Tag: CV Ananda Bose

CV Ananda Bose

  • CV Ananda Bose: “শেষ পর্যন্ত লড়ব…”! মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বাংলা ভাষাতেই বিস্ফোরক বিবৃতি রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “শেষ পর্যন্ত লড়ব…”! মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বাংলা ভাষাতেই বিস্ফোরক বিবৃতি রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রাজভবনের বাইরে ধরনায় বসার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তার পালটা দিলেন রাজ্যপাল বোস। ভিডিয়ো বার্তায় মমতার ছুড়ে দেওয়া চ্যালেঞ্জ কার্যত গ্রহণ করে নেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে দিল্লি থেকে ফিরে রাজ্যপাল বললেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী আমার সম্মানীয় সহকর্মী। তাঁকে রাজভবনে স্বাগত। তিনি রাজভবনের ভিতরে এসেই তাঁর যাবতীয় প্রতিবাদ, বিক্ষোভ দেখাতে পারেন। রাজভবনের সম্মাননীয় অতিথি হয়েই আসতে পারেন প্রতিবাদ জানাতে।’’

    কী বললেন রাজ্যপাল

    এদিন ভাঙা ভাঙা বাংলায় বলা ভিডিয়ো বার্তা প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল। তিনি বলেন, ‘কাজ করার জন্য আমি বাংলায় এসেছি। আমি রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য। নতুন প্রজন্মের বিকাশের কথা মাথা রেখে বিশ্ববিদ্যালগুলি দুর্নীতি ও হিংসামুক্ত হওয়া প্রয়োজন। আমি চাই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ভারতে সেরা হোক। আমার মতে এটা সম্ভব। কারণ আমাদের রাজ্যে মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা রয়েছেন, গুণী অধ্যাপকরা রয়েছেন। সেই কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ভারত সেরা হতে পারে।’ রাজ্যপাল বলেছেন, ‘‘শিক্ষা মাফিয়াদের একটা শিক্ষা হওয়া দরকার। ক্যাম্পাসের নরখাদকদের তাদের অপকর্মের জবাবদিহি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে মেধানাশকারী যে হিংসা চলছে, তাতে অবিলম্বে দাঁড়ি টানা দরকার।’’ মুখ্যমন্ত্রীর ধরনার হুঁশিয়ারি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বোস। রাজ্যপাল বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীকে রাজভবনের ভিতরেও স্বাগত। যা প্রতিবাদ করার বাইরে নয়, রাজভবনের ভিতরে এসে করুন।’

    আরও পড়ুন: ‘‘একুশের শতক এশিয়ার শতক’’! আসিয়ান-ইন্ডিয়া সামিটে কী বললেন মোদি?

    কেন উপাচার্য নিয়োগ

    উপাচার্য নিয়োগ প্রসঙ্গে তাঁর করা পদক্ষেপের পক্ষেও সাফাই দিয়েছেন রাজ্যপাল বোস। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলি সুষ্ঠভাবে পরিচালনার জন্য উপাচার্য থাকা প্রয়োজন। শিক্ষা দফতর উপাচার্য নিয়োগ করেছে। সুপ্রিম কোর্ট এই সিদ্ধান্তকে বেআইনি ঘোষণা করেছে। সেই কারণে উপাচার্যদের চলে যেতে হয়েছে। সেই অবস্থায় আমি অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য নিয়োগ করেছি। শিক্ষা দফতর বলল এটা ভুল এদিকে কলকাতা হাইকোর্ট বলছে এটা ঠিক। সরকার মনোনীতদের উপাচার্য নিয়োগ করতে পারিনি। কারণ কেউ দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল, কারও বিরুদ্ধে ছাত্রীকে হেনস্থা করার অভিযোগ রয়েছে। কেউ আবার রাজনৈতিক খেলা খেলছিল। এটা খুব দুঃখজনকে যে পাঁচজন উপাচার্যকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। তাঁরা আমাকে জানিয়েছে, তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা দফতরের তরফে চাপ তৈরি করা হয়েছে।’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • C V Ananda Bose: বেতন বন্ধের হুঁশিয়ারি উড়িয়ে ফের মধ্যরাতে নতুন উপাচার্য  নিয়োগ রাজ্যপালের

