Tag: Delhi High Court

Delhi High Court

  • NHRC: বিজেপির নবান্ন চলো অভিযান, মানবাধিকার কমিশনকে ৬ মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানোর নির্দেশ

    NHRC: বিজেপির নবান্ন চলো অভিযান, মানবাধিকার কমিশনকে ৬ মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানোর নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে নবান্ন চলো অভিযান করেছিল বিজেপি (BJP)। সেই সময় অতিসক্রিয় হয়েছিল পুলিশ (Police)। এই মর্মে দায়ের হয়েছিল অভিযোগও। এবার সেই মামলায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে (NHRC) ছ মাসের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানোর নির্দেশ দিল দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। এ ব্যাপারে দিল্লি হাইকোর্টে বিজেপির এক স্বেচ্ছাসেবক রোহিত ভার্মা পিটিশন দায়ের করেছিলেন। সেই প্রেক্ষিতেই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে এই নির্দেশ দেন বিচারপতি প্রতিভা এম সিং।

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে (NHRC) নির্দেশ…

    আদালত জানিয়েছে, যদিও বিষয়টি কমিশনের বিবেচনায় রয়েছে, তবে তা নির্দিষ্ট একটি সময়ের মধ্যেই শেষ করা প্রয়োজন। যেহেতু ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২০ সালে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তরফে আইনজীবী জানান, কমিশন (NHRC) এ ব্যাপারে আবেদনকারীর অভিযোগের ব্যাপারে সম্মতি নিয়েছে এবং বিষয়টির স্বাধীন ও বুদ্ধিদীপ্ত মীমাংসার চেষ্টা করছে। আদালত এও জানিয়েছে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তরফে আদালতে যে হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছে, তাতে স্পষ্ট যে ওই দিন মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছিল। আবেদনের নিষ্পত্তি করতে গিয়ে আদালত জানিয়েছে, বিষয়টি যে বিবেচনায় রয়েছে, সেই যুক্তি সমর্থন করছে আদালত। ২০২০ সালে ঘটে ঘটনাটি। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এবং তাকে তা নিতে হবে আগামী ছ মাসের মধ্যেই।

    আরও পড়ুুন: ইডি-র ডাকে সিজিও-তে কুন্তল-পত্নী, নিজামে সিবিআইয়ের জেরা ‘কালীঘাটের কাকু’-কে

    প্রসঙ্গত, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের (NHRC) দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ওই আবেদন করা হয়েছিল। তাতে বলা হয়েছিল, ২০২০ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নবান্ন অভিযানে ব্যাপকভাবে লঙ্ঘিত হয়েছিল মানবাধিকার। আবেদনে বলা হয়েছে, ওই দিন পুলিশ নৃশংস আচরণ করেছিল মিছিলকারীদের ওপর। সেই নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য সরকার। সরকারের সমস্যাবহুল নীতি এবং দায়িত্বজ্ঞানহীনতার বিরুদ্ধে যেহেতু ওই নবান্ন চলো অভিযান হচ্ছিল, তাই সেই প্রতিবাদ মিছিলে নৃশংস আচরণ করেছিল পুলিশ। তারা সরাসরি নবান্ন চলো অভিযানের মিছিলে হামলা চালায়। এটা আসলে গণতন্ত্রের ওপর আক্রমণ।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Delhi High Court: মহিলা সঙ্গ দিলেই যে সে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হতে রাজি, তা নয়! মত দিল্লি হাইকোর্টের

    Delhi High Court: মহিলা সঙ্গ দিলেই যে সে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হতে রাজি, তা নয়! মত দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও মহিলা সঙ্গ দিতে রাজি হওয়া মানেই যে সে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হতে রাজি, তা কখনওই নয়। একটি যৌন হেনস্থা সংক্রান্ত মামলায় এমনই রায় দিল দিল্লির উচ্চ আদালত (Delhi High Court)।

    মহিলাদের উপর যৌন নির্যাতনের মামলায় বার বার নির্যাতিতার আচরণ নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। এক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। অভিযুক্ত সঞ্জয় মালিক ওরফে সন্তন সেবক দাসের আইনজীবী আদালতে (Delhi High Court) এটা প্রমাণ করার চেষ্টা করেন যে, যা ঘটেছে তা দু’জনের সম্মতিতে। ওই মহিলা দীর্ঘদিন ধরে তাঁর মক্কেলের সঙ্গে সম্পর্কে ছিল। এক্ষেত্রে ধর্ষণের অভিযোগ খাটে না। কিন্তু বিচারপতি অনুপ জয়রাম ভামবানি অভিযুক্তের আইনজীবীর বক্তব্যে সন্তুষ্ট হননি। তিনি সঞ্জয় মালিকের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়ে বলেন,  ‘একজন মহিলা কোনও পুরুষের সঙ্গে থাকতেই পারেন। সেই সম্পর্ক চলতে পারে বহুদিন। তার মানে এটা ভেবে নেওয়া ঠিক নয় যে, ওই মহিলা পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে সম্মত।’

