Tag: Defence cooperation

  • Donald Trump: হামলার মুখে পড়লে ভারতের পাশে থাকার আশ্বাস ট্রাম্পের, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হলটা কী?

    Donald Trump: হামলার মুখে পড়লে ভারতের পাশে থাকার আশ্বাস ট্রাম্পের, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হলটা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত যদি কখনও হামলার শিকার হয়, তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার পাশে দাঁড়াবে”, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে বৈঠকের পর এমনই আশ্বাস দিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পরে করেন যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন। সেখানেই ভারতের প্রতি দৃঢ় সমর্থনের বার্তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের এহেন বার্তা থেকেই স্পষ্ট, ভারত-মার্কিন সম্পর্কের বরফ ফের গলছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে ট্রাম্পের এই মন্তব্য ভারত-আমেরিকা সম্পর্ককে নতুন করে মজবুত করারই ইঙ্গিত।

    ভারতের পাশে থাকার বার্তা (Donald Trump)

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প জানান, ভারত ও আমেরিকা এই দুই দেশের মধ্যে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা চুক্তি নেই। তা সত্ত্বেও ভারতের নিরাপত্তার প্রশ্নে আমেরিকা সাহায্য করতে প্রস্তুত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমাদের মধ্যে কোনও প্রতিরক্ষা চুক্তি নেই। কিন্তু ভারত আক্রান্ত হলে আমরা অবশ্যই সাহায্য করতে এগিয়ে আসব।” তাঁর এই মন্তব্যকে ভারতের প্রতি মার্কিন প্রশাসনের অন্যতম শক্তিশালী প্রকাশ্য নিরাপত্তা আশ্বাস হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসাও করেন ট্রাম্প। তিনি জানান, মোদি বিশ্বের অন্যতম কঠিনতম নেতা এবং সবসময় ভারতের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দেন।

    ‘উনি দেবদূতের মতো’

    ট্রাম্পের (Donald Trump) কথায়, “উনি খুবই ভদ্র মানুষ। কিন্তু অত্যন্ত কঠোর এক নেতা, যিনি সব সময় নিজের দেশের মানুষের জন্য লড়াই করেন।” তিনি বলেন, “মোদি যেমন ধীরস্থির, শান্ত এবং একই সঙ্গে কঠোর…আমি কিন্তু ওরকম নই!” ‘দেখতে দেবদূতের মতো’ এই যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে ট্রাম্পের গলায় বারবার শোনা গিয়েছে মোদি-প্রশস্তি। কথা প্রসঙ্গে এক সময় রসিকতার সুরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, মোদির শান্ত ও নম্র চেহারার আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে অত্যন্ত দৃঢ় এক নেতৃত্বের গুণ।তিনি বলেন, “উনি (প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি) দেখতে খুবই ভালো। দেখতে দারুণ লাগে, যেন সাক্ষাৎ দেবদূত। তবে, প্রয়োজনে কড়া পদক্ষেপ করতে পিছপা হন না। কিন্তু এত সুন্দর দেখতে যে সবাই চমকে যান। এমন মানুষ খুব কমই দেখা যায়। উনি ভারতীয়দের যেমন ভালবাসেন, আমেরিকাকেও ভালবাসেন। হিউস্টনে ‘হাউডি মোদি’ অনুষ্ঠান হয়েছিল। কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল স্টেডিয়াম। সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে ফের ভারত সফরে যাব কখনও”।

    স্মৃতির সুখসাগরে ডুব ট্রাম্পের

    এর পরেই স্মৃতির সুখসাগরে ডুব দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর (Donald Trump) ভারত সফরের কথা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট জানান, সেই সফরে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে দিয়েছিল দুই নেতার ব্যক্তিগত সম্পর্কের গভীরতা (PM Modi)। আবারও একবার মোদির প্রশংসা করতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, “উনি বেশ কঠোর।…তবে, একবার মানুষটির দিকে তাকান। অত্যন্ত সুন্দর দেখতে।” ট্রাম্পের (Donald Trump) এই মন্তব্যে উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যেও হাসির রোল পড়ে যায়।

    উষ্ণ বার্তা

    সম্প্রতি উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক অভিযানে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারত এবং আমেরিকা দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। ভারত সরকার ওই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং আন্তর্জাতিক জলপথে অসামরিক নৌযান ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানায়। এই ঘটনার পর ভারতকে ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ককে আরও মজবুত করার চেষ্টা বলেই মত বিশ্লেষকদের।

    সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা

    দুই দেশের শীর্ষ নেতার বৈঠকে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, সরবরাহ শৃঙ্খল, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, প্রতিরক্ষা উৎপাদন এবং উদীয়মান প্রযুক্তি নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে বলেই খবর। এছাড়াও, ভারত-আমেরিকার মধ্যে একটি বৃহত্তর বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও আলোচনা এগোচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প (PM Modi)।

    হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিম এশিয়ার সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে ভারতের উদ্বেগের কথা জানিয়ে দেন। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বার্থে হরমুজ প্রণালী সবসময় নিরাপদ ও উন্মুক্ত রাখা জরুরি।” প্রধানমন্ত্রী জানান, বিশ্বের সামুদ্রিক খাতে কর্মরত নাবিকদের প্রায় ১০ শতাংশই (Donald Trump) ভারতীয় এবং তাঁদের নিরাপত্তা ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

