ্ছে, তার থেকেও ভয়ঙ্কর হবে। ওরা যদি ফিরে আসে।’

    সন্দেশখালিতে গিয়ে কী বললেন রাজ্যপাল? (CV Ananda Bose)

    সবার অভিযোগ শোনেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল বলেন, “যাবতীয় ব‍্যবস্থা নেওয়া হবে। গ্রামের মহিলাদের সুরক্ষিত রাখা ও নিরাপদে রাখার জন্য যা যা করার তা করা হবে।”  সূত্রের খবর, ঘটনায় রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন রাজ্যপাল। কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে কথাও বলেছেন সি ভি আনন্দ বোস। এদিন সন্দেশখালি যাওয়ার আগে তিনি বলেন, “কেরল সফরে ব্যস্ত থাকার সময় সন্দেশখালির ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা জানতে পারি। তাই সফর কাটছাঁট করেই চলে এসেছি।”

    দফায় দফায় বিক্ষোভ

    কেরল সফর থেকে কলকাতায় ফিরে সোমবারই যে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) সন্দেশখালি যাবেন, সেই পরিকল্পনা আগেই ছিল। সকালে বিমানবন্দরে নামার পর নির্ধারিত রাস্তা দিয়েই এগিয়ে যাচ্ছিল রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের কনভয়। সেই পথেই দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখানো হল রাজ্যপালের কনভয় ঘিরে। সকাল ১১ টা নাগাদ যখন রাজ্যপালের গাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁর ওপর দিয়ে যাচ্ছিল, সেই সময় হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে কনভয়ের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান একদল মহিলা। বাসন্তী এক্সপ্রেসওয়ের ভিতরে একবার নয়, একাধিকবার বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় রাজ্যপালকে। মিনাখাঁর ওপর দিয়ে বামনগাছির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল কনভয়। প্রথমে বামনপুকুর এলাকায় আটকানো হয় গাড়ি।

    কচিকাঁচাদের হাতে প্লাকার্ড!

    বিক্ষোভকারীদের হাতে রয়েছে প্ল্যাকার্ড। তাতে জানানো হয়েছে বকেয়া টাকার দাবি। সেখান থেকে পুলিশ কোনও ক্রমে জমায়েত সরিয়ে দেওয়ার পর কয়েকশ মিটার দূরে কালীতলা ফের দেখা যায় একই ছবি। আবারও বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় রাজ্যপালেক কনভয়। এমনকী কচিকাঁচাদের হাতে ছিল প্লাকার্ড। কেন পোস্টার হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছে তা জানে না তারা। তৃণমূলীদের শেখানো বুলি আওড়াচ্ছেন মহিলারা। অনেকে আবার বলছেন, এলাকায় ইডি কেন আসছে। সন্দেশখালি থানাতে অশান্তি হচ্ছে কেন? এসবের জন্য তাঁরা জমায়েত হয়েছে। রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) কাছে আবাস যোজনার বাড়ি  চাইলেই পাওয়া যাবে বলে তৃণমূলের লোকজন মহিলাদের জমায়েক করেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে, পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বার বার রাজ্যপালকে বিক্ষোভ দেখানো হলেও পুলিশের ভূমিকা ততটা সক্রিয় ছিল না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: শাহি-সাক্ষাত! ইডির উপর হামলা, রাজ্যের বকেয়া নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-রাজ্যপাল বৈঠক

    CV Ananda Bose: শাহি-সাক্ষাত! ইডির উপর হামলা, রাজ্যের বকেয়া নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-রাজ্যপাল বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিসেব দিতে পারলেই কেন্দ্র সব বকেয়া মিটিয়ে দেবে। বাংলার মানুষ বঞ্চিত হন তা প্রধানমন্ত্রী মোদি কখনওই চান না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাতের পর স্পষ্টভাবে একথা জানালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। একইসঙ্গে রাজ্য অরাজকতা, সন্দেশখালিতে ইডির উপর হামলা সব বিষয়েই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান রাজ্যের সর্বময় প্রধান।