    আরও পড়ুন: সমলিঙ্গে বিবাহের আইনি বৈধতা সংক্রান্ত মামলা এবার সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে

    অসহায় বিদেশিনীকে যৌন হেনস্থা

    ঘটনার সূত্রপাত ২০১৯ সালে। স্বামীর প্রয়াণের পর চেক প্রজাতন্ত্রের ওই মহিলা ভারতে এসেছিলেন হিন্দু রীতি মেনে তাঁর স্বামীর অস্থি গঙ্গায় বিসর্জন দিতে। তখনই তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় সঞ্জয় মালিকের। বন্ধুত্ব ক্রমশ গাঢ় হতে থাকে। আর সেই সুযোগেই ওই মহিলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত। নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী, প্রথমে দিল্লির এক হোস্টেলে তাঁকে যৌন হেনস্থা করেন সঞ্জয় মালিক। তারপর আরও দু’বার তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ। একবার উত্তর প্রদেশের প্রয়াগ রাজে, আর একবার বিহারের গয়ায় একটি হোটলে। শেষ পর্যন্ত ওই মহিলা সঞ্জয় মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন থানায়। সেটাও অনেক দেরিতে, ২০২২ সালে। সেই মামলারই শুনানি চলছে দিল্লির উচ্চ আদালতে। অভিযুক্তের আইনজীবী মক্কেলের জামিনের আবেদন জানাতে গিয়ে নানা যুক্তি খড়া করছিলেন বিচারপতির সামনে। তবে তা গ্রাহ্য হয়নি। অভিযুক্তের বয়ানে বেশ কিছু অসঙ্গতি থাকলেও, একজন অসহায় বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে যৌন হেনস্থা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না বলে মত বিচারপতির। সেই কারণে তিনি জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: তিহাড় জেলযাত্রা রুখতে জোড়া মামলা অনুব্রতর, লাভ হবে কি?

    Anubrata Mondal: তিহাড় জেলযাত্রা রুখতে জোড়া মামলা অনুব্রতর, লাভ হবে কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিহাড় জেলের ভাত খেতে চান না তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)! দিল্লির (Delhi) জেলযাত্রা রুখতে জোড়া মামলা দায়ের করলেন দুই হাইকোর্টে। দিল্লি হাইকোর্টের পাশাপাশি অনুব্রত দ্বারস্থ হয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিবেক চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন অনুব্রতর আইনজীবী। মামলাটি গৃহীতও হয়েছে। এদিনই বিকেল তিনটে নাগাদ শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার জন্য ইডিকে সবুজ সংকেত দেয় আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত। সেই মতো প্রস্তুতি নিতে শুরু করে ইডি। তার মধ্যেই অনুব্রতর তরফে দায়ের হল জোড়া মামলা। এদিন দিল্লি হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন অনুব্রতর আইনজীবী কপিল সিব্বল। মামলা দায়ের হয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে। জরুরি ভিত্তিতে এদিনই শুনানির আবেদন করেন সিব্বল।

    অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)…

    মঙ্গলবার দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ আদালতে প্রশ্নের মুখে পড়ে ইডি (ED)। অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) দিল্লিতে হাজির করানোর পরোয়ানা কেন কার্যকর করা হয়নি, সেই প্রশ্ন তোলে আদালত। তার পরেই গরু পাচার মামলায় ধৃত অনুব্রতকে আসানসোল জেল থেকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার তৎপরতা শুরু হয়। বৃহস্পতিবার আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেয় জেল কর্তৃপক্ষকে।

    গত বছরের অগাস্টের ২২ তারিখে সিবিআই গ্রেফতার করে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে। গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। বর্তমানে তিনি রয়েছেন আসানসোল জেলে। বীরভূমের এই তৃণমূল নেতার গ্রেফতারির পর উঠে এসেছিল একাধিক তথ্য। গরু পাচারের কালো টাকা লটারির মাধ্যমে সাদা করা হত কিনা, তা জানতেও তদন্ত করে সিবিআই। এদিকে, গ্রেফতার করার পর অনুব্রতর বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগও ওঠে। অভিযোগ করেছিলেন জনৈক শিব ঠাকুর মণ্ডল। শিব ঠাকুরের দাবি, এত দিন ভয়ে এ ব্যাপারে মুখ খোলেননি তিনি। অনুব্রত জেলবন্দি হওয়ার পরেই সাহস সঞ্চয় করেন তিনি। পরে দায়ের করেন অভিযোগ।

    আরও পড়ুুন: ‘এপাং ওপাং ঝপাং…’, মমতার অস্ত্রেই তৃণমূল বধ সুকান্তর!

