Tag: CV Ananda Bose

CV Ananda Bose

  • CV Ananda Bose: কোনও বিল আটকে নেই, স্পিকারের অভিযোগ খারিজ করে জানাল রাজভবন

    CV Ananda Bose: কোনও বিল আটকে নেই, স্পিকারের অভিযোগ খারিজ করে জানাল রাজভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজভবনে কোনও বিল আটকে নেই। বুধবারই বিবৃতি দিয়ে এ কথা জানিয়ে দিল রাজভবন (CV Ananda Bose)। মঙ্গলবার বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, সাড়ে ১২ বছরে ২২টি বিল আটকে রয়েছে রাজভবনে। তার প্রেক্ষিতেই বিবৃতি জারি করে রাজভবন।

    রাজভবনের বিবৃতি

    তাতে বলা হয়েছে, কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল যে, ১২ বছরে ২২টি বিল আটকে রয়েছে রাজভবনে। অভিযোগটি খতিয়ে দেখতে বুধবারই রাজভবনে একটি বৈঠক ডেকেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, যে বিলগুলি রাজ্যের ব্যাখ্যা না পাওয়ার জন্য আটকে রয়েছে, সেই বিলগুলি দ্রুত অনুমোদনের জন্য ‘স্পিড’ নামে একটি প্রোগ্রাম চালু করেছে রাজভবন। এই স্পিড প্রোগ্রামের অধীনে সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রী বা সচিবদের সঙ্গে আলোচনা করেই যে বিলগুলি রাজভবনে আটকে রয়েছে, সেগুলির ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। রাজভবনের (CV Ananda Bose) তরফে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, সেখানে এও বলা হয়েছে, রাজ্যপালকে সরিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে আচার্য করার যে বিল, সেটি বর্তমানে আদালতের বিচারাধীন।

    কোন পর্যায়ে রয়েছে বিলগুলি 

    যে বিলগুলি আটকে রয়েছে বলে স্পিকার জানিয়েছিলেন, সেগুলি কোন পর্যায়ে রয়েছে, বিবৃতিতে তাও জানানো হয়েছে। হাওড়া মিউনিসিপাল কর্পোরেশন সংক্রান্ত বিল ২০২২ সালের ১৪ মার্চ থেকে রাজ্য সরকারের ব্যাখ্যার উত্তর পাওয়া যায়নি। দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রোটেকশন অফ ইন্টারেস্ট অফ ডিপোজিটার্স ইন ফিনান্সিয়াল এস্টাবলিশমেন্টস বিল ২০১৩ শর্ত সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পাওয়ার পর তা ২২ এপ্রিল ২০১৫ সালে রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। জেসপ ও ডানলপ অধিগ্রহণ নিয়ে বিধানসভায় পাশ হওয়া দুটি বিল রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে ২০১৬ সাল থেকে।

    আরও পড়ুুন: ‘দুবাইয়ের প্রতি তাঁর বেশি প্রেম’, মহুয়াকে টেনে অভিষেককে তীব্র কটাক্ষ করলেন সুকান্ত

    প্রিভেনশন অফ লিঞ্চিং বিল ২০২১ সালের ১৫ ডিসেম্বর রাজ্য সরকারের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও, তার উত্তর মেলেনি (CV Ananda Bose)। দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল কমিশন ফর ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস আমেন্ডমেন্ট বিল সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ২০১৯ সালের ২৩ জুলাই ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল রাজ্য সরকারের কাছে, তারও উত্তর আসেনি। বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য পদে রাজ্যপালকে সরিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বসানোর জন্য বেশ কয়েকটি বিল পাশ করা হয়েছিল ২০২২ সালে। সেগুলিকে বিচারাধীন বিল বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Sukanta Majumdar: “এই রাজভবন জনতার হয়ে উঠেছে”, রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “এই রাজভবন জনতার হয়ে উঠেছে”, রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এই রাজভবন ধীরে ধীরে জনতার রাজভবন হয়ে উঠেছে।” সোমবার এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে বিজয়ার শুভেচ্ছা জানাতে রাজভবনে গিয়েছিলেন সুকান্ত। সেখান থেকে বেরিয়ে কথা বলেন সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “এই রাজভবন ধীরে ধীরে জনতার রাজভবন হয়ে উঠেছে। রাজ্যপাল ক্রিকেট ম্যাচ থেকে শুরু করে আগামিদিনে নানা উদ্যোগ নিচ্ছেন এবং নেবেনও বলেছেন।”