    আমেরিকায় ভারতের লগ্নিরও প্রশংসা

    ট্রাম্প ভারতের অর্থনৈতিক ভূমিকারও প্রশংসা করেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করছে, যা দুই দেশেরই অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করছে। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি দীর্ঘদিনের বন্ধু। তাঁর সঙ্গে আবার দেখা হওয়া খুবই আনন্দের।”

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে দুই নেতার মধ্যে শেষ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (PM Modi) হয়েছিল। পরবর্তীকালে শুল্কনীতি ও ভারত-পাকিস্তান ইস্যুতে কিছু মতপার্থক্য তৈরি হলেও, সাম্প্রতিক এই বৈঠক দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে (Donald Trump) আরও এগিয়ে নেওয়ারই বার্তা দিয়েছে বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক মহলের।

     

  • PM Modi: মোদির উপহার দেওয়া জ্যাকেট পরেই বৈঠকে স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী ফিকো, মিলল দু’জনের পোশাকের রঙও

    PM Modi: মোদির উপহার দেওয়া জ্যাকেট পরেই বৈঠকে স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী ফিকো, মিলল দু’জনের পোশাকের রঙও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর জ্যাকেটের রঙ এক! এহেন কাকতালীয় ঘটনায় যারপরনাই বিস্মিত মোদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল (Viral Video) হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার এমন এক আন্তরিক ও হাস্যরসাত্মক মুহূর্ত।  ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, দু’জনেই প্রায় একই রঙের বেইজ জ্যাকেট পরে বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।

    রঙ মিলান্তি (PM Modi)

    ভিডিওতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, “কী আশ্চর্য কাকতালীয় ঘটনা, আমাদের দু’জনের পোশাকের রঙ একেবারে মিলে গিয়েছে।” তিনি জানান, রবার্ট ফিকো যে জ্যাকেটটি পরেছেন, সেটি তিনিই তাঁকে উপহার দিয়েছিলেন। ভিডিওর ক্যাপশনেও লেখা হয়েছে, “প্রধানমন্ত্রী ফিকো আমার দেওয়া জ্যাকেটটি পরেছেন এবং কাকতালীয়ভাবে আজ আমাদের দু’জনের জ্যাকেটের রঙও একই হয়েছে।” ভিডিওতে দেখা যায়, ফিকো নীল শার্ট ও প্যান্টের সঙ্গে ভারতের ঐতিহ্যবাহী হাতাকাটা জ্যাকেট বা ‘মোদি জ্যাকেট’ স্টাইলের পোশাক পরেছেন। এই দৃশ্য নেটিজেনদের নজর কাড়ে এবং মুহূর্তেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়।

    সোশ্যাল মিডিয়া ইউজারদের মন্তব্য

    এক সোশ্যাল মিডিয়া ইউজারের মন্তব্য, “দুই দেশের সম্পর্কের জন্য এটি অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা।” আর একজন লিখেছেন, “ফিকোকে দারুণ দেশি স্মার্ট লাগছে।” অন্য এক নেটিজেনের মন্তব্য, “আগে ভারতীয় নেতারা পশ্চিমী পোশাক পরে বিদেশ সফরে যেতেন, এখন পশ্চিমী নেতারাই ভারতীয় পোশাকের (PM Modi) ধাঁচ অনুসরণ করছেন।” প্রসঙ্গত, ভারতের প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে সরকারি সফরে স্লোভাকিয়ায় রয়েছেন। ১৯৯৩ সালে চেকোস্লোভাকিয়া ভেঙে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে স্লোভাকিয়া। তার পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ওই দেশ সফরে গিয়েছেন।

    ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপ’

    এই সফরে ভারত ও স্লোভাকিয়া তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপে’ উন্নীত করেছে। পাশাপাশি অভিবাসন, ডিজিটাল প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও স্বাক্ষর করেছে দুই দেশ (Viral Video)। বৈঠক শেষে মোদি বলেন, “আন্তর্জাতিক স্তরেও ভারত ও স্লোভাকিয়া ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছে এবং (PM Modi) সব ধরনের বিরোধ ও উত্তেজনার শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষেই সহমত উভয় দেশ।”

     

  • PM Modi: ঐতিহাসিক সফরে মোদিকে বিশেষ সম্মান, ভারতীয় তেরঙায় আলোকিত স্লোভাকিয়ার ব্রাতিস্লাভা দুর্গ

    PM Modi: ঐতিহাসিক সফরে মোদিকে বিশেষ সম্মান, ভারতীয় তেরঙায় আলোকিত স্লোভাকিয়ার ব্রাতিস্লাভা দুর্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ঐতিহাসিক স্লোভাকিয়া সফর স্মরণীয় করে রাখতে ভারতীয় জাতীয় পতাকার রঙে আলোকিত করা হল ঐতিহাসিক ব্রাতিস্লাভা দুর্গকে (Bratislava Castle)। ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী স্লোভাকিয়া সফরে যাওয়ায় বিশেষ কূটনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে এই সফর।

