Tag: Cyber Crime

Cyber Crime

  • Digital Arrest: সাইবার প্রতারণার নতুন ছক ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ রুখতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন কেন্দ্রের

    Digital Arrest: সাইবার প্রতারণার নতুন ছক ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ রুখতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার প্রতারণার নতুন ছক ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ (Digital Arrest) নিয়ে পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। এই সংক্রান্ত যাবতীয় ঘটনা খতিয়ে দেখার জন্য এবার উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। অভিযোগ খতিয়ে দেখে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে বলেও খবর। অমিত শাহের মন্ত্রকের তত্ত্বাবধানেই নতুন কমিটি পরিচালিত হবে। ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই ধরনের প্রতারণা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। ডিজিটাল প্রতারণা (Cyber Crime) ঠেকাতে কী ভাবে সচেতন হওয়া উচিত সেটাও জানান তিনি। তারপরেই পদক্ষেপ করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।

    কমিটির প্রধান কে

    ডিজিটাল অ্যারেস্ট (Digital Arrest)  সংক্রান্ত প্রতারণার (Cyber Crime) অভিযোগ খতিয়ে দেখতে যে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে তার মাথায় থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব। ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন সেন্টার (আই৪সি) দেশের প্রতিটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে বলে মন্ত্রক সূত্রে খবর। সাইবার অপরাধ চক্র প্রায়ই কোনও না কোনও নতুন পন্থা অবলম্বন করে। সেই ফাঁদে পা দিয়ে বিপদে পড়েন সাধারণ মানুষ। টাকা খোয়ানো থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত নথি হাতানোর মতো অপরাধ ঘটে। বর্তমানে সাইবার প্রতারকদের অন্যতম হাতিয়ার হয়ে উঠেছে ‘ডিজিটাল গ্রেফতার’। 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত ৬ হাজার ডিজিটাল অ্যারেস্টের (Digital Arrest) অভিযোগ সামনে এসেছে। এই ধরনের প্রতারণা (Cyber Crime) রুখতে বিশেষ সচেতনতা কর্মসূচি তৈরির কথা ভাবা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ডিজিটাল অ্যারেস্ট প্রতারণার অভিযোগ খতিয়ে দেখছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সাইবার উইং ৬ লক্ষেরও বেশি মোবাইল ফোন ব্লক করেছে। ওই সব ফোন ডিজিটাল অ্যারেস্ট এবং সাইবার অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এখনও পর্যন্ত সাতশোর বেশি মোবাইল অ্যাপ ব্লক করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। কড়া পদক্ষেপ করা হয়েছে কিছু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রেও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyber Crime: ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ‘ভাড়া নিয়ে’ গজিয়ে উঠেছে সাইবার প্রতারণা-চক্র, সতর্কবার্তা কেন্দ্রের

    Cyber Crime: ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ‘ভাড়া নিয়ে’ গজিয়ে উঠেছে সাইবার প্রতারণা-চক্র, সতর্কবার্তা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার জালিয়াতি (Cyber Crime) নিয়ে ফের দেশবাসীকে সতর্ক করল কেন্দ্র। অবৈধ পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে নেট দুনিয়ায় প্রতারণার জাল বুনছে অপরাধীরা। কোনও পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করার আগে ভালো করে তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (Home Ministry)। কেন্দ্রের রিপোর্ট, অনলাইনে আর্থিক লেনদেনের একাধিক বেআইনি মাধ্যম চালু করেছে প্রতারকরা, তাই সেই অ্যাকাউন্টগুলো সম্পর্কে সতর্ক থাকা উচিত। কেন্দ্রের তরফে এই অ্যাকাউন্টগুলো চিহ্নিত করার কাজ চলছে।

    তৃতীয় কোনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ব্যবহার

    অনলাইন প্রতারণার (Cyber Crime) ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়েই দেখা যায় প্রতারকরা নিজেদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে না। কারণ এতে ধরা পড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই তৃতীয় কোনও ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হয়। এগুলিকে অনেকটা ভাড়ায় নেওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বলা যায়। সম্প্রতি এই ভাড়ায় নেওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে বেআইনি ‘পেমেন্ট গেটওয়ে’ তৈরি করে ফেলেছে প্রতারকরা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনস্থ ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টার (আই৪সি) থেকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, গুজরাট পুলিশ এবং অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশ সম্প্রতি দেশের একাধিক প্রান্তে হানা দিয়েছিল। সেই অভিযান চলাকালীনই এই তথ্য গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে। মূলত সাইবার অপরাধের জন্যই এই ধরনের বেআইনি লেনদেন মাধ্যমগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে।  

    আরও পড়ুন: আখনুরে সেনা কনভয়ে হামলায় ব্যবহৃত স্টিল-বুলেট, পাল্টা অভিযানে খতম তিন জঙ্গি