    প্রসঙ্গত, অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) দিল্লি নিয়ে যাওয়া হবে কি না, তা নিয়ে চলছে টানাপোড়েন। ৯ ডিসেম্বর রাউস অ্যাভেনিউ কোর্ট অনুমতি দিয়েছিল দিল্লি নিয়ে যাওয়ার। তার পরেই দেখা গেল, একটি পুরনো মামলায় আসানসোল জেল থেকেই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করে দুবরাজপুর থানার পুলিশ।

    ফের জেল হেফাজত…

    এদিকে, অনুব্রতর ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত। শুক্রবার বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী এই নির্দেশ দেন। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ১৭ মার্চ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     
     
  • Virginity Test: তদন্তের নামে কোনও মহিলার কুমারীত্ব পরীক্ষা অসাংবিধানিক, জানাল দিল্লি হাইকোর্ট

    Virginity Test: তদন্তের নামে কোনও মহিলার কুমারীত্ব পরীক্ষা অসাংবিধানিক, জানাল দিল্লি হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সত্য খোঁজার নামে কোনও অভিযুক্ত মহিলার কুমারীত্ব পরীক্ষা (Virginity Test) ‘অমানবিক’ এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী বলে জানিয়ে দিল দিল্লি হাইকোর্ট। দিল্লি হাইকোর্ট তার পর্যবেক্ষণে জানায়, তদন্তের মধ্যে ‘সত্য উদ্ঘাটনের নামে’ কোনও অভিযুক্ত বা আটক হওয়া মহিলার ভার্জিনিটি টেস্টে কুমারীত্ব যাচাই করার পদক্ষেপ অংসবিধানিক।    

    প্রসঙ্গত, ১৯৯২ সালে সিস্টার অভয়া হত্যা মামলায় সিস্টার সেফির ভার্জিনিটি টেস্টের (Virginity Test) ঘটনাকে চ্যালেঞ্জ করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল হয়েছিল। সেই মামলা ওঠে দিল্লি হাইকোর্টে। সেই মামলা সম্পর্কেই এই পর্যবেক্ষণ। মামলাটিতে রায় দেন বিচারপতি স্বর্ণকান্তা শর্মা। বিচারপতি জানান, এমন পরিস্থিতিতে এই টেস্ট সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২১ এর বিধিকে লঙ্ঘন করছে। তিনি বলেন, “অভিযোগের জেরে সত্য পর্যন্ত পৌঁছানোর নামে অনুচ্ছেদ ২১ এর অধিকারকে লঙ্ঘন করা হয়েছে।” এই বিধিতে ব্যক্তি স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। হাইকোর্টের তরফে জানানো হয়েছে, এর ফলে সিস্টার সেফির মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। সিস্টার সেফির বিরুদ্ধে যে ফৌজদারী মামলা চলছে তা শেষ হলে যাতে তিনি এই টেস্টের নিরিখে ক্ষতিপূরণ চাইতে পারেন, তার অধিকার দিয়েছে কোর্ট। 

    উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালে কেরলের কোট্টায়ামে খুন হন সিস্টার অভয়া নামে এক সন্ন্যাসিনী। তাঁর দেহ, সেই এলাকাতেই অবস্থিত সেন্ট পায়াস টেন্থ কনভেন্টের কুয়ো থেকে পাওয়া যায়।

    অভিযোগ কী ছিল?

    ১৯৯২ সালের ২৭ মার্চের সেই খুনকে প্রথমে আত্মহত্যা বলে মনে হয়েছিল কেরল পুলিশের (Virginity Test)। ২০ বছর বয়সী শিক্ষানবিশ ওই সন্ন্যাসিনীর মৃত্যুতে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায় সেই সময়। কীভাবে মারা গেলেন তা নিয়ে ছিল প্রশ্ন উঠেছিল। এরপর অভিযুক্ত হিসাবে নাম উঠে আসে সিস্টার সেফির। মামলার দায়িত্ব পায় সিবিআই। সেই সময় অভিযুক্তের ভার্জিনিটি টেস্ট করার অনুমতি দেয় আদালত। দেখা যায়, সন্ন্যাসিনী হওয়া সত্ত্বেও সেফি কুমারী নন। তদন্তে জানা যায়, ফাদার কোট্টুর সঙ্গে তাঁর অবৈধ সম্পর্ক ছিল। তা অভয়া জানতে পেরে যান। আর তাতেই এই হত্যা বলে, সন্দেহ করা হয়। চলে তদন্ত। ফাদার কোট্টুকেও অভিযুক্ত করে আদালত।

    আরও পড়ুন: ১৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে সিবিএসই পরীক্ষা, কবে পাওয়া যাবে অ্যাডমিট?