    মানুষের বিপদে-আপদে রাজ্যপাল

    সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে যে রাজ্যপালকে পাওয়া যায় এদিন তাও মনে করিয়ে দেন বালুরঘাটের সাংসদ। তিনি বলেন, “বিপদের সময় ভাঙড় হোক বা কোচবিহার উনি ময়দানে নেমে মানুষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা জানার চেষ্ট করছেন। যে রাজভবন ছোট্ট একটা গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ ছিল, ধীরে ধীরে তা জনতার রাজভবন হয়ে উঠছে। রাজ্যপালকেও জনতার রাজ্যপাল হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।” তিনি বলেন, “এখন যে কেউ অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে পারছেন।”

    তৃণমূলের অভিযোগ নস্যাৎ

    আইএসএফ নেতা তথা ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীকে বিজেপি ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী হতে মদত দিচ্ছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। এদিন সেই অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, “সেখান থেকে (ডায়মন্ড হারবারে) যে কেউ প্রার্থী হতে পারেন। কিন্তু নওশাদ সিদ্দিকীকে টাকা দিয়ে বিজেপি সাহায্য করবে বলে যে অভিযোগ তৃণমূল করছে, তা ঠিক নয়।”

    আরও পড়ুুন: অভিষেকের বিরুদ্ধে প্রার্থী নওশাদ? কী বললেন সুকান্ত?

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পর সম্প্রতি রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস সম্পর্কেও কু-বাক্য-বাণ নিক্ষেপ করেছেন রাজ্যের কারামন্ত্রী তথা তৃণমূলের পূ্র্ব মেদিনীপুরের নেতা অখিল গিরি। এদিন তাই অখিলের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির এই অধ্যাপক নেতা। রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ধৃত রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও তাঁর মেয়ের সম্পত্তি বৃদ্ধি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, “ইডি বা সিবিআই এখনও পর্যন্ত যাদের গ্রেফতার করেছে বা যে সব দুর্নীতির তদন্ত করছে বা যেসব টাকা বা দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরেছে, তা তো ভুল নয়।” সুকান্ত বলেন, “মেডিকেল কলেজে বিশেষ করে আরজি করে যেভাবে দুর্নীতি চোখে পড়ে যাচ্ছে, মেডিকেলে পোস্ট গ্র্যাজুয়েটদের ক্ষেত্রেও ভর্তিতে দুর্নীতি হতে পারে বলে আমাদের কাছে অভিযোগ আসছে। সেই বিষয়টিও তুলে ধরেছি রাজ্যপালের কাছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: এবার রাজ্যপালকে কুকথা অখিলের, বোসকে চিঠি লিখে কারামন্ত্রীকে সরানোর দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: এবার রাজ্যপালকে কুকথা অখিলের, বোসকে চিঠি লিখে কারামন্ত্রীকে সরানোর দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করে ক্ষমা চেয়েছিলেন তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের কারামন্ত্রী অখিল গিরি। এবার রাজ্যপালের বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠল তাঁর বিরুদ্ধে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এ ব্যাপারে চিঠি লিখেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে। কারামন্ত্রী অখিলকে বরখাস্ত করার আবেদনও জানিয়েছেন শুভেন্দু।

    কী বলছেন কারামন্ত্রী

    তৃণমূল ছেড়ে শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগে পর্যন্ত দলে এক প্রকার ব্রাত্যই ছিলেন অখিল। পরে উজাড় গাঁয়ে তিনিই হন রাজা। তার পর থেকে একের পর এক বেফাঁস মন্তব্য করে চলেছেন তৃণমূল নেত্রীর গুডবুকে থাকতে চাওয়া অখিল। এক্স হ্যান্ডেলে অখিলের একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। সেখানে মন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, “এত হম্বিতম্বি কীসের? আমরা পারি না নাকি? আমরা পারি না? তোমার কলার ধরে তোমাকে ১০ মিনিটে জেলে ঢুকিয়ে দিতে পারি আমরা। আমরা পারি আমাদের কাছে যা কাগজ আছে। নবান্নয় যা কাগজ আছে, আমরা দেখছি। আমাদের হাতেও কাগজপত্র আছে।” অখিলের নিশানায় যে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা, তা স্পষ্ট।

    রাজ্যপালকে নিশানা অখিলের

    অখিলকে আরও বলতে শোনা যায়, “সেই জন্যই তো ১০ তারিখে আনন্দ বোস…আমরা কি আনন্দ বোস রাজ্যপালের ব্যাপারটা জানি না নাকি? কেন কুণাল ঘোষের পুজোর উদ্বোধন করতে গেছ, আমরা জানি না নাকি? হোয়াটসঅ্যাপে কী আছে তোমার? তুমি কেন ১০ তারিখে মুখ্যমন্ত্রীকে আলোচনার জন্য ডেকেছ? ১০০ দিনের কাজের কথা বলতে? আমরা জানি না! হোয়াটসঅ্যাপে কী আছে! তোমার কলঙ্ক আমরা ধরব। ছাড় পাবে না। আমাদেরও আইবি আছে, পশ্চিমবঙ্গের। আমাদেরও ফাইল রেডি।”