    কোন ধরনের অ্যাকাউন্টের ব্যবহার

    ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন (Home Ministry) সেন্টারের তথ্য অনুসারে, প্রতিদিন প্রায় চার হাজারের আশপাশে এই ধরনের ভাড়া নেওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করছে বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সমাজমাধ্যম ব্যবহার করেই ভাড়া নেওয়ার জন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি খোঁজে প্রতারকরা। মূলত ব্যবহার হয় টেলিগ্রাম এবং ফেসবুক। কখনও ভুতুড়ে সংস্থা আবার কখনও কোনও ব্যক্তির নামে থাকা এই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি সাধারণত বিদেশ থেকে পরিচালিত হয়। প্রতারণার কাজে ব্যবহারের জন্য এগুলিকেই আগে পছন্দ করে সাইবার জালিয়াতরা। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে ‘পিস পে’, ‘আরটিএক্স পে’, ‘পোকো পে’, ‘আরপি পে’-সহ এমন আরও বেশ কিছু ভুয়ো ‘পেমেন্ট গেটওয়ে’ জালিয়াতরা ব্যবহার করছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Digital Arrest: ‘ডিজিটাল গ্রেফতার’ ফাঁদে চার মাসে ১২০ কোটি টাকা খুইয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ, উদ্বিগ্ন কেন্দ্র

    Digital Arrest: ‘ডিজিটাল গ্রেফতার’ ফাঁদে চার মাসে ১২০ কোটি টাকা খুইয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ, উদ্বিগ্ন কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার প্রতারণার এক নতুন অস্ত্র ‘ডিজিটাল গ্রেফতার’ (Digital Arrest)। সাম্প্রতিক সময়ে ‘ডিজিটাল গ্রেফতার’ যে ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, তাতে চিন্তার ভাঁজ দেখা দিয়েছে পুলিশ ও তদন্তকারী আধিকারিকদের কপালে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসেই প্রায় ১২০ কোটি টাকার প্রতারণা হয়েছে। এই নথি শুধু সরকারি হিসাবে। যে অভিযোগগুলো জমা পড়েনি, তার হিসাব যোগ করলে প্রতারণার অঙ্ক আরও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে ইতিমধ্যেই রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) তাঁর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে সকলকে সতর্ক করেছেন।

    কোন ফাঁদে কত টাকা খুইছে মানুষ

    কেন্দ্রীয় সরকারের সাইবার অপরাধ (Digital Arrest) নথিভুক্তির পোর্টাল (এনসিআরপি)-র তথ্য অনুসারে গত কয়েক বছরে সাইবার অপরাধের প্রবণতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে ৭ লাখ ৪০ হাজার অভিযোগ জমা পড়েছে। ২০২৩ সালে গোটা বছরে অভিযোগ জমা হয়েছিল সাড়ে ১৫ লাখের কিছু বেশি। ২০২২ সালে অভিযোগ জমা পড়েছিল সাড়ে ৯ লাখের কিছু বেশি। ২০২১ সালে ছিল তা ছিল সাড়ে ৪ লাখ। এই পরিসংখ্যান ক্রমশ বাড়ছে। সরকারি হিসাব অনুসারে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে ১২০ কোটি ৩০ লাখ টাকার ‘ডিজিটাল গ্রেফতার’ হয়েছে। এ ছাড়া ওই একই সময়ের মধ্যে লগ্নির টোপ দিয়ে প্রতারণা হয়েছে ২২২ কোটি ৫৪ লাখ টাকার। বন্ধুত্বের অ্যাপ থেকে প্রতারণা হয়েছে ১৩ কোটি ২৩ লাখ টাকার। পাশাপাশি, শেয়ার বাজার সংক্রান্ত সাইবার প্রতারণাতেও প্রচুর মানুষ টাকা খুইয়েছেন। ট্রেডিংয়ের টোপে ১৪২০ কোটি টাকার প্রতারণা হয়েছে চলতি বছরের প্রথম চার মাসে।

    আরও পড়ুন: সাইবার অপরাধের নতুন ফাঁদ ‘ডিজিটাল গ্রেফতারি’! সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

     সজাগ থাকার পরামর্শ

    এর মধ্যে একেবারে নতুন প্রতারণার পন্থা হল ‘ডিজিটাল গ্রেফতার’ (Digital Arrest)। নামের সঙ্গেই রয়েছে ‘গ্রেফতার’। প্রথম বার ‘ডিজিটাল গ্রেফতার’ শুনলে মনে হতেই পারে, হয়তো ডিজিটাল মাধ্যমে গ্রেফতার করা হচ্ছে। প্রতারকরাও এটাই বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু গ্রেফতারির সঙ্গে এর দূর দূরান্তেও কোনও সম্পর্ক নেই। পুরোটাই জালিয়াতি। সাইবার প্রতারণা থেকে বাঁচতে মানুষকে ভেবেচিন্তে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। ভয় না পেয়ে সজাগ থাকতে বলেছেন সকলকে। ন্যাশনাল সাইবার হেল্পলাইনে ফোন করে জানানোর পরামর্শ দেন মোদি। হেল্পলাইন নম্বরটি হল ১৯৩০। পাশাপাশি স্থানীয় থানাতেও এ বিষয়ে অভিযোগ জানানোর কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Digital Arrest: সাইবার অপরাধের নতুন ফাঁদ ‘ডিজিটাল গ্রেফতারি’! সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Digital Arrest: সাইবার অপরাধের নতুন ফাঁদ ‘ডিজিটাল গ্রেফতারি’! সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘ ‘ডিজিটাল গ্রেফতারি’ (Digital Arrest) বলে কিছু হয় না। দেশের কোনও আইনে এই ধরনের গ্রেফতারির কথা বলা নেই। এটি হল সাইবার প্রতারণার ফাঁদ।’’ রবিবার (২৭ অক্টোবর), তাঁর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে ভারতীয় নাগরিকদের এ সম্পর্কে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, সমাজের সমস্ত অংশই এই অপরাধের শিকার হয়েছে। তদন্ত সংস্থাগুলি এই সমস্যার মোকাবিলায়, সমস্ত রাজ্যর সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করছে। তবে, এই অপরাধ থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য সচেতনতা অপরিহার্য।