    ২০২০ সালে এক বিশেষ সিবিআই আদালত সিস্টার সেফিকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল। তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মূলত, সিস্টার সেফির ভার্জিনিটি টেস্টের ভিত্তিতেই, ফাদার কোট্টুরের সঙ্গে তার অবৈধ সম্পর্ক প্রমাণ হয়েছিল আদালতে। সেই রায়ের বিরুদ্ধে কেরল হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন সিস্টার সেফি। উচ্চ আদালত আপাতত তাঁর সাজা স্থগিত রেখেছে। বিষয়টি নিয়ে মামলা চলছে। এর পাশাপাশি ২০০৯ সালে, তদন্ত চলাকালীন তার ভার্জিনটি টেস্ট (Virginity Test) করাকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন সিস্টার সেফি। এদিন সেই মামলারই রায় দিল দিল্লি হাইকোর্ট। যে ভার্জিনিটি টেস্টের ভিত্তিতে সিস্টার সেফিকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল সিবিআই আদালত, সেই প্রক্রিয়াটিই অসাংবিধানিক বলে জানিয়ে দিল দিল্লি হাইকোর্ট। কাজেই, এই দিনের রায় কেরল হাইকোর্টে চলা মূল মামলার প্রক্রিয়াকেও প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

         

  • Pathaan: দৃশ্যে বদল! ‘পাঠান’ নিয়ে বড় নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের

    Pathaan: দৃশ্যে বদল! ‘পাঠান’ নিয়ে বড় নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সংকটে শাহরুখের কামব্যাক ছবি ‘পাঠান’ (Pathaan)! সেন্সর বোর্ডের পরে এবার দিল্লি হাইকোর্টের স্ক্যানারে এই ছবি। গত সপ্তাহেই মুক্তি পেয়েছে ছবিটির ট্রেলার। কিছুদিন আগেই সেন্সর বোর্ড বেশ খানিকটা ছুড়ি কাঁচি চালিয়েছে ছবিটির ওপর। এমনকি ছবির ট্রেলারেরও বেশ কিছু অংশ বাদ পড়েছে। তারপরেও যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছে শাহরুখ, দীপিকা, জনের এই ছবির ট্রেলার।

    কী নির্দেশ আদালতের?

    দিল্লি হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, ছবিতে সাব টাইটেল, ক্লোজ ক্যাপশনিং এবং যাঁরা দৃষ্টি এবং শ্রবণে প্রতিবন্ধী তাঁদের জন্য হিন্দিতে বিশেষ বিবরণ যোগ করতে হবে প্রযোজনা সংস্থা যশরাজ ফিল্মসকে। একই সঙ্গে এপ্রিল মাসে ওটিটিতে ছবি-মুক্তির (Pathaan) নির্দেশও দিয়েছে আদালত।

    আদালতের বার এবং বেঞ্চ অনুসারে, দিল্লি হাইকোর্ট (Pathaan) প্রযোজকদের ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিশদ জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এবং সিবিএফসিকে ১০ মার্চের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। প্রসঙ্গত, ২৫ জানুয়ারি মুক্তি পাবে ছবিটি। আদালত আরও নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছে, ছবিটি এপ্রিল মাস থেকে প্রাইম ভিডিওতে দেখাতে হবে। বিচারকের মতে, তার আগে যাবতীয় যা পরিবর্তন তা সেরে নেওয়ার সময় পাবে প্রযোজনা সংস্থা।  

    কিছুদিন আগেই সেন্সর বোর্ড (Pathaan) ছবিতে বেশ কিছু পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছিল। ছবির বেশ কিছু ডায়ালগ এবং দৃশ্যে কাঁচি চালানো হয়েছে। এছাড়াও দীপিকা পাড়ুকোনের কয়েকটি দৃশ্য বাদ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সেন্সর বোর্ড। তারপরেই সেন্সর বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশনের তরফ থেকে ক্লিন চিট দেওয়া হয়েছিল পাঠানকে। কিন্তু ছবি মুক্তির মাত্র কয়েকদিন আগে ফের পরিবর্তনের নির্দেশ পেয়ে বেজায় মুশকিলে নির্মাতারা।