    রাজ্যপালকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, “আপনার অধস্তন অখিল গিরি এর আগে রাষ্ট্রপতির নামে কুকথা বলে গোটা দেশের ধিক্কারের মুখে পড়েছিলেন। তার পরেও সংশোধন করেননি নিজেকে। এবার তিনি আপনাকে আক্রমণ করে বলেছেন, আপনার হোয়াটসঅ্যাপে রহস্যজনক কিছু রয়েছে। সেই জন্যই ১০০ দিনের কাজ নিয়ে আলোচনা করতে ১০ নভেম্বর মুখ্যমন্ত্রীকে তলব করেছেন আপনি। এবার আপনার রাজ্য সরকারকে ওই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে সুপারিশ করা উচিত। রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালকে আক্রমণ করেন এমন কারও মন্ত্রী পদে থাকার অধিকার নেই। তাঁকে ওই পদ থেকে অপসারণ করা উচিত।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘জ্যোতিপ্রিয়র নির্দেশেই মন্ত্রীর সংস্থার ডিরেক্টর করা হয় মা ও স্ত্রীকে’’, দাবি প্রাক্তন আপ্ত-সহায়কের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • CV Ananda Bose: “মা দুর্গা শক্তির উৎস, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চলবে”, পুজোয় বার্তা রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “মা দুর্গা শক্তির উৎস, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চলবে”, পুজোয় বার্তা রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবাসীকে দুর্গা পুজোর শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ৷ পরিষ্কার বাংলা ভাষায় দুর্গাপুজোর আগে শান্তির বার্তা দিলেন রাজ্যপাল৷ পাশাপাশি বাংলাকে হিংসা ও দুর্নীতি মুক্ত করার কথাও বললেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান৷ সূচনা করলেন কলাক্রান্তি উৎসবের।  রাজ্যপাল বলেন, ‘‘মা দুর্গা সবাইকে শক্তি দেয়। শক্তির উৎস। কলকাতার পুজো দারুণ ব্যাপার। দারুণ ফিলিং।’’ 

    রাজ্যপালের ভিডিও বার্তা

    ভিডিও বার্তায় রাজ্যপাল বললেন, ‘‘বাংলার ভাই ও বোনেরা । আপনাদের সকলকে জানাই দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন। আসুন মা দুর্গার চরণতলে নিজেদের সমর্পণ করি। এটা হল আত্ম উপলব্ধির সময়। এই সেই সময় মা, দুর্গার শরণাপন্ন হওয়া দরকার। দুষ্টের দমন আর সৃষ্টির পালন এই আদর্শে দীক্ষিত হওয়া দরকার। আসুন আজ মা’কে সাক্ষী রেখে এই শপথগ্রহণ করি ভ্রষ্টাচারের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে। হিংসার বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম চলবে। পুরাণের কথা অনুযায়ী দুর্নীতি হল রক্তবীজ আর হিংসা হল মহিষাসুর। যেমন মা দুর্গা মহিষাসুরকে বধ করেছিলেন। আমরা সেরকম দুর্নীতিকে শেষ করব।’’

    রাজপথে রাজ্যপাল 

    দুর্গা পুজোতেও রাজভবন ছেড়ে রাজপথে নামেন রাজ্যপাল। রবিবার মূলত মণ্ডপে মণ্ডপে প্রস্তুতি কেমন, কলকাতার ট্রাফিক ব্যবস্থা কী রকম রয়েছে তা খতিয়ে দেখেন রাজ্যপাল। পৌঁছে যান কুমোরটুলিতে, সেখানে মৃৎশিল্পীদের কাজ দেখেন সি ভি আনন্দ বোস। একাধিক শিল্পীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে, তাঁদের হাতে রাজভবনের তরফে উপহারও তুলে দেন তিনি। রাজ্যপালের হাতেও, তাঁদের তৈরি মূর্তি উপহার হিসেবে তুলে দেন শিল্পী পরিবারের সদস্যরা। কুমোরটুলি থেকে বেরিয়ে রাজ্যপাল সোজা চলে যান একডালিয়া এভারগ্রিনে। দর্শনার্থীদের সঙ্গে জনসংযোগও করতে দেখা যায় রাজ্যপালকে।