    রাজ্যের বকেয়া প্রসঙ্গ

    রাজ্যের বকেয়া নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে কথা হয়েছে বলে জানান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। তিনি বলেন, “আমাদের দুজনের মধ্যে কী কথা হয়েছে সেটা প্রকাশ্যে বলা সম্ভব নয়। তবে রাজ্যের যা প্রাপ্য আছে সেটা অবশ্যই রাজ্য পাবে। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের মানদণ্ড পূরণ করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষের কাছে ন্যায়বিচার পৌঁছে দেওয়া হবে। আমি মানুষের উদ্বেগের কথা বুঝি। আমিও নিজে বিষয়টি খতিয়ে দেখেছি। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে বাংলার কাছে এই বিষয়ে কিছু জানতে চাওয়া হয়। দ্রুত সমস্যা মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা হচ্ছে। বাংলার মানুষ যাতে বঞ্চিত না হন, সেটা প্রধানমন্ত্রী দেখছেন।”

    আরও পড়ুন: আজই শপথ চম্পাই সোরেনের, ১০ দিনের মধ্যে প্রমাণ করতে হবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা

    ইডির উপর হামলা প্রসঙ্গ

    এখন দিল্লিতে রয়েছেন রাজ্যপাল বোস (CV Ananda Bose)। রাজভবন সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা বর্তমানে দেশের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করেছেন। দু’জনের মধ্যে বেশ কিছু ক্ষণ কথাও হয়েছে। যদিও প্রাক্তন রাজ্যপালের সঙ্গে তাঁর কী নিয়ে কথা হয়েছে, সে ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি। পরে সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গেও দেখা করেছেন বোস। সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে কথা হয়েছে তাঁদের মধ্যে। এর পর ভিডিয়ো বার্তায় বোস বলেন, ‘‘সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি নির্দিষ্ট অপরাধের ঘটনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমি এটুকু বলতে পারি, আইন আইনের পথেই চলবে। যে সব কড়া পদক্ষেপ বিগত দিনে দেখা গিয়েছে, তা ভবিষ্যতেও জারি থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে যা করার শীঘ্রই তা আপনারা দেখতে পাবেন। ইডিকে নিজের কাজ করতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ইডি কাজ করেছে। আগামী দিনেও করে চলবে।’’ এদিন প্রধানমন্ত্রীর দফতরেও যান রাজ্যপাল। সেখানে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা এবং রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্ট দেন বলে সূত্রের খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: বকেয়া ডিএ, চলছে আমরণ অনশন, রাজ্যপালকে হস্তক্ষেপের আর্জি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বকেয়া ডিএ, চলছে আমরণ অনশন, রাজ্যপালকে হস্তক্ষেপের আর্জি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় দিতে হবে ডিএ (DA Issue)। মমতা সরকারের কাছে এই দাবি জানিয়ে আন্দোলনে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন চারজন আন্দোলনকারী। এবার এ বিষয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চিঠি লিখলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যপাল এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুন বলে আবেদন জানান তিনি। সমাজ মাধ্যমে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

    রাজ্যপালকে চিঠি

    সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের চারজন সরকারি কর্মচারী গত কয়েকদিন ধরে বকেয়া ডিএ-র (DA Issue) দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন। মঙ্গলবার সেই অনশন মঞ্চে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁদের যন্ত্রণা দেখে এবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চিঠি লিখলেন তিনি। রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানকে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ করার জন্য আবেদন জানান শুভেন্দু। এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, ‘সংগ্রামী যৌথমঞ্চের চারজন সদস্য আমরণ অনশনে বসেছেন। তাঁরা কেন্দ্রের হারে রাজ্যের কাছে ডিএ-র দাবি করেছেন। আমি এ নিয়ে রাজ্যপালকে চিঠি লিখেছি।’