    আরও পড়ুন: কবে বিধানসভা নির্বাচন ত্রিপুরা-মেঘালয়-নাগাল্যান্ডে? আজই ঘোষণা করবে কমিশন

    সম্প্রতি বুর্জ খলিফায় ছবির ট্রেলার দেখিয়ে অভিনব প্রচার সেরেছেন (Pathaan) শাহরুখ। ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ছবিটির ট্রেলার! ছবিটির নির্দেশক সিদ্ধার্থ আনন্দ। মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শাহরুখ খান, দীপিকা পাড়ুকোন, জন আব্রাহাম। এছাড়াও, গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাবে ডিম্পল কাপাডিয়া এবং আশুতোষ রানাকে। হিন্দি, তামিল এবং তেলুগু ভাষায় দেশে এবং সারা বিশ্বে মুক্তি পাচ্ছে এই ছবি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Amitabh Bachchan: অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না ‘বিগ বি’-র নাম-ছবি-কণ্ঠস্বর, নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের

    Amitabh Bachchan: অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না ‘বিগ বি’-র নাম-ছবি-কণ্ঠস্বর, নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে আর বলিউড মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চনের (Amitabh Bachchan) নাম, কণ্ঠস্বর, ছবি তাঁর অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। এমনটাই আজ দিল্লি হাইকোর্ট নির্দেশ দিল। আদালত বলেছে, অভিনেতার ব্যক্তিত্বের অধিকার লঙ্ঘন করা যাবে না। তবে কী এমন হল, যার জন্য এমন নির্দেশ দেওয়া হল আদালত থেকে।

    ঘটনাটি কী?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ব্যক্তিত্বের অধিকার (Personality Rights) রক্ষার জন্য দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেন অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan) । শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অমিতাভের আইনজীবী। সেখানে তাঁদের তরফে দাবি করা হয়, নাম, কণ্ঠস্বর, ছবি এবং ব্যক্তিত্বের উপর শুধুমাত্র তাঁর অধিকার থাকবে। অন্য কারও থাকবে না। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই রীতিমতো উত্তেজনা বিনোদন জগতে।

    অমিতাভের (Amitabh Bachchan) আইনজীবী হাইকোর্টে জানিয়েছেন, সম্প্রতি ‘অমিতাভবচ্চন ডট কম’ নামে একটি ডোমেন বিক্রি হয়েছে। আর এটির সঙ্গে অমিতাভ বচ্চনের কোনও সম্পর্ক নেই। আবার কেউ টি-সার্টে তাঁর ছবি লাগিয়ে বিক্রি করছে, কেউ পোস্টার বানাচ্ছে। ফলে এক্ষেত্রে মেগাস্টারের নিজস্বতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আদালতে জানিয়েছেন আইনজীবী। সেই প্রসঙ্গ তুলেই দাবি করা হয়, বিগ বি-র নাম, কণ্ঠস্বর, ছবি এবং ব্যক্তিত্বের উপর শুধুমাত্র তাঁর অধিকার থাকবে।

    তাঁর (Amitabh Bachchan) পক্ষে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আইনজীবী হরিশ সালভে (Harish Salve)। বিচারপতি নবীন চাওলার (Justice Navin Chawla) এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়। এদিন বিচারপতি বলেন, “এটা অস্বীকার করা যায় না যে অমিতাভ বচ্চন একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব এবং তাঁকে অনেক বিজ্ঞাপনে দেখা গেছে। যারা তাঁর ব্যক্তিত্বকে তাঁর অনুমতি ছাড়াই তাদের ব্যবসা, পণ্য এবং পরিষেবার প্রচারের জন্য ব্যবহার করেছেন, তাদের প্রতি অসন্তুষ্ট হয়েছেন অমিতাভ বচ্চন। অভিনেতা এই ধরনের কার্যকলাপের জন্য ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন। তাই এই সমস্ত বিষয় মাথায় রেখে একটি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেওয়া হয়েছে।”

    এককথায় বলতে, অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan) বিনোদন জগতের সব থেকে বড় নাম। বিজ্ঞাপনে এই বড় নামের গুরুত্ব অনেক। কিন্তু এই নামকে কাজে লাগিয়েই অনেকেই তাদের ব্যবসা ও সংস্থার পণ্যে সেলিব্রিটিদের অনুমতি ছাড়াই তাঁদের ছবি, কণ্ঠ ব্যবহার করে। আর এই বিষয়টিকে বন্ধ করতেই এবারে সরব হয়েছেন ‘বিগ বি’ (Amitabh Bachchan) ।