    আরও পড়ুন: বাংলায় পরিবর্তন আনাই লক্ষ্য! ঝটিকা সফরে কলকাতায় এসে বললেন অমিত শাহ

    কলাক্রান্তি উৎসবের সূচনা

    দুর্গাপুজোর আবহে এদিন কলাক্রান্তি উৎসবের সূচনা করেন রাজ্যপাল। কলাক্রান্তি উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হল ভারতের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরা এবং তাঁকে লালন করা। রাজ্যাপালের কথায়, ‘‘ভারতের সেই সংস্কৃতি বিশ্বের কাছে বাংলার নেতৃত্বে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। ’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: অভিষেকদের আশ্বাস দিয়েই দিল্লির উড়ান ধরলেন রাজ্যপাল, মিলতে পারে বড় খবর

    CV Ananda Bose: অভিষেকদের আশ্বাস দিয়েই দিল্লির উড়ান ধরলেন রাজ্যপাল, মিলতে পারে বড় খবর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা চারদিন ধর্না শেষে সোমবার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজভবন সূত্রে খবর, অভিষেকদের সঙ্গে দেখা করেই ফের দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যপাল। সোমবার সন্ধের বিমানেই দিল্লি রওনা দিচ্ছেন তিনি।

    রাজভবনে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল

    এদিন বিকেল ৪টে নাগাদ অভিষেকের নেতৃত্বে ৩০জন প্রতিনিধির একটি দল যায় রাজভবনে। রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকে সাতজন ‘বঞ্চিত’ও ছিলেন বলে দাবি তৃণমূলের। ২০ লক্ষেরও বেশি চিঠি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল রাজ্যপালের গোচরে আনতে। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রাজ্যপালের বৈঠক হয়েছে মিনিট কুড়ির। বৈঠক শেষে তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যপাল পদক্ষেপ করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। রাজভবনের তরফে জারি করা বিবৃতিতেও বলা হয়েছে, রাজ্যপাল তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ ও কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের আশ্বাস দিয়েছেন। এর পরেই জানা যায়, দিল্লির উড়ান ধরতে যাচ্ছেন রাজ্যপাল।

    হাই সিকিউরিটি জোনে ধর্না

    প্রসঙ্গত, ৫ অক্টোবর থেকে রাজভবনের (CV Ananda Bose) সামনে ধর্নায় বসেছিলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজভবন চত্বর রাজ্যের অন্যতম হাই সিকিউরিটি জোন। এখানে সব সময়ই জারি থাকে ১৪৪ ধারা। তা সত্ত্বেও কীভাবে রাজভবনের সামনে তৃণমূল ধর্নায় বসেছে, সে প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজভবনের সামনে ১৪৪ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে মঞ্চ বেঁধে ধর্না চলছে, সে প্রশ্নের উত্তর চেয়ে রাজ্যকে চিঠি দেওয়া হয়েছে রাজভবনের তরফেও। 

    আরও পড়ুুন: “রাজভবনের সামনে ধর্না হলে নব মহাকরণের সামনে কেন নয়?”, প্রশ্ন আদালতের

    তার পরেও সোমবার পর্যন্ত চলেছে তৃণমূলের ধর্না। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনা ও একশো দিনের প্রকল্পের টাকা দিল্লি থেকে আদায় করতে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি করেন তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই কারণেই চলছিল ধর্না। তৃণমূল যেদিন রাজভবনের সামনে ধর্নায় বসেছিল, সেদিন রাজভবনে ছিলেন না তিনি। রাজ্যপাল গিয়েছিলেন উত্তরবঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি দেখতে। পরে কলকাতায় ফিরে এদিন দেখা করেন অভিষেকের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে। পরে রওনা দেন (CV Ananda Bose) দিল্লির উদ্দেশে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Flood: ‘‘আমি পর্যটক হলে এখানে আসা মন্ত্রীরাও পর্যটক’’, উত্তরবঙ্গে পৌঁছে তৃণমূলকে খোঁচা রাজ্যপালের

    Flood: ‘‘আমি পর্যটক হলে এখানে আসা মন্ত্রীরাও পর্যটক’’, উত্তরবঙ্গে পৌঁছে তৃণমূলকে খোঁচা রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিম্নচাপের প্রবল বৃষ্টির জেরে বন্যা (Flood) পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। দিল্লি অভিযান শেষে রাজ্যে ফিরতেই তৃণমূল সরকারের মন্ত্রীদের বন্যা পরিস্থিতি দেখতে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। স্থানীয়দের অভিযোগ, এবারও বৃষ্টির জেরে বানভাসি হওয়ার দশা তাঁদের। এমতাবস্থায় বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতি দেখতে গেলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। যথারীতি তাঁকে লক্ষ্য করে কটাক্ষ-বাণ ছুড়ল তৃণমূল। পাল্টা দিলেন রাজ্যপালও। তিনি বলেন, “আমি পর্যটক হলে তৃণমূল সরকারের মন্ত্রীরাও পর্যটক।”