    C V Ananda Bose: বেতন বন্ধের হুঁশিয়ারি উড়িয়ে ফের মধ্যরাতে নতুন উপাচার্য নিয়োগ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও অন্তর্বর্তিকালীন উপাচার্য নিয়োগ করলেন আচার্য সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose)। মঙ্গলবার মধ্যরাতে রাজ্যপাল কৃষ্ণনগরের কন্যাশ্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তিকালীন উপাচার্য হিসাবে অধ্যাপক কাজল দে-কে নিয়োগ করছেন। রাজ্যপাল নিয়োগনামায় সই করছেন, তেমন একটি ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। 

    রাজ্য-রাজ্যপাল দ্বন্দ্ব

    রাজ্য শিক্ষাদফতরের সঙ্গে আলোচনা না করেই উপাচার্যহীন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অন্তবর্তীকালীন উপাচার্য নিয়োগ করে চলেছেন রাজ্যপাল বোস (C V Ananda Bose)। এই নিয়ে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত এখন চরমে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত কড়া ভাষায় রাজ্যপালকে বিঁধেছেন। গতকাল আবার কার্যত রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করেন মমতা। রাজ্যপালের কথায় যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি পরিচালিত হবে, তাদের ক্ষেত্রে ‘আর্থিক অবরোধ’ গড়ে তোলা হবে বলে প্রকাশ্যেই হুঁশিয়ারি দেন তিনি। শুধু তাই নয় প্রয়োজনে রাজভবনের সামনে ধরনায় বসবেন বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। 

    ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থেই সিদ্ধান্ত

    রাজ্যপাল যদিও সেই হুঁশিয়ারি ‘উড়িয়ে’ পূর্বের মতোই মঙ্গলবার মধ্যরাতে আবার উপাচার্য নিয়োগ করেছেন। এর ফলে রাজ্য এবং রাজভবনের সংঘাত আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রাজভবন ও বিকাশ ভবনের দ্বন্দ্ব দীর্ঘ সময় ধরে চললেও সম্প্রতি তা বড় আকার নেয়। গত ৩১ অগাস্ট রাজ্যপাল (C V Ananda Bose) ঘোষণা করেছিলেন, নতুন করে নিয়োগ না-হওয়া পর্যন্ত আচার্য হিসাবে তিনি নিজেই রাজ্যের ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বতিকালীন উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। শিক্ষাক্ষেত্রে অচলাবস্থা তিনি কোনওভাবেই  মেনে নেবেন না বলে জানান রাজ্যপাল। ছাত্রছাত্রীদের যাতে সার্টিফিকেট পেতে কোনও সমস্যায় না পড়তে হয় তার জন্যই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অভিমত বোসের।

    আরও পড়ুন: বিগ বি-কে বিশ্বকাপের ‘সোনার টিকিট’! হাতে তুলে দিলেন জয় শাহ

    অসহনীয় মনোভাব 

    ঘটনাচক্রে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবারই শিক্ষক দিবসের এক অনুষ্ঠানে রাজ্যপালের নাম না-করে তাঁর এই সাম্প্রতিক কালের উপাচার্য নিয়োগ এবং একাধিক নির্দেশনামা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারদের বিকাশ ভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে। তাই তাঁদের চিঠি পাঠানো হয়েছে। কারণ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose) জানিয়েছিলেন, উপাচার্যের কথাই শুনে চলতে হবে। অন্যান্য আধিকারিকরা রাজ্য সরকারের কথা শুনতে বাধ্য নন। তারপরই এমন বৈঠক বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এমন আবহে মাঝরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ আবার রাজ্য সরকারের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া বলে মনে করা হচ্ছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee On University: আর্থিক অবরোধের হুমকি মমতার, “বেতন বন্ধ করে দেখান”, পাল্টা শুভেন্দু  

    Mamata Banerjee On University: আর্থিক অবরোধের হুমকি মমতার, “বেতন বন্ধ করে দেখান”, পাল্টা শুভেন্দু  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কোনও বিশ্ববিদ্যালয় রাজ্যপালের নির্দেশ মেনে চললে আর্থিক অবরোধ তৈরি করবে রাজ্য সরকার।” মঙ্গলবার কথাগুলি বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee On University)। এদিনই তাঁকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “বেতন বন্ধ করে দেখান!” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাজ্যপালের নিয়োগ করা এক উপাচার্যের বেতন বন্ধ করে আদালতে গিয়ে মুখ পুড়িয়েছিল রাজ্য সরকার। তাই এবার আর্থিক অবরোধের হুমকি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