    তেরঙায় আলোকিত স্লোভাকিয়ার ক্যাসেল (PM Modi)

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক্স হ্যান্ডেলে ব্রাতিস্লাভা ক্যাসেলের আলোকসজ্জার ছবি শেয়ার করে একে “ইতিহাসের ছোঁয়ায় উদযাপিত এক ঐতিহাসিক সফর” বলে উল্লেখ করেন। দানিউব নদীর তীরে পাহাড়চূড়ায় অবস্থিত এই বিখ্যাত দুর্গকে গেরুয়া, সাদা ও সবুজ রঙে সাজিয়ে ভারত-স্লোভাকিয়া বন্ধুত্বের উষ্ণ বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর মধ্যে ব্রাতিস্লাভা ক্যাসেলেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার বছরের ইতিহাস বহনকারী এই দুর্গ বর্তমানে স্লোভাক ন্যাশনাল মিউজিয়ামের অংশ এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।

    কূটনৈতিক মহলের বক্তব্য

    কূটনৈতিক মহলের মতে, ভারতের জাতীয় পতাকার রঙে ক্যাসেলকে আলোকিত করার সিদ্ধান্ত শুধু আনুষ্ঠানিক সম্মান নয়, বরং ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্ককে আরও গভীর করার রাজনৈতিক ও কৌশলগত বার্তাও দেয় (PM Modi)। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রথমবার ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চৌকাঠ পেরোয়। পরের বছর সেই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যার মধ্যে ভারতের রফতানি ১.৫২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং আমদানি ২৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বর্তমানে স্লোভাকিয়ায় প্রায় ১১ হাজার ভারতীয় বসবাস করেন, যা ইউক্রেনীয়দের পর দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রবাসী সম্প্রদায়। ব্রাতিস্লাভা, কোশিচে ও নিত্রার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৫০০ ভারতীয় ছাত্রছাত্রী চিকিৎসা, টেকনোলজি ও কমার্স নিয়ে পড়াশোনা করে।

    ভারত-স্লোভাকিয়ার সম্পর্ক

    এই সফরে ভারত ও স্লোভাকিয়া তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপে’ উন্নীত করেছে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি লেটার অব ইনটেন্ট সই এবং সন্ত্রাসবাদ দমনে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ন্যাটো সদস্য এবং ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পোন্নত দেশ স্লোভাকিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আগামী দিনে আরও বেশি করে কৌশলগত গুরুত্ব পাবে (Bratislava Castle)। উল্লেখ্য, রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ এবং নিউক্লিয়ার সাপ্লায়ার্স গ্রুপে ভারতের সদস্যপদের দাবিতে স্লোভাকিয়া দীর্ঘদিন ধরেই ইতিবাচক অবস্থান (PM Modi) বজায় রেখেছে।

     

  • PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া পালক, স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া পালক, স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত ভারতের প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান (National Honour) ‘দ্য অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ডাবল ক্রস (ফার্স্ট ক্লাস)’ দেওয়া হল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi)। সোমবার স্লোভাকিয়ার রাজধানী ব্রাতিস্লাভায় এক বিশেষ অনুষ্ঠানে সে দেশের প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি এই সম্মান তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর হাতে।

    মোদির পাওয়া ৩৩তম আন্তর্জাতিক সম্মান (PM Modi)

    এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাওয়া ৩৩তম আন্তর্জাতিক সম্মান, যা বিশ্বমঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক গুরুত্বের প্রতিফলন বলেই দাবি কূটনৈতিক মহলের। সম্মান গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা এক বার্তায় বলেন, এই সম্মান ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের প্রতি উৎসর্গীকৃত এবং ভারত-স্লোভাকিয়া বন্ধুত্বের দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের প্রতীক। তিনি স্লোভাকিয়ার জনগণ এবং সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই সম্মান ভারত ও স্লোভাকিয়ার জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, উষ্ণতা ও বন্ধুত্বের স্বীকৃতি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এই সম্মান অনুপ্রেরণা জোগাবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

    স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান

    উল্লেখ্য, ‘দ্য অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ডাবল ক্রস (ফার্স্ট ক্লাস)’ স্লোভাকিয়ার সর্বোচ্চ অসামরিক ও সামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মান, যা শুধুমাত্র বিদেশি নাগরিকদের দেওয়া হয়। বর্তমানে ছ’দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন ইউরোপ সফরে। এই সফরের অংশ হিসেবেই তিনি স্লোভাকিয়ায় যান। এটি কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম স্লোভাকিয়া সফর। চলতি সফরে ভারত ও স্লোভাকিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপে’ উন্নীত করেছে। সহযোগিতা বাড়াতে সই করেছে অভিবাসন, ডিজিটাল প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি (PM Modi)।

    রুটি ও নুন দিয়ে স্বাগত প্রধানমন্ত্রীকে

    প্রসঙ্গত, দু’দিনের সফরে স্লোভাকিয়ায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে পৌঁছানোর পর তাঁকে রুটি ও নুন দিয়ে স্বাগত জানান প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি। সে দেশের রীতি অনুযায়ী অতিথিদের রুটি এবং নুন দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। স্লোভাকিয়ায় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, কৌশলগত সহযোগিতা-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয় (National Honour)। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে সঙ্গে ছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্ত্রি এবং অন্য শীর্ষ আধিকারিকরা। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে আয়োজিত একটি বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচিতেও অংশ নেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এবং সে দেশের প্রেসিডেন্ট।