     

  • Anubrata Mondal: ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত! সওয়াল করলেন কপিল সিব্বল

    Anubrata Mondal: ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত! সওয়াল করলেন কপিল সিব্বল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেষ্টকে দিল্লিতে নিয়ে যেতে মরিয়া ইডি। গরুপাচার মামলার তদন্তে রাজধানীতে নিয়ে গিয়ে অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mandal) জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। কেষ্টর প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে, গত সপ্তাহে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে আবেদন জানায় ইডি। তারই পাল্টা হিসেবে গরুপাচার মামলায় এবার ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ অনুব্রত মণ্ডল। ইডির আবেদন খারিজের দাবিতে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি।

    আরও পড়ুন: ‘‘অপেক্ষা করুন, ছবি আসছে, সব সামনে আসবে!’’ শুভেন্দুর নিশানায় কে?

    অনুব্রতের হয়ে কপিল সিব্বল

    বাংলার মামলায় দিল্লিতে এনে কেন জেরা করতে হবে? এই প্রশ্ন তুলে অনুব্রতর পক্ষে দিল্লি হাইকোর্টে সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। অনুব্রতের শারীরিক অবস্থা দেখিয়ে দিল্লি যাত্রা এড়ানোর কথা বলা হয়েছে। আগামী শুক্রবার মামলার শুনানি। ফলে এখনই অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যেতে পারছে না ইডি (Enforcement Directorate)।  মঙ্গলবার আদালতে অনুব্রতের হয়ে সিব্বল জানান যে,পশ্চিমবঙ্গে এই মামলায় অধিকাংশ অভিযোগ উঠেছে। ফলে বাংলাতেই অনুব্রতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করুক ইডি। সিব্বলের এই যুক্তির বিরোধিতা করে অনুব্রতের দেহরক্ষী তথা গরু পাচার মামলায় ধৃত সায়গল হোসেনের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির তরফে বলা হয়,সায়গলকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: বুধবার থেকে রাজ্যে নির্বাচনী প্রচার শুরু মহাগুরুর! আজ কলকাতায় এলেন মিঠুন

    ইডির মামলা

    ইডির আবেদনের বিরোধিতা করে দিল্লি হাই কোর্টে এই মামলা হওয়ায় অনুব্রতকে নিয়ে যাওয়া নিয়ে ইডির করা মামলার শুনানি মঙ্গলবার হয়নি রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে।  গত শুক্রবার দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে তৃণমূল নেতার নামে ‘প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট’ জারি করার আবেদন করেন ইডির আইনজীবীরা। সেই আবেদন গ্রহণ করেও কোনও নির্দেশ দেননি বিচারক। এদিন ছিল শুনানি। কিন্তু তা স্থগিত হয়ে যায়। ইডির যুক্তি ইতিমধ্যেই এই মামলায় দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, অনুব্রতকন্যা সুকন্যাকেও। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে অনুব্রত ও সুকন্যার হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকেও। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গরুপাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত একাধিক নয়া তথ্য মিলেছে। সূত্রের খবর, সেই তথ্যের ভিত্তিতে অনুব্রতকে আরও বিশদে জেরা করতে চায় ইডি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Umar Khalid: উমর খালিদের জামিন খারিজ, দিল্লির হিংসার ঘটনায় নির্দেশ হাইকোর্টের

    Umar Khalid: উমর খালিদের জামিন খারিজ, দিল্লির হিংসার ঘটনায় নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উমর খালিদের (Umar Khalid) জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল দিল্লি হাইকোর্ট। ২০২০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লি হিংসা (Delhi Riots) মামলায় গ্রেফতার হন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের নেতা উমর খালিদ। ইউএপিএ (UAPA) এবং অস্ত্র আইনের বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা করা হয় তাঁর বিরুদ্ধে। ২৪ মার্চ ট্রায়াল কোর্ট তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন। এর পরেই দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) দ্বারস্থ হন উমর খালিদ। মঙ্গলবার সেখানেও হতাশ হতে হল তাঁকে। এদিন খারিজ হয়ে গেল তাঁর জামিনের আবেদন। দিল্লি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ খারিজ করে দেয় তাঁর জামিনের আবেদন।