    উত্তরবঙ্গে রাজ্যপাল 

    ফি বছর সামান্য বৃষ্টি কিংবা প্রতিবেশী রাজ্য সিকিমে মেঘভাঙা বৃষ্টি আর হড়পা বানের প্রভাব পড়ে উত্তরবঙ্গে। তা সত্ত্বেও বন্যা (Flood)  মোকাবিলার কোনও ব্যবস্থা তৃণমূল সরকারের আমলে করা হয়নি বলে অভিযোগ। এবারও বৃষ্টি এবং সিকিমের মেঘভাঙা বৃষ্টি আর হড়পা বানের জেরে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে উত্তরে। সেই পরিস্থিতিই খতিয়ে দেখতে দিল্লি থেকে শিলিগুড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন রাজ্যপাল। তারপরেই তৃণমূলের তরফে ধেয়ে এসেছে কটাক্ষ-বাণ।

    রাজ্যপালের তির্যক বাণ

    জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের কোনও কোনও জায়গায় অতিপ্রবল বৃষ্টি হতে পারে। তাই এই তিন জেলায় জারি করা হয়েছে রেড অ্যালার্ট। ইয়োলো অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহের কোনও কোনও জায়গায়। সেই কারণেই উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি চাক্ষুষ করতে গিয়েছেন রাজ্যপাল। তৃণমূলের ‘পর্যটক’ খোঁচার জবাবে রাজ্যপাল বলেন, “হ্যাঁ, আমি পর্যটক। বিপদগ্রস্ত মানুষদের দেখতে এসেছি। জুনিয়র অ্যাপয়েন্টি মন্ত্রীদেরও আমার সঙ্গে পর্যটকের মতো আসা উচিত ছিল।”

    আরও পড়ুুন: পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষের দুয়ারে ইডি, চলছে তল্লাশি

    উত্তরবঙ্গে যাওয়ার আগে রাজ্যপাল ফোনে কথা বলেন মুখ্যসচিব এইচকে দ্বিবেদীর সঙ্গে। তাঁর কাছ থেকে জেনে নেন রাজ্যের পরিস্থিতি। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে রাজ্যের তরফে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে ব্যাপারেও খোঁজখবর নেন তিনি। এদিন উত্তরবঙ্গে গিয়ে বেশ কয়েকজন দুর্গতের সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল। শোনেন তাঁদের অভাব-অভিযোগের কথা। এদিকে, সিকিমের পরিস্থিতি (Flood) নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছেন সাংসদ বিজেপির রাজু বিস্ত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “মন্ত্রী-মেয়র জোড়া পদে থেকে কি আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন ফিরহাদ?” চিঠি রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “মন্ত্রী-মেয়র জোড়া পদে থেকে কি আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন ফিরহাদ?” চিঠি রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার খোদ মৌচাকেই ঢিল মারলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)! ‘মন্ত্রী এবং মেয়র দুই পদে থেকেই কি আর্থিক দিক থেকে লাভবান হচ্ছেন ফিরহাদ হাকিম?’ প্রশ্ন তুলে দিলেন রাজ্যপাল। কলকাতা পুরসভা এলাকায় ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত। এমতাবস্থায় রাজ্যপালের এহেন প্রশ্ন-বাণে বিব্রত রাজ্য সরকার। রাজ্যপালের অভিযোগ, ডেঙ্গিতে মৃত অনেকের পরিবার পুরসভায় ফোন করেও মেয়রের খোঁজ পাচ্ছেন না।

    কী বলছেন রাজ্যপাল?

    রাজ্য সরকারকে লেখা চিঠিতে তিনি লিখেছেন, “পুরসভায় ফোন করলে তাঁদের বলা হচ্ছে মেয়র নবান্নে আছেন। আবার নবান্নে খোঁজ নিলে বলা হচ্ছে, পুরমন্ত্রী কলকাতা পুরসভায় রয়েছেন। …রাজভবনের পিস রুমে এনিয়ে অনেক অভিযোগ এসেছে। কলকাতায় মেয়র নিখোঁজ বলে বিজ্ঞাপনও দিতে চাইছেন অনেকে।”

    কোন অঙ্কে মন্ত্রী-মেয়র পদে ফিরহাদ?