    রাজভবন নবান্ন সংঘাত

    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্য সরকারের দ্বন্দ্ব চরমে। ইচ্ছে মতো উপাচার্য নিয়োগ করে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপমান করেছেন বলে সোমবারই অভিযোগ করেছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। মঙ্গলবার আর্থিক অবরোধের হুমকি দিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার স্বার্থে রাজভবনের সামনে তিনি ধর্নায় বসতে পারেন বলেও ঘোষণা করেন মমতা।

    মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

    এদিন ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee On University) বলেন, “শিক্ষা ব্যবস্থাকে স্তব্ধ করিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করছেন রাজ্যপাল। আমরা এই চক্রান্ত মানব না। উনি কী ভাবছেন? মুখ্যমন্ত্রীর থেকেও বড়? সে উনি বড় হতেই পারেন। আমি বলে দিচ্ছি, এই যদি চলতে থাকে, তাহলে অর্থনৈতিক বাধা তৈরি করব। দেখি কে চালায়।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কোনও বিশ্ববিদ্যালয় ওঁর নির্দেশ মেনে চললে আর্থিক বাধা তৈরি করব। বেতন কে দেয়? মনে রাখবেন, আপনি যে রাজভবনে বসে রয়েছেন, তার টাকাটাও আমরা দিই। ফ্যানের খরচ, প্লেনের ভাড়া সব জনগণের।” মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee On University) বলেন, “মধ্যরাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ হয়ে গেল। কেরলের একজন আইপিএসকে উপাচার্য করা হয়েছে। রবীন্দ্রভারতীতে একজন বিচারপতিকে উপাচার্য করে দিয়েছেন। এই চক্রান্ত আমরা মানব না।” হুঁশিয়ারি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কেরল থেকে এনে অধ্যাপক করবেন, ডিন করবেন ঠিক আছে। সব বিল আটকে রাখবেন। আমরা বারবার পাঠিয়ে রেখেছি। বাধ্য হলে রাজভবনের সামনে ধর্না দেব।”

    আরও পড়ুুন: সংসদের বিশেষ অধিবেশনেই বদলে যাচ্ছে দেশের নাম, ইন্ডিয়া হবে ভারত?

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, “রাজ্যপাল যা করেছেন, আইন মেনেই করেছেন। এরা বেআইনি করেছিল বলেই কোর্টে হেরেছে। সুপ্রিম কোর্টেও গিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট কোনও স্থগিতাদেশ না দেওয়ায় রাজ্যপাল যা করছেন, তা আইন মেনেই করছেন।” রাজ্যপালের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আইন অনুসারে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।” মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee On University) আর্থিক অবরোধের হুমকি প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “রাজ্যপালের নিয়োগ করা একজন উপাচার্যের বেতন বন্ধ করে দিয়েছিলেন। হাইকোর্টে দুটো কান একেবারে মুড়ে দিয়েছেন। তার পরেই বেতন দিয়েছেন। যদি মমতা ব্যানার্জির কোমরে জোর থাকে, তাহলে তিনি বেতনটা বন্ধ করে দেখান। বাকি কাজটা আমরা করব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • CV Ananda Bose: ফের রাজ্য-রাজভবন দ্বন্দ্ব! ১৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য মনোনয়ন রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: ফের রাজ্য-রাজভবন দ্বন্দ্ব! ১৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য মনোনয়ন রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংঘাতের আবহেই একই সঙ্গে ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য ঠিক করে দিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (Governor CV Ananda Bose)। কয়েক দিন আগে এর মধ্যে ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বতী উপাচার্য হিসেবে নিজেই দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। রাজভবন সূত্রের খবর, ওই ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়-সহ কল্যাণী বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেলগাছিয়ার পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী ও মৎস্যবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়েরও অন্তর্বর্তী উপাচার্য মনোনয়ন করেছেন তিনি। 

    রাজভবনের নয়া বিজ্ঞপ্তি

    রাজভবনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী উপাচার্যই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিকিউটিভ অফিসার। উপাচার্যর নির্দেশেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজকর্ম পরিচালিত হবে। রেজিস্ট্রার-সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিকারিকরা, উপাচার্যর নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করবেন। উপাচার্যর সম্মতি ছাড়া, সরাসরি রাজ্য সরকারের কোনও নির্দেশ মানতে বা কার্যকর করতে তাঁরা বাধ্য নন। দীর্ঘদিন ধরে উপাচার্যহীন থাকায় প্রশাসনিক কাজ আটকে ছিল এই সব বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে। পড়ুয়ারাও ডিগ্রির সার্টিফিকেট পাচ্ছিলেন না বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেইসব বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজ্যপাল তথা আচার্য সিভি আনন্দ বোস উপাচার্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে রাজভবন থেকে জানানো হয়েছিল। তারই মাঝে রবিবার এই নিয়োগের খবর সামনে আসে।  