    এদিন দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি সিদ্ধার্থ মৃদুল ও রজনীশ ভাটনগর রায় দিতে গিয়ে বলেন, জামিনের আবেদনের কোনও মেরিট আমরা খুঁজে পাচ্ছি না। তাই জামিনের আবেদন খারিজ করে দেওয়া হল। ২০২০ সালে গ্রেফতার হন উমর খালিদ (Umar Khalid)। জামিনের আবেদনে তিনি বলেন, হিংসায় কোনও দুষ্কৃতীর ভূমিকা তাঁর ছিল না, ষড়যন্ত্রের যোগও ছিল না। অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যা রয়েছে।  জামিনের আবেদনে উমর খালিদ (Umar Khalid) বলেন, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অমরাবতীতে তিনি যে বক্তৃতা দিয়েছিলেন, যা নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে, সেই বক্তৃতায় তিনি বিপ্লব কথাটির উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, এই বিপ্লব শব্দটি কোনও হিংসাত্মক কথা নয় কিংবা হিংসায় উসকানি দেয় না।

    আরও পড়ুন: উমর খলিদের জামিনের আবেদনের বিরোধিতায় উঠল সার্জিল ইমাম প্রসঙ্গ

    যদিও দিল্লি পুলিশ তাঁর জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করেন। পুলিশের দাবি, খালিদ (Umar Khalid) যে বক্তৃতা দিয়েছিলেন, তা খুব হিসেব কষেই। তার জেরেই  বাবরি মসজিদ, তিন তালাক, কাশ্মীর, মুসলমানদের দমনের অভিযোগ, সিএএ এবং এনআরসির মতো ইস্যুগুলি লালিতপালিত হয়। পুলিশের যুক্তি, হিংসার ঘটনা ঘটেছিল দু দফায়। প্রথমটি ২০১৯ সালে। আর দ্বিতীয়টি ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। হিংসার সময় ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় রাস্তা অবরোধ, পুলিশ কর্মীদের ওপর আক্রমণ এবং আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানদের ওপর আক্রমণ এবং অ-মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় হিংসার ঘটনা ঘটে। মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করাই ছিল এর উদ্দেশ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • HC on Shaheen Bagh: শাহিনবাগের নেপথ্যে ছিল পিএফআই-এসডিপিআই! আদালতকে জানাল দিল্লি পুলিশ 

    HC on Shaheen Bagh: শাহিনবাগের নেপথ্যে ছিল পিএফআই-এসডিপিআই! আদালতকে জানাল দিল্লি পুলিশ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংশোধিত নাগরিত্ব আইনের (CAA) প্রতিবাদে শাহিনবাগে (Shaheen Bagh) যে আন্দোলন হয়েছিল তা কোনও স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন ছিল না। ছিল সংগঠিত। নিরপেক্ষ আন্দোলনও ছিল না। তার নেপথ্যে ছিল বৃহস্পতিবার দিল্লি হাইকোর্টকে (Delhi High Court) পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI) ও সোশ্যাল ডেমক্রেটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়া (SDPI)। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টকে একথাই জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। পুলিশ এও জানিয়েছে, শাহিনবাগ এবং স্থানীয় লোকজনও ওই আন্দোলন সমর্থন করেননি। পুলিশ এও জানিয়েছে, প্রতিবাদ আন্দোলন সংগঠিত করতে বিভিন্ন এলাকায় লোকজনও পাঠানো হয়েছিল।

    নাগরিকত্ব আইন লাগু হবে এই আশঙ্কায় প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠে দিল্লির শাহিনবাগ এলাকা। ওই মামলায় নাম জড়ায় দিল্লির জওহরলাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উমর খলিদের। ওই মামলায় আপাতত বন্দি রয়েছেন উমর। তাঁর বিরুদ্ধে ইউএপিএ ধারায় মামলা হয়েছে। উমরের জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করতে গিয়ে পুলিশ আদালতে বেশ কিছু নথিপত্র জমা দিয়েছে। সেই মামলার শুনানি চলাকালীন এদিন হাইকোর্টকে একথা জানায় দিল্লি পুলিশ।

    আরও পড়ুন : সিএএ কবে থেকে লাগু হবে জানেন? কী বললেন অমিত শাহ?

    বিচারপতি সিদ্ধার্থ মৃদুল ও রজনীশ ভাটনগরের বেঞ্চে চলছে ওই মামলার শুনানি। এদিন সেখানেই স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অমিত প্রসাদ বলেন, শাহিনবাগে যা হয়েছিল, তাকে সংগঠিত প্রতিবাদী আন্দোলন হিসেবে দেখানো হয়েছিল। তবে এটা তা ছিল না। এটা এমন পরিস্থিতি ছিল না, যখন আচমকাই লোকজন শাহিনবাগে চলে আসে…এই প্রতিবাদী ক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছিল। পুলিশ এও জানিয়েছে, শাহিনবাগের অন্যতম প্রতিবাদী দাদিও ছিলেন না এর পিছনে। শাহিনবাগের নেপথ্যে ছিলে বিভিন্ন মানুষ এবং সংগঠনের অ্যালায়েন্স। শাহিনবাগের আন্দোলন কোনও নিরপেক্ষ আন্দোলন ছিল না।