    কী ভাবে চলে প্রতারণা

    ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ (Digital Arrest) এর সঙ্গে সত্যিকারের গ্রেফতারির কোনও যোগ নেই। অনলাইনে জালিয়াতি চক্রের পাণ্ডাদের হাতে নতুন ‘অস্ত্র’ হয়ে উঠেছে এটি। পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রও। কীভাবে চলে এই প্রতারণা তা দেখাতে একটি ভিডিও চালান প্রধানমন্ত্রী মোদি। ওই ভিডিওর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) জানিয়েছেন, প্রথমে অপরাধীরা তাদের সম্ভাব্য শিকারদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে। তারপর, তারা তদন্তকারী সংস্থার কর্তাদের ভেক ধরে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। সাধারণ মানুষের ভয়কে তারা নিজেদের সুবিধায় কাজে লাগায়। মোদি বলেন, “ডিজিটাল অ্যারেস্ট জালিয়াতি থেকে সাবধান থাকুন। কখনও এই ধরনের তদন্তের জন্য কোনও তদন্তকারী সংস্থা ফোন বা ভিডিও কল করে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবে না।”

    কী ভাবে সুরক্ষা

    এই ধরনের প্রতারণার ফাঁদ (Digital Arrest) থেকে সুরক্ষিত থাকতে তিনটি বিষয় মাথার রাখার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। তাড়াহুড়োয় কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার বদলে ঠান্ডা মাথায় বিষয়টি বিবেচনার কথা বলেন তিনি। তাঁর কথায়— “থামুন, ভাবুন এবং তার পরে পদক্ষেপ করুন।” প্রথমত, অযথা ভয় না পেয়ে মাথা ঠান্ডা রেখে ফোনকলটি রেকর্ড করার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। সম্ভব হলে ‘স্ক্রিন রেকর্ড’ করার কথাও বলেন তিনি। দ্বিতীয়ত, মাথায় রাখতে হবে যে কোনও সরকারি তদন্তকারী সংস্থা অনলাইনে কাউকে ধমক বা হুমকি দেয় না। তৃতীয়ত, যখনই এই ধরনের কোনও ঘটনা ঘটবে, তা ন্যাশনাল সাইবার হেল্পলাইনে ফোন করে জানান। হেল্পলাইন নম্বরটি হল ১৯৩০। পাশাপাশি স্থানীয় থানাতেও এ বিষয়ে অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দেন মোদি। 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সতর্কতা

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনস্থ ইন্ডিয়ান সাইবার ক্রাইম কো-অর্ডিনেশন সেন্টার থেকে সম্প্রতি একটি অ্যাডভাইজরিও প্রকাশ করা হয়েছিল। সেখানেও বলা হয়েছিল এই ধরনের ‘ডিজিটাল গ্রেফতারি’ এক ধরনের দুর্নীতি। সাধারণ মানুষকে সজাগ থাকার পরামর্শ দিয়ে ওই অ্যাডভাইজরিতে বলা হয়েছিল, সিবিআই, পুলিশ, কাস্টমস, ইডি কিংবা বিচারক— কেউই ভিডিও কলের মাধ্যমে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cyber Crime in Mewat: হরিয়ানার নুহ পুলিশের জালে ৪২ সাইবার দুষ্কৃতী, উদ্ধার প্রচুর মোবাইল ও সিম

    Cyber Crime in Mewat: হরিয়ানার নুহ পুলিশের জালে ৪২ সাইবার দুষ্কৃতী, উদ্ধার প্রচুর মোবাইল ও সিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার অপরাধের (Cyber Crime) বিরুদ্ধে নজির গড়ল হরিয়ানার নুহ পুলিশ। পুলিশের পাতা ফাঁদে ধরা পড়েছে ৪২ জন সাইবার অপরাধী। দেশব্যাপী সাইবার প্রতারণার মামলার বিষয়ে দু’ দিনে নুহ ও মেওয়াতের (mewat) বিভিন্ন অংশে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। ধৃতদের নাম দীন মোহাম্মদ, আসিফ, আরিফ, সরফরাজ, সাকিব, ইজাজ, মুনাজির পবলে সহ আরও অনেক। পুলিশ সূত্রে খবর, গত শনিবার থেকে এই অভিযান চলে রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত। অভিযান শেষে অভিযুক্তদের কাছ থেকে ৫০টি মোবাইল, জাল আধার কার্ড (fake adhar card), প্রচুর জাল নথি, ৯০ টিরও বেশি সিম কার্ড, নগদ টাকা এবং বেশ কয়েকটি এটিএম কার্ড বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে (arrested) আইপিসি ৪১৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮ এবং ৪৭১ ধারা প্রয়োগ করে মামলা রুজু করা হয়েছে। তাদের বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগেও ১৮টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিশেষ পোর্টালের মাধ্যমে গ্রেফতার