    আরও পড়ুন: কর্তৃপক্ষের ভূমিকায় কি অসন্তুষ্ট! সোমবারই যাদবপুরে আসছে ইউজিসির প্রতিনিধি দল

    রাজ্যপালের যুক্তি

    রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির পরিচালনাকে সামনে রেখে গত কয়েকদিনে বারবার রাজ্য ও রাজভবনের মধ্যে সংঘাতের ছবিটা প্রকট হয়েছে। রাজভবন একটি নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়েছে, আচার্যর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বভৌম অধিকর্তা উপাচার্য। তাঁর নির্দেশই শেষ কথা। এ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় রবিবার এর ব্যাখ্যাও দেন রাজ্যপাল। তাঁর বক্তব্য, ‘‘এটা আচার্যের নির্দেশিকা নয়। সংবিধান, ইউজিসি আইন এবং সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের ভিত্তিতে এটি তৈরি করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের স্বায়ত্তশাসন, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন অত্যন্ত পবিত্র বিষয় এবং সকলকেই তার সম্মান করতে হবে।’’ আচার্য-উপাচার্য বিতর্ক নিয়েও এ দিন মুখ খুলে রাজ্যপাল বলেন, ‘‘আচার্য উপাচার্য হিসেবে কাজ করেননি, করবেন না, করতে পারেন না এবং করা উচিত নয়। কিছু ক্ষেত্রে যেখানে পড়ুয়ারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রির শংসাপত্র পেতে সমস্যায় পড়েছেন, যার ফলে তাঁরা চাকরি পর্যন্ত হারাতে পারেন, আমি বলেছিলাম, শুধুমাত্র সেই সব ক্ষেত্রে, শিক্ষার্থীদের সাহায্যের জন্য আচার্য হস্তক্ষেপ করবেন এবং শংসাপত্রগুলি ছাড়ার ব্যবস্থা করবেন। এর বেশিও না, কমও না।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: আচার্যই উপাচার্য! ফাঁকা পদে নিজেই দায়িত্ব সামলাবেন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: আচার্যই উপাচার্য! ফাঁকা পদে নিজেই দায়িত্ব সামলাবেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নেই সেখানে পড়ুয়াদের সার্টিফিকেট–সহ অন্য কিছু পেতে আর অসুবিধা হবে না। বৃহস্পতিবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে রাজভবনের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যের যে ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে উপাচার্যহীন, সেই সব ক’টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তিকালীন উপাচার্য নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত আচার্য নিজেই সেই দায়িত্ব পালন করবেন। কার্যত এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিলেন আচার্য সিভি আনন্দ বোস।

    পড়ুয়াদের স্বার্থেই সিদ্ধান্ত

    ক্ষমতাবলে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ (CV Ananda Bose) বোসই রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য। রাজভবনের তরফে জানানো হয়েছে, উপাচার্যহীন বিশ্ববিদ্যালয়গুলির পড়ুয়াদের সমস্যার কথা মাথায় রেখে রাজ্যপালের এই সিদ্ধান্ত। রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ ঘিরে রাজ্যপালের সঙ্গে বাংলার শাসকদলের সংঘাত চলছে। এরই মধ্যে ফের বড় পদক্ষেপ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের।  পাশাপাশি, তিনি আরও এক জন অস্থায়ী উপাচার্যকে নিয়োগ করলেন। রাজকুমার কোঠারিকে পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন অন্তর্বর্তিকালীন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ করলেন রাজ্যপাল। অর্থাৎ এখন রাজ্যের মোট ১৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থায়ী উপাচার্য রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: কেঁপে উঠল চাঁদ! চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডার বিক্রম কী বার্তা দিল ইসরোকে?