    তৃণমূলের সংখ্যালঘু মুখ ফিরহাদ। তৃণমূল নেত্রীর খুব কাছের (CV Ananda Bose) মানুষ হিসেবে পরিচিত। মুসলমান ভোট যাতে ঘাসফুলের ঝুলিতেই পড়ে, তা নিশ্চিত করতে ফিরহাদকে করা হয় মন্ত্রী। আবার কলকাতা পুরসভা এলাকার মধ্যেই পড়ে খিদিরপুর, গার্ডেনরিচ, রাজাবাজারের মতো সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা। অতএব, ভোট কুড়োতে প্রয়োজন সংখ্যালঘু মুখের। রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশের মতে, সেই কারণেই ফিরহাদকে একই সঙ্গে বসানো হয়েছে মন্ত্রী এবং মেয়র পদে।

    রাজভবন সূত্রে খবর, রাজ্যকে পাঠানো চিঠিতে রাজ্যপাল জানতে চেয়েছেন একজন ব্যক্তি কীভাবে এরকম গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদ সামলাচ্ছেন? রাজ্যপালের প্রশ্ন, “এখানে কি অফিস অফ প্রফিটের কোনও বিষয় আছে?”  রাজ্য সরকারের তরফে এ বিষয়ে কোনও উত্তর এখনও মেলেনি। যদিও ফিরহাদ জানান, তিনি এখন দিল্লিতে রয়েছেন। কলকাতায় ফিরে সাংবাদিক বৈঠক করে সবটা জানাবেন। তিনি বলেন, “আমি কীভাবে মেয়র এবং মন্ত্রী তা আমার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানলেই হবে।”

    আরও পড়ুুন: মাথার দাম ৩ লক্ষ! দিল্লিতে গ্রেফতার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ আইএস জঙ্গি

    শেষ বর্ষায় রাজ্যে (CV Ananda Bose) ক্রমেই বাড়ছে ডেঙ্গির দাপট। গত এক সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গের ১৭টি জেলা ও স্বাস্থ্য জেলায় নতুন করে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৬১৩ জন। সব মিলিয়ে রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৬ হাজার ১৪০ জন। আক্রান্তের পাশাপাশি দীর্ঘায়িত হচ্ছে মৃতের তালিকাও। কলকাতায়ও বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। সূত্রের খবর, এমতাবস্থায় মেয়র-মন্ত্রী গিয়েছেন তৃণমূলের ধর্না কর্মসূচিতে যোগ দিতে।

    জনসেবার চেয়ে পার্টিসেবাই অগ্রাধিকারের তালিকায় ঠাঁই পেল ফিরহাদের!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • CV Ananda Bose: পুজোয় এবার নবান্ন বনাম রাজভবন! ‘দুর্গা ভারত সম্মান’ দেবেন রাজ্যপাল, কারা পাবেন?

    CV Ananda Bose: পুজোয় এবার নবান্ন বনাম রাজভবন! ‘দুর্গা ভারত সম্মান’ দেবেন রাজ্যপাল, কারা পাবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজভবন-নবান্নর দ্বৈরথ ফের অন্য মাত্রা পেল। এবার দুর্গাপুজো নিয়েও মমতা-রাজ্যপালের লড়াই! সেটাই দেখতে চলেছে রাজ্যবাসী। দুর্গাপুজোর সময় হয়েছে। দুর্গাপুজোর জন্য বাংলার বিভিন্ন দুর্গাপুজোর আয়োজকদের বিশেষ সম্মান দিয়ে থাকে রাজ্য সরকার। মণ্ডপ সজ্জা থেকে প্রতিমা, বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে দুর্গাপুজোর আয়োজকদের ‘বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান’ দেয় রাজ্য সরকার। এবার বাংলার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও (CV Ananda Bose) দেবেন ‘দুর্গাভারত’ সম্মান। তবে, উপলক্ষ বাংলার দুর্গাপুজো হলেও, এই সম্মান শুধু বঙ্গবাসীদের জন্য সীমিত নয়। গোটা দেশের যে কোনও রাজ্যের কৃতীরা এই সম্মান পেতে পারেন। শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান থেকে শুরু করে গবেষণা, তথ্য-প্রযুক্তি, সমাজসেবা, বাণিজ্য, চিকিৎসা, যে-কোনও ধরনের শিল্প এবং আর বিভিন্ন ক্ষেত্রের কৃতীরা এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হতে পারেন। স্বাভাবিক ভাবেই বিষয়টি নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

    রাজভবন থেকে কী কী পুরস্কার দেওয়া হবে?