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষ বছরের এপ্রিল মাসের পর সাইবার অপরাধীদের বিরুদ্ধে এটাই সবচেয়ে বড় অভিযান। এর আগে পুলিশ একটি অভিযানে ১৪ টি গ্রাম থেকে ৬৬ জন সাইবার প্রতারণায় অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল। সেই অভিযানের সময় ৫০০০ পুলিশ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। হরিয়ানা রাজ্যের পুলিশ একটি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টে জানিয়েছে, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের ইন্টিগ্রেটেড সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টারের (i4C) বিশেষ প্রতিবিম্ব পোর্টালের (protibimb portal) সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়েছে দুষ্কৃতীদের। পোর্টালটি এই বছর চালু হয়েছে। এটি মূলত প্রতারকদের সিম এবং আইএমইআই নম্বর রিয়েল-টাইম ভিত্তিতে চিহ্নিত করে শনাক্ত করতে সাহায্য করে।”

    পুলিশ সুপারের বক্তব্য

    এই প্রসঙ্গে হরিয়ানা রাজ্যের ডিজি শত্রুজিৎ কাপুর বলেন, “প্রতিবিম্ব পোর্টাল পুলিশকে রাজ্য জুড়ে ৫৯৪ টি সাইবার জালিয়াতির অবস্থান সম্পর্কে তথ্য দিয়েছে। এই প্রতারকদের মধ্যে ১০১ জন নুহ এবং পার্শ্ববর্তী শহর আলওয়ার এলাকায় ছিল। সন্দেহভাজনদের রিয়েল-টাইম অবস্থানের ডেটা ও তাদের ফোন নম্বরগুলি স্থানীয় পুলিশ এবং পঞ্চকুলায় অবস্থিত সাইবার ক্রাইম কেন্দ্রে দেওয়া হয়েছিল।” এই প্রসঙ্গে শত্রুজিৎ কাপুর আরও জানিয়েছেন, “ধৃতদের কাছ থেকে একাধিক সিম কার্ড এবং জাল আধার কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। তারা কতগুলি মামলায় জড়িত ছিল তা খুঁজে বের করতে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” সাইবার ক্রাইম থানার এসএইচও, ইন্সপেক্টর বিমল রাই বলেছেন, “পুলিশের যৌথ উদ্যোগে সাইবার প্রতারকদের ধরা হয়েছে। পুলিশ দৃঢ়ভাবে জানিয়েছে, এই জালিয়াতির সাথে যুক্ত আরও অপরাধীদের ধরতে এই অভিযান চলবে।” একই ভাবে নুহ পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট, নরেন্দ্র বিজার্নিয়া সাইবার অপরাধীদের জন্য কঠোর সতর্কতা জারি করেছেন।

    আরও পড়ুনঃ উত্তরবঙ্গের তিন কেন্দ্রে ঝড় তুলবেন মোদি, সভা জলপাইগুড়িতেও

    কীভাবে চলত সাইবার প্রতারণা?

    সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা ভুয়ো বিজ্ঞাপন (fake advertisement), চাকরির (fake job) ভূয়ো প্রস্তাব সহ বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করত। নুহ পুলিশের মুখপাত্র কিশান কুমার বলেছেন, “প্রতারকেরা লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে তাদের টার্গেট খুঁজত। এরপর চাকরি খুঁজতে আসা তরুণীদের ভিডিয়ো কল করে তাদের ছবি অপপ্রয়োগ করে হুমকি ও যৌন নির্যাতন করত। আর যুবকদের লোভনীয় রিটার্নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঠকানো হত।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Fraud: কোচবিহারের পুলিশ সুপারের নাম করে প্রতারণা! কৃষ্ণনগরের স্কুল শিক্ষকের অ্যাকাউন্ট সাফ করল প্রতারকরা