    রাজভবনের নয়া বিজ্ঞপ্তি

    রাজভবনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির যে ক’টিতে উপাচার্য পদ খালি রয়েছে সেখানকার ছাত্রদের ডিগ্রি শংসাপত্র এবং অন্যান্য নথি পেতে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তাঁদের সহায়তার জন্য মাননীয় রাজ্যপাল আচার্য হিসাবে তার ক্ষমতাবলে নতুন উপাচার্য নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত এই রাজভবনের তরফে জানানো হয়েছে, amnesaamne.rajbhavankolkata@gmail.com — এই মেল আইডিতে যে কোনও সমস্যার কথা জানাতে পারবেন পড়ুয়ারা। পাশাপাশি, একটি ফোন নম্বরও দেওয়া হয়েছে। ০৩৩ ২২০০১৬৪২ নম্বরে ফোন করতে পারবেন পড়ুয়ারা। চাইলে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখাও করতে পারবেন তাঁরা। পড়ুয়াদের সমস্যার কথা জানতে মাঝেমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করবেন রাজ্যপাল, এ কথাও জানানো হয়েছে রাজভবনের তরফে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Draupadi Murmu: কলকাতায় নৌসেনার নতুন যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    Draupadi Murmu: কলকাতায় নৌসেনার নতুন যুদ্ধজাহাজের উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিশালী হলো ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। এক তারকাখচিত অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার কলকাতার গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্সে (GRSE) নৌসেনার নতুন স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেটের উদ্বোধন করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri Launch) নামের এই রণতরী ভারতীয় নৌসেনার ‘প্রজেক্ট-১৭ আলফা’ বা সংক্ষেপে ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের ষষ্ঠ জাহাজ। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী অজয় ভাট, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার সহ শীর্ষ পদাধিকারীরা। এছাড়া, উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মেয়র ফিরহাদ হাকিম, প্রাক্তন ভারত ক্রিকেট অধিনায়ক তথা প্রাক্তন বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় প্রমুখ।

    বোতাম টিপে রণতরীর শুভ-সূচনা

    এদিন বোতাম টিপে ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’কে (INS Vindhyagiri Launch) জলে ভাসিয়ে দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এর আগে, স্বস্তিক চিহ্ন এঁকে, নারকেল ফাটিয়ে ও মালা পরিয়ে জাহাজের পুজো করা হয়। সেই শুভ কাজ করেন রাষ্ট্রপতি। তার পর তিনি জাহাজটিকে জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন এবং বোতাম টিপে জাহাজের নাম ফলক প্রকাশ করেন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে দেশের জলসীমার সুরক্ষিত রাখার জন্য ভারতীয় নৌসেনার প্রশংসা করেন। সময়মতো জাহাজের নির্মাণ শেষ করার জন্য জিআরএসই কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান নৌসেনা প্রধান আর হরি কুমার। 

    ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের ষষ্ঠ জাহাজ ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’

    নৌসেনার ‘পি-১৭এ’ প্রকল্পের অধীনে সাতটি নিলগিরি-শ্রেণির (এই প্রজেক্টের প্রথম জাহাজ ‘আইএনএস নিলগিরি’-র নামে শ্রেণিভুক্ত) ৭টি স্টেলথ গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট তৈরি হচ্ছে। এর মধ্যে ৪টে নির্মিত হয়েছে মুম্বইয়ের মাজগাঁও ডকইয়ার্ডে। বাকি তিনটির নির্মাণ হয়েছে কলকাতায় গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (জিআরএসই)-তে। ‘আইএনএস বিন্ধ্যগিরি’ (INS Vindhyagiri Launch) হলো এই প্রকল্পের ষষ্ঠ তথা এখানে তৈরি হওয়া তৃতীয় তথা শেষ জাহাজ। সেই দিক থেকে কলকাতার জাহাজ নির্মাণকারী সংস্থা জিআরএসই-র মুকুটে যুক্ত হলো নতুন পালক। এর আগে, এখান থেকেই উদ্বোধন হয়েছে যথাক্রমে ‘আইএনএস হিমগিরি’ ও ‘আইএনএস দুনাগিরি’। এই দুটিই এখন সমুদ্র-ট্রায়ালে রয়েছে। সম্ভবত, চলতি মাসেই নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে ‘আইএনএস হিমগিরি’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “দুর্নীতির সঙ্গে আপস নয়”, অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যদের বৈঠকে আনন্দ-বার্তা