     

  • India France Trade Talks: বলিউডের গানে মোদির সফরকে বিশেষ ছোঁয়া মাক্রঁর, ভারত-ফ্রান্স সম্পর্ক আরও মজবুত করার বার্তা

    India France Trade Talks: বলিউডের গানে মোদির সফরকে বিশেষ ছোঁয়া মাক্রঁর, ভারত-ফ্রান্স সম্পর্ক আরও মজবুত করার বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্স সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিভিন্ন মুহূর্তকে বলিউডের ছোঁয়ায় তুলে ধরলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ। জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ‘ধুরন্ধর’-এর সুপারহিট গান ‘আরি আরি’ (Aari Aari) ব্যবহার করে একটি ভিডিও মন্তাজ প্রকাশ করেছেন তিনি। মুহূর্তের (India France Trade Talks) মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় (Modi Macron Roadmap) এই ভিডিও মন্তাজ।

    মাক্রঁর সেলফি পোস্ট (India France Trade Talks)

    নিস শহর থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তোলা একটি সেলফি পোস্ট করে মাক্রঁ শুধু লেখেন, “নিস”। এরপরেই তিনি প্রকাশ করেন সফরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ভিডিও, যেখানে দুই নেতার বৈঠক, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন সংক্রান্ত কর্মসূচি এবং কূটনৈতিক আলোচনা তুলে ধরা হয়। বলিউডের জনপ্রিয় গানের ব্যবহার আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সফরে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে বলেই দাবি আন্তর্জাতিক মহলের। এই সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল নিসের ঐতিহাসিক ভিলা কেরিলোসে মোদি-মাক্রঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। চলতি বছরে ভারত ও ফ্রান্সের সম্পর্ক ‘স্পেশাল গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’-এ উন্নীত হওয়ার পর এটাই ছিল দুই নেতার প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ।

    ‘ইনোভেশন রোডম্যাপ ২০৩০’

    বৈঠকে উভয় দেশ ‘ইনোভেশন রোডম্যাপ ২০৩০’ গ্রহণ করে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, অসামরিক পারমাণবিক শক্তি, এআই (AI), বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে সম্মত হয়েছে দুই দেশই। সফরের আর একটি বড় আকর্ষণ, ‘ভারত ইনোভেটস’ উদ্যোগের যৌথ উদ্বোধন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভারতীয় স্টার্টআপ ও উদ্ভাবকদের সঙ্গে ফরাসি ও ইউরোপীয় বিনিয়োগকারীদের সংযোগ আরও মজবুত করা হবে। একই সঙ্গে গঠন করা হচ্ছে যৌথ ভারত-ফ্রান্স এআই ওয়ার্কিং গ্রুপ, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে যৌথ গবেষণা ও উন্নয়নে কাজ করবে (India France Trade Talks)।

    ইউপিআইয়ের গ্রহণযোগ্যতাকে স্বাগত

    দুই নেতা ফ্রান্সে ভারতের ইউপিআইয়ের (UPI) ক্রমবর্ধমান গ্রহণযোগ্যতাকেও স্বাগত জানিয়েছেন। এছাড়া উদ্ভাবনভিত্তিক সহযোগিতা জোরদারে দুই দেশের মধ্যে ১৯টি নতুন চুক্তিও সই হয়েছে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় প্রচলিত ক্রেতা-বিক্রেতা সম্পর্কের বাইরে গিয়ে উন্নত সামরিক প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা প্ল্যাটফর্মের যৌথ নকশা, উন্নয়ন ও উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মহাকাশ গবেষণায় মানব মহাকাশযাত্রা ও স্পেস সিচুয়েশনাল অ্যাওয়ারনেসের মতো ক্ষেত্রেও যৌথ উদ্যোগ বাড়ানো (Modi Macron Roadmap) হবে। অসামরিক পারমাণবিক শক্তি ক্ষেত্রে ভারতের নতুন শান্তি আইন (SHANTI) ছোট ও উন্নত মড্যুলার রিয়্যাক্টর উন্নয়নে নয়া সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে বলেও জানান দুই নেতা।

    গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগ

    অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল আরও শক্তিশালী করতে বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া কানপুরে অ্যারোনটিক্স বিষয়ে একটি অত্যাধুনিক সেন্টার অব এক্সেলেন্স ফর স্কিলিং গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে প্রধানমন্ত্রী ফরাসি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ভারতের নতুন শিক্ষা নীতির আওতায় অফশোর ক্যাম্পাস তৈরির ডাক দেন। ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ফরাসি বিমানবন্দরে ভিসামুক্ত ট্রানজিট চালু করায় ফরাসিকে প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদও জানান (India France Trade Talks) তিনি। আন্তর্জাতিক ইস্যুতেও ইউক্রেন ও পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে দুই নেতা মতবিনিময় করেন। আসন্ন জি৭ সম্মেলন উপলক্ষে ভারতের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে মাক্রঁর উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। বৈঠক শেষে (Modi Macron Roadmap) প্রেসিডেন্ট মাক্রঁ প্রধানমন্ত্রী মোদির সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেন। সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আয়োজন দুই দেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত সম্পর্কেরই (India France Trade Talks) প্রতীক।