    Fraud: কোচবিহারের পুলিশ সুপারের নাম করে প্রতারণা! কৃষ্ণনগরের স্কুল শিক্ষকের অ্যাকাউন্ট সাফ করল প্রতারকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিত্য নতুন কৌশলের মাধ্যমে রাজ্যজুড়়ে সাধারণ মানুষের অ্যাকাউন্ট সাফ করে দিচ্ছে প্রতারকরা। দুদিন আগেই সেনা বাহিনীর নাম করে বারাকপুরে একটি ডায়াগনাস্টিক সেন্টারের দুই কর্মীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সাফ করে দিয়েছে প্রতারকরা। এরইমধ্যে আবার কোচবিহার জেলার পুলিশ সুপারের নাম ভাঙিয়ে এক স্কুল শিক্ষকের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারকরা। প্রতারিত স্কুল শিক্ষকের নাম গৌতম মণ্ডল। তাঁর বাড়ি বারাকপুর। আর তিনি নদিয়ার কৃষ্ণনগরের একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। তিনি কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে, পুলিশ- প্রশাসনের কর্তাদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে প্রতারকেরা যদি এমন প্রতারণা (Fraud) ঘটানোর সাহস পায়, সে ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ কী করবেন, উঠেছে সে প্রশ্নও।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Fraud)

    লেখালেখির সুবাদে কোচবিহারের পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য  এবং কৃষ্ণনগরের শিক্ষক গৌতম মণ্ডল পূর্ব পরিচিত। অভিযোগ, গত ৩০ অক্টোবর দ্যুতিমানের নামে বানানো মেসেঞ্জার থেকে কম দামে আসবাব ও গাড়ি কেনার দু’টি প্রস্তাব পান গৌতম। মেসেঞ্জার বার্তায় বলা হয়েছিল, এসপির বন্ধুস্থানীয় কপিল কুমার নামে সিআইএসএফের এক আধিকারিক কলকাতা থেকে হঠাৎ বদলি হয়ে কাশ্মীর চলে যাচ্ছেন। তিনি কম দামে আসবাব বিক্রি করতে চান। আপনি (গৌতম মণ্ডল) যেন সে সুযোগ হাতছাড়া না করেন। ওই মেসেজের পরে, কপিল কুমার বলে পরিচয় দিয়ে এক জন ফোন করে গৌতমবাবুকে। হোয়াটসঅ্যাপে আসবাবপত্রের ছবিও পাঠায়। পুলিশ সুপারের সঙ্গে সরাসরি ফোনে কথা না বলে গৌতমবাবু আসবাবের জন্য কৃষ্ণনগরের একটি রাষ্ট্রায়াত্ত্ব ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে ৬০,০০০ টাকা ‘ট্রান্সফার’ করেন। অভিযোগ, এরপরে, আসবাব পাঠানোর গাড়ির ‘সিকিওরিটি মানি’ হিসাবে ‘ফেরতযোগ্য ২১ হাজার টাকা চায় ‘প্রতারক’। গৌতমবাবু তাও দেন। তাঁর দাবি, এর পরে একটি গাড়ির ছবি পাঠিয়ে সেটিও কিনতে তাঁকে ‘প্ররোচিত’ করা হয়। সন্দেহ হওয়ায় সরাসরি কোচবিহারের পুলিশ সুপারকে ফোন করেন গৌতমবাবু। তারপরই প্রতারণার (Fraud) বিষয়টি তিনি জানতে পারেন।

    কী বললেন প্রতারিত শিক্ষক?

    প্রতারিত শিক্ষক গৌতমবাবু বলেন, সমস্ত বিষয়টি পুলিশকে জানাই। সব শুনে এসপি জানান, এটা সাইবার অপরাধের ঘটনা। এর আগেও পুলিশ সুপারের নামে সমাজমাধ্যমে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে প্রতারণা (Fraud) করা হয়েছে। পুলিশ সুপারের সঙ্গে ফোনে কথা না বলে টাকা দিতে গেলেন কেন? গৌতমের দাবি, কৃষ্ণনগরে একটি ফ্ল্যাট বিক্রি করলেও পুরো টাকা আমি পাইনি। সে ব্যাপারে পুলিশ সুপারের সাহায্য নেব ভেবেছিলাম।  তাই কোচবিহারের এসপির নাম করে পাঠানো মেসেজে বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছিলাম।

    কী বললেন কোচবিহারের জেলা পুলিশ সুপার?

    কোচবিহারের পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য বলেন, সাইবার অপরাধীরা দু’ভাবে প্রতারণা (Fraud) করার চেষ্টা করছে। এক, ভয় দেখিয়ে, দুই, লোভ দেখিয়ে। তাঁর বক্তব্য, আইনানুগ যা-যা ব্যবস্থা নেওয়ার সব নেওয়া হয়েছে। এ সব ক্ষেত্রে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আচমকা এমন কোনও প্রস্তাব পেলে, সঙ্গে সঙ্গে নির্দিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। তা হলেই সব স্পষ্ট হবে।

    নদিয়ার পুলিশ সুপারের কী বক্তব্য?

    কৃষ্ণনগর পুলিশ-জেলার সুপার অমরনাথ কে বলেন, সাইবার প্রতারণার অনেক অভিযোগ আমাদের কাছে জমা পড়ছে। গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে। নাগরিকদের সতর্ক করতে সচেতনতা প্রচার চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: পাহাড়ে অনলাইনে হোটেল বুক করে পর্যটক দেখছেন, তার অস্তিত্বই নেই!