    শুভেন্দু রাজ্যপালকে জানান, ডিএ (DA Issue) আন্দোলনকারীদের অনশন চলছে। তাই বিষয়টি দেখুন রাজ্যপাল। যেহেতু অনশন অবস্থান, ফলে চারজনের শারীরিক অবস্থাও বিশেষ নজরে রাখা দরকার। যে কোনও সময় অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন তাঁরা। বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, একটি মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত রাখা দরকার। সেখানে চিকিৎসক, নার্সরা থাকবেন। যাঁরা নিয়মিত অনশনকারীদের স্বাস্থ্যের অবস্থার নজরদারি চালাবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “শাহজাহান কোথায়, উত্তর আছে মা গঙ্গার কাছে”, ফের রাজ্যপালের মন্তব্য

    CV Ananda Bose: “শাহজাহান কোথায়, উত্তর আছে মা গঙ্গার কাছে”, ফের রাজ্যপালের মন্তব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শাহজাহান কোথায়, উত্তর আছে মা গঙ্গার কাছে” মন্তব্যে করলেন রাজ্যপাল। শাহজাহান কোথায়? মা গঙ্গা কী সত্যই জানেন? এই প্রশ্নে ফের গ্রেফতার নিয়ে সরব হলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। গতকাল রবিবার ভাটপাড়ায় গঙ্গা আরতি করতে গিয়ে গঙ্গার কাছে উত্তর খুঁজলেন তিনি। উল্লেখ্য, আগেও রাজ্যপাল রাজ্য পুলিশকে গ্রেফতার প্রসঙ্গে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারও গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়েছিলেন কিন্তু ঘটনার ১৫ দিন কেটে গেলেও অধরা এই তৃণমূল নেতা। এইদিন গঙ্গায় আরতির এক অনুষ্ঠানে ফের রাজ্যপাল সরব হলেন পুলিশের বিরুদ্ধে।

    কী বললেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)?

    মকর সংক্রান্তির ঠিক আগের দিন উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ার হিন্দু জাগরণ মঞ্চের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। তিনি গঙ্গার ঘাটে আরতি করেন। আরতি শেষ করে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “গঙ্গা গোটা দেশের সম্প্রীতি রক্ষা করছে। এখন এই শাহজাহান কোথায় তা মা গঙ্গাই জানেন। উত্তর আছে মা গঙ্গার কাছে।” এই মন্তব্যে রাজ্য প্রশাসনের উপর ফের চাপ বৃদ্ধি করলেন রাজ্যপাল। এখন এই মা গঙ্গা বলতে কাকে ইঙ্গিত করেছেন সেটাও একটা প্রশ্ন। ইতিমধ্যে বিজেপির নেতারা বার বার শাহজাহানের গ্রেফতার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। প্রথম থেকেই বিরোধীরা শাহজাহান বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়েছেন বলে মন্তব্য করলেও এরপর স্থানীয়রা এই তৃণমূল নেতাকে এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে দেখা গিয়েছে বলে মন্তব্য করেন। কিন্তু এখনও শাহজাহানকে কেন পুলিশ গ্রেফতার করছে না তা নিয়েও মানুষের ক্ষোভ দিন দিন বাড়ছে বলে জানা গিয়েছে।

    ৫ জানুইয়ারি থেকেই নিখোঁজ

    গত ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূলের নেতা শেখ শাহজাহানের উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার বাড়িতে তদন্ত করতে গেলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি আক্রান্ত হয়। তিনজন তদন্তকারী অফিসারের মাথা ফাটিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। সেই সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর কেন্দ্রীয় জওয়ানদের মারধর করা হয়। এমনকী তাঁদের গাড়িতে ব্যাপক ভাংচুর করা হয়। এরপর থেকেই তৃণমূল নেতা শাহজাহান পলাতক। ঠিক তার পরেই রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বাংলায় ‘জঙ্গল রাজত্ব’ চলছে বলে মন্তব্য করেন। পুলিশকে আইনের শাসন প্রয়োগের কথা বলেন। এখনও পর্যন্ত মাত্র ৪ জনকে গ্রেফতার হলেও আসল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করিনি পুলিশ। প্রশাসন কবে এখন গ্রেফতার করে তাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: কোন আইনে সমাবর্তন যাদবপুরে? আদালতে যাচ্ছেন রাজ্যপাল!  