    CV Ananda Bose: “দুর্নীতির সঙ্গে আপস নয়”, অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যদের বৈঠকে আনন্দ-বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির সঙ্গে কোনও আপস নয়। সোমবার তাঁর নিয়োগ করা অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যদের বৈঠকে এই বার্তাই দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। এদিন সল্টলেকের মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজন করা হয়েছিল বৈঠকের। রাজ্যপাল পদাধিকার বলে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালগুলির আচার্য। সেই সূত্রেই তিনি বসেছিলেন বৈঠকে। এদিনের বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন রাজ্যপাল যে ১৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যদের নিয়োগ করেছিলেন, তাঁরাই।

    “প্রসঙ্গ: দুর্নীতি”

    সেখানেই রাজ্যপাল দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দেন, “দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক নিয়োগ করতে হবে স্বচ্ছতার সঙ্গে।” তিনি (CV Ananda Bose) বলেন, “এটা বেদনাদায়ক যে রাজ্যের একজন মন্ত্রী জেলে গিয়েছিলেন। দুর্নীতি বন্ধ করতেই হবে।” বৈঠকে রাজ্যপাল বলেন, “আমরা মুখোমুখি প্রোগ্রাম শুরু করছি। যে কোনও বিষয়ে স্কুল-কলেজ পড়ুয়ারা রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন। শুধু একটা ফোন করলেই রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করা যাবে।” ‘বেস্ট অ্যান্ড ব্রাইটেস্ট অ্যামং দ্য স্টুডন্টস’রা রাজ্যপালের ‘ডায়মন্ড গ্রুপে’ যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন বলেও জানান সিভি আনন্দ বোস।

    ‘স্টুডেন্টস এক্সচেঞ্জ’ কর্মসূচি

    আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ‘স্টুডেন্টস এক্সচেঞ্জ’ কর্মসূচির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথাও এদিন বলেছেন রাজ্যপাল। তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ হবে ‘ডু অ্যান্ড ডেয়ার’ স্লোগানে।” অ্যাকাডেমিক ইন্ডাস্ট্রি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তের কথাও এদিন জানিয়েছেন রাজ্যপাল। এদিন যেসব অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্যের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose), তাঁর মধ্যে ১২ জনের সঙ্গে ২৯ জুন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈঠক করেছিলেন তিনি। সেখানে বাংলাকে দেশের ‘এডুকেশন হাব’ করার স্বপ্নের কথাও জানিয়েছিলেন রাজ্যপাল। সোমবারের বৈঠকেও ফের সেকথা জানান তিনি।

    আরও পড়ুুন: ‘‘তাহলে মসজিদের ভিতর ত্রিশূল কেন?’’ জ্ঞানবাপী নিয়ে প্রশ্ন যোগীর

    রাজ্যপালের ভূমিকায় রাজ্য সরকার অসন্তোষ প্রকাশ করলেও, তাঁর পাশে যে বিজেপি রয়েছে, তার ইঙ্গিত মিলেছে দলের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের কথায়। তিনি বলেন, “সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থাই তো একটা খোলা বাজার হয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় মানুষের শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হয়েছেন রাজ্যপাল।” এদিনের বৈঠকে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) কথায় বারংবার উঠে এসেছে দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর আপোষহীন মনোভাবের কথার প্রসঙ্গ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে লেজেগোবরে দশা তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের। এদিন সম্ভবত ঘুরিয়ে সেদিকেই আঙুল তোলেন রাজ্যপাল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।     

  • CV Ananda Bose: “মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির চক্র চলছে…ফাঁসি হওয়া উচিত ”, বিস্ফোরক রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: “মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির চক্র চলছে…ফাঁসি হওয়া উচিত ”, বিস্ফোরক রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাজ্যে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির চক্র চলছে।” শুক্রবার এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। তাঁর অভিযোগ, মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধের ওপর নয়া লেবেল সেঁটে তা বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন এক শ্রেণির ব্যবসায়ী। মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ নিয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা চলছে বলেও মন্তব্য করেন রাজ্যপাল। তাঁর মন্তব্যে তোলপাড় রাজ্য। অভিযোগের তদন্ত হবে বলেও আশ্বাস দেন সিভি আনন্দ বোস।