    Darjeeling: পাহাড়ে অনলাইনে হোটেল বুক করে পর্যটক দেখছেন, তার অস্তিত্বই নেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইনে হোটেল বুক করে এসে পর্যটকরা দেখছেন, তাঁদের নামে সেই হোটেলে কোনও বুকিং হয়নি। আবার কোনও ক্ষেত্রে সেই হোটেলের অস্তিত্বই নেই। গত ১০ মাসে দার্জিলিং জেলা পুলিশে মোট পাঁটশোরও বেশি এ ধরনের প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তারপরেও এই প্রতারণা বন্ধ হয়নি। অভিযোগকারীদের অধিকাংশই টাকা ফেরৎ পাননি। এই সাইবার ক্রাইম প্রতারণা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

    প্রতারিত পর্যটকদের অভিজ্ঞতা

    অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম থেকে এম ভিট্টাল নামে এক ব্যক্তি গত ২৩ জুন দার্জিলিং (Darjeeling) ও গ্যাংটক ভ্রমণের পরিকল্পনা করেছিলেন। গুগল সার্চের মাধ্যমে যোগাযোগ করে তিনি ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা প্রতারিত হন। এনিয়ে তিনি গত ১৩ জুন অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি জানিয়েছেন, রাহুল রায় নামে এক ব্যক্তি ফোনে যোগাযোগ করার পর হোয়াটসঅ্যাপে সব কিছু আদান-প্রদান হয়। তারপর তার কথামতো একটি ব্যাঙ্কে ফোন-পে করে তাকে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা জমা করি। তার সব প্রমাণ রয়েছে। কিন্তু টাকা জমা দেওয়ার সাত দিন পর তার ফোনে ফোন করে পাওয়া যায়নি। এসএমএসেরও কোনও উত্তর মেলেনি। 

    গত ২৩ সেপ্টেম্বর এরকমই প্রতারণার অভিযোগ করেন তানিয়া সুলতানা। তাঁর অভিযোগ, গুগল সার্চ করে দার্জিলিংয়ে (Darjeeling) হোটেল বুক করেছিলাম। সেই মতো ফোন-পে’তে টাকা পাঠাই। কিন্তু সপরিবারে দার্জিলিঙে এসে দেখি আমাদের নামে কোনও হোটেল বুকিং হয়নি। একের পর এক অভিযোগ জমা পড়লেও পুলিশ এর কুলকিনারা করতে পারেনি। এতে দার্জিলিঙে ঘুরতে আসা নিয়ে বাইরের পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। যা দার্জিলিংয়ের পর্যটন ব্যবসাকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করেন ট্যুর অপারেটররা। পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকায় কার্যত তারা হতাশ।

    কী  বলছে পুলিশ প্রশাসন (Darjeeling)

    দার্জিলিং জেলার পুলিশ সুপার প্রবীণ প্রকাশ বলেন, বিভিন্ন সময়ে পর্যটকদের অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় হোটেল, রিসর্ট মালিকদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনায় বসে অ্যাপ ও কিউ আর কোড চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তা কার্যকর করা হয়েছে। এই অ্যাপ এবং কিউআর কোডের সাহায্যে গুগল সার্চে গিয়ে পর্যটকরা দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) হোটেল, রিসর্ট, হোমস্টে গাড়ির যাবতীয় তথ্য ও সহযোগিতা পাবেন। যে কোনও সমস্যায় প্রশাসনের সহযোগিতাও পাবেন পর্যটকরা।

    আশার আলো দেখছেন না ট্যুর অপারেটররা 

    হিমালয়ান হসপিটালিটি ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, অ্যাপ ও কিউআর কোডের সাহায্যে পর্যটকরা হোটেল সম্পর্কে তথ্য জানতে পারবেন। এ ধরনের অ্যাপে পর্যটকদের (Darjeeling) সঙ্গে প্রতারণার ঘটনা বন্ধ হবে না। সাইবার ক্রাইম শাখাকে শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyber Crime: পাকিস্তানি যোগ! ১০ দিনে ৫২জন সাইবার অপরাধীকে গ্রেফতার করল ঝাড়খণ্ড পুলিশ

    Cyber Crime: পাকিস্তানি যোগ! ১০ দিনে ৫২জন সাইবার অপরাধীকে গ্রেফতার করল ঝাড়খণ্ড পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ১০দিন ধরে পরপর অভিযান চালিয়ে সাইবার ক্রাইমে যুক্ত থাকার অভিযোগে ৫২ জনকে গ্রেফতার করেছে ঝাড়খণ্ড পুলিশ। গিরিডি, হাজারিবাগ, জামতারা অঞ্চলে এই অভিযানগুলো চালানো হয়েছিল। সীমান্তবর্তী ঝাড়খণ্ডের এই গ্রামগুলিতে অভিযান চালিয়ে আন্তর্জাতিক সাইবার চক্রেরও খোঁজ পেয়েছে পুলিশ। ওই সাইবার চক্রটি পাকিস্তান থেকে চালানো হয় বলেও অনুমান পুলিশের।