     

  • Trump: জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, মুখোমুখি বৈঠক হওয়ার কথা ট্রাম্পের সঙ্গেও

    Trump: জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, মুখোমুখি বৈঠক হওয়ার কথা ট্রাম্পের সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সে আয়োজিত জি-৭ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সম্মেলনের ফাঁকে আগামী ১৭ জুন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump) ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। হোয়াইট হাউসের এক প্রবীণ কর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জি-৭ নেতৃবৃন্দ, আমন্ত্রিত অংশীদার দেশ এবং প্রযুক্তি সংস্থার শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে যৌথ মধ্যাহ্নভোজে যোগ দেওয়ার আগে বৈঠকে (PM Modi) বসবেন মোদি-ট্রাম্প।

    মোদি-ট্রাম্প বৈঠক (Trump)

    এই বৈঠকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব, এআই (AI) এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভারত-মার্কিন বাণিজ্যিক সম্পর্ক, জ্বালানি সহযোগিতা, এইচ-ওয়ান বি (H-1B) ভিসা নীতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হতে পারে। গত বছরের ‘অপারেশন সিঁদুরে’র পর এই প্রথম দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে চলেছে মোদি-ট্রাম্পের মধ্যে। তাই সাম্প্রতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন

    সোমবার ওয়াশিংটন থেকে রওনা হয়ে ফ্রান্সে যাবেন ট্রাম্প (Trump)। জি-৭ সম্মেলনের পাশাপাশি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ-সহ বিভিন্ন বিশ্বনেতার সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। এদিকে, ইতিমধ্যেই স্লোভাকিয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে ফের ১৬ জুন ফ্রান্সে পৌঁছনোর কথা তাঁর। ১৫ থেকে ১৭ জুন ফ্রান্সের এভিয়াঁ-লে-ব্যাঁ শহরে অনুষ্ঠিত হবে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন। ফরাসি প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে এই সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এটি হবে জি-৭ সম্মেলনে তাঁর টানা সপ্তমবার অংশগ্রহণ, যেখানে ভারত ‘গ্লোবাল সাউথে’র অন্যতম প্রধান কণ্ঠস্বর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    আন্তর্জাতিক মহলের নজর

    হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এবারের জি-৭ সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অগ্রাধিকারগুলিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দেওয়া হবে (PM Modi)। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, সাপ্লাই চেন নিরাপত্তা, অবৈধ অভিবাসন মোকাবিলা এবং এআইয়ের ক্ষেত্রে উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা হবে। যদিও ট্রাম্প-মোদি বৈঠকের বিস্তারিত কর্মসূচি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, তবুও এই বৈঠকের দিকেই তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল (Trump)।

     

  • PM Modi: ‘‘ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা বুমেরাং হবে”, সতর্ক করে দিলেন পুতিন

    PM Modi: ‘‘ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টির চেষ্টা বুমেরাং হবে”, সতর্ক করে দিলেন পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি করার যে কোনও চেষ্টা শেষ পর্যন্ত বুমেরাং হবে।” শুক্রবার এমনই মন্তব্য করলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin)। ভারতের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনকে সমর্থন করেন তিনি। বলেন, “সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলির নিজেদের প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক অংশীদার বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা থাকা উচিত।” সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট জানান, ভারত সবসময় নিজের জাতীয় স্বার্থকে সামনে রেখে নীতি নির্ধারণ করেছে এবং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের কারণে বাইরের কোনও চাপ এলেও ভবিষ্যতেও তাই করবে।

    নিষেধাজ্ঞার হুমকি বুমেরাং হতে পারে (PM Modi)

    তিনি বলেন, “ভারত সবসময় একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে কাজ করে এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার হুমকি ততক্ষণাৎ বুমেরাং হয়ে যাবে।” পুতিন জানান, রাশিয়া আগে ভারতের সঙ্গে Su-57 যুদ্ধবিমান যৌথভাবে তৈরির প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু সেই সহযোগিতা বাস্তবায়িত না হওয়ায় রাশিয়া একাই বিমানটি তৈরি করে। ভারত-রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা শুধু যে কেনাবেচার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, তাও জানান পুতিন। বলেন, “আমাদের ভারতীয় বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্কের বিশেষত্ব হল পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে আমরা শুধু কেনাবেচা নয়, যৌথ গবেষণা ও উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দিই।”

    ভারত-রাশিয়া যৌথ উদ্যোগ

    উদাহরণ হিসেবে (PM Modi) তিনি ব্রহ্মোস (BrahMos) সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেন। রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, “ভারতীয় ও রুশ বিশেষজ্ঞরা শুরু থেকেই এই ক্ষেপণাস্ত্রের নকশা তৈরিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন এবং তা সফল হয়েছে।” আমেরিকা যদি ভারত Su-57 বা S-500 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কিনতে চায়, তাহলে তারা নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে কি? এই (Putin) প্রশ্নের উত্তরে পুতিন বলেন, “ভারত একটি সার্বভৌম দেশ এবং নিজেদের জন্য সবচেয়ে আধুনিক ও উপযুক্ত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা তাদের রয়েছে। অন্যরা যা-ই বলুক, ভারত সবসময় এই ভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” তিনি জানান, ভারতের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক চাপের বদলে সামরিক প্রয়োজন ও কার্যকারিতার ভিত্তিতেই নেওয়া হবে (PM Modi)।