    রাজ্যপালের দাবি

    এদিন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ফার্মাকিউটিক্যাল এডুকেশন রিসার্চের একাদশতম সমাবর্তনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। ওই অনুষ্ঠানে তিনি (CV Ananda Bose) বলেন, “রাজভবনে আমার দফতরে একটি ইমেল এসেছে। সেই ইমেলে অভিযোগ করা হয়েছে রাজ্যে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির একটি চক্র চলছে। আপনাদের আশপাশে এই চক্র সক্রিয় রয়েছে। মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধে নয়া লেবেল লাগিয়ে তা বিক্রির জন্য কলকাতায় পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা কোটি কোটি টাকার ব্যবসা। নতুন ওষুধ হিসেবে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে। এই ব্যবসায় নিরীহ মানুষের জীবনহানির সম্ভাবনা রয়েছে। আমি আশ্বাস দিচ্ছি, এই অভিযোগের তদন্ত হবে। এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্তদের ফাঁসি দেওয়া উচিত।” প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কলকাতা থেকে কোটি কোটি টাকার নকল ওষুধ উদ্ধার করে ড্রাগ কন্ট্রোল ও কলকাতা পুলিশ। কলুতলা স্ট্রিটের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বাজেয়াপ্ত করা হয় ওই ওষুধ। ওই ঘটনায় অসীম সাধু নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    নিয়োগ নিয়ে রিপোর্ট তলব

    এদিকে, এবার স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ নিয়ে রিপোর্ট তলব করলেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়কে চিঠি দিয়ে এই রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের জেরেই রাজ্যপাল এই রিপোর্ট তলব করেছেন। নিয়োগ কেলেঙ্কারির মামলার জেরে প্রায় প্রতিদিনই প্রকাশ্যে আসছে নতুন নতুন তথ্য। এহেন আবহে রাজ্যপাল রিপোর্ট তলব করায় বিষয়টিতে যোগ হল বাড়তি মাত্রা।অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, সম্প্রতি নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে আশঙ্কা করে রাজ্যপালের কাছে চিঠি পাঠান কয়েকজন চিকিৎসক। তার পরেই নিয়োগ নিয়ে রিপোর্ট তলব করেন রাজ্যপাল। ওই চিকিৎসকরা রাজ্যপালকে এও জানিয়েছিলেন, স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠনপাঠন পরিচালনার ক্ষেত্রে খামতি রয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আইপ্যাক-কে ১৫২ কোটির টেন্ডার পাইয়ে দিতে দুর্নীতি করেছেন মমতা’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ফের রাজভবন-নবান্ন সংঘাত! বিধানসভার বাদল অধিবেশন নিয়ে প্রশ্ন রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: ফের রাজভবন-নবান্ন সংঘাত! বিধানসভার বাদল অধিবেশন নিয়ে প্রশ্ন রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বৃহস্পতিবার থেকে দিল্লিতে সংসদ ভবনে শুরু হয়েছে বাদল অধিবেশন। রাজ্য সরকার চাইছে আগামী ২৪ জুলাই থেকে রাজ্য বিধানসভার বাদল অধিবেশন (West Bengal State Assembly)শুরু করতে। কিন্তু রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের (Governor CV Ananda Bose) সম্মতি না মেলায় সেই অধিবেশনের উপর প্রশ্নচিহ্ন ঝুলছে। তবে প্রকাশ্যে বাদল অধিবেশন নিয়ে এখনও পর্যন্ত কেউ কোনও মন্তব্য করেননি।