    কী বলছে পুলিশ

    ঝাড়খণ্ড পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাপের মাধ্যমে নগ্ন ভিডিয়ো কল করে প্রতারণার জাল বিস্তার করেছিল ওই দুষ্কৃতীরা। ব্যবহারকারীকে ভিডিয়ো কলের মাধ্যমে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হত। নগ্ন ভিডিয়ো কলের ছবি তুলে তা দেখিয়ে চলত লাগাতার ব্ল্যাকমেল। এ ছাড়া, সন্তানসম্ভবা মহিলাদেরও ঠকানো হত ভিন্ন কৌশলে। হাজারিবাগ পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, রবিবার অভিযান চালিয়ে বিহারের চম্পারণের বাসিন্দা সইফ রিয়াজ ওরফে শিবুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের ছাতরা ও হানতুরগঞ্জের অরবিন্দ কুমার, নীতীশ কুমার, রামান কৌশিককেও ধরেছে পুলিশ। এরা পাকিস্তানের একটি নম্বর থেকে নির্দেশ পেত সেইরকমই কাজ চলত।  

    গিরিডিতে অভিযান

     ঝাড়খণ্ডের গিরিডিতেও কয়েক জন সাইবার অপরাধীর খোঁজ পায় পুলিশ। পরিকল্পনা করে ফাঁদ পেতে তাঁদের কাছে পৌঁছে যায়। কিন্তু পুলিশ দেখেই পালানোর ফন্দি আঁটে ওই দুষ্কৃতীরা। নানা কৌশলে গ্রামের রাস্তা দিয়ে তারা ছুটছিল। পিছনে ধাওয়া করে রুদ্ধশ্বাসে ছুটছিলেন পুলিশ আধিকারিকেরাও। তবে তাঁরা কেউ পুলিশের পোশাকে ছিলেন না। সাদা পোশাকে দুষ্কৃতীদের ধরতে গিয়েছিলেন তাঁরা। ছ’জনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে নগদ ৮,২৯,৬০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। সঙ্গে ছিল ১২টি মোবাইল ফোন, ২১টি এটিএম কার্ড, ১৮টি সিম কার্ড, ১২টি ব্যাঙ্কের পাসবই, ছয়টি চেকবই, চারটি প্যান কার্ড এবং দু’টি আধার কার্ড। জামতারা অঞ্চলেও অভিযান চালিয় ৩০ জন অপরাধীকে ধরা হয়েছে বলে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: গুগল সার্চ করে দার্জিলিংয়ের হোটেল, হোম স্টে বুক করলে প্রতারিত হতে পারেন!

    Darjeeling: গুগল সার্চ করে দার্জিলিংয়ের হোটেল, হোম স্টে বুক করলে প্রতারিত হতে পারেন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দার্জিলিংয়ে ঘুরতে আসার বহুদিন আগেই দেশ-বিদেশের পর্যটকরা অনলাইনে হোটেল, হোম স্টে বুক করে থাকেন নির্ঝঞ্ঝাট এবং শান্তিপূর্ণ ভ্রমণের জন্য। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই এভাবে পর্যটকদের প্রতারিত হতে হচ্ছে। এমন ঘটনা সামনে আসার পর দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) পুলিশ সুপার প্রবীণ প্রকাশ পর্যটকদের উদ্দেশে সতর্কবাণী শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, গুগলে গিয়ে দার্জিলিং হোটেল লিখে সার্চ করলে এখানকার বিভিন্ন থাকার জায়গার ছবি সহ তথ্য পাওয়া যায়। বহু ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, গুগলের তালিকায় থাকা দার্জিলিংয়ের হোটেল, হোম স্টের নাম করে একটা প্রতারণা চক্র সক্রিয় রয়েছে। সেই তালিকায় থাকা টেলিফোন নম্বরে যোগাযোগ করার পর অনলাইনে অগ্রিম টাকা দিয়ে বুক করছেন পর্যটকরা। কিন্তু তাঁরা এসে দেখছেন, তাঁদের নামে কোনও বুকিংই হয়নি। দার্জিলিংয়ের হোটেল এবং হোম স্টে নিয়ে এভাবে সাইবার ক্রাইম চলছে। এখনও পর্যন্ত সরাসরি নির্দিষ্ট করে কোনও অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। তবে বিভিন্ন সূত্র মারফত পাওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশের নিজস্ব তদন্তে এমন ঘটনা ধরা পড়েছে। 

    (Darjeeling) তাহলে সমাধানের পথ? 

    এই প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) পুলিশ সুপারের আবেদন, গুগল সার্চ করে নয়, দার্জিলিং পুলিশের ওয়েবসাইটে গিয়ে সেখান থেকে হোটেলের নাম, নম্বর, ওয়েবসাইট, ই-মেল আইডি নিয়ে অনলাইনে হোটেল, হোম স্টে বুক করলে প্রতারিত হতে হবে না। তিনি বলেন, আমরা, দার্জিলিং পুলিশের তরফে এখানে যত হোম স্টে, হোটেল রয়েছে, তার একটি তালিকা তৈরি করেছি। সেখানে প্রতিটি হোটেল, হোম স্টে-র ফোন নম্বর, ওয়েবসাইট, ই মেইল আইডি পাওয়া যাবে। ভিডিও করে এই তালিকা আমাদের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে। www.darjeelingpolice.org এই ওয়েবসাইটে গিয়ে সার্চ করলেই দার্জিলিংয়ের হোটেল এবং হোম স্টে-র  নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যাবে।