    রাজভবন থেকে ইতিমধ্যেই মনোনয়নের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কোনও ব্যক্তি বিশেষ বা নাগরিক সমাজ বা কোনও প্রতিষ্ঠান রাজভবনের এই সম্মাননার জন্য মনোনয়ন করতে পারেন। মনোনয়ন পাঠানো শেষ দিন ৩০ সেপ্টেম্বর। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সমাজের বিকাশে বিশেষ উদ্যোগকে সম্মানিত করবেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। ‘দুর্গা ভারত সম্মানে’ বিভিন্ন ধরনের সম্মাননার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ‘দুর্গা ভারত পরম’ সম্মান, ‘দুর্গা ভারত’ সম্মান ও ‘দুর্গা ভারত’ পুরস্কার এই তিন ধরনের সম্মাননার ব্যবস্থা করেছে রাজভবন। পুরস্কার মূল্য হিসেবে দেওয়া হবে, এক লক্ষ,পঞ্চাশ হাজার ও ২৫ হাজার টাকা করে।

    রাজভবনের এই পুরস্কার নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা

    বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে নবান্ন-রাজভবনের দ্বন্দ্ব চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখানেই শেষ নয়, পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করেও রাজভবন-নবান্নের বিরোধ চরমে ওঠে। পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘিরে বেলাগাম অশান্তি ও পঞ্চাশ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ঝড় বয়ে যায়। তখন সরকারকে ধারাবাহিক ভাবে তীব্র আক্রমণ করেন। পালটা জবাব দেয় তৃণমূল। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নবান্নর সঙ্গে রাজভবনের মসৃণ সম্পর্ক দেখা গেলেও তা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। প্রসঙ্গত, এর আগেও একাধিক সেল চালু করেছে রাজ্যপাল রাজভবনে। কখনও ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ জানানোর জন্য ‘আমনে সামনে’ পদক্ষেপ, আবার কখনও গ্রিভান্স সেলও চালু করেছেন রাজ্যপাল। সম্প্রতি, আমেরিকা সফরে যাওয়ার কথা থাকলেও ডেঙ্গি পরিস্থিতি এবং রাজ্যের আর্থিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে সেই সফর বাতিল করেছিলেন রাজ্যপাল। আর এবার দুর্গাপুজোকে মাথায় রেখে এই বিশেষ সম্মান রাজনৈতিকভাবে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলার শ্রেষ্ঠ উৎসব উদযাপনে শামিল হতে চায় রাজভবনও। ফলে, বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব নিয়েও স্নায়ু যুদ্ধ শুরু হল বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। কারণ, রাজভবনের তরফে এমন উদ্যোগ আগে কখনওই নেওয়া হয়নি। চলতি বছরের রাজভবনের এই উদ্যোগ নবান্ন টক্কর দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে। রাজভবনের এই পুরস্কার নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: বিদেশ যাচ্ছেন রাজ্যপাল! কেন, উপাচার্যদের কী বললেন আচার্য?

    CV Ananda Bose: বিদেশ যাচ্ছেন রাজ্যপাল! কেন, উপাচার্যদের কী বললেন আচার্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকটি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে মউ করতে চলেছেন রাজ্যপাল তথা আচার্য সিভি আনন্দ বোস। রাজভবনে উপাচার্যদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠকে সে কথা জানালেন তিনি। একই সঙ্গে কোনও কিছুতে কান না দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে উপাচার্যদের কাজ করে যেতে বললেন আচার্য। রবিবার রাজভবনে গবেষণা ও পঠন-পাঠন নিয়ে দীর্ঘ দু’ঘণ্টা উপাচার্যদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠক করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। 

    কী নির্দেশ রাজ্যপালের

    সূত্রের খবর, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কী সমস্যা, উপাচার্যদের কাছে জানতে চান আচার্য সিভি আনন্দ বোস। বিশ্বস্তরে বাংলার শিক্ষাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যান, এমনও বার্তা দেন উপাচার্যদের। এদিন মাতৃভাষায় পড়াশোনার উপর জোর দেন আচার্য। একইসঙ্গে সিভি আনন্দ বোস বলেন, এবার থেকে প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যান্টি র‌্যাগিং কমিটি কাজ করছে কি না, তা তিনিই তদারকি করবেন। আলাদা আলাদা করে প্রত্যেক উপাচার্যের কাছ থেকে সমস্যার কথা শোনেন তিনি। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গেও ভার্চুয়াল কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা হয় তাঁর। রাজ্যপাল নির্দেশ দেন, প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ঠিক সময়ে যেন ভর্তির ব্যবস্থা হয় ও পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশিত হয়।