    কেন এত কম সময়ের নোটিসে অধিবেশন

    সরকারি সূত্রের খবর, সোমবার, ২৪ জুলাই থেকে রাজ্য বিধানসভার বাদল অধিবেশন শুরু করতে চেয়ে রাজভবনে (Raj Bhawan)ফাইল পাঠিয়েছিল পরিষদীয় দফতর। সেই ফাইলে রাজ্যপাল অনুমোদন দিলেই সোমবার থেকে শুরু হতে পারত বিধানসভার বাদল অধিবেশন। সেই মর্মে প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছিল বিধানসভায়। কিন্তু রাজভবন প্রশ্ন তোলে, কেন এত কম সময়ের নোটিসে বিধানসভার অধিবেশন ডাকা হচ্ছে? রাজ্যপাল সেই ফাইল আটকে রেখে রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে রাজভবনে ডেকে পাঠিয়েছেন। যদি তিনি কোনও কারণে আসতে না পারেন তাহলে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে(Chief Secretary) সশরীরে রাজভবনে এসে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের(C V Anand Bose) সঙ্গে দেখা করতে হবে। কার্যত রাজ্যপাল বুঝিয়ে দিচ্ছেন তাঁর নির্দেশ না মানলে তিনি রাজ্য বিধানসভায় বর্ষাকালীন অধিবেশন বসার অনুমতি দেবেন না।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আগামী সপ্তাহে তৃণমূলের আরও একটি চুরি ফাঁস করব’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    সোমবার থেকে বিধানসভার বাদল অধিবেশন শুরু হচ্ছে ধরে নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক হবে বলে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, ২৪ জুলাই, সোমবার বিধানসভা ভবনেই বসবে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক। মন্ত্রীরা প্রচারের কাজে ব্যস্ত থাকায় পঞ্চায়েত ভোটের কারণে গত এক মাস মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়নি। তাই সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক আবার শুরু হবে বলে জানানো হয়। কিন্তু রাজভবন থেকে অধিবেশন শুরুর ফাইলটিতে অনুমোদন না দেওয়ায় বুধবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠক প্রসঙ্গে আরও একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। দ্বিতীয় বিজ্ঞপ্তিটিতে বলা হয়, ২৪ জুলাই সোমবার বিধানসভার বদলে মন্ত্রিসভার বৈঠক হবে নবান্নে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • CV Ananda Bose: দিল্লি থেকে ফিরে আজ ভোট গণনার দিনেও জেলায় জেলায় রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: দিল্লি থেকে ফিরে আজ ভোট গণনার দিনেও জেলায় জেলায় রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের (PANCHAYAT ELECTION 2023) দিনের মতোই আজ, মঙ্গলবার ভোট গণনার সময়েও জেলায় জেলায় ঘুরবেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজভবন সূত্রে খবর, দিল্লিতে শাহি-সাক্ষাত সেরে ফেরার পর আজ তিনি জেলা পরিদর্শনে বেরোবেন। কোন কোন জেলায় যাবেন তা এখনও অবধি জানা যায়নি। তবে প্রথমে তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনায় যেতে পারেন বলে খবর।

    রাজপথে রাজ্যপাল

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহর (Amit Shah) সঙ্গে দেখা করতে নয়াদিল্লিতে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। শনিবার পঞ্চায়েত ভোটে হিংসা কবলিত এলাকা ঘুরে দেখেছিলেন রাজ্যপাল। তার পর রবিবার সন্ধেয় দিল্লির উদ্দেশে রওনা হন। বাংলার পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে রিপোর্ট দিতেই তাঁর দিল্লি সফর বলে অনুমান। সোমবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ পর্ব শেষে রাজ্যপাল বলেন, ‘‘ভোরের ঠিক আগের মুহূর্তটাই সবচেয়ে অন্ধকার সময়। তবে, এই অন্ধকার টানেলের শেষ প্রান্তে আলো থাকবে।’’ শাহের সঙ্গে বৈঠক সেরে বেরিয়ে রাজ্যপাল আরও বলেন, ‘‘কনকনে শীত যদি এসেই থাকে, তবে বুঝতে হবে বসন্ত খুব বেশি দূরে নেই। আগামী দিন ভাল হবে।’’ সাংবাদিকরা রাজ্যপালকে প্রশ্ন করেছিলেন, তিনি কি বাংলায় সংবিধানের ৩৫৫ ধারা প্রয়োগের সুপারিশ করবেন। সেই প্রশ্নের কোনও জবাব রাজ্যপাল দেননি। 

    আরও পড়ুন: আজ পঞ্চায়েতের ভোট গণনা, নজরে কমিশনের ভূমিকা!

    ভোটগণনার দিনেও সতর্ক

    ইতিমধ্যেই রাজ্যে ৩৩৯ কেন্দ্রে পঞ্চায়েত ভোট গণনা শুরু হয়েছে। প্রতি কেন্দ্রে থাকছে এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ও সিসিটিভি। ভোট গণনাকে (Panchayat Election 2023 Result ) কেন্দ্র করে আজ আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা গণনাকেন্দ্রগুলিতে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে চলবে গণনা। জেলায় জেলায় এই নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে প্রস্তুতি। ভোট গণনার সময় ব্যালট পেপারের সত্যতা যাচাইয়ের উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর প্রতিটি গণনাকেন্দ্রে থাকবেন একজন করে অবজার্ভার। প্রতিটি জেলায় একজন করে বিশেষ অবজার্ভার নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি গণনাকেন্দ্রে থাকবে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়। এর দায়িত্বে থাকবে এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। সঙ্গে থাকবে প্রয়োজন মতো রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনী। এরপরেও ভোট-পরবর্তী হিংসা এড়াতে রাজপথে নামতে চলেছেন সদা সতর্ক রাজ্যপাল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share