    হোটেল ও হোম স্টে মালিকদেরও (Darjeeling) সচেতন হওয়ার আবেদন পুলিশের

    এই উদ্যোগে দার্জিলিংয়ের হোটেল এবং হোম স্টে মালিকদেরও সহযোগিতা চেয়েছেন দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, আমরা প্রত্যেক হোটেল এবং হোম স্টে মালিকদের এ ব্যাপারে সচেতন করেছি। তাঁদের আবেদন জানিয়েছে, তাঁরাও যেন নিয়মিত গুগল সার্চ করে দেখেন, তাঁদের হোম স্টে, হোটেলের ছবি ও নাম দিয়ে কেউ প্রতারণা করছে কি না। যদি এরকম ঘটনা নজরে আসে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে জানালে আমরা সাইবার ক্রাইমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cyber Crime: ১০ লক্ষ টাকা খোয়ালেন হরিয়ানার মহিলা! সাইবার প্রতারণা ঠেকাতে কী কী সাবধানতা নেবেন?

    Cyber Crime: ১০ লক্ষ টাকা খোয়ালেন হরিয়ানার মহিলা! সাইবার প্রতারণা ঠেকাতে কী কী সাবধানতা নেবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিনব পদ্ধতিতে প্রতারণা। তাতেই খোয়া গেল এক মহিলার ১০ লক্ষ টাকা। ঘটনাটি হরিয়ানার গুরুগ্রামের।

    ঠিক কীভাবে পাতা হয়েছিল প্রতারণার ফাঁদ (Cyber Crime)

    মহিলার অভিযোগ যে তাঁকে প্রথমে প্ররোচিত করা হয় ইউটিউবে ভিডিও দেখা এবং লাইক করার জন্য, এরপর প্রতারকরা তাঁকে একটি টেলিগ্রাম গ্রুপে জয়েন করায় এবং কমসময়ে বেশি টাকা রিটার্ন পাওয়ার জন্য বিনিয়োগের আবেদন জানায়। 
    শানু প্রিয়া নামে ওই মহিলার অভিযোগ, গত ১ ফেব্রুয়ারি হোয়াটসঅ্যাপে তাঁর মেসেজ আসে, অনলাইন ব্যবসাতে বিনিয়োগ করার আবেদন জানিয়ে। সেখানে আরও বলা হয়, বিনিয়োগ করলে কম সময়ে বেশি রিটার্ন পাওয়া যাবে। এরপর তাঁকে টেলিগ্রাম গ্রুপে জয়েন করানো হয়। তখন কিছু টাকার কমিশনও দেওয়া হয় ওই মহিলাকে, এতে তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতা আরও বেড়ে যায় প্রতারকদের প্রতি। এরপর ২ ফেব্রুয়ারি ভিআইপি মেম্বারশিপ দেওয়ার নামে তাঁর কাছ থেকে ৮,০০০ টাকা নেওয়া হয়। ৪ ফেব্রুয়ারি সুপার ভিআইপি মেম্বারশিপ দেওয়ার নামে আরও বেশি টাকা চাওয়া হয়। ওই মহিলা প্রতিবারই টাকা দিতে থাকেন। এইভাবে ধাপে ধাপে প্রতারকরা তাঁর কাছ থেকে ১০,৭৫,০০০ টাকা নেয়। এরপর ওই মহিলা ব্যবসার শর্ত অনুযায়ী বিনিয়োগের রিটার্ন চাইলে, তাঁকে আরও ৪ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়। তখন ওই মহিলা বোঝেন তিনি প্রতারণার (Cyber Crime)
     ফাঁদে পড়েছেন।

    পুলিশ কী বলছে

    ওই মহিলা স্থানীয় সাইবার (Cyber Crime) থানায় অভিযোগ করেন। তদন্তকারী অফিসাররা বলছেন, তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রতারকদের ব্যাঙ্ক আকাউন্টগুলি প্রিজ করার কাজ চলছে। ভারতীয় দণ্ডবিধি ৪১৯ এবং ৪২০ নং ধারা অনুসারে মামলা দায়ের হয়েছে।

    সাইবার প্রতারণার (Cyber Crime) ফাঁদে না পড়তে কী কী সাবধানতা অবলম্বন করবেন

    ১. বিশেষজ্ঞরা বলছেন কম সময়ে বেশি রিটার্নের কথা মানেই প্রতারণাষ মনে রাখবেন খুব সহজ উপায়ে টাকা রোজগার এত সহজ নয়।

    ২. অপরিচিত কাউকে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য দেবেন না।

    ৩. নিজের সোশ্যাল মিডিয়া আকাউন্টে সর্বদাই প্রাইভেসি বজায় রাখবেন।

    ৪. ইন্টারনেটে টাকা লেনদেন এড়িয়ে চলুন।

    ৫. অপরিচিত ব্যক্তির ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করবেন না।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share