    বিদেশ সফরে রাজ্যপাল

    বিদেশের কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এখনও পর্যন্ত রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মৌ স্বাক্ষরিত হচ্ছে? বিশ্ববিদ্যালয় ধরে ধরে এদিন তা পর্যালোচনা করেন রাজ্যপাল। বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে গবেষণা ও পঠন-পাঠনের জন্য গত জুন মাসে শেষের দিকেই “কলকাতা কমিটমেন্ট” চালু করেছিলেন রাজ্যপাল। তার লক্ষ্যপূরণে কতটা এগোতে পারল বিশ্ববিদ্যালয়গুলি, তা এদিন উপাচার্যদের থেকে জানতে চান রাজ্যপাল। তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে অ্যাকাডেমিক এক্সিলেন্সে নিয়ে যেতে হবে। যে কোনও অভিযোগ এলেই তার নিষ্পত্তি দ্রুত করতে হবে। চলতি সপ্তাহে আপনাদের সঙ্গে আরও একবার আলোচনা করব। যে কোনও সমস্যা হলে আপনারা রাজভবনের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। রাজভবন সব সময় আপনাদের সঙ্গে রয়েছে।”

    আরও পড়ুন: দমদমে ফের এক বৃদ্ধার মৃত্যু! “সমাজবিরোধীদের মতোই রাজ্যে ভয়মুক্ত ডেঙ্গি”, দাবি বিজেপির

    মঙ্গলবারই বিদেশ সফরে উড়ে যাচ্ছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যপাল বলেন, ‘আমি কয়েকদিনের জন্য বিদেশে যাচ্ছি। ইউএন সিকিউরিটি জেনারেলের আমন্ত্রণে যাচ্ছি। সেখানে বৈঠক হবে আমার। কয়েকটি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে যাব আমি। মউ করা হবে। আমি ২ বা ৩ তারিখেই ফিরে আসব।’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ‘‘সংবিধানকে অসম্মান করা হচ্ছে’’! রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে তোপ রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: ‘‘সংবিধানকে অসম্মান করা হচ্ছে’’! রাজ্যের নেতা-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে তোপ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মন্ত্রীদের বোঝা উচিত কোন ভাষার প্রয়োগ করলে দেশের সংবিধানকে অশ্রদ্ধা করা হয়।  পত্র–রহস্য নিয়ে জল্পনার মধ্যেই এই মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাত এখন চরমে। রাজ্যপালকে আক্রমণ করতে গিয়ে শব্দবন্ধের শালীনতা অতিক্রম করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তাঁর আক্রমণে উঠে এসেছে ‘রক্তচোষা রাক্ষসের’ মতো শব্দবন্ধও। রাজ্যের মন্ত্রীদের এহেন আক্রমণকে ভালো চোখে দেখছেন না রাজ্যপাল। শালীনতা বজায় রেখে সংবিধানকে সম্মান জানানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। 

    কী বললেন রাজ্যপাল

    রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেন, “মন্ত্রীদের বোঝা উচিত যে এরকম আক্রমণে ভারতের সংবিধানের অসম্মান হচ্ছে। তাঁরা তাঁদের মন্ত্রিসভার সহকর্মীদের এসবের জন্য দায়ী করছেন। তাঁরা যখন সাংবিধানিক প্রধান সম্পর্কে অসংসদীয় মন্তব্য করেন, তখন তাঁরা মন্ত্রী পরিষদে তাঁদের দলের নেতাকেও অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন।” রাজ্যপালের ‘গোপন চিঠি’ নিয়ে গুঞ্জন সর্বত্র।  গুঞ্জন শুরু হয়েছে, রাজ্যের বিরুদ্ধে কেন্দ্রের কাছে কড়া নালিশ করেছেন রাজ্যপাল। রাজ্যের কাছে নালিশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ থেকে একাধিক বিলে স্বাক্ষর না করার জেরে দূরত্ব বেড়েছে। 

    আরও পড়ুুন: মোদির সঙ্গে সেলফি তুললেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী, ‘জি২০ সম্মেলন সফল’, জানালেন আলবানিজ

    রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রীর বাদানুবাদ অন্যমাত্রা নিয়েছে গত কয়েকদিনে। রাজ্যের সঙ্গে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে উপাচার্য নিয়োগ। মর্জি মতো রাজ্যপাল তথা আচার্য একের পর এক অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ করে যাচ্ছেন বলে আক্রমণ করেছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীও। রাজ্যপালের উত্তর, একাধিক মামলায় সরকারকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বায়ত্তশাসন বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনের ধারণা বলবৎ করা প্রয়োজনীয়। কিছু রাষ্ট্রীয় আইন থাকতে পারে যা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির প্রশাসনে হস্তক্ষেপ বা হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা বা কর্তৃত্ব রাজ্য সরকারকে দেয়। তবে হস্তক্ষেপের নামে কোনও রাজ্য সরকার আর্থিক ফান্ডিং বন্ধ করলে সেটা অসাংবিধানিক। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে অনুমোদন এসেছে, সেটা বিচার করেই অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share