    স্পেশাল প্রসিকিউটর এদিন আদালতে চ্যাট মেসেজ দেখান। আন্দোলন চলাকালীন ওই মেসেজ চালাচালি হয়েছিল। এর মধ্যে অভিযুক্তরাও রয়েছে। তারাই খেপিয়েছিল জনতাকে। জড়ো করেছিল লোকজনকে। তাদের সমর্থন জানিয়েছিল। তিনি জানান, শাহিনবাগের আন্দোলনের পিছনে ছিল পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া এবং সোশ্যাল ডেমক্রেটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়া। আমি প্রথম দিনই বলেছিলাম, এর পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। মূল চক্রীরা দৃশ্যমান এবং অদৃশ্যমান দুই ছিল। একটি দৃশ্যমান উপকরণ হল পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২৫ অগাস্ট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Delhi High Court: উমর খলিদের জামিনের আবেদনের বিরোধিতায় উঠল সার্জিল ইমাম প্রসঙ্গ

    Delhi High Court: উমর খলিদের জামিনের আবেদনের বিরোধিতায় উঠল সার্জিল ইমাম প্রসঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উমর খলিদের (Umar Khalid) জামিনের (Bail) আবেদনের বিরোধিতা করতে গিয়ে সার্জিল ইমামের (Sharjeel Imam) বক্তৃতার প্রসঙ্গ টানল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। সার্জিল আসানসোল (Asansole), আলিগড় ও গয়ায় সিএএ (CAA) এবং এনআরসির (NRC) বিরুদ্ধে বক্তৃতা দিয়েছিলেন।

    উমর খলিদের জামিনের আবেদনের শুনানি হচ্ছিল দিল্লি হাইকোর্টে। ২০২০ সালে উত্তর-পূর্ব দিল্লি হিংসা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত উমর। বুধবার নিম্ন আদালত তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। বিচারক সিদ্ধার্থ মৃদুল ও রাজনীশ ভাটনগরের ডিভিশন বেঞ্চে ওই মামলার শুনানি হচ্ছিল। এদিন সওয়াল জবাবে অংশ নিয়েছিলেন স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অমিত প্রসাদ। আগামী মঙ্গলবার ফের শুনানি হবে এই মামলার।

    আরও পড়ুন : খয়রাতি নয়, মর্যাদার সঙ্গে রোজগার করাই বেশি পছন্দ ভোটারদের, মত সুপ্রিম কোর্টের

    এদিন সওয়াল করতে গিয়ে সার্জিল ইমামের প্রসঙ্গ টানেন অমিত প্রসাদ। বলেন, সার্জিল ইমাম মুসলিমরা বিপদের মধ্যে রয়েছেন, বাবরি মসজিদ, তিন তালাক, মুসলিম দমন, সিএএ-এনআরসি এবং কাশ্মীর নিয়ে ভাষণ দিয়েছেন বিভিন্ন জায়গায়। আসানসোল, আসাম, উত্তর প্রদেশের আলিগড় এবং গয়ায় ওই ভাষণ দিয়েছেন তিনি। আদালতের বিচারে তাঁর ভাষণ “প্রকৃতিগতভাবে জ্বালাময়ী”। তিনি মুসলিমদের উসকানি দিয়েছিলেন। ইমামের একটি বক্তব্যে বলা হয়েছিল, ১৯৪৭ সালের পর থেকে এখনও মুসলমানেরা স্বাধীনতা পায়নি। তিনি রাস্তা অবরোধ ও চাক্কা জ্যাম করতে মুসলিমদের উসকানিও দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এই মামলার আগের শুনানি হয়েছে ১ অগাস্ট। সেদিন সরকার পক্ষের আইনজীবী বলেছিলেন, উত্তর-পূর্ব দিল্লির হিংসা একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের ফল। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল মুসলিমদের মনে ভয়ের আবহ সৃষ্টি করা। এভাবে গোটা শহর অচল করে দেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল। বাবরি মসজিদ, তিন তালাক, মুসলিম দমন, সিএএ-এনআরসি এবং কাশ্মীর ইস্যুতে জড়ো করা হয়েছিল বিক্ষোভকারীদের। এদিকে, উমর খলিদের আইনজীবী এদিন আদালতে জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে অতিরঞ্জিত অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রকৃত অভিযুক্তদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share