    CV Ananda Bose: কোন আইনে সমাবর্তন যাদবপুরে? আদালতে যাচ্ছেন রাজ্যপাল!  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আচার্যের অনুমতি ছাড়াই হয়েছে সমাবর্তন। সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল অন্তর্বর্তী উপাচার্যকেও। এই উপাচার্যকেই বিশেষ ক্ষমতা দিয়ে রবিবার সমাবর্তন উৎসব করিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। অনুষ্ঠান মঞ্চে ঠায় বসেছিলেন সদ্য পদ খোয়ানো অন্তর্বর্তী উপাচার্য। তবে সমাবর্তনে তাঁর স্বাক্ষরিত শংসাপত্রই বিলি করা হয়েছে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে। অনুমতি ছাড়াই সমাবর্তন করায় এবার আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছেন রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজভবন সূত্রেই এ খবর মিলেছে।

    পড়ুয়াদের উদ্বেগ

    জানা গিয়েছে, সমাবর্তনের শংসাপত্রে উপাচার্য হিসেবে বুদ্ধদেব সাউয়ের স্বাক্ষর থাকায় রাজ্যপালকে মেইল করে উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন কয়েকজন পড়ুয়া। এই সার্টিফিকেট নিয়ে পরে কোনও সমস্যা হতে পারে কিনা, সেই আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তাঁরা। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি কমিটিও তৈরি করেছে রাজভবন। সমাবর্তন করতে উচ্চ শিক্ষা দফতরের সবুজ সঙ্কেত, শংসাপত্র প্রাপকদের হাতে সহ-উপাচার্যের ডিগ্রি তুলে দেওয়া এবং সেই শংসাপত্রে সদ্য অপসারিত উপাচার্য বুদ্ধদেবের স্বাক্ষর থাকা – এসব নিয়ে আইনি পরামর্শ নিয়েছেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। বেশ কয়েকজন শিক্ষাবিদের সঙ্গেও কথা বলেছেন। মতামত নিয়েছেন অন্তর্বর্তী উপাচার্যদের। এ সব ক্ষেত্রের মতই হল, এভাবে সমাবর্তন করা যায় না। পুরোটাই বেআইনি।

    রাজ্যপালই বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য

    রাজ্যপালই পদাধিকার বলে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য। তাই রাজভবনের দাবি, কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের বিষয়ে আইনত কিছু বলতে পারে না রাজ্য সরকার। সমাবর্তনে সহ-উপাচার্যেরও কোনও ভূমিকা থাকতে পারে না। যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নেই, সেখানে তাঁর কাজের দায়িত্ব অন্য কাউকে দিতে পারেন কেবলই আচার্য। উপাচার্য থাকলে অবশ্য অন্য কথা। সেক্ষেত্রে তিনি দায়িত্ব দিতে পারেন তাঁর অধীনস্থ কাউকে। সেক্ষেত্রে আবার আইন অনুযায়ী নিযুক্ত কিংবা আচার্য মনোনীত অন্তর্বর্তী উপাচার্য তা করতে পারেন।

    আরও পড়ুুন: খসল পরাধীনতার গ্লানি! দেশে কার্যকর ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আইন

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি এমনতর ছিল না। কারণ রবিবার সমবর্তনের ঠিক আগের দিন দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় অন্তর্বর্তী উপাচার্যকে। তাই তিনি তখন উপাচার্য নন, কেবলই শিক্ষক। সেক্ষেত্রে পড়ুয়াদের হাতে শংসাপত্র তুলে দিয়েছেন সহ- উপাচার্য অমিতাভ দত্ত। যা আইনানুগ নয় বলেই মনে করছে রাজভবন। সেই কারণেই আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share