    পুরানো সেই দিনের কথা

    পুতিন মনে করিয়ে দেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে একসময় নরেন্দ্র মোদিকে আমেরিকায় প্রবেশের ভিসা দেওয়া হয়নি। অথচ বর্তমানে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ভালোভাবেই এগিয়ে চলছে। রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা সবাই সেই সময়ের কথা মনে করি যখন প্রধানমন্ত্রী মোদির যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এখন তিনি প্রধানমন্ত্রী, সব নিষেধাজ্ঞা উঠে গিয়েছে, এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সম্পর্ক সফলভাবেই এগোচ্ছে।” তিনি জানান, মোদি নিশ্চয়ই সেই অভিজ্ঞতার কথা ভুলে যাননি এবং এই ঘটনাই প্রমাণ করে যে ভারত পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মধ্যেও নিজের স্বার্থ রক্ষা করতে পারে। ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা রাজনৈতিক পরিবর্তনের ওপর নির্ভরশীল নয় বলেও জানান পুতিন (Putin)। বলেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা, অন্য সব অংশীদারের মতোই, রাজনৈতিক পরিবেশের ওপর নির্ভর করে না। কেউ আমাদের নির্দেশ দিতে পারে না যে, ভারতের কাছে এটা সরবরাহ করো না।” রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা আমাদের অংশীদারদের, বিশেষ করে ভারতের মতো দেশের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি সবসময় রক্ষা করব (PM Modi)।”

  • India Brahmos Missile Deal: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা উপস্থিতি বাড়াতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ভারতের, জানুন বিশদে

    India Brahmos Missile Deal: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা উপস্থিতি বাড়াতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ভারতের, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিরক্ষা উপস্থিতি আরও প্রসারিত করার পথে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারত। প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং জানান, ভিয়েতনামের (Vietnam Indonesia Agreement) সঙ্গে ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের চুক্তি (India Brahmos Missile Deal) ইতিমধ্যেই স্বাক্ষরিত হয়েছে। একই রকম আরও একটি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে।

    সাংগ্রি-লা ডায়ালগ (India Brahmos Missile Deal)

    শনিবার সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত সাংগ্রি-লা ডায়ালগ (Shangri-La Dialogue)-এর ফাঁকে সাংবাদিক বৈঠকে রাজেশ জানান, হ্যানয় ইতিমধ্যেই ওই মিসাইল কেনা সংক্রান্ত চুক্তিটি সই করেছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে তা এখনও ঘোষণা করা হয়নি। ভিয়েতনামের এক প্রতিনিধির প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আমার ধারণা, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনাম—উভয় দেশের ক্ষেত্রেই চুক্তিগুলি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ভিয়েতনামের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যদিও এখনও প্রকাশ্যে ঘোষণা করা হয়নি।” প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভিয়েতনামের ক্ষেত্রে ব্রহ্মোস প্যাকেজের মূল্য প্রায় ৬,০০০ কোটি টাকা। এতে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, প্রশিক্ষণ এবং লজিস্টিক সাহায্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অগ্রগতি ভারতের একটি বড় প্রতিরক্ষা রফতানিকারী দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশের প্রচেষ্টা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

    প্রতিরক্ষা সচিবের বক্তব্য

    জানা গিয়েছে, ফিলিপিন্স ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম বিদেশি ক্রেতা। ২০২৪ সালে ম্যানিলা প্রথম ব্যাচের ক্ষেপণাস্ত্র কেনে। ২০২৫ সালের এপ্রিলে দ্বিতীয় চালান পায়। এর মাধ্যমে বৃহৎ প্রতিরক্ষা রফতানি চুক্তি বাস্তবায়নে ভারতের ক্ষমতা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে প্রতিরক্ষা সচিব জানান, ভারত আসিয়ান (ASEAN) দেশগুলির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তাদের বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে দেখে। তিনি বলেন, “আমরা আপনাদের সবাইকে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচনা করি, যাদের সঙ্গে উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ভাগ করে নেওয়া যায়।” তিনি জানান,  সাধারণত উন্নত সামরিক প্রযুক্তি কেবল সেইসব দেশের সঙ্গেই ভাগ করা হয় যাদের ওপর গভীর আস্থা এবং কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে (Vietnam Indonesia Agreement)।

    বৈশ্বিক পরিবেশে স্থিতিস্থাপকতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

    ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে উন্নত ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম কার্যকর সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলির একটি হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি কৌশলের অন্যতম প্রধান পণ্য হয়ে উঠেছে (India Brahmos Missile Deal)। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ও সামুদ্রিক প্রতিরোধক্ষমতা জোরদার করতে আগ্রহী বিভিন্ন দেশের মধ্যে ব্রহ্মোসের প্রতি আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে। সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজেশ বলেন, “ভারত এশিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য অংশের অংশীদার দেশগুলির সঙ্গে স্থিতিশীল সরবরাহ শৃঙ্খল, নির্ভরযোগ্য প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব, নিরাপদ সামুদ্রিক পরিবেশ এবং উদ্ভাবনভিত্তিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে প্রস্তুত।” তিনি জানান, বর্তমান অনিশ্চিত বৈশ্বিক পরিবেশে স্থিতিস্থাপকতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত প্রয়োজনীয়তাগুলির একটি হয়ে উঠেছে (Vietnam Indonesia Agreement)।

    দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করায় জোর

    প্রতিরক্ষা সচিবের এই ঘোষণার আগে আগেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সম্প্রতি হ্যানয় সফর করে এসেছেন। সেখানে তিনি ভিয়েতনামের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফান ভানন জিয়াংয়ের (Phan Van Giang) সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন (India Brahmos Missile Deal)। শাংরি-লা ডায়ালগের পাশাপাশি রাজেশ অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং নেদারল্যান্ডসের ঊর্ধ্বতন কর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন। এর মাধ্যমে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ইন্দো-প্যাসিফিক ও ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে প্রতিরক্ষা কূটনীতি আরও জোরদার করছে।

    ইন্ডিয়া-অস্ট্রেলিয়া কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ

    অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা সচিব মেঘান কুইন (Meghan Quinn)-এর সঙ্গে আলোচনায় উভয়পক্ষই ইন্ডিয়া-অস্ট্রেলিয়া কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ (India-Australia Comprehensive Strategic Partnership)-এর অগ্রগতি পর্যালোচনা করে। অনুসন্ধান করে নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রও। ভিয়েতনাম এবং ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য ব্রহ্মোস চুক্তিগুলি ভারতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সরবরাহকারী দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নয়াদিল্লির ক্রমবর্ধমান কৌশলগত প্রভাবের ইঙ্গিতও দিচ্ছে। মনে রাখতে হবে, এমন একটা সময়ে এই (Vietnam Indonesia Agreement) অগ্রগতি হচ্ছে, যখন অঞ্চলটিতে ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছে (India Brahmos Missile Deal)।

     

  • Vikram Misri: হোয়াইট হাউসে বৈঠক মিশ্রি-রুবিওর, আগামী মাসে ভারত সফরে মার্কিন বিদেশ সচিব

    Vikram Misri: হোয়াইট হাউসে বৈঠক মিশ্রি-রুবিওর, আগামী মাসে ভারত সফরে মার্কিন বিদেশ সচিব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও মজবুত করতে জোরদার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (Vikram Misri)। এরই প্রেক্ষিতে বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি হোয়াইট হাউসে মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওর (Marco Rubio) সঙ্গে বৈঠকে বসেন। দুই দেশের ওই বৈঠক ‘ফলপ্রসূ’ হয়েছে বলেই খবর। এই বৈঠক অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত এবং ভূরাজনৈতিক ক্ষেত্রগুলিতে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের ইঙ্গিত দেয়। বৈশ্বিক পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই আলোচনা হয়েছে, যখন সংঘাতপ্রবণ অঞ্চলে সাময়িক যুদ্ধবিরতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে উভয় দেশই তাদের কৌশলগত অগ্রাধিকার পুনর্বিন্যাস করতে চাইছে।

    আলোচনার বিষয় (Vikram Misri)

    আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করার নয়া উদ্যোগ, বিশেষ করে সাম্প্রতিক শুল্ক-সংক্রান্ত উত্তেজনার প্রেক্ষিতে। উভয় পক্ষ এখন ২০২৬ সালের একটি বাণিজ্য সমঝোতা এগিয়ে নেওয়া, বাজারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি এবং উন্নত উৎপাদন ও ডিজিটাল প্রযুক্তির মতো উদীয়মান খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার হওয়ায়, একটি স্থিতিশীল ও ভবিষ্যতমুখী অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছে। এই বৈঠকের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল গুরুত্বপূর্ণ খনিজ (critical minerals) নিয়ে সহযোগিতা, যা এখন বৈশ্বিক কৌশলগত প্রতিযোগিতায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Vikram Misri)। এই সম্পদগুলি জ্বালানি, সেমিকন্ডাক্টর এবং পরবর্তী প্রজন্মের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির জন্য অপরিহার্য। ভারত ও আমেরিকা একটি স্থিতিশীল ও বৈচিত্র্যময় সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তুলতে কাজ করছে, যাতে নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো যায় এবং দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতা

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতাও আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল, যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সমন্বয়কে প্রতিফলিত করে। উভয় দেশ যৌথ সামরিক মহড়া বাড়াচ্ছে, পারস্পরিক সামঞ্জস্য উন্নত করছে এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও প্রযুক্তি ভাগাভাগির সম্ভাবনা অনুসন্ধান করছে (Vikram Misri)। এই আলোচনা ফের একবার কোয়াড্রিল্যাটারাল সিকিউরিটি ডায়লগের গুরুত্ব তুলে ধরে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে সমর্থন করে (Marco Rubio)। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বৈঠকের সময়ও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়ায় বৃহত্তর যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপটে, উভয় দেশ উদীয়মান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেদের অবস্থান সমন্বয় করার সুযোগ পেয়েছে। জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল করা, সরবরাহ শৃঙ্খল সুরক্ষিত করা এবং সম্ভাব্য বৈশ্বিক উত্তেজনার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া—এই বিষয়গুলি আলোচনার কেন্দ্রে ছিল, যা সক্রিয়ভাবে পদক্ষেপ নেওয়ার অভিন্ন ইচ্ছাকে নির্দেশ করে (Vikram Misri)।

    সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো

    মিশ্রির আলিশন হুকারের সঙ্গে সমান্তরাল বৈঠকে ডিসেম্বরের ফরেন অফিস কনসালটেশনসের পরবর্তী অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সেখানে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং নিরাপত্তা ক্ষেত্রগুলিতে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়। ভারত-আমেরিকা সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে এই ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক আলাপ-আলোচনায় (Marco Rubio)। এদিকে, রুবিও আগামী মাসে ভারত সফরে আসবেন বলে খবর। একে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সংকেত হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এই সফর বৃহত্তর কৌশলগত আলোচনার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে, যার মধ্যে সম্ভাব্য কোয়াড পর্যায়ের বৈঠকও অন্তর্ভুক্ত থাকবে, এবং এটি প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা ও আঞ্চলিক সহযোগিতায় নতুন উদ্যোগের পথ খুলে দিতে পারে।

    সব মিলিয়ে, এই আলোচনা একটি পরিণত অংশীদারিত্বের ইঙ্গিত দেয়, যা ভূ-রাজনীতি, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে অভিন্ন স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত। বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্য বদলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি (Marco Rubio) স্থিতিশীল ও বহু- মেরু আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গঠনে ক্রমশ আরও বেশি কাছাকাছি আসছে (Vikram Misri)।

     

  • Vikram Misri: ইরান যুদ্ধের আবহে ওয়াশিংটন সফরে যাচ্ছেন বিক্রম মিশ্রি, কেন জানেন?

    Vikram Misri: ইরান যুদ্ধের আবহে ওয়াশিংটন সফরে যাচ্ছেন বিক্রম মিশ্রি, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি সপ্তাহে ওয়াশিংটন (US) সফরে যাবেন বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রি (Vikram Misri)। সেখানে তিনি মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি সহযোগিতা পর্যালোচনা করা হবে, হবে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের প্রভাব নিয়ে আলোচনাও। এটি বিশ্বজুড়ে বহু দেশকে প্রভাবিত করেছে।

    মিশ্রির ওয়াশিংটন সফর (Vikram Misri)

    মিশ্রি ৮ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত ওয়াশিংটনে থাকবেন। ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার পর পশ্চিম এশিয়ায় যে সংঘাত শুরু হয়, তার পর এই প্রথম কোনও পদস্থ ভারতীয় কর্তা আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন। এই সফরটি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের ফেব্রুয়ারি মাসের ওয়াশিংটন সফরের পরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং এটি দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের ধারাবাহিকতার অংশ বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে বিদেশমন্ত্রক।

    নজিরবিহীন চাপ

    মন্ত্রক জানিয়েছে, এই সফরটি ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পূর্ণ পরিসর পর্যালোচনা এবং গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে যে সহযোগিতা চলছে, তাকে এগিয়ে নেওয়ার একটি সুযোগ। মিশ্রি মার্কিন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তাদের সঙ্গে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। উল্লেখ্য, এই সফর এমন একটা সময়ে হচ্ছে, যখন দুই দেশই সম্পর্ক স্থিতিশীল করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন, যার মধ্যে রাশিয়ার জ্বালানি কেনার জন্য ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শাস্তিমূলক শুল্কও ছিল (Vikram Misri)। এর ফলে দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নজিরবিহীন চাপ সৃষ্টি হয়। গত মে মাসে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের সংঘাত বন্ধে নিজের ভূমিকা নিয়ে ট্রাম্পের বারবার দাবি সম্পর্ককে প্রভাবিত করেছে।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘোষণা

    ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেন যে দুই দেশ একটি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির দিকে কাজ করছে এবং মার্কিন শুল্ক কমানো হয়েছে, যা সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথ তৈরি করেছে। প্রস্তাবিত এই বাণিজ্য চুক্তির কাঠামো ইতিমধ্যে নির্ধারিত হয়েছে এবং মিশ্রির বৈঠকগুলিতে এটি আলোচনায় আসতে পারে (US)। প্রসঙ্গত, গত মাসের শেষ দিকে ট্রাম্প মোদিকে ফোন করে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, ভারত অঞ্চলে দ্রুত শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে এবং বৈশ্বিক স্বার্থে হরমুজ প্রণালী খোলা ও নিরাপদ রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

    ভারত সংঘাত দ্রুত শেষ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহও নিশ্চিত করতে চায় ভারত।  কারণ এটি দেশের খাদ্য, জ্বালানি ও সার নিরাপত্তার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে, পশ্চিম এশিয়ার সব গুরুত্বপূর্ণ পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সেখানে বসবাসরত এক (US) কোটিরও বেশি ভারতীয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে নয়াদিল্লি (Vikram Misri)।

     

LinkedIn
Share